Tag Archives: জেল কোড

জেল কোড

শিশু আইন | প্রাথমিক ১

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় শিশু আইন

শিশু আইন

 

শিশু আইন

 

ঢাকা, ২২ জুন, ১৯৭৪ সংসদ কর্তৃক নিম্নলিখিত আইনটি ২১ জুন ১৯৭৪ তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করিয়াছে এবং এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা যাইতেছে :

শিশুদের হেফাজত,রক্ষণ ও পরিচালনা এবং বাল-অপরাধীদের বিচার ও সাজা সম্পর্কিত আইন একীভূত ও সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন৷ যেহেতু শিশুদের হেফাজত, রক্ষণ ও পরিচালনা এবং বাল-অপরাধীদের বিচার ও সাজা সম্পর্কিত আইন একীভূত ও সংশোধন করার জন্য একটি আইন প্রণয়ন সমীচীন ; (1)

সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:- 

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।-

(১) এই আইন শিশু আইন, ১৯৭৪ নামে অভিহিত হইবে ।

(২) সরকার সরকারী গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যেইরূপ নির্ধারণ করিবেন সেইরূপ এলাকাসমূহে এবং সেই সকল তারিখে এই আইন বলবৎ হইবে ।

২। সংজ্ঞাসমূহ।-

বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

               (ক) ‘প্রাপ্ত বয়স্ক’ অর্থ এইরূপ ব্যক্তি যিনি শিশু নহেন ।

               (খ) ‘অনুমোদিত আবাস’ অর্থ এইরূপ কোন প্রতিষ্ঠান যাহা শিশুদেরকে গ্রহণ ও হেফাজত করার জন্য অথবা তাহাদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ নিরোধের উদ্দেশ্যে এবং উহার তত্ত্বাবধানে ন্যস্ত কোন শিশুকে তাহার জন্মগত ধর্মের বিধান মোতাবেক পালন করিবার বা করিবার সুযোগ প্রদানের জন্য কোন সমিতি অথবা ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং সরকার কর্তৃক স্বীকৃত; 

               (গ) ‘ভিক্ষা করা’ অর্থ-

(অ) গান গাওয়া, নাচ দেখানো, ভাগ্য গণনা করা, পবিত্র স্তবক পাঠ করা অথবা কলাকৌশল দেখানো, ভান করিয়া হউক বা না হউক, প্রভৃতি দ্বারা, কোন প্রকাশ্য স্থানে ভিক্ষা চাওয়া বা গ্রহণ করা ;

(আ) ভিক্ষা চাহিবার বা গ্রহণের উদ্দেশ্যে কোন বেসরকারী আঙিনায় প্রবেশ করা

(ই) কোন ক্ষত, ঘা, জখমী, বিকলাঙ্গতা কিংবা ব্যধি, ভিক্ষা প্রাপ্তি বা আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা বা অনাবৃত করিয়া রাখা ;

 

(ঈ) জীবন ধারণের দৃশ্যত: কোন উপায় নাই বলিয়া প্রকাশ্য স্থান সমূহে এইরূপ অবস্থায় ও পন্থায় ঘুরিয়া বেড়ানো বা অবস্থান করা যাহা দ্বারা বুঝা যায় এইরূপ ভাবেই ভিক্ষা চাহিয়া বা গ্রহণ করিয়া তিনি বাঁচিয়া আছেন, এবং

(উ) ভিক্ষা চাওয়া বা গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে নিজেকে আলামত হিসাবে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য অনুমতি দেওয়া,

                (ঘ) ‘প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট ‘ অর্থ সরকার কর্তৃক স্থাপিত কোন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান অথবা ১৯ ধারার অধীনে সরকার কর্তৃক প্রত্যায়িত কোন প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট, শিল্প বিদ্যালয় অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান;

                (ঙ) ‘প্রধান পরিদর্শক ‘ অর্থ ৩০ ধারার অধীনে নিয়োগ প্রাপ্ত প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউট সমূহের প্রধান পরিদর্শক;

                (চ) ‘শিশু ‘ অর্থ ১৬ বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি এবং প্রত্যায়িত ইনষ্টিটিউটে বা অনুমোদিত আবাসে প্রেরিত অথবা আদালত কর্তৃক কোন আত্নীয় বা অন্য উপযুক্ত ব্যক্তির হেফাজতে সোপর্দকৃত শিশুর ক্ষেত্রে সেই শিশু যে তাহার পূর্ণ সময়কাল আটক থাকে, উক্ত সময়ে তাহার বয়স ১৬ বৎসর পূর্ণ হইলেও;

                 (ছ) ‘কার্যবিধি ’ অর্থ ১৮৯৮ সনের ফৌজদারি কার্যবিধি (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন);

                 (জ) ‘অভিভাবক’ বলিতে কোন শিশু কিংবা বাল-অপরাধীর ক্ষেত্রে এইরূপ ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত যিনি আদালতের মতে, শিশু বা বাল-অপরাধী সম্পর্কে গৃহীত কার্যধারা মানিয়া লইতে উক্ত শিশু বা বাল-অপরাধীর যথার্থ দায়িত্ব অথবা নিয়ন্ত্রণের ভার সাময়িকভাবে গ্রহণ করেন;

                 (ঝ) — কিশোর আদালত ‘ অর্থ ৩ ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত আদালত ;

                 (ঞ) নিরাপদ স্থান ‘ বলিতে রিমান্ড হোম অথবা এইরূপ অন্য কোন উপযুক্ত স্থান কিংবা প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত যাহার দখলদার বা ব্যবস্থাপক সাময়িকভাবে শিশুকে গ্রহণ করিতে ইচ্ছুক অথবা যেখানে অনুরূপ রিমান্ড হোম বা অন্য উপযুক্ত স্থান কিংবা প্রতিষ্ঠান নাই সেখানে, কেবল পুরুষ শিশুদের ক্ষেত্রে, এইরূপ ব্যবস্থা সম্পন্ন থানা যাহার মধ্যে শিশুগণকে অন্যান্য অপরাধী হইতে পৃথকভাবে হেফাজতে রাখার বন্দোবস্ত রহিয়াছে;

