অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
এই সংস্করণে আরো সুন্দর ভাবে রূপ দেওয়া হইয়াছে। আইনটি সর্বশেষ সংশোধনসহ প্রকাশ করা হইয়াছে। পূর্বে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহের শেষে বাংলাদেশের উচ্চতর আদালতের উভয় বিভাগের সিদ্ধান্ত গুলি আইনের ধারা ওয়ারী ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধি মালার শেষেও নূতন করে বিধিওয়ারী সর্বশেষ সিদ্ধান্তগুলি ইংরেজী ভাষায় সংযোজন করা হয়েছে। ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনটিকে সংশোধন করিয়া উহার শেষে ধারাওয়ারী উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তগুলি সুন্দর ভাবে ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
অস্ত্র আইন, ১৮৭৮
প্রস্তাবনা
প্রথম: প্রারম্ভিক
অস্ত্র আইন প্রস্তাবনা । প্রথম: প্রারম্ভিক । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১-৪ ]
- ধারা-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও স্থানীয় আওতা । ধারার বিশ্লেষণ
- ধারা-২। বলবতকরণ । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-৩। ১৯৩৮ সালের ১নং রহিতকরণ আইন দ্বারা রহিত হয়েছে
- ধারা-৪। দফার ব্যাখ্যা । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
দ্বিতীয়: প্রস্তুত, পরিবর্তন ও বিক্রি
প্রস্তুত, পরিবর্তন ও বিক্রি প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৫ ]
- ধারা-৫। লাইসেন্স ছাড়া প্রস্তুত, পরিবর্তন ও বিক্রি নিষিদ্ধ । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধানৃতীয়
তৃতীয়ঃ আমদানী,রপ্তানী ও পরিবহন
আমদানি, রপ্তানি ও পরিবহন প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৬-১২ ]
- ধারা-৬। লাইসেন্সবিহীন আমদানি ও রপ্তানি নিষিদ্ধ । ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অস্ত্রশস্ত্র বা গোলাবারুদের আমদানি ও রপ্তানি। ধারার বিশ্লেষণ
- ধারা-৭। অস্ত্রশস্ত্র গুদামে জমা করার জন্য সরকারের অনুমোদন দরকার
- ধারা-৮। ১৮৯১ সালের সংশোধনী আইনের দ্বারা বাতিল করা হয়েছে
- ধারা-৯। ১৮৯১ সালের সংশোধনী আইনের দ্বারা বাতিল করা হয়েছে
- ধারা-১০। অস্ত্র পরিবহন নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা । ধারার বিশ্লেষণ
- ধারা-১১। তল্লাশি পস্ট স্থাপনের ক্ষমতা
- ধারা-১২। অবস্থাধীনে যদি সন্দেহের উদ্রেক হয় যে কোন ব্যক্তি অস্ত্র ইত্যাদি বহন করতেছে তবে তাকে আটক করা যায় । পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য লোকের দ্বারা গ্রেফতার করার পদ্ধতি । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
চতুর্থ: অস্ত্র সজ্জিত হওয়া এবং অস্ত্র দখলে থাকা ইত্যাদি
অস্ত্র সজ্জিত হওয়া এবং অস্ত্র দখলে থাকা প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৩-১৬ ]
- ধারা-১৩। বিনা লাইসেন্সে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-১৪। লাইসেন্সবিহীন আগ্নেয়াস্ত্র রাখা । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-১৫। কতিপয় স্থানে লাইসেন্স ব্যতীত যে কোন প্রকার অস্ত্র রাখা নিষেধ । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-১৬। বিশেষ ক্ষেত্রে অস্ত্রশস্ত্র থানায় বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিলারের কাছে জমা দিতে হবে । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
পঞ্চম: লাইসেন্সসমূহ
লাইসেন্সসমূহ প্রস্তাবনা। অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৭-১৮ ]
- ধারা-১৭। লাইসেন্সের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
- ধারা-১৭-ক । অস্ত্র নিয়ে ঘুরাফেরার উপর বিধি-নিষেধ । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-১৮ । লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিল । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
ষষ্ঠ: শাস্তিসমূহ
শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ ]
অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]
অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা। অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ২০-২৪ ]
- ধারা-১৯। ৬, ৫, ১০ ও ১৩-১৭ ধারা ভঙ্গের জন্য
- ধারা-১৯ (ক) । বিশেষ কতকগুলো অস্ত্রের ব্যাপারে ৬, ১৩, ১৪ ও ১৫ ধারা ভঙ্গের জন্য । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-২০। গোপনে ৫, ৬, ১০, ১৪ ও ১৫ ধারা ভঙ্গ ইত্যাদি অস্ত্র গোপন করার জন্য । ধারার বিশ্লেষণ
- ধারা ২০-ক। কিছু কেসে বর্ধিত সাজা । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-২১। লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের জন্য । ধারার বিশ্লেষণ
- ধারা-২২। লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয় এমন লোকের নিকট হতে জ্ঞাতসারে অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি ক্রয় করা বা দখলে রাখতে অনুমোদিত নয় এমন ব্যক্তির নিকট অস্ত্রশস্ত্র অর্পণ করা সম্পর্কে । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা ২৩। বিধি ভঙ্গের শাস্তি । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-২৪। বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
সপ্তম: বিবিধ
বিবিধ প্রস্তাবনা। অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ২৫-৩৩ ]
- ধারা-২৫। ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তল্লাশি ও জব্দ । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-২৬। সরকার কর্তৃক জব্দ ও আটক । ধারার বিশ্লেষণ
- ধারা-২৭। অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-২৮। অপরাধ সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে । ধারার বিশ্লেষণ
- ধারা-২৯। বাতিল
- ধারা-৩০। ১৯ (চ) ধারার ব্যাপারে তল্লাশি কেমনভাবে পরিচালিত হবে
- ধারা-৩০-ক। অস্ত্রশস্ত্র এবং গোলাবারুদ বিশারদের মত প্রয়োজন নেই । ধারার বিশ্লেষণ
- ধারা-৩০খ । অপরাধ তদন্তের সময়সীমা
- ধারা-৩১। অন্যান্য আইনের কার্যকারিতা বারিত নয় । ধারার বিশ্লেষণ । উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
- ধারা-৩২। শুমারি নেওয়ার ক্ষমতা । ধারার বিশ্লেষণ
- ধারা-৩৩। আইনগত ব্যবস্থা বা মামলার বিজ্ঞপ্তি এবং মেয়াদ । ধারার বিশ্লেষণ
বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪
বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১-১৮ ]
- ধারা-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম । স্থানীয় আওতা । ভাষ্য/ঢাকা/নজির
- ধারা-২। বলবৎকরণ
- ধারা-৩।
- ধারা-৪। সংজ্ঞা । ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]
- ধারা-৫। বিস্ফোরকসমূহের নির্মাণ, দখল, ব্যবহার, বিক্রি, পরিবহন ও আমদানি । ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]
- ধারা-৬। বিশেষভাবে বিপজ্জনক বিস্ফোরকসমূহের উৎপাদন, দখল বা আমদানি নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা । ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]
- ধারা-৭। পরিদর্শন, তল্লাশি, বাজেয়াপ্তকরণ, আটক এবং অপসারণের কর্তৃত্ব প্রদান করে বিধিমালা প্রণয়ের ক্ষমতা । ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]
- ধারা-৮। দুর্ঘটনা সম্পর্কে নোটিশ। ভাষ্য/ঢাকা/নজির
- ধারা ৯। দুর্ঘটনার তদন্ত । ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]
- ধারা-৯-ক। অধিকতর মারাত্মক দুর্ঘটনার তদন্ত,
- ধারা-১০। বিস্ফোরক বাজেয়াপ্তকরণ
- ধারা-১১। জাহাজ ক্রোক
- ধারা-১২। অপসহায়তা ও চেষ্টা । ভাষ্য/ঢাকা/নজির
- ধারা-১৩। মারাত্মক অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিগণকে ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতার করার ক্ষমতা
- ধারা-১৪। ব্যতিক্রম এবং অব্যাহতি দানের ক্ষমতা
- ধারা-১৫। ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ব্যতিক্রম
- ধারা-১৬। অন্য আইনের আওতায় দায় সম্পর্কে ব্যতিক্রম । ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]
- ধারা-১৭। অন্য বিস্ফোরক উপাদানাবলীতে ‘বিস্ফোরকের’ সংজ্ঞার বিস্তৃতি
- ধারা-১৮। বিধিমালা প্রকাশ এবং অনুমোদনের কার্যবিধি
বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইন, ১৯০৮
বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইন, ১৯০৮ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১-৭ ]
- ধারা-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনামা এবং বিস্তৃতি
- ধারা-২। বিস্ফোরক দ্রব্যের সংজ্ঞা । ভাষ্য/ঢাকা/নজির
- ধারা-৩। জীবন, ব্যক্তি বা সম্পত্তি বিপন্ন করতে পারে এরূপ বিস্ফোরক ঘটানোর জন্য শান্তি
- ধারা-৩-ক। অপরাধ করার উদ্দেশ্যে বিস্ফোরণ ঘটানোর শাস্তি । ভাষ্য/ঢাকা/নজির
- ধারা-৪। বিস্ফোরণ ঘটাবার জন্য অথবা জীবন বা সম্পত্তি বিপন্ন করার ইচ্ছায় বিস্ফোরক প্রস্তুত বা রাখার জন্য শান্তি । ভাষ্য/ঢাকা/নজির
- ধারা-৫। সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ করানো, তৈয়ার বা দখলে রাখার শান্তি
- ধারা-৫-ক।
- ধারা-৫-খ ।
- ধারা-৬। অপরাধের সহায়তাকারীর শাস্তি
- ধারা-৬ক। অপরাধ তদন্তের সময়সীমা
- ধারা-৭।
অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪
অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ১-২৫ ]
অস্ত্র বিধিমালা আইন, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ২৬-৪৯ ]
- বিধি-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম
- বিধি-২। বিশদ ব্যাখ্যা
- বিধি-৩। অব্যাহতি, বাদ ও প্রত্যাহার
- বিধি-৪। সম্প্রসারণ
- বিধি-৫। কামান এবং কতিপয় অন্য দ্রব্যাদির আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা
- বিধি-৬। বাদ দেয়া হয়েছে
- বিধি-৭।কতিপয় রাইফেল আমদানির উপর বিধিনিষেধ
- বিধি-৮। বন্দরে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আমদানি ৫ থেকে ৭ বিধির বিধানসমূহের অনুরূপ বিধান করা না থাকলে সমুদ্র দিয়ে আমদানির জন্য “ফরম-২য়”-তে লাইসেন্স মঞ্জুরি করা যাবে
- বিধি-৯। বাদ দেয়া হয়েছে।
- বিধি-১০। স্থল বা নদীপথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সাময়িক সম্ভার আমদানি
- বিধি-১১। বাদ দেয়া হয়েছে।
- বিধি-১২।রেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক চালানসমূহ পরীক্ষা
- বিধি-১৩। আমদানি লাইসেন্স প্রদর্শন ও অর্পণ
- বিধি-১৪। কামান এবং কতিপয় রাইফেলের সমুদ্রপথে রপ্তানির উপর বাধানিষেধ
- বিধি-১৫। সমুদ্র পথে বন্দর থেকে বন্দরে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানি
- বিধি-১৬। স্ট্রেট বা বিদেশী এলাকার বন্দর থেকে বন্দরে সমুদ্র পথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানি
- বিধি-১৭। অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার স্থল বা নদীপথে রপ্তানি
- বিধি-১৮ । বাদ দেয়া হয়েছে।
- বিধি-১৯ । রপ্তানি লাইসেন্সসমূহ অর্পণ,
- বিধি-২০। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভারের সমুদ্রযোগে আমদানি ও পুনঃরপ্তানি
- বিধি-২১। বাদ দেয়া হয়েছে।
- বিধি-২২। লাইসেন্স ছাড়া অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহন নিষেধ
- বিধি-২৩। কামান এবং অন্য কতিপয় দ্রব্য পরিবহনে বাধা
- বিধি-২৪। অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারের পরিবহন
- বিধি-২৫। পরিবহন লাইসেন্সসমূহ অর্পণ
- বিধি-২৬। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার আমদানি, পরিবহন এবং পুনঃরপ্তানির জন্য লাইসেন্স,
- বিধি-২৭। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভারের রপ্তানি ও পুনঃআমদানি লাইসেন্স,
- বিধি-২৮। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভারের উৎপাদন, রূপান্তর, বিক্রয় এবং বিক্রয়ের জন্য রাখা
- বিধি-২৯। আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ নিরাপদ হেফাজতে রাখার লাইসেন্স
- বিধ-৩০। কামান এবং কতিপয় অন্য দ্রব্যাদির দখলে বাধা।
- বিধি-৩১। সামরিক সম্ভারে দখল এবং ব্যবহার
- বিধি-৩২। লক্ষ্য বস্তু অভ্যাসের উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র দখলে রাখার লাইসেন্স
- বিধি-৩৩। খেলা, রক্ষণ বা প্রদর্শনের জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়া
- বিধি-৩৪। প্রকৃত পর্যটক কর্তৃক দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার জন্য সাময়িক লাইসেন্স
- বিধি-৩৫। বন্য প্রাণী ধ্বংসের জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়া
- বিধি-৩৬। শস্য রক্ষার উদ্দেশ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদের দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়া
- বিধি-৩৭। ভ্রমণকালীন অস্ত্র সজ্জিত হওয়া
- বিধি-৩৮। আমদানির স্বাধীনতাসহ ডিলার কর্তৃক কতিপয় বড্ড গোলাবারুদ দখল
- বিধি-৩৯। কতিপয় ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন
- বিধি-৪০। লাইসেন্সের জন্য দরখাস্ত
- বিধি-৪১।
- বিধি-৪২। লাইসেন্সের মেয়াদ এবং নবায়ন
- বিধি-৪৩। লাইসেন্স মঞ্জুর করতে ক্ষমতাবান কর্তৃপক্ষের বিবেচনা ও নিয়ন্ত্রণ
- বিধি-৪৪। লাইসেন্স উপস্থাপনে বাধ্যবাধকতা
- বিধি-৪৫। অস্ত্র হাজির করা
- বিধি-৪৬। লাইসেন্সের জন্য প্রদেয় ফিস
- বিধি-৪৭। প্রতিলিপির জন্য প্রদেয় ফিস
- বিধি-৪৮। ফিস আদায়
- বিধি-৪৯। ১৯২০ সনের ভারতীয় অস্ত্র বিধিমালার বিলোপ সাধন
অস্ত্র বিধিমালার তফসিলসমূহ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
অস্ত্র বিধিমালার আওতাধীন ফরমসমূহ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- তফশিল-১ – তফশিল-২
- তফশিল-৩ – তফশিল-৪
- তফশিল-৫ -তফশিল-৬
- তফশিল-৭ – তফশিল-৮
- ফরম-২ – ফরম-৩
- ফরম-৪ – ফরম-৫
- ফরম-৬ – ফরম-৭
- ফরম-৮ – ফরম-৯
- ফরম-ক – ফরম-খ
- ফরম-১০ – ফরম-১১
- ফরম-১৩ – ফরম-১৪
- ফরম-১৫ – ফরম-১৬
- ফরম-১৭ – ফরম-১৮
- ফরম-১৯ – ফরম-১৯
- ফরম-২০
অস্ত্র আইন ম্যানুয়েল
গুরুত্বপূর্ণ বিধিমালা এবং নির্বাহী আদেশসমূহের সারসংক্ষেপ অস্ত্র আমদানি, রপ্তানি ও পরিবহন
অস্ত্র আইন ম্যানুয়েল। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১-৩৭ ]
ধারা
- ১। অস্ত্র আমদানি, রপ্তানি ও পরিবহন
- ২। ডিলার কর্তৃক অস্ত্র এবং গোলাবারুদ আমদানি ও পরিবহন…
- ৩। [বাতিল].
- ৪।যাত্রীদের অস্ত্রের জন্য ভ্রমণকালীন লাইসেন্স
- ৫।গোলাবারুদের জন্য বিস্ফোরক আইনের অধীনে আমদানি লাইসেন্স প্রয়োজন,
- ৬।অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সম্বলিত বিদেশী অভ্যন্তরীণ ডাক.
- ৭।-১৪। [বাতিল]
- ১৫। নির্দিষ্ট চালানের জন্য পরিবহন লাইসেন্স ইস্যু,
- ১৬। আমদানি এবং পরিবহন
- ১৭। পুনঃ আমদানির লাইসেন্সের জন্য ফিস মওকুফ,
- ১৮।-১৯ [বাতিল] অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদের শ্রেণীর ক্ষেত্রে অস্ত্র আইনের প্রয়োগ
- ২০।আগ্নেয়াস্ত্র ব্যতীত অন্য অস্ত্রের ক্ষেত্রে অস্ত্র আইনের প্রয়োগ
- ২১। বিনা লাইসেন্সে ডেগার এবং বেয়োনেট সজ্জিত হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধ
- ২২। লাইসেন্স ব্যতীত তরবারি, গুপ্তি এবং ডেগার তৈরি, রূপান্তর ও বিক্রয় নিষিদ্ধ
- ২৩। লাইসেন্স ছাড়া বেয়োনেট তৈরি, বিক্রয় ইত্যাদি নিষিদ্ধ,
- ২৪। লাইসেন্স ছাড়া বেয়োনেট দখলে রাখা নিষিদ্ধ,
- ২৫। লাইসেন্স ছাড়া শিশার বুলেট এবং বার্ডশট দখলে রাখা।
- ২৬। বিনা লাইসেন্সে সালফার দখলে রাখা,
- ২৭। শিকারের ছুরি
- ২৮। নগদে ফিস প্রদান
- ২৯। ফিস মওকুফ বা হ্রাস
- ৩০। মাজল লোডিং পিস্তলের ফিস
- ৩৬। অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের আগ্নেয়াস্ত্র নিবন্ধিকরণ
- ৩৭। [বাতিল]
অব্যাহতিপ্রাপ্ত এবং লাইসেন্সধারীদের রিটেইনার
অব্যাহতিপ্রাপ্ত এবং লাইসেন্সধারীদের রিটেইনার। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৩৮-৪৪ ]
- ৩৮। লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত রিটেইনার…
- ৩৯। অব্যাহতিপ্রাপ্ত রিটেইনার,
- ৪০। [বাতিল]
- ৪১। ফার্ম কর্মচারীদের জন্য পরোয়ানা,
- ৪২। প্রাক্তন সিপাহীদের কর্মে নিয়োগ,
- ৪৩। [বাতিল]
- ৪৪। সম্পত্তি রক্ষায় সশস্ত্র রিটেইনার
অব্যাহতি ও সরকারি কর্মচারীদের বিনামূল্যে লাইসেন্স
অব্যাহতি ও সরকারি কর্মচারীদের বিনামূল্যে লাইসেন্স। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৪৫-৫০ ]
- ৪৫। সরকারি কর্মচারীদের অব্যাহতি
- ৪৬। সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য কার্যে প্রয়োজনীয় অস্ত্রের জন্য লাইসেন্স মওকুফ
- ৪৭। [বাতিল]
- ৪৮। সেনা বা বিমান বাহিনীর অফিসারের সজ্জা; অন্তর্ভুক্ত অস্ত্র
- ৪৯। ভাইসরয় হতে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার
- ৫০। নৌ-বাহিনীর অফিসারের সজ্জার অন্তর্ভুক্ত অস্ত্র
লাইসেন্স মঞ্জুর সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ
লাইসেন্স মঞ্জুর সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৫১-৭৪ ]
- ৫১। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্যক্তিগত কর্তব্য
- ৫২। বিনা তদন্তে লাইসেন্স মঞ্জুরীর যোগ্যতা।
- ৫৩। কতিপয় শর্তে বাকেরগঞ্জে বন্দুকের লাইসেন্স ইস্যু
- ৫৪। লাইসেন্স মঞ্জুরীর পূর্বে তদন্ত
- ৫৫। অস্ত্র ক্রয়ের পারমিট ইস্যু করা নিষিদ্ধ
- ৫৬। তদন্তের ফরম
- ৫৭। লাইসেন্স প্রত্যাখ্যানের জন্য যথাযথ কারণের মধ্যে
- ৫৮। পিস্তল এবং রিভলবারের লাইসেন্স
- ৫৯। মঞ্জুরকারী জেলা ব্যতীত অন্য জেলায় লাইসেন্স নবায়ন
- ৬০। স্থায়ী নিবাসী আবেদনকারী,
- ৬১-৬২। [বাতিল।
- ৬৩। বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্রের জন্য একটি লাইসেন্স
- ৬৪। কৃষক এবং শিকারীদের জন্য লাইসেন্স,
- ৬৫। বল ও শর্টগান
- ৬৬। স্বয়ংক্রীয় বন্দুক বিক্রি
- ৬৭। স্বয়ংক্রীয় ম্যাগাজিন গান
- ৬৮। অস্ত্র উপস্থাপনে ব্যর্থতা
- ৬৯। এয়ারগান ও এয়ার রাইফেলের লাইসেন্স,
- ৭০-৭১। [বাতিল]
- ৭২। লাইসেন্স রেজিস্টার
- ৭৩। আগ্নেয়াস্ত্র চিহ্নিতকরণ
- ৭৪। লাইসেন্সধারীর অনুমোদিত গোলাবারুদের পরিমাণ
লাইসেন্স নবায়ন সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ
লাইসেন্স নবায়ন সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৭৫-৮২ ]
- ৭৫। লাইসেন্স নবায়ন
- ৭৬। লাইসেন্স নবায়নের পূর্বে অস্ত্র প্রদর্শন
- ৭৭। গ্রাম্য এলাকায় লাইসেন্স নবায়নের পূর্বে অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন..
- ৭৮। ডাকযোগে লাইসেন্স নবায়ন
- ৭৯। ব্যক্তিগতভাবে প্রদর্শন
- ৮০। লাইসেন্সে থাকা বিবরণ,
- ৮১। [বাতিল]
- ৮২। নবায়নে বিলম্ব
তল্লাশি, জরিমানা এবং পুরস্কার
তল্লাশি, জরিমানা এবং পুরস্কার। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৮৩-৮৮ ]
- ৮৩। ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তার অস্ত্র তল্লাশি ও তা আটক করার ক্ষমতা
- ৮৪-৮৫। [বাতিল] । অস্ত্র আইনের ১৯, ২০, ২২ ও ২৩ ধারা
- ৮৬। পুরস্কার
- ৮৭। পুরস্কার হবে উদারনৈতিক..
- ৮৮। তথ্য প্রদান পাবলিক ক্যারিয়ারের কর্তব্য
লাইসেন্সের অবসান এবং অস্ত্র জমা, হারান ও বাজেয়াপ্তকরণ
লাইসেন্সের অবসান এবং অস্ত্র জমা, হারান ও বাজেয়াপ্তকরণ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৮৯-১০০ ]
- ৮৯। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ডিলারের নিকট অস্ত্র জমা
- ৯০। নিরাপদ হেফাজতের জন্য ডিলারের নিকট অস্ত্র জমা
- ৯১। লাইসেন্স বাতিল এবং অস্ত্রশস্ত্র মালখানায় জমা
- ৯২। [বাতিল]
- ৯৩। অস্ত্র জমা দেয়ার ডাকযোগ নোটিশ,
- ৯৪। মালিক কর্তৃক থানায় অস্ত্র জমা
- ৯৫। ডিলার কর্তৃক থানায় অস্ত্র জমা দেয়া
- ৯৬। বাতিলকৃত লাইসেন্সের নবায়নের পদ্ধতি
- ৯৭। বাজেয়াপ্তকৃত এবং অপরিবর্তিত অস্ত্রশস্ত্রের ব্যবস্থাপন (ডিসপোজাল)
- ৯৮। শুল্ক কালেক্টর কর্তৃক বিক্রি
- ৯৯। দেওয়ানী আদালত কর্তৃক অস্ত্র বিক্রি
- ১০০। ট্রেনে ও রেল অঙ্গনে পাওয়া দাবিদারহীন অস্ত্র এবং গোলাবারুদের ব্যবস্থাপনা
পুলিশ ও অস্ত্র রেজিস্ট্রার
পুলিশ ও অস্ত্র রেজিস্ট্রার। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১০১-১০৫ ]
- ১০১। থানায় লাইসেন্সের তালিকা সরবরাহ
- ১০২। পুলিশ হেফাজতে থাকা অস্ত্র মিলিয়ে দেখা
- ১০৩। প্রত্যেক সাব-ইন্সপেক্টরের মালাখানায় থাকা অস্ত্র মিলিয়ে দেখা
- ১০৪। [বাতিল]
- ১০৫। ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মালখানা পরিদর্শন
বিক্রেতাদের দায়িত্ব, ঘরবাড়ি পরিদর্শন ও বিক্রি যাচাই
বিক্রেতাদের দায়িত্ব, ঘরবাড়ি পরিদর্শন ও বিক্রি যাচাই। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১০৬-১২২ ]
- ১০৬। লাইসেন্সধারী বিক্রেতাদের বিস্ফোরক আইনে লাইসেন্স,
- ১০৭-১০৮ । বাতিল]
- ১০৯। গোলাবারুদের পরিমাণ উল্লেখ না থাকলে বিধান
- ১১০। [বাতিল]
- ১১১ । নির্ধারিত রেজিস্টার
- ১১২। কতিপয় অস্ত্রের রেজিস্টার
- ১১৩। ডিলারের অঙ্গন, মজুদ এবং হিসেবে পরীক্ষার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
- ১১৪। [বাতিল]
- ১১৫। বিক্রয় এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ আমদানি
- ১১৬। মাসিক বিবরণী
- ১১৭। [বাতিল]
- ১১৮। অবৈধ আদান-প্রদানের নজরদারি
- ১১৯-১২২ । [বাতিল]
গেম সুটিং
গেম সুটিং। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১২৩-১২৪ ]
- ১২৩। কতিপয় পাখি এবং প্রাণী শিকার বেআইনী
- তালিকা-ক – সারা বছরের জন্য
- তালিকা-খ – বছরের অংশ
বার্ষিক প্রতিবেদন
বার্ষিক প্রতিবেদন । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ অনুচ্ছেদ ]
- অনুচ্ছেদ-১ঃ প্রস্তুতকরণ
- অনুচ্ছেদ-২ঃ বিক্রি এবং প্রতিপাদন
- অনুচ্ছেদ-৩ঃ অস্ত্র এবং গোলাবারুদের মজুদ ও বিক্রি
- অনুচ্ছেদ-৪ঃ অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং লাইসেন্স
- অনুচ্ছেদ-৫ঃ মামলা ও বাজেয়াপ্তকরণ
- অনুচ্ছেদ-৬ঃ পুরস্কার
- অনুচ্ছেদ-৭ঃ চুরি
- অনুচ্ছেদ-৮ঃ বিবিধ
অস্ত্র বিধিমালার বিশেষ দিকসমূহ
অস্ত্র বিধিমালার বিশেষ দিকসমূহ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [পরিশিষ্ট-১]
- যেসব অস্ত্রের জন্য লাইসেন্স প্রয়োজন এবং বিভিন্ন প্রকার লাইসেন্স লাইসেন্সের ধরন
- যেসব ব্যক্তি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারে
- অধিক প্রয়োজনীয় লাইসেন্
- যাদের ফিস প্রদান আবশ্যক নয় এবং কিভাবে ফিস দিতে হবে
- লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত এলাকা এবং বৈধতার মেয়াদ
- অধিকার রক্ষিত গোলাবারুদের পরিমাপের উপর বিধিনিষেধ
- ভ্রমণকালীন লাইসেন্স
- লাইসেন্সের শর্তাবলী
- লাইসেন্স নবায়ন
- সমুদ্র পথে দেশে পৌছেন এরূপ ভ্রমণকারীদের জন্য ব্যবস্থা
- নিষিদ্ধ বোরের রাইফেল, রিভলবার এবং পিস্তল
- রপ্তানি লাইসেন্স
অস্ত্র আইন সংশ্লিষ্ট বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর নির্বাচিত ধারাসমূহ
অস্ত্র আইন সংশ্লিষ্ট বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর নির্বাচিত ধারাসমূহ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [পরিশিষ্ট-২]
- ধারা-২৬। অস্ত্র আইনের আওতায় অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করতে হবে
- ধারা-২৭। বিশেষ ট্রাইব্যুনালসমূহের কার্যধারা
- ধারা-২৮। বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা
- ধারা-২৯। বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যধারায় ফৌজদারি কার্যবিধির প্রয়োগ
- ধারা-৩০। আপীল এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন
- ধারা-৩০-ক । কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা
- ধারা-৩১। নতুন করে (De Nove Trial) বিচারে বাধা.
- ধারা-৩২। অপরাধসমূহ আমলযোগ্য এবং জামিন অযোগ্য হবে
- ধারা-৩৪-ক। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরীকরণ
- ধারা-৩৪-খ। অন্যান্য সমস্ত আইন বাতিল করার আইন বিশেষ ক্ষমতা আইনের তফশিল
অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন, সার্কুলার ও আদেশ
অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন, সার্কুলার ও আদেশ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [পরিশিষ্ট-৩]
- ১। লাইসেন্স ইস্যু সম্পর্কিত সার্কুলার.
- ২। শর্টগান ও ২২ বোর রাইফেল ইস্যু, মঞ্জুরী ও নবায়ন সম্পর্কিত
- ৩। রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক ও শিল্প ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান বরাবরে আগ্নেয়াস্ত্র-এর লাইসেন্স প্রদান প্রসঙ্গে।
- ৪। মালখানায় রক্ষিত আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কিত
- ৫। অস্ত্র বিধিমালা সম্পর্কিত আদেশ সংশোধন ও সংযোজন সম্পর্কিত।
- ৬। বিস্ফোরক সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন । বিস্ফোরক পরিদপ্তর । প্রজ্ঞাপন
- ৭। বিদেশী মিশন এবং বিদেশী নাগরিকগণ কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র ধারণ ও বহনের অনুমতি প্রসঙ্গে।
- ৮। গুরুত্বপূর্ণ সার্কুলার
বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
প্রারম্ভিক বিস্ফোরক বিধিমালা । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১-৪]
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম
২। সংজ্ঞা
৩। বিস্ফোরকের শ্রেণীবিভাগ
৪। ঝুঁকিভিত্তিক বিস্ফোরকের শ্রেণীবিভাগ

দ্বিতীয় অধ্যায়
সাধারণ বিধানাবলি
সাধারণ বিধানাবলী । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৫-২১]
- ৫। প্রাধিকৃত বিস্ফোরক (Authorised Explosive)
- ৬। অননুমোদিত বিস্ফোরক নিষিদ্ধ
- ৭। বিস্ফোরক সরবরাহ ও প্রেরণে বাধা-নিষেধ
- ৮। বিস্ফোরকের মোড়ক ইত্যাদি
- ৯। গাঁটের চিহ্ন
- ১০। মোড়ক সংক্রান্ত বিধির শিথিলতা
- ১১। বিস্ফোরকের ওজন
- ১২। বিস্ফোরক নাড়াচাড়া করিতে পালনীয় সতর্কতা
- ১৩। সূর্যাস্তের পর বিস্ফোরক নাড়াচাড়াকরণে বাধা নিষেধ
- ১৪। ধূমপান, আগুন, বাতি এবং বিপজ্জনক পদার্থের উপর বাধা-নিষেধ
- ১৫। দিয়াশলাই প্রভৃতির উপর বাধা-নিষেধ
- ১৬। বিদীর্ণ হওয়া বিস্ফোরক ধ্বংসকরণ
- ১৭। শিশু, মাতাল এবং কতিপয় ব্যক্তির নিয়োগ
- ১৮। যোগ্য ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে কার্য সম্পাদন
- ১৯। পানির বিপদ হইতে সাবধানতা বা রৌদে বা তাপে অনাবৃত না রাখা
- ২০। দুর্ঘটনা রোধে বিশেষ সতর্কতা এবং অননুমোদিত ব্যক্তি বর্জন
- ২১। কতিপয় বিস্ফোরক পরিবহনে বাধা-নিষেধ
তৃতীয় অধ্যায়
আমদানিনী
প্রথম অংশ: সাধারণ
সাধারণ আমদানি । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ২২-২৩]
- ২২। প্রয়োগ
- ২৩। আমদানির লাইসেন্স/পারমিট প্রদানে বাধা-নিষেধ
দ্বিতীয় অংশ: সমুদ্রপথে আমদানি
সমুদ্রপথে আমদানি । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ২৪-৩১]
- ২৪। সমুদ্রপথে আমদানি
- ২৫। আমদানিকারক কর্তৃক প্রদত্ত ঘোষণা
- ২৬। জাহাজের মাস্টার বা জাহাজের প্রতিনিধি কর্তৃক প্রদত্ত ঘোষণা
- ২৭। জাহাজের মালামাল হইতে নমুনা সরবরাহের প্রক্রিয়া
- ২৮। পরীক্ষণ কর্মকর্তার নিকট নমুনা প্রেরণ
- ২৯। নমুনা পরীক্ষণ
- ৩০। বিস্ফোরক অবতরণে অনুমতি
- ৩১। পরীক্ষণ কর্মকর্তার প্রতিবেদন প্রাপ্তি বা লাইসেন্স মঞ্জুরের পূর্বে সমুদ্রপথে আমদানি
তৃতীয় অংশ: আকাশপথে আমদানি
আকাশপথে আমদানি । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৩২]
- ৩২। কতিপয় বিস্ফোরকের উপর নিষেধাজ্ঞা
চতুর্থ অংশ: স্থলপথে আমদানি
স্থলপথে আমদানি । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৩২]
চতুর্থ অধ্যায়
পরিবহন
প্রথম অংশ: সাধারণ
সাধারণ পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৩৪-৪৯]
- ৩৪। পরিবহনের জন্য লাইসেন্স এবং পাস জারি
- ৩৫। বিভিন্ন শ্রেণীর বিস্ফোরক পৃথকভাবে রাখিতে হইবে
- ৩৬। নিরাপত্তা সনদ
- ৩৭। যাত্রীবাহী জাহাজ এবং গাড়িসমূহে বিস্ফোরক পরিবহন
- ৩৮। সর্বাধিক পরিমাণ বিস্ফোরক পরিবহনের অনুমোদন
- ৩৯। বাহনে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্ফোরক প্রেরণ
- ৪০। বিস্ফোরক ভর্তি ও খালাসের সময় ও স্থান
- ৪১। বিস্ফোরক ভর্তিকরণের নিমিত্তে গাড়ি বা জাহাজ বা বিমান উপযোগীকরণ
- ৪২। বিস্ফোরকবাহী গাড়ি বা জাহাজে উপযুক্ত লোক নিয়োগকরণ
- ৪৩। আগুন বা বিস্ফোরণ হইতে বিস্ফোরক রক্ষাকরণ
- ৪৪। বিস্ফোরক পরিবহনে বিলম্ব পরিহার
- ৪৫। বিস্ফোরক বহনকারী যান মেরামতকরণ
- ৪৬। অল্প পরিমাণ আতশবাজির ক্ষেত্রে অব্যাহতি
- ৪৭। বিস্ফোরকবাহী গাড়ি বা নৌকাসমূহের মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব
- ৪৮। জাহাজে বিস্ফোরক ভর্তি বা খালাসের নোটিস
- ৪৯। জাহাজের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তির কর্তব্য
দ্বিতীয় অংশ: জলপথে বিস্ফোরক পরিবহন
জলপথে বিস্ফোরক পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৫০-৬৫]
- ৫০। জাহাজে ব্যবহৃত বাতি এবং আলো
- ৫১। জাহাজে বিস্ফোরক রাখা
- ৫২। বিশেষ বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী জাহাজে বিস্ফোরক পরিবহন
- ৫৩। যাত্রীবাহী জাহাজে বিস্ফোরক পরিবহন
- ৫৪। বিস্ফোরক পরিবাহী জাহাজের নোঙ্গর স্থান।
- ৫৫। লাল পতাকা বা সতর্ক আলো প্রদর্শন।
- ৫৬। জাহাজগুলিকে বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করানো
- ৫৭। জাহাজের হ্যাচগুলিকে আবদ্ধ এবং ঢাকিয়া রাখা
- ৫৮। বিস্ফোরকপূর্ণ জাহাজসমূহকে ম্যাগাজিন জেটি ইত্যাদির পাশাপাশি না রাখা
- ৫৯। জাহাজ চলাচলের সময় বিস্ফোরক ভর্তি বা খালাসকরণ হইতে বিরত থাকা
- ৬০। বন্দর এলাকার মধ্যে ভর্তি এবং খালাসকরণের স্থান
- ৬১। গদি ব্যবহারকরণ
- ৬২। বিস্ফোরক বহনকারী জাহাজ তৎক্ষণাত বন্দর এলাকা ত্যাগ করানো বা উহা হইতে দ্রুত বিস্ফোরক খালাস
- ৬৩। বিস্ফোরক বহনকারী নৌকা লাইসেন্সকৃত হইতে হইবে
- ৬৪। নৌকায় বয়া পরিবহন
- ৬৫। বিস্ফোরক পরিবহনকারী কোন নৌকায় ধূমপান, আগুন, বিপজ্জনক উপাদান এবং অন্যান্য মালামাল পরিবহন নিষিদ্ধ
তৃতীয় অংশ: স্থলপথে পরিবহন
স্থলপথে পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৬৬-৭৭]
- ৬৬। রাজপথ, জনসমাগমস্থল এবং অন্যান্য নির্ধারিত এলাকার মধ্য দিয়া বিস্ফোরক পরিবহন
- ৬৭। ভ্যান ব্যতীত অন্য কোন যানে বিস্ফোরক পরিবহনে বাধা-নিষেধ,
- ৬৮। ভ্যানের লাইসেন্স,
- ৬৯। বিস্ফোরক ভর্তি
- ৭০। টানিয়া নিতে হয় এমন ধরনের যান ব্যবহারে বাধা-নিষেধ
- ৭১। বিস্ফোরকের সহিত অন্য কোন বস্তু পরিবহন নিষিদ্ধ
- ৭২। ভ্যানে বিস্ফোরক ভর্তি, খালাস, উহার রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনা
- ৭৩। স্থির ভ্যানে আলোর ব্যবস্থাকরণ.
- ৭৪। চাকা গতিরোধক কীলক
- ৭৫। অগ্নি-দুর্ঘটনাকবলিত যানের চালকের দায়িত্ব.
- ৭৬। যানের দুর্ঘটনা
- ৭৭। যানে অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্র রাখা
চতুর্থ অংশ: রেলগাড়িতে পরিবহন
রেলগাড়িতে পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৭৮-৯২]
- ৭৮। রেলগাড়ির বগির অনুমোদন
- ৭৯। রেলগাড়ির বগি চিহ্নিতকরণ
- ৮০। সাধারণ পণ্যের সহিত বিস্ফোরক পরিবহন
- ৮১। বিস্ফোরক পরিবাহী বগির অবস্থান
- ৮২। রেলগাড়ির মাধ্যমে সর্বাধিক বিস্ফোরক পরিবহন
- ৮৩। মিশ্র বা যাত্রীবাহী রেলগাড়িতে বিস্ফোরক পরিবহন নিষিদ্ধ
- ৮৪। বিস্ফোরকপূর্ণ ভ্যানসমূহকে মিশ্র রেলগাড়ি দ্বারা প্রেরণ
- ৮৫। মিশ্র বা যাত্রীবাহী রেলগাড়িতে বিস্ফোরক পরিবহন
- ৮৬। প্রেরণকৃত বিস্ফোরক রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বুঝিয়া নেওয়া
- ৮৭। বিস্ফোরক সাজাইয়া রাখা
- ৮৮। বিস্ফোরকপূর্ণ বগিতে অন্য লাইনে সরানো।
- ৮৯। রেলওয়ে প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক আনয়ন এবং ইহা হইতে সরানো
- ৯০। রেল কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা
- ৯১। রেলওয়ে ব্রিজের উপর দিয়া বিস্ফোরক পরিবহনে বাধা-বিষেধ
- ৯২। চায়না পটকা পরিবহন,
পঞ্চম অধ্যায়
বিস্ফোরক উৎপাদন
বিস্ফোরক উৎপাদন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৯৩-১১৭]
- ৯৩। বিস্ফোরক উৎপাদনের উপর বাধা-নিষেধ,
- ৯৪। কতিপয় ক্ষেত্রে বিস্ফোরক উৎপাদনের জন্য লাইসেন্স নিষ্প্রয়োজন
- ৯৫। প্রস্তুকরণের পদ্ধতির অনুমোদন
- ৯৬। অননুমোদিত ব্যক্তির উপর বাধা-নিষেধ
- ৯৭। কেবলমাত্র নির্দিষ্ট কাজে ভবন ব্যবহার করা যাইবে
- ৯৮। ভবনের অভ্যন্তরভাগ সুবিন্যস্তকরণ,
- ৯৯। ঢিবি নির্মাণ
- ১০০। স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রজ্বলিত হইতে সক্ষম এইরূপ বস্তুর উপর বাধা-নিষেধ
- ১০১। বিশেষ যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামাদির ব্যবহার
- ১০২। বিস্ফোরক প্রক্রিয়াকরণ ভবনে তথ্য প্রদর্শন
- ১০৩। ধূমপানের উপর নিষেধাজ্ঞা
- ১০৪। বজ্র হইতে সুরক্ষা
- ১০৫। উপাদানসমূহ হইতে অনাকাঙ্ক্ষিত পদার্থ অপসারণ
- ১০৬। আগুন হইতে সুরক্ষা,
- ১০৭। ভবনের মেরামত
- ১০৮। বিস্ফোরক এবং দ্রব্যাদির দ্রুত অপসারণ,
- ১০৯। উপযুক্ত ব্যক্তি নিয়োগ
- ১১০। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির নিচেয়াগ
- ১১১। যানের ব্যবহার
- ১১২। ভবন প্লান্ট এবং যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ,
- ১১৩। পরীক্ষণ সুবিধাদি
- ১১৪। ব্যবহার অনুপযোগী বিস্ফোরক বিনষ্টকরণ
- ১১৫। বিস্ফোরক উৎপাদন বন্ধকরণ
- ১১৬। প্রাদিকারভুক্ত বিস্ফোরকের তালিকা হইতে বাদ দেওয়া
- ১১৭। রেকর্ড সংরক্ষণ
ষষ্ঠ অধ্যায়
অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার
প্রথম অংশ: সাধারণ
সাধারণ অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১১৮-১৩৩]
- ১১৮ । অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স
- ১১৯ । কতিপয় ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিকারে রাখা এবং বিক্রয়ের জন্য লাইসেন্সের প্রয়োজন নাই
- ১২০। একমাত্র লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক অধিকারে রাখা,
- ১২১। বজ্র-বিদ্যুৎ হইতে সুরক্ষা,
- ১২২। বজ্রপাতকালে সতর্কতা
- ১২৩। ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা
- ১২৪। রেকর্ড সংরক্ষণ
- ১২৫। লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ মেরামতকরণ,
- ১২৬। বিপজ্জনক পদার্থ প্রবেশে বাধা-নিষেধ
- ১২৭। প্রাঙ্গণ তালাবদ্ধ রাখা
- ১২৮। প্রহরী নিয়োগ,
- ১২৯। পুনঃপ্যাকিং অথবা প্যাকেজ খোলা
- ১৩০। বিনষ্ট বাক্সে বিস্ফোরক রাখা যাইবে না
- ১৩১। লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অধিক বিস্ফোরক মজুদকরণ
- ১৩২। লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অতিরিক্ত প্রস্তুতকৃত আতশবাজি অস্থায়ীভাবে অধিকারে রাখিবার পারমিট
- ১৩৩ । নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ক্রয়কৃত বিশস্ফোরক পরিমাণ
দ্বিতীয় অংশ: ম্যাগাজিন
ম্যাগাজিন অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৩৪-১৩৭]
- ১৩৪। ম্যাগাজিনে বিস্ফোরক মজুদ
- ১৩৫। ‘খ’ ধরনের ম্যাগাজিন ব্যবহারে বাধা-নিষেধ ক
- ১৩৬ । ম্যাগাজিনের চতুর্দিকে প্রাচীর নির্মাণ..
- ১৩৭ । ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ একতলা ভবনে থাকিবে
তৃতীয় অংশ: স্টোর হাউজ
স্টোর হাউজ অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৩৮-১৩৯]
- ১৩৮ । মজুদকরণে বাধা-নিষেধ
- ১৩৯। স্টোর হাউজ নির্মাণ
চতুর্থ অংশ: ফরম ২৪ এর অধীন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্র অস্ত্রে ব্যবহৃত নাইট্রোযৌগ, আতশবাজি এবং সেফটি ফিউজ অধিকারে রাখা।
ফরম ২৪ এর অধীন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্র অস্ত্রে ব্যবহৃত নাইট্রোযৌগ, আতশবাজি এবং সেফটি ফিউজ অধিকারে রাখা । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৪০-১৪৩]
- ১৪০। প্রাঙ্গণ নির্মাণ
- ১৪১। আতশবাজির ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন.
- ১৪২। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা
- ১৪৩। অন্যান্য সামগ্রী বিক্রয় নিষিদ্ধ
পঞ্চম অংশ: বিস্ফোরক বিক্রয়
বিস্ফোরক বিক্রয় অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৪৪-১৪৮]
- ১৪৪। লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক বিক্রয়
- ১৪৫। চিহ্ন বিকৃতকরণ বা বিলুপ্তকরণ নিষিদ্ধ
- ১৪৬। বিস্ফোরক বিক্রয়ে বাধা-নিষেধ
- ১৪৭। বিক্রয়ের জন্য বিস্ফোরক উন্মুক্ত অবস্থায় না রাখা
- ১৪৮। ক্ষুদ্র প্যাকেট পরিষ্কারভাবে চিহ্নিতকরণ
৬ষ্ঠ অংশ: বিস্ফোরকের ব্যবহার
বিস্ফোরকের ব্যবহার অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৪৯-১৫৮]
- ১৪৯। যোগ্য ব্যক্তি নিয়োগকরণ
- ১৫০। চার্জ প্রস্তুতকরণে বাধা-নিষেধ
- ১৫১। ব্লাস্টিং সাইটে অথবা অন্য কোন স্থানে বিস্ফোরক পরিবহনে বাধা নিষেধ
- ১৫২। ব্যবহারের পূর্বে বিস্ফোরক পরীক্ষাকরণ
- ১৫৩। সাইটে সতর্কতা অবলম্বন
- ১৫৪। যথোপযুক্ত সতর্কীকরণ পদ্ধতি পরিচালনা অব্যাহত রাখা
- ১৫৫। ফায়ারিংকালে সতর্কতা অবলম্বন
- ১৫৬। স্ট্রে-কারেন্টের ব্যাপারে সতর্কতা
- ১৫৭। ব্লাস্টিং অপারেশনের দায়িত্বে নিযুক্ত ব্যক্তির দায়িত্ব.
- ১৫৮। খনিতে ব্লাস্টিং অপারেশন
অষ্টম অধ্যায়
লাইসেন্স
লাইসেন্স এর বিস্তারিত । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৫৯-১৭৯]
- ১৫৯। লাইসেন্সের জন্য দরখাস্ত
- ১৬০। লাইসেন্স মঞ্জুর
- ১৬১। বিস্ফোরক প্রস্তুত, ব্যবহার বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অধিকারে রাখিবার ফরম ২০, ফরম ২২ অথবা ফরম ২৩ এ লাইসেন্স মঞ্জুরের পূর্বে অনুসৃত কার্যপ্রণালী
- ১৬২ । স্থলপথে বিস্ফোরক পরিবহন যানের ফরম ১৯ এ লাইসেন্স মঞ্জুরের কার্যপ্রণালী
- ১৬৩। শট-ফায়ারারস (Shot-frirer’s) পারমিট মহউরের জন্য অনুসৃতব্য কার্যপ্রণালী
- ১৬৪। বিস্ফোরক অধিকারে রাখা ও বিক্রির ফরম ২৪ বা বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণের স্পেশাল ফরম লাইসেন্স মঞ্জুরের অনুসৃতব্য কার্যপ্রণালী
- ১৬৫। লাইসেন্সের বিবরণ,
- ১৬৬। শর্ত পরিবর্তন করিতে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা…
- ১৬৭। লাইসেন্স সংশোধন,
- ১৬৮। লাইসেন্স নবায়ন
- ১৬৯। লাইসেন্স প্রত্যাখ্যান
- ১৭০। লাইসেন্স বাতিল ইত্যাদি
- ১৭১। লাইসেন্সের সাময়িক স্থগিতকরণ বা বাতিল প্রক্রিয়া.
- ১৭২। আপীল
- ১৭৩। আপীলাত কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম গ্রহণের প্রক্রিয়া.
- ১৭৪। লাইসেন্সধারীর মৃত্যু বা অসমর্থতা,
- ১৭৫। লাইসেন্স হারানো
- ১৭৬। ম্যাগাজিনে লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অতিরিক্ত বিস্ফোরকের অস্থায়ী মজুদের জন্য পারমিট
- ১৭৭। চাহিবামাত্রা লাইসেন্স বা পাস উপস্থাপন
- ১৭৮ । কর্তৃপক্ষের উপর কার্যনির্বাহী নিয়ন্ত্রণ
- ১৭৯ । আইনের ধারা ১৫ এর অধীনে ক্ষমতা প্রদান
নবম অধ্যায়
ফি
লাইসেন্স ফি । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৮০-১৮২]
- ১৮০। ফি পরিশোধ
- ১৮১। লাইসেন্স ফি ব্যতীত অন্যান্য ফি
- ১৮২। লাইসেন্স ফি
নবম অধ্যায়
কর্মকর্তাদের ক্ষমতা
কর্মকর্তাদের ক্ষমতা । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৮৩-১৮৪]
- ১৮৩। অনুসন্ধান ও জব্দকরণের ক্ষমতা,
- ১৮৪। নিষিদ্ধ বিস্ফোরক বিনষ্টের ক্ষমতা
দশম অধ্যায়
দণ্ড
বিস্ফোরক বিধিমালা দণ্ড। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৮৫-১৮৮]
- ১৮৫ । বিধি লঙ্ঘন সম্পর্কিত রিপোর্ট এর উপর ব্যবস্থা গ্রহণ
- ১৮৬। দণ্ড
- ১৮৭। জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে অব্যাহতি
- ১৮৮। অব্যাহতির ক্ষমতা
একাদশ অধ্যায়
দুর্ঘটনা এবং তদন্ত
দুর্ঘটনা এবং তদন্ত । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৮৯-১৯১]
- ১৮৯। দুর্ঘটনার নোটিস,
- ১৯০। দুর্ঘটনার তদন্ত..
- ১৯১। মারাত্মক দুর্ঘটনার তদন্ত
দ্বাদশ অধ্যায়
বিবিধ
বিবিধ বিস্ফোরক বিধিমালা। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- ১৯২। বিপজ্জনক কার্যকলাপ,
- ১৯৩। রহিতকরণ এবং হেফাজত…
বিবিধ তফসিল ১। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ২। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৩ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৪ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৫ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৬ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৭ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৮ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- তফসিল-১
- তফসিল-২
- তফসিল-৩
- তফসিল-৪
- তফসিল-৫
- তফসিল-৬
- তফসিল-৭
- তফসিল-৮
প্রারম্ভিক অস্ত্র আইন প্রস্তাবনা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত আইন একীকরণ ও সংশোধনের নিমিত্তে একটি আইন।
প্রারম্ভিক অস্ত্র আইন প্রস্তাবনা
যেহেতু অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত আইন একত্রীকরণ ও সংশোধন করা উচিত; তাই এটা এতদ্বারা নিম্নবর্ণিত রূপে বিধিবদ্ধ করা হল:
An Act to consolidate and amend the law relating to Arms, Ammunition and military Stores.
Preamble
WHEREAS it is expedient to consolidate and amend the law relating to arms, ammunition and military stores; It is hereby enacted as follows:
প্রথম: প্রারম্ভিক
I.-Preliminary
ধারা-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও স্থানীয় আওতা:
এ আইন ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন নামে অভিহিত হবে; এবং এটা সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে।
1. For the statement of Objects and Reasons, see Gazette of India, 1877. pt. V. p. 650; for discussions in Council, see ibid., 1877. supplement, pp. 3016 and 3030: ibid. 1878. 1878, supplement, pp. 435 and 453. A license granted under the Explosives Act, 1884 (IV of 1884), for the manufacture, possession, sale, transport or importation of an explosive may be given the effect of a like license granted under the Arms Act. 1878 (XI of 1878). See Act IV of 1884, s. 15.
As to the possession, manufacture and export of arms, ammunition and gunpowder in the Chittagong Hill-tracts, see the Chittagong Hill tracts Regulation, 1900 (I of 1900), ss. 11 and 12. As to further law relation to unlawful manufacture, and possession of
explosive substances, see the Explosive substances Act, 1908 (VI of 1908), ss. 4(b) and 5.
ব্যতিক্রম: কিন্তু এতে অন্তর্ভুক্ত কোন কিছুই প্রযোজ্য হবে না-
(ক) সমুদ্রগামী জাহাজ ভর্তি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার এবং তার সাধারণ যুদ্ধোপকরণের বা সরঞ্জামের অংশবিশেষ, অথবা,
(খ) সরকারি চাকুরে হিসেবে কর্তব্য পালনকালে সরকারি আদেশ বা সরকারি আদেশে প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন, বহন, দখলী অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার।

Sec. 1. Short title Local extent.-
This Act may by called the Arms Act, 1878; and it extends to [the whole of [Bangladesh), Savings. But nothing herein contained shall apply to-
(a) arms, ammunition or military stores on board any sea- going vessel and forming part of her ordinary armament or equipment, or
(b) the manufacture, conversion sale, import, export, transport, bearing or possession of arms, ammunition or military stores by order of the Government].6 or by a public servant in the course of his duty as such public servant¹
ধারার বিশ্লেষণ
এ আইনটি পূর্বে ভারতীয় অস্ত্র আইনরূপে অভিহিত ছিল যা সমগ্র ব্রিটিশ ভারতে চালু ছিল। পরে তা পাকিস্তান অস্ত্র আইনরূপে সমগ্র পাকিস্তানে প্রয়োগ হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিগত ২৫-৩-১৯৭১ ইং তারিখ হতে এ আইন সমগ্র বাংলাদেশে চালু হয়। ১৯৭৩ সনের ১৩নং আইন দ্বারা ‘কেন্দ্রীয় সরকার’ ‘অথবা ‘কোন প্রদেশিক সরকার’ এর স্থলে ‘সরকার’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
ধারা-২। বলবতকরণ:
এ. আইন সেদিন হতে কার্যকর হবে যেদিন সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ধার্য করবেন:
2. The word “Indian” was omitted by A. O., 1949, Schedule.
3. Substituted by the Central Laws (Staute Reform) Ordinance, 1960 (Ord. XXI of 1960), s. 2 and 2nd Schedule (with effect from the 14th October, 1955), for “all the Provinces and the Capital of the Federation” which had been substitute by A. O., 1949, Arts. 3(2) and 4, for the whole of British India.”
4. The word “Bangladesh” was substituted for the word “Pakistan” by the
5. Act VIII of 1973, 2nd Schedule (with effect from 26-3-1971). The word “Government” was substituted for the words “Central Government” by Act VIII of 1973, 2nd Sch.
6. The words “or any provincial Government” were omitted, ibid
7. The words “or a member of the forces constituted by the pakistan Territorial Force Act, 1950” were omitted, ibid.
1. The words “or member” were omitted, ibid.
Sec. 2. Commencement.-
This Act shall come into force on such days² as the [Government] by notification in the³ [official Gazette] appoints.
ধারার বিশ্লেষণ
১৯৭৩ সনের ১৩নং আইনের দ্বারা ‘কেন্দ্রীয় সরকার’ বা ‘কোন প্রাদেশিক সরকার’ এর স্থলে ‘সরকার’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। এ আইনটি প্রথমে ১৮৭৮ সালের ১লা অক্টোবর হতে কার্যকর হয়।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) দণ্ডবিধির অধীনে বিচারে খালাস-অস্ত্র আইনের অধীনে বিচার করা নয়। যেক্ষেত্রে আসামীকে দণ্ডবিধির অধীনে বিচার করে খালাস দেওয়া হয়, কিন্তু পরবর্তীকালে অস্ত্র আইনের অধীনে তার বিচার করা হয়; সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, এরূপ বিচার ‘রেস জুডিকেটার’ নীতিমালার সংজ্ঞাতে আসে না, কারণ পরবর্তী বিচারে যে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছিল তা পূর্ববর্তী বিচারে উত্থাপিত বা সিদ্ধান্ত হয় নি। [PLD, 1963 Dhaka 595 (DB)
(২) অস্ত্র আইন এমন সময় বিধিবদ্ধ করা হয় যখন অস্ত্রের দখল নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন ছিল শুধু জনশান্তি এবং অপরাধ সংঘটনে বাধা দেওয়ার জন্যেই নয়, যার প্রয়োজনীয়তা আজও বিবেচিত হয়, এটা রাষ্ট্রের খাতিরে করা হয়েছে যা রাজনৈতিক অঙ্গনে অজানা ছিল। [PLD (Lahore) 1958 706]
(৩) অস্ত্র আইনের মামলায় রীট এখতিয়ার প্রয়োগ: লাইসেন্স প্রত্যাহার করা একটা শাস্তি এবং এ দণ্ড আরোপ যে উপাদানের উপর করা হয়েছে তার বিষয়গত মূল্য নির্ণয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। বর্তমান মামলায় মহামান্য আদালত মনে করেন যে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোন বৈধ ক্ষমতা ছাড়াই লাইসেন্স বাতিল করেছেন, কারণ ঐ ব্যবস্থা নেওয়ার কোন কারণ আদেশে নেই। [P. Cr. L J. 1968 127 (DB)]
(৪) আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা সংঘটিত হত্যার দণ্ডাজ্ঞা রদ করার ফল: যেক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা হত্যা সংঘটিত করার জন্য আসামীর বিচার ও দণ্ডাজ্ঞা হয় এবং পরে হত্যার অভিযোগ হতে আসামীকে হাইকোর্ট কর্তৃক খালাস দেওয়া হয়, আদালতের সিদ্ধান্তের অনুসিদ্ধান্ত হিসেবে আসামীকে ১৯ (ঙ) ধারা অভিযোগ হতেও অব্যাহতি দিয়েছেন। [PLD 1964 Karachi-187 (DB)]
ধারা-৩। ১৯৩৮ সালের ১নং রহিতকরণ আইন দ্বারা রহিত হয়েছে।
Sec. 3. [Repeal of enactments.]-
Rep. by the Repealing Act, 1938 (I of 1938), s. 2 and Sch.
2. Ist October, 1878-See Gazette of India, 1878, pt. J. P. 389.
3. Substituted by A. O. 1937. for “Gazette of India”
ধারা-৪। দফার ব্যাখ্যাঃ
কোন কিছু বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী না হলে, এ আইনে- ‘কামান’ (Cannon): সব রকমের ছোট হালকা কামান (হাউ ইট স্যার), মর্টার, ও-য়ালাপিস, মাইট্রেইলইউজ এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র এবং মেশিনগান ও তার সব রকম যন্ত্রাংশ এবং সব গাড়ি, মঞ্চ এবং উত্তোলনের যন্ত্রপাতি, পরিবহন ও সেগুলোর পরিবেশন কামানের অন্তর্ভুক্ত।
অস্ত্র (arms): আগ্নেয়াস্ত্র, বেয়োনেট, তরবারি, ডেগার, বর্শা, বল্লমের ডগা, তীর ও ধনুক, কামান এবং অস্ত্রের অংশবিশেষ এবং অস্ত্র তৈরির যন্ত্রপাতিসমূহও অস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত।
গোলাবারুদ’ (ammunition) : টর্পেডো সার্ভিস এবং মাইন দ্বারা ডুবো জাহাজ ঘায়েল করার জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত সব রকম বস্তু, রকেট, এডিস সিক্ত তুলা (গান-কটন), ডিনামাইট, লিথোফ্রাকটিউর এবং অন্যান্য বিস্ফোরক (ফুলমিনেটিং) বস্তু, গানক্লিন্টপ, গান ওয়ার্ড, আঘাত ঢাকনা (পারকাশন ক্যাপ), ফিউজ ও ফ্রিকশান টিউব, গোলাবারুদের অংশসমূহ ও গোলাবারুদ তৈরির সব রকম যন্ত্রপাতি গোলাবারুদের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সীসা, গন্ধক ও সোরা অন্তর্ভুক্ত নয়।
‘সামরিক সম্ভার’ (Military stores): এ আইনের যে কোন ধারায় বর্ণিত যা বাংলাদেশের যে কোন অংশে প্রয়োগ হয়, সামরিক সম্ভার বলতে যে কোন সামরিক সম্ভার বুঝায়, যা সরকার সময় সময় অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা এরূপ ধারা এরূপ অংশে বিশেষভাবে সম্প্রসারিত করতে পারেন এবং সকল প্রকার সীসা, গন্ধক, সোরা ও অন্যান্য বস্তু অন্তর্ভুক্ত যা সরকার সময় সময় এসব ধারায় এরূপে সম্প্রসারণ করতে পারেন।
‘লাইসেন্স’: লাইসেন্স বলতে এ আইনে মঞ্জুরীকৃত একটা লাইসেন্স এবং লাইসেন্স হয়েছে বলতে ঐসব লাইসেন্স ধারণকে বুঝায়।
Sec. 4. Interpretation clause.-
In this Act, unless there be something repugnant in the subject or context,
“cannon” includes also all howitzers, mortars, wall pieces. mitrailleuses and other ordnance and machine-guns, all parts of the same, and all carriages, platforms and appliances for mounting transporting and serving the same:
4[. . . . . . . . . . . ]
4. Omitted by Act VII of 1980. s. 2.
“Arms” includes fire-arms, bayonets, swords, daggers, spears, spearheads are bows and arrows, also cannon and parts of arms, and machinery for manufacturing arms:
“ammunition” includes also all articles specially designed for torpedo service and submarine mining, rockets, gun- cotton, dynamite, lithofracteur and other explosive or fulminating material, gunflint, gun-words, percussion-caps, fuses and friction-tubes, all parts of ammunition and allmachinery for manufacturing ammunition, but does not include lead, sulphur or saltpetre:
“Military stores”, in any section of this Act as applied to any part of 5 [Bangladesh], means any military stores to which the6 [Government] may from time to time by notification in the? [official Gazettel, specially extend such section in such part, and includes also all lead, sulphur, saltpetre and other material to which the [Government] may from time to time so extend such section:
“license” means a license granted under this Act, and “licensed” means holding such license.
ধারার বিশ্লেষণ
এই ধারায় কামান, অস্ত্র, গোলাবারুদ, সামরিক সম্ভার ও লাইসেন্সের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। অস্ত্র আইনের ধারাগুলোর মধ্যে যখন এ শব্দগুলো আসবে, তখন এ শব্দগুলোর অর্থ উপরোক্ত রূপ বুঝতে হবে।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) একটি এয়ারগান, যার সাথে বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করা হয় না এবং টেরিফ এ্যাক্ট অনুযায়ী খেলনার শ্রেণীভুক্ত হয়, খেলনা হিসেবে ধরা হবে এবং অস্ত্র আইনের সংজ্ঞায় পড়বে না। [14 Cr. LJ-239 Maung shwe thet]
(২) কোন জিনিস অস্ত্র কিনা তা নির্ধারণ করতে হলে দেখতে হবে তা কি উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে, যদি তা গৃহকার্যে বা কৃষিকার্যে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়ে থাকে, তবে তা অস্ত্র আইনের ৪ ধারার সংজ্ঞায় পড়বে না। [7 BLR-340-Po Me]
(৩) অস্ত্র বহনের দ্বারা নির্ণয় করা যাবে যে, এটি অস্ত্র কিনা, একটি ভেঙে রাখা ছুরি ডেগার নয় এবং এটি যুদ্ধ-বিগ্রহের জন্য ব্যবহার করা যায় না। অতএব তা অস্ত্রের সংজ্ঞায় পড়ে না। [L.B.R. 1893-1900. 787 Nga Po Thin]
5. The word “Bangladesh” was substituted for word “Pakistan” by the Bangladesh Laws (Revision and Declaration) Act, 1973, (Act VIII of 1973), second schedule (with effect from 26-3-1971).
6. The word “Government” was substituted for the words “Central Government”, Ibid.
7. Substituted by A. O. 1937. for “Gazette of India”.
(৪) একজন পাচকের ছুরি অস্ত্র নয়, আসামী যদি ছুরির পরিবর্তন করে তার দু দিকে ধারের ব্যবস্থা না করে শুধু তা বহন করার জন্য খাপ তৈরি করে তবে এর দ্বারা আসামীর আচরণকে খারাপ বলা যায় না। ছুরির বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে দু দিকে ধার দিলে তা অস্ত্রে পরিণত হয়। [5 LBR-130-Aung Baj
(৫) একটি অস্ত্র মারাত্মক এবং তা ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটবে শুধু এ রকম বিষয় বর্তমান থাকলেও তা অস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হবে না। [15 Cr, L.J. 686]
(৬) ট্রিগারবিহীন বন্দুক অস্ত্রের মধ্যে পড়ে না কিন্তু রিভলভারের ট্রিগার ভাঙা থাকলেও সে রিভলভার এ সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত। [6 Madras 60 and 21 Madras 360]
(৭) অস্ত্র ব্যবহারের উদ্দেশ্য প্রমাণ ছাড়া শুধু অস্ত্র থাকলেই এ আইনের অধীনে অপরাধ হবে না। [AIR 1973 (Supreme Court, 2288]
(৮) একইভাবে কোন অস্ত্রের ক্ষুরের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ অথবা আকার অথবা হাতলেই ঐ অস্ত্রের শ্রেণীতে বিন্যাস করার সঠিক মাপকাঠি নয়। [20 Cr. L. J. 11]
(৯) এটা বলা যাবে না যে, প্রত্যেক প্রকার এয়ার গান বা এয়ার পিস্তল অস্ত্র সংজ্ঞা বহির্ভূত। [35 Cr. LJ. 776 and AIR 1934 (Cal) 368]
(১০) রাইফেলের বোল্টস এবং বার এ ধারায় অস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। [25 Cr. L. J. 539]
(১১) এ ধারায় চাকু অস্ত্র নয় কিন্তু কোন চাকুর ক্ষুর যদি সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি লম্বা হয় এবং তার অগ্রভাগ সরু এবং বড় হাতলের সাথে সংযুক্ত এবং তা ঘোরায়ে হাতলের মধ্যে আনয়ন করা হয় তখন তা অস্ত্র বলে পরিগণিত হবে। [29 Cr. L. J. 115 and AIR 1928 (Rangun) 49]
(১২) বন্দুকের নল এ আইনের ৪ ধারায় অস্ত্র হিসেবে পরিগণিত যতক্ষণ বন্দুকের নল হিসেবে ব্যবহৃত হবে, কারণ এটা আগ্নেয়াস্ত্রের অংশবিশেষ, কিন্তু এ আইনের ৪ ধারায় এটা আগ্নেয়াস্ত্র নয় বা এ ধারার বিষয়বস্তুর অন্তর্ভুক্ত নয়। [5 Cr. L. J. 435] (১৩) শিকারের ছুরির এক পার্শ্ব ধারালো হলে অস্ত্রের সংজ্ঞায় পড়বে। [25 Cr. L. J. 1119]
(১৪) আসামীকে লাইসেন্সবিহীন বে-আইনী রিভলভারের খুচরা যন্ত্রপাতিসহ পাওয়া যায় এবং এটি দেখা যায় যে, উক্ত খুচরা অংশগুলো মরচে পড়া, মরচে ধরা, যা পরিষ্কার করে তেল দিলে ব্যবহার করা যায়। সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, দখলে থাকা বস্তুগুলো অস্ত্র। [37 CWN 234 and AIR 1933 (Cal) 495]
(১৫) অস্ত্র আইনের ৪ ধারার সংজ্ঞা মতে, এমনকি কোন রিভলভার যদি মেরামতের অযোগ্যও হয় তবুও অস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হবে। [17 Cr. L. J.-350 and AIR 1943 (Madras)-661.] (১৬) এ আইনের ৪ ধারায় বর্শাকে বিপরীত গুণ দেখিয়ে বর্শাগ্র ব্যবহার করা হয়েছে, কোন বর্শাই বর্শাগ্রের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। [38 Cr. L. J. 511]
(১৭) কোন শূন্য কার্টিজের বাক্স নিঃসন্দেহে এ আইনের ৪ ধারায় গোলাবারুদের অংশবিশেষ এবং এর দখল বা অবস্থান এ আইনে একটি অপরাধ। [37 Cr. L. J 727 and AIR 1936 (Alhabad) 392]
(১৮) চাকু অস্ত্রের সংজ্ঞায় পড়ে না এ ব্যাপারে কোন ধরাবাধা নিয়ম লিপিবদ্ধ করা যায় না। এটা নির্ধারণ প্রত্যেক মামলার উদ্ভূত পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে, শুধু অস্ত্রের আকার বা এর ক্ষুরের চেহারার উপর নির্ভর করে না, যদি প্রকৃতপক্ষে এবং প্রাথমিকভাবে অস্ত্র পারিবারিক কাজে ব্যবহারের যন্ত্র বা বিষয় হয়, স্বাভাবিকভাবে তা অস্ত্রের সংজ্ঞার বহির্ভূত হবে কিন্তু যদি এটা এমন হয় যে, এটিকে সাধারণ পারিবারিক কাজে ব্যবহার করা যায় বলা যাবে না এবং পক্ষান্তরে আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার কাজে যন্ত্র হিসেবে নিয়োগ করা যায়, তখন তা অস্ত্রের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত বলা যাবে। [PLD Pesh) 58 DB]
(১৯) একটি মামলায় দুটি লাইসেন্সবিহীন ছুরি দুজন আসামীর নিকট হতে উদ্ধার করা হয়, একজনের ছুরির ব্লেড ছিল ৭ ইঞ্চি এবং অন্যজনের ছুরির ব্লেড ছিল ৬ ইঞ্চি লম্বা সাক্ষ্য থেকে দেখা যায় যে, আসামীগণ উভয় ছুরিই অপরাধ করার জন্য অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আসামীদেরকে অস্ত্র আইনের ১৯ (চ) ধারায় প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ঐসব অস্ত্র ব্যবহারের জন্য শাস্তি দেওয়া যেত। [PLD 1963 (Lahore) 704]
(২০) মামলার অবস্থার উপরই এ প্রশ্নের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কেবলমাত্র অস্ত্রের ব্লেডের আকার এবং আয়তনের উপর নির্ভর করবে না, যদি এটি প্রাথমিক এবং স্পষ্টভাবে সাংসারিক কাজে ব্যবহৃত হয়, সেক্ষেত্রে অস্ত্রের সংজ্ঞায় পড়বে না, কিন্তু আক্রমণ এবং আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলে তা অস্ত্রের সংজ্ঞায় পড়বে। [PLD 1963 (Lahore) 704]
(২১) বুলেট বা গুলির আকারে একখণ্ড সীসা গোলাগুলি বা গোলাগুলির অংশ। একটি খালি কার্তুজ কেস নিঃসন্দেহে গোলাগুলির অংশ এবং এর দখলও অপরাধ কিন্তু আমির বনাম সম্রাট মামলায় দুটি কাতুর্জ দখলে রাখার জন্য এক ব্যক্তিকে দণ্ডাজ্ঞা প্রদান করা হয়, তবে মহামান্য আদালত সিদ্ধান্ত নেন যে, যেহেতু কার্তুজগুলোর পুনঃবোঝাই করা যাবে না সেহেতু কোন অপরাধ সংঘটিত হয় নি। [AIR 1936 All 392]
Section-4
A Kiris is not included in the definition of the ‘arms’ under the Arms Act.
Ful Miah & Ors Vs. The State 14 BLT (HCD) 322 14 BLT
Section-4
“Bana” does not come within the meaning of “arms” under the Arms Act, 1878.
Md. Rafiqul Islam Vs. The State 14 BLT (HCD) 416
1. When the incriminating articles allegedly recovered from the accused do not attract the mischief of the Arms Act the Special Tribunal has no jurisdiction to take cognizance of the alleged offence and to try the case. (Nesar Ahmed Babul Vs. Govt. of Bangladesh and another) (993) 17 BLD (AD) 151.
2. The submission made on behalf of the appellants that the combined effect of section 4 of the Arms Act and Rule 30 of the Arms Rules that no licence is required to keep a knife or iron whip recovered from the appellants and as such none of the appellants can be convicted under the Arms Act is true but using such arms crimes are being committed rampant in the country now-a-days for which it is necessary to amend the Arms Rules requiring licences to keep such arms alike India as she has already made such amendment. 3 BLC 269.
3. To bring under the definition of ‘dagger’ an article must also be ‘stabbing weapon’ with pointed and edged blade and it must also be ‘deady weapon’. The prosecution, appears to have failed to prove that ‘Disco razor’ or ‘Spring knife’ are ‘arms’ within the definition of the Arms Act even if they are taken to be ‘daggers’.
4. Definition of arms-In order to be more specific definition of arms need to be redefined-
Section 19 (f)-Possession of spring knife, chinese axe- not punishable offence-
“Disco razor” “Chinese axe” and “Spring knife” are not included within the definitions of arms and in that view of the matter the possession thereof without licence does not constitute offence punishable under section 19(f) of the Arms Act, 1878.
Saiful Islam Milon and another Vs. The State, 4 MLR (1999) (HO) 323
5. Since rule 30 does not provide for any licence for keeping dagger in possession, such possession of dagger without licence is not an offence and as such no conviction on this count is sustainable in law. 2 MLR (1997) (HC) 368.
6. To bring under the definition of “dagger” an article must be a “stabbing weapon” with pointed and edged blade and it must also be a “deadly weapon”. The prosecution, appears to have failed to prove that “Disco razor” or “Spring knife” are “arms” within the definition of the Arms Act even if they are taken to be “daggers”.
Saiful Islam Milon and another Vs. State 50 DLR 529.
7. Recovery of a bayonet from the body of the accused when came out of this house on repeated calls of the police. does not speak of probability and smacks of concoction and fabrication. More so the accused cannot be convicted for such recovery when the evidences are sharply discrepant with regard to place and manner of recovery. 3 MLR (1998) (HC) 178. 8. ‘Dsico razor’, ‘Chinese axe’ and ‘Spring knife’ are not included within the definitions of arms and in that view of the matter the possession thereof without licence does not constitute offence punishable under section 19 (f) of the Arms Act, 1878. 4 MLR (1999) (HC) 323.
9. ‘Daos’ and ‘Ram Daos’ which are used for domestic and agricultural purpose, do not come within the mischief of section 4 of the Arms Act and as such of conviction under section 19 (f) of the Arms Act is illegal. I BLC 414.
10. The term “arms” may be extended to arm of similar type, otherwise the definition of arms would remain a lame duck definition, kiviz so doubt has not been mentioned in the short list of “arms” but that does not exclude it from category of arms. Ershad Ali Vs. State, 52 DLR (2000) 544.
11. Sections 4, 13, & 19(c) No licence is required to keep a dagger and consequently a person cannot be convicted if he is found in possession of a dagger.
Mozammel Hossain Vs. State, 49 DLR 614.
12. Section 4-No licence is required to possess a dagger. A person therefore cannot be convicted under the Arms Act for possession of a dagger.
Mozammel Hossain Vs. The State, 17 BLD (HCD) 635.
13. Section 4-One of the weapons recovered from the possession of the accused appears to be a dagger used as weapon of offence or defence. A dagger cannot be said to be used as household instrument. Rezaul Karim Razu Vs. State (Criminal) 57 DLR (2005) 104
14. Section 4 It is a settled principle of law that the knives and kiris also come within the permission of definition of the arms. All the accused persons come together to the placed occurrence with an intention to commence the crime and, as such, the arms recovered cannot be said that it was not recovered from a particular accused becuase they were jointly possessing the arms. Monirul Islam alias Bablu and another Vs. State (Criminal) 10 BLC (2005) 183
15. Section 4-The accused allegedly used the dagar and the razor as weapons of offence and defence. Thus the weapons allegedly recovered from the possession of the accused are arms within the meaning of section 4 of the Arms Act. (Rezaul Karim Razu Vs. State 24 BLD (2004) (HCD) 580
Burden of proof. Accused pleading of self defence need not prove if he establishes facts which on the test of preponderance of probabilities makes his defence acceptable. (Hasan Rony Vs. State) 24 BLD (HCD) (2004) 583.
ARMS-WHAT ARE
1. Knives.-An instrument which has a blade tapering gradually to a point and which was attached to a cross-guard and handle is an arm. (51 Call 573)
A cook’s knife is not an arm unless the character of the knife is changed, e. g., by grinding it so as to make it double- edged. 5 LBR 130.
A clasp-knife is an arm which is 5 inches long. 1928 (Rang. 49-5 Rang 710=106 IC 707 = 29 Cr. LJ 115.)
A hunting knife sharpened on one side only is an arm. (1924 Cal. 714) Sword stick.-A sword stick is a sword sheathed, in a stick and so comes within the definition of arm. (6 Cr. LJ 227 = 34 Cal) Sword-hilts are arms. (38 PR 1889 (Cr.)
Quackenbush rifle is an arm within the meaning of this Act. (1 PWR 1913)
2. Spear.-A spear cannot be held to include a spear-head as the word “Spear” is used in section 4 in contradiction to spear head. (1937 All. 228)
An article which has the appearance of a spear, and which can be used as a spear, does not cease to be so becuase it is elctro-plated or it is called something else such as nishan saheb or because of the religious use to which it is put. (1941 Lah. 340 = 43 Cr. LJ 76 = 196)
3. Chhavis and Gandasas have been declared by the Punjab Government to be arms within the meaning of this section.
4. Chhavis are arms within the meaning of section 4 of the Act. (16 PR 1900)
5. Where the handle of chhavi is 4 feet long which is very unusual length for the handle of an axe, and the shape of the head, though perhaps uncommon, it is not a harmless axe. There is no legal definition of the word chhavi and every thing is a chhavi which has a large axe-like blade, curved or otherwise with an arrangement of a ring or rings for binding it to the handle and a handle of a considerable length. The weapon under discussion was held to be chhavi. (15 Cr. LJ 506.)
6. Instrument consisting of a lathi and an axe-like blade and not used for domestic purposes is arm. 1928 Lah. 295-29 Cr. LJ 961-49=9 Lah. 137. In the following case chhavi was deemed to be an arm within the meaning of this section. (1929 Lah. 872=30 Cr. LJ 668).
AIR-GUN
Definition not being exhaustive, every air-gun is not excluded. 1934 Cal 364-60 Cal. 1477.
WHAT ARE NOT
Exhibit knife. Is not an arm. 7 Burma Law Times 165.
A clasp-knife. Is not an arm. 1893-1900 LBR 487:
A table knife.-9 Burma 207. A pole axe. 15 Cr. LJ 685
A cook’s knife.-5 LBR 103
A dashe upyat-5 LB R 207
A lathi-15 Cr. LJ 685.
An Air-gun-Not adapted for use with explosive substance and classed as a toy though similar to Gem’s Air-gun. 14 Cr. L J 239.
A lathi-Consisting a blade and two movable screws and so contrived that by loosening the screws, the blade may be detached from the shaft made up of the lathi. Human Cattle Killers.
The fact that a weapon is dangerous and may, if used, cause death does not make it an arm. (15 Cr. LJ 685) Takwas.-42 Cr. LJ 144.
PARTS OF FIRE-ARMS
1. According to the definition, parts of arms, ammunition and military stores are arms, ammunition or military stores, as the case may be.
This section says that the word “arms” as used in the Act shall include “parts of arms.” That being the case, unless there is any thing repugnant in the subject or context, wherever the word arms’ is used in the Act, it has got to be read as including ‘parts of arms’. Moreover, by this section, the word ‘arms’ also includes ‘fire-arms.’ Therefore, it seems obvious that the word ‘fire-arms’ as used in section 14 includes “parts of fire-arms”.
This clearly means that the whole includes the part and when the Act deals with a particular class of arms such as fire-arms. The section means that parts of fire-arms are included in “fire-arms.” The word “frie-arms” only means arms that are fired by means of gun- powder or other explosives. When section 14 prohibits the possession of arms that are fired by means of gun powder or other explosive, then clearly, having regard to this section, the possession of parts of such arms is prohibited.
42 Cal. 1153 = 16 Cr. LJ 9.
2. A gun-barrel in serviceable condition. 7 Mad. 70 = 1. The sights of Guns and rifles are arms. H.D. Letter No. 900, dated last May 1911.
3 Held to be arms.-Arms include parts of arms and therefore chavis may be arms. 20 PR 1900 (Cr.) A Gun-barrel and Nipple.
7 Mad. 70-1 Weir 658.
4. A Nipple of a gun is serviceable condition. 7 Mad. 70.
5. Sword-hilts are arms. 38 PR 1889; 6 PR 1908; 25 Cr. LJ 53977 IC 1003.
6. Stock of Guns, unloaded Gun and Revolver Cartridges, Ramrod, percussion caps, Reloading implements, were held to be arms and ammunition. 27 Cal 692: 42 Cal. 1153.
7. Chavi head is an arm.SPR 1915.
8. Loose parts of some revolver in rusty condition capable of being used as ‘fire-arms’.
1933 Cal. 495 = 37 C W N 234: Belts and bores of Rifles. 1937 Nag. 213.
AMMUNITION
1. The word “ammunition” is also not defined in this section as the word “arms” is not defined. The interpretation clause only enumerates certain things included in the term.
2. The term “ammunition” includes among other things, any explosive material. Read with the expression “arms and military store”, it is not unreasonable to infer that the intention of the Act was to deal with an explosive material capable of being used for purposes of warfare.
3 Mad. 202 = 1 Weir 664.
3. An exploded percussion cap is not ammunition though unexploded is. Hence an empty cartridge is a carcass of loaded cartridge just like the corpse of a human being who was a man when living. 20 P R 1890 (Cr.).
4. But the following High Courts hold a contrary view and hold empty cartridges “ammunition”. 81 IC 215: 32 AIL 152; 41 С 406; 10 Cr. LJ 573.
5. Gun-powder even intended for fire works. 8 Mad. 202 Empty cartridges cases 1924 All. 215; 25 Cr. 1. J. 729. An instrument for recaping cartridges cases of the Martini Hurry rifle is machinery for manufacturing ammunition. 20 PR 1890.
6. Only war rockets. 5 Mad. 159 (8 Mad. Distinguished).
7. Lead moulded into bullets of 20 to 24 bore. 23 PWR 1920 (Cr.).
8. The term ammunition includes not only serviceable loaded cartridges but also all parts of ammunition. Old, dirty and in part rusty, loaded cartridges and bullets are therefore “ammunition” within the meaning of the term as defined in section 4 of the Act. Hence the possession of such articles contrary to the Act, would be an offence. 1 LR 1947 Кг. 49. Not ammunition or Military Stores.-Empty Cartridges. Spears. Dahs and forks do not come within the term “military stores.” 1892-1896 UBR Vol. 11.
UNSERVICEABLE
The unserviceable remains of a gun are not fire-arms. 12 CPLR 10.
A gun rendered unserviceable by the loss of the trigger is not an arm. 6 Mad. 60 (overruled by 21 Mad. 360).
A pistol out of repairs is not an arm. 24 All 454
A broken unserviceable gun is not an arm. 1 Weir 658.
The circumstance that an arm is in an unserviceable condition is not sufficient to take it out of the category of fire- arms. 9 Cr. L. J. 259, F. B.
A revolver with a broken trigger is a fire-arm.eolgo 21 Mad. 360 F B (6 Mad. 60 overruled).
A weapon need not be in serviceable condition to fall within thie section. 25 Cr. LJ 539.
A revolver even if it is out of repair is none the less an arm. 14 W R 1908 (Cr.) = 7 Cr. LJ 350 146 PLR 1908.
A repairable unserviceable fire-arm is a fire-arm and possession thereof is an offence. 44 Cr. LJ 124 + 209 IC 272. Whether in any particular case a particular unserviceable arm is an arm or not, is a question of fact to be determined according to the circumstances of each case. 5 Cr. LJ 435 = 3 NLR 53. The test is whether a particular weapon has lost its specific character and ceased to be a fire arm and not whether it is serviceable or not. The circumstances that it is in an unserviceable condition is not sufficient to take it out of the category of fire-arms.9 Cr. LJ 352 (FB) = 1 SLR 18; 16 R 1910.
প্রস্তুত, পরিবর্তন ও বিক্রি প্রস্তাবনা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
প্রস্তুত, পরিবর্তন ও বিক্রি প্রস্তাবনা
II.-Manufacture, Conversion and Sale
ধারা-৫। লাইসেন্স ছাড়া প্রস্তুত, পরিবর্তন ও বিক্রি নিষিদ্ধ:
লাইসেন্সের অধীনে এবং লাইসেন্সে বর্ণিত পন্থায় এবং এর দ্বারা অনুমতিকৃত পরিমাণ ভিন্ন আকারে কোন ব্যক্তি কোন অস্ত্র, গোলাবারুদ অথবা সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন বা বিক্রি বা রাখতে, প্রদান করতে বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করতে পারবে না। এখানে বর্ণিত কোন কিছু কোন ব্যক্তিকে তার ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য আইনসঙ্গতভাবে অধিকারে থাকা কোন অস্ত্র বা গোলাবারুদ সাময়িকভাবে প্রচলিত আইনে তা অধিকার করতে নিষিদ্ধ নয় এমন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করতে বাধা দিবে না, কিন্তু এ আইনের ২৭ ধারায় অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যতিরেকে অন্য কোন ব্যক্তির নিকট এরূপ বিক্রি করলে অথবা দেরি না করে জেলার ম্যাজিস্ট্রেট বা নিকটবর্তী থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে বিক্রির বিষয় এবং ক্রেতার নাম ও ঠিকানা জানাতে হবে।

Sec. 5. Unlicensed manufacture, conversion and sale prohibited,
No person shall manufacture, convert or sell, or keep, offer or expose for sale, any arms, ammunition or military stores. except under a license and in the manner and to the extent permitted thereby.
Nothing herein contained shall prevent any person from selling any arms or ammunition which he lawfully possessed for his own private use to any person who is not by any enactment for the time being in force prohibited from possessing the same; but every person so selling arms or ammunition to any person other than a person entitled to posses the same by reason of an exemption under section 27 of this Act shall, without unnecessary delay, give to the Magistrate of the district, or to the officer in charge of the nearest police-station, notice of the sale and of the purchaser’s name and address.
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারাবলে সরকার অস্ত্র বিক্রি, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন বা বিক্রি বা রাখা, প্রদান করা বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করা নিজের আওতাধীন বা এখতিয়ারাধীন রেখেছেন। কোন ব্যক্তি তা করতে গেলে ঐ ব্যাপারে সরকারের নিকট হতে লাইসেন্স নিতে হবে এবং পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া অস্ত্র প্রস্তুত, পরিবর্তন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছেন। কেউ অস্ত্র বিক্রি করলে বা ক্রয় করলে অনতিবিলম্বে জেলার ম্যাজিস্ট্রেট বা নিকটবর্তী থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে বিক্রির বিষয় এবং ক্রেতার নাম ও ঠিকানা জানাতে হবে।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) লাইসেন্সবিহীন আতশবাজি উৎপাদন এ ধারায় নিষিদ্ধ নয় বলা হয়েছে। [5 (Madras) 159]
(২) উৎপাদনের মধ্যে মেরামতকে অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তা করা যাবে না। মেরামত উৎপাদন হতে ভিন্ন। [52 Cr. L. J 187, AIR 1951 HP 35]
(৩) গাদা বন্দুক পারকাশন বন্দুকে পরিবর্তন যেখানে কোন ব্যক্তি পারকাশন গান রাখার দায়ে অভিযুক্ত, অথচ তার লাইসেন্স শুধু গাদা বন্দুকের জন্য ছিল। প্রতিপক্ষের বক্তব্য ছিল যে, লাইসেন্সের পর সুবিধার খাতিরে মূল বন্দুককে গাধা বন্দুকে পরিবর্তন করে পারকাশন গানে রূপান্তর করা হয়। সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, তাকে ১৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। [10 Madras 131]
৪) এজেন্ট দ্বারা বিক্রয়-এজেন্ট দ্বারা বিক্রিকে এ আইনে বা বিধিতে অবৈধ বলা হয় নি। [12 Madras 413]
Manufacture. The manufacture or possession of fire- works. including rockets which are only fire-works does not come within this section. – 5 Mad. 159.
A repair of gun is not ‘manufacture’. – 1 Weir 653
Convert.-Conversion of a match lock for which a license has been granted into a percussion gun is not such conversion as to make the possession of the latter punishable. 10 Mad. 131 = 1 Weir 665. The term “manner’ as used in this section appears to have reference to the conditions under which a license for the weapon is given, e.g. as to how it is to be kept and used and as to its being produced at the time required. (lbid).
Sell.-An agreement authorising a person to sell arms under a liecense granted to and in the name of a certain license is not illegal, though it virtually amounts to a transfer of license. – 1 Burma 168
A sale of sulphur and ammunition by agent of a license-holder is not illegal. – 12 Mad. 473.
A sale of “arms” by the Nazir of a Court in execution of a decree is a sale by a public servant in discharge of his public duty and is excluded from the operation of this Act. But the Court should give notice of such sale as provided by this section. – 9 Bom. 518.
When a person who applied for permission to sell a gun but did not obtain permission was held not to be punishable under section 19 (b) when he had given notice under this section. – 1 Weir 657.
The section does not at all speak of permission to sell. An application by an accused to get permission to sell his gun, therefore, amounts to giving notice under this section. – (1883) 6 Mad. 60 (F B).
Manufacture or sale of fire-works. No license is necessary for ordinary fire-works makers who do not combine the trade in fire-works with the manufacture or sale of gun-powder. Government of India Notification No. 1812 (Public). dated 1st December 1880. – See 5 Mad. 159.
Repair of arms. No licence is necessary for the repairs of arms. Government of India H.D. No. 69-2039-50, dated 15th December 1881.
In the Arms Act the word “repair” appears neither in the provision prescribing a license nor in the provision prescribing a penalty, the word “convert” being used in substitution therefor. The term “manufacture” can not be construed to include” repair”. – 1 Weir 653 and 656.
আমদানি, রপ্তানি ও পরিবহন প্রস্তাবনা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
আমদানি, রপ্তানি ও পরিবহন প্রস্তাবনা
III.-Import, Export and Transport
ধারা-৬। লাইসেন্সবিহীন আমদানি ও রপ্তানি নিষিদ্ধ:
লাইসেন্সের অধীনে ও পন্থায় এবং লাইসেন্সে অনুমতিপ্রাপ্ত পরিমাণ ভিন্ন কোন ব্যক্তি সমুদ্র পথে বা স্থলপথে কোন অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাইরে আনতে বা নিয়ে যেতে পারবে না।

ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অস্ত্রশস্ত্র বা গোলাবারুদের আমদানি ও রপ্তানি:
আইনসঙ্গতভাবে এরূপ অস্ত্রশস্ত্র বা গোলাবারুদের অধিকারী হতে পারে এমন ব্যক্তি কর্তৃক তার ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র (কামান ছাড়া) বা গোলাবারুদ আমদানি বা রপ্তানির ব্যাপারে এ ধারার প্রথম
দফা প্রযোজ্য হবে না, কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে নামে অথবা তার অফিসের গুণে ক্ষমতাপ্রাপ্ত শুল্ক কালেক্টর বা অন্য কোন কর্মকর্তা যে কোন সময় সরকার হতে আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত এসব অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ আটক করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা:
এ ধারায় অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বাংলাদেশের এক অংশ হতে অন্য অংশে সমুদ্র পথে অথবা বাংলাদেশের অংশ নয় এরকম মধ্যস্থিত এলাকা দিয়ে আনা-নেওয়া বুঝায়।
Sec. 6. Unlicensed importation and exportation prohibited.-
No person shall bring or take by sea or by land into or out of¹ [Bangladesh] any arms, ammunition or military stores except under a license and in the manner and to the extent permitted by such license.
Importation and exportation of arms and ammunition for private use.-
Nothing in the first clause of this section extends to arms (other then cannon) or exported in reasonable quantities for his own private use by any person lawfully entitled to possess such arms or ammunition; nut the collector of Customs or any other officer empowered by the¹ [Government] in this behalf by name or in virtue of his office may at any time detain such arms or ammunition until he receives the orders of the¹ [Government] thereon.
Explanation.-
Arms, ammunition and military stores taken from one part of2 (Bangladesh] to another by sea or across intervening territory not being part of² [Bangladesh] are taken out of and brought into² [Bangladesh] within the meaning of this section.
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারার বিধান দ্বারা সরকার কোন ব্যক্তিকে লাইসেন্স ছাড়া কোন অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাইরে আনতে বা নিতে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছে। তবে আইনসঙ্গতভাবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র (কামান ছাড়া) বা গোলাবারুদ আমদানি ও রপ্তানি করতে পারবে।
1. The word “Government” was substituted for the words “Central Government” by Act VIII of 1973, Second Sch. (with effect from 26-3- 1971)
2. The word-Bangladesh” was substituted for the word “Pakistan”, ibid.
পূর্বে এ ধারায় ‘কেন্দ্রীয় সরকার’ ও ‘পাকিস্তান’ লিখা ছিল যা ১৯৭৩ সালের ৮নং আইন দ্বারা বিগত ২৩-৩-১৯৭১ ইং তারিখ হতে, যথাক্রমে ‘সরকার’ ও ‘বাংলাদেশ’ শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে।
ধারা-৭। অস্ত্রশস্ত্র গুদামে জমা করার জন্য সরকারের অনুমোদন দরকার:
১৯৬৯ সালের শুল্ক আইনে যা-ই থাকুক না কেন, সরকারের অনুমোদন ব্যতিরেকে ঐ আইনের ১৬ ধারায় বর্ণিত লাইসেন্স অনুবলে কোন গুদামে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ অথবা সামরিক সম্ভার জমা করতে পারবে না।
Sec. 7. Sanction of Government required to ware housing of arms, etc.-
Notwithstanding anything contained in the³ (Customs Act, 1969), no arms, ammunition or military stores shall be deposited in any warehouse licensed under section 16 of that Act without the sanction of the¹ [Government].
ধারা-৮। ১৮৯১ সালের সংশোধনী আইনের দ্বারা বাতিল করা হয়েছে।
Sec. 8. [Levy of duties on arms, etc., imported by sea.]-
Rep. by the amending Act, 1891 (XII of 1891).
ধারা-৯। ১৮৯১ সালের সংশোধনী আইনের দ্বারা বাতিল করা হয়েছে।
Sec. 9. [Power to impose duty on import by land.]-
Rep. by the Amending Act, 1891 (XII of 1891).
ধারা-১০। অস্ত্র পরিবহন নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা:
সরকার সময় সময় অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা-
(ক) লাইসেন্স বা এ লাইসেন্স দ্বারা অনুমতি প্রদত্ত পরিমাণ ও পদ্ধতি ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশে বা তার কোন অংশে বা সামগ্রিকভাবে যে কোন প্রকারের অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ অথবা সামরিক সম্ভারের পরিবহন নিয়মিত অথবা নিষিদ্ধ করতে পারেন, এবং
(খ) এই প্রকার বিজ্ঞপ্তি বাতিল করতে পারেন,
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের যে কোন বন্দরে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ অথবা সামরিক সম্ভার স্থানান্তরিতকে এ ধারার অর্থে পরিবাহিত বুঝায়।
3. The words within square brackets were substituted for the words “Sea Customs Act, 1878.” ibid.
1. The word “Government was substituted for the words “Central Government by Act VIII of 1973. Second Sch. (with effect from 26-3- 1971)
Sec. 10. Power to prohibit transport.-
The2 [Government] may, from time to time, by notification in, the [Omcial Gazette),-
(a) regulate or prohibit the transport of any description of arms, ammunition or military stores over [the whole of [Bangladesh]] or any part thereof, either altogether or except under a license and to the extent In the manner permitted by such license, and (b) cancel any such notification.
Explanation.-
Transshipment of arms,-Arms, ammuni- tion or military stores transshipped at a port in 2(Bangladesh] are transported within the meaning of the section.
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারায় সরকার যে কোন প্রকারের অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রেখেছেন। এ ধারাবলে সরকার যে কোন ধরনের অস্ত্র শস্ত্র, গোলবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহন নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা রাখেন।
ধারা-১১। তল্লাশি পোস্ট স্থাপনের ক্ষমতাঃ
সরকার বাংলাদেশ ও ভিন্ন দেশের সীমান্ত রেখা বরাবর যে কোন স্থানে এবং এ রেখায় এ প্রকার দূরত্বে যা উচিত বলে বিবেচিত হবে, তল্লাশি পোস্ট স্থাপন করতে পারেন, যাতে চলমান জাহাজ, গরুর গাড়ি এবং পশুবাহী যান এবং সমস্ত প্রকার বাক্স, গাঁট ও মোড়ক (প্যাকেজ) থামাতে পারেন এবং অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার তল্লাশি করতে পারেন।
Sec. 11. Power to establish searching stations.-
The [Government]may, at any places along the boundary- line between” [Bangladesh] and foreign territory..
2. The word “Government” was substituted for the words “Appropriate Government”, Ibid.
3. Substituted by A. O. 1937, for “Gazette of India”.
4. See foot-note 3 on page 1, ante,
5. The word “Government” was substituted for the words “Central Government” by the Bangladesh Laws (Revision and Declaration) Act, 1973, (Act VIII of 1973), Second Schedule (with effect from 26-3-1971).
6. The words “within, the previous sanction of the Governor-General in Council” were repealed by A. O. 1937.
7. The word “Bangladesh” was substituted for the word “Pakistan” by the Act VIII of 1973, Second Schedule (with effect from 26-3-1971).
8. The words “or between a province and an Acceding state” which were Inserted by A. O. 1949 Sch. have been omitted by A. O. 1964, Art. 2 and Sch.
and at such distance within such line as it deems. expedient, establish, searching posts at which all vessels. carts and baggage-animals, and all boxes, bales and packages in transit, may be stopped and searched for arms, ammunition and military stores by any officer empowered by the¹ [Government] in this behalf by name or in virtue of his office.
ধারা-১২। অবস্থাধীনে যদি সন্দেহের উদ্রেক হয় যে কোন ব্যক্তি অস্ত্র ইত্যাদি বহন করতেছে তবে তাকে আটক করা যায়ঃ
যখন কোন ব্যক্তিকে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার বহন বা প্রদান করতে দেখা যায়, তা কোন লাইসেন্সের আবরণে হোক বা না হোক, এমন পন্থায় অথবা এমন অবস্থাতে বহন করে, যাতে করে ন্যায়সঙ্গতভাবে সন্দেহের উদ্রেক হয় যে ঐসব দ্রব্যাদি ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তার দ্বারা বাহিত হচ্ছে বা এগুলো যে কোন বেআইনী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে, সেক্ষেত্রে যে কোন ব্যক্তি বিনা পরোয়ানাতে তাকে আটক করতে এবং তার নিকট থেকে ঐ সকল অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার নিয়ে নিতে পারে।
পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য লোকের দ্বারা গ্রেফতার করার পদ্ধতি:
আটককারী ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কর্মকর্তা না হলে আটককৃত ব্যক্তি এবং আটককৃত অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারসমূহ যত শীঘ্র সম্ভব পুলিশ কর্মকর্তার নিকট সোপর্দ করতে হবে। এ ধারায় আটককৃত অথবা পুলিশের কর্মকর্তার কাছে সোপর্দকৃত ব্যক্তিগণকে এবং আটককৃত অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদসমূহ অযথা দেরি না করে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
Sec. 12. Arrest of persons conveying arms, etc; under suspicious circumstances.-
When any person is found carrying or conveying any arms, ammunition or military stores, whether covered by a license or not, in such manner or under such circumstances as to afford just grounds of suspicion that the same are being carried by him with intent to use them, or that the same may be used, for any unlawful purpose, any person may without warrant apprehend him and take such arms, ammunition or military stores from him.
Procedure where arrest made by person not Magistrate of police officer.-
Any person so apprehended, and any arms, ammunition or military stores so taken by a person not being a Magistrate or police-officer, shall be delivered over as soon as possible to a police-officer.
All persons apprehended by, or delivered to a police- officer, and all arms and ammunition seized by on delivered to any such officer under this section, shall be taken without unnecessary delay before a magistrate.
ধারার বিশ্লেষণ
সন্দেহজনকভাবে যদি কোন ব্যক্তি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার বহন করে, তবে যে কোন ব্যক্তি বিনা পরোয়ানাতে তাকে উক্ত অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদিসহ আটক করতে পারে এবং আটককৃত ব্যক্তি ও অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি যতশীঘ্র সম্ভব পুলিশ কর্মকর্তার নিকট জমা দিতে হবে।
এ ধারায় আটককৃত অথবা পুলিশ কর্মকর্তার কাছে সোপর্দকৃত ব্যক্তিগণকে এবং আটককৃত অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদসমূহ অযথা দেরি না করে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) কোনটা সন্দেহের সঠিক ভিত্তি তা প্রত্যেক মামলার উদ্ভূত পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। কিন্তু এটা কমপক্ষে কতকগুলো নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু বা তথ্যের উপর নির্ভর করবে, যা আটককৃত ব্যক্তির প্রতি সন্দেহের ইঙ্গিত দেয় এবং শুধু অনুমান করলে বা তথ্য থাকলেই হবে না। [7 WR Cr. 3 (1867)]
(২) এ ধারায় অবৈধ উদ্দেশ্য বলতে একটা উদ্দেশ্য বুঝায়, যা আইনে নিষিদ্ধ করা আছে বা যার সম্পাদন আইনের কিছু বিধান ভঙ্গ বুঝায়। [Dr. Cr. 3 (1867)]
Section. 12.-
What constitutes “Just ground of suspicion’ or what is commonly known “reasonable suspicion” must depend on the circumstances of each case, but it must be, at least, founded on some definite facts tending to throw suspicion of the person arrested and not on mere surmise or information. (1867) 7 WR Cr. 3.
Under this section even a person carrying a licenced arms may be apprehended by a private person, provided the person, who wants to effect the arrest has first grounds for suspecting that the arms are being carried with intent to use them or that they may be used for any unlawful purpose, and even with regard to unlicenced arms the section gives a private person no right to arrest, unless, he entertains the suspicion mentioned above. – PLD 1951 Lah. 279.
অস্ত্র সজ্জিত হওয়া এবং অস্ত্র দখলে থাকা প্রস্তাবনা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
অস্ত্র সজ্জিত হওয়া এবং অস্ত্র দখলে থাকা প্রস্তাবনা
IV.-Going Armed and possessing Arms, etc.
ধারা-১৩। বিনা লাইসেন্সে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা:
লাইসেন্সের অধীনে এবং লাইসেন্স দ্বারা অনুমতি প্রদত্ত পন্থা সীমা ব্যতীত কোন ব্যক্তি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হতে পারবে না। যখন কোন ব্যক্তি বিনা লাইন্সেসে অথবা এর বিধান লঙ্ঘন করে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়, ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশের কর্মকর্তা বা এ ব্যাপারে ব্যক্তিগত নামে বা অফিসের অনুবলে সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সে নিরস্ত্র হবে।
Sec. 13. Prohibition of going armed with out license.-
No person shall go armed with any arms except under a license and to the extent and in the manner permitted thereby. Any person so going armed without a license or in contravention of its provisions may be disarmed be any Magistrate, police-officer or other person empowered by the¹ [Government] in this behalf by name or by virtue of his office.

ধারার বিশ্লেষণ
অস্ত্র আইনের এ ধারায় বেআইনী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।যদি কেউ এরূপ বেআইনী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয় তবে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ ঐরূপ ব্যক্তিকে নিরস্ত্র করতে পারেন।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ:
(১) সে ব্যক্তি এ ধারার অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে যে, ব্যবহার করার বাসনায় লাইসেন্সবিহীন অস্ত্র বহন করে। যদি ব্যবহার করার কোন ইচ্ছা না থাকে, যেমন-উদাহরণস্বরূপ, যখন কোন ব্যক্তি হাতে ব্যাগ বহন করে, যার মধ্যে লাইসেন্সবিহীন পিস্তল রেখেছে, সেক্ষেত্রে এ ধারা প্রযোজ্য হবে না। [AIR 1950 (Alahabad) 3825, Dr (Alahabad) 202 and 51 Cr. L. J. 1064]
1. The word “Government” was substituted for the words “Appropriate Government” by the Act VIII of 1973, Second Schedule (with effect from 26-3-1971).
(২) এ ধারার অস্ত্রে সজ্জিত হওয়া অস্ত্র বহন করাকে বুঝায়। ‘অস্ত্রে সজ্জিত হওয়া’ শব্দগুলোর অর্থ গতিকে বুঝায় এবং ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে কোন অস্ত্র বহন করাকে বুঝায়। যদিও এটা অবশ্যম্ভাবীরূপে আচরণের ধারাকে বুঝায় না। [53 (Bombay) 604]
(৩) এটা অবশ্যম্ভাবীরূপে অস্ত্রে সজ্জিত ব্যক্তির গতিকে বুঝায় না।
এর আবশ্যকীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে:
(ক) আসামী কর্তৃক অস্ত্র বহন ও
(খ) প্রয়োজন ও মোক্ষম সময়ে তা ব্যবহারের ইচ্ছা। [AIR (Bom) 173 and 49 Cr. L. J. 208]
(৪) মেরামতের জন্যে অস্ত্র লওয়াকে অস্ত্রে সজ্জিত বলা যাবে না। এ উক্তি বা শব্দসমূহ কোন বিশেষ অস্ত্রের স্বাভাবিক বা প্রচলিত পন্থার বহনের মধ্যে সীমা রাখতে হবে। [LBR (1893-1900) 284]
(৫) যা ধারালো করা যোগ্য এমন ভোঁতা বর্শা নিয়ে কুচকাওয়াজ মাঠে ব্যায়ামের জন্য আসলে এ ধারায় অস্ত্রে সজ্জিত বুঝায়। আসামীকে অন্যের বাড়িতে ডেগারসহ পাওয়া যায়। এটা তার নয় বা সে তা ঐ বাড়িতে আনে নি বলে নি। পক্ষান্তরে, সে ডেগার ব্যবহারের উদ্দেশ্য বর্ণনা করেছে। এমতাবস্থায় ডেগারের জন্যে অস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার অপরাধ করেছে সিদ্ধান্ত লওয়া হয়। [UBR 1897-1901 1st part + 4 part]
(৬) যখন কোন চাকর তার মনিবের লাইসেন্স নবায়নের জন্যে বহন করে তা এ ধারায় অস্ত্রে সজ্জিত বলা যাবে না, মনিবের বন্দুক চাকর মেরামতের জন্য বহন করলে অস্ত্রে সজ্জিত বলা যাবে না যেখানে চাকর তার নিজস্ব উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে, তখন সে অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে, কিন্তু যেখানে কাউকে এ আইনের ২৭ ধারায় অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সে যদি তার চাকরকে বন্দুক দিয়ে মনিবের জন্য পাখি শিকারে পাঠায় তখন অপরাধের জন্য দোষী হবে না। [22 (Alahabad) 118]
(৭) অধীনস্ত ব্যক্তিসহ অস্ত্র বহনে লাইসেন্স অধীনস্তকে মনিবের সাক্ষাতে অস্ত্র বহনের কর্তৃত্ব প্রদান করে। [20 Cal. 444]
(৮) একজন লাইসেন্সধারীকে সব সময় তার সাথে লাইসেন্স বহন করতে হয় না। [22 Cr. L. J. 755]
(৯) কোন লোককে লাইসেন্স প্রদর্শন করতে নির্দেশ দিলে তা খুঁজে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হলে সে যদি তা প্রদর্শন করতে প্রস্তুত থাকে এবং যদি তার এরূপ লাইসেন্স থাকে, তাহলে তার বিচার করা যাবে না। [20 Cal. 444]
(১০) যেখানে আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়, লাইসেন্সধারী তা খেলা বা প্রদর্শনের কাজে ব্যবহার করতে পারে না। [5 Madras. 26]
(১১) যেখানে প্রদত্ত লাইসেন্স প্রমাণ আকারের বন্দুকের জন্য, সেখানে সে ব্যক্তির লাইসেন্স নিয়ে লাইসেন্সের অনুবলে অর্ধেক নালা বন্দুক রাখতে পারবে না। [29 Cr. L. J. 472 and AIR 1928 (Lahore) 759]
(১২) ১৮৮৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৩ হতে ১৬ ধারা অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোন অস্ত্র দখল বা বহন করার কারও অধিকার নেই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণীতব্য বিধি দ্বারা যেভাবে নির্ধারণ করেন শুধু সে সকল শর্তেই রাখা যাবে। [PLD 161 (sc) 108 and 13 DLR 66 (sc)]
(১৩) অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্রের ব্যবহার:
যেক্ষেত্রে আপীলকারী বন্দুক সজ্জিত অবস্থায় মানুষকে বন্দুক দিয়ে ভয় দেখিয়ে ছিল সেক্ষেত্রে প্রয়োজন বা সুযোগ আসলে বন্দুক ব্যবহার করার অভিপ্রায় তার ছিল, এই সম্বন্ধে বিতর্ক নেই। সে কারণে লাইসেন্সের শর্তভঙ্গ করে বন্দুক বহন করা ১৯ (৫) ধারায় অপরাধ গণ্য হবে।
1. Going armed-Means “carrying arms” and a person getting a licence for protection cannot use it for sport.
1 Weir 663.
2. Taking blunt spear, capable of being sharpened, to parade ground for gymnastic purpose is going armed.
31 Cr. LJ 1109.
3. This section prohibits an unlicensed person from going armed with any kind of arms, that is to say, a person going armed with a knife or revolver comes within the provisions of this section.
1933 Cal. 692=146 1 С 645.
4. When a man is found going about with a pistol, gun or sword, he must in the absence of proof to the contrary, be presumed to be carrying it with the intention of using it.
38 Cr. LJ 639.
5. The expression ‘going armed’ in section 19(e) does not necessarily imply motion on the part of the person alleged to have gone armed. The words ‘going armed’ and ‘possession’ are not to be taken in the same sense. The phrase going armed’ necessarily implies that the person must have the intention of using the arms when the occassion or opportunity arose.
The essence of the offence is, first, the carrying of the weapon in question on the person of the accused, and secondly, the intention on the part of the accused of using the arms as a weapon when necessary or opportune. The Court has to look to the circumstances of each case to see whether such an intention can be established or not.
49 Cr. LJ 208.
6. To make one liable under section 13 of the Act it is necessary to prove that he was going armed with the intention of using them. If a person carries a hand bag in which he had kept an unlicensed pistol, he cannot be said to be going armed as he had no present intention of using the pistol.
51 Cr. LJ 1064.
7. A person found in another’s house wearing a dagger when he is unable to prove that it was not brought by him or that it did not belong to him, is guilty under this section.
UBR 1897-1901 Vol. I, IV.
8. A licence to carry arms including retainer, authorises any retainer to carry the arms specified in the licence with the permission of his master. The licence should not be so construed as to restrict the retainer to carry the arms in the presence of the master.
20 Cal 444.
Rules. For rules dealing with this section see Rules 30 to 38 of Arms Rules. 1924.
Forms.-For Forms see Forms XIV to XX given in Schedule VIII of the Arms Rules, 1924.
Punishment-Penalty for a contravention of this section is provided by clause (e) of section 19.
Exceptions and Exemptions.-For general exceptions and exemptions under this section, see Schedule I and II of the Arms Rules, 1924.
1. Servants liability-Where a havildar has been promoted on the 30th Agust to the rank of a jemmadar with retrospective effect from first June, his servant committed no offence by carrying his gun on the 22nd June without a licence.
27 PR 1885 (Сг).
2. A servant who is under moral restriction not to use his master’s gun, cannot be said to go armed with the gun, simply because he carried it by his master’s orders.
(1897-1901) URR 1. S Cr. L.J. IS.
3. The servant of a person exempted from the operation of this Act commit no offence by carrying his master’s gun and shooting game with it, with his master’s permission, it was held that a servant shooting duck for him on his request is guilty of going armed. Notification of the Government of India exempts all soldiers including the Reservists from the operation of sections 13 to 16.
1 PR 1902 (Cr). = 5 PLR 1902.
Licence not taken. The words “shall go armed with any arms except under licence” cannot be held to mean that the licensee is bound to take his licence with him whenever he goes armed. 1 Weir 81; 1 Weir 662.
The law does not require, nor does the licence provide that a licence to carry arms shall always be on the person of the bearer of arms. If, on being required to show his licence, the bearer of arms is prepared to show it, on being given a reasonable opportunity to get it, and such licence exists, he should not be prosecuted.
20 Cal. 444; (1905) 1 Weir 661; 1921 Oudh 149 = 22 Cr. L J 755.
Mere temporary possession of arms for purpose other than use without a licence is not an offence.
37 Bom. 187; 41 Cal. 11.
195-Ss. 13 to 16 Arms Act/1878
Policy of the Legislation-No one has the right to possess or carry arms except when permitted. PLD-1961 (SC)-178 (185)
ধারা-১৪। লাইসেন্সবিহীন আগ্নেয়াস্ত্র রাখা:
লাইসেন্সের অধীন অথবা লাইসেন্স দ্বারা অনুমতি প্রদত্ত পন্থা ও সীমা ব্যতীত কোন ব্যক্তি তার অধিকারে অথবা নিয়ন্ত্রণে কোন কামান বা আগ্নেয়াস্ত্র বা কোন প্রকার গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রাখবে না।
Sec. 14. Unlicensed possession of fire-arms, etc.-
No person shall have in his possession or under his control any cannon or fire-arms, or any ammunition or military stores, except under a license and in the manner and to the extent permitted thereby.
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারা লাইসেন্সবিহীন কোন আগ্নেয়াস্ত্র রাখার উপর বিধি-নিষেধ জারি করেছে। লাইসেন্স দ্বারা অনুমতি প্রদত্ত পন্থা ও সীমা ব্যতীত কোন ব্যক্তি তার অধিকারে অথবা নিয়ন্ত্রণে কোন কামান, আগ্নেয়াস্ত্র বা কোন প্রকার গোলাবারুদ ইত্যাদি রাখতে পারবে না।
2. The last three paras of section 14 were repealed by the Amending Act. 1891 (Act XII of 1891)
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) কোন লাইসেন্সবিহীন ব্যক্তি রিভলভার সজ্জিত হলে তাকে ১৩ বা ১৪ ধারায় এবং ফলত ২০ ধারায় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। [20 AIR 133 (Cal.) 692]
(২) যখন কোন লাইসেন্সধারীর ভাই দাঙ্গাকারীকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য বন্দুক নিয়ে শূন্যে গুলি ছোঁড়ে, তখন এরূপ কাজকে বেআইনী বলা যাবে না। [47 Alahabad 606]
(৩) যদি কোন ব্যক্তি লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও পাগলা কুকুরকে গুলি করার জন্য কোন বন্দুক ছিনিয়ে নেয়। সে এ ধারায় কোন অপরাধ করে নি। [35 (Cal) 219]
(৪) যেখানে লাইসেন্সধারীর ছেলে তার পিতার বন্দুক নিয়ে পাখি শিকার করে সে অত্র ধারায় অপরাধ করেছে। [47 (Alahabad) 267]
(৫) যদি কোন ব্যক্তি বিনা লাইসেন্সে শুধু আগ্নেয় বস্তু উৎপাদনের জন্য বারুদ ব্যবহার করে, তা হলে সে শাস্তির যোগ্য। [8 (Madras) 202]
(৬) চাকু অনিয়মিতভাবে তৈরি হচ্ছে এবং খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে এবং তা স্বাভাবিকভাবেই রেসপন্ডেন্টের দখলে এসেছে, এসব ঘটনা লঘু দণ্ড প্রদানের অবস্থা, এসব অবস্থা বিবেচনা করে আদালত সিদ্ধান্ত নেন যে, শুধু জরিমানাই বিচারের উদ্দেশ্য সাধন করবে। [PLD 1963 (Pesh.) 55 (DB)]
(৭) কোন ভৃত্য মনিবের বন্দুক ব্যবহার করলে এবং যতক্ষণ ব্যবহার করবে, নিঃসন্দেহে উক্ত বন্দুক তার নিয়ন্ত্রণে ধরা হবে, কিন্তু উক্ত বন্দুক মনিবের দখলে আছে ধরা হবে। এ আইনে ‘দখলের’ বিষয়কে ‘নিয়ন্ত্রণ’ বিষয় হতে ভিন্ন অর্থে বিবেচনা করতে হবে। [৪ Cr. LJ. 18]
(৮) রাষ্ট্রের তরফ হতে বলা হয়েছিল যে, বন্দুকটা আসামীর আঙিনা হতে উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেহেতু বলতে হবে যে, বন্দুকটা তাদের দখলে। এ মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, উক্ত বক্তব্য বাস্তব অবস্থা বিশ্লেষণ ব্যতিরেকে গ্রহণযোগ্য হবে না। এবং তা গ্রহণ করলে বিপজ্জনক পরিণতি দেখা দিবে। আঙিনায় অবস্থিত কুয়ার মধ্য হতে অথবা পান বরজ বা শাকসবজির বাগান হতে উদ্ধারকৃত বস্তু ঐ ব্যক্তির বাসগৃহ যেখানে বাড়ির সদস্য ছাড়া অন্যরা যাতায়াত করতে পারে সেখান হতে উদ্ধার পৃথক। [27 DLR 251]
(৯) ঘটনাস্থল আসামীর একান্ত দখলে ছিল বা সে জায়গায় যে কেউ যাতায়াত করতে পারত না। এ রকম সাক্ষ্য ও পরিস্থিতির অবর্তমানে আসামী কর্তৃক দেখিয়ে দেওয়া জায়গাতে অস্ত্র ছিল শুধু এ রকম জানার জন্য এ আইনের ১৯ ধারায় কাউকে দণ্ড দেওয়া যাবে না। [21 DLR 684]
(১০) মন্দিরের তত্ত্বাবধায়ক কর্তৃক পূজার উদ্দেশ্যে অস্ত্র রাখা এ ধারার এখতিয়ারে এবং তাকে অবশ্যই লাইসেন্স করতে হবে। [8 (Cal.) 473]
(১১) বন্দুকের ব্যবহারের অযোগ্য অংশ এ ধারায় ঠিক আগ্নেয়াস্ত্র বলা যাবে না এবং তা লাইসেন্স দিয়ে রক্ষার প্রয়োজন নেই। [12 CPLR (Criminal) 8.]
(১২) যেখানে আত্মরক্ষার জন্য বন্দুক রাখার লাইসেন্স দেওয়া হয়, ঐ লাইসেন্স খেলাধুলা বা প্রদর্শনীর জন্য লাইসেন্সধারী ব্যবহার করতে পারবে না। [1 WAR- 663]
1. Mere absence of the husband from the house at the time of search be prima facie construed that the wife was retaining the arms in the house unauthorisedly or illegally when the prosecution has failed to file any affidavit to show that actually the husband of the petitioner is an absconder. 2 BLC 135.
2. Sections 14, 15-A person being possessed of any firearms under licence granted by the authority cannot be said to be an illegal possessor of arms-an offence under the Arms Act for such possession would not be deemed committed unless licence is validly cancelled following the provision of law, unless he is asked to deposit and surrender the arms within certain time and he fails to deposit the arms within the time. Altaf Hossain Golondas Vs. Bangladesh and others (Spl Original). (2005) 57 DLR 323.
Section-14A
The law is settled on the point that had there been no support from the side of the public witness even then conviction can be given only on the basis of evidence of police personnel, Simply because they belong to a particular community i.e. law enforeing agency, their evidence cannot be discarded only on that ground. Prosecution was totally successful in proving the allegation brought against the accused appellants under section 19A of the Arms Act. (Hekim State) 27 BLD (HCD) 302.
alias Hakim & Ors. v. The This section prohibits the possession or control of cannons, fire-arms, ammunition or military stores, without a licence. The punishment for a contravention of this section is given in clause (f) of section 19. An offence under this section is committed when a person has in his possession firearms without a licence. To be in possession or control of arms other than those mentioned in this section is not an offence, though it is an offence to go armed with them as provided in section. This section does not refer to all arms, but only to fire-arms,cannons, ammunition and military stores. A spear does not come within the section.
291 C 544.
Possession or control.-Temporary possession of a gun is not a possession centemplated by this section.
35 Cal. 219.
Mere temporary possession for purposes other than use without a licence is no offence 37 Bom.
187; 41 Cal 11.
Throughout the Act the word “possession” must be taken to mean something different from mere control.
4 NLR 76.
The words “possession and control” in section 19 (f) mean something more than mere constructive or legal possession and control. It means conscious possession and actual control and as under this section, mere possession of incriminating article constitutes serious criminal offence there must be mens rea or guilty knowledge before a person can be convicted.
49 Cr. L. J 445.
The word “control” means effective control and the word “possession” means conclusive possession under this clause.
47 Cr. LJ 437 = 222 IC 393 = 1925 A LJ 528.
Cannon. This term has been defined in section 4. Fire-arms. This term has not been defined separately, but has been includen in the definition of “arms” given in section: 4. Unless there is something repugnant in the subject or context, wherever the word “arms”. occurs in this Act, it has got to be read as including “parts of arms”. By section 4 of the Act the word “arms” includes “fire-arms”. Therefore, the word “fire-arms” as used in section 14 includes “parts of fire-arms”. The word “fire-arms” only means “arms” that are fired by means of “gunpowder or other explosives.”
16 Cr. LJ 9.
Loaded gun-barrel in good condition and with the touch hole in good order is a fire-arms. 5 Cr.LJ 435. A Gun-barrel, so eng as it can be used as a gun-barrel is an arm.
12 CPLR Cr. 10.
The possession of different description of gun is punishable. 1928 Lah. 759-29 Cr. LJ 472. The unserviceable remains of a gun cannot be fairly described as fire arms.”
12 CPLR Cr. 8.
Ammunition. This term has been defined by section 4. Military stores-This term has been defined by section 4.
Extent. The word “extent” in this section is not limited to territorial extent.
37 CWN 93. 34 Cr. LJ 363=60.
Licence or exemption not granted by virtue of Act and rules would be invalid and no protection to accused charged with convening Act exists.
34 Cr. LJ 112.
Licence for a full sized gun, possessing under it half barrel gun is an offence.
29 Cr. LJ 472 = 109 IC 120.
The word “extent” in this section means territory in which the licence is valid. The word “manner” must not be given a restricted meaning and the word “manner” in this section must refer back to the licence which means according to the mode prescribed in the licence. The licnce lays down the manner or mode in which it is to be used or handled.
47 Cr. LJ 319 = 1946 CWN 55.
In this section the word “extent” is not confined or territorial extent but also includes the quantity of the ammunition permitted by the licence. Therefore, possession or control of any quantity of ammunition in excess of it must be deemed apart from its not being covered by the license, an offence under this section read with section 19 (f) because it is not according to the extent permitted by the licence. Section 21 will come into play only where in violation of a condition subject to which the licence has been granted an act has been done which is not punishable under section 19.
1947 Mad 451=48 Cr. LJ 880.
If a person holds a licence for a B.L. gun and is authorised to keep cartridges, he is not debarred from possessing gunpowder for the purpose of reloading the cartridges. Reading the definition of “ammunition” as given in section 4 along with this section, it becomes clear that a licensee is entitled to possess powder, wads and shots, for loading cartridges provided he does not exceed the nmuber of cartridges allowed to him under the licence. 1946 Oudh 124. Possession of Arms after expiry of licence even for a month is offence. Rules. For rules dealing with this section see rules 30 to 38 of the Arms Rules. 1924.
14 Cr. LJ 303-37 CWN 93.
Forms. For forms of licences see Forms XIV to XX given in Schedule VIII of the Arms Rules, 1924.
Punishment. -Contravention of the provisions of this section is punishable under clauses (f) of section 19.
ধারা-১৫। কতিপয় স্থানে লাইসেন্স ব্যতীত যে কোন প্রকার অস্ত্র রাখা নিষেধ।
যে কোন জায়গায়, যেখানে সরকার অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা এ ধারাকে বিশেষভাবে বিস্তৃত করবেন, সেখানে লাইসেন্সের অধীন অথবা লাইসেন্স দ্বারা অনুমতি প্রদত্ত প্রকারে ও সীমা ব্যতীত কোন ব্যক্তি তার অধিকারে যে কোন প্রকারের অস্ত্র রাখতে পারবে না।
Sec. 15. Possession of arms, of any description without license prohibited in certain places.-
In any place 3 to which [the5 [Government ] may by notification in the [official Gazettel specially extend this section no person shall have in his possession any arms of any description, except under a license and in the manner and to the extent permitted thereby.
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারায় কতিপয় স্থানে লাইসেন্স ব্যতীত অস্ত্র রাখা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এ স্থানগুলো সরকার অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা প্রকাশ করবেন। গেজেটে বিজ্ঞাপিত স্থানে লাইসেন্সের অধীন বা লাইসেন্স দ্বারা অনুমতি প্রদত্ত প্রকারে ও সীমা ব্যতীত কোন ব্যক্তি তার অধিকারে যে কোন প্রকারের অস্ত্র রাখতে পারবে না।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) এ আইনের ১০ ধারায় ঘোষিত জেলা ছাড়া লাইসেন্স ব্যতিরেকে বেয়োনেট থাকলে এই অস্ত্র আইনের ১৯ ধারায় অপরাধ নয়। [LBR]
(২) যে ব্যক্তি অস্ত্র মেরামত করে এবং মেরামতের জন্য তাকে দেওয়া বন্দুক দখলে রাখে তাকে বিনা লাইসেন্সে অস্ত্র দখলে রাখার দায়ে দণ্ডিত করা যাবে না। [30 Cr. L. J-18]
(৩) এ আইনের অধীনে অস্ত্র দখলে রাখার বা বহন করার কারো অধিকার নেই। লাইসেন্স মঞ্জুর হওয়ার পরই এর বৈধ অধিকার সৃষ্টি হয়। সে কারণে এরূপ কোন স্পষ্ট অধিকারের অভাবে রেসপনডেন্ট রীট করতে পারে না। (PLD 1961 (sc) 174 and 13 DLR (sc) 66]
3 . The word “to which section 32. clause 2, of Act No. XXXI of 1860 applies at the time this Act comes into force” were omitted by the Bangladesh Laws (Revision and Declaration) Act, 1973 (Act VIII of 1973).
4. The original words words “the Local Government with the previous sanction of the Governor-General in Council” were first substituted by A. O., 1937 and then amended by A. O. 1964. Art. 2 and Sch. to read as “the appropriate Government”.
5 .The word “Government” was substituted for the words “Appropriate Government” by Act VIII of 1973, Second Sch.
6. Substituted by A. O. 1937. for “local official Gazette”
ধারা-১৬। বিশেষ ক্ষেত্রে অস্ত্রশস্ত্র থানায় বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিলারের কাছে জমা দিতে হবে।
(১) অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সাময়িক সম্ভার দখলে আছে এমন ব্যক্তির ঐ প্রকার দখল লাইসেন্স বাতিলের বা লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় বা অব্যাহতির কারণে বা ১৫ ধারার অধীনে বিজ্ঞপ্তি প্রদানের ফলে বা অন্যভাবে যখন বেআইনী হয়ে পড়ে, এসব ব্যক্তি অযথা দেরি করে নিকটবর্তী থানায় পুলিশের কর্মকর্তার কাছে বা তার ইচ্ছামত এবং ঐ সব শর্তসাপেক্ষে যা সরকার বিধান দ্বারা নির্ধারণ করবেন, একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিলারের কাছে জমা দিতে হবে।
(২) যেখানে ১নং উপধারায় অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার জমা দেওয়া হয়েছে, ঐ প্রকার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে যে কোন সময় যেমনভাবে সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারণ করেন।
জমাদানকারী অধিকারী হবে-
(ক) জমা দেওয়া এরূপ যে কোন কিছু ফেরত নিতে, যার দখল তার দ্বারা আইনসঙ্গত হয়েছে, এবং
(খ) দখল আইনসঙ্গত হবে ঐ রকম লোকদের কাছে জমা দেওয়া যে, কোন কিছু বিক্রি বা অন্যভাবে নিষ্পত্তি করতে বা নিষ্পত্তির নিমিত্তে কর্তৃত্ব প্রদান করতে এবং ঐ প্রকার বিক্রয়লব্ধ অর্থ গ্রহণ করতেঃ শর্ত থাকে যে, এ উপধারায় কোন কিছু ফেরত বা নিষ্পত্তির জন্য কর্তৃত্ব প্রদান বৈধ গণ্য হবে না যার বাজেয়াপ্তকরণ এ আইনের ২৪ ধারায় নির্দেশিত হয়েছে,
(৩) উপরে বর্ণিত প্রকারে যে সব জিনিস জমা আছে এবং তা ২ উপধারায় নির্ধারিত মেয়াদকালে ফেরত দেওয়া বা নিষ্পত্তি হয় নি তা সরকার বরাবরে বাজেয়াপ্ত হবে।
৪। (ক) এ আইনের সাথে সঙ্গতি রেখে এ ধারার বিধানগুলোকে কার্যকর করার জন্য সরকার বিধিমালা তৈরি করতে পারেন।
(খ) বিশেষত ও পূর্ববর্তী বিধানের সাধারণত্ব ক্ষুন্ন না করে সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারণ করতে পারেন।
(১) শর্তাবলী যার সাপেক্ষে লাইসেন্সধারী ডিলারের কাছে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ অথবা সামরিক সম্ভার জমা দেওয়া যেতে পারে, এবং
(২) মেয়াদ যা উত্তীর্ণ হবে উপরে বর্ণিত জমাকৃত জিনিসপত্র ৩ উপধারায় বাজেয়াপ্ত হবে।
1[Sec. 16. In certain cases arms to be deposited at police stations or with licensed dealers.
(1) Any person possessing arms, ammunition of military stores the possession where of has, in consequence of the cancellation of expiry of a license or of an exemption or by the issued of a notification under section 15 or otherwise, become unlawful, shall without unnecessary delay deposit the same either with the officer in charge of the nearest police-station or, at his option and subject to such conditions as the² [Government] may by rule prescribe, with a licensed dealer.
(2) When arms, ammunition or military stores have been deposited under sub-section (1)3 the depositor shall, at any time before the expiry of such period as the [Government] may by rule prescribe, be entitled-
(a) to receive back anything so deposited the possession of which by him has become lawful, and
(b) to dispose, and authorize the disposal, of anything so deposited by sale or otherwise to any person whose possession of the same would be lawful; and receive the proceeds of any such sale: Provided that nothing in this sub-section shall be deemed to authorize the return or disposal of anything the confiscation of which has been directed under section 24.
(3) All things deposited as aforesaid and not returned or disposed of under sub-section (2) within the prescribed period therein referred to shall be forfeited to [Government].
(4) (a) The [Government] may make rules consistent with this Act for carrying into effect the provisions of this section.
1. Section 16 was substituted for the original section 16 by the Indian Arms (Amendment) Act, 1919 (Act XX of 1919), section 2.
2. The word “Government” was substituted for the words “Appropriate Government” by Act VIII of 1973, Second Sch.
3. The words “or before the first day of January, 1920, under the provisions of any law for the time being in force” by Act VII of 1973. Second Schedule.
4. Substituted by A. O., 1961. Art 2. for “His Majesty” (with effect from the 23rd March 1956).
(b) In particular and without prejudice to the generality of the foregoing provision, the5 [Government] may by rule prescribed-
(1) the conditions subject to which arms, ammunition and military stores may be deposited with a licensed dealer, and
(2) the period after the expiry of which things deposited as aforesaid shall be forfeited under sub-section (3).]
ধারার বিশ্লেষণ
আইনসঙ্গত কারণে যে সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র বেআইনী হয়ে পড়ে এবং তা যে সমস্ত ব্যক্তির নিকট থাকে, ঐ সকল ব্যক্তি দেরি না করে শর্তসাপেক্ষে নিকটবর্তী থানার পুলিশের কর্মকর্তার কাছে বা সরকারের নির্দেশ মোতাবেক একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিলারের কাছে জমা দিতে হবে।
যে সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র জমা দেওয়া হয়েছে তা সরকারের নির্ধারিত বিধি মোতাবেক মেয়াদ শেষে আইনানুগ দখলকারী তা ফেরত নিতে পারেন বা সরকার তা বিধি মোতাবেক বিক্রি বা অন্যভাবে নিষ্পত্তি করতে পারেন বা সরকার তা বাজেয়াপ্ত করতে পারেন। এ আইনের সাথে সঙ্গতি রেখে এ ধারার বিধান কার্যকর করার জন্য সরকার বিধি তৈরি করতে পারেন।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) অস্ত্র আইনের ধারার নীতি অনুসারে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোন অস্ত্র দখল বা বহন করার কোন অধিকার কারও নেই এবং কর্তৃপক্ষ প্রণীতব্য বিধির দ্বারা যেভাবে নির্ধারণ করেন কেবল সেসব শর্তেই রাখা যাবে।
[PLCR. 53 and 13 DLR (Sc) 66]
(২) ১৬ ধারার অধীনে অস্ত্র জমা ১৯ (১) ধারায় অপরাধ। ১৬ ধারায় যে সমস্ত হাতিয়ারের কোন লাইসেন্স নেই তা নিকটবর্তী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে জমা দিতে বলা হয়েছে। সুতরাং বন্দুকের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হবার পরে কোন অস্ত্র দখলে রাখা অপরাধ হিসেবে গণ্য।
[1961 (Karala)Lt-1070]
An order confiscating a gun because of mere delay in renewing the licence to possess it is illegal. The imposition of fine and detention of the gun in the Police Station till the production of the licence would be a proper order. 15 Cr. LJ. 21.
5. The word “Government” was substituted for the words “Appropriate Government” by Act VIII of 1973, Second Schedule, (with effect from 26- 3-1971)
লাইসেন্সসমূহ প্রস্তাবনা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
লাইসেন্সসমূহ প্রস্তাবনা
V.-Licences
ধারা-১৭। লাইসেন্সের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা:
সরকার অফিসিয়াল গেজেটে সময় সময় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কি প্রকারে, এবং কি কি শর্তসাপেক্ষে কোন কর্মকর্তার দ্বারা কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হবে তা নির্ধারণের জন্য বিধি প্রণয়ন করতে, এবং এ প্রকার বিধিসমূহের দ্বারা অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে করতে পারেন-
(ক) কোন মেয়াদের জন্য এরূপ লাইসেন্স বলবৎ থাকবে তা নির্ধারণ করতে;
(খ) দখলে বা অধিকারে রাখার জন্য অন্যত্র মঞ্জুরকৃত কোন লাইসেন্স ব্যতীত এরূপ লাইসেন্সের জন্য স্ট্যাপ বা অন্যভাবে প্রদেয় ফিস নির্ধারণ করতে;
(গ) দখলে বা অধিকারে রাখার লাইসেন্স ব্যতীত এরূপ লাইসেন্সধারীকে এরূপ লাইসেন্সের অধীনে কৃত কোন কিছুর জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আকারে রেকর্ড বা হিসাব রাখতে এবং সরকারের কোন কর্মকর্তা দ্বারা রেকর্ড বা হিসাব প্রদর্শনের জন্য ডাকা হলে প্রদর্শন করতে নির্দেশ দিতে;
(ঘ) ৫ অথবা ৬ ধারায় বর্ণিত বর্ণনা মোতাবেক কোন ঘর যেখানে কোন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তির দ্বারা অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রস্তুত হয় বা রক্ষিত থাকে, সেখানে প্রবেশের ও পরিদর্শনের নিমিত্ত সরকার কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা প্রদান করতে;
(ঙ) এরূপ ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারের কোন কর্মকর্তার নিকট এরূপ ব্যক্তিকে তার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে থাকা অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সাময়িক সম্ভারের সমস্ত মজুদ প্রদর্শনের নির্দেশ দিতে;
(চ) লাইসেন্স আছে এমন ব্যক্তিকে বা লাইসেন্সের অধীনে কাজ করে এমন ব্যক্তিকে তা উপস্থাপন করতে এবং উপস্থাপন করার জন্য কোন সরকারি কর্মকর্তার দ্বারা ডাকা হলে লাইসেন্সের আবরণে থাকা অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ অথবা সামরিক সম্ভার উপস্থাপন বা হিসাব করতে বলতে পারেন।

Sec. 17. Power to make rule as to license.
The¹ [Government] may from time to time, by notification in the² [official Gazette] make rules to determine the officers
1. The word “Government” was substituted for the words “Appropriate Government” by Act VIII of 1973, Second Sch.
2. Substituted by A. O. 1937, for “Gazette of India”.
by whom the form in which, and the terms and conditions on and subject to which, any license shall be granted³; and may by such rules among other matters-
(a) fix the period for which such license shall continue in force;
(b) fix a fee payable by stamp or otherwise in respect of any such license other than a license for possession granted in any other place;
(c) direct that the holder of any such license other than a license for possession shall keep a record or account, in such form as the¹ [Government) may prescribe, of anything done under such license, and exhibit such record or account when called upon by an-officer of Government to do so;
(d) empower any officer of Government to enter and inspect any premises in which arms, ammunition or military stores are manufactured or kept by any person holding a license of the description referred to in section 5 or section 6;
(e) direct that any such person such exhibit the entire stock of arms, ammunition and military stores in his possession or under his control to any officer of Government so empowered; and
(f) require the person holding any license or acting under any license to produce the same, and to produce or account for the arms, ammunition or military stores covered by the same when called upon by an officer of Government so to do.
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(1) S. 17-Section does not delegate powers of legislative authority to the executive authority.
It was contended that in so far as section 17 of the Arms Act purports to give the Central Government the power to
3. For rules as to licences. See the Indian Arms Rules 1924 Genl. R. & O.. Vol. II.
4.The word in respect of any such license granted in a place to which section 32, clause 2. of Act No. XXXI of 1860 applies at the time this Act comes into force or” were omitted by Act VIII of 1973, Second Schedule. make rules for laying down the terms and conditions on, and subject to, which licences may be granted without indicating anything more amounts to giving power of legislation to the executive authority.
In enacting section 17 of the Act the legislative authority could, in no sense of the term, be said to have abdicated or effaced itself or created a new legislative body or legislature beyond its competence.
The legislature, while retaining its legislative powers in fact and maintaining its full legislative control authorised the executive merely to determine the manner of carrying it into effect by rules framed. District Magistrate, Lahore Vs. Syed Raza Kazim, (1961) 13 DLR (SC) 66. Scope. This section empowers the Government to make rules for the purposes specified in it. See Arms Rules, 1924.
The law does not require a bearer of the arms to have the licence with him, it is sufficient if he can show the licence if opportunity is given to him.
20 Cal 444.
Persons who are granted licences to carry arms, under Form XI, rule 16 of the Arms Act, to kill bisons which are notoriously in the habit of injuring crops, will be justified in going armed for the purposes of sport and no separate licence under Form VII, rule 13, section 17 is necessary. 5 Mad. 26.
Punishment.-Penalty for the violation of Rules made under this section is provided by section 23. Schedule VII. This Schedule only deals with exemptions from payment of fee chargeable. 1932 Rang. 180 = 34 Cr. LW 112=1401 С 754.
ধারা-১৭ক। অস্ত্র নিয়ে ঘুরাফেরার উপর বিধি-নিষেধ:
(১) সরকার জনস্বার্থে যদি কোন লাইসেন্সধারী ব্যক্তিকে তার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র নিয়ে কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঘোরাফেরা করার উপর বিধি-নিষেধ আরোপ করতে চান, তবে তিনি অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা করতে পারেন।
(২) যে কেউ উপধারা-১-এ বর্ণিত বিধি-নিষেধ ভঙ্গ করে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করেন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ অফিসার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজ নামে বা অফিসের ক্ষমতাবলে উক্ত ব্যক্তিকে নিরস্ত্র করতে পারেন এবং ১৮ ধারার বিধান অনুসারে জাতীয় ও স্থানীয় সরকার ইলেকশনকালীন সময়ের জন্য তার লাইসেন্স বাতিল বা লাইসেন্সের কার্যকারিতা স্থগিত রাখতে পারেন।
ব্যাখ্যা:
নির্বাচনের সময় বুঝাতে নমিনেশন পেপার দাখিলের তারিখ হতে অফিসিয়াল গেজেটে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত বুঝাবে।
5[Sec. 17A. Restriction on movement with arms,-
(1) The Government may, if it considers it expedient in the public interest so to do, by order, to be notified in the official Gazette, impose restrictions on the movement of any person with his licensed arms for such period as may be specified in the notification.
(2) Any person going armed in contravention of an order made under sub-section (1) shall be disarmed by any magistrate, police officer or other person empowered by the Government in this behalf by name or by virtue of his office and his licence may be cancelled or suspended under section 18.]
ধারার বিশ্লেষণ
আইনকে কার্যকরী করতে বিধি প্রণয়নের প্রয়োজন পড়ে। আইনে মূল বিষয় দেওয়া থাকে। এ মূল বিষয়কে কার্যকরী করার জন্য সরকারকে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়। অস্ত্র আইনের ১৭ ধারায় সরকারকে এরূপ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সরকার মাঝে মাঝে অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কি প্রকার এবং কি কি শর্তসাপেক্ষে কোন কর্মকর্তা দ্বারা লাইসেন্স মঞ্জুর করা হবে তা নির্ধারণের জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন এবং এরূপ বিধি দ্বারা সরকার লাইসেন্সের মেয়াদ নির্ধারণ করতে ও লাইসেন্সের জন্য ষ্ট্যাম্প বা ফিস নির্ধারণ করতে পারবে না। এরূপ বিধি দ্বারা সরকার লাইসেন্সধারীকে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আকারে রেকর্ড ও হিসাব রাখতে বলতে পারেন এবং সরকারের কোন নির্ধারিত কর্মকর্তার নিকট প্রদর্শনের নির্দেশ দিতে পারেন।
অস্ত্র আইনের ৫ ও ৬ ধারায় বর্ণিত বর্ণনা মোতাবেক কোন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি দ্বারা যদি কোন ঘরে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রস্তুত হয় বা রক্ষিত থাকে, বিধি দ্বারা সরকার কোন কর্মকর্তাকে ঐ স্থানে প্রবেশ করতে এবং তা পরিদর্শন করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এরূপ ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারের কোন কর্মকর্তার নিকট ঐরূপ ব্যক্তিকে তার দখলে থাকা অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারের সমস্ত মজুদ প্রদর্শনের নির্দেশ দিতে পারেন।
5. Section 17A was inserted by Ordinance No. XI of 1991. s. (w.e.f. 12-2- 1991).
লাইসেন্স আছে এমন ব্যক্তিকে বা লাইসেন্সের অধীনে কাজ করে এমন ব্যক্তিকে তার অধীনে থাকা অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সাময়িক সম্ভার সরকার কোন সরকারি কর্মকর্তার নিকট উপস্থাপন করতে বলতে পারেন বা উক্ত সরকারি কর্মকর্তাকে তার হিসাব নিতে বলতে পারেন। এভাবে দেখা যায় যে, এ ধারার ক্ষমতা দ্বারা সরকার বিধি প্রণয়নের দ্বারা সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সাময়িক সম্ভার তার নিয়ন্ত্রণে ও হিসাবে রাখতে পারেন এবং যে কোন সময় তা কোন সরকারি কর্মকর্তার নিকট হাজির করতে বলতে পারেন এবং সরকারি কর্মকর্তাকে পরিদর্শন করার নির্দেশ দিতে পারেন।
সরকার ১৭-এ ধারাটি ১৯৯১ ইং সালের The Arms (Amendment Act) মূলে ১৭ ধারার পরে সন্নিবেশিত করেছেন এবং এ নতুন সন্নিবেশিত ধারাটি ৫-৫- ১৯৯১ ইং তারিখ হতে কার্যকরী হয়েছে। সরকার জনস্বার্থে বিশেষ ক্ষেত্রে এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে লাইসেন্সধারী ব্যক্তির উপর কিছু সময়ের জন্য অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরার উপর বিধি-নিষেধ ভঙ্গ করলে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য তার লাইসেন্স বাতিল করতে বা লাইসেন্সের কার্যকারিতা স্থগিত করতে পারেন।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) মর্জিমাফিক কাজে বৈধতা পরিমাপের ব্যাপারে অনুসন্ধানের কোন ক্ষমতা আদালতের নেই। অস্ত্র আইনে দখল করা বা বহন করার কোন অধিকার কারও নেই। তার বৈধ অধিকার কেবল লাইসেন্স মঞ্জুরের পরেই অর্জিত হয়। লাইসেন্স মঞ্জুর সকল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের জন্য সুযোগ-সুবিধা প্রদানের সমতুল্য, অতএব রেসপনডেন্টের রিভলভার দখলে রাখার স্পষ্ট অধিকার না থাকলে ম্যানডামসের রীট রক্ষণীয় হবে না।
(13 DLR (sc) 66; PLD 1961 (sc) 178 and 1961 (1) PSCR-53)
(২) লাইসেন্সের শর্ত ও অবস্থা নির্ধারণের ক্ষমতা, লাইসেন্স মঞ্জুর বা অস্বীকৃতির ব্যাপারে নির্দেশদানের ক্ষমতাকে বুঝায় না। [PLD 1961 (sc) 178]
(৩) লাইসেন্স দেওয়ার অস্বীকৃতির কারণ পরিষ্কার জানাতে হবে। যদি কোন লোককে তার সম্পত্তির অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, তা তাকে পরিষ্কার করে জানাতে হবে। যেভাবে রাজনৈতিক সন্দেহভাজনকে সন্দেহ করা হয়, সেভাবে জানালে হবে না। [PLD 1958 Lahore 706]
(৪) আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ একটা সার্বিক ব্যবস্থা এবং এটা জনস্বার্থে করা হয় এবং এটি কেবল লাইসেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে করা হয়, কারণ দোষী ব্যক্তি বা যাদের পূর্ব পরিচিতি কালিমায় ভর্তি তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া বুদ্ধিহীন কাজ। (PLD 1958 Lahore 706]
(৫) অস্ত্র আইনের ১৭ ধারা আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করে না। এ আইনে সরকারকে এরূপ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দিয়েছে যে, কি নিয়মাবলী ও শর্তের ভিত্তিতে লাইসেন্স প্রদান করা হবে, তবে আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আইন প্রণয়ন করার ক্ষমতা দেওয়া হয় না।
১৭ ধারা প্রণয়ন করে আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ নিজের ক্ষমতাকে অন্যের নিকট হস্তান্তর করে নি। এভাবে আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ তার নিজের ক্ষমতা বলবত রেখে আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে শুধু আইনকে কার্যকরী করার জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দিয়েছেন। [13 DLR (sc) 66-District Magistrate Lahore vs Syed Reza Karim)
(৬) লাইসেন্সের শর্ত প্রণয়নের ক্ষমতা বলতে লাইসেন্স প্রদান করা বা অস্বীকার করার ডিসক্রিশন বুঝায় না।
[13 DLR (sc) 66]
ধারা-১৮। লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিলঃ কোন লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিল (সাস্পেনডেড) হতে পারে-
(ক) কোন কর্মকর্তা দ্বারা যার দ্বারা তা মঞ্জুর করা হয়েছে বা কোন কর্তৃপক্ষ দ্বারা যার সে অধীনস্ত বা জেলার কোন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা যার স্থানীয় এলাকার আওতায় কোন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি থাকে, যখন লিখিতব্য কারণে এরূপ কর্মকর্তা, কর্তৃপক্ষ বা ম্যাজিস্ট্রেট জনগণের নিরাপত্তার জন্য এরূপ লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিল করা প্রয়োজন মনে করেন; অথবা
(খ) কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা; যার নিকট এ আইনে বা এ আইনের অধীনে প্রণীত বিধির অপরাধের জন্যে এরূপ লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত; এবং সরকার অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা সমগ্র বাংলাদেশের বা কোন অংশে সব বা কোন লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িক বাতিল করতে পারেন।
Sec. 18. Cancelling and suspension of license. Any license may be cancelled or suspended-
(a) by the officer by whom the same was granted or by any authority to which he may be sub-ordinate, or by Magistrate of a district,1, within the local limits of whose Jurisdiction the holder or such license may be, when, for reasons to be recorded in writing, such officer, authority, Magistrate2.. deems in necessary for the security of the public peace to cancel or suspend such license; or
1. The words “or Commissioner of public in a presidency-town” were omitted by A. O., 1949 schedule.
2. The words “or Commissioner” were omitted. ibid.
b) by any Judge or Magistrate before whom the holder of such license is convicted of an offence against this Act, or against the rules made under this Act; and 3[the4 [Government] may by a notification in the official Gazette cancell or suspend all or any licenses throughouts [Bangladesh,] or any part the thereof ].
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারার ক্ষমতাবলে লাইসেন্স প্রদানকারী বা কর্তৃপক্ষ বা ম্যাজিস্ট্রেট জনগণের নিরাপত্তার জন্যে এরূপ লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিল করতে পারেন। লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হলে, সরকার অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা সমগ্র বাংলাদেশে বা কোন অংশে সব বা কোন লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িক বাতিল করতে পারেন।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) ১৮ ধারার বিধানের আবশ্যকীয় বিষয় হচ্ছে যে, যে কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স বাতিলের ক্ষমতা পেয়েছেন জননিরাপত্তা বিধানের জন্যে লাইসেন্স বাতিলের বা সাময়িকভাবে স্থগিতের যে সিদ্ধান্ত সে নিয়েছে তার কারণসমূহ তাকে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
[2 Cr. L. J.- 195]
(২) ১৮ ধারা জনশান্তি বজায় রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
[PLD 1958 Lahore 706]
(৩) অস্ত্র আইনের ৩৩ ধারার অধীনে প্রদত্ত নোটিশে লাইসেন্স বাতিল করতে চাওয়ার কারণসমূহ বিবৃত করে জেলা প্রশাসক লাইসেন্সধারীকে নোটিশ দেন, কিন্তু কারণ দর্শানোর পর বাতিলের কোনরূপ কারণ উল্লেখ না করেই জেলা প্রশাসক লাইসেন্স বাতিল করেন। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, নোটিশে হেতু উল্লেখ করলেই ১৮ ধারার প্রয়োজনীয়তা শেষ হবে না, বাতিলকারী কর্তৃপক্ষ যিনি জনশান্তির নিরাপত্তার জন্য লাইসেন্স বাতিল করার প্রয়োজন মনে করেন, তাকে অবশ্যই বাতিলের কারণ উল্লেখ করতে হবে।
[PLD 1967 (Pesh) 134 DB and AIR 1955 (Cal) 599]
3. Substituted by A. O.. 1937. for “the L.G., may at is discretion, by a notification in the local official Gazette, cancel or suspend all or any licences througthout the whole or any portion of the territories under its administration”.
4. The word “Government” was substituted for the words “Appropriate Government” by Act VIII of 1973. Second Schedule, (with effect from 26- 3-1971)
5. The word “Bangladesh” was substituted for the word “pakistan or the province, as the case may be”, ibid.
৪) যে পর্যন্ত লাইসেন্সধারী লাইসেন্সের শর্তভঙ্গ করে না, সে পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র দখলে রাখার তার অধিকার থাকে। যদি বিপরীত কিছুই দেখা না যায় তাহলে সে সংবিধান অনুসারে আদালতে প্রতিকার চাইতে পারে। আদালত দেখবেন যে, লাইসেন্স বাতিলকালে আইনের বিধানগুলো অনুসরণ করা হয়েছে কিনা। আমাদের দেশে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কারো অধিকার নেই। লাইসেন্স মঞ্জুর করা বিবেচনামূলক এবং আগ্নেয়াস্ত্র দখলে রাখা বা বহন করার অধিকার কারো নেই। লাইসেন্সধারীকে সিদ্ধান্তের কারণ জ্ঞাপন করা কর্তৃপক্ষের উপর বাধ্যতামূলক নয়। লাইসেন্সধারী আদালতে বাতিলের আদেশ চ্যালেঞ্জ করতে পারে এবং আদালত আদেশের যথার্থতা সম্বন্ধে নিজেকে সন্তুষ্ট করবে। কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাইসেন্সধারীকে প্রদত্ত আদেশ এবং সিদ্ধান্তের কারণ জ্ঞাপন করা কাম্য। আদালত যদি দেখেন যে, লাইসেন্স বাতিলের বৈধ কারণ আছে তাহলে হস্তক্ষেপ করবেন।
লাইসেন্স বাতিলকারী কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া জনশান্তির নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন মনে করে একথা বর্ণনা করা উচিত। বাতিল আদেশ প্রদানের পর লাইসেন্সধারী কারণ দর্শানোর নোটিশ পেতে অধিকারী নয়।
বাতিলের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করতে হবে। কথিত আদেশ লিপিবদ্ধকরণে আইনের বিধান লঙ্ঘন করার দরুন লাইসেন্সধারীর প্রকৃত অধিকার দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব অবস্থাধীনে জেলা প্রশাসকের আদেশ রদ করা হয় এবং লাইসেন্স প্রত্যার্পণ করার জন্য আদালত নির্দেশ ইস্যু করেন।
[38 DLR 382]
(৫) দরখাস্তকারিগণকে নোটিশ না দিয়ে, তাদের শুনার সুযোগ না দিয়ে এবং তাদের বন্দুকের লাইসেন্স বাতিলের কারণ না দর্শিয়ে এটা বাতিল করায় এবং ন্যাচারাল জাস্টিস-এর নীতি ভঙ্গ হওয়ায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ বেআইনী।
[44 DLR 110 Rezaul Karim vs Ministry of Home Affairs and 11 B LD-428; 40 DLR (AD) 170 relied]
(৬) লাইসেন্স বাতিলের সাধারণ নিয়ম হচ্ছে এটার কারণ উল্লেখ করা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কারণ উল্লেখ না করে শুধু নথির তথ্যের উপর ভিত্তি করে লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রদান করলে উক্ত আদেশ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
[40 DLR (AD)- 170 Sk Ali Ahmed vs Secratary, Ministry of Home Affairs and 8 BLD (AD) 114]
(৭) আপীলকারী লাইসেন্সীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান না করে, সংশ্লিষ্ট আদেশে কোন কারণ উল্লেখ না করে এবং এরূপ কোন সিদ্ধান্ত না দিয়ে যে এটি ১৮ (এ) ধারার বিধান অনুযায়ী জনশান্তি রক্ষার্থে করা হয়েছিল, সরকারের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষ আপীলকারী লাইসেন্সীর লাইসেন্স বাতিল করে তার রিভলভার বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছিল। দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত নিয়ম এই যে, বিচারিক বা প্রশাসনিক কার্যধারায় নেচারাল জাস্টিসের নীতি পালন করা দরকার। আপীলকারী স্থানীয় রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল এবং স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে অভিযোগএনেছিল, ফলে আপীল মঞ্জুর হয়েছিল। [8 BCR (AD) 42 Sk All Ahmed vs M/o Home Affairs]
(৮) আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ আর্টিকেল অনুযায়ী রীট ফাইল করা যায়। দেখতে হবে যে, যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিলের সময় তিনি নিজে আদেশের কারণ উল্লেখ করেছেন কিনা। প্রায় ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিম্নস্থ অফিসারের কারণ ও প্রস্তাবকে সমর্থন করে সহি প্রদান করেন। যদি যথোযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিজের কারণ উল্লেখ না করে আদেশ প্রদান করেন, তাহলে অবশ্যই কোর্ট তার আদেশ পরীক্ষা করে দেখতে পারেন এবং কোর্ট যদি ধারণা করতে পারেন যে, উক্ত কর্তৃপক্ষ আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে নিজের বিবেককে প্রয়োগ করেন নি, তবে তার আদেশ বাতিল করে দিতে পারেন।
[AD 290 Sk. Ali Ahmed vs M/o Home Affairs]
(1) Section 18(a): In the instant case no reason was recorded or cancellation of the petitioner’s respondent’s cence the cancelling of the respondent’s cences by the District Magistrate, to be illegal and without jurisdiction. [Para-3]
Govt. of Bangladesh & Ors. Vs. Md. Abdul Ahad. Miah 10 BLT (AD)-94
(b) Sections 16 & 18: Appellant was neither given any notice of enquiry nor was he given any hearing before cancellation of arms-Enquiry undertaken on a sprawling private complaint made by the local upazila Chairman-No emergeney or any other compelling situation preventing giving of notice of enquiry to the appellant-Nothing on record to show that any specific case was started against the appellant involving alleged misuse of revolver-Inquisitorial nature of enquiry aggravating the degree of unfairness-Principles of natural justice to be observed in proceeding affecting “the person or property or other right of parties concerned”-
Court adds a rider to the observance of the principle of natural justice that so far as exercise of power under section 18 of the Arms Act is concerned, the absence of a prior notice or hearing may not always invalidate the order passed thereunder if the security of the public peace is involved.
Sk. Ali Ahmed Vs. Secretary, Home Affairs, 40 DLR (AD)
(3) Section 18: The authority concerned should record the reasons of cancellation of the licence himself and should not ditto the reasons and suggestions of his subordinate and Court will strike down an order passed without application of mind.
7 BLD (HCD)-290(c).
(4) Sections 16 (1) and 19(1): The Sub-Divisional Magistrate, Shariatpur had no jurisdiction whatsoever to cancel the licences of the guns in question under section 18 (a) of the Arms Act or under any provision of the Arms Rules of 1924. As the licences of the guns in question were not cancelled by any legally competent authority such as the District Mgistrate or by any authorised officer to whom he is subordinate as required under the provisions of Arms Act or the Arms Rules, cancellation thereof by the SDO is illegal. Conviction under sections 16 (1) and 19 (1) of the Arms Act read with section 26 of the Special Powers Act is not sustainable in law.
Anwar Hossain Vs. State 40 DLR 251.
(5) Section 18: The Principle of natural justice is to be observed in the matter of cancellation of gun-licences under section 18 of the Arms Act.
Md. Rezaul Karim and another Vs. The Secretary, Ministry of Home Affairs and others, U. BLD (HCD) 428.
(6) Sections 18 and 24: Cancellation and suspension of licence and confiscation of arms. Section 18 of the Arms Act speaks only of cancellation or suspension of licence of arms by different authorities while section 24 of the Act empowers the Court on conviction of the accused to confiscate the arms or ammunition in question.
In the instant case the petitioner having not being convicted in the case, the direction of the tribunal for taking steps for confiscation of the petitioner’s pistol is neither legal nor proper. The petitioner’s licence can, however, be always cancelled by the appropriate authority under section 18 of the Arms Act.
Md. Abdus Samad Vs. The State, (1995) 5 BLD (AD) 153
(7) Section 18: Section 18 of the Act provides that any gun licence may be cancelled or suspended by the authority by whom the same was granted provided that there are materials showing that there is a threat to security or public peace. Such authority can cancel licence after recording reasons in writing.
Major (Rad.) M. Asaduzzaman Vs. The District Magistrate,
(8) Section 16 and 18: Suspension and cancellation of licence of arms-Grounds as basis for Necessity of prior notice-Principles of natural justice-legal effect of violation of-Licence granted for arms by the competent authority creates a legal right in favour of the holder thereof. While curtailing or cancelling this right the licencee is entitled to show cause notice or a hearing which is the fundamental of natural justice and such an order must be speaking one based on sufficient materials on record.
Inquisitorial nature of inquiry on sprawling private complaint apparently tainted with elments of unfairness can hardly be sustainable in law unless there is a situation warranting absence of such notice where question of security of public peace is involved. The Court has a vital role to play to insist upon observance of the principles of natural justice as a rider to the exercise of the power under section 16 and 18 of the Arms Act, 1878.olm
Shaikh Ali Ahmed Vs. Secretary, Ministry of Home Affairs, 40 DLR (AD) 170.
(9) Section 18-Cancellation of licence of fire arms- without show cause notice-Violative of principle of natural justice-
Order passed by the District Magistrate cancelling licence of fire arms of the petitioner without show cause notice or affording him an opportunity of being heard and without giving any reason therefor, for so doing is illegal and not sustainable in law being violative of the principles of natural justice.
Md. Rezaul Karim Vs. Secretary Mnistry of Home Affairs, 44 DLR 110.
(10) Sections 18 & 26: The respondents having not filed any affidavit-in-opposition disclosing materials justifying retention of the petitioner’s gun and licences in their possession, the impugned order is liable to be declared as having been issued without lawful authority and of no legal effect.
Major (Retd.) M. Asaduzzaman Vs. District Magistrate, Jessore and others 51 DLR 471.
(11) As the licences of revolver and double barrel gun of the petitioner having been cancelled by the respondents without giving any reason and without giving any notice and without giving any opportunity of being heard to the petitioner, the respondents have cancelled such licences in flagrant violation of the provisions of section 18 of the Arms Act as well the principle of natural justice.
[4 BLC 454]
(12) Section 18: Orders passed by the District Magistrate cancelling licences of guns of the petitioners without giving them any notice an opportunity of being heard and giving no reason for eancellation are illegal, being violative of the principle of natural justice.
Rezaul Karim (Md) Vs. Ministry of Home Affairs 44 DLR 110.
(13) Section 18: Cancellation and suspension of licence for arms-The necessity of recording reasons by the appropriate authority in writing for the cancellation of the licence to be emphasised is a general rule-If the appropriate authority chooses not to make its order a speaking one and merely relies on the materials on record, its order stands a greater risk of being struck down.
St. Ali Ahed Vs. Secy., Home, (1988) 40 DLR (AD) 170.
(14) Licence to possess firearms-Just a conferment of a privilege So long as the licensee does not violate the conditions of licence he has a right to possess the arms.
Sk. Ali Ahamed Vs. Secy, Ministry of Home Affairs, (1986) 38 DLR 382.
(15) The authority cancelling the licence showd state that it “deems it necessary for security of public peace” to take the action-The licensee not entitled to a show-cause notice before the cancellaton order.
Sk. Ali Ahamed Vs. Secy., Ministry of Home Affairs,. (1986) 38 DLR 382.
(16) The petitioner has acquired a legal right of being heard before any action is taken in respect of licence which were dwly granted to him. But in the instant case, it is clear and obvious that the licences were cancelled in flagrant violation of the provision of section 18 of Arms Act as well as the principle of natural justice.
Reazuddin (Md) Vs. Government of Bangladesh and others, (Spl. original) 52 DLR (2000) 361.
(17) Section 18-There being no material before us as to misuse of the arms covered by the licence of the petitioner, mentioning of some cases we are of the view that the authority can not cancel the licence.
Md. Shafiqul Islam Shimuli Vs. Ministry of Homes Affairs. 11 BLT (2003) (HCD)-386
(18) Section-18A-. A notice ought to have been issued before passing the impugned order of cancellation and in that view of the matter we find that there being admittedly issuance of no notice the impugned order is liable to be struck down being pased by the respondent No. 3 without lawful authority. Since we have found that for non issuance of Notice, the cancellation of the petitioner’s licence is illegal, we of not like to embark upon other piotns raised by the petitioner in support of the Rule. Md. Shafiqul Islam Shimul Vs. Ministry of Homes Affairs. 11 BLT (2005) (HCD) 386.
Section 18(A)-The granting of a licence to possess firearms granted by the authorities and that a citizen has common law or legal right to go for a licence to possess a gun or pistol and hence it is a discretion on the part of the Government (Authority) to grant arms licence to the citizen and to cancel them when the authorities deem it necessary for the security of public peace and the cancellation of licence is an administrative order and the order by no imagination can be treated as judicial order hence the making of a speaking order is not called for.SM Halim Reza vs Secretary, Ministry of Home Affairs (Civil) 597 12 BLT LH)
Arms Act 1878; Section 18 (A): Prior show cause notice is required to cancel licence under the section. The right to hold fire arms under licence is on fundamental right which can not be taken away without giving opportunity of being heard. No show cause notice was served upon the petitioners before the cancellation of their licences. We do not find any substance in the submissions….. 4 6 (HC)
Scope. This section prescribes procedure for the cancellation or suspension of licences. The expression “any Magistrate of a District” in clause (a) of this section does not mean any Magistrate having Jurisdiction within a district. Section 3 (2) of the Code of Criminal Procedure, 1898, provides that the expression “Magistrate of the district” shall be deemed to mean “District Magistrate.”
Sub-section (2) of section 3 defines in this way this and other expressions occurring in enactments passed before the Criminal Procedure Code came into force. The Code came into force in 1898, while the Inidan Arms Act is of the year 1878. Having regard, therefore, to the terms of this section the definition can be applied to Arms Act. The only difference between the expression in section 3 (2) of the Code and that in section 18 (a) of the Act is that in the former the expression is “Magistrate of the District” while in the latter, it is “Magistrate of a District”. But this difference is of no significance.
47 Cr. LJ 638.
Sections-14, 15, 18 Arms Rules, 1924 Rule 42
A person being possessed of any firearms under a licence granted by the Authority cannot be said to be an illegal possessor of arm and an offence under the Arms Act for such possession would not be deemed to have been committed unless the licence of the lieencee is validly cancelled following the provision of law and unless he is asked to deposit and surrender the possession of the arms within specified time and he fails to do so. (Altaf Hossain Golondas. v Bangladesh and others.)
25 BLD (HCD) 103
অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা
ধারা-১৯ক। বিশেষ কতকগুলো অস্ত্রের ব্যাপারে ৬, ১৩, ১৪ ও ১৫ ধারা ভঙ্গের জন্য:
১৯ ধারায় কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও যে কেউ ১৯ ধারায় ক, গ, ঙ অথবা চ দফায় কোন অপরাধ সংঘটন করলে, অপরাধ যদি পিস্তল, রিভলভার, রাইফেল, শর্টগান বা অন্য আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কিত হয়, সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বা অন্য কোন কঠোর কারাদণ্ডে যার মেয়াদ দশ বছরের কম হবে না, দণ্ডিত হবে।
2Sec. 19A. For breaches of sections 6, 13, 14 and 15, in respect of certain arms-
Notwithstanding anything contained in section 19, whoever commits an offence³ (under clauses (a), (c), (e). or (f),] of section 19 shall, if the offence is committed in respect of a pistol, revolver, rifle [shot-gun or other fire-arm) be punished with [imprisonment for life or any other rigorous imprisonment for a term which shall not be less than ten years.]

