Tag Archives: শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ

শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ

জেল কোড অনুযায়ী শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ

আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু হচ্ছে শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ

 

শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ
শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ

 

শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ

বিধি-৬৩৩। ব্যারাক এবং সেল বৎসর ব্যাপী প্রত্যুষে খোলা হবে। ব্যারাক এবং সেল খোলার ২০ মিনিট আগে ঘন্টা বা গং বাজানোর পর ওয়াচম্যানরা বন্দীদেরকে ডেকে উঠাবে এবং তাদের বেডিং গুছিয়ে রাখাবে। তারপর গাছ অনুসারে বন্দীরা ব্যারাকের মাঝখানে সারিবদ্ধ ভাবে বসবে। বন্দীদের কেউ অসুস্থ কিনা এবং মেডিকেল অফিসারের সাথে দেখা করতে চায় কিনা কয়েদী কর্মচারীরা তা নিশ্চিত করবে। নোট- বিধি ১২২৬ অনুসারে মেডিকেল অফিসার শীতের কারণে ওয়ার্ড খোলার সময় নির্ধারণে ক্ষমতাবান।

বিধি ৬৩৪-৬৩৬। সকালের প্রাকৃতিক কার্যাদি ।

বিধি-৬৩৭। সকালের নাস্তা খাওয়ার পর বন্দীদের হাজিরা নেয়া হবে এবং প্রত্যেক গ্যাং তাদের নির্ধারিত কাজের স্থানের উদ্দেশ্যে চলে যাবে।

বিধি-৬৩৮ । বন্দীরা দুই সারিতে চলাচল করবে।

বিধি-৬৩৯। বন্দীরা কাজে যাবার সময় কম্বল ও বেডিং ছাড়া অন্যান্য জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে যাবে।

বিধি-৬৪০। যদি কোন আবদ্ধ ওয়ার্ক শপ থাকে এবং তাতে গেইট থাকে কাজের সময় তা তালাবদ্ধ করে রাখতে হবে।

বিধি-৬৪১। প্রত্যেক ওয়ার্ক শেডে একটি প্রস্রাবখানা রাখতে হবে।

বিধি-৬৪২। মধ্যাহ্নে কর্ম বিরতির ঘন্টা বাজলে কাজ বন্ধ করে বন্দীরা গোসল সারবে, খাবার গ্রহণ করবে। যখন তারা খাবার গ্রহণ করবে তখন কারারক্ষীরা তাদের পিছনে খাবার প্লাটফর্মের চারদিকে দাঁড়ানো থাকবে যাতে কোন বন্দী তার খাবার অন্যকে না দিয়ে দেয় বা কোন খাবার না লুকিয়ে নেয়।

বিধি-৬৪৩। দুপুরের পর যখন আবার কাজ শুরু করার ঘন্টা বাজবে তখন প্রত্যেক গ্যাং তাদের নির্ধারিত কাজের স্থানে চলে যাবে এবং বিকালে কাজ শেষের ঘন্টা না বাজানো পর্যন্ত কাজ করবে। কাজ শেষের ঘন্টা বাজার পর গ্যাং কাজ বন্ধ করবে এবং নিজেদের কাপড় চোপড়সহ নিজ নিজ ওয়ার্ডে বা নির্ধারিত স্থানে ফিরে আসবে ।

সেখানে তাদের গণনা করা হবে এবং গ্যাং বইতে রেকর্ডকৃত সংখ্যার সাথে মিলিয়ে দেখা হবে। এর পর তারা টয়লেট ব্যবহার, হাত মুখ ধোয়া এবং খাবার গ্রহণ প্রভৃতি কাজ সারবে। তারপর ব্যারাক গেইটে হাজির হবে, গণনা এবং লক-আপ না করা পর্যন্ত তারা বসে থাকবে।

বিধি-৬৪৪। কারাগারের বাহিরে কাজে নিয়োজিত বন্দীর গ্যাং-কে ভিতরে নিয়ে আসতে হবে। কারাগারের বাহিরে গোসল করা এবং খাবার গ্রহণ নিষেধ।

বিধি-৬৪৫। বন্দীদের রাত্রিকালীন ব্যবহারের জন্যে প্রত্যেক ওয়ার্ডে নাইট- লেট্রিনের ব্যবস্থা করতে হবে।

 

শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ
শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ

 

বিধি-৬৪৬। জেল সুপার সপ্তাহে একবার সকাল বেলায় সকল বন্দীদের প্যারেড অনুষ্ঠান করবেন। সেখানে তিনি তাদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা শুনবেন। প্যারেডে প্রত্যেক শ্রেনীর বন্দী পৃথক পৃথক ভাবে লাইনে দাঁড়াবে ।