                  (ট) ‘ নির্ধারিত ‘ অর্থ এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত 

                  (ঠ) ‘প্রবেশন অফিসার’ অর্থ ৩১ ধারার অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রবেশন অফিসার;

 

শিশু আইন

 

                  (ড) ‘তত্ত্বাবধান’ অর্থ শিশুর পিতা-মাতা, অভিভাবক, আত্নীয় কিংবা কোন উপযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক শিশুর যথাযথ দেখাশুনা ও হেফাজত নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে কোন প্রবেশন অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে শিশুকে ন্যস্ত রাখা; এবং

                  (ণ)’বাল-অপরাধী ‘ অর্থ এইরূপ কোন শিশু যাহাকে অপরাধ করিতে দেখা গিয়াছে

বন্দী সনাক্তকরণ আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দী সনাক্তকরণ আইন

বন্দী সনাক্তকরণ আইন

 

বন্দী সনাক্তকরণ আইন

 

৯ সেপ্টেম্বর, ১৯২০ সাজাপ্রাপ্ত বন্দী এবং অন্যদের মাপ ও ফটোগ্রাফ গ্রহণের কর্তৃত্ব প্রদানকল্পে প্রনীত আইন। যেহেতু সাজাপ্রাপ্ত বন্দী ও অন্যদের মাপ ও ফটোগ্রাফ গ্রহণের কর্তৃত্ব প্রদান করা সমীচীন, সেইহেতু নিম্নলিখিত আইন প্রণয়ন করা হইল ঃ-

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রয়োগ।-

(১) এই আইন বন্দী সনাক্তকরণ আইন, ১৯২০ নামে অভিহিত হইবে ; এবং

(২) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হইবে ।

২। সংজ্ঞাসমূহ।

বিষয় বস্তু বা প্রসঙ্গের বিপরীত কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

              (ক) “মাপ” বলিতে আঙ্গুলের ছাপ এবং পায়ের ছাপও বুঝাইবে ; 

              (খ) “পুলিশ অফিসার” বলিতে একটি থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার, ১৮৯৮ সালে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪শ অধ্যায় অনুসারে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার, অথবা সাব ইন্সপেক্টরের নিম্নপদস্থ নহে এইরূপ অন্য কোন পুলিশ অফিসার ; এবং

               (গ) “নির্ধারিত” বলিতে এই আইন অনুসারে প্রণীত বিধানাবলী দ্বারা নির্ধারিত বুঝাইবে ।

৩। সাজাপ্রাপ্ত বন্দীর মাপ,প্রভৃতি গ্রহণ।-

প্রত্যেক ব্যক্তি যে –

              (ক) এক বৎসর বা ততোধিক মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে, অথবা এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছে যাহার দরুন পররবর্তীকালে দোষী সাব্যস্ত হইলে সে বর্ধিত দণ্ড প্রাপ্তির যোগ্য হইবে; অথবা

              (খ) ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারা অনুসারে সদাচরণের জন্য মুচলেকা প্রদানের জন্য আদেশ প্রাপ্ত হইয়াছে ; সে প্রয়োজন হইলে, একজন পুলিশ অফিসারকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে তাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ গ্রহণ করিতে দিবে। 

৪। সাজাপ্রাপ্ত নয় এমন অন্যান্য ব্যক্তির মাপ,প্রভৃতি গ্রহণ।

কোন ব্যক্তি এক বৎসর বা ততোধিক মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে গ্রেফতার হইয়া থাকিলে, কোন পুলিশ অফিসার যদি প্রয়োজন মনে করেন তবে নির্ধারিত পদ্ধতিতে তাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ গ্রহণ করিতে দিবে।

 

৫। মাপ বা ফটোগ্রাফ গ্রহণের আদেশ প্রদানের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের ক্ষমতা।

যদি কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এই মর্মে সন্তুষ্টি লাভ করেন যে, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন তদন্ত বা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে তাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ নিতে দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা প্রয়োজন, তবে তিনি সেই মর্মে একটি আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন। এইরূপ ক্ষেত্রে যে ব্যক্তির উদ্দেশ্যে উক্ত আদেশ প্রদত্ত হইবে, সেই ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে হাজির করা হইবে বা সে নিজে হাজির হইবে এবং পুলিশ অফিসার কর্তৃক তাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ লইতে দিবে ঃ

তবে শর্ত যে, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট ভিন্ন অন্য কাহারও দ্বারা কোন ব্যক্তির ফটোগ্রাফ গ্রহণের নির্দেশ সম্বলিত আদেশ প্রদত্ত হইবে না ;

আরও শর্ত এই যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্তরূপ কোন তদন্ত বা কার্যক্রম প্রসঙ্গে কোন সময় গ্রেফতার না হইয়া থাকিলে এই ধারা অনুসারে কোন আদেশ প্রদত্ত হইবে না ।

৬। মাপ,প্রভৃতি গ্রহণে বাধা দেওয়া।-

(১) এই আইন অনুসারে যাহার মাপ ও ফটোগ্রাফ নিতে দেওয়া প্রয়োজন এরূপ কোন ব্যক্তি যদি উহা নিতে বা দিতে অস্বীকার করে তবে তাহা নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ আইনসম্মত হইবে ।

(২) এই আইন অনুসারে মাপ বা ফটোগ্রাফ নিতে বাধা দেওয়া বা দিতে অস্বীকার করা দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা অনুসারে অপরাধ বলিয়া বিবেচিত হইবে ।