ধারার বিশ্লেষণ
অস্ত্র আইনের ১৯ ও ১৯ (ক) ধারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ধারা। ১৯ ধারায় ৫, ৬, ১০ ও ১৩-১৭ ধারা ভঙ্গের জন্য শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি ৫ ধারার বিধান লঙ্ঘন করে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন বা বিক্রয় করে বা রাখে, বিক্রির জন্য প্রস্তাব করে বা প্রদর্শন করে এবং এ ধারায় নোটিশ দিতে ব্যর্থ হয়; ৬ ধারার বিধান লঙ্ ঘন করে কোন অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আমদানি বা রপ্তানি করে; ১০ ধারার নিয়ন্ত্রণ বা নিষেধ ভঙ্গ করে কোন অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহন করে; ১৩ ধারার বিধান লঙ্ঘন করে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়; ১৪ বা ১৫ ধারার বিধান লঙ্ঘন করে কোন অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার তার দখলে ও নিয়ন্ত্রণে রাখে;
ইচ্ছাকৃতভাবে রেকর্ড বা হিসাবে মিথ্যা এন্ট্রি করে; ইচ্ছাকৃতভাবে কোন কিছু প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়; এবং অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার জমা দিতে ব্যর্থ হয়, সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্য যে কোন কারাদণ্ড, যার মেয়াদ সাত বছরের কম হবে না, দণ্ডিত হবে।১৯৯০ সনের পূর্বে এ ধারার সাজার মেয়াদ ৩ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান ছিল। ১৯৯০ সালের অর্ডিনেন্স নং XXVI দ্বারা সাজার মেয়াদ উপরোক্ত রূপ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
১৯ এ ধারাটি ১৯ ধারার পর নতুনভাবে সংযোজন করা হয়েছে। এ ধারা অনুযায়ী যে কেউ ১৯ ধারার ক, গ, ঙ বা চ দফায় কোন অপরাধ সংঘটিত করে এবং উক্ত অপরাধ যদি পিস্তল, রিভলভার, রাইফেল, শর্টগান বা অন্য কোন আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কিত হয়, সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্য কোন কঠোর কারাদণ্ডে, যার মেয়াদ দশ বছরের কম হবে না, দণ্ডিত হবে। পূর্বে এ ধারার সাজার কঠোরতা কম ছিল।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) রাষ্ট্রের তরফ হতে বলা হয়েছে যে, আসামীর আঙিনা থেকে অস্ত্র উদ্ধার করায় আসামীর নিকট হতে উদ্ধার করা হয়েছে। এ মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, উক্ত বক্তব্য বাস্তব বিশ্লেষণ ব্যতিরেকে গ্রহণযোগ্য হবে না এবং তা গ্রহণ করলে বিপজ্জনক পরিণতি দেখা দিবে। আঙিনায় অবস্থিত কুয়ার মধ্য থেকে অথবা পান বরজ বা শাক-সব্জির বাগান হতে উদ্ধারকৃত বস্তু ঐ ব্যক্তির বাসগৃহে, যেখানে বাড়ির সদস্য ছাড়াও অন্যদের যাতায়াত সম্ভব সেখান থেকে উদ্ধার পৃথক।
[27 DLR-251]
(২) ঘটনাস্থল আসামীর একান্ত দখলে ছিল বা সে জায়গায় যে কেউ যাতায়াত করতে পারত না। এ রকম সাক্ষ্য ও পরিস্থিতির অবর্তমানে আসামী কর্তৃক দেখিয়ে দেওয়া জায়গাতে, শুধু এরকম জানার জন্য অস্ত্র আইনের ১৯ ধারায় কাউকেও দণ্ড দেওয়া যাবে না।
[21 DLR-684]
(৩) যেখানে কোন ছুরির একটি ক্ষুর সাড়ে চার ইঞ্চি লম্বা, কিন্তু এটা প্রকৃতপক্ষে এবং প্রাথমিকভাবে আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার জন্য হাতিয়ার হিসেবে প্রয়োগ করা হয়, ছুরিকে এক নজর দেখেই এটা বলা যথেষ্ট যে, এটাকে পারিবারিক কাজের জন্য তৈরি করা হয় নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, রেসপনডেন্টের নিকট থেকে উদ্ধারকৃত ছুরির দখলের জন্য লাইসেন্সের প্রয়োজন ছিল এবং তাকে অস্ত্র আইনের ১৯ (চ) দফায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়, কারণ তার কোন লাইসেন্স ছিল না।
[PLD 1963 (Pesh.) 54]
(৪) ১৯ (চ) ধারায় ব্যক্তি মুক্ত, কিন্তু দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিচারে আগ্নেয়াস্ত্রের দখলে থাকার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য,-১৯ (চ) ধারার অপরাধে আসামী যেখানে মুক্ত হয়েছে সেখানে বলা হয়েছিল যে, তার দখলে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার সাজা হত্যার মামলা বিচারে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে যে, সে ইতিপূর্বে উক্ত মামলা থেকে ছাড়া পেয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, যে সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে সে মুক্ত হয়েছে, অন্য অভিযোগের বেলায় সে সাক্ষ্যের গুরুত্ব কমে গেছে, এরূপ ব্যতিক্রম গৃহীত হবে না। কিন্তু বলতে গেলে এক মামলার সাক্ষ্য অন্য মামলা সম্পর্কে বিবেচনা হতে বাদ দেবার সময় একটা ব্যাপক ব্যাপার।
[PLD (Karachi) 541]
(৫) সহচরের অসমর্থিত সাক্ষ্য আসামীকে সাজা দেওয়ার ভিত্তি হতে পারে না।
41 DLR-524 Kazi Ibrahim vs State)
(৬) একজনকে অনুমানের উপর ভিত্তি করে সাজা দেওয়া যায় না।
[41DLR- 524 Kazi Ibrahim vs State]
(৭) আপীলকারী পুলিশকে নিয়ে ঘটনাস্থল দেখিয়ে দেয়, যেখান হতে অস্ত্র উদ্ধার হয়। এর দ্বারা অস্ত্র আইনের ১৯ (এফ) ধারা মতে বলা যায় না যে, আপীলকারী অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে দোষী।
[40 DLR 493-Abdul Kaleque vs State]
(৮) অন্যান্য সাক্ষ্য ব্যতিরেকে আসামী কর্তৃক শুধু অস্ত্র দেখিয়ে দেওয়া প্রমাণ করে না যে, আসামী তথায় অস্ত্র রেখেছিল বা এটা তার একারই দখলে ছিল। এভাবে তাকে ১৯ (এফ) ধারায় দায়ী করা যায় না।
[44 DLR 159 Abul Hasem Master vs State]
(৯) যার লাইসেন্স নেই তার কাছে যদি হাতিয়ার অর্পণ করা হয়, তাহলে ১৯ (ক) ধারায় অপরাধ হবে। যার লাইসেন্স নেই তার সাথে বিক্রির শুধু যোগাযোগ করলেই অপরাধ হয় না।
[34 Cr. LJ 363 and AIR 1933 (Cal) 218]
(১০) চাকুগুলো যদিও শক্ত, তার বাইরের ধার চিকন হয়ে গেছে, যেমন-ক্ষুরের প্রান্ত পর্যন্ত, নিম্নবর্ণিত মামলায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলোকে অস্ত্র বলা যাবে না, কারণ তার চেহারা দেখে বলা যাবে না যে, আক্রমণ বা প্রতিরক্ষার কাজে ব্যবহারের ইচ্ছায় তা উৎপাদন করা হয়েছে।
[15 Cr. LJ 545]
(১১) অস্ত্র আইনে বা বিধিতে এমন কিছু বলা নেই যে, লাইসেন্সধারীর এজেন্ট দ্বারা অস্ত্র বিক্রিকে অবৈধ বলে গণ্য হবে।
[12 Madras 473]
(১২) অত্র দফায় গাদা বন্দুককে পারকাশন বন্দুকে পরিবর্তন করলে অবৈধ হবে না।
[12 Madras 131]
(১৩) অত্র দফায় ইচ্ছেটাই অপরাধের প্রয়োজনীয় শর্ত নয়। যখন কোন লোক বৃটিশ ভারতে রিভলভারসহ আসে যা সে আইনত এ দেশে দখলে রাখতে অধিকারী নয়, অত্র দফায় সে নামমাত্র বা টেকনিক্যাল অপরাধ করবে, অত্র দফায় অপরাধ সম্পন্ন করতে অপরাধীর মনে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকার প্রয়োজন নেই।
[33 (Madras) 595- 13 and Cr. LJ 776]
(১৪) দেশের মধ্যে অস্ত্র আনয়ন করা অত্র দফার মধ্যে পড়ে, যদিও তা ১৯ ধারায় অপরাধ নয়। যদি শুল্ক কর্তৃপক্ষ বা সরকারি কর্মকর্তার কাছে আসামীর উক্ত কাজ গোপন করার ইচ্ছা প্রকাশ পায়, তাহলে সে ২০ ধারায় দোষী হবে।
[61 LW-635; 1948 MWN 665; 1948 2M LG]
(১৫) অত্র দফায় মামলা প্রমাণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। যেখানে আসামীর কাছে কার্টিজ পাওয়া গেছে, সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, রাষ্ট্র সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণ করতে বাধ্য যে, আসামীর কাছে নির্দিষ্ট তারিখে লাইসেন্স অনুমতির বহির্ভূত সত্যিকারভাবে কতটা কার্টিজ ছিল।
[34 Cr. LJ 190 and AIR 1933 (Lahore) 166]
(১৬) শুধু আগ্নেয়াস্ত্র দখলে থাকার অপরাধের চেয়ে আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার অপরাধ তুলনামূলকভাবে কম বা সংকীর্ণ। অস্ত্র সজ্জা শব্দ দুটি বিষয়ের নির্দেশ করে। যেমন- প্রথমে আগ্নেয়াস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের ইচ্ছা এবং দ্বিতীয় তা ব্যবহারের সম্ভাবনা।
[AIR 1925 (Madras) 585]
(১৭) যেখানে বন্দুকের মালিক বন্দুক নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় এবং বন্দুকটা (ক) এর হাতে দেয় এবং তাকে যদি ধান কাটতে না দেয়, তাহলে বন্দুক ব্যবহার করতে নির্দেশ করে; এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, ১৩ ধারার অধীনে (ক) দোষী ছিল না এবং ১৯ (৫) ধারায় দণ্ডিত হবে না।
[PLD 1965 (Dhaka) 284]
(১৮) যেখানে আসামীকে আগ্নেয়াস্ত্রের দ্বারা হত্যার অপরাধে বিচারমূলে দণ্ড দেওয়া হয়েছিল, তারা হাইকোর্ট কর্তৃক খালাস পায়। অনুসিদ্ধান্ত মতে, আদালত ১৯ (ঙ) ধারায় আনীত অভিযোগেও আসামীকে খালাস দেয়।
[PLD 1964 (Karachi) 187 (DB)]
(১৯) যদি কোন ব্যক্তি তার নিজের হাতে বহন না করে তার সাইকেলের সাথে কোন একখণ্ড মালের মত বন্দুক বেঁধে রাখে অত্র ধারায় তাকে অস্ত্র গণ্য করা হবে এবং দণ্ডনীয় হবে।
[42 CRL J 341 and AIR 1941 (Patna-6) 284]
(২০) আসামী তার লাইসেন্সধারী মনিবের চাকর হিসেবে মনিবের টাকা পয়সা অল্প সময়ের জন্য পাহারা দিতেছিল, তার মনিব তার বন্দুক ঐ জায়গায় ত্যাগ করার সময় চাকরকে দিয়ে গেলে চাকর মনিবের পক্ষে ঐ বন্দুকের দখলকার থাকে; সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আসামীকে দণ্ড দেওয়া উচিত হবে না।
[AIR 1933 (Patna) 600]
(২১) অত্র দফায় শুধু বন্দুকের দখল শাস্তির যোগ্য হবে না, যদি না উক্ত দখল অত্র আইনের ১৪ ও ১৫ ধারার বিধানের পরিপন্থী হয়। অপরাধের মূল কথা হল লাইসেন্স ব্যতিরেকে দখল।
[60 (Cal) 1970]
(২২) অত্র দফায় কোন অস্ত্রের দখল বা নিয়ন্ত্রণ অপরাধ সংঘটন করে। এ ধারায় অপরাধ সংঘটনের বিষয় এটা না যে, অস্ত্র কার, কিন্তু ঐ অস্ত্র সেই অভিযুক্ত ব্যক্তির দখলে বা নিয়ন্ত্রণে কিনা? আবার এ ধারায় একচ্ছত্র দখলও নিয়ন্ত্রণকে বুঝায় না। এ আইনে যে বিষয়টি বলা হয় তাহল বস্তুর আইনের চোখে শুধু দখল ও নিয়ন্ত্রণ নয়; বরং এর প্রকৃত দৈহিক দখল ও নিয়ন্ত্রণ। কোন অস্ত্র দৈহিকভাবে ও প্রকৃতভাবে দখল ও নিয়ন্ত্রণই হল অপরাধ।
[9 LR 1940 (Alahabad) 657]
(২৩) এ দফায় দণ্ড সমর্থন করতে দখল পুঙ্খানুঙ্খভাবে প্রমাণ করতে হবে।
[33 CWN 202]
(২৪) এটাই প্রমাণ করলে যথেষ্ট হবে না যে, আসামী ইতিপূর্বে হাতিয়ারের অধিকারী ছিল, যা সে অন্যের কাছে হস্তান্তর করেছে।
[15 CWN 440]
(২৫) এ আইনে দখল বলতে ব্যবহারের জন্য দখলকে বুঝায়। হাতিয়ার রাখতে অধিকারী ব্যক্তির পক্ষে যদি কেউ কোন হাতিয়ার রাখে, তাহলে এ দফায় দখল বুঝাবে না। যদি কোন লাইসেন্সধারী ব্যক্তি বন্দুক নিয়ে তার বন্ধুর বাসায় অবস্থান করে এবং অল্প সময় পরে ফিরে আসবে মনে করে সেখানে বন্দুক রেখে যায়, এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, লাইসেন্সধারীর দখলে নয় বা যে বন্ধুর বাড়িতে এটা রাখা হয়েছিল তার দখলে, এটা মনে করা যাবে না, বিশেষ করে এজন্য যে, ঐ বন্ধু বন্দুকের কোন ব্যবহার করে নি।
[42 Cr. L JJ]
(২৬) যে ব্যক্তির লাইসেন্স নেই, সে কোন বন্দুক নিয়ে যদি গুলি করে, যদিও তার দখল অল্প সময়ের, তথাপি সে ১৯ (ঙ) ধারায় অপরাধ করেছে।
[AIR 1047 (Alahabad) 99]
(২৭) আসামীর বাড়ির অস্ত্রের বাক্সের চাবির দখলকে বাক্সের চাবির দখল ধরা হবে, এটা দেখানোর জন্য যে, বাক্সের মধ্যে রক্ষিত অস্ত্র আছে তা আসামীর অবশ্যই জানা ছিল।
[48 Cr. LJ-556]
(২৮) কোন নির্দিষ্ট দখলকারী (বাড়ির) অস্ত্রের স্থান সম্পর্কে জ্ঞাত ছিল শুধু এ কারণেই তাকে অস্ত্রের দখলকারী বলা যাবে না। এই মতের সাথে একমত হওয়া সম্ভব নয় যে, একজনের বাড়িতে অস্ত্র দেখা গেলে সে অস্ত্রের দখল অর্জন করেছে বা দখলকারীকে (এক সঙ্গে বসবাসকারীকে) তা দেখালেই তার দখল হারাবে। এমনকি যদিও বস্তুর অবস্থান জানা দখলের ব্যাপারে একান্ত প্রয়োজনীয় উপাদান, তবু এটা দখল প্রমাণ বা গঠন করে না এবং শুধু দখল সম্পর্কে ইঙ্গিত বা ইশারা দেয়, এমন আরো কিছু অবশ্যই থাকতে হবে।
কোন বিশেষ বসবাসকারীকে তার বাড়িতে কোন বস্তু পাওয়া গেছে, এজন্য দখলকার বলা যাবে না, শুধু এ কারণে যে, সে এটার অবস্থান সম্পর্কে অবগত ছিল, এমনকি যদি সে পরিবারের প্রধান বা বাড়ির মালিকও হয়। তার দখলে ঐ বস্তু ছিল এরূপ সাক্ষ্য অবশ্যই থাকতে হবে এবং বসবাসকারী অন্যজনের দখলে থাকলেই চলবে না।
[2 Cr. LJ-176 and AIR 1961 (Alahabad) 438]
(২৯) ১৯ (চ) ধারার লাইসেন্সবিহীন অস্ত্র রাখার দায়ে দেওয়া দও নৈতিক অপরাধের জন্যে দণ্ড বিবেচিত হবে কিনা প্রশ্নে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আলোচ্য অপরাধ কোন নৈতিক বিচ্যুতি বা চরিত্রের পাপ বা স্বভাবের অপরাধ নয়, যা নৈতিক অসচ্চরিত্রতা জড়িত করবে, মানুষ ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্যে অস্ত্র রাখে এবং অনেক সময় তারা বিনা লাইসেন্সে অস্ত্র রাখে, যখন তারা মনে করে যে, তাদের সামাজিক মর্যাদা এমন নয় যে, তা কর্তৃপক্ষের নিকট হতে লাইসেন্স নিতে সক্ষম করবে। সন্দেহ নেই যে, তারা আইন ভঙ্গ করে, কিন্তু এটা নিশ্চিত করে ধারণা করা ঠিক হবে না এ আইন ভঙ্গ নৈতিক বিচ্যুতি বা চারিত্রিক কলুষতার সাথে জড়িত।
[2 Delhi LT 227]
(৩০) ১৯ (চ) ধারায় অপরাধ মানসিকতা (Mens Rea) কে অপরাধের উপাদান হিসেবে ধরা হয় নি এবং বাদীকে দোষী মানসিকতা প্রমাণের আবশ্যকতা বোধ করে না। এই ধারায় দখলই বিবেচ্য।
[2 Cr. LJ-176; 1960 (Alahabad) Cr. R- 327 and AIR 1961 (Alahabad) 438)
(৩১) একজন নাবালকের পক্ষে অস্ত্র পাওয়া ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব এবং যেখানে তাকে বিনা লাইসেন্সে অস্ত্রের প্রকৃত দখলে পাওয়া যায়, এ দফায় তাকে দণ্ড দেওয়া যাবে।
[19 Cr. L. J 447]
(৩২) ১৯ (চ) ধারায় (নিয়ন্ত্রণ) শব্দ পূর্ণ নিয়ন্ত্রণকে বুঝায়। হিন্দু যৌথ পরিবারের বেলায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নবীন সদস্যের নিয়ন্ত্রণ নয়, এটা প্রধানের বা কর্তার নিয়ন্ত্রণ। দখল হচ্ছে একচ্ছত্র দখল। যেখান থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে তা আসামীর একচ্ছত্র দখলে ছিল প্রমাণ করতে হবে।
[AIR 1950 (Ajmir) 30]
(৩৩) আলোচ্য বস্তু এমন এক জায়গায় পাওয়া যায় যা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির ব্যবহারের বা বসবাসের ছিল না, কিন্তু তা সমগ্র পরিবারের ছিল। এমন অবস্থায় কর্তার দখল ধরতে হবে।
[47 AIR 437]
(৩৪) অনুরূপভাবে অস্ত্র এমন এক জায়গা হতে উদ্ধার করা হয় যার মালিক দুই ভাই এবং দুই ভাই-এর কারো বিরুদ্ধে কোন সাক্ষ্য নেই, কেউ এ ধারায় দণ্ডিত হবে না।
[51 Cr. LJ 800; AIR 1950 (Alahabad) 284 and 1950 AWR 79]
(৩৫) এ আইনের ১৯ (চ) ধারায় এবং বিস্ফোরক আইনের ৫ ধারায় কারো অপরাধমূলক বস্তুর একচ্ছত্র দখল বা নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন নেই। একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বা দখল দুই ব্যক্তির হতে পারে। প্রত্যেক মামলা তার নিজস্ব বিষয়বস্তুর উপর নির্ভর করে এবং আদালত প্রত্যেক মামলার বিষয়বস্তু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন যে, কোন অপরাধমূলক বস্তু কোন সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির দখলে বা নিয়ন্ত্রণে বা তা একাধিক ব্যক্তির দখলে বা নিয়ন্ত্রণে থাকার বিষয় প্রমাণিত হয়েছে কিনা।
[29 Cr. L.J 110]
(৩৬) দখলকারী বা দেহধারী বস্তু নয়, যা যে কোনভাবে বুঝা যাবে। দখল কোন সময়ে অনুমিত বা গঠিত দখল হয় না, শুধু এ জন্য যে, তা কোন বিশেষ ঘটনা হতে অনুমিত হয়েছে।
[2 Cr. LJ 176; AIR 1961 (Alahabad) 438 and 1960 (Alahabad LJ 692]
(৩৭) ১৯ (চ) ধারায় কোন মামলায় আসামীর দখল প্রমাণ করা রাষ্ট্রের প্রাথমিক কর্তব্য, কিন্তু কোন কোন মামলায় এমন পরিস্থিতি থাকে, যেখানে আসামীর দখল আছে সহজেই ধারণা করা যায়, অন্যথায় রাষ্ট্রের পক্ষে আসামীকে শাস্তি দেওয়া অসম্ভব। অতএব এ ধারার এবং নিয়ন্ত্রণ শব্দকে ব্যাপকতর অর্থে গ্রহণ করতে হবে। যা প্রকৃত দখল ছাড়াও আরো কিছুকে বুঝায়।
যেখানে এটা দেখা যায় যে, যে কামরা হতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয় তা দুজন আসামীর যৌথ দখলে ছিল এবং বাড়ির অন্যান্য পুরুষ ব্যক্তিরা ঘরের অন্য অংশে ছিল সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, উক্ত কামরা আসামীদের যৌথ নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং কেউ দায়িত্ব গ্রহণ না করলে আদালত ধরে নিবেন যে, তারা উক্ত কামরায় যৌথ দখলে ও নিয়ন্ত্রণে ছিল।
[43 Cr. LJ 669 and AIR 1942 (Oudha) 448]
(৩৮) যদি কোন ব্যক্তি মেয়াদ উত্তীর্ণ লাইসেন্স অনুবলে অস্ত্র রাখে এবং লাইসেন্সের অধীন ও লাইসেন্স অনুমতি প্রদত্ত পন্থায় ও পরিমাণে কিছু না করে সেক্ষেত্রে সে এ দফায় অপরাধ করেছে।
[34 Cr. LJ 363]
(৩৮) এই দফায় দণ্ড দেওয়ার জন্যে দখল অবশ্যই ঠিকভাবে প্রমাণ করতে হবে। দখলের ব্যাপারে সন্দেহ থাকলে আসামী সন্দেহের অবকাশ পাবে। অন্যের বাড়িতে এক বিছানায় দুজন শুয়েছিল এবং ঐ বিছানায় কাপড়ে জড়ানো একটা চাবি ছিল। বাড়ির মালিক বাড়িতে ছিল না। প্রমাণ হলেও দুজনের মধ্যে প্রকৃত দখলকার কে তা বলা অসম্ভব এ ধারণা করে হাইকোর্ট আসামীর দণ্ডাদেশ রহিত করেন।
[23 Cr. LJ 95 and 1928 (Cal) 302]
(৩৯) অনুরূপভাবে উভয় আসামীর স্বীকৃতি অনুযায়ী যৌথ দখলীয় বাড়ি হতে চাবি পাওয়া যায় এবং তাদের মধ্যে কে এটার একচ্ছত্র দখলকার ছিল তা নিশ্চিন্ত করা যাচ্ছিল না। এ অবস্থায় সিদ্ধান্ত হয় যে, আসামীকে অবশ্যই সন্দেহের অবকাশ দিতে
হবে।
[AIR 1923 (Lahore) 513]
(৪০) বেশ কিছুসংখ্যক লোকের যাতায়াত আছে এমন কামরা হতে পিস্তল ও কার্তুজ পাওয়া যায়; কিন্তু আসামী এক কামরার বাসিন্দা। সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, পরিষ্কার ও অকাট্য সাক্ষ্য না থাকলে এ দফায় আসামীকে অবৈধ পিস্তল ও কার্তুজ দখলকার হবার জন্যে দণ্ড দেওয়া উচিত হবে না।
[27 Cr. L J]
(৪২) সাক্ষ্যে দেখা যায় যে, যে লোকের নিকট হতে অস্ত্র পাওয়া যায় তা তার চাকর রেখে দিয়ে থাকতে পারে, এক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তির দণ্ডাদেশ বেআইনী বলা হয়েছে।
[IPR 1902 (criminal)]
(৪৩) আসামী তার পিতা ও ভাই-এর সাথে বাস করা ঘরের নিকটে অবস্থিত গোয়াল ঘরে পুলিশকে নিয়ে যায় এবং রিভলভার থাকার জায়গা দেখিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, ঐ জায়গা আসামীর একচ্ছত্র দখলে ছিল, এরূপ পরিষ্কার প্রমাণ ছাড়া রিভলভার গোয়াল ঘরে ছিল বা দেখিয়ে দেওয়া জায়গা হতে রিভলভার পাওয়াটাই অস্ত্র আইনের ১৯ (চ) ধারায় আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করার জন্যে যথেষ্ট নয়।
[146 Ic 232, 34 Cr. L. J. 1256 and AIR 1933 (Lahore) 314]
(৪৪) অস্ত্র আইনের বিধান ভঙ্গ করে কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র রেখে দণ্ডনীয় চক্রান্তে অংশীদার ছিল মর্মে কোন সাক্ষ্য না পাওয়া গেলে, শুধু আসামীগণ সন্ত্রাসী কাজ বা অপরাধ করা সংগঠনের সদস্য থাকলেই কোন শাস্তির জন্যে যথেষ্ট নয়। [62 (Cal) 819 and 39 CWN 761] (৪৫) অস্ত্র আইনের ১৬ ধারার প্রয়োজনে অস্ত্র জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আসামীকে দোষী এবং ১৯ (ঝ) ধারায় শাস্তিযোগ্য বলা হয়েছে। উক্ত বক্তব্যের সমর্থনে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার উপর নির্ভর করা হয়। উক্ত অবস্থায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, প্রতিবিধানের ব্যবস্থা আইনবিরুদ্ধ ও আওতা বহির্ভূত। এটা বলা কঠিন যে, ১৯ (ঝ)ধারায় কৃত অপরাধের আসামীকে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় শাস্তি প্রদান আইনসঙ্গত ও বৈধ।
[64 Punjab LR 697; Cr. LJ 57 and AIR 1963 Punjab-8]
(৪৬) কোন ব্যক্তির দোষারোপকারী বস্তুর একচেটিয়া দখল বা নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র আইনের ১৯ (চ) ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৫ ধারায় প্রয়োজন নেই। দুই বা ততোধিক ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণ থাকলেই চলবে। আদালত প্রত্যেক মামলা তার স্বতন্ত্র ঘটনার উপর বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্তে আসবেন যে, দোষারোপকারী বস্তু কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির বা একাধিক ব্যক্তির দখলে বা নিয়ন্ত্রণে ছিল। একচেটিয়া দখলের প্রশ্ন প্রথমবারের মত আপীলে উত্থাপন করা যাবে না।
[AIR 1944 (Lahore) 339 (FB)]
(৪৭) অস্ত্রের একটি টুকরা পাওয়া গেলেও এটাকে একটি পরিপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এটা অস্ত্র আইনে অপরাধ গণ্য হবে। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য অবশ্যই অস্ত্রের দখল অথবা নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে।
[৪ BLD 412 Kochi allas Jisham and others vs The state]
(৪৮) আপীলকারী পুলিশদলকে ঘটনা স্থলে নিয়ে একটি খড়ের পালা দেখায় এবং সেখান হতে দুটি বন্দুক উদ্ধার করা হয়, যা দ্বারা এটা নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয় না যে, উক্ত জব্দকৃত বন্দুক দুটি আপীলকারীর দখলে বা নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং তা দ্বারা আপীলকারী অস্ত্র আইনের ১৯ (এফ) ধারা অনুসারে দোষী সাব্যস্ত হবে না।
[40 DLR 493 Abdul Khaleque and others vs The statel]
(৪৯) যেহেতু প্রশ্নোক্ত বন্দুকের লাইসেন্সটি আইনানুগ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ, যথাঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অস্ত্র আইনে অথবা ১৯২৪ সালের বিধি মোতাবেক তার অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার কর্তৃক বাতিল হয় নি, তাই এস ডি ও কর্তৃক এটা বাতিল করা বেআইনী, এভাবে অস্ত্র আইনের ১৬ (১) এবং ১৯ (আই) তৎসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারায় সাজা আইনে গ্রহণীয় নয়।
[40 DLR 251 Md Anwar Hossain Majhee vs The state]
(৫০) সরকার পক্ষ হতে বক্তব্য রাখা হয় যে, আসামীর উঠান হতে অস্ত্র উদ্ধার করার অর্থ তার দখল হতে অস্ত্র উদ্ধার করা। সিদ্ধান্ত হয় যে, উক্তরূপ বক্তব্য গ্রহণ করা মারাত্মক পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যায়। কোন বস্তু উঠান বা পান বরজ বা বাড়ির বাগান হতে উদ্ধার করা আর বসবাসের গৃহ হতে উদ্ধার করা ভিন্ন। কারণ উঠানে বা পান বরজে বা বাড়ির বাগানে গৃহের লোক ছাড়া অন্যদের অবাধ প্রবেশের প্রক্রিয়া থাকে।
[27 DLR 251 Piar Baksha allas palari vs The state (and AIR 1944 (Lahore) 339 relied)]
(৫১) অস্ত্র উদ্ধার সম্পর্কে ৩ দিনের দেরি হওয়া এজাহার অস্ত্র উদ্ধারের পুরো ঘটনা সম্পর্কে সন্দেহের সৃষ্টি করে এবং যা রক্ষীবাহিনী করেছে তা দেশের আইনকে পুরো অবজ্ঞা প্রদর্শন করে।
[27 DLR 186 S. Mohsin Sharif vs The state]
(৫২) আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ২৯, ১০, ৮৩ ইং তারিখে রেকর্ড করা হয় এবং অস্ত্রশস্ত্র উক্ত স্বীকারোক্তিমূলে পূর্বেই বিগত ২৩-১০-৮৩ ইং তারিখে উদ্ধার হয়। এজাহারকারী ও তদন্তকারী অফিসার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সাক্ষী। তাই তাদের সাক্ষ্য অন্য স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ সাক্ষীর সাক্ষ্য দ্বারা সমর্থিত না হলে এজাহারকারী ও তদন্তকারী অফিসারের সাক্ষ্য সন্দেহের সৃষ্টি করে। অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ও (এফ) তৎসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩ ধারার মামলায় বেআইনী অস্ত্রশস্ত্র সম্পর্কে আসামীর দখলও কার্যকরী নিয়ন্ত্রণ থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে। চার্জশীটে উল্লেখিত সাক্ষী যারা এজাহারকারীর সাথে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল এবং অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করতে দেখেছিল তাদের সাক্ষ্য ব্যতিরেকে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে সন্দেহের সৃষ্টি করে।
[10 BCR 236 Gazlur Rhman vs The state]
(৫৩) যদিও একজন বিচারক তল্লাশি ও জব্দের সাক্ষ্যকে অবিশ্বাস করে বিনা লাইসেন্সে অস্ত্র রাখার জন্য একজন আসামীকে সাজা দিতে পারে। কিন্তু সাজা দিতে পারেন না যদি বিচারক মনে করেন যে, আসামীর শত্রু তার বাড়িতে উক্ত অস্ত্র রেখেছিল। [8 BLD 106 Nurul Islam vs The state]
Section-19A-The law is settled on the point that had there been no support from the side of the public witness even then conviction can be given only on the basis of evidence of police personnel. In this case, it appears from the evidence on record that PW 1 (the informant) and PW 4 (police constable) have corroborated each other stating the occurrence of recovery of alleged arms and ammunition from the exclusive control and possession of the accused-appellants in a vivid and graphic manner.
The came and deposed about the occurrence before the Court without any influence whatsoever and their depositions are also treated as evidence within the meaning of section 3 of the Evidence Act. Hekim alias Hakim us State (Criminal) 496 12 BLC (A).
Sction 19A-Conviction upheld by the High Court Division-But allowed the deduction of the period of custody from the term of sentence-
Code of Criminal Procedure, 1898-
Section 35A-Applicable to cases triable under the Special Powers Act, 1974-
Law is well settled that the concession in the form of deduction of the period of custody preceding the conviction shall be equally applicable to the cases tried by Special Tribunal under the Special Powers Act. While upholding the conviction and sentence the learned judges of the High Court Division allowed the deduction of the period of custody from the term of sentence of the convict appellant. Nur Hossen (Md.) Vs. The State 13 MLR (AD) 251-258.
Section-19A In the instant case the place from where the arms and ammunition were recovered as per showing of the appellant was absolutely an open place accessible to others and as such the appellant had no exclusive possession and control of the arms ammunition in question consciously with mens rea. (Md. Anisur Rahman Gazi v. The State) (HCD) 405 27 BLD.NET TYGAN
Section-19A: In a charge for recovery of arms when a case has been installed and processed by Police Agency.personnels generally become very much interested to earn conviction upon a person under indictment for offence of illegal possession of arms and ammunition and corroboration from independent source becomes imperative in carrying guilt to the door of accused-person and, also, base conviction and sentence upon him. Md. Liton Miah @ Ripon Vs. The State 15 BLT (HCD) 277.
Section-19A: High Court Division failed to consider that the recovery of arms in question as well as the place of occurrence have not been proved in as much as had been disproved and the sentences so passed against the petitioner is too harsh as contended by the Peitioner’s Counsel.
Held: It transpires from the facts and circumstances of the case that the quantum of secntence so affirmed by the High Court Division is harsh and accordingly the same needs reconsideration.
Accordingly, the petition is dismissed with modification of sentence of 10 (ten) years under Sections 19A and 7 (seven) years under Section (f) of the Arms Act in place of 14 (fourteen years and 10 (ten) years respectively with an order to run both the sentences concurrently. Kamrul Islam Vs. The State 16 BLT (AD) 218.
Section-19(a): On perusal of the scizure list it appears that the same only discloses the fact of seizure of 3 (three) country made light guns but from whose possession those were seized had not been mentioned. At the top of the seizure list it has been specifically mentioned: “জব্দ করিবার স্থান: ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের গর্জারিয়া থানাধীন পুরান বাউসিয়া নামক স্থানে পুরাতন কালো রং এর র্যাকসিন এর ব্যাগের ভিতর হইতে।”
From this seizure list it is evident that the bag into which those light guns were kept was found upon the Dhaka-Chittagong Highway at Bausia point and was not recovered from the control or possession of the accused appellants, who were put on trial. Moreover it appear that out of three seizure list witnesses the only PW was produced before the Court and was examined by the prosecution. PW6 in his exmaination-in-chief stated that “ঘটনা ৯/১০ মাস আগে বেলা ১১/১১.৩০ টায়। আমি বাড়ি থেকে নিজ দোকান ভবের চর এ
আসতে থাকি। পুরান বাউসিয়া দেখি ২/৩টি গাড়ী পুলিশ ধৃত করে। পরে আরও একটি লোকাল গাড়ী থামায়। ঐ গাড়ী চেক করা অবস্থায় পুলিশ একটি কালো রেক্সিনের ব্যাগ পায়। ঐ ব্যাগের ভিতর ৩টি পাইপ গান ছিল।” From this evidence it is crystal clear that the rexin back was seized from a local vehicle but not from the possession of any of the accused persons.
This PW6 did not mention any name of the accused person in his examination-in-chief. The PW1. PW2. PW3 and. PW8 although gave some direct evidence against the appellants but those evidence did not find support from the seizure list. From the discussion made above it is crystal clear that the incriminating articles were neither recovered from the exclusive possession of the accused appellants nor the appellants had exchesive control over the spot of recovery of those guns-the sentence awarded thereunder is not sustainable in law and is liable to be set aside. Golam Mohammad Faruque & Ors. Vs State 14 BLT (HCD) 127.
Section 15 and 19A-That no licence is required to possess arms like dagger or gachi dao and those arms were not recovered from the accused petitioners within the area specified by Gazette Notification by the Government as indicated in section 15 of the Arms Act. It was therefore necessary for the prosecution to prove the existence of such notification under section 15 of the Arms Act. As such, no offence had been committed by the petitioners under the Arms Act and, as such, the cognisance taken by the Tribunal in the trial of the two petitioners under the Arms Act is without jurisdiction. Ali Hossen @ Ali and vs Bangladesh (Spl. Original) 12 BLC (H) 379.
Section-19A: High Court Division failed to consider that the recovery of arms in question as well as the place of occurrence have not been proved in as much as had been disproved and the sentences so passed against the petitioner is too harsh as contended by the Petitioner’s Counsel.
Held: It transpires from the facts and circumstances of the case that the quantum of sentence so affirmed by the High Court Division is harsh and accordingly the same needs reconsideration. Accordingly, the petition is dismissed with modification of sentence of 10 (ten) years under Sections 19A and 7 (seven) years under Section (f) of the Arms Act in place of 14 (fourteen years and 10 (ten) years respectively with an order to run both the sentences concurrently. Kamrul Islam Vs. The State 16 BLT (AD) 218.
Arms Act, 1878-
Section 19A-Offence of unauthorised possession of fire arms-
Evidence Act, 1872-
Section 114(g)-Adverse presumption for non- examination of material witness-
Onus of proving the charge against the accused beyond all reasonable doubt entirely lies upon the prosecution. Non examination of material witness without satisfactory explanation raises adverse presumption against the prosecution case resulting in the acquittal of the convict- appellant on benefit of doubt. Linckon Dewan @ Dewan Nurul Huda Vs. The State 11 MLR (HC) 432-437.
238(c) S. 19-A Arms Act and S. 6 of Evidence Act (Possession).
prosecution case that the appellant had made a statement to the police that he had kept the pipe gun on the mancha of their cow-shed and the police pursuant to the said statement in fact recovered the said arms from the cow-shed. PWs-4, 5 and 6 categorically denied that the recovery of the pipe gun was made in their presence when PW-6 rather told that he had never seen the appellant with any gun and hence it would not be safe to act on the lone evidence of the police personnel and as such the prosecution has not been able to prove the offence under S. 19-A of the Arms Act beyond reasonable doubt.
Zillur Rahman Vs. State; 6 BLC (2001)-HCD-254 also see- Abu Baker Siddique Vs. State; 7 BLC (2002)-HCD-226
1. Section 19A-The alleged recovery of Chinese kural, knife and a dagger does not come within the mischief of the provision of section 19A of the Arms Act which made the conviction under the said section illegal.
Masud and others Vs. State (Criminal) 1998 BLC (HCD)
2. Section-19A-In absence of any evidence or circumstances to show that he had exclusive possession over the spot pointed out by him and none else had access to it, mere knowledge of the accused about the existence of arms and ammunition as a particular spot does not constitute any offence under the Arms Act. Shahadat Hossain Babul Vs. The State, 15 BLD (HCD) 485.
3. Section-19A-Seizure and recovery of Mat Ext. 1 and II in presence of P.W. 3, 4 and 5 Ayub All, Hazrat Ali and Delwar Hossain was not proved beyond doubt. Besides them there remains only the sole evidence of informant P.W. 1 Sergeant Shahin Iqbal whose evidence is also not unimpeachable for the reasons as already noticed above. P.W. 2 and 7 are police officers including I/O and they are formal witness only. P.W. 1,2,7 being police officers were interested in the result of the case cannot be considered to be impartial and independent witnesses to be reliable-acquitted of the charge. [Para-16] Abu Bakar Siddique Vs. The State, 10 BLT 2002 (HCD) 430.
4. Sections 4 and 19A-The words fire-arms” in definition clause of “arms” and the words “short-gun or other fire-arms” in the penal provision of section 19A have been used in wide and generic sense to mean and include all the diverse instruments of fire-arms including LG, otherwise the definition of “arms” would remain a lame duck definition. LG, no doubt, has not been mentioned in the short list of arms but that does not exclude it from the category of firearms. Nazrul Islam Vs. State (Criminal), 7 BLC (HCD) 418.
5. Section 19A-Uncorroborated testimony of an accomplice cannot be basis of conviction of an accused. Kazi Ibrahim Vs. State, 41 DLR 524. no
6. Section 19A-A person cannot be convicted on surmises and conjectures and from any analogical deduction. Kazi Ibrahim Vs. State, 41 DLR 524.
7. Section 19A-As no arms was recovered from the possession of the convict-petitioner besides this fact that there was also no evidence against the convict-petitioner warranting coviction under section 19A of the Arms Act, the impugned judgement and order of conviction and sentence so far it relates to convict-petitioner is quashed. Alauddin (Md) Vs. State (Criminal), 10 BLC (HCD) 50.
8. Section 19A The place of recovery being a public place it can not be said that the appellant was in exclusive possession of that place. That being so appellant can not be held liable under section 19A of the Arms Act.
Abul Kashem Vs. State, 50 DLR 356.
9. Section 19A & (f)-Accused cannot be convicted for constructive possession of arms and ammuniton. He must have either exclusive or conscious possession or actual or effective control of the same. If the Court finds that the accused had neither exclusive nor conscious possession nor effective or actual control of any arms and ammunition the accused is not liable to be convicted. In the instant case we find that the accused has conscious possession and effective or actual control of the revolver and live bullets recovered from him.
Abul Bashar Shaikh Vs. State, 51 DLR 252.
10. Section-19(A). (f)-Jana Nirapatta (Bishesh Bidhan) Ain. 2000 The charges framed by the Jana Nirapatta Bighnakari Aporadh Daman Tribunal relating to section 91(A) and (f) of the Arms Act is set aside and the Tribunal is directed to frame charge under the Jana Nirapatta (Bishesh) Bidhan) Ain, 2000 altering the charges under sections 225 and 227 of the Code of Criminal Procedure.
Ahmed Hossain and others v The State), 23 BLD (HCD) 658.
11. Section 19A and 19(f)-In a case of like nature the control and posession of the incriminating article is essential for holding the accused guilty for the offence charged, but in the instant case the recovery of the incriminating articles has not been proved inasmuch as has been disproved, since some of the P. W.s claimed that they handed over the incriminating articles to chowkider, some said to the secretary of the union parishad, but the informant himself claimed that he found the incriminating articles in the hands of accused-appellant.
10 BLT (HCD) 430. 12. Sections 19A and 19(f)-Mere knowledge of the accused about the arms is not enough to convict any person without any evidence to show that he had exclusive pessession of the same.
Hassan Bepari & Hassan Vs. State 21 BLD (HCD) 154.
14. Sections 19A and 19(f)-Though the two places from where the pipe gun and bullets were covered are not owned by the appellant, yet in view of the proved fact that be appellant himself dug out the earth and brought out the pipe gun and bullets, it must be held that he had exclusive possession over these criminating articles. 637.
Mantu Chandra Debnath Vs. The State, 15 BLD 1995 (HCD)
15. Section 19A and (f)-special powers Act (Act XIV of 1974) Section 3-In a case of the Arms Act read with special Powers Act, the prosecution has to establish accused’s possession and effective control over the alleged unauthorised arms and ammunitions by cogent and reliable evidence beyond all reasonable doubt. Prosecution’s failure to do so amount to a case of no evidence and results in the acquittal of the accused on benefit of doubt. Gaziur Rahman Vs. The State, 11 BLD (HCD) 11. 16. Back ground of Enmity-When there is back ground of enmity, it is unsafe to rely on chance witnesses.
Nawsher Mollah and others Vs. The State, 11 BLD (HCD) 295.
17. Sections 19A and 19(f)-Though the two places from where the pipe gun and bullets were recovered are not owned by the appellant, yet in view of the proved fact that the appellant himself dug out the earth and brought out the pipe gun and bullets, it must be held that he had exclusive possession over these incriminating articles. 637.
Mantu Chandra Debath Vs. The State, (1995) 15 BLD (HCD)
18. Sections 19A and (f)-When a place is not under the exclusive possession of the accused and the possibility of access of others to the place cannot be ruled out, he cannot be held guilty of offence under the Act.
Talebur Rahman alias Taleb and 2 others Vs State, 49 DLR 167.
19. Section 19A-As no arms was recovered from the possession of the convict-petitioner besides this fact that there was also no evidence against the convict-petitioner warranting conviction under section 19A of the Arms Act, the impugned judgement and order of conviction and sentence so far it relates to convict-petitioner is quashed.
Alauddin (Md) Vs. State (Criminal) 8 BLC (2003) 50.
20. Possession of Arms-It appears that the arms In question have not been recovered from possession of the appellants and admittedly they were not present at the place of occurrence; the arms and ammunitions were recovered from the possession of the arrested accused-persons and they disclosed the names of their other companions who are the appellants. In such view of the matter, the appellants can not be held to be in possession of any arms.
Pannu Mollah and Ors. Vs. The State 12 BLT (2004) (AD) 97.
21. Section 19(1)-“Possession” or “control” essential to constitute offence under section 19(f) of Act must be conscious possession or actual. control-Possession of actual control-Possession or control of incriminating acticles constitute offence. To constitute offence there must be mens rea or guilty knowledge.
Babul Vs. State (Criminal) 57 DLR 2005 158.
22. Section 19(A) and 19(f)-Offence are exclusively triable by Special Tribunal under Special Powers Act, 1974 and not by the Jana Nirapatta Bighnakari Aparadh Damon Tribunal. Offences under section 19(A) and 19(f) of Arms Act, 1878 are exclusively triable by Special Tribunal established under the Special Powers Act, 1974. Jana Nirapatta Bighnakari Aparadh Damon Tribunal has no jurisdiction to try such offence. Therefore the offences under Arms act shall be tried by Sepcial Tribunal and the offence under the Jana Nirapatta (Bishesh Bidhan) Ain, 2000 shall be tried by the Jana Nirapatta Bighnakari Aparadh Damon Tribunal.
Abdul Manan and others Vs. The State 9 MLR (HC) (2004) 258-264.
23. Sections 19(1)-and 19(A)-It appears exfacie that the charges as framed by the Tribunal, particularly the charges framed under sections 19(f) and 19A of the Arms Act, is illegal and without jurisdiction. Accordingly, the charges as framed by the Tribunal so far it relates to the framing of charges under sections 19(f) and 19A of the Arms Act was set aside and the Tribunal was directed to frame charge under the Jana Nirapatta (Bishesh Bidhan) Ain, 2000 amending or altering the charges under the provisions of sections 225 and 227 of the Code of Criminal Procedure. The appellant was also endlarged on bail.
Ahmed Hossain and ors Vs. State (Criminal) 9 BLC (AD) 2004 506.
24. Sections 19(f) and 19A-The Jana Nirapatta Bighnakari Aparadh Daman Tribunal constituted under section 22 of the Jana Nirapatta (Bishesh Bidhan) Ain, 2000 has no jurisdiction to try the offences under the Arms Act which is a Schedule offence and the same is exclusively triable by Special Tribunal constituted under section 26 of the Special Powers Act, 1974.
Abdul Mannan and others Vs. State (Criminal) 9 BLC (2004) 512.
25. Sections 19(f) and 19A-Under section 23(4) of the said Ain the Tribunal is not only authorised to inflict prescribed punishment for an offence under the said Ain but also authorised to inflict punishment upon an accused guilty of an offence under any other law as prescribed under that law. The order dated 25-3-2003 passed by their Lordships while disposing of the appeal setting aside the order dated 16- 10-2001 passed by the Jana Nirapatta Bighnakari Aparadh Daman Tribunal,
Chittagong so far it relates to the framing of charge under sections 19(f) and 19(A) of the Arms Act with direction to frame charge under Jana Nirapatta Bishesh Bidhan Ain. 2000 altering or amending the charges under the provision of sections 225 and 227 of the Code of Criminal Procedure and granting bail to the appellant thereunder is erroneous and not sustainable.
Abdul Mannan and others Vs. State (Criminal) 9 BLC (2004) 508.
26. Sections 4, 19(1) 19A-While searching the body of the petitioner a disco razor was recovered and a pipe gun and cartridge were recovered from the co-accused Maskud Hasan as alleed. Disco razor is not included in the definition of arms as given in section 4 of the Arms Act. Under Arms Rules no licence is required for keeping such a disco razor.
Therefore, mere keeping of disco razor is not an offence punishable under section 19(f) of the Arms Act. On careful scrutiny it appears that there is not an lota of evidence that any arms was recovered from the possession of the petitioner. Hence, it is a clear case of ‘no evidence’. The petitioner was convicted without any legal evidence and, as such, the judgement and order of conviction and sentence is a sheer abuse of the process of the Court so far it relates to petitioner and it is quashed.
Masud Dewan Vs. State (Criminal) 9 BLC (2004) 585.
27. Sections 19(a) and 19(1)-As the arms and ammunition were not only pointed out by the convict-Joynal but it was also unearthed by him from the place of occurrence and, as such, it can be said that accused Joynal had full control and possession over such arms and ammunition attracting section 19(a) and 19(f) of the Arms Act but so far as convict- appellants Jinnah Karim and Abdul Halim Shah are concerned who had no exclusive possession and control over such arms and ammunition and thus, their conviction under the said sections of the Arms Act cannot be sustained.
Joynal Abedin and ors Vs. State, represented by the DC, Khulna (Criminal) 19 BLC (2004) 311.
28. Sections 19(f) and 19A-Whenever some ammunition are also recovered together with some arms, categorised in section 19A, the trial Court or, for that matter, the Tribunal must frame charges under sections 19A as well as 19(f) of the Arms Act to cover both arms and ammunition.
Jafar Vs. State (Criminal) 10 BLC (2005) 336.
Sections 19(f) & 19A-None of the PWs testified that the revolver and bullets were recovered from the possession and effective control of the appellant and, as such, the prosecution has failed to prove its case beyond reasonable doubt and the appellant is acquitted.
Mukhlesur Rahman Vs. State (Criminal) (2005) 10 BLC 104.
29. Sections 4 and 19A-Although LG is not included in section 4, it is a “fire-arm” within the meaning of section 4 and section 19A of the Arms Act. The words “fire-arms” in definition clause of “arms” and the words” shot-gun or other fire-arms” in the penal provision of section 19A have been used in wide and generic sense to mean and include all the diverse Instruments of fire-arms including LG, otherwise the definition of “arms” would remain a lame duck definition. LG, no doubt, has not been mentioned in the short of arms but that does not exclude it from the category of firearms.
Nazrul Islam Vs. State (Criminal) 9 BLC (2004) 418.
30. Section 19A & 19(1)-From the evidence of the PW 1 we have found that he did not recover the alleged arms from the exclusive possession and effective control of the accused- appellant and the evidence of PW 1 Sub-Inspector of police was not corroborated by the other PWs. And none of them. testified that the revolver and two live bullets were recovered from the possession and effective or actual control of the accused-appellant.
More so, on going through the evidence of PW. 1 we, find at the time of recovery the alleged arms and ammunition, he was not present in the place of occurrence. We are therefore constrained to hold that the prosecution has failed to prove its case against the accused-appellant beyond reasonable doubt and therefore he is entitled to acquittal.
Muklesur Rahman & Ors. Vs. The State. 13 BLT (2005)- (HCD) 175.
31. Section 19 (a) and (f)-One can not be held to be in possession of any arms if his name is disclosed by the arrested accused from whose possession arms and ammunitions were recovered, the actual recovery has to be
established by independent witnesses.
Pannu Mollah Vs. The State, 24 BCR (2004) AD 131.
32. Sections 19(A) & (f)-There is no reason why the evidence of the police personnel should be discarded simply because they belonged to police force. They came before the court and testified to the occurrence. They were fully cross- examined. Their evidence is also evidence within the meaning of section 3 of the Evidence Act.
Asadul Hossain (Md) Vs. State (Criminal) 57 DLR (HC) (2005) 615.
33. Section-19A. 19)-The appellant has been convicted under section 19A and 19(f) of the Arms Act and sentenced thereunder to suffer imprisonment for life. The ingredients of section 19A of the Arms Act do not appear to have been proved. The appellant has already suffered imprisonment for more than the minimum period prescribed by section 19A of the Arms Act. The sentence is, therefore, reduced to the period already undergone.
Tafazzal Hossain @ Shajahan Vs. The State) 23 BLD (2003) (AD) 171.
34. Section-19(A), (f)-Jana Nirapatta (Bishesh Bidhan) Ain, 2000 The charges framed by the Jana Nirapatta Bighnakari Aporadh Daman Tribunal relating to section 19(A) and (f) of the Arms Act is set-aside and the Tribunal is directed to frame charge under the Jana Nirapatta (Bishesh) Bidhan) Ain, 2000 altering the charges under sections 225 and 227 of the Code of Criminal Procedure.
Ahmed Hossain and others Vs. The State (23 BLD (2003) (HCD) 658.
It is incumbent on the prosecution to prove that the fire- arms were possessed in contravention of the Arms Act to secure a conviction under this section because possession of fire-arms for furtherance of terrorist movement is not in itself an offence under the Arms Act.
39 CWN 761.
An offence under this section is a serious offence and renders the offender liable to a sentence of transportation for life under this section read with section 120.
36 Cr. LJ 1275 = 39 CWN 334.
The High Court is not competent to substitute a charge under section 20-A of the Arms Act and convict a person on appeal from his conviction under sections 19(f) and 19-A of the Arms Act.
36 Cr. LJ 1275 = 39 CW N 334.
Section 19A and 19(1)-As it is found from the evidence on record that the place from where the arms and ammunition were revcovered as per showing of the appellant was absolutely an open place accessible to others. The appellant had no exclusive possession and control of the arms and ammunition in question consciously with mens rea. His appeal is therefore allowed.
Anisur Rahman Gazi alias Chhotu vs State 59 DLR (Spl. Original) 59 DLR 488.
Sections 19A and 19(f)-Even if indepentdent witnesses and the seizure list witnesses do not support the prosecution case conviction can be given relying only upon the evidence of Police witness if it inspires confidence or is worthy of credit. Tuta Pramanik (Md) vs State (Criminal) 492 59 DLR (HC).
Sections 19A & 19(1)-Conviction can be well based on the testimony of the Police personnel if it is supported by other evidence on record or to if it inspires confidence. Faruq us State (Criminal) 104 59 DLR (HC).
Sections 19A & 19(1)-Even if the seizure list witnesses do not support the prosecution case or speak for the prosecution the conviction can be given if the case is proved otherwise on the basis of evidence. Faruq (Md) vs State (Criminal) 104 59 DLR (HC).
Section 19A & 19(f)-It would be unjust and illegal to pass a conviction in a situation wherefrom the entire evidence on record shows that the place of recovery of arms and ammunition even though shown by the appellant was an open place free for everyone to enter. Farua (Md) vs State (Criminal) 59 DLR (HC) 104.
Sections-19A, 19(f)-It is dangerous to sustain an allegation of section 19A and 19(f) of the Arms Act when it is not clearly proved on the facts and circumstances of a particular case that the arms and ammunition alleged to have been recovered was kept by the accused himself. (Md. Tuta Pramanik v. The State) 27 BLD (HCD) 584.
Section 19A (f)-Offence under section 19A (1) Arms Act is as grave that if it is found proved on evidence the main sentence cannot be less than 10 years. It is therefore obvious that the evidence must be necessarily very strong unimpeachable and satisfactory without having any grain of
doubt in the same-Charge under section 19A Arms Act was not Barnegat home beyond doubt by satisfactory evidence as required.
Where anomaly, dissimilarity and contradiction is found among police witnessess and they did not corroborate each other beyond doubt about the place of seizure and recovery of arms and ammunition from the actual possession and effective control of accused then order of conviction and sentence can not be sustainable. [Abdul Motleb Vs. The State] HCD 143. BCR, 2004.
Section 19 (a) and (f) One can not be held to be in possession of any arms if his name is disclosed by the arrested accused from whose possession arms and ammunitions were recovered, the actual recovery has to be established by independent witnesses. [Pannu Mollah Vs. The State] AD 131. BCR, 2004.
Section-19A and Section 19(f)-It is the prosecution case that from the possession of accused appellant Bami a country made pistol was recovered, which comes under the purview of the Section 19A of the Arms Act. From the possession of accused Obating and Md. Jalal some live cartridges were recovered which are ammunitions within the meaning of the Arms Act and as such,
not covered by the provision of the section 19A of the Arms Act but comes within the purview of and covered by the provisions of Section 19(f) of the Arms Act. The sentences awarded by the learned Judge of the Special Tribunal in lump to all the three accused appellants to suffer 17 year’s rigorus imprisonment is not justified.
Bating & Ors Vs The State 14 BLT (HCD) 97. Section-19A and 19(f)-On perusal of the other evidence on record it is evident that all the prosecution witnesses supported that one revolver and six cartrideges were recovered from the possession of co-convict Monir Uddin. The Tribunal found the convict Monir Uddin.
The Tribunal found the convict appellants Rafiqul Isalm and Monir Uddin in joint possession of a revolver and bullets and cartridges which is not being supported by any evidence on record-We hold that the prosecution hopelessly failed to prove charge under section 19(f) and 19A of the Act as against the convict appellant Rafiqul Islam.
Md. Rafiqul Islam Vs. The State 14 BLT (HCI) 416.
Section-19A and 19(f) read with Special Powers Act, 1974, Section-25D: Since an offence punishable under the Arms Act is a scheduled offence under the Special Powers Act, all the appellants may be charged and convicted under sections 19A and 19(f) read with section 25D of the Special Powers Act for abetment of the offence. If an accused persons is charged with a substantive offence, his conviction may be altered to one of an offence for abetment.
15 BLT
Sections-19A, 19(f)-It is dangerous to sustain an allegation of section 19A and 19(f) of the Arms Act when it is not clearly proved on the facts and circumstances of a particular case that the arms and ammunition alleged to have been recovered was kept by the accused himself.
(Md. Tuta Pramanik v. The State) 27 BLD (HCD) 584.
Section 19A and 19(f)-There is no evidence to the effect that the alleged incriminating articles were recovered from accused-appellant Faridul in as much as the evidence of record clearly justify that some used wearing apparels were recovered from his control and possession without mentioning its country of origin and in such facts and circumstances the charge against accused-appellant Faridul under section 19A and (1) of the Arms Act and 25B of the Special Powers Act of 1974 finds no leg to stand upon.
The seizure of the incriminating articles having not taken place as per law, it cannot be accepted that the incriminating articles (firearms and ammunition) were recovered from accused appellant Nuruzaman at all. Lastly, Exhibit 1 gives us a light to the effect that the same was prepared for the purpose of receiving award from the authority and, as such, the same cannot be the basis of conviction of the accused-appellants. (Faridul Mollah (Md) vs State (Criminal) 12 BLC (M) 28.
Sections 19A and 19(f)-Though there is allegation that arms and ammunition have been recovered from the possession the appellant but the Druto Bicher Tribunal has convicted the appellant under section 19A of Arms Act. He has not convicted the appellant under section 19(f) of the Arms Act in alling to notice that section 19(f) of the Arms act is a distinct offence. If he finds appellant guilty, under section 19A of the Arms Act, why not he found the appellant not guilty under section 19(f) of the Arms Act. This judgement does not satisfy the minimum requirement of. Syed Kaisarul Islam @ Kaisarul Islam vs State (Criminal).
Sections 19A & 19(1)-There is nothing in this clause about exclusive or sole possession or exclusive or sole control. The test provided by the section is not as to whom the arms belong but whether they are in the possession or under the control of the persons charged. What is contemplated by this clause, is actual and physical possession and control and not merely a possession or control by construction of law. The word control means effective control and the word possession means exclusive possession under this clause. Mohin Uddin (Md) vs State (Criminal) 61 BLR (HC) 35.
Section 19A and 19(f)-Charge of unauthorised possession of fire arms can well be proved by evidence of police personnel-
Evidence of police personnel found natural, consistent and reliable can well form the basis of conviction. Evidence of police personnel can not be discarded only because they are police personnel. Abdus Samad Vs. The State 12 MLR (HC) 283-288.
Sections-19(a), 19(f)-Provides consequence of deduction in case the total period of custody prior to conviction is larger than the period of imprisonment to which the accused is sentenced. Section 35A, therefore cannot be construed as concession regarding punishment. On plain reading of the provision of Section 35A, Sub-Section (1) and consequences thereof in Sub-Section (2) with Section 29 of the Act and the preamble we hold that provision of Section 35A is quite consistent with the scheme of the Act and it will apply to the proceeding of the Act. Hajrat Ali Dulal v. The State) 27 BLD (HCD) 433.
Arms Act, 1878
Sections-19A, 19(f)-It is dangerous to sustain an allegation of section 19A and 19(f) of the Arms Act when it is not clearly proved on the facts and circumstances of a particular case that the arms and ammunition alleged to have been recovered was kept by the accused himself. (Md. Tuta Pramanik v. The State) (HCD) 584.
Section-19(f)-The Special Tribunal Judge committed illegality in convicting the accused appellant Mukul Hossain under section 19A of the Arms Act in as much as from the evidence on record it is clearly found that from his possession only a “Tojdani’ with 5 round cartridges were recovered and owing to that reason he should have been only convicted under section 19(f) of the Arms Act. Md. Asadul Hossain Vs. The State 14 BLT (HCD) 141.
Arms Act, 1878-
Section 19A and (f)-Offence of unauthorised possession of fire arms and conviction based on evidence of police personnels-
Evidence Act, 1872-
Section 34-Conviction can be based on evidence of solitary witness-
There is no legal bar in convicting an accused on the basis of evidence of police personnel when the same appears to be trustworthy. Again conviction can well be based on the evidence of solitary witness if found reliable.
Bayezid Hossain @ Bijoy Vs. The State 11 MLR (HC) 263- 266.
Arms Act, 1878 (X1 of 1878)
Section-19A, 19(f)
The appellant has been convicted under section 19A and 19(f) of the Arms Act and sentenced thereunder to suffer imprisonment for life. The ingredients of section 19A of the Arms Act do not appear to have been proved. The appellant has already suffered imprisonment for more than the minimum period prescribed by section 19A of the Arms Act. The sentence is, therefore, reduced to the period already undergone. Tafazzal Hossain (Shajahan v. The State) 23 BLD (AD) 171.
Arms Act, 1878 (XI of 1878)
Section-19(A), (1)
Jana Nirapatta (Bishesh Bidhan) Ain, 2000
The charges framed by the Jana Nirapatta Bighnakari Aporadh Daman Tribunal relating to section 19(A) and (f) of the Arms Act is set aside and the Tribunal is directed to frame charge under the Jana Nirapatta (Bishesh Bidhan) Aln, 2000 altering the charges under sections 225 and 227 of the Code of Criminal Procedure. (Ahmed Hossain and others v the State) 23 BLD (HCD) 658.
238(g)-S. 19A (f). Arms Act.
S. 103 Crpe and ss. 5 and 27 Evidence.
PW-1 informant and investigation officer testified that on receipt of secret information he along with his police force consisting of PWs 5 and 6 and others went to the house of accused Nizam and called out accused Nizam who disclosed during interrogation that he kept one pipegun with cartridge in his house and then in presence of PWs-5, 6 and also in presence of local witnesses including PW-2 Khalilur Rahman, Police recovered pipegun and cartridge on the showing of accused Nizam and, seized the same preparing seizure list on which the witnesses put their signature and L.T.9 and such testimony was corroborated by other police personnel namely, the PWs 5 and 6.
Nothing could be suggested to PWs 1, 5 and 6 that they had any enmity with the accused or they moved being influenced by any enemy of the accused. Such testimonies cannot be discarded only because they are members of the police force. It appears that the PW-2 seizure list witness partilly supported the prosecution case.
It is obvious that for any pressure of any kind PW 2 suppressed the truth. As it appears from the evidence on record that on the very showing of the accused appellant one pipegun and cartridge were recovered from his house that is, from his exclusive possession and actual and effective control of accused-appellant Nizam, who was rightly found guilty under section 19A (f) of the Arms Act by the Special Tribunal.
Abu Mia Vs. State; 7 BLC (2002)-HCD-390.
Arms Act, 1878-
Section 19(A) and 19(f)-offence are exclusively triable by Special Tribunal under Special Powers Act, 1974 and not by the Jana Nirapatta Bighnakari Aparadh Damon Tribunal. Offences under section 19(A) and 19(f) of the Arms Act, 1878 are exclusively triable by Special Tribunal established under the Special Powers Act, 1974, Jana Nirapatta Bighnakari Aparadh Damon Tribunal has no jurisdiction to try such offence, Therefore the offences under Arms Act shall be tried by Special Tribunal and the offence under the Jana Nirapatta (Bishesh Bidhan) Ain, 2000 shall be tried by the Jana Nirapatta Bighnakari Aparadh Damon Tribunal.
Abdul Mannan and others Vs. The State 9 MLR (HC) 258- 264.
Arms Act-Ss, 4, 13 and 19(e)
Arms Rules 1924
Rule-30. (Dagger-20)”
No licence is required to keep a dagger and consequently a person cannot be convicted if he is found in possession of dagger. Mozzammal Hossain Vs. State; 49 DLR (HCD)-614
Certified copy-entitlement of party. See section-76 of Evidence Act; or 20r-20 of cpc or-41г-36 of CPC S. 57 of Registration Act; S. 173 (4) of CrPC. (1 BLD)-(AD)- 296n S. 371 of CrPC. S. 548 of CrPC.; Rule-10(2) of Family Court Rule/1985 S. 9 of Muslim Marriages and Divorces (Registract) Act-1974 Copies of S. 164 CrPC. See. 20 BLD (2000)-HCD-422.
238(f)-S. 19(f)-Place pointed out by the accused not in his exclusive possession.
21 DLR (H).
শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা
VI.-Penalties
ধারা-১৯। ৬, ৫, ১০ ও ১৩-১৭ ধারা ভঙ্গের জন্য।
যে কেউ নিন্মোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন অপরাধ সংঘটন করলে যেমন-
(ক) ৫ ধারার বিধান লঙ্ঘন করে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন বা বিক্রয় করে বা রেখে বিক্রির জন্য প্রস্তাব করে বা প্রদর্শন করে;
(খ) একই ধারায় যে নোটিশ দেওয়া প্রয়োজন তা দিতে ব্যর্থ হয়;
(গ) ৬ ধারার বিধান লঙ্ঘন করে কোন অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আমদানি বা রপ্তানি করে;
(ঘ) ১০ ধারার নিয়ন্ত্রণ বা নিষেধ ভঙ্গ করে কোন অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহন করে;
(ঙ) ১৩ ধারার বিধান লঙ্ঘন করে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়;
(চ) ১৪ বা ১৫ ধারার বিধান লঙ্ঘন করে কোন অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখে;
(ছ) ইচ্ছাকৃতভাবে রেকর্ডে বা হিসাবে মিথ্যা ভুক্তি করে, যা ১৭ ধারার গ- দফার বিধি অনুসারে তা রাখা আবশ্যক;
(জ) ইচ্ছাকৃতভাবে কোন কিছু প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়, যা ১৭ ধারার ঙ দফার বিধি অনুসারে তার প্রদর্শন করা আবশ্যক; অথবা
(ঝ) অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার জমা দিতে ব্যর্থ হয়, যা ১৪ বা ১৬ ধারায় জমা দেওয়া আবশ্যক; সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্য যে কোন কঠোর কারাদণ্ডে যার মেয়াদ সাত বছরের কম হবে না দণ্ডিত হবে।

Sec. 19. For breach of sections 5, 6, 10 13 to 17.- Whoever commits any of the following offences (namely);
(a) manufactures, converts or sells, or keeps, offers or exposes for sale any arms, ammunition or military stores in contravention of the provision of section 5.
(b) fails to give notice as required by the same section;
(c) imports or exports any arms, ammunition or military stores in contravention of the provisions of section 6;
6. Offences under this section are bailable, see Code of Criminal Procedure. 1898 (Act V of 1898), Schedule II.
(d) transports any arms, ammunition or military stores in contravention of regulation or prohibition issued under section 10:
(e) goes armed in contravention of the provision of section 13;
(f) has in his possession or under his control any arms, ammunition or military stores in contravention of the provisions of section 14 or section 15;
(g) intentionally makes any false entry in a record or account which, by a rule under section 17, clause (c), he is required to keep;
(h) intentionally fails to exhibit anything which, by a rule made under section 17, clause (e), he is required exhibit; or
(i) fails to deposit arms, ammunition or military stores, as required by section 14 or section 16;
Shall be punished with¹ [imprisonment for life or any other rigorous imprisonment with shall not be less than seven years, to which fine may be added.]
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
Appellate Division
1. There may not be separate arms and ammunition in the possession of the two accused petitioners but when all of them were jointly together and the police party was receiving revolver shots and cocktails it cannot be said that the revolver and the cartridges recovered from Mokim Gazi were only in his exclusive possession. The law will ascribe joint possession in such circumstances.
151 DLR (AD) 120.
2. When one of the accused in the company with others is found in possession of an unauthorised revolver with ammunition and on being arrested the revolver and ammunition are recovered form him the other co-accuseds who conjointly resisted the police by revolver shots and cocktail explosion are equally held to be in joint possession of the fire arms and liable to be equally punished.
4 MLR (1999) (AD) 111.
1 . The words within square brackets were substituted by Ordiance No. XXVI of 1990 for certain words.
Decisions
High Court Division
1. The ammunition in question was kept by the accused persons in the ditch which was under their exclusive control and no approach was there by anyone else except that of the accused. In view of such facts and circumstances the impugned judgement and order of conviction is set aside.
50 DLR 541.
2. Sentence-The appellant was convicted under section 19 (f) of the Arms Act and sentenced to suffer RI for ten years. He had been in jail-hajat for thirty-three months prior to his conviction and then he had served out the sentence for forty- three months and in all he has served out seventy-months, that is, he is deemed to have served out this entire sentence according to Jail Code. Considering the manner of offence and the philosophy of awarding sentence the period of detention in the jail-hajat should be added with the period of sentence has been served out by the appellant.
4 BLC 264.
3. To constitute offences under the aforesaid sections of law possession and control must mean conscious possession and actual control with necessary mens rea.
When incriminating articles involving offences under section 19 (f) of the Arms Act and section 5 of the Explosive Substances Act are recovered from a place in the occupation or possession of more than one person and it is not possible to fix the liability of any particular individual, the head of the family cannot be held liable for the offence.
47 DLR 438.
4. Mere knowledge of the accused that the arms or ammunition was lying at the spot pointed out by him, in the absence of any evidence or circumstance to show that he had exclusive possession over the spot or that none else had access to it, cannot make him liable for conviction.alt
When the First Information Report named and seizure list witnesses, who are the owners of shops and businesses concern adjacent to the place of the occurrence, do not support the prosecution story of recovery of arms or ammunition from the possession of the accused, it is unsafe to base conviction on the eivdence of police personnels interested in the prosecution case.
47 DLR 415
5. On the confession of the acquitted co-accused that he had an unlicensed arms kept in the appellant’s house wherefrom the police recovered a country-made arms and four cartridges when the convict appellant was not present at the house. Except the suspicion there is nothing on record that the appellant had the knowledge of the arms in his house or the arms was in his possession and hence the conviction is not sustainable.
4 BLC. 278.
6. Accused cannot be convicted for constructive possession of arms and ammunition. He must have either exclusive or conscious possession or actual or effective control of the same.
If the Court finds that the accused had neither exclusive nor conscious possession nor effective or actual control of any arms and ammunition the accused is not liable to be convicted. In the instant case we find that the accused had conscious possession and effective or actual control of the revolver and live bullets recovered from his.
51 DLR 252.
7. While a police party went to arrest the accused persons then the accused No. 1 started firing from a revolver and other accused persons started throwing cocktail at the police party. While doing criminal act if one of the accused used arms and others aided him all the accused will be deemed to have possession of that arm.
3 BLC 180.
8. The witnesses as to the recovery of the bayonet from possession of the convict appellant and the place and manner of recovery suffer from glaring contradictions, inconsistencies and infirmities making it difficult to believe the recovery of the bayonet from the possession or control of the appellant and the existence of mens rea or guilty knowledge of the appellant could not be also established by the prosecution has failed to bring bome the charge against the appellant beyond all reasonable doubt.
3 BLC 206.
9 In view of the provisions of section 403(1) Cr. P.C. and Article 35 of the Constitution the rifle as recovered from the accused persons during investigation of the earlier dacoity case, ended in conviction, there cannot be any separate proceeding and the prosecution against accused persons in the present case is incompetent which is liable to be quashed.
1 BLC 180.
10. When a place is not under the exclusive possession of the accused and the possibility of access of other to the place cannot be ruled out, he cannot be held guilty of offence under the Act.
49 DLR 167.
11. Sections 4, 14, 15 and 19-A conviction under section 19(f) the Act cannot be allowed to stand unless the prosecution has adduced sufficient evidence to testify the accused person has in his ‘possession’ or under his ‘control’ arms and ammunition in contravention of sections 4, 14, 15 and 19 of the Act.
Sukkur Ali Kha Vs. The State, 19 BLD (1999) (HCD) 585.
12. Since Rule 30 does not provide for any licence for keeping dagger in possession, such possession of dagger without licence is not an offence and as such no conviction on this count is sustainable in law. 2 MLR (1997) (HC) 368.
13. Conviction for unauthorised possession of fire arms recovered in pursuance of disclosure by the convict appellant from a ditch having free public access unless corroborated by independent evidence is not sustainable in the eye of law.
Hanif Khan (Md) Vs. The State 3 MLR (1998) (HC) 277.
14. When one co-accused having had in his possession a revolver is engaged in the encounter with the police to resist their arrest and the other co-accused aided him, all the accused are held to be in joint possession of the arms and as such they are equally liable to be punished.
Arzu and others Vs. The State, 3 MLR (1998) (HC) 175.
15. The Arms Rules does not provide for licence for possession of knife and as such to keep knife in possession without licence does not constitute offence under section 19 (1) of the Arms Act.
3 MLR (1998) (HC) 111.
16. Recovery of a bayonet from the body of the accused when came out of his house on repeated calls of the police. does not speak of probability and smacks of concoction and fabrication. More so the accused cannot be convicted for such recovery when the evidences are sharply discrepant with regard to place and manner of recovery.
3 MLR (1998) (HC) 178.
17. Disco Razor’, ‘Chinese axe’ and ‘Spring Knife’ are not included within the definition of arms and in that view of the matter the possession there of without licence does not constitute offence punishable under section 19 (f) of the Arms Act, 1878.
4 MLR (1999) (HC) 323.
18. It is not the rule of evidence that evidence of police personnel should always be discarded when not corroborated by independent public witness. The evidence of police witness and that or public witness when consistently form the same transaction of the occurrence can well form basis of conviction.
5 MLR (HC) 377.
19. Charge should be framed specifically according to the nature of the offence and in the language of the law. Section 19 (a) and (f) do not essentially correspond of 19 (ka) and 19 (cha). The Court must mention the section in the charge in the language of the Act itself.
5 MLR (HC) 383.
20. In order to sustain a conviction and sentence for unauthorised possession and recovery of arms, the possession of the accused thereof must be exclusive. Mere knowledge of the accused about the arms recovered from a place of public access at the pointing of the accused does not by itself constitute an offence punishable under section 19 (f) of Arms Act. 1878.
44. DLR (HC) 154.
21. When there is unusual delay in holding trial and the accused is in custody for long time knowing not when the trial will be concluded, the accused in view of uncertainty of trial is granted bail even though he is charged with offence under section 19 (a) nd (f) the Arms Act, 1878.
5. MLR (2000) (HCD) 105.
22. When the F.I.R. named and seizure list public witnesses do not support the prosecution story of recovery of arms or ammunition from the possession of the accused, it is unsafe to base conviction on the evidence of interested police personnels.
Md. Iftekhar Hasan Chowdhury alias Riaz Vs. The State) 14 BLD (HCD) 351.
23. Uncorroborated testimony of an accomplice cannot be basis of conviction of an accused.
24. A person cannot be convicted on surmises and conjectures and form any analogical deduction.
41 DLR 524.
25. The place of recovery being a public place it can not be said that the appellant was in exclusive possession of that place. That being so appellant can not be held liable under section 19A of the Arms Act.
50 DLR 356.
26. The decision in this case having depended on findings of facts as to whether the seized arms were recovered from the possession of the petitioner, whether the same came within the exception provided for and covered by amnesty, if any declared by the Government, the extraordinary power to prevent the abuse of the process of the Court is not required to be exercised.
23 DLR 150.
27. Appellants cannot be held guilty of the charge of unauthorised possession of arms under section 19 (f) of the Arms Act. Repeated bail petition is permissible after the rejection of former ones. The same is the position of law with regard to appeal against repeated rejection of bail petition.
40 DLR 493.
28. Bail-The prosecution story as disclosed in the FIR, the 161 statement of the wintesses and the charge sheet voice the story that the alleged ‘Revolver’ was in possession of the absconding pricipal accused, who brought it out from his pocket and handed it over to the accused appellant and fled away in presence of the informant and other police personnels does not disclose prima facie complicity of the appellant who is entitled to get bail.
2 BLC 279.
29. In a case where the possession of unauthorised arms is not clear and specific and the accused has been in jail-hajat for more than 2 years and 6 months knowing not when the trial of the case will be concluded, the accused in such a case is entitled to be released on bail.
Sohel (Md) Vs. State, 4 MLR (1999) (HC) 294.
30. Even if the incriminating articles were recovered from the thatched hut of the appellant such recovery ipso facto will not connect him with the offence under the Arms Act in the absence of any evidence to show that he had himself kept the same there or none else had any access to that place.
50 DLR 515.
31. Although at the first Instance the circumstance leading to the recovery of revolver may apparently ring the truth, the occular evidence on record should be strictly taken into consideration and the material contradictions in the evidence of eye witness create doubt leading to acquittal of the convict appellants.
5 MLR (2000) (HC) 215.
32. The alleged recovery of Chinese kural, knife and a dagger does not come within the mischief of the provision of section 19A of the Arms Act which made the conviction under the said section illegal but the Court can later the charge and convict the appellants under other appropriate sections.
3 BLC 107.
33. When investigation could not be completed within the specified time and when the accused is in custody for long time the accused in such case of non-bailable offence may be granted bail as provided under sub-section (4) of section 339C of Code of Criminal Procedure, 1898.
6 MLR (2001) (HC) 309.
34. Sections 19A and 19(a)-When the arms were recovered the accused petitioner No. 1 was not brought at the place of occurrence and the arms were recovered at the pointing of the co-accuseds and one Project Director opened the office of the accused petitioner No. 1, at the time of search, which shows others have access to the place of occurrence and hence the arms so recovered cannot be said to be in possession of the accused petitioners.
Nurul Islam Babul and others Vs. State (Criminal) 11 BLC (2006) 217)
35. Section 19 (e) -The Arms Rules, 1924-Rule 30- Possession of dagger-Not offence-Since Rule 30 does not provide for any licence for keeping dagger in possession, such possession of dagger without licence is not an offence and as such no conviction on this court is sustainable in law.
Mozammel Hossain, V. The State, 2 MLR (1997) (HC) 368.
36. Section 19 (a) (7)-The Tribunal under the Jana Nirapatta (Bishesh Bidhan) Ain has no jurisdiction to deal with the cases under section 19(a) and (f) of the Arms Act, which falls under the exclusive jurisdiction of the Special Powers Act and sicne the charges have been framed by this Tribunal also against offences which falls under the Arms Act, the trial as proceeding is illegal.
Ahmed Hossain alias Mohammad Hossain and Ors. Vs. State (Criminal) 55 DLR 680.
37. Section 19(a) & 19(1)-There may not be separate arms and ammunition in the possession of the two accused petitioners but when all of them were jointly together and the police party was receiving revolver shots and cocktails it cannot be said that the revolver and the cartridges recovered from Mokim Gazi were only in his exclusive possession. The law will ascribe joint possession in such circumstances.
Lutfar Rahman alias Arju and another Petitioners Vs. State 51 DLR (AD) 120.
38. Section 19 (a) and (f)-The arms in question have not been recovered from possession of the appellants and admittedly, they were not present at the place of occurrence- The arms and ammunition were recovered from the possession of the arrested accused persons and they disclosed
the names of their other companions who are the appellants- The appellants cannot be held to be in possession of any arms.
Pannu Mollah & another Vs. State (Criminal). 56 DLR (2004) (AD) 142.
39. Section 19 (a) and 19(f)-As the arms and ammunition were not only pointed out by the convict Joynal but it was also. unearthed by him from the place of occurrence and, as such, it can be said that accused Joynal had full control and possession over such arms and ammunition attracting section 19(a) and 19(f) of the Arms Act.
Joynal Abedin and others Vs. State, represented by the DC, Khulna (Criminal), 6 BLC (HCD) 311.
40. Section 19(a) and (f) -Framing charge-proper language Charge should be framed specifically according to the nature of the offence and in the language of the law. Section 19(a) and (f) do not essentially correspond to 19 (ka) and 19 (Cha). The Court must mention the section in the charge in the language of the Act itself.
Habibur Rahman alias Raju Vs. The State, 5 MLR (HC) 383.
41. Section 19(a) and (f)-Conviction for unauthorised possession of arms-Evidence Act 1872- Section 6-Admissibility of evidence of police personnel-It is not the rule of evidence that evidence of police personnel should always be discarded when not corroborated by independent public witness. The evidence of police witness and that of public witness when consistently form the same transaction of the occurrence can well form the basis of conviction.
Babul alias Pet Katta Babul and others Vs. The State, 5 MLR (HC) 377.
42. Section 19(a) and (f) read with section 19A-Proof of charge of unauthorised possession of revolver and recovery thereof-Evidence of ocular evidence to be strictly taken into consideration-Although at the first instance the circumstance leading to the recovery of revolver may apparently ring the truth, the truth, the ocular evidence on record should be strictly taken into consideration and the material contractions in the evidence of eye witness create doubt leading to acquittal of the convict-appellants.
Millon Samaddar @ Mihir Samaddar & another Vs. The State, 5 MLR (HC) 215.
43. Section 19 (f)-Appellants leading the police to place of occurrence and recovery of arms-Appellants cannot be held guilty of the charge of unauthorised possession of arms u/s. 19(f) of the Arms Act.
Abdul Khaleque Vs. The State, (1988) 40 DLR 493.
44. Section 19(a) and 19(f) read with section 19A-Joint Possession of fire arms-Recovery during encounter co- accused jointly liable-When one of the accuseds in the company with others is found in possession of an unauthorised revolver with ammunitions and on being arrested the revolver and ammunitions are recovered from him the other co-accuseds who conjointly resisted the police by revovler shots and cocktail explosion are equally held to be in joint possession of the fire arms and liable to be equally punished.
Lutfar Rahman alias Arju and another Vs. The State, 4 MLR (1999) (AD) 111.
45. Section 19A (f)- Even if the incriminating articles were recovered from the thatched hut of the appellant such recovery ipso facto will not connect him with the offence under the Arms Act in the absence of any elvdence to show that he had himself kept the same there or none else had any access to that place.
Nazrul Islam Vs. State 50 DLR 515.
46. Section 19(f)-Recovery of arms-culpability-mere knowledge of the accused that the arms were lying at the spot pointed out by him in the absence of evidence that he himself kept the same there or that he had exclusive possession over it, he cannot be made liable under section 19(f).
Abul Hashem Master Vs. State 44, DLR 159.
47. Section 19 (1)-Appellants leading the police to place of occurrence and recovery of arms-Appellants cannot be held guilty of the charge of unauthorised possession of arms under section 19(f) of the Arms Act.
Abdul Khaleque Vs. State, 40 DLR 493.
48. Section 19(f)-As the recovery of the bayonet and its place and manner of recovery suffer from glaring contradictions making it difficult to believe such recovery from the possession of control of the appellant and the existence of mens rea of the appellant could not be also established by the prosecution his has failed to prove the case beyond all reasonable doubt.
Sukkur Ali Kha Vs. State (Criminal), 1998 (BLC) (HCD) 206.
49. Section 19(f)-Possession of knife-Does not constitute offence- The Arms Rules does not provide for licence for possession of knife and as such to keep knife in possession without licence does not constitute offence under section 19(f) of the Arms Act.
Shahjahan Mallik and others. Vs. The State, 3 MLR (1998) (HC) 177.
50. Section 19(f)-Unauthorised possession of arms- Recovery of Mere knowledge-Exclusive possession- Constitutent elements of offence- In order to sustain a conviction and sentence for unauthorised possession and reovery of arms, the possession of the accused thereof must be exclusive. Mere knoweldge of the accused about the arms recovered from a place of public access at the pointing of the accused does not by itself constitute an offence punishable under section 19(f) of the Arms, Act, 1878.
Abul Hassem Master Vs. The State, 44 DLR 154.
51. Section 19 cl. (1)-Mere knowledge of the accused that the arms or ammunition was lying at the spot pointed by him, in the absence of evidence or circumstances to show that he had exclusive possession over that spot or that none else had access to that spot cannot make one liable for conviction under section 19 of the Act.
Arshadullah Vs. State, (1969) 21 DLR 684.
52. Section 19(f)-Recovery of Arms-‘Possession and control’ explained.It was contended on behalf of the State that the recovery of gun from the accused person’s courtyard necessarily means recovery of the gun from their possession. Held: This contention cannot be upheld for acceptance of this proposition without objective analysis will lead to dangerous consequences. Recovery of an article from a well in Courtyard or for that matter, from a panboroj or kitchen garden, is different from recovery from a dwelling hut in that persons other than inmates of the hut have access thereto.
Pair baksha Vs. State, (1975) 27 DLR 251.
53. When the F.I.R. named and seizure list public witnesses do not support the prosecution story of recovery of arms or ammunition from the possession of the accused, it is unsafe to base conviction on the evidence of interested police personnels. Md. Iftekhar Hasan Chowdury alias
Riaz Vs. The State, (1994) 14 BLD (HCD) 351.
By virtue of section 29, sanction of the District Magistrate is only necessary in case of offence under clause (f) of this section.
2. A person may be separately punished both for robbery and the possession of unlicenced swords.
16 CW N 181.
3. An offence under this section is not triable summarily.
I Weir 654.
4. The offence of failing to deposit arms under clause (1) is not triable by a Second Class Magistrate.
1 Weir 660.
5. Joint trial of offences under section 19 (Arms Act) and other penal section and separate sentences passed to run consecutively is proper and whole order is appealable.
1933 Pesh. 90.
6. An accused can be charged under section 120 P.C. read with sections 19 and 20 Arms Act. Held further, that both proceedings were independent and separate proceedings could be taken under the Arms Act.
34 Cr. LJ 637.
7. If a person is found in possession of a stolen revolver, there is no legal bar to two trials and two punishments, one under section 411 of Penal Code and the other under section 19 of the Arms Act.
34 Cr. LJ 1018.
8. Juvenile offenders.-Sentence of whipping can be awarded to the juvenile offenders who are found guilty of offences under sections 19, 20, 22 and 23 including their abetment or attempts. Vide Indian Government Notification No. 350, dated 8th March, 1910.
Clause (a).-This clause provides penalty for the contravention of section 5.
(1) Sale of sulphur and ammunition by an agent of a licensee is not illegal.
12 Mad. 473.
(2) Where the accused, who had a licence under the Explosives Act to manufacture and sell gun-powder and fire- works on certain premises, manufactured fire-works at a different place held, that the accused could not be convicted under this Act.
1 Weir 656.
(3) The mere possession or sale of fire-works without a licence, is no offence under the Arms Act. But the possession of gun-powder without a licence, even though for the innocent purpose of making fire-works, is an offence
1 Weir 655 =12 Mad. 473.
There is nothing in this Act or the rules which render a sale of sulphur and ammunition by agent of a licence-holder illegal. Ibid.
(4) The offence of failing to deposit arms under clause (1) is not triable by a Second Class Magistrate.
1 Weir 660.
5. Joint trial of offences under section 19 (Arms Act) and other penal section and separate sentences passed to run consecutively is proper and whole order is appealable.
1933 Pesh. 90.
(6) An accused can be charged under section 120 P.C. read with sections 19 and 20 Arms Act. Held further, that both proceedings were independent and separate proceedings could be taken under the Arms Act.
34 Cr. LJ 637.
7. If a person is found in possession of a stolen revolver. there is not legal bar to two trials and two punishments, one under section 411 of Penal Code and the other under section 19 of the Arms Act.
34 Cr. LJ 1018.
8. Juvenile offenders.-Sentence of whipping can be awarded to the juvenile offenders who are found guilty of offences under sections 19, 20, 22 and 23 including their abetment or attempts. Vide Indian Government Notification No. 350, dated 8th March, 1910.
Clause (a).-This clause provides penalty for the contravention of section 5.
(1) Sale of suplhur and ammunition by an agent of a licensee is not illegal.
12 Mad. 473.
(2) Where the accused, who had a licence under the Explosives Act to manufacture and sell gun-powder and fire- works on certain premises, manufactured fire-works at a different place held, that the accused could not be convicted under this Act.
1 Weir 656.
(3) The mere possession or sale of fire-works without a licence, is no offence under the Arms Act. But the possession of gun-powder without a licence, even though for the innocent purpose of making fire-works, is an offence 1 Weir 655=12 Mad. 473. There is nothing in this Act or the rules which render a sale of sulphur and ammunition by agent of a licence-holder illegal. Ibid.
(4) The manufacture or possession of fire-works including rockets which are mere fire-works, does not come within the provision of section 5.
5 Mad. 159.
(5) A man can be convicted for keeping dagger-shaped knives in contravention of section 5.
2 Cr. LJ 372
6) The exhibit knives are not arms.
15 Cr. LJ 585,
7) Being in possession of a chhavi keeping it hidden is simply punishable under section 19 clause
33 PLR 1914
(8) Offence under this clause is keeping arms “for sale” and not keeping arms only.
19 CW N 706 = 16 Cr. LJ9.
(9) Arms rule provides that lead required in good faith for industrial and manufacturing purposes (other than the manufacture of bullets or birdshot) is exempted from all the prohibitions and directions in Arms Manual. It was held that the Magistrate should have asked the accused in his examination some questions with a view to elucidating he was prima facie vendor of lead for industrial purposes.
32 Cr. LJ 206
Section-15, 19
No license is required to possess arms like dagger or gachi dao and those arms were not recovered from the accused petitioners within the area specified by gazette Notification by the Government as indicated in section 15 of the Arms Act. As such no offence had been committed by the petitioners under the Arms Act.
(Ali Hossen & anr. v. Bangladesh & Ors.) 26 BLD (HCD) 1 Clause (b). This clause provides penalty for failure to give notice under section 5.
(1) Part second of section 5 makes it obligatory to give notice of the sale of arms or ammunition to the District Magistrate or officer in charge of the nearest Police Station. It is not obligatory for a person exempted under section 27. Failure to comply with the provisions is punishable under this clause.
(2) Sale of gun after notice but before permission is not an offence under this clause. (1902) 1 Weir 657.
(3) A gun was found in an abandoned room of the house belonging to the accused in which the accused who was a member of a joint-family and others resided. The room was accessible from outside. The accused was convicted under this clause. Held, that if the place in which an article is found is one to which several persons have equal right of access, it cannot be said to be in the possession of any one of them and the conviction of the accused could not be sustained. A
21CWN 839 = 18 Cr. LJ 871.
Clause (c). This clause provides penalty for contravention of section 6.
(1) An offence under section 19 clause (c) is committed when a person enters Bangladesh with a weapon he is not lawfully entitled to possess in this country, the intention of the offender is not to be considered.
13 Cr. LJ 776.
(2) Even servant carrying master’s gun which has no acknowledged licence in Bangladesh for having it repaired will not be protected.
30 Cr. LJ 543.
(3) If a person holding a licence within an Indian statebrings live cartridges by sea from Ceylon Into British India and tries to hide them but is detected, his act is covered by this clause of the section and as there was an intention to hide his act from the Custom Authorities or Public Servants, he is guilty under section 20 of the Act. 1949 Mad. 160.
Clause (d). This clause provides penalty for the contravention of section 10.
(1) When the accused ordered a gun without a licence from a dealer in Bombay ostensibly for an intending purchaser but in fact upon his own account and the transporting was done by the dealer in Bombay and was duly covered by a licence, the accused is liable to prosecution on receipt of the gun, for possessing it without a licence under Rule 22 of the Arms Rules, but he cannot be prosecuted under section 19 (d) of the Arms Rules, but he cannot be prosecuted under section 19 (d) of the Arms Act for transporting the gun in contravention of the prohibition under section 10.
1929 Mad. 864 1929 M WN 807.
(2) In case of prosecution for transporting cartridges in contravention of Arms Act, prosecution must prove the cartridages to be in access of the number allowed by licence.
34 Cr. LJ 19034 PLR 148.
Clause (e). This clause provides penalty for the contravention of section 13.
(1) The law does not provide that nor the licencing re quires that a licence to carry arms should always be on the person of the particular person. If on being required to show his licence, the bearer of arms in prepared to produce it on being given a reasonable opportunity, and the licence exists, he should not be prosecuted.
20 Cal. 444; 1 Weirt661.
(2) A presumption to use the arms arises against the person who carries arms.
15 All. 27 = 1892 AWN 208.
(3) The carrying of spear is not an offence. Unreported Cr. C. Rat. 227.
(4) Licence to go armed for protection only cannot be used for sport or display.
1 Weir 668.
(5) Taking the Father’s gun and suing it is punishable. 22 ALJ 1095. The expression ‘going armed as sued in section 19 (e) was not intended to render penal the mere act of carrying arms unless some sort of intention of using the arms is proved. 14 AWN 82; 11 A WN 208.
(6) Where the accused took the gun of his relative and carried it in a marriage procession where he fired some shots and wounded some public accidentally, he was guilty under this section. A marriage procession is a public assemblage.
1923 Bom. 35 = 24 Bon. 487.
(7) Under the terms of licence, the licensee could not take the arms to “a fair, religious procession or other public assemblage”. Held, that when a marriage procession emerges from private premises and goes down the public streets then it is open to public to join the procession which becomes the a public-assemblage, and that, therefore, the accused who took the gun for mere display was rightly convicted under this clause.
23 Cr. LJ 450 = 671 C 722.
(8) Carrying a knife with a tapering blade sharp throughout one edge and only towards the point of the other, which is attached to a cross-guard and handle, is an offence under this clause.
15 Cr. LJ 1119.
(9) Whether there is ammunition for the use of the gun in the immediate control of the accused or not as he goes holding the gun, he goes “armed”.
25 Cr. LJ 448.
(10) The expression ‘Going Armed’ clearly indicates two things, viz. (1) an intention to use the fire-arm and (ii) The possibility of using it. Where therefore, the gun had only on spent cartridge and none was found on the person of the accused which showed that he would not be able to use it and it was held, he was not guilty under this clause.
26 Cr. LJ 1028.
(11) Use of gun by the servant of a licence-holder for his own purpose is an offence.
25 Cr. LJ 775.
(12) Intention and possibility of using are essential to prove an offence of ‘going armed’.
26 Cr. LJ 1028.
(13) A person is deemed to be armed within the meaning of this clause and according to the vernacular use of the word “armed” when a person is armed with a muzzle-loading gun, notwithstanding the fact that it is without ammunition and thus incapable of immediate use as a fire arm.
25 Cr. LJ 448; 38 Cr. LJ. 639.
(14) Condition of licence being not to carry arms in religious procession or public assemblage. The accused has not broken the condition by going armed in a marriage procession which is neither religious nor public assemblage.
29 Cr. LJ 575.
(15) Going armed means carrying weapon intending to use it if were necessary. Going need not be habitual. An isolated act of carrying a weapon without licence is enough to constitute offence.
30 Cr. LJ 1059.
(16) The fact an accused was prosecuted for possession of an unlicensed dagger under section 19(e) is a lambardar of 30 years of age is not reason for showing leniency by not sentencing him but only taking security under section 562. Criminal Procedure Code. His age should carry no weight as at that age a man has arrived at a time of life when he is fully responsible for his actions and capable of realising their nature to the full.
If the fact that it is his first offence by itself be sufficient reason for waiving the punishment, it should be applied in all cases under section 19 , in which there are no aggravating circumstances. But it is impossible to consider that such a course should be adopted universally. The law should be allowed to take its own course and if it is not allowed to do so, the result would be that an exception is made in favour of an accused merely because he is a man of above the average position, which in itself would amount to a gross failure of justice. Section 562, Criminal Procedure Code should only be applied in special cases and for special reasons.
38 Cr. LJ 610.
(17) If a person carries a gun without a percussion cap and though it could not be fired immediately, he is guilty under this clause.
38 Cr. LJ 639.
(18) To carry a weapon not in the hand but tied to the cycle in the manner of a piece of luggage amounts to “going armed” within the meaning of this clause.
42 Cr. LJ 341.
(19) The expression ‘going armed’ in this clause does not necessarily imply motion on the part of the person alleged to have gone armed. The words ‘going armed’ and ‘possession’ are not to be taken in the same sense. The phrase ‘going armed’ necessarily implies that the person must have the intention of using the arms when the occasion or opportunity arose. The essence of the offence is, first the carrying of the weapon in question on the person of the accused; secondly, the intention of the accused of using the arms as a weapon when necessary or opportune.
1948 Bom. 173.
(20) Where the accused was found sitting on the otla about 8 to 10 paces from his house with two dharias in his hands when rioting was going on in the street and people were running away, it was held, he was going armed in contravention of section 13 and guilty under this clause. 49
Cr. LJ 208.in
(21) Servants and retainers of exempted persons are not entitled to use, amrs without licence.
14 CPL 112.
(22) Possession of arms by servant for a short time on behalf of the master is no offence.
1933 Pat. 600.
(23) The Arms Act does not require a person who holds a licence for a gun or any other weapon, to carry it on his person whenever he had the gun with him.
24 O C 265.
Clause ((1) This clause provides punishment for the possession or control of arms, ammunition or military stores in contravention of section 14 or section 15 of the Act.
(2) This section should be read with section 29 of the Act which lays down that no proceeding under this clause can be instituted without the previous sanction of the District Magistrate in any district or place to which section 32, clause
(2) of Indian Arms Act. No XI of 1878 came into force.
Proceeding.-1. The term “proceedings” in this section includes arrests as arrest cannot be made without the previous sanction of the District Magistrate. 17 Cal. 574.
2. Entering a case in the case-book and making out a charge is not “institution of proceedings” under this section. The proceedings really start when the accused is placed before the Court.
28 Cr. LJ 817 = 46 Cr. LJ 35.
3. The word “proceedings” in this section means legal proceedings in Court and not proceedings by the police such as searches, arrest or investigations done in the exercise of the powers conferred upon them by law. The mere submission of a charge-sheet by the police does not amount to institution of proceedings within the meaning of this section. 29 Cr. LJ 301.
4. The word “proceedings” in this section and sections 30 and 33 mean legal proceedings in a Criminal Court. Such proceedings are “instituted” within the meaning of this section when a Magistrate takes cognizance of the offence under section 190 of the Code of Criminal Procedure. The mere presentation of challan by the police under section 173 Criminal Procedure Code in Magistrate’s Court or the mere presentation of a complaint by a private individual cannot be said to constitute the “institution of proceedings.”
45 Cr. L.J. 150.
5. Under this section the term “proceeding” must mean “judicial proceeding” as distinguished from searches or arrest or investigations by Police under the Code of Criminal Procedure or other law, because judicial proceeding means legal proceeding in a Court. When a Magistrate applies his mind to the question whether bail should be granted, those proceedings may, in a sense be called judicial proceedings.
But such proceedings would be separate judicial proceedings quite apart from the actual prosecution for an offence “institution” of procedings. “Taking congnizance” does not involve any formal action or indeed action of any kind, but occurs as soon as the Magistrate applies his mind to the suspected commission of an offence. The mere presentation of a challan by the police under section 173 Criminal Procedure Code in a Magistrate’s Court or the mere presentation of a complaint by a private individual cannot be said to constitute the institution of criminal proceedings.
45 Cr. LJ 510.
Revocation of sanction. The District Magistrate can revoke the sanction given under this section. The Sadar Court held that it was an executive order and the District Magistrate alone can give or revoke such sanction. Sind S C Rg. No 3 dated Ist March 1897.
Previous sanction-1.
The trial of an offence under section 19 (f) without the previous sanction of the District Magistrate under this section is not merely an error of procedure. The Court has no power to allow proceedings to be instituted without such sanction. No failure of justice is necessary to set aside a conviction under the section made in proceedings without such sanction. The District Magistrate in such a case, may, however, order a fresh sanction, if he wishes to do so. (1892-1896) U B R Vol I, II.
2. In order to prosecute a person under section 19 (f) for being in possession of guns without licence sanction of the District Magistrate is necessary.
5 Mad. 26 (1882).
3. A conviction under section 19 (f) is illegal, where no previous sanction of the District Magistrate was obtained.
5 MLT 162.
4. This section provides that where an offence under section 19 (f) has been committed in any place to which section 32, clause (2) of Act XXXI of 1860 applies within 3 months from the date on which Act XI of 1878 (this Act) came into force, the previous sanction of the District Magistrate is a condition precedent to a prosecution for such offence.
14 Cr. LJ 688.
5. Want of sanction under this section is fatal.
17 Cr. LJ 209.
6. Where an offence under section 19 (1) has been committed, no proceeding shall be instituted without the previous sanction of the District Magistrate. If no such sanction has been obtained all proceedings for an offence under section 19 (f) must be null and void, and the absence of such sanction could not be treated as a mere irregularity.
30 Cr. LJ 856.
7. No sanction of the District Magistrate is required for conspiracy to commit substantive offence under section 19 (f).
35 Cr. LJ 1097.
8. Trial of accused under section 19 (f) by City Magistrate who was also Additional District Magistrate exercising powers of District Magistrate without sanction is illegal and if he grants the sanction as Additional District Magistrate, the accused could not be tried by him under section 556 Criminal Procedure Code.
41 Cr. LJ 707
Subsequent sanction.-1. The police sent up case under section 19(e) but the Magistrate framed an alternative charge under section 19(e) and section 19(f). After framing the charge sanction of the ‘District Magistrate under this section was obtained. Held, that although the framing of charge at that time was without jurisdiction and the right course for the Magistrate was to amend the charge and obtain the sanction and then frame a new charge, yet the irregularity was covered by section 535 Criminal Procedure Code and not by section.
537 Cr. P.C. 8 Cr. LJ 65.
2. Where a person is discharged for want of evidence of intention as required by section 20, proceedings may be instituted against him under section 19 (f) after obtaining sanction under this section. 17 Cr. LJ 209.
3. Where a person is prosecuted under section 20 without the previous sanction of the District Magistrate under this section, held that the objection that prosecution was bad for failure to obtain previous sanction of the District Magistrate for an offence under section 19 (f) conld not be sustained as after the institution of proceedings under section 20 required sanction had been obtained. 32 Cr LJ 517
4. An accused cannot be convicted under section 19 (1) when there is no sanction as required by this section.
2. Possession and Control
1. To convict an accused under this clause, it must be shown that (i) he had exclusive possession of the place in which arms were found or (ii) belonged to him or (iii) he knew they were there.
1 PR 1902=3PLR 13.
2. The word “possession” is a well known word in law. A man may be in possession of a thing without being in physical touch with it. A locks up a vacant house. He will be deemed in possession of the same. A, a license-holder of a gun living at Allahabad and holding a license for that district, may to go Calcutta leaving his gun at his house in charge of the servant or his wife.
The possession of the wife or the servant would be the possession of the license-holder and it cannot be said that the servant or wife are in possession. Similarly, a servant clearing a gun or carrying it to the Police for an inspection on behalf of the master, is not in possession of the gun.
26 Cr. LJ 987.
3. In appeal it was contended that it was not proved that the room in which the chhavi was found was in the exclusive possession of the appellant; held that there was evidence that the house belonged to the appellant and that the question of exclusive possession had been raised for the first time in appeal; had there been any other person in joint possession of the house with the accused appellant, the appellant would have mentioned the fact in the Court below.
15 Cr. LJ 506.
4. Mere possession of a gun is not punishable under this clause which makes possession contrary to the provisions of section 14 of the Act punishable.
12 CWN 272.
5. Merely because, the accused happens to know that there are illegally concealed in his master’s garden a revolver and cartridges, it cannot be held that they are in his possession or control.
40 CWN 1374.
6. For the purpose of supporting a conviction under this clause, the article discovered must be clearly prove, to have been in the possession of the accused.
30 Cr. LJ 566
7. Possession or control of arms implies actual possession or control of arms.
35 Cr. LJ 973.
8. A 12 inch pistol was found in kothri occupied by the accused and his sons and their wives. Accused’s contention was that the pistol was not in his “possession” within the meaning of this clause. Held that it was most unlikely that such an article as 12 inch pistol could have been found by chance or that any of sons could have taken possession of the unlicenced pistol and aldden it in the house without the knowledge of the the head of the house. The accused must have been aware of the presence of the pistol. He was “In possession and control” of it within the meaning of this clause. Every case must be decided on its own merits.
1934 All. 548 (1933 All. 112 Dist).
9. Exclusive possession must be proved in order to justify a conviction under this clause of the section.
1937 Lah. 361.
10. Where the only evidence for the possession of the arms by the accused for the prosecution is that a miscellaneous collection of arms and ammunition was found in a house belonging to the accused, it is not safe to convict him of an offence under this clause, where there is not evidence that the accused was living in the house until within a short period before the discovery.
2 MLJ (1937) 620 = 46 LW 522.
11. There is nothing in this clause about “exclusive” or “sole” possession or “exclusive” or “sole” control. The test provided by the section is not as to whom the arms belong but whether they are in the “possession” or under the “control” of the persons charged. What is contemplated by this clause, is actual and physical possession and control and not merely a “possession” or “control” by construction of law.
It is not a liability to be found in a merely constructive or presumed possession or control which the law might for other purposes import into the facts of the case. Therefore, upon the facts of the case it was held that it could not be said that the spear was in possession and control of the accused or his two adult sons.
42. Cr. LJ 59.
12. K left his gun with J one night to take it in the morning. Next day houses of many persons in the locality were searched for arms, and from the house of J the gun was recovered. Licence of the gun stood in the name of K without any retainer. Held that possession in circumstances comparable to the present case was not possession within the meaning of section 19, but was merely the holding of the weapon on behalf of the person entitled to it.
The possession of the gun must be deemed to have remained with K though it was not actually in his physical possession, and if J. was in possession, then at most the possession of J was on behalf of the licensee, K and not on his own behalf. Hence the conviction of J under section 19 (f) was not proper.
42 Cr. LJ 97.
13. It is the primary duty of the prosecution to prove the possession of the accused, but there may be cases in which the circumstances are such that possession of the accused can safely be presumed, otherwise it would be impossible for the prosecution to secure a conviction. If a serious matter like the possession of illicit arms were tolerated by merely shifting possession from one to other members of the family it would be open to practically every member to keep illicit weapon it, e.g.. a
common sitting room and at the time of recovery it would be too easy for each person merely to say: “I am not in exclusive possession of the sitting-room.” Hence the words “and control” in this clause must be taken in a wider sense and to mean something more than actual possession.
43 Cr. LJ 666.
14. Exclusive possession or control of any particular person is not required under this clause. The possession and control might well be possession or control of two or more persons. Every case must depend upon its particular facts and the Courts must consider each case and come to a conclusion, whether it is proved’ that the Incriminating article is in the possession or under the control of any particular person or in the possession or under the control of more than one person. If on the evidence the Court cannot hold possession or control by any person or persons, then the case is not established.
46 Cr. LJ 1.
15. The word “control” means effective control and the word “possession” means exclusive possession under this clause.
47 Cr. LJ 437. 42 Cr. LJ 341.
16. The words ‘possession and control’ in this clause mean something more than mere constructive or legal possession and control. It means conscious possession and actual control and as under this section mere possession of incriminating article constitutes serious criminal offence, there must be mens rea or guilty knowledge before a person can be convicted. Merely because an incriminating article is found in a house occupied by a number of persons, the onus cannot be thrown either under section 106. Evidence Act, or any other law upon these persons to establish their innocence unless the occupiers of the house are shown to have been aware of the existence of the article in question in the house.
17. To sustain a conviction under this clause it is absolutely essential to prove exclusive possession.
1950 Ajmer 30 (1).
18.Where the accused possessed the key of the box containing arms, it was held that the accused must be held to be in possession of the arms as the possession of the key by the accused showed that he must have had the knowledge of the presence of the arms in the box.
48 Cr. LJ 556.
19. In this clause, the words “possession” and “control” mean something more than a mere constructive or legal possession and control. To constitute possession and control of an incriminating article which would make a person liable it must be proved that he had knowledge of the existence of the article in his house or place of living or a place in his occupation. A person cannot be, obviously punished unless mens rea is established ie. he had the guilty knowledge of the existence of the incriminating article.
48 Cr. LJ 17.
20. “Possession and control” in this clause must be construed as meaning conscious possession and actual control and mere constructive or legal possession and control would not be sufficient for conviction.
51 Cr. LJ 1144.
3. Recovery from joint-family or jointly occupied house.
1. When proceedings for unlawful possession of gun are taken against a member not being the head of the joint Hindu family and the arms are found in the common room, the prosecution must prove his exclusive possession and control. The Act is highly penal and must be strictly construed.
15 All. 129.
2. Where unlicenced arms are found concealed in a joint Hindu family house. but the premises from which the arms
were recovered was in fact proved in exclusive possession and control of a particular member, that member is guilty.
3 Cr. LJ 88.
3. A dagger was found in a room in a house. The room and the house were jointly occupied by a father and the adult son. There was no evidence to show that either of them was aware of its existence. Held that neither of them could be convicted of an offence under section 19 of the Act.
28 Cr. LJ 339.
4. Where a bomb is found in a baithak, in the Joint possession of all the members of the family, none was guilty.
(1909) 9 Cr. LJ 663.
5. In case of a house occupied by a joint family there is an initial presumption that an article found therein is in the possession of the head of the family and this presumption is not rebutted by the fact that he is an old man aged about 80 years.
30 Cr. LJ 668; 34 Cr. LJ 17.
5-A. The Punjab Chief Court has held that the head of a joint Hindu family cannot be punished if the arms are recovered from a common room.
52 PR 1905,
6. Where the residents of a house and certain other persons were convicted under section 19 of the Arms Act on the ground of the recovery of certain cartridges from the room in which they were seated, but there was no evidence that the strangers knew anything about the cartridges, held it was unsafe to convict the strangers merely on the ground that they were found in the room.
30 Cr. LJ 1038.
7. Where gun and cartridges are found in a house where R resides with other, but the key of the room in which gun and cartridges are found are not with R. R cannot be convicted under this clause tollaltato mol
32 Cr. LJ 699.
8. Where an unlicenced gun was found in a house jointly occupied by many persons, the presumption would arise it was in possession and control of all adult members and as such one or all of them might be tried.
39 Cr. LJ 719.
9. A spear was recovered from the house occupied by a joint family. Held that in the case of a house occupied by a joint family there is an initial presumption that an article found therein is in the possession of the head of the family. It is open to the head of the family to rebut this
presumption.
45 Cr. LJ 404.
10. In cases where incriminating articles are recovered from a place in the occupation or possession of more persons than one and it is not possible to fix the liability on any particular individual, a Court is not bound to hold that the said articles were in possession or under the control of the head of the family.
46 Cr. LJ 1.
11. Where unlicenced arms are found in a place belonging to a joint Hindu family but not in use and occupation of a particular member of that family, their possession or control within the meaning of this clause must be deemed to be with the manager or karta of the family. No other member of the family can be said to have been in possession of the same.
47 Cr. LJ 437.
12. If unlicenced arms are found from a house of two own brothers and it can not be said which of the two concealed them there, none of the brothers can be said to be in “possession” of them and hence none of them is guilty under this clause.
1950 All. 284.
13. Mens rea is an essential ingredient of the offence punishable under this clause. Therefore it must be proved before a person can be convicted that he was either in possession of the arms or had them under his control in contravention of the Act. The mere fact that the accused is the head of the family is not sufficient for a finding that he must have been in possession or control of the arms found in a place in the family house. Hence a head or manager of the family cannot be convicted under section 19 (f) on the mere basis of such recovery without anything further to show his actual possession or control of the article in question.
14. If a gun in dilapidated condition is found from a room in a house which belongs to a joint Hindu family, the eldest member or karta cannot be convicted under this clause unless there is evidence to show that he kept it there. Because mere proof that an incriminating articles is found in premises occupied by a number of persons does not itself establish prima facie, the guilt of any particular person or of all of them jointly.
947 Pat. 236.
4. Recovery from place accessible to others also.
1. If the place in which the article is found is one to which several persons have equal right of access it cannot be in the possession of any one of them.
21 C W N 839.
2. Unlicensed arms were found in a room of a house rented in the name of accused but used as local Congres Office. The accused was not present at the search. The key was given by A, whom it was given by the accused. Held that the evidence does not exclude the reasonable possibility of the arms having been placed there by some other person who frequented the rooms or by A in whose possession they were at the time.
27 Cr. LJ 301.
3. Although a place was accessible to others and a path was running close by, no member of the public could have ordinarily got at the gun inasmuch as it was concealed from view, whereas the accused could have access to it at opportune moments and in the eye of law he must be deemed to be in possession and control of the gun.
38 Cr. LJ 910.
4. A miscellaneous collection of arms ammunition was found in house belonging to the accused. Prosecution led no other evidence except the fact of recovery. Accused tried to prove that he owned three houses, he did not reside in this house, some persons were seen tampering with the roof of this house on the night before the recovery of arms, etc. and that some of his enemies might have planted these arms etc., in the house;
held that the property found of itself suggested the possibility that the plea of foisting put forward by the accused might not be altogether unreasonable and that a sufficient element of reasonable doubt was introduced that the plea might be true so as to warrant his acquittal.
39 Cr. LJ 147.
5. A man may possess several houses in the sense that they are his property but he would not be responsible for arms found in one of them unless and until it is established that he occupied that particular house. Where the house belonging to the accused consists of many kothas which were occupied by the accused, his sons and tenants and unlicenced arms were found in a vacant kotha of the house, the accused cannot be liable under section 19, Arms Act. unless it ws shown that the kotha in which the arms were found was occupied by the accused.
44 Cr. LJ 335.
5. Recovery from joint possession.
(1) Where two accused persons were found to be lying on a bed in the house of another and in the bedding a chhavi was found wrapped in a cloth. It was impossible to say who was in possession.
25 Cr. LJ 399.
2. Where two persons are found together but arms are found on one of them, the other is not guilty under this clause.
34 Cr. LJ 299.
3. This clause was never intended to cover a case of two persons making temporary use of a revolver in order to folst a false case on another. That two persons should jointly own a single revolver is itself an unusual circumstance.
1937 MWN 572.
6. Recovery on the information of the accused.
1. Arms discovered in consquence of information by accused that he had buried revolver in field. It was held that requirement of sections 19 (f) and 20 are fulfilled.
17 Cr. LJ 183.
2. Discovery of arms buried on the information of the accused fulfils the requirements of the section and section 20.
12 PLR 1992.
3. Where an article, the possession of which is forbidden by the Arms Act, has been discovered by reason of information given by the accused person, the conviction based on that evidence is legally sound.
28 Cr. LJ 250.
4. Where accused points out revolver concealed in cattle- shed near his house where he lives with his father and brother, he is not guilty.
1933 Lah. 314.
5. The only evidence against the accused was that at his instance a place was dug up in the house of another person wherefrom a pistol and some cartridges were recovered, but during the commission of robbery he was not alleged to be armed with a pistol; moreover, the person from whose house the pistol and cartridges were recovered was suspiciously detained by the police; held that such exclusive possession was not established against the accused as would justify his conviction under this clause.
39 Cr. LJ 119.
6. Arms concealed in Railway premises and discovered on accused’s information can be considered to be in the possession and control of the accused. 38 Cr. LJ 910. But in 40 CWN 1374, it has been held that because a man happens to know that there are illegally concealed in his master’s garden a revolver and cartridge, it cannot be held that they are necessarily in his possession and control and he cannot be convicted under this clause.
7. A was standing with his wife in the courtyard of his house wherein he lived with his father, brothers, nephews etc. Police arrived and on questioning he went in and produced a gun from the house. Held that in the absence of any evidence to show where the gun was lying in the house at the time when A picked it up and produced it, the mere production could not warrant the conclusion that the gun was in his possession. The prosecution must establish affirmatively that the accused was in exclusive possession and control of the gun.
48 Cr. LJ 390 (Lah).
7. Possession of servant, friend, relation etc.da
1. The servant of the licensee who is merely carrying the gun to the Magistrate with the expiring licence for renewal thereof but without any intention to use it, is not liable to ‘conviction under this clause.
16 All. 276.
2. Similarly a servant is not guilty if he takes the gun to a blacksmith for repairs, nor the black-smith with whom the gun is left for repairs.
15 AIL 276.
3. A temporary possession or custody of the gun by the servant did not amount to the ‘possession’ or ‘control’ contemplated by clause (i) of section 19. 4 NLR 146; Essence of offence is to use it as a weapon 24 All. 454.
4. Accused made over gun which he possessed for some 1 time to a friend to keep for him. After 15 years he cannot be convicted under this clause. 12 Cr. LJ 197.
5. Carrying or possessing arms but giving no explanation thereof raises a presumption against the accused.
(1892) 15 All. 27.
6. A licence granted to a person to carry arms, and including retainer authorised any retainer to carry the arms specified with the permission of his master and does not restrict him merely to carry them while in the actual possession of the master.
20 Cal. 444.
7. Possession of a double-barrel gun by the accused who was a reservist was no offence.
1902 PLR No. 1.
8. But the use of the gun by the servant for his own purpose is an offence.
8 Cr. LJ 18.
9. However if the gun is used by the servant for the purposes of the master; the servant is not guilty.
22 All. 118.
10. When both the master and servant believe honestly but wrongly that the servant himself entitled to use the gun, the servant is guilty but the power of the confiscation of the gun need not be enforced.
1924 MWN 875.
11. The servant of an exempted master commits no offence by carrying the master’s gun and shooting game with it with the master’s permission.
51 IC 208.
12. But it was held in 12 Cr. LJ 122 that exemption should be literally construed, the privilege conferred by the exemption is of personal nature and does not extend to the servants and relations of the exempted person.
13. Where the gun was retained by the servant after the death of his master without licence, he is guilty.
15 1 C 797.
14. Exemption of master from the operation of the Act extends to his servant and applies to the possession of the gun, so long as it is the property of the licensee and the mere fact that the arms happened to be carried at the time by a servant does not make him liable for not having himself a license under the Act.
3 CWN 394.
15. Taking a father’s gun and using it is punishable. 22 A LJ 1095. When a gun is given to an acquainteance for getting it repaired in a neighbouring town and the person sends his father with the gun for the purpose, the latter is not guilty.
24 All 302.
16. Minor son of an exempted person retaining the arms of his father after his death is guilty under this clause. There being nothing in law which prevents a minor from being in actual fact in possession of arms without licence or which prevents him from being guilty under section 19 (f) of the Arms Act.
19 Cr. LJ 447.
17. Possession of a pistol by servant of the accused was held not to be possession on account of the accused when a pistol was a thing that was not reasonably expected to be sold at the shop of the accused where the pistol was recovered.
23 Cr. LJ 729.
18. Where the brother of a licence-holder fires shots to scare away the mischief mongers during communal riots, no offence is committed under this clause.
26 Cr. LJ 987.
19. Under this clause the son of the licensee can be prosecuted for possessing his father’s gun for shooting birds.
1925 All. 175.
20. Weapon handed over to unlicensed person to negotiate sale. Possession of such person is no offence under section. 34 Cr. LJ 363.
21. Licensee cannot transfer privilege to possess rifle to non-licensee for his own private use. But that if the possession of the non-licence-holder is not for any unlawful purpose, though his actual possession is unlawful, a nominal sentence would be sufficient..
36 Cr. LJ 1204.
22. A person licenced to possess gun cannot authorise his servant to possess the gun for an unlawful purpose. Therefore, a servant who is in possession of that gun for an unlawful purpose can be properly convicted under this clause.
1925 A LJ 1096
23. A person who carries an unlicensed gun of his master is technically guilty of an offence under this clause. But in the absence of proof that the servant had any knowledge that the gun he was carrying for his master was unlicenced, the offence of which he is guilty does not call for a severe punishment.
38 Cr. LJ 409
24. A servant of a gun licensee who is merely carrying the gun of his master to the latter’s house under his orders cannot be held liable under this clause.
41 Cr. LJ 400.
25. K, a licence-holder had gone out for shooting. J had gone with him. When they returned they found that order under section 144, Cr. P.C. prohibiting the carrying of arms was enforced that day. K stayed in the house of J for that night, but had to leave next morning before 6 a.m. He left his gun and bedding, etc. in J’s house intending to return shortly afterwards for them.
Next day houses of many persons in the Bazar were searched, and from the house of J the gun was recovered. J had no licence for it and K’s licence had no provision for any retainer. It was held that possession in circumstances comparable to the present case was not possession within the meaning of section 19 of the Arms Act, but was merely the holding of the gun on behalf of the person entitled to it.
The possession of the gun must be deemed to have remained with K though it was not actually in his physical possession, and if J was in possession of the gun at all, which may be considered doubtful if he was unaware that it was within his house, then at the most the possession of J was on behalf of the licencee, K and not on his own behalf. Hence convictions of K under section 21 and of J under section 19 (f) Arms Act were not proper.
It was also held that the special conditions prevailing at the time, the communal riot and the great danger that arms might be misused were quite irrelevant when it came to deciding the legal question involved.
42 Cr. LJ 97.
26. A person who has no licence and takes the gun of another and fires a shot, is guilty of an offence under section 19 (f) though his possession was for a short time. 1947 All 99.
8. Sentence and Punishment
1. Under the provisions of this section, a Magistrate, on finding the accused guilty, is bound to pass some sentence, though of course, it is open to him to pass a nominal sentence.
1 Weir 654 (1903).
2. In the case of a technical offence, it would generally suffice for the ends of justice to inflict a nominal sentence.
2 Cr. LJ. 449.
3. Solitary confinement cannot be awarded for offences under the Arms Act.
27 Cr. LJ 120.
4. Conviction under this section should not be altered in revision to one under Explosives Act, unless the conviction under the latter Act was obviously correct and unless the accused was prejudiced by being charged under the Arms Act.
32 Cr. LJ 564.
5. A person cannot be convicted both under sections 19 (1) and 20 in respect of the same Revolver.
35 Cr. LJ 226.
6. In case of conviction for being in possession of revolver, it is questionable whether separate conviction for possession of cartridges can be passed.
35 Cr. LJ 36.
7. A person who uses a pistol recklessly with disregard of consequences can be punished under section 307 Penal Code and also under this clause.
34 PLR 672.
8. Where three accused were found in possession of stolen revolver at various times conviction under section 411 or 414 1 PC is not bar to conviction under this section. 1933 Oudh 470.
9. The sentence of one year RI under this clause for offence of being in possession of unlicened Revolver is not appropriate sentence and so sentence was enhanced to two years.
R. I 38 Cr. LJ 137.
10. In the absence of proof that the servant had knowledge that the gun which he possessed was unlicensed is guilty of a technical offence and a severe punishment is not called for.
37 Cr. LJ 409.
11. A case of possession of fire-arms after the expiry of the licence calls for only nominal sentence of fine. No order of confiscation of gun under section 24 should be passed.
44 Cr. LJ 101.
12. In the case of a technical offence, it would generally suffice for the ends of justice to inflict a nominal sentence. 409
13. The Government of India, in pursuance of section 5, clause (b) of the Whipping Act, 1909, has included section 19. section 20, section 22 and section 23 of the Arms Act, among the offences for which a Court can punish juvenile offenders with whipping in accordance with the provisions of that section. Abetment and attempt of these offences is also similarly punishable. Indian Government Notification 350, dated 8th March, 1910.
9. General and Miscellaneous
1. The carrying of gun without ammunition by an unlicenced person is an offence under this clause and not under clause (e).
1 Weir 661.
2. There is nothing in the Arms Act to exempt the Custodian of a temple which have a collection of fire-arms used as objects of worship, from complying with the requirements of this Act either by taking out a licence or obtaining exemption under section 27, so that a conviction under this clause is not illegal.
8 Cal. 473.
3. An order extending the time for renewal of the licence has the effect of keeping the licence previously granted practically in force.
8 CWN 394.
4. The exemption of volunteers from operation of the Arms Act, by Government of India Notification No, 458, dated 18th March 1898, is not merely for purposes of volunteering. A volunteer by virtue of such exemption is entitled to keep following pieces and to use them for the purpose of protecting his cultivation.
5 PLR 1902.
5. Where the head constable made a false report that a dacoity had been committed and that he had arrested some dacoits; and after a delay of 3 days he recovered arms from the petitioner not in the presence of the witnesses who signed the list, but who distinctly stated that the arms were not produced before them by the constable, held that the petitioner was not guilty.
1923 Lah. 466.
5-A. The fact that a person’s house on being searched for stolen goods was found to contain two empty cartridges cases does not amount to an offence under this clause, because the cases in question are incapable of being reloaded in India.
26 Cr. LJ 1039.
6. Agreement of parties is an overt act expressing intention to possess arms making offence complete. To prove conspiracy to possess fire-arms, it is not necessary to prove conspiracy in respect of particular fire-arms.
28 Cr. LJ 241.
7. Where quantity of lead was found with accused and neighbourhood suggesting that lead was used for fishing purposes, a Magistrate should question the accused if they were vendors of lead for fishing purposes, especially if they are not defended by Advocates.
1930 Rang. 349.
8. Act or omission under section 19 Arms Act and section, 411 Penal Code is not same.
34 Cr. LJ 1018.
9. It is the duty of the prosecution to prove definitely that the number of cartridges in the actual possession of the accused on any particular date exceeded the number covered by his licence. The Court can not be called upon to draw an inference that he had in fact a large number of cartidges in his possession.
34 Cr. LJ 190.
10. Possession of arms after expiry of licence even for a mouth is offence.
34 Cr. LJ 363.
11. Licence is necessary for each separate weapon.
1934 Cal 468.
12. A license-holder can not transfer rifle to a non-licence- holder.
36 Cr. LJ 1204
13. Offence under this clause would appear to be complete as soon as the accused is found in possession of arms and ammunition in contravention of section 14 or section 15 of the Act and the commission of the offence is not dependent upon that whether the search was or was not conducted in the manner provided by section 25 or 30.
159 I C 487.
14. Offence under section 19 (f) is cognizable.
1936 MWN 624.
15. In the case of illegal possession of revolver while preparing for dacoity, section 239 Criminal Procedure Code applies and the accused can be jointly tried under section 399 Penal Code and section 19 (1), Arms Act.
39 Cr. LJ 141.
16. A man who possesses arms for which he holds an expired licence does not do so “under that licence and in the manner and to the extent permitted thereby.” Consequently he is guilty under section 19 (f) and not punishable under section 23.
38 Cr. LJ 396.
17. A licensee of a gun in Form XVI prescribed under section 17 Arms Act must apply for renewal before expiry of licence. After the expiry of licence possession of gun is in contravention of the provision of section 14, and clearly, thisis an offence punishable under this clause. Note 2 printed in the conditions of licence in Form XVI merely provides a period of grace during which the application for renewal may be made and fees thereon payable deposited. It does not lay down that the quondam licence-holder is entitled, as of right, to have the licence renewed on payment of the fee mentioned.
The fact that the licences of other persons has been renewed long after the expiry of their licences and in one case as late as three years, does not affect the legality of the accused’s possession of the gun after the expiry of his licence, though it might indicate that his failure to apply for renewal within time was not.
44 Cr. LJ 101.
Clause (i). This clause provides penalty for not depositing arms, etc., as required by section 14 or section 16 but section 14 makes no provision for the deposit of arms etc. Therefore, the words “fails to deposit arms, ammunition or military stores, as required by section 14” can not be deemed to relate to section 14. It has been held that there being no provision in section 14 requiring a person to deposit spear, he can not be punished under this clause if there is no other basis for his conviction.
1916 Mad. 624.
A gun-licence expired on 31st December, 1945. The licensee applied for renewal before that date but the licence was not received till 5th February. 1946. During this period the licensee did not deposit the gun as required by the Arms Act thinking that as usual a month of grace was allowed for renewal. Held that the period of grace was not intended to extend the period of the licence or in any manner, limit the scope of section 16 of the Act. Therefore an offence under this clause was technically committed by the accused. The sentence should be nominal in such a case.
1947 Mad 361.
অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা
ধারা-২০। গোপনে ৫, ৬, ১০, ১৪ ও ১৫ ধারা ভঙ্গ ইত্যাদি অস্ত্র গোপন করার সাজা।
যে কেউ ১৯ ধারার (ক), (গ), (ঘ) বা (চ) দফায় বর্ণিত কোন কার্য এমনভাবে করে যাতে এমন মনোভাব প্রকাশ পায় যে, দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সরকারি চাকুরের নিকট বা কোন রেলওয়ে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির কাছে বা সরকারি বাহনের কোন চাকুরের কাছে অজানা থাকতে পারে। এবং যে কেউ, ২৫ ধারা
অনুযায়ী তল্লাশিকালে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারসমূহ গোপন করে বা গোপন করতে চেষ্টা করে; সে-
৭ (সাত) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হবে; শর্ত থাকে যে, এ ধারা অনুযায়ী যদি কোন পিস্তল, রিভলভার, রাইফেল বা শর্টগান বা অন্য আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়। অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা যে কোন অল্প মেয়াদী দণ্ড বা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানাসহ দণ্ডিত করা হবে।