বিধি-৬৪৭। জেল সুপার বা জেলারের কাছে কোন বক্তব্য প্রদানের উদ্দেশ্যে কোন বন্দী নিজের কাজ ছেড়ে আসবে না। জেলার দিনে কমপক্ষে একবার প্রত্যেক বন্দীকে ভিজিট করবেন এবং তাদেরকে আবেদন বা নালিশ জানানোর সুযোগ দিবেন।

বিধি-৬৪৮। বন্দীরা কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ পালন করবে। তারা কয়েদী কর্মচারীদের নির্দেশও পালন করবে, যদি না তারা কারা বিধানের পরিপন্থী কোন নির্দেশ প্রদান করে।

বিধি-৬৪৯। কারাগারের ভিতর সব সময় কঠোর নীরবতা বজায় রাখতে হবে, কেবল মাত্র কাজের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কোন আলোচনার ক্ষেত্রে ছাড়া। রাতের বেলা ওয়ার্ডে যে কোন প্রকার কথা বলা, গান গাওয়া বা ঝগড়া করা একেবারে নিষিদ্ধ।

বিধি-৬৫০। কারাগারের শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করা এবং করলে তার পরিণতি সম্পর্কে বন্দীদেরকে সতর্ক করে দিতে হবে।

বিধি-৬৫১। জেল সুপারের প্যারেড পরিদর্শনের পূর্ব দিন বন্দীরা তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ পরিষ্কার ভাবে ধৌত করবে। হাসপাতালের কাপড় ও বেডিং ধৌত করার জন্যে একজন কয়েদী ধোপা নিয়োগ করা যেতে পারে। কম্বল, কোর্তা এবং বেডিং ১১৭৩ বিধি মোতাবেক ধৌত করতে হবে।

বিধি-৬৫২। (১) এক মাসের বেশী মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত সকল তৃতীয় শ্রেণীর বন্দী মাথার চুল ছোট করে ছাঁটাই করে রাখবে, গোঁফ, হাত ও পায়ের নখ কেটে ছোট রাখতে হবে এবং প্রতি ১৫ দিনে একবার তা করতে হবে। প্রত্যেক কয়েদী কর্মচারী এবং বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত বন্দী স্বাস্থ্যের জন্যে যেরূপ উপযুক্ত সেরূপ পরিমাণ চুল দাঁড়ি ছোট রাখবে। তবে-

(ক) জেল সুপার এ সুবিধা থেকে যে কাউকে বাদ দিতে পারেন;

(খ) শিখ, লুসাই, বুটিয়া, চাইনিজ এবং মগ-দের চুল এভাবে ছোট করতে হবে না, তারা চিরুণী ব্যবহার করবে;

(গ) হিন্দুরা শিখি বা শিখা রাখতে পারবে;

(ঘ) মুসলমানরা যে রকম খুশী সে রকম লম্বা দাড়ি রাখতে পারবে, তাদেরকে প্রয়োজনে চিরুণী ব্যবহার করতে হবে;

(ঙ) মহিলাদের চুল কাটতে হবে না।

(চ) কোন সাজাপ্রাপ্ত বন্দীর মুক্তির ৩০ দিন বাকী থাকা অবস্থায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে চুল কাটা যাবে না।

(ছ) জীবাণুর আক্রমণ, নোংরা বা রোগের কারণে মেডিকেল অফিসার প্রয়োজন মনে করলে যে কোন বন্দীর চুল কাটা বা কামানোর ব্যবস্থা করবেন, এ জন্যে কারা মহাপরিদর্শকের লিখিত আদেশ প্রয়োজন হবে এবং বন্দীর হিস্ট্রি টিকেটে তা লিখতে হবে।

(২) বিচারাধীন বন্দীদেরকে তাদের চুল একবারে ছোট করে ছাঁটতে দেয়া হবে না বা তাদের বাহ্যিক চেহারার এমন কোন পরিবর্তন করতে দেয়া হবে না, যাতে তাদেরকে সনাক্ত করতে অসুবিধা হয়। এটা প্রতিরোধ করার জন্যে কাঁচি বা এ ধরনের কোন যন্ত্র তাদের ওয়ার্ডে রাখতে দেয়া হবে না।

এক মাসের বেশী সময় কারাগারে আছে এমন বিচারাধীন বন্দীদের চুল তারা কারাগারে আগমনের সময় যে রকম লম্বা ছিল সে রকম করে কাটতে হবে। জীবাণুর আক্রমণ, নোংরা বা রোগের কারণে মেডিকেল অফিসার প্রয়োজন মনে করলে যে কোন বিচারাধীন বন্দীর চুল কাটার ব্যবস্থা করতে পারবেন, তবে তা প্রয়োজনের চেয়ে ছোট হবে না।