৭। খালাসের কারণে ফটোগ্রাফ এবং রেকর্ড, প্রভৃতি নষ্ট করা।-

যে ব্যক্তি পূর্বে কখনও এক বছর বা তদুর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত হয় নাই, এরূপ কোন ব্যক্তি এই আইনের বিধান অনুসারে তাহার মাপ বা ফটোগ্রাফ লইতে দিয়া থাকিলে, সেই ব্যক্তি যখন বিনা-বিচারে মুক্তি পায় বা কোন আদালত কর্তৃক অব্যাহতি বা খালাসপ্রাপ্ত হয়, তখন তাহার সমস্ত মাপ ও সমস্ত ফটোগ্রাফ (নিগেটিভ ও কপি উভয়) যাহা গৃহীত হইয়াছে আদালত অথবা (সেই ব্যক্তি যে ক্ষেত্রে বিনা বিচারে মুক্তি পাইয়াছে) জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা অফিসার লিপিবদ্ধকৃত কারণে অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে তাহা নষ্ট করিয়া ফেলা হইবে অথবা সেই ব্যক্তির নিকট অর্পণ করা হইবে । 

৮। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা।-

(১)এই আইনের বিধানসমূহ কার্যকরী করিবার উদ্দেশ্যে সরকার বিধিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষভাবে এবং উপরোক্ত বিধানসমূহের সাধারণ প্রকৃতি ক্ষুণ্ণ না করিয়া অনুরূপভাবে প্রণীত বিধিমালায় নিম্নলিখিত বিষয়ে বিধান সন্নিবেশিত করা যাইবে –

                (ক) ৫ ধারা অনুসারে কোন ব্যক্তির ফটোগ্রাফ গ্রহণের উপর নিয়ন্ত্রণ

                (খ) যেই সকল স্থানে মাপ ও ফটোগ্রাফ নেওয়া যাইবে তাহা নির্ণয় ;

                (গ) যে মাপ গ্রহণ করা হইবে তাহার প্রকৃতি নির্ণয় ; (ঘ) যে পদ্ধতিতে কোন শ্রেণীর বা শ্রেণীসমূহের মাপ গ্রহণ করা হইবে তাহা নির্ণয় ; 

                (ঙ) কোন ব্যক্তির ৩ ধারা অনুসারে ফটোগ্রাফ গ্রহণের সময় সেই ব্যক্তি যে পোশাক পরিধান করিবে, তাহা নির্ণয় ; এবং

                (চ) মাপ ও ফটোগ্রাফ সম্পর্কিত কাগজপত্র সংরক্ষণ, হেফাজত ধ্বংস করা ও বিলি ব্যবস্থা করা । 

 

বন্দী সনাক্তকরণ আইন

 

৯ । মামলা দায়ের নিষেধ।-

এই আইন বা ইহার অধীনে প্রণীত কোন বিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন কিছু করিলে, বা করিবার ইচ্ছা করিলে, তজ্জন্য তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের বা অন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না ।

বন্দীদের নিকট সমন জারী | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের নিকট সমন জারী

বন্দীদের নিকট সমন জারী

 

বন্দীদের নিকট সমন জারী

 

৪৭। বন্দীদের নিকট কিভাবে সমন জারী করিতে হইবে।-

যখন কোন কারাগারে আটক কোন ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কোন ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালত হইতে সমন জারী করা হয়, কারাগারের ভারপ্রাপ্ত-কর্মকর্তাকে উহার মূল কপি প্রদর্শন করিয়া এবং তাহার নিকট একটি কপি জমা প্রদান করিয়া উহা জারী করা যাইতে পারে।

৪৮। বন্দীর অনুরোধে জারীকৃত সমন অগ্রগামী করণ।-

(১) কারাগারের প্রত্যেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, যাহার নিকট ৪৭ ধারা মোতাবেক সমন প্রদান করা হইয়াছে, যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি তাহার নিকট জমাকৃত সমন যে ব্যক্তির উদ্দেশ্যে জারী করা হইয়াছে তাহাকে তাহা দেখাইবার এবং ব্যাখ্যা করিবার ব্যবস্থা করিবেন, এবং অত:পর উহাতে তাহার স্বাক্ষর গ্রহণ করিবেন এবং সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন যে,বর্ণিত ব্যক্তির নিকট তাহার দায়িত্বে সমন জারী করিয়া দেখানো ও বুঝানো হইয়াছে।

(২) পূর্ব বর্ণিত অনুরূপ সার্টিফিকেট সমন জারীর প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে গণ্য হইবে, এবং, যাহার উদ্দেশ্যে সমন প্রেরণ করা হইয়াছে, সে যদি তাহাকে দেখানো এবং বুঝানো সমনটি অন্য কাহারো নিকট প্রেরণের জন্য অনুরোধ করে এবং উহার ডাক খরচ প্রদান করে, কারাগারের ভারপ্রাপ্ত-কর্মকর্তা তাহা প্রেরণের ব্যবস্থা করিবেন।

৪৯ । বাতিল ।

 

৫০। খরচ জমা প্রদান।-

কোন আদালত এই ভাগের কোন বিধানের অধীনে দেওয়ানী সংক্রান্ত কোন আদেশ প্রদান করিবেন না, যে পর্যন্ত ইহা কার্যকর করিবার খরচ এবং চার্জ (আদালত কর্তৃক নির্ধারণ করিতে হইবে) অনুরূপ আদালতে জমা না দেওয়া হয় ।

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ আদেশের জন্য আবেদনের পর যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আবেদনকারীর বর্ণিত খরচ বহনের যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান নাই, আদালতের আনুষঙ্গিক ব্যয়ের কোন প্রযোজ্য তহবিল হইতে আদালত উক্ত খরচ প্রদান করিতে পারেন এবং পরিশোধিত মোট ব্যয় আদালত কর্তৃক নির্দেশিত ব্যক্তি হইতে ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির আওতায় মামলার প্রদেয় খরচ আদায়ের ন্যায় সরকার আদায় করিতে পারিবেন।