Sec. 20. For secret breaches of sections 5, 6, 10, 14 and 15.-
Whoever does any act mentioned in clauses (a). (c), (d) or (f ) of section 19, in such manner as to indicate an intention that such act may not be known to any public servant as defined in the5 Pakistan penal code (XLV of 1860), or to any person employed upon a railway or to the servant of any public carrier,
For concealing arms, etc.- and whoever, in any search being made under section 25, conceals or attempts to conceal any arms, ammunition or military stores. Shall be punished with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine or with both:
6[Provided that if an offence committed under this section is in respect of a pistol, revolver, rifle or [shot-gun or other fire-arms] the offender shall be punished with transportation for life or any shorter term, or with imprisonment for a term which may extend to fourteen years, or with fine.]
ধারার বিশ্লেষণ
যদি কোন ব্যক্তি অস্ত্র আইনের ১৯ ধারার ক, গ, ঘ বা চ দফায় বর্ণিত কার্য এমনভাবে করে যাতে সরকারি চাকুরের নিকট বা রেলওয়েতে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির কাছে বা সরকারি বাহনের কোন চাকুরের কাছে অজানা থাকে এবং যদি কোন ব্যক্তি অস্ত্র আইনের ২৫ ধারা মতে, তল্লাশির সময় অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারসমূহ গোপন করে বা গোপন করতে চেষ্টা করে, তাকে ৭ (সাত) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
এ ধারায় উক্ত ব্যক্তি যদি কোন পিস্তল, রিভলভার, রাইফেল, শর্টগান বা অন্য আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কে অপরাধ করে তবে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, যে কোন অল্প মেয়াদী দণ্ড বা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানাসহ দণ্ডিত করা যাবে।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
2. The words “conceals or attempts to conceal” in the 2nd part of this section must be read with the preceding words, viz, that the concealment or attempt at concealment was made at search for arms. This obviously does not mean that a mere denial to a Police Officer making a search for any arms being in house is equivalent to concealment or attempt at concealment. There must be some overt act of concealment or attempt at concealment with a view to prevent the discovery of arms searched for.
3 Cr. LJ 88.
3. The first part of this section does not apply to cases of concealment or attempts at concealment made by a man who has arms on his person or in a bag which he was carrying or which is otherwise in his immediate personal possession only on being arrested. It is meant to deal with cases of concealment before arrest. Where a man finding himself arrested for being in possession of a revolver, attempts to throw it among the bush, the act of such person would only come under section 19, clause (f).
12 Cr LJ 234.
4. The first part of this section does not deal with cases of concealment or attempt at concealment made by a person on his arrest when he is arrested with arms on his person or in a bag. It is meant to deal with cases of concealment or attempt at concealment before arrest.
12 Cr. LJ 234.
5. This section directly applies only to cases where the import or export of arms is attempted. It does not apply to ordinary case of concealment of arms.
9 PR 1912(Cr).
6. To apply this section there must be some other evidence, such as conduct of the accused or something in the shape of active concealment.
16 Cr. LJ 637.
7. Approver’s statement disclosing illegal possession of fire-arms by him. He can not be tried for an offence under this section, as his trial would be illegal in face of the pardon tendered to him.
22 Cr. LJ 699.
8. This section applies when the possession of arms is such as to indicate an intention that such an act may not be known to any public servant or where the import or export of arms is attempted and not to every case of possession or concealment of arms.
6 Cr. LJ 151.
9. Each case of concealment of arms must be decided on its own facts.
23 Cr. LJ 609; 34 Сг. LJ 890; 34 Cr. LJ 879 = 16 Cr. LJ 412;
10. Application. This section applies only where the possession is such as to indicate an intention that such an act may not be known to any public servant. It does not apply to every case of possession or concealment of arms. Something more than a mere ordinary concealment should be established in order to bring the possession within the meaning of this section.
26 Cr. LJ 733 = 27 Cr. LJ 1934.
11. This section is not confined to case where an import or export of arms is attempted but applies to cases where a person is concealing a weapon form Railway officials while he is at a railway platform.
32 Cr. LJ 995.
12. This section applies if the intention to conceal the act from a public servant is proved.
32. Cr. LJ 517.
13. An essential ingredient of section 20 is that the man doing any act mentioned in clauses (a), (c), (d) or (f) or section 19, should do it in such a manner as to indicate an intention that such act may not be known to any publie servant.
33 Cr. LJ 346 = 29 Cr. LJ 577.
14. For the application of this section there must be some special indication of an intention to conceal the possession of the arm from a public servant. Railway official or public carrier.
33 Cr. LJ 110.
15. The two parts of this section are quite independent of one another.
34 Cr. LJ 879.
16. This section is not restricted to cases of importation and exportation of arms in bulk. There must be intention to conceal arms.
35 Cr. LJ 125.
17. It is not the law that this section applies only to cases of import or export of arms, and it is not necessary to make the section applicable that the intention to do an act in the matter of unlicenced possession of arms or ammunition must relate to export or import of arms. 60 LJ 190 =
38 CW N 656.
OFFENCE UNDER THIS SECTION
1. A person is guilty if he has concealed arms in his waiste band or loin cloth.
75 PLR 1915.
2. Arms discovered in consequence of information by accused that he buried the revolver in field. Requirements of sections 19 and 20 are fulfilled and he is guilty.
17 Cr. LJ 183.
3. Dang-blade adjuged to be arm found concealed in the loin-cloth of the accused. Accused held guilty under this section.
23 Cr. LJ 63.
4. Where arms were discovered on the information of the accused, the concealment of chhavies and other arms recovered from the accused is clearly with the intention referred to in this section.
1923 Lah. 238.
5. Where the arms were recovered on the information of the accused, the concealment of the arms recovered from the possession of the accused was clearly with the intention referred to in this section.
12 PLR 1922; 68 IC 833.
6. Where a gun was concealed in a corn-bin it was presumed that it was concealted apparently with the intention of concealing it from the police and section was applicable.
23 Cr. LJ 609.
7. Where arms and ammunition are found in a bag hidden under a chadar worn by the accused, the offence falls under this section.
29 Cr. LJ 1459.
8. Where the circumstances under which a pistol was recovered from the accused who came to Lahore from his village, led to a clear inference that his intention was to conceal the pistol from any public servant. It was not a case of ordinary concealment and coviction should be under this section.
27 Cr. LJ 934.
9. Person found with concealed weapon while on Railway platform. This section applies.
29 Cr. LJ 256.
10. The fact that the accused ran away when challenged by the police indicates an intention of the character mentioned in this section.
1929 Cr. C 142.
11. Concealing arms while on the Railway platform is punishable under this section.
32 Cr. LJ 995.
12. Where two revolvers, some cartridges and a pistol were recovered from a trunk which was being carried in a Railway compartment, it was held that the accused must be presumed to have intended to conceal them from Railway Officials and the offence fell under this section.
33 Cr. LJ 110.
13. An unlicensed person going armed with a revolver be connected under this section.
35 Cr. LJ 125.
14. A strong presumption arises against a person who is found in possession of an unlicenced revolver and who can not or will not account for such possession that he has procured it for unlawful purposes and has a fixed Intention that such possession shall not become known to the authorities. This presumption however is one that can be rebutted.
34 Cr. LJ 879.
15. Accused in possession of a stolen revolver and attempting to run away with it is guilty under this section as the circumstances of the recovery led to a clear inference that his intention was that the possession of the pistol by him may not be known to any public servant.
27 Cr. LJ 984.
16. Where a person was in possession of a revolver and cartrideges and he gave the revolver to somebody for the purpose of keeping it concealed. It was held that it was a plain case under section 20 and that he was guilty under that section.
34 Cr. LJ 688.
17. A room in joint possession of accused with others but the possession of the suit-case and its contents only with accused. It clearly proved accused’s intention to conceal the suit-case and its content from the Police-Officers. He was guilty under this section.
36 Cr. LJ 370.
18. Where the arms and ammunition are tied up and concealed it must be presumed the intention of the accused was not only to conceal them from the boys of the school hostel but also from any public servant who may happen to come to the hostel, there is no doubt that the intention of the accused is that his act may not be known to any public servant.
41 Cr. LJ 545.
19. Carrying unlicensed fire-arms in sack while travelling is an offence under this section.
43 Cr. LJ 854.
20. The carrying of fire-arms of which a man is not lawfully in possession, inside a haversack or a suit when travelling by rail does bring the person concerned within the mischief of this section for, it must be concieved that it is his Intention that his possession of an unlicenced weapon may not be known to a public servant, as for example the police or to any person employed upon a Railway.
43 Cr. LJ 854.
21. Where a person holding licence in an Indian State tries to bring by sea into British Indian territory live cartridges from Ceylon and is detected by the Customs Authorities even if his act is not an offence under section 19(c), it is certainly an act contemplated by section 19(c) and that being so he is gulity of an offence under this section.
50 Cr. LJ 213.
NO OFFENCE UNDER THIS SECTION
1. B’s house was searched for opium. Some shots and gun-powder were found in a basket in a bed-room which was dark. B ran away but his mother was prosecuted and convicted by the sub-Divisional Magistrate under section 19(1). There was no sanction of the District Magistrate as required by section 29. The Sessions Judge holding that the Magistrate intended to convict under section 20, upheld the conviction. It was held that there was no evidence of concealment and conviction under section 19 was illegal without sanction.
1 Cr. LJ 742.
2. The mere denial of a person whose house is being searched by the Police for unlicenced arms, that he has any such arms in his possession does not constitute a concealment or attempt to conceal arms on search being made by the Police within the meaning of the second part of the section.
3 Cr. LJ 88.
3. A search was made in the house of the accused by a Magistrate with a number of Police Officers. The accused, after his licence for possession of arms and ammunition had been cancelled, was suspected of being in possession of them. He, preliminary to the search, was arrested and some arms and ammunition were found on the premises. Held his conviction under this section was illegal.
27 Cal. 692.
4. An accused had concealed some fire-arms under a heap of straw in order that his visitors in his house should not see them. It was held that the concealment was not with the intention specified in this section.
9 Cr. LJ 259.
5. Mere knowledge where the weapon is concealed does not show that the accused concealed.
1923 Lah. 238.
6. If a person carries on his person a small weapon such as a pistol, a dagger, or a blade of a chhavi, which he naturally put in his rocket or dab and if with that weapon in his pocket or dab he is in his house or in his village or in a bazar or in a Court compound, it cannot be inferred that he was so carrying the weapon with the intention specified.
28 Cr. LJ 671.
7. The fact that the accused secreted the spear-head next to his skin does not indicate any intention that the possession by the accused of the spearhead might not be known to any public servant.
1929 Cr. C 142 = 31 Cr. LJ 79.
8. Where arms were kept by the accused in a talkhana (store-room) and there was not attempt to conceal the taikhana itself, it was held that the takikhana being a place where arms would naturally be kept, the accused could not be convicted under this section.
32 Cr. LJ 517.
9. When a person was found carrying an unlicenced pistol in a locked hand-bag and on being questioned produced the pistol after admitting its possession, it was held that he was not guilty under this section because the intention mentioned in this section has to be proved by the prosecution though it will be usually proved by circumstantial circumstances. But the circumstances must be such from which it can be presumed. If the arms are not exposed to the public view, the Court cannot start with assumption of the intention. The Legislature has laid the onus of proving the special intention on the prosecution and it cannot be disburdened of that onus.
1950 All. 386.
SECTION 20 AND SECTION 19
1. Whether a case falls under section 19 (f) or under section 20 depends on the facts of each case. To apply section 20, there must be some special indication of an intention to conceal the possession of the arms from a public servant, Railway official or public carrier. Where two revolvers, some cartridges and a pistol were recovered from a trunk which the accused was taking with him in a railway compartment, held that the accused must be presumed to have intended to conceal them from Railway officials and the offence fell under section 20.
6 Lah. 151; 7 Lah. 65.
2. Section 19 and section 20 are so interwoven that it is difficult to see how an offence can be committed under the first paragraph of this section, unless an offence under one of the enumerated sub-sections in section 19 has also been committed, therefore, before prosecuting a person under this section previous sanction should be obtained.
4 C WN 750.
3. The first part of this section creates offences distinct from and graver than those under section 19.
18 Cr. LJ 357 FB.
4. No sanction is required for proceeding under this section, as offences under section 19 (f) and this section are distinct.
17 Cr. LJ 209.
5. If intention specified under this section is not proved, the accused must be discharged, under this section.
17 Cr. LJ 209.
6. Each case of concealment of arms must be decided on its own facts, as to whether it falls under section 19 or this section but to apply this section there must be some special indication of an intention to conceal the possession of the arms from a public servant, Railway officer or public carrier.
29 Cr. LJ 577.
7. Mere possession is punishable under section 19 and concealment is punishable under section 20.
34 Cr. LJ 879.
8. The real distinction between the sections (sections 12, 13 and 14) is that section 14 prohibits an unlicensed person from going armed with any kind of arms, that is to say, a person going armed with either a knife or pistol comes within the provision of the section. But with regard to fire-arms a further offence may be committed, namely, of having them in possession or control without a licence.
Section 14 covers this offence, and if this offence is committed with the intention referred to in section 20, then a heavier punishment may be inflicted than for the simple offence under section 14, the penalty for which is provided in section 19 (f). To be in posession or control of arms other than those mentioned in section 14 is not an offence. Though it is an offence to go armed with them, as provided in section 13. An unlicensed person going armed with a revolver, may be convicted under section 13 of section 14 and consequently may be convicted under section 20.
Cr. LJ 125.
9. It is difficult to lay down any general rule as to what cases fall under section 20 and what cases under section 19 Arms Act. Every case must be decided on its own facts. The question whether the circumstances justify the inference that the intention was such as is indicated in section 20 must depend upon the particular circumstances of each case.
Section 20 is not confined to cases of attempt at import or export of arms and applies to cases where a person is concealing a weapon, be it at a Railway platform, as it indicates an intention to conceal it from inter alia Railway officials who are on the platform or anywhere else. Where the arms and ammunition are tried up and concealed in such a manner that it must be presumed that the intention of the accused was not only to conceal them from the boys of the school hostel,
but from any public servant who may happen to come to the hostel, there is no doubt that the intention of the accused is that his act may not be known to any public servant.
41 Cr. LJ 545.
OFFENCE UNDER SECTION 20 OR SECTION 19
1. A person carrying a revolver in his pocket without licence to keep arms is guilty only under section 19 (f) and not under this section for concealing arms. A man who carries a revolver would put it nowhere but in his pocket. For the sake of convenience he would not think of carrying it in his hand and unless he wished to advertise his possession thereof to the whole world, be would not carry it in a belt. There must be some other evidence, such a conduct of the accused or some thing in the shape of active concealment to justify a conviction under this section. Conviction altered to one under section 19
16 Cr. LJ 637.
2. Where the weapon which was found to fit the dang the accused was carrying was originally concealed but the accused took it out voluntarily to threaten the Railway servant who caught him for travelling without ticket, the Court convicted the accused under this section. On appeal it was held that the appellant was guilty under section 19 and not under this section.
26 Cr. LJ 166.
3. Keeping ammunition and part of arms concealed under clothes falls under this section and not under section 19.
26 Cr. LJ 1459.
4. The Police was informed by a lambardar that a person used to sell revlovers and opium. The police asked the lambardar to let them know whenever the accused had any to sell. The lambardar settled with the accused that he would bring some purchaser of a revolver at a given time and place.
The accused went on horse back carrying in front of him a gunny bag containing revolver and cartridges. He was arrested while settling the price and convicted under this section. On appeal it was held that it can not be inferred that the appellant was carrying the arms so as to conceal them from the police, he did not anticipate meeting the police, and was only carrying them in a convenient manner to the place arranged for their sale, and was, therefore, not guilty under this section though he was guilty under section 19 (f).
His sentence was reduced from 7 years rigorous imprisonment and a fine of Tk. 500 to 3 years rigorous imprisonment and a fine of Tk. 250.
27 Cr. LJ 625.
5. If a person merely carries a small revolver in his pocket, intention specified in this section can not be inferred.
28 Cr. LJ 671.
6. Carrying weapon concealed in the inner coat while travelling in Railway is punishable under section 20 and not under section 19.
32 Cr. LJ 995.
Powers of Superior Court.-(1) The Appellate Court can alter the finding from one under this section to section 19(f).
32 Cr. LJ 517.
2. Accused tried under sections 19 and 20 was convicted by the Magistrate under section 20 and not under section 19 (f). On appeal, the Sessions Judge setting aside conviction and sentence set the accused at liberty and observed that if the Magistrate so wished might commit the accused to the Sessions Court. Magistrate committed the accused to the Sessions Court without holding any enquiry under Chapter XVIII of the Criminal Procedure Code under both the sections. Held section 403 Criminal Procedure Code under both the sections. Held section 403 Criminal Procedure Code was no bar to the prosecution, but commitment without holding enquiry was wrong in law.
33 Cr. LJ 770.
3. Though the accused is charged only under section 19 (1) the High Court can convict him under section 19(f) read with his section.
35 Cr. LJ 573.
Sanction.-1. If an accused is discharged for want of proof of the intention specified in this section, he can be proceeded against under section 19(f) after obtaining the previous sanction of the District Magistrate under section 29.
17 Cr. LJ 209.
2. Sanction to prosecute for offence under section 20 read with section 19(f) should be treated as one under section 19(1).
1931 Sind. 9.
3. No sanction is required from the District Magistrate for instituting proceedings under this section.
1942 All. 349.
Procedure.-The offence is cognizable, warrant shall ordinarily issue in the first instance, not bailable, not compoundable and triable exclusively by Court of Sessions. It can be tried by a Magistrate with section 30, Cr. P.C. powers.
An offence under this section is triable by the Court of Sessions.
20 CW N 732.
An offence under this section is not triable by a Magistrate of the 1st Class.
2 LBR 244.
If an accused is discharged for want of proof of the intention specified under this section, he can be proceeded against under section 19(f) after obtaining the required sanction under section 29.
1916 LB 105 = 17 Cr. LJ 209 = 8 LBR 452.
Where the evidence in a case under section 19(f) if believed, clearly indicates that an offence under this section has been committed, it is the duty of the Magistrate to commit the case to the Sessions.
17 Cr. LJ 202.
It is clear from the section that this section lays down two distinct offences, therefore, it is necessary for the trying Magistrate to state distinctly in the charge as to which part of the section the accused is called upon to answer. 23 Cr. LJ 203. Sentence.-1. The maximum sentence must not be inflicted in every case merely because the weapon found to have been concealed is a chhavi.
23 Cr. LJ 339.
2. Sentence of three years rigorous imprisonment without special grounds is very heavy and ought to be reduced.
17 Cr. LJ 80.
3. Suspicion that accused was about to take part in some criminal offence is no consideration in arriving at appropriate sentence for an offence under this section.
29 Cr. LJ 256.
4. Where the accused, only 22 years of age though a responsible person, is not shown that he obtained possession of the pistol for an evil purposes, the sentence of seven years rigorus imprisonment is very sever. He having been sentenced to 18 months RI for accidental homicide, the sentence awarded to him under this section was reduced to one month’s.
33 Cr. LJ 413.
5. Where possession of pistol was not intentional, sentence of seven years was reduced to one month.
33 Cr. LJ 413.
6. When a person pleaded guilty to a charge under section 19 (f) and section 20 and it was found that the possession of arms was connected with his political views, the Court awarded him the maximum sentence under this section; it was held that it was very necessary that power of Court should be employed in putting down these very dangerous crimes of possession and concealment of arms, and that there was nothing calling for interference by the High Court.
34 Cr. LJ 633.
7. Minimum sentence can be awarded to a person guilty of an offence under this section.
34 Cr. LJ 633=37 C W N 195.
8. A person found travelling on the Railway in possession of six chambered revolver, even if it be not of the most modern type, can not complain that his sentence of four years rigorous imprisonment is severe when the maximum sentence being one of seven years.
43 Cr. LJ 854.
২০ক। ধারা কিছু কেসে বর্ধিত সাজা:
এ আইনে যাই থাকুক না কেন, যদি কেউ হত্যাকাণ্ড সংঘটনের উদ্দেশ্যে এ আইনের ১৩ ধারার বিধান ভঙ্গ করে পিস্তল, রিভলভার, রাইফেল, শর্টগান বা অন্য আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয় অথবা ১৪ ধারা বা ১৫ ধারার বিধান ভঙ্গ করে উক্তরূপ অস্ত্র তার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, সে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা যে কোন অল্পমেয়াদী দণ্ডে বা যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড যা চৌদ্দ বছর পর্যন্ত হতে পারে, যার সাথে জরিমানা যোগ দেওয়া যেতে পারে, দণ্ডিত হবে।
Sec. 20A. Enhanced punishment in certain cases.-
Notwithstanding anything contained in this Act, whoever goes armed with a pistol, revolver, rifle² [in contravention of the provisions of section 13, or has any such fire-arm in his possession or under his control in contravention of the provisions of section 14 or section 15, under circumstances indicating that he intended that such circumstances indicating that he intended that such fire-arm should be used for the commission of any offence of murder shall3… be punished with death, or with transportation for life or any shorter term or with imprisonment for a term which may extend to fourteen years, to which fine may be added.]
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারাটি ২০ ধারার সাথে সংযোজন করা হয়েছে। এ ধারায় কিছু কেসে সাজার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ হত্যাকাণ্ড সংঘটন করার উদ্দেশ্যে ১৩ ধারার বিধান ভঙ্গ করে পিস্তল, রিভলভার, রাইফেল, শর্টগান বা অন্য আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয় অথবা ১৪ বা ১৫ ধারার বিধান ভঙ্গ করে উক্তরূপ অস্ত্র নিজ দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, তবে সে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, যে কোন অল্প মেয়াদের কারাদণ্ড বা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার সাথে জরিমানাও হতে পারে, দণ্ডিত হবে।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) আসামীর বাড়ি অস্ত্র আইনের ২৫ ধারার বিধান মতে, ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশি করেন না বা ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার বিধান মতে পুলিশও তল্লাশি করে নি। তল্লাশি, উদ্ধার ও অভিযুক্ত বন্ধু জব্দ করা সবই বেআইনীভাবে হয়েছিল। এ অবস্থায় অস্ত্র আইনের ২০ ধারার সাজা বহাল থাকতে পারে না।
[613 Cr (AD) 301 Tamijuddin Ahmed vs The statel
(২) ২০ ধারার মামলায় শুধু দখল ছাড়াও আরো কিছু প্রমাণ করতে হবে। কোন মামলায় যদি দেখা যায় যে, পুলিশ আসার কথা শুনে আসামী অস্ত্র গোপন করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সাক্ষ্যে দেখা যায় যে, আসামী চামড়ার বাক্স হতে অস্ত্র বের করতে শুরু করেছে। এসব ক্ষেত্রে ২০ ধারা প্রযোজ্য নয়।
[1961 (Alahabad) LJ 133 and 1961 (Alahabad) W. R. (High Court) 157]
(৩) এ ধারার বৈশিষ্ট্য এই যে, ১৯ (ক), (গ), (ঘ), (চ) ধারায় কৃত কাজ মানুষ এমনভাবে করা উচিত যাতে এরূপ মনোভাব বুঝা যায় যে, এসব কাজ সরকারি কর্মকর্তাদের জানা নাও থাকতে পারে।
[AIR 1931 (Lahore) 561]
(৪) যেখানে ট্রাংকে লুকায়িত রিভলভার রেলগাড়ি বহন করেছে, তা রেলগাড়ি কর্মকর্তার নিকট গোপন করা হয়েছিল ধারণা করতে হবে এবং তা ২০ ধারার অধীন।
[32 PLR 651 and AIR 1931 (Lahore) 571]
(৫) গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দখলে গোপন অস্ত্রের বিষয় ২০ ধারার প্রথম অংশের বিষয় নয়। গ্রেফতারের পূর্বের গোপন করার বিষয় নিয়েই এর কারবার। যেখানে কোন ব্যক্তি কোন রিভলভার দখলে রাখার জন্যে গ্রেফতার হয়ে তা ছুঁড়ে ফেলে দিতে চেষ্টা করে এমন ব্যক্তির কাজ ১৯ (চ) ধারার এখতিয়ারে। [2 Criminal LJ 234] (৬) সকল চোরাই দখল অত্র ধারায় দণ্ডনীয় নয়। সরকারি কর্মকর্তা, রেল কর্মকর্তা বা সরকারি বাহকের বিরুদ্ধে দখল চোরাই হবে এবং তা সাধারণত অবৈধভাবে আমদানিকৃত বা পরিবাহিত অস্ত্রের বেলায় ঘটে থাকে।
[27 Cr. L. J. 625 and AIR 1926 (Lahore) 262]
(৭) এক ব্যক্তি তালা দেওয়া হাত ব্যাগে পিস্তল বহন করছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদে ব্যাগে পিস্তলের কথা স্বীকার করে। ঐ সকল ঘটনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, পিস্তল গোপন রাখার ইচ্ছা বা মনোভাব প্রমাণিত হয় নি। যদিও ইচ্ছা বা মনোভাবে বাদীকে অবস্থাগত সাক্ষ্য থেকে প্রমাণ করতে হত। অস্ত্র প্রকাশ্যভাবে প্রদর্শিত হয় নি। আদালত শুধু এ ধারণায় গোপনীয়তার বিষয় ধারণা করবে না।
[AIR 1950 (Alahabad) 386]
(৮) আসামীকে পুলিশ চ্যালেঞ্জ করায় আসামী দৌড়িয়ে পালিয়ে গেলে ২০ ধারায় বিষয়ের ইচ্ছা বা মনোভাবের ইঙ্গিত করে। আসামীর সঙ্গীও পালায়, কিন্তু তার নিকট হতে কোন অপরাধমূলক বস্তু পাওয়া যায় নি এবং এ জন্যে আসামীসহ সঙ্গীদের কোন ইচ্ছা বা মনোভাব ছিল বলা হবে না।
[31 Cr. L. J. 79]
(৯) যদি কোন ব্যক্তি কোন ছোট হাতিয়ার যেমন-পিস্তল, ডেগার, চাবির ক্ষুরা পকেটে করে বহন করে এবং এ অবস্থায় তার বাড়িতে বা গ্রামে বা বাজারে বা আদালত চতুরে যায়, তাহলে ২০ ধারায় উল্লেখিত ইচ্ছা বা মনোভাব পোষণ করে অস্ত্র বা হাতিয়ার বহন করেছিল, এ কথা অনুমান করা যাবে না।
[28 Cr. L. J. 671 and AIR 1927 (Lahore) 561]
১০) আসামীর কাছে রিভলভার উদ্ধারের কয়েকদিন আগে সেটা চুরি হয়েছিল। আসামী নিজেই পলাতক দণ্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত। পুলিশ তাকে খোঁজার জন্য রাস্তা প্রহরার বিশেষ নির্দেশ পায়। আসামীকে এ সংবাদ পৌঁছান হয়। তার কোর্ট ও শার্টের নীচে কাপড়ে বাঁধা কোষে কোমরে উক্ত রিভলভার পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে এটার কৈফিয়ত দিতে পারে নি। এ ঘটনা ২০ ধারার ইচ্ছা বা মনোভাবের যথেষ্ট সাক্ষ্য ছিল মর্মে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
[AIR 1933 Cal 612]
(১১) যেখানে কোন ব্যক্তি তার লাইসেন্সবিহীন রিভলভার ও কার্তুজ অন্য লোককে গোপনে রাখার জন্য দেয় এবং এটা দেখা যায় যে, উক্ত রিভলভার বিভিন্নভাবে আসামীর রাজনীতির সাথে সম্পর্কিত। এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আসামীর দোষ ২০ ধারার অন্তর্ভুক্ত।
[34 Cr. L. J. 633; 37 CWN 195 and AIR 1933 (Cal. 124) 561]
(১২) যেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৫ ধারা অনুযায়ী তল্লাশি করে একটি চোরাই বন্দুক ও কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় আসামীকে ২০ ধারায় শাস্তি দেওয়া হবে। তাদের কাছে লাইসেন্সবিহীন অস্ত্র থাকায় ২৫ ধারার বিধান অনুসরণ করা না হলেও পরিণতি হতে বাঁচতে পারে নি।
[28 Cr. L. J. 652 and AIR 1927 (Alahabad) 561]
(১৩) যেখানে অস্ত্র আইনের কোন মামলার বিচারের সময় প্রাপ্ত সাক্ষ্য ২০ ধারার অপরাধ নির্দেশ করে, ম্যাজিস্ট্রেট তা অবশ্য দায়রা আদালতে (বিশেষ ট্রাইব্যুনালে) পাঠাবেন।
[17 Cr. L. J. 202 and 20 CWN 732]
(১৪) যেখানে রাজসাক্ষী তার বেআইনী আগ্নেয়াস্ত্রের বিষয় প্রকাশ করে এবং ক্ষমার যাবতীয় শর্ত পূরণ করে মুক্ত হয়, এ ধারায় তার বিচার করা বেআইনী।
[22 Cr. L. J. 966 and 631 c 827]
(১৫) লুকান অবশ্যই অস্ত্র আমদানি বা রপ্তানির জন্য হতে হবে- অস্ত্র আইনের ২০ ধারার অর্থে অস্ত্রের বে-আইনী দখলকে আনতে হলে সাধারণের চেয়ে আরো বেশি লুকান প্রমাণ করতে হবে। ২০ ধারা অস্ত্র আমদানি বা রপ্তানি চেষ্টার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য। ১৯ ধারার অধীনে সাধারণ অস্ত্র লুকানোর ব্যাপার পার্থক্য করার সম্ভাবনা এবং পুলিশের নিকট থেকে গোপন করার বিশেষ উদ্দেশ্য অন্যভাবে হয় নি।
[PLD 1965 (Lahore) 386]
ধারা-২১। লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের জন্যঃ
যে কেউ যাকে যে শর্তের সাপেক্ষে কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়েছিল, তার কোনটা ভঙ্গ করে, কোন কাজ করে বা কোন কাজ বাদ দেয়, যখন কোন কাজ করা বা কাজ বর্জন করা ১৯ বা ২০ ধারায় শাস্তিযোগ্য নয়, তাকে ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা ৫০০ (পাঁচশ) টাকা পর্যন্ত জরিমানায় বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
Sec. 21. For breach of license.-
Whoever, in violation of a condition subject to which a license has been granted, does or omits to do any act shall when the doing or omitting to do such act is not punishable under section 19 or section 20, be punished with imprisonment for a term which may extend to six months or with fine which may extend to five hundred4 [Taka] or with both.
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারা ১৯ ও ২০ ধারার, অতিরিক্ত একটি ধারা। যদি কোন ব্যক্তি তার লাইসেন্সে বর্ণিত শর্ত ভঙ্গ করে কোন কাজ করে বা কোন কাজ করা হতে বিরত থাকে, যা ১৯ বা ২০ ধারায় শাস্তিযোগ্য নয়, তাকে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
ধারা-২২। লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয় এমন লোকের নিকট হতে জ্ঞাতসারে অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি ক্রয় করা বা দখলে রাখতে অনুমোদিত নয় এমন ব্যক্তির নিকট অস্ত্রশস্ত্র অর্পণ করা সম্পর্কে।
যদি কারো লাইসেন্স না থাকে বা ৫ ধারার শর্ত মোতাবেক বিক্রির জন্যে কর্তৃত্ব দেওয়া হয় নি, (তার নিকট থেকে) জ্ঞাতসারে কোন অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার ক্রয় করে, বা কোন ব্যক্তিকে আইনানুগভাবে দখলে রাখতে কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে কিনা তা পূর্বেই নিশ্চিত না হয়ে কোন ব্যক্তির কাছে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার অর্পণ করে; সে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা পাঁচশ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
Sec. 22. For knowingly purchasing arms, etc., from unlicense person. For delivering arms, etc., to person not authorised to possess them.-
Whoever knowingly purchases any arms, ammunition or military stores from any person not licensed or authorized under the proviso to section 5 to sell the same; or delivers any arms, ammunition or military stores into the possession of any person without previously ascertaining that
such person is legally authorized to possess the same, Shall be punished with imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to five hundred (3) [taka), or with both.
ধারার বিশ্লেষণ
লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয় এমন ব্যক্তির নিকট হতে জ্ঞাতসারে অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি ক্রয় করা বা অস্ত্রশস্ত্র দখলে রাখতে অনুমোদিত নয় এমন ব্যক্তির নিকট অস্ত্রশস্ত্র অর্পণ করার উপর বিধি-নিষেধ আরোপ করে এর শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) এ ধারায় সমর্পণ সম্পূর্ণ সজাগ সমর্পণ এবং তা আবশ্যকভাবে দৈহিক নয়। কোন ব্যক্তি তার নিজ বাড়িতে বাস করে যা অস্থায়িভাবে অন্যের নিকট ভাড়া দেওয়া ছিল। ঐ লোকের আগ্নেয়াস্ত্র, এ রকম ধারণা সৃষ্টি করতে পারে না যে, সে ভাড়াটিয়ার ব্যবহারের জন্যে সমর্পণ করেছিল।
[AIR 1949 (Madras) 850 and 2MLG 110]
(২) যেখানে লাইসেন্সধারী বন্দুক মেরামতকারীর কাছে মেরামত করতে দিয়ে মেরামতের পর তা চাকরকে ফেরত দিতে নির্দেশ করে। নির্দেশ অনুসারে অর্পণ নিষিদ্ধ ছিল না। চাকর ঐ বন্দুক দিয়ে কিছু করে থাকলে মেরামতকারী অস্ত্র আইনের অধীনে মামলার যোগ্য হবে না।
[35 Cr. L. J 104 and AIR 1933 Bombay 438]
(৩) যেখানে অস্ত্র ও গোলাবারুদের লাইসেন্সধারীর ম্যানেজার এ ধারার ২য় অংশের বিধানের পরিপন্থীভাবে সামরিক সম্ভার বিক্রি করে, লাইসেন্সধারী এ ধারায় শাস্তির যোগ্য, যদিও মালপত্র তার অজ্ঞাতে বা বিনা সম্মতিতে বিক্রি করা হয়েছিল।
[24 Bombay 423]
(৪) এ ধারা লাইসেন্সধারী বিক্রেতার বা ক্রেতার সাথে লাইসেন্সবিহীন লোকের বা লাইসেন্সধারী লোকের সাথে লাইসেন্সবিহীন বিক্রেতার বা ক্রেতার কারবার আলোচনা করে।
[31 CWN 239; 28 Cr. L. J. 241 and AIR 1927 (Cal) 265]
1. “Deliver into possession” contemplated by this section is such a delivery as to give the person in whose possession the arms, etc. is delivered control over the arms, etc. and authority to use it as such.
5 LBR 83.
2. This section punishes “delivery”. It must be a conscious delivery. It must not necessarily be a physical delivery in that there must be proof that the accused delivered with his hands fire-arms to another; but from the circumstances of the case the only possible inference must be that the firearm in question was delivered. Merely because a person lives in a house of his, which is temporarily leased to another, a fire- arm belonging to him, from that factum alone, it cannot be inferred that the fire-arm was delivered to the tenant for his use.
51 Cr. LJ 54.
3. From the language of this section, it is clear that the transfer of possession contemplated by this section is something more than the entrusting of an ram to a servant.
8 Cr. LJ 18.
4. A master is liable for the act of his manager for selling arms to persons not authorised to purchase them.
24 Bom. 423.
5. Where the accused was shown to have partaken in meetings in order to possess arms and ammunition but the goods themselves were not passed and there was nothing to prove that they were with the vendor at the date of meeting. It was held that on the facts, the conviction of the accused would lie under section (19) (1) and not under this section.
28 Cr. LJ 241.
6. Making over an arm to person not licensed merely to carry to its owner is no offence.
29 Cr. LJ 97.
7. Where the Manager of a licensed dealer sold certain military stores to an unauthorised person without ascertaining that he was authorised to pruchase them, held that the licensee was liable to punishment under this section although the goods were not sold with his consent or knowledge.
24 Bom. 423.
8. A licensee, K, left his gun temporarily with J.K. is not guilty under this section as possession of J. was deemed to be his possession.
42 Cr. LJ 97.
9. (H.D. Letter No. 2964, dated 11th August, 1909). Dealers in arms will be responsible if they merely rely on such inquiries as to satisfy themselves of the legal authority of any intending purchaser. They are not similarly properly discharging their obligation if they send by post arms to any person who professes himself entitled to possess them. They must make due inquiries in all cases of sales, and must in all cases where they have not already sufficient proof that the purchaser is legally entitled to purchase, obtain sufficient proof by further inquiry.
ধারা-২৩। বিধি ভঙ্গের শাস্তি:
যে ব্যক্তি এ আইনের অধীনে প্রণীত বিধি ভঙ্গ করে এবং যা ভঙ্গের জন্যে কোন শাস্তির বিধান এ আইনে রাখা হয় নি, তাকে ১ (এক) মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা যা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
Sec. 23. Penalty for breach of rule.-
Any person violating any rule made under this Act, and for the violation of which no penalty is provided by this Act, shall be punished with imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to two hundred(3) [taka), or with both.
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারায় বিধিভঙ্গের শাস্তি এবং যা ভঙ্গের জন্যে এ আইনে কোন বিধান রাখা হয় নি এর শাস্তির বিধান করা হয়েছে। যদি কোন ব্যক্তি এ আইনের অধীনে প্রণীত কোন বিধি ভঙ্গ করে এবং যা ভঙ্গের জন্য এ আইনে কোন শাস্তির বিধান রাখা হয় নি; তবে তাকে ১ (এক) মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা যা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) মেয়াদ উত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে কোন লোক অস্ত্র দখলে রাখে এবং লাইসেন্সের অধীন ও লাইসেন্সে প্রদত্ত পন্থায় এবং পরিমাণে নয়, এরূপ ব্যক্তি অস্ত্র আইনের ২৩ ধারায় শাস্তিযোগ্য নয়, কিন্তু ১৯ (চ) ধারায় শাস্তিরযোগ্য।
ধারা-২৪। বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা:
এ আইনের অধীনে কোন শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটনের জন্যে দণ্ডপ্রাপ্ত, যে অপরাধ সে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারসমূহের ব্যাপারে সংঘটন করেছে, ঐ সকল অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারসমূহ এবং কোন জাহাজ, গরুর গাড়ি বা পশুবাহী যান যা এসব বহন করার জন্যে ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্সে মোড়কের বা গাঁটের ভেতরের দ্রব্যাদিসহ কোন বাক্স, মোড়ক (প্যাকেজ) বা গাঁট যার মধ্যে এসব জিনিস গোপন করা হয়েছিল, তার সম্পূর্ণটা বা অংশবিশেষ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া দণ্ডাজ্ঞা প্রদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের বিবেচনায় থাকবে।
Sec. 24 Power to confiscate.-
When any person is convicted of an offence punishable under this Act, committed by him in respect of any arms. ammunition or military stores, it shall be in the discretion of the convicting court of Magistrate further to direct that the whole or any portion of such arms, ammunition or military stores, and any vessel, cart or baggage-animal used to convey the same, and any box, package or bale in which the same may have been concealed, together with the other contents of such box, package or bale, shall be confiscated.
ধারার বিশ্লেষণ
এ আইনে কোন ব্যক্তি যদি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করার জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত হয় এবং যে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারকে কেন্দ্র করে উক্ত অপরাধ করেছে এবং অপরাধ সংঘটনের জন্য যে জাহাজ, গরুর গাড়ি-পশুবাহী যান ব্যবহার করেছে এবং যে বাক্সের মোড়কের বা গাঁটের মধ্যে এসব জিনিস গোপন করেছিল তার সম্পূর্ণটা বা আংশিক বা বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া যেতে পারে, এ বাজেয়াপ্তকরণ আদেশ দণ্ডাজ্ঞার অতিরিক্ত হবে।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) এ ধারায় দেখা যায় যে, বাজেয়াপ্তকরণ দণ্ডাদেশের অতিরিক্ত। অতএব দণ্ডাদেশ ছাড়া বাজেয়াপ্তের কোন আদেশ দেওয়া যাবে না।
[I WOAR 654]
(২) লাইসেন্স আছে এমন প্রত্যেক লাইসেন্সধারীকে তার অস্ত্র নিরাপদ হেফাজতে রাখার সতর্কতা ও অন্যকে তা ধার দেওয়া নিবারণ করতে সতর্কতা অবলম্বনের ব্যাপারে অত্যন্ত যত্নবান হতে হবে। এরূপ সতর্কতার অভাব ঘটলে জনশাস্তির প্রতি বিপজ্জনক হবে এবং এ ধারায় তা সরকার বরাবরে বাজেয়াপ্ত হতে বাধ্য।
[36 Cr. L. J. 1204 and 1935 (Pesh.) 103)
(৩) বাজেয়াপ্তকরণের ক্ষমতা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসক্রিশনারী। কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাজেয়াপ্তকরণের আদেশ দেওয়া ক্ষমতা বহির্ভূত। [৪ BLD (AD) 114-Sk Ali. Ahmed vs Secretary M/ o Home affairs]
Section-24 Sections 18 and 24-Cancellation and suspension of licence and confiscation of arms-Section 18 of the Arms Act speaks only of cancellation or suspension of licence of arms by different authorities while section 24 of the Act empowers the Court on conviction of the accused to confiscate the arms or ammunition in question.
In the instant case the petitioner having not being convicted in the case, the direction of the tribunal for taking steps for confiscation of the petitioner’s pistol is neither legal nor proper. The petitioner’s licence can, however, be always cancelled by the appropriate authority under section 18 of the Arms Act. Md. Abdus Samad Vs. The State, 15 BLD (AD) 153.
This section authorises a convicting Court or Magistrate to order the confiscation of the whole or a portion of arms, etc. in respect of which the offence had been committed together with any conveyance and/or containers in which such arms, etc. had been concealed; and such order may be passed besides the sentence that may be awarded to the accused.
The language of the section makes it clear, that the order of confiscation can only be made if an accused has been convicted of an offence under the Arms Act and not otherwise. As this section gives very drastic powers to the Courts and Magistrates, all licence-holders should be meticulous in taking all precautions for the safe custody of weapons for which they hold licence and for preventing borrowing of those weapons by other persons because absence of such precautions constitutes a danger to the public and hence may render the licensee punishable under this section also.
36 Cr. LJ 1204
বিবিধ প্রস্তাবনা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
বিবিধ প্রস্তাবনা
VII.-Miscellaneous
ধারা-২৫। ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তল্লাশি ও জব্দঃ
যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশ্বাস করার মত যুক্তি বা কারণ থাকে যে, তার স্থানীয় এলাকার মধ্যে বসবাসকারী কোন লোকের কাছে বেআইনী উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্যে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আছে, অথবা জনশান্তি বিপন্ন না করে এসব অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার এসব ব্যক্তির দখলে রাখা যাবে না।
এরূপ ম্যাজিস্ট্রেট তার বিশ্বাসের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে এসব ব্যক্তির দখলে থাকা বাড়ি বা ঘরে বা ম্যাজিস্ট্রেটের বিশ্বাসের কারণ আছে যে এসব অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারসমূহ পাওয়া যাবে, তার মধ্যে তল্লাশি চালাতে পারেন, এবং নিরাপত্তা হেফাজতের উদ্দেশ্যে এরূপ সময়ের জন্যে যা তিনি প্রয়োজন মনে করেন, এসব জব্দ ও আটক করতে পারেন, যদিও কোন লাইসেন্সের আবরণে বা অধীনে ছিল। এরূপ তল্লাশি ম্যাজিস্ট্রেটের দ্বারা বা ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে বা সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নামে বা অফিসের ক্ষমতাবলে বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার দ্বারা বা তার সম্মুখে পরিচালিত করতে হবে।
Sec. 25. Search and seizure by Magistrate.-
Whenever any Magistrate has reason to believe that any person residing within the local limits of his jurisdiction has in his possession any arms, ammunition or military stores for any unlawful purposes. Or that such person cannot be left in the possession of any such arms, ammunition or military stores without danger to the public peace.
Such, Magistrate, having first recorded the grounds of his belief, may cause a search to be made of the house or premises occupied by such person or in which such Magistrate has reason to believe such arms, ammunition or military stores are, or is to be found, and may seize and detain the same, although covered by a license, in safe custody for such time as he thinks necessary.
The search in such case shall be conducted by, or in the presence of a Magistrate, or by, or in the presence of, some officer specially empowered in this behalf by name or in virtue of his office by the¹ [Government].
ধারার বিশ্লেষণ
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তল্লাশি ও জব্দের বিষয় এ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন তার স্থানীয় এলাকার মধ্যে বসবাসকারী কোন লোকের কাছে বেআইনী উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্যে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আছে, যা জনশান্তি বিপন্ন করতে পারে, এরূপ ম্যাজিস্ট্রেট তার ঐরূপ বিশ্বাসের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে ঐ সকল ব্যক্তির বাড়িঘরে তল্লাশি চালাতে পারেন, এবং নিরাপত্তা হেফাজতের উদ্দেশ্যে এটা কিছু সময় আটক রাখতে পারেন।
উক্ত অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি কোন ব্যক্তির লাইসেন্সের আবরণে বা অধীনে থাকলেও জনশান্তি রক্ষার্থে এটি তল্লাশিক্রমে আটক করতে পারেন। এরূপ তল্লাশি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের দ্বারা বা ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার দ্বারা বা তাঁর সম্মুখে পরিচালিত করতে হবে।

উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) এ আইনের ২৫ ধারা দুটি সীমা নির্ধারণ করেছে, প্রথমত, বেআইনীভাবে দখলকৃত অস্ত্র, যা জনশান্তির ঝুঁকির খাতিরে এরূপ ব্যক্তির দখলে রাখা যায় না, এমন অস্ত্র জব্দ করার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ বিশ্বাস করার হেতুসমূহ লিপিবদ্ধ করবেন। দ্বিতীয়ত, ম্যাজিস্ট্রেট নিজে বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি তল্লাশি চলাকালে উপস্থিত থাকবেন। ৩০ ধারার অধীনে বেআইনী দখলকৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তল্লাশির পূর্বে আরো বাধা আরোপ করা হয়েছে। সন্দেহের বশবর্তী হয়ে তুচ্ছ বা উদ্দেশ্যমূলক তল্লাশি থেকে জনগণকে রক্ষা করা এবং পুলিশের নিরপেক্ষতা সম্বন্ধে জনমনে আস্থা জন্মানোর উদ্দেশ্যেই এসব বিধান করা হয়েছে।
[26 DLR 297]
(২) ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারার কার্যধারায় অস্ত্র আইনের ২৫ ধারার অধীনে অস্ত্র জব্দ করার আদেশ বৈধভাবেই প্রদান করা যায়।
[24 DLR 48]
(৩) তল্লাশির আনুষ্ঠানিকতার প্রতি অবজ্ঞার ফল- মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টির সুযোগ সীমিত করার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার বিধান পালন করা প্রয়োজন। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ছাড়া উপরোক্ত বিধান পালনে ব্যর্থতা উদ্ধারের সাক্ষ্যকে খুবই দুর্বল করবে।
[16 DLR 148]
(৪) অভিযোগীয় দোষারোপকারী জিনিসের তল্লাশি, উদ্ধার এবং জব্দ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা দ্বারা হয় নি, কিন্তু জনসাধারণ কর্তৃক হয়েছে যা বেআইনী।
[1987 BLD (AD) 22]
(৫) তল্লাশির বিধিতে বেআইনী কখন গ্রহণযোগ্য নয়- যেখানে আসামী কচির নির্দেশে, আসামী হোসনে আরা পাইপ গান বের করে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে, এক্ষেত্রে তল্লাশির কোন প্রশ্ন আসে না। তাই এক্ষেত্রে তল্লাশির বিধি আইনসঙ্গত হয়েছে কিনা তা দেখার প্রয়োজন পড়ে না।
[8 BLD 412 Kochi alias Jishan and others vs The state]
(৬) যদি ২৫ ও ৩০ ধারার বিধান অবজ্ঞা করা হয় এবং তা পালন না করার পক্ষে যুক্তিসঙ্গত অজুহাত প্রদর্শন করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত পুরো কার্যধারার প্রতিই সন্ধিগ্ধ দৃষ্টি দিবেন এবং তল্লাশির ফলাফলের উপর নির্ভর করে আসামীকে দণ্ডাজ্ঞা দিতে ইতস্তত করবেন, যদি না বাদীপক্ষ জোরালো এবং সন্দেহাতীত সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ না করেন যে, অপরাধমূলক বস্তুগুলো প্রকৃতপক্ষে আসামীর দখলেই পাওয়া গিয়েছিল।
[AIR 1935 Patna 465]
(৭) অস্ত্র আইনের ২৫ ধারার বিধান অনুসারে বিবাদী তল্লাশির পূর্বে তার বিশ্বাসের হেতুসমূহ লিপিবদ্ধ করে নি, সে কারণে উক্ত আইনের বিধান অনুসারে তল্লাশি সমর্থনযোগ্য হয় নি। যেহেতু বিবাদীর সামনে কোন কার্যধারা অপেক্ষমাণ ছিল না, সেহেতু ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারা অনুসারে বিবাদী কোন আদালত ছিল না এবং সে কারণে ১০৫ ধারার বিধান মতে, বিবাদী তার সম্মুখে তল্লাশি অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে সক্ষম ছিল না।
[8 CL J. 75]
(৮) বেআইনী তল্লাশি উদ্ভূত সাক্ষ্য দ্বারা দণ্ডাজ্ঞা প্রদান করা হলেও তা বৈধ হতে পারে। তল্লাশি আইনসঙ্গত হউক আর বেআইনী হউক, যদি কোন আসামীর দখলে অস্ত্র পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে তল্লাশির বৈধতা বা অন্য প্রশ্ন আসামীর দ্বারা উত্থাপিত হতে পারে না।
[8 CL J 75]
(৯) এ ধারার বিধানের অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অস্ত্র তল্লাশির আদেশ প্রদান করা না হলে তল্লাশি অবৈধ, কিন্তু এ ধারার বিধান পালনে ব্যর্থতা ১৯ ও ২০ ধারার অধীনে প্রদত্ত দণ্ডাজ্ঞাকে অবৈধ করবে না।
[1935 (Patna) 465]
Section-25:
1. Section 25-Search, recovery and seizure of arms and ammunitions not by a Magistrate or police officer but by a member of the public are illegal.
7 BLD (AD) 22.
2. Section 25.-An order of seizing arms under sec. 25 of the Arms Act can validly be made in a proceedings under Sec. 107 Cr. P.C.
Majibar Rahman Mallik Vs. Tabarak Majhi (1972) 24 DLR 48.
3. Section 25: Search under the section-How the search is to be conducted “Necessity underlying the precaution”.
Two limitations have been prescribed by section 25 of the Arms Act; first, a Magistrate who has been empowered to issue search warrants for the seizure of arms illegally possessed by somebody who can not be allowed to possess it without danger to public peace must record the grounds of his belief; and secondly, the Magistrate himself or any officer specially empowered by the Government should be present when the search is being conducted.
Further restrictions are imposed by section 30 of the Act before any search is to be conducted for recovery of arms illegally possessed. These provisions are aimed at to protect the citizens against frivolus or motivated searches which are conducted on mere suspicion and also to create confidence in the minds of the public regarding the impartiality of the police officer.
Panchu Vs. The State. (1974) 26 DLR 297. 4. Section 25-Since the arms were recovered at the instance of the accused, no search was necessary, invoking the application of the provisions provided in law for carrying out a search. No question of following the provisions of sections 103 and 165 of the Criminal Procedure Code and section 25 of the Arms Act therefore arises.
Kamruzzaman alias Babul Sikdar Vs. State DLR 416. The section provides two limitations for the exercise of powers under this section; first that the Magistrate shall record the grounds of his belief before Issuing a search warrant, and secondly, that the search shall be conducted by or in the presence of a Magistrate, or any officer specially empowered by the Government in this behalf by name or by virtue of his office. These limitations have been enacted for the protection of the subjects from frivolus searches conducted on mere suspicion and to inspire confidence in the proceedings conducted by the police.
1. It is a special and drastic power granted to a Magistrate.
13 N * 458 = 9CLJ 298.
2. It appears to refer to cases in which the Magistrate considers that the arms whether under a licence or not are possessed for an illegal purpose or under circumstances such as to endanger public peace.
8 Cal. 473.
3. In a general search for arms under this section, the Magistrate must record the grounds of his belief before issuing the warrants directed, in order to avail himself of the protection of this section.
9CLJ * 298 = 13CWI 458; 4 CWN 760.
Nature of proceedings under this section.-(1) A Magistrate directing issue of a warrant under this section to search premises acts as a Court. 3 CI * 0.1 * 75 = 12CW N 973; Whether he purports to act under this section or under the Code of Criminal Procedure. 20 Cr. LJ 90;
2. Conducting a search for arms is not an act done in the discharge of judicial duty. Where the search is for the purpose of discovering arms generally, section 165 of the Code of Criminal Procedure does not apply. 12 CWN 973 = 3CLJ * 75
3. This section does not override section 165 of the Code of Criminal Procedure. 114 PLR 1903.
Compliance with the provisions of this section. (Search).-(a) Search by night is not illegal and in cases under the Arms Act, is not restricted to the procedure laid down in this section. 4 PLR 481.
(2) The defendant who did not before causing the search of the plaintiff’s house to be made, first record the grounds of his belief as provided by this section, could not justify the search under the provisions of the said Act. 8 CLJ 75 = 12C W N 973.
(3) Where the offence has been undoubtedly committed by the accused who was in possession of the arms, the fact that the legal procedure as laid down in this section was not followed in making the search, would not by itself be sufficient ground to acquit the accused. 26 Cr. LJ * 1112 = 2SCr . LJ 652 = 103 I C 108 (2).
Wherein it is laid down that search for arms would be illegal if it was not ordered by a Magistrate in pursuance of this section.
4. The District Magistrate must comply with this section for search for arms.
39 Cal. 953 Р.С.
5 Search respecting an offence under section 19 must be made in presence of some officer specially appointed by local Government. Search by Police Officer in charge of reporting station empowered as above without warrant is not illegal.
19 Cr. LJ 949.
6. Search not made in presence of witnesses and recovery of arms thereby cannot be relied on.
1923 Lah. 466.
7. Search illegal yet if evidence is conclusive, conviction is proper. Two persons must be present, one making the search and the other specially appointed.
26 Cr. LJ 1112.
8. Where unlicensed possession of arms is clear, accused can not question the legality of the search.
Cr. LJ 1112.
8. Where unlicensed possession of arms is clear, accused can not question the legality of the search.
Cr. LJ 566.
9. A person charged under section (19) (f) cannot be acquitted simply because the search was not in strict compliance with section 103 of the Cr. PC.. 32 Cr LJ 699.
10. It is conceivable that there may be case of an exceptional nature where in view of the exigencies of a situation demanding immediate action, the provisions of this section and section 30 cannot be strictly complied with and in such cases if unimpeachable evidence is produced by the
prosecution to prove the possession of certain incriminating article by the accused, the prosecution cannot fail merely because the search was not made in strict accordance with the provisions of this section or section 30.
It is however to be remembered that on the other hand, the clear and unambiguous provisions of these sections cannot be allowed to be normally disregarded so as to reduce these section to a mere dead letter.
1935 Pat. 465 159 IC 487.
Information.-By entering the charge in the office diary or preparing the charge-sheet no criminal proceedings are instituted within this section, these acts being merely routine and administrative.
1927 Cal 721 = 28 Cr. LJ 817 = 104 IC 433 = 46 Cr. LJ 35.
ধারা-২৬। সরকার কর্তৃক জব্দ ও আটক:
এসব দখলে রাখার লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও সরকার যে কোন সময় যে কোন ব্যক্তির দখলে থাকা অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার জব্দ করার আদেশ দিতে পারেন বা জব্দ করতে পারেন, এবং জননিরাপত্তার কারণে এরূপ সময়ের জন্যে আটক রাখতে পারেন যা সরকার প্রয়োজন মনে করেন।
Sec. 26. Seizure and detention by Government.-
The [Government) may at any time order or cause to be seized any arms, ammunition or military stores in the possession of any person, notwithstanding that such person is licensed to possess the same, and may detain the same for such time as it thinks necessary for the public safety.
ধারার বিশ্লেষণ
সরকার জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে কিছু সময়ের জন্যে যে কোন লাইসেন্সধারী ব্যক্তির দখলে থাকা অস্ত্রশস্ত্র বা সামরিক সম্ভার জব্দ করার আদেশ দিতে পারেন বা আটক করতে পারেন।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
Section-26
Arms Act. 1878-
Section 26-Power of the Government to seize firearms from the possession of licencee for public safety-Deputy Commissioner has no such power-
In exercise of the power under section 26 of the Arms Act. 1878 the Government can pass order to seize fire arms from the possession of any person including a licensee for public safety. Under section 26 the Deputy Commissioner has no power to pass order to seize fire arms. The position of law being as such the impugned order of the Deputy Commissioner. Mymensingh having been passed without jurisdiction is declared illegal.
Golam Ambia Vs. The Deputy Commissioner, Mumensingh and others 9 MLR (AD) 134-136.
1. Section 26-The arms were seized by officer-in-charge, Kotwali, at the instance of the Deputy Commissioner, Mymensingh, Section 26 of the Arms Act does not empower the Deputy Commissioner to issue such an order for seizure of arms. The respondents have acted without jurisdiction and beyond his authority which cannot be sustained in law. Golam Ambia Vs. DC, Mymensingh and ors. (Civil), 9 BLC (AD) 49.
2. Section 26-Section 26 of the Act does not empower the Deputy Commissioner to issue an order for seizure of arms. Only the Government is empowered to seize arms of any person and to detain the same for such time as it thinks necessary for public safety.
Golam Ambia V. D.C., Mymensingh, 24 DLR (Ad) 82.
3. Section 26-Section 26 of the Act provides that the Government may at any time order or cause to be seized any arms ammunition or military stores in the possession of any person, notwithstanding that such person is licensed to possess the same and may detain the same for such time as it thinks necessary for the public safety. Major (Rtd.) M Asaduzzaman Vs. The District Magistrate, Jessore & others), 9 BLD (1999) (HCD) 404.
4. Section 2-Only the Government is empowered to seize arms of any person and to detain the same for such time as it thinks necessary for the public safety. The District Magistrate has acted in this respect without jurisdiction and beyond his authority which can not be sustained in law.
Mukbul Hossain Santu (Md) Vs. Bangladesh & ors 50 DLR 59.
5. The respondents having not filed any affidaviting- opposition disclosing materials justifying retention of the petitioner’s gun and licences in their possession, the impugned order is liable to be declared as having been issued without lawful authority and of no legal effect. 51 DLR 471.
6. Only the Government is empowered to seize arms of any person and to detain the same for such time as it thinks necessary for the public safety. The District Magistrate has acted in this respect without jurisdiction and beyond his authority which can not be sustained in law. [50 DLR 591]
7. Section 26-Section 26 of the Arms Act does not empower the Deputy Commissioner to issue such an order for seizure of arms. Only the Government is empowered to seize arms of any person and to detain the same for such time as it thinks necessary for the public safety.
Golam Ambia Vs. Deputy Commissioner & Ors. 12 BLT (2004) (AD)-63.
8. Section 26-Power of the Government to seize firearms from the possession of licence for public safety-Deputy Commissioner has no such power-In exercise of the power under section 26 of the Arms Act, 1878 the Government can pass order to seize fire arms from the possession of any person including a licensee for public safety. Under section 26 the Deputy Commissioner has no power to pass order to selze fire arms. The position of law being as such the impugned order of the Deputy Commissioner. Mymensingh having been passed without jurisdiction is declared illegal.
Golam Ambia Vs. The Deputy Commissioner, Mymensingh and others 9 MLR (2004) 34-136.
ধারা-২৭। অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা:
সরকার অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে সময় সময়-
(ক) কোন ব্যক্তিকে নামে বা পদাধিকার বলে, বা জন শ্রেণীকে অব্যাহতি দিতে, বা যে কোন প্রকার অস্ত্রশস্ত্র বা গোলাবারুদ বাদ দিতে, বা বাংলাদেশের যে কোন অংশে এ আইনে থাকা নিষিদ্ধকরণ বা নির্দেশের কার্যকারিতা তুলে নিতে পারেন, এবং
(খ) এ বিজ্ঞপ্তি বাতিল করতে এবং ব্যক্তিবর্গকে বা দ্রব্যাদি বা বাংলাদেশের অংশকে পুনরায় নিষিদ্ধকরণ বা নির্দেশনামার অধীনে আনতে পারেন।
Sec. 27. Power to exempt.-
The [Government] may from time to time, by notification² published in the³ [official Gazette].
4(a) exempt any person by name or in virtue of his office, or any class of persons, or exclude any description of arms, ammunition, or withdraw any part of 1 [Bangladesh.] from the operation of any prohibition or direction contained in this Act; and b) cancel any such notification, and again subject the persons or things or the part of² [Bangladesh]3… comprised therein to the operation of such prohibition or direction.
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারায় আইন সরকারকে কোন কোন ক্ষেত্রে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন। সরকার গেজেটে প্রকাশের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে বা পদাধিকারীকে বা শ্রেণীকে অব্যাহতি দিতে বা যে কোন প্রকার অস্ত্রশস্ত্র বা গোলাবারুদ বাদ দিতে, বা বাংলাদেশে যে কোন অংশে এ আইনে থাকা নিষিদ্ধকরণ বা নির্দেশের কার্যকারিতা তুলে দিতে পারেন। সরকার এ ধরনের বিজ্ঞপ্তি বাতিল করতে পারেন। আবার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কোন অংশকে পুনরায় নিষিদ্ধকরণ বা নির্দেশনামার অধীনে আনতে পারেন।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) জুলফিকার আলী ভুট্টো বনাম পাকিস্তান সরকার মামলায় অস্ত্র আইনের ২৭ ধারার অধীনে যে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে তার পদের কারণে নয়, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, নোটিফিকেশনে মন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করার কারণ হল তার বর্ণনা দেওয়া, এবং নোটিফিকেশনগুলো হতে যা দেখা যায় তার দপ্তরের সঙ্গে বর্ণনাও বিভিন্ন হয়েছে। সে কারণে আদালতের সিদ্ধান্ত হল যে, উভয় নোটিফিকেশনই সুনিশ্চিতভাবে ইস্যু করা হয়েছে এবং সেগুলো কার্যকর ছিল, আর যথাযথভাবে বাতিল না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো কার্যকর থাকবে। নোটিফিকেশনগুলোর অধীনে অব্যাহতি ছিল আবেদনকারীর নামে।
[DLR (W.P) 175]
(২) ১৯২৪ সালের অস্ত্র আইন বিধিমালার ১১ তফশিলের তৃতীয় কলামের প্রযোজ্যতা ও পরিধি- স্পষ্টভাবেই অনুবিধির এটা অভিপ্রেত যে, প্রাদেশিক সরকার এ আইনে থাকা সকল বা যে কোন নিষেধ বা নির্দেশ রেখে দিতে পারেন। অন্য কথায় প্রাদেশিক সরকারের উপর অর্পিত ক্ষমতা কোন নতুন নিষেধ প্রবর্তন করবার জন্য নয়, কিন্তু অস্ত্র আইনে যে সব নিষেধ এবং নির্দেশ আছে, তার সব বা যে কোনটা রেখে দেওয়ার জন্য। সে কারণে অস্ত্র আইনে থাকা নিষেধ এবং নির্দেশগুলো ৪ ইঞ্চির অধিক লম্বা ব্লেডের ছুরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, এটি ঘোষণা করবার ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের নেই। এ আইনে থাকা বাধা-নিষেধ এবং নির্দেশ ছুরির বেলায় প্রযোজ্য হতে পারে যদি ঐগুলো অস্ত্রের সংজ্ঞায় পড়ে।
[PLD 1963 (Pesh) 58 (DB)]
(৩) যে ক্ষেত্রে ২৭ ধারার অধীনে এমন শর্ত আছে যে, অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক অস্ত্র দখলে রাখা বা বহন করা শুধু তার ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য হবে, সেক্ষেত্রে এটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, চাকরকে তার মনিবের জন্য পাখি শিকারের জন্য পাঠান ‘ব্যক্তিগত ব্যবহার’ এর অর্থে পড়ে না। [12 Cr. L. J. 122]
Section-27
1 Section 27-Exemptions granted under section 27 of the Arms Act, 1878 to a Central Minister in his name by Government Notification are exemptions granted, not by virtue of his office as a Central Minister but in his name personally. Exemptions were granted to Zulfikar Ali Bhutto under section 27 of the Arms Act, 1878 in the following terms:
“The Central Government is pleased to exempt Mr. Zulfikar Ali Bhutto, Minister for Fuel, Power and Natural Resources, Government of Pakistan, from the operation of the prohibitions and directions contained in sections 13 to 15 of the said Act in respect of the arms specified in the schedule below.
Where the petitioner ceased to be a Minister of the Central Government the exemptions granted to him earlier were rescinded by another notification. The petitioner challenged the validity of this latter notification and it was-
Held: The mention in the notification of the petitioner being a Minister was merely to give description and that description varied with his portfolio as would be seen in the two notifications. Both these notifications were deliberately issued and they were effective and would remain so until duly cancelled. Under them the exemption to the petitioner was in his name.
ZA. Bhutto Vs. Govt. of Pakistan (1969) 21 DLR (WP) 175.
2. Arrest (unauthorised)-The mere fact that a person has been arrested in an unauthorised manner does not generally affect the jurisdiction of the Tribunal, before which he is brought for trial, to try him according to law.
M.S.K. Ibrat. Vs. in Chief (1956) 8 DLR (SC) 128.
Power of the Government.-(1) There is no provision of law or of any rule having the force of law whereby the Army Regulations, can be held legally to restrict the powers exercised by the Governor-General in Council under this section.
3 PLR 13; 5 PLR 1902.
2. There is nothing in the Arms Act to exempt the Custodian of a temple from complying with the requirements of the Arms Act, either by taking out a licence or obtaining
8 Cal. 473.
exemption under this section. 3. The Government can exempt certain classes of persons from the operation of any prohibition or direction contained in this Act.
1899 AWN 213.
4. The Government have under this section the power of excluding any description of arms from the operation of this Act. (1893-1900) LBR 416. Vide Sch. II and III of the Arms Rules, 1924 for exclusion of the description of arms and ammunition.
5. The Government has excluded from the operation of the Act, under the powers conferred by this section, any arm belonging to a commissioned officer, warrant officer, non- commissioned officer or soldier of His Majesty’s Forces for the time being serving beyond the limits of British India. Government of India H. D. Notification N. 1582, dated 20th August, 1920.
6. Under section 124 of the Government of India Act, 1935 sub section (1) the Government can delegate its functions under this section to the Provincial Government. 1950 All. 423. Notification.-A Notification imposing penalty must be construed strictly. 1930 Bom, 153.
Publication printed in Government of India press is not notification.
34 Cr. LJ 112.
KIRPANS
1. The word “kirpan” has not been defined by the Arms. Act, nor it has been included in the definition of arms given under section 4 of the said Act.
2. In 23 Cr. LJ 78, it was held that the weapon in question which was described as a short sword 31 inches long with a blade length of 22 inches in a simple scabbard, was a sword and had not been proved to be a kirpan and the possession thereof was, therefore, an offence under the Arms Act.
The Punjab Government Notification had not defined the word kirpan and had not used the word “sword” anywhere in the definition; therefore, the exemption did not apply to every sword of any shape or dimensions. Hence it implied that what was exempted was a pecullar kind of a sword called a kirpan and not every sword possessed or carried by a Sikh.
But in a later Ruling reported in 5 Lah. 308 it is held, after distinguishing the above Ruling, that the word kirpan as used in schedule II, 3 (vi) of the Arms Rules 1924, could only be understood and read as meaning a “sword” and that therefore, a Sikh, possessing or wearing one sword commits no offence under the Arms Act. It was difficult to distinguish a kirpan from an ordinary sword beyond the use of the word kirpan for the sake of consecrated “K” and until the Government qualified the word kirpan as used in the Schedule by fixing the length or describing the shape of both kirpan and sword were identical and synonymous.
26 Cr. LJ 661; 31 Cr. LJ 847.
3. The expression “possessed or carried” used in the 2nd column of Sch. II in entry No. 3 (vi) of the Arms Rules, 1924, means what they say and can not be extended to include within the said exemption the “manufacture” of kirpans which is distinct from possession thereof. Hence the exemption applied only to kirpans actually in existence and not those being brought into existence.
4. A sword stick is not kirpan.
25 Cr. L.J. 342.
5. Sikh carrying kirpan is not guilty.
29 Cr. L.J. 425.
Proof of exemption.-Person claiming prove that he comes within it. exemption must
23 Cr. L.J. 78.
ধারা-২৮। অপরাধ সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে:
এ আইনের অধীনে শাস্তির যোগ্য কোন অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে জ্ঞাত প্রত্যেক ব্যক্তি যুক্তিযুক্ত অজুহাত না থাকলে, প্রমাণের দায়-দায়িত্ব যেখানে এসব লোকের উপর এসব তথ্য নিকটবর্তী পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদান করবে, এবং রেলপথে বা সরকারি বাহনে নিয়োজিত প্রত্যেক ব্যক্তির যুক্তিযুক্ত অজুহাত না থাকলে প্রমাণের দায়-দায়িত্ব যেখানে এসব লোকের উপর, পরিবহনে থাকা কোন বাক্স, মোড়ক (প্যাকেজ) বা গাঁট সম্পর্কে নিকটবর্তী পুলিশ অফিসারকে তথ্য প্রদান করবে, যার মধ্যে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আছে বলে তার সন্দেহের কারণ আছে যা দ্বারা এ আইনের অধীনে একটা অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা হচ্ছে।
Sec. 28. Information to be given regarding offences.-
Every person aware of the commission of any offence punishable under this Act shall, in the absence of reasonable excuse, the burden of proving which shall lie upon such person, give Information of the same to the nearest police- officer or Magistrate, and every person employed upon any railway or by any public carrier shall, in the absence of reasonable excuse, the burden of proving which shall lie upon such person, give information to the nearest police-officer regarding any box,
package or bale in transit which he may have reason to suspect contains arms, ammunition or military stores in respect of which an offence against this Act has been or is being committed.
ধারার বিশ্লেষণ
অস্ত্র আইনে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যদি জানা থাকে, তবে সে উক্ত তথ্য নিকটবর্তী পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদান করবে। যদি কেউ রেলপথে বা সরকারি বাহনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বেআইনীভাবে বহন করে এবং উক্ত রেলগাড়ি বা সরকারি বাহনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মনে যদি বেআইনী অস্ত্রশস্ত্র বাহন সম্পর্কে সন্দেহের উদ্রেক হয় তবে উক্ত তথ্য নিকটস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।
ধারা-২৯। (১৯৮০ সালের ৭ম আইন দ্বারা বাদ দেওয়া হয়েছে)
ধারা-৩০। ১৯ (চ) ধারার ব্যাপারে তল্লাশি কেমনভাবে পরিচালিত হবে:
১৯ ধারার ‘চ’ দফায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য দায়েরকৃত মামলা চলাকালে যে ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে তল্লাশি চালানো হবে, ঐ বিধিতে যাই থাকুক, ঐ কার্যবিধিতে (কোড) যে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও নামে বা পদহেতু সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তার সম্মুখে এরূপ তল্লাশি করতে হবে, অন্যভাবে নয়।
Sec. 30. Searches in the case of offences against section 19, clause (f), how conducted.-
Where a search is to be made under the code of criminal procedure 7, in the course of any proceedings instituted in respect of an offence punishable under section 19, clause (1), such search shall, notwithstanding anything contained in the said code, be made in the presence of some officer specially appointed by name or in virtue of his office by the [Government] in this behalf, and not otherwise.
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
This section provides that in case a search is to be made in connection with an offence under section 19(f), it must be conducted in the presence of an officer especially appointed by name or in virtue of his office. 8 Cal. 473. This provision has been made to restrict the power of the Police Officers. The search is legal if it is conducted by officer in charge of a Police Station.
19 Cr. LJ 949.
An illegality of search has no bearing on the question of the guilt of the accused. A conviction under section 19 (1) of the accused may be perfectly legal and sound irrespective of the fact that the evidence upon which the conviction was based may have been procured as the result of an illegal search.
51 Cr. LJ 977.
Proceedings. The time of the institution of proceedings referred to in this section and section 29 is the same and in view of the terms of this section it has reference not to the actual institution of the proceedings in Court but to the earlier stage when proceedings are started by the Police in connection with the case before they proceed to search acting on information. However the absence of sanction prior to search does not affect the actual admissibility of the search evidence.
IL R 2 Cal. 245 (1948).
ধারা-৩০ক। অস্ত্রশস্ত্র এবং গোলাবারুদ বিশারদের মত প্রয়োজন নেই: এ আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধের জন্যে কোন বিচারে, কোন বস্তু বা কোন জিনিস অস্ত্রশস্ত্র বা গোলাবারুদ কিনা তা প্রমাণের জন্যে কোন বিশারদের মতামত বা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই, যদি না অপরাধের বিচারের সময় আদালতের মতো এরূপ মতামত বা পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।
1[Sec, 30A. Opinion of arms and ammunition expert not necessary.-
In a trial of an offence punishable under this Act, no opinion or examination or any expert on arms or ammunition shall be necessary to prove whether or not any articles or things are arms or ammunition unless in the opinion of the court trying the offence such opinion or examination is necessary.
ধারার বিশ্লেষণ
অস্ত্র আইনের ১৯ (চ) ধারার ব্যাপারে তল্লাশি কেমনভাবে পরিচালিত হবে তা বর্ণনা করা হয়েছে।
অস্ত্র আইনের ১৯ (চ) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য দায়েরকৃত মামলা চলাকালে ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে তল্লাশি সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন, এ আইনের ১৯ (চ) ধারাধীন তল্লাশি সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সম্মুখে অবশ্যই করতে হবে।
অস্ত্র আইনের ৩০ ধারার সাথে ৩০ (ক) ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এ নতুন ধারা সংযোজন করে বলা হয়েছে যে, এ আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধের জন্যে কোন বিচারক, কোন বস্তু বা কোন জিনিস অস্ত্রশস্ত্র বা গোলাবারুদ কিনা তা প্রমাণের জন্য কোন বিশারদের মতামত বা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই, যদি না আদালতের মতে এরূপ মতামত বা পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।
৩০খ। অপরাধ তদন্তের সময়সীমা:
(১) Code of Criminal Procedure, 1898 এ ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন, এ আইনের অধীন কোন অপরাধের তদন্ত-ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতে-নাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হয়ে পুলিশের নিকট সোপর্দ হলে, তার ধৃত হবার তারিখ হতে পরবর্তী পনের কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতে-নাতে ধৃত না হলে অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য প্রাপ্তির তারিখ হতে বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
(২) কোন যুক্তিসংগত কারণে উপ-ধারা ৯১) এ উল্লেখিত সময়ের মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে, তদন্তকারী কর্মকর্তা কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধের তদন্তকার্য সম্পন্ন করবেন এবং তৎসম্পর্কে কারণ উল্লেখপূর্বক তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যেও তদন্তকার্য সম্পন্ন করা না হলে, সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা অতিক্রান্ত হবার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে উক্তরূপ তদন্তকার্য সম্পন্ন না হওয়া সম্পর্কে তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ও লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন তদন্তকার্য সম্পন্ন না হওয়া সম্পর্কে অবহিত হবার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটে কর্তৃক তদন্তের আদেশ প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে সেই সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত অপরাধের তদন্তভার অন্য কোন কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করতে পারবেন এবং উক্তরূপে কোন অপরাধের তদন্তভার হস্তান্তর করা হলে তদন্তের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতে-নাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হয়ে পুলিশের নিকট সোর্পদ হলে, তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করবেন; অথবা
(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ পরবর্তী ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করবেন।
(৫) উপ-ধারা (৪) এ উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যেও তদন্তকার্য সম্পন্ন করা না হলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সময়সীমা অতিক্রান্ত হবার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে উক্তরূপ তদন্তকার্য সম্পন্ন হওয়ার সম্পর্কে তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটকেও লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
৬। উপ-ধারা (২) বা (৪) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে কোন তদন্তকার্য সম্পন্ন না করার ক্ষেত্রে, তৎসম্পর্কে ব্যাখ্যা সম্বলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের আদেশ দেন সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তাই দায়ী, তাহলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা বলে বিবেচিত হবে এবং এ অদক্ষতা তার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকুরি বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।”
Sec. “30B. Time limit for completion of investigation.
(1) Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) or in any other law for the time being in force, an investigation of an offence under this Act shall be completed:
(a) within fifteen working days from the date of arrest of the accused, where the accused is arrested at the time of commission of the offence by the police or by any other person and handed over to the police; or
(b) within sixty working days, from the date of receipt of Information regarding the commission of the offence or from the date of receipt of an order of any magistrate for investigation of such offence when the accused is not arrested at the time of commission of the offence.
(2) Where an investigation is not completed within the period specified in sub-section (1), the investigation officer may, after recording the reasons in writing, complete the investigation within a further period of seven working days and shall report it in writing to his cotrolling officer and also to the magistrate concerned.
(3) Where an investigation is not completed within the extended period specified under sub-section (2), the investigation officer shall, within twenty four hours of the expiry of that period, report it in writing, stating reasons therefor, to his controlling officer and also to the magistrate concerned.
4) Upon receipt of a report under sub-section (3), the controlling officer or, when the investigation was ordered by a magistrate, the magistrate concerned, may transfer the responsibilty for investigation to some other officer and, where the responsibility for investigation is so transferred, the officer who received the responsibility shall complete the investigation:-
(a) within seven working days from the date of receipt of the order of transfer, where the accused is arrested at the time of commission of the offence by the police or by any other person and handed over to the police; or
(b) within thirty working days from the date of receipt of the order of transfer in any other case.
(5) Where an investigation is not completed within the period specified under sub-section (4), the investigation officer shall, within twenty four hours of the expiry of that period, report it in writing, stating reasons therefor, to his controlling officer and also to the magistrate concerned.
(6) Where, after examination of the report submitted under sub-section (2) and (4), the controlling officer or when the investigation was ordered by a magistrate, the magistrate concerned finds that the investigation officer is liable for the non-completion of investigation within the specified period, such liability shall be deemed to be inefficiency of that officer and such inefficiency shall be recorded in his annual confidential report, and in appropriate case departmental action may be taken against him under the service rules applicable to him.”
ধারা-৩১। অন্যান্য আইনের কার্যকারিতা বারিত নয়ঃ
এ আইনের কোন কিছুই অন্য কোন আইনের অধীনে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা থেকে বাধা দিবে না (তার) এমন কোন কার্যে বা বিচ্যুতির জন্য যা এ আইন বা তদাধীনে প্রণীত বিধিমালার অধীনে অপরাধ গঠন করে বা এ আইনে ব্যবস্থিত শাস্তি বা দণ্ডের চেয়ে অন্য আইনের অধীনে উচ্চতর শাস্তি বা দণ্ডের জন্য দায়ী হওয়া থেকে (বাধা দিবে না) তবে শর্ত এই যে, একই অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে দুবার শাস্তি দেওয়া হবে না।
Sec. 31. Operation of other laws not barred.-
Nothing in this Act shall be deemed to prevent any person from being prosecuted under any other law for any act or omission which constitutes an offence against this Act or the rules made under it, or from being liable under such other law to any higher punishment or penalty than that provided by this Act: provided that no person shall be punished twice for the same offence.
ধারার বিশ্লেষণ
এ আইনের কোন কিছুই অন্য আইনের অধীনে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা থেকে বাধা দিবে না। তবে শর্ত থাকে যে, একই অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে দুবার শাস্তি দেওয়া হবে না।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) যেক্ষেত্রে একটি মামলা অস্ত্র বা বিস্ফোরক আইনের অধীনে সঠিকভাবে বিচার হতে পারত কিন্তু সরকারি অভিযুক্ত পুনঃবিচারের আদেশ প্রদানের জন্য হাইকোর্টকে বলে নি, সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট নতুন বিচার ছাড়া উক্ত যে কোন আইনের অধীনে আসামীকে দণ্ডাজ্ঞা দিতে পারে না। [8 IC 397 and Cr. L. J. 645]
Section-31:
Section 31-The charges against the accused were for conspiracy and for killing the President Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, his family members and relations, which as got no relevance to mutiny as detailed in the aforesaid Acts or Ordinance. State Vs. Lieutenant Colonel Syed Farook Rahman 53 DLR 287.
(1) The accused was sentenced to a term of imprisonment for an offence under the Arms Act. The sentence was ordered to run concurrently with another sentence previously passed upon him under section 123, Criminal Procedure Code. Held that the sentence for the substantive offence must commence at once and cannot be postponed to take effect after the expiry of the period of imprisonment in default of giving security for good behaviour which the accused was undergoing at the date of the conviction, that section 35. Criminal Procedure Code applies to sentences on conviction for offences at one trial and has no application to imprisonments under section 123, Criminal Procedure Code.
5 BLR 26.
(2) The case against the accused was found on facts which constituted an offence under the Arms Act as well as under section 30 of the Rangoon Police Act. Held that the accused should not have been charged and convicted twice as for two offences under each of the said Act.
3 LBR 218.
(3) Where a case might properly have been tried under the Arms Act or the Explosives Act, but the public prosecutor did not ask the High Court to order a retrial, the High Court cannot convict the accused under either of those two enactments without a fresh trial.
8 MLT 289.
ধারা-৩২। শুমারি নেওয়ার ক্ষমতা:
সরকার সময় সময় অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যে কোন আগ্নেয়াস্ত্রের শুমারি নিতে নির্দেশ দিতে পারেন, এবং নামে বা তার অফিসের ক্ষমতাবলে কোন ব্যক্তিকে এরূপ শুমারি নেওয়ার জন্য ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন। এরূপ কোন বিজ্ঞপ্তির পর এসব এলাকায় এরূপ আগ্নেয়াস্ত্র থাকা সকল ব্যক্তি ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে এরূপ তথ্য প্রদান করবে যা তিনি প্রসঙ্গক্রমে চাইবেন, এবং তিনি যদি তা চান তাহলে এসব অস্ত্রশস্ত্র তার কাছে হাজির করবে বা জমা দিবে। যদি কেউ এসব অস্ত্রশস্ত্র হাজির করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে যখন তা চাওয়া হয় তাকে ১ (এক) মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
Sec. 32. Power of take census of fire-arms.
The2 [Government] may from time to time, by notification in the³ [official Gazettel, direct a census to be taken of all fire- arms in any local area, and empower any person by name or in virtue of his office to take such census. On the issue of any such notification, all persons possessing any such arms in such area shall furnish to the person so empowered such information as he may repuire in reference thereto, and shall produce such arms to him if he so requires.
Any person refusing or neglecting to produce any such arms when so required shall be punished with imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to two hundred [takal, or with both.
ধারার বিশ্লেষণ
এ ধারায় সরকারকে প্রয়োজনবোধে সময় সময় আগ্নেয়াস্ত্রের শুমারি লওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে। সরকার সময় সময় অফিসিয়াল গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যে কোন আগ্নেয়াস্ত্রের শুমারি নিতে নির্দেশ দিতে পারেন। এরূপ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পর আগ্নেয়াস্ত্রধারী ব্যক্তি তাদের নিকট থাকা আগ্নেয়াস্ত্রের তথ্য প্রদান করবে। সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি এটা জমা দেওয়ার আদেশ দেন তবে আগ্নেয়াস্ত্রধারী ব্যক্তি এটা জমা দিবে। যদি কেউ এসব অস্ত্রশস্ত্র হাজির করতে অস্বীকার করে বা জমা দিতে অস্বীকার করে তাকে ১ (এক) মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
ধারা-৩৩। আইনগত ব্যবস্থা বা মামলার বিজ্ঞপ্তি এবং মেয়াদঃ
এ আইনের অধীনে কৃত কোন কাজের জন্যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাকে অভিপ্রেত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয় এবং তার উদ্ভূত কারণ এক মাস পূর্বে লিখিত বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে দেওয়ানী মামলা ব্যতীত কোন কার্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না, নতুবা এরূপ উদ্ভূত কারণ হতে ৩ (তিন) মাস উত্তীর্ণ হওয়ার পর।
Sec. 33. Notice and limitation of proceedings.-
No proceeding other than a suit shall be commenced against any person for anything done in pursuance of this Act, without having given him at least one month’s previous notice in writing of the intended proceeding and of the cause thereof, nor after the expiration of three months from the accrual of such cause..
THE FIRST SCHEDULE.-[Enactments repealed) Rep. by the Repealing Act, 1938 (I of 1938). s. 2 and Sch
THE SECOND SCHEDULE.-(Arms, etc., liable to Dutyl Rep. by the Amending Act, 1891 (XII of 1891.)
ধারার বিশ্লেষণ
এ আইনের অধীনে কৃত কোন কাজের জন্যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে উক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের এক মাস পূর্বে লিখিত বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে কোন কার্যব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না তবে ঐরূপ উদ্ভূত কারণ হতে ৩ (তিন) মাস উত্তীর্ণ হওয়ার পর লিখিত বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে উক্তরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে এবং দেওয়ানী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে ঐরূপ বিজ্ঞপ্তির প্রয়োজন হবে না।
THE FIRST SCHEDULE [Enactments repealed) Rep by the Repealing Act, 1938 (1 of 1938), S. 2 and Sch.
THE SECOND SCHEDULE (Arms, etc liable to Duty | Rep. by the Amending Act, 1891 (XII of 1891).
রহিতকরণ ও হেফাজত, (১) Arms (Amendment) Act, 1990 (অধ্যাদেশ নং ২৬, ১৯৯০) এবং Arms (Amendment) Act, 1991 (অধ্যাদেশ নং ১১, ১৯৯১) এতদ্বারা রহিত করা হল।
(২) অনুরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও রহিত Ordinance গুলো দ্বারা সংশোধিত উক্ত Act-এর অধীন কৃত কোন কাজকর্ম বা গৃহীত কোন ব্যবস্থা এ Act-দ্বারা সংশোধিত উক্ত Act-এর অধীন কৃত বা গৃহীত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪
The Explosives Act, 1884
(১৮৮৪ সনের ৪নং আইন)
[Act IV of 1884]
[২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮৪]
[26th February, 1884]

বিস্ফোরক দ্রব্যের উৎপাদন, দখল, ব্যবহার, বিক্রয়, পরিবহন এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণের নিমিত্ত একটি আইন। যেহেতু বিস্ফোরকের উৎপাদন, দখল, ব্যবহার, বিক্রয়, পরিবহন এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক, সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন প্রণীত হল-
An Act to regulate the manufacture, possession, use, sale, transport and importation of Explosives.
WHEREAS it is expedient to regulate the manufacture, possession, use, sale, transport and importation of explosives; It is hereby enacted as follows:-
ধারা-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম (Short title) :
(১) এ আইন (২) [* *] বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪ নামে অভিহিত হবে;
এবং
স্থানীয় আওতা (Local extent) : (৩) [(২) এ আইন সমগ্র (৪) [বাংলাদেশে] কার্যকর হবে।।
Sec. 1. Short title:-
(1) This Act may be called the 2ª Explosives Act, 1884; and
[(2) Local extent It extends to the whole of 4[Bangladesh].
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]-বিস্ফোরক আইন বাংলাদেশের আইনসমূহের মধ্যে একটা অতি প্রয়োজনীয় আইন হিসেবে খ্যাত এবং অত্র আইনের প্রয়োগ ও কার্যকারিতা বর্তমানে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘বিস্ফোরক শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হচ্ছে যা আকস্মিকভাবে সশব্দে বিদীর্ণ হয় বা ফেটে যায়। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত এরূপ দ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্যই অত্র আইনের সূচনা। কেবল বিস্ফোরক পদার্থই অত্র আইনের বিষয়বস্তু নয়, এরূপ পদার্থের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়, যথা-এগুলোর উৎপাদন, পরিচালনা, ব্যবহার, বিক্রয়, আমদানি ইত্যাদি বিষয়ে অত্র আইনে বিধান করা হয়েছে। এ আইন ছাড়াও ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধি আইনের ২৮৬ ধারা, ১৮৯০ সনের পোস্ট অফিস আইনের ১৯ ও ৬১ ধারা, ১৮৯১ সনের রেলওয়ে আইনের ৫৯ ধারা, ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যের উপাদানাবলি আইন, ১৯২৩ সনের মার্চেন্ট শিপিং আইনের ১৪৩-ক ধারা, অপরাপর বিস্ফোরক দ্রব্য সম্পর্কিত।
ধারা-২। বলবৎকরণ (Commencement) :
(এ) (৫) [সরকার] (৬) [অফিসিয়াল গেজেট] বিজ্ঞপ্তিযোগে যে দিন ধার্য করবেন সেই দিন (৭) থেকে সাত দিনের মধ্যে এ আইন বলবত হবে।
(১)[. . . . . . . . . . . ]।
Sec.-2. Commencement:-
(1) This Act shall come into force on such days 5as the 6[Government], by notification in the 7[official Gazette], appoints:
৪ [ . . . . . . . . . . . ]
ধারা-৩। ইন্ডিয়ান পোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৯ (১৮৮৯ সনের ১০নং আইন) (২) এর ধারা ২ ও তফসিল ২ দ্বারা বাতিল করা হয়েছে।
Sec.-3. [Repeal of protions of Act XII of 1875.] Rep, by the Indian Ports Act, 1889 (X of 1889)9, s. 2ad Sch. II.
ধারা-৪। সংজ্ঞা (Definitions):
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকলে, এ আইনে-
(১) “বিস্ফোরক”(৩)-
(এ) বলতে বারুদ, নাইট্রোগ্লিসারিন (এসিড বিস্তৃত শক্তিশালী বিস্ফোরক), ডিনামাইট, গান কটন (এসিড সিক্ত তুলা), ফাটানো পাউডার, পারদ বা অন্য ধাতুসমূহের বিস্ফোরণ, কলারড ফারারস্ বা অন্য প্রত্যেক দ্রব্য উপরোল্লিখিত সদৃশ্য হোক বা না হোক, বিস্ফোরণ দ্বারা বাস্তব ফল উৎপাদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত বা নির্মিত বা একটা আতশবাজির নির্মাণ কৌশল কার্যকর করাকে বুঝানো হবে; এবং
(বি) কুয়াশা-সংকেতাদি, আতশবাজি, ফিউজসমূহ (বিস্ফারণের জন্য দাহ্য পদার্থপূর্ণ নল) রকেটসমূহ সংঘর্ষ ঢাকনা, বিস্ফোরক পদার্থসমূহ, গুলি, প্রত্যেক প্রকারের গোলাগুলি এবং বিস্ফোরকের প্রত্যেক অভিযোজন (এডাপটেশন) বা প্রস্তুতি যেমন উপরে বর্ণনা করা হয়েছে, এগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে;
(২) ‘নির্মাণ করা’ শব্দটির মধ্যে কোন বিস্ফোরককে অবয়ব অংশে ভাগ করার বা অন্যভাবে ভাঙন বা ধ্বংস করার পদ্ধতি বা নষ্ট হয়ে যাওয়া বিস্ফোরককে ব্যবহারের উপযোগী করা এবং কোন বিস্ফোরকের রায় পরিবর্তন বা মেরামতের পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে; (৩) “ভেসল” (বাহিকা) শব্দটির মধ্যে প্রত্যেক জাহাজ, নৌকা এবং বাহিকা দাঁড় দিয়ে চালিত হোক বা অন্য উপায়ে চালিত হোক, নৌ চালনে ব্যবহৃত অন্য বাহিকা (ভেসল) অন্তর্ভুক্ত হবে;
(৪) “ক্যারিজ” গাড়ি শব্দটি দ্বারার মধ্যে যেকোন গাড়ি, ওয়াগন, গরুর গাড়ি, ট্রাক, যান (ভিহাইল্) বা স্থলপথে মাল বা যাত্রী পরিবহনের মারফত, তা যে পদ্ধতিতেই চালিত হোক না কেন অন্তর্ভুক্ত হবে;
(৫) “মাস্টার” বা পোতাধ্যক্ষ শব্দটির মধ্যে সাময়িকভাবে কোন ভেসেলের আধিপত্যে বা দায়িত্বে আছে এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে (পাইলট বা পোতাশ্রয় অধ্যক্ষ ব্যতীত) অন্তর্ভুক্ত হবে; তবে শর্ত থাকে যে, কোন জাহাজের মালিকানাধীন কোন লোক সম্পর্কে ‘মাস্টার’ বলতে জাহাজের ‘মাস্টার’ কে বুঝানো হবে;
(৬) “আমদানি” বলতে আকাশ, সমুদ্র বা স্থলপথে(৪) [বাংলাদেশে) আনয়ন করা বুঝায়।
Sec.-4. Definition:-
In this Act, unless there is something repugnant in the subject or context-
(1) ‘explosive’l
(a) means gunpowder, nitroglycerin, dynamite, gun- cotton, blasting powders, fulminate of mercury or of other metals, coloured fires and every other substance, whether similar to those above- mentioned or not, used or manufactured with a view to produce a practical effect by explosion, or a pyrotechnic effect; and
(b) includes fog-signals, fireworks, fuses, rockets, percussion-caps, detonators, cartridges, amminition of all descriptions, and every adaptation or preparation of an explosive as above defined:
(2) “Manufacture” includes the process of dividing into its component parts, or otherwise breaking up or unmaking, any explosive, or making fit for use any damaged explosive, and the process of re-making altering or repairing any explosive:
(3) “vessel” includes every ship, boat and other vessel used in navigation, whether propelled by oars or otherwise: (4) “carriage” includes any carriage, wagon, cart, truck, vehicle or other means of conveying goods, or passengers by land, in whatever manner the same may be propelled:
(5) “master” includes every person (except a pilot or harbourmaster) having for the time being command or charge of a vessel: provided that, in reference to any boat belonging to a ship, “master” shall mean the master of the ship:
(6) “import” means to bring onto 2[Bangladesh] by sea or land.
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]- অত্র ধারায় ‘বিস্ফোরক’ সম্বন্ধীয় শব্দাবলীর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। আইনের যেখানেই এ ধরনের শব্দাবলীর প্রয়োগ হবে সেখানেই উপরোক্ত অর্থানুসারে এগুলোর ব্যাখ্যা করতে হবে। ‘বিস্ফোরক’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে তা এরূপ পদার্থের সমন্বয়ে প্রস্তুত যে, কেউ তা ফাটাতে চেষ্টা করলে ফাটানো যাবে। আইনের প্রয়োগের সময় শব্দটি এরূপ ব্যাপকতার সাথে গ্রহণ করতে হবে যে, যেন ইলেকট্রিক স্পার্কলকেও এর আওতাভুক্ত বলে গণ্য করা হয়।
[আইএলআর ৪৭ ক্যাল ১৯০]-‘চেষ্টা করা’ হল অপরাধ সম্পর্কীয় কোন অভিসন্ধির আংশিক কার্যকরণভিত্তিক কার্যাবলী যা কেবলমাত্র প্রস্তুতির থেকে আরো বেশি কিছু। অর্থাৎ চেষ্টা করা হল কোন অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টা।
[২৩ সিআরএলজে ৩৯১] কোন বস্তু একইসাথে বিস্ফোরক আইন এবং বিস্ফোরক উপাদানাবলী আইনের সংজ্ঞায় পড়লেও ঐ একই বস্তুর জন্য একই অপরাধে কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে দুই প্রকার আইনে সাজা দেয়া যাবে না।
[১০০ আইসি ৯৭২] চাকুরিরত অবস্থায় ও মনিবের উপকারার্থে ভৃত্যের কোন কার্যের জন্য মনিবের উপর ফৌজদারী দায় বর্তাবে, যদিও এক্ষেত্রে মনিবের আদেশের কোন স্পষ্ট প্রমাণ থাকুক বা না থাকুক। যেমন কোন এক মামলায় আসামীর বারুদ প্রস্তুতের লাইসেন্স ছিল। লাইসেন্সটির অন্যতম শর্ত ছিল যে, বিস্ফোরক বাসভবন থেকে দূরে তাঁবুতে বা হাল্কা ভবনে প্রস্তুত করতে হবে। শর্ত মোতাবেক আসামী গ্রামের বাইরে ভবন নির্মাণ করে ঐ ভবনে এক মহিলাকে ঐ উদ্দেশ্যে চাকুরিতে নিয়োগ করে। মালিকের অনুপস্থিতিতে এবং অজ্ঞাতে ঐ মহিলা একদিন তার সহকারীসহ হামান দিস্তার হাতল দিয়ে বারুদ প্রস্তুতকালে বিস্ফোরণে মৃত্যুবরণ করে। এথেকে আদালত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, মহিলার কাজ অননুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও এটা তার চাকরি চলাকালে সংঘটিত হয়েছে বিধায় মহিলার উক্ত অন্যায় কাজের জন্য মনিব দায়ী হবে।
[১৭৫ আইসি ৯১১] পটকাবাজী বিস্ফোরক আইনের বিধান অনুসারে আতসবাজী হিসেবে গণ্য হয় না বলে ঐ বাজী প্রস্তুত, উৎপাদন বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোন লাইসেন্সের প্রয়োজন নাই।
[এআইআর ১৯৩০ মাদ্রাজ ৬৭৮] বিস্ফোরক বিধিমালা মতে কোন বিশেষ দ্রব্য বিস্ফোরক কিনা তা প্রমাণের দায়িত্ব বাদী পক্ষের উপর বর্তাবে। আসামী দখলে নিয়েছে বা আতসবাজী হিসেবে বর্ণিত চালানপত্রে স্বাক্ষর করেছে-এরূপ ঘটনা থেকে তার উক্ত দ্রব্য বিস্ফোরক দ্রব্য হিসেবে বাদীর স্বীকারোক্তি বলে গণ্য হবে না।
[১ ওয়ের ৬৫৬] কোন বিশেষ বাড়ি বা ঘরে, বারুদ ও আতসবাজী প্রস্তুত ও বাজারজাতের জন্য বিস্ফোরক আইনের আওতায় আসামীকে লাইসেন্স প্রদান করা হলে আসামী বিভিন্ন স্থানের ঐরূপে আতসবাজী প্রস্তুত করে। আদালত সিদ্ধান্ত দেন যে, অত্র আইনের আওতায় তাকে শাস্তি দেয়া যাবে না।
[আইএলআর ১৯৩৩ সিন্ধু ১৭১] ছোট এক প্যাকেট পটাশকে কঙ্করের সাথে মিশ্রিত করে এ ধরনের পটকা তৈরি করা সম্ভব, যা শক্ত বস্তুর উপর জোরে ছুড়লে সামান্য শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এরূপ বস্তু বিস্ফোরক আইনের বিধান মতে আতশবাজী নয়, বিধায় এক্ষেত্রে তার কোন লাইসেন্সের প্রয়োজন নাই।
ধারা-৫। বিস্ফোরকসমূহের নির্মাণ, দখল, ব্যবহার, বিক্রি, পরিবহন ও আমদানি (Power to make rules as to licensing of the manufacture possession, use, sale, transport and importation of explosive) :
(১) মঞ্জুর করা হয়েছে এরূপ কোন লাইসেন্সের শর্তাবলীর আওতায় ও অনুসারে (১) [সরকার] (২) [বাংলাদেশ]-এর যেকোন অংশের (৩) [* * * *] বিস্ফোরকসমূহের বা কোন বিনির্দিষ্ট শ্রেণীর বিস্ফোরকসমূহের উৎপাদন, দখল, ব্যবহার, বিক্রি, পরিবহন এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণ করে, এ আইনের সাথে সামঞ্জস্য বিধান পূর্বক বিধিমালা (৪) প্রণয়ন করতে পারেন।
(২) এ ধারার আওতায় প্রণীত বিধিমালা অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে সমস্ত বা নিম্নলিখিত যেকোন একটির জন্য বিধান করতে পারে, যেমন-
(এ) যে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাইসেন্স মঞ্জুর হতে পারে
(বি) লাইসেন্সের জন্য যে ফী ধার্য করা হবে এবং অন্যান্য (যদি থাকে) খরচের টাকা যা লাইসেন্সের দরখাস্তকারী কর্তৃক প্রদান করা হবে;
(সি) যে পদ্ধতিতে লাইসেন্সের দরখাস্ত প্রস্তুত করতে হবে এবং যেই সমস্ত বিষয়াবলী এরূপ দরখাস্তে উল্লেখিত থাকবে;
(ডি) যেই আকারে ও শর্তাবলীর আওতায় এবং যে বিষয়ে লাইসেন্স অবশ্যই মঞ্জুর করা হবে;
(ই) যে সময়ের জন্য লাইসেন্সসমূহ বলবৎ থাকবে; এবং
(এফ) বিধিমালার কার্যকারিতা হতে বিস্ফোরকসমূহের সম্পূর্ণ বা শর্তসাপেক্ষে অব্যাহতি।
(৩) [এ ধারার আওতায় প্রণীত বিধিমালা), এ বিধিমালা লঙ্ঘনপূর্বক বিস্ফোরক প্রস্তুত, দখল, ব্যবহার, বিক্রয়, পরিবহন বা আমদানি করে এরূপ ব্যক্তিবর্গ বা অন্যভাবে বিধিমালার লঙ্ঘনকারীর উপর দণ্ড আরোপ করতে পারবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ বিধিমালা দ্বারা যে দণ্ড আরোপিত হতে পারে তা-
(এ) কোন বিস্ফোরক অনুরূপভাবে উৎপাদন করে, ব্যবহার বা আমদানি করে, সে সব ব্যক্তির ক্ষেত্রে দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যা দুই বছরের কম হবে না এবং জরিমানা, যা পঞ্চাশ হাজার(১) [টাকা] পর্যন্ত হতে পারে, অনাদায়ে আরো এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হবে;
(বি) কোন বিস্ফোরক ঐ উপায়ে কেউ বিক্রয় করে বা পরিবহন করে, এরূপ ব্যক্তির ক্ষেত্রে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড যা এক বছরের কম হবে না এবং জরিমানা, যা ত্রিশ হাজার (১) (টাকা) পর্যন্ত হতে পারে, অনাদায়ে আরো এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হবে;
(সি) কোন বিস্ফোরক ঐ উপায়ে দখল করে; এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড যা ছয় মাসের কম হবে না এবং জরিমানা, যা দশ হাজার(১) (টাকা) পর্যন্ত হতে পারে, অনাদায়ে আরো ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হবে;
ডি) অন্যান্য ক্ষেত্রে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যা তিন মাসের কম হবে না এবং জরিমানা, যা দশ হাজার টাকা] পর্যন্ত হতে পারে, অনাদায়ে আরো তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হবে।
Sec.-5. Power to make rules as to licensing of the manufacture possession, use, sale, transport and importation of explosives:-
(1) The 3 [Government] may for any part of 4 [Bangladesh], 5. *make rules 6)consistent with this Act to regulate or prohibit, except under and in accordance with the conditions of a license granted as provided by those rules, the manufacture, possession, use, sale, transport and importation of explosives, or any specified class of explosives.
(2) Rules under this section may provide for all or any of the following, among other matters, that is to say :-
(a) the authority by which licenses may be granted;
(b) the fees to be charged for licenses, and the other sume (if any) to be paid for expenses by applicants for licenses;
(c) the manner in which, applications for licenses must be made, and the matters to be specified in such applications;
(d) the from in which, and the conditions on and subject to which, licenses must be granted;
(e) the period for which licenses are to remain in force; and
(f) the exemption absolutely or subject to conditions of any explosives from the operation of the rules.
(3) ¹[Rules made under this section may] impose penalties on the persons manufacturing, possession, using. selling, transporting or importing explosives in breach of the rules, or otherwise contravening the rules:
Provided that the maximum penalty which may be imposed by any such rules shall not exceed-
(a) in the case of a person so importing of manufacturing an explosive, a fine which may extend to three thousand2 [taka];
(b) in the case of a person so possessing, using or transporting an explosive, a fine which may extend to one thousand [taka);
(c) in the case of a person so selling an explosive, a fine which may extend to five hundred [taka]:and
(d) in any other case, two hundred [taka].
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি] বিস্ফোরকসমূহের প্রস্তুত, দখল, ব্যবহার, বিক্রি, পরিবহন ও আমদানি সম্পর্কে আলোচিত হয়েছে বিধায় বর্তমান ধারাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্র কর্তৃক বিস্ফোরক নিয়ন্ত্রণ জননিরাপত্তার স্বার্থেই ব্যাপক প্রয়োজন এবং এ লক্ষ্যেই বর্তমান ধারা সরকারকে বিস্ফোরক উৎপাদন, দখল এবং ব্যবহার ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ ও নিষিদ্ধকরণের ক্ষমতা প্রদান করেছে।
[১৯৫৭ অন্ধ্র ডব্লিউ আর ২৩১] ৯৩ বিধির বিধান মতে লাইসেন্সের কোন শর্ত যদি ভঙ্গ করা হয়, তবে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স বাতিল করবে, যদিও এক্ষেত্রে ৫ ধারার আওতায় নির্ধারিত বিধির অভাবহেতু দণ্ডাজ্ঞা প্রদান করা হবে না। তল্লাশির আনুষ্ঠানিকতার ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্যের সুযোগ সীমিত করার লক্ষ্যে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার বিধান পালন করা আবশ্যক। সন্তোষজনক ব্যাখ্যাবহির্ভূত উপায়ে উপরোক্ত বিধান পালন করা হলে বা তা পালনে ব্যর্থতা দেখালে উদ্ধারের সাক্ষ্যকে খুবই দুর্বল করে ফেলে।
[এআইআর ১৯৩১ এলাহা ১৭]-বিস্ফোরক আইনে শাস্তি যদি যথার্থ না হয়ে থাকে তবে রিভিশনে অস্ত্র আইনের ২৫(১) (এ) ধারা মোতাবেক প্রদত্ত শাস্তিকে বিস্ফোরক আইনের বিধানমতে শাস্তিতে রূপান্তর করা যায় না।
[এআইআর ১৯৮৯ অন্ধ্র ১২৭]-এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে যদি কোন ঘর শোরুম হিসেবে ভাড়া দেয়া হয়, তবে তা বেআইনী হবে না। তবে এক্ষেত্রে কখনো সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কমানোর যাবতীয় পদক্ষেপ ভাড়াটিয়া কর্তৃক গ্রহণ করতে হবে, বাড়িওয়ালা কর্তৃক নয়। আলোচ্য মামলার ক্ষেত্রে ভাড়াটিয়ার অবহেলার কারণে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটায় তাতে সম্পূর্ণ দালানের ক্ষতি সাধন হয়, তাই এক্ষেত্রে ভাড়াটিয়া ক্ষতিপূরণের জন্য দায়ী থাকবে। তবে সেক্ষেত্রেও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, প্রযোজ্য হলে, ভাড়াটিয়াকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে।
[মানসিক অভিপ্রায়]-অস্ত্র আইনের ৫ (৩) ধারার বিধানমতে অপরাধ সংঘটনে কোন ব্যক্তির মানসিক অবস্থা বা তার জ্ঞান অথবা অভিপ্রায় গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে গণ্য হয় না। অবশ্য মানসিক অভিপ্রায় অপরাধ সংঘটনের অংশ কিনা তা আইনের ব্যাখ্যা দ্বারা নির্ধারণ করতে হবে। মানসিক অভিপ্রায় থাকুক বা না থাকুক, নিষিদ্ধ বিস্ফোরক অপরাধযোগ্য [এআইআর ১৯৫৮ বোম্বে ১০৩]।
[এআইআর ১৯৮৯ গুজরাট ৪৮]-ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় স্থানটি অবস্থিত হওয়ার কারণে, পটকাবাজির লাইসেন্স নবায়নে অস্বীকৃতি প্রদান করা হয়, যদিও ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ার অজুহাতে এরূপ লাইসেন্স নবায়ন করা যায় না, মর্মে কোন বিধান সংশ্লিষ্ট আইনে অনুপস্থিত। তাই নবায়নের প্রার্থনা নাকচ করা হলে তা বেআইনী হবে না। কারণ জনগণের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তার লক্ষ্যেই আইন ও বিধিমালা প্রণীত হয়ে থাকে, এতদ্ব্যতীত ১৩৫ বিধির কোন বিশেষ উপাদান যদি উল্লেখ না থাকে তবে নবায়ন নাকচের আদেশ দেয়া হলে তা অবৈধ বলে গণ্য হয় না। এরূপ নাকচের আদেশ স্বেচ্ছাচারী ও বিশ্বাসঘাতকাপূর্ণ না হলে হাইকোর্ট এরূপ আদেশে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা রাখে না।
[দখল] ভৃত্যের অবহেলামূলক কার্যাবলী বা তার হিংসাত্মক কার্যের জন্য প্রভু ফৌজদারি অপরাধে দায়ী হবে না [এআইআর ১৯৪৯ এলা ৯০]। দোকানের দায়িত্বে রত কর্মচারীর মাধ্যমে বিস্ফোরক বিক্রয় হলে এবং দোকানের মালিক কর্তৃক তা বিক্রয় না হওয়া সত্ত্বেও এর জন্য মালিক দোষী হবে (আইএলআর ২৪ বো ৪২৩]। বিস্ফোরক দ্রব্য রক্ষিত আছে এরূপ ঘরে অস্থায়ীভাবে কেউ যদি বসবাস করে, এমনকি ঐ দ্রব্য সম্পর্কে সাময়িক বসবাসকারীর জানা থাকা সত্ত্বেও ৫ ধারার অর্থে দখল ঐ ব্যক্তি কর্তৃক এগুলোর দখল প্রমাণ হয় না। দখল প্রমাণ করতে হলে দখলের কিছু কার্য প্রকাশ থাকতে হবে, এমনকি দখল করার চেষ্টারও অবকাশ থাকতে হবে এআইআর ১৯২৮ ক্যাল ৪০]।
প্রভুর স্বার্থ প্রকাশ্যে প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও ভৃত্য চাকরিরত অবস্থায় প্রভুর স্বার্থে কার্য করেছে বললেও প্রভু অভিযুক্ত হবে এআইআর ১৯২৭ বোম্বে ২৯]। এজেন্ট অথবা ভৃত্যের মাধ্যমে নিষিদ্ধ বস্তুর দখলে রয়েছে মর্মে যদি অভিযোগ উত্থাপিত হয়, তবে ঐ অভিযুক্ত ব্যক্তির দখল সমর্থনে তা পর্যাপ্ত হবে ১৯২৬ সিআরএলজে ৪৩৫ মাদ্রাজ]।
[এআইআর ১৯৮৯ গুজরাট ৪৮] ধারা ৪, ৫ ও ১৪ আতশবাজি প্রস্তুত করা দোকান অস্থায়ী ঘরে ও খোলা জায়গায় হতে হবে মর্মে কর্তৃপক্ষ যদি কোন শর্ত দিয়ে থাকে তবে তা বেআইনী বলে গণ্য হবে না, বিধায় সে শর্ত অবশ্যই পালন করতে হবে। স্থায়ী ঘরে আতশবাজি দখলে রাখার ও বিক্রয় করার স্থায়ী লাইসেন্স প্রদান করা হলে, তখন এ ধরনের লাইসেন্সধারীকে দিপাভালী উৎসব মৌসুমে অস্থায়ী লাইসেন্স নেয়ার জন্য অনুরোধ বা উপরোধ করা যাবে না।
[প্রমাণের ভার] হলুদ ফসফরাস সাধারণত বিস্ফোরক দ্রব্য হিসেবে স্বীকৃত নয়, তাই কাউকে উক্ত পদার্থ দখলে রাখার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত করতে হলে সে তার বেআইনী উদ্দেশ্যে রেখেছে কিনা তা বিবেচনা করতে হবে এআইআর ১৯৪৬ মাদ্রাজ ৪৫]। কোন বন্ধু বিস্ফোরক কিনা এবং বিস্ফোরক নিয়মাবলীতে সঠিক কিনা প্রমাণের ভার সরকার পক্ষের উপর ন্যস্ত রয়েছে এআইআর ১৯৩০ মাদ্রাজ ৬৭৮]। অভিযুক্ত ব্যক্তি আতশবাজির চালানে স্বাক্ষর প্রদান করলে এর দ্বারা এরূপ বুঝাবে না যে, ঐ অভিযুক্ত ব্যক্তি তা বিস্ফোরক হিসেবে স্বীকার করছে (এআইআর ১৯৩০ মাদ্রাজ ৬৭৮]। সরকার পক্ষকে সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা মামলা প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনরূপ অব্যাহতি দেয়নি [১৯৬৮ সিআরএলজে ১৪৭৭]। বিস্ফোরক উৎপাদনের লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছে এরূপ কেউ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া লাইসেন্সহীন অপর কাউকে অনুরূপ উৎপাদন ও বিক্রয়ে অংশীদার করতে পারে না [১ ওয়ের ৭৫৬]।
[দুই আইনে অপরাধ]-একাধিক আইনের আওতায় কোন অপরাধ যদি সংঘটিত হয়, তবে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটিমাত্র আইনের আওতায় বিচারের মুখোমুখি হতে হবে, একাধিক আইনের আওতায় নয়। বিচারধীন আইনের বিধান অনুসারেই ঐ ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদান করতে হবে [১৯৬১ সিআরএলজে বিহার ৩৯৩]। কোন অপরাধ যদি বিস্ফোরক আইন এবং বিস্ফোরক উপাদানাবলী আইনের আওতায় পড়ে, তবে তাকে উভয় আইনে বিচার করা যাবে না বা উভয় আইনে ঐ বিচার যথার্থ হবে না [১৯৬১ (২) সিআরএলজে ৩৯১]।
ধারা-৬। বিশেষভাবে বিপজ্জনক বিস্ফোরকসমূহের উৎপাদন, দখল বা আমদানি নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা (Power for Government to prohibit the manufacture, possession or importation of specially dangerous explosives):
পূর্বে উল্লেখিত সর্বশেষ ধারার বিধিমালায় বর্ণিত যেকোন কিছু থাকা সত্ত্বেও
(১) অফিসিয়াল গেজেট] প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে [সরকার]- (এ) এরূপ বিপজ্জনক প্রকৃতির বিস্ফোরক যা ২ (সরকার)-এর মতে জনগণের নিরাপত্তার লক্ষ্যে প্রজ্ঞাপন ইস্যু করা উচিত, তার প্রস্তুতকরণ, দখল, ব্যবহার, বিক্রি, পরিবহন বা আমদানি সম্পূর্ণরূপে বা শর্তসাপেক্ষে নিষিদ্ধ করতে পারেন;
(২) যেকোন বিস্ফোরক যার আমদানির ক্ষেত্রে অত্র ধারার আওতায় বিজ্ঞপ্তি ইস্যু করা হয়েছে এবং বিস্ফোরকবাহী নৌযান বা গাড়ি সাময়িকভাবে শুল্ক সম্পর্কিত আইনে যে দ্রব্যের আমদানি নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত এবং উক্তরূপ বস্তুবাহী নৌযান বা গাড়ির বিষয়ে প্রত্যেক বন্দর বা সীমান্ত চেকপোস্টের শুল্কও কর্মকর্তাদের একই ক্ষমতা থাকবে এবং সাময়িকভাবে বলবৎ শুল্ক বা এরূপ কোন দ্রব্য বা নৌযান অথবা সম্পর্কিত আইন সে মোতাবেক প্রযোজ্য হবে।
(৩) অস্ত্র ধারার আওতায় ইস্যুকৃত বিজ্ঞপ্তি লঙ্ঘনপূর্বক কেউ যদি কোন বিস্ফোরক তৈরি, দখল, ব্যবহার, বিক্রয়, পরিবহন বা আমদানি করে, সে দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড যা দু বৎসরের নিচে হতে পারবে না এবং পঞ্চাশ হাজার ১ [টাকা] পর্যন্ত জরিমানা হিসেবে দণ্ড হতে পারে, যা অনাদায়ে আরো এক বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে এবং জল বা স্থলপথে আমদানিকৃত মালামালের ক্ষেত্রে, যেই নৌযান বা গাড়িতে করে বিস্ফোরক আমদানি করা হয়েছে তার মালিক এবং মাস্টারের পক্ষে যদি কোন যুক্তিসঙ্গত ওজর না থাকে তবে, এরূপ সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যা দু বৎসরের নিচে হতে পারবে না এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা দণ্ড হতে পারে, যা অনাদায়ে আরো এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
Sec.-6. Power to Government to prohibit the manufacture, possession or importation of specially dangerous explosives :-
(1) Notwithstanding anything in the rules under the last foregone section, the³ [Government] may, from time to time by notification in the⁴ [official Gazette]- (a) prohibit, either adsolutely or subject to conditions, the manufacture, possession or importation of any explosive which is of so dangerous a character that in the opinion of the [Government] it is expedient for the public safety to issue the notification;
(2) The officers of sea customs at every port shall have the same power in respect of any explosive with regard to the importation of which a notification has been issued under this section and the vessel containing the explosive as they have for the time being in respect of any article the importation of which is prohibited or regulated by the law relating to sea customs and the vessel containing the same; and the enactments for the time being in force relating to sea customs or any such article or vessel shall apply accordingly.
(3) Any person manufacturing, possession or importing an explosive in contravention of a notification issued under this section shall be punished with fine which may extend to three thousand
[taka), and, in the case of importation by water, the owner and master of the vessel in which the explosive is imported shall, in the absence of reasonable excuse each be ported shall, in the absence of reason able excuse each be punished with fine which may extend to three thousand [taka].
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]-বর্তমান আইনে অত্র ধারাটি অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। অত্র ধারায় সংশ্লিষ্ট বিস্ফোরকসমূহের প্রস্তুত, দখল, ব্যবহার, বিক্রি, পরিবহন ও আমদানি ইত্যাদি সম্পর্কে দণ্ড আরোপের বিধান আলোচিত হয়েছে। রাষ্ট্র কর্তৃক বিস্ফোরক নিয়ন্ত্রণ জননিরাপত্তার স্বার্থেই ব্যাপক প্রয়োজন এবং এরূপ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বর্তমান ধারায় সরকারকে বিস্ফোরক উৎপাদন, দখল এবং ব্যবহার ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ এবং নিষিদ্ধকরণের ক্ষমতা বর্তমান ধারায় উল্লেখ হয়েছে। এ ধারার বিধান মতে যে সকল বিস্ফোরক দ্রব্য জননিরাপত্তার প্রতি হুমকি স্বরূপ এরূপ বিস্ফোরকের উৎপাদন, দখল, আমদানি সম্পর্কে সরকারকে আলোচ্য ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করেছে। সরকার বিজ্ঞপ্তিযোগে এ বিষয়ে কারো উপর সম্পূর্ণ বা শর্তসাপেক্ষ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে।
এ ধারায় বিধানকৃত আইনের মাধ্যমে বিস্ফোরক আমদানি সম্পর্কিত ক্ষেত্রে এবং ঐ আমদানিকৃত বিস্ফোরক বহনকারী জাহাজের উপর এবং ঐ জাহাজ সম্পর্কে সমুদ্র শুল্ক কর্মকর্তাদের একই প্রকার ক্ষমতা বলবৎ থাকে। যদিও এ বিষয়ে সমুদ্র শুল্ক আইন বা এরূপ বিস্ফোরক দ্রব্য ও জাহাজ সম্পর্কিত সময়কালীন আইন প্রযোজ্য হওয়ার বিধানও অত্র ধারায় বিঘোষিত হয়েছে।
অত্র ধারায় (৩) উপধারায় সংশ্লিষ্ট অপরাধীর শান্তি সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে, যদিও পূর্বে এতদক্ষেত্রে কেবল জরিমানার বিধান ছিল, যা পরবর্তীতে ১৯৮৬ সনের ৩৮নং অধ্যাদেশ ও তৎপরবর্তীতে ১৯৩৭ সনের ২০নং আইনের মাধ্যমে মাত্রা বৃদ্ধি করে কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় প্রকার শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
[এআইআর ১৯৫১ সুঃ ২০৪] কোন সংবিধিবদ্ধ আইনের মাধ্যমে যদি মানসিক অভিপ্রায় সম্পর্কে সীমাবদ্ধতা উল্লেখ না থাকে তবে ফৌজদারি আইনের বিধান মতে মেনস্ট্রিয়া বা দোষীমন প্রমাণ করা প্রয়োজন হয়।
[এআইআর ১৯৪৫ বোম্বে ৭০] অত্র ধারায় মানসিক অভিপ্রায় প্রমাণের কোন আবশ্যকতা নেই, কারণ কয়েকটি সীমিত শ্রেণীর অপরাধের ক্ষেত্রে অত্র ধারার আওতায় মানসিক অভিপ্রায়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয়। উক্ত শ্রেণীর অপরাধ অনেক ক্ষেত্রেই সংবিধিবদ্ধ ক্ষুদ্র অপরাধের আওতাভুক্ত এবং তা আধা ফৌজদারি প্রকৃতির হয়ে থাকে। মানসিক অভিপ্রায় কখনো প্রয়োজনীয় উপাদান বলে গণ্য হতে পারে কিনা তা নিরূপণ করতে হবে সংবিধিবদ্ধ আইনের উদ্দেশ্যের মাধ্যমে।
[১৯৬২ সিআরএলজে ৪৩৬]-নিষিদ্ধ বিস্ফোরক স্টক করা হলে সেক্ষেত্রে যদি ‘মানসিক অভিপ্রায়’ প্রমাণ নাও হয় তবুও তা শাস্তিযোগ্য।
ধারা-৭। পরিদর্শন, তল্লাশি, বাজেয়াপ্তকরণ, আটক এবং অপসারণের কর্তৃত্ব প্রদান করে বিধিমালা প্রণয়ের ক্ষমতা (Power to make rules conferring power of inspection, search, seizure, detention and removal):
(১) কোন কর্মকর্তাকে নামে বা তার পদাধিকারবলে ক্ষমতা অর্পণের মাধ্যমে সরকার] ২[* * *] অত্র আইনের সামঞ্জস্য বিধান করে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিধিমালা প্রণয়ন করতে পারেন-
(এ) কোন বিস্ফোরক প্রস্তুত হয়, দখলকৃত, বিক্রি, পরিবহন বা অত্র আইনের আওতায় মঞ্জুরকৃত লাইসেন্সের অন্তর্ভুক্তভাবে আমদানি হয় অথবা অত্র আইন বা অত্র আইনের আওতায় প্রণীত বিধিমালা লঙ্ ঘনের মাধ্যমে কোন বিস্ফোরক প্রস্তুত, দখল, ব্যবহার, বিক্রি, পরিবহন বা আমদানি করা হয়েছে বা হচ্ছে গণ্য করে ঐ কর্মকর্তার বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন যেকোন স্থানে, গাড়ি বা নৌযানে চৌকী, পরিদর্শন বা পরীক্ষা করার বিষয়ে;
(বি) তার মধ্যে বিস্ফোরকসমূহের তল্লাশির নিমিত্ত;
(সি) সেখানে প্রাপ্ত যেকোন বিস্ফোরকের মূল্য প্রদান করে নমুনা নেয়ার লক্ষ্যে; এবং
(ডি) তন্মধ্যে প্রাপ্ত কোন বিস্ফোরক জব্দ, আটক, সরান এবং প্রয়োজন হলে ধ্বংস করার।
(২) তল্লাশি সম্পর্কিত ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলী অস্ত্র ধারার আওতায় প্রণীত বিধিমালার মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দ্বারা তল্লাশির বেলায় যতদূর পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হয়, প্রযোজ্য হবে।
Sec.-7. Power to mark rules conferring powers of inspection, search, seizure, detention and removal :-
(1) The [Government]5 may make rules consistent with this Act authorizing any officer, either by name or in virtue of his office-
(a) to enter, inspect and examine any place, carriage or vessel in which an explosive is being manufactured, possed, used, sold, transported or imported under a license granted under this Act, or in which he has reason to believe that an explosive has been or is being manufactured, possessed, used, sold, transported or imported in contravention of this Act or of the rules made under this Act;
(b) to search for explosive therein;
(c) to take samples of any explosive found therein on payment of the value thereof; and
(d) to seize, detain, remove and, if necessary, destroy any explosive found therein.
(2) the provision of the Code of Criminal Procedure Irelating to searches under that Code shall, so far, as the same are applicable, apply to searches by officers by officers authorized by rules under this section.
ভাষ্য/ঢাকা/নজির-[পরিধি]-বর্তমান ধারায় বিস্ফোরক সংরক্ষণের স্থান, গাড়ি বা জাহাজ প্রবেশ, পরিদর্শন এবং পরীক্ষা করার লক্ষ্যে ও বিস্ফোরক তল্লাশি, নমুনা গ্রহণ, তা জব্দ করতে অপসারণ, এমনকি প্রয়োজনে বিনষ্ট করার জন্য কোন কর্মকতাকে ক্ষমতা অর্পণ করার জন্য সরকার কর্তৃক নিয়মাবলী প্রণয়ন করার বিধান হয়েছে। এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের তল্লাশি সম্পর্কিত বিধানসমূহও অত্র ধারায় তল্লাশি ও আটক বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১০১ এবং ১০৩ ধারায় নির্দেশাবলী দেখা যেতে পারে।
[১২৫ আইসি ৫৩২] বিস্ফোরক নিয়মাবলী ৩৫ নিয়মের পরিপন্থী উপায়ে আতশবাজি স্বরূপ চালান গ্রহণ করার দায়ে কেউ যদি অভিযুক্ত হয় তবে, বিস্ফোরক নিয়মাবলীর বিধানমতে ঐ সকল দ্রব্য বিস্ফোরক কিনা তার প্রমাণের ভার সরকার পক্ষের উপর ন্যস্ত। কেবলমাত্র অভিযুক্ত কর্তৃক আতশবাজি স্বরূপ চালানে স্বাক্ষর এবং বিলির অজুহাত দিয়ে তাকে বিস্ফোরক রূপে স্বীকৃতি বুঝানো হবে না।
[৩২ সিআরএলজে ১০৪৬]-এ আইনের অর্থে পটকা বিস্ফোরণ নয়। সুতরাং ফটকা বিক্রয় বা উৎপাদনের লাইসেন্সের প্রয়োজন নেই।
[এআইআর ১৯৩৩ সিন্ধু ১৭১] ফটকা খেলনা আগ্নেয়াস্ত্র নয় বিধায় এ বিষয়ে কোন মঞ্জুরী গ্রহণের প্রয়োজন নেই।
ধারা-৮।। দুর্ঘটনা সম্পর্কে নোটিশ (Notice of accidents) :
(১) যখন কোন স্থানে বিস্ফোরক তৈরি হয়, দখলকৃত থাকে বা ব্যবহৃত হয় বা কোন গাড়ি বা নৌযান একত্রিতভাবে বিস্ফোরক পরিবহন করে বা তার মধ্যে কোন বিস্ফোরক বোঝাই করে বা তা হতে খালাস করা হয়ে থাকে, তার মধ্যে বা নিকটে ও তার সম্পর্কে বিস্ফোরণের বা অগ্নিকাণ্ডের ফলে যখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে, যার পরিণতিতে মানুষের জীবনহানি ঘটে অথবা ব্যক্তি সম্পত্তির গুরুতর ক্ষতি সাধিত হয়,
অথবা এমন বর্ণনাক্রমে ঘটে থাকে যাতে সচরাচর এরূপ হানি বা ক্ষতির যোগ থাকে, তখন ক্ষেত্রবিশেষ, ঐ স্থানের দখলকারী বা নৌযানের অধ্যক্ষ বা উক্ত গাড়ির দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি, এমন সময় এবং এমন পদ্ধতিতে বিধি দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হয়, ৩ বাংলাদেশ] বিস্ফোরকসমূহের প্রধান পরিদর্শক] ও নিকটতম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মানুষের জীবনহানি বা ব্যক্তিগত ক্ষতি, যদি হয়ে থাকে, তাসহ এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করেন।
(২) উপধারা (১) এ বিধান লঙ্ঘন করে যদি কোন ব্যক্তি কোন দুর্ঘটনার নোটিশ প্রদান করতে ব্যর্থতা দেখায়, তবে তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে ও পাঁচ হাজার টাকা] পর্যন্ত জরিমানা এবং যা অনাদায়ে আরো এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং যদি দুর্ঘটনাটিতে মানুষের জীবনহানি যোগ হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও যা অনাদায়ে আরো দুমাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
Sec,-8. Notice of accidents :-
[(1)] Whenever there occurs in or about, or in connection with, any place in which an explosive is manufactured, possessed or used, or any carriage or vessel either conveying an explosive or by fire attended with loss of human life or serious injury to person or property, or of a description usually attended with such loss or injury, the occupier of the place, or the master of the vessel, or the person in charge of the carriage, as the case may be, shall 3[Within such time and in such manner as may be by rule prescribed give notice thereof and of the attendant loss of human life or personal injury, if any, to the 4[Chief Inspector of Explosive in 5[Bangladesh] and to the officer in charge of the nearest police-station.
[(2) Whoever in contravention of sub-section (1) fails to give notice of any accident shall be punishable with fine which may extend to five hundred 7[taka] or the accident is attended by loss of human life, with imprisonment for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.]
ভাষ্য/ঢাকা/নজির- [পরিধি]-অত্র ধারায় বিস্ফোরক বিষয়ক দুর্ঘটনার নোটিশ প্রদানের বিধান বর্ণিত হয়েছে। উক্ত বিধানমতে কোন স্থানে বা গাড়িতে বা জাহাজে বিস্ফোরক উঠানামা করার ফলে যদি ঐ বিস্ফোরক এতদকারণে বিস্ফোরিত হয় বা অগ্নি দ্বারা দুর্ঘটনা কবলিত হয় এবং এর ফলে মানবজীবন হানি বা ব্যক্তি ও সম্পত্তির মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হয়, এতদসম্পর্কে ঐ স্থানের মালিক বা গাড়ি বা গাড়ির দায়িত্বে রত ব্যক্তি বা জাহাজের মাস্টারকে তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ মুখ্য বিস্ফোরক পরিদর্শক অথবা নিকটস্থ থানার দায়িত্বে রত কর্মকর্তার বরাবরে নোটিশ দিতে হবে। (২) উপধারায় এরূপ দায়িত্ব পালন না করার জন্য শাস্তি ভোগ করতে হবে।
[৩৭ সিআরএলজে ৩৩৯]-৮ ধারায় ‘দখলকারী’ শব্দ দ্বারা বাড়িঘরের প্রকৃত দখলকারীকে এবং কার্যের সংশ্লিষ্ট কারখানার কাজের অগ্রগতির নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন এরূপ ব্যক্তিকে বুঝানো হয়েছে। যে ব্যক্তি অত্র ধারার আওতায় দুর্ঘটনার নোটিশ দিতে বাধ্য, তিনি হলেন দুর্ঘটনাস্থলে ও কারখানার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি। এজন্য প্রকৃত দখলে থাকলে সংশ্লিষ্ট কারখানার মালিক বা মালিক কর্তৃক যাকে কারখানার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে এরূপ নিযুক্ত ম্যানেজার, এ দুজনের একজন ‘দখলকারী’ অর্থে বুঝানো হবে, কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে একইসাথে মালিক ও ম্যানেজারকে দখলকারী বুঝাবে না।
[৩৭ সিআরএলজে ৩৮৯ নাগ]-অত্র ধারায় মালিক বলতে বাস্তব দখলকার মালিককেই বুঝানো হয়েছে অথবা মালিক কর্তৃক নিযুক্ত ব্যবস্থাপক কারখানার দায়িত্ব পালনরত থাকলে ঐ ব্যবস্থাপককেও অন্তর্ভুক্ত করবে।
[২৭ আইজি ৮৪৩]-৮ ধারার আওতায় বর্ণিত পরিস্থিতিতে যে ব্যক্তি তথ্য প্রদান করতে বাধ্য সে অবিলম্বে অনুরূপ তথ্য প্রদান করবে, যদিও উপস্থিত অন্য কোন ব্যক্তিও একই দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য। নোটিশ প্রদানে বিচ্যুতি ইচ্ছাকৃত না হলে, দণ্ডবিধির ১৭ ধারা এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
[৩০ আইসি ৪৪৬]-যদি অভিপ্রায়মূলকভাবে নোটিশ প্রদান না করা হয়, তবে এক্ষেত্রে দণ্ডবিধি আইনের ১৭৭ ধারা প্রযোজ্য হবে না।
ধারা-৯। দুর্ঘটনার তদন্ত (Inquiry into accidents) :
(১) যখন ২ [বাংলাদেশ]-এর কোন সশস্ত্রবাহিনীর নিয়ন্ত্রিত কোন স্থানে, গাড়িতে বা জাহাজে অথবা তৎসম্পর্কিত স্থানে ৮ ধারায় উল্লেখিত কোন দুর্ঘটনা ঘটে, তখন সংশ্লিষ্ট নৌ, সামরিক বা বিমান বাহিনী কর্তৃপক্ষ উক্ত দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত অনুষ্ঠান করতে হবে এবং যখন অন্য অবস্থার প্রেক্ষিতে দুর্ঘটনা সংঘটিত হয় তখন মানবজীবনের হানি ঘটে থাকলে সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট(১) [অথবা ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনার)(২) [* * *] অনুরূপ তদন্ত অনুষ্ঠান করবেন অথবা অন্যান্য ক্ষেত্রে অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে অথবা ক্ষেত্র মোতাবেক, কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে অনুরূপ তদন্ত অনুষ্ঠান করতে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) অত্র ধারার আওতায় তদন্তকারী কোন ব্যক্তির তদন্ত চলাকালীন সময়ে ১৮৯৮ সনের ফৌজদারি কার্যবিধি আইন (১৮৯৮ সনের ৫নং আইন)-এর অধীনে কোন অপরাধের তদন্তকারী ম্যাজিস্ট্রেট যে সকল ক্ষমতা ভোগ করে থাকেন, ঐ ব্যক্তি তদন্তের উদ্দেশ্যে ক্ষমতা প্রয়োগের প্রয়োজন বা উপযোগী মনে করলে ৭ ধারার আওতায় বিধানাবলীর মাধ্যমে কোন কর্মকর্তার উপর অর্পিত এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে।
(৩) অত্র ধারার আওতায় তদন্তকারী ব্যক্তিকে দুর্ঘটনার কারণসমূহ এবং তার অবস্থার সম্পর্কে বর্ণনা দিয়ে (৩) [সরকার)-এর নিকট প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
(৪) [সরকার] নিম্নোক্ত বিষয়ে বিধিমালা প্রণয়ন করতে পারেন-
(এ) অত্র ধারার আওতায় তদন্তের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করতে;
(বি) (৪) [৫] [বাংলাদেশের মুখ্য বিস্ফোরক পরিদর্শককে। অনুরূপ কোন তদন্তকালে উপস্থিত থাকতে বা প্রতিনিধিত্ব করতে সমর্থ করার লক্ষ্যে;
(সি) [৪](৫) [বাংলাদেশের মুখ্য বিস্ফোরক পরিদর্শককে। অথবা তার প্রতিনিধিকে তদন্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোন সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে অনুমতি প্রদানের জন্য;
(ডি) যখন অনুরূপ কোন তদন্তে বাংলাদেশের মুখ্য বিস্ফোরক পরিদর্শক উপস্থিত থাকে না বা তার দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয় না, যখন তার নিকট তার কার্যধারাসমূহের প্রতিবেদন প্রেরণ করতে হবে মর্মে বিধান রাখতে হবে;
(ই) যে পদ্ধতিতে এবং যে সময়ের মধ্যে ৮ ধারায় উল্লেখিত নোটিসসমূহ প্রদান করা আবশ্যক, সেরূপ পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করার লক্ষ্য নিয়মাবলী প্রণয়ন করার জন্য।।
Sec.-9. Inquiry into accidents :-
(1) Where any accident such as is referred to in section 8 occurs in or about or in connection with any place, carriage or vessel under the control of any of 9 [The armed forces of 1[Bangladesh), an inquiry into the causes of the accident shall be held by the naval, military, or air force authority concerned, and where any such accident occurs in any other circumstances, the district Magistrate² [or, in the Dhaka Metropolitan Area, the Police Commissioner]*] shall, in cases attended by loss of human life, or may, in any other case, hold or direct a Magistrate [or a police officer, as the case may bel subordinate to him to hold such an inquiry.
(2) Any person holding an inquiry under this section shall have all the power of a Magistrate in holding an inquiry into an offence under the Code of Criminal Procedure, 1898 (V of 1898) and may exercise such of the powers conferred on any officer by rules under section 7 as he may think it necessary or expedient to exercise for the purposes of the inquiry.
(3) The person holding an inquiry under this section shall make a report to the 4[Government] stating the causes of the accident and its circumstances,
(4) The [Government] may make rules-
(a) to regulate the procedure at inquiries under this section;
(b) to enable the 5[Chief Inspector of Explosive in 6 [Bangladesh] to be present or represented at any such inquiry;
(c) to permit the [Chief Inspector of Explosive in [Bangladesh] or his representative to examine any witnesses at the inquiry:
(d) to provide that the [Chief Inspector of Explosive in [Bangladesh] is not present or represented at any such inquiry, a report of the proceedings thereof shall be sent to him.
(e) to prescribe the manner in which and the time within which notices referred to in section 8 shall be given.
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]-দুর্ঘটনায় প্রয়োজনীয় তদন্ত অনুষ্ঠানের নিয়ম- কানুন প্রণয়ন করাই অত্র ধারার মুখ্য উদ্দেশ্য। যদি সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত কোন এলাকার মধ্যে ধারায় বর্ণিত কোন দুর্ঘটনা ঘটে তবে নৌ, সামরিক বা বিমান বাহিনীর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক উক্ত দুর্ঘটনা তদন্ত করা হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রসমূহে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে হলে পুলিশ কমিশনার এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠান করবেন। ক্ষেত্রবিশেষে পুলিশ কর্মকর্তাও তদন্ত করতে পারবেন। তদন্তকালে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে তদন্তকারী ম্যাজিস্ট্রেটের যে ক্ষমতা ভোগ করে থাকেন, ঐ সকল ক্ষমতা উক্ত তদন্তকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তদন্তকালে মুখ্য বিস্ফোরক পরিদর্শক বা তার প্রতিনিধির উপস্থিত থাকা বাঞ্ছনীয়। যখন তিনি বা তার প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে উপস্থিত না থাকতে পারবেন, সেক্ষেত্রে তার নিকট রিপোর্ট পাঠানোর বিধান অত্র ধারায় রাখা হয়েছে।
ধারা-৯ক। অধিকতর মারাত্মক দুর্ঘটনার তদন্ত (Inquiry into more serious accidents):
(১) ৯ ধারা মোতাবেক তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্ত হোক বা না হোক, যেক্ষেত্রে ৮ ধারায় উল্লেখিত দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে অধিকতর আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির তদন্ত করা উচিত মর্মে সরকারের অভিমত থাকে সেক্ষেত্রে (২) (সরকার) (৩) [৪ [বাংলাদেশের] মুখ্য বিস্ফোরক পরিদর্শক) অথবা অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ তদন্ত করতে নিয়োগ করতে পারে এবং ঐ তদন্ত এসেসর স্বরূপ কার্য করতে আইন বা বিশেষ জ্ঞানসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিবর্গকেও নিয়োগ করতে পারে।
(২) যেক্ষেত্রে সরকার এ ধারা মোতাবেক তদন্তের আদেশ প্রদান করে সেক্ষেত্রে [সরকার] ৯ ধারা মোতাবেক সময়কালে চলিত তদন্তকার্য স্থগিত হবে মর্মেও নির্দেশ দিতে পারে।
(৩) অত্র ধারা মোতাবেক তদন্ত অনুষ্ঠানের নিমিত্তে নিযুক্ত ব্যক্তি সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত এবং দলিলাদি ও গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী উপস্থাপনে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি আইন (১৯০৮ সনের ৫ নং আইন)- এর আওতায় দেওয়ানী আদালতের সমস্ত ক্ষমতা ভোগ করবেন; এবং উপরোক্ত ব্যক্তি কর্তৃক তথ্য সরবরাহের নিমিত্ত তলবকৃত প্রত্যেক ব্যক্তির [দণ্ডবিধি আইন (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ১৭৬ ধারার বিধান মোতাবেক অনুরূপ কার্য করতে আইনত বাধ্য মর্মে বিবেচিত হবে।
(৪) অত্র ধারার আওতায় তদন্তকারী কোন ব্যক্তি তদন্তের উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করতে যদি প্রয়োজনীয় বা উপযোগী মনে করেন তবে, ৭ ধারার আওতায় বিধিমালার মাধ্যমে কোন কর্মকর্তার উপর অর্পিত এরূপ ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে।
(৫) অত্র ধারার আওতায় তদন্তকারী ব্যক্তিকে দুর্ঘটনার কারণাদি এবং তার অবস্থাদি বর্ণনা করে এবং তিনি ও এসেসরগণ যদি উপযুক্ত মনে করেন তবে এরূপ কোন মন্তব্য সংযুক্ত করে [সরকার)-এর নিকট প্রতিবেদন পেশ করবেন; এবং [সরকার] উপযুক্ত মনে করে এরূপ সময়ে এবং পদ্ধতিতে অনুরূপকৃত প্রত্যেক প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন।
(৬) অত্র ধারার আওতায় তদন্তের কার্য প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে সরকার আইন প্রণয়ন করতে পারেন।]
Sec.-9A. Inquiry into more serious accidents :-
(1) The ‘[Government] may, where it is of opinion, whether or not it has received the report of an inquiry under section 9, that an inquiry of more formal character should be held into the causes of an accident such as is referred to in section 8, appoint the 2[Chief Inspector of Explosive in 3[Bangladesh] or any other component person to hold such inquiry, any may also appoint one or more persons possessing legal or special knowledege to act as assessore in such inquiry.
(2) Where the [Government] orders an inquiry under this section, it may also direct that any inquiry under section 9 pending at the time shall be discontinued.
(3) The person appointed to hold an inquiry under this section shall have all the powers of a Civil Court under the Code of Civil Procedure (V of 1908), for the purposes of enforcing the attendance of witnesses and compelling the production of documents and material objects; and every person required by such person as aforesaid to furnish any information shall be deemed to be legally bound so to do with the meaning of section 176 of the 4[Penal Code (XLV of 1980)]. (4) Any person holding an inquiry under this section many exercise such of the powers conferred on any officer by rules under section 7 as he may think it necessary or expedient to exercise for the purposes of the inquiry.
(5) The person holding an inquiry under this section shall make a report to the [Government] stating the causes of the accident and its circumstances, and adding any observations which he or any of the assessors may think fit to make; and the [Government] shall cause every report so made to be published at such time and in such manner as it may think fit.
(6) The [Government] may make rules for regulating the procedure at inquiries under this section.
ধারা-১০। বিস্ফোরক বাজেয়াপ্তকরণ (Forfeiture of explosive)
অত্র আইন মোতাবেক অথবা অত্র আইনের আওতায় প্রণীত বিধিমালার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি যদি দণ্ডপ্রাপ্ত হয়, তবে যে আদালত কর্তৃক ঐ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, ঐ আদালত যে বিস্ফোরক অথবা বিস্ফোরক উপাদান (যদি থাকে) সম্পর্কিত অপরাধ সংঘটিত হয়েছে ঐ উপাদান অথবা ঐ বিস্ফোরকের কোন অংশ, উপাদান বা বস্তু তার ধারক কে ছিল ঐ ধারকসহ বাজেয়াপ্ত করার জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।
Sec.-10. Forefeiture of explosive :-
When a person is convicted of an offence punishable under this Act or the rules made under this Act, the Court before which he is convicted may direct that the explosive, or ingredient of the explosive, or the substance (if any) in respect of which the offence has been committed, or any part of that explosive, ingredient or substance, shall, with the receptacles containing the same, be forfeited.
ধারা-১১। জাহাজ ক্রোক (Distress of vessel) :
দেয়ায় যেক্ষেত্রে জাহাজের মালিক বা জাহাজের অধ্যক্ষ অত্র আইনমতে জাহাজে বা জাহাজ সম্পর্কিত অপরাধ সংঘটনের জন্য বিচারে জরিমানা প্রদানের সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে জরিমানা প্রদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে আদালত তার অন্যবিধ ক্ষমতা ব্যতীতও জাহাজ এবং তার রক্ষিত কপিকল, পরিচ্ছদ এবং আসবাবপত্র অথবা তার যতটুকু প্রয়োজন হয় ঠিক ততটুকুর উপর ক্রোকাদেশ দিয়ে বা বিক্রয় দ্বারা আদায় করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে।
Sec.-11. Distress of vessel :-
Where the owner or master of vessel is adjudged under this Act to pay a fine for an offence committed with, or in relation to, that vessel, the Court may, in addition to any other power it may have for the purpose of compelling payment of the fine, direct it to be levied by distress and sale of the vessel, and the tackle, apparel and furniture thereof, or so much thereof as is necessary.
ধারা-১২। অপসহায়তা ও চেষ্টা (Abetment and attempts) :
যেকোন ব্যক্তি [দণ্ডবিধি আইন (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন)-এর অর্থে অত্র আইনের আওতায় বা অধীনে প্রণীত বিধিমালার অধীনে কোন অপরাধ সংঘটনে অপসহায়তা করে বা এরূপ অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করে এবং ঐরূপ চেষ্টায় কিছু সংঘটনের জন্য কোন কাজ করে সে এমনভাবে দণ্ডিত হবে যেন অপরাধটি সে নিজে করেছে।
Sec.-12. Abetment and attempts :-
Whoever abets, within the meaning of the [Penal code (XLV of 1860)), the commission of an offence punishable under this Act, or the rules made under this Act, or attempts to commit any such offence and in such attempt does any act towards the commission of the same, shall be punished as if he had committed the offence.
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [২৩ সিডব্লুএন ১৯৫৭]-“চেষ্টা” এরূপ একটি কার্য যা অপরাধের অংশবিশেষ হিসেবে গণ্য হয়। অপরাধের প্রস্তুতি অপেক্ষা ‘চেষ্টা’ অধিকতর ব্যাপক মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ধারা-১৩। মারাত্মক অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিগণকে ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতার করার ক্ষমতা (Power to arrest without warrant persons committing dangerous offences):
অত্র আইন মোতাবেক অথবা অত্র আইনের আওতায় বিধিমালা মোতাবেক কোন ব্যক্তি কর্তৃক শাস্তিযোগ্য কোন কার্য সংঘটন করতে দেখা গেলে এবং যে স্থানে বিস্ফোরক উৎপাদিত হয় বা গুদামজাত করা হয় ঐ কার্য দ্বারা ঐরূপ স্থানে অথবা কোন রেলপথে অথবা পোতাশ্রয়ে অথবা কোন গাড়িতে, জাহাজে বা নৌকায় যদি বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ড ঘটাতে পারে,
তবে ঐ ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ব্যতীত কোন পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে বা উক্ত স্থানটির দখলকারী বা তার প্রতিনিধি বা তার ভৃত্য বা দখলকারীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা রেল প্রশাসন বা পোতাশ্রয় সংরক্ষকের কোন প্রতিনিধি বা কর্মচারী দ্বারা বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য ব্যক্তি দ্বারা গ্রেফতার করা যাবে এবং তাকে যে স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, উক্ত স্থান থেকে অপসারণ এবং যতশীঘ্র ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে সুবিধাজনক সময়ে সম্পন্ন করা হবে।
Sec.-13, Power to arrest without warrant persons committing dangerous offences:-
Whoever is found committing any act for which he is punishable under this Act or the rules under this Act, and which tends to cause explosion or fire in or fire in or about any place where an explosive is manufactured or stored, or any railway or port, or any carriage, ship or boat, may be apprehended without a warrant by a Police-officer,
or
by the occupier of, or the agent or servant of, or other person authorized by, the occupier of, that place, or by any agent or servant of, or other person authorized by the railway administration or conservator of the port, and be removed from the place where he is arrested and conveyed as soon as conveniently may be before a Magistrate.
ধারা-১৪। ব্যতিক্রম এবং অব্যাহতি দানের ক্ষমতা:
(১) ৮, ৯ এবং ৯-ক ধারাসমূহ ব্যতীত অত্র আইনের কোন বিধানই নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন বিস্ফোরক উৎপাদন, দখল, ব্যবহার, পরিবহন বা আমদানির জন্য প্রযোজ্য হবে না-
(এ) ২ [সরকার] কর্তৃক ৩ [***] প্রণীত বিধিমালা বা প্রবিধানাবলী অনুযায়ী ৪ [৫ [বাংলাদেশ]-এর যেকোন সশস্ত্র বাহিনীর জন্য;
(বি) অত্র আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে [সরকার)-এর নিযুক্ত কোন ব্যক্তি দ্বারা;
(২) সরকার) সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অত্র আইনের সকল বা কোন বিধানাবলী হতে কোন বিস্ফোরক দ্রব্যকে সম্পূর্ণ অথবা সরকার উপযুক্ত মনে করে এরূপ কোন শর্তাবলী সাপেক্ষে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন।
Sec.-14. Saving and power to exempt :-
(1) Nothing in this Act, except section 8, 9 and 9A, shall apply to the manufacture, possession, use, transport or importation of any explosive-
(a) by any of ¹[the armed force of 2 [Bangladesh] in accordance with rules or regulations made³* the 4[Government];
(b) by any person employed under the 5[Government] in execution of this Act.
(2) The 6[Government] may by notification in the official Gazette exempt, absolutely or subject to any such conditions as it may thing fit to impose, any explosive from all or any of the provisions of this Act.
ধারা-১৫। ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ব্যতিক্রম (Saving of arms Act, 1878):
এ আইনের কোন বিধানের ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইন (১৮৭৮ সনের ১১নং আইন)-এর বিধানাবলীকে ক্ষুণ্ণ করবে না: তবে শর্ত থাকে যে, বিস্ফোরক উৎপাদন, দখল, বিক্রয়, পরিবহন বা আমদানির ক্ষেত্রে এ আইনের আওতায় লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যে বিধিমালা দ্বারা এতদুদ্দেশ্যে লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়, তার পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলে, উক্ত আইন অনুসারে লাইসেন্স মঞ্জুর হওয়ার মতই কার্যকর হবে মর্মে লাইসেন্সের উপর লখিত আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
Sec.-15. Saving of Arms Act, 1878:-
Nothing in this Act shall affect the provisions of the Arms Act, 1878:
Provided that an authority granting a license under this Act for the manufacture, possession, sale, transport or importation of an explosive may, if empowered in this behalf by the rules under which the license is granted, direct by an order written on the license that it shall have the effect of a like license granted under the said Arms Act.
ধারা-১৬। অন্য আইনের আওতায় দায় সম্পর্কে ব্যতিক্রম (Savings as to liability under other law):
অত্র আইনে অথবা অত্র আইনের আওতায় বিধিমালার কোন বিধানই ঐ আইন বা ঐ বিধিমালার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হয় এরূপ কোন কার্য বা বর্জনের নিমিত্ত অন্য কোন আইন অনুসারে কোন ব্যক্তিকে বিচারের সম্মুখীন হতে অথবা এ বিধিমালায় নির্ধারিত শাস্তি বা জরিমানা অপেক্ষা ঐ অন্য আইনে অন্য প্রকার বা উচ্চতর শাস্তি বা জরিমানার দায় হতে বারিত করবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কাউকেই এক অপরাধের জন্য দুবার শাস্তি দেয়া যাবে না।
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [পরিধি]-এ আইনের আওতায় কোন অপরাধকারীর বিরুদ্ধে অন্য আইনের বিধানের আওতায় মোকদ্দমা দায়ের করার জন্যই অত্র ধারায় বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ উক্ত বিধানের দ্বারা একই অপরাধের জন্য অন্য আইনে ব্যবস্থিত উচ্চতর শাস্তি তাকে প্রদান করা বৈধ হয়েছে। তবে শর্ত দ্বারা বারিত হয়েছে যে, একই অপরাধের জন্য ঐরূপ ব্যক্তিকে দুবার দণ্ড দেয়া যাবে না।
Sec.-16. Saving as to liability under other law :-
Nothing in this Act or the rules under this Act shall prevent any person from being prosecuted under any other law for any act or omission which constitutes an offence against this Act or those rules, or from being liable under that other law to any other or higher punishment or penalty than that provided by this Act or those rules: Provided that a person shall not be punished twice for the same offence.
ধারা-১৭। অন্য বিস্ফোরক উপাদানাবলীতে ‘বিস্ফোরকের’ সংজ্ঞার বিস্তৃতি (Extension of definition of ‘explosive’ to other explosive substance) :
[সরকার] সময় সময় [সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে (সরকার)-এর বিবেচনায় কোন উপাদান বিস্ফোরক দ্রব্য হওয়ার কারণে অথবা উৎপাদন পদ্ধতি বিস্ফোরণের জন্য দায়ী হওয়ার কারণে, ঐ দ্রব্য জীবন বা সম্পত্তির ক্ষেত্রে বিশেষভাবে মারাত্মক প্রতিভাত হওয়ায় ঐ উপাদান অত্র আইনের অর্থ অনুসারে বিস্ফোরক গণ্য হবে মর্মে ঘোষণাও প্রদান করতে পারেন; এবং (ব্যতিক্রম, সীমাবদ্ধতা এবং বিধিনিষেধ সাপেক্ষে যা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত হতে পারে) এ আইনের বিধানাবলী অনুসারে ‘বিস্ফোরক’ শব্দের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে গণ্য করে একই পদ্ধতিতে ঐ ‘উপাদান’ বিস্তৃত হবে।
Sec.-17. Extension of definition of “explosive” to other explosive substances:-
The Government] may, from time to time, by notification in the 2[official Gazettel, declare that any substance which appears to the [Government] to be specially dangerous to life or property, by reason either of its explosive propertise or of any process in the manufacture thereof being liable to explosion, shall be deemed to be an explosive within the meaning of this Act, and the provisions of this Act (subject to such exceptions, limitations and restrictions as may be specified in the notification) shall accordingly extend to that substance in like manner as if it were included in the definition of the term “explosive” in this Act.