(৩) বন্দীদের ব্যবহারের জন্যে প্রত্যেক কেন্দ্রীয় এবং জেলা কারাগারে একটি চুল কাটার দোকান স্থাপন করতে হবে।। এ দোকানের ব্যবহার কেবলমাত্র কয়েদী কর্মচারী, বিচারাধীন বন্দী এবং সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। জেল সুপারের অনুমতিক্রমে এর ব্যবহার অন্যান্য অস্ত্র আচরণকারী বন্দীদের জন্যেও সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। সেলুনে ব্যবহৃত রেজর, কাঁচি প্রভৃতি প্রত্যেক রাত্রে এবং দুপুরের বিশ্রামের সময় জেলার তার হেফাজতে রাখবেন।}

নং ১২১৩.এইচ জে তারিখ ১৬-৫-১৯৩৯ মুলে সংযোজিত। বিধি-৬৫৩। পূর্ববর্তী বিধি সমূহে বর্ণিত দৈনিক রুটিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এবং কারাগারে পালিত গেজেটেড ছুটির দিনেও অনুসরণ করা হবে, তবে সে সকল দিনে মেনিয়াল ও কারাগার চত্ত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাসহ প্রয়োজনীয় কাজে নিয়োজিত বন্দীগণ ব্যতীত অন্যান্য বন্দীদের কাজ করতে হবে না।

তৃতীয় শ্রেণীর বন্দীদের গ্যাংকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকাল ১০ টা পর্যন্ত কারাগার আঙিনায় ব্যয়াম করার জন্যে অনুমতি দেয়া হবে এবং বিকালের প্যারেডের জন্যে আরও একঘন্টা অনুমতি দেয়া হবে। এর মাঝের সময় তারা তাদের ওয়ার্ডে থাকবে। কোন ইহুদি বন্দীকে শনিবারে কাজ করতে হবে না।

 

শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ
শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ

 

বিধি-৬৫৪। (১) শিক্ষিত এবং ভদ্র আচরণকারী তৃতীয় শ্রেণীর বন্দীদেরকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বা বিশ্রামের সময়ে কারাগরের লাইব্রেরী হতে কিংবা জেল সুপার উপযুক্ত মনে করলে তার অনুমতিক্রমে বাহির হতে একটি বা দুইটি বই পড়ার জন্যে অনুমতি দেয়া যেতে পারে।

(২) জেল সুপার তার ক্ষমতা বলে বিশেষ বিবেচনায় ভদ্র আচরণকারী তৃতীয় শ্রেণীর বন্দীদেরকে বিভিন্ন প্রকার বই কারাগার লাইব্রেরী হতে প্রদান করতে পারেন। তবে শর্ত থাকে যে, কোন বন্দীকে এক সঙ্গে ৫টির বেশী বই দেয়া যাবে না। জেল সুপার তাদেরকে নিজেদের খরচে সময়ে সময়ে অনুমোদিত ম্যাগাজিন, সাময়িকী, বই এবং খবরের কাগজ কেনার অনুমতিও প্রদান করতে পারেন, সে সব জেল সুপার কর্তৃক প্রয়োজনীয় সেন্সর করে তাদের কাছে দেয়া হবে। নিরাপত্তা বন্দী, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদেরকে সরকারী খরচে প্রদত্ত খবরের কাগজ তাদের প্রয়োজন শেষে তৃতীয় শ্রেণীর বন্দীদেরকে পড়তে দেয়া যেতে পারে।

নং- ২৫৯৬ এইচ জে, তারিখ ১৫-১২-১৯৫১ মূলে প্রতিস্থাপিত ।

(৩) একজন বন্দীকে ইস্যুকৃত বই অন্য বন্দীর নিকট হস্তান্তর করা যাবে না, যদি করা হয় বরাদ্দ প্রাপকের এ সুবিধা রহিত করা হবে এবেং সে সঙ্গে শাস্তি পেতে হবে।

(৪) আচরণকারী তৃতীয় শ্রেণীর বন্দীদেরকে তাদের নিজ খরচে একটি এক্সারসাইজ খাতা রাখার অনুমতি দেয়া যেতে পারে। কোন পেন্সিল অনুমতি দেয়া হবে না, তবে কলম এবং কালি কারা কর্তৃপক্ষ প্রদান করবেন। এক্সারসাইজ খাতাটি সাধারণ স্কুল এক্সারসাইজ খাতা হবে, তবে তার প্রতিটি পাতায় পৃষ্ঠা নম্বর দেয়া থাকবে এবং কোন পাতা খুলে ফেলা হয়েছে কিনা মাঝে মাঝে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। এ সব কাগজে পত্র লিখার অনুমতি দেয়া হবে না।

 