৫১। এই ভাগের অধীনে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা।-

(১) সরকার বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবেন-

             (ক) বন্দীদের আদালতে হাজির করিবার জন্য এবং আদালত হইতে ফেরত নেওয়ার জন্য প্রহরা এবং সেই সময় তাহাদেরকে আটক রাখিবার নিয়ন্ত্রণের জন্য; 

             (খ) অনুরূপ প্রহরার জন্য যেই পরিমাণ খরচ এবং চার্জ অনুমোদন করিতে হইবে তাহা নিয়ন্ত্রণের জন্য; এবং 

             (গ) এই ভাগের সহিত সম্পর্কিত অন্যান্য সকল বিষয় প্রয়োগের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে পরিচালনার জন্য;

(২) উপ-ধারা (১) মোতাবেক প্রণীত সকল বিধি সরকারী গেজেটে প্রকাশ করিতে হইবে, এবং অনুরূপ প্রকাশের তারিখ হইতে এই আইনের কার্যকারীতার ন্যায় সমভাবে বলবৎ হইবে।

৫২। কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে গণ্য করিবার ঘোষণা প্রদানের ক্ষমতা।-

সরকার এই ভাগের উদ্দেশ্যে, কোন্ কর্মকর্তা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত-কর্মকর্তা বলিয়া গণ্য হইবেন, তাহা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

 

বন্দীদের নিকট সমন জারী

 

৫৩ । বাতিল ।

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

 

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

 

৩৪। এই ভাগে কারাগার, প্রভৃতির উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুলকেও বুঝাইবে।-

এই ভাগে কারাগার বা কারাবাস বা অন্তরীণ প্রভৃতির সকল উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুল বা সেখানে আটক রাখাকেও বুঝাইবে ।

৩৫। সাক্ষ্য প্রদানের প্রয়োজনে বন্দীকে হাজির করিতে দেওয়ানী আদালতের ক্ষমতা।-

৩৯ ধারার বিধান সাপেক্ষে, কোন দেওয়ানী আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, তাহার আপীল এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে, যদি তাহা হাইকোর্ট বিভাগ হয়, কিংবা, হাইকোর্ট বিভাগ না হইলে, অনুরূপ আদালত যে হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন, তাহার এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে অবস্থিত কোন কারাগারে আটক কোন ব্যক্তির ঐ আদালতে অনিষ্পন্ন কোন প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সাক্ষ্য প্রয়োজন, ১ নম্বর তফসিলের বণর্না মোতাবেক আদালতে হাজিরের জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন

৩৬। জেলা জজকে ৩৫ ধারার অধীনে প্রদত্ত কতিপয় আদেশ প্রতিস্বাক্ষর করিতে হইবে।-

(১) যখন ৩৫ ধারা অধীনে কোন দেওয়ানী অনিষ্পন্ন বিষয়ে কোন আদেশ প্রদান করা হয়-

           (ক) জেলা জজের অধস্তন কোন আদালত কর্তৃক, বা 

           (খ) ছোট মামলার আদালত কর্তৃক; তাহা কোন অফিসারের নিকট, যিনি নির্দেশিত হইবেন বা কার্যকর করিবেন, প্রেরণ করা যাইবে না, যেই পর্যন্ত পেশ করা না                    হয় এবং প্রতিস্বাক্ষরিত না হয়-

            (i) জেলা জজ কর্তৃক, ঐ আদালত যাহার অধস্তন, বা

            (ii) জেলা জজ কর্তৃক যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে ঐ ছোট মামলার আদালত অবস্থিত।

(২)জেলা জজের নিকট উপ-ধারা (১) মোতাবেক দাখিল কৃত আদেশের সঙ্গে অধস্তন আদালত বা ছোট মামলার আদালতের বিচারকের একটি বিবৃতি থাকিবে, যাহাতে কোন কারণে আদেশ প্রদান প্রয়োজন তাহার উল্লেখ থাকিবে, এবং জেলা জজ উক্ত বিবৃতি বিবেচনা পূর্বক আদেশটি প্রতিস্বাক্ষর করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারেন।

 

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

 

৩৭। সাক্ষ্য প্রদান বা অভিযোগের জবাব প্রদানের জন্য বন্দীকে হাজির করিতে কতিপয় ফৌজদারি আদালতের ক্ষমতা।-

৩৯ ধারার বিধান সাপেক্ষে, কোন ফৌজদারি আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, তাহার আপীল এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে, যদি তাহা হাইকোর্ট বিভাগ হয়, কিংবা হাইকোর্ট বিভাগ না হইলে, অনুরূপ আদালত যে হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন, তাহার এখতিয়ারভুক্ত এলাকার মধ্যে অবস্থিত কোন কারাগারে আটক কোন ব্যক্তির ঐ আদালতে অনিষ্পন্ন কোন প্রাসঙ্গিক বিষয়ে বা তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের জবাব প্রদান প্রয়োজন, ২ নম্বর তফসিলের বর্ণনা মোতাবেক আদালতের হাজিরের জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি অনুরূপ আদালত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নের হয়, তাহা হইলে, উক্ত আদেশ সেই জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের প্রতিস্বাক্ষরের জন্য পেশ করিতে হইবে, ঐ ফৌজদারি আদালত যাহার অধস্তন বা এখতিয়ারভুক্ত এলাকার সীমানার মধ্যে অবস্থিত।

৩৮। ব্যক্তি যেখানে আটক রহিয়াছে আদেশ সেই জেলার বা মহকুমার ম্যাজিষ্ট্রেট এর মাধ্যমে অগ্রগামী করিতে হইবে।-

যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য এই ভাগ অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হইয়াছে, যদি আদেশ প্রদানকারী বা প্রতিস্বাক্ষকারী আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার বাহিরের জেলায় সে আটক থাকে, তাহা হইলে যে জেলায় সে আটক রহিয়াছে সে জেলা বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের মাধ্যমে আদেশ প্রেরণ করিতে হইবে, এবং অনুরূপ জেলা বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট যে কারাগারে বন্দী আটক রহিয়াছে, সে কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট তাহা প্রেরণের ব্যবস্থা করিবেন।

 

৩৯। একশত মাইলের বেশী দূরে আটক ব্যক্তিকে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য স্থানান্ত রের পদ্ধতি।-(১) যখন হাইকোর্টে বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে একশত মাইলের বেশী দূরে অবস্থিত কোন কারাগারে আটক কোন বন্দীর সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়, এবং অনুরূপ আদালত মনে করে যে, এই ভাগ অনুযায়ী সাক্ষ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে তাহাকে স্থানান্তর করা প্রয়োজন, তখন ঐ আদালতের বিচারক বা সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা যে হাইকোর্টে বিভাগের আপীল এখতিয়ারাধীন, সেই হাইকোর্ট বিভাগের নিকট লিখিত আবেদন করিবেন, যদি হাইকোর্ট বিভাগ সমীচীন মনে করেন, তাহা হইলে কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১ নম্বর সিডিউল মোতাবেক আদেশ প্রদান করিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগ কোন আদেশ যে জেলার কারাগারে বন্দী আটক রহিয়াছে, সেই জেলা বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের মাধ্যমে প্রেরণ করিবেন, এবং অনুরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট তাহা প্রেরণের ব্যবস্থা করিবেন।

৪০। হাইকোর্ট বিভাগের আপীল এখতিয়ারের বাহিরে অন্তরীণ ব্যক্তি।-

যখন কোন বন্দী হাইকোর্ট বিভাগের আপীল এখতিয়ারভুক্ত বাহিরে কোন কারাগারে আটক থাকে, তখন অনুরূপ আদালতের কোন বিচারক যদি মনে করেন যে, আনীত অভিযোগের জবাব বা সাক্ষ্য প্রদানের জন্য ঐ বন্দীকে ঐ আদালতে বা তাহার অধস্তন কোন আদালতে স্থানান্তর করা প্রয়োজন, তাহা হইলে বন্দীকে স্থানান্তরের জন্য সেই সরকারের নিকট লিখিত আবেদন করিতে হইবে,

যাহার এলাকার মধ্যে ঐ কারাগার অবস্থিত, এবং ঐ সরকার সমীচীন মনে করিলে বন্দীদের প্রহরা নিয়ন্ত্রণের জন্য ঐ সরকার নির্ধারিত বিধান সাপেক্ষে, ঐ ব্যক্তিকে স্থানান্তর করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

৪১ । বন্দীকে লইয়া আসিতে হইবে।-

যে কারাগারে বন্দী আটক রহিয়াছে, সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট এই ভাগের অধীনে প্রেরিত কোন আদেশ পৌঁছানোর পর, আদেশে উল্লেখিত সময়ে বন্দীকে আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা করিবেন, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত তাহাকে পরীক্ষা না করে এবং যে কারাগারে আটক ছিল সেখানে ফেরত নেওয়ার আদেশ প্রদান না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালতের নিকটবর্তী স্থানে তাহাকে প্রহরায় আটক রাখিবার করিবেন ব্যবস্থা

৪২। সরকার কর্তৃক এই ভাগের কার্যকারিতা হইতে কতিপয় বন্দীকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা।-

সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিদেরকে কারাগার হইতে স্থানান্তর না করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন; এবং তাহার পর হইতে ঐ আদেশ কার্যকর থাকা পর্যন্ত ৪৪ ধারা হইতে ৪৬ ধারার বিধানসমূহ ব্যতীত, এই ভাগের অন্যান্য বিধান অনুরূপ ব্যক্তি বা অনুরূপ শ্রেণীর ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হইবে না । ৪৩। কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে যখন আদেশ প্রতিপালনে বিরত থাকিতে হইবে।-নিম্ন বর্ণিত ক্ষেত্র সমূহে, যথা- 

          (ক) যখন ধারা ৩৫,৩৭ বা ৩৯ এর অধীনে প্রদত্ত আদেশে হাজির ৩১৫ করিবার জন্য এমন কোন বন্দীর নাম থাকে, যে অসুস্থতা বা বৈকল্যতার জন্য স্থানান্তরের অযোগ্য, কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঐ কারাগার যে জেলা বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় অবস্থিত, তাহার নিকট লিখিত আবেদন করিবেন, এবং যদি অনুরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট উল্লেখিত বন্দীকে তাহার অভিমতে অসুস্থতা বা বৈকল্যের জন্য স্থানান্তরের অযোগ্য বলিয়া ঘোষণা করেন;বা

          (খ) যখন অনুরূপ আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তি বিচারের জন্য সোপর্দ থাকে;বা

          (গ) যখন অনুরূপ আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তি অনিষ্পন্ন বিচার বা প্রাথমিক অনুসন্ধানের আওতায় রিমান্ডে থাকে;বা

          (ঘ) যখন অনুরূপ আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তি যে মেয়াদের জন্য আটক রহিয়াছে, এই ভাগ মোতাবেক স্থানান্তর করিবার পূর্বেই এবং আটককৃত কারাগারে ফেরত আনিবার পূর্বেই তাহার মেয়াদ উত্তীর্ণ হইয়া যাইবে; কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদেশ প্রতিপালন হইতে বিরত থাকিবেন, এবং যে আদালত হইতে আদেশ প্রেরিত হইয়াছে সে আদালতকে এইরূপ বিরত থাকিবার কারণ বর্ণনা করিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বোক্ত অনুরূপ কর্মকর্তা এইরূপ বিরত থাকিবেন না, যখন-