ধারা-১৮। বিধিমালা প্রকাশ এবং অনুমোদনের কার্যবিধি (Procedure for making publication and confirmation of rules) :
(১) অত্র আইন অনুসারে বিধিমালা প্রণয়নকারী কোন কর্তৃপক্ষ বিধিমালা প্রণয়ন করার পূর্বে তদ্দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে এরূপ ব্যক্তিবর্গের অবগতির লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বিধিমালার খসড়া প্রকাশ করবে।
(২) প্রকাশনা এমন পদ্ধতি হবে যেরূপ সরকার] সময় সময় ২ (সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারণ করবেন।
(৩) যে তারিখে অথবা যে তারিখের পর খসড়া বিবেচনায় আনা হবে সেই তারিখ উল্লেখপূর্বক খসড়ার সাথে একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করতে হবে।
(৪) বিধিমালা প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ অনুরূপ উল্লেখিত তারিখের পূর্বে খসড়া সম্পর্কে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে উপস্থাপিত কোন আপত্তি বা প্রস্তাব গ্রহণ এবং বিবেচনা করবেন।
(৫) অত্র আইনের আওতায় প্রণীত কোন বিধি [সরকারি গেজেটে] ** * প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত *** কার্যকর হবে না।
(৬) অত্র আইনের আওতায় প্রণীত বিধি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হলে তা যথার্থ অনুমোদিত হয়েছে মর্মে চূড়ান্ত সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হবে।
(৭) অত্র আইনের মাধ্যমে অর্পিত বিধিমালা প্রণয়ন করার সকল ক্ষমতা, সময় সময় উপলক্ষের আবশ্যকতা অনুসারে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
Sec.-18. Procedure for making publication and confirmation of rules:-
(1) An authority making rules under this Act shall, before making the rules, publish a draft of the proposed rules for the information of persons likely to be affected thereby.
(2) The publication shall be made in such manner as the 5[Government), from time to time, by notification of the6 [official Gazette] prescribes?.
(3) There shall be published with the draft a notice specifying a date at or after which the draft will be taken into consideration.
(4) The authority making the rules shall receive and consider any objection or suggestion which may be made by any person with respect to the draft before the date so specified.
(5) A rule made under this Act shall not take effect۰۰۰۰ until it has been published in the [offical Gazette].9
(6) The publication in the ¹[official Gazette] of a rule purporting to be made under this act shall be conclusive evidence that it has been buly made, and, if it requires sanction, that it has been duly sanctioned.
(7) All powers to make rules conferred by this Act may be exercised from time to time as occasion requires.
বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইন, ১৯০৮ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইন, ১৯০৮
The Explosive Substances Act, 1908
(১৯০৮ সালের ৬নং আইন)
[Act No. VI of 1908]
[৮ই জুন, ১৮৭৮]
[8th June, 1908]

বিস্ফোরক দ্রব্য বিষয়ক আইনকে অধিকতর সংশোধন করার লক্ষ্যে প্রণীত আইন। যেহেতু বিস্ফোরক দ্রব্য বিষয়ক আইনকে অধিকতর সংশোধন করা প্রয়োজন; সেহেতু এতদ্বারা আইন বিধিবদ্ধ করা হল-
An Act further to amend the law relating to explosive substances
WHEREAS it is necessary further to amend the law relating to explosive substances; It is hereby enacted as follow:-
ধারা-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনামা এবং বিস্তৃতি (Short title, and extent) :
(১) এ আইন বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইন, ১৯০৮ নামে অভিহিত হবে।
(২) এটি সমগ্র [বাংলাদেশে] বিস্তৃত হবে।]
Sec.-1. Short title and extent :-
(1) This Act may be called the Explosive Substances Act, 1908.
(2) It extends to the whole of 3[Bangladesh).
![বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইন, ১৯০৮ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১-৭ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
ধারা-২। বিস্ফোরক দ্রব্যের সংজ্ঞা (Definition of explosive substance) :
এ আইনের আওতায় বিস্ফোরক দ্রব্য অভিব্যক্তির মধ্যে, বিস্ফোরক দ্রব্য প্রস্তুত করতে প্রয়োজন হতে পারে এরূপ যেকোন বস্তু; যেকোন সরঞ্জাম কল, যন্ত্রপাতি, মাল-মসলা ব্যবহৃত হয়েছে বা ব্যবহৃত করার জন্য মনস্থ করা হয়েছে বা ঘটানোর জন্য অভিযোজিত অথবা বিস্ফোরক ঘটানোর কাজে সাহায্যের জন্য বা যেকোন বিস্ফোরক দ্রব্য; এতদরূপ সরঞ্জাম, কল বা যন্ত্রপাতির অংশও অন্তর্ভুক্ত করে।
Sec.-2. Definition of “explosive substances”:
In this Act the expression “explosive substance” shall be deemed to include any materials for making any explosive substance; also any apparatus, machine Implement or material used, or intended to be used, or adapted for causing. or alding in causing, any explosion in or with any explosive substance; also any part of any such apparatus, machine or Implement.
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [১৯৭২ (মাদ) সিআরএলজে ১৭১]-বিশেষজ্ঞ অর্থাৎ বিস্ফোরক পরিদর্শক উদ্ধারকৃত বস্তুকে বোমা হিসেবে গণ্য না করলে তল্লাশি এবং আটকের সাক্ষীর বক্তব্যের উপর নির্ভর করে এরূপ বস্তুকে বিস্ফোরক উপাদান বলা সঠিক নয়।
[১৯৬১ সিআরএলজে ৩৯১]-বিস্ফোরণের জন্য প্রস্তুত বিস্ফোরকও বিস্ফোরক উপাদানের অন্তর্ভুক্ত হবে।
[১৯৮১ সিআরএলজে ১৯১২ পাঞ্জাব]-ইগনিটার সেটের সাথে সংযুক্ত নয় এরূপ হাত গ্রেনেডও বিস্ফোরক উপাদান।
[৩৬ সিআরএলজে ১০৩৭]-গ্রামোফোন পিন অত্র ধারার আওতায় মারাত্মক অস্ত্ররূপে গণ্য হয় না।
[এআইআর ১৯৭৬ এলাহা ২৬৬]-গৃহস্থালি কাজে ব্যবহারের নিমিত্ত ধাতব সিলিন্ডারে সঙ্কুচিত তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস বিস্ফোরক মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
[আইএলআর ১৯৪৬ মাদ্রাজ ৪৫]-বোতলের জলে রক্ষিত হলুদ ফসফরাস বিস্ফোরক উপাদান হিসেবে গণ্য হবে না।
[১৯৬৮ সিআরএলজে ১৬৯]-বন্দুকের বারুদ বিস্ফোরক উপাদান।
[১৬ সিআরএলজে ১৬৯]-বিস্ফোরক ঘটাতে বা বিস্ফোরণে সাহায্য করার অভিপ্রায়ে গৃহীত বা অভিযোজিত কোন যন্ত্রপাতি মেশিন বা সরঞ্জামের কোন অংশ বিস্ফোরক উপাদানের আওতাভুক্ত হবে।
[এআইআর ১৯৩২ মাদ্রাজ ৩২০]-চাইনিজ ক্রেকারস বিস্ফোরক পদার্থ।
Section-2: The expression “Explosive Substance” includes any part of any apparatus, machine or implement intended to be used or adapted for causing or aiding in causing any explosive Substance. 42 Cal. 957. Yellow Phosphorus kept in water in a bottle is not an explosive.
1946 mad. 45 = 47 Cr. LJ 592.
ধারা-৩। জীবন, ব্যক্তি বা সম্পত্তি বিপন্ন করতে পারে এরূপ বিস্ফোরক ঘটানোর জন্য শাস্তি (Punishment for causing explosion likely to endanger life, person or property) :
কোন ব্যক্তি বেআইনী বা বিদ্বেষপূর্ণভাবে কোন বিস্ফোরক দ্রব্যের মাধ্যমে যদি এমন ধরনের বিস্ফোরণ সংঘটন করে যা জীবন বিপন্ন করতে অথবা ব্যক্তি বা সম্পত্তির গুরুতর ক্ষতি সম্পাদন করতে পারে, ব্যক্তি বা সম্পত্তির প্রকৃত কোন ক্ষতি হোক বা না হোক, সে মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে তার সাথে জরিমানাও যুক্ত হতে পারে, অথবা দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে যা পাঁচ বছরের নিম্নে হবে না এবং তার সাথে জরিমানাও যুক্ত হতে পারে।
Sec.-3. Punishment for causing explosion likely to endanger life or property:-
Any person who unlawfull and maliciously causes by any explosive substance an explosion of a nature likely to endanger life or to cause serious injury to property shall, whether any injury to person or property has been actually caused or not, be punished with transportation for life or any shorter terms to which fine may be added, or with imprisonment for a term which may extend to ten years, to which fine may be added.
2. Section 3-From the evidence of the doctor it is not possible to know whether chemical substance was at all present ill the injuries allegedly caused by a bomb. Not only that the explosive substance must be of such extent and quantity that is likely to endanger a person or property. In the present case no such test was made to ascertain that fact and without such test in cannot be said with certainty that the alleged occurrence comes within the mischief of Section 3 of the said Act.
Halim Sheikh & Anr Vs. The State 13 BLT (2005) (HCD) 102
3. Section 3-Special Tribunal was not at all justified in awarding conviction for offence punishable under section 3 of the Explosive Substances Act and conviction and consequential sentence imposed upon the convict-appellants cannot be sustained in law. But the above PWs blurted out in their testimonies that convict-appellant Al-Amin flinged cocktail.
Section 3-Special Tribunal was not at all justified in awarding conviction for offence punishable under section 3 of the Explosive Substance Act and conviction and consequential sentence imposed upon the convict-appellants cannot be sustained in law.
But the above PWs blurted out in their testimonies that convict-appellant Al-Amin flinged cocktail towards Shahin Khan and cocktail embedded on the neck of Shahin Khan and his vein stood torn and he fell down on the ground and then he succumbed to his injury which was corroborated by the medical evidence and thus it can safely be said that prosecution could carry the offence of section 3 of the Act of 1908 to the door of convict-appellant Al-Amin. Shadhu Miah and others us state 10 BLC 770.
Section 3. 4(a). 4(b) and 5-Druta Bichar Tribunal, in characterising convict-appellant Muhibur Rahman Manik guilty found that through evidence and defence case it had been established that in bedroom of his house cocktail had been prepared and bomb or cocktail exploded, and explosive substances, cocktails and elements for preparation of cocktail had been found from the house under his control and it had been, also, established that he provided the accued persons his house for the purpose of preparing cocoktail and others by exploisve substances and, thus, alded in the preparation of bombs.
The above finding reached by Druta Bichar Tribunal is absolutely against evidence and materials on record and the said finding perilously borders on perversity. Muhibur Rahman Manik us State (Criminal) 12 BLC (CH) 269.
Explosive substance Act 1908; Section 3; To make an accused liable under the provision, the evidence must be unambiguous that the explosive substance cuused the explosion of such nature that endangerd life or to cause serious enjoy.
From a bare reading of the depositions of the P.W-1: 55, it appears that the damage to property has been caused by the parson which has been set on the residential. 4 L 6 (CH) Explosive Substance Act 1908; Section 3; Sentence; Transportation for life was a mode of sentence which has been repealed long ago.
It appears that the learned tribunal Judge awarded sentence against the convict appellant to suffer transportation for life without noticing that such a sentence. 4 L 6 (HC). Section 3-From a bare reading of the deposition of the PWs 1 to 5, it appears that the damage to property has been caused by parson which has been set on the residential house through spraying petrol and igniting by match stick.
The allegation which has been made as to the use of explosive substance only related to throwing of cocktail or petrol bomb, which is also lump allegation, which admittedly could not cause any fire or explosion of such a nature that endangered life or property. Even if it is taken that the convict/appellants threw cocktail or petrol bomb that does not come under the mischeif of section 3 of the Explosive substances Act 1908.
Zamir Ali (Md) us State (Criminal) 59 DLR (HC) 433.
The word “malice” is used in this section in its legal sense which means a wrongful act done intentionally without just cause or excuse. Malice in the legal acceptance of the term is not confined to personal spite against individual but consists in a conscious violation of the law to the prejudice of the other.
31 Cr. LJ 200.
Where the prosecution utterly fails to adduce positive evidence that the accused was actually making a bomb or had explosive substances in his possession under circumstances such as to give rise to a reasonable belief that he had them in his possession and under his control for no lawful purpose, It was held no conviction can be maintained. 36 Cr. LJ 1007,
An accused got iron arch made by blacksmith. The arch formed essential part of bomb exploding in frequented footpath and killing one person. The accused merely denied the facts and did not account for them. Held he was not guilty under this section but was guilty under section 8 because the gist of section 3 is causing of explosion unlawfully and maliciously which must be positively proved. Mere suspicion is not sufficient. 11 Cr. LJ 222.
The accused threw bombs in the Assembly Hall which was occupied by the members. The accused were held guilty under this section. 31 Cr. LJ-19.
ধারা-৩ক। অপরাধ করার উদ্দেশ্যে বিস্ফোরণ ঘটানোর শাস্তি (Punishment for causing Explosion with intent to commit offence) :
সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটনের লক্ষ্যে বা উক্ত অপরাধ করার জন্য অন্যকে সক্ষম করে তোলার জন্য কোন ব্যক্তি যদি কোন বিস্ফোরক দ্রব্যের দ্বারা বিস্ফোরণ ঘটায়, এক্ষেত্রে প্রকৃত কোন অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক সে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে এবং তা তিন বছরে কম হবে না (এবং) তার সাথে জরিমানাও যুক্ত হতে পারে।।
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [আইএলআর ৩৪ এলাহা ৫১১] সন্দেহ যদিও পরীক্ষার জন্য হেতুস্বরূপ গণ্য করা হলেও সন্দেহের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সঠিক নয়।
[এআইআর ১৯৩০ লাহোর ২৩৬] ‘বিদ্বেষপ্রসূত’ শব্দের আইনগত অর্থ হচ্ছে যথাযথ কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায় কার্য সংঘটন করা। ৩ ধারার বিদ্বেষপূর্ণভাবে শব্দটি আইনগত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বিস্ফোরক দ্রব্যের অস্তিত্ব বিদ্যমান থাকার বিষয়টি অভিযুক্ত ব্যক্তির জানা থাকলেও তার যদি ক্ষতি করার ইচ্ছা না থাকে তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি যে স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে সেস্থানে বা তার নিকটে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও এটাতে অপরাধ প্রমাণিত হয় না।
[এআইআর ১৯৪৯ এলাহা ৭৬৭]-অভিযুক্ত ব্যক্তির কেবলমাত্র বিস্ফোরক উপাদানের অস্তিত্ব সম্পর্কে জ্ঞান থাকাই যথেষ্ট নয় বা এরূপ জ্ঞান দিয়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না, এতদসঙ্গে ক্ষতি করার ইচ্ছাও প্রমাণ করতে হয়। যে জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটে সে জায়গায় আসামীর উপস্থিতি তার অপরাধ প্রমাণিত করে না।
[এআইআর ১৯৩ ৪০৮]-যখন আসামীর বিস্ফোরক দ্রব্যের হস্তকৃত দখল প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই, তখন এটা তার ক্ষমতায় বা নিয়ন্ত্রণ ছিল এটা প্রমাণ করা আবশ্যক। যে দখল দণ্ডনীয় হবে তা তার জ্ঞাতসারে ও সম্পত্তিসহ হওয়া বাঞ্ছনীয়। বিস্ফোরণ ঘটার সময় আসামী নিকটে দণ্ডায়মান ছিল এরূপ তথ্য আসামীর অপরাধের প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করে না।
[৩৬ ক্রিঃ ‘ল জার্নাল ১০০৭ অযোধ্যা]-বেআইনী উদ্দেশ্যে বোমা তৈরির উপাদান থাকা সন্দেহের বিষয়বস্তু হলেও প্রমাণের অভাব থাকায় সন্দেহজনক বিষয়বস্তুর কারণে আপীল্যান্টের শান্তি বৈধ নয়।
[৩২ পিএলআর ১৫০]-যখন আসামী বিস্ফোরণের অস্তিত্ব এমনস্থানে দেখিয়েছে যে স্থান তার একচেটিয়া দখলে ছিল না। এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে, ঐ সকল বন্ধু যে আসামীর দখলে বা নিয়ন্ত্রণাধীনে ছিল তা প্রমাণ করার দায়িত্ব বাদী পক্ষের উপর বর্তাবে। অর্থাৎ আসামীর দেখানো স্থানে বোমা ও কার্তুজ পাওয়া গেলে এর ভিত্তিতে তাকে শাস্তি প্রদান করা যাবে না, তবে শাস্তি দিতে হলে প্রমাণ করতে হবে যে, সেইগুলো সেখানে রেখেছে।
[২১ সিডব্লিউএন ৫৮৫]-সন্দেহের উপর নির্ভর না করে আইনসঙ্গত সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করেই আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত।
[এআইআর ১৯৬৫ ক্যাল ৮৯]-অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ পার্টির প্রতি দেশীয় বোমা নিক্ষেপ করায় বিস্ফোরিত বোমার স্পিল্টারে কয়েকজন কনস্টেবল সামান্য আহত হয়, বিশেষজ্ঞের সাক্ষ্য-প্রমাণে প্রদর্শিত হয় যে, যদিও রাসায়নিক পরীক্ষায় দেশে তৈরি বোমার ভগ্নাংশে পটাশ ক্লোরেট এবং আর্সেনিক সালফাইডের অস্তিত্ব রয়েছে তদুপরিও তা মারাত্মক কিছু ঘটার জন্য যথেষ্ট নয়। তাই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ৩ ধারায় উল্লেখিত বিস্ফোরক উপাদানাবলীর অবস্থান সন্তোষজনক নয়।
[১৯৮১ সিআরএলজে ১৯১২ (পি এন্ড এইচ)]-‘বেআইনীভাবে’ বলতে ‘আইনসঙ্গত উদ্দেশ্যে নয়’ এরূপ বিষয়কে বুঝায়, আর ‘বিদ্বেষমূলকভাবে’ বলতে এমন কার্য বুঝায় যা অন্যায় এবং অন্যের ক্ষতিকর।
ধারা-৪। বিস্ফোরণ ঘটাবার জন্য অথবা জীবন বা সম্পত্তি বিপন্ন করার ইচ্ছায় বিস্ফোরক প্রস্তুত বা রাখার জন্য শাস্তি (Punislıment for attempt to cause explosive or for making or keeping explosion with intent to endanger life or property):
(এ) কোন বিস্ফোরক দ্রব্য দ্বারা বাংলাদেশে বিস্ফোরণ ঘটানোর লক্ষ্যে এরূপ কোন কার্য করে বা ঘটানোর লক্ষ্যে ষড়যন্ত্র করে, যা এরূপ প্রকৃতির যে তাতে জীবন বিপন্ন হতে পারে অথবা ব্যক্তি বা সম্পত্তির গুরুতর ক্ষতি হতে পারে; বা
(বি) বাংলাদেশে। জীবন বিপন্ন করার লক্ষ্যে বা ব্যক্তি অথবা সম্পত্তির গুরুতর ক্ষতিসাধনের জন্য কোন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে। জীবন বিপন্ন করার অথবা ব্যক্তি বা সম্পত্তির ক্ষতিসাধনে সক্ষম করার উদ্দেশ্যে কোন বিস্ফোরক দ্রব্য প্রস্তুত করে বা তা, দখলে রাখে কিংবা তার নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাতে কোন বিস্ফোরণ ঘটুক আর নাই ঘটুক এবং এতে কোন ব্যক্তি বা সম্পত্তির প্রকৃতপক্ষে ক্ষতি সাধিত হোক বা না হোক সে বিশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, যার পরিমাণ তিন বছরের কম হবে না এবং তার সাথে জরিমানাও যোগ হতে পারে।

Sec.-4. Punishment for attempt to cause explosive or for making or keeping explosive with intent to endanger life or property:-
Any person who unlawfully and maliciously-
(a) does any act with intent to cause by an explosive substance, or conspires to cause by an explosive substance, an explosion in ¹[Bangladesh] of a nature likely to endanger life or to cause serious injury to property; or
(b) makes or has in his possession or under his control any explosive substance with intent by means thereof to endanger life, or cause serious injury to property in Bangladesh], or to enable any other person by means thereof to endanger life or cause serious injury to property in [Bangladesh); shall, whether any explosion does or does not take place and whether any injury to person or property has been actually caused or not, be punished with transportation for a term which may extend to twenty years’ to which fine may be added, or with imprisonment for a term which may extend to seven years, to which fine may be added.
ভাষ্য/ঢাকা/নজির [২৯ সিআরএলজে ৪৯] বিস্ফোরক দ্রব্য রয়েছে এরূপ ঘরে অস্থায়ীভাবে বাস করলে অথবা বিস্ফোরকের অস্তিত্ব সম্পর্কে জ্ঞান থাকার অর্থ এই নয় যে, ঐ বিস্ফোরক উক্ত ব্যক্তির দখলে রয়েছে।
[পিসিআরএলজে ১৯৮৮ ১৬৬৭] শবেবরাতের পরের দিন যদি ফটকা দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় তবে তা সম্পত্তি নষ্ট বা জীবন বিপন্নের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে মর্মে গণ্য করা যাবে না। কারণ উক্ত বিস্ফোরণ শুধুই তামাশা করার জন্য করা হয়েছে গণ্য করা যায়, বিধায় এক্ষেত্রে আসামীকে খালাস প্রদান যুক্তিযুক্ত।
[এআইআর ১৯৪৯ এলাহাবাদ ৭৬৭]-অত্র ধারায় ব্যবহৃত ‘বেআইনীভাবে’ এবং ‘বিদ্বেষপূর্ণভাবে’ শব্দ দুটির অভিযুক্ত ব্যক্তির নিকটস্থ বন্ধু বা দ্রব্যের অস্তিত্ব সম্পর্কে জ্ঞান এবং জীবন ও সম্পত্তি বিনষ্ট করার জন্য তার প্রবল ইচ্ছা রয়েছে মর্মে প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঐরূপ কোন ব্যক্তি বিস্ফোরণ সংঘটনের কালে সংশ্লিষ্ট কক্ষের ভিতর ছিল বলে দোষী সাব্যস্ত হতে পারে না।
[পিসিআরএলজে ১৯৮৮ ২৪১৭]-ট্রেন একজামিনের অফিসে বোমা লুকিয়ে রেখেছে মর্মে আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনীত হয়। পরবর্তীতে উক্ত বোমাটি বোমা ডিসপোজাল স্কোয়াড পরীক্ষা করে তা নিষ্ক্রীয় করে দেয়। তখন সাক্ষিগণ বলেন যে, আসামীকে তারা বোমাসহ দেখেছে মর্মে কোন জবানবন্দি কখনো তদন্তকারী কর্মকর্তাকে দেয়নি। যদিও দীর্ঘকাল পার হওয়ার পর উক্ত সাক্ষিগণ তাদের জবানবন্দি পরিবর্তন করে বলে যে, আসামী কর্তৃকই উক্ত বোমাটি লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তাই হাইকোর্ট বাদীপক্ষের সাক্ষীদের আচরণ লক্ষ্য করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, সাক্ষীরা যে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে, এমনকি তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামীকে মিথ্যাভাবে মামলায় জড়িয়েছে, বিধায় আসামী বেকসুর খালাস পায়।
[১৯৭৩ পিসিআরএলজে ৯১৩]-যেক্ষেত্রে আসামীর দখলে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পাওয়া যায়, ৪ ধারার বিধানমতে তার দখল থেকে তার অপরাধের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমতি নেয়া যায় যদি না তার দখল নির্দোষ প্রমাণিত হয়।
[আইএলআর ১৯১৬ ক্যাল ১৮৮]-৪ (বি) ধারায় উল্লেখিত বিস্ফোরক দ্রব্য বলতে যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জামাদির কোন অংশও এর অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে ঐ বিস্ফোরক দ্রব্য বিস্ফোরণ ঘটাবার লক্ষ্যে বিস্ফোরণ ঘটাতে সাহায্য করার জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।
[১৯৮৮ পিসিআরএলজে ৭২৭]- ট্রাকে বোঝাইকৃত বিভিন্ন প্রকারের সামরিক সম্ভারের খালি শেল আসামীর দখলে পাওয়া যায়, এগুলো ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কীয় বিশেষজ্ঞ কর্তৃক পরীক্ষা করে দেখা যায় যে, তা ‘রিফিল’ করা সম্ভব নয় বা ঐগুলো বিস্ফোরক দ্রব্য হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র পিতল হিসেবে শেলগুলোকে ব্যবহার করা যাবে। তাই উক্ত খালি শেলের দখল বিস্ফোরক আইনের ৪৯ (২) ধারার আওতায় অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
[এআইআর ১৯৩৪ ৭১৮] ফৌজদারি আইনে দখল দণ্ডনীয় হতে হলে তা সজ্ঞাত হওয়া আবশ্যক। দখল অবশ্যই হবে সজ্ঞান ও সুবিদিত এবং অপরাধ সম্পর্কীয় বস্তুর নির্দিষ্ট বা ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য আসামীর শারীরিক উপস্থিতিই শুধু নয়।
[আইএলআর ৪২ ক্যাল ৯৫৭]: অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক বিস্ফোরক দ্রব্যের দখল প্রমাণ আবশ্যক না হওয়া সত্ত্বেও ঐ বিস্ফোরক তার ক্ষমতা বা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ছিল হিসেবে প্রমাণ করা বাঞ্ছনীয়। অর্থাৎ শাস্তিযোগ্য দখল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জ্ঞাতসারে ও ইচ্ছামাফিক দখল হতে হবে।
[এআইআর ১৯২৮ বোম্বাই ৩৩৬]-জ্ঞান কিংবা অভিপ্রায় পুরোপুরি অনুমানভিত্তিক বিধায় তা অবস্থাদির প্রেক্ষিতে নির্ধারণ করতে হবে।
[আইএলআর ৪০ ক্যাল ৮৯৮] কোন বাড়িতে বসবাসকারী বহু লোকের একটি সাধারণ প্রবেশপথ থাকায় উক্ত প্রবেশপথে কোন বিস্ফোরক দ্রব্য রক্ষিত থাকে তবে এক্ষেত্রে এরূপ অনুমান করা যাবে যে, উক্ত বিস্ফোরক দ্রব্য পরিবারের ব্যবস্থাপকের নিয়ন্ত্রণে বা দখলে রয়েছে, যদিও এরূপ বিষয় বা এরূপ অনুমান খণ্ডন করা যাবে।
[১৬ সিআরএলজে ৪৯৭]-বিস্ফোরক দ্রব্য আসামীর দখলে ছিল অথবা ঐগুলো আসামীর নিয়ন্ত্রণে বেআইনী ও বিদ্বেষপ্রসূতভাবে ছিল এতদমর্মে অভিযোগনামায় কোন অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও অর্থাৎ ৪ (বি) ধারায় তা ত্রুটিপূর্ণ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিচার ও সাজা আইনসঙ্গত হবে।
[৩৪ সিআরএলজে ১২২২]-কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি বোমার জন্য গোলা ও লাল আর্সেনিক সরবরাহ করলে, যদি ঐ বোমা দিয়ে জীবন ও সম্পত্তির ধ্বংস বা ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর ইচ্ছা ছাড়াই তা পরীক্ষা করে, তবে এক্ষেত্রে ৪ (বি) ধারায় ঐ ব্যক্তি ফৌজদারি ষড়যন্ত্রের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবে।
[১৯৭৩ সিআরএলজে ৮০]: কোন ব্যক্তি ৪ (বি) ধারায় অভিযুক্ত হলে তার ৫ ধারায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার জন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা নেই।
[৪৬ সিআরএলজে ৩৩২ বোম্বাই]: কতিপয় আসামী বোমা লুকিয়ে রেখেছে মর্মে কোন ব্যক্তি যদি পুলিশের নিকট বিবৃতি দেয় তবে এর প্রেক্ষিতে এরূপ বলা যাবে না যে, ঐ ব্যক্তির তাতে হাত ছিল। তাই ৪(এ) ধারায় ঐ ব্যক্তির শাস্তি বৈধ নয়।
[এআইআর ১৯৪৪ বোম্বে ৩০৬]-কোন একক ব্যক্তির আদেশে বোমা প্রস্তুত হয়ে ঐ বোমা অপর কারো মাধ্যমে সরবরাহ করা হলে অন্য ব্যক্তি যদি ১৪ টি বিভিন্ন স্থানে বোমা নিক্ষেপ করে তবে এক্ষেত্রে ৩ ও ৪ (বি) ধারায় সকল ব্যক্তিই যুক্ত হতে পারে না।
[৩৬ সিআরএলজে ১০০৭]-মনছাল, ফ্লোরেট অব পটাশ ঔষধের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হলে বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের আওতায় তা অপরাধ গণ্য হবে না। অথচ উক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার যদি বোমা প্রস্তুতের কাজে ব্যবহৃত হয় তবে এ আইনের অধীনে তা অপরাধ গণ্য হবে বটে।
[২১২ আইসি ৩৫২]-ডাকাতি হয়েছে এমন কোন ঘরে ব্যাগের ভেতর রক্ষিত রয়েছে এরূপ হাত গ্রেনেডের জন্য ডাকাতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দায়ী করা যায় না।
[১৩ সিডব্লিউএন ৯১৬]-কোন বাড়ির বা ঘরের বৈঠকখানায় উক্ত বাড়ি বা ঘরের সকল সদস্যের যাতায়াত থাকার অজুহাতে বৈঠকখানাটিতে রক্ষিত বোমার জন্য কোন বিশেষ সদস্যকে তার দখলের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা আইনসঙ্গত নয়।
Section 2 and 4 (b) Alleged bombs were not examined by the chemical expert. So it cannot be said that the substance which was recovered from the explosive substance. Jewel Vs. The State 15 BLT (HCD) 310
Decisions
1. Section 3 and 4-When accused may be granted bail- When allegations are not specific and the accused is in custody for long time knowing not when the trial will be concluded and the co-accused on same footing are granted bail, the accused petitioner in the circumstances may also be granted bail. Abdus Sattar Vs. The State, 4 MLR (1999) (HC) 375.
2. Section 4-Punishment for possession of explosive substance-In order to bring the offence of explosive substance within the mischief of the penal provision of the Act, the incriminating materials, alleged to be bomb or
explosive substance shall be examined by Explosive Expert. Otherwise the charge does not stand proved to the hilt. Harun Bepari (Md). Vs. The State, 5 MLR (200) (HC) 395.
3. Section-3 & 4-In the instant case the investigating officer submitted charge sheet against Pear Hossain, Son of Abdul Manna of village Dakhin Islampur, but it appears from the Ext-5 that doctor made treatment to Pear Hossain. son of Akkas Ali of village Juglir Hat. but he has not been made an accused. It is well-proved that accused appellant Pear Hossain son of Abul Mannan and the injured person Pear Hossain, son of Akkas Ali is not same person as such the investigating officer failed to identify the actual person, who received injuries by the bomb blasting-the judgment and order of conviction is hereby set aside.
Pear Hossain Vs. The State 13 BLT (2005) (HCD) 98.
4. The Explosive Substance Act, 1908-The seizure the list witnesses P.Ws. 4 and 7 deposed that the alamats being remnants of the exploded bomb were collected when the informant was at the hospital. However, it has been alleged by other P.Ws. that the said alamats were handed over to the Investigating Officer by the informant himself thus causing a serious doubt on this aspect of the prosecution case.
Halim Sheikh & Anr Vs. The State 13 BLT (HCD) (2005) 102.
Explosive Substance Act, 1908-Section 3 and 4- When accused may be granted bail-
When allegations are not specific and the accused is in custody for long time knowing not when the trial will be concluded and the co-accused on same footing are granted bail, the accused petitioner in the circumstances may also be granted bail.
Abdus Sattar Vs. The State-4, MLR (1999) (HC) 375.
Code of Criminal Procedure 1898- Section 561A-Quashment of proceedings or sentence- Explosive Substance Act, 1908-Possession of explosive substance must be exclusive and not constructive-
In order to sustain a conviction for possession of explosive substance, the possession must be exclusive. No conviction can be based on constructive possession of explosive substance.
Proceedings in a criminal case or a sentence may be quashed when the offence alleged does not constitute and offence or on ground of coramnon-judice or otherwise for securing the ends of justice.
Shahidul Vs. The State-5, MLR (2000) (HC) 107.
Section 4-Punishment for possession of explosive substance-
In order to bring the offence of explosive substance within the mischief of the penal provision of the Act, the incriminating materials, alleged to be bomb or explosive substance shall be examined by Explosive Expert. Otherwise the charge does not stand proved to the hilt.
Harun Bepair (Md). Vs. The State-5 MLR (2000) (HC) 395
Section 3 and 4-Offence of unauthorised possession of explosive substance-
In a case of explosive substance the examination thereof by Chemical expert is necessary in order to be sure that those are explosive substance. When not so examined the prosecution case becomes doubtful. The local witness did not support the prosecution case. Moreover the evidences of police personnels were contradictory on material points. It was not safe for the trial court as held by the High Court Division to convict the appellant on the basis of evidence of police personnels who were all partisan. The learned judges of the High Court Division as such set aside the conviction and sentence and acquitted the appellant having found the same not sustainable in law.
Sayem Islam (Md.) Vs. The State 13 MLR (HC) 155-160
Section 4 (b)-True it is that convict-appellant Abu Lyes Choudhury suffered injury. Sufferance of injuries cannot be an inference that explosive substance had been under his possession or control and he along with deceased Abul Kalam Babul and Arif Haider were manufacturing bombs/cocktails. Any conclusion that the accused is guilty under section 4(b) would be a mere conjecture, speculation or guess which are not in law and justice permissible grounds to base a verdict of conviction and sentence upon convict-appellant Abu Lyes Choudhury. Abu Lyes Choudhury Muhibur Rahman Manik us State (Criminal) 12 BLC (H) 269.
Sections 4 and 6-Report dated 26-3-1999 cannot be said to be first information report falling within the purview of section 154 of the Code and the said report treated as first information report was manifestly a second information report and the text comprised in second information report was statement falling under section 162 of the Code. Under the law there could not be any second information report and there could not be any investigation on the strength of second information report. Second information report was not at all valid and legal.
Investigation performed on the basis of second information report and submission of charge-sheet and commencement of trial pursuant to charge sheet on second first Information report was of no legal consequence and recording of conviction for offence of sections 4 and 6 of Explosive Substances Act and con-sequential sentence prized upon convict-appellant are absolutely illegal and demons- tratively infirm. Druto Bichar Tribunal did not at all take into account this fact of prosecution case and committed substantial error in the decision in awarding conviction and sentence upon convict-appellants and judgment of conviction and secntence deserves to be quashed.
Muhibur Rahman Manik vs state (Criminal) 12 BLC (CH) 269.
Section-4(b)
The words “Possession and Control”
The concept of possession under the Penal Law or any other law is not necessarily the same as the concept of “possession” under The Act of 1908 or The Arms Act, 1878. Concept of “possession” under The Act of 1908 or The Act of 1878 connotes an element of consciousness in the person charged with the offence-Control in section 4(b) means that the accused must have such power over explosive substances that he can direct its custody, production, use or disposal in some mariner.
“Control” in context means power or ability to regulate the keeping or possession or use to endanger life and cause serious injury to a person or property-Possession or control essential to constitute an offence under section 4(b). thus, must be “conscious possession” and “effective control” over explosive substances to endanger life or to cause serious injury to person or property. Muhbiur 279.
Rahman Manik & Anr Vs. The State 12 BLT (HCD) Neither knowledge nor intention as to the use to be made of any object an be imputed to a person who is not conscious of its existence, because not only does the term “possession” implies knowledge but the expression maliciously” as used in this section connotes intention.
29. Cr. LJ 481.
If the accused was shown to have made a bomb with the intention of using it against the police, it was held he was guilty under this section even though the bomb was made apparently to be used for test or experiment.
34. Cr. LJ 1222.
If an explosive is found in a joint family house which is not in exclusive occupation of any one member of the family, it was held that no presumption that it was in the possession of any member except the head of the family amrises unless the contrary is proved. 1928 Lah. 272 (Overruled in 1944 Lah. 339).
A dacoity was committed in which a hand grenade was found from the scene of occurrence in a hand bag. A with others was tried for dacoity. It was found that A was a clerk in an Ordinance factory. It was held that the mere finding of the hand grenad in a hand bag at the scene of dacoity could not justify a finding that A was the possessor of it at the time of dacoity and A and other accused could not be convicted under this or next following section.
45 Cr. LJ 598.
In the absence of proof that the explosion caused brought the accused within the mischief of this Act, the charge cannot be upheld though the causing of explosion to frighten the soldiers is a serious offence. In this case it was also held that a gramophone needle can not be regarded as lethal weapon. (Per Ferrers. J.C)
36 Cr. LJ 1037.
Possession to constitute an offence under section 4 (b) must be conscious and intelligent possession. Mere physical presence of the accused in proximity or even in close proximity of the offending object is not sufficient.
36 Cr. LJ 300 (2) = 51 Cr. LJ 61.
If a person supplies shots and red Arsenic for one bomb only intended to be tried in a place without the risk of being detected and without intending or involving any danger to life or serious injury to property, he could be held guilty of being party to a criminal conspiracy to commit an offence under clause (b) of this section and must be held to have done overt acts in furtherance of such conspiracy.
34 Cr. LJ 1222.
If a person’s wearing apparel is stained with mensal stains, it can be said that he either made or had in his possession or under his control and explosive substance with the intention not endangering life or causing serious injury to property by it or to enable any other person by means thereof to endanger life or cause serious injury to property in British India.
32 Cr. LJ 818.
If incriminating articles under this Act are found in a place in the occupation or possession of more persons than one and it is not possible to fix the liability on any particular Individual, the Court is not bound to hold that the head of the family was in possession or control of them.
46 Cr. LJ 1 (FB). (1928 Lah. 272 overruled).
The explosive substance defined in clause (b) of this section need not be such as to enable a person by means thereof alone, without the aid of other substances to cause damage to life or injury to property. Any part of any machinery, apparatus or implement intended to be used or adapted for causing or aiding in causing an explosion is included in the term “explosive substance.”
1916 Cal. 188 = 42 Cal. 957.
Yellow phosphorus used or found in a state in which it was used for exploding a bomb would fall within the definition of explosive substance as given in this section but if it is found in its natural form in a bottle kept under water, it will not be an explosive substance.
1946 Mad. 45 = 47 Cr. LJ 592.
ধারা-৫। সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ করানো, তৈয়ার বা দখলে রাখার শাস্তি (Punishment for exploding making or possessing explosives under suspicious circumstances):
যে ব্যক্তি কোন বিস্ফোরক দ্রব্যের বিস্ফোরণ ঘটায় বা প্রস্তুত করে বা জেনে- শুনে তা তার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, এরূপ অবস্থায় যেকোন অপরাধ সংঘটের জন্য সে ওটার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বা সে বৈধ উদ্দেশ্যে তৈয়ার করেছে বা তা দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে সে সম্পর্কে যুক্তিযুক্তভাবে সন্দেহের সৃষ্টি হয়, যদি সে কোন বৈধ উদ্দেশ্যে ওটার বিস্ফোরণ করেছে বা তা তৈরি বা তার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে মর্মে না দেখাতে পারে তবে সে চৌদ্দ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে যা দুই বছরের কম হবে না এবং তার সহিত জরিমানাও যোগ হতে পারে।

Sec.-5. Punishment for making or possessing explosive under suspicious circumstances:-
Any person who makes or knowingly has in his possession or under his control any explosive substance, under such circumstances as to give rise to a reasonable suspicion that he is not making it or does not have it in his possession or under his control for a lawful object, shall, unless he can show that he made it or had it in his possession or under his control for a lawful object, be punishable with transportation for a term which may extend to fourteen years, to which fine may be added, or with imprisonment for a term which may extend to five years, to which fine may be added.
ভাষ্য/ঢাকা/নজীর-[আইএলআর ২৬ এলাহাবাদ ১৩৭] দখল যেমন সচেতন হতে হবে, তেমনি নিয়ন্ত্রণও বাস্তবসম্মত হতে হবে, এমনকি নিয়ন্ত্রণের প্রাক্কালে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে উপাদানের অস্তিত্ব সম্পর্কে সজ্ঞাত থাকা বাধ্যতামূলক।
[পিএলডি ১৯৮৭ করাচি ৩৪১] আসামীর বিরুদ্ধে এ মর্মে অভিযোগ আনা হয় যে, সে সরকারি সম্পত্তি ঘেরাও, পোড়াও, তোলপাড় করার জন্য জনতাকে উত্তেজিত করেছিল। জনতার মধ্যে হতে পুলিশ-ট্রাকের উপর বোমা হলে ট্রাকটি নষ্ট হয় এবং ৪ জন কনস্টেবল আহত হয়। এ ঘটনায় একটা পেট্রোল পাম্প এবং একটা ব্যাঙ্কে আগুন জ্বলতে দেয়া হয়।
বাংলাদেশ হতে বিহারী প্রত্যাবাসনের দাবিতে প্রধান আসামী একজন নির্বাচিত এমএনএ আন্দোলন শুরু করে এবং সমবেত জনতা এক সময় উচ্ছৃঙ্খল হয়ে পড়ে। উক্ত প্রধান আসামীকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রধান আসামীর কার্যের দাবি নিয়ে সেখান থেকে দশটি বোমা ও পটাশিয়াম এবং অন্য কামানের বারুদসহ দুটি টিনের বাক্সও উদ্ধার করা হয়। যে সব দ্রব্য আদালতে উপস্থিত করা হয়েছে তা বর্তমান অবস্থায় বিস্ফোরণ করার জন্য বা জীবন বা সম্পত্তির জন্য বিপজ্জনক গণ্য হয় না, বিধায় আসামী কোন ‘সিডিউল’ অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়নি, তাই ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭(১) ধারার বিধান মতে আসামী জামিন পরার দাবি রাখে।
[৪৬ সিআরএলজে ২৬৮]-দখলের ষড়যন্ত্র বা দখলের কার্য দখলের সাক্ষ্য বহন করে।
[পিএলডি ১৯৮৭ করাচি ৫৮৩] ভূগর্ভস্থ পানির ট্যাঙ্ক খনন করার জন্য ঠিকাদারের অধীনে আসামী শ্রমিক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তার নিকট বিস্ফোরক দ্রব্য ছিল। ঐ ঠিকাদার ভূগর্ভের নিম্নতম স্থান বারুদ দিয়ে বিস্ফোরণ সংঘটনের পরিকল্পনায় ছিল। আসামীর এ জবানবন্দি সাক্ষ্যে সমর্থিত হওয়ায় আসামী বিধ্বংসী কার্যে উক্ত বিস্ফোরক বহন করছিল মর্মে প্রমাণিত না হওয়ার কারণে তাকে খালাস দেয়া হয়।
[পিএলডি ১৯৮৭ করাচি ৫৮৩] মামলায় জয়লাভের লক্ষ্যে বাদী পক্ষের শুধু এ মর্মে প্রমাণ করাই যথেষ্ট নয় যে, আসামী জেনে শুনে বিস্ফোরক দ্রব্য তার দখলে রেখেছিল, অধিকন্তু উক্ত পক্ষের এ মর্মেও প্রমাণ করা আবশ্যক যে, আসামী ঐ দ্রব্যগুলো বৈধ উদ্দেশ্যে নয় বরং বেআইনী ও ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে ব্যবহারের লক্ষ্যেই দখলে রেখেছিল। অন্যথায় এক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের উদ্ভব হবে। তবে গ্রেফতারের পূর্বে ও পরে আসামীর আচরণ, কুখ্যাত দলের সঙ্গে তার যোগাযোগ, সমাজে তার খ্যাতি, তার পেশা, আর্থিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এমনকি সামাজিক মান ইত্যাদি উপাদান এধরনের মতামত গঠন করার বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ সৃষ্টি করার জন্য প্রাসঙ্গিক গণ্য হয়ে থাকে।
[এআইআর ১৯৫১ এমবি ১১২] হোটেল মালিক কোন ব্যক্তির সাক্ষাৎ আত্মীয়ের পরিত্যক্ত কয়েকটি কার্তুজ ফেরত প্রদানের লক্ষ্যে যদি সাময়িকভাবে স্বীয় দখলে রাখে তবে তা আইনসঙ্গত বিধায় ৪ ধারার আওতায় উক্ত হোটেল মালিক দোষী
সাব্যস্ত হবে না।
[পিসিআরএলজে ১৯৮৫ ১৬৬৭] কথিত বিস্ফোরক দ্রব্য আদালতের সামনে যদি আনা না হয় এবং বিচারের সময় দেখানো না হয় বা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার অধীনে পরীক্ষাকালে আসামীকে এতদ্বিষয়ে প্রশ্ন করা না হয়, এমনকি উদ্ধারের সাক্ষিগণ দ্রব্যটি শনাক্ত না করে বা যে বিশেষজ্ঞ বস্তুটি পরীক্ষা করেছে তাকে আদালতে আনা না হয় বা তার প্রতিবেদন প্রমাণ করানো না হয়, সে সকল ক্ষেত্রে অভিযোগকারী থেকে বস্তুটি বিস্ফোরক দ্রব্য মর্মে প্রমাণ হয় না বিধায় সেক্ষেত্রে দণ্ডাদেশ আইনসঙ্গত হবে না।
[১৯৮১ সিআরএলজে ৫৮৮]-বিস্ফোরক দ্রব্য অভিযুক্ত ব্যক্তির মাধ্যমে প্রস্তুত ও তার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে ছিল মর্মে যদি প্রমাণ হয় এবং দখল ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে যুক্তিযুক্ত সন্দেহের উদ্রেককারী অবস্থা সরকার পক্ষ কর্তৃক প্রমাণিত হলে, সেক্ষেত্রে আসামী পক্ষকে প্রমাণ করতে হবে যে ঐ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসঙ্গত উদ্দেশ্যে প্রস্তুত বা দখলে রেখেছিল।
ধারা-৫
[আইএলআর ১৯৪৮ লা (৬৯)]-কোন অভিযুক্ত কর্তৃক বোমা ও কার্টিজ কোন স্থানে রেখেছে মর্মে যদি যথাযথভাবে প্রমাণ না হয় তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক নির্দেশিত স্থান থেকে বোমা ও কার্টিজ উদ্ধার হলেও তাকে এতদভিত্তিতে সাজা প্রদান করা যথার্থ নয়।
[পিএলডি ১৯৭৬ করাচী ৫৮৩] তিন ব্যক্তির দখলাধীন কক্ষ থেকে যদি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয় তবে এর দ্বারা কোন একক ব্যক্তির সার্বিক দখল বুঝায় না এবং তার উপর ভিত্তি করে শাস্তি প্রদান যথার্থ নয়।
[১৯৭২ (মাদ) এলজে ১৭১]-৫ ধারার আওতায় কোন বস্তু উদ্ধার করা হয় তবে তা বিস্ফোরক উপাদান হলে বিপরীত প্রমাণের ভার আসামীর উপর আরোপিত হবে।
[এআইআর ১৯৫১ পাটনা ৬৩৮] একাধিক ব্যক্তির ‘মেনস রিয়া’ বা দোষী মানসিকতা প্রসূত হয়ে বিস্ফোরকের সচেতনতার সাথে দখল এবং বাস্তব নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
[পাঞ্জাব ১৯৭৮ সিআরএলজে ১২৩]-পুলিশকে দেখার পর আসামী পলায়নের উদ্যোগ নেয়। এতে ঐ আসামী ধরা পরার কারণে, পর্যাপ্তভাবে প্রমাণ হয় যে, তার দখলস্থিত হাত গ্রেনেডটি কোন অইনগত উদ্দেশ্যে দখলে ছিল না।
[(১৯৭৪) ৩ এসসিসি ৪০৯] আলমিরার চাবি যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত হয় তবে উক্ত আলমিরায় রক্ষিত দ্রব্যাদি চাবি প্রদানকারীর দখলে ছিল মর্মে প্রমাণিত হয়।
[৩৪ সিআরএলজে ৪৮১]-আসামীর ব্যাখ্যা যৌক্তিক ও সত্য মর্মে আদালত যদি বিশ্বাস করে তবে আদালত সে মোতাবেক কার্য করতে পারে।
[১৯৭৮ পাঞ্জাব সিআরএলজে ৪০] যে ঘর থেকে হাত গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছিল সেই ঘর যদি অভিযুক্ত ব্যক্তির সার্বিক দখলে থাকেও তবে ঐ ঘরে রক্ষিত বাক্সে, যা বিনা তালায় রয়েছে, রক্ষিত উক্ত হাত গ্রেনেড উদ্ধার করা হলে ঐ ব্যক্তিকে দণ্ড প্রদান আইনসঙ্গত হবে না।
[৩৬ সিআরএলজে ২৬৬ এলাহা]-সরকার ৪ (বি) ধারার বিধানমতে চার্জ করার মঞ্জুরী দান করা সত্ত্বেও আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় বিকল্প চার্জ করায় ৫ ধারামতে আসামীকে শাস্তি প্রদান করা যেতে পারে।
[এআইআর ১৯৪৪ মাদ্রাজ ১৭৭] অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে থেকে জনৈক ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার বিধানমতে প্রদত্ত বিবৃতিতে উল্লেখ করেছিল যে, ঘটনার পর সে, যে ব্যক্তি পূর্ববর্তী ব্যক্তিকে এসিড ভর্তি একটি বাল্ব ও তিনটি রসুন বোমা দিয়েছিল এবং তাকে ঐগুলো ভূগর্ভস্থ করার জন্য বলেছিল, ঐ ব্যক্তির সহিত সাক্ষাৎ করেছিল। সে মোতাবেক অভিযুক্ত ব্যক্তি শূন্যস্থানে ঐগুলো ভূগর্ভস্থ করে। ফলে তার নির্দেশ অনুযায়ী উক্ত স্থান খুঁড়ে এসিড ভর্তি বাল্ব এবং তিনটি ক্রেকার উদ্ধার করা হয়, এরূপ সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত আইনসঙ্গত হবে।
1. Section 5-Meaning of “possession and control”-The constitute offences under section 19(f) of the Arms Act and Section 5 of the Explosive Substances Act ‘possession and control’ must mean more than mere constructive or legal possession. They must mean conscious possession and actual control with necessary mens rea.
Kashem alias Md. Abul Kashem Vs. The State, 14 BLD (HCD) 517.
2. Section 5-To constitute offence under the aforesaid sections of law possession and control must mean conscious possession and actual control with necessary mens rea.
When incriminating articles involving offences under section 19(f) of the Arms Act and section 5 of the Explosive Substances Act are recovered from a place in the occupation or possession of more than one person and it is not possible to fix the liability of any particular individual, the head of the family cannot be held liable for the offences.
Kashem alias Md Abul Kashem Vs. State, 47 DLR 438.
Under this section nothing more is required to be found than that the accused had pessession of the explosive substance under suspicious circumstances.
20 Mad. LJ 314.
If a bomb is found in a joint family house, every member of the family is not liable to be tried for that recovery.
16 CWN 145.
If a person is proved to be temporarily residing in a house in which persons met and formed anarchical design in pursuance of a conspiracy and wherein explosive substances were stored, he is liable to be convicted under this section.
29 Cr. LJ 49.
From mere presence of mensal stains possession can be presumed.
1931 Lah. 408.
Recoveries of explosives from places accessible to others are not sufficient to prove that the accused was in possession or control of the articles recovered and hence the conviction of the accused under this section is illegal.
1931 Lah. 50 = 32 PLR 150 = 32 Cr. LJ 585 130 IC 652.
If servant of a licensed master manufactures gun-powder in master’s house without master’s knowledge or consent and contrary to the terms of licence under which it could not be done in that building, the master is liable for the act of the servant.
28 Cr. LJ 36451 Bom. 352.
The accused pointed out the place where he had burried a bulb containing acid and crackers and himself produced them after digging the place, it was held that the evidence was sufficient for this conviction under this section.
45 Cr. LJ 373.
However exclusive possession and control of a particular person under this section is not necessary.
46 Cr. LJ 1 (FB).
If after a dacoity a bag containing hand grenade was found at the place of occurrence, the accused who was a servant in an Ordnance factory could not be convicted.
45 Cr. LJ 598.
If incriminating articles under this section are found in a place in the occupation or possession of several persons, all cannot be called upon to account for the presence of the article. It is the duty of the prosecution to prove the guilt of the accused.
1944 Lah. 339 = I LR 1945 Lah. 137
Mere possession of Mensel, Chlorate of Potash, etc. is no offence if it is for medicinal purposes. It is the use of these medicines for making bombs that makes it an offence.
36 Cr. LJ 1007.
ধারা-৬। অপরাধের সহায়তাকারীর শাস্তি (Punishment of abettors) :
অত্র আইনের আওতায় যেকোন অপরাধ সংঘটনের জন্য যে ব্যক্তি টাকার সরবরাহ করে বা আমন্ত্রণ করে ঘরবাড়ি আয়োজনের মাধ্যমে মাল-মশলা সরবরাহ দ্বারা বা যেকোন প্রকারেই হোক, ঘটায়, পরামর্শ দেয়, সাহায্য করে, প্ররোচনা দেয় বা ঐ কর্মে সাহায্য করে, তবে উক্ত অপরাধের জন্য ঐ ব্যক্তি ব্যবস্থিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।
Sec.-6. Punishment for abettors:
Any person who by the supply of or solicitation for money. the providing of premises, the supply of materials, or in any manner whatsoever, procures, counsels, aids, abest, or is accessory to, the commission of any offence under this Act shall be punished with the punishment provided for the offence.
ভাষ্য/ঢাকা/নজীর [৩১ পিএলডি ৮১] বোমা বিস্ফোরণ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে অথবা কতিপয় ব্যক্তি এরূপ বিস্ফোরণে আহত হলে, উক্ত বিস্ফারণের জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।
[এআইআর ১৯৬২ সুপ্রীম ৮৮৬]-ষড়যন্ত্র দ্বারা অপসহায়তা করলে অপসহায়ককে দণ্ডবিধির ১০৮ হতে ১৭৭ ধারাগুলো বর্ণনা মোতাবেক দণ্ড পেতে হবে এবং ফৌজদারি ষড়যন্ত্রের জন্য দণ্ডবিধির ১২০ ধারায় দণ্ড পেতে হবে।
[১৯৬৭ সিআরএলজে ৫৪১] কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক অপসহায়তা করে থাকলে সে অপসহায়ক হিসেবে দোষী হতে পারে। [১৯৭৫ এসএসসি (সিআর) ৮৭]-অভিপ্রায়সূচক সহায়তা এবং সক্রিয় ভূমিকাই দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার (৩) দফার বিধান অনুসারে অপহায়তার অপরাধের
সারবস্তু।
[৩৫ সিআরএলজে ৭৫২] সাধারণত অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক অভিপ্রায় অপরাধ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচিত হয়ে থাকে।
This section provides punishment for the abetment etc. of the substantive offences created by this Act. The section is more wide in its scope than the under this section the ncessary ingredient is the intention, to procure, counsel, aid, abet or to be accessory to the commission of an offence under the Act. In determining the guilt of an accused under this section, ordinarily the primary intention of the accused must be taken into consideration.
1934 Lah 583 = 35 Cr. LJ 752.
The consent should briefly state the facts which constitute the offence.
1919 PR 31 (Cr.)
The purpose of the section is to restrain the Court from trying any person for an offence under this Act except with the previous sanction of the Central Government.
1934 All. 982.
For the words “Local Government” the words “Central Government” were substituted by Government of India Order, 1937. It was held that as the executive authority was vested in the Governor, a sanction given by him under this section was a valid consent and the question whether he consulted his ministers or not could not be questioned in a Court of law.
1939 Mad 168 = 40 Cr. LJ 317.
If the required consent is given for one offence, there is no bar for conviction under another section.
21 Cr. LJ 270:
A person was charged under section 4 of the Act and was committed to the Session without the previous consent of the Local Government. The Sessions Judge referred the case to the High Court for quashing the proceedings. It was held that the failure to obtain the consent prior to commitment did not invalideate the commitment and the Sessions Judge ought to have postponed the trail till the consent of the Government was obtained.
50 Bom. 695 = 28 Cr. LJ 5.
It is not necessary to obtain the consent of the Government at the stage of an enquiry. It is sufficient, if it is obtained before the trial begins.
1934 All. 982 = 36 Cr. LJ 266.
If a complaint under this Act is filed before the Sub- Divisional Magistrate without sanction, and subsequently another complaint is filed before the District Magistrate with sanction as required by this section, held that the District Magistrate had jurisdiction and the proceedings were valid.
39 Cal. 119.

৬ক। অপরাধ তদন্তের সময়সীমাঃ”
(১) Code of Criminal Procedure, 1898 এ ভিন্নতর বা কিছুই থাকুক না কেন, এ আইনের অধীন কোন অপরাধের তদন্ত-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতে-নাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হয়ে পুলিশের নিকট সোপর্দ হলে, তার ধৃত হবার তারিখ হতে পরবর্তী পনের কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হবে; অথবা
(খ) অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতে-নাতে ধৃত না হলে অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য প্রাপ্তির তারিখ হতে বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
(২) কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লেখিত সময়ের মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে, তদন্তকারী কর্মকর্তা কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধের তদন্তকার্য সম্পন্ন করবেন এবং তৎসম্পর্কে কারণ উল্লেখপূর্বক তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ও লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লেখিত মধ্যেও তদন্তকার্য সম্পন্ন করা না হলে, সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা অতিক্রান্ত হবার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে উক্তরূপ তদন্তকার্য সম্পন্ন না হওয়া সম্পর্কে তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট ও লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন তদন্তকার্য সম্পন্ন না হওয়া সম্পর্কে অবহিত হবার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্তের আদেশ প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে সেই সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত অপরাধের তদন্তভার অন্য কোন কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করতে পারবেন এবং উক্তরূপে কোন অপরাধের তদন্তভার হস্তান্তর করা হলে তদন্তের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতে-নাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হয়ে পুলিশের নিকট সোপর্দ হলে, তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করবেন; অথবা
(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে পরবর্তী ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করবেন।
(৫) উপ-ধারা (৪) এ উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যেও তদন্তকার্য সম্পন্ন করা না হলে, সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা অতিক্রান্ত হবার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে উক্তরূপ তদন্তকার্য সম্পন্ন না হওয়া সম্পর্কে তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটকেও লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
(৬) উপ-ধারা (২) বা (৪) এ উল্লেখিত সময়ের মধ্যে কোন তদন্তকার্য সম্পন্ন না করার ক্ষেত্রে, তৎসম্পর্কে ব্যাখ্যা সম্বলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের আদেশ দেন সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তাই দায়ী, তাহলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা বলে বিবেচিত হবে এবং এ অদক্ষতা তার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকুরি বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।”
Sec.-6A. Time limit for completion of investigation.-
(1) Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) or in any other law for the time being inforce, an investigation of an offence under this Act shall be completed-
(a) within fifteen working days from the date of arrest of the accused, where the accused is arrested at the time of commission of the offence by the police or by any other person and handed over to the police; or
(b) within sixty working days, from the date of receipt of information regarding the commission of the offence or from the date of receipt of an order of any magistrate for investigation of such offence when the accused is not arrested at the time of commission of the offence.
(2) Where an investigation is not completed within the period specified in sub-section (1), the investigation officer may, after recording the reasons in writing, complete the investigation within a further period of seven working days and shalll report it in writing to his controlling officer and also to the magistrate concerned.
(3) Where an investigation is not completed within the extended period specified under sub-section (2), the investigation officer shall, within twenty four hours of the expiry of that period, report it in writing, stating reasons therefor, to his controlling officer and also to the magistrate concerned.
(4) Upon receipt of a report under sub-section (3), the controlling officer or, when the investigation was ordered by a magistrate, the magistrate concerned, may transfer the reponsibility for investigation to some other and, where the responsibility for investigation is so transferred, the officer who received the responsibility shall complete the investigation-
(a) within seven working days from the date of receipt of the order of transfer, where the accused is arrested at the time of commission of the offence by the police or by any other person and handed over to the police; or
(b) within thirty working days from the date of receipt of the order of transfer in any other case.
(5) Where an investigation is not completed within the period specified under sub-section (4), the investigation officer shall, within twenty four hours of the expiry of that period, report it in writing, stating reasons therefor, to his controlling officer and also to the magistrate concerned.
(6) Where, after examination of the report submitted under sub-section (2) and (4), the controlling officer or when the Investigation was ordered by a miagistrate, the magistrate concerned finds that the investigation officer is liable for the non-completion of investigation within the specified period, such liability shall be deemed to be inefficiency of that officer and such inefficiency shall be recorded in his annual confidential report, and in appropriate case departmental action may be taken against him under the service rules applicable to him.”
ধারা-৭। [. . . . . . . . . .]
Sec.-7. [. . . . . . . . . . . ]
অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪
অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ (১৮৭৮ সনের ১১নং আইন)-এর ৪, ১০, ১৭ ও ২৭ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার নিম্নলিখিত বিধিমালা প্রণয়ন করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিধি-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনামঃ
(১) এ বিধিমালাকে অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪ নামে অভিহিত করা হবে।
(২) অস্ত্র বিধিমালায় ১৯২৪ সনের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
বিধি-২। বিশদ ব্যাখ্যা:
(১) অত্র বিধিমালায় বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছুর অবর্তমানে: “জেলা (প্রশাসক) ম্যাজিস্ট্রেট” বলতে যেক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কোন জেলা বা তার অংশবিশেষের ক্ষেত্রে যেমন নির্দেশ দেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (প্রশাসক) কেও বুঝানো হয়। “মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট” বলতে ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন মহকুমার ম্যাজিস্ট্রেট-এর ক্ষমতা প্রয়োগকারী সমপদমর্যাদার কর্মকর্তা যিনি মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে জেলা (প্রশাসক) ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অত্র বিধিমালার আওতায় লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
“ফরম” বলতে ৭ম তফশিলে প্রদর্শিত ফরমকে বুঝানো হবে। (২) জেনারেল ক্লজেস এ্যাক্ট, ১৮৯৭ (১৮৯৭ সনের ১০ নং আইন) বাংলাদেশে যেরূপ সংজ্ঞাবোধে অভিযোজিত করা হয়েছে সরকারের আইনের ব্যাখ্যা করার উদ্দেশ্যে যেমন প্রযোজ্য তেমনি অত্র বিধিমালার ব্যাখ্যার জন্যও প্রযোজ্য হবে।
![অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ১-২৫ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
এ আইনের প্রয়োগ
বিধি-৩। অব্যাহতি, বাদ ও প্রত্যাহার:
(১) ১ম থেকে ৪র্থ তফশিলে বর্ণিত ব্যক্তি ও ব্যক্তিবর্গের শ্রেণীসমূহ, অস্ত্র এবং গোলাবারুদ, সমগ্র বাংলাদেশে উল্লেখিত আকার এবং শর্তসাপেক্ষে আইনের কার্যকারিতা ও নির্দেশ হতে যথাক্রমে অব্যাহতি প্রাপ্ত, বহির্ভূত এবং প্রত্যাহারকৃত হবে। তবে উল্লেখ্য যে, ১ম তফশিল উল্লেখিত অব্যাহতিসমূহ নিম্নোক্ত শর্তসাপেক্ষে প্রদান করা হয়েছে; যথাঃ
(এ) সেগুলো পোস্ট অফিসের মাধ্যমে অস্ত্র বা গোলাবারুদ আমদানিকে আইনসঙ্গত করে মর্মে বিবেচিত হবে না।
(বি) উল্লেখিত তফশিলের ১ (বি), ২ বা ৬(ই) ভুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিগণের ক্ষেত্রে ব্যতীত এরূপভাবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কোন আগ্নেয়াস্ত্র বা গোলাবারুদ যার সম্পর্কে অত্র আইনের কোন বিধানের কার্যকারিতা থেকে সে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সরকার যেভাবে নির্ধারিত করেন সেভাবে রেজিস্ট্রি করবে।
(সি) প্রত্যেক ব্যক্তি যে অস্ত্র সম্পর্কে সে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেরূপ অস্ত্র যদি হারান যায় বা চুরি যায়, তবে তিনি অবিলম্বে ঘটনাটি নিকটবর্তী থানায় রিপোর্ট করবেন এবং
(ডি) সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারেন যেকোন ব্যক্তিবর্গের শ্রেণীর উপর প্রদত্ত এরূপ অব্যাহতি ঐ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত অন্য কোন ব্যক্তি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হওয়া থেকে বিরত হবে যার নাম বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকতে পারে।
(২) উপবিধি (১) এর (বি) থেকে (সি) অনুবিধিতে প্রদর্শিত অব্যাহতির যেকোন শর্ত পালনে যে কেউ ব্যর্থতা প্রদর্শন করে তবে ঐ ব্যক্তি অত্র বিধিমালা ভঙ্গ করেছে মর্মে গণ্য হবে।
বিধি-৪। সম্প্রসারণ:
অত্র আইনের ৪ ধারাস্থিত সামরিক সম্ভারের সঞ্চারের উদ্দেশ্যে, এ আইনের সব ধারা সমগ্র বাংলাদেশে সম্প্রসারিত করা হয়েছে, প্রত্যেক (1) সিসা, সালফার এবং যক্ষ্মার এবং (ii) শ্বাসরোধ, বিষাক্ত উত্তেজক বা অন্য গ্যাস এবং সদৃশ তরল বস্তু উপাদান বা নকশা যা বাংলাদেশের কোন প্রকৃত শিল্প প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয় না এবং (iii) ক্লোরেটস এর পর্যায়ভুক্ত ইত্যাদির ক্ষেত্রে।
আমদানি
বিধি-৫। কামান এবং কতিপয় অন্য দ্রব্যাদির আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা:
(১) (1) এর আমদানির জন্য লাইসেন্স-
(এ) কামান,
(বি) টপের্ডো সার্ভিসের জন্য পরিকল্পিত দ্রব্যাদি,
(সি) যুদ্ধ রকেটসমূহ, বা
(ডি) প্রস্তুত করার যন্ত্রপাতি বা গোলাবারুদ,
(ই) অবিচ্ছিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র।
শুধুমাত্র সরকার কর্তৃক ফরম-১ এ মঞ্জুর করা যায়।
(২) (১) উপবিধি অনুসারে মঞ্জুরকৃত প্রত্যেক লাইসেন্সের এক কপি যে জেলায় এরূপ স্থান অবস্থিত রয়েছে, উক্ত জেলার জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) বরাবর অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
বিধি-৬। বাদ দেয়া হয়েছে।
বিধি-৭। কতিপয় রাইফেল আমদানির উপর বিধিনিষেধঃ
(১) সমুদ্র, নদী বা স্থল পথে আমদানির জন্য কোন লাইসেন্স দেয়া হবে না।
(এ) (i) .৩০৩ বা ৪৫ বোরের রাইফেল বা ৪১০ বোরের ম্যাঙ্কিট বা হাত বন্দুক বা তার অংশসমূহ বা ফিটিং ২৪ বিধিতে ব্যবস্থিত পন্থা ব্যতীত এমন বোরের রাইফেলের বা ম্যাঙ্কিট, গোলাবারুদ বা এ সমস্ত রাইফেল বা ম্যাস্কিট থেকে গোলাগুলি নিক্ষেপ করা যায়; অথবা
(ii) .৩০৩ ও ৪৫০ বোর রাইফেল ব্যবহারের উপযুক্ত নিম্নোক্ত উপাদান সম্বলিত অন্য যেকোন বোরের রাইফেল যথা: এবেকসানস, ব্রীচ ব্লক, ব্রীচ বোল্টস, বডিজ, ম্যাগাজিন কেসেস, ককিং পিসেস এবং ব্রীচ বোল্ট (২৩৬৬), অথবা
(iii) ৪৪১, ৪৫৫ বা অন্য কোন মাধ্যমিক বোরের পিস্তল বা রিভলবার বা এরূপ বোরের পিস্তল বা রিভলবারের অংশ বা ফিটিংস ৩৮ বিধিতে বা অন্যভাবে যদি বিধান করা না থাকে তবে এসমস্ত পিস্তল বা রিভলবার থেকে গুলি করা যায় এরূপ সকল গোলাবারুদ, অথবা
(iv)পোস্ট অফিসের মাধ্যমে কোন অত্র বা গোলাবারুদ,
(২) ৬ বিধিতে যদি অন্যরূপ বিধান করা না থাকে তবে উপবিধি (১) এর
(বি) দফার কিছু রাইফেল আমদানি বা রাইফেলের অংশ বা ফিটিং আমদানির ক্ষেত্রে অত্র বিধিমালায় আরোপিত লাইসেন্স মঞ্জুরীর ক্ষমতাকে কোনভাবেই খর্ব বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে মর্মে বিবেচনা করা হবে না, যা লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষের মতে খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে অভিপ্রেত ছিল।
(৩) (১) উপধারার (সি) দফার কোন কিছুই বাংলাদেশের বন্য অস্ত্র আমদানি নিষিদ্ধ হিসেবে বিবেচ্য হবে না।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
Rule 10-Amendment done to provide opportunity to maximum number of qualified persons to act as Nikah Registrars-That being the purpose the second proviso to section 4 and amended Rule 10 cannot be considered as violative of any of the fundamental rights guaranteed under the Constitution. Wahiduzzaman (Md) us Government of Bangladesh 57 DLR 26.
Rule 10- The Government is empowered to extend, curtail or otherwise alter the area or jurisdiction of a Nikah Registrar subject to the maximum area provided in the Rules. Syed Md Anwarul Haque vs Bangladesh 57 DLR 248. Rule 10 There is no vires in the second proviso to section 4 of the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act as well as in Rule 10 of the Muslim Marriages and Divorces Registration Rules and the said legal provisions are not ultra vires of the Constitution and in no way infringe the fundamental rights of the petitioners as guaranteed therein. Syed Md Anwaraul Haque and others vs Bangladeh and others 57 DLR 248.
বিধি-৮। বন্দরে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আমদানি ৫ থেকে ৭ বিধির বিধানসমূহের অনুরূপ বিধান করা না থাকলে সমুদ্র দিয়ে আমদানির জন্য “ফরম-২য়”-তে লাইসেন্স মঞ্জুরি করা যাবে:
(এ) বন্দরে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সাময়িক সম্ভারের জন্য জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) এর মাধ্যমে,
(বি) বন্দর যুক্তিযুক্ত পরিমাণ সাফফার: ঐ সালফার ঔষধ সম্পর্কিত কিছু তৈরি বা কৃষির উদ্দেশ্যে সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজন, এতদ্বিষয়ে সন্তোষজনকভাবে প্রমাণ পেলে বোর্ড অব রেভিনিউর মাধ্যমে, এবং
(সি) চট্টগ্রাম বন্দরে সালফার: উক্ত সালফার প্রস্তুত বা কৃষির উদ্দেশ্যে সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজন, এতদ্বিষয়ে সন্তোষজনক প্রমাণ পেলে জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট)-এর মাধ্যমে। উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানিকৃত সালফার যার গন্তব্য সে শহরের বাইরে, তা সিড হতে রেল ওয়াগন পর্যন্ত সরাসরি শুল্ক কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে খালাস করা হবে, যা জেটিতে রিভিট এবং সিল করা হবে এবং আর কোন হ্যান্ডলিং বা স্থানান্তরিতকরণ ব্যতিরেকেই সরাসরি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হবে।
বিধি-৯। বাদ দেয়া হয়েছে।
বিধি-১০। স্থল বা নদীপথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সাময়িক সম্ভার আমদানি :
(১) ৫ হতে ৭ পর্যন্ত বিধিসমূহে যদি ভিন্নরূপ বিধান করা না থাকে, তবে স্থল বা নদী পথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আমদানির জন্য লাইসেন্স ‘ফরম-৩’-এ যেখানে ঐ স্থান অবস্থিত সে জেলার জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট)- এর মাধ্যমে দেয়া হবে।
(২) এতদপ্রকার লাইসেন্স অস্ত্র আমদানির জন্য দেয়া যাবে, যা-
(এ) কোন ব্যক্তির অধিকারভুক্ত যেকোন এক স্টেটে বাস করে এবং ১ম তফশিলের আওতায় অস্ত্র সজ্জিত হওয়া বা এরূপ অস্ত্র দখল করার জন্য লাইসেন্স নেয়ার প্রয়োজনীয়তা থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত; এবং
(বি) সম্পূর্ণভাবে মেরামতের লক্ষ্যে আমদানি করা হয়; এরূপ স্টেটের রাজনৈতিক কর্মকর্তার মাধ্যমে এবং যে স্টেট হতে এগুলো আমদানি করা হয়েছিল সেই স্টেটে তা পুনঃরপ্তানি করাও এরূপ লাইসেন্সের আওতাভুক্ত হবে।
(৩) যখন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা ভাণ্ডার (২) উপবিধির আওতা বহির্ভূত উপায়ে কোন স্টেট থেকে আমদানি করা হয় তখন লাইসেন্সের একটি অনুলিপি এরূপ স্টেটের রাজনৈতিক কর্মকর্তার কাছে অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
(৪) যখন কোন স্থান থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা ভাণ্ডার স্থল বা নদীপথে আমদানি করা হয় এবং বাংলাদেশের সীমান্তে নয় এরূপ কোন জেলায় প্রেরণ করা হয়, তখন ঐগুলো সীমান্ত অতিক্রম করে সে জেলার জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) এর বরাবরে লাইসেন্সের একটি অনুলিপি অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে এবং এরূপ ম্যাজিস্ট্রেট তার বিবেচনায় জেলা হতে বের করে নেয়ার কালে প্রদানের পূর্বে লাইসেন্সধারীকে সেগুলো পরিদর্শনের জন্য তার সামনে উপস্থিত করার জন্য আবশ্যক বোধ করতে পারেন।
(৫) বাদ দেয়া হয়েছে।
(৬) যখন অস্ত্র গোলাবারুদ বা ভাণ্ডার রেলযোগে আমদানি করা হয় তখন লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সের একটি অনুলিপি যে স্থানে এরূপ অস্ত্র গোলাবারুদ বা ভাণ্ডার প্রেরণ করা হয় উক্ত স্থানের রেল কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে প্রেরণ করবেন।
বিধি-১১। বাদ দেয়া হয়েছে।
বিধি-১২। রেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক চালানসমূহ পরীক্ষা:
(১) ১০ বিধির (৬) উপবিধির বিধান অনুযায়ী যে রেল কর্তৃপক্ষের বরাবরে লাইসেন্সের কপি প্রেরণ করা হয়েছে সেই রেল কর্তৃপক্ষ বা প্রাপককে (প্রেরিত চালানের) মূল লাইসেন্স তাদের নিকট উপস্থিত করতে আবশ্যক বোধ করবে এবং তাদের এমর্মে সন্তুষ্ট করবেন যে,
(এ) তার দাবিকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ বা ভাণ্ডার এরূপ লাইসেন্সের প্রদত্ত বর্ণনার অনুরূপ; এবং
(বি) এরূপ লাইসেন্স প্রকৃতপক্ষে তাদের কাছে পাঠানো কপির অনুরূপ।
(২) যখন কোন ক্ষেত্রে (১) উপবিধির উল্লেখ করা হয়ঃ
(এ) প্রাপক (চালানের) মূল লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হয়, অথবা-
(বি) তার দাবিকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ বা ভাণ্ডার এরূপ লাইসেন্সের প্রদত্ত বর্ণনার অনুরূপ নয়, অথবা
(সি) এরূপ লাইসেন্স প্রকৃতপক্ষে কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরিত অনুলিপির অনুরূপ নয়, এরূপ কর্তৃপক্ষ চালান অর্পণ করবেন না এবং অবিলম্বে নিকটবর্তী ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত বিষয়ে জ্ঞাত করবেন।
বিধি-১৩। আমদানি লাইসেন্স প্রদর্শন ও অর্পণ:
(১) লাইসেন্সের আওতায় যেকোন স্থান হতে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারের প্রাপক-
(এ) যখন চালানটি স্থল বা নদীপথে সীমান্ত অতিক্রমের ছয় দিনের মধ্যে চালানটি যে জেলায় এরূপভাবে অতিক্রম করে ঐ জেলার জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেটের) বা এমন কর্মকর্তার নিকট যাকে জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) নিয়োগ করে তার কাছে লাইসেন্স পেশ করবে; এবং
(বি) যেকোন ক্ষেত্রে যখন চালানটি স্থল বা নদীপথে আমদানি করা হয় এরূপ চালান গন্তব্য স্থানে পৌঁছবার ছয় দিনের মধ্যে গন্তব্য স্থলের জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেট) বরাবরে লাইসেন্স পেশ করবে।
(২) (১) উপবিধি মোতাবেক যে কর্মকর্তার কাছে লাইসেন্স পেশ বা অর্পণ করা হয় এমন প্রত্যেক কর্মকর্তা তাকে এমর্মে সন্তুষ্ট করবেন যে,
(এ) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনার অনুরূপ, এবং
(বি) যেকোন ঘাটতির যথাযথ হিসাব প্রদান করা হয়েছে।

রপ্তানি
বিধি-১৪। কামান এবং কতিপয় রাইফেলের সমুদ্রপথে রপ্তানির উপর বাধানিষেধ-
(১) সমুদ্রপথে রপ্তানির জন্য লাইসেন্স-
(ক) কামান, অথবা
(খ) রাইফেল বা রাইফেলের অংশ বা ফিটিংস সরকার বা সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে ৪নং বা ৫নং ফরমে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। উল্লেখ্য যে, এ বিধির কিছুই সমুদ্র পথে রাইফেল বা রাইফেলের অংশ বা ফিটিংস রপ্তানি অত্র বিধিমালার মাধ্যমে আরোপিত লাইসেন্স মঞ্জুরীর ক্ষমতাকে কোনভাবেই খর্ব বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে মর্মে বিবেচিত হবে না, যা লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষের মতে খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৎ উদ্দেশ্যে অভিপ্রেত ছিল।
বিধি-১৫। সমুদ্র পথে বন্দর থেকে বন্দরে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানি:
(১) ১৪ বিধির বিধানমতে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানির জন্য জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) কর্তৃক বন্দর লাইসেন্স প্রদান করা যেতে পারে;
(২) (৩) উপবিধিতে অনুরূপ বিধান না থাকলে (১) উপবিধির আওতায় প্রদত্ত প্রত্যেক লাইসেন্স এক হয়;
(এ) (১) উপবিধির (বি) দফায় উল্লেখিত এরূপ যেকোন বন্দরের প্রতি, অথবা
(বি) লাইসেন্সে যেমন উল্লেখ বা বর্ণনা থাকে, বাংলাদেশের বাইরে ব্রিটিশ শাসিত এলাকার মধ্যে।
(৩) সমুদ্র পথে সল্টপেট্রি বা সীসা রপ্তানির লক্ষ্যে লাইসেন্স যেকোন বন্দরে প্রদান করা যাবে।
(৪) (২) এবং (৩) উপবিধির (এ) দফায় উল্লেখিত প্রকৃতির প্রত্যেক লাইসেন্সের প্রতিলিপি এরূপ স্থানে যে জেলায় অবস্থিত সে জেলার জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অনতিবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
বিধি-১৬। স্ট্রেট বা বিদেশী এলাকার বন্দর থেকে বন্দরে সমুদ্র পথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানি:
(১) (এ) যেকোন বন্দর থেকে ভারতের কোন রাজ্য বা বিদেশ এলাকার যেকোন বন্দরে সমুদ্র পথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানির জন্য ৫নং ফরমে সরকার কর্তৃক লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাবে। উল্লেখ্য যে, এডেনের বন্দরের রাজনৈতিক দায়িত্বে থাকা রাজনৈতিক অধিবাসী বা পারস্য উপসাগরের রাজনৈতিক অধিবাসী ব্যতীত আরব আঞ্চলিক উপকূলের কোন বন্দরে রপ্তানির লক্ষ্যে কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাবে না।
(বি) সমুদ্র পথে অস্ত্র (১৪ বিধিবলে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হচ্ছে এরূপ অস্ত্র ব্যতীত) গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানির জন্য লাইসেন্স ৫নং তফশিলে উল্লেখিত যেকোন কর্মকর্তা কর্তৃক, ‘ফরম- ৫’ এ মঞ্জুর করা যাবে, যখন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সম্ভার চতুর্থ কলামে উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে দ্বিতীয় কলামের অনুরূপ ভুক্তির বন্দর থেকে তৃতীয় কলামের অনুরূপ ভুক্তির বন্দরে রপ্তানি করা হবে।
(২) কোন স্টেটের যেকোন বন্দরে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার রপ্তানির জন্য অত্র বিধির আওতায় ইস্যুকৃত প্রত্যেক লাইসেন্সের প্রতিলিপি মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কর্মকর্তা বা রাজনৈতিক অধিবাসীর কাছে অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
(৩) যে নৌযানে করে লাইসেন্সের আওতায় অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বোঝাই করার অভিপ্রেত করেছে তার এজেন্ট বা মাস্টারের কাছে অত্র বিধির আওতায় লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ এরূপ লাইসেন্সের অনুলিপি এবং এরূপ এজেন্ট বা মাস্টার অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার সম্বলিত কোন বাক্স বা গাঁট প্রেরণের জন্য গ্রহণ করবেন না, যদি না ঐগুলোতে মূল লাইসেন্স সহকারে না হয় এবং নিজেদেরকে সন্তুষ্ট করবেন যে,
(এ) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনার অনুরূপ; এবং
(বি) এরূপ লাইসেন্সের প্রকৃতপক্ষে তার নিকট প্রেরণ করলে লাইসেন্সের প্রতিলিপি একই;
(৪) যেক্ষেত্রে যেকোন ব্যাপারে (৩) উপবিধির উল্লেখ করা হয়, সেক্ষেত্রে:
(এ) বাক্স বা গাঁটের সঙ্গে মূল লাইসেন্স থাকে না, বা
(বি) ঐ সবের মধ্যে থাকা অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনার ন্যায় সমরূপ, অথবা
(সি) লাইসেন্সটি তার কাছে প্রেরিত হলে প্রতিলিপি প্রকৃতপক্ষে এক নয়, সেক্ষেত্রে এরূপ এজেন্ট বা মাস্টার প্রেরণের জন্য চালানটি গ্রহণ করবেন না এবং নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটকে এতদ্বিষয়ে অবিলম্বে অবহিত করবেন।
বিধি-১৭। অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার স্থল বা নদীপথে রপ্তানি:
(১) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার স্থল বা নদীপথে বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে রপ্তানির জন্য লাইসেন্স “ফরম-৬” তে প্রদান করা যেতে পারে:
(এ) সরকার কর্তৃক, অথবা-
(বি) ৬ষ্ঠ তফশিলে ১ম কলামে উল্লেখিত যেকোন কর্মকর্তা দ্বারা যখন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রত্যেক ক্ষেত্রে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে দ্বিতীয় কলামের অনুরূপ ভুক্তিতে উল্লেখিত যেকোন বন্দরে রপ্তানি করা হবে।
(২) কোন প্রাদেশিক সরকারের সাথে রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এরূপ প্রদেশে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানির জন্য এরূপ সরকারের সেক্রেটারীর স্বাক্ষরক্রমে বা সরকার কর্তৃক এতদপক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য যেকোন কর্মকর্তা কর্তৃক লাইসেন্স দেয়া যেতে পারে।
(৩) যখন এরূপ প্রদেশের রাজনীতিক প্রতিনিধি ব্যতীত অন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোন প্রদেশে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা ভাণ্ডার অত্র বিধির আওতায় প্রদত্ত লাইসেন্সে রপ্তানি করা হয়, তখন অনুরূপ লাইসেন্সের প্রতিলিপি এরূপ রাজনৈতিক কর্মকর্তাকে অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
(৪) যখন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার স্থল বা নদীপথে রপ্তানি করা হয়, যে জেলার বাইরে ঐগুলো সমগ্র বাংলাদেশের (প্রদেশ বা ফেডারেশনের রাজধানীর) সীমান্ত অতিক্রম করে সে জেলার জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) তার বিবেচনায় ঐগুলো জেলা ত্যাগ করার পূর্বে লাইসেন্সধারীকে লাইসেন্স তারসামনে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করতে বলতে পারেন।
(৫) (এ) যেক্ষেত্রে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রেলযোগে রপ্তানি করা হয়, লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ যে জেলা থেকে চালানটি প্রেরণ করা হবে উক্ত জেলার জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেট) বরাবরে লাইসেন্সের প্রতিলিপি অবিলম্বে পাঠাতে হবে।
(বি) জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) যে স্থান থেকে চালানটি প্রেরণ করা হবে উক্ত স্থানের রেল কর্তৃপক্ষের বরাবরে একটি প্রতিলিপি পাঠাবেন এবং রেল কর্তৃপক্ষ যদি ঐগুলোর মূল লাইসেন্স না থাকে তবে উক্ত অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার সম্বলিত কোন বাক্স বা গাঁট প্রেরণের জন্য গ্রহণ করবেন না এবং তাদেরকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করবেন যে,-
(i) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনা মোতাবেক আছে; এবং
(ii) এরূপ লাইসেন্স ও তাদের নিকট প্রেরিত প্রতিলিপি মূলত এক।
(সি) যেক্ষেত্রে কোন বিষয়ে (বি) দফায় উল্লেখ করা হয়ঃ
(i) বাক্স বা গাঁটের সঙ্গে মূল লাইসেন্স নেই; অথবা
(ii) ওগুলোর মধ্যে থাকা অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনার অনুরূপ নয় অথবা
(iii) লাইসেন্সটি ও তাদের কাছে পাঠানো প্রতিলিপি প্রকৃতপক্ষে এক নয় এরূপ কর্তৃপক্ষ প্রেরণের জন্য চালানটি গ্রহণ করবেন না এবং অবিলম্বে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটকে তা অবহিত করবেন।
বিধি-১৮। বাদ দেয়া হয়েছে।
বিধি-১৯। রপ্তানি লাইসেন্সসমূহ অর্পণ:
(১) যেক্ষেত্রে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার স্থল বা নৌপথে রপ্তানি করা হয়, চালানটি যে জেলা থেকে সীমান্ত অতিক্রম করবে এবং সে জেলায় পৌছার ছয় দিনের মধ্যে পূর্বে লাইসেন্সটি এরূপ জেলার জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেটের) কাছে অথবা অন্য কোন কর্মকর্তা যাকে জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) এ উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেছেন তার কাছে প্রদান করতে হবে।
(২) (১) উপবিধির আওতায় লাইসেন্স অর্পণ করা হয়, এমন প্রত্যেক কর্মকর্তা তাকে এমর্মে সন্তুষ্ট করবেন যেঃ
(এ) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনার ন্যায় একই রূপ আছে; এবং
(বি) যেকোন ঘাটতির যথাযথ হিসাব প্রদান করা হয়েছে।

আমদানি এবং পুনঃরপ্তানি
বিধি-২০। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভারের সমুদ্রযোগে আমদানি ও পুনঃরপ্তানি:
যেক্ষেত্রে কোন জলযান বাংলাদেশের কোন বন্দর ছাড়া অন্য কোন বন্দরে রওয়ানা দিতে প্রস্তুত এবং তার সমুদ্র যাত্রার মধ্যে বাংলাদেশের কোন বন্দরে। উপস্থিত হয় এবং সেখানে ৪৮ ঘণ্টার উর্ধ্বে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে দখলের ব্যাপারে লাইসেন্স নেয়া থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত নয় এমন যাত্রীর দখলে থাকা অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার তদকর্তৃক শুল্ক কালেক্টরের কাছে প্রদান করতে হবে, যা যাত্রীর সমুদ্র পথে যাত্রা পর্যন্ত তা আটক রাখা হবে এবং এতদরূপে প্রদানকৃত এবং আটককৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারের জন্য এরূপ যাত্রীর কোন লাইসেন্স নেয়ার আবশ্যকতা নেই।
পরিবহন
বিধি-২১। বাদ দেয়া হয়েছে।
বিধি-২২। লাইসেন্স ছাড়া অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহন নিষেধঃ
(১) তথায় অন্যভাবে যেমন ব্যবস্থিত রয়েছে তদ্ভিন্ন লাইসেন্সের আওতায় এবং পরিমাণ ও লাইসেন্সে অনুমোদিত পদ্ধতি ব্যতিরেকে সমগ্র বাংলাদেশের উপর দিয়ে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহন নিষিদ্ধ।
(২) (১) উপধারার কিছুই এমর্মে প্রযোজ্য হবে না-
(এ) বৈধভাবে অস্ত্র দখল এবং সজ্জিত হতে অধিকারী ব্যক্তি কর্তৃক ব্যক্তিগতভাবে পরিবহনকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ বা যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে ব্যক্তিগত ব্যবহারার্থে ব্যক্তিগত মালামাল হিসেবে (পরিবহনকৃত);
(বি) রপ্তানি বা আমদানি লাইসেন্সের আওতাভুক্ত এবং লাইসেন্স মোতাবেক লাইসেন্সধারী ডিলার কর্তৃক পরিবহন করা হচ্ছে এরূপ অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার; (1) পাঠানোর স্থান হতে বন্দরে বা রপ্তানির অন্য স্থানে বা বন্দর থেকে বা আমদানির অন্য স্থান থেকে গন্তব্যের স্থানে; অথবা (ii) সমুদ্র পথে পুনঃরপ্তানির লক্ষ্যে বন্দরে স্থানান্তরিতকরণ; অথবা
(সি) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহন করা হয়েছে:
(i) এরূপ দ্রব্য দখলে রাখতে লাইসেন্সধারী বা যেক্ষেত্রে নিজ ব্যবহারার্থে যুক্তিযুক্ত পরিমাণে লাইসেন্সধারী ডিলারের ঘর থেকে এরূপ দ্রব্য পরিবহন করা হয়, তার জন্য লাইসেন্স নেয়ার দায় থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত অথবা এরূপ ঘরবাড়িতে বা ঘরবাড়ি থেকে পরীক্ষা বা মেরামতের লক্ষ্যে পরিবহনকৃত অথবা উপরোক্ত উপায়ে লাইসেন্সধারী বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তির নিকট পরিবহনকৃত;
(ii) লাইসেন্সধারী ডিলার দ্বারা যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত নিজ ব্যবহারার্থে যুক্তিযুক্ত পরিমাণে এরূপ দ্রব্য সরবরাহের আদেশ পালনে এরূপ দ্রব্য কোন বাক্স বা গাঁটে এরূপ ব্যক্তির নামে স্পষ্ট ঠিকানায় পরিবহন করা হয়।
বিধি-২৩। কামান এবং অন্য কতিপয় দ্রব্য পরিবহনে বাধা:
(১) পরিবহন করার জন্য লাইসেন্স-
(এ) কামান,
(বি) টপের্ডো সার্ভিসের জন্য পরিকল্পিত দ্রব্যাসমূহ,
(সি) যুদ্ধ রকেট, অথবা
(ডি) অস্ত্র বা গোলাবারুদ তৈরির জন্য কলকব্জা সরকার কর্তৃক ফরম-১ এ প্রদান করা যেতে পারে।
(২) (১) উপধারার বিধান অনুসারে মঞ্জুরীকৃত প্রতিটি লাইসেন্সের অনুলিপি যে জেলায় ঐ স্থান অবস্থিত সে জেলার জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেট) বরাবরে অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
বিধি-২৪। অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারের পরিবহন:
(১) বিধি ২৩-এ যদি অন্যবিধ বিধান করা না থাকে এবং ৩৯ বিধির (২) উপবিধির বিধানসাপেক্ষে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহনের জন্য লাইসেন্স যে জেলায় এমন স্থান অবস্থিত সে জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ফরম-৭-এ দেয়া যেতে পারে।
(২) স্থানীয় সীমার কর্তৃত্বের বাইরে (১) উপধারার আওতায় লাইসেন্স প্রদানকারী কর্মকর্তা উক্ত লাইসেন্সের একটি প্রতিলিপি যে জেলায় এমন স্থান অবস্থিত সে জেলায় জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেট) বরাবরে অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
(৩) (১) উপবিধির আওতায় জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) কর্তৃক তার জেলার সীমানার মধ্যে পরিবহনের লক্ষ্যে ইস্যুকৃত লাইসেন্সের একটি প্রতিলিপি যেস্থানে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সম্ভার প্রেরিত হয়েছে সেস্থানের কর্তৃত্বসম্পন্ন অধস্তন ম্যাজিস্ট্রেটের (যদি থাকে) বরাবরে অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
(৪) যেক্ষেত্রে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রেলযোগে পরিবহন করা হয় সেক্ষেত্রে অবস্থা অনুসারে মালের চালান ও ইনভয়েসের সাথে লাইসেন্সের অনুলিপি যুক্ত করতে হবে এবং রেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এরূপ প্রতিটি চালানের তারবার্তাসহ নির্দেশনামা পাঠানোর স্টেশন থেকে প্রাপক স্টেশনে পাঠাতে হবে এবং চালানটি রেলগাড়ি (প্রিমিজেজ) থেকে নেয়া যাবে না, যে পর্যন্ত না যেখানে রেল পুলিশ নাই রেল কর্তৃপক্ষ এমর্মে সন্তুষ্ট হয়েছে যে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার লাইসেন্সে উল্লেখিত বর্ণনার ন্যায় একই রূপ।
বিধি-২৫। পরিবহন লাইসেন্সসমূহ অর্পণ:
(১) স্থল বা নদী পথে লাইসেন্সের অধীনে পরিবহনকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রাপক তা গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর ৬ দিনের মধ্যে লাইসেন্সটি যে গন্তব্যস্থানে উক্ত জেলা অবস্থিত সে জেলার জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেট) নিকট বা অন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) যাকে তার পক্ষে নিযুক্ত করতে পারেন, (তার নিকট) অর্পণ করবে।
(২) (১) উপধারার অধীনে যে কর্মকর্তার নিকট লাইসেন্স অর্পণ করা হয় তিনি নিজকে এমর্মে সন্তুষ্ট করবেন যেঃ
(ক) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনার অনুরূপ, এবং
(খ) কোন ঘাটতির হিসাব যথাযথ ভাবে দেওয়া হয়েছে, এবং ঐ উপধারার (খ) দফার অধীনে যে কোন অধঃস্তন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অর্পণ করা হয় তিনি তা জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেটের) নিকট পাঠাবেন।
অস্ত্র বিধিমালার বাকি বিধিগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- অস্ত্র বিধিমালা আইন, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ২৬-৪৯ ]
অস্ত্র বিধিমালার তফসিলসমূহ :
- অস্ত্র বিধিমালার তফসিলসমূহ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
অস্ত্র বিধিমালার আওতাধীন ফরমসমূহ:
- অস্ত্র বিধিমালার আওতাধীন ফরমসমূহ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
অস্ত্র বিধিমালা আইন, ১৯২৪ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।

অস্ত্র বিধিমালা আইন, ১৯২৪
বিধি-২৬। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার আমদানি, পরিবহন এবং পুনঃরপ্তানির জন্য লাইসেন্স:
(১) ৫, ৭ এবং ২৩ বিধিসমূহে যদি অন্যরূপ বিধান করা না থাকে তবে সমুদ্র, স্থল বা নদীপথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আমদানি এবং পুনঃরপ্তানির জন্য ব্যাপক লাইসেন্স ‘ফরম-৮’ মোতাবেক প্রদান করা যেতে পারে:
(এ) যেক্ষেত্রে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার এক প্রদেশ হতে অন্য প্রদেশে প্রেরণ করা হয় যা প্রদেশসমূহ এবং ফেডারেশন সীমানার রাজধানী দ্বারা পৃথকীকৃত, যেকোন প্রদেশের রাজনৈতিক কর্মকর্তার মাধ্যমে;
(বি) যেক্ষেত্রে প্রদেশের যেকোন স্থান হতে একই প্রদেশের যেকোন স্থানে যা প্রদেশসমূহ এবং ফেডারেশনের সীমানার রাজধানী দ্বারা পৃথকীকৃত, ঐগুলো প্রেরণ করা হয়, এরূপ প্রদেশের রাজনৈতিক কর্মকর্তার মাধ্যমে;
(২) (এ) যেক্ষেত্রে (১) উপবিধির আওতায় মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্স-অনুমোদিত ক্ষমতাবলে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার সম্পূর্ণরূপে রেলযোগে প্রদেশসমূহ এবং ফেডারেশন সীমা অতিক্রম করে পরিবহন করা হয়, লাইসেন্স মঞ্জুরকারী রাজনৈতিক কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট অপর রাজনৈতিক কর্মকর্তার এবং যে স্থান থেকে চালানটি পাঠান হবে সে স্থানের রেল কর্তৃপক্ষের নিকট লাইসেন্সের অনুলিপি প্রেরণ করতে হবে।
(বি) রেল কর্তৃপক্ষ অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার সম্বলিত কোন বাক্স বা গাঁট প্রেরণের জন্য গ্রহণ করবেন না, যদি ওগুলোর সাথে মূল লাইসেন্স না থাকে তাদেরকে এমর্মে সন্তুষ্ট করবেন।
(২) (এ) যেক্ষেত্রে উপবিধি (১) এর আওতায় মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্স- অনুমোদিত ক্ষমতাবলে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার সম্পূর্ণরূপে রেলযোগে প্রদেশসমূহ এবং ফেডারেশন সীমা অতিক্রম করে পরিবহন করা হয়, লাইসেন্স মঞ্জুরকারী রাজনৈতিক কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট অপর রাজনৈতিক কর্মকর্তার এবং যেস্থান হতে চালানটি প্রেরিত হবে সে স্থানে রেল কর্তৃপক্ষের বরাবরে লাইসেন্সের অনুলিপি পাঠাতে হবে।
(বি) রেল কর্তৃপক্ষ অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার সম্বলিত কোন বাক্স বা গাঁট প্রেরণের জন্য গ্রহণ করবেন না, যদি ঐগুলোর সাথে মূল লাইসেন্স না থাকে এবং তাদেরকে এমর্মে সন্তুষ্ট করবেন যে-
(i) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনার ন্যায় একই রূপ, এবং
(ii) প্ররিত অনুলিপি ও এরূপ লাইসেন্স এক ও অভিন্ন; বা
(সি) যখন যেকোন ক্ষেত্রে:
(i) চালানটির সাথে মূল লাইসেন্স থাকে না, বা
(ii) ঐগুলোতে থাকা অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার লাইসেন্সের বর্ণনার ন্যায় একই রূপ নয়, অথবা
(iii) এগুলোর সঙ্গে প্রেরিত অনুলিপি ও মূল লাইসেন্স এক নয়, তখন রেল কর্তৃপক্ষ ঐ চালান প্রেরণের জন্য গ্রহণ করবেন না এবং অবিলম্বে লাইসেন্স মঞ্জুরকারী রাজনৈতিক কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করাবেন।
(৩) যখন উপবিধি (১) এর আওতায় মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের অনুমোদিত ক্ষমতাবলে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রদেশসমূহ এবং ফেডারেশন রাজধানীর সীমা অতিক্রম করে পরিবহন করা হবে এবং স্থল, নদীপথে পুনঃ রপ্তানি করা হবে:
(i) লাইসেন্স মঞ্জুরকারী রাজনৈতিক কর্মকর্তা যে জেলা হতে চালানটি প্রদেশসমূহের ফেডারেশন রাজধানীর সীমান্ত অতিক্রম করে যে প্রদেশে তা রপ্তানি করা হয়েছে, সেখানে ঐ জেলার জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেটের) বরাবরে লাইসেন্সের একটা অনুলিপি অবিলম্বে প্রেরণ করবেন, এবং
(ii) যে জেলা হতে চালানটি প্রদেশসমূহ এবং ফেডারেশন রাজধানীর সীমান্ত অতিক্রম করে যে প্রদেশে তা রপ্তানি করা হয়েছে, সেখানে চালানটি পৌঁছার ছয় দিনের মধ্যে এবং তা অতিক্রমের পূর্বে লাইসেন্সটি এরূপ জেলার জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেটের) বরাবরে বা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট)-এর এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগকৃত কর্মকর্তার বরাবরে অর্পণ করতে হবে।
(৪) (৩) উপবিধির (1) দফার আওতায় লাইসেন্স অর্পণ করা হয়, এমন প্রত্যেক কর্মকর্তা নিজেকে এমর্মে সন্তুষ্ট করবেন যে-
(এ) ঐ উপবিধির (1) দফার আওতায় তার কাছে বা তিনি নিজে জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) না হয়ে থাকলে জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেটের)-এর বরাবরে প্রেরিত লাইসেন্সের অনুলিপি ও (মূল) লাইসেন্স প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন;
(বি) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সম্ভার লাইসেন্স এ প্রদত্ত বর্ণনার ন্যায় সমরূপ, এবং
(সি) কোন ঘাটতির যথাযথ হিসাব প্রদত্ত হয়েছে।
![অস্ত্র বিধিমালা আইন, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ২৬-৪৯ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
রপ্তানি ও পুনঃআমদানি
বিধি-২৭। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভারের রপ্তানি ও পুনঃআমদানি লাইসেন্স:
(১) ৫ ও ৭ বিধিসমূহে যদি অন্যরূপ বিধান করা না থাকে, তবে সমুদ্র, স্থল বা নদীপথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানি এবং পুনঃআমদানির ক্ষেত্রে ব্যাপক লাইসেন্স, যখন অনুরূপ অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রদেশসমূহ এবং ফেডারেশনের রাজধানীর কোন স্থানে, যা প্রদেশ সীমানা দ্বারা পৃথকীকৃত ‘ফরম-৮’-এ উল্লেখিত সকল বিধি দ্বারা লাইসেন্স মঞ্জুর করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন স্থানের লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ এরূপ অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার অবস্থা অনুসারে এরূপ স্থান হতে রপ্তানির লক্ষ্যে প্রেরণ করা হয় বা এরূপ স্থানে আমদানির লক্ষ্যে প্রেরণ করা হয়।
(২) উপবিধি (১) এর আওতায় মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের প্রতিলিপি লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট অপর লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রেরণ করবেন; এবং
(এ) যখন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রেলপথে পরিবহন করা হবে, যে স্থান হতে ঐ চালান প্রেরণ করা হবে উক্ত স্থানের রেল কর্তৃপক্ষের বরাবরেও প্রেরণ করতে হবে; এবং
(বি) যখন অস্ত্র; গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার স্থল বা নৌপথে পরিবহন করা হবে, পুনঃআমদানির জন্য যে জেলার মাঝ দিয়ে ঐ চালান প্রদেশসমূহ ও ফেডারেশনের রাজধানীর সীমান্ত অতিক্রম করবে, ঐ জেলার প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) এর বরাবরেও প্রেরণ করতে হবে।
(৩) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার সম্বলিত বাক্স বা গাঁট রেল কর্তৃপক্ষ পাঠাবার লক্ষ্যে গ্রহণ করবেন না, যদি ঐগুলোর সাথে মূল লাইসেন্স না থাকে, এবং তাদেরকে এমর্মে সন্তুষ্ট করবেন যে-
(এ) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনার ন্যায় একই রূপ; এবং
(বি) প্রেরিত অনুলিপি ও এরূপ লাইসেন্স এক;
(৪) যখন যেকোন ক্ষেত্রেঃ
(এ) ঐ চালানের সাথে মূল লাইসেন্স থাকে না; অথবা
(বি) ঐগুলোতে থাকা অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সম্ভার লাইসেন্সে প্রদত্ত বর্ণনার অনুরূপ না হয়; অথবা
(সি) তাদের বরাবরে পাঠানো অনুলিপি ও মূল লাইসেন্স অভিন্ন নয়।
তখন রেল কর্তৃপক্ষ ঐ চালান প্রেরণের লক্ষ্যে গ্রহণ করবেন না এবং যেস্থানে চালানটি প্রেরণের প্রস্তাব করা হয়েছে উক্ত স্থানের এখতিয়ারসম্পন্ন নিকটবর্তী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবিলম্বে অবহিত করবেন।
উৎপাদন ও বিক্রি
বিধি-২৮। অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভারের উৎপাদন, রূপান্তর, বিক্রয় এবং বিক্রয়ের জন্য রাখাঃ
(১) লাইসেন্স-
(এ) উৎপাদন, রূপান্তর, বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য রক্ষণ- ‘ফরম-৯’ অনুসারে; বা
(বি) কোন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বিক্রয়ের জন্য রক্ষণের লক্ষ্যে লাইসেন্স উপবিধি (২) এ যদি অনুরূপ বিধান করা না থাকে তবে ‘ফরম-১০’ অনুসারে মঞ্জুর করা যেতে পারে।
(২) লাইসেন্স- (এ) উৎপাদন, রূপান্তর, বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য রক্ষণ, ‘ফরম-১১’ অনুসারে; বা
(বি) ব্রিচ লোডিংঃ রাইফেল, ব্রিচ লোডিং রাইফেলের অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য রক্ষণ সংক্রান্ত লাইসেন্স সরকার কর্তৃক মঞ্জুর করা হবে।
(৩) সরকার অত্র বিধির আওতায় তদকর্তৃক মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের মাধ্যমে নির্বাচিত ডিলারদেরকে ৩০৩ রাইফেল বা ৪৬০ বোরের, ৪১০ বোরের মাসকেটের জন্য এবং ৪৪১ এবং ৪৫৫ পিস্তল এবং রিভলবারের বা কোন মাধ্যমিক বোরের গোলাবারুদ বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য রক্ষণের অনুমোদন দিতে পারেন। উল্লেখ থাকে যে, লাইসেন্সধারী তার মজুদ থেকে কোন ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করবেন না, যদি তাতে ধারণ করা না থাকেঃ
(এ) গোলাবারুদ দখলে রাখার লাইসেন্স; অথবা
(বি) ১৬ বিধির (১) উপবিধি বা ১৭ বিধির (১) উপবিধির আওতায় উক্তরূপ প্রদেশে লাইসেন্স মঞ্জুরের লক্ষ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাজনৈতিক কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদেশে বন্দর গোলাবারুদ রপ্তানি মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্স।
(৪) প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেট এবং পরিদর্শকের নিম্নে নয় এরূপ পুলিশ অফিসার অথবা সরকার তদ্রূপ নির্দেশ না দিলে, উপ-পরিদর্শক তার ক্ষমতার স্থানীয় এলাকার মধ্যে-
(এ) যেখানে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, রূপান্তর, বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য রাখা হয় এমন ঘরবাড়িতে প্রবেশ এবং পরিদর্শন করতে পারবেন, এবং
(বি) অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারের প্রাপ্তি এবং বিক্রয়ের মজুদ ও হিসাব পরীক্ষা করতে পারবেন।
নিরাপদ হেফাজতের জন্য রাখা
বিধি-২৯। আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ নিরাপদ হেফাজতে রাখার লাইসেন্স:
মালিক কর্তৃক জমাকৃত আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ নিরাপদ হেফাজতে রক্ষণের লক্ষ্যে ঐ উদ্দেশ্যে ‘ফরম-১৩’ অনুসারে লাইসেন্স ধারককে ফরম-৯, ফরম-১০, ফরম-১১ বা ফরম-১২ মোতাবেক লাইসেন্স জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) বা এতদপক্ষে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত মহকুমা প্রশাসক কর্তৃক মঞ্জুরী প্রদান করা যেতে পারে।
দখল
বিধ-৩০। কামান এবং কতিপয় অন্য দ্রব্যাদির দখলে বাধাঃ
(১) দখলে রাখার লাইসেন্স-
(এ) কামান,.
(বি) টর্পেডো সার্ভিসের জন্য পরিকল্পিত দ্রব্যাদি,
(সি) যুদ্ধ রকেট, অথবা
(ডি) অস্ত্র বা গোলাবারুদ প্রস্তুতের কলকজা;
(ই) কনটিনিউয়াস আগ্নেয়াস্ত্র।
শুধুমাত্র সরকার কর্তৃক ‘ফরম-১’ মোতাবেক মঞ্জুর করা যাবে।
(২) উপধারা (১) এর বিধান অনুসারে মঞ্জুরীকৃত প্রত্যেক লাইসেন্সের অনুলিপি যে জেলায় ঐ স্থান অবস্থিত সে জেলার জেলা প্রশাসকের (ম্যাজিস্ট্রেট) বরাবরে অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে।
বিধি-৩১। সামরিক সম্ভারে দখল এবং ব্যবহার:
সামরিক সম্ভার দখল এবং ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স জেলা প্রশাসক বা সরকার কর্তৃক এতদপক্ষে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত মহকুমা প্রশাসক কর্তৃক ‘ফরম-১৪’ অনুসারে দেয়া যাবে।
বিধি-৩২। লক্ষ্য বস্তু অভ্যাসের উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র দখলে রাখার লাইসেন্স:
সামরিক মেছের বা কোন ক্লাব অথবা সংঘের সদস্যদের লক্ষ্য টারগেট প্র্যাকটিস করার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র দখল এবং ব্যবহারের নিমিত্তে লাইসেন্স সরকারের অনুমোদনক্রমে ‘ফরম-১৫’ অনুসারে উক্ত মেছ, ক্লাব বা সংঘের নামে জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) বা এতদপক্ষে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত মহকুমা প্রশাসক কর্তৃক প্রদান করা যেতে পারে।
বিধি-৩৩। খেলা, রক্ষণ বা প্রদর্শনের জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়া:
(১) বিধি ৩০-এ যদি অন্যরূপ কোন বিধান করা না থাকে, তবে খেলা, রক্ষণ বা প্রদর্শনের নিমিত্তে যুক্তিযুক্ত পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখল করা এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার লাইসেন্স ফরম ১৬, ১৬ক অনুসারে জেলা প্রশাসক (ম্যাজিস্ট্রেট) বা এতদপক্ষে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত মহকুমা প্রশাসক কর্তৃক এবং প্রদেশে বসবাসকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে ঐ প্রদেশের রাজনৈতিক কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদান করা যেতে পারে:
তবে শর্ত থাকে যে,
(i) এরূপ রাইফেল, মাসকেট, পিস্তল বা রিভলবার যেরূপ ৭ (১) উপবিধির (এ) দফায় উল্লেখ রয়েছে ৩০৩ বা ৪৫০ বোরের রাইফেল, বা ৪১০ বোরের মাসকেট বা ৪৫১, ৪৫২ পিস্তল বা রিভলবারের বা কোন মাধ্যমিক বোরের (অস্ত্র বা গোলাবারুদ) দখলাধীন রাখার নিমিত্তে বা এরূপ রাইফেল, মাসকেট, পিস্তল বা রিভলভার অস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার জন্য যদি এরূপ রাইফেল, মাসকেট, পিস্তল, রিভলবার বা গোলাবারুদ বাংলাদেশে সম্পূর্ণ বৈধভাবে আমদানি করা না হয় তবে কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হবে না।
(ii) ৩০৩ বা ৪০০ বোরের রাইফেল বা ৪১০ বোরের মাসকেট, .৪৪১, ৪৪৫ বা কোন মাধ্যমিক বোরের পিস্তল বা রিভলবারের বল্টু গোলাবারুদের জন্য কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হবে না, যদি না লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ এমর্মে সন্তুষ্ট হন, যেক্ষেত্রে বিশেষ খেলার জন্য উক্তরূপ রাইফেল, মাসকেট ঐগুলোর মালিক কর্তৃক বৈধভাবে দখল করা হয় বা উক্তরূপ পিস্তল বা রিভলবার সমগ্র বাংলাদেশে বৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে এবং পরবর্তী আসন্ন বার মাসে এরূপ লাইসেন্সধারী বল্ড গোলাবারুদ যে পরিমাণ দখলে রাখতে পারে তা লাইসেন্সভুক্ত করা হবে; এবং
(iii) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন জুনিয়র কমিশনড অফিসার, অথবা কোন ওয়ারেন্ট অফিসার, চীফপেটি অফিসার, পেটি অফিসার, নন কমিশনড অফিসার, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী বা বিমান বাহিনীর যথাক্রমে কোন নাবিক, সৈনিক বা বৈমানিককে কমান্ডিং অফিসারের সুপারিশ ব্যতীত কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাবে না।
(২) উপবিধি (১) এর আওতায় মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্স, লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিম্নরূপে বৈধ করা যেতে পারে যে,
(এ) যে প্রদেশে তা মঞ্জুরীকৃত হয়েছে তার সর্বত্র বা এর কোন বিশেষ এলাকায় বা বাংলাদেশের (ব্রিটিশ ইন্ডিয়া) সর্বত্র;
(বি) যখন ঐ উপবিধির (সি) দফার আওতায় মঞ্জুর করা হয়, তার সর্বত্র বা বাংলাদেশের (ব্রিটিশ ইন্ডিয়া) কোন বিশেষ অংশে;
(৩) যে প্রদেশে লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়েছে তার বাইরে কার্যকর এরূপ লাইসেন্স নিজ প্রদেশ সম্পর্কে স্থানীয় সরকারের সাধারণ বা বিশেষ আদেশবলে আরোপিত হতে পারে এরূপ বিধিনিষেধ সাপেক্ষে মঞ্জুর করা হবে; (৪) প্রযোজ্য নয়।
বিধি-৩৪। প্রকৃত পর্যটক কর্তৃক দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার জন্য সাময়িক লাইসেন্স:
(১) বিধি (৩) এ যদি অন্যবিধ বিধান না থাকে তবে পৌছাবার বন্দর হতে সমগ্র বাংলাদেশে তার গন্তব্য স্থান পর্যন্ত চলাচলে এবং চলাচলের সময়ে যুক্তিযুক্ত পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখলে রাখার এবং ঐ সময় অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার জন্য প্রকৃত পর্যটককে ‘ফরম-১৭’ অনুসারে জেলা প্রশাসক অথবা এতদপক্ষে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন কর্মকর্তা কর্তৃক লাইসেন্স দেয়া যেতে পারে- তবে শর্ত থাকে যে,
(এ) ৭ বিধির (১) উপবিধির (এ) দফায় এরূপ রাইফেল, পিস্তল বা
রিভলবার সম্পর্কে যেরূপ উল্লেখ করা হয়েছে, তা দখলে রাখার বা ৩০৩ বা .৪৫০ বোরের রাইফেলের গোলাবারুদ বা এরূপ রাইফেল, পিস্তল বা রিভলবারের সজ্জিত হওয়ার জন্য কোন লাইসেন্সই মঞ্জুর করা হবে না, যদি এরূপ রাইফেল, পিস্তল বা রিভলবার বা এরূপ গোলাবারুদ অবৈধভাবে সমগ্র বাংলাদেশে আমদানি করা হয়ে থাকে।
(বি) ৩০৩ বা ৪৫০ বোরের রাইফেল বা ৪৪১, ৪৫৫ বা অন্য কোন মাধ্যমিক বোরের পিস্তল বা রিভলবারের বল্ড, গোলাবারুদের কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাবে না, যদি লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ এমর্মে সন্তুষ্ট না হন যে, অবস্থা অনুসারে উক্তরূপ রাইফেল খেলাধুলার নিমিত্তে মালিক কর্তৃক বৈধভাবে ব্যবহৃত হয় অথবা এরূপ পিস্তল বা রিভলভার সমগ্র বাংলাদেশে বৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে।
(২) উপবিধি (১) এর আওতায় মঞ্জুরকৃত প্রত্যেক লাইসেন্সের প্রতিলিপি অবিলম্বে প্রেরণ করতে হবে:
(এ) যখন তার গন্তব্য সমগ্র বাংলাদেশ ছাড়া অন্যত্র তখন এরূপ স্থান যেখানে অবস্থিত তার জেলা প্রশাসককে;
(বি) যখন তার গন্তব্যস্থল একটা প্রদেশ তখন এরূপ প্রদেশের রাজনৈতিক কর্মকর্তা।
(৩) উপবিধি (২) এর আওতায় যে কর্মকর্তার বরাবরে এরূপ লাইসেন্সের প্রতিলিপি প্রেরিত হয়েছে, তিনি প্রয়োজন মোতাবেক এমর্মে সন্তুষ্ট হবেন যে, লাইসেন্সের ফরমভুক্ত ৬নং শর্ত লাইসেন্সধারী পালন করেছেন।
বিধি-৩৫। বন্য প্রাণী ধ্বংসের জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়া:
মানুষের অথবা গবাদি পশুর ক্ষতি করতে পারে এরূপ বন্য প্রাণী ধ্বংস করার জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদের দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার নিমিত্তে ‘ফরম-১৭’-এ জেলা প্রশাসক বা এতদপক্ষে স্থানীয় সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত মহকুমা প্রশাসক কর্তৃক লাইসেন্স প্রদান করা যেতে পারে।
বিধি-৩৬। শস্য রক্ষার উদ্দেশ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদের দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়া:
শস্য এবং গবাদি পশু ক্ষতি করে এ ধরনের বন্য প্রাণী ধ্বংস করার নিমিত্তে অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখল এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক বা এতদপক্ষে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত মহকুমা প্রশাসক কর্তৃক ‘ফরম-১৯’-এ লাইসেন্স প্রদান করতে পারেন:
উল্লেখ থাকে যে, এরূপ লাইসেন্স-
(এ) শুধুমাত্র প্রকৃত কৃষকদেরকে প্রদান করা হবে; এবং
(বি) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্মকর্তা কর্তৃক লাইসেন্সে উল্লেখিত স্থান ও অঞ্চলের জন্য ঐ লাইসেন্স বৈধ থাকবে।
বিধি-৩৭। ভ্রমণকালীন অস্ত্র সজ্জিত হওয়া:
(১) দেশের মধ্য বা ভেতর দিয়ে ভ্রমণকালীন অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক বা এতদপক্ষে স্থানীয় সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত মহকুমা প্রশাসক কর্তৃক ‘ফরম-২০’ লাইসেন্স প্রদান করা যেতে পারে; অথবা
(২) যখন জেলা প্রশাসক বা মহকুমা প্রশাসক উপবিধি (১) এ উল্লেখিত প্রকৃতির লাইসেন্সের জন্য কোন ব্যক্তি হতে কোন আবেদনপত্র হয় যেঃ
(এ) তার কর্তৃত্বের স্থানীয় এলাকার মধ্যে বসবাসকারী নয়, অথবা
(বি) তার সাথে ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত নয়, তখন লাইসেন্স মঞ্জুরের পূর্বে তিনি নিশ্চিত হবেন যে,
(i) আবেদনকারী সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে কোন স্থানে বাস করে যে জেলায় ঐ স্থান অবস্থিত সে জেলার জেলা প্রশাসক হতে, অথবা
(ii) আবেদনকারী কোন প্রদেশে বাস করে এরূপ প্রদেশের রাজনৈতিক কর্মকর্তা হতে, যে লাইসেন্স প্রদানে আপত্তি আছে কিনা, যদি না লিখিতব্য কারণে তিনি এই সাবধানতাকে প্রয়োজনীয় নয় মর্মে গণ্য করেন।
দখল এবং আমদানি বা পরিবহন
বিধি-৩৮। আমদানির স্বাধীনতাসহ ডিলার কর্তৃক কতিপয় বল্ড গোলাবারুদ দখল:
(১)৩০৩ বা ৪৫০ বোরের রাইফেল, ৪১০ বোরের মাসকেট, ৪৪১, .৪৫৫ অথবা কোন মাধ্যমিক বোরের পিস্তল এবং রিভলবারের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক বল্ড গোলাবারুদ বিক্রয় করার বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখার নিমিত্তে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ডিলারকে এরূপ সংখ্যক গোলাবারুদ আমদানি করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক কর্তৃক অনুমোদন প্রদান করা যাবে।
(২) যখন উপবিধি (১) এর আওতায় বল্ড গোলাবারুদ আমদানির অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়, তখন ডিলার কর্তৃক তার লাইসেন্স হাজির করতে হবে এবং অনুমতি প্রদান না করা হলে, মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ বল্ড গোলাবারুদের সংখ্যা এবং তারিখ যার জন্য লাইসেন্স প্রদত্ত হয়েছে তা লাইসেন্সের পৃষ্ঠদেশে লিখে দিতে হবে।
লাইসেন্স মঞ্জুরের জন্য দরখাস্ত এবং লাইসেন্স মঞ্জুর বিধি-৩৯। কতিপয় ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন:
(১) বিধি (২৬) এ ব্যবস্থিতবহির্ভূত উপায়ে লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্মকর্তার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে কার্যকরী লাইসেন্স মঞ্জুর করা হবে না:
(এ) কোন প্রদেশে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার রপ্তানির জন্য, ঐরূপ প্রদেশের রাজনীতিক কর্মকর্তার পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকেঃ উল্লেখ থাকে যে, নিম্নোক্ত প্রাপকের ক্ষেত্রে এরূপ রাজনৈতিক কর্মকর্তার পূর্ব অনুমোদন প্রয়োজন হবে-
(i) (বাংলাদেশে প্রযোজ্য নয়);
(ii) বেসামরিক সরকারি চাকরিতে গেজেটেড অফিসার বা বাংলাদেশ নৌবাহিনী, সামরিক বা বিমান বাহিনীর কমিশনড অফিসার;
(iii) (বাংলাদেশে প্রযোজ্য নয়);
(iv) ১ম তফশীলে উল্লেখিত যেকোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ এবং চালানটি শুধুমাত্র প্রাপকের ব্যক্তিগত ব্যবহারের নিমিত্তে উদ্দিষ্ট হয়েছে; অথবা
(বি) যেকোন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আমদানি বা পরিবহনের জন্য-
(i) যে জেলায় ঐ স্থান অবস্থিত উক্ত জেলার জেলা প্রশাসকের পূর্ব অনুমোদন ব্যতীত, অথবা
(ii) (প্রযোজ্য নয়);
(iii) (প্রযোজ্য নয়);
(1) যেক্ষেত্রে যেই কর্মকর্তার নিকট লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা হয় সেই কর্মকর্তা কর্তৃক পূর্ব অনুমোদন চাওয়া হয়, যেই কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন চাওয়া হয়, সেই কর্তৃপক্ষের কাছে উক্ত আবেদনের অনুলিপি প্রেরণ করতে হবে এবং এরূপ কর্তৃপক্ষের কাছ হতে জবাব পাবার পর, সে হয় লাইসেন্স মঞ্জুর করবে, অন্যথা আবেদনকারীকে জ্ঞাত করবে যে তার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
![অস্ত্র বিধিমালা আইন, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ২৬-৪৯ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
বিধি-৪০। লাইসেন্সের জন্য দরখাস্ত:
(১) অত্র বিধিমালার আওতায় লাইসেন্স পেতে ইচ্ছুক প্রত্যেক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় ডাকঘরে লিখিতভাবে বা অন্যভাবে লাইসেন্স প্রদানে ক্ষমতাবান নিকটতম কর্তৃপক্ষের বরাবরে দরখাস্ত করবেন এবং ডাকঘরের নামসহ এরূপ দরখাস্তে লাইসেন্স পেতে প্রয়োজন এরূপ সকল বিবরণী দাখিল করবেন। উল্লেখ্য থাকে যে, কোন ব্যক্তি স্থায়িভাবে ব্যবসা করে সেরূপ স্থানের ঐ স্থানের ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের বরাবরে আর্মী এ্যাক্ট, ১৮৭৮ এর বিধান অনুসারে কোন ব্যক্তির পক্ষে আবেদন করতে হবে। (২) উপবিধি (১) এর সাধারণত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে লাইসেন্সের আবেদনকারী প্রত্যেক ব্যক্তি-
(এ) স্থল বা নদীপথে আমদানির জন্য;
(বি) পরিবহনের জন্য;
যেকোন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার, তার আবেদনপত্রে উল্লেখ করবে-
(i) গন্তব্যের স্থান;
(ii) রুট;
(iii) ভ্রমণে যে সময় কাটানো হবে, এবং
(iv) লাইসেন্সে প্রয়োজন এরূপ সকল ধরনের অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারের পরিমাণ বর্ণনা ও মূল্য এবং যে উদ্দেশ্যে ঐগুলো প্রয়োজন।
(৩) যখন লাইসেন্স মঞ্জুরীর জন্য ৩৯ বিধিতে উল্লেখিত অন্য কোন কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন প্রয়োজন রয়েছে তখন কোথায় এরূপ পূর্ব অনুমতি গ্রহণ করা হয়েছে আবেদনপত্রে তার বিবরণ থাকতে হবে এবং যদি তা হয় সেটা সাক্ষ্য দ্বারা সমর্থিত হতে হবে।
বিধি-৪১। (১)
প্রত্যেক লাইসেন্সই উপযুক্ত ফরমে মঞ্জুর বা নবায়ন করা হবে এবং ফরমে বিধৃত শর্ত মোতাবেক এবং তথায় অন্যভাবে স্পষ্টরূপে বিধান করা ব্যতীত, শুধুমাত্র উল্লেখিত অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার এবং লাইসেন্স প্রদত্ত ব্যক্তিদের নামই লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
(২) নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে প্রত্যেক লাইসেন্স লিখিত বা ছাপানো হতে হবে-
(এ) যেক্ষেত্রে কোন জেলায় তা মঞ্জুর করা হয় এবং জেলার বাইরে তা ব্যবহার করার ইচ্ছা থাকে সেক্ষেত্রে ইংরেজিতে এবং লাইসেন্স প্রদানকারী কর্মকর্তা যদি নির্দেশনা প্রদান করে মাতৃভাষায়, অথবা
(বি) যেক্ষেত্রে কোন জেলায় এটি মঞ্জুর করা হয় এবং জেলার ভেতরেই তা ব্যবহারের ইচ্ছা থাকে সেক্ষেত্রে ইংরেজিতে বা মাতৃভাষায়, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্মকর্তা যেরূপ নির্দেশ দিবেন সেরূপ হতে হবে।
বিধি-৪২। লাইসেন্সের মেয়াদ এবং নবায়ন:
এর মধ্যে যেরূপ বিধান রয়েছে তদ্ভিন্ন অত্র বিধিমালার অধীনে প্রত্যেক লাইসেন্স, যদি পূর্বে বাতিল করা না হয় তবে উপযুক্ত ফরমে বিধান করা কোন বাধা বা সীমাবর্ধন সাপেক্ষে উক্ত সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ যেরূপে তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেন ঐ তারিখে তা শেষ হবেঃ
উল্লেখ থাকে যে, যখন ১৫, ১৬, ১৮ বা ১৯ ফরমে অস্ত্র দখলের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়, যা লাইসেন্স মঞ্জুরের পরে লাইসেন্সধারী কর্তৃক প্রাপ্তব্য, লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ তা মঞ্জুর করার সময় নির্দেশ প্রদান করবেন যে তদপক্ষে উল্লেখিত এরূপ সময়ের মধ্যে যা সময় বর্ধিত করা যাবে, লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত অস্ত্র অর্জন করতে হবে এবং লাইসেন্স বা অস্ত্র বা উভয়ই তার পরিদর্শনের জন্য উপস্থিত করতে হবে এবং এরূপ উল্লিখিত বা বর্ধিত সময়ের মধ্যে লাইসেন্সধারী যদি অবস্থা অনুসারে যন্ত্র অর্জন করতে লাইসেন্স বা অস্ত্র বা উভয়ই উপস্থিত করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতা দেখায় তখন লাইসেন্স আর কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে না।
(২) মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লিখিতব্য বিশেষ কারণ ব্যতিরেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহনার্থে কোন লাইসেন্স গন্তব্যস্থলে পৌছার জন্য লাইসেন্সে নির্দেশিত উপায়ে ভ্রমণে যে সময় ব্যয় হতে পারে তার দ্বিগুণ মেয়াদের অধিক সময়ের জন্য মঞ্জুর করা যাবে না।
(৩) প্রত্যেক লাইসেন্সের মেয়াদ শেষে এবং পূর্বের মঞ্জুরীর শর্ত (যদি থাকে অনুসারে যা মঞ্জুরীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, আলোচ্য বর্ণনার লাইসেন্স মঞ্জুর করতে ক্ষমতাবান এরূপ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নবায়ন করা যাবে;তবে নিম্নরূপ শর্ত থাকে যে-
(এ) ফরম ১১ বা ফরম ১২ এ লাইসেন্স স্থানীয় সরকার তেমন নির্দেশ প্রদান করলে লাইসেন্সধারী বসবাস করে বা ব্যবসা করে এমন বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক নবায়ন করা যেতে পারে।
(বি) ফরম-১৬ অনুসারে যেকোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তা নবায়ন করতে পারেন; এবং
(সি) যখন মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ ব্যতীত অন্য কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স নবায়ন করেছেন, পরবর্তী কর্তৃপক্ষ পূর্ববর্তী কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে নবায়নের বিষয়টি এবং যে মেয়াদের জন্য তা বৈধ থাকবে তা জ্ঞাত করবেন।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
Rule 42-A person being possessed of any firearms under licence granted by the authority cannot be said to be an illegal possessor of arms-An offence under the Arms Act for such possession would not be deemed committed unless, licence is validly cancelled following the provision of law. Unless he is asked to deposit and surrender the arms within certain time and he fails to deposit the arms within the time.
Altaf Hossain Golondas vs Bangladesh 57 DLR 323.
বিধি-৪৩। লাইসেন্স মঞ্জুর করতে ক্ষমতাবান কর্তৃপক্ষের বিবেচনা ও নিয়ন্ত্রণ:
(১) লাইসেন্স মঞ্জুর, নবায়ন বা এরূপ মঞ্জুর বা নবায়নে পূর্ববর্তী মঞ্জুরী দিতে ক্ষমতাবান প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ তার বিবেচনায়-
(এ) উপরোক্ত লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়ন করতে বা উপরোক্ত লাইসেন্স মঞ্জুরী দিতে অস্বীকার করতে পারেন, অথবা
(এএ) কোন লাইসেন্স বাতিল স্থগিত করতে পারেন, অথবা
(বি) যেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সরকারের অধস্তন, এরূপ স্থানীয় সরকারের বরাবরে আদেশের জন্য দরখাস্তটি প্রেরণ করতে পারেন। উল্লেখ থাকে যে, যেকোন ব্যাপারে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ কোন লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়ন করতে অস্বীকার করেন অথবা তা বাতিল বা স্থগিত করেন, তদ্রূপ মঞ্জুরীর জন্য আবেদনকারী বা স্থগিত হওয়া লাইসেন্সধারী উক্তরূপ অস্বীকার, বাতিল বা স্থগিতকারী কর্তৃপক্ষের অব্যবহিত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে আপীল দায়ের করতে পারেন।
(২) যার আছে তিনি অধস্তন এরূপ নির্বাহী কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে এরূপ প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ অত্র বিধিমালা কর্তৃক প্রদত্ত বা আরোপিত সকল ক্ষমতা ও কর্তব্য সম্পন্ন করবেন।
উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
ARMS RULES
Rule-43. The petitioner filed the instant at petition without exhausting the appellate forum under Rule 43 of the Arms Rules, the petitioner could apply or may file appeal to the immediate official superior to the authority so refusing and cancelling or suspending the arms licence but without exhausting the appellate forum the instant writ petition is not maintainable since there are efficacious adequate remedy available by way of appeal and without exhausting the forum the present writ petition is not maintainable. SM Halim Reza vs Secretary, Ministry of Home Affairs (Civil) 597 12 BLC (CH).
Section-18(A) (Κ)
Arms Rules
Rule-43
It is a discretion on the part of the Government (Authority) to grant arms licence to the citizen and to cancel them when the authorities deem it necessary for the security of public peace and the cancellation of licence is an administrative order. The petitioner filed the instant writ petition without exhausting the appellate forum under Rule 43 of the Arms Rules, the petitioner could apply or may file appeal to the immediate official superior to the authority so refusing and cancelling or suspending the arms licence the instant writ petition is not maintainable. (S.M. Halim Reza v. Secy. Mini. of Bangladesh) 27 BLD (HCD) 414.
Arms Rules, 1924-
Rules 43-Provisions of appeal against cancellation of fire arms licence-
For reasons to be recorded fire arms licence may be cancelled by the appropriate authority empowered in this behalf. Rule 43 provides for an appeal to the higher authority against such cancellation. Write petition in respect of cancellation of fire arms licence is not maintainable without exhausting the statutory remedy by way of appeal. Banshirur Rhaman Khan Chowdhury (a) Yahia Chowdhury Vs. Bangladesh represented by the Secretary, Ministry of Home Affairs and others. 11 MLR (HC) 121-125.
বিধি-৪৪। লাইসেন্স উপস্থাপনে বাধ্যবাধকতা:
(১) কোন ব্যক্তি যিনি-
(এ) অত্র বিধিমালার আওতায় মঞ্জুরীকৃত বা নবায়নকৃত পাসধারী, অথবা
(বি) এরূপ লাইসেন্স বা পাসের পরিচয়ে কাজ করেন, কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিম্নে নয় পুলিশ অফিসারের তলব সাপেক্ষে উক্তরূপ লাইসেন্স বা পাস অবিলম্বে উপস্থাপন করবেন।
(২) উপবিধি (১) এর কিছুই লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়ন করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্তৃপক্ষের কোন শর্তে মঞ্জুর বা নবায়ন করার ক্ষমতাকে খর্ব বা অন্যভাবে প্রভাবিত করে মর্মে গণ্য হবে না, যা উক্তরূপ লাইসেন্স উপস্থাপন করার বিষয়ে উক্ত উপবিধির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
বিধি-৪৫। অস্ত্র হাজির করা:
যে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৫ বিধির আওতায় কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়েছে অথবা ৪২ (৩) উপবিধির আওতায় এতদরূপ লাইসেন্স নবায়নকৃত হয়েছে, লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত কোন অস্ত্র লাইসেন্সধারীর দখলে এখনো রয়েছে, এমর্মে নিজেকে সন্তুষ্ট করার লক্ষ্যে লাইসেন্স কার্যকর থাকাকালে যেকোন সময় লিখিত আদেশবলে লাইসেন্সধারীকে আদেশে উল্লেখিত স্থানে ও সময়ে তার পরিদর্শনের জন্য অস্ত্র হাজির করার জন্য বলতে পারেন।
![অস্ত্র বিধিমালা আইন, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ২৬-৪৯ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2024/01/আইন-১.jpg)
ফিস
বিধি-৪৬। লাইসেন্সের জন্য প্রদেয় ফিসঃ
(১) অত্র বিধিমালার আওতায় মঞ্জুরীকৃত বা নবায়নকৃত বা প্রত্যেক লাইসেন্স, এক্ষেত্রে যদি অন্যবিধ স্পষ্ট বিধান করা না থাকে তবে যে ফরমে তা মঞ্জুর বা নবায়ন করা হয়, সে ফরমে বর্ণিত ফিস (যদি থাকে) আরোপযোগ্য গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন অস্ত্র ব্যতীত-
(এ) কামান, অথবা
(বি) রাইফেল, রিভলবার বা পিস্তল যার সম্পর্কে বিধি ৭ এর আওতায় আরোপিত নিষেধ প্রযোজ্য রয়েছে অথবা কোন গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার কোন লাইসেন্সের আওতায় কোন ব্রিটিশ বন্দরে আমদানিকৃত এবং তথা থেকে পুনঃরপ্তানিকৃত এবং বিধি ৮ বা ৯-এ বর্ণিত যেকোন বন্দরে পুনঃআমদানিকৃত হয়, বিধি ১৫-এর আওতায় পুনঃরপ্তানির এবং বিধি ৮ ও ৯ এর আওতায় পুনঃআমদানির জন্য লাইসেন্স যথাক্রমে এক টাকা ফিস আরোপযোগ্য হবে।
(৩) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশবলে কোন লাইসেন্সের প্রদেয় ফিস মওকুফ বা হ্রাস করতে পারেন।
(৪) স্থানীয় সরকার, সাধারণ বা বিশেষ আদেশবলে কোন লাইসেন্সের মঞ্জুরী বা নবায়ন সম্পর্কে প্রদেয় ফিস মওকুফ করতে বা হ্রাস ঘটাতে পারেন-
(এ) যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে সালফার আমদানির জন্য বা গোলাবারুদ তৈরি ব্যতীত সরল বিশ্বাসে বা ঔষধ সম্পর্কীয় কৃষি, গঠন বা শিল্পের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কৃত মর্মে স্থানীয় সরকারের কাছে সন্তোষজনক প্রমাণিত হলে, অথবা
(বি) বিধি ১০-এর আওতায় কোন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে আমদানির জন্য কোন ব্যক্তিকে মঞ্জুর করা হয়, যা লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষের নিকট জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য সরল বিশ্বাসে প্রয়োজন রয়েছে মর্মে সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হলে।
(৫) বিধি ১৭-এর আওতায় ফরম-৬-এ লাইসেন্স মঞ্জুর করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাজনৈতিক কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অস্ত্র, গোলাবারুদ আমদানির ক্ষেত্রে বা বিস্ফোরণের উদ্দেশ্যে আমদানিকৃত গোলাবারুদ যে প্রদেশের উক্ত রাজনৈতিক কর্মকর্তা সে সরকারের পাবলিক ওয়ার্কের জন্য হোক বা না হোক এরূপ লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়নের জন্য প্রদেয় ফিস মওকুফ করতে পারেন।
(৬) প্রযোজ্য নয়।
(৭) ৭ তফশিলের ২য় কলামে অনুরূপ ভুক্তিতে উল্লেখিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখলে রাখার ও অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার জন্য ৭ তফশিলে উল্লেখিত কোন সদস্য বা ব্যক্তির শ্রেণীতে ফরম-১৬ অনুসারে লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়ন বিষয়ে কোন ফিস আরোপ করা যাবে না। উল্লেখ থাকে যে, যদি লাইসেন্সের মেয়াদ পূর্তির তারিখের এক মাস মেয়াদের মধ্যে তা নবায়নের জন্য দরখাস্ত করা না হয়, তবে লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ তার বিবেচনা সাপেক্ষে ফরম- ১৬ মোতাবেক উল্লেখিত হারক্রমে নবায়ন ফিস ধার্য করতে পারেন।
(৮) আতশবাজি তৈরি ব্যতীত অন্যবিধ শিল্পের উদ্দেশ্যে ক্লোরেটের রূপান্তরের জন্য ২৮ (এ) বিধির আওতায় ফরম-৯ এ মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের জন্য কোন ফিস আরোপ করে না।
বিধি-৪৭। প্রতিলিপির জন্য প্রদেয় ফিসঃ
যেক্ষেত্রে অত্র বিধিমালার আওতায় মঞ্জুরীকৃত কোন লাইসেন্স হারিয়ে যায় বা দুর্ঘটনাক্রমে ধ্বংস হয়, এরূপ লাইসেন্স মঞ্জুর করতে ক্ষমতাবান কর্তৃপক্ষ একটা প্রতিলিপি মঞ্জুর করতে পারেন-এ) যেক্ষেত্রে মূল লাইসেন্স কোন ফিস প্রদান ব্যতীতই বা ফিস যুক্তভাবে মঞ্জুর করা হয়েছিল; অথবা
(বি) অন্য ক্ষেত্রে এক টাকা ফিস প্রদানসাপেক্ষে অথবা যে ফিস মূল লাইসেন্সে আরোপযোগ্য ছিল, যেটা কম।
বিধি-৪৮। ফিস আদায়:
(১) বিধি ৪৬ বা ৪৭-এর আওতায় প্রদেয় সব ফিস আবেদনকারীর স্বেচ্ছাক্রমে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বা নগদে প্রদান করা হবে।
(২) যেক্ষেত্রে অত্র বিধিমালা মোতাবেক ন্যূনতম এক টাকা ফিস প্রদানযোগ্য এবং তা আদায়কৃত হয়েছে এবং লাইসেন্সে মঞ্জুরীর বা নবায়নের বা প্রতিলিপির আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, এরূপ প্রত্যাখ্যানের দুই মাসের মধ্যে যদি দরখাস্ত করা হয় তবে ঐরূপ ফিসের মূল্য প্রত্যার্পণ করা যেতে পারে।
বাতিল ও ব্যতিক্রম
বিধি-৪৯। ১৯২০ সনের ভারতীয় অস্ত্র বিধিমালার বিলোপ সাধন:
ভারতীয় অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২০ এতদ্বারা বিলোপ সাধন করা হল। উল্লেখ্য যে, প্রদত্ত সকল রেহাই, বাদে এবং প্রত্যাহার সকল মঞ্জুরীকৃত বা প্রতিলিপিকৃত লাইসেন্স বা নবায়নকৃত, সকল আরোপিত ধার্যকৃত, মওকুফ বা হ্রাসকৃত ফিস এবং ঐসব বিধিমালা কর্তৃক বা এতদাধীনে সকল আরোপিত ক্ষমতা যথাক্রমে গৃহীত হয়েছে, মঞ্জুরকৃত, নবায়নকৃত, আরোপিত, ধার্যকৃত, মওকুফকৃত, হ্রাসকৃত এবং এর আওতায় প্রদত্ত মর্মে গণ্য হবে।
অস্ত্র বিধিমালার বাকি বিধিগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ১-২৫ ]
অস্ত্র বিধিমালার তফসিলসমূহ :
- অস্ত্র বিধিমালার তফসিলসমূহ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
অস্ত্র বিধিমালার তফসিলসমূহ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
অস্ত্র বিধিমালার তফসিলসমূহ
তফশিল-১
(বিধি ৩ দ্রঃ)
নিম্নে যোগকৃত ১ম কলামে বর্ণিত ব্যক্তি বা বর্ণিত ব্যক্তিবর্গ বা ব্যক্তিবর্গের শ্রেণী বিধি ৩ এর (খ) ও (গ) দফার বিধানসাপেক্ষে ২য় কলামে বর্ণিত অস্ত্র এবং গোলাবারুদ যখন তাদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য বহন বা দখল করা হয় সে সম্পর্কিত। যেক্ষেত্রে অন্যভাবে স্পষ্ট বর্ণনা করা হয়েছে তা ব্যতীত আইনে থাকা অনুরূপ নিষেধ ও নির্দেশ ৪র্থ কলামে সেভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, ৩য় কলামে ভুক্ত উক্ত বিধি এবং নিষেধসাপেক্ষে রেহাই দেয়া হয়েছে।