(৫){কারা মহাপরিদর্শকের লিখিত পূর্ব অনুমতিক্রমে ভদ্র আচরণকারী সাজাপ্রাপ্ত বন্দী এবং বিচারাধীন বন্দীদেরকে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেই এমন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বা সরকার অনুমোদিত অন্যান্য পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবার অনুমতি দেয়া যেতে পারে; শর্ত থাকে যে, বই কেনা বা পরীক্ষা বা অন্য কোন ফি বাবদ এ উপলক্ষ্যে সরকারের অতিরিক্ত কোন খরচ হবে না। পরীক্ষা কারাগারের অভ্যন্তরে অনুষ্ঠিত হবে ।

নং- ২৭৭ এইচ জে, তারিখ ১১-২-১৯৪৬ মূলে প্রতিস্থাপিত।

বিধি-৬৫৫ । কারারক্ষীর সঙ্গে বা সঙ্গবিহীন সকল অবস্থায় বন্দীদেরকে বাজারে যেতে দেয়া নিষিদ্ধ।

বিধি-৬৫৬। যতজন বন্দী সাজা খাটার কথা রয়েছে ততজন ঐ দিন উপস্থিত আছে কিনা তা নিশ্চিত হবার জন্যে প্রত্যেক মাসের শেষ দিনে কারাগারের সাজাপ্রাপ্ত বন্দীর সংখ্যা গণনা করতে হবে।

বিধি-৬৫৭। এই কোডে অনুমোদিত না হলে-

(১) কোন ব্যক্তি কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য সঙ্গে নিয়ে কারাগারের ভিতরে প্রবেশ করবে না বা কারাগার হতে বাহিরে নিয়ে যাবে না, বা প্রবেশ বা বাহির করার চেষ্টা করবে না, বা কোন বন্দীর নিকট কারাগারের সীমানার বাহিরে সরবরাহ করবে না বা সরবরাহের চেষ্টা করবে না;

(২) কারাগারের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য সঙ্গে নিয়ে কারাগারের ভিতরে প্রবেশ করবে না বা কারাগার হতে বাহিরে নিয়ে যাবে না, বা প্রবেশ বা বাহির করার চেষ্টা করবে না, বা কোন বন্দীর নিকট কারাগারের সীমানার বাহিরে সরবরাহ করবে না বা সরবরাহের চেষ্টা করবে না;

(৩) কোন ব্যক্তি কোন বন্দীর সাথে পত্র যোগাযোগ করবে না বা যোগাযোগের চেষ্টা করবে না।
কোন ব্যক্তি এ বিধিতে বর্ণিত কোন অপরাধ করলে বা অপরাধের সহায়তা করলে, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনধিক দুইশত ঢাকা পর্যন্ত অর্থ দণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে।

 

শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ
শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কাজ

 

 

বিধি-৬৫৮। যখন কোন ব্যক্তি কারাগারের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিত অবস্থায় ৬৫৭ বিধিতে বর্ণিত কোন অপরাধ করে, এবং অনুরূপ কর্মকর্তা- কর্মচারীর দাবী অনুযায়ী নাম-ঠিকানা প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়, অথবা অনুরূপ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিকট কোন নাম-ঠিকানা প্রদান করে, যা ঐ কর্মকর্তা- কর্মচারী মিথ্যা বলে জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে, অনুরূপ কর্মকর্তা- কর্মচারী তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন, এবং অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই তাকে একজন পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করবেন, এবং অতঃপর অনুরূপ পুলিশ কর্মকর্তা এমন ভাবে কার্যক্রম গ্রহণ করবেন যেন অপরাধটি তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়েছে ।

বিধি-৬৫৯। কারা আইন, ১৮৯৪ এর ৪২ ধারা মোতাবেক কারাগারে নিষিদ্ধ কাজের তালিকা এবং শাস্তি উল্লেখ করে জেল সুপার কারাগারের বাহিরে সহজ দৃষ্টি গোচর স্থানে ইংরেজী এবং বাংলা ভাষায় লিখিত একটি নোটিশ বোর্ড টানিয়ে রাখার ব্যবস্থা করবেন ।

বিধি-৬৬০। কারা আইন, ১৮৯৪ এর ৬০ (এফ) ধারা অনুসারে নিম্নোক্ত দ্রব্যাদি উক্ত আইনের ৪২ এবং ৪৫ (১২) ধারার অর্থ অনুসারে কারাগারে প্রবেশ নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি বলে গণ্য হবে, যদি না এ ধরনের কোন দ্রব্য-

(ক) কর্তপক্ষের অনুমোদন মোতাবেক কোন কারাগারে প্রবেশ করানো হয় বা কারাগার হতে বাহির করা হয়,

(খ) জেল সুপার বা তার পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার অনুমতিক্রমে কোন বন্দী সেগুলো গ্রহণ করে, দখলে রাখে বা হস্তান্তর করে।