           (i) আদেশ ৩৭ ধারার অধীনে প্রদান করা হইয়াছে;এবং

           (ii) আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তিকে বিচারের জন্য সোপর্দ করা হইয়াছে, বা কোন অনিষ্পন্ন বিচারের জন্য পুন:আটক রহিয়াছে বা অনিষ্পন্ন প্রাথমিক অনুসন্ধানের আওতায় রহিয়াছে, কিন্তু অসুস্থতা বা বৈকল্যের জন্য উহাতে হাজির হইতে হইবে না; এবং

 

বন্দীদের হাজিরা এবং তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনে বিধান

 

           (iii) আদেশে উল্লেখিত যে স্থানে সাক্ষ্য প্রদান করিতে হইবে, তাহার দূরত্ব সে যে কারাগারে আটক রহিয়াছে সেখান হইতে ৫ মাইলের বেশী নয়।

বন্দীদের-খালাস | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের খালাস

বন্দীদের-খালাস

 

বন্দীদের-খালাস

৩৩। ক্ষমা করিবার সুপারিশকৃত বন্দীকে হাইকোর্ট-বিভাগের আদেশে ব্যক্তিগত মুচলেকার মাধ্যমে মুক্তি প্রদান।

হাইকোর্ট-বিভাগ কোন ক্ষেত্রে, যেখানে কোন বন্দীকে নি:শর্ত ক্ষমা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ করিয়া থাকিলে,

 

সে ক্ষেত্রে ঐ বন্দীকে তাহার ব্যক্তিগত মুচলেকায় মুক্ত করিয়া দেওয়ার অনুমতি প্রদান করিতে পারেন ।

 

বন্দীদের-খালাস

দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী

দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী

দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী

 

৩২। দ্বীপান্তরের দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত-বন্দীদের আটক রাখিবার স্থান নির্ধারণ এবং সেখান হইতে স্থানান্তর।-

(১)সরকার বাংলাদেশের মধ্যে স্থান নির্ধারণ করিতে পারিবেন,যেখানে দ্বীপান্তরের দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত-বন্দীদেরকে পাঠানো হইবে; এবং সরকার বা সরকারের পক্ষে ক্ষমতা প্রাপ্ত কতিপয় কর্মকর্তা,

 

পূর্ব হইতে অন্য অপরাধের কারণে দ্বীপান্তর ভোগরত ব্যক্তি ব্যতীত, অনুরূপ সকল ব্যক্তিকে স্থান সমূহে স্থানান্তরের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) বাতিল ।

 

দ্বীপান্তর দণ্ডাদেশাধীন বন্দী

বন্দীদের স্থানান্তর করণ | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের স্থানান্তর করণ

বন্দীদের স্থানান্তর করণ

 

বন্দীদের স্থানান্তর করণ

 

২৮। এই ভাগে কারাগার, প্রভৃতির উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুলকেও বুঝাইবে।-

এই ভাগে কারাগার বা কারাবাস বা অন্তরীণ প্রভৃতির সকল উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুল বা সেখানে আটক রাখাকেও বুঝাইবে।

২৯। বন্দীদের স্থানান্তর।-

(১) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে কোন কারাগারে,

            (ক) মৃত্যুদণ্ডাদেশ অধীন বন্দী, বা

            (খ) তদধীনে, বা তদস্থলে, কারাদণ্ড বা দ্বীপান্তর, বা

            (গ) জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য, বা

            (ঘ) শান্তিরক্ষার জন্য বা সদাচরণের জন্য মুচলেকা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য, আটক যে কোন বন্দীকে বাংলাদেশের অন্য যে কোন কারাগারে স্থানান্তরের জন্য ব্যবস্থা করিতে পারেন।

(২) সরকারের আদেশ এবং নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, কারা মহা পরিদর্শক, অনুরূপ উপায়ে, বাংলাদেশের কোন কারাগারে পূর্ব বর্ণিত আটক কোন বন্দীকে বাংলাদেশের অপর কোন কারাগারে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন।

 

 

৩০। উম্মাদ বন্দীদেরকে কিভাবে পরিচালনা করিতে হইবে।-

(১) যখন সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন আদালতের আদেশ বা দণ্ডাদেশে আটক বা অন্তরীণ কোন ব্যক্তি মানসিক বিকারগ্রস্ত, সরকার ঐ ব্যক্তির মানসিক বিকারগ্রস্ততার কারণে তাহাকে উম্মাদ আশ্রয় কেন্দ্র বা বাংলাদেশের অন্য কোথাও নিরাপদ হেফাজতে স্থানান্তরের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন; সেখানে তাহাকে আটক রাখা হইবে এবং দণ্ডাদেশ মোতাবেক অবশিষ্ট সাজার মেয়াদ পর্যন্ত সরকারের নির্দেশ মোতাবেক পরিচালনা করা হইবে,

কিংবা, সাজার মেয়াদ শেষ হইয়া গেলেও, মেডিকেল অফিসার যদি সার্টিফিকেট প্রদান করেন যে, বন্দীর বা অন্যদের নিরাপত্তার জন্য তাহাকে চিকিৎসা সেবার জন্য পুনরায় আটক রাখা প্রয়োজন, অত:পর আইন মোতাবেক খালাস প্রদান না করা পর্যন্ত তাহাকে সেখানে রাখা হইবে ।