টেবিল
| ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের শ্রেণী |
অস্ত্র এবং গোলাবারুদ |
অনুলিপি এবং সীমাবদ্ধ |
নিষেধ এবং নির্দেশ |
| (১) |
(২) |
(৩) |
(৪) |
| ১। (ক) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক (এবং প্রদেশের গভর্নরগণ) আজীবনের জন্য প্রিভি কাউন্সিলারস, (কেন্দ্রীয়) সরকারের মন্ত্রীবর্গ, (গভর্নরদের প্রদেশের মন্ত্রীবর্গ) (পাঞ্জাবের গভর্নরের উপদেষ্টাগণ) বাংলাদেশ গণপরিষদের সদস্যবৃন্দ তাদের কার্যকলাপের সময় এবং তারপর ৬ মাস প্রেসিডেন্ট, ডেপুটি প্রেসিডেন্ট প্রাদেশিক পরিষদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার তাদের কার্য কালের সময় এবং তারপর ৬ মাস পর্যন্ত, সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, এবং বিচারপতিবৃন্দ, প্রধান বিচারপতি আদালতসমূহের বিচারকবৃন্দ অস্থায়ী এবং অতিরিক্ত বিচারকবৃন্দ যা ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইনের ২১৯ ধারায় |
নিম্নিলিখিতগুলো ছাড়া অন্য
সব
(ক) কামান
(খ) টর্পেডো সার্ভিসের পণ্য পরিকল্পিত দ্রব্যাদি
(গ) যুদ্ধ রকেট,
(ঘ) এরূপ রাইফেল, মাসকেট, পিস্তল বা রিভলবার যেগুলো ৭ বিধির (১)
(ক) দফায়
উপবিধির উল্লেখিত এবং গোলাবারুন্দ যা ৩০৩ বা ৪৫০ বোরের রাইফেল, অথবা ৪১০ বোরের মাসকেট অথবা ৪৪১, ৫৬৬ বা যেকোন মাধ্যমিক বোরের পিস্তল বা রিভলবার থেকে গুলি করা যায় যা প্রদেশ বা ফেডারেশনের রাজধানীতে বৈধভাবে আমদানি করা হয় নি,
(ঙ) অস্ত্র এবং গোলাবারুদ তৈরির জন্য কলকব্জা, এবং
(চ) যন্ত্রপাতি যার উদ্দেশ্য হল আগ্নেয়াস্ত্রের শব্দ বন্ধ করা,
|
|
১৩ থেকে ১৫ ধারায় যা আছে |
হাইকোর্ট হিসেবে গণ্য বোর্ড অব রেভিনিউর সদস্যবৃন্দ ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইনের ২৯৬(২) ধারার অধীনে নিযুক্ত ট্রাইব্যুনালের সদস্যবৃন্দ এবং ফাইনানশিয়াল কমিশনারগণ।
(খ) বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
(গ) বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। |
(ছ) পিস্তলপেন, পিস্তলে পন্সিল হ্যান্ড গ্রেনেড, কার্টিজ ইত্যাদির সহ গ্যাস মুক্ত করার যন্ত্রপাতি।
|
|
|
(২) বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
(৩) বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
(৪) প্রত্যেক কনসাল এবং কনসুলার এজেন্ট বাংলাদেশস্থ বৃটিশ কমনওয়েলথ দেশসমূহের ডেপুটি হাই কমিশনারগণ
(৫) বাদ দেওয়া হয়েছে।
(৬) নিম্নলিখিত ব্যক্তি এবং তাদের রিটেনারগণ যথা:
(ক) বাদ দেয়া হয়েছে।
(খ) বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
(গ) (কর্মকর্তা বা জনসাধারণের মধ্যে কাউকে সিতারাই কায়দে আজম বা উচ্চতর খেতাব বা যারা আনঅপারেশনাল সামরিক খেতাব। সিতারাই বা সানাতের অধিকারী)
(ঘ) বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
(ঙ), (চ), (ছ) (জ) বাদ দেয়া হয়েছে।
|
|
অস্ত্র বা গোলাবারুদ বহন বা দখলকারী কোন ব্যক্তি এর মধ্যে রেহাই প্রাপ্ত তা এমন বর্ণনা ও পরিমাণের হবে, যদি থাকে যেমন:
(ক) রাষ্ট্রপতি
(খ) এর শাসিত সীমানা সম্পর্কে এ নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে প্রাদেশিক সরকার, এরূপ ব্যক্তি কর্তৃক বহন বা দখল করার জন্য যুক্তিসঙ্গত ঘোষণা করতে পারেন।
|
|
| হার ম্যাজিস্ট্রি থেকে কমিশন প্রাপ্ত। প্রত্যেক কর্মকর্তা, হার ম্যাজেস্ট্রির নৌ, সেনা বা বিমান বাহিনীর প্রত্যেক কর্মকর্তা বা স্টেট বাহিনীর বা বাংলাদেশ আঞ্চলিক বাহিনী, ১৯২০ সনের অক্সিলারী ফোর্স এ্যাক্ট (ঊদ্ধ-১৯২০) অধীনে তালিকাভুক্ত। প্রত্যেক ব্যক্তি এবং প্রত্যেক ওয়ারেন্ট কর্মকর্তা বা প্রত্যেক চীপ পেটি অফিসার (ব্রিটিশ) বা ওয়ারেন্ট অফিসার বা স্টাফ সার্জেন্ট যে অক্সিলারী ফোর্সের ইন্সট্রাক্টর সে সহ হার ম্যাজিস্ত্রির নৌ, সেনা বা বিমান বাহিনীর ষ্টাফ সাজেন্ট বা ফ্লাইট সাজেন্ট বা আঞ্চলিক বাহিনীর। |
এক নলাবোদ প্রয়োজন এমন ৩০৩ রাইফেল ম্যাচ সুটিং এবং উদ্দেশ্যে |
১) সীমাবন্ধন এতদ্বারা অব্যাহতি প্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তি দ্বারা কেবলমাত্র এরূপ একটা রাইফেল একেবারে আমদানি করা হবে বা ব্যবহৃত হবে।
(২) রাইফেলটি ১০০০ রেঞ্জের উপরে দর্শানো (সাইটেড) হবে।
(৩) রেজিমেন্টাল অফিসার, ওয়ারেন্ট অফিসার, নন কমিশনড অফিসার, এবং বাংলাদেশ অক্সিলিয়ারী কোরের কোর্সে নিযুক্ত। ব্যক্তিবর্গ বা বাংলাদেশ আঞ্চলিক বাহিনীর ক্ষেত্রে রাইফেলটি কোরের অস্ত্র শস্ত্রের অংশে পরিণত হবে তার মাসিক সময়কালীন যার অন্তর্ভুক্ত।
|
|
|
|
(৪) মালিক আমদানির সময় কোরের কমান্ডিং অফিসার, সিনিয়র অফিসার বা বিভাগীয় প্রধান সে যার অন্তর্ভুক্ত তার থেকে এ মর্মে একটা সার্টিফিকেট দাখিল করবে যে রেজিমেন্টাল অফিসার, ওয়ারেন্ট অফিসার, ননকমিশনড অফিসার এবং বাংলাদেশ অক্সিলারী কোরের ফোর্সে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ অথবা আঞ্চলিক বাহিনীর ক্ষেত্রে অস্ত্রটি কোরের ইকুপমেন্ট লেজারে আনা হবে এবং স্টাফ এবং বিভাগীয় অফিসারের ক্ষেত্রে অফিসার্স |
কমান্ডিং অফিসার দস্তখতকৃত পাস ম্যাজেস্ট্রির নিয়মিত ফোর্সের এবং সৈনিক অন্য অস্ত্রধারী ব্যক্তি বা প্রাদেশিক)
সরকার থেকে দান হিসেবে নিম্নলিখিতগুলো ছাড়া
(ক) কামান
(খ) টর্পেডো পণ্য পরিকল্পিত দ্রব্য
(গ) যুদ্ধ রকেট
(ঘ) এরূপ মাসকেট, পিস্তল যেগুলো ৭ উপবিধির (ক)
দফা এবং গোলাবারুদ ৪৫০ বোরের রাইফেল ৪১০ বোরের মাসকেট ৪৪১, ৫৬৬ বা মাধ্যমিক বোরের রিভলবার থেকে গুণ যা প্রদেশ বা রাজধানীতে বৈধভাবে করা হয় নি, ঙ) অস্ত্র গোলাবারুদ তৈরি কলকব্জা, এবং
(চ) যন্ত্রপাতি আগ্নেয়াস্ত্রের শস্য
(ছ) পিস্তলপেন্সিল হ্যান্ট কার্টিজ ইত্যাদির করার যন্ত্রপাতি।
|
|
|
কমান্ডকোরের বা স্টোরের অফিস ইনভেনট্রির ইকুপমেন্ট লেজারে আনা হবে এবং অন্যান্য ইকুপমেন্টের মত একই পদ্ধতিতে হিসাব রাখা হবে।
(৫) বাংলাদেশের অক্সিলারী ফোর্সের কোন কোরে বা বাংলাদেশ আঞ্চলিক বাহিনীতে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গের ক্ষেত্রে এ অব্যাহতি ফোর্স থেকে মালিকের অপসারণের সঙ্গে শেষ হয়ে যাবে।
(৬) এতদ্বারা অব্যাহতি প্রাপ্ত কোন ব্যক্তি তার রাইফেলের এরূপ অব্যাহতি প্রাপ্ত অন্য ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর ইত্যাদি করতে পারেন, উল্লেখ্য যে, পরবর্তী ব্যক্তি যে কোরের অন্তর্ভুক্ত রাইফেলটি সে কোরের ইকুপমেন্টের অংশে পরিণত হবে এবং ওভাবে হিসাবে রাখা হবে।
|
|
৮) হার ম্যাজিস্ত্রির নিয়মিত বাহিনীতে বা কোন স্টেট ফোর্সে কোন ইউনিট অধিনায়ককারী অফিসার এবং কমান্ডিং অফিসার কর্তৃক মঞ্জুর ও দস্তখতকৃত পাস অধিকারী হার ম্যাজেস্ট্রির নিয়মিত বাহিনী বা কোন স্টেট
|
|
|
|
কমান্ডিং অফিসার কর্তৃক
মঞ্জুর দস্তখতকৃত পাস অধিকারী হার ম্যাজেস্ট্রির নিয়মিত বাহিনী বা কোন স্টেট ফোর্সের এবং সৈনিক (৯) তরবারি বা অন্য অস্ত্রধারী ব্যক্তিগণ তারা (কেন্দ্রীয় বা প্রাদেশিক) সরকার বা সর্বাধিনায়ক থেকে দান হিসেবে পেয়েছে। |
কমান্ডিং ইউনিটের অনুমোদনে রেজিমেন্টাল তহবিল থেকে বা সরকার কর্তৃক খেলাধুলার উদ্দেশ্যে দেয়া এরূপ অস্ত্র এবং গোলাবারুদ এরূপভাবে প্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্রের জন্য গোলাবারুন্দ সহ এরূপ তরবারি বা অন্য অস্ত্র যা এভাবে পাওয়া গেছে।
|
|
এ ওয়ারেন্ট অফিসার, নন কমিশনড অফিসার এবং সৈনিকদের কেবলমাত্র পাস ভুক্ত অস্ত্রশস্ত্র এবং গোলাবারুদ এবং পাশে উল্লেখিত এলাকা ও তারিখের বেলায় অব্যাহতি প্রযোজ্য হবে এবং অফিসার্স কমান্ডিং-এর ক্ষেত্রে কেবলমাত্র অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ যা খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সরকারের বা রেজিমেন্টাল তহবিল থেকে তা ক্রয় এবং মজুদের ব্যাপারে অব্যাহতি প্রযোজ্য হবে। কোন গোলাবারুদ যে সম্পর্কে কোন ব্যক্তি এখানে অব্যাহতি। পেয়েছে তা কেবল এরূপ বর্ণনার হবে এবং এরূপ পরিমাণের উর্ধ্বে হবে না যেমন (ক) কেন্দ্রীয় সরকার। (খ) প্রাদেশিক সরকারের শাসিত অঞ্চল সম্পর্কে বা এর নিয়ন্ত্রণ াপেক্ষে নির্দেশ দিতে পারে, (শর্ত বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়)
|
তফশিল-২
(বিধি ৩ দ্রঃ)
বহির্ভূত অস্ত্র গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার
নিচে যোগ করা টেবিলের ১ম কলামে উল্লেখিত এলাকার মধ্যে দ্বিতীয় কলামে বর্ণিত অস্ত্র গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার এ আইনে থাকা নিষেধ এবং নির্দেশের কার্যকারিতা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে, যেমন ৩য় কলামে প্রকাশ করা হয়েছে।
টেবিল
| এলাকা |
অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার |
নিষেধ এবং নির্দেশ |
| ১। পাঞ্জাব ছাড়া প্রদেশ এবং ফেডারেশনের রাজধানী। |
নিম্নলিখিতগুলো) ছাড়া সব অস্ত্রঃ
(ক) এন্টি-২ এর হেড (ধ) এ উল্লেখিত প্রকারে ছাড়া
কামান
(খ) আগ্নেয় অস্ত্র
(গ) এন্ট্রি ২ এর হেড (ধধধ) এ উল্লেখিত প্রকারের ছাড়া এয়ারগান ও এয়ার পিস্তল।
(ঘ) টর্পেডো সার্ভিসের জন্য পরিকল্পিত দ্রব্যাদি ছাড়া
(ঙ) ওয়ার রকেট
(চ) অস্ত্র তৈরির কলকজা |
সব উল্লেখ্য যে, (প্রাদেশিক) – সরকার স্থানীয় অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কোন ব্যক্তিবর্গের শ্রেণীর ক্ষেত্রে কোন এলাকার বা কোন বিশিষ্ট এলাকা সম্পর্কে এ আইনে থাকা সব বা কোন নির্দেশ রেখে দিতে পারে না।
|
২। প্রদেয়সমূহ এবং
ফেডারেশনের
রাজধানী |
ছ) আগ্নেয় অস্ত্রের শব্দ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত যন্ত্র
উল্লেখ্য যে, সাধারণ এবং আগ্নেয় অস্ত্রের সম্পর্কে ব্যতিক্রমসমূহ যে সকল অস্ত্র সেকেলে এবং কার্যপোযোগী নয় এবং সম্পূর্ণ প্রত্নতত্ত্ব সম্পর্কীয় অথবা ট্রপি বা কৌতূহল হিসেবে বা সম্পূর্ণভাবে অলঙ্কার বা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে রেজিমেন্ট বা সামরিক মেচের দখলে।
(১ম) ৫৬ পাউন্ডের কম ওজনবিশিষ্ট সব খেলনা এবং কামান এবং
(ক) ব্যাস ১ ইঞ্চির কম।
(খ) ২৪ ইঞ্চির কম দৈর্ঘ্য, এবং
(গ) বোরের ভেতরের দিক খাজকাটা আন রাইফেলডবিশিষ্ট
(২য়) ১, তফশিলের ৮ ভুক্তিতে পরপর নাম করা ব্যক্তিদের বা যে রেজিমেন্ট ভুক্ত তার কমান্ডিং অফিসারের লিখিত পারমিট বলে বাংলাদেশ নিয়মিত বাহিনীর নন কমিশনড অফিসার এবং সৈনিকদের ব্যবহার বা তাদের নিকট বিক্রয়ের জন্য আমদানি করা রাইফেলের সাইট (৩য়) এয়ারগান বা এয়ার পিস্তল বা নিম্নলিখিত পরখগুলো নিঃসন্দেহে করে, যথা এরূপ বন্দুক বা পিস্তল থেকে প্রক্ষিপ্ত গোলা ফুলস্কেপ সাইজের ৫টা স্ট্র বোর্ড দ্বারা সম্পন্ন ১২ ইঞ্চি স্কোয়ারের লক্ষ্যবস্তু ছিদ্র করেন এবং প্রত্যেক বোর্ড ৩ – ৬৪ ইঞ্চি পুরু এবং একটা ফ্রেমে ঘনিষ্ঠভাবে একত্রে রাখা।
|
|
|
উল্লেখ্য যে, উক্ত পরখ করা তৈরি এবং নিরূপণ করার সময় নিম্নলিখিত শর্তগুলো পালন করতে হবে, যথাঃ
(১ম) বন্দুক বা পিস্তল তার মুখের সঙ্গে লক্ষ্য বস্তুর ৫ ফিট দূরত্বে সমান্তরালভাবে রাখা হবে,
(২য়) বন্দুক বা পিস্তল থেকে প্রক্ষেপন করা যাবে এমন প্রত্যেক শ্রেণীর গোলার জন্য পরীক্ষাটি ২০ বার পুনরাবৃত্তি করা হবে, এবং
(৩য়) যেক্ষেত্রে প্রক্ষেপনটি একটা ছোট বর্শা সেক্ষেত্রে ছিদ্র করা কার্যকর গণ্য হবে যদি বর্শাটির পয়েন্ট লক্ষ্য বস্তুর পেছনে বিদ্ধ করে এবং অন্য ক্ষেত্রে গোলাটি (প্রক্ষেপক) সম্পূর্ণভাবে লক্ষ্য বস্তুর পেছন দিক অতিক্রম করে।
(৪র্থ) বিস্ফোরক ছোঁড়ার জন্য বিস্ফোরণ টিউবের ফিউজ (নিরাপত্তা বা অন্যভাবে ১৯৪০ সালের বিস্ফোরক বিধিমালার ১ম তফশিলে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে (গোলাবারুদ) সংজ্ঞায়িত নয় এবং বিস্ফোরক (ডিটো-নেটরম) বা অন্য বিস্ফোরক, প্রাইভেট বিস্ফোরণের উদ্দেশ্যে প্রকৃতভাবে অভিপ্রেত নিম্নলিখিত বিস্ফোরকসমূহ:
(১) বারুদসহ তৈরি কার্টিজ এবং প্রজ্বলনের নিজ উপায় সম্বলিত নয়, এবং সর্বসাকুল্যে ৩০ পাউন্ড বারুদ সম্বলিত
২) পারকুশন ক্যাপস
(৩) পারকুশন ক্যাপস
(৪) নিরাপত্তা ফিউজ
৫) গান ওয়ার্ডস এবং ওয়ার কার্টিজ
৬) বাদ দেয়া হয়েছে |
সব। উল্লেখ্য যে, (প্রাদেশিক) সরকার স্থানীয় অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কোন ব্যক্তিবর্গের শ্রেণীর ক্ষেত্রে কোন এলাকার বা কোন বিশেষিত এলাকা সম্পর্কে এয়ার পিস্তল বা তার কোন শ্রেণীর ব্যাপারে এ আইন থাকা সব বা কোন নিষেধ বা নির্দেশ রেখে দিতে পারেন।রপ্তানি সম্পর্কীয় ছাড়া অন্য সব ১৪ ধারায় যেগুলো আছে।
|
(৪) প্রদেশসমূহ ফেডারেশনের রাজধানী (নিম্নলিখিত স্থান) মিয়াওয়ালী, ছাড়া
মুজাফফর গড় এবং পুদেশ ফেডারেশনের ও রাজধানীর স্থল বর্হি সীমান্তের সর্ব জেলা। ৫। করাচী লারকানা এবং আপার সিন্ধু সীমান্ত জেলাসমূহ ছাড়া বর্হিস্থল সীমান্তের সব জেলা, বাদ দিয়ে প্রদেশসমূহ এবং ফেডারেশনের রাজধানী ৬। বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। ৭, ৮, ৯ বাদ দেয়া হয়েছে। |
(৭) নৌ চলাচল এবং উড়োজাহাজ সব চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্র এবং গোলাবারুদ কিন্তু অন্য উদ্দেশ্যে রাখা বা ব্যবহারের জন্য নয়।
(৮) রিক্যাপার, ডিক্যাপার এবং টার্ন ওভার ম্যাশিন
(১ম) শিল্প এবং উৎপাদনের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে প্রয়োজনীয় সীসা (যে কোন পরিমাণের বুলেট এবং বার্ডসটের উৎপাদন ছাড়া)
(২য়) (প্রাদেশিক) সরকার নির্ধারিত করতে পারে তেমন পরিমাণের ঊর্ধ্বে নয় সীসা নির্মিত বুলেট এবং বার্ডসট।
(১ম) শোরা
(২য়) (প্রাদেশিক) সরকার নির্ধারিত করতে পারে তেমন পরিমাণের ঊর্ধ্বে নয় সালফার
|
|
তফশিল-৩
(বিধি ৩ দ্রঃ)
বহির্ভূত অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক ভাণ্ডার নিম্নে যোগ করা টেবিলে ১ম কলামে বর্ণিত অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক ভাণ্ডার আইনের ৬ ধারায় থাকা নিষেধ এবং নির্দেশের কার্যকারিতা থেকে ২য় কলামে যে আকারে ভুক্ত করা হয়েছে ততদূর বাদ দেয়া হয়েছে।
টেবিল
| অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক ভাণ্ডার |
নিষেধ এবং নির্দেশ |
| ১। কোন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আনা হয়েছে এবং শুল্কাধীনে ল্যান্ড করা হয়েছে বা বাংলাদেশের কোন বন্দরে আনা হয়েছে এবং রপ্তানির অনুমতি আছে এমন যে কোন বন্দরের চালান হিসেবে শুল্ক ভবনে প্রকাশের জন্য জাহাজের মালের তালিকায় ঘোষণা করা হয়েছে। |
সব |
তফশিল-৪
(বিধি ৩ দ্রঃ)
প্রত্যাহারকৃত প্রদেশ এবং ফেডারেশনের রাজধানীর অংশ নিম্নে যোগ করা টেবিলের ১ম কলামে উল্লেখিত এলাকা সম্পর্কে ২য় কলামে বর্ণিত অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক ভাণ্ডারের উপর থেকে এ আইনে থাকা নিষেধ এবং নির্দেশ, যেমন ৩য় কলামে দেখান হয়েছে প্রত্যাহার করা হলো।
টেবিল
| এলাকা |
অস্ত্র এবং গোলাবারুদ |
নিষেধ এবং নির্দেশ |
(১) বাদ দেয়া হয়েছে।
(২) বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল
৩, ৪ ও ৫ বাদ দেয়া
হয়েছে ৬ বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। |
সব |
১৩ এবং ১৪ ধারায় যা আছে। |
তফশিল-৫
(বিধি ১৬ দ্রঃ)
স্টেটের বন্দরে বা বিদেশী এলাকায় সমুদ্র পথে রপ্তানির জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করতে ক্ষমতাসম্পন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ।
টেবিল
| কর্মকর্তাবৃন্দ |
যে সমস্ত বন্দর থেকে রপ্তানির জন্য তারা লাইসেন্স মঞ্জুর করতে পারে। |
যে সমস্ত বন্দরে রপ্তানির জন্য তারা লাইসেন্স মঞ্জুর করতে পারে। |
শর্তসমূহ |
(১)(পূর্ব পাকিস্তান)
সরকারের মুখ্য সচিব। ২ ও ৩ বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। |
ঢাকা |
পারস্য উপসাগরে। আবাসিক রাজনৈতিকের রাজনীতিক এখতিয়ারাধীন বন্দরসমূহ এবং (২) ইরাকের হাই কমিশনারের রাজনৈতিক এখতিয়ারধীন বন্দরসমূহ। |
খেলাধুলার রাইফেল (৩০৩ বা ৪৫০) বোরের গোলাবারুদ প্রয়োজন এমন খেলাধুলার রাইফেল ছাড়া) খেলাধুলার শর্টগান এবং খেলাধুলার গোলাবারুদ (৩০৩ ৪৫০ বোরের রাইফেল ব্যবহার করা যায় এমন গোলাবারুদ ছাড়া) যা বিক্রি বা সামরিক উদ্দেশ্যে অভিপ্রেত নয় কিন্তু প্রাপকের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য।
|

তফশিল-৬
(বিধি ১৭ (১) দ্রঃ)
প্রদেশের রাজধানী এবং ফেডারেশনের রাজধানীর বাইরে যে কোন স্থানে স্থল বা নদী পথে রপ্তানির জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করতে ক্ষমতাবান কর্মকর্তাগণ।
টেবিল
| কর্মকর্তাগণ |
স্থান |
শর্তসমূহ |
১) সরকারের একজন সচিব (ক) (বেঙ্গল) বাংলাদেশ এবং অন্য স্থানে জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক। (১ম) ও (২য়) বাদ দেয়া হয়েছে।
(৩য়) প্রযোজ্য নয়। ২-৬ ও ৭ (ক) বাদ দেয়া হয়েছে।
৭ (খ) পূর্ব বাংলা সরকারের মুখ্য সচিব। (৮) বাদ দেয়া হয়েছে।
(৯) ও (১০) প্রযোজ্য নয়।
১১-(১) (৪) বাদ দেয়া হয়েছে।
(১১)-(৫)-(৭) প্রযোজ্য নয়।
১১ (৮-১৩) বাদ দেয়া হয়েছে। ১১ (১৪ ক-চ) বাদ দেয়া হয়েছে।
(ছ) প্রযোজ্য নয় (১১) (১৪) জ-রাজশাহী বিভাগের কমিশনার |
ঢাকা (১ম) যে
কোন স্টেট (২য়) খুরাম, চিত্রল এবং ওয়াজিরিস্থান |
সম্পূর্ণভাবে সরকারি রেলপথে ব্যবহার বা অন্য পূর্তকাজের জন্য অভিপ্রেত গোলাবারুদ রপ্তানির জন্য।
(খ) ৭ বিধি দ্বারা আরোপিত নিষেধ প্রযোজ্য এমন অস্ত্র বাংলাদেশের (পাকিস্তানের কোন স্টেটে) রপ্তানির জন্য এরূপ কোন কর্মকর্তা লাইসেন্স মঞ্জুর করতে পারবে না যদি এরূপ অস্ত্র বৈধভাবে বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে এবং ১ম তফশিলে উল্লেখিত ব্যক্তি বা শ্রেণীসমূহের সদস্যদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন।
কেবলমাত্র স্টেট গোলাবারুদ রপ্তানির জন্য; এবং নিম্নলিখিত শর্তসাপেক্ষে খুরাম, চিত্রল এবং ওয়াজিরিস্থানে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ রপ্তানির জন্যঃ
(ক) রপ্তানির চালানটিতে কেবল খেলাধুলার গোলাবারুদ বা খেলাধুলার অস্ত্র এবং গোলাবারুদ প্রাপকের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে থাকবে।
(খ) প্রাপক ৩৯ (১) উপবিধির (ক) দফার অনুবিধিতে উল্লেখিত একজন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হবে না।
(গ) ম্যাজিস্ট্রেট তদকর্তৃক ইস্যুকৃত লাইসেন্সের একটা তালিকা রাখবেন। (ক) রপ্তানির জন্য কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হবে না:
(১ম) কামান, অথবা
(২য়) সালফার বা ক্লোরেট যখন তা ম্যাচ, বেঙ্গল লাইট এবং খেলনা পিস্তলের পেপার ক্যাপের জন্য প্রয়োজন তাছাড়া সামরিক সম্ভার অথবা
(৩য়) অতঃপর যেভাবে বিধান করা আছে তাছাড়া এরূপ রাইফেল, মাসকেট, পিস্তল বা রিভলবার যেমন
৭(১) উপবিধির (ক) দফায় উল্লেখিত আছে অথবা
(৪র্থ) অতঃপরে যেভাবে বিধান করা আছে তাছাড়া বল গোলাবারুদ যা যা ৩০৩ বা ৪৫০ বোর বা ৪১০ বোরের মাসকেট বা ৪৪১, ৪৫৫ বা কোন মাধ্যমিক বোরের পিস্তল বা রিভলবার থেকে গুলি করা যায়,
(খ) রাইফেল, মাসকেট, রিভলবার বা নিচের শিরোনামে উল্লেখিত বোরের পিস্তল রস্তানির জন্য লাইসেন্স।
(১ম) (ক) শিরোনামের ১ম তফশিলে উল্লেখিত ব্যক্তি বা শ্রেণীর সদস্য যারা ওগুলোর অব্যাহতি প্রাপ্ত তাদেরকে মঞ্জুর করা যাবে।
(গ) ১ম তফশিলে উল্লেখিত ব্যক্তি বা শ্রেণীর সদস্য যারা ওগুলোর অব্যাহতি প্রাপ্ত তাদেরকে নিম্নলিখিত শর্তসাপেক্ষে লাইসেন্স মঞ্জুর করা যেতে পারে যথাঃ
(১) ৫৭৭/৪৫০ বোর এবং
৫০০/৪৫০ বোরের রাইফেলে ব্যবহারের জন্য কার্টিজ ছাড়া এরূপ কার্টিজ এক বছরে দুশ ছাড়িয়ে যাবে না; এবং (২য়) কার্টিজগুলো লাইসেন্সধারীর ব্যক্তিগত ব্যবহারের
জন্য হতে হবে।
|
তফশিল-৭
(বিধি ৪৬ (৫) দ্রঃ)
কতিপয় অস্ত্রের বেলায় ১৬ ফরমে লাইসেন্সের জন্য যে সকল ব্যক্তির নিকট কোন ফিস আরোপযোগ্য নয়।
টেবিল
| ব্যক্তিসমূহ |
অস্ত্র এবং গোলাবারুদ |
(১) (ক) কোন ডিকটোরী কমিশন্ড অফিসার, সব স্টেট ফোর্সের যে কোন অফিসার, চাকরিতে থাকুক বা অবসরপ্রাপ্ত এবং ঐরূপ পেনশন পাচ্ছেন;
(খ) হিজ ম্যাজিস্টির নৌ সেনা বা বিমান বাহিনীর কোন ওয়ারেন্ট অফিসার, চাকরিতে থাকুক বা অবসরপ্রাপ্ত এবং এরূপ পেনশন পাচ্ছেন;
(গ) হিজ ম্যাজিস্টির নৌ সেনা বা বিমান বাহিনীর কোন চীফ অফিসার, পেটি অফিসার, নন কমিশন্ড অফিসার, নাবিক, সৈনিক বা এয়ারম্যান।
(ঘ) যে কোন ব্যক্তি যে ভলানটিয়ার এ্যাক্ট- ১৮৬৯ (১৮৬৯ সনের ২০)-এর অধীনে ভলানটিয়ার কোরের সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত লোক, অথবা বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য ছিল বা অক্সিলারী ফোর্সের সদস্য ছিল এবং যাকে ভলুনটিয়ার অফিসারের ভূষণ (ডেকোরেশন) বা লং সার্ভিস পদক দেয়া হয়েছে এবং কোন ব্যক্তি যে অক্সিলারী ফোর্সের সদস্য ছিল এবং যাকে ভলুনটিয়ার অফিসার্স ডেকোরেশন বা লং সার্ভিস পদক প্রদান করা হয়েছে এবং কোন ব্যক্তি যে অক্সিলারী ফোর্সের সদস্য বা আঞ্চলিক বাহিনীর সদস্য ছিল এবং যাকে দক্ষতা ভূষণ (ইফিসিয়ান্সি ডেকোরেশন) বা দক্ষতা পদক (মেডেল) দেয়া হয়েছে;
(ঙ) অক্সিলারী ফোর্সের কোন অফিসার যাকে ভলুনটিয়ার অফিসার্স ডেকোরেশন বা লং সার্ভিস পদক, অক্সিলারী বা আঞ্চলিক বাহিনীর যে কোন অফিসার যাকে দক্ষতা ভূষণ বা দক্ষতা পদক দেয়া হয়েছে এবং ওয়ারেন্ট অফিসার, নন কমিশন্ড অফিসার বা অক্সিলারী আঞ্চলিক বা স্টেট বাহিনীর
সৈনিক;
(চ) ও (ছ) বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
(জ) ওয়ারেন্ট অফিসারের পদ মর্যাদার নিম্নে কোন ব্যক্তি যে নৌ, সেনা বা বিমান বাহিনী থেকে কর্মচ্যুত (ডিসচার্জড) হয়েছে এবং ওভাবে পেনশন পাচ্ছে না নৌ, সেনা বা বিমান বাহিনী রিজার্ভে বদলি হয়েছে এবং ইউনিট বা বিভাগের কমান্ড অফিসার কর্তৃক এতদপক্ষ যে মনোনীত হয়েছে;
অথবা
(ঝ) কমিশন্ড অফিসারের পদমর্যাদার নিম্নে কোন ব্যক্তি যে ইমপেরিয়াল সার্ভিস টুপ বা স্টেট ফোর্সের কোন ইউনিট থেকে কর্মচ্যুত হয়েছে এবং যে এভাবে পেনশন পাচ্ছে এবং ইউনিটের কমান্ডিং অফিসার কর্তৃক এতদপক্ষে মনোনীত হয়েছে।
(৩) নৌ, সেনা বা বিমান বাহিনীর প্রাক্তন অফিসার যে পর্যন্ত এরূপ বাহিনীর ইউনিফরম পরতে সে অধিকারী বা সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে মুক্ত (রিলিজ) হওয়ার পর কোন আর্মি রিজার্ভের অফিসার দ্বারা।
(৪) ভলানটারী কোর, প্রতিরক্ষা বাহিনী, অক্সিলারী ফোর্স বা আঞ্চলিক বাহিনীর কোন কর্মকর্তা যাকে অবসর গ্রহণ কালে সম্মানসূচক পদমর্যাদা (অনারারী র্যাঙ্ক) দেয়া হয়েছে এবং এরূপ কোন বা বাহিনী ইউনিফরম পরার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
(৫) অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার যাদেরকে অনুষ্ঠান উপলক্ষে বা সরকারি পদস্থ কর্মচারীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় অবসর গ্রহণ কালে বাহিনীতে যে পদ মর্যাদার ইউনিফরম তার ছিল তা পরতে অনুমতিপ্রাপ্ত।
(৬) তরবারি বা অন্য অস্ত্রধারীর উত্তরাধিকারী বা উত্তরবর্তী যা গভর্নর জেনারেল ইন কাউন্সিল বা স্থানীয় সরকার থেকে দান হিসেবে পেয়েছে।
(৭) সরকারি কর্মচারী যার অস্ত্রের দখল স্থানীয় সরকার কর্তৃক জনস্বার্থে মর্মে ঘোষিত এরূপ দখল ১ ধারার বিধান থেকে মুক্ত নয়। |
“সব
কর্মচ্যুতি বা রিজার্ভে বদলির সময় ঐ ব্যক্তির প্রকৃত দখলে ছিল এরূপ অস্ত্র এবং ওর জন্য যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ গোলাবারুদসহ।
রিভলবার বা স্বয়ংক্রিয় পিস্তল যা এরূপ অফিসার হিসেবে কার্যরত থাকাকালীন সরঞ্জামের অংশবিশেষ ছিল এবং ওর জন্য যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ গোলাবারুদসহ।
অস্ত্র যা এরূপ অফিসার হিসেবে কার্যরত থাকাকালীন সরঞ্জামের অংশবিশেষ ছিল এবং ওর জন্য প্রয়োজনীয় বা যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ গোলাবারুদসহ পুলিশ অফিসার হিসেবে রিভলবার যা তার সরঞ্জামের অংশবিশেষ ছিল এবং ওর জন্য যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে গোলাবারুদ দান হিসেবে পেয়েছে এমন অস্ত্র এবং যেখানে প্রয়োজন ওর জন্য যুক্তিসঙ্গত গোলাবারুদসহ।
এরূপ অস্ত্র ও গোলাবারুদ বা (খ) ঘোষণায় উল্লেখিত”
|

তফশিল-৮
(বিধি ২ দ্রঃ)
সর্ব প্রকার ফিস মুক্ত
আমদানি, পরিবহন, কামানের দখল, টর্পেডো সার্ভিসের জন্য পরিকল্পিত দ্রব্যাদি, যুদ্ধ রকেট বা অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরির জন্য লাইসেন্স।
টেবিল
| ১। |
লাইসেন্সধারীর নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান এবং এজেন্ট (যদি থাকে)
|
| ২। |
গাঁটের সংখ্যা |
| ৩। |
কামান বা অন্য বস্তুর কেলিবারের বিশুসহ বিবরণ |
| .৪। |
বস্তুর সংখ্যা |
| ৫। |
প্রেরণের স্থান রুট |
| ৬। |
গন্তব্য |
| ৭। |
প্রাপকের নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান |
| ৮। |
যে সময়ের জন্য লাইসেন্স বৈধ |
| ৯। |
কোন প্রয়োজনে বস্তুগুলো রাখা হবে |
| ১০। |
আমদানি বা পরিবহনের ক্ষেত্রে কলাম ১ম পূরণ করতে হবে। |
হতে- পর্যন্ত
জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট)
প্রশাসক সিল দস্তখত
স্বরাষ্ট্র বিভাগের সচিব
ক্রিসি এইচ ভল ১-৬
তারিখ
শর্তসমূহ
১। ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইন এবং ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধিমালার বিধানসমূহসাপেক্ষে এ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হলো।
২। আমদানি বা পরিবহনের ক্ষেত্রে-
(ক) দ্রব্যগুলো গন্তব্য স্থানে বা পৌঁছা পর্যন্ত জাহাজের ভেতরের মাল বোঝা খোলা যাবে না, এবং
(খ) আইনসঙ্গতভাবে গ্রহণ করতে অধিকারী কেবলমাত্র সে ব্যক্তির নিকটই দ্রব্যগুলো অর্পণ করা হবে।
(৩) স্থল বা নৌ পথে আমদানি বা পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক গাঁটের ভেতর থাকা জিনিসের হিসাব তার উপর লেখা থাকবে।
(৪) রেলযোগে পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক গাঁট ক্ষেত্রবিশেষে কামান বা এমনভাবে চিহ্নিত করতে হবে যাতে রেল কর্তৃপক্ষ অনায়াসে চিনতে পারে।
অস্ত্র বিধিমালা সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ১-২৫ ]
- অস্ত্র বিধিমালা আইন, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ২৬-৪৯ ]
অস্ত্র বিধিমালার আওতাধীন ফরমসমূহ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
অস্ত্র বিধিমালার আওতাধীন ফরমসমূহ
ফরম-২ (৮ ও ৯ বিধি দেখুন)
ফিস-
(ক) যেখানে ১ (খ) বিধির অধীনে মঞ্জুর করা হয়, সব ফিস মুক্ত
(খ) যেখানে ৯ বিধির অধীনে মঞ্জুর করা হয়, ১ টাকা
(গ) অন্য ক্ষেত্রে-০ টাকা

অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার
……… অংশে আমদানির জন্য লাইসেন্স।
| ১। |
লাইসেন্সধারীর নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান এবং এজেন্ট (যদি থাকে)
|
| ২। |
গাঁটের সংখ্যা |
| ৩। |
বিবরণ (অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার) |
| .৪। |
সংখ্যা |
| ৫। |
বিবরণ (অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার) |
| ৬। |
সের হিসাবে ওজন বা সংখ্যা |
| ৭। |
যে উদ্দেশ্যে প্রয়োজন |
| ৮। |
প্রত্যেক আগ্নেয়াস্ত্রের মূল্য |
| ৯। |
যে স্থানে দ্রব্যগুলো জমা দেয়া হবে বা যে স্থানে প্রেরণ করা হবে। |
| ১০। |
যে সময়ের জন্য লাইসেন্স বৈধ থাকবে। |
তারিখ……
থেকে
–পর্যন্ত
(দস্তখত)
সিল
কমিশনার অব পুলিশ
জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক-জেলা
শর্তাবলী
১। ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইন এবং ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধিমালার বিধানসমূহ সাপেক্ষে এ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হলো।
২। প্রত্যেক গাঁটের জিনিসের হিসাবে তার উপর স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে।
৩। দ্রব্যগুলো এক হয়ঃ
(ক) এডেনে এরূপ সরকারি পণ্যগারে জমা থাকবে পলিটিক্যাল রেসিডেন্ট সময় সময় এতদপক্ষে যেরূপ ঠিক করেন এবং অন্যত্রঃ
(১) ১৮৭৮ সনের সমুদ্র শুল্ক আইনের ১০ ধারার অধীনে নির্বাচিত পণ্যাগারে।
(২) ১৮৭৮ সনের সমুদ্র শুল্ক আইনের ৭ ধারার অধীনে (প্রাদেশিক) সরকারের সাধারণ বা বিশেষ মঞ্জুরী সাপেক্ষে, সমুদ্র শুল্ক আইনের ১৬ ধারার অধীনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যাগারে, অথবা
(খ) অবিলম্বে ওগুলোর গন্তব্যস্থানে পাঠাতে হবে।
ফরম-৩ (১০ বিধি দেখুন)
ফিস-
(ক) যেখানে ১০(১) বিধির অধীনে মঞ্জুর করা হয় দশ টাকা
(খ) যেখানে ১০(২) বিধির অধীনে মঞ্জুর করা হয় ফিস মুক্ত। স্থল বা নৌপথে
অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার আমদানির জন্য লাইসেন্স
| ১। |
লাইসেন্সধারীর নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান ও এজেন্ট (যদি থাকে) |
| ২। |
গাঁটের সংখ্যা |
| ৩। |
বিবরণ (অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার) |
| .৪। |
সংখ্যা |
| ৫। |
বিবরণ |
| ৬। |
সের হিসাবে ওজন বা সংখ্যা |
| ৭। |
রুটসহ প্রেরণের স্থান। |
| ৮। |
উদ্দেশ্যে এবং রুট |
| ৯। |
গন্তব্যস্থান |
| ১০। |
প্রাপকের নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান |
| ১১। |
লাইসেন্স যে মেয়াদের জন্য বৈধ |
তারিখ……
দস্তখত
জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক-জেলা
রাজনীতিক কর্মকর্তা–স্টেট
যে তারিখে প্রতিলিপি– -পাঠান হয়েছে।
তারিখ-
রাজনীতির কর্মকর্তা—স্টেট [১০ (৩) বিধি]
জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক——জেলা [১০ (৪) বিধি]
-স্টেশনের স্টেশন মাস্টার (১০ (৬) বিধি)।
১। ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইন এবং ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধিমালার বিধানসমূহ সাপেক্ষে এ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হলে।
২। ৭ কলামে উল্লেখিত রুট ছাড়া অন্য কোন রুটে দ্রব্যগুলো বহন করা হবে না দ্রব্যগুলো গন্তব্য স্থানে পৌঁছার পূর্বে মালের আকার ভাঙা হবে না এবং চালানটি থামানও হবে না।
৩। প্রত্যেক গাঁটের মালের হিসাবে তার উপর স্পষ্ট করে লিখতে হবে, যেক্ষেত্রে দ্রব্যগুলো রেলযোগে বহন করা হয় সেক্ষেত্রে প্রত্যেক গাঁট ক্ষেত্রবিশেষ অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার লিখে চিহ্নিত করতে হবে যাতে রেল কর্তৃপক্ষ অনায়াসে চিনতে পারে।
ফরম-৪ (১৫ বিধি দেখুন)
ফিস-
দশ টাকা, অথবা ৪৬ (২) বিধিতে উল্লেখিত ক্ষেত্রে এক টাকা সমুদ্রপথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানির লাইসেন্স-বন্দর থেকে—বন্দরে
| ১। |
লাইসেন্সধারীর নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান এবং এজেন্ট (যদি থাকে)
|
| ২। |
গাঁটের সংখ্যা |
| ৩। |
বিবরণ |
| .৪। |
সংখ্যা (অস্ত্র, সামরিক সম্ভার বা গোলাবারুদ) |
| ৫। |
বিবরণ |
| ৬। |
সের হিসাবে ওজন বা সংখ্যা |
| ৭। |
যে বন্দরে চালান পাঠান হয়েছে |
| ৮। |
যে মেয়াদের জন্য লাইসেন্স বৈধ |
থেকে,
পর্যন্ত……
তারিখ -জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক -দস্তখত
৩৯ (১) বিধি।
তারিখ-যে তারিখে পুলিশ কমিশনারের নিকট প্রতিলিপি পাঠান হয়েছে। সিল
তারিখ —-জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক
১৫ (৪) বিধি
পুলিশ কমিশনার
——জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
শর্তাবলী
১। ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইন এবং ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধিমালার বিধানসমূহ সাপেক্ষে এ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হলো।
২। যে ক্ষেত্রে চালানটি কোন বন্দরে পাঠান হয় ৭ কলামে ভুক্ত বন্দর ছাড়া অন্য কোন বন্দরের রপ্তানির জন্য লাইসেন্স বৈধ থাকবে না।

ফরম-৫
(১৬ বিধি দেখুন)
ফিস ১০ টাকা
–বন্দর থেকে-বন্দর সমুদ্র পথে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রপ্তানির জন্য লাইসেন্স।
| ১। |
লাইসেন্সধারীর নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান ও এজেন্ট (যদি থাকে) |
| ২। |
গাঁটের সংখ্যা |
| ৩। |
বিবরণ |
| .৪। |
সংখ্যা |
| ৫। |
বিবরণ (অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার) |
| ৬। |
সেরে ওজন বা সংখ্যা |
| ৭। |
প্রেরণের স্থান এবং রুট |
| ৮। |
যে উদ্দেশ্যে |
| ৯। |
গন্তব্য স্থান |
| ১০। |
প্রাপকের নাম, বর্ণনা এবং বাসস্থান |
| ১১। |
যে সময়ের জন্য লাইসেন্স বৈধ |
থেকে……
…….পর্যন্ত
দস্তখত
সরকারের সচিব, বৈদেশিক এবং রাজনৈতিক বিভাগ
১৬ বিধির অধীনে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার
যে তারিখে অনুলিপি পাঠান হয়েছে-
(১) রাজনীতিক কর্মকর্তা বা আবাসিক রাজনীতিক
তারিখ
শর্তাবলী – ১৬ (২) বিধি
৪র্থ ফরমের (২)——বন্দরে নৌযানের এজেন্স বা মাস্টার
অনুরূপ ১৬ (৩) বিধি
ফরম-৬
(১৭ বিধি দেখুন)
স্টেটে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার
ফিস-১০ টাকা
স্থল বা নদীপথে রপ্তানির
জন্য লাইসেন্স
|
কলামগুলো ৫ম ফরমের অনুরূপ। |
| তারিখ |
যে তারিখে—-স্টেটের রাজনীতিক কর্মকর্তার পুলিশ কমিশনার
———দস্তখত
——জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক [৩৯ (১১) বিধি) পূর্ব মঞ্জুরী পাওয়া গিয়েছে।
|
| তারিখ |
যে তারিখে—স্টেটের রাজনীতিক কর্মকর্তার নিকট অনুলিপি পাঠানো হয়েছে [১৭ (৩) বিধি] —-জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসনিক [১৭ (৪) বিধি]
|
| তারিখ |
পুলিশ কমিশনার সচিব [১৭ (৫) ক বিধি বাংলাদেশ সরকার বৈদেশিক এবং রাজনীতিক বিভাগ
জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক ১৭ বিধি অনুসারে বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত কর্মকর্তা
|
| তারিখ |
জেলা [১৭ (৫) (ক)]
স্টেশনের স্টেশন মাস্টার সচিব
[১৭ (৫) (খ) বিধি]…. সরকার |
শর্তাবলী
ফরম ৫-এর শর্তাবলীর অনুরূপ।
ফরম-৭
(২৪ বিধি দেখুন)
ফিস: পাঁচ টাকা
অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার পরিবহনের জন্য লাইসেন্স-
| ১। |
লাইসেন্সধারীর নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান ও চালানের উদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট (যদি থাকে)
|
| ২। |
লাইসেন্সধারীর ব্যবসায়ের স্থান যদি থাকে |
| ৩। |
গাঁটের সংখ্যা |
| .৪। |
বিবরণ |
| ৫। |
সংখ্যা |
| ৬। |
বিবরণ |
| ৭। |
সেরে ওজন বা সংখ্যা (অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার) |
| ৮। |
প্রেরণের স্থান এবং রুট |
| ৯। |
গন্তব্য স্থান |
| ১০। |
প্রাপকের নাম, বর্ণনা এবং বাসস্থান |
| ১১। |
যে সময়ের জন্য লাইসেন্স বৈধ |
থেকে
পর্যন্ত
তারিখ
যে তারিখে পুলিশ কমিশনারের
—-জেলার (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসকের পূর্ব মঞ্জুরী পাওয়া গিয়েছে। [৩৯ (১) বিধি]
যে তারিখে প্রতিলিপি পাঠান হয়েছে
পুলিশ কমিশনার [২৪ (২) ক বিধি]
—-জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক
[২৪ (২) (খ) বিধি]
—ম্যাজিস্ট্রেট (২৪ (৩) বিধি]
দস্তখত
পুলিশ কমিশনার
-জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক
শর্তাবলী
১-৩ শর্তগুলো ৬ষ্ঠ ফরমের ১-৩ শর্তের অনুরূপ।
৪। বৈধভাবে গ্রহণ করতে অধিকারী শুধু এমন ব্যক্তির নিকটই দ্রব্যগুলো অর্পণ করা হবে।
ফরম-৮
(২৬ এবং ২৭ বিধি দেখুন)
ফিস ১০ টাকা
অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার আমদানি, পরিবহন এবং পুনঃরপ্তানি এর জন্য লাইসেন্স
রপ্তানি এবং পুনঃআমদানি
|
কলামগুলো ফরম-৭ এর অনুরূপ |
|
| তারিখ |
যে তারিখে অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে।
রাজনীতিক কর্মকর্তা
(ক) অন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ (খ) জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক |
দস্তখত রাজনীতিক
কর্মকর্তা
২৭ বিধির অধীনে
বিশেষভাবে
ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা |
| তারিখ |
বিধি ২৬(৩)/২৭(২) (খ)
বিধি ২৬(২) (ক)/২৭(২) (ক) |
গ)—রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার |
শর্তাবলী
১-৩ শর্তগুলো ৭ম ফরমের শর্তগুলোর অনুরূপ।
ফরম-৯
১ (ক) বিধি দেখুন
ফিস
(ক) যে ক্ষেত্রে ২৮ (১) (ক) মঞ্জুর করা হয় ২০০ টাকা, অথবা
(খ) ৪৬ (১০) বিধিতে উল্লেখিত ক্ষেত্রে সব ফিস মুক্ত ব্রীচ লোডিং রাইফেলের জন্য গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার ছাড়া অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার তৈরি, রূপান্তর, বিক্রি বা বিক্রির জন্য রাখার লাইসেন্স।
| ১। |
লাইসেন্সের ক্রমিক নং |
| ২। |
লাইসেন্সধারীর নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান এবং যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট বা এজেন্টগণ (যদি থাকে)
|
| ৩। |
ব্যবসায়ের স্থান, কারখানা বা দোকান |
| .৪। |
তৈরি বা রূপান্তর করা হবে (অস্ত্রের সংখ্যা ও বিবরণ) |
| ৫। |
বিক্রি বা বিক্রির জন্য রাখা হবে |
| ৬। |
তৈরি করা হবে (গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারের বিবরণ এবং পরিমাণ
|
| ৭। |
বিক্রি বা বিক্রির জন্য রাখা হবে |
| ৮। |
যে তারিখে লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে |
তারিখ
সিল
দস্তখত
পুলিশ কমিশনার
জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক
জেলা
লাইসেন্স নবায়নের ফরম
| নবায়নের তারিখ ও বছর |
যে তারিখে নবায়নকৃত লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হবে |
পুলিশ কমিশনার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দস্তখত |
|
|
|
শর্তাবলী
(স্বরাষ্ট্র বিভাগের নোটিফিকেশন নং ৭/৫/৪৭ পুলিশ তাং ২১-৪-৪৯ দ্বারা প্রতিস্থাপিত)
১। লাইসেন্সটি ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন এবং ১৯২৪ সালের অস্ত্র বিধিমালা সাপেক্ষে মঞ্জুর করা হলো।
২। স্টক বই ইত্যাদি রক্ষণ: এ শর্তাবলীর পরিশিষ্টে দেয়া ‘ক’ ও ‘খ’ ফরমে লাইসেন্সধারী যথাক্রমে স্টক বই ও প্রাপ্তি ও ইস্যুর হিসাব রাখবেন। এ সকল বইয়ের পৃষ্ঠায় নাম্বার দেয়া হবে এবং কোন ভুক্তি লিখার পূর্বে তৈরি লাইসেন্সসহ বইগুলো জেলা অধস্তন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদর্শন করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যেক বই-এর প্রথম এবং শেষ পৃষ্ঠা সই করবেন এবং তার অফিসের সিল দেবেন।
৩। ঘরবাড়ি, স্টক এবং রেজিস্টার পরিদর্শন, লাইসেন্সধারী কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা সহকারী ডেপুটি সুপারের নিম্নে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা এবং যে জেলায় কোন সহকারী বা ডেপুটি সুপার নেই, কোন পুলিশ পরিদর্শকের তলবে পরিদর্শনের জন্য তার স্টাফ এবং রেজিস্টার ঘরবাড়িতে প্রদর্শন করবেন; পরিদর্শনের সময় পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা বইগুলোতে ইনিসিয়াল দেবেন এবং কোন বিশৃঙ্খলতা বা বিধির বরখেলাপ পরিলক্ষিত হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তৎক্ষণাৎ প্রতিবেদন দিতে হবে।
৪। সাইনবোর্ড লাগাতে হবেঃ (১) লাইসেন্সধারী তার ব্যবসায়ের স্থান, কারখানা বা দোকানের কোন প্রকাশ্য স্থানে একটা সাইনবোর্ড লাগবেন যার মধ্যে ইংরেজি বা জেলার মাতৃভাষায় বড় অক্ষরে তার নাম এবং “তৈরির জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত” (অথবা অবস্থাভেদে “ব্যবসা করার লাইসেন্স”) অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার শব্দগুলো রক্ষিত থাকবে।
(২) ২৮ ধারার অনুলিপি লাগাতে হবে: লাইসেন্সধারী তার ব্যবসায়ের স্থান, কারখানা বা দোকানে ইংরেজি বা জেলার মাতৃভাষায় ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ২৮ ধারার অনুলিপি লটকাবেন।
৫। বিক্রয়ের সময় লাইসেন্স পৃষ্ঠাঙ্কিত করতে হবেঃ কোন অস্ত্র বা গোলাবারুদ বিক্রয়ের সময় লাইসেন্সধারী ১৬, ১৭, ১৮, ১৯ বা ২০ ফরমে লাইসেন্সধারী প্রত্যেক ক্রেতার লাইসেন্সের পৃষ্ঠাঙ্কন করবেনঃ
(ক) বিক্রিত দ্রব্যের ডেলিভারী নেয় এমন ব্যক্তির নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান;
(খ) বিক্রিত দ্রব্যের ধরন এবং পরিমাণ;
(গ) বিক্রয়ের তারিখ এবং পৃষ্ঠাঙ্কনে সই করবে।
৬। বিক্রয়ের সময় রেজিস্টার সংখ্যা এবং চিহ্নভুক্ত করতে হবেঃ কোন অস্ত্রশস্ত্র বিক্রয়ের সময় লাইসেন্সধারী তৈরির সময় অস্ত্রের ছাপমারা নাম্বার ও চিহ্ন তার রেজিস্টারভুক্ত করবেন।
৭। বিক্রয়ের বিষয়ে পুলিশ সুপারের নিকট প্রতিবেদন দিতে হবে;
(১) যখন একজন লাইসেন্সধারী কোন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বিক্রয় করে, সে বিক্রয়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যে জেলায় তার ব্যবসায়ের স্থান, কারখানা বা দোকান আছে সে জেলার পুলিশ সুপারের নিকট বিক্রয়ের ব্যাপারে প্রতিবেদন দিবেন এবং এরূপ প্রতিবেদনে নিম্নরূপ বর্ণনা করতে হবে:
(১ম) বিক্রিত দ্রব্যের ডেলিভারী নেয় এমন ব্যক্তির নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান;
(২য়) বিক্রিত দ্রব্যের ধরন এবং পরিমাণ;
(৩য়) বিক্রয়ের তারিখ, এবং এরূপ বিবরণ তার দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে।
(২) বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
(৩) পরিদর্শনকারী কর্মকর্তারা বারবার হঠাৎ পরীক্ষা করে এসব বিবরণের সঠিকতা মিলিয়ে দেখবেন।
৮। বিক্রয় সর্বোচ্চ মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে না: অস্ত্র, রাইফেল, গোলাবারুদ দখল বা বহন করতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির নিকট লাইসেন্সধারী কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক এরূপ ব্যক্তির জন্য নির্ধারিত হতে পারে এবং এরূপ ব্যক্তির লাইসেন্সের পৃষ্ঠাঙ্ক এমন মাত্রার বেশি কোন ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করবেন না।
৯। কেবল নিয়মিত ব্যবসায়ের স্থানে বিক্রয় অনুমোদিত: লাইসেন্সের ৩ কলামে উল্লেখিত তার ব্যবসায়ের স্থান, কারখানা বা দোকান ছাড়া একত্রে লাইসেন্সধারী অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বিক্রয় করবেন না। ১০। প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের নিকট বিক্রয়: কমান্ডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত পাস বা পারমিট পেশ করা ছাড়া লাইসেন্সধারী কমিশন্ড অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, বা বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর সৈনিকের নিকট কোন অস্ত্র, গোলাবারুদ বিক্রয় করবেন না এবং এরূপ পন্থা বা পারমিটে উল্লেখিত পরিমাণ ও শর্তাবলী অনুসারে কেবল (বিক্রয় করবেন)।
১১। সরকারি অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ইত্যাদি রাখার উপর বাধা: লাইসেন্সধারী সরকারি অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার এবং এরূপ অস্ত্র যার ব্যবহার বর্তমানে সরকার, সশস্ত্র বাহিনী বা পুলিশ বাহিনীর মধ্যে চালু আছে এবং নিষিদ্ধ বোর হিসেবে ঘোষিত হয়েছে তা রাখবেন না।
ব্যাখ্যা: এ শর্তের উদ্দেশ্য
(ক) সরকারি অস্ত্র বলতে আগ্নেয়াস্ত্র বা অন্য অস্ত্রশস্ত্র যা সরকারের সম্পত্তি বুঝায়, এবং
(খ) “সরকারি গোলাবারুদ” এবং ‘সরকারি সামরিক সম্ভার’ বলতে যথাক্রমে গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার কোন সরকারি কারখানায় প্রস্তুত তৈরি এবং সরকারের নিকট সরবরাহ বুঝায়।
১২। পার্বত্য উপজাতির নিকট বিক্রয়ের উপর বাধা: যেক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোন স্থানীয় এলাকায় বা এলাকার জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়, লাইসেন্সধারী কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ পারমিট ছাড়া কোন পার্বত্য উপজাতির সদস্যের নিকট কোন অস্ত্র বা গোলাবারুদ বিক্রয় করবেন না, যে শর্ত (কেন্দ্রীয়) সরকার সময় সময় বিজ্ঞপ্তি দ্বারা প্রয়োগ করতে পারেন।
১৩। বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
১৪। অস্ত্র হারিয়ে বা চুরি গেলে অবিলম্বে প্রতিবেদন দিতে হবে-লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত কোন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার হারিয়ে বা চুরি গেলে লাইসেন্সধারী অবিলম্বে তা নিকটবর্তী থানায় জানাবে।
অস্ত্র কারখানার জন্য বিশেষ শর্তাবলীঃ
১। অগ্নি নির্বাপনের জন্য ব্যবস্থা: লাইসেন্সধারী তার ভবন কনক্রিট দ্বারা নির্মাণ করবে, অদাহ্য উপাদান সংযোজন করবে এবং অগ্নি নির্বাপক ও আগুন থেকে রক্ষার অন্যান্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি রাখবে।
২। কারখানার অবস্থান এবং তার আকার: লাইসেন্সধারী যতদূর সম্ভব জনসমাকীর্ণ এলাকা বা ঘনবসতিপূর্ণ স্থান থেকে যথেষ্ট দূরে তার কারখানা স্থাপন করবে এবং উঁচু দেয়াল দ্বারা তা বেষ্টনী দিবে। কারখানার আকার হবে নিযুক্ত শ্রমিকের সমানুপাতিক।
৩। পুলিশ গার্ডের ব্যবস্থা: লাইসেন্সধারী রাত্রি এবং দিনে উভয় সময়ে তার কারখানা পাহারা দেয়ার নিমিত্তে পুলিশ গার্ড প্রদান করার জন্য পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করবে। কারখানার আকার এবং পাহারার গেটের সংখ্যার উপর পাহারার আকার নির্ভর করবে এবং এর খরচ কারখানার মালিক থেকে আদায় করা হবে।
৪। অন্তর্ঘাত বিরোধী সতর্কতা: লাইসেন্সধারী তার কারখানায় কোন লোক নিয়োগের পরে তার পূর্ব পরিচয় পুলিশ কর্তৃক সুপারকে জানাবে। প্রত্যেক শ্রমিককে তার ছবি এবং দস্তখত বা বাম হাতে বুড়ো আঙ্গুলের টিপসহ পরিচয় পত্র ইস্যু করার জন্য সে পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
৫। চোরাচালানের বিরুদ্ধে সতর্কতা: কারখানায় ঢুকা এবং বের হওয়ার সময় কারখানায় পরিদর্শন ডিরেক্টরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা তত্ত্বাবধানে কারখানাতে নিযুক্ত পুলিশ কর্তৃক প্রত্যেক কর্মচারীকে তল্লাশি করা হবে। এ কর্মকর্তা তৈরি দ্রব্যের রেকর্ড রাখবেন এবং কোন চালানে কারখানার বাইরে পাঠান তৈরি দ্রব্যের প্রকৃত সংখ্যা এবং বিবরণ দিয়ে সাটিফিকেট ইস্যু করবেন।
৬। তৈরি করা অস্ত্রের সংখ্যা চিহ্নিতকরণ: লাইসেন্সধারী এটা নিশ্চিত করবেন যে, তার কারখানায় নির্মিত সকল আগ্নেয়াস্ত্র কারখানার মাল এবং নম্বর বহন করে। বন্দুক এবং পিস্তলের ব্যারেলের উপর, রাইফেলের ব্যারেল বা ব্রীচের উপর এবং রিভলবারের ব্যারেল বা সিলিন্ডারের উপর নাম্বার চিহ্নিত করতে হবে। অঙ্গীভূত অংশগুলো যখন প্রস্তুত হয় তখনই চিহ্নিতকরণ করতে হবে এবং নির্দেশ মোতাবেক চিহ্নিত না করা হলে কোন অস্ত্রকে কারখানার বাইরে যেতে দেয়া হবে না। বিলিবন্দেজের সময় নম্বরটি রেজিস্টার এবং বিক্রির বইয়ের অনুরূপ হবে। প্রত্যেক প্রকার আগ্নেয়াস্ত্রের জন্য ভিন্ন ভিন্ন রেজিস্টার রাখতে হবে।
মন্তব্য: সরকার লিখিত আদেশবলে যে কোন শর্ত বা বিশেষ শর্তাদি ত্যাগ বা শিখিল করতে পারেন। (নোটিফিকেশন ৫/২/৫২ পুলিশ ২০-১-১৯৫৪)

পরিশিষ্ট
ফরম-ক
স্টক বই (নাম). পিতা…. ..জাতি……… অধিবাসী অস্ত্র,
গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার তৈরির জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত
| তারিখ |
অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার তৈরির জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত |
| বন্দুক |
|
| রাইফেল |
|
| পিস্তল এবং রিভলবার |
|
| তরবারি |
|
| বেয়োনেট |
|
| ডেগার |
|
| অন্য অস্ত্রশস্ত্র |
|
| অস্ত্রের অংশসমূহ |
|
| গোলাবারুদ |
|
| সীসা, সালফার |
|
| এবং সল্ট পেট্রিসহ সামরিক সম্ভার। |
|
| লাইসেন্সধারীর দস্তখত |
|
ফরম-খ
দৈনিক বিক্রি বই-….নাম…পিতা….জাতি
বাসিন্দাকে অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার প্রস্তুত করার লাইসেন্স দেয়া হলো।
| তারিখ |
ক্রেতার নাম ও পিতার নাম |
ক্রেতার জাতি ও পেশা |
ক্রেতার বাসস্থান |
ক্রয় করা দ্রব্যাদি |
মূল্য |
ক্রেতা এবং ডিলারের দস্তখত
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
ফরম-১০
২৮ (১) (খ) বিধি দেখুন
ফিস—-
অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বিক্রির জন্য রাখার লাইসেন্স (ব্রীচ লোডি, রাইফেল, রাইফেলের জন্য গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার ছাড়া।
| লাইসেন্সের ক্রমিক নং |
লাইসেন্সধারী এবং তার বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট বা এজেন্টগণের (যদি থাকে) নাম বিবরণ এবং বাসস্থান। |
ব্যবসায়ের স্থান বা দোকান |
বিবরণ এবং অস্ত্রের সংখ্যা |
গোলবারুদ বা সামরিক সম্ভারের বিবরণ এবং পরিমাণ |
যে তারিখে লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে।
|
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
তারিখ
সিল
দস্তখত
পুলিশ কমিশনার
জেলা—–জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক
শর্তাবলী
১। ৯ম ফরমের ১নং শর্তের অনুরূপ।
২। লাইসেন্সধারী স্টকে থাকা প্রত্যেক অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভারের এবং প্রত্যেক বিক্রির (প্রাদেশিক) সরকার যেমন নির্দেশ দেয় সেরূপ ফরমে রেজিস্টার রাখবেন।
৩। কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা পরিদর্শকের নিম্নে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তার বা (প্রাদেশিক) সরকার তেমন নির্দেশ দিলে উপ-পরিদর্শকের তলবে লাইসেন্সধারী তার স্টক এবং রেজিস্টার প্রদর্শন করবেন।
৪। (১) ও (২) : ৯ম ফরমের ৪নং (১) (২) শর্তের অনুরূপ
৫। বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
৬। ৯ম ফরমের ৬নং শর্তের অনুরূপ।
৭। স্থানীয় সরকার যেমন নির্দেশ দেয় সেরূপ ব্যক্তির নিকট এবং সেরূপ পদ্ধতিতে প্রত্যেক অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার বিক্রির খবর দিবে।
৮। ও ৯। ৯ম ফরমে ৮ ও ৯ নং শর্তের অনুরূপ।
১০। সে সরকারি অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার রাখবে না বা স্থানীয় সরকার কর্তৃক এতদপক্ষে বিশেষভাবে অনুমোদনপ্রাপ্ত না হলে (অথবা) সিন্ধুতে-সিন্ধুর কমিশনার) প্রদেশ বা ফেডারেশনের বাইরে প্রস্তুত রিভলবার বা ম্যাগজিন পিস্তল রাখবেন না বা বিক্রি করবে না।
ব্যাখ্যা: ৯ম ফরমে ১১নং শর্তের ব্যাখ্যায় অনুরূপ।
১১। ৯ম ফরমে ১২ নং শর্তের অনুরূপ।
১২। বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
১৩। ৯ম ফরমে ১৪নং শর্তের অনুরূপ।
ফরম-১১
২৮ (২) (ক) বিধি দেখুন
ফিস-
(ক) যেখানে লাইসেন্সধারীর লাইসেন্স ৯ম ফরমে-সব ফিস মুক্ত।
(খ) অন্য সব ক্ষেত্রে দু’শ টাকা।
ব্রীচ লোডিং রাইফেল ব্রীচ লোডিং রাইফেলের অংশবিশেষ, রাইফেলের গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার তৈরি, রূপান্তর, বিক্রি বা বিক্রির জন্য রাখার লাইসেন্স।
| ১। |
লাইসেন্সের ক্রমিক নং এবং বৈধভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট বা এজেন্টগণ (যদি থাকে)
|
| ২। |
লাইসেন্সধারীর নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান।
|
| ৩। |
ব্যবসায়ের কারখানা বা দোকানের স্থান।
|
| .৪। |
তৈরি বা রূপান্তরিত হবে (অস্ত্রের বিবরণ এবং সংখ্যা)
|
| ৫। |
বিক্রি বা বিক্রির জন্য রাখা হবে |
| ৬। |
তৈরি হবে (গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভারের বিবরণ ও পরিমাণ)
|
| ৭। |
বিক্রি বা বিক্রির জন্য রাখা হবে |
| ৮। |
যে তারিখে লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে
|
তারিখ
সিল
দস্তখত —–
সচিব
সিন্ধুর কমিশনার
লাইসেন্স নবায়নের ফরম
| নবায়নের তারিখ এবং বছর |
যে তারিখে নবায়নকৃত লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে |
স্থানীয় সরকারের সচিব সিন্ধুর কমিশনার (৩৭ (৩) অনুবিধি অনুসারে ক্ষমতা প্রাপ্ত হবে।)
|
|
|
|
শর্তাবলী
৯ম ফরমের শর্তাবলীর অনুরূপ।
ফরম-১২
২৮ (২) বিধি দেখুন
ফিস-
ফিস (ক) যে ক্ষেত্রে লাইসেন্সধারীর লাইসেন্স ১০নং ফরমে
(খ) অন্য ক্ষেত্রে
ব্রীচ লেডিং রাইফেল ব্রীচ লোডিং রাইফেলের অংশ, রাইফেল, গোলাবারুদ বা রাইফেলের সামরিক সম্ভার বিক্রি বা বিক্রির জন্য রাখার লাইসেন্স।
| লাইসেন্সের ক্রমিক নং |
লাইসেন্সধারী এবং তার বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট বা এজেন্টগণের (যদি থাকে) নাম বিবরণ এবং বাসস্থান। |
ব্যবসায়ের স্থান বা দোকান |
বিবরণ এবং অস্ত্রের সংখ্যা |
গোলবারুদ বা সামরিক সম্ভারের বিবরণ এবং পরিমাণ |
যে তারিখে লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে।
|
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
তারিখ
৩১ ডিসেম্বর দস্তখত –
সচিব
সিন্ধুর কমিশনার
লাইসেন্সের নবায়নের ফরম
| নবায়নের তারিখ এবং বছর |
যে তারিখে নবায়নকৃত লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে |
স্থানীয় সরকারের সচিব সিন্ধুর কমিশনার (৩৭ (৩) অনুবিধি অনুসারে ক্ষমতা প্রাপ্ত হবে।)
|
|
|
|
শর্তাবলী
১, ২, ৩, ৪ শর্তাবলী ১০ ফরমের শর্তাবলীর অনুরূপ। ৪ (১) শর্তে “অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার ব্যবসা করার লাইসেন্স এ শব্দগুলির পরিবর্তে” “ব্রীচ লোডিং রাইফেল, ব্রীচ লোডিং রাইফেলের অংশ, রাইফেল, গোলাবারুদ বা রাইফেলের সামরিক সম্ভার এ ব্যবসা করার লাইসেন্স” শব্দগুলো বসবে।
৫। বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
৬, ৭, ৮, ১০ ফরমের ৬, ৭ ও ৮নং শর্তের অনুরূপ।
৯। সে সরকারি অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার রাখবে না।
ব্যাখ্যা: (ক) ও (খ) ১নং ফরমের (ক) ও (খ) ব্যাখ্যার অনুরূপ।
১০। বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।
১১। ১০ ফরমের ১৩নং শর্তের অনুরূপ।
মন্তব্য: ফরম ৯,১০, ১১ এবং ফরম ১১ এ ১০নং শর্ত কেন্দ্রীয় সরকারের ৫/৩৩/৪৯ পুলিশ তাং ২৮-৪-১৯৫০ নোটিফিকেশন বলে কেটে দেয়া হয়েছে এবং পরের শর্তগুলো পুনঃনাম্বার দেয়া হয়েছে।
ফরম-১৩
(২৯ বিধি দেখুন)
সব ফিস মুক্ত-
মালিক কর্তৃক নিরাপদে রাখার জন্য জমা দেয়া আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ দখলে রাখার জন্য ফরম ৯, ১০, ১১ বা ১২ এ লাইসেন্সধারীর জন্য লাইসেন্স।
লাইসেন্সধারী এবং
তার যথাযথ ক্ষমতা আশাকস
প্রাপ্ত এজেন্টগণের এবং
(যদি থাকে) নাম, বিবরণ
বাসস্থান |
আগ্নেয়াস্ত্রের বর্ণনা |
স্থান (বিবরণসহ যেখানে দ্রব্যগুলো রাখা হবে) |
যে সময়ের জন্য লাইসেন্স বৈধ |
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
মন্তব্য: এ ফরমে লাইসেন্স ঐ মেয়াদের জন্য দেয়া হবে যে তারিখে লাইসেন্সধারীর ক্ষেত্রভেদে ফরম ৯, ১০, ১১ বা ১২ এ লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
তারিখ
দস্তখত
জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক
মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট
শর্তাবলী
১। ফরম-১২ এর ১নং শর্তের অনুরূপ।
২। ২নং কলামে বর্ণিত আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদই শুধু এর অন্তর্ভুক্ত যে পর্যন্ত
না ৩ কলামে বর্ণিত স্থানে সেগুলো রাখা হয়, কিন্তু তা লাইসেন্সধারীকে ক্ষমতা দেয়
নাঃ
(১ম) অস্ত্র সজ্জিত হয়ে চলার, বা
(২য়) সরকারি অস্ত্র বা গোলাবারুদ রাখার।
ব্যাখ্যাঃ ফরম-১২ এর ৯নং ধারার ব্যাখ্যার অনুরূপ।
৩। ফরম-১২ এর ২নং শর্তের অনুরূপ।
৪। ফরম-১২ এর ৩নং শর্তের অনুরূপ।
৫। ফরম-১২ এর ১১নং শর্তের অনুরূপ।
ফরম-১৪
(৩১ বিধি দেখুন)
সব ফিস মুক্ত
সামরিক সম্ভার দখল এবং ব্যবহার করার জন্য লাইসেন্স
| লাইসেন্সধারী এবং |
সামরিক সম্ভার |
সামরিক সম্ভার |
স্থান (যেখানে সম্ভার) |
যে মেয়াদের জন্য |
| এজেন্ট (যদি থাকে) নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান |
বিবরণ |
পরিমাণ |
রাখা এবং ব্যবহার করা হবে তার বিবরণসহ |
লাইসেন্স বৈধ |
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
তারিখ
দস্তখত
জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক
মহকুমা প্রশাসক
শর্তাবলী
১। ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন এবং ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধিমালার বিধানসাপেক্ষে এ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হলো।
২। ২ এবং ৩০ কলামে উল্লেখিত সামরিক সম্ভার-এর অন্তর্ভুক্ত যে পর্যন্ত ৪ কলামে বর্ণিত স্থানে ওগুলো রাখা এবং ব্যবহৃত হয়। কিন্তু লাইসেন্সধারীকে ক্ষমতা প্রদান করে না (১) অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যেতে, অথবা (২য়) সরকারি গোলাবারুদ রাখতে।
ব্যাখ্যাঃ ফরম-১৩ এর ২য় শর্তে ব্যাখ্যার অনুরূপ।
৩। এ লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত কোন সাময়িক সম্ভারের হারান বা চুরি সম্পর্কে লাইসেন্সধারী অবিলম্বে নিকটবর্তী থানায় খবর দেবে।
৪। যে সামরিক সম্ভারের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়েছে তা লাইসেন্সধারীর দখলে এখনো আছে কিনা লাইসেন্সের মেয়াদকাল তা তলব করার ক্ষমতা লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়নকারী কর্তৃপক্ষের আছে।
মন্তব্য: ৩ বছরের অনূর্ধ্বকাল সময়ের জন্য এ ফরমে লাইসেন্স মঞ্জুর করা যেতে পারে।
৫। যেক্ষেত্রে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পটাশিয়াম ক্লোরেট দখল রাখার এবং ব্যবহার করার জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর কার হয় সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত শর্তগুলো প্রযোজ্য হবে:
(ক) মজুদকৃত ক্লোরেটের পরিমাণ হবে গবেষণাগারে উদ্দেশ্যে প্রয়োজনের সর্বনিম্ন, লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিষ্ঠানের প্রধান কোন প্রত্যায়িত করেছে।
(খ) অধিকার থাকা ক্লোরেটের স্টক সুনির্মিত কার্বার্ড আলমারীতে স্টাফের দায়িত্বশীল সদস্যের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে তালাচাবি দিয়ে রাখতে হবে এবং যেখানে রাসায়নিকগুলো রাখা হয় সেটা বেশ নিরাপদ হতে হবে।
(গ) অধিকারে থাকা ক্লোরেটের ইস্যু এবং ব্যালেন্সের হিসাব রাখতে হবে এবং স্টাফের দায়িত্বপূর্ণ সদস্য কর্তৃক ঘন ঘন ফাঁকে ফাঁকে প্রকৃত মজুদের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে ম্যাজিস্ট্রেট বা পরিদর্শকের নিম্নে নয় এমন আর্মস পুলিশ কর্মকর্তার তলবে পরিদর্শনের নিমিত্ত হিসাবের বই দিতে হবে।
ফরম-১৫
(৩২ বিধি দেখুন)
ফিস
(ক) প্রত্যেক ব্রীচ লোডিং, পিস্তল বা রিভালবারের জন্য দশ টাকা।
(খ) অন্য যে কোন ব্রীচ লোডিং অস্ত্রশস্ত্র পাঁচ টাকা।
(গ) অন্য অস্ত্রশস্ত্রের জন্য আট আনা নিরস্ত্রীকৃত জেলার এবং অন্যত্র প্রত্যেক অস্ত্রশস্ত্রের জন্য চার টাকা।
উপরোক্ত ফিসগুলো কেবলমাত্র এক বছর বা তার কম সময়ের জন্য মঞ্জুরিকৃর্ত লাইসেন্সের জন্য এ ফরমে লাইসেন্স ১ বছরের ঊর্ধ্বে যে কোন সময়ের জন্য মঞ্জুর করা যেতে পারে কিন্তু ৩ বছরে ঊর্ধ্বে নয়, যেক্ষেত্রে মিশ্রিত ফিস আরোপ করা হবে। আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ টার্গেট প্রাকটিসের উদ্দেশ্যে দখল এবং ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স।
| লাই- সেন্সের ক্রমিক নং |
মেচ ক্লাব বা এসোসিয়েশনের নাম, বিবরণ এবং অবস্থিত |
লাইসেন্সধারী দখল করতে অধিকারী এমন অস্ত্র এবং গোলাবারুদ |
যে স্থানের মধ্যে লাইসেন্স বৈধ |
যে তারিখে লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়, যদি না উপবিধির বিধান অনুসারে পূর্বেই কার্যকর থেকে বিরত হয়। |
৪১ (১)
উপধারার
অধীনে যে
তারিখে
লাইসেন্স
বা
অস্ত্র বা
উভয়ই
লাইসেন্স
ইস্যুকারী
কর্তৃপক্ষের নিকট পরিদর্শনের জন্য প্রদান করা হবে।
|
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
তারিখ
জেলার জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রশাসক
মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট – জেলা
শর্তাবলী
১। ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইন ও ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধিমালার বিধানসাপেক্ষে এ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হলো।
২। নাম উল্লেখিত মেচ, ক্লাব বা সংঘ এবং তথায় বর্ণিত অস্ত্র এবং গোলাবারুদ- এর অন্তর্ভুক্ত।
৩। মেচ, ক্লাব বা সংঘ নতুন অস্ত্র ক্রয় করার সময় এবং উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ও আসামে গোলাবারুদ ক্রয় করার এবং অন্যত্র ২২ বোরের রিভলবার বা পিস্তল ছাড়া রাইফেলের জন্য গোলাবারুদ ক্রয় করার সময় নিম্নলিখিত বিবরণগুলো বিক্রেতার দস্তখতে লাইসেন্সের পৃষ্ঠাঙ্কিত করতে হবে যথাঃ
(ক) মেচ, ক্লাব বা সংঘের পক্ষে ক্রয় করা দ্রব্যাদির যে ডেলিভারী নেয় এমন ব্যক্তির নাম, বিবরণ ও বাসস্থান।
(খ) ক্রয় করা দ্রব্যাদির ধরন ও পরিমাণ, এবং
(গ) ক্রয়ের তারিখ;
এবং লাইসেন্সধারী ডিলার ছাড়া যদি অন্য কোন ব্যক্তি থেকে অস্ত্র বা গোলাবারুদ ক্রয় হয়, (খ) এবং (গ) দফায় উল্লেখিত বিবরণগুলো যে কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স মঞ্জুর করেছে তার নিকট এ উদ্দেশ্যে ঐ কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে এমন সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে প্রদান করতে হবে।
৪। স্থানীয় সরকার কর্তৃক সময় সময় নির্ধারণ করে দেয়া সর্বোচ্চ মাত্রার অতিরিক্ত গোলাবারুদ মেট, ক্লাব বা সংঘ ক্রয় করবে না।
৫। মেচ, ক্লাব বা সংঘ এ লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত কোন অস্ত্রের হারান বা চুরি যাওয়া সম্বন্ধে অবিলম্বে নিকটবর্তী থানায় জানাবে।
৬। এ লাইসেন্স মেচ, ক্লাব বা সংঘের কোন সদস্যকে কোন সরকারি অস্ত্র বা গোলাবারুদ রাখার ক্ষমতা দেয় না।
ব্যাখ্যা: ১৩ শ ফরমের ২য় শর্তে দেয়া ব্যাখ্যার অনুরূপ।
৭। মেচ, ক্লাব বা সংঘের অধিকারে থাকা কোন আগ্নেয়াস্ত্র বা গোলাবারুদ স্থানীয় সরকার যেরূপ সঙ্গত মনে করে সে প্রকার রেজিস্ট্রি করার জন্য আবশ্যক বোধ করতে পারেন।
৮। লাইন্সেস মঞ্জুর বা । নবায়নকারী কর্তৃপক্ষে লাইসেন্স চালু থাকা অবস্থায় যে কোন সময় যে অস্ত্রশস্ত্রের জন্য তা মঞ্জুর করা হয়েছিল তা মেচ, ক্লাব বা সংঘের দখলে আছে তা তদন্ত করতে পারেন এবং এরূপ তদন্তের কারণে এরূপ অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন করার জন্য আবশ্যক বোধ করতে পারেন।
মন্তব্য: লাইসেন্সধারীদেরকে সতর্ক করা যাচ্ছে যে, যদি তারা এ লাইসেন্সের অন্তর্ভুক্ত তাদের অধিকারে থাকা অস্ত্র বা গোলাবারুদ কোন ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করে। (এ আইনে ২৭ ধারার অধীনে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া) সেক্ষেত্রে বিক্রেতার নাম ও ঠিকানার বিবরণসহ বিক্রয়ের ব্যাপারে জেলার ম্যাজিস্ট্রেট বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট অবিলম্বে নোটিশ দেবে। উপরোল্লিখিত মতে নোটিশ প্রদানের ব্যর্থতা ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে শাস্তিযোগ্য।

ফরম-১৬ (৩৩ বিধি দেখুন)
ফিস
১। (ক) যদি লাইসেন্সটি ৩৩ বিধি (২য়) অনুবিধিতে উল্লেখিত প্রকারের গোলাবারুদের জন্য মঞ্জুর করা হয়ে থাকে সব ফিস মুক্ত
(খ) বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়-১ম বারের জন্য প্রত্যেক নবায়নের জন্য
(গ) (১ম) ব্রিচ লোডিং পিস্তল বা রিভলবার-১০০ টাকা ৫০ টাকা
(২য়) ব্রিচ লোডিং শটগান-এর জন্য – ৭৫ টাকা ৪০ টাকা
(৩য়) অন্য অস্ত্রশস্ত্রের জন্য- (ব্রিচ লোডিং ছাড়া)
প্রত্যেক অস্ত্রের জন্য। -৪০ টাকা ২৫ টাকা
২। ১ বৎসর কম সময়ের জন্য মঞ্জুরিকৃত লাইসেন্সের জন্য প্রথমবারের উপরোল্লিখিত ফিস প্রদেয়। লাইসেন্স যদি আরো সময়ের জন্য নবায়ন করা হয় এবং লাইসেন্স যদি সব ফিস মুক্ত না হয়, নিম্নলিখিত ফিসগুলো এক বৎসর বা তার কম সময়ের নবায়নের জন্য প্রদেয়ঃ
(১ম) প্রযোজ্য নয়।
(২) যেক্ষেত্রে (১) অনুচ্ছেদের (গ) দফা প্রযোজ্য-যথাক্রমে ৫ টাকা, দু’টাকা আটআনা বা ৪ আনা, তবে শর্ত হল যে, যে তারিখ লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হবে তার এক মাসের মধ্যে লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করতে হবে, এবং যদি এ সময়ের মধ্যে দরখাস্ত না করা হয়, লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ তার বিবেচনায় মূল হারে ফিস ধার্য করতে পারেন।
৩। ৩ বছরের অনূর্ধ্ব যে কোন সময়ের জন্য লাইসেন্স এ ফরমে মঞ্জুর বা নবায়ন করা যাবে এবং যে সময়ের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়ন করা হয় তা এক বছরের ঊর্ধ্বে হয়, ২ অনুচ্ছেদের (২য়) দফার অনুবিধি সাপেক্ষে এতদপূর্বে অবস্থাভেদে মঞ্জুর
বা নবায়নের জন্য নির্ধারিত বার্ষিক হারে ফিস ধার্য করা হবে।
শর্তাবলী
১। ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইন ও ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধিমালা সাপেক্ষে এ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হলো।
২। নাম উল্লেখিত ব্যক্তিগণ এবং বর্ণিত অস্ত্র এবং গোলাবারুদ এবং ৫ কলামে ভুক্ত এরূপ রিটেইনার (যদি থাকে) এর অন্তর্ভুক্ত।
৩। ৮ কলামে উল্লেখিত প্রকারে এ লাইসেন্স বৈধ, সাপেক্ষে যে, যে প্রদেশে এটা মঞ্জুর বা নবায়ন করা হয়েছে সে প্রদেশের বাইরে প্রাদেশিক সরকারের সাধারণ বা বিশেষ আদেশবলে আরোপিত শর্তসাপেক্ষে যদি এটা কার্যকর থাকে।
৪। লাইসেন্সধারী বা লাইসেন্সের অধীনে কাজ করেছেন এমন কোন রিটেইনার সরল বিশ্বাসে খেলাধুলা, রক্ষা বা প্রদর্শনের উদ্দেশ্য ছাড়া লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত কোন অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাবেন না, এবং যেক্ষেত্রে এতদপক্ষে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে অনুমোদনপ্রাপ্ত সেখানে ছাড়া সে এরূপ কোন মেলা, ধর্মীয় শোভাযাত্রা অথবা অন্য জনসমাবেশে নিয়ে যাবে না। অগ্র বা গোলাবারুদ ক্রয় করার সময় লাইসেন্সধারী, নিম্নলিখিত বিবরণগুলো বিক্রেতার দস্তখতে লাইসেন্সের পৃষ্ঠাঙ্কিত করাবেন, যথাঃ
(ক) ক্রয় করা দ্রব্যাদির ডেলিভারী নেয় এমন ব্যক্তির নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান।
(খ) ক্রয় করা দ্রব্যের ধরন এবং পরিমাণ, এবং
(গ) ক্রয়ের তারিখ। এবং লাইসেন্সধারী ডিলার ছাড়া যদি অন্য কোন ব্যক্তি থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ক্রয় হয়, (খ) এবং (গ) দফার উল্লেখিত বিবরণগুলোও যে কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স মঞ্জুর করেছে তার নিকট এ উদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে এমন সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে প্রদান করতে হবে।
৫। ২২ বোরের রিভলবার এবং পিস্তল ছাড়া স্থানীয় সরকার কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হতে পারে এরূপ সর্বোচ্চ মাত্রায় অতিরিক্ত রাইফেলের গোলাবারুদ সে ক্রয় করবে না।
(৬) এ লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত কোন গোলাবারুদ হারান বা চুরি গেলে সে লাইসেন্সধারী অবিলম্বে নিকটবর্তী থানায় জানাবে।
৭। যে কোন সরকারি অস্ত্র বা গোলাবারুদ দখলে রাখবে না।
ব্যাখ্যা: ফরম-১৫ এর ৬ নং শর্তের ব্যাখ্যার অনুরূপঃ
৮। প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলে লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ ৮নং শর্ত বাতিল করতে পারেন এবং লাইসেন্সধারী সরকারি অস্ত্র এবং গোলাবারুদ দখলে রাখতে অনুমতি প্রাপ্ততা প্রদর্শন করে পৃষ্ঠাঙ্কন যোগ করতে হবে।
৯। যেক্ষেত্রে খেলাধুলার উদ্দেশ্যে লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়, সেক্ষেত্রে লাইসেন্সধারী বা এ লাইসেন্সের অধীনে কাজ করছে এমন রিটেইনার এতদপরে নিম্নে দেখান মতে গেম বোর্ড এবং জন্তু সম্পর্কে প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হতে পারে সেরূপ ক্লোজড সীজন (বছরের যে সময় পশু পাখি শিকার নিষিদ্ধ) পালন করবে।
১০। লাইসেন্সধারী তার স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয় এক হয় যে, কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স মঞ্জুর করেছে বা পূর্ববর্তী স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের দরুন অন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নবায়নকারী কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন প্রদান করবে। বাসস্থান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে স্থায়ী বা অস্থায়ী যাই হউক না কেন, তার ইচ্ছানুযায়ী যদি প্রয়োজন হয় নিকটবর্তী লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট নবায়নের জন্য আবেদন করতে পারে।
১১। লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়নকারী কর্তৃপক্ষে চালু থাকা অবস্থায় যে কোন সময় যে অস্ত্রশস্ত্রের জন্য তা মঞ্জুর করা হয়েছিল তা লাইসেন্সধারীর দখলে আছে কিনা তা তদন্ত করতে পারেন এবং এরূপ তদন্তের কারণে এরূপ অস্ত্র প্রদর্শন করার জন্য আবশ্যক বোধ করতে পারেন।
মন্তব্য: লাইসেন্সের কোন শর্ত লঙ্ঘন ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ শত টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয়।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
ফরম-১৭
(৩৩ বিধি দেখুন)
খেলাধুলা, রক্ষণ এবং প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ দখলে রাখার এবং অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার জন্য লাইসেন্স।
| ১। |
লাইসেন্সের ক্রমিক নং |
| ২। |
লাইসেন্সধারী এবং এজেন্ট (যদি থাকে নাম, বিবরণ এবং বাসস্থান)
|
| ৩। |
বিশদ বিবরণসহ প্রত্যেক অস্ত্রশস্ত্রের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দৃষ্টান্তস্বরূপ বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্ন ইত্যাদি। লাইসেন্সধারী দখল করতে অধিকারী এমন অস্ত্র বা গোলাবারুদ)
|
| .৪। |
প্রত্যেক প্রকার গোলাবারুদের পরিমাণ এবং বিবরণী
|
| ৫। |
রিটেইনারের নাম |
| ৬। |
রিটেইনারের পিতার নাম |
| ৭। |
রিটেইনারের ঠিকানা যেমন ৩ কলামে
|
| ৮। |
(রিটেইনার দখল করা অধিকারী এমন অস্ত্র বা গোলাবারুদ)
|
| ৯। |
যেমন ৪ কলামে |
| ১০। |
লাইসেন্সের বৈধতার ব্যপ্তি যথা সারাদেশে, প্রদেশ বা জেলা
|
| ১১। |
যে তারিখে লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হবে।
|
তারিখ
দস্তখত
পুলিশ কমিশনার
জেলা (ম্যাজিস্ট্রেট)
ফরম-১৮
(৩৪ বিধি দেখুন)
প্রত্যেক অস্ত্রশস্ত্রের ফিস: এক টাকা
প্রদেশ এবং ফেডারেশনের রাজধানীর বন্দর বা পৌছার অবস্থান থেকে গন্তব্যস্থানে ভ্রমণকালীন সময়ে অস্ত্র অধিকারে রাখা এবং সজ্জিত হওয়ার জন্য অস্থায়ী লাইসেন্স।
|
অস্ত্র এবং গোলাবারুদ যা লাইসেন্সধারী দখলে রাখতে অধিকারী
|
|
|
|
| নাম এবং লাইসেন্সের বিবরণ |
প্রত্যেক অস্ত্রশস্ত্রের সংক্ষিপ্ত বিবরণ। |
প্রত্যেক প্রকারের গোলাবারুদের পরিমাণ এবং বর্ণনা |
গন্তব্যের স্থান |
যে মেয়াদের জন্য লাইসেন্স বৈধ।
|
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
তারিখ
যে তারিখে অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে পুলিশ কমিশনার-
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট…জেলা
স্টেটের রাজনীতিক কর্মকর্তা
তারিখ
পুলিশ কমিশনার
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
শর্তাবলী
১। ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইন ও ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধিমালা সাপেক্ষে এ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হলো।
২। নাম উল্লেখিত ব্যক্তিগণ এবং তথায় বর্ণিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ-এর অন্তর্ভুক্ত।
৩। লাইসেন্সধারী লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হলে কোন মেলা, ধর্মীয় শোভাযাত্রা বা জনসমাবেশ অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাবে না।
৪। লাইসেন্সধারী সরকারি অস্ত্র বা গোলাবারুদ সজ্জিত হবে না। ব্যাখ্যা: ফরম-১৬ এর ৮নং শর্তের ব্যাখ্যার অনুরূপ।
৫। প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলে লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ ৪নং শর্ত বাতিল করতে পারেন এবং লাইসেন্সধারী সরকারি অস্ত্র এবং গোলাবারুদ দখলে রাখতে অনুমতি প্রাপ্ততা দেখায়ে পৃষ্ঠাঙ্কন যোগ করতে হবে।
৬। লাইসেন্সধারী গন্তব্যে পৌঁছে, যদি সে স্থান প্রদেশ বা ফেডারেশনের রাজধানীর মধ্যে অবস্থিত হয়, অবিলম্বে নিকটবর্তী লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট তথায় বর্ণিত অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সম্পর্কে ফরম ১৪ বা ১৫ লাইসেন্স ইস্যু করার জন্য আবেদন করবে এবং একই সময়ে মূল লাইসেন্সটি ঐ কর্তৃপক্ষের নিকট অর্পণ করবে।
মন্তব্য: লাইসেন্সের কোন শর্ত লঙ্ঘন ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০/- শত টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয়। (১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা দেখুন)।
ফরম-১৯ [৩৫ বিধি দেখুন]
সব ফিস মুক্ত:
সব ফিস মুক্ত:
মানুষ এবং গবাদি পশুর ক্ষতি সাধনকারী বন্য প্রাণী ধ্বংসের জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ অধিকারে রাখা ও অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার লাইসেন্স।
| ১। |
লাইসেন্সধারীর নাম বিবরণ ও বাসস্থান
|
| ২। |
প্রত্যেক অস্ত্রশস্ত্রের বিশদ বিবরণসহ সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উদাহরণস্বরূপ রেজিস্ট্রি নং এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্ন।
|
| ৩। |
প্রত্যেক প্রকারের গোলাবারুদের পরিমাণ এর বিবরণ।
|
| .৪। |
যে স্থান বা এলাকার জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর রয়েছে।
|
| ৫। |
লাইসেন্সের অধীনে যে সব বন্য জন্তু ধ্বংস হতে পারে তার বিশদ বিবরণ।
|
| ৬। |
৪২(১) উপবিধির বিধান অনুসারে পূর্ব থেকে কার্যকর হওয়া থেকে বিরত না হলে যে মেয়াদের জন্য লাইসেন্স বৈধ থাকবে।
|
| ৭। |
১৫ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বারের মধ্যে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লাইসেন্স এবং অস্ত্রশস্ত্র ধোন হবে তার খেতাব এবং বাসস্থান।
|
| ৮। |
৪২(১) উপবিধির অধীনে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট যে তারিখে লাইসেন্স বা অস্ত্র অথবা উভয়ই পরিদর্শনের জন্য প্রদর্শন করা হবে।
|
মন্তব্য: এ ফরমে লাইসেন্স ৩ বছরের অনূর্ধ্ব যে কোন সময়ের জন্য মঞ্জুর করা যেতে পারে। উল্লোখ্য যে, যেক্ষেত্রে ফরম-১৮ এ অস্ত্র অধিকারে রাখার জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয় লাইসেন্স মঞ্জুরের পর অর্জন করা হবে। লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ তা মঞ্জুরের সময় নির্দেশ দেবেন যে, এতদপক্ষে তার উল্লেখিত সময়ের মধ্যে, যা সময় সময় সে বাড়াতে পারবে, লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত অস্ত্র অর্জন করতে হবে এবং লাইসেন্স বা অস্ত্র বা উভয়ই তার পরিদর্শনের জন্য প্রদর্শন করতে হবে, এবং এরূপ উল্লেখিত বা বর্ধিত সময়ের মধ্যে লাইসেন্সধারী যদি অবস্থাভেদে অস্ত্র অর্জন বা অস্ত্র বা লাইসেন্স বা উভয় প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে লাইসেন্স কার্যকর থাকা বিরত হবে।
তারিখ
দস্তখত
জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট
১। ফরম-১৭ এর ১ নং শর্তের অনুরূপ।
২। ১৫ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক বছর ১ বার লাইসেন্সধারী লাইসেন্স এবং লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেক অস্ত্রশস্ত্র ৭ কলামে উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদর্শন করবে।
৩। মানুষ এবং গবাদি পশুর ক্ষতি করে এমন বন্য প্রাণী ধ্বংসের জন্য সরল বিশ্বাস ছাড়া লাইসেন্সধারী এ লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত কোন অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাবে না; বা কোন মেলা, ধর্মীয় শোভাযাত্রা বা অন্য জনসমাবেশে এরূপ কোন অস্ত্র দিবে না, বা ৪ কলামে ভুক্ত স্থান বা এলাকার বাইরে বেশ কিছু দূরত্বে যাবে না।
৪। ১৬ শ ফরমের ৭নং শর্তের অনুরূপ।
৫। সে সরকারি অস্ত্র বা গোলাবারুদ দখলে রাখবে না।
ব্যাখ্যা: ফরম-১৭ এর ৪ নং শর্তের ব্যাখ্যার অনুরূপ।
৬। প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ৫নং শর্ত বাতিল করতে পারেন এবং লাইসেন্সধারী সরকারি অস্ত্র এবং গোলাবারুদ দখলে রাখতে অনুমতি প্রাপ্ততা প্রদর্শন করে পৃষ্ঠাঙ্কন যোগ করতে হবে।
৭। প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হতে পারে ঐ সর্বোচ্চ মাত্রার অতিরিক্ত রাইফেল, রিভলবার বা পিস্তলের গোলাবারুদ বা আসামে যে কোন প্রকার লাইসেন্সধারী ক্রয় করবেন না।
৮। নতুন অস্ত্র ক্রয় করার সময় এবং উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ও আসামে গোলাবারুদ ক্রয় করার সময় এবং অন্যত্র ১২ বোরের রিভলবার বা পিস্তল ছাড়া রাইফেলের জন্য গোলাবারুদ ক্রয় করার সময় নিম্নলিখিত বিবরণগুলো বিক্রেতার দস্তখতে লাইসেন্সের পৃষ্ঠাঙ্কিত করতে হবে; যথাঃ
(ক) ক্রয় করার দ্রব্যাদির ডেলিভারী নেয় এমন ব্যক্তির নাম বিবরণ ও বাসস্থান;
(খ) ক্রয় করা দ্রব্যাদির ধরন ও পরিমাণ এবং
(গ) ক্রয়ের তারিখ; এবং লাইসেন্সধারী ডিলার ছাড়া যদি অন্য কোন ব্যক্তি থেকে অস্ত্র গোলাবারুদ ক্রয় করা হয়, (খ) এবং (গ) দফার উল্লেখিত বিবররণগুলো যে কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স মঞ্জুর করেছে তার নিকট এ উদ্দেশ্যে ঐ কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে এমন সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে প্রদান করতে হবে।
৯। পূর্ব উল্লেখিত শর্তাদি ভঙ্গের জন্য লাইসেন্সের বাতিল অবস্থার কোন ক্ষতি না করে; এটা বাতিল হবে; যদি
(ক) লাইসেন্সধারী মারা যায়; অথবা
(খ) ওটার অন্তর্ভুক্ত যে কোন অস্ত্রশস্ত্র
(১ম) বিক্রয় করা হয়, অথবা
(২য়) ডিগ্রিজারিত ক্রোক করা হয়।
১০। লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়নকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স চালু থাকা অবস্থায় যে কোন সময় যে অস্ত্রশস্ত্রের জন্য তা মঞ্জুর করা হয়েছিল তা লাইসেন্সধারী দখলে আছে কিনা তা তদন্ত করতে পারে এবং এরূপ তদন্তের কারণে এরূপ অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন করার জন্য আবশ্যক বোধ করতে পারেন।
মন্তব্য: লাইসেন্সের কোন শর্ত লঙ্ঘন ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০/- শত টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় (১৯৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা দেখুন)
ফরম-১৯
(৩৬ বিধি দেখুন)
সব ফিস মুক্ত-
অস্ত্র এবং গোলাবারুদ দখলে রাখার এবং শস্য ও গবাদি পশুর ক্ষতি সাধনকারী বন্য প্রাণী ধ্বংসের উদ্দেশ্যে অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার জন্য লাইসেন্স।
| ১। |
লাইসেন্সধারীর নাম বিবরণ ও বাসস্থান
|
| ২। |
লাইসেন্সধারীর পরিবারে কোন সদস্য শস্য এবং গরু পাহারা দেওয়ার জন্য নিযুক্ত চাকর, যে তার সঙ্গে বাস করে এবং লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত অস্ত্র দ্বারা ব্যবহৃত হতে পারে, তার নাম এবং বিবরণ।
|
| ৩। |
বিশদ বর্ণনা সহ অস্ত্রশস্ত্রের সংক্ষিত বিবরণ দৃষ্টান্তস্বরূপ রেজিস্টি নং এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্ন। (অস্ত্র ও গোলাবারুদ)
|
| .৪। |
প্রত্যেক প্রকারের গোলাবারুদের পরিমাণ এর বিবরণ।
|
| ৫। |
স্থান বা এলাকা যার মধ্যে লাইসেন্স বৈধ।
|
| ৬। |
৪২(১) উপবিধির বিধান অনুসারে পূর্বে কার্যকর থাকা থেকে বিরত না হলে যে মেয়াদের জন্য লাইসেন্স বৈধ।
|
| ৭। |
৪২(১) উপবিধি অনুসারে যে তারিখে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট পরিদর্শনের জন্য লাইসেন্স বা অস্ত্র বা উভয়ই উপস্থাপন করা হবে।
|
মন্তব্য:
ফরম-১৮ এর মন্তব্যের অনুরূপ।
তারিখ:
জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট
শর্তাবলী
১। ১৯ শ ফরমের শর্তের অনুরূপ।
২। লাইসেন্স উল্লেখিত এলাকায় মানুষ এবং গবাদি পশুর ক্ষতি করে এমন বন্য প্রাণী ধ্বংস বা তাড়ানোর জন্য বিশ্বাসে ছাড়া লাইসেন্সধারী এ লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত কোন অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাবেন না।
৩। যে স্থান বা এলাকায় লাইসেন্স বৈধতা ছাড়া এ লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত কোন অস্ত্র ব্যবহার করবে না।
৪। তার পরিবারের সদস্য বা চাকর, যে লাইসেন্সে উল্লেখিত এলাকায় অবস্থিত শস্য বা গবাদি পশু রক্ষার জন্য তার দ্বারা নিযুক্ত হতে পারে এবং লাইসেন্সের ২নং কলামে যার নাম উল্লেখ আছে সে ছাড়া এ লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত কোন অস্ত্র বা গোলাবারুদ সে কাউকে ধার দিবে না।
৫। ফরম-৮ এর ৪নং শর্তের অনুরূপ।
৬। ফরম-১৮ এর ৫নং শর্তের অনুরূপ (‘সে’এর পরিবর্তে লাইসেন্সধারী হবে)।
৭। স্থানীয় সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ৬নং শর্ত বাতিল করতে পারেন এবং লাইসেন্সধারী সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখলে রাখতে অনুমতি প্রাপ্ততা প্রদর্শন করে পৃষ্ঠাঙ্কন যোগ করতে পারে।
৮। ফরম-১৮ এর ৭নং শর্তের অনুরূপ (প্রাদেশিক সরকারের পরিবর্তে স্থানীয় সরকার হবে)
৯। লাইসেন্সটি বাতিল হবে যদি লাইসেন্সধারী উপরোক্ত কোন শর্ত ভঙ্গ করে বা লাইসেন্সধারী মারা যায় বা লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রশস্ত্র
(১ম) বিক্রয় হয়
(২য়) ডিগ্রিজারিতে ক্রোক হয়।নি
১০। ১৮ শ ফরমের ১০নং শর্তের অনুরূপ।
মন্তব্য: এ লাইসেন্সের কোন শর্তের লঙ্ঘন ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ শত টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা দেখুন।
ফরম-২০
(৩৭ বিধি দেখুন)
ফিস-
(১ম) ৩৭ (১) (ক) (খ) বিধির অধীনে যখন মঞ্জুর করা হয়-চার আনা।
(২য়) ৩৭ (১) (গ) বিধির অধীনে যখন মঞ্জুর করা হয়ঃ
সব ফিস মুক্ত
ব্যতিক্রম: এ ফরমে পিস্তল বা রিভলবারের জন্য উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ছাড়া অন্য প্রদেশে ১০ টাকা ফিস আরোপ করা হয়।
কোন প্রদেশে বা প্রদেশের মধ্য দিয়ে অস্ত্র সজ্জিত হয়ে ভ্রমণকালীন যাওয়ার জন্য লাইসেন্স:
| ১। |
লাইসেন্সধারী এবং এজেন্ট (যদি থাকে নাম, বিবরণ ও বাসস্থান
|
| ২। |
বিশদ বিবরণসহ প্রত্যেক অস্ত্রশস্ত্রের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা, দৃষ্টান্তস্বরূপ রেজিস্ট্রি নং এবং অন্য বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্ন (অস্ত্র বা গোলাবারুদ যা লাইসেন্সধারী বহন করতে অধিকারী)
|
| ৩। |
প্রত্যেক প্রকার গোলাবারুদের পরিমাণ এবং বিবরণী
|
| .৪। |
রিটেইনারের নাম |
| ৫। |
রিটেইনারের পিতার নাম (লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত রিটেইনার (যদি থাকে)
|
| ৬। |
রিটেইনারের ঠিকানা |
| ৭। |
বিবরণ (রিটেইনার বহন করতে অধিকারী সেরূপ অস্ত্র বা গোলাবারুদ)
|
| ৮। |
পরিমাণ |
| ৯। |
প্রস্থানের স্থান এবং গন্তব্যস্থান |
| ১০। |
ভ্রমণে যে সময় লাগতে পারে |
| ১১। |
যে মেয়াদের জন্য লাইসেন্স বৈধ |
সীল
(দস্তখত)
পুলিশ কমিশনার———-
—–জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
——-মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট
রাজনীতিক কর্মকর্তা স্টেট
তারিখ
শর্তাবলী
১। ১৮৭৮ সনের আইন ও ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধিমালা সাপেক্ষে এ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হল।
২। নাম উল্লেখিত ব্যক্তিগণ এবং তথায় বর্ণিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং ৪ কলামে ভুক্ত রিটেইনার (যদি থাকে) এর অন্তর্ভুক্ত।
৩। লাইসেন্সধারী বা লাইসেন্সের অধীনে কাজ করেছে এমন রিটেইনার লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হলে কোন মেলা, ধর্মীয় শোভাযাত্রা বা জনসমাবেশে অস্ত্র সজ্জিত করা যাবে না।
৪। ফরম-১৮ এর ৫নং শর্তের অনুরূপ।
৫। এ লাইসেন্সের অন্তর্ভুক্ত কোন অস্ত্র হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে সে অবিলম্বে নিকটবর্তী থানায় জানাবে।
মন্তব্যঃ লাইসেন্সের কোন শর্ত লঙ্ঘন ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ শত টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় (১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা দেখুন)।
অস্ত্র বিধিমালা সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ১-২৫ ]
- অস্ত্র বিধিমালা আইন, ১৯২৪। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ বিধি ২৬-৪৯ ]
অস্ত্র আইন ম্যানুয়েল – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
অস্ত্র আইন ম্যানুয়েল
১। অস্ত্র আমদানি, রপ্তানি ও পরিবহন:
সমুদ্র শুল্ক আইন, ১৮৭৮ এ ১৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রাণালয়ের ২৬-৭-১৯১৯ সালের ৫২৭৭ নং প্রজ্ঞাপনের অতিক্রমনে সরকার পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সমুদ্র বা স্থলপথে সরকার কর্তৃক বা সরকারের পক্ষে ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে কোন অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার দেশে আনয়ন করা এবং অস্ত্র আইনের বিধান, বিধি এবং আদেশ মোতাবেক সারা দেশের ভেতরে বা দেশের বাইরে অস্ত্র নেয়া নিষিদ্ধ করেছেন।
২। ডিলার কর্তৃক অস্ত্র এবং গোলাবারুদ আমদানি ও পরিবহন:
‘ফরম-২’ এর ৩(খ) শর্ত, বিধি ২২(খ) (১) মোতাবেক অস্ত্র আমদানির পর অবিলম্বে ঐ অস্ত্রসমূহ গন্তব্য স্থলে প্রেরণ করা হলে ওগুলোর জন্য কোন লাইসেন্সের প্রয়োজন নেই। যদিও ডিলার অস্ত্র ও গোলাবারুদ আমদানি করার সঙ্গে ওগুলোর গন্তব্য স্থলে না পাঠিয়ে তার দোকান বা গুদামে রেখে দেয় ও পরবর্তীতে এগুলো বিক্রয় করে থাকে, সেক্ষেত্রে ‘ফরম-৭ম’ মোতাবেক এগুলো প্রেরণ করার জন্য না হলে দশ টাকা প্রদানসাপেক্ষে লাইসেন্স নিতে হবে।
![অস্ত্র আইন ম্যানুয়েল। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১-৩৭ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
৩। [বাতিল]
৪। যাত্রীদের অস্ত্রের জন্য ভ্রমণকালীন লাইসেন্সঃ
প্রকৃত ভ্রমণকারীকে ‘ফরম-১৭’ মোতাবেক কোন বন্দর হতে তার গন্তব্যে গমনের এবং ভ্রমণকালের আওতায় যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার অনুকূলে অস্ত্র আইনে বিধান রাখা হয়েছে। কোন যাত্রীর অস্ত্রের কোন স্থায়ী লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও যদি তাদেরকে অস্ত্রসহ অবতরণের অনুমতি প্রদান করা হয় তবে তারা জাহাজে উক্ত অস্থায়ী লাইসেন্সটি দেখাতে যদি ব্যর্থ হয় তবে শুল্ক কালেক্টর ঐ সকল অস্ত্রের দখল গ্রহণ করবেন এবং যাত্রী কর্তৃক পুলিশ কমিশনার হতে এই ফরমে লাইসেন্স প্রাপ্তির পর এবং শুল্ক অফিসে তা উপস্থাপন করার পর সেসকল অস্ত্র ফেরৎ দিয়ে দিবেন।
অবতরণের আগে অস্থায়ী লাইসেন্স প্রাপ্তির লক্ষ্যে যাত্রীগণ তাদের এজেন্টকে যেসব অস্ত্র তার সঙ্গে আনবে তার বিবরণ দিতে হবে এবং একই সাথে পুলিশ কমিশনার থেকে তাদের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স নিয়ে রাখা কর্তব্য। যদি সম্ভব হয় তবে পুলিশ কমিশনার লাইসেন্স ইস্যু করতে ক্ষমতা সম্পন্ন কর্মকর্তার অন্তর্গামী নৌ যানে আসার ব্যবস্থা করবেন।
৫। গোলাবারুদের জন্য বিস্ফোরক আইনের অধীনে আমদানি লাইসেন্স প্রয়োজন:
অস্ত্র ও গোলাবারুদ একই সাথে আমদানি করা হয় তখন অস্ত্র আইনের আওতায় লাইসেন্স থাকুক বা না থাকুক, অস্ত্র আমদানির জন্য আইনের আওতায় একটা লাইসেন্স এবং গোলাবারুদ আমদানির জন্য বিস্ফোরক আইনের আওতায় আরেকটা লাইসেন্স থাকা আবশ্যক।
৬। অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সম্বলিত বিদেশী অভ্যন্তরীণ ডাক:
আমদানিকৃত বিদেশী পার্সেল ডাকের সমুদয় দ্রব্যাদি যা অস্ত্র ও গোলাবারুদ সম্বলিত মর্মে সন্দিগ্ধ বা ঘোষিত সে সকল দ্রব্য শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। ২-৬-১৯২৪ সালের ১১১২ নং প্রজ্ঞাপনের লঙ্ঘন ঘটিয়ে আমদানিকৃত দ্রব্যাদি শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আটক রাখা হবে এবং সমুদ্র শুল্ক আইন, ১৮৭৮ এর ১৬৭ (৮) ধারামতে লেনদেন করা হবে এবং বাজেয়াপ্তকৃত কোন অস্ত্র ঐসকল অস্ত্রশস্ত্রের বিলিবণ্টনের বিধানমতে বিলিবণ্টন করা হবে।
৭।-১৪। [বাতিল]
১৫। নির্দিষ্ট চালানের জন্য পরিবহন লাইসেন্স ইস্যু:
লাইসেন্স ইস্যুর সময় যেসব অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ডিলারের দখলে নেই, এগুলোর পরিবহনের জন্য ডিলারের ‘ফরম-৭’ অনুসারে লাইসেন্স প্রদান করা অনুচিত। অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪ এ বিধি ৪২(২) এর বিধানমতে বিশেষ কারণ ব্যতিরেকে লাইসেন্স নির্দেশিত গমনপথে ভ্রমণের জন্য যে সময়ের তার দ্বিগুণ মেয়াদের অতিরিক্ত সময়ের জন্য তা ইস্যু করা অনুচিত। প্রেরণের জন্য প্রস্তুত বা প্রায় প্রস্তুত এরূপ নির্দিষ্ট চালানের জন্যই লাইসেন্স প্রদান করা যেতে পারে। উক্ত বিধিমালার বিধি ২৪(৪) এর বিধানমতে প্রত্যেক মালের তালিকা বা ইনভয়েসের সাথে পরিবহন লাইসেন্সের অনুলিপি থাকা বাঞ্ছনীয় এবং প্রেরক কর্তৃক রেল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় অনুলিপি সরবরাহ করতে হবে।
১৬। আমদানি এবং পরিবহন:
অস্ত্র বিধিমালা বিধি ১২(২) (খ) (1) অনুসারে অস্ত্র ও গোলাবারুদের আমদানির অব্যবহিত পরেই ওগুলোর গন্তব্যস্থলে প্রেরণের জন্য ‘ফরম-২’-এর ৩(খ) শর্ত অনুসারে পরিবহন লাইসেন্সের আবশ্যকতা নেই। যদি ওগুলো প্রেরণের পূর্বে গুদাম বা দোকানে কিছু সময়ের জন্য রাখা হয় তবে ঐ ক্ষেত্রে ‘ফরম-৭’ অনুসারে লাইসেন্সের প্রয়োজন রয়েছে।
১৭। পুনঃ আমদানির লাইসেন্সের জন্য ফিস মওকুফঃ
অস্ত্র বিধিমালা ১৯২৪ এর বিধি ৪৬(৩)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রপ্তানির তারিখ হতে দুমাসের মধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ বৈধভাবে দখলে রাখতে অধিকারী ব্যক্তি, যদি অস্ত্র পুনঃআমদানি করেন তবে পুনঃ আমদানির লাইসেন্সের ফিস মওকুফ করার নির্দেশ দেয়া যেতে পারে।
১৮।-১৯ [বাতিল।
অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদের শ্রেণীর ক্ষেত্রে অস্ত্র আইনের প্রয়োগ
২০। আগ্নেয়াস্ত্র ব্যতীত অন্য অস্ত্রের ক্ষেত্রে অস্ত্র আইনের প্রয়োগঃ
আগ্নেয়াস্ত্র এরূপ নিম্নোক্ত অস্ত্রের দখল বিষয়ে নিষেধ কার্যকর রয়েছে:
(১) ডেগার: ডেগার দ্বারা (অস্ত্র) সজ্জিত হয়ে যাওয়া এবং বিনা লাইসেন্সে ঐসমস্ত অস্ত্রের তৈরি, রূপান্তর বা বিক্রি;
(২) তরবারি: লাইসেন্স ছাড়া তরবাবি এবং গুপ্তি তৈরি, রূপান্তর ও বিক্রি;
(৩) বেয়োনেট: বেয়োনেট দ্বারা (অস্ত্র) সজ্জিত হয়ে যাওয়া এবং লাইসেন্স ব্যতীত বেয়োনেট তৈরি, রূপান্তর, বিক্রি, আমদানি ও দখল।
যখন কোন অস্ত্রশস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪ এর ২য় তফসিলের ১ ভুক্তির তালিকার ব্যতিক্রমের মধ্যে ঐ সকল অস্ত্রশস্ত্র পড়ে না, বা তফসিলের আওতায় স্থানীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া বাধা-নিষেধের আওতায় সেগুলো পড়ে না বা স্থানীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তিকৃত আইনের ১৫ ধারার ব্যাপ্তির মধ্যে আসে না, তখন অত্র আইনে কোন অপরাধ সংঘটিত হয় মর্মে গণ্য হবে না। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, তরবারির দখল অস্ত্র আইনে অপরাধ নয়, কিন্তু বিশেষ আইনে তা অপরাধ বটে।
২১। বিনা লাইসেন্সে ডেগার এবং বেয়োনেট সজ্জিত হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধ:
অস্ত্র বিধিমালা ৩ বিধিতে উল্লেখিত ২য় তফসিলের ছকের ১নং আইটেমের ৩ কলামে বর্ণিত অনুবিধিতে যে ক্ষমতা প্রদত্ত হয়েছে তা প্রয়োগের মাধ্যমে আইনের ১৩ ধারায় বর্ণিত সেকেলে ডেগার এবং যেগুলো আক্রমণাত্মক বা আত্মরক্ষামূলক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার অযোগ্য, সেগুলো ব্যতীত সকল ডেগার এবং বেয়োনেট সম্পর্কে বাধা এবং নিষেধ বিঘোষিত হয়েছে এবং এমর্মে ঘোষণা দেয়া হয়েছে যে, লাইসেন্স এবং তথায় থাকা পদ্ধতি ও পরিমাণ ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তি ঐ সকল অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হতে পারবে না। তবে ৩ বিধিতে উল্লেখিত ১ তফসিলে প্রদত্ত কোন অব্যাহতিকে এ বিজ্ঞপ্তি প্রভাবিত করবে না।
২২। লাইসেন্স ব্যতীত তরবারি, গুপ্তি এবং ডেগার তৈরি, রূপান্তর ও বিক্রয় নিষিদ্ধ:
অস্ত্র বিধিমালার ৩ বিধিতে উল্লেখিত ২য় তফসিলের ছকের ১নং আইটেমের ৩ কলামে বর্ণিত অনুবিধিতে যে ক্ষমতা প্রদত্ত হয়েছে তা প্রয়োগের মাধ্যমে অস্ত্র আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত তরবারি, গুপ্তি ও ডেগার সম্পর্কে বাধা-নিষেধ রাখা হয়েছে এবং এমর্মে বিঘোষিত হয়েছে যে, লাইসেন্স এবং তথায় থাকা পদ্ধতি ও পরিমাণ ব্যতিরেকে ঐ সকল অস্ত্র তৈরি, রূপান্তর বা বিক্রয় বা বিক্রয়েয় জন্য কোন ব্যক্তি প্রস্তাব ব’ প্রদর্শন করতে পারবে না। উল্লেখ্য যে, ঐসকল অস্ত্র ব্যক্তিগত ব্যবহারার্থে বৈধভাবে দখলকারী ব্যক্তি সাময়িকভাবে প্রচলিত কোন আইনের মাধ্যমে ঐসকল অস্ত্র দখলে রাখতে বারিত নয়, এরূপ ব্যক্তির কাছে বিক্রয়ের বিষয়ে ঐ বিজ্ঞপ্তি কোন বাধা সৃষ্টি করবে না।

২৩। লাইসেন্স ছাড়া বেয়োনেট তৈরি, বিক্রয় ইত্যাদি নিষিদ্ধ:
অস্ত্র বিধিমালার ৩ বিধিতে উল্লেখিত ২য় তফসিলের ১নং ছকের ১নং আইটেমের ৩ কলামে বর্ণিত অনুবিধিতে যে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে তা প্রয়োগ করে, আইনের ৫ ও ৬ ধারায় বর্ণিত বেয়োনেট সম্পর্কে বাধা ও নিষেধ বর্ণিত হয়েছে এবং এ মর্মে বিঘোষিত হয়েছে যে, লাইসেন্স ব্যতীত ও তথায় থাকা পদ্ধতি ও পরিমাণের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোন ব্যক্তি ঐ বেয়োনেট তৈরি, রূপান্তর বা বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য রাখা বা প্রস্তাব বা প্রদর্শন করতে পারবে না অথবা সমুদ্র বা স্থলপথে দেশের ভেতরে আমদানি বা রপ্তানি করতে পারবে না।
২৪। লাইসেন্স ছাড়া বেয়োনেট দখলে রাখা নিষিদ্ধ:
অস্ত্র আইনের ১৫ ধারায় বিধৃত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে ঐ ধারাকে সকল জেলায় সম্প্রসারিত করা হয়েছে এবং এমর্মে ঘোষণা করা হয়েছে যে, লাইসেন্সে অনুমিত পদ্ধতি এবং পরিমাণ ছাড়া কোন ব্যক্তিই যে কোন বর্ণনার অস্ত্র বিনা লাইসেন্সে দখল করতে পারবেন না। উল্লেখ্য যে, বেয়োনেট ব্যতীত ১ম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতির অনুসারে বৈধভাবে রাখা অস্ত্র এ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা অপ্রভাবিত থাকবে।
২৫। লাইসেন্স ছাড়া শিশার বুলেট এবং বার্ডশট দখলে রাখা:
অস্ত্র বিধিমালার ২য় তফসিল ছকের ১ম কলামে ৪র্থ ভুক্তির বিপরীতে ২য় কলামের ২য় দফার এবং একই ছকের ১নং কলামের ৬নং ভুক্তির বিপরীতে ২নং কলামের ২য় দফায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে লাইসেন্স ছাড়া পাঁচ সের শিশার বুলেট এবং বার্ডশট সংরক্ষণের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে। এয়ারগান ও এয়ার রাইফেলের শিশার গুলিকে বার্ডশট হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং পাঁচ সেরের ঊর্ধ্বে শিশার বুলেট দখল, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি বা পরিবহন করা আইনসঙ্গত নয়।
২৬। বিনা লাইসেন্সে সালফার দখলে রাখা:
অস্ত্র বিধিমালার ২য় তফসিল ছকের ১ম কলামের ৫ম ভুক্তির বিপরীতে ২নং কলামের ২য় দফার প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে লাইসেন্স ছাড়া দশ সের সালফার রাখার অনুমোদন রয়েছে।
২৭। শিকারের ছুরি:
শিকারের ছুরি ডেগার হিসেবে গণ্য করা যাবে কিনা তা প্রত্যেক ক্ষেত্রে প্রকৃত ঘটনার বিবেচনায় নির্ধারণ করতে হবে, কিন্তু দু’দিকে ধারাবিশিষ্ট ক্রস গার্ড দেয়া শিকারের ছুরিকে ডেগার হিসেবে গণ্য করতে হবে, এমনকি, এ অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার কালে লাইসেন্স নিয়ে নেয়া মালিকের কর্তব্য।
ফিস
২৮। নগদে ফিস প্রদান:
অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪ এর বিধি ৪৮(১) এর আওতায় আবেদনকারী স্বেচ্ছাক্রমে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বা নগদ টাকায় ফিস প্রদেয় হবে। নগদ টাকায় ফিস গ্রহণ অস্বীকার করা যাবে না। যখন নগদ টাকায় ফিস প্রদান করতে কেউ ইচ্ছা পোষণ করে তখন তা ট্রেজারীতে জমা দিয়ে চালান ম্যাজিস্ট্রেট অফিসে দেয়ার জন্য পক্ষকে নির্দেশ প্রদান করতে হবে। আর লাইসেন্সের ফিস যদি মানিঅর্ডার যোগে পাঠান হয় তবে সিভিল একাউন্ট কোড, ভলিউম-২ এর ৫০০ আর্টিক্যালে বিধৃত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
২৯। ফিস মওকুফ বা হ্রাস:
কোট ফিস এ্যাক্ট, ১৮৭০ (১৮৭০ সনের ৩৮নং এ্যাক্ট) এর ৩৫ ধারা অনুসারে ১ম তফশিলের ১ম খণ্ড দ্বারা যেমন সংশোধিত লাইসেন্স বা প্রতিলিপি মঞ্জুর বা নবায়নের জন্য ঐ আইনের ২য় তফশিলে প্রদেয় সব ফিস আবেদনের প্রেক্ষিতে মওকুফ করা হয়েছে এবং অন্য আবেদনের প্রেক্ষিতে এক আনার ঊর্ধ্বে প্রদানযোগ্য ফিস এক আনায় হ্রাস করা হয়েছে।
৩০। মাজল লোডিং পিস্তলের ফিসঃ
রিভলবার বা পিস্তলের জন্য নির্ধারিত ফিস ১০ টাকা কেবলমাত্র ব্রীচ লোডিং পিস্তল এবং রিভলবারের ক্ষেত্রে আরোপযোগ্য মাজল লোডিং পিস্তল, ৮ম তফসিলের ফরম-১৬ এর ১ (গ) দফার উল্লেখিত ‘অন্য অস্ত্রশস্ত্র’ এর শ্রেণীর পর্যায়ভুক্ত হবে।
৩১। সালফার অধিকারে রাখার ফিস মার্জনা:
অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪ এর বিধি ৪৬ এর (৪) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সালফার আমদানি, পরিবহন বা দখলে লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়নের ফিস মওকুফ করা হয়েছে।
![অস্ত্র আইন ম্যানুয়েল। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১-৩৭ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
৩২। ৩৫। [বাতিল]
৩৬। অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের আগ্নেয়াস্ত্র নিবন্ধিকরণ:
অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪ এর বিধি ৩ এর (১) দফায় ক্ষমতাবলে ১ম তফসিলে উল্লেখিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গকে তাদের আগ্নেয়াস্ত্র নিবন্ধন করাতে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এরূপ ব্যক্তিকে নির্বাহী ফরম নং ১৩৩ (আইটেম-১ প্রাদেশিক অস্ত্র আইন ফরম) সরবরাহ করতে হবে এবং এরূপ ব্যক্তি তা পূরণকরত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে ফেরত প্রদান করবেন। যদি এরূপ ক্ষেত্রে স্থায়ী ঠিকানার পরিবর্তন হলে অনুরূপ ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেটকে তা অবহিত করেন।
৩৭। [বাতিল]
অব্যাহতিপ্রাপ্ত এবং লাইসেন্সধারীদের রিটেইনার – ১৮৭৮ সালে এ অস্ত্র আইনটি প্রবর্তন হয়ে যুগের চাহিদা অনুসারে বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা হয়েছে। অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়।
অব্যাহতিপ্রাপ্ত এবং লাইসেন্সধারীদের রিটেইনার
৩৮। লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত রিটেইনার:
সাধারণ কাজকর্মে অস্ত্রশস্ত্র বহনের লক্ষ্যে রিটেইনার বা চাকর নিযুক্ত করা যুক্তিসঙ্গত বিধায়, এরূপ ক্ষেত্রে লাইসেন্স রিটেইনার অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রয়েছে। অস্ত্র বিধিমালার বিধি ৪২ ও ৪৪-এ ব্যবস্থিত পদ্ধতিতে বড় জমিদার, তালিকাভুক্ত ভদ্রলোক, বেসরকারি ফার্ম ও ধনী ব্যবসায়ী ব্যতীত এরূপ সুবিধা মঞ্জুর করা অনুচিত।
লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত রিটেইনার লাইসেন্সের মেয়াদকালের মধ্যে মারা গেলে অথবা চাকরিচ্যুত হলে এরূপ ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে অন্য কোন ব্যক্তি অস্ত্র বা গোলাবারুদ দখলে রাখতে পারবেন না। অবশ্য তার নাম ঠিকানা লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত করা থাকলে সেক্ষেত্রে এতদ্বিষয়ে কোন বাধা নেই। যেক্ষেত্রে কোন রিটেইনার লাইসেন্সধারী হবেন না তার ক্ষেত্রে ‘ফরম-১৬’এর ৫ কলামে বা ‘ফরম-২০’ এর ৪ কলামে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আবশ্যক।
![অব্যাহতিপ্রাপ্ত এবং লাইসেন্সধারীদের রিটেইনার। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৩৮-৪৪ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2024/01/অব্যাহতিপ্রাপ্ত-এবং-লাইসেন্সধারীদের-রিটেইনার-1024x536.png)
৩৯। অব্যাহতিপ্রাপ্ত রিটেইনার:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের রিটেইনারদের প্রত্যেককে একটার বেশি শূথ বোর মাজল লোডিং বা ব্রীচ লোডিং বন্দুক প্রদান করা হবে না।
৪০। [বাতিল)
৪১। ফার্ম কর্মচারীদের জন্য পরোয়ানা:
অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪ এর ‘ফরম-১৬’ অনুসারে ফার্মের কোন সদস্যের নামে লাইসেন্স মঞ্জুর করা হবে এবং ফার্মের যে চাপরাশী বা ভৃত্য প্রেরণ করা টাকা প্রহরা দেবার জন্য নিযুক্ত হবে এবং যে ব্যক্তি বন্দুকের দায়িত্বে থাকবে, তাদের নাম লাইসেন্সের কলামে ভুক্ত থাকতে হবে। একই সাথে নির্বাহী ফরম-১৩৪ক (প্রাদেশিক অস্ত্র আইন ফরম এর তফসিলের ১নং আইটেম) এ প্রত্যেক অনুমোদিত রিটেইনারের জন্য পরোয়ানা ইস্যু করতে হবে।

যদি লাইসেন্সধারী রিটেইনারের তালিকায় কোন পরিবর্তন আনয়ন করা দরকার হয় তবে ফার্মের দায়িত্বশীল সদস্য বা এজেন্ট কর্তৃক উক্ত পরিবর্তনে স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে। বছর শেষে নবায়নের আবেদনের সাথে পরোয়ানা দাখিল করা বাঞ্ছনীয়। এরূপ দারোয়ান, চাপরাশি বা ভৃত্য প্রেরিত টাকার সাথে যদি থাকে তবে ‘ফরম-২০’ মোতাবেক ভ্রমণকালীন লাইসেন্স নেয়া আবশ্যক, যদি না তাদের বিধি ৩৩(২) মোতাবেক ‘ফরম-১৬’ অনুসারে বৈধ লাইসেন্স না থাকে।
৪২। প্রাক্তন সিপাহীদের কর্মে নিয়োগ:
বর্তমানে সশস্ত্র রিটেইনার রাখার সুযোগে ভোগ করে না এরূপ ধনী ব্যবসায়ী পেনশনপ্রাপ্ত সিপাহী শ্রেণীর রিটেইনার বা ভৃত্য রাখলে তাদেরকে ‘ফরম-১৬’ অনুসারে বন্দুকের লাইসেন্স প্রদান করতে হবে। যেসকল ব্যবসায়ীকে লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয় তাদের আয়ের সীমা নির্ধারণ করার প্রয়োজন নেই এবং লাইসেন্স মঞ্জুরের ক্ষেত্রে জেলা অফিসার বা তাদের বিবেচনা প্রয়োগ করা দরকার।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
৪৩। [বাতিল]
৪৪। সম্পত্তি রক্ষায় সশস্ত্র রিটেইনার:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ সম্পত্তি রক্ষার্থে প্রাক্তন সিপাহীদেরকে সশস্ত্র রিটেইনার বা গার্ড হিসেবে নিযুক্তি দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদেরকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আবেদন দাখিল করতে বলবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পরে তা পূর্ণাঙ্গ হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ তা সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্মকর্তাগণের নিকট প্রেরণ করবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ যদি মনে করেন যে, যে ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে ইচ্ছুক সে ব্যক্তির ভ্রমণ এবং যুক্তিসঙ্গত সময়ের জন্য বেতন জমা দেয়ার জন্য আবেদনকারীকে আবেদন প্রেরণের পূর্বেই বলতে পারেন।
অব্যাহতি ও সরকারি কর্মচারীদের বিনামূল্যে লাইসেন্স – ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
অব্যাহতি ও সরকারি কর্মচারীদের বিনামূল্যে লাইসেন্স
৪৫। সরকারি কর্মচারীদের অব্যাহতিঃ
অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এর ১(খ) ধারা উক্ত আইনে বর্ণিত নিষেধ এবং নির্দেশ হতে সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যকালে অস্ত্র বা গোলাবারুদ দখল বা বহনের ব্যাপারে অব্যাহতি প্রদান করেছে। কোন সরকারি কর্মচারী শুধু সরকারি কর্তব্য সম্পাদনকালে এ সুবিধা ভোগ করবেন। সরকার কর্তৃক সরবরাহকৃত এবং ঐ সকল ব্যক্তিগত অস্ত্র যা অনুমোদনকৃত সজ্জার অংশ সেগুলো এর অন্তর্ভুক্ত বিবেচিত হবে।

৪৬। সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য কার্যে প্রয়োজনীয় অস্ত্রের জন্য লাইসেন্স মওকুফঃ
স্থানীয় সরকারের মতে নিম্নলিখিত সরকারি কর্মচারীদের প্রয়োজনরূপ কর্তব্য সম্পাদনকালে অস্ত্র দখলে রাখা আবশ্যক তাদেরকে ক্ষুথ বোর বন্দুকের লাইসেন্স ফিস ছাড়াই সরবরাহ করা হবে। উল্লেখ্য যে, ৭ম তফসিলের ৭নং আইটেম মোতাবেক লাইসেন্স মঞ্জুরীতে কোন ব্যক্তিগত আপত্তি থাকবে না।
(১) ফরেস্টার হতে উপরের দিকে সকল অধস্তন যারা ডুয়ারস ও টেরাইতে কর্মরত, যেমন-চট্টগ্রামে ৩ ডিভিশন;
(২) ফরেস্ট গার্ড হতে উপরের দিকে সকল অধস্তন কর্মকর্তা যারা সুন্দরবনে কার্যরত; তবে শর্ত থাকে যে, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এমর্মে প্রত্যয়ন করবেন যে, আবেদনকারী এ সকল শ্রেণীর আওতাভুক্ত এবং কর্তব্যকালে আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র দরকার।
৪৭। [বাতিল]

৪৮। সেনা বা বিমান বাহিনীর অফিসারের সজ্জা; অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রঃ
অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এর ১ (খ) ধারার উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত অস্ত্রসমূহ সেনা বা বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের সজ্জার অংশ হিসেবে গণ্য হবে মর্মে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে:
| ধরন |
হিজ ম্যাজেস্ট্রি থেকে কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা |
ভাইসরয় থেকে কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা |
তরবারি-১
রিভলবার-১ ও
পিস্তল-১ |
কোন বিশেষ নমুনার নয় তবে ৪৫৫ বোরের সরকারি গোলাবারুদ ঢুকতে হবে। |
তরবারি-১ রিভলবার (ওয়েবলে ৪৫৫ বোর) |
তিরক-১
স্ক্রিতু-১ |
কেবলমাত্র হাইল্যান্ড রেজিমেন্টের জন্য |
কুরকি, গুরকা এবং পারওয়ানি রেজিমেন্টের জন্য
|
৪৯। ভাইসরয় হতে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার:
রাজা বা ভাইসরয় হতে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসাররা ‘ডেস রেগুলেশন ফর দি আর্মি’ কর্তৃক প্রয়োজন হলে তাদের সজ্জার অংশহিসেবে ২টা তরবারি, ১টা ফেলড্রেস ও অন্যটা ফিল্ড সার্ভিস দখলে রাখার অধিকারী হবেন।