(২) যখন সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বন্দী মানসিক সুস্থতা অর্জন করিয়াছে, যদি বন্দী হিসাবে এখনও তাহাকে আটক রাখিবার দায় থাকে, তাহা হইলে যেই কারাগার হইতে তাহাকে স্থানান্তর করা হইয়াছিল সেই কারাগারে, বা বাংলাদেশের অন্য কোন কারাগারে পুনরায় তাহাকে আটক রাখিবার জন্য, বা যদি আটক রাখিবার কোন দায় না থাকে তবে, তাহাকে খালাসের জন্য, সরকার ওয়ারেন্ট মূলে আদেশ প্রদান করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) মোতাবেক উম্মাদ আশ্রয় কেন্দ্রে আটক সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে, আটকের বা কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হইয়া যাওয়ার পর, ১৯১২ সালের উম্মাদ আইনের বিধান সমূহ প্রযোজ্য হইবে; এবং, যে সময় বন্দী উম্মাদ আশ্রয় কেন্দ্রে আটক ছিল ঐ সময়কে তাহার কারাভোগ বলিয়া গণনা করা হইবে, যাহা ভোগ করিবার জন্য আদালত তাহাকে দণ্ড প্রদান করিয়াছে । 

 

বন্দীদের স্থানান্তর করণ

 

৩১ । বাতিল ।

দণ্ডসমূহ কার্যকর করণ | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় দণ্ডসমূহ কার্যকর করণ

দণ্ডসমূহ কার্যকর করণ

 

দণ্ডসমূহ কার্যকর করণ

 

১৪। এই ভাগে কারাগার, প্রভৃতির উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুলকেও বুঝাইবে।-

এই ভাগে কারাগার বা কারাবাস বা অন্তরীণ প্রভৃতির সকল উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুল বা সেখানে আটক রাখাকেও বুঝাইবে ।

১৫। কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের কতিপয় আদালতের দণ্ড কার্যকর করিবার ক্ষমতা।-

(১) কারাগার সমূহের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগন কোন ব্যক্তিকে আটক রাখিবার জন্য কোন দণ্ড বা আদেশ বা ওয়ারেন্ট কার্যকরী করিতে পারিবেন, যাহা জারী হইয়াছে-

          (ক) সরকারের সাধারণ বা বিশেষ কর্তৃত্বে কার্যরত কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক, বা কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক যা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ                                তারিখের পূর্বে বর্তমান বাংলাদেশ এলাকায় কার্যরত কোন সরকারের সাধারণ বা বিশেষ কর্তৃত্বে কার্যরত ছিল ।

          (খ) বাতিল ।

          (গ) বাতিল ।

          (২) বাতিল ।

১৬। অনুরূপ আদালতের কর্মকর্তার ওয়ারেন্ট যথেষ্ট হইবে।-

১৫ ধারায় বর্ণিত অনুরূপ আদালত বা ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তার অফিসিয়াল স্বাক্ষরকৃত ওয়ারেন্ট কোন ব্যক্তিকে আটক রাখিবার জন্য বা কোন ব্যক্তিকে তাহার উপর আরোপিত দণ্ড মোতাবেক দ্বীপান্তরে প্রেরণের জন্য যথেষ্ট কর্তৃত্ব হইবে।

১৭। এই ভাগের অধীনে কার্যকর করিবার জন্য প্রেরিত ওয়ারেন্টের বৈধতা সম্পর্কে কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সন্দেহ হইলে পদ্ধতি।-

(১)যেখানে কোন কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাহার নিকট এই ভাগের অধীনে কার্যকর করিবার জন্য প্রেরিত কোন ওয়ারেন্ট বা আদেশের বৈধতা সম্পর্কে বা, যে কর্মকর্তার সীল বা স্বাক্ষরে দণ্ডাদেশ প্রদান করা হইয়াছে এবং ওয়ারেন্ট বা আদেশ জারী হইয়াছে তাহার উপযুক্ততা সম্পর্কে সন্দেহ করেন, তিনি বিষয়টি সরকারের নিকট প্রেরণ করিবেন, যাহার আদেশে তিনি এবং অন্যান্য সরকারী কর্মচারীগণ বন্দীদের ভবিষ্যৎ নিষ্পত্তি করিবেন

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী সরকারের নিকট প্রেরিত বিষয় অনিষ্পন্ন থাকা পর্যন্ত বন্দীকে ওয়ারেন্ট বা আদেশে বর্ণিত উপায়ে এবং বাধা-নিষেধের আওতায় আটক রাখিতে হইবে।

 

১৮ । বাংলাদেশ, প্রভৃতিতে সাধারণত কার্যকর যোগ্য নয় এমন কতিপয় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করণ।-

(১) যেখানে বাংলাদেশ এলাকার বাহিরে অনুরূপ এলাকার এখতিয়ার সম্পন্ন সরকার কর্তৃক স্থাপিত কোন আদালত –

        (ক) কোন ব্যক্তিেেক মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, এবং

        (খ) ঐ এলাকার মধ্যে অনুরূপ ব্যক্তিকে নিরাপদে আটক রাখার স্থান নাই কিংবা শোভনীয় এবং মানবিক উপায়ে দণ্ড কার্যকর করিবার সুবিধাদি না থাকায় অনুরূপ দণ্ড বাংলাদেশে কার্যকরী করা যাইতে পারে, মনে করিয়া ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের কোন কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট জারী করে, অনুরূপ কর্মকর্তা, ওয়ারেন্ট প্রাপ্তির পর, ওয়ারেন্টটি যেন ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৮১ ধারা মোতাবেক যথাযথভাবে জারী করা হইয়াছে, সেই রকম গণ্য করিয়া উহাতে বর্ণিত স্থানে অনুরূপ উপায়ে ও শর্ত সাপেক্ষে দণ্ড কার্যকর করিবার ব্যবস্থা করিবেন।

(২) পূর্বে বর্ণিত অনুরূপ ওয়ারেন্ট মোতাবেক ঐ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরকারের সাধারণ বা বিশেষ আদেশ মোতাবেক দণ্ড কার্যকর করিবেন ।