৫০। নৌ-বাহিনীর অফিসারের সজ্জার অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রঃ
অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এর ১(খ) ধারার উদ্দেশ্যে নিম্নলিখিত অস্ত্রগুলো নৌবাহিনীর সজ্জার অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে:
- তরবারি-১
- রাইফেল-১-৩০৩ এস, এম, এলই মার্ক ৩য়
- পিস্তল-১ কোন বিশেষ নমুনার নয়
লাইসেন্স মঞ্জুর সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ – ১৮৭৮ সালে এ অস্ত্র আইনটি প্রবর্তন হয়ে যুগের চাহিদা অনুসারে বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা হয়েছে। যে কোন আইনকে কার্যকর করার জন্য আইনের বিধিমালা তৈরি করতে হয়। এ অস্ত্র আইনটি কার্যকর করার জন্য ১৯২৪ সালে এ আইনের বিধিমালা প্রণয়ন হয়।
লাইসেন্স মঞ্জুর সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ
৫১। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্যক্তিগত কর্তব্য:
- অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ প্রশাসনে কার্যকর করার লক্ষ্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের নিম্নলিখিত কাজগুলো ব্যক্তিগতভাবে করা উচিত, যেমন-
- সকল আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স মঞ্জুর ও বাতিলকরণ;
- পিস্তল ও রিভলবারের লাইসেন্স মঞ্জুরকরণ;
- ক্রয়ের পরে বা অন্য সময় লাইসেন্সধারীকে অস্ত্র উপস্থিত করতে বলা হলে সে যদি তাতে ব্যর্থ হয়, সেসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ;
- ভ্রমণকালীন অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাবার জন্য লাইসেন্স ইস্যুকরণ;
- অব্যাহতির আবেদনপত্রে সুপারিশকরণ;
- আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবসা করার জন্য লাইসেন্স ইস্যুকরণ;
- সরকার কর্তৃক সর্বাধিক সীমা নির্ধারিত হবার ক্ষেত্রে লাইসেন্সধারীকে
- অস্ত্রশস্ত্রের জন্য মঞ্জুরীতব্য গোলাবারুদের পরিমাণ নিরূপণকরণ;
- আইনের আওতায় সকল মামলা দায়েরকরণ;
- বাজেয়াপ্তকৃত অস্ত্রের চূড়ান্তকরণ; • আইনের আওতায় পুরস্কার মঞ্জুর করা; এবং
- অকেজো অস্ত্রশস্ত্রের পরিদর্শনের ব্যবস্থাকরণ;
- ‘ফরম-১৬’ এবং ‘ফরম-২০’ এ রিটেইনার অন্তর্ভুক্তিকরণের আবেদনের চূড়ান্তকরণ।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্য লিখিত আদেশ প্রদানের মাধ্যমে, ভ্রমণকালীন অস্ত্র সজ্জিত হবার জন্য লাইসেন্স ইস্যু, বাজেয়াপ্তকৃত অস্ত্রের চূড়ান্তকরণ, অকেজো অস্ত্রশস্ত্রের পরিদর্শন ও অস্ত্র আইনের আওতায় পুরস্কার মঞ্জুর ইত্যাদি কাজগুলো অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের উপর, যেখানে এরূপ কর্মকর্তা আছে, অর্পণ করতে পারেন এবং যেক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল করা হয় বা কোন অব্যাহতি প্রত্যাহার করা হয় সেক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্রের জমা প্রতিপাদন করার কাজ যুগ্ম সহকারী বা ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের উপর
আরোপ করা যেতে পারে।
৫২। বিনা তদন্তে লাইসেন্স মঞ্জুরীর যোগ্যতা:
নিম্নোক্ত যোগ্যতাসমূহ লাইসেন্স মঞ্জুরীর ক্ষেত্রে যথাযথ হিসেবে গণ্য করা যাবে এবং এসকল যোগ্যতা থাকলে নিয়ম অনুসারে পূর্ব তদন্তের আবশ্যকতা নেই:
(১) প্রাদেশিক পরিষদের প্রাক্তন বা বর্তমান সদস্যপদ বা প্রাদেশিক দরবারির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকা ব্যক্তি।
(২) ক্রাউনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত কোন ‘অর্ডার’ (পর্যায়ান্বিত পদমর্যাদা) এর সদস্য পদ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বা স্বীকৃত খেতাবের অধিকারী বা কোন সম্মান দানের অধিকারী।
(৩) অন্তত পাঁচশত টাকা ভূমি রাজস্ব বা একশত টাকা সড়ক বা গণপূর্ত কর প্রদানকারী।
(৪) পেনশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তিনি তার অবসর গ্রহণের পূর্বে তার পদমর্যদাবলে উপরোল্লিখিত (৫) বা (৭) নং শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
(৫) সরকারি কর্মকর্তা যার বেতন ন্যূনপক্ষে মাসিক একশত টাকা।
(৬) যে কোন আয়কর প্রদানকারী।
(৭) নৌ, সেনা বা বিমান বাহিনীর কমিশন্ড বা গেজেটেড কর্মকর্তা, ম্যারীন সার্ভিস বা কার্যরত ইমপেরিয়াল সার্ভিস ট্রপের কর্মকর্তা।
ভূমি রাজস্ব কর বা আয়কর যৌথ পরিবার কর্তৃক প্রদান করা হলে সেক্ষেত্রে অত্র যোগ্যতার জন্য পরিবারের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত মর্মে গণ্য করতে হবে। যদি উপরোল্লিখিত যোগ্যতা থাকে তবে সাধারণত নিষিদ্ধ বোর ব্যতীত রাইফেল বা ক্ষুথ বোর বন্দুকের লাইসেন্স মঞ্জুরীর জন্য প্রাপক তদন্তের আবশ্যকতা নেই, তবে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ যদি মনে করেন যে, আরো তথ্য ছাড়া তিনি অত্র আইনের আওতায় তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছেন না, সে সকল ক্ষেত্রে তার
বিবেচনায় এরূপ তদন্তের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
৫৩। কতিপয় শর্তে বাকেরগঞ্জে বন্দুকের লাইসেন্স ইস্যু:
অস্ত্র আইনের ১৮ ধারার আওতায় নিরস্ত্র জেলা বাকেরগঞ্জের সব লাইসেন্স ১৮৯৬ সালের ২২ আগস্ট তারিখের ৪৭৭২-জে নং বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বাতিল ছিল। ১৯০৪ সনে উক্ত আদেশে সংশোধনী আনা হয় এবং উক্ত জেলার সম্ভ্রান্ত ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিদেরকে নিম্নলিখিত শর্তে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লাইসেন্স ইস্যু করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়ঃ
(১) সব লাইসেন্স হবে ‘ফরম-১৬’ (নতুন) অনুসারে।
(২) কমিশনারের প্রতিস্বাক্ষর ব্যতীত একাধিক বন্দুকের লাইসেন্স প্রদান করা হবে না এবং শুধুমাত্র সুসঙ্গত কারণ দেখান হলেই কমিশনার প্রতিস্বাক্ষর করবেন।
(৩) জেলার স্থায়ী বাসিন্দা নয় এরূপ কাউকেই লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাবে না।
(৪) প্রত্যেক বন্দুকের একটা ব্রাসপ্লেট থাকবে যাতে লাইসেন্সের নাম্বার, লাইসেন্সের মূল মঞ্জুরীর এবং পরবর্তী নবায়নের তারিখ খোদিত থাকতে হবে। এরূপ প্লেট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে এবং মালিকের খরচে বন্দুকের কুদার সাথে দৃঢ়ভাবে এঁটে থাকতে হবে।
(৫) কোন লাইসেন্সধারীর বন্দুক হারিয়ে গেলে তার দ্বারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় অবহিত করতে হবে।
৬) মর্যাদাসম্পন্ন এবং সচ্চরিত্রের ভদ্রলোকদের কেবলমাত্র লাইসেন্স ইস্যু করা হবে, যারা কেবল নিজেরাই বন্দুকের অপব্যবহার করবে না, বরং অন্যদেরকে অপব্যবহার রোধে সাহায্য করবে মর্মে নির্ভরযোগ্য হতে হবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
৫৪। লাইসেন্স মঞ্জুরীর পূর্বে তদন্তঃ
লাইসেন্সের আবেদনকারীগণ যারা উপরোক্ত ‘বিনা তদন্তে লাইসেন্স মঞ্জুরীর যোগ্যতা’ অনুচ্ছেদে বর্ণিত শ্রেণীভুক্ত নয়, ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার তার চরিত্র, মর্যাদা এবং লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে যেরূপ প্রয়োজন মনে করেন সেরূপ তদন্ত করবেন এবং আবেদনে বর্ণিত উদ্দেশ্যে লাইসেন্স প্রয়োজন মর্মে তিনি সন্তুষ্ট হতে হবে।
যদি প্রয়োজন বিবেচিত হয়, তবে পুলিশের স্থলে অতিরিক্ত অন্য এজেন্সির দ্বারাও অনুরূপ তদন্ত করা যাবে।
৫৫। অস্ত্র ক্রয়ের পারমিট ইস্যু করা নিষিদ্ধ:
লাইসেন্স নির্ধারিত ফরম না থাকার কারণ ব্যতীত লাইসেন্স ইস্যুর পূর্বে অস্ত্র ক্রয়ের লাইসেন্স ইস্যু করা নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। যদি নির্ধারিত ফরম না থাকে তবে সাময়িক লাইসেন্স বা পারমিট প্রদান করা যাবে। লাইসেন্স ইস্যুর সময় অস্ত্র ক্রয় ও উপস্থিত করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে তা লাইসেন্সের পূর্বে নিয়ে দিতে হবে। সরবরাহকৃত অন্ত্রের বিবরণ ‘ফরম-১৬’ এর নির্দিষ্ট কলামে ডিলার ভুক্তি করতে হবে।
৫৬। তদন্তের ফরমঃ
লাইসেন্সের জন্য সব আবেদন ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে বেঙ্গল নির্বাহী ফরম নং ১৮৫ (নতুন), ২২৫-খ (পুরাতন) (প্রাদেশিক অস্ত্র আইন ফরমের তফসিলের ৪ নং আইটেম) রেজিস্টারে ভুক্ত করতে হবে।
রেজিস্টারের ভুক্তিসমূহ থানা কর্তৃক সজ্জিত থাকবে এবং সকল আবেদন এক ভলিউমে ভুক্তি করতে হবে। প্রাথমিক তদন্ত প্রয়োজন হওয়ার ক্ষেত্রে আবেদন এবং তদন্ত ফরমের অনুলিপি (প্রাদেশিক অস্ত্র আইন ফরমের তফসিলের ৫নং আইটেম) তদন্তকারী কর্মকর্তার বরাবরে সরাসরি প্রেরণ করতে হবে। তদন্তের আদেশকারী ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ জরুরি না হলে সাধারণত এক মাসের মধ্যে ফেরতের তারিখ প্রদান করবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যথাসময়ের আবেদন ফেরৎ প্রদানের বিষয়ে দৃষ্টি রাখবেন।
১২শ শিরোনামে খালি জায়গায় অতিরিক্ত তথ্য সংযোজন করা যাবে। কোন আবেদন যদি প্রত্যাখ্যান করা হয়, সেক্ষেত্রে তা রেজিস্টারের ৭ কলামে লাল কালি দিয়ে ভুক্তি করার প্রয়োজন রয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতিবেদন দাখিলের পূর্বে রেজিস্টারে দেখতে হবে যে গত তিন বছর কোন আবেদন বাতিল হয়েছিল কিনা। সফল ও বিফল আবেদন দু’টা ভিন্ন গার্ড ফাইলে অনুক্রম অনুসারে সংরক্ষণ করা বাঞ্ছনীয়, যা ‘গ’ শ্রেণীর কাগজ হিসেবে পরিচিত। অস্ত্র বিধিমালা, ১৯২৪ এর বিধি ৪৩ অনুসারে কমিশনারের বরাবরে আপীলের দরুন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হলে তা ৮ কলামে নোট করতে হবে।
৫৭। লাইসেন্স প্রত্যাখ্যানের জন্য যথাযথ কারণের মধ্যেঃ
(১) যদি পার্শ্ববর্তী এলাকায় দাঙ্গার প্রাদুর্ভাব হয়, তবে যদি বিশেষ করে উক্ত দাঙ্গায় আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করার সম্ভাবনা থাকে এমনকি সম্পত্তি বিষয়ক মারাত্মক প্রকৃতির গোলযোগ থাকে সামাজিক যা বিশৃঙ্খলার রূপ পরিগ্রহ করতে পারে।
(২) আবেদনকারী বা তার নিকট আত্মীয়ের বা তার উপর নির্ভরশীলদের অসদাচরণ যাতে বন্দুকের অপব্যবহার হতে পারে মর্মে যুক্তিসঙ্গভাবে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়।
(৩) নিন্দনীয় অবহেলা যার ফলে অস্ত্রশস্ত্র হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। আবেদনকারী কোন জনহিতকর কার্যে চাঁদা প্রদান করবে অনুরূপ শর্তে লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়ন করা স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ; বন্দুকের অপব্যবহার হবে মর্মে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বিশ্বাস করার সঙ্গত হেতু যদি না থাকে তবে রাজনীতির কারণে সত্যিকার প্রয়োজন আছে এরূপ ব্যক্তিকে লাইসেন্স প্রত্যাখ্যান করা অনুচিত হবে।
এরূপ ব্যক্তির হাতে বন্দুকের আগমন ঘটলে যদি তা অপব্যবহার হতে পারে মর্মে যুক্তিসঙ্গত সতর্কতাসাপেক্ষে-
(ক) ‘ফরম-১৬’ অনুসারে প্রতিরক্ষা এবং খেলাধুলা বা শিকারের জন্য;
(খ) মানুষ এবং গবাদি পশুর ক্ষতিসাধন করে এরূপ বন্য প্রাণীর ধ্বংসের লক্ষ্যে অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাবার জন্য ‘ফরম-১৮’ অনুসারে;
(গ) শস্য বা গবাদি পশুর ক্ষতি সাধন করে এরূপ বন্য প্রাণীর ধ্বংসের লক্ষ্যে অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাওয়ার জন্য ‘ফরম-১৯’ অনুসারে; উদারতার সাথে লাইসেন্স ইস্যু করার নীতি সরকার গ্রহণ করেছেন।
৫৮। পিস্তল এবং রিভলবারের লাইসেন্স:
পিস্তল ও রিভলবারের লাইসেন্স ইস্যুর ব্যাপারে সমুদয় ক্ষমতা ও বিবেচনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্বীয় হাতে রাখা আবশ্যক এবং কখনো অধস্তনদেরকে অনুরূপ দায়িত্ব অর্পণ করা সমীচীন নয়। তবে যদি পর্যাপ্ত কারণ না থাকে তবে পিস্তল বা রিভলবারের লাইসেন্স প্রদান না করা যেতে পারে। পিস্তল ও রিভলবারের নতুন লাইসেন্স শুধুমাত্র প্রকৃত প্রয়োজন এবং প্রতিপাদিত ও উত্তম চরিত্রের ব্যক্তিবর্গকে প্রদান করা যেতে পারে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এরূপ লাইসেন্স ইস্যুকালে তার কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে। ‘ম্যাগাজিন’ এবং ‘রিপিটি’ পিস্তলকে রিভলভারের শ্রেণীভুক্ত করা আবশ্যক।
৫৯। মঞ্জুরকারী জেলা ব্যতীত অন্য জেলায় লাইসেন্স নবায়ন:
মঞ্জুরকারী জেলা ব্যতীত অন্য জেলায় লাইসেন্স নবায়নের লক্ষ্যে আবেদন করা হলে, এরূপ অন্য জেলার ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরকারী জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি অবহিত করবেন। প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিলের জন্য মঞ্জুরকারী জেলায় লাইসেন্সটি প্রেরণ করবেন (অস্ত্র বিধিমালার ৪২ (৩) বিধি দ্রষ্টব্য)।
লাইসেন্সধারী লাইসেন্স বৈধ থাকাকালে অন্য জেলায় বদলি হলে বা বাসস্থান পরিবর্তন করে, তখন লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্মকর্তার যদি কোন আপত্তি না থাকে এবং প্রয়োজন হলে ঐরূপ জেলায় রেফারেন্স করে অস্ত্র বিধিমালার ৩৩ (২) (ক) বিধি মোতাবেক কোন অতিরিক্ত ফিস না দিয়েই লাইসেন্স পৃষ্ঠাঙ্কিত করতে পারেন, যাতে লাইসেন্সটি লাইসেন্সধারী বদলি হয়েছে সে জেলায় বৈধতা অক্ষুণ্ণ থাকে।
৬০। স্থায়ী নিবাসী আবেদনকারী:
আবেদনকারীর স্থায়ী বা প্রধান নিবাস যে জেলায় অবস্থিত সে জেলা ছাড়া অন্য জেলায় লাইসেন্সের দরখাস্ত করলে আদেশ দেয়ার আগে উক্ত জেলায় ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ জেলার ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।
৬১। ৬২ [বাতিল]
৬৩। বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্রের জন্য একটি লাইসেন্স:
সাধারণত এক ব্যক্তির নামে ইস্যুকৃত বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্রের জন্য একটা লাইসেন্স ইস্যু করতে হবে। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ যদি অসুবিধাজনক বিবেচনায় বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্রের জন্য একাধিক লাইসেন্স ইস্যু করতে পারেন।
৬৪। কৃষক এবং শিকারীদের জন্য লাইসেন্স:
বন্য প্রাণী ধ্বংসের জন্য লাইসেন্স প্রকৃত প্রয়োজন হলে জেলা অফিসাররা ‘ফরম- ১৮’ ও ‘ফরম-১৯’ মোতাবেক ইস্যু করবে। সম্ভব এবং উপযুক্ত বিবেচনায় ‘ফরম-১৬’-কে ‘ফরম-১৮’ ও ‘ফরম-১৯’-এ রূপান্তরিত করার সুযোগ প্রদান করা হবে। জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার লক্ষ্যে ‘ফরম- ১৬’-এ লাইসেন্স মঞ্জুরের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক বিধি-নিষেধ আরোপ করা অভিপ্রেত নয়।
৬৫। বল ও শর্টগান:
ডাবল ব্যারেল ব্রীচ লোডিং ১২ বোর শর্টগান ‘প্যারাডকা’, ‘এক্সপ্লোরা’, ‘ফাউনেটা’ জাতীয় বল এবং শর্টগান অন্তর্ভুক্তকরণ সঠিক হবে না, কারণ এসকল অস্ত্র ‘মাজল’ হতে দুই ইঞ্চি খাঁজ কাটা থাকে। এরূপ অস্ত্রশস্ত্রকে সুথ বোর বন্দুক মর্মে গণ্য করাই শ্রেয় এবং লাইসেন্সে স্পষ্টভাবে রাইফেল অন্তর্ভুক্ত না থাকলে তা বিক্রয় করা সঠিক নয়।
৬৬। স্বয়ংক্রীয় বন্দুক বিক্রি:
যদি লাইসেন্সে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত না থাকে তবে স্বয়ংক্রীয় রিপিটি, বন্দুক বা রাইফেল যেমন উইনচেস্টার বিক্রয় না করার জন্য লাইসেন্সধারী ডিলারদেরকে নির্দেশ প্রদান করা সমীচীন।
৬৭। স্বয়ংক্রীয় ম্যাগাজিন গান:
স্বয়ংক্রিয় ম্যাগাজিন বন্দুক যথাঃ ফাইভ শট অটোমেটিক ব্রাউনি গান এবং লাইসেন্স কেবলমাত্র ঐসকল ব্যক্তিবর্গকে ইস্যু করা উচিত যারা উচ্চতর অস্ত্রশস্ত্র যেমন, ‘স্পোটিং রাইফেল’ অধিকারে রাখার উপযুক্ত মর্মে গণ্য হয়েছে।
৬৮। অস্ত্র উপস্থাপনে ব্যর্থতা:
অস্ত্র বিধিমালার বিধি ৪৫ মোতাবেক অস্ত্র উপস্থিত করার জন্য বলা হলে কোন লাইসেন্সধারী যদি তাতে ব্যর্থতা প্রদর্শন করে, তবে তাকে এতদ্বিষয়ে হিসাব দিতে প্রয়োজন মনে করা হবে। হিসাব সন্তোষজনক না হলে লাইসেন্স নবায়ন আংশিক বা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আর যদি এরূপ প্রতিভাত হয় যে, অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এর ২৭ ধারায় অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারো কাছে ঐ সব অস্ত্রশস্ত্র বিক্রয় করা হয়েছে এবং ৫ ধারার বিধান মতে এতদ্বিষয়ে কোন তথ্য জানান হয়নি সেক্ষেত্রে ১৯ (খ) ধারার বিধান মতে লাইসেন্সধারীর বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত কিনা তা ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করে দেখবেন। একইভাবে আগ্নেয়াস্ত্র হারান গেলে বা চুরি হলে নিকটবর্তী থানায় যদি তা না জানান হয় তবে আইনের ২১ ধারার আওতায় লাইসেন্সধারী ফৌজদারিতে সোপর্দ হতে বাধ্য থাকবে।

৬৯। এয়ারগান ও এয়ার রাইফেলের লাইসেন্স:
অস্ত্র বিধিমালার ২য় তফসিলে ২ ভুক্তি (৩য়) এ দেয়া পরখে সন্তুষ্ট করে না এরূপ প্রকৃতির এয়ারগান বা এয়ার রাইফেলে অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাবার জন্য ৮ম তফসিলের ‘ফরম-১৬’ অনুসারে লাইসেন্সের প্রয়োজন রয়েছে। গোলাবারুদ কলামে “কোন সীমা নির্ধারিত নাই” ভুক্তি করা যেতে পারে।
৭০।-৭১ (বাতিল)
৭২। লাইসেন্স রেজিস্টার:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অফিসে বেঙ্গল নির্বাহী ফরম ১৩৪-খ; (প্রাদেশিক অস্ত্র আইন ফরম তফসিল ৬নং আইটেম) এ একটা রেজিস্টার রাখা উচিত, যা থানাকে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হবে এবং প্রত্যেকের জন্য ভিন্ন ভলিউম সংরক্ষণ করতে হবে।
৭৩। আগ্নেয়াস্ত্র চিহ্নিতকরণ:
যেসকল অস্ত্রশস্ত্রে প্রস্তুতকারক বা আমদানিকারকের নাম এবং নম্বর খোদাই বা লিখা নেই সেগুলোকে ধাতব পদার্থের উপর জেলার অক্ষর এবং নম্বর প্রদানপূর্বক নিম্নোক্তভাবে খোদাই করতে হবে:
(ক) বন্দুকের (রাইফেল নয়) ব্যারেলের উপর।
(খ) রাইফেলের ব্যারেল এবং ব্রীচের (পশ্চাৎভাগ) উপর।
(গ) স্বয়ংক্রিয়সহ পিস্তলের ব্যারেলের উপর।
(ঘ) রিভলবারের ব্যারেল এবং সিলিন্ডারের (স্তম্ভক) উপর।
যে সকল অস্ত্রশস্ত্রে মেটালের উপর যথাযথ নম্বর রয়েছে সেক্ষেত্রে মালিক যদি ইচ্ছা না করেন তবে তার উপর ওভাবে মুদ্রণ করার আবশ্যকতা নেই। নাম্বার নেই এরূপ অস্ত্র বা অপর্যাপ্তভাবে নাম্বার প্রদান করা হয়েছে এরূপ অস্ত্রশস্ত্র যা অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অধিকারে থাকে, তা উপরের নির্দেশনা মোতাবেক চিহ্নিত করতে হবে।
৭৪। লাইসেন্সধারীর অনুমোদিত গোলাবারুদের পরিমাণ:
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সধারীকে প্রত্যেক অস্ত্রশস্ত্রের বিপরীতে যে গোলাবারুদ মঞ্জুর করা হয়েছে তা লাইসেন্সের যথাযথ কলামে পৃষ্ঠাঙ্কিত করে দিবেন। ‘ফরম-১৬’, ‘ফরম-১৮’ ও ‘ফরম-১৯’-এ লাইসেন্সধারী কর্তৃক গোলাবারুদ অধিকারে রাখার সর্বোচ্চ পরিমাণ নিম্নরূপ:
| অস্ত্রের বর্ণনা |
যে গোলাবারুদ এককালীন অধিকারে রাখা যাবে তার সর্বোচ্চ পরিমাণ |
যে গোলাবারুদ সারা বৎসর অধিকারে রাখা যাবে তার সর্বোচ্চ পরিমাণ
|
| সুথ বোর মাজল লোডিং বন্দুক |
কোন সীমা নেই |
কোন সীমা নেই |
| ক্ষুথ বোর ব্রীচ লোডিং বন্দুক |
কোন সীমা নেই |
কোন সীমা নেই |
| ২২ বোর রাইফেল |
কোন সীমা নেই |
কোন সীমা নেই |
| অন্য বোরের রাইফেল রিভলবার ও পিস্তল। |
৫০ রাউন্ড……৫০ রাউন্ড |
২০০ রাউন্ড……১০০ রাউন্ড |
অত্র সীমা অপসারণ করা ‘ফরম-১৭’ ও ‘ফরম-২০’-এর লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। ওগুলো লাইসেন্সের ২নং শর্তে নির্দেশিত নির্দিষ্ট পরিমাণ গোলাবারুদের জন্য। অধিক গোলাবারুদ প্রয়োজন মর্মে বিষয় প্রমাণ করা গেলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার বিবেচনায় অতিরিক্ত গোলাবারুদ মঞ্জুর করতে পারেন।
লাইসেন্স নবায়ন সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ – বহু রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য এ দেশের প্রত্যেক শ্রেণীর লোকের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে হয়েছিল এবং কেড়ে আনতে হয়েছিল সেই মহা মূল্যবান স্বাধীনতার সূর্য। দেশ স্বাধীনের পর হতে এদেশে অস্ত্রের প্রচলন বৃদ্ধি পায়। তাই স্বাধীনতার পর হতে এ আইনের গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়।
লাইসেন্স নবায়ন সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ
৭৫। লাইসেন্স নবায়ন:
প্রতি বৎসর নভেম্বর মাসে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে-
(১) কোন লাইসেন্সধারী মৃত কিনা; এবং
(২) কোন লাইসেন্স নবায়নে কোন আপত্তি আছে কিনা;
এতদ্বিষয়ে পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট প্রদান করতে বলা উচিত। তাদের শুধু নির্দিষ্ট আপত্তির হেতুর উপর মন্তব্য করতে হবে। পুলিশ সুপার থানা কর্মকর্তার রিপোর্টে তার মন্তব্য যুক্ত করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বরাবরে প্রেরণ করতে হবে। কোন লাইসেন্সের বিষয়ে কোন প্রতিকূল প্রতিবেদন আসলে সেক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিবেন, এমনকি এতদ্বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভার তার উপরেই অর্পিত হবে।
যাদের লাইসেন্স ‘নবায়ন করা হবে না তাদেরকে অস্ত্র আইনের ১৬ ধারার আওতায় বিজ্ঞপ্তি পাবার চৌদ্দ ১৪ দিনের মধ্যে নিকটবর্তী থানা বা লাইসেন্সধারী ডিলারের বরাবরে অস্ত্র এবং লাইসেন্স জমা প্রদানের লক্ষ্যে নোটিশ দিতে হবে। যাদের লাইসেন্স’ নবায়ন করা হবে, তাদেরকে ১ জানুয়ারির পূর্বে নবায়নের জন্য আবেদন পেশ করতে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করতে হবে।

৭৬। লাইসেন্স নবায়নের পূর্বে অস্ত্র প্রদর্শনঃ
অস্ত্র বিধিমালার বিধি ৪৫ এর উপর ভিত্তি করে নবায়নের পূর্বে অস্ত্র ‘প্রদর্শনের কথা বর্ণিত রয়েছে। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কারণে স্বয়ংক্রীয় পিস্তল এবং রিভলবার প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তা বাদ দেন, তবে নবায়নের পূর্বে ঐগুলোর প্রদর্শন করা প্রয়োজন নাই।
নিষিদ্ধ বোর ব্যতীত রাইফেল এবং শট গান যেগুলো শহরের শিক্ষিত লোকদের হাতে সেগুলোর প্রদর্শন সাধারণত অনাবশ্যক। তবে লাইসেন্সধারীরা নবায়নের আবেদনের সাথে এমর্মে ঘোষণা প্রদান করবেন যে, কথিত অস্ত্রশস্ত্র ভাল অবস্থায় তার দখলে আছে এবং পরিদর্শন করে এর নম্বর ঐ লাইসেন্সের সাথে সঠিকভাবে পাওয়া গেছে। নবায়নের নোটিশে অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শনের প্রয়োজন কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।
৭৭। গ্রাম্য এলাকায় লাইসেন্স নবায়নের পূর্বে অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন:
অশিক্ষিত লোকদের এবং গ্রাম্য এলাকায় অধিকাংশ লাইসেন্সের ক্ষেত্রে নবায়নের অস্ত্রশস্ত্র ভাল অবস্থায় আছে কিনা এবং নম্বর সঠিক আছে কিনা তা প্রতিপাদন করার জন্য নবায়নের পূর্বে অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন করার আবশ্যকতা রয়েছে। অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন ও নবায়নের জন্য সুবিধাজনক স্থান হিসেবে সাধারণত স্ব স্ব থানায় এতদ্বিষয়ে তারিখ নির্ধারণ করা সমীচীন।
৭৮। ডাকযোগে লাইসেন্স নবায়ন:
আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের প্রয়োজন কোন ক্ষেত্রে না থাকলে তখন দরখাস্তটি প্রয়োজনীয় ঘোষণাসহ লাইসেন্স-এর জন্য প্রেরণ করলে তা নবায়ন করা যেতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, মানি অর্ডার ফিস প্রেরণ করা সম্ভব। টাকা জমা দিয়ে ট্রেজারীর চালান পাঠানো হলেও চলবে, যদিও ফিসের পরিবর্তে ডাক টিকেট গ্রহণ করার বিধান স্বীকৃত নয়।
![লাইসেন্স নবায়ন সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৭৫-৮২ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
৭৯। ব্যক্তিগতভাবে প্রদর্শন:
নবায়নের পূর্বে যেসব লাইসেন্সধারীর অস্ত্র ‘প্রদর্শনের কথা তারা সাধারণত ব্যক্তিগতভাবে তা প্রদর্শন করবেন। অবশ্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্মকর্তার যদি এরূপ বিবেচনায় তবে তাদেরকে যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট কর্তৃকও অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন করার অনুমোদন প্রদান করা যেতে পারে।
৮০। লাইসেন্সে থাকা বিবরণ:
লাইসেন্স ‘নবায়নের পূর্বে নতুন অস্ত্র ক্রয় বা গোলাবারুদ সম্পর্কে যদি লাইসেন্সে পৃষ্ঠাঙ্কিত থাকে, তবে তার উপর লক্ষ্য করা আবশ্যক। যদি কোন ভুক্তিকে কোন সন্দেহের অবকাশ থাকে বা এরূপ দেখা যায় যে, নির্ধারিত সীমার অধিক কোন গোলাবারুদ ক্রয় করা হয়েছে, তবে সেক্ষেত্রে নবায়নকারী কর্মকর্তার তা তদন্ত করে দেখতে হবে।
![লাইসেন্স নবায়ন সম্পর্কে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি নির্বাহী আদেশ। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৭৫-৮২ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
৮১। [বাতিল]
৮২। নবায়নে বিলম্ব:
প্রত্যেক বছর ১ জানুয়ারির পরপরই ম্যাজিস্ট্রেট অফিসের সংশ্লিষ্ট সহকারী কোন্ কোন্ লাইসেন্স ‘নবায়নের জন্য উপস্থাপন করা হয়নি, তদ্বিষয়ে রিপোর্ট প্রদান করবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি নবায়নের দরখাস্ত পাওয়া যায়,তবে নির্ধারিত ফিস গ্রহণপূর্বক তা নবায়ন করা হবে। উক্ত মেয়াদের মধ্যে যদি লাইসেন্স’ নবায়ন করা না হয় তবে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারিতে সোপর্দ করার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সের উপর প্রদেয় সব প্রাথমিক ফিস আরোপ করে লাইসেন্স ‘নবায়ন করতে পারেন। গুরুতর ক্ষেত্রে নবায়ন করতে ব্যর্থ ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা শ্রেয়।
তল্লাশি, জরিমানা এবং পুরস্কার – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।বহু রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য এ দেশের প্রত্যেক শ্রেণীর লোকের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে হয়েছিল এবং কেড়ে আনতে হয়েছিল সেই মহা মূল্যবান স্বাধীনতার সূর্য। দেশ স্বাধীনের পর হতে এদেশে অস্ত্রের প্রচলন বৃদ্ধি পায়। তাই স্বাধীনতার পর হতে এ আইনের গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়।
![তল্লাশি, জরিমানা এবং পুরস্কার। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৮৩-৮৫ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
তল্লাশি, জরিমানা এবং পুরস্কার
৮৩। ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তার অস্ত্র তল্লাশি ও তা আটক করার ক্ষমতা:
(১) অস্ত্র আইনের ৬ ধারার ২য় দফার ক্ষমতা প্রয়োগ সকল ম্যাজিস্ট্রেট এবং উপ- পরিদর্শকের নিম্নে নয় এরূপ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঐ দফার আওতায় সমুদয় অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
(২) অস্ত্র আইনের ২৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে অত্র ধারায় উল্লেখিত তল্লাশি উপ-পরিদর্শকের নিচে নয় এরূপ পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে বা সম্মুখে পরিচালনা করতে হবে।
(৩) অস্ত্র আইনের ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে উক্ত ধারায় উল্লেখিত তল্লাশি ম্যাজিস্ট্রেটের বা উপ-পরিদর্শকের নিচে নয় এরূপ পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে।
৮৪।-৮৫ (বাতিল)

অস্ত্র আইনের ১৯, ২০, ২২ ও ২৩ ধারা
৮৬। পুরস্কার:
অস্ত্র আইনের আওতায় কোন অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হলে, যে সকল কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তি যারা মূল তথ্য প্রদান করেছিল যার কারণে উক্ত ব্যক্তি দণ্ডপ্রাপ্ত হয় এবং সন্তোষজনক কারণ থাকে, যারা অপরাধীকে সত্যিকারে গ্রেফতার করেছিল বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তা জব্দ করেছে, তাদেরকে পুরস্কার প্রদান করা যেতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ তাদের বিবেচনায় প্রত্যেক ক্ষেত্রে একশত টাকা পর্যন্ত এবং বিভাগীয় কমিশনারের পূর্ব অনুমতি গ্রহণ করে পাঁচশত টাকা পর্যন্ত এরূপ পুরস্কার প্রদানের ক্ষমতা অর্পিত হয়েছে। পাঁচশত টাকার ঊর্ধ্বে পুরস্কার প্রদানের প্রস্তাব বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে সরকারের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করতে হবে।
পুরস্কারের টাকা নির্ধারণের সময় সংশ্লিষ্ট অস্ত্র এবং গোলাবারুদ নতুন বা পুরাতন কর্মক্ষম বা অকেজো এসব বিষয় বিবেচনায় নেয়া আবশ্যক। প্রথম আদালতের আদেশ বহাল হওয়ার পর বা আপীল না করা হলে আপীলের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পর যথাশীঘ্র সম্ভব পুরস্কার দিয়ে দিতে হবে।
ম্যাজিস্ট্রেটগণ তাদের কন্টিজেন্ট বিলে পুরস্কারের টাকা উত্তোলন করবেন যা ‘ল এ্যান্ড জাস্টিস কোর্টস অব ল’ খাতের বিপরীতে প্রভাবিত বা চার্জড হবে। জেলার বাজেটে ম্যাজিস্ট্রেটগণ পুরস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
মামলার সাজা প্রদান করা হয়নি বা মামলাও করা হয়নি এরূপ ব্যতিক্রমমূলক ক্ষেত্রসমূহ কর্মকর্তা বা তথ্য জ্ঞাপনকারী বা চরকে পুরস্কার দেয়া অযৌক্তিক হবে না। এরূপ ক্ষেত্রে বিভাগীয় বিধিমালা অনুসরণ করে পুলিশ বিভাগ কর্তৃক পুরস্কার দেয়া যেতে পারে। সফল মামলায় যে সকল তথ্য জ্ঞাপনকারীর বা চরের নাম প্রকাশ করা কাম্য নয় তাদের ক্ষেত্রে সমরূপ পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে।
![তল্লাশি, জরিমানা এবং পুরস্কার। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ৮৩-৮৫ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
৮৭। পুরস্কার হবে উদারনৈতিক:
অস্ত্র আইনের আওতায় পুরস্কার উদার পরিমাপের হওয়া বাঞ্ছনীয়, যদিও যেসকল অস্ত্রশস্ত্র সাধারণত হত্যাকাণ্ডে সংঘটনে ব্যবহার হয়েছে বা হয়ে থাকে সেসকল অস্ত্রশস্ত্র ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উদার নীতি গ্রহণ করা উচিত। রিভলবার, স্বয়ংক্রীয় পিস্তল বা ম্যাগাজিন পিস্তল বা এতদপ্রকার অস্ত্র বৈধ কর্তৃত্ব ব্যতীতই অধিকারে রাখা হলে ঐ উদ্ধারকৃত অস্ত্রশস্ত্রের তথ্য জ্ঞাপনকারীকে বড় ধরনের পুরস্কার প্রদান করা উচিত।
৮৮। তথ্য প্রদান পাবলিক ক্যারিয়ারের কর্তব্য:
অস্ত্র আইনের, ২৮ ধারার বিধান মতে, রেলওয়েতে বা কোন সর্ববাহনে কর্মরত কোন ব্যক্তি যুক্তিসঙ্গত অজুহাত না থাকলে (যা প্রমাণের দায়িত্ব তারই) পরিবহনকালে কোন বাক্স, মোড়ক বা গাঁট যার ভেতর অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার রয়েছে মর্মে তার সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে এবং যার সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা হতে যাচ্ছে তদ্রূপ বিষয়ে নিকটবর্তী পুলিশ কর্মকর্তাকে সে তথ্য প্রদান করতে বাধ্য, এরূপ ব্যক্তিও পূর্ববর্তী বিধির বিধানমতে পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হতে পারে।
লাইসেন্সের অবসান এবং অস্ত্র জমা, হারান ও বাজেয়াপ্তকরণ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
লাইসেন্সের অবসান এবং অস্ত্র জমা, হারান ও বাজেয়াপ্তকরণ
৮৯। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ডিলারের নিকট অস্ত্র জমা:
অস্ত্র আইনের ১৬ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে উক্ত ধারার বিধানসমূহ কার্যকর করার জন্য নিম্নরূপ বিধিসমূহ প্রণীত হয়েছে: ‘ফরম-১৩’-এ লাইসেন্সধারী ডিলারের কাছে নিরাপদে থাকার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র জমা প্রদান করলে এবং জমা থাকার সময় লাইসেন্সের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে অস্ত্রের মালিক তার লাইসেন্স নবায়ন করার বিষয়ে কোন বাধ্যবাধকতা নেই। যদিও ডিলারের বা অধিকার প্রাপ্ত’ ব্যক্তির মাধ্যমে তা করা যেতে পারে। যদি লাইসেন্স নবায়ন করা না হয় তবে ডিলারের কাছ হতে তা গ্রহণকালে লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে বা নতুন লাইসেন্স নিতে হবে এবং ‘ফরম-১৩’-এর ৩নং শর্ত মোতাবেক লাইসেন্সধারী এতদ্বিষয়ে রেজিস্টার সংরক্ষণ করবেন।
(১) ধারার বিধান মতে, ডিলারের নিকট জমা রাখার ব্যাপারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বা নিকটবর্তী থানাকে অবিলম্বে অবহিত করতে হবে।
(২) যখন কোন ডিলার জমা রাখা অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বিক্রয় করে, সে সঙ্গে সঙ্গে যে জেলায় উক্ত ব্যক্তি বাস করে সে জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জমাকারীর, লাইসেন্সের এবং বিক্রিত অস্ত্রের বিবরণসহ একটি রিপোর্ট পেশ করবেন।
(৩) কোন ডিলার এরূপ জমাকৃত দ্রব্য ১ জানুয়ারি থেকে এক বছরের মধ্যে বিক্রয় করতে যদি ব্যর্থ হয়ে যান, তবে তিনি নিকটবর্তী থানায় তা জমা দিয়ে দিবেন এবং একই সাথে বিধি (২) এ উল্লেখিত তথ্য জ্ঞাপন করবেন। উল্লেখ থাকে যে ব্যতিক্রমমূলক ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার এক বছর সময় বর্ধিত করতে পারেন।
(৪) ১৬ (১) ধারার বিধান মতে, জমাকৃত সকল দ্রব্য যা ১৬ (২) ধারার বিধানমতে ৯ বছর বা বর্ধিত সময়ের মধ্যে ফেরত বা বিক্রয় করা হয়নি, তা বিধি (৩) মোতাবেক বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে। ৯০। নিরাপদ হেফাজতের জন্য ডিলারের নিকট অস্ত্র জমাঃ নিরাপদে রাখার জন্য ডিলারের নিকট জমা দেয়া অস্ত্র বেঙ্গল নির্বাহী ফরম ১৮৪ (নতুন)-তে (প্রাদেশিক অস্ত্র আইন ফরম তফসিলের ১৩নং আইটেম, অনুচ্ছেদ-৮৯) ভুক্তি করা হবে। অত্র রেজিস্টারে ভুক্তি করা অস্ত্র আপনা আপনি বাজেয়াপ্ত হতে বাধ্য। জমা নেয়ার পূর্বে অস্ত্রগুলো লাইসেন্সের অন্তর্ভুক্ত কিনা বা অব্যাহতিপ্রাপ্ততা ডিলার কর্তৃক দেখে নেয়া বাঞ্ছনীয়।
৯১। লাইসেন্স বাতিল এবং অস্ত্রশস্ত্র মালখানায় জমাঃ
অস্ত্র আইনের ১৬ ধারায় বা নবায়ন প্রত্যাখ্যাত হলে বাতিলকৃত রেজিস্টারে বেঙ্গল নির্বাহী ফরম ১৮৯-তে (প্রাদেশিক অস্ত্র আইন ফরম তফসিলের ৭নং আইটেম) তা ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষরপূর্বক ভুক্তি হবে। বর্ণানুক্রমে থানায়ও এগুলো ভুক্তি থাকতে হবে।
৯২। [বাতিল]
৯৩। অস্ত্র জমা দেয়ার ডাকযোগ নোটিশ:
বাতিলকৃত রেজিস্টার ভুক্তি হওয়ার পর লাইসেন্সধারীকে আদেশপ্রাপ্তির চৌদ্দ দিনের মধ্যে নিকটবর্তী থানা বা ডিলারের কাছে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র জমা দেয়ার জন্য ডাকযোগে নোটিশ প্রদান করতে হবে। ডিলারের কাছে যদি অস্ত্র জমা দেয়া হয়, তবে এতদ্বিষয়ে ১৬ ধারার বিধানমতে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে এবং আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে হবে।
৯৪। মালিক কর্তৃক থানায় অস্ত্র জমাঃ
অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার মালিক কর্তৃক থানায় জমা দেয়ার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিতঃ
(১) এরূপ সব অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সম্ভার সঙ্গে সঙ্গে ১৯৩নং পিআরবি ফরমে (তফসিলের ১১নং আইটেম) প্রাদেশিক অস্ত্র আইনের ফরমভুক্ত করা হবে। লাইসেন্স জমাদান করা সত্ত্বেও এতদ্বিষয়ে রেজিস্টারে একটি নোট রাখতে হবে। যেসকল ক্ষেত্রে লাইসেন্স জমা দেয়া হবে না এবং নবায়নের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হবে, তা ম্যাজিস্ট্রেট অফিস কর্তৃক বাতিল করা হবে। এসকল ক্ষেত্রে সেগুলো থানায় প্রেরণ করা হবে না। যদি বাতিল হয়ে যাওয়া বা আর বৈধ নেই এরূপ লাইসেন্স মালিকের নিকট থেকে যায়, তবে সেক্ষেত্রে তাকে অস্ত্রের সাথে থানায় তা জমা দেয়ার জন্য বা ডিলারের কাছে জমা দিলে বাতিলকরণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট অফিসে পাঠাবার লক্ষ্যে বিশেষভাবে নির্দেশ প্রদান করতে হবে।
(২) থানায় জমা দেয়া ১৪ দিনের মধ্যে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার লাইসেন্সসহ (যদি জমা দেয়া হয়ে থাকে) পিআরবি ফরম নং ১৯৩ দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অনুলিপি পূরণ করে কোর্টে প্রেরণ করবেন।
(৩) কোর্টে কর্তৃক অস্ত্রশস্ত্র পাবার পর কোর্ট সাব-ইন্সপেক্টর ১৯৩নং পিআরবি ফরমের দ্বিতীয় অনুলিপি পৃষ্ঠাঙ্কিত করে থানায় ফেরত পাঠাবেন। অতঃপর তিনি মালখানায় অস্ত্র রেজিস্টীতে প্রয়োজনীয় ভুক্তি করবেন (বেঙ্গল নির্বাহী ফরম-১৯০, প্রাদেশিক অস্ত্র আইন ফরম-তফশিলের ১০নং আইটেম) এবং পিআরবি ফরমের তৃতীয় অনুলিপিটি লাইসেন্সের ভারপ্রাপ্ত সহকারীর বরাবরে (লাইসেন্সসহ, যদি পাওয়া যায়) মালখানায় জমার তারিখ, মালখানা রেজিস্টীর নম্বর পৃষ্ঠাঙ্কিত করে হস্তান্তর করবে।
(৪) জমার তারিখ এবং মালখানা রেজিস্টীর নম্বর বাতিলকৃত লাইসেন্স রেজিস্টীতে সহকারী কর্তৃক ভুক্ত করতে হবে এবং ১৯৩নং পিআরবি ফরমের তৃতীয় অনুলিপিটি নথিভুক্ত করবেন।
৯৫। ডিলার কর্তৃক থানায় অস্ত্র জমা দেয়াঃ
লাইসেন্সধারী ডিলার কর্তৃক বিধি (৩) এর আওতায় থানায় অস্ত্র, গোলবারুদ বা সামরিক সম্ভার জমা দেয়া হলে উপ-পরিদর্শক তা ১৯৩নং পিআরবি ফরমে ভুক্তকরত উপরোক্ত অনুচ্ছেদে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। কোর্ট সাব-ইন্সপেক্টর এবং লাইসেন্স সহকারী কর্তৃকও একই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। যদি জমাকৃত দ্রব্য এমন ব্যক্তির হয়, যিনি অন্য জেলার বাসিন্দা, সেক্ষেত্রে উক্ত জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি অবহিত করতে হবে।
৯৬। বাতিলকৃত লাইসেন্সের নবায়নের পদ্ধতিঃ
যদি কোন বাতিলকৃত লাইসেন্স পরবর্তীকালে নবায়ন করা হয়, যে অস্ত্রশস্ত্র মালখানায় জমা আছে, ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ স্বাক্ষরে কোর্ট সাব-ইন্সপেক্টরকে লাইসেন্সে অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রশস্ত্র হস্তান্তর করার আদেশ দেবেন এবং তাকে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও ১৯৩নং পিআরবি ফরমের তৃতীয় অনুলিপি প্রেরণ করবেন এবং নবায়নের ব্যাপারে লাইসেন্সধারীকে অবহিত করবেন। কোর্ট সাব-ইন্সপেক্টর অতঃপর সংশ্লিষ্ট থানায় অস্ত্রশস্ত্র লাইসেন্স, এবং তৃতীয় অনুলিপি (১৯৩নং পিআরবি ফরম) প্রেরণ করবেন।
উপ-পরিদর্শক ওগুলোর প্রাপ্তির স্বীকার করে সেগুলো নেয়ার জন্য লাইসেন্সধারীর জন্য পাঠাবেন। লাইসেন্সধারী রেজিস্টারে স্বাক্ষর প্রদান করে ওগুলো গ্রহণ করবে এবং উপ- পরিদর্শক তৃতীয় অনুলিপিটি প্রাপ্তি স্বীকার পৃষ্ঠাঙ্কিত করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন। যেক্ষেত্রে অস্ত্রশস্ত্র ডিলারের কাছে জমা দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে লাইসেন্সধারী নবায়নকৃত লাইসেন্স ম্যাজিস্ট্রেট অফিস থেকে গ্রহণ করবে এবং লাইসেন্স দেখিয়ে ডিলারের কাছ হতে এগুলো ফেরৎ নিবে।

৯৭। বাজেয়াপ্তকৃত এবং অপরিবর্তিত অস্ত্রশস্ত্রের ব্যবস্থাপন (ডিসপোজাল) :
সমরাস্ত্র অফিসে বা বিনাশ, নিলামে বিক্রি, পুলিশের ব্যবহারের জন্য বা অন্য কোন সরকারি বিভাগের ব্যবহারের জন্য হস্তান্তরের পূর্বে অস্ত্র আইনের আওতায় কাজ করার লক্ষ্যে ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বাজেয়াপ্ত এবং অপরিবর্তিত অস্ত্রশস্ত্রের নম্বর, বর্ণনা ইত্যাদি মালখানার রেজিস্টারের বর্ণনার সাথে মিলিয়ে দেখবেন।
ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির পর কোর্ট সাব-ইন্সপেক্টর পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।
অস্ত্র আইনের ১৬ ধারা এবং তদধীন প্রণীত বিধিমালা মোতাবেক জমাকৃত সকল অন্ত, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আরম্ভ করে তার পরবর্তী যখন ওগুলো জমা দেয়া হয়েছিল, এক পঞ্জিকা বছর মালখানায় জমা থাকবে অস্ত্র আইনের যা সাময়িকভাবে বলবৎ অন্য আইনের অধীনে বাজেয়াপ্ত করা অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার যা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত মালখানায় রাখা হয়েছে, সেগুলো যদি পুলিশ বা অন্য কোন সরকারি বিভাগ কর্তৃক কাজে লাগান যায় তবে স্থানীয় সরকারের অনুমোদন নিয়ে তা রেখে দেয়া ও ব্যবহার করতে পারবেন। এরূপ কোন অস্ত্র যদি এভাবে রেখে দেয়া না হয়, রিভলবার, পিস্তল এবং নিষিদ্ধ বোরের রাইফেল ব্যতীত ঐসকল অস্ত্র লাইসেন্সধারী বিক্রেতা বা অব্যাহতি অথবা লাইসেন্সের কারণে ওগুলো দখলে রাখতে অধিকারী ব্যক্তির নিকট নিলামে বিক্রয় করে দেয়া যেতে পারে।
ক্রেতাদের নাম-ঠিকানা পুলিশকে অবহিত করতে হবে, যেন তারা বিক্রয় যাচাই করতে সচেষ্ট হতে পারেন। মফস্বল এলাকায় এরূপ নিলাম বিক্রয় প্রত্যেক বছর জানুয়ারি মাসে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হওয়া বাঞ্ছনীয়। অবিক্রিত অস্ত্র, গোলাবারুদ বা সামরিক সম্ভার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা এতদুদ্দেশ্যে তার মনোনীত গেজেটেড কর্মকর্তার সামনে স্থানীয়ভাবে ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু নিষিদ্ধ বোরের সব রাইফেল, রিভলবার এবং পিস্তল অবশ্যই ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ মার্চের মধ্যে সমরাস্ত্র কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করতে হবে।
৯৮। শুল্ক কালেক্টর কর্তৃক বিক্রি:
বাজেয়াপ্তকৃত এবং সমুদ্র শুল্ক আইন, ১৮৭৮ এর আওতায় অখালাসকৃত বা অন্যভাবে দাবিদারহীন অস্ত্র এবং গোলাবারুদ শুল্ক কালেক্টরের মাধ্যমে লাইসেন্সধারী বিক্রেতার অব্যাহতি অথবা লাইসেন্সের কারণে এরূপ অস্ত্রশস্ত্র দখলে রাখতে অধিকারী ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করে দিতে হবে। ক্রেতাদের নাম-ঠিকানা পুলিশকে অবহিত করতে হবে, যেন তারা ঐগুলোর বিক্রয় যাচাই করতে অবকাশ পান। ৩০৩ এবং ৪৫০ এর ন্যায় নিষিদ্ধ বোরের রাইফেল-এর অন্তর্ভুক্ত নয় এরূপ অস্ত্রশস্ত্র সমরাস্ত্র বিভাগ কর্তৃক বর্তমান অনুচ্ছেদের অনুরূপ নিষ্পত্তি করতে হবে।

৯৯। দেওয়ানী আদালত কর্তৃক অস্ত্র বিক্রি:
বন্দুক বা অন্য অস্ত্র যার জন্য অস্ত্র আইনের আওতায় ক্রেতা কর্তৃক লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয়, এরূপ অস্ত্র যখনই ডিক্রি জারিতে প্রকাশ্য নিলামে বিক্রয় করা হয়, বিক্রয়ের আদেশদাতা আদালত ক্রেতাদের নাম-ঠিকানা এরূপ অস্ত্রের ডেলিভারী নেয়ার সময় এবং স্থান সম্পর্কে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে নোটিশ প্রদান করবেন, যেন পুলিশ অস্ত্র আইনের অবশ্য পূরণীয় শর্ত বলবৎ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে (হাইকোর্ট জেনারেল রুলস এবং সার্কুলার অর্ডারস (সিভিল) এর ১ অধ্যায়, বিধি ১০৭ দেখুন)।
১০০। ট্রেনে ও রেল অঙ্গনে পাওয়া দাবিদারহীন অস্ত্র এবং গোলাবারুদের ব্যবস্থাপনা:
ট্রেনে বা রেলওয়ে আঙ্গিনায় পাওয়া সকল অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সংশ্লিষ্ট রেল কর্মকর্তার এখতিয়ারাধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সম্ভব হলে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রেরণ করবেন।
পুলিশ ও অস্ত্র রেজিস্ট্রার। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১০১-১০৫ ] – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
এই সংস্করণে আরো সুন্দর ভাবে রূপ দেওয়া হইয়াছে। আইনটি সর্বশেষ সংশোধনসহ প্রকাশ করা হইয়াছে। পূর্বে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহের শেষে বাংলাদেশের উচ্চতর আদালতের উভয় বিভাগের সিদ্ধান্ত গুলি আইনের ধারা ওয়ারী ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধি মালার শেষেও নূতন করে বিধিওয়ারী সর্বশেষ সিদ্ধান্তগুলি ইংরেজী ভাষায় সংযোজন করা হয়েছে। ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনটিকে সংশোধন করিয়া উহার শেষে ধারাওয়ারী উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তগুলি সুন্দর ভাবে ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
![পুলিশ ও অস্ত্র রেজিস্ট্রার। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১০১-১০৫ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
পুলিশ ও অস্ত্র রেজিস্ট্রার
১০১। থানায় লাইসেন্সের তালিকা সরবরাহঃ
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ বাৎসরিক লাইসেন্সের তালিকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বরাবরে প্রেরণ করবেন।
১০২। পুলিশ হেফাজতে থাকা অস্ত্র মিলিয়ে দেখাঃ
থানার ভারপ্রাপ্ত প্রত্যেক কর্মকর্তা দায়িত্ব নেয়ার পর থানায় জমা থাকা অস্ত্র ১৯৩নং পিআরবি ফরমের বর্ণনা মোতাবেক ব্যক্তিগতভাবে মিলিয়ে দেখবেন এবং এতদমর্মে নিজ হাতে রেজিস্টারে একটা সার্টিফিকেট ভুক্তকরত তাতে স্বাক্ষর ও তারিখ দেবেন।
১০৩। প্রত্যেক সাব-ইন্সপেক্টরের মালাখানায় থাকা অস্ত্র মিলিয়ে দেখাঃ
প্রত্যেক কোর্ট সাব-ইন্সপেক্টর দায়িত্ব প্রাপ্তির পর মালখানার অস্ত্রের মজুদের সঙ্গে রেজিস্টার (১৯০ বেঙ্গল নির্বাহী ফরম) ব্যক্তিগতভাবে মিলিয়ে দেখবেন ও পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদ অনুসারে সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।
১০৪। [বাতিল)
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
১০৫। ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মালখানা পরিদর্শন:
লাইসেন্সের দায়িত্বে থানা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বছরে দু’বার মালখানা পরিদর্শন করতে হবে এবং মালখানায় মজুদ অস্ত্রের সাথে রেজিস্টার ও বাতিলকৃত লাইসেন্সের রেজিস্টারের মিলিয়ে করবেন।
বিক্রেতাদের দায়িত্ব, ঘরবাড়ি পরিদর্শন ও বিক্রি যাচাই – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
বিক্রেতাদের দায়িত্ব, ঘরবাড়ি পরিদর্শন ও বিক্রি যাচাই
১০৬। লাইসেন্সধারী বিক্রেতাদের বিস্ফোরক আইনে লাইসেন্স:
আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রেতা হিসেবে লাইসেন্স ছাড়াও বিস্ফোরক আইনে লাইসেন্স নেয়ার আবশ্যকতা রয়েছে। সাধারণত আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ বিক্রয়ের লাইসেন্স জেলা ও মহকুমা সদরের দোকানের জন্য ইস্যু করা হয়ে থাকে। জেলা কর্মকর্তাগণ কর্তৃক এমর্মে সন্তুষ্ট হতে হবে যে, বারুদ যে আধারে বা পাকা ঘরে মজুদ করা হয় সে আধার বা ঘর হতে উক্ত বারুদ যাতে চুরি থেকে রেহাই পায়। জেলা কর্মকর্তাদের শর্ত পূরণে ব্যর্থ ব্যক্তিদের লাইসেন্স অস্ত্র আইনের ১৮ ধারায় বাতিল করা যেতে পারে।

১০৭।-১০৮। [বাতিল]
১০৯। গোলাবারুদের পরিমাণ উল্লেখ না থাকলে বিধানঃ ‘ফরম-১৬’, ‘ফরম-১৮’ ও ‘ফরম-১৯’-এ ইস্যুকৃত লাইসেন্সে যদি গোলাবারুদের পরিমাণ উল্লেখ না থাকে তবে অস্ত্র বিক্রেতা গোলাবারুদ সরবরাহ করতে অস্বীকার করা বেআইনী হবে না, এমনকি সঠিকভাবে ফরম পূরণ করার জন্য লাইসেন্স ফিরিয়ে দিতে পারে।
১১০। [বাতিল]
১১১। নির্ধারিত রেজিস্টার:
বেঙ্গল নির্বাহী ফরম ১৮৬-ক, ১৮৭ এবং ১৮৮ (প্রাদেশিক অস্ত্র আইন ফরমের তফসিল আইটেম ১৪, ১৫ ও ১৬) কে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ বিক্রয়ের রেজিস্টার হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
১১২। কতিপয় অস্ত্রের রেজিস্টারঃ
অস্ত্র বিধিমালার ২৮ (৩) বিধি অনুযায়ী ৩০৩ বা ৪৫০ বোরের রাইফেল এবং ৪৪১, ৪৫৫ বা কোন মাধ্যমিক বোরের পিস্তল এবং রিভলভারের গোলাবারুদ বিক্রয় করতে অনুমোদিত ডিলারগণ প্রাদেশিক অস্ত্র আইনের ফরমে তফসিলের ১৮ ও ১৯নং আইটেম ও রেজিস্টির সংরক্ষণ করবেন।
১১৩। ডিলারের অঙ্গন, মজুদ এবং হিসেবে পরীক্ষার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা:
অস্ত্র বিধিমালার ২৮ (৪) বিধিমতে প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাব-ইন্সপেক্টর ও তার উপরের পুলিশ কর্মকর্তা তার এখতিয়ারের মধ্যে যে কোন লাইসেন্সধারী ডিলারের ঘর বাড়িতে ঢুকতে এবং তার মজুদও হিসেব করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
১১৪। [বাতিল]

১১৫। বিক্রয় এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ আমদানি:
গোলাবারুদ বিক্রয় প্রতিপাদন পুলিশ সুপার বা পুলিশ কমিশনারের বিবেচনায় পরবর্তীতে উল্লেখিত বিক্রিসমূহ সর্বদা যাচাই করা উচিত, যেমন-রাইফেল, পিস্তল ও রিভলবারের কার্টিজ, খালি বা বোঝাই ইত্যাদির বিক্রি, ১৫০ এর বেশি বোঝাই ৫০০ এর বেশি খালি বোর কার্টিজ বিক্রি। ১ সেরের বেশি বারুদ বিক্রয় ৫০০ এর বেশি পারকিউশান ক্যাপ বিক্রি, ৫ সেরের অতিরিক্ত বার্ডশট এবং সীসার বুলেট ও ১০ সেরের অতিরিক্ত সালফার বিক্রি।
১১৬। মাসিক বিবরণী:
অস্ত্র এবং গোলাবারুদের প্রত্যেক ডিলার ১৩০নং বেঙ্গল নির্বাহী ফরমে (প্রাদেশিক অস্ত্র আইনের ফরম তফশিল আইটেম ১৭) পুলিশ সুপারের বরাবরে মাসিক বিবরণী প্রদান করবেন, যা সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসে ১০ বছর সংরক্ষণ থাকতে হবে।
১১৭। [বাতিল)

১১৮। অবৈধ আদান-প্রদানের নজরদারি :
অবৈধ আদান-প্রদান ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে অত্যধিক গোলাবারুদের প্রত্যেক ব্যাপারে পুলিশ সুপার এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নজরদারি করবেন।
১১৯।-১২২ বাতিল]
গেম সুটিং – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
গেম সুটিং
১২৩। কতিপয় পাখি এবং প্রাণী শিকার বেআইনী:
বন্য পাখি এবং জন্তু রক্ষা আইন, ১৯১২ (১৯১২ সনের ৮নং আইন) ৩ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নিম্নের তালিকায় উল্লেখিত পাখি এবং জন্তু শিকার বেআইনী ঘোষণা করা হয়েছে।
![গেম সুটিং। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১০৬-১২২ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
তালিকা-ক
সারা বছরের জন্য
| পাখি |
|
জন্তু |
| লাফি থ্যাসেজ |
ক্রেটারোপডাইড |
|
| বাবলারসমূহ |
|
|
| হুইসলিথ্রাস |
|
|
| নুযাসেস |
সিটাইড |
|
| ড্রনগোচ |
ডিকরুরাইড |
|
| ক্রিপারার্স |
কারথাইড |
|
| রেনস্ |
|
|
| ওয়ারবলারস |
সাইলডাইড |
|
| সরিকস |
লানিডা |
স্ত্রী মহিষ, গণ্ডার, স্ত্রী বুনো ষাঁড়, সর্বপ্রকারের স্ত্রী হরিণ, স্ত্রী কৃষ্ণসার মৃগ, শৃঙ্গবিহীন বা মখ মহল তুল্য লোমে আবৃত পুরুষ হরিণ।
|
| মিনিভেড |
|
|
| ওরিওলস |
ওরিওলাইড |
|
| প্রেকলস |
ইউলবেটাইড |
|
| স্টারলিংস |
স্টারনাইড |
মহিলা সেরোওগুরাল গাজলা হরিণ |
| মাইনাজ |
|
|
| মাছি ধরা পাখি |
মিউজিকেপাইড |
|
| চ্যাটস্ |
|
|
| রবিনস্ এন্ড রেড |
টারটাইড |
|
| স্টারস থ্রাসেজ |
|
|
| ব্লাক বার্ড এবং ওউজেল |
|
|
| মারটিন এবং সোয়ালোজ |
হিরন ডিনাইড |
|
| ওয়ানটেইল |
মোটাজিন্সাইড |
|
| পিপিট |
|
|
| লারকস্ (ওরেটোলানস্) ছাড়া |
এলাউডাইড |
|
| সানবাউস |
নেকটারিনাইড |
|
| পিটাস |
পিটাইড |
|
| কাঠ ঠোকরানো পাখি |
পিসাইড |
|
| বি-ইটারস |
মেরোপাইড |
|
| হুপস |
ইউপুপাইড |
|
| সুইফটস্ |
সাইপসিলাইড |
|
| কোকিল |
কুকুলাইড |
|
| পেঁচা |
স্ট্রিগাইড |
|
| হেন ফ্লোরিকান |
এসিওনাইড |
|
| এডজুটান্ট |
লেপটোটিলাস্ট (ডুবিয়াস)। |
|
![গেম সুটিং। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১০৬-১২২ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
তালিকা-খ
বছরের অংশ
| পাখি |
জন্তু |
| সর্ব প্রকার পাতিহাঁস-১ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর |
পুরুষ বুনো ষাঁড়-১ মে থেকে ৩১ আগস্ট |
| পুরুষ ফ্লোরিকারন-১০ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর |
শৃঙ্গসহ পুরুষ হরিণ-১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর
|
| জঙ্গলি মোরগ/মুরগি-১০ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর |
পুরুষ কৃষ্ণসার মৃগ-১ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর
|
| তিতির পক্ষি (ফে জ্যান্ট)-১৫ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর |
খোরগোশ-১ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর |
| সকল পায়রা এবং-১ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ময়ূর/ময়ূরী |
স্ত্রী সেরো এবং গুরাল-১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর
|
ওরটোলেন-১ এপ্রিল থেকে ৩১ আগস্ট
|
|
ছোট সারক এবং গো-১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট সারক (ক্যাটল এগরেট)
|
|
মাছরাঙা-১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে
|
|
![গেম সুটিং। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১০৬-১২২ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2024/01/আইন-২.jpg)
১২৪। শিকারীদের সতর্কীকরণ:
সরকার শিকারীদের নিম্নরূপ সতর্কতা অবলম্বন করার আদেশ প্রদান করেছেনঃ
(১) ফসল আছে এরূপ শস্যক্ষেত্রে মালিকের অনুমতি ব্যতীত অনধিকার প্রবেশ করা যাবে না।
(২) ময়ূর/ময়ূরী বা অন্য পাখি এবং জন্তু যা পবিত্র বিবেচনা করা হয়, তা গ্রামের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বা বাসস্থানে শিকার করা যাবে না।
(৩) কুকুর এবং শুকুরের মত গৃহপালিত পশু শিকার করা যাবে না।
(৪) গ্রাম, মন্দির বা মসজিদের সন্নিকটে শিকার করা যাবে না।
বার্ষিক প্রতিবেদন – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
বার্ষিক প্রতিবেদন
১২৫। বার্ষিক প্রতিবেদন:
অস্ত্র আইনের কার্যাদির উপর প্রত্যেক পঞ্জিকা বর্ষের জন্য নিম্নরূপ বার্ষিক বিবরণী প্রেরণ করতে হবে:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ অনুসারে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে তা সরকারের বরাবরে দাখিল করতে হবে। প্রতিবেদনটি হবে পঞ্জিকা বর্ষের জন্য এবং তা ১ মার্চ বা তার পূর্বে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিভাগীয় কমিশনারের বরাবরে পেশ করতে হবে। বিভাগীয় কমিশনার তার বিভাগের একত্রীকৃত প্রতিবেদন ৩০ এপ্রিল বা তার পূর্বে সরকারের বরাবরে দাখিল করবেন। পঞ্চায়েত বা অন্যদের মধ্যে বিলিকৃত সরকারি বন্দুকের বিবরণীও উক্ত প্রতিবেদনে থাকতে হবে। বিপুল সংখ্যক বন্দুক বিলির ক্ষেত্রে বাকেরগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এতদ্বিষয়ে বিবরণী সন্নিবেশ করতে হবে। প্রতিবেদনটিতে-
(ক) অস্ত্র আইনের ১৬ ধারার আওতায় বিধিমালার কার্যক্রমের উপর; এবং
(খ) লাইসেন্স খাতে আদায়কৃত মোট টাকার বিবরণীও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
![বার্ষিক প্রতিবেদন । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ অনুচ্ছেদ ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
১৯………….সনের অস্ত্র আইনের কার্যাবলীর উপর বার্ষিক
প্রতিবেদনের নমুনা
…………..জেলা
…………..বিভাগ।
অনুচ্ছেদ-১ঃ প্রস্তুতকরণ
অনুচ্ছেদ-২ঃ বিক্রি এবং প্রতিপাদন
অনুচ্ছেদ-৩ঃ অস্ত্র এবং গোলাবারুদের মজুদ ও বিক্রি
অনুচ্ছেদ-৪ঃ অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং লাইসেন্স
অনুচ্ছেদ-৫ঃ মামলা ও বাজেয়াপ্তকরণ
অনুচ্ছেদ-৬ঃ পুরস্কার
অনুচ্ছেদ-৭ঃ চুরি
অনুচ্ছেদ-৮ঃ বিবিধ

অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
এই সংস্করণে আরো সুন্দর ভাবে রূপ দেওয়া হইয়াছে। আইনটি সর্বশেষ সংশোধনসহ প্রকাশ করা হইয়াছে। পূর্বে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহের শেষে বাংলাদেশের উচ্চতর আদালতের উভয় বিভাগের সিদ্ধান্ত গুলি আইনের ধারা ওয়ারী ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধি মালার শেষেও নূতন করে বিধিওয়ারী সর্বশেষ সিদ্ধান্তগুলি ইংরেজী ভাষায় সংযোজন করা হয়েছে। ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনটিকে সংশোধন করিয়া উহার শেষে ধারাওয়ারী উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তগুলি সুন্দর ভাবে ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
অস্ত্র বিধিমালার বিশেষ দিকসমূহ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
এই সংস্করণে আরো সুন্দর ভাবে রূপ দেওয়া হইয়াছে। আইনটি সর্বশেষ সংশোধনসহ প্রকাশ করা হইয়াছে। পূর্বে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহের শেষে বাংলাদেশের উচ্চতর আদালতের উভয় বিভাগের সিদ্ধান্ত গুলি আইনের ধারা ওয়ারী ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধি মালার শেষেও নূতন করে বিধিওয়ারী সর্বশেষ সিদ্ধান্তগুলি ইংরেজী ভাষায় সংযোজন করা হয়েছে। ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনটিকে সংশোধন করিয়া উহার শেষে ধারাওয়ারী উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তগুলি সুন্দর ভাবে ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
অস্ত্র বিধিমালার বিশেষ দিকসমূহ
পরিশিষ্ট-১
যেসব ব্যক্তিদের লাইসেন্স প্রয়োজন এবং যারা অব্যাহতিপ্রাপ্ত:
অস্ত্র আইনের ধারাসমূহ লাইসেন্স ব্যতীত অস্ত্র রাখা ও বহন করা নিষিদ্ধ করেছে, ঐ ধারাসমূহের কার্যকারিতা থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য সব ব্যক্তি যারা অস্ত্র বা গোলাবারুদ রাখতে বা ক্রয় করতে চান তাদের লাইসেন্স নেয়া আবশ্যক। এরূপ অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের তালিকা বিধিমালার তফশিল-১ এ প্রদান করা হয়েছে, যা নিম্নলিখিত শর্তসাপেক্ষে হয়ে থাকে:
(ক) যে অস্ত্র সম্পর্কে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে তার সংখ্যা ও বর্ণনা স্থানীয় সরকার ভিন্ন আদেশবলে সীমাবদ্ধ করতে পারেন। ঐরূপ সীমার বাইরে অস্ত্রের জন্য লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে।
(খ) স্থানীয় সরকার যেরূপ নির্ধারণ করবেন সেরূপে সকল আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রি করতে হবে।
(গ) আগ্নেয়াস্ত্র বা গোলাবারুদ হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে সে সম্পর্কে নিকটবর্তী থানায় বিষয়টি অবহিত করতে হবে।
(ঘ) ডাকঘরের মাধ্যমে অস্ত্র বা গোলাবারুদ আমদানি করার বিধান নেই।
![অস্ত্র বিধিমালার বিশেষ দিকসমূহ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [পরিশিষ্ট-১]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
যেসব অস্ত্রের জন্য লাইসেন্স প্রয়োজন এবং বিভিন্ন প্রকার লাইসেন্স:
সাধারণভাবে বলতে গেলে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যতীত অন্য অস্ত্র যেমন তরবারি, গুপ্তি, বর্শা প্রভৃতির জন্য লাইসেন্সের দরকার হয় না, যদিও এমন হতে পারে কোন নগর বা জেলার স্থানীয় সরকার বিশেষ আদেশবলে এগুলোর জন্য লাইসেন্স নেয়ার আদেশ দিতে পারেন। অবশ্য এরূপ আদেশ কোন জরুরি অবস্থার সময় দেয়া হয় এবং জরুরি অবস্থা সমাপ্ত হলে তা রদ করা হয়, যার বিস্তারিত বিবরণ অস্ত্র বিধিমালার ৪র্থ তফশিলে বর্ণিত হয়েছে। লাইসেন্সের জন্য দরখাস্তের পূর্বে আবেদনকারীকে ঠিক করতে হবে কোন ধরনের লাইসেন্স তার প্রয়োজন।
লাইসেন্সের ধরন:
কোন নির্দিষ্ট স্থানে পিস্তল ও রিভলবার ব্যতীত অস্ত্র এবং গোলাবারুদ রাখার জন্য লাইসেন্স প্রদান করা যেতে পারে, যা অস্ত্র সজ্জা করার জন্য ব্যবহৃত হবে না। অপরপক্ষে লাইসেন্সধারীকে শিকার, রক্ষা ও প্রদর্শনীর জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার এবং অস্ত্র সজ্জা করার লাইসেন্স প্রদান করা যাবে। মানুষ, গবাদি পশু এবং শস্যের ক্ষতি করতে পারে এরূপ বন্য প্রাণী মারার লক্ষ্যে অস্ত্র দখলে রাখার ও অস্ত্র সজ্জিত হবার লাইসেন্স প্রদান করা হয় এমনকি ভ্রমণকালীন অস্ত্রে সজ্জিত হবার লাইসেন্স প্রদানের বিধান আইনে রয়েছে।
যেসব ব্যক্তি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারে:
সরকার তদন্ত ছাড়া লাইসেন্স মঞ্জুরীর কিছু যোগ্যতা নির্ধারণ করেছেন, যা নিম্নোক্ত ধরনের হতে পারে:
(ক) রাজপদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোন ‘অর্ডার’ এর সদস্যপদ বা সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বা অনুমোদিত খেতাবের বা কাইছারে হিন্দ বা সম্মানসূচক সার্টিফিকেটের অধিকারী,
(খ) কেন্দ্রীয় বা প্রাদেশিক পরিষদের বর্তমান বা অতীতের সদস্যপদ;
(গ) ন্যূনতম পাঁচশত টাকা ভূমি রাজস্ব বা একশত টাকা সড়ক বা পূর্তকর বা আয়কর প্রদান;
(ঘ) বেতন একশত টাকার নিম্নে নয় এরূপ সরকারি কর্মকর্তা;
(ঙ) হিজ ম্যাজেস্ট্রি, নৌ, সেনা, বিমান বাহিনীর গেজেটেড কর্মকর্তা, ম্যারিন বা ইমপেরিয়াল সার্ভিস ট্রুপের কর্মরত কর্মকর্তা;
(চ) পেনশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যিনি কর্মরত থাকা অবস্থায় ‘ঘ’ বা ‘ঙ’ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
![অস্ত্র বিধিমালার বিশেষ দিকসমূহ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [পরিশিষ্ট-১]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
অধিক প্রয়োজনীয় লাইসেন্স:
সরকারি তদন্ত বহির্ভূত যে লাইসেন্স সাধারণভাবে অধিক প্রয়োজন হয়ে থাকে, তাহলো লাইসেন্সধারী শিকার, রক্ষণ ও প্রদর্শনীর জন্য অস্ত্র অধিকারে রাখা সম্পর্কে এবং অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যেতে পারে সে ধরনের লাইসেন্স। এরূপ লাইসেন্স ‘ফরম-১৬’-এর মাধ্যমে প্রদান করা হয় এবং লাইসেন্স পেতে ইচ্ছুক ব্যক্তি তার নিকটতম জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বরাবরে ব্যক্তিগতভাবে বা ডাকযোগে দরখাস্ত করতে পারে।
ফিস: আরোপযোগ্য ফিস ৮ম তফশিলে প্রদত্ত হয়েছে, সাধারণভাবে তাহলো:
(ক) ১টা ব্রীচ লোডিং রিভলবার বা পিস্তলের ফিস-১০০ টাকা।
(খ) অন্য যে কোন ব্রীচ লোডিং অস্ত্রশস্ত্রের জন্য-৭৫ টাকা
(গ) অন্য যে কোন অস্ত্রশস্ত্র- ৪০ টাকা।
এসব ফিস প্রথমবারের জন্য গণ্য হবে, কিন্তু এগুলো নবায়নের ফিস যথাক্রমে ৫০, ৪০ ও ২৫ টাকা।
যাদের ফিস প্রদান আবশ্যক নয় এবং কিভাবে ফিস দিতে হবে:
অতীত এবং বর্তমান সামরিক বা বেসামরিক চাকরির জন্য কতিপয় লোককে ফিস দেয়া হতে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে, যেগুলোর সবিস্তারিত বিবরণ তফশিল-৭ এ দেয়া হয়েছে। আবেদনকারী স্বেচ্ছাক্রমে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বা নগদে ফিস দিতে পারে।
লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত এলাকা এবং বৈধতার মেয়াদ:
ইস্যু করার তারিখ হতে এক বছর মেয়াদের জন্য ‘ফরম-১৬’ অনুসারে লাইসেন্স যে জেলায় মঞ্জুর করা হয় সে জেলায় বৈধ থাকে। বাৎসরিক অসুবিধা এড়াবার জন্য কোন ইচ্ছুক ব্যক্তি ৩ বছরের জন্য লাইসেন্সের আবেদন করতে পারেন, যার জন্য মিশ্রিত ফিস প্রদান মঞ্জুর করা হবে। এ ফরমে লাইসেন্স এক জেলা থেকে অন্য জেলায় প্রায়শঃই ভ্রমণ করে থাকে এরূপ লোকের জন্য বৈধভাবে প্রদান করা যেতে পারে।
অধিকার রক্ষিত গোলাবারুদের পরিমাপের উপর বিধিনিষেধ:
২২ বোর ছাড়া রিভলবার, পিস্তল এবং রাইফেলের জন্য লাইসেন্সধারী এককালীন যেসব গোলাবারুদ অধিকারে রাখতে পারবে বা লাইসেন্সে বৈধতার মেয়াদের মধ্যে রাখতে পারবে তা লাইসেন্সে ভুক্তি করে দিতে হবে। এর সংখ্যা স্থানীয় সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হবে এবং বিক্রয়ের সময় বিক্রেতা কর্তৃক তা লাইসেন্স ফরমে ভুক্তি করতে হবে। ৩০৩ বা ৪৫০ বোরের রাইফেল এবং ৪৪১, ৪৫৫ বা অন্য কোন মাধ্যমিক বোরের পিস্তল বা রিভলবার ব্যতীত অন্য যে সকল অস্ত্রের উপর কোন বিধিনিষেধ নেই বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক ক্রয় করা হয়েছে সেসব লাইসেন্সে অনুরূপ ভুক্তির আবশ্যকতা নেই।
ভ্রমণকালীন লাইসেন্স:
যেক্ষেত্রে ইস্যুকারী লাইসেন্স বৈধ এবং লাইসেন্সধারী তার রিটেইনারসহ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভ্রমণে যাবার জন্য অভিপ্রেত করেছেন, সেক্ষেত্রে রিভলবার এবং পিস্তল ব্যতীত অন্য অস্ত্রের ক্ষেত্রে। টাকার ফিস দিয়ে এবং রিভলবার ও পিস্তলের জন্য পিস্তল ব্যতীত অন্য অস্ত্রের ক্ষেত্রে।টাকার ফিস দিয়ে এবং রিভলবার ও পিস্তলের জন্য ১০০ টাকা ফিস দিয়ে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এসব লাইসেন্স পুলিশ কমিশনার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ হতে দরখাস্তের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। যে কর্মকর্তা দরখাস্ত গ্রহণ করবেন দরখাস্তকারী যদি তার পরিচিত না হয় তবে বা ঐ জেলার অধিবাসী না হলে দরখাস্তকারীর জেলায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।
ভ্রমণকালীন লাইসেন্স দিয়ে উক্ত সময়ে শিকার করা যাবে না। যে ব্যক্তি ভ্রমণকালীন শিকারে অস্ত্র নিয়ে যেতে ইচ্ছুক তার দ্বারা উক্ত লাইসেন্সকে দেশের সর্বত্র বৈধ করে নিতে হবে।
লাইসেন্সের শর্তাবলী: লাইসেন্সের শর্তাবলী লাইসেন্স ফরমে প্রদত্ত হয়েছে। উক্ত শর্তসমূহ লঙ্ঘন করা হলে তা অস্ত্র আইনে অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং এর জন্য লাইসেন্সধারী ফৌজদারিতে সোপর্দ হতে বাধ্য। উক্ত শর্তসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো অস্ত্র ও গোলাবারুদ চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে নিকটবর্তী থানায় সংবাদ দিতে হবে, এমনকি যদি তা বিশেষভাবে অনুমোদিত না হয় তবে এগুলো কোন মেলা, ধর্মীয় শোভাযাত্রা বা জনসমাবেশে নেয়া যাবে না।
লাইসেন্স নবায়ন:
অস্ত্র অধিকারে রাখা এবং অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যাবার জন্য সাধারণত লাইসেন্স এক হতে তিন বছরের জন্য প্রদান করা হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার আগেই নবায়নের জন্য যে কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স মঞ্জুর করেছে তার বরাবরে বা নিকটবর্তী জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বরাবরে দরখাস্ত পেশ করা বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স নবায়নের প্রাক্কালে সাধারণত অস্ত্র উপস্থাপন করার জন্য বলা হয় না, যদিও কর্তৃপক্ষের আবশ্যকতা বিবেচনায় তা করা আইনসঙ্গত।
নবায়নের সকল দরখাস্তের সাথে মূল লাইসেন্স থাকতে হবে। নবায়নের আবেদন ব্যক্তিগতভাবে করতে হবে, যদি উক্ত কাজ উচিত তবে ডাকযোগে করা হলে তাতে কোন আপত্তি থাকে না। উল্লেখ্য যে, “মজেল লোডিং” আগ্নেয়াস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্রের জন্য নবায়ন ফিস মূল ফিসের অর্ধেক গণ্য হয়। যদিও মেয়াদ উত্তীর্ণের ত্রিশ দিনের মধ্যে বিলম্বের সন্তোষজনক কারণ যদি না থাকে তবে কর্তৃপক্ষের ইচ্ছা সাপেক্ষে মূল ফিস ধার্য হবে।

সমুদ্র পথে দেশে পৌঁছেন এরূপ ভ্রমণকারীদের জন্য ব্যবস্থা:
ব্যক্তিগত মালামালের অংশ হিসেবে বেসরকারি ব্যক্তিদের অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে দেশে অস্ত্র দখলে রাখার লাইসেন্স যদি পূর্বেই নেয়া না হয়ে থাকে বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত হয়ে থাকে, তবে তা খালাস করতে কোন বাধা নেই। অধিকারে রাখার লাইসেন্স না থাকলে বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত না হলে খালাসের বন্দর থেকে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য প্রতি অস্ত্রের জন্য এক টাকা ফিস দিয়ে বন্দরস্থ পুলিশ কমিশনার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ হতে অস্থায়ী অধিকারে রাখার লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু গন্তব্যস্থানে পৌছার পর তার নিয়মিত লাইসেন্স নেয়া আবশ্যক। অস্থায়ী লাইসেন্স বন্দরে পৌছার প্রাক্কালে প্রতিনিধির মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তির পক্ষে লাইসেন্স নেয়া যাবে।
নিষিদ্ধ বোরের রাইফেল, রিভলবার এবং পিস্তল: ৩০৩ এবং ৪৫০ বোরের রিভলবার বা ৪৫১, ৪৫৫ বা কোন মাধ্যমিক বোরের পিস্তল সরকারের বিশেষ অনুমোদন ব্যতীত দেশে আমদানি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং এরূপ অনুমোদন শুধু বিশেষ কারণের প্রেক্ষিতে প্রদান করা যেতে পারে।
রপ্তানি লাইসেন্স: কোন বেসরকারি লোক দেশের বাইরে অস্ত্র সাথে নিয়ে যেতে বা পাঠাতে চান তবে তার জন্য কোন লাইসেন্সের আবশ্যকতা নেই, যদিও শর্ত থাকে যে, ঐসব অস্ত্র যুক্তিসঙ্গত পরিমাণের হতে হবে এবং এগুলোর জন্য দেশে লাইসেন্স থাকতে হবে বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত হতে হবে।
অস্ত্র আইন সংশ্লিষ্ট বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর নির্বাচিত ধারাসমূহ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
অস্ত্র আইন সংশ্লিষ্ট বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর নির্বাচিত ধারাসমূহ
ধারা-২৬। অস্ত্র আইনের আওতায় অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করতে হবে:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে অন্যরূপ বিধান থাকলেও অত্র আইনের তফশিলে নির্ধারিত অপরাধসমূহ (২) উপধারার বিধান মোতাবেক গঠিত কেবলমাত্র বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।
(২) প্রত্যেক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ তার নিজস্ব দায়রা বিভাগের মধ্যে অত্র আইনের আওতায় বিচারযোগ্য মামলাসমূহের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হিসেবে বিবেচিত হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, অত্র আইনের তফশিলের ৩ এবং ৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য সরকার এরূপ এলাকাগুলোর জন্য সরকার যেরূপ নির্ধারণ করেন এক বা একাধিক অতিরিক্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবেন এবং এরূপভাবে গঠিত অতিরিক্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এমন এক সদস্যবিশিষ্ট হবেন, যিনি একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা একজন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) দায়রা জজ সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে এক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল থেকে অন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনালে যেকোন মামলা স্থানান্তর করতে পারবেন।

ধারা-২৭। বিশেষ ট্রাইব্যুনালসমূহের কার্যধারা:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ কিংবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইনে ট্রাইব্যুনাল অত্র আইনের বিধান মোতাবেক বিচারযোগ্য কোন অপরাধ আমলে নিতে পারেন, কিন্তু সাব-ইন্সপেক্টরের নিম্নপদস্থ নয় এরূপ পুলিশ কর্মকর্তার লিখিত প্রতিবেদন ছাড়া এরূপ কোন অপরাধ আমলে নিবেন না।
(২) কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ ঐ ব্যক্তি বর্তমানে যেখানে আছে অথবা অপরাধ বা তার কোন অংশবিশেষ যেখানে সংঘটিত হয়েছিল সেস্থানের এখতিয়ারবান যেকোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বরাবরে আইন মোতাবেক বিচারযোগ্য এরূপ কোন অপরাধ সম্পর্কিত কার্যধারা গ্রহণ করা হবে।
(৩) একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সেরূপ সময়ে বা স্থানে বসতে পারেন যেরূপ তিনি উপযুক্ত মনে করেন অথবা সরকার যেরূপ নির্দেশ প্রদান করেন।
(৪) অত্র আইনের বিধান মোতাবেক বিচারকারী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠান করবেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধিতে মামলার সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য যে পদ্ধতি বর্ণিত রয়েছে তা অনুসরণ করবেন।
(৫) একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোন কারণে বিচার মূলতবি করতে পারবেন না, যদি না ঐরূপ মুলতবি তার মতামত অনুযায়ী ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন।
(৬) যদি কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন আসামী পলাতক বা আত্মগোপন করেছে যাতে তাকে আশু গ্রেফতার করা না যায় এবং বিচারের জন্য আদালতে হাজির করা না যায়, সেক্ষেত্রে এতদ্বিষয়ে সরকারি গেজেটে প্রকাশিত আদেশের মাধ্যমে এবং যেরূপ মনে করেন সেরূপ পদ্ধতিতে, এমন ব্যক্তিকে ঐরূপ সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল-এর সামনে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারবেন, যা আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখ হতে ত্রিশ দিনের কম নয়, যেরূপ তথায় উল্লেখ থাকে এবং এরূপ ব্যক্তি যদি সেরূপ নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হয় তবে তার অনুপস্থিতি অবস্থায়ই তার বিচার করা যাবে।
(৬-ক) যেখানে একটি মামলায় আসামী ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্তি লাভ করার পর, আসামী পালিয়ে যায় বা এর সামনে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়, তবে ৬ দফায় উল্লেখিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং ট্রাইব্যুনাল কারণ উল্লেখপূর্বক আসামীর অনুপস্থিতেই তার বিচারকার্য সম্পন্ন করবেন।
(৭) কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আবেদনের ভিত্তিতে বা স্বেচ্ছায় অত্র আইনের আওতায় অপরাধ বিষয়ক বিচারযোগ্য যেকোন মামলায় অতিরিক্ত তদন্তের জন্য এবং নির্দেশে যেরূপ উল্লেখ থাকে সেই মেয়াদের আওতায় প্রতিবেদন প্রদানের জন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিতে পারবেন।
ধারা-২৮। বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অথবা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে অন্যরূপ বিধান থাকা সত্ত্বেও-
(ক) একজন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-এর দ্বারা দোষী সাব্যস্ত কোন ব্যক্তিকে অপরাধ শাস্তির জন্য আইনে অনুমোদিত যেকোন দণ্ড প্রদান করতে পারবেন।
(খ) একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তার দ্বারা দোষী সাব্যস্ত কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সাত বছর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং দশ হাজার টাকার অধিক জরিমানা ব্যতীত অপরাধের শাস্তির জন্য আইনানুমোদিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন।
ধারা-২৯। বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যধারায় ফৌজদারি কার্যবিধির প্রয়োগ:
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলী যতদূর অত্র আইনের বিধানাবলীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় ততদূর পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের কার্যধারার প্রয়োগ সীমিত থাকবে এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালসমূহ সেরূপ সমুদয় ক্ষমতার অধিকারী হবেন, যা মূল এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের উপর উক্ত বিধি দ্বারা ন্যস্ত করা হয়েছে এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ পরিচালনারত ব্যক্তিকে একজন পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ধারা-৩০। আপীল এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের যেকোন আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে প্রদানকৃত বা প্রচার করার ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল দায়ের করা যাবে।
(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন, সেক্ষেত্রে কার্যধারা অবিলম্বে হাইকোর্ট বিভাগে দাখিল করতে হবে এবং ঐ বিভাগ কর্তৃক যদি এর অনুমোদিত না হয়, তবে দণ্ড কার্যকর করা যাবে না।
ধারা-৩০ক। কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯ অধ্যায়ের বিধানাবলীর অক্ষুণ্ণ রেখে সরকার যেকোন সময় এ আপীলের আওতায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যেকোন দণ্ড মওকুফ করতে পারেন, সাময়িকভাবে স্থগিত করতে পারেন বা হ্রাস করতে পারবেন।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
ধারা-৩১। নতুন করে (De Nove Trial) বিচারে বাধা:
যদি অন্যবিধ সিদ্ধান্ত না হয় তবে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, যে সাক্ষ্য ইতিমধ্যে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে পুনঃতলব বা পুনঃশুনানি করতে বা যে কার্য ধারা ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনঃআরম্ভ করতে বাধ্য থাকবে না এবং ইতিমধ্যে প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করতে বা মামলা যে স্তরে পৌঁছেছে সেত্তর হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারবেন।
ধারা-৩২। অপরাধসমূহ আমলযোগ্য এবং জামিন অযোগ্য হবে:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে অন্য কোনরূপ বিধান থাকলে-
(ক) অত্র আইন অনুযায়ী বিচারযোগ্য সকল অপরাধ আমলযোগ্য হবে;
(খ) (১৯৭৭ সালের ৪০নং অধ্যাদেশ দ্বারা বাদ দেয়া হয়েছে)
(গ) অত্র আইনের আওতায় অভিযুক্ত বা দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি হেফাজতে থাকে, তাহলে তাকে জামিনে বা তার নিজের মুচলেকায় দেয়া যাবে না যদি না-
(।) এরূপ মুক্তির আবেদনপত্র সম্পর্কে বাদীপক্ষ শুনানির সুযোগ পেয়ে থাকে; এবং
(।।) যেক্ষেত্রে বাদীপক্ষ এরূপ আবেদনপত্রের বিরোধিতা করে, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বা আদালত এমর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আসামী ঐ অপরাধের জন্য অপরাধী নয় বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।
ধারা-৩৪ক। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরীকরণ :
যখন কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়, সেই দণ্ডাদেশ কার্যকর করার জন্য সে না মারা যাওয়া পর্যন্ত, তার গলায় রশি ঝুলিয়ে রাখতে হবে বা গুলি করে মারার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যে ধরনের নির্দেশ প্রদান করবেন ঐ প্রকারে তা কার্যকর করতে হবে।
ধারা-৩৪খ। অন্যান্য সমস্ত আইন বাতিল করার আইন:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও অত্র আইনের বিধানাবলীর কার্যকারিতা বজায় থাকবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
বিশেষ ক্ষমতা আইনের তফশিল
(২৬ ধারা দেখুন)
১। অত্র আইনের আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ।
২। (১৯৭৭ সালের ৪০নং অধ্যাদেশ দ্বারা বাতিল করা হয়েছে)।
৩। অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ (১৮৭৮ সনের ১১নং আইন) এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ।
৪। বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৬নং আইন) এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ।
৪-ক। জরুরি আইন, ১৯৭৫ (১৯৭৫ এর ১নং আইন) এর আওতায় প্রণীত কোন বিধির অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ এরূপ বিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ।
৪-খ। নারী নির্যাতন (নিবর্তক শাস্তি) অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ (১৯৮৩ এর ৬০নং অধ্যাদেশ) এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ।
৪-গ। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (১৮৬০ এর ৪৫নং আইন) ৩৭৬, ৩৮৫ এবং ৩৮৭ ধারার অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ।
৫। (১৯৭৭ সালের ৪০নং অধ্যাদেশ দ্বারা বাদ দেয়া হয়েছে)।
৬। উপরোক্ত অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টা করা বা ষড়যন্ত্র করা বা সংঘটনের জন্য সহায়তা দেয়া বা প্রস্তুতি গ্রহণ করা।
অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন, সার্কুলার ও আদেশ – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন, সার্কুলার ও আদেশ
১। লাইসেন্স ইস্যু সম্পর্কিত সার্কুলার
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪র্থ
স্মারক নং আগ্নে-৭/৯৩ (রাজ-৪) ৭২
তারিখঃ ২৮/২/৯৩ইং
বিষয়: মার্চ, ১৯৮২ হতে ডিসেম্বর, ১৯৯০ সন পর্যন্ত সময়ে মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সধারীদের আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স পাবার যোগ্যতা ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের যথার্থতা পুনরীক্ষণ প্রসঙ্গে।
উপরোক্ত বিষয়ে নিম্নস্বাক্ষরকারী উদ্দিষ্ট হয়ে জানাচ্ছেন যে, মার্চ ১৯৮২ হতে ডিসেম্বর ১৯৯০ সন পর্যন্ত সময়ে ইস্যুকৃত আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও আগ্নেয়াস্ত্র পুনরীক্ষণের জন্য সরকার নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
(ক) সকল জেলা প্রশাসক মার্চ, ১৯৮২ হতে ডিসেম্বর, ১৯৯০ সন পর্যন্ত যে সকল ব্যক্তির অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে তাদের নাম ও ঠিকানা সম্বলিত একটি তালিকা তাদের জেলা প্রত্যেক এসবি এবং এনএসআই কার্যালয়ে প্রেরণ করবেন।এসবি এবং এনএসআই এই তালিকায় বর্ণিতদের সামাজিক ও আর্থিক অবস্থার বিবেচনায় আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স পাবার যোগ্যতা ও আগ্নেয়াস্ত্র অবৈধভাবে ব্যবহৃত হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে তাদের মন্তব্যসহ জেলা প্রশাসকগণের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
যে সব ক্ষেত্রে বিরূপ তথ্য পাওয়া যাবে সংস্থাদ্বয় কেবলমাত্র সেগুলোর তালিকার একটি অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও প্রেরণ করবে। জেলা প্রশাসকগণ এসবি এবং এনএসআই’র প্রতিবেদন পরীক্ষা করে যে সকল আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সধারী বা আগ্নেয়াস্ত্র মালিক লাইসেন্সের শর্তাবলী লঙ্ঘন করেছেন মর্মে নিশ্চিত হবেন তাদের লাইসেন্স আইনানুগভাবে বাতিলসহ অস্ত্র আইনের বিধান অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করবেন এবং গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন।
(খ) সংস্থাদ্বয় আগামী ৩১/৫/১৯৯৩ তারিখের মধ্যে তাদের তদন্ত সমাপ্ত করবেন।
(গ) জেলা প্রশাসকগণ এই বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রতি মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন।
(২) উপরোক্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সত্বর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা হল।
![অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন, সার্কুলার ও আদেশ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [পরিশিষ্ট-৩]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
(এম. এইচ. ফরহাদ খান)
সিনিয়র সহকারী সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪র্থ
নং স্বঃ মঃ (রাজ-৪) আগ্নে-৭/৯৩/১৪৩
তাং ০৬-০৪-‘৯৩ ইং / ২০-১২-‘৯১ বাংলা
বিষয়: মার্চ, ১৯৮২ হতে ডিসেম্বর, ১৯৯০ সন পর্যন্ত সময়ে মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সধারীদের আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স পাবার যোগ্যতা ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের যথার্থতা পুনরীক্ষণ প্রসঙ্গে।
সূত্র: অত্র মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং আগ্নে-৭/৯০ (রাজ-৪)/৭২ তারিখঃ ২৮-২-৯০ ইং) উপরোক্ত বিষয় ও সূত্রের বরাতে নিম্নস্বাক্ষরকারী আদিষ্ট হয়ে জানাচ্ছেন যে, সূত্রোরক্ষিত স্মারকের (গ) অনুচ্ছেদে এই সম্পর্কে গৃহীত ব্যবস্থার প্রতিবেদন প্রতি মাসে অত্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের কথা থাকলেও অদ্যাবধি কোন প্রতিবেদন পাওয়া যায় নি। এমতাবস্থায় নিম্নের ছক অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সম্বলিত প্রতিবেদন প্রতি মাসে জরুরি ভিত্তিতে প্রেরণ করতে অনুরোধ করা হল।
আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। ফলে আগ্নেয়াস্ত্রের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে সংশয়মুক্ত হওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়াও কর্তৃপক্ষকে অবহিত না রেখে আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রয় করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অবস্থায় সরকার নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
(ক) টিবিসি বা সরকার অনুমোদিত অন্য কোন সংস্থার নিকট হতে ক্রয়কৃত আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স এন্ট্রি করার তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বছরের মধ্যে বিক্রয়, হস্তান্তর বা দান করা যাবে না।
(খ) বিদেশ হতে আমদানিকৃত/ক্রয়কৃত বা উপহার/দান/হিসেবে প্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স এন্ট্রি করার তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বছরের মধ্যে বিক্রয়, হস্তান্তর বা দান করা যাবে না।
(গ) বৈধ লাইসেন্সের আওতাধীন আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রয় সম্পর্ক ক্রেতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত রাখতে হবে। অন্যথায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(২) এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
(৩) সরকারের উপরোক্ত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
স্বাক্ষর
(এম. এইচ, ফরহাদ খান)
সিনিয়র সহকারী সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪র্থ
স্মারক নং-এফ, এ-৩৩-৮২ (পল-৪) ৬১৪
তারিখঃ ঢাকা ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৩।
অফিস স্মারক (মেমোরেনডাম)
বিষয়: আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু।
উপরোক্ত বিষয়ের অত্র মন্ত্রণালয়ের ৬/৪/৮২ তাং ২ এ-৩ এ/৭৯ পল (২য়)/১৯৪ (২১) নং ও, এম-এর আংশিক সংশোধনক্রমে নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছে যে, প্রকৃত দরখাস্তকারীদের অসুবিধার বিষয় বিবেচনা করে সরকার কর্তৃক এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, এখন উপজেলা নির্বাহী অফিসার/ মহকুমা প্রশাসক পুলিশের মাধ্যমে দরখাস্তকারীদের চরিত্র ও অতীত পরিচয় যাচাইপূর্বক জেলা প্রশাসকের নিকট হতে ছাড়পত্র নিয়ে লাইসেন্স ইস্যু করবেন।
(২) ২২ বোর রাইফেলের লাইসেন্স ইস্যুর ব্যাপারে জেলা প্রশাসক পুলিশের মাধ্যমে দরখাস্তকারীর চরিত্র ও অতীত পরিচয় যাচাই করে প্রচলিত সাধারণ নিয়ম অনুসারে লাইসেন্স ইস্যু করবেন।
(৩) যাহোক রিভলভার, পিস্তল এবং অন্যান্য এন. পি. বি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যুর ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ক্রমাগত সরকারের ছাড়পত্র নিতে থাকবেন।
(৪) পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশ/বান্দরবানের শর্টগান লাইসেন্স ইস্যুর ব্যাপারে অত্র মন্ত্রণালয়ের ২৫/৮/৮৩ তাং এফ, এ- ৩৩/৮২ (পল-৪) ৫৮৮ নং সার্কুলার চলতে থাকবে। এই দু’জেলার ২২ বোর রাইফেলের লাইসেন্স প্রশাসক যাচাইক্রমে ২৪ তম পদাতিক বিভাগের সদর দপ্তরের সি. আই. শাখার মনোনীত কর্মকর্তার সাথে আলোচনার মাধ্যমে ইস্যু করবেন।
(৫) তদনুসারে দয়া করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন এবং তাঁর এখতিয়ারাধীন সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঠিক নির্দেশ ইস্যু করবেন।
স্বাক্ষর/-(আনিসুল ইসলাম)
৮/৯/৮৩
উপ-সচিব (রাজনৈতিক)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়
নিরাপত্তা শাখা
সংখ্যা-৩৩ (১৩০)-নিরাপত্তা (২য়)
তাং ১৪ জানুয়ারি ১৯৭৫
অফিস স্মারক
বিষয়: আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স মঞ্জুরী/নবায়ন ফিস বর্ধন।
অত্র মন্ত্রণালয়ের ৪/১/৭৫ তাং ১৩-নিরাপত্তা (২য়) এবং উপরোল্লেখিত বিষয় ৪/১/৭৫ তাং এভাবে এস. আর এল/৭৫/১৩-নিরাপত্তা (২য়) পুনঃ নং করা হয়েছে এবং যা ৭/১/৭৫ তাং বাংলাদেশ অতিরিক্ত গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে।
(২) ৪/১/৭৫ তারিখে বা তার পরে দাখিলী এবং ৪/১/৭৫ তাং পূর্বে গৃহীত দরখাস্তের বেলায় আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স মঞ্জুরী/নবায়নের জন্য ফিসের বর্ধিত হার নির্ণয়কারী অত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ হতে কার্যকর হবে (অর্থাৎ ৪/১/৭৫) কিন্তু লাইসেন্স মঞ্জুর/নবায়ন করা হয়নি। পরবর্তী ক্ষেত্রে নতুন হার অনুসারে বাকি ফিস লাইসেন্স মঞ্জুর/নবায়নে সময় আদায় করা যাবে।
(আনিসুর রহমান)
উপ-সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা
স্মারক সংখ্যা-২৩৯ (১৯)-রাজনৈতিক (২য়)
তাং ঢাকা-৪ মার্চ, ‘৭২
জেলা প্রশাসক,
দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির প্রেক্ষিতে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, ২৫/৩/৭১ তাং পূর্বে বিদ্যমান থাকা জেলা প্রশাসকের অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের ক্ষমতা পুনর্বহাল হওয়া উচিত। নিম্নস্বাক্ষরকারী তাই নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছে যে, অত্র মন্ত্রণালয় হতে পুনঃ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কোন নতুন লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাবে না এ নির্দেশবাহী অত্র মন্ত্রণালয়ের ৫/২/৭২ তাং ১৯ রাজনৈতিক (২য়) নং বার্তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
(২) অস্ত্র আইন ম্যানুয়েলের বিধান অনুসারে জেলা প্রশাসক এখন হতে অনিষিদ্ধ বোরের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স জনসাধারণকে মঞ্জুর করতে পারবেন। অস্ত্র আইন ম্যানুয়েলের বিধান মোতাবেক প্রয়োজনীয় প্রতিপাদন বা যাচাই ব্যতিরেকে জনসাধারণের নিকট কোন আগ্নেয়াস্ত্রে লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাবে না। এই প্রসঙ্গে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্তৃক জারিকৃত ৯/৭/৬৯ তাং ১৭৩ (১৮) রাজনৈতিক (৯ম) এবং ২১/৯/৭০ তাং ৬৭০ (১৯)-২ক-৬৫/৭০ রাজনৈতিক/স (২য়) নং স্মারকের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
(৩) অত্র মন্ত্রণালয় হতে পুনঃ কোন নির্দেশ না হওয়া পর্যন্ত গণপরিষদ সদস্যগণকে/ প্রতিপাদন বা যাচাই ছাড়াই অনিষিদ্ধ বোরের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স মঞ্জুর করতে হবে।
স্বাক্ষর-
নাজেম এ, চৌধুরী
স্বরাষ্ট্র সচিব
পূর্ব পাকিস্তান সরকার
স্বরাষ্ট্র (রাজনৈতিক) বিভাগ
শাখা-৯ম
স্মারক সংখ্যা-৮৪২(১৮)-রাজনৈতিক (৯ম)
তাং ঢাকা নভেম্বর, ১৯৬৯ সাল
প্রতি
জেলা প্রশাসক।
বিষয়: পিস্তল, রিভলভার বা রাইফেলের লাইসেন্স মঞ্জুরী।
নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছে যে, অস্ত্র আইন ম্যানুয়েলের ৫১ ও ৫৮ এর বিধান অনুসারে পিস্তল, রিভলভার বা রাইফেলের অধিকারের জন্যে লাইসেন্স মঞ্জুরী এককভাবে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অর্থাৎ জেলা প্রশাসকের। জেলা প্রশাসক কোন মতেই এ ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নিকট অর্পণ করতে পারেন না। এটা সত্য যে, জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তবু তাঁরা অস্ত্র আইনে এ ক্ষমতা ব্যবহার করতে হকদার নন।
(২) কিছু ঘটনা সরকারের দৃষ্টিতে এসেছে যে, অস্ত্র আইনে প্রয়োজন হলেও পুলিশের যাচাই ব্যতিরেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ জেলা প্রশাসক কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতাবলে বা নিজেরাই এ ক্ষমতা ব্যবহার করছেন।
(৩) এ রকম অনিয়মিত কার্যকলাপ বন্ধ করার জন্যে নিয়ম এবং নির্দেশের বিধান ঠিক কড়াকড়িভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্যে তাঁকে অনুরোধ করা হচ্ছে।
স্বাঃ/-(নাজেম, এ, চৌধুরী)
সি, এস, পি
পূর্ব পাকিস্তান সরকার
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
নং-আগ্নে ৩৬ (২) ৯৩ (রাজ-৪)/২০০ (৬৪)
তারিখ ০৬-০৪-‘৯৪ইং / ২৩-১২-১৪০০ বাংলা
বিষয়: আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির পত্র-উহার লাইসেন্স বাতিল/বহাল রাখা প্রসঙ্গে।
সম্প্রতি লক্ষ্য করা গিয়েছে যে, ব্যক্তিবিশেষ তাদের লাইসেন্সের আওতায় আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করে দেন এবং লাইসেন্স বহাল রাখার প্রয়াস পান। এ ব্যাপারে The Bengal Arms Act, ১৯২৪-এর ৬৩-ক প্রবিধানযোগ্য। উক্ত বিধি হতে এটি প্রতীয়মান হয় যে, কোন আগ্নেয়াস্ত্রধারী এর লাইসেন্সের আওতায় আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রয় করলে লাইসেন্স বাতিল হয়ে যায়।
অতএব, এখন হতে এ বিষয়ে যথাযথ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
স্বাক্ষর
(মাহাম্মদ আলী খান)
(সিনিয়র সহকারী সচিব)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
প্রজ্ঞাপন
তারিখ, ১২ই ভাদ্র, ১৪০৮ বাং/২৭ আগস্ট, ২০০১ইং নং আগ্নে-১৯ (৯) ২০০০ (রাজ-৪)/১২৬০-The Arms Act, 1878 এর ১৮ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ জানুয়ারি ২০০১ থেকে যথা পদ্ধতিতে উপযুক্ত কর্মকর্তা দ্বারা ক্ষেত্র পর্যায়ে ভেরিফিকেশন না করে বা যথা প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন ব্যতিরেকে যে সকল আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকার উক্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
(২) বাতিলকৃত লাইসেন্সের বিপরীতে কোন আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি/কার্তুজ সংগ্রহ করা হয়ে থাকলে সে সকল আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি/কার্তুজ সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে হবে।
(৩) এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোঃ মতিউর রহমান
উপ-সচিব (রাজ)
বন্দুকের লাইসেন্স মঞ্জুরী পাওয়ার দরখাস্ত
১। দরখাস্তকারীর নাম (বড় হাতের অক্ষরে) :
২। পিতার পুরো নাম পদবী:
৩। বয়স:
৪। বর্তমান ঠিকানা:
৫। আদি ঠিকানা:
৬। পেশা:
৭। দরখাস্তকারী সরকারকে জমির রাজস্ব বা আয়কর দেয় কিনা? যদি প্রদান করে অত্র দরখাস্তের তারিখের ঠিক পূর্বের অর্থবছরে কত প্রদান করেছিল:
৮। দরখাস্তকারী সরকারি কর্মচারী কিনা? তিনি গেজেটেট অফিসার কিনা? তিনি কত টাকা বেতন পাচ্ছেন?:
৯। দরখাস্তকারীর অস্ত্রের লাইসেন্স আছে কি? না যদি থাকে কখন মঞ্জুর/শেষ নবায়ন করা হয়েছে এবং কি অস্ত্র এর অন্তর্ভুক্ত?:
১০। ইতিপূর্বে দরখাস্তকারীর লাইসেন্স ছিল কিনা যা এখন তার নেই। যদি থেকে থাকে কি কারণে কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তা বাতিল করা হয়েছে:
১১। অনুরূপ লাইসেন্সের জন্য দরখাস্তকারী পূর্বে কোন সময় আবেদন করেছিল কিনা? যদি করে থাকে তা হলে কি কারণে এরূপ দরখাস্ত নাকচ করা হয়েছিল?:
১২। প্রার্থীত লাইসেন্স প্রয়োজনের কারণ:
১৩। দরখাস্তকারীর এরূপ লাইসেন্স মঞ্জুরী পাওয়ার ভিত্তিসমূহ:
১৪। দরখাস্তকারী লাইসেন্স ফিস অব্যাহতি দাবি করে কিনা? করলে কোন ভিত্তিতে?:
১৫। যোগাযোগের ঠিকানা:
দরখাস্তকারীর স্বাক্ষর-
অস্ত্র আইনের অধীনে লাইসেন্সের জন্য দরখাস্তের ফরমঃ
১। দরখাস্তকারীর নাম:
২। দরখাস্তকারীর পিতার নাম:
৩। দরখাস্তকারীর পেশা ও চরিত্র:
8। দরখাস্তকারী পরিবারের প্রধান কিনা যদি না হয় কে:
৫। দরখাস্তকারীর আনুমানিক আয় এবং দরখাস্তকারী যেখানে যৌথ অবিভক্ত পরিবারের সদস্য (পরিবারের আয়):
৬। দরখাস্তকারী কোন সময় জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধের সাথে জড়িত ছিল কিনা?:
৭। দরখাস্তকারী প্রদান করে কি না ১ম আয় কর ২য় চৌকিদারী ট্যাক্স:
৮। দরখাস্তকারীর পরিবারের সঙ্গে বা নিকটে বাসকারী কোন সদস্যের আগ্নেয়াস্ত্র আছে কিনা?:
৯। সাধারণ ধারণায় দরখাস্তকারীর চরিত্র কেমন অথবা আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান মতে?:
১০। আপনার জ্ঞান মতে দরখাস্তকারীর অন্যান্য বিবরণ দিন।:
১১। এমন কোন বন্য জন্তু আছে কিনা যাহার প্রতি হিংসা থেকে শস্যক্ষেত্র রক্ষার জন্য দরখাস্তকারীর নিকট অবিলম্বে আগ্নেয়াস্ত্র থাকা উচিত, অস্ত্রের সংখ্যা এবং নিজ এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামে নিহত গবাদি পশুর সংখ্যা কত?:
১২। লাইসেন্স দরখাস্তকারীর পরিবারের মূল্যবান বস্তু রক্ষার জন্য চাওয়া হচ্ছে বা পরিবারে রাখার জন্য সংক্ষিপ্তভাবে অবস্থা ও পারিপার্শ্বিকতা বর্ণনা করুন:
১৩। বিবিধ তদন্ত
(ক)
(খ)
(গ)
পুলিশ সুপারের সুপারিশ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর
২। শর্টগান ও ২২ বোর রাইফেল ইস্যু, মঞ্জুরী ও নবায়ন সম্পর্কিত
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
স্মারক নং-এফ, এ-১০/৮২ (পল-৪)/১০৬
তাং-২২-২-১৯৮৪
বিষয়: শর্টগান ও ২২ বোর রাইফেলের পুনর্বিবেচনার দরখাস্ত নিষ্পত্তি।
এটা সরকারের গোচরীভূত হয়েছে যে, অত্র মন্ত্রণালয়ের ৮-৯-১৯৮৩ তারিখের এফ, এ-৩৩/৮২ (পল-৪)/৬-৬১৪ নং সার্কুলার ইস্যু করার পূর্বে যাদের শর্টগান এবং ২২ বোর রাইফেলের লাইসেন্সের আবেদন নাকচ করা হয়েছিল তারা লাইসেন্স পেতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। জেলা প্রশাসন এই মর্মে তাহাদের পুনর্বিবেচনার আবেদন কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রহণ করেছেন না যে, তাদের ইতিপূর্বে সরকার কর্তৃক বিবেচিত ও নাকচ হয়েছে।
(২) সতর্ক বিবেচনার পর সরকার সিদ্ধান্ত নিয়াছেন যে, দরখাস্তকারীদের আপীল পরীক্ষার পর জেলা প্রশাসনগণ তাদের শর্টগান ও ২২ বোর রাইফেলের লাইসেন্স মঞ্জুর করবেন যাদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের সত্যিকার ও প্রকৃতভাবে দরকার দেখা যাবে।
স্বাক্ষর
(আনিসুল হক চৌধুরী)
উপ-সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪র্থ
নং এফ, এ-৩৩/৮২ (রাজনৈতিক ৪র্থ)/ এইচ, এ/রাজনৈতিক-৪র্থ/ ৩২৯
তাং-১১-৫-১৯৮৩
বরাবর,
জেলা প্রশাসক (সকল)
বিষয়: শর্টগানের লাইসেন্স মঞ্জুরী ও নবায়নের নিমিত্ত উন্নীত থানাসমূহের থানা নির্বাহী অফিসারগণকে ক্ষমতা অর্পণ।
উপরে বর্ণিত বিষয়ে অত্র মন্ত্রণালয়ের গত ১২-১-১৯৮২ তারিখের এফ, এ- ৩৩/৮২ (রাজনৈতিক-৪র্থ) ২নং সার্কুলার-এর প্রতি আলোকপাত করে জানাচ্ছি যে, এটি সরকারের গোচরীভূত হয়েছে যে, থানা নির্বাহী অফিসারগণকে শর্টগানের লাইসেন্স মঞ্জুরী প্রদান ও নবায়নের নিমিত্ত ক্ষমতা প্রদানের উপরে বর্ণিত সার্কুলার (পরিপত্র) তাদের কারো কারো নিকট পাঠানো হয়নি।
(২) এটি দুঃখজনক যে, থানা নির্বাহী অফিসারগণকে অত্র মন্ত্রণালয়ের গত ১৪- ১২-৮১ তারিখের এস, আর ও-৪২১-এল/৮২/এফ এ-২৩/৮২ (রাজনৈতিক- ৪র্থ/৭৮৫নং বিজ্ঞপ্তি অনুসারে থানা নির্বাহী অফিসারগণকে শর্টগানের লাইসেন্স প্রদানের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে। শর্টগানের লাইসেন্স নতুন দরখাস্তের ক্ষেত্রে থানা নির্বাহী অফিসারগণকে স্থানীয় ভিত্তিতে দরখাস্তকারিগণের চরিত্র এবং পূর্ব পরিচয় যাচাই করতে হবে এবং তার পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অনুমতির জন্য সুনির্দিষ্ট সুপারিশসহ যাবতীয় কাগজপত্র অত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। এর পরে থানা নির্বাহী অফিসারগণ সরকারের ঐ প্রকার ছাড়পত্র পেলেই লাইসেন্স প্রদান করবেন।
(৩) পূর্বের মত জেলা প্রশাসকগণ অত্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বেই ছাড়পত্র গ্রহণ করে ক্ষেত্র বিশেষে রাইফেল, পিস্তল, রিভলভারের লাইসেন্স মঞ্জুর করবেন। (৪) উপরোক্ত নির্দেশনা শীঘ্রই তার অধীনের সমস্ত নির্বাহী অফিসারগণকে জানাতে হবে।
স্বাক্ষর
আনিসুল হক চৌধুরী
উপ-সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা
৪র্থ সেকশন
নং-এই-৩৩/৮২ (Boll-IV) ৩২
তাং-১২/১/৮৩ ইং
প্রেরকঃ মিঃ এস, এম, আলম
উপ-সচিব।
প্রাপক: জেলা প্রশাসক,
বিষয়: শর্টগানের লাইসেন্স ইস্যু এবং নবায়ন করার ক্ষমতা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে প্রদান প্রসঙ্গে।
নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর শর্টগানসমূহের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন সম্পর্কিত ক্ষমতা গত ১৪/১২/৮২ ইং তারিখের বাংলাদেশ অতিরিক্ত সাধারণ গেজেট এর SRO 421-L/82 F A-23/82 (PO II-IV) ৭৮৫ এর ১০ কপি প্রেরণ করল।
তিনি মনোনীত থানাসমূহের উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অনুরোধ করতে আরও নির্দেশিত হয়েছেন যে, তারা যেন অত্র মন্ত্রণালয়ের গত ৬/৪/৮২ ইং তারিখের ২ই- ৩ই/৭৯ (Boll-11)/ ১৯৪ (২৪) নং সার্কুলার নির্দেশ মতে শর্টগানের লাইসেন্সের জন্য সকল দরখাস্ত যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন।
স্বাক্ষর
এস, এম, আলম
উপ-সচিব
৩। রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক ও শিল্প ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান বরাবরে আগ্নেয়াস্ত্র-এর লাইসেন্স প্রদান প্রসঙ্গে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা
৪র্থ সেকশন
নং-১৪৫-পোল (৫)
তাং-৩/১১/৮২ ইং
প্রেরকঃ মিঃ এম, এস, আলম
উপ-সচিব।
প্রাপক: উপমহাব্যবস্থাপক, রূপালী ব্যাংক,
রূপালী ভবন, ৩৪, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা,
ঢাকা।
বিষয়: রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র বহনের জন্য লাইসেন্স প্রদান প্রসঙ্গে।
সূত্র: তার গত ৮/২/৮২ ইং তারিখের Braka/ESH/৫নং পত্র নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছি যে, অত্র মন্ত্রণালয়ের গত ৮/২/৭৩ ইং তারিখের ১৯/Sec. গ (অনুলিপি সংযুক্ত) নং সার্কুলারের ৩নং প্যারায় সব রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংককে আধুনিকতম আগ্নেয়াস্ত্র যেমন- ৩০৩ রাইফেল, শর্টগান এবং এম, এস. আর. এস দখলে রাখার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
২। পরবর্তীতে অত্র মন্ত্রণালয়ের ১১/৯/৪১ নং তারিখের ৪০৭-Boll/(১গ) নং সার্কুলার (অনুলিপি সংযোজিত) মাধ্যমে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র রাখার এবং বহন করার জন্য লাইসেন্স ইস্যু করার ব্যাখ্যা অগ্রণী ব্যাংককে প্রদান করা হয় যার অনুলিপি সকল জেলা প্রশাসকগণকে প্রদান করা হয়।
৩। অত্র মন্ত্রণালয়ের গত ৩০/৬/৭৮ ইং তারিখের S. ROL/৭৮/৯১২-Boll (১১) নং অত্র মন্ত্রণালয়ের গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আগ্নেয়াস্ত্রের জন্য লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন ফি ধার্য করা হয়। উক্ত ফিসসমূহ নিষিদ্ধ বোরের আগ্নেয়াস্ত্রের বেলায়ও প্রযোজ্য হবে।
৪। উপরোক্ত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়ন সম্পর্কে কিংবা ফি প্রদান সম্পর্কে কোন মতান্তর থাকতে পারে না।
৫। এতদ মর্মে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
৬। অনুরূপভাবে লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়ার জন্য সকল জেলা প্রশাসকগণকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
স্বাঃ/
(এস, এম, আলম)
উপ-সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র বিষয় মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-২
স্মারক সংখ্যা-১৯৯ (১৯)-রাজনৈতিক (২)
তাং ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
বরাবর,
জেলা প্রশাসক।
এটা উল্লেখ করা হয়েছে যে, কিছু শিল্প স্থাপনা তাদের সম্পত্তির নিরাপত্তার জন্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স মঞ্জুরীর জন্যে আবেদন করেছে। কতকগুলো ক্ষেত্রে এসব স্থাপনাকে শত্রু সম্পত্তি প্রশাসন লাইসেন্স মঞ্জুর করেছে এবং পরবর্তীকালে ঐ সব লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে, কতকগুলো ক্ষেত্রে তারা অস্ত্রশস্ত্র হারিয়ে ফেলেছে অথবা তারা প্রথম বারের মত আগ্নেয়াস্ত্র মঞ্জুরীর জন্য দরখাস্ত করেছে।
(২) এক্ষণে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, এরূপ সব ক্ষেত্রে শিল্প স্থাপনাসমূহকে অন্ত্রের জন্য নতুনভাবে দরখাস্ত করতে হবে। জেলা প্রশাসক স্বাভাবিক যাচাই এবং শিল্প স্থাপনাসমূহের আগ্নেয়াস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে আগ্নেয়াস্ত্র মঞ্জুর করতে পারেন। এটাতে মন্ত্রণালয়ের রেডিওগ্রামের নির্দেশ আছে এন ১৯ (রাজনৈতিক)।
স্বাক্ষর
টি. আহম্মদ, সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
নং আগ্নে- ১৭/৯৩ রাজ (৪/৪৪)
তারিখঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শাখা-৪
স্মারক নং-এফ এ এল-২/৮২ (রাজ-৪)/১৪৮
তাং ০৭-০৪-‘৯০ ইং / ২৪-১২-‘৯৯ বাংলা
বিষয়: ব্যাংক ব্যবহারের নিমিত্তে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান প্রসঙ্গে।
উপরোক্ত বিষয়ে নিম্নস্বাক্ষরকারী আদিষ্ট হয়ে জানাচ্ছে যে, এখন হতে ব্যাংকের নতুন কোন শাখা খোলা হলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের দপ্তর হতে (ব্যাংকের প্রয়োজন হলে) আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।
স্বাক্ষর
(এম. এইচ. ফরহাদ খান)
সিনিয়র সহকারী সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
স্মারক নং ২ এফ এ এস-২/৮২ (রাজ-৪)/১৪৭
তাং ০৭-০৪-‘৯০ ইং / ২৪-১২-‘৯৯ বাংলা
বিষয়: ব্যাংক ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র পরীক্ষা ফরম প্রসঙ্গে।
ব্যাংকে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রসমূহের ক্ষেত্রে কিছু কিছু অনিয়ম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় প্রতিটি জেলায় ব্যাংকসমূহে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রগুলো পরীক্ষা করে এতে কোন্ আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। ফলে আগ্নেয়াস্ত্রের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে সংশয়মুক্ত হওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়াও কর্তৃপক্ষকে অবহিত না রেখে আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রয় করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অবস্থায় সরকার নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
(ক) টিবিসি বা সরকার অনুমোদিত অন্য কোন সংস্থার নিকট হতে ক্রয়কৃত আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স এন্ট্রি করার তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বছরের মধ্যে বিক্রয়, হস্তান্তর বা দান করা যাবে না।
(খ) বিদেশ হতে আমদানিকৃত/ক্রয়কৃত বা উপহার/দান/হিসেবে প্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স এন্ট্রি করার তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বছরের মধ্যে বিক্রয়, হস্তান্তর বা দান করা যাবে না।
(গ) বৈধ লাইসেন্সের আওতাধীন আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রয় সম্পর্কে ক্রেতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত রাখতে হবে। অন্যথায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিধি মতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(২) এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
(৩) সরকারের উপরোক্ত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
স্বাক্ষর
(এম. এইচ, ফরহাদ খান)
সিনিয়র সহকারী সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা
৪র্থ সেকশন
নং ১৪৫-পোল (৫)
তারিখঃ ৩/১১/৮২ ইং
প্রেরকঃ মিঃ এম, এস, আলম
উপ-সচিব
প্রাপক: উপ-মহাব্যবস্থাপক, রূপালী ব্যাংক,
রূপালী ভবন, ৩৪, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা,
ঢাকা
বিষয়: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র বহনের জন্য লাইসেন্স প্রদান প্রসঙ্গে।
সূত্র: তার গত ৮/২/৮২ ইং তারিখের Praka/ESH/5 নং পত্র নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছি যে, অত্র মন্ত্রণালয়ের গত ৮/২/৭৩ ইং তারিখের ১৯/Sec. V (অনুলিপি সংযুক্ত) নং সার্কুলার ৩নং প্যারায় সব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে আধুনিকতম আগ্নেয়াস্ত্র যেমন-৩০৩ রাইফেল, শর্টগান এবং এম, এস, আর, এস দখলে রাখার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। (২) পরবর্তীতে অত্র মন্ত্রণালয়ের ১১/৪/৪১নং তারিখের ৪০৭-Poll/(IV) নং সার্কুলার (অনুলিপি সংযোজিত) মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র রাখার এবং বহন করার জন্য লাইসেন্স ইস্যু করার ব্যাখ্যা অগ্রণী ব্যাংককে প্রদান করা হয় যার অনুলিপি সকল জেলা প্রশাসকগণকে প্রদান করা হয়।
(৩) অত্র মন্ত্রণালয় গত ৩০/০৬/৭৮ইং তারিখের S.R.O.L/78/912-Poll(11) নং অত্র মন্ত্রণালয় গেজেটে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আগ্নেয়াস্ত্রের জন্য লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন ফি ধার্য করা হয়। উক্ত ফিসসমূহ নিষিদ্ধ বোরের আগ্নেয়াস্ত্রের বেলায়ও প্রযোজ্য হবে।
(৪) উপরোক্ত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়ন সম্পর্কে কিংবা ফি প্রদান সম্পর্কে কোন মতান্তর থাকতে পারে না।
(৫) এতদমর্মে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
(৬) অনুরূপভাবে লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়ার জন্য সকল জেলা প্রশাসকগণকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
স্বাক্ষর
এস. এম. আলম
উপ-সচিব
৪। মালখানায় রক্ষিত আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কিত।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়
শাখা-২
সংখ্যা: ১৮০ (১৩০-রাজনৈতিক/২য়
তাং ঢাকা ১৪ ইং ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮
স্মারক।
বিষয়: মালখানায় রক্ষিত অব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের বিলিবন্দেজ সম্পর্কিত নীতি।
অত্র মন্ত্রণালয়ের ২১/১০৭৬ তাং ৪২১-নিরাপত্তা/২য় এবং ২০/১২/৭৪ তাং ১১৫১-নিরাপত্তা/২য় নং স্মারক আংশিক সংশোধন করে নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছে যে, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, মালখানায় রক্ষিত অব্যবহৃত বাজেয়াপ্তকৃত উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র নিম্নবর্ণিত প্রকারে বিলিবন্দেজ করা যাবে-
১। (ক) বাজেয়াপ্ত উদ্ধারকৃত পিস্তল, রিভলবার যা পুলিশ কর্মকর্তাদের তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য ইউনিফর্মের অংশ হিসেবে ইতিপূর্বে মঞ্জুর করা হয়েছে তা তারা যতদিন চাকুরিতে থাকবে ততদিন রাখতে পারবে।
(খ) পুলিশ কর্মকর্তাদের পুরস্কারস্বরূপ প্রদত্ত অস্ত্র তারা রাখতে পারবে। যাহোক উপরোক্ত আগ্নেয়াস্ত্রের হিসাবরক্ষণের নিমিত্ত সেনাবাহিনী শর্তনামাকে (অস্ত্র গোদাম) অবহিত করতে হবে।
২। অন্যান্য বাজেয়াপ্ত/উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের অনিষিদ্ধ বোর যা মালখানায় অব্যবহৃত পড়ে আছে তা নিবেদিত গ্রাম প্রতিরক্ষা দলের নিকট তাদের পূর্ব পরিচিতি যাচাই এবং ন্যায্য দামের বিনিময়ে তাদের ভাল কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিক্রি করা যাবে। যাহোক জেলা প্রশাসক ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দলের পরিচালকের সুপারিশক্রমে সরকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির আদেশ দিবেন।
৩। অবশিষ্ট আগ্নেয়াস্ত্র, যদি থাকে অস্ত্র আইনের বিধানবলে জেলা প্রশাসক উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করতে পারে।
৪। অনিষিদ্ধ আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকগণকে বর্তমানে রক্ষণের মাত্রা যেমন ১টা রাইফেল শর্টগান এবং ১টা পিস্তল/রিভলবার-এর অতিরিক্ত যা তারা সরকারের কাছে জমা দিয়েছেন, যদি না সরকারিভাবে রাখার অনুমতি দেয়া হয়ে থাকে, বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে, তা বৈধ লাইসেন্সধারীর কাছে বিক্রি অথবা হস্তান্তরের মাধ্যমে বিলিবন্দেজ করার উপদেশ দেয়া যেতে পারে।
স্বাক্ষর
(মোঃ ইসমাইল)
শাখা প্রধান। বাংলাদেশ সরকার।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
স্মারক নং-এফ এ-২২/৮৬ (রাজ-৪)/১২৬
তাং ২৯-১-‘৯০ ইং / ১৬-১০-‘৯৬ বাংলা
প্রাপক: জেলা প্রশাসক।
বিষয় : জেলা মালখানায় রক্ষিত এবং নিষ্পত্তিকৃত সকল
আগ্নেয়াস্ত্র তালিকা প্রেরণ প্রসঙ্গে। উপরোক্ত বিষয়ের বরাতে নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি জরুরিভিত্তিতে অত্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করতে নিম্নস্বাক্ষরকারী আদিষ্ট হয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি।
(ক) বাজেয়াপ্ত/জমাকৃত সকল নিষিদ্ধ এবং অনিষিদ্ধ বোর আগ্নেয়াস্ত্রের তালিকা প্রেরণ এবং বর্তমানে সেগুলো কোথায় কিভাবে আছে।
(খ) যে সকল আগ্নেয়াস্ত্র নিলামে বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে তার তালিকা এবং নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া।
(গ) যে সকল আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে তাদের তালিকা প্রেরণ এবং বর্তমানে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো কোথায় কিভাবে আছে। বিষয়টি অতি জরুরি।
স্বাক্ষর
এম, জি, কুদ্দুস
সহকারী সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪র্থ
নং-ফা-২২/৮৬ (পোল-৪র্থ) ৬৩২
তারিখ: ২৮-৮-‘৮৬ইং
বরাবর,
জেলা প্রশাসক (সকল)
বিষয়: জেলা কোর্টে মালখানায় রক্ষিত বাজেয়াপ্তকৃত এবং স্বেচ্ছায় ত্যাগ করা আগ্নেয়াস্ত্রের বিলি।
উপরোল্লিখিত বিষয়ে এ মন্ত্রণালয় ১-১১-‘৮০ইং তারিখের স্মারক নং-৬১৩- হা/পোল (৩য়) এবং ১০-৭-‘৮৩ইং তারিখের স্মারক নং ফা-৫/৮১ (পোল-৪র্থ) পার্ট ২য়/৪৭৩ নির্দেশিত হয়ে নিম্নস্বাক্ষরকারী জানাচ্ছে যে, জেলা মালখানা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র নিলামে বিক্রির উপর আরোপিত বিধি-নিষেধ সরকার প্রত্যাহার করেছেন।
আরো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, বাজেয়াপ্ত এবং ত্যাগকৃত নিষিদ্ধ বোরের আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া যেসব আগ্নেয়াস্ত্রের বিধিসম্মত আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়েছে কেবলমাত্র সেসব আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সকারী অস্ত্র ডিলার ও বৈধ লাইসেন্সধারী ব্যক্তির নিকট ১৯২৪ সালের অস্ত্র আইন ম্যানুয়েলের বিধান অনুসারে প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করা যাবে।
স্বাক্ষর
এস. এ আলী
উপ-সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়
নিরাপত্তা শাখা
সংখ্যা-৭৩১ (১৯)-শাখা ২
তাং ঢাকা-৬ জুলাই, ১৯৭২ ইং
বরাবর,
জেলা প্রশাসক
বিষয়: সরকারি মালখানা হতে আটক আগ্নেয়াস্ত্র নিষ্পত্তি।
নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছে যে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সরকারি মালাখানা হতে বাজেয়াপ্তকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের বিক্রি সংক্রান্ত বিধি পূর্ববৎ বহাল থাকবে। স্বাধীনতার পূর্বে মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সধারী যাদেরকে উপযুক্ত দেখা যাবে তাদের। অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
স্বাক্ষর: নাজেম এ, চৌধুরী
উপ-সচিব
৫। অস্ত্র বিধিমালা সম্পর্কিত আদেশ সংশোধন ও সংযোজন সম্পর্কিত।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
আদেশ
তারিখ, ২৯ জানুয়ারি ২০০২/২৬ পৌষ ১৪০৮
নং বিবিধ-৭/৯১-স্বঃ মঃ (রাজ-৪)/১৫০৬-যেহেতু সরকার দেশের সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে জনস্বার্থে গত ১ জানুয়ারি ২০০১ থেকে ১৫ জুলাই ২০০১ পর্যন্ত সময়ে ইস্যুকৃত লাইসেন্সের বিপরীতে ক্রয়কৃত সকল আগ্নেয়াস্ত্র বাধ্যতামূলকভাবে জমা দেয়া সমীচীন বলে মনে করে, সেহেতু সরকার Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর section 26-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ জানুয়ারি ২০০১ থেকে ১৫ জুলাই ২০০১ পর্যন্ত সময়ে ইস্যুকৃত সকল প্রকার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারী ব্যক্তিগণকে তাঁদের আগ্নেয়াস্ত্র থানায় জমা দানের বিষয়ে নিম্নোক্ত আদেশ জারি করলেন;
(ক) যে সমস্ত লাইসেন্সধারী ব্যক্তিগণ তাঁদের পিস্তল/রিভলবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০০১ উপলক্ষে নির্ধারিত সময়ে জমা দিয়েছিলেন এবং ইতোমধ্যে ফেরত নিয়েছেন তাঁদের অস্ত্র (পিস্তল/রিভলবার) আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০০২ এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত রেখে নিকটবর্তী থানায় জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য, যারা’ নির্বাচনের প্রাক্কালে জারিকৃত সরকারি আদেশ লঙ্ঘন করে পিস্তল/রিভলবার জমা দেন নি তাদের অস্ত্র সম্পূর্ণরূপে বেআইনী/অবৈধ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের লাইসেন্স অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় বাতিলক্রমে অস্ত্র বাজেয়াপ্তসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ইতোমধ্যে সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে; এ
(খ) এছাড়া উল্লেখিত সময়ে (অর্থাৎ ১ জানুয়ারি ২০০১ থেকে জুলাই ২০০১ পর্যন্ত) ইস্যুকৃত পিস্তল-রিভলবার ছাড়া অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারী ব্যক্তিগণকেও আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০০২ এর মধ্যে তাদের ক্রয়কৃত আগ্নেয়াস্ত্র (রাইফেল, বন্দুক ইত্যাদি) সংশ্লিষ্ট থানা অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত রেখে নিকটবর্তী থানায় জমা দিতে হবে।
২। যারা এই আদেশ লঙ্ঘন করবেন তাঁদের বিরুদ্ধে উল্লেখিত অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা মতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩। এই আদেশ নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যথাঃ
(ক) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার সাথে সম্পৃক্ত সকল শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য;
(খ) বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তর, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরী।
ব্যাখ্যা: এই আদেশে ‘শৃঙ্খলা বাহিনী’ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অনুচ্ছেদ ১৫২-তে সংজ্ঞায়িত শৃঙ্খলা বাহিনী।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোঃ মতিউর রহমান
উপ-সচিব (রাজনৈতিক)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
আদেশ
তারিখ, ২৯ ডিসেম্বর, ২০০১/১৫ পৌষ, ১৪০৮
নং বিবিধ-৭/৯১-স্বঃ মঃ (রাজ-৪)/১৫০৬-যেহেতু সরকার দেশের সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে জনস্বার্থে গত ১ জানুয়ারি ২০০১ থেকে ১৫ জুলাই ২০০১ পর্যন্ত সময়ে ইস্যুকৃত লাইসেন্সের বিপরীতে ক্রয়কৃত সকল আগ্নেয়াস্ত্র বাধ্যতামূলকভাবে জমা দেয়া সমীচীন বলে মনে করে, সেহেতু সরকার Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর section 26-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ জানুয়ারি ২০০১ থেকে ১৫ জুলাই ২০০১ পর্যন্ত সময়ে ইস্যুকৃত সকল প্রকার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারী ব্যক্তিগণকে তাঁদের আগ্নেয়াস্ত্র থানায় জমাদানের বিষয়ে নিম্নোক্ত আদেশ জারি করলেন;
(ক) যে সমস্ত লাইসেন্সধারী ব্যক্তিগণ তাঁদের পিস্তল/রিভলবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০০১ উপলক্ষে নির্ধারিত সময়ে জমা দিয়েছিলেন এবং ইতোমধ্যে ফেরত নিয়েছেন তাঁদের অস্ত্র (পিস্তল/রিভলবার) আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০০২ এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত রেখে নিকটবর্তী থানায় জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য, যারা নির্বাচনের প্রাক্কালে জারিকৃত সরকারি আদেশ লঙ্ঘন করে পিস্তল/রিভলবার জমা দেন নি তাদের অস্ত্র বাজেয়াপ্তসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ইতোমধ্যে সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে;
(খ) এছাড়া উল্লেখিত সময়ে (অর্থাৎ ১ জানুয়ারি ২০০১ থেকে জুলাই ২০০১ পর্যন্ত) ইস্যুকৃত পিস্তল-রিভলবার ছাড়া অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারী ব্যক্তিগণকেও আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০০২ এর মধ্যে তাদের ক্রয়কৃত আগ্নেয়াস্ত্র (রাইফেল, বন্দুক ইত্যাদি) সংশ্লিষ্ট থানায় অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা
ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত রেখে নিকটবর্তী থানায় জমা দিতে হবে।
২। যারা এই আদেশ লঙ্ঘন করবেন তাঁদের বিরুদ্ধে উল্লেখিত অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারামতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩। এই আদেশ নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যথাঃ
(ক) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার সাথে সম্পৃক্ত সকল শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য;
(খ) বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তর, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরী।
ব্যাখ্যা: এই আদেশে ‘শৃঙ্খলা বাহিনী’ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২-তে সংজ্ঞায়িত শৃঙ্খলা বাহিনী।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোঃ মতিউর রহমান
উপ-সচিব (রাজনৈতিক)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
আদেশ
তারিখ, ১ নভেম্বর ২০০১ খ্রিঃ
নং বিবিধ-৭/৯১ (রাজ-৪)/১৩৯৭-যেহেতু, সরকার আগামী ১২ নভেম্বর ২০০১ তারিখে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ আসন-১৭৩ মানিকগঞ্জ-২ এবং ২৩৬ মৌলভীবাজার-৩ এর উপ-নির্বাচনের সময় উক্ত নির্বাচনী এলাকার ভোট কেন্দ্রসমূহে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে লাইসেন্সধারী অস্ত্র মালিকদের উক্ত নির্বাচনী এলাকায় অস্ত্রসহ চলাফেরা করার উপর জনস্বার্থে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সমীচীন বলে মনে করে;
সেহেতু, Arms Act, 1878 (XI of 1878) Section 17A এর Sub- section (1) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার জনস্বার্থে আগামী ১০-১১-২০০১ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২ টা হতে ১৩-১১-২০০১ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২ ঘটিকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে লাইসেন্সধারী সকল মালিকদের উক্ত নির্বাচনী এলাকায় অস্ত্রসহ চলাফেরা করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল। যারা এ আদেশ লঙ্ঘন করে তাঁদের বিরুদ্ধে উক্ত Section 17A এর Sub-section তে বর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২। এই আদেশ নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যথাঃ
(ক) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার সহিত সম্পৃক্ত সকল শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য;
(খ) বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তর, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরী।
ব্যাখ্যা: এই আদেশ ‘শৃঙ্খলা বাহিনী’ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ তে সংজ্ঞায়িত শৃঙ্খলা বাহিনী।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোঃ মতিউর রহমান
উপ-সচিব (রাজনৈতিক)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
আদেশ
তারিখ, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০১/৩ আশ্বিন ১৪০৮
নং বিবিধ-৭/৯১ (রাজ-৪)/১৩৭৬-যেহেতু, সরকার আসন্ন ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় শান্তি-শৃঙ্খলা বজার রাখার লক্ষ্যে জনস্বার্থে অস্ত্র মালিকদের পিস্তল বা রিভলবার থানায় বাধ্যতামূলকভাবে জমা দেয়ার এবং অন্যান্য অস্ত্রসহ চলাফেরা করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সমীচীন বলে মনে করেন, সেহেতু সরকার নিম্নোক্ত আদেশ জারি করলেন।
Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর section 26-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সকল পিস্তল/রিভলবার-এর লাইসেন্সধারী ব্যক্তিগণকে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০১ এর মধ্যে তাদের উক্ত আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট/নিকটবর্তী থানায় জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করলেন। এভাবে জমাকৃত আগ্নেয়াস্ত্র আবশ্যিকভাবে ০৭ অক্টোবর ২০০১ পর্যন্ত জমা থাকবে।
২। Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর section 17A-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০১ হতে ০৭ অক্টোবর ২০০১ পর্যন্ত সময়ের জন্য লাইসেন্সধারী অন্যান্য সকল আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের অস্ত্র বহন অথবা অস্ত্রসহ চলাফেরা করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেন।
৩। যারা এই আদেশ লঙ্ঘন করবেন তাঁদের বিরুদ্ধে উল্লেখিত অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা মতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৪। এই আদেশ নিম্নেবর্ণিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যথাঃ
(ক) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার সহিত সম্পৃক্ত সকল শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য;
(খ) বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি এবং বেসরকারি দপ্তর, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরী।
ব্যাখ্যা: এই আদেশ ‘শৃঙ্খলা বাহিনী’ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ তে সংজ্ঞায়িত শৃঙ্খলা বাহিনী।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোঃ মতিউর রহমান
উপ-সচিব (রাজনৈতিক)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪র্থ
নং-এফ এ-৩৩/৮২ (পোল-৪) পার্ট-১/১৪১
প্রেরকঃ এফ আর চৌধুরী
উপ-সচিব
প্রাপকঃ জেলা প্রশাসক বিষয়ঃ অস্ত্র বিধিমালা-১৯২৪ এর সংশোধন।
নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে থানা/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক শর্টগানের লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন করার ক্ষমতা প্রত্যাহার সম্পর্কিত বিগত ১১/১/১৯৮৬ ইং তারিখে বাংলাদেশ অতিরিক্ত সাধারণ গেজেটে প্রকাশিত এস, আর, ও ১৫-১/৮৬ এফএ -৩৩ (পোল-৪) পার্ট-১ তাং ৯-১-৮৬ বিজ্ঞপ্তির দুই কপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য পাঠালেন।
অত্র মন্ত্রণালয়কে অবগত করিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে উপযুক্ত নির্দেশ ইসস্ করা যেতে পারে।
স্বাঃ এফ আর চৌধুরী
উপ-সচিব
৮-২-৮৬
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়
নিরাপত্তা (২)
সংখ্যা-১৩-নিরাপত্তা (২য়)
তাং ঢাকা, ৪ জানুয়ারি ১৯৭৫ ইং
১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (১৮৭৮ সালের ১১নং আইন) ১৭ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে সরকার ১৯২৪ সালের অস্ত্র বিধিমালার নিম্নলিখিতি অধিকতর সংশোধন করতে মনস্থ করেছেন; যথা:
উপরে বর্ণিত নিয়মের ৮ম তফশিলের, ১৬তম ফরমের ১নং দফার নিম্নলিখিত দফাসমূহ সন্নিবেশিত হবে; যথা- ফরমে প্রথা লাইসেন্স মঞ্জুরী এবং পরবর্তী প্রত্যেক লাইসেন্স নবায়নের জন্যে প্রদেয় ফিস নিম্নবর্ণিত বার্ষিক হারে হবে, যেমন-
| অস্ত্রের প্রকার |
প্রথম মঞ্জুরী |
প্রত্যেকবার নবায়ন |
| ব্রিস লোডিং পিস্তল, রিভলভার অথবা রাইফেল |
টাকা-৪০.০০ |
টাকা-২০.০০ |
| ব্রিস লোডিং শর্টগান |
টাকা-২০.০০ |
টাকা-১০.০০ |
| ব্রিস লোডিং অস্ত্র ছাড়া যে কোন অস্ত্র |
টাকা-৪.০০ |
টাকা-২.০০ |
২য় ৩৩ নিয়মের ১ উপ-নিয়মের বিধির ২ দফার বর্ণিত গোলাবারুদের লাইসেন্স মঞ্জুরীর ক্ষেত্রে ২.০০ টাকা ফিস লওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
স্বাক্ষর-এস, আহমেদ
৪/১/৭৫
সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র বিষয়ক
মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা শাখা
সংখ্যা-১৪৮-নিরাপত্তা (৫ম)
তাং ঢাকা-২৩ অক্টোবর, ১৯৭২ইং
১৯২৪ সালের অস্ত্র ম্যানুয়েলের তৃতীয় অধ্যায়ের, ‘তদন্তের ফরম’ নামক দফার নির্দেশ মোতাবেক তৈরি লাইসেন্স নিমিত্ত দরখাস্ত তদন্তের ফরমের (দফা নং ৫) ক্রমিক নং ১৫শ পরে নিম্নলিখিত ক্রমিক নং সংযোজিত হবে, যেমন-
“১৬শ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোন গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ফটোর মধ্যে একটা লাইসেন্স-ও অন্য ফরমে সন্নিহিত করতে হবে।”
সরকারের নির্দেশক্রমে,
স্বাক্ষর/অস্পষ্ট
উপ-সচিব
জরুরি
পূর্ব পাকিস্তাান সরকার
স্বরাষ্ট্র (রাজনৈতিক) বিভাগ
শাখা-৯ম
বিস্ফোরক পরিদপ্তর
স্মারক সংখ্যা-১৩৯-পল (৯ম)
তাং ৩ এপ্রিল, ১৯৭০ইং
প্রতি
ডেপুটি কমিশনার
বিষয় : অস্ত্র আইন ম্যানুয়েলের ৬৩-ক প্যারার ব্যাখ্যা।
উপরোক্ত বিষয়ে তাঁর গত ১৮-৩-৭০ তারিখের ৭৬৫-জে নং স্মারকের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণের জন্যে নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছে যে, অস্ত্র আইন ম্যানুয়েলের ৬৩-ক প্যারা পরীক্ষা করে দেখা যায় যে, আইনের মর্ম হলো অস্ত্র বিলি বন্দেজ করলে আপনা আপনি বৈধ লাইসেন্স বাতিল হয়ে যায় না এবং যথারীতি লাইসেন্সের ফি প্রদানে নতুন লাইসেন্স গ্রহণের মত কার্যধারায় অবলম্বন না করেও লাইসেন্স একই প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়ের অধিকার বাজেয়াপ্ত করে না।
আরো বলার দরকার যে, ‘বিশেষিত অস্ত্র’ শব্দ বলতে কোন বিশেষ ধরনের বা অস্ত্রের প্রকারকে বুঝায়।
স্বাক্ষর/ আগা, এন আর চৌধুরী
ই, পি, সি, এস
পদবী : শাখা প্রধান
৬। বিস্ফোরক সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন
বিস্ফোরক পরিদপ্তর
প্রজ্ঞাপন
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন ১৩৯৬/ইং মার্চ ১৯৯০, নং বিঃ পঃ ১(২৬) বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪ ও তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ১৯৪০ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে উক্ত বিধিমালার বিধি ৯১ (১) এবং তফসিল ৯ এর আর্টিকেল ৩, ৪, ৫ ও ৬ এর বিধান অনুযায়ী নিম্ন ছকের ১ম কলামে উল্লেখিত লাইসেন্সের বিপরীতে ২য় কলামে লিপিবদ্ধ কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষমতা বিস্ফোরক পরিদর্শক, চট্টগ্রাম/খুলনা/রাজশাহীকে প্রদান করা হলঃ
লাইসেন্সের উদ্দেশ্য ও ফরমের নাম
|
কার্যক্রম |
| আতশবাজির (ফায়ার ওয়ার্কস) ও গান পাউডার অনধিক ১০০ কিলোগ্রাম তৈরি, অধিকারে রাখা এবং বিক্রয়ের জন্য; এবং সেফটি ফিউজ অধিকারে রাখা এবং বিক্রয়ের জন্য ‘আই’ ফরম লাইসেন্স। |
কার্যক্রম |
| অনধিক ৫০ কিলোগ্রাম পাউডার, ৫ কিলোগ্রাম অন্যকোন বিস্ফোরক এবং ১০০টি ডেটোনেটর অধিকারে রাখার জন্য ‘জে’ ফরম লাইসেন্স। |
মঞ্জুর, নবায়ন, সংশোধন ও হস্তান্তর। |
| ব্লাস্টিং-এর জন্য সেফটি ফিউজ, অনধিক ২৫ কিলোগ্রাম গান পাইডার ও স্থল আর্ম নাইট্রো কম্পাউন্ড অথবা অনধিক ১০০ কিলোগ্রাম আতশবাজির (ফায়ার ওয়ার্কস) তৈরির জন্য ‘কে’ ফরম লাইসেন্স। |
ঐ |
| কোন ম্যাগজিনে বিস্ফোরক (ফালমিনেট ব্যতীত) অধিকারে রাখার জন্য এবং ঐ ম্যাগজিন হতে বিস্ফোরক বিক্রয়ের জন্য ‘এল ফরম’ লাইসেন্স। |
নবায়ন |
২। জলপথে বিস্ফোরক আমদানির জন্য ‘এফ’ ফরম লাইসেন্স; স্থলপথে বা আকাশপথে বিস্ফোরক আমদানির পারমিট, কোন ম্যাগজিনে বিস্ফোরক (ফালমিনেট ব্যতীত) অধিকারে রাখা ও সেখান হতে বিক্রয়ের জন্য ‘এল’ ফরম লাইসেন্স এবং ‘আই’ ফরমে তৈরি অনুমোদিত নহে এমন বিস্ফোরক তৈরির জন্য ‘স্পেশাল’ ফরম লাইসেন্স মঞ্জুরের ক্ষমতা বিধান মোতাবেক নিম্নস্বাক্ষর- কারীর নিকট সংরক্ষিত থাকবে।
|
|
নূরুল আলম
প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক
৭। বিদেশী মিশন এবং বিদেশী নাগরিকগণ কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র ধারণ ও বহনের অনুমতি প্রসঙ্গে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজনৈতিক শাখা
শাখা-২
স্মারকলিপি সংক্ষেপিত
নং ৭৮ (১০০)-রাজ/১১
তাং-২৮-১-৭৭ইং
বিষয়: বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী মিশন এবং বিদেশী নাগরিকগণ কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র ধারণ ও বহনের অনুমতি প্রদান প্রসঙ্গে।
নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে অবগতি ও দিক নির্দেশনার জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী মিশন ও বিদেশী নাগরিকগণ কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র ধারণ ও বহন সম্পর্কিত কতিপয় নির্দেশসমূহ এতদসঙ্গে প্রদান করছে:
২) বাংলাদেশে অবস্থানকালে বৈদেশিক মিশনসমূহের কূটনৈতিক কর্মকর্তাগণের প্রতি আগ্নেয়াস্ত্রে ধারণের অনুজ্ঞাপত্র প্রদান সংক্রান্ত ব্যাপারে ১৯২৪ সালের আগ্নেয়াস্ত্র আইনের তফশিল ১ এর ৪ ধারা মোতাবেক নিম্নোক্ত বৈদেশিক প্রতিনিধিগণ অনিষিদ্ধ বোরের অস্ত্রশস্ত্রের জন্য লাইসেন্স নেয়া হতে অব্যাহতি পাবে:
“এ্যামবাসেডর, মন্ত্রী মহোদয়গণ, বিশেষজ্ঞগণ সচিবের এ্যাটাচি এবং এ্যামব্যাসির চ্যান্সেলরগণ, এ্যামবাসি হাই কমিশনের চার্জ দ্যা এ্যাফেয়ার্সগণ, হাইকমিশনার সচিব ও এ্যাটাচিগণ, কাউন্সিল জেনারেল, কনসাল, ভাইস কনসাল এবং কনসালার প্রতিনিধিগণ, ট্রেড কমিশনারগণ”।
(৩) এই অব্যাহতি যাহোক নিষিদ্ধ বোরের অস্ত্রের প্রতি প্রযোজ্য হবে না যা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অনুমতি ব্যতিরেকে আমদানি করা যায় না। এসব অস্ত্র আমদানি ১৯২৪ সালের অস্ত্র বিধিমালার ৭ রুল মতে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যে ক্ষেত্রে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে উক্তরূপ অস্ত্র দখলের লাইসেন্স-এর নবায়ন অনিষিদ্ধ বোরের অস্ত্রের মত ফি ব্যতিরেকে মিশনের কর্মকর্তাগণ প্রদান করা যেতে পারে। বাংলাদেশে বিদেশী মিশনসমূহের কূটনৈতিক মিশনের বহির্ভূত কোন ব্যক্তিকে কোন আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পত্র প্রদান করা যাবে না।
(৪) বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী নাগরিকগণকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যুর নীতি প্রসঙ্গে আরও বর্ণনা করা যাচ্ছে যে, ১৮৭৮ সালের আগ্নেয়াস্ত্র আইন মোতাবেক বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী নাগরিকগণকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানে কোন বাধা- নিষেধ নাই। উক্ত আইনের ১৩ ধারায় উল্লেখ রয়েছে-
কোন ব্যক্তি লাইসেন্স ব্যতিরেকে কোন আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হবে না এবং প্রদত্ত অনুমতির আকার এবং সীমার মধ্যে এখানে ‘ব্যক্তি’ দেশী বা বিদেশীয় নাগরিককে বুঝায়। এই আইন বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য এবং এটা বাংলাদেশে অবস্থিত কোন বিদেশী নাগরিককে বাদ দেয় না। সুতরাং এটা পরিষ্কার যে, উক্ত ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনে লাইসেন্স প্রদানের ব্যাপারে দেশী ও বিদেশী নাগরিক সকলকে একইভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।
(৫) ১৯২৪ সালের আর্মস এ্যাক্টের ৩৩ ও ৪৩ ধারায় আগ্নেয়াস্ত্র ধারণ ও বহনের জন্য লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। এগুলো স্বাভাবিক নিয়মে মঞ্জুর করা হয় না, দরখাস্তকারীর চরিত্র, প্রয়োজনীয়তা আনুষঙ্গিকতা পরীক্ষাপূর্বক কর্তৃপক্ষ উত্ত ও লাইসেন্স প্রদান করে থাকেন। উক্ত আইনসমূহ বাংলাদেশী বা বিদেশী সকল নাগরিকের বেলায় প্রযোজ্য।
(৬) আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতার নাম সমন্বিত নোটিশ জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে বা নিকটস্থ থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দিতে হবে।
(৭) ১৯২৪ ও ১৮৭৮ সালের আগ্নেয়াস্ত্র বিধিমালা ও আইনের বিধানমতে বিদেশী মিশনের কোন ব্যক্তি যদি ব্যক্তিগতভাবে কোন আগ্নেয়াস্ত্র রাখতে চায় তবে অত্র মন্ত্রণালয়ের কোন আপত্তি নেই।
(সৈয়দ আলমগীর চৌধুরী)
উপ-সচিব
৮। গুরুত্বপূর্ণ সার্কুলার
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা, শাখা-২
সার্কুলার
নং ৮৫৩-রাজ/২
ঢাকা, ২০ জুন, ১৯৭৮ইং
সরকারের গোচরীভূত হয়েছে যে, কতিপয় বাংলাদেশী নাগরিক যারা এক সময়ে বিদেশে বসবাস করতেন তারা অস্ত্র আইনের বিধান লঙ্ঘন করে বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্র আমদানি করছেন। শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক উক্ত অস্ত্রসমূহ আইনসঙ্গতভাবে আটক করা হচ্ছে, যদিও উক্ত আমদানিকারকগণ পরবর্তীতে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে উক্ত অস্ত্রসমূহ অধিকারে রাখার লাইসেন্সের প্রার্থনা করেন।
আগ্নেয়াস্ত্র আইনের বিধিমতে আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়ে আগ্রহী ক্রেতাগণকে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে পূর্বাহ্নে লাইসেন্স নিতে হবে। নিম্নস্বাক্ষরকারী অনুরোধ করতে নির্দেশিত হয়েছে যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুগ্রহ করে সকল বৈদেশিক বাংলাদেশী মিশনসমূহে বিশেষত যুক্তরাজ্যে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনকে পরামর্শ দেবেন যেন, বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশী নাগরিক সংশ্লিষ্ট জেলা কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে লাইসেন্স নেয়া ব্যতিরেকে কোন আগ্নেয়াস্ত্র আমদানির জন্য ক্রয় করা থেকে নিজ স্বার্থে বিরত থাকেন। আগ্নেয়াস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট বিধি এতদসঙ্গে সংযুক্ত করা গেল।
(মোঃ ইসমাইল)
সেকশন অফিসার

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা
শাখা-২
নং ১৭৮ (৪৪)-রাজ-২
ঢাকা, ৭ মে, ১৯৭৯ ইং
সার্কুলার
বিষয়: সমগ্র বাংলাদেশে ব্যবহারের জন্য বন্দুকের লাইসেন্সের স্বীকৃতি।
সরকার লক্ষ্য করেছেন যে, আগ্নেয়াস্ত্র অধিকারে রাখার জন্য কোন জেলায় জেলা প্রশাসক কর্তৃক ইস্যুকৃত লাইসেন্স যা সমগ্র বাংলাদেশে ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য, তা অন্য জেলার কিছু কিছু জেলা প্রশাসকগণ কর্তৃক স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে না। এটা আগ্নেয়াস্ত্র বিধিমালার পরিপন্থী এবং লাইসেন্সধারীদের প্রতি অহেতুক হয়রানির কারণ সৃষ্টি করছে।
নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে সকল জেলা প্রশাসকগণকে অনুরোধ জানাচ্ছেন যেন অস্ত্র আইন এবং তদাধীনে ইস্যুকৃত নির্বাহী নির্দেশকসমূহ নির্ভুলভাবে পালন করেন এবং আগ্নেয়াস্ত্র অধিকারে রাখার প্রকৃত লাইসেন্সধারিগণ বিনা কারণে হয়রানির স্বীকার না হন সে ব্যাপারে নিশ্চিত করবেন।
স্বাক্ষর
এস, এম, আলম
উপ-সচিব
৭/৫/৭৯ইং
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
স্মারক নং-এফ এ-২৫/৮১ (রাজ-৪)/৪৮৩ (৭০)
তারিখ: ২৫/৭/১৯৮৪ ইং
প্রাপক: জেলা প্রশাসক, (সকল)
বিষয়: শ্যুটিং ক্লাবের প্রকৃত মেম্বারদেরকে শ্যুটিং দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে অনিষিদ্ধ বোর আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সের বিধি সহজীকরণ সম্পর্কে।
উপরোক্ত বিষয়ে নিম্নস্বাক্ষরকারী জানাতে আদিষ্ট হয়েছেন যে, বাংলাদেশ জাতীয় শ্যুটিং ফেডারেশন আন্তর্জাতিক মানের শ্যুটিং দক্ষতা অর্জনের উদ্দেশ্যে শ্যুটিং ক্লাবের প্রকৃত মেম্বারদেরকে আয়কর সংক্রান্ত তথ্যাদি পরিবেশনের প্রচলিত বিধান শিথিল করে এবং পুলিশি তদন্ত অপেক্ষমাণ রেখে ১২ বোর শর্টগান এবং ২২ বোর রাইফেলের লাইসেন্স প্রদান করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করেন। শ্যুটিং ফেডারেশনের এই আবেদন সতর্কতার সাথে বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, শ্যুটিং ক্লাবের প্রকৃত মেম্বারদেরকে জেলা প্রশাসকগণ তাদের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হলে আয়কর সংক্রান্ত তথ্য পরিবেশনের বিধান শিথিল করে ১২ বোর শর্টগান এবং ২২ বোর রাইফেলের লাইসেন্স প্রদান করতে পারেন। তবে, এ ব্যাপারে অন্যান্য নিয়মাবলী (পুলিশি তদন্তসহ) যথারীতি পালন করতে হবে।
স্বাক্ষর/-(এম, জি, কুদ্দুস)
২৫-৭-৮৪
শাখা প্রধান,
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,
ফোন: ৪০৯০৫৬
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
নং আগ্নে-১৭/৯৩-রাজ (৪/৪৪)
তাং ০৬-০৪-‘৯৩ ইং / ২৩-১২-৯৯ বাংলা
প্রেরক: এম, এইচ, ফরহাদ খান
সিনিয়র সহকারী সচিব
প্রাপক: জেলা প্রশাসক, নেত্রকোনা (সকল)
বিষয়: আগ্নেয়াস্ত্রের ডিলারদের তদন্ত প্রসঙ্গে।
দেশের সকল আগ্নেয়াস্ত্র ডিলারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এবং কার্যক্রম সম্পর্কে যথাযথ তথ্যাদি জেলা এবং মন্ত্রণালয় পর্যায়ে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। লক্ষ্য করা গেছে যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জেলা প্রশাসকগণ কর্তৃক প্রেরিত তালিকায় ডিলারদের পূর্ণ ঠিকানা দেয়া হয় না। আরো লক্ষ্য করা গিয়েছে একই হোল্ডিং-এ ৩/৪টি ডিলারশীপের ঠিকানা রয়েছে। এছাড়া ডিলারগণ কর্তৃক উত্তোলিত গোলাবারুদ বৈধ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের নিকট বিক্রি করা হয় কিনা তাও নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন।
(২) এমতাবস্থায়, সরকার এমর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন যে, দেশের সকল আগ্নেয়াস্ত্র ডিলারদের প্রাকচরিত্র এবং তাঁদের ব্যবসা সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক কার্যকলাপ পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এ প্রেক্ষাপটে সকল জেলা প্রশাসকগণ একজন প্রথম শ্রেণীর হাকিম এবং যথাযথ পদ মর্যাদাসম্পন্ন জেলা বিশেষ শাখার একজন পুলিশ অফিসারের সমন্বয়ে দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করবেন। জেলা প্রশাসকগণ তাঁদের আওতাধীন আগ্নেয়াস্ত্র ডিলারদের পূর্ণাঙ্গ তথ্যাদিসহ তালিকা কমিটির সদ্যস্যের নিকট প্রেরণ করবেন। এ কমিটি নিম্নের বিষয়াদি তদন্ত করে জেলা প্রশাসকগণের নিকট প্রতিবেদন পেশ করবেন:
(ক) আগ্নেয়াস্ত্র ডিলারদের প্রাক-পরিচয় পুনঃযাচাই।
(খ) একই হোল্ডিং-এ একের অধিক ডিলারশীপ লাইসেন্স থাকলে তার পূর্ণ বিবরণ এবং কারণ।
(গ) লাইসেন্স শর্তাবলী যথাযথভাবে প্রতিপালন করা হচ্ছে কিনা।
(ঘ) আগ্নেয়াস্ত্র রাখার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ কিনা, উত্তোলিত গোলাবারুদ বৈধ লাইসেন্সের অনুকূলে বিক্রি করা হচ্ছে কিনা।
(ঙ) আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুদ পরীক্ষা করে যথার্থ পাওয়া যাচ্ছে কিনা।
(৩) কমিটির প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর তার উপর জেলা প্রশাসকগণ তাদের মতামতসহ আগামী ৩০ এপ্রিল, ১৯৯৩ ইং তারিখের মধ্যে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন।
(৪) বিষয়টির উপর কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্তে সকল জেলা প্রশাসকগণকে অনুরোধ জানাতে নিম্নস্বাক্ষরকারী আদিষ্ট হয়েছেন।
(এম. এইচ. ফরহাদ খান)
সিনিয়র সহকারী সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
শক্তি ও জ্বালানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
পেট্রোলিয়াম এবং খনিজ সম্পদ বিভাগ
বিস্ফোরক বিভাগ
নং এস-৬৪৪/একস
এস-৭৩৫/একস
সাবেক কেন্দ্রীয় সরকার-দ্বিতীয়
সেগুন বাগিচা, ঢাকা-২
তারিখ: ১১-১-১৯৮৩ ইং
বরাবর,
মহাব্যবস্থাপক (পরিচালক)
বাংলাদেশ খনিজ অনুসন্ধান উন্নয়ন কর্পোরেশন
গৃহ নির্মাণ ফাইনান্স কর্পোরেশন ৮/৯ তলা ২২, পুরানা পল্টন, ঢাকা।
বিষয়: এ্যালুমিনিয়াম, ইলেকট্রিক ডেটোনেটরছ নং ৬ এবং সাধারণ ডেটোনেটরছ কয়েলের বিশেষ জিলেটিন শতকরা আশি ভাগ নীল সাম নিরাপত্তা ফিউজ আমদানি ও পরিবহনের অনুমতি।
প্রিয় জনাব,
আপনার নিজস্ব দায়িত্বে সিলেট জেলার ছাতক ও টাকেরহাটে মজুদের জন্য যশোর জেলার বেনাপোল সীমান্ত হতে এ্যালুমিনিয়াম ইলেকট্রিক ডেটোনেট নং ৬ = ৩৬,০০০ খানা এবং সাধারণ ডেটোনেটর নং ৬ = ৬৫০০০০ খানা কয়েলের = ৫,২৫০ কয়েলের নীল সাম নিরাপত্তা ফিউজের বিশেষ জিলেটিন শতকরা ৮০ (আশি) ভাগ = ৫১০০ কিলোগ্রাম আমদানি ও পরিবহনে অত্র বিভাগের কোন আপত্তি নাই।
আপনার বিশ্বস্ত
প্রধান পরিদর্শক
বিস্ফোরক (চলতি দায়িত্ব)
বাংলাদেশ বিস্ফোরক, ঢাকা।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
স্মারক ফরম
পূর্ব পাকিস্তান সরকার
স্বরাষ্ট্র (রাজনৈতিক) বিভাগ
শাখা-২
স্মারক সংখ্যা-৫১০-২ক, ৬৫/৭০-রাজনৈতিক
তাং ২৯-৯-১৯৭১ইং
বরাবর,
জেলা প্রশাসক
বিষয়: মার্চের গণ্ডগোলের সময় দুষ্কৃতকারীরা যাদের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গেছে তাদের অস্ত্রের লাইসেন্স মঞ্জুরী।
উপরোল্লিখিত বিষয়ে তাঁর গত ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ তাং ২০৩০-জ নং স্মারক উল্লেখপূর্বক নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছি যে ১১ জুন ১৯৭১ এর ২৫৫ (১৯)-২ক-৬৫/৭০-রাজনৈতিক/স (২) স্মারক খুব পরিষ্কার এবং এ ব্যাপারে কোন ভুল বুঝাবুঝির অবকাশ নেই।
(২) ১৯২৪ সালের অস্ত্র ম্যানুয়েলের বিধান মতে আগ্নেয়াস্ত্র হারিয়ে গেলে/হস্তান্তর করলে লাইসেন্স অবৈধ হয়ে যায়।
(৩) সরকার কর্তৃক লাইসেন্স ফিস প্রদানের অব্যাহতি দেয়া না থাকলে পুরাতন লাইসেন্সের স্থলে নতুন লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাবে।
স্বাক্ষর (তাজুল ইসলাম)
ই, পি, সি, এস
শাখা প্রধান
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
আদেশ
তারিখ, ৯ জানুয়ারি ২০০২/২৬ পৌষ ১৪০৮
নং বিবিধ-৭/৯১ (রাজ-৪)/৩৭-যেহেতু, সরকার আগামী ১৭ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ আসন ৯৩ নড়াইল-১, ৯৪ নড়াইল-২, ১১২ বরগুনা-৩, ১৭৬ মুন্সীগঞ্জ-১ এবং ২১২ ফরিদপুর-৪ এই ৫ (পাঁচ)টি শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনের সময় উক্ত নির্বাচনী এলাকার ভোট কেন্দ্রসমূহে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার লক্ষ্যে লাইসেন্সধারী অস্ত্র মালিকদের উক্ত নির্বাচনী এলাকায় অস্ত্রসহ চলফেরা করার উপর জনস্বার্থে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সমীচীন বলিয়া মনে করে;
সেহেতু, Arms Act, 1878 (XI of 1878) Section 17A এর Sub Section (1) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার জনস্বার্থে আগামী ১২-১-২০০২ তারিখ দিবাগত রাত ০০.০১ মিঃ হতে ১৮-১-২০০২ তারিখ দিবাগত রাত ১২ ঘটিকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে লাইসেন্সধারী সকল মালিকদের উক্ত নির্বাচনী এলাকায় অস্ত্রসহ চলাফেরা করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল। যারা এ আদেশ লংঘন করবেন তাঁদের বিরুদ্ধে উক্ত Section 17A এর Sub-section (2)-তে বর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২। এ আদেশ নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যথাঃ-
(ক) আইন-শৃংখলা রক্ষার সহিত সম্পৃক্ত সকল শৃংখলা বাহিনী সদস্য;
(খ) বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি এবং রেসরকারি দপ্তর, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরী।
ব্যাখ্যা: এই আদেশ “শৃংখলা বাহিনী” অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২-তে সংজ্ঞায়িত শৃংখলা বাহিনী।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোঃ মতিউর রহমান
উপ-সচিব (রাজনৈতিক)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-২
প্রজ্ঞাপন
তারিখ, ৪ নভেম্বর ২০০১/২০ কার্তিক ১৪০৮
বিষয়: অবৈধ অস্ত্র সমর্পণ প্রসঙ্গে।
নং স্বঃ মঃ (রাজ-২)/বিবিধ-৭/২০০১/৯৭২-আগামী ১০ই নভেম্বর, ২০০১ইং তারিখের মধ্যে অবৈধ অস্ত্রধারীদের স্ব স্ব অস্ত্র নিকটস্থ থানা অথবা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সমর্পন করলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
২। এর প্রেক্ষিতে স্বেচ্ছায় অবৈধ অস্ত্র সমর্পণকারীদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ০১ থেকে ১০ নভেম্বর ২০০১ সময়ের জন্য অবৈধ অস্ত্র রাখার কারণে অস্ত্র আইন, ১৮৭৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহের কার্যকারিতা প্রযোজ্য হবে না।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোঃ মতিউর রহমান
উপ-সচিব (রাজনৈতিক)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
আদেশ
তারিখ, ২২ অক্টোবর ২০০১/৭ কার্তিক ১৪০৮ নং বিবিধ-৭/৯১ (রাজ-৪)/১৩৭৬-যেহেতু, সরকার আগামী ১লা নভেম্বর ২০০১ তারিখে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ আসন-২৯৬ কক্সবাজার-৩ এর নির্বাচনী এলাকার ভোট কেন্দ্রসমূহে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার লক্ষ্যে লাইসেন্সধারী অস্ত্র মালিকদের উক্ত নির্বাচনী এলাকায় অস্ত্রসহ চলাফেরা করার উপর জনস্বার্থে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সমীচীন বলে মনে করে;
সেহেতু, Arms Act, 1878 (XI of 1878) Section 17A এর Sub Section (1) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার জনস্বার্থে আগামী ২৮-১০-২০০১ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত হতে ০৩-১১-২০০১ তারিখ রাত ২৩.৫৯ ঘটিকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে লাইসেন্সধারী সকল অস্ত্র মালিকদের উক্ত নির্বাচনী এলাকায় অস্ত্রসহ চলাফেরা করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল। যারা এই আদেশ লংঘন করবেন তাঁদের বিরুদ্ধে উক্ত Section 17A এর Sub-section (2)-তে বর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২। এই আদেশ নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যথাঃ-
ক) আইন-শৃংখলা রক্ষার সহিত সম্পৃক্ত সকল শৃংখলা বাহিনী সদস্য;
(খ) বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি এবং রেসরকারি দপ্তর, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরী।
ব্যাখ্যা: এই আদেশ “শৃংখলা বাহিনী” অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২-তে সংজ্ঞায়িত শৃংখলা বাহিনী।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোঃ মতিউর রহমান
উপ-সচিব (রাজনৈতিক)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
প্রজ্ঞাপন
ঢাকা, ৪ শ্রাবণ ১৪০৮ বঃ/১৯ জুলাই ২০০১ খ্রিঃ নং মপবি/শাঃ পঃ/মসকগ/৯৬/৯০-দেশের দৈনন্দিন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিশেষ করে বেআইনী অস্ত্রের উদ্ধার অভিযান তত্ত্ববধান এবং এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে পরামর্শ প্রদানের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার নিম্নরূপ উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি গঠন করেছে: কমিটির গঠন:
আহ্বায়ক
(১) মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন চৌধুরী, বীর বিক্রম (অবসরপ্রাপ্ত), উপদেষ্টা
সদস্যবৃন্দ
(২) জনাব এ. এস. এম. শাজাহান, উপদেষ্টা
(৩) জনাব আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, উপদেষ্টা
২। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
৩। ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোঃ দেলওয়ার হোসেন
যুগগ্ম-সচিব।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
স্মারক নং আগ্নে-৭/৯০ (রাজ-৪)/৭০
তাং ২৮-২-১৯৯৩ইং
বিষয় : বন্দুক, রাইফেল, পিস্তল এবং রিভলভারের লাইসেন্স প্রদান সাময়িকভাবে স্থগিতকরণ প্রসঙ্গে।
উপরোক্ত বিষয়ে নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছেন যে, সরকার এ মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন যে, পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্দুক, রাইফেল, পিস্তল এবং রিভলভারের লাইসেন্স প্রদান আপাততঃ স্থগিত থাকবে।
স্বাঃ/
(এম এইচ. ফরহাদ খান)
সিনিয়র সহকারী সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
স্মারক নং আগ্নে-৭(১)/৯০ (রাজ-৪)/১৫২
তাং ১১-০৪-৯০ ইং
২৮-১২-৯৯ বাং
বিষয়: টিবিসি বা অন্য সরকার অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে বিদেশ হতে শুল্ক মূল্যে ক্রয়/আমদানি অথবা দান/উপহার হিসেবে প্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে বিক্রয়, হস্তান্তর বা দান না করা প্রসঙ্গে।
সম্প্রতি লক্ষ্য করা গিয়েছে যে, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সধারী কর্তৃক টিবিসি বা সরকার অনুমোদিত অন্য কোন সংস্থার মাধ্যমে কিংবা বিদেশ হতে ক্রয়কৃত/ আমদানিকৃত বা দান/উপহার হিসাবে প্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র চড়া দামে বাজার বিক্রয় করে ঐ লাইসেন্স বলে পুনরায় আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। ফলে আগ্নেয়াস্ত্রের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে সংশয়মুক্ত হওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়াও কর্তৃপক্ষকে অবহিত না রেখে আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রয় করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অবস্থায় সরকার নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
(ক) টিবিসি বা সরকার অনুমোদিত অন্য কোন সংস্থার নিকট হতে ক্রয়কৃত আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স এন্ট্রি করার তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে বিক্রয়, হস্তান্তর বা দান করা যাবে না।
(খ) বিদেশ হতে আমদানিকৃত/ক্রয়কৃত বা উপহার/দান/হিসাবে প্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স এন্ট্রি করার তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে বিক্রয়, হস্তান্তর বা দান করা যাবে না।
(গ) বৈধ লাইসেন্সের আওতাধীন আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রয় সম্পর্কে ক্রেতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত রাখতে হবে। অন্যথায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(২) এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
(৩) সরকারের উপরোক্ত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
স্বাঃ/
(এম. এইচ, ফরহাদ খান)
সিনিয়র সহকারী সচিব
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪
নং আগ্নে-৩৬(২)/৯৩ (রাজ-৪)/২০০ (৬৪)
তাং ০৬-০৪-৯০ ইং / ২৩-১২-৯৯ বাং
বিষয়: আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির পর-উহার লাইসেন্স বাতিল/বহাল রাখা প্রসঙ্গে।
সম্প্রতি লক্ষ্য করা গিয়েছে যে, ব্যক্তি বিশেষ তাদের লাইসেন্সের আওতায় আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করে দেন এবং লাইসেন্স বহাল রাখার প্রয়াস পান। এই ব্যাপারে The Bengal Arms Act, 1924-এর ৬৩ক ধারা প্রণিধানযোগ্য। উক্ত বিধি হতে ইহা প্রতীয়মান হয় যে কোন আগ্নেয়াস্ত্রধারী উহার লাইসেন্সের আওতায় আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রয় করলে লাইসেন্স বাতিল হয়ে যায়।
অতএব, এখন হতে এই বিষয়ে যথাযথ প্রয়োজনীয়তা কার্যক্রম গ্রহণ করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
স্বাক্ষর
(মোহাম্মদ আলী খান)
সিনিয়র সহকারী সচিব
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা-৪র্থ
নং-এফ এ-৩৩/৮২ (পোল-৪) পার্ট-১/১৪১
প্রেরক: এফ আর চৌধুরী
উপ-সচিব
প্রাপক: জেলা প্রশাসক
বিষয়: অস্ত্র বিধিমালা-১৯২৪ এর সংশোধন।)
নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে থানা/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক শর্টগানের লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন করার ক্ষমতা প্রত্যাহার সম্পর্কিত বিগত ১১/১/১৯৮৬ ইং তারিখে বাংলাদেশ অতিরিক্ত সাধারণ গেজেটে প্রকাশিত এস. আর. ও ১৫-১/৮৬ এফএ-৩৩ (পোল-৪) পার্ট-১ তাং ৯-১-৮৬ বিজ্ঞপ্তির দুই কপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য পাঠালেন।
অত্র মন্ত্রণালয়কে অবগত করিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে উপযুক্ত নির্দেশ ইস্যু করা যেতে পারে।
স্বাঃ/
এফ আর চৌধুরী
উপ-সচিব
৮-২-৮৬
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক শাখা
২য় শাখা
তাং ৪/৩/৮০ ইং
নং 242 (20)-Poll/11
প্রেরকঃ মিঃ এম. এস. আলম
উপ-সচিব
প্রাপক: জেলা প্রশাসক
বিষয়: আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু এবং একজন ব্যক্তি কর্তৃক একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র দখল রাখা প্রসঙ্গে।
নিম্নস্বাক্ষরকারী নির্দেশিত হয়ে জানাচ্ছে যে, সরকার সদয় হয়ে অত্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত গত ১৫/৪/৭৬ ইং তারিখের ১২৮ (১৯) সেক (২), ২৮/৫/৭৬ ইং তারিখের ১৭৭ (১৯)-সেক (২)/১/৬/৭৬ ইং তারিখের ১৯২-সেক এবং (২) ৩০-৮- ৭৯ ইং তারিখের ৩৪১ (১২) পোল (১১) নং সার্কুলারসমূহে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন প্রসঙ্গে সকল বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। লাইসেন্স বা নবায়নের দরখাস্তসমূহ অতঃপর অত্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করতে হবে না। জেলা প্রশাসকগণ এবং মহকুমা প্রশাসকগণ পূর্ব আর্মস এ্যাক্ট অনুযায়ী ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
স্বাক্ষর-
এস. এম. আলম
উপ-সচিব।
প্রারম্ভিক বিস্ফোরক বিধিমালা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
প্রারম্ভিক বিস্ফোরক বিধিমালা
বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ
প্রজ্ঞাপন
তারিখ, ১২ আগস্ট ২০০৪/২৮ শ্রাবণ ১৪১১
নং এস. আর, ও নং-২৪৭ আইন/২০০৪। যেহেতু সরকার Explosives Act, 1884 (Act IV of 1884. অতঃপর উক্ত Act বলিয়া উল্লিখিত, এর section 18 এর বিধান মোতাবেক এস, আর, ও নং-২৮৭/২০০৩; তারিখ ১ অক্টোবর, ২০০৩ ইং মূলে নিম্নরূপ বিধিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব প্রাক-প্রকাশ করিয়াছিল;
যেহেতু উক্ত প্রাক-প্রকাশিত খসড়া বিধিমালা গেজেটে প্রকাশের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রস্তাবিত বিধিমালা প্রণয়নের ফলে প্রভাবিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে পারেন এইরূপ কেহ কোনো আপত্তি বা পরামর্শ সরকারের নিকট দাখিল করে নাই; এবং যেহেতু উক্ত প্রস্তাবিত বিধিমালা গেজেটে প্রকাশের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিন অতিবাহিত হইয়াছে; সেহেতু সরকার উক্ত Act এর Section 5 এবং 7 এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, নিম্নরূপ বিধিমালা চূড়ান্ত প্রকাশ করিল, যথাঃ
“চূড়ান্ত প্রকাশিত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪”
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম:
(১) এ বিধিমালা বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ নামে অভিহিত হইবে।
২। সংজ্ঞাঃ
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই বিধিমালায়- (১) “আইন” অর্থ The Explosives Act, 1884 (Act No. IV of 1884);
(২) “তফসিল” অর্থ এই বিধিমালার কোন তফসিল; (৩) “ধারা” অর্থ আইনের কোন Section;
(৪) “প্রধান পরিদর্শক” অর্থ Chief Inspector of Explosives in Bangladesh;
(৫) “পরীক্ষণ কর্মকর্তা” অর্থ বিস্ফোরক পরীক্ষণের জন্য সরকার কর্তৃক নিয়োজিত কোন কর্মকর্তা;
(৬) “ফরম” অর্থ তফসিল ৫ এ উল্লিখিত কোন ফরম;
(৭) “ব্যক্তি” অর্থ কোন ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি এবং সংবিধিবদ্ধ সংস্থাও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(৮) “লাইসেন্স” অর্থ বিধি ১৬০ এর অধীনে প্রদত্ত কোন লাইসেন্স;
(৯) “জেলা কর্তৃপক্ষ” অর্থ ডেপুটি কমিশনার এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(১০) ” যোগ্য ব্যক্তি” অর্থ প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক যোগ্য বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
(১১) “ম্যাগাজিন” অর্থ ২.৫ কেজির অধিক বিস্ফোরক রাখিবার জন্য প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত ডিজাইন অনুসারে বিশেষভাবে নির্মিত কোন ভবন বা পাত্র;
(১২) “ভ্যান” অর্থ বিস্ফোরক পরিবহনের জন্য যন্ত্রচালিত কোন যান।

৩। বিস্ফোরকের শ্রেণীবিভাগ:
(১) এই বিধিমালার তফসিল ১ অনুসারে বিস্ফোরকের শ্রেণীবিভাগ নির্ধারিত হইবে।
(২) কোন বিস্ফোরক তফসিল ১ এর সংজ্ঞা অনুসারে একাধিক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হইলে উহা শেষ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
৪। ঝুঁকিভিত্তিক বিস্ফোরকের শ্রেণীবিভাগঃ
বিস্ফোরকের নিম্নবর্ণিত ঝুঁকি অনুসারে বিস্ফোরকের শ্রেণীবিভাগ নির্ধারিত হইবে, যথা:
১.১ : তাৎক্ষণিকভাবে একত্রে সম্পূর্ণ বিস্ফোরণের ঝুঁকি বহন করে এমন বিস্ফোরক;
১.২. : তাৎক্ষণিক ব্যাপকভাবে একত্রে বিস্ফোরণ হয় না এমন বিস্ফোরক;
১.৩ : অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু বিস্ফোরণের ঝুঁকিবিহীন বা সামান্য বিস্ফোরণের ঝুঁকিপূর্ণ বিস্ফোরক দ্রব্য এবং উপাদানসমূহ;
১.৪ : মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ নহে এমন বস্তু এবং উপাদানসমূহ;
১.৫ : অত্যন্ত অসংবেদনশীল দাহ্য যাহা সম্পূর্ণভাবে বিস্ফোরিত হয়।
সাধারণ বিধানাবলী – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
সাধারণ বিধানাবলী
৫। প্রাধিকৃত বিস্ফোরক (Authorised Explosive) :
(১) প্রধান পরিদর্শক সময়ে সময়ে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রাধিকৃত বিস্ফোরকের তালিকা প্রকাশ করিবেন।
(২) প্রাধিকৃত বিস্ফোরকের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য যে কোন ব্যক্তি প্রধান পরিদর্শকের নিকট বিধি ৮ ও ৯ এর শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করিবেন।
(৩) প্রধান পরিদর্শক আবেদন প্রাপ্তির পর বিস্ফোরকের নমুনা পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি-সহ উক্ত বিস্ফোরকের নমুনা তাহার নিকট প্রেরণ করিবার নির্দেশ প্রদান করিবেন।
(৪) বিস্ফোরকের নমুনা প্রাপ্তির পর প্রধান পরিদর্শক উক্ত নমুনা পরীক্ষা করিবার পর যদি উক্ত বিস্ফোরক প্রাধিকৃত বিস্ফোরকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হইবার যোগ্য হয়, তিনি উক্ত বিস্ফোরক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রকাশ করিবেন।
![সাধারণ বিধানাবলী । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৫-২১]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
৬। অননুমোদিত বিস্ফোরক নিষিদ্ধ:
কোন ব্যক্তি এমন কোন বিস্ফোরক উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন, অধিকারে রাখা, ব্যবহার বা বিক্রি করিবেন না যাহা প্রাধিকৃত বিস্ফোরক নহে: তবে শর্ত থাকে যে, প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত স্থানে কোন ব্যক্তি কর্তৃক লাইসেন্সকৃত কারখানায় নতুন বিস্ফোরক উৎপাদন এবং বিক্রয়ের উদ্দেশ্য ব্যতীত পরীক্ষা-নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে অধিকারে রাখিবার ক্ষেত্রে এ বিধি প্রযোজ্য হইবে না।
৭। বিস্ফোরক সরবরাহ ও প্রেরণে বাধা-নিষেধ:
(১) কোন ব্যক্তি এমন কাহারো নিকট বিস্ফোরক সরবরাহ বা প্রেরণ করিবেন না, যদি না তিনি-
(ক) বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার লাইসেন্সধারী বা লাইসেন্সধারী কর্তৃক এই মর্মে যথাযথভাবে লিখিতভাবে প্রাধিকৃত হন; বা
(খ) এ বিধিমালার বিধান অনুসারে বিনা লাইসেন্সে বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার স্বত্ববান হন।
(২) এইরূপ সরবরাহকৃত বা প্রেরিত বিস্ফোরক কোন অবস্থাতেই যাহার নিকট সরবরাহ বা প্রেরণ করা হয় তৎকর্তৃক এ বিধিমালার বিধান মোতাবেক লাইসেন্স বলে বা লাইসেন্স ছাড়া অধিকারে রাখিবার পরিমাণের চেয়ে বেশি হইবে না।
(৩) কোন ব্যক্তি এই বিধিমালার অধীন মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সধারী না হইলে কাহারো নিকট হইতে বিস্ফোরক গ্রহণ করিতে পারিবেন না।
(৪) প্রধান পরিদর্শকের অনুমতি ব্যতীত কোন ব্যক্তি লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে মজুদ বা নিরাপদ হেফাজতে রাখিবার উদ্দেশ্যে স্বল্প সময়ের জন্য কোন ব্যক্তির নিকট হইতে বিস্ফোরক গ্রহণ করিতে পারিবেন না।
৮। বিস্ফোরকের মোড়ক ইত্যাদি:
(১) কোন ব্যক্তি বিস্ফোরক আমদানি, পরিবহনের জন্য প্রদান, পরিবহনের ব্যবস্থা, অধিকারে রাখা বা বিক্রি করিবেন না, যদি না উহা-
(ক) তফসিল-২ এ বিধৃত পন্থায় মোড়ক করা হয়;
(খ) প্রতিটি বিস্ফোরকের পাত্র বা গাঁটের নমুনা পরীক্ষিত এবং প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইয়া থাকে;
(গ) এ বিধিমালার বিধি ৯ অনুসারে পাত্র বা গাঁট চিহ্নিত হয়।
(২) প্রাধিকৃত বিস্ফোরক নহে এমন বিস্ফোরক পরীক্ষার জন্য পরিবহন প্রয়োজন হইলে সেই বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে প্রধান পরিদর্শকের নির্দেশমত গাঁট বাধাই করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির কোন বিধান উৎপাদনের প্রক্রিয়াধীন কোন বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
৯। গাঁটের চিহ্নঃ
(১) গাঁটের বহিরাবরণ সুস্পষ্টভাবে অমোচনীয় কালি দ্বারা ছাপ এবং খোদাই করিয়া নিম্নোক্ত তথ্য লিপিবদ্ধ করিতে হইবে, যথা:
(ক) “বিস্ফোরক” শব্দ;
(খ) প্রাধিকৃত বিস্ফোরকের নাম;
(গ) ধারণকৃত বিস্ফোরকের শ্রেণী ও বিভাগের নম্বর;
(ঘ) বিধি ৪ এ বর্ণিত ঝুঁকিভিত্তিক বিস্ফোরকের শ্রেণীবিভাগ;
(ঙ) বিস্ফোরকের উৎপাদনকারীর নাম; (চ) প্রেরক ও প্রাপকের নাম; এবং
(ছ) বিস্ফোরকের নীট ওজন; তবে শর্ত থাকে যে, সেফটি ফিউজ বা আতশবাজির ক্ষেত্রে ‘বিস্ফোরক’ শব্দটি এবং শ্রেণী ও বিভাগের নম্বর বাদ দেওয়া যাইবে।
(২) ব্লাস্টিংয়ে ব্যবহৃতব্য বিস্ফোরক, যথা-২য় শ্রেণীর বিস্ফোরক বা ৩য় শ্রেণীর ১ম বিভাগের অনুরূপ অন্য বিস্ফোরক, অথবা তরল নাইট্রো-যৌগযুক্ত ৪র্থ শ্রেণীর অনুরূপ অন্য বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে প্রস্তুতের তারিখ এবং ব্যাচ নম্বর যোগ করিতে হইবে।
(৩) ২য় এবং ৩য় শ্রেণীর বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে বিস্ফোরক ধারণকৃত প্রতিটি কার্তুজের উপর নিম্নোক্ত তথ্যাদি সুস্পষ্ঠভাবে খোদাই করিতে হইবে, যথা:
(ক) ‘বিস্ফোরক’ শব্দ;
(খ) বিস্ফোরকের নাম;
(গ) বিস্ফোরকের ওজন;
(ঘ) কার্তুজের ব্যাস;
(ঙ) উৎপাদনকারীর নাম; এবং
(চ) অনুমোদিত (Permitted/permissible) বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে ‘P’ অক্ষর।
(৪) আতশবাজির ক্ষেত্রে, প্রতিটি আতশবাজির টুকরার উপরে ফায়ারিং-এর পদ্ধতি এবং গ্রহণীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে সাবধানতা বা সতর্কীকরণ নির্দেশিকা মুদ্রিত থাকিবে এবং আতশবাজির উপর পর্যাপ্ত জায়গা না থাকিলে, এইরূপ সাবধানতা বা সতর্কীকরণ অন্য পৃথক লেবেলে মুদ্রণ করিতে হইবে এবং উহা ক্ষুদ্রতম মোড়কে বা কার্টুনে সন্নিবিষ্ট করিতে হইবে।
(৫) কোন বহিঃস্থ মোড়কে একাধিক বিস্ফোরক থাকিলে, এইরূপে রক্ষিত প্রতিটি বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) এবং (২) অনুসারে পৃথকভাবে চিহ্নিত করিতে হইবে।
১০। মোড়ক সংক্রান্ত বিধির শিথিলতা:
যদি প্রধান পরিদর্শক এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, কোন বিশেষ ক্ষেত্রে বিধি ৮ এবং ৯-এর কোন বিধান নিরাপদে শিথিল করা যায় তবে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা উক্ত আদেশে উল্লিখিত শর্ত সাপেক্ষে উক্তরূপ শিথিলতা অনুমোদন করিবেন।
১১। বিস্ফোরকের ওজন:
এই বিধিমালায় উল্লিখিত বিস্ফোরকের ওজন উহা যে মোড়ক বা বাক্স দ্বারা আবৃত থাকে উহার ওজন সমেত হইবে না:
শর্ত থাকে যে, ৬ষ্ঠ (গোলা বারুদ ammunition) শ্রেণী বা ৭ম (আতশবাজি) শ্রেণীর বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে যে খাপে বা আধারে বিস্ফোরক রক্ষিত উহার ও ভর্তিকৃত বস্তুর ওজন সমেত বিস্ফোরকের ওজন নির্ণয় করিতে হইবে।
১২। বিস্ফোরক নাড়াচাড়া করিতে পালনীয় সতর্কতা:
(১) কোন স্থানের মেঝে বা কোন গাড়ি বা জাহাজ যেখানে বিস্ফোরক রাখা (Lay) হয় এবং ভূমি, জাহাজে উঠার সিঁড়ি, জাহাজের পাটাতন এবং অন্যান্য স্থান যাহার উপর দিয়া বোঝাই বা খালাসের সময় বিস্ফোরক বহন করা হইবে তাহা-
(ক) এই বিধিমালার পরিপন্থী কোন কিছু সেখানে নাই অথবা চালানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হইবে না-এ মর্মে নিশ্চিত হইবার জন্য সতর্কতার সহিত পরীক্ষা করিতে হইবে; এবং
(খ) ব্যবহারের পূর্বে ও পরে উহা পরিষ্কার এবং ঝাড় দিতে হইবে।
(২) বিস্ফোরক রক্ষিত মোড়ক ভূমি বা ছাদ বরাবর নিক্ষেপ করা বা উপর হইতে নিচে ফেলা বা ঘুরানো বা বলপূর্বক টানিয়া আনা যাইবে না। কিন্তু উহা এক হাত হইতে অন্য হাতে স্থানান্তর করা এবং সতর্কতার সহিত জমা এবং মজুদ করা যাইবে।
(৩) মোড়ক নিক্ষেপের প্রয়োজন হইলে, নিক্ষেপের জন্য উপযুক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে যাহাতে উহার পতনের সম্ভাবনা না থাকে।
(৪) বিস্ফোরক নাড়াচাড়া শুরু করিবার পর উহার কার্যক্রম নিবিড় সতর্কতা এবং অপ্রয়োজনীয় বিরতি ছাড়া পরিচালনা করিতে হইবে।
১৩। সূর্যাস্তের পর বিস্ফোরক নাড়াচাড়াকরণে বাধা- নিষেধ:
কোন ব্যক্তি সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়ে কোন বিস্ফোরক নাড়াচাড়া করিতে এবং করাইতে পারিবেন না: তবে শর্ত থাকে যে, এলাকাতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হইলে এবং উক্ত স্থানটি পাহারাধীন থাকিলে অন্ধকার সময়ে বিস্ফোরকের নাড়াচাড়া করিবার জন্য এই বিধি প্রযোজ্য হইবে না।
১৪। ধূমপান, আগুন, বাতি এবং বিপজ্জনক পদার্থের উপর বাধা-নিষেধঃ
বিস্ফোরক মজুদ হয় এমন স্থানের ১৫ মিটারের মধ্যে যে কোন সময় এবং বিস্ফোরক নাড়াচাড়া করা হয় এমন স্থানে পরিহনের ১ ঘণ্টা পূর্বে কোন ব্যক্তি ধূমপান করিতে পারিবেন না এবং কোন আগুন, বাতি বা প্রজ্বলনীয় বস্তু বা পদার্থ বা স্বতঃস্ফূর্ত প্রজ্বলনে সক্ষম এমন বস্তু, বা আগুনের উৎস বা আগুন ধরাইতে সক্ষম বা বিস্ফোরণ ঘটাইতে পারে এমন পদার্থ যেমন-এসিড, পেট্রোলিয়াম, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, সংকোচিত গ্যাস বা রেডিও তরঙ্গ সৃষ্টিকারী অন্যান্য যন্ত্র আনিতে পারিবেন না: তবে শর্ত থাকে যে, জাহাজে ব্যবহারের জন্য এই বিধি প্রযোজ্য হইবে না-
(ক) যদি ইঞ্জিন রুমের বাতি পূর্বে সতর্কতার সহিত নিভাইয়া দেওয়া হয়; বা
(খ) কোন কৃত্রিম বাতি বা জাহাজের সংকেত বাতি বা বন্দরসীমার বাহিরের এলাকার জন্য প্রধান পরিদর্শক এবং বন্দর এলাকার জন্য বন্দররক্ষক কর্তৃক লিখিত অনুমোদিত হয়।
১৫। দিয়াশলাই প্রভৃতির উপর বাধা-নিষেধঃ
কোন ব্যক্তি বিস্ফোরক নাড়াচাড়া করা হয় এমন স্থানে, স্থানের মধ্যে বা উহার সন্নিকটে-
(ক) কোন দিয়াশলাই, ফিউজ বা প্রজ্বলনীয় বা বিস্ফোরণ ঘটাইতে পারে এমন অন্যান্য বস্তু, বা কোন ছুরি বা লোহা বা ইস্পাতের তৈরি অন্যান্য পদার্থ তাহার অধিকারে রাখিবে না; বা
(খ) চামড়া, রাবার, পশম বা অন্য বস্তু দ্বারা বুট বা জুতার উপর আবরণ না দেওয়া পর্যন্ত লোহার পেরেক বা লোহার তলদেশ বা লোহা দ্বারা নির্মিত বুট বা জুতা পরিধান করিবেন না।
১৬। বিদীর্ণ হওয়া বিস্ফোরক ধ্বংসকরণ:
যদি বিস্ফোরক রক্ষিত মোড়ক হইতে কোন বিস্ফোরক নিক্ষিপ্ত হয় বা বিদীর্ণ হয় তবে উক্ত বিস্ফোরক তৎক্ষণাৎ সতর্কতার সহিত সংগ্রহ করিতে হইবে এবং এই বিধিমালার বিধান অনুযায়ী ধ্বংস করিতে হইবে।
১৭। শিশু, মাতাল এবং কতিপয় ব্যক্তির নিয়োগ:
বিস্ফোরক উৎপাদন, মজুদ, বিক্রয়, বোঝাই, খালাস বা পরিবহনের কাজে বা এই বিধিমালার অধীনে লাইসেন্সকৃত কোন প্রাঙ্গণে এমন কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করান বা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাইবে না-
(ক) যাহার বয়স ১৮ বৎসর পূর্ণ হয় নাই; বা
(খ) যিনি নেশাগ্রস্ত; বা
(গ) যিনি অপ্রকৃতস্থ।
১৮। যোগ্য ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে কার্য সম্পাদনঃ
এই বিধিমালার অধীন মঞ্জুরীকৃত প্রত্যেক লাইসেন্সধারীকে এমন একজন যোগ্য ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে বিস্ফোরক বোঝাই, খালাস বা নাড়াচাড়া করাইতে হইবে যিনি উক্ত কাজের ব্যাপারে অনুসরণীয় সতর্কতামূলক বিধানাবলি সম্পর্কে সম্যক ওয়াকেবহাল।
১৯। পানির বিপদ হইতে সাবধানতা বা রৌদে বা তাপে অনাবৃত না রাখা:
(১) পানি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে পারে এমন বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে সর্বদা পর্যাপ্ত সতকর্তা অবলম্বন করিতে হইবে যাহাতে এইরূপ বিস্ফোরক পানির সংস্পর্শে আসিতে না পারে।
(২) বিস্ফোরক রক্ষিত মোড়ক রৌদ্রে রাখিবার অনুমতি প্রদান করা বা অতিরিক্ত তাপে অনাবৃত রাখা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, উপ-বিধি (২) এ যাহাই থাকুক না কেন, রৌদ্রে শুষ্ককরণ বা বারুদ বা আতশবাজি বা কোন লাইসেন্সকৃত কারখানায় নিয়ন্ত্রিত শর্তাধীনে বিস্ফোরক শুষ্ককরণের ক্ষেত্রে এই বিধি প্রযোজ্য হইবে না।

২০। দুর্ঘটনা রোধে বিশেষ সতর্কতা এবং অননুমোদিত ব্যক্তি বর্জন :
(১) বিস্ফোরক উৎপাদন, মজুদ, নাড়াচাড়া বা পরিবহন করা হয় এমন স্থানে বা স্থানের নিকটে কোন ব্যক্তি আগুন বা বিস্ফোরণ ঘটাইতে পারে এমন কোন কাজ করিতে বা কাজ করিবার চেষ্টা করিতে পারিবেন না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-বিধির কোন কিছুই বিস্ফোরক উৎপাদন, মজুদ বা পরিবহনের সময় নাড়াচাড়া করা ইত্যাদি কাজে বা তথায় অবস্থিত কোন বস্তুর যুক্তিসঙ্গত কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
(২) বিস্ফোরক অধিকারে আছে এমন প্রত্যেক ব্যক্তি এবং বিস্ফোরকের দায়িত্বপ্রাপ্ত, বা আমদানি, উৎপাদন, বিক্রয়, পরিবহণ বা নাড়াচাড়ায় নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সকল সময়-
(ক) এই বিধিমালার বিধি এবং উহার সহিত সম্পর্কিত কোন লাইসেন্সের শর্তসমূহ পরিপালন করিতে হইবে;
(খ) চুরি এবং আগুন বা বিস্ফোরণজনিত দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় যাবতীয় সতর্কতা অবলম্বন করিতে হইবে;
(গ) বিস্ফোরকের নিকট অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশে বাধা প্রদান করিতে হইবে;
(ঘ) অন্য কোন ব্যক্তিকে উপ-বিধি (১) এ নিষিদ্ধকৃত এইরূপ কাজ হইতে বিরত রাখিতে হইবে।
২১। কতিপয় বিস্ফোরক পরিবহনে বাধা-নিষেধ:
এই বিধিমালায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রধান পরিদর্শকের অনুমোদন ব্যতীত কোন ব্যক্তি নিম্নরূপ বিস্ফোরক পরিবহন করিতে পারিবেন না, যথা:
(ক) লাইসেন্সকৃত কারখানার মধ্যে কেবলমাত্র বিস্ফোরক উৎপাদনের প্রয়োজন ব্যতীত কোন যানে যে কোন পরিমাণের নাইট্রোগ্লিসারিন বা ইথিলিন গ্লাইকল ডাইনাইট্রেট বা ৫ম শ্রেণীর কোন বিস্ফোরক;
(খ) প্রাধিকৃত নহে এমন বিস্ফোরক বা খারাপ অথবা নষ্ট হইয়া যাওয়া কোন বিস্ফোরক।
সাধারণ আমদানি – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
![সাধারণ আমদানি । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ২২-২৩]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
সাধারণ আমদানি
২২। প্রয়োগ:
(১) বিধি ২৫ এবং ২৬ ব্যতীত বাংলাদেশের উপর দিয়া পরিবহনের জন্য আনিত কোন বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে এই অধ্যায়ের বিধানাবলি প্রয়োগ করা যাইবে না।
(২) বিধি ২৪ এ উল্লিখিত কোন বন্দরে সমুদ্রপথে আমদানিকৃত অন্য কোন বিস্ফোরক এই বিধিমালার অধীন প্রয়োজনীয় পরীক্ষণ, বিশ্লেষণ বা অনুসন্ধান ঐ বন্দরে করা যাইবে না।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
২৩। আমদানির লাইসেন্স/পারমিট প্রদানে বাধা-নিষেধঃ
(১) কোন ব্যক্তি এই বিধিমালার অধীন মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্স বা পারমিটের শর্তাবলি অনুসরণ ব্যতিরেকে কোন বিস্ফোরক বাংলাদেশে আমদানি করিতে পারিবেন না।
(২) বিস্ফোরক আমদানি লাইসেন্স প্রদান করা যাইবে না, যদি না-
(ক) সংশ্লিষ্ট বিস্ফোরক প্রাধিকৃত হয়;
(খ) যদি বিস্ফোরক তৃতীয় শ্রেণীর (নাইট্রো-যৌগ); বা চতুর্থ শ্রেণীর (ক্লোরেট মিশ্রণ) হয় তবে ফরম ১ এ পরীক্ষণ কর্মকর্তা কর্তৃক এই মর্মে সনদ প্রদান করেন যে, তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত পদ্ধতিতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়াছে;
(গ) প্রধান পরিদর্শক বা কমিশনার অব কাস্টমস্ বিস্ফোরকের উপাদান বা অবস্থান নির্ণয়ের জন্য যে পরীক্ষার বা বিশ্লেষণের নির্দেশ প্রদান করিবেন তাহাতে উত্তীর্ণ হয়।
(৩) এমন কোন ব্যক্তিকে বিস্ফোরক আমদানির লাইসেন্স প্রদান করা যাইবে না যিনি একই শ্রেণীর ও পরিমাণের বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার লাইসেন্সধারী নহেন।

(৪) উপ-বিধি (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার লাইসেন্সে বর্ণিত পরিমাণের বেশি পরিমাণ বিস্ফোরক আমদানির জন্য ক্ষেত্রবিশেষে প্রধান পরিদর্শক প্রাক-অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবেন, যদি তিনি এই মর্মে নিশ্চিত হন যে, আমদানিতব্য বিস্ফোরক বন্দর হইতে সরাসরি লাইসেন্সকৃত অন্য ম্যাগাজিনে সরবরাহ করিবার পূর্ব ব্যবস্থা রাখা হইয়াছে।
আকাশপথে আমদানি – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
![আকাশপথে আমদানি । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৩২]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
আকাশপথে আমদানি
৩২। কতিপয় বিস্ফোরকের উপর নিষেধাজ্ঞা:
(১) ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট অথবা সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সময় এতদুদ্দেশ্যে অনুমতি প্রদানকৃত কোন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ব্যতীত অন্যকোন বিমান বন্দরের মাধ্যমে কোন বিস্ফোরক আমদানি বা রপ্তানি করা যাইবে না।
(২) আকাশপথে বিস্ফোরক আমদানি বা রপ্তানির লাইসেন্সধারী বা তাহার অনুমোদিত প্রতিনিধি বিমান বন্দরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কমিশনার অব কাস্টমস্ এবং প্রধান পরিদর্শকের নিকট আমদানি বা রপ্তানি করিতে ইচ্ছুক বিস্ফোরকের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সম্বলিত ঘোষণাপত্রের অগ্রিম কপি বিস্ফোরক আনিবার পূর্বে প্রদান করিবেন।

(৩) বিমান বন্দরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার লিখিত পূর্বানুমতি ব্যতীত কোন ব্যক্তি আকাশপথে রপ্তানির জন্য বিমান বন্দরে বিস্ফোরক আনিতে পারিবেন না।
(৪) আমদানিকৃত বিস্ফোরকের সরাসরি সরবরাহ গ্রহণের জন্য আমদানিকারক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন এবং সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে বিমান বন্দর হইতে উহা অপসারণ করিবেন।
(৫) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পর এবং বিস্ফোরক বোঝাইয়ের জন্য বিমান প্রস্তুত হইলে বিমান বন্দরে বিস্ফোরক আনা যাইবে এবং এইরূপে আমদানিকৃত বিস্ফোরক সরাসরি বিমানে বোঝাই করিতে হইবে।
(৬) যদি কোন অদৃষ্টপূর্ব পরিস্থিতিতে বিমান বন্দরে আনিত বিস্ফোরক বিমান বন্দর হইতে অপসারণ বা বিমানে বোঝাই করা না যায় এইরূপ বিস্ফোরক বিমান বন্দরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে প্রহরীবেষ্টিত অবস্থায় পৃথক শেডে মজুদ করিতে হইবে এবং চুরি, আগুন বা বিস্ফোরণ হইতে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
স্থলপথে আমদানি – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
এই সংস্করণে আরো সুন্দর ভাবে রূপ দেওয়া হইয়াছে। আইনটি সর্বশেষ সংশোধনসহ প্রকাশ করা হইয়াছে। পূর্বে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহের শেষে বাংলাদেশের উচ্চতর আদালতের উভয় বিভাগের সিদ্ধান্ত গুলি আইনের ধারা ওয়ারী ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধি মালার শেষেও নূতন করে বিধিওয়ারী সর্বশেষ সিদ্ধান্তগুলি ইংরেজী ভাষায় সংযোজন করা হয়েছে। ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনটিকে সংশোধন করিয়া উহার শেষে ধারাওয়ারী উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তগুলি সুন্দর ভাবে ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
![স্থলপথে আমদানি । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৩২]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
এ আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন, বহন বা দখলে রাখার বিধিবিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ আইনের সঠিক প্রয়োগের উপর নির্ভর করে দেশে আইন-শৃঙ্খলা এবং সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে উন্নতি, অগ্রগতি ও দেশের ভবিষ্যৎ। তাই এ আইন সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সকল নাগরিকের সচেতন থাকা উচিত।
১৮৭৮ সালে এ অস্ত্র আইনটি প্রবর্তন হয়ে যুগের চাহিদা অনুসারে বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা হয়েছে। এ পুস্তকখানিতে অস্ত্র আইনের সর্বশেষ সংশোধনীসহ লেখা হয়েছে। এ পুস্তকখানির একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এই যে, এতে ধারাগুলোর সংশোধিত আকারে লিপিবদ্ধ করে তার নিচে ধারার বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে ধারাওয়ারী বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
স্থলপথে আমদানি
৩৩। স্থলপথে আমদানি:
(১) প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত পারমিট এবং তৎকর্তৃক আরোপিত শর্তাবলি ও বাধা-নিষেধ অনুসরণ ব্যতীত সড়কপথে কোন বিস্ফোরক আমদানি করা যাইবে না।
(২) বিধি ১৮০ তে বর্ণিত উপায়ে প্রত্যেক শ্রেণীর বিস্ফোরকের প্রতি টন বা উহার অংশবিশেষের জন্য ফি বাবদ ৫০০ (পাঁচশত) টাকা প্রদান করিতে হইবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
সাধারণ পরিবহন – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
সাধারণ পরিবহন
৩৪। পরিবহনের জন্য লাইসেন্স এবং পাস জারি:
(১) এ বিধিমালা এবং এ বিধিমালার অধীন মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের শর্তাবলি পালন ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তি বিস্ফোরক পরিবহন করিতে পারিবেন না: তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-বিধি প্রয়োগ করা হইবে না-
(ক) লাইসেন্সকৃত কারখানার মধ্যে বা লাইসেন্সকৃত কারখানা হইতে লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিনে বা লাইসেন্সকৃত কারখানায় অবস্থিত মজুদাগারে কোন বিস্ফোরকের পরিবহনে;
(খ) লাইসেন্স ফরম ১৭ এর অধীন আমদানিকৃত লাইসেন্সে উল্লিখিত আমদানির স্থান হইতে গন্তব্য স্থান পর্যন্ত বিস্ফোরক পরিবহনে;
(গ) বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার জন্য লাইসেন্সের প্রয়োজন নাই এমন বিস্ফোরক পরিবহনে (বিধি ১১৯ দ্রষ্টব্য);
(ঘ) সেফটি ফিউজ এবং আতশবাজি পরিবহনে: তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বোক্তগুলি ক্ষয়কারী বা প্রজ্বলনীয় বস্তুর সহিত পরিবহন করা যাইবে না।
(২) লাইসেন্সের অধীন পরিবহনকৃত বিস্ফোরকের প্রতি চালানের সহিত প্রেরক কর্তৃক ফরম ১৪ এ জারিকৃত পাস সংযুক্ত থাকিবে।
(৩) প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এই পাস মালের তালিকায়, মালের চালানে বা প্রেরণপত্রে সংযুক্ত থাকিবে।
(৪) উপ-বিধি (২) এর অধীন জারিকৃত প্রতিটি পাসের একটি অনুলিপি প্রেরক কর্তৃক অবিলম্বে প্রেরণ করিতে হইবে-
(ক) বিস্ফোরক পরিবহনের জন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট;
(খ) যে স্থান হইতে মালামাল প্রেরণ করা হইবে উক্ত স্থান যে বিস্ফোরক পরিদর্শকের অধিক্ষেত্রের মধ্যে তাঁহার নিকট;
(গ) যে স্থানে মালামাল প্রেরণ করা হইবে উক্ত স্থান যে বিস্ফোরক পরিদর্শকের অধিক্ষেত্রের মধ্যে অবস্থিত তাঁহার নিকট।
![সাধারণ পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৩৪-৪৯]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
৩৫। বিভিন্ন শ্রেণীর বিস্ফোরক পৃথকভাবে রাখিতে হইবে:
৫ম (ফালমিনেট) শ্রেণীর বিস্ফোরক, বা ৬ষ্ঠ (গোলা বারুদ Ammunition) শ্রেণীর বিস্ফোরক যাহাদের নিজস্ব প্রজ্বলন ক্ষমতা আছে, বা ৭ম (আতশবাজি) শ্রেণীর বিস্ফোরক একই জাহাজে পরিবহন করা যাইবে না এবং একই শ্রেণীর ও বিভাগের অন্য বিস্ফোরকের সহিত বহন করা বা নাড়াচাড়া করা যাইবে না।
৩৬। নিরাপত্তা সনদ:
(১) ৩য় (নাইট্রোযৌগ) বা ৪র্থ (ক্লোরেট মিশ্রণ) শ্রেণীর বিস্ফোরক পরিবহনের পূর্বে বা পরিবহনের জন্য প্রদানের পূর্বে প্রেরক কর্তৃক প্রেরিত বিস্ফোরকের সহিত পরীক্ষণ কর্মকর্তা কর্তৃক জারিকৃত ফরম ১ এ এর বলবৎ সনদের মূল বা উহার সত্যায়িত অনুলিপি দাখিল করিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত সনদ জারির তারিখ হইতে বার মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: তবে শর্ত থাকে যে, যদি নাইট্রো গ্লিসারিন যৌগ যাহা প্রপিলেন্টস হিসেবে ব্যবহৃত হইবে না এইরূপ ক্ষেত্রে এই সনদের মেয়াদ পরবর্তী ৩১ জুলাই এ অতিক্রান্ত হইলে এবং মূল সনদ পূর্ববর্তী ৩০ সেপ্টেম্বরের পূর্বে মঞ্জুর করা হইয়া থাকিলে রেলপথ ১ এপ্রিল হইতে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময়ে বিস্ফোরক পরিবহনে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বিবেচনা অনুযায়ী নতুন সনদের জন্য আবেদন করা যাইবে।
(৩) পরীক্ষণ কর্মকর্তা কর্তৃক পরীক্ষণের জন্য ও নবায়নকৃত সনদ প্রদানের জন্য বিধি ১৮১ (৩) এ উল্লিখিত ফি প্রদান করিতে হইবে।
৩৭। যাত্রীবাহী জাহাজ এবং গাড়িসমূহে বিস্ফোরক পরিবহন।
এই বিধিমালার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে যাত্রী পরিবহনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কোন জাহাজ বা কোন গাড়ি বা কোন মোটরযানে বিস্ফোরক পরিবহন করা যাইবে না।
৩৮। সর্বাধিক পরিমাণ বিস্ফোরক পরিবহনের অনুমোদন: নিম্নলিখিত পরিমাণ হইতে বেশি বিস্ফোরক পরিবহন করা যাইবে না, যথা:
(ক) দশ টন বা একটি রেলওয়ে ওয়াগনের পরিবহন ক্ষমতার অর্ধেক, উভয়ের মধ্যে যেটি কম তাহাই প্রযোজ্য হইবে;
(খ) রেলওয়ে ওয়াগন ব্যতীত অন্য কোন মোটরযানের ক্ষেত্রে, দশ টন বা আঞ্চলিত পরিবহন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এই বিধিমালার অধীনে লাইসেন্সকৃত একটি মোটরযানের সর্বাধিক পরিবহন ক্ষমতার সমান, উভয়ের মধ্যে যেটি কম তাহাই প্রযোজ্য হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, দ্বিতীয় শ্রেণীর বিস্ফোরক পরিবহন করা হইলে, অনধিক পনের টন বা কোন মোটরযানের সর্বাধিক পরিবহন ক্ষমতার মধ্যে যেটি কম তাহাই প্রযোজ্য হইবে;
(গ) পশুচালিত যানের ক্ষেত্রে এক টন;
(ঘ) একটি নৌকার ক্ষেত্রে ২২.৫ টন।
৩৯। বাহনে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্ফোরক প্রেরণ:
(১) পরিবহনের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তি কোন বাহনে বিস্ফোরক প্রেরণ করিতে পারিবেন না যতক্ষণ না-
(ক) তিনি লিখিত নোটিসে বাহক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত আঞ্চলিক প্রতিনিধি অথবা রেল কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রে, স্টেশন মাস্টারকে অবহিত করেন যে-
(১) তিনি উক্ত বিস্ফোরক প্রেরণ করিতে আগ্রহী;
(২) এই মর্মে প্রত্যয়ন করেন যে, বিধি ৮ এবং ৯ অনুসারে বিস্ফোরক চিহ্নিত এবং প্যাকেট করা হইয়াছে;
(৩) যে বিস্ফোরক পরিবহন করা হইবে তাহার প্রকৃত নাম, বিস্তারিত বর্ণনা এবং পরিমাণ উল্লেখ করা হইয়াছে;
(৪) তাহার এবং গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা দেওয়া হইয়াছে; এবং
(খ) জবাবে, তিনি উক্তরূপ বাহক, প্রতিনিধি বা স্টেশন মাস্টারের নিকট হইতে লিখিত সংবাদ পাইয়াছেন যে, তৎক্ষণাত বিস্ফোরক প্রেরণ করিবার লক্ষ্যে উহা গ্রহণ অথবা কোন অধিকারভুক্ত ম্যাগাজিনে মজুদ বা অন্য কোন ব্যক্তির লাইসেন্সকৃত জায়গায় বা অন্য কোনোভাবে অধিকারভুক্ত স্থানে রাখিতে প্রস্তুত আছেন।
(২) রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যদি স্বল্প সময়ের লিখিত নোটিসে বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইয়া নির্দেশ প্রদান করেন যে, বিবেচ্য বিস্ফোরক গ্রহণ করা যাইবে না তাহা হইলে কোন ব্যক্তি রেলগাড়ির ভিতরে বা উপরে রাখিয়া উহা আনয়ন, প্রেরণ যা অগ্রগামী করিতে পারিবে না।
৪০। বিস্ফোরক ভর্তি ও খালাসের সময় ও স্থানঃ
(১) কোন অবস্থান বিল্ডিং, জনসমাগমস্থল, বাসগৃহ, কারখানা, জনবসতি এবং অন্যান্য মজুদাগার বা ব্যবহৃত বিল্ডিং হইতে একটি নিরাপদ দূরত্বের যে কোন বিস্ফোরক ভর্তি এবং খালাস করিতে হইবে।
(২) স্থলপথে পরিবহনের জন্য অভিপ্রায় প্রকাশ করা হইয়াছে এমন ধরনের লাইসেন্সকৃত বা অন্য বিস্ফোরকের প্রত্যেকটিতে শুধুমাত্র লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিন, মজুদাগার বা অন্য কোন প্রাঙ্গণের নিকটে ভর্তি করিতে হইবে।
(৩) লাইসেন্সকৃত কোন কারখানার ভিতর ভালভাবে আলোকিত এবং প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত কোন স্থানে সূর্যাস্ত হইতে রাত্র দশটা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিস্ফোরক মজুদ করা যাইবে।
(৪) কোন মিশ্র রেলগাড়ির গার্ডের কামরায় বা মালবাহী রেলগাড়িতে বা ভ্যানে অথবা যাত্রীবাহী রেলগাড়িতে অল্প পরিমাণ বিস্ফোরক পরিবহনের ক্ষেত্রে পরিবহন সম্পর্কীয় যে কোন কার্যক্রমে বিধি ১৩ এবং উপ-বিধি (১) প্রযোজ্য হইবে না।
৪১। বিস্ফোরক ভর্তিকরণের নিমিত্তে গাড়ি বা জাহাজ বা বিমান উপযোগীকরণ:
বিস্ফোরক ভর্তিকরণের জন্য নির্ধারিত কোন গাড়ি বা জাহাজ বা বিমানের বিস্ফোরক গ্রহণের উপযোগী না করা পর্যন্ত কোন বিস্ফোরক ভর্তিকরণ স্থানে আনা যাইবে না।
৪২। বিস্ফোরকবাহী গাড়ি বা জাহাজে উপযুক্ত লোক নিয়োগকরণ:
রেলগাড়ি ব্যতীত বিস্ফোরক পরিবহনকারী কোন গাড়ি বা জাহাজ লাইসেন্সধারী কর্তৃক নিয়োগকৃত এবং বিস্ফোরক নাড়াচাড়ায় অভিজ্ঞ ও উপযুক্ত কোন ব্যক্তির দায়িত্বে এবং সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে নিয়ন্ত্রিত হইবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
৪৩। আগুন বা বিস্ফোরণ হইতে বিস্ফোরক রক্ষাকরণ:
(১) কোন গাড়ি বা জাহাজ বা বিমানে বিস্ফোরক পরিবহন করা যাইবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না কোন বিস্ফোরকপূর্ণ প্যাকেট ধারণকৃত কোন লোহা বা ইস্পাতের পাত্র ফলপ্রসূভাবে সীসা, চামড়া, কাঠ বা অন্য কোন উপযুক্ত বস্তুদ্বারা আবৃত করা না হয়।
(২) এক হাজার কেজির ঊর্ধ্বে বিস্ফোরক পরিবহনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত গাড়ির অভ্যন্তরের একটি স্থানে বিস্ফোরক মজুদ করিয়া উহার চারিদিকে কাঠ বা ধাতুর বেষ্টনী দিতে হইবে যাহাতে আগুন বিস্ফোরকের সংস্পর্শে না আসে এবং গাড়িটিকে তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকে।
(৩) এক হাজার কেজির বেশি বিস্ফোরক জাহাজে পরিবহন করিতে হইলে সেইগুলোকে জাহাজের খোলে রাখিতে হইবে, যাহাতে একটি আবদ্ধ ডেক থাকিবে এবং বিস্ফোরকপূর্ণ প্রত্যেকটি খোলের শেষ প্রান্তে দুই স্তরবিশিষ্ট পানি নিরোধক ঢাকনা থাকিবে এবং হেজ থাকিবে যাহাদেরকে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখিতে হইবে।
(৪) যদি কোন গাড়ি বা জাহাজে পরিবহনকৃত বিস্ফোরকের পরিমাণ একশত কেজির বেশি না হয় তাহা হইলে উপ-বিধি (২) বা উপ-বিধি (৩) এ বর্ণিত শর্তাবলি প্রযোজ্য হইবে না। তবে বিস্ফোরকগুলিকে আগুন নিরোধক ত্রিপল বা অন্য কোন উপযুক্ত বস্তুদ্বারা ভালভাবে ঢাকিয়া দিতে হইবে যাহাতে বিস্ফোরক আগুনের সংস্পর্শে না আসিতে পারে।
(৫) শুধুমাত্র বিস্ফোরক ভর্তি বা খালাসের সময় ব্যতীত অন্য সময়ে বিস্ফোরকপূর্ণ কোন গাড়ি বা জাহাজের কামরা বা খোলের সকল দরজা, হেজ বা ঢাকনা নিরাপত্তার সহিত বন্ধ রাখিতে হইবে।
(৬) অগ্নি দুর্ঘটনা বা বিস্ফোরণ ঘটাইতে সক্ষম এমন পদার্থপূর্ণ কোন গাড়ি বা জাহাজ বা অন্য কোন যান হইতে বিস্ফোরক পরিবহনকারী কোন গাড়ি বা জাহাজ বা বিমানকে সবসময় নিরাপদ দূরত্বে রাখিতে হইবে।
৪৪। বিস্ফোরক পরিবহনে বিলম্ব পরিহার:
অনধিক তিন কিলোগ্রাম বিস্ফোরক পরিবাহী কোন গাড়ি বা জাহাজকে উহার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ থামাইতে বা কোন উপযুক্ত কারণ ছাড়া কোন স্থানে অধিক সময় দেরী করাইতে বা জনগণের বিপদ হইতে পারে এমন স্থানে অপ্রয়োজনে থামাইতে পারিবে না।
৪৫। বিস্ফোরক বহনকারী যান মেরামতকরণ:
`বিস্ফোরক ভর্তি বা পরিবহন করা হইয়াছে এমন ধরনের কোন যানের কোন অংশ মেরামত পরিবর্তন করিতে হইলে মেরামত বা পরিবর্তনের পূর্বে সমস্ত বিস্ফোরক বা অবশিষ্টাংশ সরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে এবং এই সমস্ত জাহাজ বা গাড়ির যে স্থানে বিস্ফোরক রাখিয়া পরিবহন করা হইয়াছিল সে স্থান ভালভাবে ধৌত করিয়া নিশ্চিত হইতে হইবে যে, ঐ স্থানে কোন বিস্ফোরক অবশিষ্ট নাই।
৪৬। অল্প পরিমাণ আতশবাজির ক্ষেত্রে অব্যাহতিঃ
বিধি ১১৯ অনুসরণে ব্যবহারের উপযোগী করিয়া প্রস্তুতকৃত অনধিক আড়াই কিলোগ্রাম আতশবাজি, যাহা অধিকারে রাখিতে লাইসেন্স দরকার হয় না। নিরাপত্তার সহিত প্যাকেটকৃত সেই পরিমাণ আতশবাজি মালিকের তত্ত্বাবধানে অনধিক ছয়জন যাত্রীসহ লাইসেন্সকৃত যাত্রীবাহী মোটরযানে পরিবহনে বিধি ৩৭, ৪২ এবং ৪৩ প্রযোজ্য হইবে না।
৪৭। বিস্ফোরকবাহী গাড়ি বা নৌকাসমূহের মধ্যে নিরাপদ দূরত্বঃ
বিধি ৩৮ এ উল্লিখিত একটি গাড়ি বা নৌকায় সর্বাধিক যে পরিমাণ বিস্ফোরক পরিবহনের কথা উল্লেখ রহিয়াছে তাহার চাইতে অধিক পরিমাণ বিস্ফোরক দুইটি বা ততোধিক গাড়ী বা নৌকা দ্বারা পরিবহনের সময় একে অপরের সহিত অন্যূন ৫০ মিটার নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) রেলগাড়িতে বিস্ফোরক পরিবহনের ক্ষেত্রে এই বিধি প্রযোজ্য হইবে না।
(আ) বন্দররক্ষক যদি মনে করেন যে, বন্দরের সীমাবদ্ধ জায়গার ভিতরে উক্ত বিধি পরিপালন নিশ্চিত করা অসাধ্য তাহা হইলে তিনি বিধির প্রয়োজনীয়তা পরিত্যাগ করিতে পারিবেন।

৪৮। জাহাজে বিস্ফোরক ভর্তি বা খালাসের নোটিস:
বন্দররক্ষকের অন্যূন ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে লিখিত নোটিস প্রদান ব্যতিরেকে কোন কাঙ্ক্ষিত সময়ে বন্দরের চৌহদ্দির মধ্যে কোন পছন্দনীয় জায়গায় জাহাজ হইতে বিস্ফোরক খালাস বা উক্ত স্থান হইতে জাহাজে ভর্তি করা যাইবে না।
৪৯। জাহাজের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তির কর্তব্য:
যখন কোন জাহাজে বিস্ফোরক ভর্তি করা হয় বা খালাস করা হয় তখন উক্ত জাহাজের দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগকৃত কতিপয় উপযুক্ত প্রতিনিধি উপস্থিত থাকিয়া বিস্ফোরক ভর্তি বা খালাস প্রক্রিয়া তদারকি করিবেন এবং উল্লিখিত বিস্ফোরক সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ এবং মজুদ বা প্রেরণ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত বিস্ফোরক সম্পর্কে সব ধরনের সতর্কতামূলক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
জলপথে বিস্ফোরক পরিবহন – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
জলপথে বিস্ফোরক পরিবহন
৫০। জাহাজে ব্যবহৃত বাতি এবং আলো:
কোন জাহাজে বিস্ফোরক ভর্তি বা উক্ত জাহাজ হইতে খালাস করা যাইবে না-
(ক) যতক্ষণ পর্যন্ত না ঐ জাহাজের ইঞ্জিন রুম ও অন্যান্য স্থানের সমস্ত বাতি বা আগুন সাবধানতার সহিত পূর্বেই নির্বাপণ করা হয়; এবং
(খ) যখন জাহাজটি কোন বাষ্পীয় তরী বা কলের নৌকার সহিত বা পাশাপাশি থাকে তখন উক্ত বাষ্পীয় তরী বা কলের নৌকার ইঞ্জিন রুম এবং অন্যান্য স্থানের বাতি ও আলো পূর্বেই সাবধানতার সহিত নিভানো হয়: তবে শর্ত থাকে যে, এ বিধিতে যাহাই থাকুক না কেন, বন্দর এলাকার বাহিরে প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক এবং বন্দর এলাকার ভিতরে বন্দররক্ষক কর্তৃক লিখিতভাবে অনুমোদিত কোন কৃত্রিম বাতি বা সংকেত ছাড়া অন্য কোন কৃত্রিম বাতি বা সংকেত বিস্ফোরক বহনকারী জাহাজে ব্যবহার করা যাইবে না।
![জলপথে বিস্ফোরক পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৫০-৬৫]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
৫১। জাহাজে বিস্ফোরক রাখা:
The Inland Shipping (Dangerous Goods) Rules, 1999 এর বিধান অনুসরণ ব্যতিরেকে জাহাজে কোন বিস্ফোরক রাখা যাইবে না।
৫২। বিশেষ বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী জাহাজে বিস্ফোরক পরিবহন:
বিধি ২৩ এর উপ-বিধি (২) এর অনুচ্ছেদ (খ) এবং (গ) এর শর্তাবলি পূরণ করিয়া এমন প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন বিস্ফোরক উপযুক্তভাবে নির্মিত কোন ম্যাগাজিনের ভিতরে রাখিয়া কোন বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী জাহাজে যাহার ক্ষেত্রে Bangladesh Merchant Shipping Ordinance, 1983 (Ordinance No. XXVI of 1983) এর Section 3(20) প্রয়োজ্য হইবে) পরিবহন করা যাইবে: তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) Bangladesh Merchant Shipping Ordinance, 1983 (Ordinance No. XXVI of 1983) এর section 262(2) অনুসারে সনদ প্রদানকারী কর্মকর্তাকে বিস্ফোরক প্রেরক এই মর্মে নিশ্চয়তা প্রদান করিয়া সন্তুষ্ট করিবেন যে, অন্য কোন উপায়ে বিস্ফোরক পরিবহনের ব্যবস্থা নাই;
(খ) জাহাজের ভিতরে অবস্থিত ম্যাগাজিনের ক্ষেত্রে বোর্ড অব ট্রেডে উল্লিখিত যে সকল নির্দেশনা আছে তাহার সবগুলি পরিপালন করিতে হইবে এবং তাহা মার্কেন্টাইল মেরিন ডিপার্টমেন্টের সার্ভেয়ার কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে;
(গ) এই বিধিমালার বিধান অনুসারে পরিবহন করা হইবে এমন বিস্ফোরকসমূহকে প্যাকেট করিয়া চিহ্নিত করিতে হইবে;
(ঘ) একই খোলে অন্যান্য বিস্ফোরকের সহিত ডেটোনেটর পরিবহন করা যাইবে না; এবং
(ঙ) ম্যাগাজিন ধারণকৃত খোলের মধ্যে বিস্ফোরক পরিবহনকালীন সময়ে কোন ক্ষয়কর বা প্রজ্বলনীয় পদার্থ মজুদ করা যাইবে না।
৫৩। যাত্রীবাহী জাহাজে বিস্ফোরক পরিবহন:
(১) নিম্নলিখিত বিস্ফোরকসমূহ যাত্রীবাহী কোন জাহাজে পরিবহণ করা যাইবে, যথাঃ
(ক) স্বতঃপ্রজ্বলনীয় অ্যামিউনিশন, (শ্রেণী ৬, বিভাগ ৩) ফালমিনেট (শ্রেণী ৫) অথবা আতশবাজি (শ্রেণী ৭) ব্যতীত অনধিক ৩ কিলোগ্রাম ওজনের যে কোন বিস্ফোরক; এবং
(খ) অনধিক ২০০টি ডেটোনেটর এবং লাইসেন্সধারী কর্তৃক লিখিত সনদ থাকিতে হইবে যে, ঐ জাহাজে মোট পরিবাহী বিস্ফোরকের পরিমাণ ২৫০ গ্রামের অধিক হইবে না: তবে শর্ত থাকে যে-
(অ) জাহাজের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিকে পূর্বেই লিখিত নোটিসে জানাইয়া দিতে হইবে যে, উক্ত জাহাজে বিস্ফোরক পরিবহন করা হইবে।
(আ) অগ্নি দুর্ঘটনা বা বিস্ফোরণ হইতে সৃষ্ট দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য সকল ধরনের প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইয়াছে।
(ই) একই কম্পার্টমেন্টে অন্যান্য বিস্ফোরকের সহিত ডেটোনেটর পরিবহন করা যাইবে না।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত বিস্ফোরক যাত্রীবাহী জাহাজে পরিবহনের ক্ষেত্রে বিধি ৪০(২), ৪২, ৫০, ৫৪ হইতে ৫৮ এবং বিধি ৬১ প্রযোজ্য হইবে না।
৫৪। বিস্ফোরক পরিবাহী জাহাজের নোঙ্গর স্থানঃ
(১) বিস্ফোরক পরিবাহী কোন জাহাজ বন্দরে প্রবেশের পূর্বে বন্দররক্ষক কর্তৃক নির্ধারিত নির্দিষ্ট স্থানে নোঙ্গর করাইতে হইবে এবং বন্দররক্ষকের সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশনায় বর্ণিত কোন শর্ত পরিপালন না করিয়া উক্ত জাহাজ নোঙ্গরস্থান ত্যাগ করিতে পারিবে না।
(২) বিস্ফোরক পরিবাহী এবং পেট্রোলিয়াম পরিবাহী জাহাজের নোঙ্গরস্থান ভিন্ন হইবে এবং বিস্ফোরক পরিবাহী জাহাজের নোঙ্গরস্থান, পেট্রোলিয়াম পরিবাহী জাহাজের নোঙ্গরস্থান হইতে এমন দূরত্বে হইতে হইবে যাহাতে পেট্রোলিয়ামবাহী জাহাজের অগ্নিশিখা বিস্ফোরকবাহী জাহাজে পৌঁছাইতে সক্ষম না হয়।
![জলপথে বিস্ফোরক পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৫০-৬৫]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
৫৫। লাল পতাকা বা সতর্ক আলো প্রদর্শন:
পঞ্চাশ কিলোগ্রামের অধিক বিস্ফোরকপূর্ণ জাহাজ বন্দরে প্রবেশ বা বন্দর ত্যাগের সময় এবং বন্দরের সীমারেখার মধ্যে বা অভ্যন্তরীণ জলসীমায় অবস্থানের সময় উহাতে সুস্পষ্টভাবে নিম্নলিখিত সংকেত প্রদর্শন করিতে হইবে;
(ক) এক বর্গমিটারের কম নহে এমন ধরনের লাল পতাকা সূর্যোদয় হইতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ে;
(খ) সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ে, একটি লাল বাতি যাহা দিগন্তের চতুর্দিক আলোকিত করিতে সক্ষম।
৫৬। জাহাজগুলিকে বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করানো:
যখন দুইটি জাহাজকে একে অপরের পাশাপাশি বা একটি নৌকাকে অন্য একটি জাহাজ, নৌকা বা ভাসমান ম্যাগাজিনের প্রত্যেক পার্শ্বে পাশাপাশি রাখা হয় তখন আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বিস্ফোরক বোঝাইকৃত জাহাজকে বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করাইতে হইবে এবং বিস্ফোরকের প্রকৃত স্থানান্তরের সময় ব্যতীত অন্য সময়ে অন্য একটি জাহাজ হইতে জোয়ার ভাঁটাজনিত সরণ দূরত্বের বাহিরে রাখিতে হইবে।
৫৭। জাহাজের হ্যাচগুলিকে আবদ্ধ এবং ঢাকিয়া রাখাঃ
বিস্ফোরক ভর্তি বা খালাসের প্রকৃত সময় ছাড়া অন্য সময়ে কোন জাহাজের বিস্ফোরকপূর্ণ হ্যাচগুলি আবদ্ধ রাখিতে হইবে এবং আবদ্ধ থাকিবার সময় হ্যাচগুলিকে ত্রিপল বা কাঠের পাটাতন দ্বারা ভালভাবে ঢাকিয়া এবং তালাবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে।
৫৮। বিস্ফোরকপূর্ণ জাহাজসমূহকে ম্যাগাজিন জেটি ইত্যাদির পাশাপাশি না রাখা:
বিস্ফোরক ভর্তি বা খালাসের উদ্দেশ্য ছাড়া কোন বিস্ফোরকপূর্ণ জাহাজকে কোন জাহাজ, ভাসমান ম্যাগাজিন, ঘাট, জেটি, স্থল বা অবতরণ স্থানের পাশাপাশি রাখা যাইবে না। শুধুমাত্র মালভর্তি বা খালাসের প্রকৃত সময় পর্যন্ত ঐ সকল জায়গায় রাখা যাইবে এবং পরবর্তীতে খারাপ আবহাওয়া বা জোয়ারজনিত বিলম্ব ব্যতীত অন্য সময়ে তাৎক্ষণিকভাবে অন্যত্র যাত্রা করিতে হইবে।
৫৯। জাহাজ চলাচলের সময় বিস্ফোরক ভর্তি বা খালাসকরণ হইতে বিরত থাকা:
অনধিক ৫০০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক এবং কোন ডেটোনেটরকে চলমান কোন জাহাজে ভর্তি বা উহা হইতে খালাস করা যাইবে না।
ব্যাখ্যা: যে জাহাজ নোঙ্গর বাঁধা বা নোঙ্গরকৃত নহে, অথবা তীরে বা উহার প্রায় কাছাকাছি পৌছায় নাই তাহাকে “চলমান” জাহাজ বলা হইবে।
৬০। বন্দর এলাকার মধ্যে ভর্তি এবং খালাসকরণের স্থান:
বন্দররক্ষক তাহার সাধারণ বা বিশেষ নোটিসের মাধ্যমে বন্দর অভ্যন্তরস্থ যে ঘাট বা অন্যান্য স্থান নির্ধারণ করিয়া দিবে সেই ঘাট বা স্থানেই বিস্ফোরক ভর্তি, মজুদ, আনয়ন বা খালাস করিতে হইবে।
৬১। গদি ব্যবহারকরণ:
বন্দর অভ্যন্তরস্থ কোন জাহাজে বিস্ফোরক ভর্তিকরণের সময় বা কোন ঘাটে খালাসকরণের সময় অথবা অন্য স্থানে মজুদকরণের সময় পাটের আঁশ বা তুলা দ্বারা ভালভাবে পূর্ণকৃত ও চামড়া দ্বারা আবৃত এবং রজ্জু দ্বারা বন্ধনকৃত গদি বা সময়ে সময়ে বন্দররক্ষক কর্তৃক অনুমোদিত এমন ধরনের গদি ব্যবহার করিতে হইবে।
৬২। বিস্ফোরক বহনকারী জাহাজ তৎক্ষণাত বন্দর এলাকা ত্যাগ করানো বা উহা হইতে দ্রুত বিস্ফোরক খালাসঃ
(১) বিস্ফোরক খালাসের অভিপ্রায়ে কোন বিস্ফোরক ভর্তি জাহাজ বন্দরে পৌছিলে যতদূর সম্ভব উহা হইতে তাড়াতাড়ি বিস্ফোরক খালাস করিতে হইবে এবং বিস্ফোরক ভর্তি জাহাজসমূহকে অতি অল্প সময়ের মধ্যে বন্দর হইতে সমুদ্রের দিকে অগ্রসর করাইতে হইবে।
(২) বিস্ফোরকপূর্ণ কোন নৌকা বা জাহাজ বন্দরে অপেক্ষমান রাখা যাইবে না এবং তিন দিনের অধিক সময় বন্দর এলাকায় অবস্থান করানো যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধান পরিদর্শকের সহিত বন্দররক্ষক আলোচনা করিয়া যদি মনে করেন যে, উল্লিখিত সময় বৃদ্ধির কারণ যথার্থ এবং সময় বৃদ্ধি করা অতি প্রয়োজন তাহা হইলে তিনি বিশেষ শর্তসাপেক্ষে উক্ত সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
৬৩। বিস্ফোরক বহনকারী নৌকা লাইসেন্সকৃত হইতে হইবেঃ
(১) নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের শর্তাবলি অনুসরণ না করিয়া কোন নৌকায় ১০০০ কিলোগ্রামের অধিক বিস্ফোরক পরিবহন করা যাইবে না:’
(ক) বন্দর এলাকার মধ্যে চলাচলকারী নৌকার জন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ হইল বন্দররক্ষক;
(খ) বন্দর এলাকার বাহিরে চলাচলকারী নৌকার জন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ হইল সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত কোন কর্মকর্তা।
(২) কোন নৌকায় সর্বাধিক কি পরিমাণ বিস্ফোরক পরিবহন করা যাইবে তাহা প্রধান পরিদর্শকের সহিত আলোচনা করিয়া নির্ধারণ করিতে হইবে এবং উহা লাইসেন্সে উল্লেখ করিতে হইবে।
(৩) উপ-বিধি (১) এর অধীনে যে সকল লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয় তাহাদের প্রত্যেকটির মেয়াদ নিম্নলিখিত সময় পর্যন্ত বহাল থাকিবে। যথাঃ
(ক) বন্দর এলাকার মধ্যে চলাচলকারী নৌকার জন্য লাইসেন্স প্রদানের সময় হইতে চার মাস; এবং
(খ) বন্দর এলাকার বাহিরে চলাচলকারী নৌকার জন্য লাইসেন্স প্রদানের সময় হইতে এক বৎসর।
(৪) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফিস গ্রহণ করিয়া এবং নির্দিষ্ট ফরমে উপ-বিধি (১) তে উল্লিখিত লাইসেন্সসমূহ মঞ্জুর বা নবায়ন করিতে হইবে।
(৫) উপ-বিধি (১) এর আওতায় জারিকৃত যে কোন লাইসেন্সের একটি কপি প্রধান পরিদর্শকের নিকট পাঠাইতে হইবে।
(৬) বিধি ১৮৩ তে উল্লিখিত কোন কর্মকর্তা যদি উপ-বিধি (১) এর আওতায় জারিকৃত কোন লাইসেন্স দেখিতে চাহেন তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট নৌকার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিকে উহা দেখাইতে হইবে।
৬৪। নৌকায় বয়া পরিবহন:
(১) বন্দর এলাকার মধ্যে বিস্ফোরকবাহী যে কোন নৌকার ডেকে একটি বয়া রাখিতে হইবে যাহা ৮ সে. মি. মোটা ও ১৫ ফেদমস লম্বা দড়ির সহিত সংযুক্ত থাকিবে। দড়ির এক প্রান্তে বয়ার সহিত এবং অন্য প্রান্ত নৌকার সহিত যুক্ত থাকিবে। নৌকার যে অংশ খাঁজ, যন্ত্রপাতি বা অন্য কোন প্রতিবন্ধকতা হইতে সর্বাধিক পরিষ্কার সেই অংশে দড়িটি সংযুক্ত করিতে হইবে এবং উক্ত অংশ বিধি ৬৩ তে বর্ণিত লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।
(২) এক ফুট নয় ইঞ্চি লম্বা এবং এক ফুট দুই ইঞ্চি ব্যাসের লাল রঙের বয়াটি একটি পিপা বা ড্রামে রাখিতে হইবে যাহার মধ্যভাগে একটি লোহার বেল্ট দ্বারা ভালভাবে বাঁধা থাকিবে। বয়ার দড়িটি রক্ষার জন্য উহাতে একটি আংটা থাকিবে।
![জলপথে বিস্ফোরক পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৫০-৬৫]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2024/01/আইন-৩.jpg)
৬৫। বিস্ফোরক পরিবহনকারী কোন নৌকায় ধূমপান, আগুন, বিপজ্জনক উপাদান এবং অন্যান্য মালামাল পরিবহন নিষিদ্ধ:
বিস্ফোরক পরিবহনকারী কোন নৌকায় নিম্নলিখিত বস্তু পরিবহন করা যাইবে না, যথাঃ
(ক) বিধি ৫৫ তে বর্ণিত সংকেত আলো ব্যতীত অন্য যে কোন ধরনের আগুন বা আলো;
(খ) ধূমপানের সামগ্রী;
(গ) প্রজ্বলনীয় বা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আগুন ধরিয়া যায় এমন ধরনের বস্তু; (
(ঘ) বিস্ফোরণ ঘটাইতে পারে বা বিস্ফোরণে অগ্নি ব্যাপৃত করিতে সক্ষম কোন বস্তু;
(ঙ) বন্দুর এলাকার বাহিরে প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক এবং উহার অভ্যন্তরে বন্দররক্ষক কর্তৃক লিখিত ও বিশেষভাবে প্রাধিকৃত নহে এমন ধরনের অন্য কোন মালামাল: তবে শর্ত থাকে যে, প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক জারিকৃত শর্তাবলি অনুযায়ী কোন যন্ত্রচালিত নৌকায় বিস্ফোরক পরিবহনের ক্ষেত্রে এ বিধি প্রযোজ্য হইবে না।
স্থলপথে পরিবহন – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
স্থলপথে পরিবহন
৬৬। রাজপথ, জনসমাগমস্থল এবং অন্যান্য নির্ধারিত এলাকার মধ্য দিয়া বিস্ফোরক পরিবহন:
(১) কোন পৌরসভা বা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মধ্যে বিস্ফোরক পরিবহনে বাধা-নিষেধ থাকিলে সেই এলাকার কোন রাস্তা বা জনসমাগমস্থল দিয়া কোন ব্যক্তি কোন বিস্ফোরক পরিবহন করিতে বা করাইতে পারিবে না।
(২) উপ-বিধি (১) নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না:
(ক) ৭ম শ্রেণীর যে কোন বিস্ফোরক (আতশবাজি) বা সেফটি ফিউজ;
অথবা (খ) অনধিক ৫ কেজি গান পাউডার বা অন্য কোন বিস্ফোরক।
![স্থলপথে পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৬৬-৭৭]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
৬৭। ভ্যান ব্যতীত অন্য কোন যানে বিস্ফোরক পরিবহনে বাধা-নিষেধঃ
(১) ভ্যান মোটরযান ব্যতীত অন্য কোন যানে কোন বিস্ফোরক স্থলপথে পরিবহন করা যাইবে না:
তবে নিম্নলিখিত শর্তসাপেক্ষে রোড ভ্যান ছাড়া অন্য কোন যানে যে কোন বিস্ফোরক পরিবহন করা যাইবে যদি বিস্ফোরক ভর্তির স্থান হইতে উহার ক) বিস্ফোরক পরিবহনের সময় সূর্যোদয় হইতে সূর্যাস্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখিতে হইবে;
(খ) কমপক্ষে দুইজন শক্তিশালী ও সুস্থ গার্ডের প্রহরায় বিস্ফোরক পরিবহন করিতে হইবে;
(গ) প্রতিটি গরু বা ঘোড়ার গাড়িতে একটি লাল পতাকা প্রদর্শন করিতে হইবে;
(ঘ) বিস্ফোরকপূর্ণ প্যাকেটগুলো নিরাপত্তার সহিত একটি ত্রিপল দ্বারা ভালভাবে আবৃত করিতে হইবে।
৬৮। ভ্যানের লাইসেন্স:
কোন ব্যক্তি কোন ভ্যানে এক টনের অধিক পরিমাণ বিস্ফোরক পরিবহন করিতে বা করাইতে পারিবেন না যদি না উক্ত ভ্যানের ধরন প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক লিখিতভাবে অনুমোদিত এবং এ বিধিমালার আওতায় লাইসেন্সকৃত না হয়। তবে শর্ত থাকে যে, সেফটি ফিউজ এবং আতশবাজি পরিবহনের ক্ষেত্রে এ বিধি প্রযোজ্য হইবে না।
৬৯। বিস্ফোরক ভর্তি:
(১) বিস্ফোরক পরিবহনের জন্য কোন যান বা বিমানে বিস্ফোরক ভর্তির দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিকে এমনভাবে বিস্ফোরক সাজাইতে হইবে যাহাতে-
(ক) সাধারণ গতিতে চলিবার সময় উহারা যেন নড়াচড়া না করে এবং যে কোন ধাক্কা বা ঘর্ষণ হইতে রক্ষা পায়;
(খ) যদি কোন বিস্ফোরক খালাসের প্রয়োজন হয় তাহা হইলে যতদূর সম্ভব স্থিতিশীল রাখিয়া অবশিষ্ট বিস্ফোরক পুনরায় সাজাইতে হইবে।
(২) লাইসেন্সকৃত কোন যানে কোন ব্যক্তি বিস্ফোরক ভর্তি বা উক্ত যান হইতে খালাস করিতে পারিবে না যতক্ষণ পর্যন্ত উক্ত যানের ইঞ্জিন এবং ব্রেক প্রয়োগ করিয়া চাকা বন্ধ না করা হয়।
৭০। টানিয়া নিতে হয় এমন ধরনের যান ব্যবহারে বাধা- নিষেধ:
গুন বা দড়ি দ্বারা টানিয়া নিতে হয় এমন ধরনের যানে বিস্ফোরক বোঝাই করিয়া উহার সাহায্যে কোন ব্যক্তি বিস্ফোরক পরিবহন করিতে পারিবে না;
৭১। বিস্ফোরকের সহিত অন্য কোন বস্তু পরিবহন নিষিদ্ধ:
যে কোন যানে বিস্ফোরকের সহিত অন্য কোন দ্রব্যাদি পরিবহন করা যাইবে না। তবে শর্ত থাকে যে, প্রজ্বলনীয় এবং ক্ষতিকারক নহে এমন ধরনের দ্রব্যের সহিত অনধিক ১০০০ কিলোগ্রাম আতশবাজি পরিবহন করা যাইবে।
৭২। ভ্যানে বিস্ফোরক ভর্তি, খালাস, উহার রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনাঃ
(১) কোন যানে বিস্ফোরক ভর্তি বা উহা হইতে বিস্ফোরক খালাসের কার্যক্রম আরম্ভ হওয়ার পর হইতে শেষ না হওয়া পর্যন্ত উহার কাজ বন্ধ করা যাইবে না এবং যতদূর সম্ভব দ্রুততার সহিত উক্ত কার্যক্রম শেষ করিতে হইবে।
(২) বিস্ফোরক ভর্তি, খালাস বা বিস্ফোরক ভর্তি প্যাকেট নাড়াচাড়া করিবার সময় আঁকড়া বা অন্যান্য ধাতব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাইবে না অথবা উক্তরূপ কার্যক্রম চালানোর সময় বিস্ফোরক ভর্তি প্যাকেট বা পাত্র কোথাও নিক্ষেপ বা নিচে ফেলিয়া দেওয়া যাইবে না।
(৩) নিয়মিতভাবে উক্তরূপ যান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া দেখিতে হইবে যে-
(ক) উহাতে রক্ষিত অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্রগুলি ভর্তি এবং উহার কার্যক্ষম আছে কি না;
(খ) বৈদ্যুতিক তারসমূহ অপরিবাহী আবরণ দ্বারা পৃথকীকৃত এবং শক্ত ও নিরাপদ আছে কি না;
(গ) জ্বালানি ট্যাংক ও পাইপ লাইনে ছিদ্র আছে কি না;
(ঘ) যানের চেসিস, ইঞ্জিন, অভ্যন্তর ও নিম্নভাগ তেল ও গ্রীজমুক্ত কি না;
(ঙ) ব্রেক বা অন্যান্য যন্ত্রপাতির অবস্থা ভাল বা মজবুত আছে কি না; এবং
(চ) অতিরিক্ত টায়ার এবং চাকা নির্ধারিত স্থানে মজুদ আছে কি না।
(৪) যানের সার্ভিস ম্যানুয়ালে মোটর যান প্রস্তুতকারক কর্তৃক বর্ণিত নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহারের উপযোগী না হওয়া পর্যন্ত কোন মোটরযানের ভিতরে বা উপরে বিস্ফোরক ভর্তি করা যাইবে না।
(৫) বিস্ফোরকপূর্ণ বা বিস্ফোরক পরিবাহী কোন ভ্যানের যানের জ্বালানি ট্যাংক প্রয়োজন ব্যতীত ভর্তি করা যাইবে না এবং ভর্তি করিবার পূর্বে ইঞ্জিন থামাইতে হইবে, বাতি নিভাইতে হইবে এবং জ্বালানি ট্যাংকে এমন জায়গায় তেল ভর্তি করিতে হইবে যেখানে জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়। ভ্যানের চালককে ট্যাংকে তেল ভর্তি তদারকি করিতে হইবে এবং তাহার সীটের পার্শ্বে সবসময় একটি অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্র প্রস্তুত রাখিতে হইবে।
(৬) অপ্রয়োজনে বা প্রয়োজনীয় সময়ের অধিক বিস্ফোরক পরিবাহী বা বিস্ফোরকপূর্ণ কোন ভ্যানকে উহার চালক বা হেলপার থামাইতে পারিবে না এবং যেইস্থানে থামাইলে জনসাধারণের জানমালের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকিবে সেই স্থান পরিহার করিতে হইবে। যদি অনিবার্য কোন কারণে লাইসেন্সধারী বা চালকের তত্ত্বাবধানে বিস্ফোরকপূর্ণ বা বিস্ফোরক পরিবাহী যান কোন প্রাঙ্গণে রাতব্যাপী পার্ক করা থাকে তবে, উক্ত প্রাঙ্গণটি-
(অ) এমন কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাইবে না যাহাতে কোন খোলা বাতি, ম্যাচ বা অন্য কোন বস্তু বা উপাদানের উপস্থিতি অগ্নি দুর্ঘটনা বা বিস্ফোরণ ঘটাইতে পারে;
(আ) যে কোন বাসস্থান বা প্রজ্বলনীয় উপাদান অথবা অন্য কোন বিপজ্জনক দ্রব্যের কোন মজুদাগার হইতে দূরে থাকিতে হইবে;
(ই) মোটরযানের অস্থায়ী পার্কিং এবং অবস্থানের খবর নিকটবর্তী থানাকে অবহিত করিতে হইবে।
(৭) বিস্ফোরকপূর্ণ বা বিস্ফোরকবাহী কোন ভ্যানের চালক অসাবধানে বা বিপজ্জনকভাবে উহা চালাইতে বা চালানোর উদ্যোগ গ্রহণ করিতে পারিবে না।
(৮) বিস্ফোরক পরিবহনে যতদূর সম্ভব ঘনবসতিপূর্ণ স্থানের মধ্যদিয়া গমনাগমনের রাস্তা পরিহার করিতে হইবে।
(৯) বিস্ফোরক পরিবহনকারী যে কোন যানের দেখাশুনা করিতে সমর্থ এমন একজন ব্যক্তিকে (চালক ব্যতীত) সার্বক্ষণিকভাবে মোটরযানে উপস্থিত থাকিতে হইবে।
(১০) দুই বা ততোধিক বিস্ফোরকপূর্ণ যানের বহর যখন একত্রে চলাচল করে তখন উহাদের প্রত্যেকের মধ্যে কমপক্ষে তিনশত মিটার নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখিতে হইবে।
(১১) বিস্ফোরকপূর্ণ যান ইতোপূর্বে আগুন ধরিয়া যাওয়া কোন স্থানের উপর দিয়া বা কোন বড় রাস্তা অথবা হাইওয়ের নিকট দিয়া চালানো যাইবে না।
(১২) বিস্ফোরকপূর্ণ কোন মোটরযান কোন রক্ষীবিহীন রেলক্রসিং বা কোন মহাসড়ক অতিক্রম করিবার পূর্বে উহার চালককে উক্ত যানটি সম্পূর্ণভাবে থামাইতে হইবে এবং রাস্তাটি সম্পূর্ণ নিরাপদ হইলে অতিক্রম করিতে হইবে।
(১৩) এই বিধিমালার অধীনে মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের মূলকপি বা উহার সত্যায়িত কপি সর্বদাই বিস্ফোরকপূর্ণ বা বিস্ফোরক পরিবাহী যানের সহিত রাখিতে হইবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
৭৩। স্থির ভ্যানে আলোর ব্যবস্থাকরণ:
ট্রাফিক জ্যাম ছাড়া অন্য কোন কারণে বিস্ফোরকপূর্ণ কোন ভ্যান লোক চলাচলকারী কোন রাস্তায় থামানো হইলে থামা অবস্থায় উহার চালক বা লাইসেন্সধারী পার্কিং লাইটগুলি আলোকিত অবস্থায় রাখিবে এবং যদি কোন প্রতিফলকের প্রয়োজন হয় তাহা হইলে উহাকে এমন অবস্থানে রাখিতে হইবে যাহাতে অন্যান্য যানের চালকগণ অত্র মোটরযানের উপস্থিতির সংকেত দেখিতে পায়।
৭৪। চাকা গতিরোধক কীলক:
লাইসেন্সকৃত কোন মোটরযানে বিস্ফোরক পরিবহনের সময় উহাতে চারটি চাকা গতিরোধক কীলক বা কাঠের গুড়ি বহন করিতে হইবে।
৭৫। অগ্নি-দুর্ঘটনাকবলিত যানের চালকের দায়িত্ব:
বিস্ফোরক বহনকারী কোন যানে আগুন ধরিয়া গেলে উহার চালককে নিম্নরূপ দায়িত্ব পালন করিতে হইবে, যথাঃ
(ক) কমপক্ষে তিনশত মিটারের মধ্যে সমস্ত মালামাল ও লোক চলাচল বন্ধ করা;
(খ) ঘটনাস্থল এবং উহার চারিদিকের লোকজন বিপদ সম্পর্কে যাহাতে সতর্ক থাকে সেই ব্যাপারে সম্ভাব্য সকল ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যেমন-ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাহিনীকে ডাকা, পুলিশকে খবর দেওয়া ইত্যাদি।
৭৬। যানের দুর্ঘটনা:
(১) বিস্ফোরক বহনকারী কোন যানে যদি কোন দুর্ঘটনা, আগুন লাগা বা অন্য কোন ঘটনার কারণে বিস্ফোরক পরিবহনে নিশ্চিত বিলম্ব হয় বা যান অথবা বিস্ফোরকের ক্ষতি হয় তাহা হইলে উহার চালক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য ব্যক্তিকে-
(ক) রোড দুর্ঘটনা সম্পর্কীয় আইনের সমস্ত শর্তাবলি অনুসরণ করিতে হইবে;
(খ) দুর্ঘটনার সংবাদ নিকটবর্তী থানাকে জানাইতে হইবে;
(গ) লাইসেন্সধারীকে দুর্ঘটনার সংবাদ জানাইতে হইবে, যিনি-
(অ) দুর্ঘটনার এবং পরিবহনকৃত বিস্ফোরকের বিস্তারিত বিবরণ প্রধান পরিদর্শক এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বিস্ফোরক পরিদর্শককে লিখিতভাবে অবহিত করিবেন;
(আ) বিস্ফোরকের নিরাপদ মজুদ এবং রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে যতক্ষণ পর্যন্ত না প্রয়োজনবোধে বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক উহা পরীক্ষা করা হয় এবং পরবর্তীতে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যস্থলে বা বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক মনোনীত স্থানে পরিবহনের ব্যবস্থা করিতে হইবে।
(২) দুর্ঘটনায় বিস্ফোরকবাহী যান ভাঙ্গিয়া গেলে, চালক বা উহার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি-
(ক) যানটির ছোটখাটো মেরামত করিতে বা মেরামতের অনুমতি দিতে পারিবে যদি না উক্ত মেরামতের ফলে কোন বিপদ না ঘটে;
(খ) যদি বড় ধরনের মেরামতের প্রয়োজন হয়, তাহা হইলে উক্ত মেরামত হইতে বিরত থাকিতে হইবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উহাতে রক্ষিত বিস্ফোরক অন্য একটি মোটরযানে স্থানান্তর করা হয় বা উহা হইতে বিস্ফোরক সরাইয়া হাইওয়ে হইতে কোন নিরাপদ স্থানে এবং কোন বাসস্থান হইতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার জন্য কমপক্ষে তিনশত মিটার দূরে মজুদ করা হয়;
(গ) লাইসেন্সধারীকে যান ভাঙ্গার সংবাদ দিতে হইবে, যিনি প্রধান পরিদর্শক এবং সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রের বিস্ফোরক পরিদর্শককে উক্ত যানে রক্ষিত বিস্ফোরকের বিস্তারিত বিবরণ এবং মোটরযান ভাঙ্গার সবিশেষ ঘটনা লিখিতভাবে জানাইবেন।

৭৭। যানে অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্র রাখাঃ
(১) প্রত্যেক বিস্ফোরকবাহী যানে সবসময়ই কার্যক্রম অবস্থায় থাকে এমন ধরনের কমপক্ষে দুই কিলোগ্রাম ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন দুইটি অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্র রাখিতে হইবে, যাহাদের একটি বৈদ্যুতিক আগুন এবং অন্যটি ইঞ্জিন, টায়ার বা একই রকম অন্য ঘটনায় সংঘটিত আগুন নিভানোর কাজে সক্ষম হইবে।
(২) অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্রগুলিকে তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্য উপযোগী অবস্থায় এবং সহজলভ্য স্থানে রাখিতে হইবে। প্রস্তুতকারকের সুপারিশ অনুসারে অগ্নি- নির্বাপক যন্ত্রগুলি পরীক্ষা এবং পুনঃভর্তি করিতে হইবে।
রেলগাড়িতে পরিবহন – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
এই সংস্করণে আরো সুন্দর ভাবে রূপ দেওয়া হইয়াছে। আইনটি সর্বশেষ সংশোধনসহ প্রকাশ করা হইয়াছে। পূর্বে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহের শেষে বাংলাদেশের উচ্চতর আদালতের উভয় বিভাগের সিদ্ধান্ত গুলি আইনের ধারা ওয়ারী ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধি মালার শেষেও নূতন করে বিধিওয়ারী সর্বশেষ সিদ্ধান্তগুলি ইংরেজী ভাষায় সংযোজন করা হয়েছে। ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনটিকে সংশোধন করিয়া উহার শেষে ধারাওয়ারী উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তগুলি সুন্দর ভাবে ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
রেলগাড়িতে পরিবহন
৭৮। রেলগাড়ির বগির অনুমোদন:
সেফটি ফিউজ ও আতজবাজি ছাড়া অন্য কোন বিস্ফোরক বিশেষভাবে নির্মিত এবং রেলওয়ে বোর্ড ও প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত ধরনের বগি ছাড়া অন্য কোন বগির মাধ্যমে রেলগাড়িতে পরিবহন করা যাইবে না।
![রেলগাড়িতে পরিবহন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৭৮-৯২]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2024/01/আইন-৩.jpg)
৭৯। রেলগাড়ির বগি চিহ্নিতকরণ:
(১) যে কোন বিস্ফোরক বোঝাইকৃত রেলগাড়ির বগির উভয় দিকে ভর্তিকৃত বিস্ফোরকের জন্য নির্ধারিত বিপজ্জনক চিহ্ন সুস্পষ্টভাবে উহার গায়ে আটকাইয়া দিতে হইবে অথবা “বিস্ফোরক” শব্দটি লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(২) বিধি ৮০ এর অনুচ্ছেদ (খ) এবং বিধি ৮৫ এর বিধান অনুসারে ধারণকৃত বগিতে বিস্ফোরক পরিবহনের ক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) প্রযোজ্য হইবে না।
৮০। সাধারণ পণ্যের সহিত বিস্ফোরক পরিবহন:
বিধি ৭৮ এ যাহাই থাকুক না কেন, অগ্নি-দুর্ঘটনা বা বিস্ফোরণ ঘটাইতে সক্ষম কোন উপাদান বা পদার্থ বহন করা হইবে না এমন কোন মালবাহী ট্রেনে নিম্নরূপ পদার্থ বহন করা যাইবে, যথা:
(ক) ব্লাস্টিং কাজের জন্য যে কোন পরিমাণ সেফটি ফিউজ;
(খ) এ বিধির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত অন্য যে কোন বিস্ফোরক: তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধিমালার সমস্ত শর্ত অনুসরণপূর্বক এইরূপ বিস্ফোরক ধাতু নির্মিত আধার বা সিলিন্ডারে ভর্তিকৃত অবস্থায় থাকিবে এবং উহাদের ধরন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইবে।
৮১। বিস্ফোরক পরিবাহী বগির অবস্থান:
বিস্ফোরকবাহী প্রত্যেকটি বগিকে যতদূর সম্ভব ইঞ্জিন রুম হইতে দূরে সহজগম্য স্থানে স্থাপন এবং পার্শ্ববর্তী বগির সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে এবং উহার পূর্ববর্তী ও পশ্চাদবর্তী তিনটি বগিতে কোন বিস্ফোরক বা প্রজ্বলনীয় প্রকৃতির কোন উপাদান বা পদার্থ বোঝাই করা যাইবে না।
৮২। রেলগাড়ির মাধ্যমে সর্বাধিক বিস্ফোরক পরিবহন:
কোন রেল স্টেশনে বা ঘাটে একই সময়ে অনধিক পাঁচটি বগি হইতে বিস্ফোরক খালাস অথবা উক্ত বগিসমূহে বিস্ফোরক ভর্তি করা এবং অনধিক দশটি বিস্ফোরকপূর্ণ বগিকে একই ট্রেনে সংযুক্ত বা পরিবহন করা যাইবে না।
৮৩। মিশ্র বা যাত্রীবাহী রেলগাড়িতে বিস্ফোরক পরিবহন নিষিদ্ধ:
মিশ্র বা যাত্রীবাহী কোন রেলগাড়িতে কোন বিস্ফোরক পরিবহন করা যাইবে না।
৮৪। বিস্ফোরকপূর্ণ ভ্যানসমূহকে মিশ্র রেলগাড়ি দ্বারা প্রেরণ:
বিধি ৮৩ তে যাহাই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত শর্ত সাপেক্ষে বিধি ৭৮ এর অধীন বিশেষভাবে অনুমোদিত ভ্যানে ধারণকৃত যে কোন বিস্ফোরক, মালবাহী রেলগাড়ি চলাচল করে না এমন ধরনের লাইনে বা উপ-লাইনে মিশ্র রেলগাড়িতে পরিবহন করা যাইবে, যথাঃ
(ক) অনধিক তিনটি উক্তরূপ বিস্ফোরকপূর্ণ বগি একই সময়ে পরিবহন করা যাইবে;
(খ) বিস্ফোরকপূর্ণ ভ্যান ও ইঞ্জিন রুমের মধ্যে কমপক্ষে তিনটি বগি থাকিবে এবং যাত্রীবাহী বগি ও বিস্ফোরকপূর্ণ ভ্যানের মধ্যেও কমপক্ষে তিনটি বগি থাকিবে;
(গ) বিস্ফোরকপূর্ণ ভ্যানসমূহ পরস্পরের সহিত এবং পার্শ্ববর্তী অন্য মালবাহী বগির সহিত জোড়াবস্থায় সংযুক্ত করিতে হইবে;
(ঘ) মালবাহী রেলগাড়ি চলাচলকারী রেললাইনের যে কোন অংশে হঠাৎ করিয়া বিস্ফোরকপূর্ণ মিশ্রবাহী রেলগাড়ি প্রবেশ করিলে উহা হইতে বিস্ফোরকপূর্ণ ভ্যানসমূহকে দূরে সরাইয়া নিতে হইবে।
৮৫। মিশ্র বা যাত্রীবাহী রেলগাড়িতে বিস্ফোরক পরিবহন:
বিধি ৭৮ এবং ৮৩ তে যাহাই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিস্ফোরকসমূহ মিশ্র বা যাত্রীবাহী রেলগাড়িতে পরিবহন করা যাইবে, যথাঃ
(১) রাস্ট্রিংয়ের জন্য সেফটি ফিউজ;
(২) প্রপেল্যান্ট ব্যতীত টোটা বা কার্তুজে ভর্তিকৃত অনধিক তিন কিলোগ্রাম নাইট্রোযৌগের তৃতীয় শ্রেণীর বিস্ফোরক: তবে শর্ত থাকে যে, একই কামরায় ডেটোনেটর পরিবহন করা যাইবে না;
(৩) প্যাকেটকৃত ডেটোনেটরের সংখ্যা যদি দুইশতটি হয় বা প্যাকেটকৃত ডেটোনেটরের সর্বমোট ওজন যদি অনধিক আড়াইশত গ্রাম হয়: তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) প্রেরক কর্তৃক এই মর্মে সনদ প্রদান করিতে হইবে যে, এই সমস্ত ডেটোনেটর তিনি স্বয়ং দেখাশুনা করিবেন; এবং (খ) একই কামরায় অন্য কোন বিস্ফোরক পরিবহন করা হইবে না;
(গ) দ্বিতীয় তফসিলে বর্ণিত দুই স্তর বিশিষ্ট প্যাকেটকৃত প্রপিলেন্টস এবং খেলাধুলায় ব্যবহৃত পাউডার: তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত ধরনের সম্পূর্ণভাবে স্পার্ক নিরোধী টিন বা জিংক বা ধাতুর খাঁচা বা আবৃত টিনের বাক্সে ধারণকৃত প্রতিটি প্যাকেটে বা সিলিন্ডারে অনধিক তিন কিলোগ্রাম বিস্ফোরক একটি শক্ত কাঠের বাক্সে রাখিতে হইবে;
(খ) বাহিরের বাক্সে ১৩ কিলোগ্রামের অধিক বিস্ফোরক ভর্তি করা যাইবে না; এবং
(গ) একটি রেলগাড়িতে সর্বমোট ৩৫ কিলোগ্রামের অধিক বিস্ফোরক পরিবহন করা যাইবে না।
৮৬। প্রেরণকৃত বিস্ফোরক রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বুঝিয়া নেওয়া:
ট্রেনে পরিবহনের অভিপ্রায়ে প্রেরক কর্তৃক প্রেরিত বিস্ফোরক শুধুমাত্র-
(ক) রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মচারী বুঝিয়া নিবেন যিনি বিপজ্জনক দ্রব্যাদি গ্রহণের সহিত সংশ্লিষ্ট;
(খ) রেলকর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত রেল প্রাঙ্গণের অভ্যন্তরস্থ কোন স্থানে এবং সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী কোন সময়ে গ্রহণ করিতে হইবে।
৮৭। বিস্ফোরক সাজাইয়া রাখা:
(১) বিস্ফোরকপূর্ণ সমস্ত প্যাকেটকে শুধুমাত্র একটি স্তরে সাজাইয়া রাখিতে এবং উহদেরকে এমনভাবে মজুদ করিতে হইবে যাহাতে বগি চলাচলের সময় উহারা নড়াচড়া না করে: তবে শর্ত থাকে যে, বিস্ফোরকের প্যাকেটগুলি যদি আয়তাকার হয় এবং পরিবহনের সময় নড়াচড়া করিবে না বলিয়া নিশ্চিত হওয়া যায় তাহা হইলে উহাদেরকে অনধিক পাঁচ স্তরে সাজাইয়া রাখা যাইবে।
(২) বিস্ফোরক পরিবাহী বগির মেঝেতে এবং বিস্ফোরকপূর্ণ প্যাকেটের প্রতি স্তরের মধ্যবর্তী স্থানে কাপড়ের টুকরা, পশুর চামড়া বা অন্য কোন উপযুক্ত পদার্থ চড়াইয়া দিতে হইবে।
(৩) বিস্ফোরকপূর্ণ কোন বগিতে কোন ম্যাচ বা ফিউজ অথবা আগুন ধরাইতে সক্ষম কোন উৎস বা প্রজ্বলনীয় প্রকৃতির কোন উপাদান বা বস্তু অথবা অগ্নি-দুর্ঘটনা বা বিস্ফোরণের কারণ হইতে পারে এমন ধরনের পদার্থ, যেমন- পেট্রোলিয়াম, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, তরলীকৃত গ্যাস, এসিড ইত্যাদি পরিবহন করা যাইবে না।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
৮৮। বিস্ফোরকপূর্ণ বগিতে অন্য লাইনে সরানোঃ
প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে বিস্ফোরকপূর্ণ কোন বগিকে অন্য কোন লাইনে সরানো যাইবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না তিনি নিশ্চিত হন যে-
(ক) রেলগাড়িকে শ্রেণীবদ্ধ করিবার সময় বিস্ফোরকবাহী বগিকে ইঞ্জিন দ্বারা অন্য লাইনে সরানো হইতেছে না এবং উহা অন্যূন তিনটি বগি দ্বারা ইঞ্জিন হইতে পৃথকীকৃত যাহাদের মধ্যে বিস্ফোরক বা প্রজ্বলনীয় পদার্থ নাই;
(খ) বিস্ফোরক পরিবহনকারী বগিসমূহকে প্রধান লাইন হইতে অন্য লাইনে সরানোর সময় উহাদের গতি ঘণ্টায় পাঁচ মাইলের বেশি হইবে না; এবং
(গ) বিস্ফোরকপূর্ণ বগিসমূহকে অন্য লাইনে সরানোর কাজ, অবহেলার সহিত করা যাইবে না।
৮৯। রেলওয়ে প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক আনয়ন এবং ইহা হইতে সরানো:
(১) যে কোন বিস্ফোরক ধারণকৃত প্যাকেটসমূহ রেলস্টেশন, ঘাট বা ডিপোতে পৌছানোর পর যতদূর সম্ভব অতি অল্প সময়ের মধ্যে সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষ করিয়া গ্রহীতা কর্তৃক সরাইয়া নিতে হইবে।
(২) বিস্ফোরকপূর্ণ প্যাকেটসমূহ কোন স্টেশনে পৌঁছার বার ঘন্টার মধ্যে দিনের বেলায় সরানো না হইলে বিস্ফোরকসহ প্যাকেটগুলো প্রেরকের নিকট তাহার নিজস্ব দায়িত্বে এবং খরচে ফেরত দেওয়া যাইতে পারে।
(৩) বিস্ফোরকপূর্ণ যে কোন প্যাকেট যতক্ষণ পর্যন্ত সরানো, প্রেরণ বা ফেরত না দেওয়া হয় ততক্ষণ স্টেশন মাস্টারের বিশেষ নির্দেশনায় প্রয়োজনবোধে পুলিশ প্রহরায় স্টেশন বিল্ডিং হইতে একটি নিরাপদ দূরত্বে রাখিয়া ত্রিফল বা অন্য কোন উপযুক্ত বস্তু দ্বারা আবৃত করিয়া রাখিতে হইবে।
৯০। রেল কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা:
(১) রেল কর্তৃপক্ষ যদি মনে করেন যে, কোন বিস্ফোরক বা বিস্ফোরকপূর্ণ বগি বা প্যাকেট এই বিধিমালার পরিপন্থী তাহা হইলে রেল কর্তৃপক্ষ-
(ক) ঐ সকল বিস্ফোরক, বগি বা প্যাকেটকে তাহাদের স্টেশনে প্রবেশে বাধা প্রদান বা উহাদেরকে গ্রহণ বা পরিবহন করিতে অপারগতা জানাইতে পারিবে; অথবা
(খ) প্রয়োজন মনে করিলে যে কোন সময় উহাদেরকে খুলিতে এবং উহাদের ভিতরে অবস্থিত পদার্থকে যাচাই করিতে পারিবে।
(২) যদি কোন বিস্ফোরক বা বিস্ফোরকপূর্ণ প্যাকেট বা বগি এই বিধিমালার কোন বিধির পরিপন্থী হয় তাহা হইলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রেরকের নিজ দায়িত্বে এবং খরচে উহাদেরকে তাহার নিকট ফেরত দিতে পারিবে।
(৩) কোন বিস্ফোরক বা বিস্ফোরকপূর্ণ প্যাকেট বা বগি যদি এই বিধিমালার পরিপন্থী হয় এবং কর্তৃপক্ষ যদি মনে করেন যে, এইগুলি উপ-বিধি (২) এর আওতায় প্রেরকের নিকট ফেরত পাঠাইলে বিপদের সম্ভাবনা আছে তাহা হইলে প্রধান পরিদর্শকের সহিত আলোচনা করিয়া তাহার নির্দেশানুসারে প্রেরকের নিজ খরচে ও দায়িত্বে বিস্ফোরকপূর্ণ পাত্র বা প্যাকেট ধ্বংস করিতে পারিবে।
৯১। রেলওয়ে ব্রিজের উপর দিয়া বিস্ফোরক পরিবহনে বাধা-নিষেধ:
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত সকল ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ব্যতীত কোন রেলওয়ে ব্রিজের উপর দিয়া কোন বিস্ফোরকপূর্ণ রেলগাড়ি পরিবহন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধি নিম্নলিখিত বিস্ফোরক পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না:
(ক) ব্লাস্টিংয়ের জন্য যে কোন পরিমাণের সেফটি ফিউজ; অথবা
(খ) ৩ কিলোগ্রামের অধিক নহে এমন যে কোন পরিমাণের গান পাউডার বা নাইট্রো-কম্পাউন্ড বা ৬ষ্ঠ শ্রেণীর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগে এম্যুনিশন; অথবা
(গ) অনধিক ৫ কিলোগ্রাম আতশবাজি।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
৯২। চায়না পটকা পরিবহন:
রেলগাড়িতে ৭ম শ্রেণীর দ্বিতীয় বিভাগের চায়না পটকা পরিবহনের সময় যদি বিস্ফোরণ নিরোধী সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং প্রেরিতব্য মালামালের আকৃতি বা সংখ্যা বিবেচনা করিয়া প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক যদি মনে করেন যে, বিধি ৪৩ এবং ৭৮ এর শর্তাবলি পালনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করিতে অনেক দেরীর সম্ভাবনা রহিয়াছে তাহা হইলে তিনি জুলাই হইতে মার্চ পর্যন্ত সময়ের জন্য একটি আদেশের মাধ্যমে উক্ত বিধিদ্বয়ের শর্তসমূহ শিথিল করিতে পারিবেন।
বিস্ফোরক উৎপাদন – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
বিস্ফোরক উৎপাদন
৯৩। বিস্ফোরক উৎপাদনের উপর বাধা-নিষেধ:
(১) এই বিধির অধীন মঞ্জুরকৃত লাইসেন্সের শর্ত পালন ব্যতীত কোন বিস্ফোরক উৎপাদন করা যাইবে না।
(২) লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক উৎপাদনের সহিত সম্পর্কযুক্ত সকল কর্মকাণ্ডের বিষয়ে লাইন্সেন্সধারী দায়ী থাকিবেন।
![বিস্ফোরক উৎপাদন । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ৭৮-৯২]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
৯৪। কতিপয় ক্ষেত্রে বিস্ফোরক উৎপাদনের জন্য লাইসেন্স নিষ্প্রয়োজন:
বিধি ৯৩ এ যাহাই থাকুক না কেন, কোন সরকারি বা শিল্প পরীক্ষাগার অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন পরীক্ষাগারে বিস্ফোরক উৎপাদনের জন্য লাইসেন্স প্রয়োজন হইবে না এবং কোন যোগ্য ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে নিম্নের শর্তাধীনে কোন রাসায়নিক পরীক্ষণ ও পরীক্ষায় যুক্তিসঙ্গতভাবে যতটুকু পরিমাণ বিস্ফোরক প্রয়োজন তাহার অতিরিক্ত ব্যবহার এবং ব্যবহারিক প্রয়োগ বা বিক্রয় করা হইবে না। যেমন-
(ক) বিস্ফোরকের প্রকৃতি, যে বিস্ফোরক পরীক্ষাগারে প্রস্তুত করা হইবে তাহার পরিমাণ, একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা এবং পরীক্ষা পরিচালনাকারী ব্যক্তির জীবন বৃত্তান্ত ও অভিজ্ঞতার বিবরণ সম্পর্কে প্রধান পরিদর্শককে পূর্বেই অবহিত করিতে হইবে;
(খ) উপরোক্ত (ক) অনুচ্ছেদের তথ্য প্রাপ্তির পর প্রধান পরিদর্শক যদি মনে করেন যে, এইরূপ পরীক্ষা করা নিরাপদ নয় তবে তিনি লিখিতভাবে পরীক্ষা পরিচালনা নিষিদ্ধ করিবেন;
(গ) কোন ব্যক্তির শারীরিক আঘাত অথবা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধ এবং প্রযোজ্যক্ষেত্রে আইনের সকল বিধান এবং বিধানাবলি পালন ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও সর্ব প্রকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে;
(ঘ) আইনের ধারা ৬ এর অধীনে বিশেষভাবে নিষিদ্ধ কোন বিস্ফোরক তৈরির জন্য কোন পরীক্ষাকার্য পরিচালনা করা যাইবে না;
(ঙ) রাসায়নিক পরীক্ষার উদ্দেশ্যে স্বল্প পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরি যাহা বিক্রয় বা অন্য কোন ব্যবহারের জন্য নয়; অথবা
(চ) এই বিধির আওতায় প্রাধিকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে কার্তুজ পূর্ণ করিতে, চার্জ তৈরিতে অথবা শুষ্ক, রূপান্তর, সংযুক্ত অথবা অন্য কোন উপায়ে বিস্ফোরক অধিকারে রাখেন অথবা কোন খনি বা পাথর খণ্ডে তাহার দ্বারা পরিচালিত অথবা তাহার নিয়ন্ত্রণাধীন কোন খননকার্যে বিস্ফোরণের উদ্দেশ্যে এইরূপ বিস্ফোরক কাজে লাগান বা তৈরি করেন।
৯৫। প্রস্তুকরণের পদ্ধতির অনুমোদন:
(১) প্রাধিকৃত বিস্ফোরকের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি ছাড়া কোন নতুন ধরনের বিস্ফোরক তৈরি করা যাইবে না যদি না প্রস্তুতকরণের পদ্ধতি লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত এবং তাহার লিখিত অনুমতিপ্রাপ্ত হইয়া থাকে।
(২) কোন ব্যক্তি প্রাধিকারভুক্ত বিস্ফোরক প্রস্তুত করিতে চাহিলে প্রধান পরিদর্শক এর নিকট প্রতিটি বিস্ফোরক সম্পর্কে পৃথকভাবে ২ কপি প্রজেক্ট রিপোর্ট প্রদান করিবে যাহার মধ্যে অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়সহ নিম্নলিখিত বর্ণনা থাকিবে, যথা:
(ক) প্রস্তুতের উপাদান হইতে আরম্ভ করিয়া উৎপন্ন দ্রব্য পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া, প্ল্যান্ট ও সরঞ্জামাদি, ব্যবহারকৃত দ্রব্যের পরিমাণ, প্রস্তুতি এবং প্যারামিটার, নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, পরিকল্পনা পদ্ধতি, বর্জ্য এবং ব্যবহার অনুপযোগী বিস্ফোরক নিষ্কাশনের প্রস্তাবিত পদ্ধতির বর্ণনা;
(খ) বিস্ফোরকের উপাদান ও প্রকৃতি;
(গ) বিস্ফোরকের প্রতিটি উপাদানের নির্ধারিত শতকরা হার;
(ঘ) বিক্রয়সহ প্রস্তুত প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদানের বিনির্দেশ;
(ঙ) সর্বশেষ উৎপন্ন দ্রব্যের ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য;
(চ) নির্ধারিত পরীক্ষণ ফি।
(৩) প্রধান পরিদর্শক প্রজেক্ট রিপোর্ট পর্যালোচনা করিয়া এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আরও অনুসন্ধানে তিনি সন্তুষ্ট হইলে প্রত্যেক বিস্ফোরকের জন্য পৃথকভাবে পদ্ধতি অনুমোদন করিবেন।
(৪) প্রধান পরিদর্শকের পূর্ব অনুমোদন ব্যতীত কোন ব্যক্তি বিস্ফোরকের প্রস্তুত পদ্ধতি, উপাদান ও ধরন এবং কাঁচামাল ও উপাদানের বিনির্দেশ ও নির্ধারিত শতকরা হারের কোন পরিবর্তন করিতে পারিবেন না।
(৫) উপ-বিধি (২) এর অধীন প্রদানকৃত বর্ণনা সঠিক কি না তাহা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রধান পরিদর্শক যে কোন সময় কোন কাঁচামাল, উপাদান অথবা বিস্ফোরক এর যে কোন পরীক্ষা করিতে পারিবেন।
৯৬। অননুমোদিত ব্যক্তির উপর বাধা-নিষেধ:
(১) এই বিধিমালার অধীন বিস্ফোরক প্রস্তুতের লাইসেন্সকৃত কারখানা অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশ রোধ করিতে সক্ষম এমন কার্যকরভাবে নির্মিত কমপক্ষে ২ মিটার উঁচু দেওয়াল অথবা কাঁটাতারের বেড়া দ্বারা পরিবেষ্টিত হইবে।
(২) বিস্ফোরক প্রস্তুতের জন্য ব্যবহৃত ভবন বা ছাউনি হইতে সংরক্ষণীয় প্রয়োজনীয় নিরাপদ এলাকা উক্ত দেওয়াল বা বেড়া দ্বারা পরিবেষ্টিত এলাকার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হইবে।
(৩) লাইসেন্সধারী নিজ খরচে ও তত্ত্বাবধানে কারখানার নিরাপদ একটি স্থানে এমন সুঠাম দেহের অধিকারী প্রহরীর ব্যবস্থা করিবেন যাহাকে জেলা কর্তৃপক্ষ যথোপযুক্ত বিবেচনা করেন।
৯৭। কেবলমাত্র নির্দিষ্ট কাজে ভবন ব্যবহার করা যাইবে:
কারখানাস্থ প্রতিটি ভবন এই বিধিমালার অধীন মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সে বর্ণিত উদ্দেশ্যেই কেবল ব্যবহার করা যাইবে: তবে শর্ত থাকে যে, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সে উল্লিখিত উদ্দেশ্য ছাড়াও অন্য কোন উদ্দেশ্যে ভবন ব্যবহারের সাময়িক অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন যদি তিনি এই মর্মে নিশ্চিত হন যে, এই ধরনের ব্যবহার নিরাপদ এবং প্রস্তুত প্রক্রিয়ার জন্য নির্বিঘ্ন।
৯৮। ভবনের অভ্যন্তরভাগ সুবিন্যস্তকরণ:
কোন ভবনে বিস্ফোরক অথবা বিস্ফোরকের কোন উপাদান যাহা এককভাবে বিস্ফোরকের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অথবা ভবনে রক্ষিত অন্য কোন উপাদান বা বস্তুর সহিত একত্রে রাখা হয় অথবা উহা বিস্ফোরক মিশ্রণ অথবা বিস্ফোরক পদার্থ তৈরি করিতে পারে অথবা প্রস্তুতির সময়ও ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হইতে পারে এবং এইরূপ ভবনের অভ্যন্তরভাগ এবং বেঞ্চ, তাক, ভবনের ফিটিংস এমনভাবে নির্মিত অথবা বিন্যস্ত অথবা আবৃত হইবে যাহাতে কোন লৌহ বা ইস্পাত অংশ উন্মুক্ত না থাকে এবং কোন ধূলিকণা উৎপন্ন বা বিযুক্ত হইয়া যাহাতে বিস্ফোরক বা উপাদানের সংস্পর্শে না আসিতে পারে। এতদুদ্দেশ্যে অভ্যন্তরভাগ, বেঞ্চ, তাক, ফিটিংস উপযোগী করিয়া ধূলিকণামুক্ত এবং অন্য কোন উপায়ে পরিষ্কার রাখিতে হইবে।
৯৯। ঢিবি নির্মাণ:
বিস্ফোরক উৎপাদন, ব্যবহার, মজুদ ও পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত লাইসেন্সকৃত কারখানার প্রত্যেক ভবন লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ভিন্নরূপ নির্দেশনা না দিলে দৃঢ় ঢিবি দ্বারা পরিবেষ্টিত হইবে যাহার ধরন ও ডিজাইন প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ঢিবির স্থলে ব্লাস্ট প্রাচীরও অনুমোদন করিতে পারিবেন যদি এইরূপ ব্লাস্ট প্রাচীর দ্বারা কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য সফল হয়।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
১০০। স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রজ্বলিত হইতে সক্ষম এইরূপ বস্তুর উপর বাধা-নিষেধঃ
তৈলসিক্ত তুলা, তৈলযুক্ত বস্ত্র বা তৈল বর্জ্য এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রজ্বলনে সক্ষম এমন অন্য কোন বস্তু এইরূপ দালানে জরুরি ব্যবহারের প্রয়োজন ব্যতীত আনা যাইবে না এবং জরুরি কাজ বা ব্যবহার শেষে তৎক্ষণাত তাহা অপসারণ করিতে হইবে।
১০১। বিশেষ যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামাদির ব্যবহার:
বিস্ফোরক প্রস্তুত প্রক্রিয়াকরণের কোন ভবনে (অতঃপর প্রক্রিয়াকরণ ভবন বলিয়া উল্লিখিত) কোন যন্ত্রাংশ বা সরঞ্জামাদি ব্যবহার বা রাখা যাইবে না, যদি না এই সমস্ত বস্তু, কাঠ, তামা, ব্রাশ অথবা নরম ধাতু বা ধাতব পদার্থ অথবা নিরাপদ ও উপযোগী পদার্থ দ্বারা আবৃত থাকে।
১০২। বিস্ফোরক প্রক্রিয়াকরণ ভবনে তথ্য প্রদর্শন:
বিস্ফোরক প্রক্রিয়াকরণ ভবনে সকল সময়ে স্পষ্ট ও সহজবোধ্যভাবে নিম্নোক্ত তথ্যাবলি প্রদর্শন করিতে হইবে, যথাঃ
(ক) লাইসেন্সকৃত কারখানার প্রত্যেক প্রক্রিয়াকরণ ভবনে লাইসেন্সের সহিত সংযুক্ত অনুমোদিত নকশায় উল্লিখিত একই পৃথকীকরণ নম্বর।
(খ) প্রত্যেক প্রক্রিয়াকরণ ভবনের অভ্যন্তরে একটি নোটিসে নিম্নরূপ তথ্য প্রদর্শিত হইবে-
(অ) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত কোন সময়ে ভবনে রক্ষিতব্য কোন বিস্ফোরক অথবা উক্ত বিস্ফোরকের উপাদানের সর্বোচ্চ পরিমাণ;
(আ) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত কোন সময়ে ভবনের সর্বোচ্চ যে কয়জন ব্যক্তি থাকিতে পারে।
১০৩। ধূমপানের উপর নিষেধাজ্ঞা:
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমোদনপ্রাপ্ত স্থান ব্যতীত লাইসেন্সকৃত কারখানায় কোন ব্যক্তি ধূমপান করিতে পারিবেন না।
১০৪। বজ্র হইতে সুরক্ষাঃ
(১) প্রত্যেক ভবনের সহিত সঠিক প্রকৌশলগত মান অনুযায়ী ডিজাইনকৃত ও নির্মিত এক বা একাধিক উপযুক্ত বজ্রবহ সংযুক্ত পরিবাহী থাকিবে।
(২) একজন যোগ্য বিদ্যুৎ প্রক্যেশলী দ্বারা বা প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের অফিস হইতে এই সম্পর্কিত যোগ্যতার সনদধারী অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তির সাহায্যে ভবনের ভূ-প্রান্তে বজ্রবহের ভূ-সংযোগ এবং বিভিন্ন অংশের সংযোগসমূহ প্রতি ১২ মাসে অন্তত একবার পরীক্ষা করাইতে হইবে। বজ্রবহ পরিমাপের ফলাফল এবং সর্বশেষ পরীক্ষার তারিখ সম্বলিত সনদপত্র ভবনের সহজে দৃশ্যমান স্থানে ঝুলাইয়া রাখিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দিষ্টভাবে নির্দেশিত না হইলে ৭ম শ্রেণীর বিস্ফোরক আতশবাজি প্রস্তুতিতে প্রক্রিয়াকরণ ভবনে বজ্রবহ প্রয়োজন হইবে না।
১০৫। উপাদানসমূহ হইতে অনাকাঙিক্ষত পদার্থ অপসারণ:
লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে কোন পদার্থ তৈরি বা বিস্ফোরকের সহিত মিশ্রিত করা যাইবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না উত্তমরূপে চালুনী দ্বারা পৃথক করিয়া বা অন্য কোন উপায়ে সে সমস্ত অনাকাঙ্ক্ষিত বস্তু এবং পদার্থ অপসারণ করিয়া বিপদমুক্ত করা হয়।
১০৬। আগুন হইতে সুরক্ষা:
(১) পকেটবিহীন উপযুক্ত পরিধেয় বস্ত্রের এবং উপযোগী জুতা ব্যবহারপূর্বক ভবনের বিপজ্জনক স্থানে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খোঁজ করিয়া বা অন্যভাবে কোন কিছুর প্রবেশ প্রতিহত করা এবং আগুন, দিয়াশলাই অথবা অন্য কোন পদার্থ বা বস্তু যাহা বিস্ফোরণ বা আগুন ধরাইতে সক্ষম এবং বিস্ফোরকের সহিত সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উপাদানের সংস্পর্শে আসিতে পারে ভবনের এইরূপ বিপজ্জনক স্থানে লৌহ, ইস্পাত অথবা ধূলাবালির প্রবেশ রোধ করিবার ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(২) বিস্ফোরক প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃতব্য এবং প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত এমন কৃত্রিম আলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) প্রযোজ্য হইবে না।
১০৭। ভবনের মেরামত:
(১) কোন ভবন বা উহার কোন অংশের যন্ত্রাংশসহ মেরামত করিবার পূর্বে ঐ ভবন বা যন্ত্রাংশকে সুবিধাজনক পদ্ধতিতে সম্পূর্ণরূপে বিস্ফোরকমুক্ত করিতে হইবে।
(২) ভবনে বা উহার কোন অংশের মেরামত কার্যে আগুনের ব্যবহার প্রয়োজন হইলে, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কোন উপযুক্ত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে এইরূপ আগুনের ব্যবহারের জন্য লিখিত অনুমতি প্রদান করিবে এবং এইরূপ অনুমতিপত্র সর্বদা সঙ্গে রাখিতে হইবে যাহা চাহিদামাত্র পরিদর্শনকারী কর্মকর্তাকে দেখাইতে হইবে।
(৩) যন্ত্রপাতিসহ কোন ভবন বা উহার যে কোন অংশের বড় ধরনের মেরামত করা হইয়া থাকিলে উক্ত ভবন বা উহার কোন অংশ লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পুনরায় অনুরূপ অনুমতি প্রদান না করা পর্যন্ত ব্যবহার করা যাইবে না।
১০৮। বিস্ফোরক এবং দ্রব্যাদির দ্রুত অপসারণ:
(১) বিস্ফোরক প্রক্রিয়াকরণ ভবনে উৎপন্ন সকল বিস্ফোরক সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী প্রক্রিয়াকরণ ভবনে লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিনে বা স্টোরে সরাইয়া নিতে হইবে এবং প্রক্রিয়াকরণ ভবনে কোন বিস্ফোরক জমা রাখা যাইবে না।
(২) ভবনে বিস্ফোরক প্রস্তুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হইলে ঐ প্রক্রিয়ার জন্য ভবনে আনয়নকৃত সকল অব্যবহৃত পদার্থ, যাহা পরবর্তী প্রস্তুত প্রক্রিয়ায় একই ভবনে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহৃত হইবে না তাহা উক্ত ভবন হইতে তাড়াতাড়ি সরাইয়া ফেলিতে হইবে।
১০৯। উপযুক্ত ব্যক্তি নিয়োগ:
লাইসেন্সধারী কর্তৃক নিয়োজিত একজন উপযুক্ত ব্যক্তির তত্ত্বাবধান ব্যতীত কোন ভবন অথবা উহার কোন অংশে কোন বিস্ফোরক প্রস্তুত করা যাইবে না। এইরূপ ব্যক্তি বিস্ফোরক প্রস্তুতির পদ্ধতি এবং উহার সহিত সম্পর্কিত বিপজ্জনক কার্যাবলি এবং এই বিধানাবলি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকেবহাল থাকিবেন।
১১০। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির নিয়োগ:
নিয়োগদানকারীর নিকট জন্ম নিবন্ধন সনদ বা নিবন্ধিত একজন মেডিকেল প্র্যাকটিশনার এর নিকট হইতে বয়স প্রমাণের সনদ দাখিল করা হইলে ২১ বছরের নিচে কিন্তু ১৮ বছর পূর্ণ হইয়াছে এমন ব্যক্তিকে নিয়োগ করা যাইবে।
১১১। যানের ব্যবহার:
সম্পূর্ণ বা আংশিক প্রস্তুতকৃত বিস্ফোরক লাইসেন্সকৃত কারখানা এলাকায় পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত প্রতিটি বাহন এবং ট্রলি অথবা ধারণপাত্র হইবে-
(ক) অন্য কোনোভাবে অনুমোদিত না হইলে উহার অভ্যন্তরভাগ লৌহ বা ইস্পাতবিহীন;
(খ) যখন বিস্ফোরক বা উহার কোন উপাদান পরিবহন করা হয় তখন উহা বন্ধ এবং আবৃত থাকিবে।
১১২। ভবন প্লান্ট এবং যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ:
(১) লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণ বা উহার অভ্যন্তরের প্রতিটি ভবনেই সকল সময় উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা বজায় রাখিতে হইবে।
(২) লাইসেন্সধারী কর্তৃক লাইসেন্সকৃত কারখানার সকল প্লান্ট এবং যন্ত্রাংশ নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভাল ও সঠিকভাবে রাখিতে হইবে এবং এইরূপ সার্ভিসিং এবং রক্ষণাবেক্ষণের সকল রেকর্ড পরবর্তী সার্ভিসিং ও রক্ষণাবেক্ষণের সময় পর্যন্ত রাখিতে হইবে যাহা মেশিনারি এবং যন্ত্রাংশের কোন বড় ধরনের মেরামত বা পরিবর্তনের রেকর্ড মেশিনারি ও যন্ত্রাংশের পরবর্তী পরিবর্তনের সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে।
১১৩। পরীক্ষণ সুবিধাদিঃ
প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের অনুমোদিত নির্ধারিত স্থানে লাইসেন্সধারী কাঁচামাল, মধ্যবর্তী ও সর্বশেষ উৎপন্ন দ্রব্যের নিয়মিত ভৌত এবং রাসায়নিক পরীক্ষণের পর্যাপ্ত সুবিধাদি বজায় রাখিবে:তবে শর্ত থাকে যে, লাইসেন্সকৃত কারখানাতে এইরূপ কোন স্থানে বিস্ফোরকের সুষ্ঠু মান ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিশ্চিত করিতে প্রয়োজন মনে করিলে প্রধান পরিদর্শক লাইসেন্সধারীকে লিখিতভাবে এইরূপ স্থানে অতিরিক্ত সুবিধাদির ব্যবস্থা করিতে যৌক্তিকতা বর্ণনাপূর্বক লিখিত আদেশ দিবেন।
১১৪। ব্যবহার অনুপযোগী বিস্ফোরক বিনষ্টকরণ:
(১) পরীক্ষাগার, প্রস্তুত কার্যে ব্যবহৃত ভবন ও উহাতে রক্ষিত যন্ত্রপাতি প্রতিটি শিফটের শেষে বা তৎপূর্বে সময়মত ঝাড় দিতে এবং পরিষ্কার করিতে হইবে এবং লাইসেন্সধারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত পদ্ধতিতে বিনষ্ট করিবার পূর্ব পর্যন্ত ঝাড় দেওয়া আবর্জনা ভালভাবে একটি নিরাপদ স্থানে সংগ্রহ এবং জমা করিয়া রাখিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীনে সংগৃহীত পদার্থ লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত একটি স্থানে একজন উপযুক্ত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে নিরাপদে ধ্বংস করিবার পর্যাপ্ত সুবিধাদি থাকিবে।