(৩) কোন আদালত এই ধারার উদ্দেশ্য অনুযায়ী, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আদালত বলিয়া গণ্য হইবে, যদি সভাপতিত্বকারী বিচারক বা যদি আদালত দুই বা ততোধিক বিচারক সমন্বয়ে গঠিত হয়, কমপক্ষে একজন বিচারক সরকারের একজন কর্মকর্তা হন, যিনি সরকার কর্তৃক অনুরূপ বিচার কাজের ক্ষমতা প্রাপ্ত, তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারীকৃত প্রত্যেকটি ওয়ারেন্ট যদি ট্রাইব্যুনালটি একজনের বেশী সংখ্যক বিচারক সমন্বয়ে গঠিত হয়, তবে এমন একজন বিচারক দ্বারা স্বাক্ষরিত হইবে, যিনি সরকার কর্তৃক পূর্বে বর্ণিত অনুরূপ ক্ষমতা প্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা হন ।

 

দণ্ডসমূহ কার্যকর করণ

 

পঞ্চম ভাগ: ধারা ১৯-২৭ বাতিল।

সাধারণ বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় সাধারণ বন্দী আইন

সাধারণ বন্দী আইন

 

সাধারণ বন্দী আইন

 

৩। কারাগারসমূহের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ তাহাদের প্রহরায় যথাযথ ভাবে সোপর্দকৃত ব্যক্তিগণকে আটক রাখিবেন।-

কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন রীট, ওয়ারেন্ট বা আদেশে যথাযথভাবে সোপর্দকৃত সকল ব্যক্তিকে কারাগারের-ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাহার প্রহরায়, এই আইনের অধীনে বা অন্যভাবে, গ্রহণ করিবেন এবং আদেশ মোতাবেক বা অনুরূপ ব্যক্তি আইনের যথাযথ প্রয়োগে খালাস বা স্থানান্তরিত না হওয়া পর্যন্ত আটক রাখিবেন।

৪। কারাগারসমূহের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ রীট, প্রভৃতি, কার্যকর করিবার পর বা খালাস প্রদানের পর ফেরত প্রদান করিবেন।

কোন কারাগারের-ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিচারের জন্য সোপর্দকরণের ওয়ারেন্ট ব্যতীত, পূর্বে বর্ণিত অনুরূপ প্রত্যেক রীট, আদেশ বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিবার পর বা সোপর্দকৃত ব্যক্তিকে খালাস প্রদানের পর, তাহা কিভাবে কার্যকর করা হইয়াছে, বা কেন কার্যকর করিবার পূর্বে সোপর্দকৃত ব্যক্তিকে খালাস প্রদান করা হইয়াছে, উল্লেখ পূর্বক তাহার স্বাক্ষরিত একটি সার্টিফিকেটসহ অবিলম্বে, সেই আদালতে ফেরত প্রদান করিবেন, যেই আদালত হইতে তাহা জারী করা হইয়াছিল । তৃতীয় ভাগ:ধারা ৫-১৩ বাতিল ।

 

৩। কারাগারসমূহের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ তাহাদের প্রহরায় যথাযথ ভাবে সোপর্দকৃত ব্যক্তিগণকে আটক রাখিবেন।-

কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন রীট, ওয়ারেন্ট বা আদেশে যথাযথভাবে সোপর্দকৃত সকল ব্যক্তিকে কারাগারের-ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাহার প্রহরায়, এই আইনের অধীনে বা অন্যভাবে, গ্রহণ করিবেন এবং আদেশ মোতাবেক বা অনুরূপ ব্যক্তি আইনের যথাযথ প্রয়োগে খালাস বা স্থানান্তরিত না হওয়া পর্যন্ত আটক রাখিবেন।

৪। কারাগারসমূহের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ রীট, প্রভৃতি, কার্যকর করিবার পর বা খালাস প্রদানের পর ফেরত প্রদান করিবেন।

কোন কারাগারের-ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিচারের জন্য সোপর্দকরণের ওয়ারেন্ট ব্যতীত, পূর্বে বর্ণিত অনুরূপ প্রত্যেক রীট, আদেশ বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিবার পর বা সোপর্দকৃত ব্যক্তিকে খালাস প্রদানের পর, তাহা কিভাবে কার্যকর করা হইয়াছে, বা কেন কার্যকর করিবার পূর্বে সোপর্দকৃত ব্যক্তিকে খালাস প্রদান করা হইয়াছে, উল্লেখ পূর্বক তাহার স্বাক্ষরিত একটি সার্টিফিকেটসহ অবিলম্বে, সেই আদালতে ফেরত প্রদান করিবেন, যেই আদালত হইতে তাহা জারী করা হইয়াছিল ।

 

সাধারণ বন্দী আইন

 

তৃতীয় ভাগ:ধারা ৫-১৩ বাতিল ।

বন্দী আইন প্রাথমিক ১

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দী আইন প্রাথমিক ১

বন্দী আইন প্রাথমিক

 

বন্দী আইন প্রাথমিক ১

 

আদালতের আদেশে বন্দীদের আটক সংক্রান্ত-আইন পুনর্বিন্যাসের নিমিত্ত একটি আইন । যেহেতু আদালতের আদেশে বন্দীদের আটক সংক্রান্ত-আইন পুনর্বিন্যাস করা সমীচীন; সেহেতু নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রয়োগ।-(১) এই আইন বন্দী আইন, ১৯০০ নামে অভিহিত হইবে ।

                      (২) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হইবে

                      (৩) বাতিল ।

 

২। সংজ্ঞাসমূহ।-বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে- 

            (ক) “আদালত” বলিতে আইনসঙ্গত ভাবে দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রেভিনিউ এখতিয়ার সম্পন্ন কোন কর্মকর্তা অন্তর্ভূক্ত হইবে; এবং

            (খ) “কারাগার” বলিতে সরকার কর্তৃক, সাধারণ বা বিশেষ আদেশে সাবসিডয়ারী কারাগার ঘোষিত কোন স্থান অন্তর্ভুক্ত হইবে।

 

বন্দী আইন প্রাথমিক ১