১১৫। বিস্ফোরক উৎপাদন বন্ধকরণ:
বিস্ফোরক উৎপাদনকালে কোন পদ্ধতি যদি যথেষ্ট নিরাপদ মনে না হয় অথবা বিস্ফোরকের উপাদানের প্রকৃতির পরিবর্তনজনিত কারণে বা অন্য কারণে বিস্ফোরকসমূহ মজুদ, পরিবহন অথবা ব্যবহারের সময় বিস্ফোরকের কার্যকারিতা যদি নিরাপদ মনে না হয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া বা উপাদানের পরিবর্তন প্রধান পরিদর্শকের সন্তুষ্টি অনুযায়ী না হয় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না উৎপাদন প্রক্রিয়া বা উপাদান সংশোধন করা হয় ততক্ষণ পর্যন্ত উৎপাদন প্রক্রিয়া বন্ধ করিতে লাইসেন্সধারীকে লিখিত আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
১১৬। প্রাধিকারভুক্ত বিস্ফোরকের তালিকা হইতে বাদ দেওয়া:
প্রধান পরিদর্শক যদি বিধি ১১৫ অনুসারে কোন বিস্ফোরক প্রস্তুত প্রক্রিয়া বন্ধ করেন অথবা একটানা দুই বৎসর যাবৎ কোন বিস্ফোরকের প্রস্তুতি অব্যাহত না থাকে তবে প্রধান পরিদর্শক এইরূপ বিস্ফোরক প্রাধিকারভুক্ত বিস্ফোরকের তালিকা হইতে বাদ দিতে পারিবেন।
১১৭। রেকর্ড সংরক্ষণ:
লাইসেন্সধারী একটি নির্ধারিত ফরমে কারখানায় হালনাগাদ রেকর্ড রাখিবেন যাহা প্রয়োজনে পরিদর্শনকারী কর্মকর্তার নিকট উপস্থাপন করিবেন। এইরূপ রেকর্ড কমপক্ষে দুই বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে।
সাধারণ অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
সাধারণ অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার
১১৮। অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স:
(১) কোন ব্যক্তি এই বিধিমালার বিধানাবলি এবং উহার অধীনে মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের শর্ত পরিপালন ব্যতীত কোন বিস্ফোরক অধিকারে রাখিতে, বিক্রয় অথবা ব্যবহার করিতে পারিবেন না।
(২) লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার সংক্রান্ত সব ধরনের কার্যাবলির জন্য লাইসেন্সধারী দায়ী হইবেন।
![সাধারণ অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১১৮-১৩৩]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
১১৯। কতিপয় ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিকারে রাখা এবং বিক্রয়ের জন্য লাইসেন্সের প্রয়োজন নাই:
(১) বিধি ১১৮ এ যাহাই থাকুক না কেন, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোন বিস্ফোরক অধিকারে রাখার ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রয়োজন হইবে না, যথাঃ
(ক) বিস্ফোরক পরিবহন সংক্রান্ত চতুর্থ অধ্যায়ের বিধানাবলি অনুসারে পরিবহনের উদ্দেশ্যে কোন বাহনে অথবা কোন ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে অধিকারে রাখা হইলে; অথবা
(খ) কোন ব্যক্তির অধিকারে রাখা হইলে অনধিক ২৫ কেজি প্রস্তুতকৃত আতশবাজি : তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত পরিমাণ আতশবাজি
(অ) অবিলম্বে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কিন্তু বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে নহে এবং স্বল্পতম সময় উহা অধিকারে রাখা যাইতে পারে এবং এইরূপ অধিকারে রাখিবার মেয়াদ ১৪ দিনের অধিক হইবে না; এবং
(আ) বিস্ফোরক যথোপযুক্ত মজবুত পাত্রে রাখিতে হইবে এবং পাত্রটি উত্তমরূপে বন্ধ করিয়া এমন নিরাপদ স্থানে রাখিতে হইবে যাহাতে অননুমোদিত কোন ব্যক্তি উহার নাগাল না পায়; অথবা
(গ) আইন ও বিধিমালার অন্যান্য বিধানাবলি পরিপালন সাপেক্ষে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অন্য কাহারো নিকট বিক্রয় বা হস্তান্তর করার উদ্দেশ্যে ব্যতীত রেলওয়ে, রেললাইন বা সুড়ঙ্গপথে মেরামত এবং সংরক্ষণ সংক্রান্ত কাজে ফ্লেয়ার লাইট বা অন্য কোন বিস্ফোরক নিজ ব্যবহারের উদ্দেশ্যে অধিকারে রাখা;
(ঘ) বিক্রয়ের উদ্দেশ্য ব্যতীত এককভাবে এয়ারক্রাফটের ন্যাভিগেশনের প্রয়োজনে কোন বিস্ফোরক এয়ারক্রাফটে ব্যবহারের জন্য অথবা অন্য কোন এয়ারক্রাফট বা এরোড্রামে বিতরণের উদ্দেশ্যে কোন এয়ারক্রাফটে রাখা হইলে অথবা কোন বিস্ফোরক এরোড্রামে ব্যবহারের জন্য অথবা অন্য কোন এয়ারক্রাফট বা এরোড্রামে বিতরণের উদ্দেশ্যে কোন এরোড্রামে রাখা হইলে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত বিস্ফোরক কোন এয়ারক্রাফটে রাখা হইলে উহার সর্বোচ্চ পরিমাণ ২৫ কেজির অধিক হইবে না এবং কোন এরোড্রামে রাখা হইলে সর্বোচ্চ পরিমাণ ৫০ কেজির অধিক হইবে না: আরও শর্ত থাকে যে, দফা (খ) এর বিধান সাপেক্ষে, জন-নিরাপত্তার প্রয়োজনে সরকার কোন বিস্ফোরক অধিকারে রাখিতে নিষেধাজ্ঞা জারী করিতে অথবা লাইসেন্স ব্যতীত কোন বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করিতে পারিবে।
(২) বিধি ১১৮ এ যাহাই থাকুক না কেন, সশস্ত্র বাহিনী, কোন অর্ডন্যান্স কারখানা অথবা এইরূপ বাহিনীর অন্য কোন সংস্থা কর্তৃক কোন বিস্ফোরক প্রস্তুত করা হইলে, উক্ত বিস্ফোরকের শ্রেণী এবং পরিমাণের জন্য প্রযোজ্য এই বিধিমালার অধীনে মঞ্জুরীকৃত বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার বৈধ লইসেন্সধারীর নিকট প্রস্তুতকৃত উক্ত বিস্ফোরক বিক্রয়ের জন্য কোন লাইসেন্সের প্রয়োজন হইবে না।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
১২০। একমাত্র লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক অধিকারে রাখা:
(১) কোন লাইসেন্সধারী বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার জন্য এই বিধিমালার অধীনে একমাত্র লাইসেন্সকৃত নির্দিষ্ট প্রাঙ্গণ ব্যতীত অন্যত্র বিস্ফোরক মজুদ করিতে পারিবেন না।
(২) প্রত্যেক ম্যাগাজিন বা স্টোর হাউজে তফসিল ৮ এ উল্লিখিত প্রযোজ্য নির্দেশাবলি টাঙাইয়া রাখিতে হইবে।
১২১। বজ্র-বিদ্যুৎ হইতে সুরক্ষা:
(১) সঠিক প্রকৌশলগত মান অনুযায়ী ডিজাইনকৃত ও নির্মিত এক বা একাধিক বজ্রবহ প্রত্যেক ম্যাগাজিনের সহিত সংযুক্ত থাকিবে।
(২) একজন যোগ্য বিদ্যুৎ প্রকৌশলী দ্বারা বা প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের অফিস হইতে এই সম্পর্কিত যোগ্যতার সনদধারী অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তির সাহায্যে ম্যাগাজিনের ভূ-প্রান্তে বজ্রবহের ভূ-সংযোগ এবং বিভিন্ন অংশের সংযোগসমূহ প্রতি ১২ মাসে অন্তত একবার পরীক্ষা করাইতে হইবে। বজ্রবহ পরিমাপের ফলাফল এবং সর্বশেষ পরীক্ষার তারিখ সম্বলিত সনদপত্র ম্যাগাজিনে সহজে দৃশ্যমান স্থানে ঝুলাইয়া রাখিতে হইবে।
১২২। বজ্রপাতকালে সতর্কতা:
কোন ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজের সন্নিকটে বজ্রপাতের সম্ভাবনা দেখা দিলে ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজে উপস্থিত অথবা কর্তব্যরত প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিরাপদ দূরত্বে সরাইয়া নিতে হইবে এবং বজ্রপাত না থামা পর্যন্ত অথবা আতংক না কমা পর্যন্ত উক্ত ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখিতে হইবে।
১২৩। ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা:
(১) বিস্ফোরক মজুদের জন্য ব্যবহৃত প্রত্যেক ভবন এর কক্ষের অভ্যন্তর এবং উক্ত ভবন ও কক্ষে স্থাপিত সকল ব্যবহৃত তাক এবং অন্যান্য ফিটিংসমূহ এমনভাবে নির্মিত অথবা আবৃত থাকিবে যেন কোন উন্মুক্ত লোহা বা স্টীল বা পৃথক কোন গ্রীল, লোহা বা স্টীল অথবা অনুরূপ কোন সামগ্রী উক্তরূপ বিল্ডিংয়ে মজুদকৃত বিস্ফোরকের সংস্পর্শে আসিতে না পারে এবং ভবনের অভ্যন্তরে বিদ্যমান উক্তরূপ বেঞ্চ, তাক এবং অন্যান্য ফিটিংস যথাসম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ধূলিকণামুক্ত রাখিতে হইবে।
(২) প্রত্যেকটি ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজের প্রবেশ পথের নিকটে কমপক্ষে ১৫ সে.মি. গভীরতা বিশিষ্ট সিমেন্টের তৈরি উন্মুক্ত একটি পাত্র থাকিবে যাহাতে পরিষ্কার পানি ভর্তি করিয়া রাখিতে হইবে এবং ধূলা বালি অপসারণের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তি উক্ত পাত্রে মজুদকৃত পানি দ্বারা তাহার পা অথবা পায়ে পরিহিত রাবারের জুতা পরিষ্কার না করিয়া কোন মাগাজিনে অথবা স্টোর হাউজে প্রবেশ করিতে পারিবে না।
(৩) বিস্ফোরক মজুদে ব্যবহৃত ম্যাগাজিন বা বিস্ফোরক মজুদাগারের মধ্যে তৈলাক্ত তুলা, ছেঁড়া কাপড়, চট, তৈলাক্ত বর্জ্য অথবা প্রজ্বলনে সহায়ক কোন বস্তু আনা যাইবে না।
১২৪। রেকর্ড সংরক্ষণ:
এই বিধিমালার অধীনে বিস্ফোরক অধিকারে রাখা, বিক্রয় করা এবং অথবা ব্যবহারের জন্য এই বিধিমালার অধীনে মঞ্জুরীকৃত প্রত্যেক লাইসেন্সধারী নির্ধারিত ফরমে রেকর্ড সংরক্ষণ করিবেন এবং উক্ত রেকর্ড কোন পরিদর্শনকারী কর্মকর্তাকে চাহিবামাত্র দেখাইবেন।
১২৫। লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ মেরামতকরণ:
কোন ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ অথবা বিস্ফোরক মজুদের জন্য ব্যবহৃত উক্ত ম্যাগাজিন বা স্টোর হাউজের কোন অংশ মেরামতের পূর্বে উহাতে মজুদকৃত বিস্ফোরক অপসারণ করিয়া ভালভাবে ধৌত করিয়া পরিষ্কার করিতে হইবে।
১২৬। বিপজ্জনক পদার্থ প্রবেশে বাধা-নিষেধ:
লাইসেন্সধারী অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত বিস্ফোরক ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজের দায়িত্বে সাময়িকভাবে নিয়োজিত এজেন্ট উক্ত ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজে কর্মরত ব্যক্তিরা যাহাতে ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজে কোন বিপজ্জনক পদার্থ নিয়া আসিতে না পারে উহার জন্য অনুসন্ধানের ব্যবস্থা করিতে এবং ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজে কর্মরত ব্যক্তিদের পকেটবিহীন বিশেষ পোশাক এবং যথোপযুক্ত জুতা পরিধানের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
১২৭। প্রাঙ্গণ তালাবদ্ধ রাখা:
(১) লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ মালামাল মজুদ করিবার এবং অপসারণের সময় ব্যতীত সর্বদা ইহা নিরাপদভাবে তালাবদ্ধ রাখিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, প্রয়োজনে দায়িত্বশীল ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে প্রাঙ্গণ খোলা রাখা যাইবে।
(২) লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিনের চাবি সর্বদা লাইসেন্সধারী অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের হেফাজতে নিরাপদে রাখিতে হইবে এবং কোন পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা উক্ত ম্যাগাজিন পরিদর্শন করিতে চাহিলে উহা অবশ্যই খুলিয়া পরিদর্শনের সুযোগ দিতে হইবে। যে ব্যক্তির নিকট ম্যাগাজিনের চাবি থাকিবে তাঁহার নাম ও ঠিকানা লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট বিস্ফোরক পরিদর্শকের হেফাজতে থাকিতে হইবে।
১২৮। প্রহরী নিয়োগ:
(১) লাইসেন্সধারী তাহার নিজ খরচে ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ সর্বক্ষণ নিরাপদ তত্ত্বাবধানে রাখিবার উদ্দেশ্যে জেলা কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত বিবেচনা করেন এমন ভাল স্বাস্থ্যের অধিকারী প্রহরী নিয়োগ করিবেন।
(২) লাইসেন্সধারী ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজের নিকটে প্রহরীর জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করিয়া দিবেন।
১২৯। পুনঃপ্যাকিং অথবা প্যাকেজ খোলা:
(১) ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজে বিস্ফোরক ধারণকৃত কোন প্যাকেজ খোলা যাইবে না।
(২) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নিরাপদ দূরত্বে অবস্থিত সিমেন্ট দ্বারা নির্মিত মসৃণ মেঝেবিশিষ্ট উন্মুক্ত শেডে প্রয়োজনবোধে বিস্ফোরক পুনঃপ্যাকিং করা যাইবে।
১৩০। বিনষ্ট বাক্সে বিস্ফোরক রাখা যাইবে না:
প্রত্যেকটি ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজের লাইসেন্সধারী, বিস্ফোরক উহার মূল প্যাকেটে রাখা হইয়াছে মর্মে নিশ্চিত হইবেন। কোন বিস্ফোরক ধারণকৃত মূল প্যাকেট বিনষ্ট হইয়া গেলে ইহা মজুদ অথবা পরিবহন করা যাইবে না; উক্তরূপ বিস্ফোরক পুনঃপ্যাক করিবার পূর্বে অবশ্যই কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক পরীক্ষা করাইতে হইবে।

১৩১। লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অধিক বিস্ফোরক মজুদকরণ:
(১) লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজে লাইসেন্সে উল্লিখিত পরিমাণের অধিক কোন ধরনের বিস্ফোরক মজুদ করা যাইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহাই থাকুক না কেন, প্রধান পরিদর্শক যদি মনে করেন যে, ফরম ২২, ফরম ২৩ এবং ফরম ২০ এ উল্লিখিত লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অধিক পরিমাণ বিস্ফোরক মজুদকরণ অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে অপরিহার্য তাহা হইলে তিনি উল্লিখিত ফরমের লাইসেন্সধারীকে নির্ধারিত ফি প্রাপ্তি সাপেক্ষে লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অধিক পরিমাণ বিস্ফোরক মজুদকরণের একটি পারমিট প্রদান করিতে পারিবেন যাহার মেয়াদ ৩০ (ত্রিশ) দিনের অধিক হইবে না:তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) লাইসেন্সে উল্লিখিত পরিমাণের সহিত অতিরিক্ত বিস্ফোরক যোগ হওয়ার পর মোট পরিমাণের জন্য ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজের চতুর্দিকে প্রয়োজনীয় নিরাপদ দূরত্ব বজায় না থাকিলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত অতিরিক্ত বিস্ফোরক মজুদের জন্য অনুমতি প্রদান করিবেন না;
(খ) ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ অথবা প্রত্যেক প্রকার বিস্ফোরক মজুদের জন্য নির্ধারিত কক্ষের চতুর্দিকে প্রার্থিত অতিরিক্ত পরিমাণসহ মোট পরিমাণ বিস্ফোরক মজুদের জন্য পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় না থাকিলে লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অতিরিক্ত বিস্ফোরক মজুদের অনুমতি প্রদান করা যাইবে না।
(৩) অতিরিক্ত বিস্ফোরক মজুদের একই ধরনের প্রস্তাব বার বার দাখিল করা হইলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করিতে পারিবে।
(৪) লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে জারিকৃত পত্র অথবা টেলিগ্রাম ব্যতীত লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অতিরিক্ত বিস্ফোরক কোন ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজে মজুদ করা যাইবে না।
১৩২। লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অতিরিক্ত প্রস্তুতকৃত আতশবাজি অস্থায়ীভাবে অধিকারে রাখিবার পারমিট:
একজন লাইসেন্সধারীকে ফরম ২৪ এ লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অতিরিক্ত আতশবাজি অধিকারে রাখিবার একটি অনুমতি প্রদান করা যাইতে পারে। তবে মজুদ করিবার অনুমতির জন্য প্রার্থিত আতশবাজির মোট পরিমাণ ১২৫ কেজির অতিরিক্ত হইবে না এবং উক্ত পরিমাণ আতশবাজি মজুদের মেয়াদ একনাগাড়ে ১৫ দিনের অধিক হইবে না: তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) সর্বাধিক পরিমাণ আতশবাজি অধিকার রাখিবার ক্ষেত্রে উপরে বর্ণিত বিধানাবলি প্রতিপালন ছাড়াও লাইসেন্সের শর্তাবলি এবং প্রযোজ্য বিধিসমূহ লংঘন করা যাইবে না;
(খ) অতিরিক্ত মজুদের জন্য আবেদনকারী নির্ধারিত ফি প্রদান করিবেন।
১৩৩। নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ক্রয়কৃত বিস্ফোরকের পরিমাণ:
একজন লাইসেন্সধারী লাইসেন্সে উল্লিখিত পরিমাণ বিস্ফোরক ‘নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ক্রয় করিতে পারিবেন।
ম্যাগাজিন অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
ম্যাগাজিন অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার
১৩৪। ম্যাগাজিনে বিস্ফোরক মজুদ:
(১) কোন বিস্ফোরক ম্যাগাজিনে মজুদ করা হইলে উহা তফসিল ৬ এ বর্ণিত বিনির্দেশনা অনুসারে নির্মিত ‘ক’ অথবা ‘খ’ ধরনের ম্যাগাজিনে মজুদ করিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, তৈল, গ্যাস ও খনিজ অনুসন্ধানের জন্য সাইসমিক জরিপ অথবা সাময়িক কোন কাজে বিস্ফোরক মজুদ করিবার প্রয়োজন হইলে প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত ধরনের পিট (Pit) ম্যাগাজিনে অথবা অন্য কোন ম্যাগাজিনে বিস্ফোরক মজুদ করা যাইতে পারে।
(২) প্রতিটি ম্যাগাজিনের ভিতরে সহজে নজরে আসে এমন স্থানে তফসিল ৮ এর নির্দেশাবলি টানাইয়া রাখিতে হইবে।
![ম্যাগাজিন অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৩৪-১৩৭]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
১৩৫। ‘খ’ ধরনের ম্যাগাজিন ব্যবহারে বাধা-নিষেধঃ
নির্দিষ্ট কোন উদ্দেশ্যে অস্থায়ী মেয়াদের জন্য ব্যবহারের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক মজুদের জন্য ‘খ’ ধরনের ম্যাগাজিন ব্যবহার করিতে হইবে এবং উক্তরূপ ম্যাগাজিন বিস্ফোরক বিক্রয়ের জন্য ব্যবহার করা যাইবে না।
![ম্যাগাজিন অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৩৪-১৩৭]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
১৩৬। ম্যাগাজিনের চতুর্দিকে প্রাচীর নির্মাণ:
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করিলে তাঁহার নির্দেশে নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে ম্যাগাজিনের চতুর্দিকে দৃঢ় প্রাচীর নির্মাণ করিতে হইবে যাহার ধরন লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে এবং উক্তরূপ প্রাচীর দ্বারা ম্যাগাজিনকে কার্যকরভাবে নিরাপদ রাখিবার উদ্দেশ্যে প্রাচীর সর্বদা ভাল অবস্থায় রাখিতে হইবে।
![ম্যাগাজিন অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৩৪-১৩৭]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
১৩৭। ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ একতলা ভবনে থাকিবে:
কোন ম্যাগাজিন অথবা স্টোর হাউজ কেবলমাত্র একতলা ভবনের ভূ-পৃষ্ঠের লেভেলে নির্মিত হইতে হইবে।
স্টোর হাউজ অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
![স্টোর হাউজ অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৩৮-১৩৯]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
স্টোর হাউজ অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার
১৩৮। মজুদকরণে বাধা-নিষেধ:
আতশবাজি এবং সেফটি ফিউজ ব্যতীত কোন বিস্ফোরক কোন স্টোর ‘হাউজে মজুদ করা যাইবে না।

১৩৯। স্টোর হাউজ নির্মাণ:
(১) স্টোর’ হাউজ উত্তমরূপে এবং মজবুতভাবে ইট, পাথর এবং কংক্রীট দ্বারা নির্মাণ করিতে এবং উহা বন্ধ রাখিতে হইবে যাহাতে অননুমোদিত কোন ব্যক্তি প্রবেশ করিতে না পারে এবং বাহির হইতে অগ্নিসৃষ্ট কোন বিপদ হইতে নিরাপদ থাকে। স্টোর ‘হাউজে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(২) কোন ভবনের এক অংশ স্টোর’ হাউজ এবং অন্য অংশ অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হইলে অংশদ্বয় যথোপযুক্ত অগ্নিনিরোধী পার্টিশন দ্বারা পৃথককৃত থাকিবে এবং ভবনটির দেয়াল, মেঝে, ছাদ এবং দরজা-জানালাসমূহ অগ্নিনিরোধী বস্তু দ্বারা নির্মিত হইতে হইবে। উক্তরূপ স্টোর ‘হাউজে ১৫০ কেজির অধিক আতশবাজি অথবা ৫০,০০০ মিটারের অধিক সেফটি ফিজউ মজুদ করা যাইবে না এবং উক্তরূপ স্টোর ‘হাউজে স্বতন্ত্র প্রবেশপথ রাখিতে হইবে। অগ্নিকাণ্ড অথবা অন্য কোন দুর্ঘটনা প্রতিরোধের স্বার্থে লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ মনে করিলে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
উক্তরূপ স্টোর’ হাউজ বিস্ফোরক অথবা প্রজ্বলনীয় পদার্থ অথবা অন্য কোন বিপজ্জনক পদার্থের মজুদ প্রাঙ্গণ হইতে কমপক্ষে ১৫ মিটার দূরে থাকিবে এবং উহা বিস্ফোরক বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত হইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, একই সময়ে অনূর্ধ্ব ১২.৫ কেজি ১ম বা ৭ম শ্রেণীভুক্ত বিস্ফোরক তৈরির জন্য লাইসেন্সকৃত কারখানা প্রাঙ্গণে প্রস্তুতকৃত বিস্ফোরক বিক্রয়ের জন্য উক্তরূপ স্টোর ‘হাউজ ব্যবহার করা যাইবে। সেইক্ষেত্রে উক্তরূপ স্টোর ‘হাউজ অবশ্যই লাইসেন্সকৃত কারখানা প্রাঙ্গণে অবস্থিত হইতে হইবে।
ফরম ২৪ এর অধীন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্র অস্ত্রে ব্যবহৃত নাইট্রোযৌগ, আতশবাজি এবং সেফটি ফিউজ অধিকারে রাখা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
ফরম ২৪ এর অধীন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্র অস্ত্রে ব্যবহৃত নাইট্রোযৌগ, আতশবাজি এবং সেফটি ফিউজ অধিকারে রাখা
১৪০। প্রাঙ্গণ নির্মাণ:
(১) প্রাঙ্গণের ভিতরে ইট, পাথর এবং কংক্রীট দ্বারা নির্মিত ভবনে বিস্ফোরক মজুদ করিতে হইবে এবং উহা বন্ধ করিয়া এমনভাবে নিরাপদ রাখিতে হইবে যেন উহাতে অননুমোদিত কোন ব্যক্তি প্রবেশ করিতে না পারে। এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের প্রতি নজর রাখিতে হইবে, যথা:
(ক) প্রাঙ্গণের মেঝের ক্ষেত্রফল কমপক্ষে ৯ বর্গমিটার হইতে হইবে;
(খ) প্রাঙ্গণে প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার স্বতন্ত্র পথ থাকিবে;
(গ) অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য নির্মিত কোন ভবনের মধ্যে বিস্ফোরক মজুদের প্রাঙ্গণ স্থাপন করা হইলে উক্তরূপ প্রাঙ্গণ সিঁড়ির নিচে অবস্থিত হইবে না; উহা এমনস্থানে অবস্থিত হইবে যাহাতে অগ্নিকাণ্ড অথবা অন্য কোন দুর্ঘটনার সময় মূল ভবনে যাতায়াতের পথে উক্ত প্রাঙ্গণ কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিতে না পারে;
(ঘ) প্রাঙ্গণটি ভূ-পৃষ্ঠের লেভেলে অবস্থিত হইবে।

১৪১। আতশবাজির ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন:
(১) এই বিধিমালার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, সামগ্রী প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত দোকানের জানালায় কোন আতশবাজি রাখা যাইবে না।
(২) দোকানে স্ফুলিঙ্গ নিরোধী পাত্রে আতশবাজি রাখিতে হইবে অথবা মূল প্যাকেট মোড়ক আবৃত রাখিয়া এমনভাবে সীলগালা করিতে হইবে যাহাতে উহা ভাল এবং কার্যকর থাকে।
(৩) আতশবাজি ধারণকৃত প্যাকেট বা পাত্র দোকানের গমনাগমনের পথ হইতে দূরে এবং প্রজ্বলনীয় বা দাহ্য পদার্থ হইতে আলাদা রাখিতে হইবে।
(৪) বিক্রির জন্য আতশবাজির প্যাকেট খোলা হইলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার, ধূলা, অগ্নি এবং স্ফুলিঙ্গ নিরোধী পাত্রে আতশবাজি রাখিতে হইবে। (৫) আতশবাজি রাখিবার পাত্রের জন্য নিম্নোক্ত শর্ত পালন করিতে হইবে, যথাঃ
(ক) আতশবাজি ধারণপাত্র হিসাব ব্যবহার ছাড়া অন্যভাবে ব্যবহার করা যাইবে না;
(খ) আতশবাজি ভর্তি অথবা উহা হইতে আতশবাজি বাহির করিবার সময় ব্যতীত উহা খোলা যাইবে না;
(গ) সর্বদা উহা পরিষ্কার এবং ধূলা-ময়লা মুক্ত রাখিতে হইবে;
(ঘ) কোন দেয়াশলাই রাখা যাইবে না; এবং
(ঙ) কৃত্রিম আলো বা অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সৃষ্টিকারী কোন সরঞ্জাম রাখা যাইবে না।

১৪২। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা:
নাইট্রোযৌগ দ্বারা প্রস্তুতকৃত বিস্ফোরক, আতশবাজি অথবা সেফটি ফিউজ মজুদ এবং বিক্রয়ের জন্য ফরম ২৪ এ লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণ, উক্তরূপ প্রাঙ্গণ অথবা অনুরূপ বিস্ফোরক, প্রজ্বলনীয় অথবা বিপজ্জনক পদার্থ মজুদের অন্য কোন প্রাঙ্গণ হইতে কমপক্ষে ১৫ মিটার দূরে থাকিবে।

১৪৩। অন্যান্য সামগ্রী বিক্রয় নিষিদ্ধ:
যে প্রাঙ্গণে ক্ষুদ্র অস্ত্রে ব্যবহৃত নাইট্রোযৌগ দ্বারা প্রস্তুতকৃত বিস্ফোরক এবং আতশবাজি অথবা সেফটি ফিউজ মজুদ করা হয়, সেই প্রাঙ্গণ একমাত্র উক্তরূপ বিস্ফোরক অধিকারে রাখা এবং বিক্রয়ের জন্য ব্যবহার ব্যতীত অন্য কোন কাজে ব্যবহার করা যাইবে না।
বিস্ফোরক বিক্রয় অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
বিস্ফোরক বিক্রয় অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার
১৪৪। লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক বিক্রয়:
এই বিধিমালার অধীনে লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণ ব্যতীত অন্য কোন প্রাঙ্গণে কোন ব্যক্তি বিস্ফোরক বিক্রয় করিতে পারিবেন না।
![বিস্ফোরক বিক্রয় অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৪৪-১৪৮]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
১৪৫। চিহ্ন বিকৃতকরণ বা বিলুপ্তকরণ নিষিদ্ধ:
বিস্ফোরক ‘বিক্রয়কারী ব্যক্তি বিস্ফোরক অথবা উহার প্যাকেটের উপর মুদ্রিত চিহ্ন বিকৃত বা বিলুপ্ত করিতে পারিবেন না।
১৪৬। বিস্ফোরক বিক্রয়ে বাধা-নিষেধঃ
(১) এই বিধিমালার অধীনে বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইলে তাহার নিকট কোন ব্যক্তি বিস্ফোরক’ বিক্রয় করিতে পারিবেন না।
(২) কোন ব্যক্তি ত্রুটিপূর্ণ বা মেয়াদ উত্তীর্ণ কোন বিস্ফোরক’ বিক্রয়, হস্তান্তর করিতে বা করাইতে পরিবেন না।
(৩) কোন লাইসেন্সধারীর নিকট অন্য কোন লাইসেন্সধারী বিস্ফোরক ‘বিক্রয় করিলে ফরম ৩৩ এ বিক্রয় সংক্রান্ত মন্তব্য বর্ণিত থাকিবে।
![বিস্ফোরক বিক্রয় অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৪৪-১৪৮]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
১৪৭। বিক্রয়ের জন্য বিস্ফোরক উন্মুক্ত অবস্থায় না রাখা:
বিস্ফোরক কোন জনপথ, রাজপথ অথবা জনসমাগমস্থলে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ফেরী করা অথবা উন্মুক্ত অবস্থায় রাখা যাইবে না।

১৪৮। ক্ষুদ্র প্যাকেট পরিষ্কারভাবে চিহ্নিতকরণ:
কোন বিস্ফোরক, যতদূর সম্ভব, মূল প্যাকেটে প্যাককৃত অবস্থায় বিক্রয় করিতে হইবে। মূল প্যাকেটে প্যাককৃত অবস্থায় রক্ষিত পরিমাণের চেয়ে কম পরিমাণ বিস্ফোরক কোন ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করিতে হইলে উক্ত পরিমাণ বিস্ফোরক যথাযথভাবে এবং নিরাপদে মজবুতভাবে প্যাক করিতে হইবে এবং পরিষ্কারভাবে নিম্নোক্ত তথ্যাদি প্যাকেটের গায়ে সহজে পড়া যায় এমন স্থানে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে, যথা:
(ক) বিস্ফোরকের নাম;
(খ) ১ম তফসিল অনুসারে বিস্ফোরকের শ্রেণী এবং বিভাগ;
(গ) প্যাককৃত বিস্ফোরকের পরিমাণ;
(ঘ) যে ম্যাগাজিন হইতে বিস্ফোরক সরবরাহ এবং প্যাক করা হইয়াছে উহার লাইসেন্স নম্বর;
(ঙ) বিস্ফোরক প্যাককারী ব্যক্তির নাম;
(চ) প্যাকিংয়ের তারিখ;
(ছ) আমদানিকারকের নাম।
বিস্ফোরকের ব্যবহার অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
বিস্ফোরকের ব্যবহার অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার
১৪৯। যোগ্য ব্যক্তি নিয়োগকরণ:
কোন ব্যক্তি ব্লাস্টিংয়ের জন্য বিস্ফোরক ব্যবহার বা হ্যান্ডলিং করিবেন না, যদি না তিনি এই বিধিমালার অধীনে শট-ফায়ারের পারমিটপ্রাপ্ত কোন যোগ্য শট-ফায়ারার এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন।
![বিস্ফোরকের ব্যবহার অধিকারে রাখা, বিক্রয় এবং ব্যবহার । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৪৯-১৫৮]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
১৫০। চার্জ প্রস্তুতকরণে বাধা-নিষেধঃ
(১) এক শ্রেণীর বিস্ফোরককে অন্য শ্রেণীর বিস্ফোরকে পরিবর্তন করা যাইবে না এবং কোন বিস্ফোরককে উহার উপাদানে বিশ্লেষণ করা বা ধ্বংস করা যাইবে না।
(২) দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় শ্রেণীর বিস্ফোরক মূল কার্টিজ প্যাকিংয়ে ব্যবহার করিতে হইবে এবং বিভিন্ন আকৃতির কার্টিজ তৈরির উদ্দেশ্যে বিস্ফোরক সংগ্রহের জন্য উক্তরূপ মূল কার্টিজ কাটা যাইবে না।
(৩) এই বিধিমালার বিধান সাপেক্ষে মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সধারী উক্তরূপ চার্জ প্রস্তুত করিবার জন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে পূর্বানুমোদন গ্রহণ করিবেন।
১৫১। ব্লাস্টিং সাইটে অথবা অন্য কোন স্থানে বিস্ফোরক পরিবহনে বাধা নিষেধ:
(১) স্বতন্ত্রভাবে বিস্ফোরক পরিবহনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কোন আবদ্ধ পাত্র অথবা উক্ত মূল প্যাকেটের মাধ্যমে একমাত্র লাইসেন্সকৃত কোন মজুদ প্রাঙ্গণ হইতে নিকটস্থ কোন স্থানে অথবা বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য সংরক্ষিত স্থানে বিস্ফোরক পরিবহন করা যাইবে।
(২) বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য সংরক্ষিত স্থান যথাযথভাবে প্রস্তুত না থাকিলে উক্ত স্থানের ৫০ মিটারের কম দূরত্বসীমার মধ্যে বিস্ফোরক আনা যাইবে না।
(৩) ব্লাস্টিংয়ের জন্য প্রয়োজনয় যন্ত্রপাতি অথবা সরঞ্জামাদি ব্যতীত অন্য কোন পদার্থ বিস্ফোরক পরিবহনকারী যানে বহন করা যাইবে না।
(৪) বিস্ফোরক যে লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণ হইতে ব্লাস্টিং সাইটে নেওয়া হইয়াছিল বিস্ফোরণ ঘটানোর পর দিনের শেষে বিস্ফোরকের অবশিষ্টাংশ লাইসেন্সকৃত উক্ত একই প্রাঙ্গণে ফেরত দিতে হইবে।
(৫) মূল প্যাকেটে প্যাককৃত বিস্ফোরক যে সকল পাত্রের মাধ্যমে বহন করা হইয়াছিল সেই পাত্রগুলোর ব্যবহার শেষ হইলে উহাদিগকে ভালভাবে ধৌত করিবার পর শুকাইয়া মুখ বন্ধ করিয়া রাখিতে হইবে। বিস্ফোরক বহন কার্যে ব্যবহৃতব্য পাত্রে মজবুত হাতল অথবা বহন পেটি লাগাইতে হইবে এবং সহজে পড়া যায় পাত্রের গায়ের এমন স্থানে ‘বিস্ফোরক’ শব্দ লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(৬) বিশেষ ধরনের বাহনে ডেটোনেটর বহন করিতে হইবে। ডেটোনেটরের সহিত অন্য কোন বিস্ফোরক, ব্যাটারী, ড্রাইসেল এবং বিদ্যুৎ শক্তির অন্য কোন উৎস ডেটোনেটর বহনকারী যানে পরিবহন করা যাইবে না।
১৫২। ব্যবহারের পূর্বে বিস্ফোরক পরীক্ষাকরণ:
(১) বিস্ফোরক ব্যবহারের পূর্বে উহা ত্রুটিপূর্ণ কি না চাক্ষুষভাবে পরীক্ষা- নিরীক্ষা করিতে হইবে যাহাতে ত্রুটিপূর্ণ বিস্ফোরক ব্যবহার করা না হয়।
(২) কোন বিস্ফোরকে কোন ধরনের মান অবনতির লক্ষণ পরিলক্ষিত হইলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে তৎক্ষণাৎ অবহিত করিতে হইবে এবং উক্তরূপ ত্রুটিপূর্ণ বিস্ফোরক লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিবার জন্য এক পার্শ্বে পৃথক করিয়া রাখিতে হইবে।
(৩) জলীয় বাষ্পের কারণে বারুদ জমাট বাধিতে দেখা গেলে উহা ব্যবহার করা যাইবে না।
(৪) ঠাণ্ডায় জমাট বাঁধা নাইট্রো-গ্লিসারিন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে গলানোর ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত উক্ত বিস্ফোরক ব্যবহার করা যাইবে না। যে স্থানে ঠাণ্ডায় অতি সহজে কোন বিস্ফোরক জমাট বাঁধিয়া যায় সেখানে নিম্ন গলনাঙ্ক বিশিষ্ট বিস্ফোরক ব্যবহার করিতে হইবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
১৫৩। সাইটে সতর্কতা অবলম্বনঃ
(১) বিস্ফোরক চার্জিংয়ের পূর্বে ব্লাস্টিং সাইটে যতদূর সম্ভব সকল বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করিতে হইবে।
(২) লাইসেন্স প্রধানকারী কর্তৃপক্ষ ভিন্নমত পোষণ না করিলে বিস্ফোরক চার্জিং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ব্যতীত অন্য কোন কাজ পিটের অবস্থানের ১০ মিটারের মধ্যে করা যাইবে না।
(৩) চার্জিং সম্পন্নের পর অবশিষ্ট বিস্ফোরক, ডেটোনেটর এবং ফিউজ পিটের নিকট হইতে সরাইয়া ফেলিতে হইবে এবং এমন নিরাপদ দূরত্বে রাখিতে হইবে যাহাতে পিটে চার্জ ডেটোনেটিংয়ের সময় উহা আবেশিত হইয়া ডেটোনেশন হইতে না পারে।
(৪) ব্লাস্টিং সম্পূর্ণ না করা পর্যন্ত চার্জকৃত বিস্ফোরক ধারণকৃত পিট প্রহরীবিহীন অবস্থায় ফেলিয়া রাখা যাইবে না।
(৫) ট্যাম্পিং এবং গতিরোধক স্থাপন করিবার সময় ডেটোনেটর সংযুক্ত ফিউজ এবং অন্যান্য তার যাহাতে নষ্ট না হয় সেই ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করিতে হইবে।
১৫৪। যথোপযুক্ত সতর্কীকরণ পদ্ধতি পরিচালনা অব্যাহত রাখাঃ
লাইসেন্সধারী অথবা লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের দায়িত্বে তৎকর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য ব্যক্তি প্রাঙ্গণে সর্বদা সতর্কীকরণ পদ্ধতি পরিচালনা অব্যাহত রাখিবেন এবং উক্তরূপ পদ্ধতিতে সতর্কীকরণ চিহ্ন এবং শ্রবণযোগ্য সংকেত ব্যবহার করিতে হইবে এবং লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ সতর্কীকরণ চিহ্ন এবং সংকেতের তাৎপর্যের সহিত সুপরিচিত থাকিবেন।
১৫৫। ফায়ারিংকালে সতর্কতা অবলম্বনঃ
(১) জ্বালানোর পূর্বে সেফটি ফিউজের শেষ প্রান্ত মসৃণভাবে কাটিতে হইবে।
(২) এক্সপ্লোডারগুলি নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করিয়া দেখিতে হইবে যে, উহা ফায়ারিংয়ের জন্য উপযুক্ত কি না এবং উহাদিগকে ফায়ারিংয়ের উপযুক্ত রাখিবার ব্যবস্থা করিতে হইবে। একটি সার্কিটের নির্দিষ্ট ক্ষমতার অধিক মাত্রায় উহাতে ফায়ারিংয়ের জন্য কোন এক্সপ্লোডারে ব্যবহার করা যাইবে না।
(৩) ফায়ারিংয়ের পূর্বে কোন বৈদ্যুতিক সার্কিটের নিরবচ্ছিন্নতা পরীক্ষা করিতে হইবে। স্যুট ফায়ারার এবং তাহার সহকারী, যদি থাকে, ব্যতীত সকল ব্যক্তিকে সার্কিট নিরবচ্ছিন্নতা পরীক্ষাস্থল হইতে পরীক্ষার পূর্বেই সরাইয়া নিতে হইবে।
(৪) সংযোগ প্রদানের উদ্দেশ্যে সকল তার ও ক্যাবলের শেষ প্রান্তে ৫ সেন্টিমিটারে বিদ্যমান বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ অপসারণ করিয়া উক্ত অংশের কমপক্ষে ২.৫ সে.মি. ভালভাবে পরিষ্কার করিতে হইবে। অতঃপর পরিষ্কার করা ক্যাবলের উক্ত প্রান্তগুলি এমনভাবে একত্রে পেঁচাইতে হইবে, যাহাতে ধনাত্মক ধাতুর সংস্পর্শে থাকে।

১৫৬। স্ট্রে-কারেন্টের ব্যাপারে সতর্কতা:
যেখানে বিদ্যুৎচালিত সরঞ্জাম ব্যবহৃত হয়, সেইখানে বৈদ্যুতিক ফায়ারিং নিরাপদে সম্পন্ন হওয়া নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে নিরবচ্ছিন্ন বৈদ্যুতিক সংযোগ অথবা ধাতব সংযোগে স্ট্রে কারেন্ট পরীক্ষা করিতে হইবে।
১৫৭। ব্লাস্টিং অপারেশনের দায়িত্বে নিযুক্ত ব্যক্তির দায়িত্বঃ
লাইসেন্সধারী অথবা তৎকর্তৃক ব্লাস্টিং অপারেশনের জন্য নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত যোগ্য ব্যক্তি অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরক হইতে সৃষ্টি হইতে পারে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধকল্পে সকল ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করিবেন।
১৫৮। খনিতে ব্লাস্টিং অপারেশনঃ
The Mines Act, 1923 (IV of 1923) এর আওতাভুক্ত খনিতে ব্লাস্টিং অপারেশনের ক্ষেত্রে বিধি ১৫১, বিধি ১৫৩ হইতে বিধি ১৫৬ এর কোন বিধানই প্রযোজ্য হইবে না এবং উক্তরূপ অপারেশন উক্ত আইনের অধীনে প্রণীত বিধান অনুসারে পরিচালনা করিতে হইবে।
লাইসেন্স এর বিস্তারিত – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
লাইসেন্স এর বিস্তারিত
১৫৯। লাইসেন্সের জন্য দরখাস্ত:
(১) এই বিধিমালার অধীনে কোন লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়ন অথবা সংশোধনে আগ্রহী কোন ব্যক্তি এইরূপ লাইসেন্স মঞ্জুর, নবায়ন বা সংশোধন করিতে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদন দাখিল করিবেন।
(২) ক্ষেত্রমত লাইসেন্সধারী বা আবেদনকারী নিজে অথবা তৎকর্তৃক লিখিতভাবে মনোনীত ব্যক্তি আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করিবেন এবং শেষোক্ত ক্ষেত্রে উক্তরূপ মনোনয়নপত্র দরখাস্তের সহিত যুক্ত থাকিবে।
(৩) বিস্ফোরক উৎপাদনের লাইসেন্স মঞ্জুরের জন্য প্রতি আবেদনপত্রের সহিত নিম্নলিখিত কাগজপত্র অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথাঃ
(ক) ফরম ৩-এ দরখাস্ত;
(খ) যথাযথভাবে পূরণ ও সহিকৃত ফরম ১৫;
(গ) স্কেল অনুসারে অংকিত প্রস্তাবিত স্থাপনার নকশা। স্থানিক নকশায় (Site Plan) কারখানায় অথবা প্রাঙ্গণে পৌছানোর রাস্তার চিত্র ও দিক নির্দেশনা সম্পূর্ণরূপে প্রদর্শিত হওয়া বাঞ্ছনীয়;
(ঘ) অবস্থানের বর্ণনা, সকল ঢিবি ও ভবনের (উৎপাদন, অনুৎপাদন, মজুদাগার, প্রশাসনিক ইত্যাদি) বৈশিষ্ট্য ও নির্মাণের বর্ণনা এবং প্রতিটি ভবনের জন্য পালনীয় নিরাপত্তা দূরত্বের বর্ণনা;
(ঙ) প্রতি ভবন বা উহার কোন অংশে করণীয় কাজ/প্রক্রিয়ার বর্ণনা;
(চ) প্রতি ভবন বা উহার কোন অংশের প্লান্ট ও উপকরণ এবং উহাদের অবস্থানের একটি বর্ণনা;
(ছ) সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মিশ্রিত বিস্ফোরক উহার উপাদনসমূহ যাহা কোন ভবন অথবা যন্ত্রে কোন এক সময় রাখা হইবে উহার একটি বিবরণ;
(জ) প্রতি ভবনে নিযুক্ত করা হইবে এমন লোকের বিবরণ ও সর্বোচ্চ সংখ্যা;
(ঝ) কোন ভবন বা পূর্তকর্মের, অবস্থান বা নির্মাণ কাজ হইতে সৃষ্ট কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে আবেদনকারী কর্তৃক প্রস্তাবিত কোন বিশেষ নির্মাণাদির বর্ণনা;
(ঞ) নির্ধারিত নিরীক্ষণ ফি;
(ট) কোন কোম্পানির নামে লাইসেন্স মঞ্জুরের আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রে পরিচালকবৃন্দ ও অংশীদারগণের নাম ও ঠিকানা এবং আবেদনকৃত লাইসেন্সের ব্যাপারে পত্র যোগাযোগের জন্য মনোনীত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর।
(৪) বিস্ফোরক ব্যবহার বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অধিকারে রাখিবার লাইসেন্স মঞ্জুরের জন্য প্রত্যেক আবেদনপত্রে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথাঃ
(ক) ক্ষেত্রমতে ফরম ৪ অথবা ফরম ৫ দরখাস্ত;
(খ) যথাযথভাবে পূরণ ও সহিকৃত ফরম ১৫;
(গ) স্কেল অনুসারে অঙ্কিত প্রস্তাবিত প্রাঙ্গণের নকশা এবং এ প্রাঙ্গণের অবস্থান সম্বলিত স্থানিক চিত্রের নকশা। স্থানিক নকশায় সুস্পষ্টভাবে প্রাঙ্গণে পৌছানোর রোড নেটওয়ার্ক, নিকটবর্তী জমির সীমানা নির্দেশক চিহ্ন ও নিকটবর্তী অন্যান্য পূর্তকর্মের দূরত্ব প্রদর্শিত হইবে;
(ঘ) প্রাঙ্গণ এবং ঢিবি, যদি থাকে, এর নকশা;
(ঙ) কোন কোম্পানির নামে লাইসেন্স মঞ্জুরের আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রে পরিচালকবৃন্দ ও অংশীদারগণের নাম ও ঠিকানা এবং আবেদনকৃত লাইসেন্সের ব্যাপারে পত্র যোগাযোগের জন্য মনোনীত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর। তবে নাম ও ঠিকানার যে কোন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সহিত অনতিবিলম্বে যোগাযোগ করিতে হইবে।
(৫) জলপথে বা আকাশপথে বিস্ফোরক আমদানির ফরম ১৭ লাইসেন্সের জন্য প্রতি আবেদনপত্রের সহিত নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথাঃ
(ক) ফরম ৬ এ দরখাস্ত;
(খ) নির্ধারিত ফি।
(৬) বিস্ফোরক পরিবহনের ফরম ১৮ লাইসেন্সের জন্য প্রতি আবেদনপত্রের সহিত নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথাঃ
(ক) ফরম ৭ এ দরখাস্ত;
(খ) নির্ধারিত ফি।
(৭) রোড ভ্যানের জন্য ফরম ১৯ এ লাইসেন্স মঞ্জুরের জন্য দরখাস্তে নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথা:
(ক) ফরম ৮ এ দরখাস্ত;
(খ) রোড ভ্যানের পূর্ণাঙ্গ গঠন ও ইহার সহায়ক উপকরণ প্রদর্শিত নকশা; (গ) নির্ধারিত ফি।
(৮) আতশবাজি প্রদর্শনের ফরম ২৫ লাইসেন্সের জন্য প্রতি আবেদনপত্রের সহিত নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথাঃ
(ক) ফরম ৯ এ দরখাস্ত; (খ) নির্ধারিত ফি।
(৯) শট ফায়ারের পারমিট মঞ্জুরের জন্য নিম্নবর্ণিত বিষয়াবলি অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথা:
(ক) ফরম ১০ এ দরখাস্ত;
(খ) নির্ধারিত নিরীক্ষণ ফি।

১৬০। লাইসেন্স মঞ্জুরঃ
(১) তফসিল ৪ এর কলাম (৪) এ উল্লিখিত কর্তৃপক্ষ এই বিধিমালার নির্ধারিত ফি প্রাপ্তি সাপেক্ষে কলাম (৩) এ উল্লিখিত উদ্দেশ্যের জন্য কলাম (২) উল্লিখিত ফরমে লাইসেন্স মঞ্জুর করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, বিধি ১৬১ এর বিধান পূরণ না করা হইলে ফরম ২০, ২২ এবং ২৩ এর কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাইবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বিধি ১৬১ এর সকল অথবা যে কোন শর্ত রহিত করিতে পারিবেন, যদি-
(অ) প্রস্তাবিত প্রাঙ্গণটি এই বিধিমালার অধীন বিস্ফোরক তৈরির জন্য লাইসেন্সকৃত কারখানার মধ্যে অবস্থিত হয় এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দূরত্ব আবেদনকারীর নিয়ন্ত্রণে থাকে;
(আ) যে প্রাঙ্গণের জন্য লাইসেন্স প্রয়োজন উহা আবেদনকারীর চলতি বৈধ লাইসেন্সের আওতাধীন প্রাঙ্গণের একই জরিপ দাগে অবস্থিত এবং বিদ্যমান প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা দূরত্বের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দূরত্ব বজায় রাখা হয়।
(২) (ক) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করিতে পারবেন কিন্তু উহার মেয়াদ নিম্নোক্ত সময়সীমা অতিক্রম করিবে না, যথা:
(অ) ফরম ১৭ এ বিস্ফোরক আমদানির জন্য ছয় মাস;
(আ) ফরম ২৫ এ জনসাধারণের উদ্দেশ্যে আতশবাজি প্রদর্শনীর জন্য একমাস।
(খ) এই বিধানমালার অধীন মঞ্জুরীকৃত অথবা নবায়িত লাইসেন্স যে খ্রিস্টীয় পঞ্জিকা বৎসরে প্রদান করা হইয়াছিল সেই বৎসরের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকিবে।
(গ) অনুচ্ছেদ (খ) এ যাহাই থাকুক না কেন, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ যেইক্ষেত্রে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, কোন নির্দিষ্ট কাজের অথবা উৎসবের জন্য লাইসেন্স আবশ্যক যাহা পঞ্জিকা বৎসর শেষ হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হইবে না তবে প্রকৃত প্রয়োজনীয় মেয়াদের জন্য উহা মঞ্জুর বা নবায়ন করিতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যে পঞ্জিকা বৎসরে লাইসেন্স মঞ্জুর বা নবায়ন করা হইবে সেই বৎসরের ৩১ শে ডিসেম্বর তারিখের পরে এই মেয়াদ বর্ধিত করা যাইবে না।
(৩) ফরম ২৪ বা ফরম ২৫ এর লাইসেন্সের আবেদনকারী প্রস্তাবিত প্রাঙ্গণের জন্য লাইসেন্স গ্রহণ করিতে আপত্তি নাই-মর্মে একখানা প্রত্যয়নপত্রের জন্য জেলা কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করিবেন এবং জেলা কর্তৃপক্ষের যদি কোন আপত্তি না থাকে তবে আবেদনকারীকে এইরূপ প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিবেন, যাহা আবেদনকারী তাহার আবেদনপত্রের সহিত লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করিবেন।
(৪) আবেদনপত্রের সহিত উপ-বিধি (৩) এর অধীন প্রদেয় সনদ দাখিল করা না হইলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিষয়টি জেলা কর্তৃপক্ষের নিকট তাহার মতামতের জন্য প্রেরণ করিবেন।
(৫) জেলা কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়টি উত্থাপিত হইলে অথবা অন্য কোন কারণে যদি উক্ত কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে এই মর্মে অবহিত করেন যে, কোন ব্যক্তির অনুকূলে বা কোন স্থানের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুরের ব্যাপারে জেলা কর্তৃপক্ষের আপত্তি আছে তবে সরকারের অনুমোদন ব্যতীত এইরূপ লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাইবে না।
(৬) নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিস্ফোরক আমদানির জন্য লাইসেন্স প্রয়োজন হইবে না, যথাঃ
(অ) আমদানির বন্দরে মজুদ করিতে অভিপ্রেত নহে কিন্তু বাংলাদেশের সীমানার বাহিরে কোন অঞ্চলে সরাসরি স্থানান্তর করিতে অভিপ্রেত;
(আ) বিধি ১১৯ অনুযায়ী লাইসেন্স ব্যতীত বিস্ফোরক অধিকারে রাখা হইলে।
(৭) রেলওয়ে লাইনের ১০০ মিটারের মধ্যে বিস্ফোরক ব্যবহার করিতে হইলে প্রস্তাবিত প্রাঙ্গণের জন্য আবেদনকারী লাইসেন্স গ্রহণ করতে আপত্তি নাই- মর্মে একটি সনদপত্র সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে গ্রহণ করিবেন এবং আবেদনপত্রের সহিত উক্তরূপ সনদপত্র লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবেন।
(৮) The Mines Act, 1923 (IV of 1923) আওতায় পড়ে এমন প্রাঙ্গণে নিজস্ব কাজে আশু ব্যবহারের জন্য অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-ফুয়েল অয়েল (এএনএফও) বিস্ফোরক প্রস্তুতির লাইসেন্স মঞ্জুরের জন্য আবেদনপত্রের সহিত প্রধান খনি পরিদর্শক কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র দাখিল করিতে হইবে যে, প্রস্তাবিত যে প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক তৈরি, অধিকারে রাখা এবং ব্যবহৃত হইবে তাহা আবেদনকারীর নিয়ন্ত্রণাধীন আছে এবং উল্লিখিত আইনের আওতাধীন।
(৯) উপ-বিধি (১) এর শর্তাংশ এবং উপ-বিধি (৩), (৪) ও (৮) এ যাহাই থাকুক না কেন যদি প্রধান পরিদর্শক এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন কার্যক্রমে স্বল্প মেয়াদের জন্য বিস্ফোরক ব্যবহার আবশ্যক তবে তিনি জেলা কর্তৃপক্ষের অনাপত্তিপত্র ব্যতিরেকে স্বল্প মেয়াদী অনধিক ৬ (ছয়) মাস মেয়াদের জন্য লাইসেন্স প্রদান করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যে পঞ্জিকা বৎসরে লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয় সেই বৎসরের ৩১ শে ডিসেম্বর তারিখ পর্যন্ত এ মেয়াদ সীমাবদ্ধ থাকিবে।
(১০) এই বিধিমালার অধীন মঞ্জুরীতব্য সকল লাইসেন্স সংশ্লিষ্ট জেলা কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণপূর্বক মঞ্জুর করিতে হইবে এবং প্রতিটি লাইসেন্সের একটি কপি জেলা কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
(১১) প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক মঞ্জুরীতব্য প্রত্যেক লাইসেন্স উহা যে বিস্ফোরক পরিদর্শকের অধিক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে সেই বিস্ফোরক পরিদর্শককে অবহিতকরণপূর্বক মঞ্জুর এবং লাইসেন্সের একটি কপি তাঁহার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে; এবং বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক মঞ্জুরীতব্য প্রত্যেকটি লাইসেন্স প্রধান পরিদর্শককে অবহিতকরণপূর্বক মঞ্জুর এবং লাইসেন্সের একটি কপি প্রধান পরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
১৬১। বিস্ফোরক প্রস্তুত, ব্যবহার বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অধিকারে রাখিবার ফরম ২০, ফরম ২২ অথবা ফরম ২৩ এ লাইসেন্স মঞ্জুরের পূর্বে অনুসৃত কার্যপ্রণালীঃ
(১) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বিধি ১৫৯ এর উপ-বিধি (৩) অথবা (৪) এর শর্তাধীন আবেদনপত্র ও তদসম্পর্কিত অন্যান্য কাগজপত্র নিরীক্ষা করিয়া দেখিবেন যে, ম্যাগাজিন, মজুদাগার বা কারখানার গঠন প্রকৃতি ও উহার চতুর্দিকের বা প্রাঙ্গণের মধ্যে পূর্তকর্ম হইতে রক্ষণীয় দূরত্ব বিধান অনুসারে আছে কিনা।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন আবেদনকারী কর্তৃক প্রণীত বর্ণনা বিবেচনা এবং ক্ষেত্র বিশেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানিবার থাকিলে পরবর্তীতে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ পুনরায় আবেদনপত্র নিরীক্ষণ করিতে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করিতে নির্দেশ দিতে পারিবে।
(৩) এই বিধিমালার অধীন প্রয়োজনীয় সঠিক কাগজপত্র প্রাপ্তির পর লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্রটি নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ
করিবে, যথা:
(অ) সংশ্লিষ্ট জেলা কর্তৃপক্ষের নিকট যে বিষয় অনুসন্ধান করা হইবে উহার একটি বর্ণনা, একটি খসড়া লাইসেন্স এবং ফরম ১৬ তে প্রস্তাবিত কারখানা, ম্যাগাজিন বা মজুদাগারের মধ্যে এবং উহার চতুর্দিকে যে দূরত্ব রাখা প্রয়োজন তাহার একটি বর্ণনা;
(আ) এইরূপ তদন্তের জন্য প্রয়োজন মনে করিলে অন্য কোন কর্তৃপক্ষ।
(৪) উল্লিখিত আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর জেলা কর্তৃপক্ষ উক্তরূপ আবেদনের বিষয়ে এবং প্রস্তাবিত প্রাঙ্গণ, কারখানা, ম্যাগাজিন অথবা মজুদাগার স্থাপনে কোন ব্যক্তির কোনোরূপ অভিযোগ থাকিলে উহার উপর ভিত্তি করিয়া অনতিবিলম্বে শুনানির সময় ও স্থান উল্লেখপূর্বক আবেদনকারী ও আপত্তি উত্থাপনকারীর নিকট অন্যূন ৭ দিন পূর্বে নোটিস জারির ব্যবস্থা করিবে। উক্ত নোটিসে আবেদনকারী ও আপত্তি উত্থাপনকারীর নাম, ঠিকানা ও আপত্তির হেতুসমূহের বর্ণনা সংযুক্ত থাকিবে। পরবর্তী শুনানির তারিখ যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি ধার্য করিতে হইবে, যাহা উপ-বিধি (৬) অনুসারে হইবে।
(৫) যেখানে প্রস্তাবিত কারখানা ম্যাগাজিন শহর পরিকল্পনা পৌর কর্তৃপক্ষ অথবা বন্দর কর্তৃপক্ষের বৈধ কর্তৃত্ব সীমার ১.৫ কি.মি. এর মধ্যে অবস্থিত, দরখাস্তকারী উক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট জারির উদ্দেশ্যে দরখাস্ত ও শুনানির তারিখ সম্বন্ধে নোটিস প্রদান করিবেন।
(৬) উপ-বিধি (৪) এর অধীন প্রদেয় নোটিস প্রকাশ করিতে হইবে এবং উপ-বিধি (৫) এর অধীন নোটিস আবেদনকারীর খরচে জেলা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শুনানির নির্ধারিত তারিখের কমপক্ষে একমাস পূর্বে জারি করিতে হইবে।
(৭) শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ অথবা শুনানি মূলতবী রাখা হইলে অন্য কোন তারিখে জেলা কর্তৃপক্ষ উপ-বিধি (৪) অনুসারে কোন আপত্তির শুনানি গ্রহণ করিবেন এবং উপ-বিধি (৫) এ উল্লিখিত কর্তৃপক্ষ যেইরূপ প্রয়োজন মনে করেন সেইরূপ অনুসন্ধান ও তদন্ত করিবেন।
(৮) তদন্ত শেষে জেলা কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্র, লিখিত বক্তব্য এবং নকশাসহ তাঁহার কর্তৃক অনুসৃত কার্যপ্রণালীর একটি প্রতিবেদন এবং প্রস্তাবিত প্রাঙ্গণের জন্য আবেদনকারীর লাইসেন্স গ্রহণে তাঁহার কোন আপত্তি থাকিলে উহার বিষয়ে বক্তব্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৯) জেলা কর্তৃপক্ষ উপ-বিধি (৪) থেকে (৭) এর অধীন তাঁহার তদন্ত সম্পন্ন করিবেন এবং তদন্ত প্রতিবেদন যথাসম্ভব স্বল্প সময়ে (অনধিক চার মাস) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, ৪ (চার) মাসের মধ্যে জেলা কর্তৃপক্ষ কোন প্রতিবেদন লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ না করিলে লাইসেন্স মঞ্জুর করিতে জেলা কর্তৃপক্ষের কোন আপত্তি নাই বলিয়া গণ্য হইবে।
(১০) উপ-বিধি (৯) এর অধীন লাইসেন্স মঞ্জুরের জন্য জেলা কর্তৃপক্ষের অনাপত্তিপত্র পাওয়া গেলে অথবা নির্ধারিত সময়ে কোন আপত্তি জানানো না হইলে অথবা বিধি ১৬০ এর উপ-বিধি (৫) অনুসারে সরকারের অনুমোদন পাওয়া গেলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সের আবেদনের সহিত দাখিলকৃত নকশা অনুমোদন করিয়া লাইসেন্স প্রার্থীকে ফেরত দিবেন।
(১১) লাইসেন্স প্রার্থী উপ-বিধি (১০) এর অনুমোদিত নকশা, প্রার্থিত লাইসেন্সের শর্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুসারে প্রস্তাবিত ম্যাগাজিন/ মজুদাগার/ স্থাপনা/ প্রাঙ্গণ অথবা পরিবহন যানের নির্মাণ সম্পন্ন করিয়া সেই মর্মে একটি প্রতিবেদন লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবেন।
(১২) উপ-বিধি (১১) এ উল্লিখিত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ম্যাগাজিন প্রাঙ্গণ/ পরিবহন যান পরিদর্শন করিবে এবং অনুমোদিত নকশা, প্রার্থিত লাইসেন্সের শর্তাবলি এবং সংশ্লিষ্ট বিধি বিধান অনুসারে নির্মাণ সম্পন্ন করা হইলে দরখাস্ত প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রার্থিত লাইসেন্স মঞ্জুর করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রার্থিত লাইসেন্স মঞ্জুর না করা হইলে কারণ উল্লেখপূর্বক উক্ত সময়সীমার মধ্যে তাহা দরখাস্তকারীকে লিখিতভাবে জানাইতে হইবে।
(১৩) এই বিধিতে যাহাই থাকুক না কেন, উপ-বিধি (৩) এর অনুচ্ছেদ (আ) ব্যতীত উপ-বিধি (৩) হইতে (১০) এর বিধানাবলি The Mines Act, 1923 (IV of 1923) এর আওতাধীন প্রস্তাবিত প্রাঙ্গণে এএনএফও বিস্ফোরক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
১৬২। স্থলপথে বিস্ফোরক পরিবহন যানের ফরম ১৯ এ লাইসেন্স মঞ্জুরের কার্যপ্রণালী:
(১) স্থলপথে বিস্ফোরক পরিবহণ যানের ফরম ১৯ এ লাইসেন্সের জন্য দরখাস্তের সহিত দাখিলকৃত নক্সা ও বিনির্দেশ নিরীক্ষান্তের এই বিধিমালার প্রযোজ্য বিধানাবলির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতীয়মান হইলে প্রধান পরিদর্শক দাখিলকৃত নকশা ও বিনির্দেশ অনুসারে স্থল যানটি নির্মাণ করিয়া একটি নির্মাণ সম্পন্নতার প্রতিবেদন দাখিল করিতে নির্দেশ প্রদান করিবেন।
(২) লাইসেন্স প্রার্থী কর্তৃক উপ-বিধি (২) এর নির্দেশ অনুসারে নির্মাণ সম্পন্নতার প্রতিবেদন দাখিল করা হইলে প্রধান পরিদর্শক নিজে উপরোল্লিখিত যান পরিদর্শন করিবেন অথবা একজন বিস্ফোরক পরিদর্শককে উপরোক্ত যান পরিদর্শন করিবার নির্দেশ প্রদান করিবেন এবং দাখিলকৃত নকশা, ফরম ১৯ লাইসেন্সের শর্তাবলি এবং অধিকন্তু, সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুসারে নির্মাণ সম্পন্ন করা হইলে দরখাস্ত প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে লাইসেন্স প্রদান করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, প্রার্থিত লাইসেন্স মঞ্জুর না করা হইলে কারণ উল্লেখপূর্বক উক্ত সময়সীমার মধ্যে তাহা লাইসেন্স প্রার্থীকে লিখিতভাবে জানাইতে হইবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
১৬৩। শট-ফায়ারারস (Shot-firer’s) পারমিট মঞ্জুরের জন্য অনুসৃতব্য কার্যপ্রণালী:
(১) প্রধান পরিদর্শক অথবা এতদুদ্দেশ্যে তৎকর্তৃক প্রাধিকৃত কোন কর্তৃপক্ষ কোন শট ফায়ারারস (Shot-firer’s) এর পারমিট মঞ্জুরের উদ্দেশ্যে প্রধান পরিদর্শক যেমন পরীক্ষা এবং অনুসন্ধান প্রয়োজন মনে করেন অনুরূপ পরীক্ষা এবং অনুসন্ধান সম্পন্ন করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান পরিদর্শক সন্তুষ্ট হন যে, শট ফায়ারারস পারমিটের আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার অধিকারী তবে সেইক্ষেত্রে শট-ফায়ারার পরীক্ষার প্রয়োজন পড়িবে না।
(২) পরীক্ষার জন্য উপ-বিধি (১) এর অধীন আবেদনকারীকে নির্ধারিত ফি, যদি থাকে প্রদান করিতে হইবে।
১৬৪। বিস্ফোরক অধিকারে রাখা ও বিক্রির ফরম ২৪ বা বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণের স্পেশাল ফরম লাইসেন্স মঞ্জুরের অনুসৃতব্য কার্যপ্রণালী:
(১) ফরম ২৪ এর লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বিধি ১৫৯ এর শর্তাধীনের আবেদনপত্র ও তদসম্পর্কিত অন্যান্য কাগজপত্র নিরীক্ষা এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করিয়া যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, এই বিধিমালার সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান এবং উক্ত ফরম লাইসেন্সের শর্তাবলি পরিপালন করা যাইবে, তাহা হইলে উক্ত কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সের শর্তাবলির একটি অনুলিপি এবং দাখিলকৃত নকশা অনুমোদন করিয়া উহার একটি অনুলিপি লাইসেন্স প্রার্থীকে ফেরত দিবেন।
(২) লাইসেন্স প্রার্থী উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত অনুমোদিত নকশা এবং প্রার্থিত লাইসেন্সের শর্তানুসারে মজুদাগার প্রাঙ্গণ নির্মাণ সম্পন্ন করিয়া একটি প্রতিবেদন লাইসেন্স প্রধানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবেন। (৩) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তপক্ষ সংশ্লিষ্ট প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করিয়া যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে উপ-বিধি
(১) এ উল্লিখিত অনুমোদিত নকশা ও লাইসেন্সের শর্তানুসারে সংশ্লিষ্ট নির্মাণ কার্য সম্পন্ন করা হইয়াছে, তাহা হইলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ প্রার্থিত লাইসেন্স মঞ্জুর করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রার্থিত লাইসেন্স মঞ্জুর না করা হইলে কারণ উল্লেখপূর্বক তাহা দরখাস্তকারীকে লিখিতভাবে জানাইতে হইবে।
(৪) বিস্ফোরক প্রস্তুতের স্পেশাল ফরম লাইসেন্স মঞ্জুরের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি দরখাস্তের গুণাগুণ বিচারে প্রধান পরিদর্শকের বিবেচনায় উপযুক্ত উপ-বিধি (১), (২) ও (৩) অথবা বিধি ১৬১ এর বিধান অনুসরণ করিতে হইবে।
১৬৫। লাইসেন্সের বিবরণ:
(১) এই বিধিমালার অধীন মঞ্জুরীকৃত প্রত্যেক লাইসেন্সে পরিপালনের জন্য শর্তাবলি উল্লিখিত থাকিবে এবং কাগজপত্র সংরক্ষণ করিতে হইবে। এই বিধিমালার দ্বারা নির্ধারিত ফরমে সকল
১৬৬। শর্ত পরিবর্তন করিতে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা:
বিধি ১৬৫ এ যাহাই থাকুক না কেন, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সের নির্দেশিত ফরমে উল্লিখিত যে কোন শর্ত রহিতকরণ, পরিবর্তন অথবা সংযোজন করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, প্রধান পরিদর্শক ব্যতীত অন্য কোন লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এই ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে না।
১৬৭। লাইসেন্স সংশোধন:
(১) লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মঞ্জুরকৃত লাইসেন্স সংশোধন করা যাইবে, যদি উক্তরূপ সংশোধন এই বিধিমালার বিধানের পরিপন্থী না হয়।
(২) লাইসেন্স সংশোধনে আগ্রহী লাইসেন্সধারী নিম্নলিখিত কাগজপত্রসহ লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবেন, যথাঃ
(ক) সংশোধনের প্রকৃতি ও কারণ উল্লেখপূর্বক একটি আবেদনপত্র;
(খ) সংলগ্নিসহ মূল লাইসেন্স;
(গ) সংশোধনের জন্য নকশার প্রয়োজন পড়িলে প্রস্তাবিত সংশোধনের বিস্তারিত চিত্র প্রদর্শিত নকশা;
(ঘ) নির্ধারিত নিরীক্ষণ ফি;
(ঙ) নির্ধারিত সংশোধনী ফি।
(৩) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ উপ-বিধি (২) এর অধীন দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই করিবার পর এবং প্রয়োজনবোধে তদন্তের পর লাইসেন্স সংশোধনের উপযুক্ত পদক্ষেপ নিবেন।
১৬৮। লাইসেন্স নবায়ন:
(১) লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এইরূপ লাইসেন্স নবায়ন করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক মঞ্জুরকৃত লাইসেন্স কোনোরূপ পরিবর্তন ছাড়াই প্রধান পরিদর্শকের পক্ষে, তাঁহার কর্তৃক প্রাধিকৃত একজন বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক নবায়ন করা যাইবে।
(২) ফরম ২০ অথবা ফরম ২২ অথবা ফরম ২৩ এ লাইসেন্স নবায়নের পূর্বে প্রধান পরিদর্শক প্রয়োজন মনে করিলে উপ-বিধি (১) এর অধীন তৎকর্তৃক প্রাধিকৃত একজন বিস্ফোরক পরিদর্শক, বিধি ১৬১ এর উপ-বিধি (১) এর অধীন নির্দেশিত বিবরণী যাচাইয়ের জন্য লাইসেন্সধারীকে তলব করিতে পারিবেন।
(৩) লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রত্যেক আবেদনপত্র এমনভাবে প্রেরণ করিতে হইবে যাহাতে লাইসেন্সের মেয়াদ নিঃশেষ হওয়ার ৩০ দিন পূর্বে লাইসেন্স মঞ্জুরকারী বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নিকট পৌছার এবং যদি আবেদনপত্র এইভাবে করা হয় তবে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নবায়নের তারিখ পর্যন্ত লাইসেন্সের কার্যকারিতা বহাল আছে বলিয়া গণ্য হইবে কিংবা যতক্ষণ পর্যন্ত না লাইসেন্সধারীকে লাইসেন্সের নবায়ন প্রত্যাখ্যান করা হইয়াছে মর্মে জানানো হয়।
(৪) লাইসেন্স নবায়নের জন্য উপ-বিধি (৩) এর অধীন প্রত্যেক আবেধনপত্রের সহিত নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র দাখিল করিতে হইবে, যথাঃ
(ক) ফরম ১১ তে দরখাস্ত;
(খ) সংলগ্নিসহ লাইসেন্সের মূলকপি এবং সংযুক্ত অনুমোদিত নকশা, তফসিল এবং ফরমসমূহ;
(গ) নির্ধারিত নবায়ন ফি।
(৫) প্রতি পঞ্জিকা বৎসরের জন্য লাইসেন্স নবায়নের ফি হইবে উক্ত লাইসেন্সের জন্য প্রদেয় ফি এর সমপরিমাণ অর্থ।
(৬) লাইসেন্স নবায়নের দরখাস্ত উপ-বিধি (৩) এ উল্লিখিত সময়ের পরে দাখিল করা হইলে দ্বিগুণ নবায়ন ফি প্রদেয় হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, একটানা একাধিক বৎসরের জন্য নবায়নের দরখাস্ত করা হইলে শুধুমাত্র নবায়নের ১ম বৎসরের জন্য দ্বিগুণ ফি প্রদেয় হইবে। (৭) লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নবায়নের দরখাস্ত লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট পৌছিলে উক্ত কর্তৃপক্ষ উহা নবায়ন করিতে পারিবে না।
১৬৯। লাইসেন্স প্রত্যাখ্যান:
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স মঞ্জুর, সংশোধন বা নবায়নের আবেদন প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলে উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিবে এবং আবেদনকারীকে লিখিতভাবে উক্ত কারণ ও সিদ্ধান্ত অবহিত করিবে।
১৭০। লাইসেন্স বাতিল ইত্যাদিঃ
(১) কোন লাইসেন্সধারী আইন বা এই বিধিমালার কোন বিধান বা লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করিলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স বাতিল করিতে পারিবে। লাইসেন্স বাতিল করিবার পূর্বে লাইসেন্সধারীকে ১০ দিনের একটি লিখিত নোটিস প্রদান করিতে হইবে এবং উক্ত নোটিসে বাতিলকরণের কারণ উল্লেখ থাকিবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ যাহাই থাকুক না কেন, কোন ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আইন বা এই বিধিমালার বিধান লঙ্ঘনের ফলে জনসাধারণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হইয়াছে বা হইবার আশঙ্কা জারির পূর্বে বা বিষয়টি নিষ্পন্নাধীন থাকাকালে উক্ত লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে পারিবেন। রহিয়াছে তাহা হইলে তিনি উপ-বিধি (১) এর অধীন কারণ দর্শানো নোটিস
(৩) লাইসেন্সের সাময়িক স্থগিতকরণ বিধি ১৬৮ অনুসারে উহার নবায়নের আবেদন দাখিলের জন্য প্রতিবন্ধক হইবে না।
১৭১। লাইসেন্সের সাময়িক স্থগিতকরণ বা বাতিল প্রক্রিয়া:
(১) তাহার লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িক স্থগিতকরণের ক্ষেত্রে লাইসেন্সধারী অবিলম্বে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে তাহার অধিকারে রক্ষিত বিস্ফোরকের বিবরণ ও পরিমাণ জানাইবেন এবং বিস্ফোরকের অপসারণ, বিনষ্টকরণ সম্পর্কে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ প্রতিপালন করিবেন।
(২) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স বাতিল, সাময়কি স্থগিত হওয়ার সময়ে প্রকৃত অবশিষ্ট বিস্ফোরক মজুদ, অধিকারে রাখা বা বিক্রয়ের জন্য অনধিক ৩ মাসের জন্য অস্থায়ী লাইসেন্স মঞ্জুর করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-বিধি (২) এর অধীনে মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের ফি মেয়াদোত্তীর্ণ বা বাতিলকৃত অস্থায়ী লাইসেন্সের সময়ের জন্য একই আনুপাতিক হারে সম্পূর্ণ বৎসরের ফি ধার্য হইবে।
১৭২। আপীল:
(১) লাইসেন্স মঞ্জুর, সংশোধন বা নবায়নের আবেদন প্রত্যাখ্যান বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাইবে-
(ক) প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক জারিকৃত আদেশের বিরুদ্ধে সরকারের নিকট;
(খ) বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক জারিকৃত আদেশের বিরুদ্ধে প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের নিকট।
(২) বিরোধীয় আদেশ প্রদানের তারিখের ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে সরকারের এবং অন্য সকল ক্ষেত্রে ৩০ দিনের মধ্যে উহার একটি অনুলিপিসহ আপীলের দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে।
১৭৩। আপীলাত কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম গ্রহণের প্রক্রিয়া:
আপীল আবেদন প্রাপ্তির পর যদি আপীল কর্তৃপক্ষের নিকট এই আইনের বিধান অনুসারে উহা গ্রহণযোগ্য বলিয়া বিবেচিত হয় তবে আপীল কর্তৃপক্ষ আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র তলব এবং প্রয়োজনবোধে এই সম্পর্কে অধিকতর অনুসন্ধান করিতে পারিবে এবং আপীলকারীকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানের পর চূড়ান্ত আদেশ প্রদান করিবে।
১৭৪। লাইসেন্সধারীর মৃত্যু বা অসমর্থতা:
(১) যদি লাইসেন্সধারীর মৃত্যু, দেউলিয়া বা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বা প্রতিবন্ধী হন তাহা হইলে এই বিধির অধীনে তাহাকে দেয় লাইসেন্স তাহার মৃত্যু বা মানসিক অসমর্থতা বা দেউলিয়া বা প্রতিবন্ধী হওয়ার তারিখ হইতে তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হইয়া যাইবে।
(২) লাইসেন্সের আইনগত উত্তরাধিকারী বা প্রতিনিধিগণ উপ-বিধি (১) অনুযায়ী যত তাড়াতাড়ি সম্ভব লাইসেন্স কর্তৃপক্ষকে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ অবহিত করিবেন, যথা:
(ক) মৃত্যু, দেউলিয়া, অসমর্থতা, মানসিক ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য অসমর্থতা; এবং
(খ) লাইসেন্সধারীর প্রাঙ্গণে রক্ষিত সকল বিস্ফোরকের মজুদ এবং লাইসেন্স কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে এইরূপ বিস্ফোরক দ্রব্যের বিনষ্টকরণ সম্পর্কিত তথ্য।
১৭৫। লাইসেন্স হারানো:
এই বিধির অধীনে মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্স বা বিধি ১৭৭ এর অধীন মঞ্জুরীকৃত প্রামাণিক অনুলিপি হারাইয়া বা দুর্ঘটনায় নষ্ট হইয়া যায় তবে বিধি ১৮১ তে নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে একটি ডুপ্লিকেট লাইসেন্স মঞ্জুর করা যাইবে।
১৭৬। ম্যাগাজিনে লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অতিরিক্ত বিস্ফোরকের অস্থায়ী মজুদের জন্য পারমিট:
(১) যখন প্রধান পরিদর্শককে এই মর্মে সন্তুষ্ট করা যায় যে, অদৃষ্টপূর্ব ঘটনায় ফরম ২২ এবং ফরম ২৩ এর অধীন লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিনে লাইসেন্সযোগ্য পরিমাণের অতিরিক্ত বিস্ফোরক মজুদ করা প্রয়োজন, তখন প্রদান পরিদর্শক ম্যাগাজিনে এইরূপ অতিরিক্ত মজুদের জন্য সাধারণত অনধিক এক মাস সময়ের জন্য অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন: তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) এইরূপ অতিরিক্ত মজুদের যে অনুমতি প্রদান করা হইবে তাহার পরিমাণ কোনোক্রমেই লাইসেন্সকৃত পরিমাণের এক-তৃতীয়াংশ অপেক্ষা বেশি হইবে না; এবং আ) মজুদের জন্য নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ পরিমাণ ব্যতীত লাইসেন্সের অন্য কোন শর্ত লঙ্ঘন করা যাইবে না।
(২) এইরূপ পারমিটের ফি ধার্য হইবে নিম্নরূপ, যথাঃ (অ) অনধিক এক মাস সময়ের জন্য টাকা ২,০০০;
(আ) এক মাসের অধিক সময় হইলে প্রতি মাস বা তার অংশবিশেষের জন্য টাকা ২০,০০০।

১৭৭। চাহিবামাত্রা লাইসেন্স বা পাস উপস্থাপন:
(১) বিধি ১৮৩ এর উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত কোন কর্মকর্তা এই বিধিমালার অধীন মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্স তলব করিলে লাইসেন্সধারী বা উক্ত লাইসেন্সের বলে পরিচালিত কর্মকাণ্ডের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি লাইসেন্স বা উহার একটি প্রামাণিক অনুলিপি লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে উপস্থাপন করিবেন।
(২) বিধি ১৮৩ এর উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত কোন কর্মকর্তা যখন তলব করিবেন তখন এই বিধিমালার অধীনে ইস্যুকৃত বিস্ফোরকের চালান দ্রব্য পরিবহনে নিয়োজিত ভারপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি উহা উপস্থাপন করিবেন।
(৩) লাইসেন্সধারীর আবেদনক্রমে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সের প্রামাণিক অনুলিপি প্রদান করিতে পারিবে, যদি- (ক) এই বিধির প্রয়োজনে প্রতিটি অনুলিপির জন্য অন্যূন ৫০০ টাকা সাপেক্ষে লাইসেন্স ফি এর ২০% ফি প্রদান করা হয়;
(খ) সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত নকশার অতিরিক্ত অনুলিপি দাখিল করা হয়।
১৭৮। কর্তৃপক্ষের উপর কার্যনির্বাহী নিয়ন্ত্রণ:
এই অধ্যায়ের অধীন সরকার ব্যতীত প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ নির্দেশমত এবং নিয়ন্ত্রণে চলিবে: তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধান প্রধান পরিদর্শকের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের উপর তাঁহার নির্বাহী ক্ষমতা কোনোভাবে খর্ব হইবে না।
১৭৯। আইনের ধারা ১৫ এর অধীনে ক্ষমতা প্রদানঃ
এই বিধিমালার অধীনে লাইসেন্স প্রদানকারী সকল কর্তৃপক্ষকে এতদ্বারা লাইসেন্সের গায়ে লিখিতভাবে নির্দেশ প্রদান করিতে ক্ষমতা প্রদান করা হইল যে, ইহা আর্মস অ্যাক্টের অধীনে মঞ্জুরকৃত অনুরূপ লাইসেন্সের মত কার্যকর হইবে।
লাইসেন্স ফি – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
![লাইসেন্স ফি । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৮০-১৮২]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2024/01/আইন-২.jpg)
লাইসেন্স ফি
১৮০। ফি পরিশোধ:
এই অধ্যায়ের অধীনে নির্ধারিত ফি প্রত্যেক দরখাস্তের সহিত বিস্ফোরক অধিদপ্তরের হিসাব কোড “১-৪২৩২-০০০০-২৬৮১” তে জমা দিয়া ট্রেজারী চালানের মূল কপি দাখিল করিতে হইবে।
১৮১। লাইসেন্স ফি ব্যতীত অন্যান্য ফিঃ
এই বিধিমালার অধীনে লাইসেন্স ফি ব্যতীত নিম্নলিখিত ফি পরিশোধ করিতে হইবে-
(১) বিস্ফোরক অনুমোদিত তালিকায় যে কোন বিস্ফোরক সংযুক্তির জন্য- (বিধি ৫ দ্রষ্টব্য)
|
ক) প্রত্যেক প্রস্তাবের জন্য পরীক্ষণ ফি |
৫০০.০০ টাকা। |
|
(খ) প্রত্যেক বিস্ফোরক নমুনার জন্য পরীক্ষণ ফি |
২,০০০.০০ টাকা। |
| (২) |
আমদানিকৃত বিস্ফোরকের প্রত্যেক নমুনার পরীক্ষণ ফি (বিধি-২৯ দ্রষ্টব্য) |
১০০.০০ টাকা। |
| (৩) |
(ক) ফরম ১ এ নিরাপদ সনদপত্র জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেক নমুনা পরীক্ষণ ফি (বিধি-৩৬ দ্রষ্টব্য) |
১,০০০.০০ টাকা। |
|
(খ) নতুন পরীক্ষা ছাড়াই উপরের (ক) অনুচ্ছেদে প্রাধিকৃত প্রত্যেক সনদপত্র নবায়ন করিয়া সরবরাহ |
৫০০.০০ টাকা। |
|
(গ) প্রত্যেক নমুনা পরীক্ষার পরে সনদপত্র নবায়ন করিয়া সরবরাহ |
৫,০০০ টাকা। |
| (৪) |
যে কোন নতুন বিস্ফোরক উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুমোদনের জন্য নিরীক্ষণ ফি (বিধি-৯৫ দ্রষ্টব্য) |
২,০০০.০০ টাকা। |
| (৫) |
যে কোন সময় লাইসেন্সকৃত ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বিস্ফোরক মজুদের জন্য (বিধি- ১৩১ দ্রষ্টব্য) |
প্রথম ১৫ দিনের জন্য ২,০০০.০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি অতিরিক্ত ৫ দিন বা অংশবিশেষের জন্য ১,০০০.০০ টাকা।
|
| (৬) |
অস্থায়ী আতশবাজির ক্ষেত্রে লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অতিরিক্ত অধিকারে রাখিবার অনুমতির জন্য (বিধি ১৩২ দ্রষ্টব্য) |
৫০০.০০ টাকা। |
| (৭) |
বিস্ফোরক উৎপাদনের লাইসেন্স মঞ্জুরের আবেদনের জন্য নিরীক্ষণ ফি (বিধি ১৫৯(৩) দ্রষ্টব্য)
|
|
|
(ক) নিম্নের (খ), (গ) এবং (ঘ) ব্যতীত যে কোন বিস্ফোরক |
২,০০০.০০ টাকা। |
|
(খ) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং জ্বালানি তৈল মিশ্রণের ক্ষেত্রে |
৫০০.০০ টাকা। |
|
(গ) (অ) একই সময়ে অনধিক ১২.৫ কেজি আতশবাজি এবং গান পাউডার অথবা আতশবাজি বা গান পাউডার |
২০০.০০ টাকা। |
|
(আ) আতশবাজি এবং/বা গান পাউডারের পরিমাণ একই সময়ে ১২.৫ কেজির বেশি কিন্তু অনধিক ২০০ কেজি। |
১,০০০.০০ টাকা। |
|
(ই) আতশবাজি এবং/বা গান পাউডারের পরিমাণ একই সময়ে ২০০ কেজির অধিক |
২,০০০.০০ টাকা। |
|
(ঘ) রঙিন দিয়াশলাই |
২,০০০.০০ টাকা। |
| (৮) |
বিস্ফোরক আমদানি লাইসেন্স মঞ্জুরের আবেদনের জন্য নিরীক্ষণ ফি [বিধি ১৫৯ (৫) দ্রষ্টব্য) |
১,০০০.০০ টাকা। |
| (৯) |
বিস্ফোরক আমদানির পারমিট মঞ্জুরের আবেদনের নিরীক্ষণ ফি [বিধি ৩৩ দ্রষ্টব্য] |
৫০০.০০ টাকা। |
| (১০) |
সড়ক পথে ভ্যানের প্রতিটি লাইসেন্স মঞ্জুরের আবেদনের নিরীক্ষণ ফি [বিধি ১৫৯ (৭) দ্রষ্টব্য) |
৫০০.০০ টাকা। |
| (১১) |
শট-ফায়ারের প্রতিটি পারমিট মঞ্জুরের জন্য নিরীক্ষণ ফি [বিধি ১৫৯ (৭) দ্রষ্টব্য) |
২০০.০০ টাকা। |
| (১২) |
একটি শট-ফায়ারের পারমিট মঞ্জুরের ফি (বিধি ১৬৩ দ্রষ্টব্য) |
৩০০.০০ টাকা। |
| (১৩) |
(ক) প্রতিটি লাইসেন্স সংশোধনের আবেদনের জন্য নিরীক্ষণ ফি (বিধি ১৬৭ দ্রষ্টব্য)
|
|
|
অ) আতশবাজি বা গান পাউডার ব্যতীত একই সময়ে অনধিক ১২.৫ কেজি যে কোন বিস্ফোরক তৈরির ক্ষেত্রে |
৫০০.০০ টাকা। |
|
(আ) একই সময়ে অনধিক ১২.৫ কেজি আতশবাজি এবং/বা গান পাউডার তৈরির ক্ষেত্রে |
১০০.০০ টাকা। |
|
(ই) অন্য যে কোন ফরমের ক্ষেত্রে |
২০০.০০ টাকা। |
|
(খ) প্রতিটি লাইসেন্স সংশোধন ফি (বিধি ১৬৭ দ্রষ্টব্য)
|
|
|
(অ) আতশবাজি বা গান পাউডার ব্যতীত একই সময়ে অনধিক ১২.৫ কেজি যে কোন বিস্ফোরক তৈরির ক্ষেত্রে |
৩০০.০০ টাকা। |
|
(আ) একই সময়ে অনধিক ১২.৫ কেজি আতশবাজি এবং/বা গান পাউডার তৈরির ক্ষেত্রে |
১০০.০০ টাকা। |
|
(ই) অন্য যে কোন ফরমের ক্ষেত্রে |
সর্বনিম্ন ১০০.০০ টাকা। সাপেক্ষে লাইসেন্স ফি এর ১০%।
|
|
(গ) বিস্ফোরক উৎপাদনের প্রক্রিয়ার যে কোন পরিবর্তনের প্রস্তাবের নিরীক্ষণ ফি |
৫০০.০০ টাকা। |
|
(ঘ) প্রাধীকৃত বিস্ফোরক উপাদানের যে কোন পরিবর্তন প্রস্তাবের নিরীক্ষণ ফি |
১০০০.০০ টাকা। |
| (১৪) |
ডুপ্লিকেট লাইসেন্স সরবরাহের জন্য (বিধি- ১৭৫ দ্রষ্টব্য) |
সর্বনিম্ন ১০০.০০ টাকা সাপেক্ষে লাইসেন্স ফি এর ৫%।
|
| (১৫) |
নিম্নোক্ত অনুমোদনের ক্ষেত্রে- |
|
|
(ক) একটি প্যাকিং বক্স বা কন্টেইনার |
৫০০০.০০ টাকা। |
|
খ) বিস্ফোরক উৎপাদন এবং পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত নতুন ধরনের সরঞ্জাম, মেশিনারিজ অথবা কম্পোজিট ভেহিকেল |
৫,০০০.০০ টাকা। |
|
(গ) ‘বি’ ধরনের একটি ম্যাগাজিন |
৫,০০০.০০ টাকা। |
| (১৬) |
প্রতিটি আর্থিং পরীক্ষণ ফি |
৫০০.০০ টাকা। |

১৮২। লাইসেন্স ফিঃ
(১) এই বিধিমালার অধীন প্রত্যেকটি লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রতি বৎসরের জন্য প্রদেয় ফি হইবে নিম্নরূপ, যথাঃ
| বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণ- |
|
| (অ) স্থানিকভাবে মিশ্রিত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-ফুয়েল অয়েল (ANFO) ব্যতীত ২য়, ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম শ্রেণীর বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে (ফরম ২০) |
প্রতিটি লাইসেন্সকৃত প্লান্টের ধারণক্ষমতার প্রতি ১০০০ টন বা অংশবিশেষের জন্য ৩০০০.০০ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৮০০০.০০ টাকা।
|
| (আ) ৬ষ্ঠ শ্রেণীর (ফরম ২০) এর ক্ষেত্রে |
প্রত্যেকটি বিস্ফোরক স্থাপনার বাৎসরিক ধারণক্ষমতার প্রতি ১ মিলিয়ন মিটার/ সংখ্যা বা অংশবিশেষের জন্য ৫০০০.০০ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৯,০০০.০০ টাকা।
|
(ই) ১ম শ্রেণী এবং/বা ৭ম শ্রেণী (ফরম ২০) এর ক্ষেত্রে
|
|
| (ই.১) একই সময়ে ধারণক্ষমতা ১২.৫ কেজির অধিক না হইলে |
৫০০.০০ টাকা। |
| (ই.২) একই সময়ে ধারণক্ষমতা ১২.৫ কেজির অধিক কিন্তু ২০০ কেজির অধিক না হইলে |
২,০০০.০০ টাকা। |
| (ই.৩) একই সময়ে ধারণক্ষমতা ২০০ কেজির অধিক হইলে |
প্রথম ২০০ কেজির জন্য ২০০০.০০ টাকা পরবর্তী অতিরিক্ত প্রতি ৫০ কেজির বা অংশবিশেষের জন্য ১,৫০০.০০ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৯,০০০,০০ টাকা।
|
| (ঈ) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফুয়েল অয়েল (ANFO) মিশ্রিত বিস্ফোরক |
২,০০০.০০ টাকা। |
| বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার এবং বিক্রয় করিবার জন্য (ফলম ২৩ ব্যতীত অন্য ফরম) |
(ক) লাইসেন্সের ধারণক্ষমতা অনুসারে ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম শ্রেণীর প্রত্যেক বিস্ফোরকের প্রতি ১০০০ কেজি বা ইহার অংশবিশেষের জন্য ২,০০০.০০ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৯,০০০.০০ টাকা।
|
|
(খ) ৬ষ্ঠ শ্রেণীর প্রত্যেক বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে প্রতি ১০,০০০ মিটার/নম্বরে জন্য ১০,০০০.০০ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৯,০০০.০০ টাকা।
|
| ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক অধিকারে রাখা (ফরম ২৫ ব্যতীত অন্য ফরম) |
(ক) লাইসেন্সের ধারণক্ষমতা অনুসারে ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম শ্রেণীর প্রত্যেক বিস্ফোরকের প্রতি ১০০০ কেজি বা উহার অংশবিশেষের জন্য ১,০০০.০০ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৯,০০০.০০ টাকা।
(খ) ৬ষ্ঠ শ্রেণীর প্রত্যেক বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে প্রতি ১০,০০০ মিটার/নম্বরের জন্য ৫০০.০০ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৯,০০০.০০ টাকা।
|
| বিস্ফোরক অধিকারে রাখা এবং বিক্রয়ের জন্য (ফরম ২৩) |
২,০০০.০০ টাকা। |
| বিস্ফোরক পরিবহনের জন্য (ফরম ১৮) |
২,০০০.০০ টাকা। |
| সড়ক যানের জন্য (ফরম ১৯) |
৩,০০০.০০ টাকা। |
প্রত্যেকটি লাইসেন্সের জন্য নিম্নলিখিত ফি প্রদেয় হইবে-
|
|
| (ক) বিস্ফোরক আমদানির জন্য (ফরম ১৭) |
৩,০০০.০০ টাকা। |
| (খ) প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে আতশবাজি ব্যবহার ও অধিকারে রাখিবার জন্য (ফরম ২৫) |
১,০০০.০০ টাকা। |
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
কর্মকর্তাদের ক্ষমতা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
![কর্মকর্তাদের ক্ষমতা । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৮৩-১৮৪]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
কর্মকর্তাদের ক্ষমতা
১৮৩। অনুসন্ধান ও জব্দকরণের ক্ষমতা:
(১) নিম্নোক্ত সারনীর প্রথম কলামে উল্লিখিত যে কোন কর্মকর্তা উক্ত সারনীর দ্বিতীয় কলামে উল্লিখিত এলাকায়-
(ক) এই বিধিমালার অধীন মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্স বলে যে স্থানে, যানে বা আধারে বিস্ফোরক প্রস্তুত, অধিকারে রাখা, ব্যবহার, বিক্রয়, পরিবহন বা আমদানি করা হয় অথবা এই আইন বা বিধিমালার লঙ্ঘনক্রমে বিস্ফোরক উৎপাদন, অধিকারে রাখা, ব্যবহার, বিক্রয়, পরিবহন বা আমদানি করা হইতেছে এইরূপ বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকিলে এইরূপ স্থানে, যানে বা আধারে প্রবেশ, পরিদর্শন বা পরীক্ষণ করিতে পারিবেন;
(খ) বিস্ফোরক দ্রব্য অনুসন্ধান করিতে পারিবেন;
(গ) প্রাপ্ত বিস্ফোরকের নমুনা নিতে পারিবেন এবং নমুনা নেওয়ার সময় মূল্য পরিশোধের দাবি করা হইলে তাহা তাহাকে পরিশোধ করিতে হইবে; এবং
(ঘ) সেখানে প্রাপ্ত যে কোন বিস্ফোরক জব্দ, আটক বা অপসারণ করিতে পারিবেন যদি তিনি মনে করেন যে, আইন বা বিধিমালার লঙ্ঘন করা হইয়াছে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
সারণী
| কর্মকর্তাবৃন্দ |
স্থানসমূহ |
| প্রধান পরিদর্শক, বিস্ফোরক পরিদর্শক এবং সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক |
সমগ্র বাংলাদেশ |
| সকল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট |
স্বস্ব জেলা |
| জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ সকল ম্যাজিস্ট্রেট |
স্ব স্ব অধিক্ষেত্র |
| মেট্রোপলিটন এলাকায়, পুলিশ কমিশনার ও তাঁহার অধীন এমন সকল পুলিশ কর্মকর্তা যাহাদের পদমর্যাদা ইন্সপেক্টরের নিচে নহে |
সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন এলাকা |
| মেট্রোপলিটন এলাকা ব্যতীত অন্যান্য এলাকায় সকল পুলিশ কর্মকর্তা যাহাদের পদমর্যাদা ইন্সপেক্টরের নিচে নহে। |
স্বস্ব এলাকা। |
(২) প্রধান পরিদর্শক ব্যতীত অন্য কোন কর্মকর্তা যখন কোন বিস্ফোরক জব্দ, আটক বা অপসারণ করিবেন তখন তিনি তৎক্ষণাৎ সম্ভাব্য দ্রুততম পন্থায় প্রধান পরিদর্শককে ঘটনা অবহিত করিবেন। ইহাছাড়া জেলা কর্তৃপক্ষ ব্যতীত যদি অন্য কোন কর্মকর্তা কোন বিস্ফোরক জব্দ বা আটক করেন তবে তিনি তাহা সংশ্লিষ্ট জেলা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।
![কর্মকর্তাদের ক্ষমতা । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৮৩-১৮৪]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2024/01/আইন-৩.jpg)
১৮৪। নিষিদ্ধ বিস্ফোরক বিনষ্টের ক্ষমতা:
(১) (ক) প্রধান পরিদর্শক অথবা কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক নিম্নোক্ত যে কোন বিস্ফোরক বিনষ্ট করিবেন, যথা: (অ) আইনের ধারা ৬ অনুসারে যাহা তৈরি, অধিকারে রাখা বা আমদানি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ; বা
(আ) এই বিধির অধীন লাইসেন্স ছাড়া অবৈধভাবে ৫ম শ্রেণীর (ফালমিনেট) বিস্ফোরক প্রস্তুত, অধিকারে রাখা, ব্যবহার, বিক্রয়, পরিবহন বা আমদানি করা হয়;
(খ) যদি মনে করেন যে, আইন এবং বিধিমালার কোন বিধান লঙ্ঘন করা হইয়াছে তবে তিনি বিস্ফোরক ধ্বংস অথবা বিপদমুক্ত করিতে পারিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত বা জরুরি ক্ষেত্র ব্যতীত প্রধান পরিদর্শকের অনুমতি ব্যতীত কোন পরিদর্শক কর্তৃক বিস্ফোরক বিনষ্ট বা বিপদমুক্ত করা যাইবে না।
(২) কোন বিস্ফোরক উপ-বিধি (১) অনুযায়ী বিনষ্ট কিংবা বিকল করা হইলে তখন উহার নমুনা রাখিতে হইবে এবং প্রয়োজনে নমুনার একটি অংশ এর মালিককে প্রদান করিতে এবং এই জেলা কর্তৃপক্ষকে তৎক্ষণাৎ অবহিত করিতে হইবে।
বিস্ফোরক বিধিমালা দণ্ড
অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
![বিস্ফোরক বিধিমালা দণ্ড। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৮৫-১৮৮]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
১৮৫। বিধি লঙ্ঘন সম্পর্কিত রিপোর্ট এর উপর ব্যবস্থা গ্রহণঃ
যখন আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘনের কোন রিপোর্ট প্রধান পরিদর্শকের পক্ষ হইতে জেলা কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয় তখন জেলা কর্তৃপক্ষ উক্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রধান পরিদর্শককে অবহিত করিবেন।
১৮৬। দণ্ডঃ
(১) কোন ব্যক্তি এই বিধিমালার কোন বিধান লঙ্ঘনক্রমে কোন বিস্ফোরক প্রস্তুত, অধিকারে রাখা, ব্যবহার, বিক্রয়, পরিবহন অথবা আমদানি করিলে কিংবা অন্যবিধভাবে এই বিধিমালার কোন বিধান বা লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন করিলে উহা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হইবে, যাহার জন্য-
(ক) বিস্ফোরক তৈরি, ব্যবহার বা আমদানির ক্ষেত্রে তিনি অন্যূন ২ বৎসর কিন্তু অনধিক ১০ বৎসর কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে অতিরিক্ত ১ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) বিস্ফোরক বিক্রয় বা পরিবহনের ক্ষেত্রে তিনি অন্যূন ১ বৎসর কিন্তু অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ড এবং ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অনাদায়ে অতিরিক্ত অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার ক্ষেত্রে তিনি অন্যূন ৬ মাস কিন্তু অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড এবং ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অনাদায়ে অতিরিক্ত অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন;
(ঘ) অন্যান্য ক্ষেত্রে তিনি অন্যূন ৩ মাস কিন্তু অনধিক ২ বৎসর কারাদণ্ড এবং ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অনাদায়ে অতিরিক্ত অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
১৮৭। জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে অব্যাহতি:
এই বিধিমালার কোন বিধান লঙ্ঘন সত্ত্বেও বিস্ফোরক পরিবহন যানের মালিক বা মাস্টার অথবা বিস্ফোরকের দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হইবেন না, যদি-
(ক) অনুরূপ লঙ্ঘন যুক্তিসঙ্গত ও যথাযথ কারণে যেমন খারাপ আবহাওয়া, অনিবার্য দুর্ঘটনা বা অন্য কোন জরুরি অবস্থায় ঘটে;
(খ) অনুরূপ মালিক, মাস্টার অথবা অন্য ব্যক্তি মালের প্রেরকের বা অন্য ব্যক্তির আচরণ, অবহেলা অথবা দোষের কারণে বিধান মানিয়া চলিতে বাধাগ্রস্ত হয় অথবা যাহার নিকট মাল পাঠানো হইয়াছে তাহার অথবা অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অযৌক্তিকভাবে উহা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানো হইলে।

১৮৮। অব্যাহতির ক্ষমতা:
যুক্তিগ্রাহ্য কারণে সরকার, প্রধান পরিদর্শকের সুপারিশক্রমে, বিশেষ ক্ষেত্রে শর্তযুক্ত বা শর্তহীনভাবে কোন ব্যক্তির জন্য এ বিধিমালার সকল বা কোন একটি বিধান অথবা লাইসেন্সের কোন শর্তের প্রতিপালন করা হইবে তাঁহাকে অব্যাহতি দিতে পারিবে।
দুর্ঘটনা এবং তদন্ত – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
![দুর্ঘটনা এবং তদন্ত । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ধারা ১৮৯-১৯১]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
দুর্ঘটনা এবং তদন্ত
১৮৯। দুর্ঘটনার নোটিসঃ
দুর্ঘটনার নোটিস এই আইনের ধারা ৮(১) অনুযায়ী তৎক্ষণাৎ-
(ক) টেলিফোন, টেলিগ্রাম বা অন্য কোন পন্থায় সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে প্রধান পরিদর্শককে অবহিত করতে হইবে; এবং পরবর্তীতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পত্রের মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিতে হইবে;
(খ) সংক্ষিপ্ততম পথে নিকটবর্তী পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করিতে হইবে। প্রধান পরিদর্শক অথবা তাহার প্রতিনিধি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করা পর্যন্ত প্রধান পরিদর্শক আর কোন তদন্ত বা পরীক্ষাকার্য চালাইতে ইচ্ছুক নন, এই মর্মে কোন নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত আহত ব্যক্তির উদ্ধারকার্য বা দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির অপসারণ ব্যতীত দুর্ঘটনাস্থলের ধ্বংসাবশেষ অপরিবর্তিত অবস্থায় রাখিতে হইবে।

১৯০। দুর্ঘটনার তদন্তঃ
(১) প্রধান পরিদর্শক ইচ্ছুক হইলে সার্ভিস প্রধানের সহিত সম্মিলিতভাবে তদন্ত কোর্টে প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত হওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন, ইহাছাড়া কম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কোর্টের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান পরিদর্শককে অবহিত করা হইবে। সার্ভিস প্রধান জরুরি ক্ষেত্রে আহ্বানকৃত তদন্ত কোর্টের তলব এর বিষয়ে প্রধান পরিদর্শককে বিস্তারিতভাবে অবহিত করিবেন।
(২) প্রধান পরিদর্শক ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকিতে পারেন অথবা প্রতিনিধি পাঠাইতে পারেন উভয় ক্ষেত্রে প্রয়োজনে তাঁহার সাক্ষীকে জেরা করিবার অধিকার থাকিবে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
১৯১। মারাত্মক দুর্ঘটনার তদন্তঃ
(১) যখন কোন তদন্ত এই আইনের ধারা ৯(ক) অনুযায়ী শুরু করা হয় তখন তদন্ত কাজে নিযুক্ত ব্যক্তি এমনভাবে কোর্টের সম্মুখে তদন্ত পরিচালনা করিবেন যাহাতে দুর্ঘটনার কারণ ও অবস্থাদি সম্পর্কে যথাসাধ্য অবহিত হওয়া যায় এবং তদানুযায়ী প্রয়োজনীয় রিপোর্ট তৈরি করা যায়:
তবে শর্ত থাকে যে, সরকারি নির্দেশ থাকিলে গোপনে তদন্ত কার্য পরিচালনা করা যাইবে।
(২) সাক্ষী কোর্টে সাক্ষী দেওয়ার জন্য সাধারণ কোর্টে যে পরিমাণ ব্যয়ভার প্রাপ্ত হইবেন এখানেও তদ্রূপ পাইবেন, তবে মতানৈক্য হইলে কোর্টের সুপারিশক্রমে তাহা স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পেশ করা হইবে এবং তিনি সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করিবেন।
(৩) এই আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এইরূপ তদন্তের সমস্ত ব্যয়ভাতা যাহা অনুসন্ধান বা তদন্তের সময় সংঘটিত হইবে তাহা বিস্ফোরক বিভাগের ব্যয়ভাতা হিসাবে গণ্য হইবে।
বিবিধ বিস্ফোরক বিধিমালা – অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।

বিবিধ বিস্ফোরক বিধিমালা
১৯২। বিপজ্জনক কার্যকলাপ:
(১) একজন বিস্ফোরক পরিদর্শক যেখানে বিস্ফোরক প্রস্তুত, অধিকারে রাখা, অথবা বিক্রি করা হয় অথবা এ সম্পর্কিত কোন কর্মকাণ্ডের সহিত সংশ্লিষ্ট কিংবা বিস্ফোরক দ্রব্য পরিবহনের সহিত সংযুক্ত কোন কারখানা, বিস্ফোরক দ্রব্যের গুদাম ও স্থান দেখিতে পান, যাহা তাহার অভিমতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিপজ্জনক ও ত্রুটিযুক্ত বা জনসাধারণের নিরাপত্তা বা কোন ব্যক্তির নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, তখন পরিদর্শক এই ধরনের কারখানা, ম্যাগাজিন বা স্থানের অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের মালিককে প্রয়োজনয় প্রতিকারের নিমিত্তে, নির্দিষ্ট সময় আরোপ করিয়া আদেশ জারি করিতে পারিবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন জারিকৃত আদেশপ্রাপ্ত হইলে, উক্ত মালিক ন পরিদর্শকের নিকট আদেশে উল্লিখিত নির্দিষ্ট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য। আপীল প্রধান করিতে পারিবেন। এই আপীলের বিপরীতে প্রধান পরিদর্শকের জারিকৃত আদেশই চূড়ান্ত হইবে।

(৩) উপ-বিধি (২) এর অধীন আপীল করা হইলে লিখিতভাবে এবং যে আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হইয়াছে তাহার একটি কপি সংযুক্ত করিতে হইবে।
(৪) যদি কোন ব্যক্তি বা মালিক উপ-বিধি (১) এর অধীন বাধিয়া দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী অথবা উপ-বিধি (২) এর অধীন আপীলের ফলে প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক আদেশে উল্লিখিত সময়ে কার্য সম্পাদনে ব্যর্থ হয় তাহা হইলে তিনি এই বিধি লঙ্ঘন করিবার দায়ে অভিযুক্ত হইবেন।

১৯৩। রহিতকরণ এবং হেফাজতঃ
(১) Explosives Rules, 1940 এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত Rules এর অধীনকৃত কোন কার্যক্রম বা গৃহীত কোন ব্যবস্থা এই বিধিমালার অধীনকৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
বিবিধ তফসিলগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- বিবিধ তফসিল ১। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ২। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৩ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৪ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৫ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৬ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৭ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৮ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
এই সংস্করণে আরো সুন্দর ভাবে রূপ দেওয়া হইয়াছে। আইনটি সর্বশেষ সংশোধনসহ প্রকাশ করা হইয়াছে। পূর্বে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহের শেষে বাংলাদেশের উচ্চতর আদালতের উভয় বিভাগের সিদ্ধান্ত গুলি আইনের ধারা ওয়ারী ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধি মালার শেষেও নূতন করে বিধিওয়ারী সর্বশেষ সিদ্ধান্তগুলি ইংরেজী ভাষায় সংযোজন করা হয়েছে। ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনটিকে সংশোধন করিয়া উহার শেষে ধারাওয়ারী উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তগুলি সুন্দর ভাবে ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

বিবিধ তফসিল ১
| শ্রেণী |
নাম |
সংজ্ঞা |
|
| ১ |
২ |
৩ |
8 |
| ১ |
গান পাউডার |
গান পাউডার অর্থ সাধারণ গান পাউডার।
|
|
| ২ |
নাইট্রেট মিশ্রণ |
নাইট্রেট মিশ্রণ, গান পাউডার ব্যতীত এমন একটি মিশ্রণ যাহা নাইট্রেটের সহিত বিস্ফোরকের বৈশিষ্ট্যবিহীন অঙ্গার বা অঙ্গারপূর্ণ (carbon-aceous) বস্তুর যান্ত্রিকভাবেকৃত মিশ্রণ বুঝাইবে যাহার সহিত সালফার। যোগ করা হউক বা না হউক এবং উক্ত মিশ্রণে অন্য কোন
|
|
| শ্রেণী |
|
|
|
|
|
নন-এক্সপ্লোসিভস পদার্থ যান্ত্রিকভাবে মিশ্রিত থাকুক বা না থাকুক। এই তফসিলে সংজ্ঞায়িত কোন ক্লোরেট মিশ্রণ, ফালমিনেট বা নাইট্রোযৌগ ব্যতীত পার-ক্লোরেটযুক্ত বিস্ফোরক এই মিশ্রণের অন্তর্ভুক্ত হইবে।
|
|
| ৩ |
নাইট্রোযৌগ |
নাইট্রোযৌগ বলিতে এমন একটি রাসায়নিক যৌগকে বুঝায় যাহাতে বিস্ফোরকের বৈশিষ্ট্য থাকে অথবা যাহা কোন ধাতুর সহিত মিশ্রিত হইয়া কোন বিস্ফোরক যৌগ প্রস্তুত করিতে পারে। উক্ত যৌগ নাইট্রিক এসিডের সহিত রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় (যাহাতে সালফিউরিক এসিড মিশ্রিত থাকিতে পারে) বা নাইট্রেটের সহিত সালফিউরিক এসিডের যান্ত্রিক মিশ্রণ দ্বারা প্রস্তুত করা হয়। |
বিভাগ ১: কোন রাসায়নিক
যৌগ বা যান্ত্রিকভাবে প্রস্তুতকৃত মিশ্রণ যাহা আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নাইট্রোগ্লিসারিন বা অন্য কোন তরল নাইট্রোযৌগ দ্বারা গঠিত, যেমন- ব্যালিস্টিক, ব্লাস্টিং জিলেটিন, কর্ডাইট, ডিনামাইট, জিলেটিন ডিনামাইট, জেলিগ-নাইট, ইত্যাদি।
|
|
|
|
বিভাগ ২: বিভাগ ১ এর
আওতা বহির্ভূত সকল নাইট্রোযৌগ, যেমন- অ্যামোনাল ই; সি; স্পোর্টিং পাউডার, গানকটন, পিকরিক এসিড, ট্রাই-নাইট্রো টলুইন (টি. এন. টি) ইত্যাদি।
|
| ৪ |
ক্লোরেট মিশ্রণ |
ক্লোরেট মিশ্রিত কোন রাসায়নিক পদার্থকে “ক্লোরেট মিশ্রণ” বলে। |
বিভাগ ১: ক্লোরেটযুক্ত
বিস্ফোরক যাহা ডাংশিক নাইট্রোগ্লিসারিন বা অন্য কোন তরল নাইট্রোযৌগ দ্বারা গঠিত।
|
|
|
|
বিভাগ ২: বিভাগ ১ এর
আওতা বহির্ভূত সকল ক্লোরেট মিশ্রণ।
|
| ৫ |
ফালমিনেট |
“ফালমিনেট” বলিতে এমন কোন রাসায়নিক যৌগ অথবা মিশ্রণকে বুঝায় যাহা ডেটোনেশনে সংবেদনশীলতার কারণে পারকাশন ক্যাপে ব্যবহার উপযোগী। উক্তরূপ বিস্ফোরকের মাত্রাতিরিক্ত সংবেদনশীলতার কারণে অতি সহজে ডেটোনেশনের মাধ্যমে বিস্ফোরক ঘটাইতে সক্ষম বিধায় উহা অত্যন্ত বিপজ্জনক। অতি অল্প উত্তেজনায় উহা বিভাজিত হইয়া যায়। |
বিভাগ ১ : ঐ সকল যৌগ
যেমন-মারকারি ও সিলভারের ফালমিনেট এবং সে সকল বিস্ফোরক বস্তু যাহা পারকাশন ক্যাপে ব্যবহৃত হয় এবং অঙ্গারপূর্ণ
(Carbonanceous) বস্তুর সংযোজন ব্যতীত ফসফরাস বা ফসফরাসের অন্যবিধ যৌগের সহিত ক্লোরেটের সংমিশ্রণ; এবং অঙ্গারপূর্ণ বস্তুর সংযোগে ব্যতিরেকে সালফার বা সালফিউরেটের সহিত
ক্লোরেটের মিশ্রণ।
|
|
|
 |
বিভাগ ২ : ঐ সকল পদার্থ যেমন-নাইট্রোজেনের
ক্লোরাইড ও আয়োডাইড, সোনা ও রূপার ফালমিনেট এবং ডায়াজো বেনজল ও ডায়াজো বেনজলের নাইট্রেট।
|
| ৬ |
গোলা বারুদ (অ্যামিউ- নিশন) |
গোলা বারুদ (অ্যামিউনিশন) বলিতে এমন একটি বিস্ফোরককে বুঝায় যাহা পূর্বে উল্লিখিত যে কোন শ্রেণীর বিস্ফোরককে কোন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশে আবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয় অথবা কোন বিস্ফোরককে অন্য কোনোভাবে প্রস্তুত করিয়া |
বিভাগ ১ : সেফটি কার্টিজ,
ব্লাস্টিং এর জন্য সেফটি ফিউজ, রেলওয়ের ফগ সিগন্যাল ও পারকাশন ক্যাপ।
বিভাগ ২ : কোন অ্যামুনিশন
যাহার নিজস্ব প্রজ্বলন (ignition) ব্যবস্থা নাই এবং যাহা বিভাগ ১ এর আওতা বহির্ভূত, যেমন- সেফটি কার্তুজ ব্যতীত ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্রে ব্যবহৃত কার্তুজ এবং কামানের গোলায় এবং টর্পেডোতে ব্যবহৃত
|
|
|
(ক) কোন ক্ষুদ্র অস্ত্র, কামান অথবা অন্য কোন অস্ত্র-শস্ত্রে কার্টিজ অথবা চার্জ হিসেবে ব্যবহার করা হয়; অথবা |
বিস্ফোরকযুক্ত চার্জ, ব্যবহৃত সকল বিস্ফোরক, বিস্ফোরক ফায়ারিং এর জন্য ব্যবহৃত নল, নিজস্ব প্রজ্বলন ব্যবস্থা নাই এমন যুদ্ধের রকেট।
|
|
|
(খ) কোন সেফটি ফিউজ অথবা ব্লাস্টিংয়ের জন্য সেফটি ফিউজ অথবা গোলা তৈরি করা হয়; অথবা |
বিভাগ ৩: কোন অ্যামুনিশন
যাহার নিজস্ব প্রজ্বলন ব্যবস্থা আছে এবং বিভাগ ১ এর আওতা বহির্ভূত, যেমন- ডেটোনেটর, সেফটি ফিউজ নহে ব্লাস্টিং এর জন্য ব্যবহৃত এমন ফিউজ ও বিস্ফোরক ফায়ারিং এর জন্য ব্যবহৃত নল যাহার নিজস্ব প্রজ্বলন ব্যবস্থা আছে।
|
|
|
(গ) পারকাশন ক্যাপ, ডেটোনেটর, ফগ সিগন্যাল, শেল, টর্পেডো, ওয়ার রকেট এবং আতশবাজি ব্যতীত অন্য কোন গোলাবারুদ তৈরি করিতে ব্যবহার করা হয়। |
টীকা: অ্যামুনিশনে “নিজস্ব প্রজ্বলন
ব্যবস্থা” বলিতে বুঝাইবে এমন ব্যবস্থা থাকিবে যাহা অ্যামুনিশনের সহিত যুক্ত বা উহার গঠনের অংশবিশেষ যাহার মাধ্যমে অ্যামুনিশনকে ঘর্ষণের মাধ্যমে বা আঘাতের মাধ্যমে বিস্ফোরণ বা ফায়ার করা যায়।
|
|
|
|
“পারকাশন ক্যাপ” বলিতে ডেটোনেটর বুঝাইবে না।
|
| ৭ |
আতশ- বাজি |
আতশবাজি আতশবাজির বলিতে উপাদান (firework composition) এবং উৎপাদিত আতশবাজি (manufactured fireworks) বোঝায়। |
বিভাগ ১: আতশবাজির উপাদান (firework composition) অর্থাৎ কোন রাসায়নিক যৌগ বা বিস্ফোরক। বা প্রজ্বলনীয় প্রকৃতির উপাদানের যান্ত্রিক মিশ্রণ যাহা উৎপাদিত আতশবাজি তৈরির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় এবং উহা ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর বহির্ভূত বিস্ফোরক, সকল স্টার এবং (এ বিধিমালার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে ঘোষিত বস্তু ব্যতীত) সকল রঙিন আলো তৈরির উপাদান।
|
|
|
|
বিভাগ ২: উৎপাদিত আতশবাজি
(manufactured fireworks) অর্থাৎ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ বা ৬ষ্ঠ শ্রেণীর বিস্ফোরক এবং সকল আতশবাজির উপাদান, যখন এ সকল বিস্ফোরক বা উপাদান কোষ বা খাপে আবদ্ধ করা হয়, অথবা অন্যবিধভাবে অভিযোজিত বা প্রস্তুতকৃত হয় যাহা স্কুইব, চাইনিজ ক্র্যাকারসহ ক্র্যাকার, টয়ক্যাপ বা অ্যামোর্স, সার্পেন্টস, রকেট (যুদ্ধ রকেট ব্যতীত), মেরুন, লেন্স হুইল, চায়না ফায়ার, রোমান ক্যান্ডেল বা অন্য কোন বিশেষ বস্তু যাহা বিশেষভাবে পাইরোটেকনিক। ক্রিয়া বা পাইরোটেকনিক সিগন্যাল সাউন্ড সিগন্যাল তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়:
|
|
|
|
তবে শর্ত থাকে যে, স্বতস্ফূর্তভাবে প্রজ্বলিত হয় না। এমন ধরনের ৫০০ গ্রামের কম পরিমাণ রঙিন আলো উৎপাদনকারী উপাদান মজবুতভাবে নির্মিত ও বায়ুরোধী দৃঢ়ভাবে আটকানো ধাতব পাত্রে বহন করিলে উহাকে “উৎপাদিত আতশবাজি” বলিয়া গণ্য হইবে এবং উহাকে “উৎপাদিত আতশবাজি” বলিয়া গণ্য হইবে না।
|
|
|
|
বিভাগ-২ তিনটি উপ-বিভাগে বিভক্ত-
|
|
|
|
উপ-বিভাগ-১ : তুলনামূলকভাবে কম বিপজ্জনক মাত্রার আতশবাজি যাহা সশব্দে বিস্ফোরিত হয় না, যেমন- স্পার্কলার।
|
|
|
|
উপ-বিভিাগ-২: বেশি মাত্রার
বিপজ্জনক আতশবাজি, যেমন- রকেট, সারপেন্ট, সেল, ম্যারুন হুইল, ব্যারেজ ডিসট্রেস সিগন্যাল ইত্যাদি।
|
|
|
|
উপ-বিভাগ-৩: প্রদর্শনীর
উদ্দেশ্যে সম্পর্ণরূপে প্রদর্শন স্থানে সংযোজিত আতশবাজি।
|

বিবিধ তফসিলগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- বিবিধ তফসিল ২। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৩ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৪ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৫ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৬ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৭ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৮ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
বিবিধ তফসিল ২
[বিধি ৮ দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরকের মোড়ক
(১) এই তফসিলে, প্রসঙ্গের পরিপন্থী না হইলে বহিঃমোড়ক বলিতে এমন শক্ত গঠন ও গুণসম্পন্ন বাক্স, ব্যারেল, লোহা বা কাঠের সিলিন্ডার, ধাতব বা অন্য শক্ত বস্তু বুঝাইবে যাহা বিস্ফোরককে ছড়াইয়া পড়া হইতে, দুর্ঘটনা বা ভাঙিয়া পড়া হইতে অনিরাপদ রাখিতে বা নষ্ট হওয়া হইতে রক্ষা করিতে সক্ষম।
আন্তঃমোড়ক বলিতে এমন শক্ত খাঁচা, থলে, পেটী বা অন্য কোন পাত্র যাহা এমনভাবে বন্ধ থাকিবে যাহাতে বিস্ফোরক বাহিরে ছড়াইয়া পড়িতে না পারে। বিস্ফোরক কোন নির্দিষ্ট শ্রেণী বা কোন শ্রেণীর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত তাহার প্রাচুর্যের জন্য তফসিল ১ এর উল্লিখিত শ্রেণীবিভাগ অনুসরণ করিতে হইবে।
প্রপেলেন্ট অর্থ প্রাধিকারপ্রাপ্ত ৩য় শ্রেণীর (নাইট্রেট গ্রুপ) উপযোগী বিস্ফোরক এবং যাহা একান্তভাবে কামান বা ক্ষুদ্র অস্ত্রের যন্ত্রের জন্য প্রপালেন্ট হিসেবে ব্যবহার্য।

(২) মোড়কের অভ্যন্তরভাগ মসৃণ, ধারালো ও শক্ত বস্তু মুক্ত এবং পরিষ্কার হইতে। হইবে।
(৩) এই তফসিলে সংযুক্ত ছকে উল্লিখিত মোড়ক তৈরিতে এমন লোহা বা স্টীল ব্যবহার করা যাইবে না যদি না উহা এমন উপযুক্ত বস্তু দ্বারা আবৃত থাকে যাহাতে লোহা বা স্টীল বিস্ফোরকের সংস্পর্শে না আসে।
৪) কোন মোড়ক একবার কোন বিস্ফোরকের মোড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হইলে উহাকে পুনরায় অন্য কোন বিস্ফোরকের বা অন্য বস্তুর মোড়ক হিসেবে ব্যবহার করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, এই অনুচ্ছেদে উল্লিখিত বিষয় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অন্তরায় হইবে না; যদি-
(ক) অভ্যন্তরীণ মোড়কে গান পাউডার বা অন্য প্রপালেন্টের সহিত অন্য একটি অভ্যন্তরীণ মোড়কের প্রপালেন্ট একত্রে বহিঃমোড়কে মোড়কবদ্ধ করা হয়; বা

(খ) একই মোড়কে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর (অ্যামুনেশন) ১ম বিভাগের বিস্ফোরকের সহিত একত্রে বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ড ঘটাইতে সক্ষম নয়; অথবা দাহ্য বা বিস্ফোরক নয় এমন বস্তু মোড়কবদ্ধ করা হয়।
(৫) প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক লিখিতভাবে কোন কারণে সুস্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা না হইলে অতিরিক্ত বহিঃমোড়ক বা আন্তঃমোড়ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই তফসিল বাধা হইবে না।
(৬) উল্লিখিত বিধি-বিধান সাপেক্ষে কলাম (২) এ উল্লিখিত শ্রেণী ও বিভাগের প্রাধিকারপ্রাপ্ত বিস্ফোরকসমূহ সন্নিবেশিত ছকের (৩) নং কলামে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মোড়কবন্দি করিতে হইবে এবং প্রতি একক মোড়কে সর্বোচ্চ পরিমাণ কলাম (৪) ও
(৫) এ উল্লিখিত পরিমাণের বেশি হইবে না।
| ক্র নং |
শ্রেণী |
মোড়ক পদ্ধতি |
প্রতি বহিঃমোড়কের পরিমাণ |
|
| ১ |
২ |
৩ |
8 |
৫ |
| ১ |
শ্রেণী-১ |
৩ কেজির অতিরিক্ত হইলে, দুই স্তর বিশিষ্ট মোড়কে থাকিবে সেই ক্ষেত্রে এই তফসিলের অনুচ্ছেদ (১) এর বর্ণনানুযায়ী হইবে। |
৫০ কেজি |
৫০ কেজি |
|
|
|
|
তবে শর্ত থাকে যে, গান পাউডার ও প্রপালেন্ট একত্রে মোড়ক করা হইলে নিম্নোক্ত পরিমাণের বেশি অতিক্রম করিবে না।
|
|
|
|
২৫ কেজি |
১৩ কেজি |
| ২ |
শ্রেণী-২ |
১ম শ্রেণীর ন্যায় |
২৫ কেজি |
২৫ কেজি |
| ৩ |
শ্রেণী-৩ বিভাগ-১ প্রপালেন্ট ব্যতীত |
১ম শ্রেণীর ন্যায়। তবে শর্ত: থাকে যে, আন্তঃ বা বহিঃমোড়ক খুব ভালভাবে জলনিরোধী হইবে। এবং নিম্নবর্ণিত ব্যতিক্রম ছাড়া মোড়ক তৈরিতে কোন ধাতব পদার্থ ব্যবহার করা যাইবে না। |
২৫ কেজি |
২৫ কেজি |
|
|
ব্যতিক্রম:
(১) বহিঃমোড়কে নিরাপদ করিবার লক্ষ্যে ব্রাশ, বা অন্য কোন নরম ধাতব পেরেক বা এইরূপ ধাতুর আবরণযুক্ত পেরেক ব্যবহার করা, এবং
|
|
|
|
|
২) আন্তঃমোড়ককে নিরাপদ করিবার লক্ষ্যে ধাতব তার দ্বারা সেলাই করা যাইবে তবে পুরু কার্ডবোড বা অন্যভাবে ভিতরের বিস্ফোরক এমনভাবে পৃথক করিতে হইবে যাহাতে বিস্ফোরক ধাতব তারের সংস্পর্শে আসে।
|
|
|
| 8 |
শ্রেণী-৩
বিভাগ-১
প্রপালেন্ট |
১ম শ্রেণীর ন্যায় |
২৫ কেজি |
২৫ কেজি |
| ৫ |
শ্রেণী-৩
বিভাগ-২
ভিজা
গানকটন
পিকরিক
এসিড
ব্যতীত |
১ম শ্রেণীর ন্যায় |
২৫ কেজি |
২৫ কেজি |
| ৬ |
পিকরিক এসিড |
১ম শ্রেণীর ন্যায় |
অনির্দিষ্ট |
অনির্দিষ্ট |
| ৭ |
কোন ভাবেই প্রজ্বলনীয় নয় পানি দ্বারা সিক্ত
এমন গানকটন। |
১ম শ্রেণীর ন্যায়; তবে শর্ত
থাকে যে বহিঃ বা আন্তঃমোড়ক বা উভয়ই এমন ধরনের বা এমনভাবে বন্ধ থাকিবে যাহাতে ভিতরের স্তর জলীয় বাষ্প নির্গত হওয়া প্রতিরোধ করিতে সক্ষম হয়। |
অনির্দিষ্ট |
অনির্দিষ্ট |
| ৮ |
শ্রেণী-৪ বিভাগ-১ |
প্রপালেন্ট ব্যতীত শ্রেণী-৩ বিভাগ-১ এর ন্যায় |
২৫ কেজি |
২৫ কেজি |
| ৯ |
শ্রেণী-৪ বিভাগ-২ |
১ম শ্রেণীর ন্যায় |
২৫ কেজি |
২৫ কেজি |
| ১০ |
শ্রেণী-৫ |
পানির মধ্যে মোড়কবন্দী করিতে হইবে। তিন স্তর বিশিষ্ট মোড়ক, যাহার সর্ব ভিতরের মোড়কটি পানিতে ভেদ্য যাহা পর্যাপ্ত পানি ভর্তি একটি খাঁচাতে এমনভাবে বন্ধ থাকিবে যাহাতে বিস্ফোরকগুলি পর্যাপ্ত পানিপূর্ণ বহিঃমোড়কে এমনভাবে থাকে যাহাতে খাঁচার চতুর্দিকে পর্যাপ্ত পানি থাকে এবং বহিঃমোড়ক এমনভাবে নির্মিত হইবে যাহাতে পানি কোনোভাবে বাহির হইতে না পারে। যদি বিস্ফোরকগুলি এমন ধরনের হয় যে, উহাকে সম্পূর্ণ সিক্ত অবস্থায় মোড়কবন্দী করা যায় না; সেইক্ষেত্রে প্রধান পরিদর্শকের নির্দেশিত শর্ত অনুযায়ী মোড়কবন্দী করিতে হইবে। |
১০০ কেজি |
১৩ কেজি |
| ১১ |
শ্রেণী-৬ বিভাগ-১ পিস্তলের পিন-ফায়ার কার্তুজ ব্যতীত |
অনির্দিষ্ট |
|
|
|
পিস্তলে পিন ফায়ার কার্তুজ |
৫০টি |
|
|
|
|
২৫০০টি |
৫০টি |
|
| ১২ |
শ্রেণী-৬
বিভাগ-২ |
বিস্ফোরক যখন কার্তুজ হিসেবে তৈরি অবস্থায় থাকে বা কামানের চার্জ, সেল, টর্পেডো, মাইন, ব্লাস্টিং এর জন্য বা একই ধরনের প্রয়োজনে তৈরি থাকে সেই ক্ষেত্রে একই পরিমাণ ও প্রস্তুতকৃত নয় এমন বিস্ফোরক যেই পদ্ধতিতে ও পরিমাণে মোড়কবন্দী করা। হইত সেই পরিমাণ ও পদ্ধতিতে মোড়কবন্দী করিতে হইবে;
|
|
|
|
|
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে দুই স্তর বিশিষ্ট মোড়ক প্রয়োজন সেখানে কার্তুজ বা চার্জের সংলগ্ন খাঁচা যদি ভিতরের মোড়কের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে তাহা হইলে উক্ত অবস্থাকে ভিতরের মোড়ক ধরা যাইবে। এই বিভাগের অন্য অ্যামুনিশনের জন্য একক
বহি: মোড়ক। |
৫০ কেজি |
|
| ১৩ |
শ্রেণী-৬ বিভাগ-৩ ডেটোনেটর এবং ইলেকট্রিক ডেটোনেটর ব্যতীত |
১ম শ্রেণীর ন্যায় :
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত এবং ১.২৭ সে.মি. কেলিবারের ঊর্ধ্বের বুলেটযুক্ত কার্তুজ এমনভাবে মোড়কবন্দী থাকিবে যাহাতে বুলেটের সূঁচাল প্রান্ত কার্তুজের ক্যাপের সংস্পর্শে না আসে। |
২৫ কেজি |
|
| ১৪ |
ডেটোনেটর |
(ক) প্রতি চালানে ১০০০ এর বেশি নহেঃ ১ম শ্রেণীর ন্যায়। তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃমোড়কের দেয়াল এবং ডেটোনেটরের মাঝের খালি জায়গা এবং ডেটোনেটরগুলি যতদূর সম্ভব বাস্তবসম্মত পন্থায় সূক্ষ্ম কাঠের গুঁড়া বা অনুরূপ বস্তু দ্বারা পূর্ণ থাকিবে। পশম বা উহার ন্যায় নরম বস্তু সকল ডেটোনেটরের দুই প্রান্তে স্থাপন করিতে হইবে এবং আন্তঃমোড়কে ডেটোনেটর এমন নিরাপদ পদ্ধতিতে স্থাপন করিতে হইবে যাহাতে ডেটোনেটরের দুই প্রান্ত তুলা বা অন্য নরম বস্তুর মধ্যে থাকে। যদি আন্তঃমোড়ক ধাতব হয় তাহা হইলে উহার ভিতরের অংশ কাগজ বা অন্য নরম বস্তু দ্বারা ভালভাবে আবৃত থাকিবে। |
১০০০ টি |
১০০টি |
|
|
(খ) ১০০০টি ডেটোনেটরের অধিক; ডেটোনেটরকে পূর্বের বর্ণনা মত আন্তঃমোড়কের ভিতর তুলা বা কাঠের গুঁড়ার মধ্যে রাখিতে হইবে। আন্তঃমোড়ককে একটি শক্ত কাঠের বা ধাতব খাঁচার মধ্যে ভালভাবে আবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে যাহাতে ভিতরের মোড়ক বাহির হইতে না পারে। উক্ত খাঁচাকে বহিঃমোড়কের ভিতর এমন নিরাপদ পদ্ধতিতে রাখিতে হইবে যাহাতে খাঁচা ও বহিঃমোড়কের ভিতরের দেয়ালের মধ্যে সকল দিকে অন্যূন ৭৫ মি.মি. ফাঁকা জায়গা থাকে। খাঁচাকে বহিঃমোড়কের ভিতর ঠিক অবস্থানে রাখিবার জন্য উক্ত ফাঁকা জায়গা রাখিলে উক্ত জায়গা কাঠের গুঁড়া, খড় বা অনুরূপ পদার্থ দ্বারা পূর্ণ থাকে।
|
|
|
|
|
(গ) ৫০০০টির বেশি মোড়কবন্দী করিবার ক্ষেত্রে বাহিরের মোড়কে এমন ব্যবস্থা রাখিতে হইবে যাহাতে বাক্সকে সহজে ও নিরাপদে নাড়াচাড়া বা বহন করা যায়। |
১০,০০০টি |
১০০টি |
| ১৫ |
বৈদ্যুতিক
ডেটো-
নেটর |
১ম শ্রেণীর ন্যায়; তবে শর্ত থাকে যে, যখন বহি: মোড়কে রাখা ডেটোনেটরের সংখ্যা ৩০০০ অতিক্রম করে সেই ক্ষেত্রে বহি: মোড়কে এমন ব্যবস্থা রাখিতে হইবে যাহাতে সহজে ও নিরাপদে নাড়াচাড়া বা বহন করা যায়। |
৫০০০টি |
১০০টি |
| ১৬ |
শ্রেণী-৭
বিভাগ-১ |
দুইটি মোড়ক, ভিতরের মোড়ক বায়ুরোধী ও বন্ধ থাকিবে এবং পূর্বের বর্ণনামত একটি বহি: মোড়কের ভিতর থাকিবে। |
১০ কেজি |
০.৫ কেজি |
| ১৭ |
শ্রেণী-৭
বিভাগ-২ |
একক বহি:মোড়ক, তবে শর্ত থাকে যে, এই তফসিলের অনুচ্ছেদ (৩) এই শ্রেণী ও বিভাগের বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না। |
৫০ কেজি |
|

বিবিধ তফসিলগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- বিবিধ তফসিল ১। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৩ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৪ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৫ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৬ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৭ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৮ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৩
অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
বিধি ২৩ দ্রষ্টব্য]
পরীক্ষণ পদ্ধতি
তৃতীয় শ্রেণীর (নাইট্রো-যৌগ) অথবা ৪র্থ শ্রেণীর (ক্লোরেট মিশ্রণ) বিস্ফোরকসমূহের প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এই তফসিলের উল্লিখিত পরীক্ষাসমূহে উত্তীর্ণ হইতে হইবে:
প্রযোজ্য বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে তাপ পরীক্ষা:

১। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল
বিনির্দেশ নমুনা নম্বর
ক |
উপকরণ |
|
| 1 |
এসেটিক এসিড ৫৬.৮ সিসি বোতল |
১ |
| 2 |
ব্যালান্স |
১ |
| 3 |
পানির বাথ |
১ |
| 4 |
পানির বাথ, পানি গরমের জন্য |
১ |
| 5 |
বীকার, গ্লাস, ১.৫ লিটার |
১ |
| 6 |
বোতল, ড্রপিং, বাদামী গ্লাস, ২৮.৪ সিসি বোতল গ্লিসারিন ও পানির মিশ্রণের জন্য |
১ |
| 7 |
বোতল, গ্লাস স্টপার, বাদামী গ্লাস, ২৮.৪ সিসি ১ বোতল (ঈষৎ রঙিন আদর্শ কাগজের জন্য)
|
|
| 8 |
বোতল, গ্লাস স্টপার, বাদামী গ্লাস, ৫৬.৮ সিসি (পরীক্ষণ কাগজের জন্য) |
১ |
| 9 |
ব্রাশ, পরিষ্কারের জন্য |
২ |
| 10 |
ব্রাশ, পরিষ্কারের জন্য, পরীক্ষানল |
১ |
| 11 |
বার্ণার, গ্যাস, আর্গন্ড এবং পর্দা |
১ |
| 12 |
ক্যাপস (পরীক্ষানলের জন্য) |
পর্যাপ্ত সরবরাহ |
| 13 |
চক, ফ্রেঞ্চ |
পর্যাপ্ত সরবরাহ |
| 14 |
চিমটা, উত্তালক, তাপ, পরীক্ষণ কাগজ |
১ |
| 15 |
ফানেল, অ্যালুমিনিয়াম |
১ |
| 16 |
ফানেল, গ্লাস |
১ |
| 17 |
গ্লিসারিন ২৮.৪ সিসি বোতল |
১ |
| 18 |
ছুরি, কর্ডাইট বিস্ফোরক |
১ |
| 19 |
চাকনি, পানি বাথ |
১ |
| 20 |
যাঁতাকল, ক্যরডাইট (cordite) |
১ |
| 21 |
সূচ, ছিদ্রকরণ, তাপ পরীক্ষা কাগজ |
১ |
| 22 |
ওভেন, পানি |
১ |
| 23 |
ফিল্টার পেপার |
পর্যাপ্ত সরবরাহ |
| 24 |
ফিল্টার পেপার, ৫.৫ সি.মি. |
১ |
| 25 |
ঈষৎ রঙিন আদর্শ কাগজ |
১ |
| 26 |
কাগজ, পরীক্ষা |
১ |
| 27 |
পেসল এবং মর্টার, গোজ কাঠ |
১ |
| 28 |
প্লেট, গ্লাস, ছিদ্রকরণের সময় উত্তপ্ত কাগজ |
১ |
| 29 |
রাখিবার পরীক্ষা |
১ |
| 30 |
রিং, রাবার, পরীক্ষানল |
পর্যাপ্ত সরবরাহ |
| 31 |
রড, গ্লাস, সমতল প্রান্তযুক্ত |
১ |
| 32 |
রড, গ্লাস, প্লাটিনাম তারের হুক |
১ |
| 33 |
স্কুপ, অ্যালুমিনিয়াম |
১ |
| 34 |
পর্দা, পানি বাথের জন্য বার্ণার |
১ |
| 35 |
চালুনি (ঝাঝারি), আয়তাকার, সরু পিতলের |
১ |
| 36 |
তারযুক্ত |
১ |
| 37 |
চারুনি, গোলাকার পিতলের ঢাকনাযুক্ত |
একসেট |
| 38 |
স্পাচুলা হর্ণ |
১ |
| 39 |
স্ট্যান্ড, তাপ পরীক্ষানল |
১ |
| 40 |
স্ট্যান্ড, পানি-বাথ |
১ |
| 41 |
স্টপার, ছিদ্রযুক্ত রাবার |
১ |
| 42 |
থার্মোমিটার, গ্লাস এবং কাঠের বাক্স |
১ |
| 43 |
ট্রে, অ্যালুমিনিয়াম |
১ |
| 44 |
ট্রে, কর্ডাইট বিস্ফোরক ছুরি |
১ |
| 45 |
নল, তাপ পরীক্ষা |
পর্যাপ্ত সরবরাহ |
| 46 |
নল, ঈষৎ রঙিন আদর্শ কাগজ |
১ |
| 47 |
টিউবিং রাবার, আরগও গ্যাস বার্ণার |
পর্যাপ্ত লম্বা |
| 48 |
বিশুদ্ধ পানি |
পর্যাপ্ত সরবরাহ |
| 49 |
ওজন (পরিমাপক) বাক্সে গ্রাম ওজন এবং চিমটা |
একসেট |
বিনির্দেশনা
বিনির্দেশ-ক
এসেটিক এসিড হইবে স্বচ্ছ, বর্ণহীন, সব ধরনের অপদ্রব্য মুক্ত এবং ইহাতে CH3 COOH এর পরিমাণ ৯৬% এর কম হইবে না যখন ১৫°C তাপমাত্রায় এইরূপ এসেটিক এসিডের ১০০ সিসি এর মধ্যে N/১০ মাত্রায় ১ সিসি পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবণ যোগ করা হয়, তখন দ্রবণটির বৈশিষ্ট্যপূর্ণ রঙের স্থায়ীত্ব ১৫ মিনিটের চেয়ে কম হইবে না।
এক আয়তন এসেটিক এসিডের সহিত চার আয়তন বিশুদ্ধ পানি যোগে উৎপন্ন লঘু এসেটিক এসিড দ্রবণের এক ফোঁটা কাঁচ দণ্ডের সাহায্যে সদ্য প্রস্তুত পটাশিয়াম আয়োডাইড স্টার্চ কাগজের উপর ধরিলে কোন রঙ উৎপন্ন করে না।
বিনির্দেশ-খ
চক, ফ্রেঞ্চ
ফ্রেঞ্চ চকের বর্ণ আদর্শ নমুনার অনুরূপ হইবে এবং ইহা ০.৫% এর অধিক জলীয় বাষ্প ধারণ করিবে না।
ফ্রেঞ্চ চকের আয়তন এমন হইবে; যাহার ২৫ সিসির ওজন ২৩.৫ + ১.০ গ্রাম হইবে। ইহা নিম্নরূপে নির্ধারণ করা যাইবে:
একটি কাঁচের ফানেল, যাহার দৈর্ঘ্য ১১ সে.মি. নলের ভিতরের দিকে ৮ মি.মি. হইতে ক্রমশ: সরু হইয়া নিচের দিকে ৫ মি.মি একটি ৫০ সি.সি সিলিন্ডারের উপর লম্বভাবে ক্লাম্পের সহিত এমনভাবে আটকানো হয় যাহাতে ফানেলের শেষ প্রান্ত হইতে ৭ সে.মি নিচে সিলিন্ডারের মুখ থাকে। ভিত্তি প্রান্তযুক্ত এই সিলিন্ডারের ভিতরের ব্যাস হইবে ২.৫ সে.মি। ফ্রেঞ্চ চকের গুড়া ফানেলের মধ্যে ধীরে ধীরে ঢালা হয় এবং সিলিন্ডারটি উপচিয়ে না পড়া পর্যন্ত ঢালা অব্যাহত থাকে। ইহা ১ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করা উচিত। সিলিন্ডারটি কোনোরূপ না ঝাঁকায়ে অথবা ঠেসে না ঢুকিয়ে সিলিন্ডারের – মুখ বরাবর চকের তল সমান করিতে হইবে। অত:পর চকসহ সিলিন্ডারের ওজন পরিমাপ করিতে হইবে।
ফ্রেঞ্চ চকের গুড়া এমন মিহি হইবে যাহাতে প্রতি বর্গ সে.মি এ ৬৪০০ ফাঁকের ০.০৭৫ মি.মি ব্যাসযুক্ত তারের চালুনির মধ্য দিয়া বিনা ঘষায় ইহার সব অংশ অতিক্রম করে। CaCO3 হিসাবে হিসাবযোগ্য এমন দ্রবণীয় ক্ষারীয় দ্রবণ ফ্রেঞ্চ চকের মধ্যে ০.১% এর অধিক থাকিবে না। ইহা নিম্নরূপে নির্ধারণ করা হইল: ১০ গ্রাম চকের গুড়া ২৫০ সিসি পানির সহিত মিশাইয়া ১ মিনিট ধরিয়া ফুটানো হয়, পরিস্রাবন, ধৌতকরণ এবং পরিস্রতকে N/10 মাত্রায় হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সহিত বিক্রিয়া ঘটানো হয়।
তাপমাত্রায় (ওজন স্থির না হওয়া পর্যন্ত) শুকানোর পর ফ্রেঞ্চ চককে ২৪ ঘণ্টার জন্য ১৫°C-২০°C তাপমাত্রার সম্পৃক্ত পরিবেশে বেলজার এর নিচে ইহাকে অনাবৃত করিয়া রাখা হইলে উহা ০.৫% এর অধিক জলীয় বাষ্প শোষণ করে না।
বি:দ্র: তাপ পরীক্ষণে ব্যবহারের পূর্বে ফ্রেঞ্চ চক অতি সতর্কতার সহিত বিশুদ্ধ পানি দিয়া ধৌত করিয়া, ৬৫°C-৭০°C তাপমাত্রায় ওভেনে শুকানো হয় ও সম্পৃক্ত পরিবেশে ২৪ ঘণ্টার জন্য অনাবৃত করিয়া রাখা হয়। একটি ভাল কর্কযুক্ত বোতলে ইহা রাখা হয়।
বিনির্দেশ-গ
গ্লিসারিন
গ্লিসারিন সর্বোতভাবে ব্রিটিশ ফার্মাকোপিয়ার বিনির্দেশ (Specification) এর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হইবে।
বিনির্দেশ-ঘ
ফিল্টার পেপার
তাপ পরীক্ষা কাগজ তৈরির উপাদান হইবে উচ্চ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন বিশুদ্ধ সাধারণ কটন সেলুলোজের তৈরি যাহা পুরু এবং ভিন্ন আকৃতির হইবে না।
কাগজ প্রস্তুতির সময় যে কোন প্রকার কৃত্রিম তাপ প্রয়োগ করা হইবে না। কাগজের তল হইবে সাদা মসৃণ এবং উভয় পার্শ্বের তল যথাসম্ভব একই রকম হইবে। তত্ত্বর গড় দৈর্ঘ্য ২ ± ০.৫ মি.মি. হইবে। ১০টি কাগজের পাতা, Ciceri Sinith’s patent fixex pressure micrometer দিয়া পরিমাপের সময়, কাগজের পুরুত্ব হইবে ১.৮± ০.২ মি.মি। কাগজ তৈরির সর্বশেষ পর্যায়ে অতি বিশুদ্ধ পানি দিয়া সম্পূর্ণরূপে ধোয়া হয় এবং পরবর্তীতে বিশুদ্ধ পরিবেশে ইহার জলীয় বাষ্প শুকানো হয়।

কাগজ সব ধরনের রাসায়নিক পদার্থ অথবা অন্যান্য অপদ্রব্য, বিশেষ করিয়া এসিড, ক্লোরিন ও পারঅক্সাইড মুক্ত হইবে। ৩% কস্টিক সোডা দ্রবণের সহিত ৬০ মিনিট ধরিয়া ফুটাইলে কাগজের ওজন মূল ওজনের ৭৫% এর অধিক হারাইবে না। ফেলিং দ্রবণ দ্বিগুণ আয়তনের পাতিত পানির সাহায্যে পাতলা করিয়া উক্ত কাগজ এর সহিত মিশ্রিত করিয়া ১০° সে. তাপমাত্রায় কয়েক মিনিট উত্তপ্ত করিলে উক্ত কাগজের ওজন শতকরা ১.২৫ ভাগের বেশি কিউপ্রাস অক্সাইড (Cu2O) উৎপন্ন করিবে না।
৫০ সে.মি. দৈর্ঘ্য ও ১৫ সে.মি. প্রস্থ বিশিষ্ট আকারের শীর্ষে এবং ১টি শিটকে আলাদাভাবে বায়ুরোধী টিনের মোড়কে টিয়ার অব স্ট্রিপ দ্বারা আবদ্ধ রাখা হয়। ডিনামাইট হইতে নাইট্রোগ্লিসারিন আহরণে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৫.৫ সে.মি. ব্যাসের বৃত্তাকৃতির ও ১০০ টির আলাদা মোড়কে মোড়ককৃত থাকে।
বিনির্দেশ-ঙ
কাগজ, পরীক্ষা
কাগজ তৈরি ও পরীক্ষা প্রণালী পরিশিষ্ট ২ এ বর্ণনা করা হইয়াছে। চারটি কাগজের প্রতিটির দুই দিন ধরিয়া চারটি ধারাবাহিক পরীক্ষার মাধ্যমে কাগজের তাপীয় পরীক্ষা করা হয়। প্রতিটি পরীক্ষার গড় সময় ১৮.৫ ± ০.৭৫ মিনিট হইবে। একটি পরীক্ষা উহার গড় সময় থেকে দুই মিনিটের অধিক পার্থক্য হইলে উহাকে অস্বাভাবিক ধরা হইবে এবং উহা অগ্রহণযোগ্য হইবে। ৩২টি কাগজের পরীক্ষায় একের অধিক এইরূপ অস্বাভাবিক মান পাওয়া গেলে উক্ত ব্যাচটি বাদ দেওয়া হয়।
বিনির্দেশ-চ
আদর্শ ঈষৎ রঙিন কাগজ
আদর্শ ঈষৎ রঙিন কাগজ পরিশিষ্ট ১ এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে ও উল্লিখিত শর্ত অনুযায়ী হইবে।
২। প্রস্তুতকৃত নমুনা পরীক্ষণ:
প্রস্তুতকৃত নমুনা পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রস্তুতির সকল ধাপ যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করিতে হয়। কোনোরূপ আলোক সম্পাত ছাড়াই এবং নমুনা প্রস্তুত হওয়া মাত্রই এই পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। তাপ পরীক্ষার জন্য ০.৫ গ্রাম নমুনা যথেষ্ট। পরীক্ষা নলের শেষ প্রান্তের দাগের সহিত রাবার রিং যুক্ত আছে এমন পরীক্ষা নলের মধ্যে এই ওজন নেওয়া হয়। ৩য় শ্রেণীর বিভাগ-১ এর বিস্ফোরক:
(১) ভঙ্গুর নাইট্রো-গ্লিসারিন মিশ্রণ যাহা হইতে সহজে নাইট্রো-গ্লিসারিন বা তরল নাইট্রো-যৌগকে পানির সাহায্যে নিষ্কাশন করা যায় না:
(ক) পরীক্ষণীয় নমুনার একটি কার্টিজের এক প্রান্ত খোলা হয় এবং এক হাতে ঘোরানো হয়, যখন কার্টিজের অপর অংশ তর্জনী ও বৃদ্ধাঙ্গুলের সাহায্যে চাপ প্রয়োগে আলগা করা হয়। আলগা নমুনার প্রথম ১২.৭ মি.মি. বাদ দেওয়া হয়।
(খ) ইহার পর একটি হাতলযুক্ত পাত্রের উপর কার্টিজকে উপুড় করা হয় এবং এই সময় আলগাকরণ প্রক্রিয়া চলে যাহাতে বিস্ফোরকের অংশ হাতলযুক্ত পাত্রে স্থানান্তরিত হয়।
(গ) হাতলযুক্ত পাত্রে ৩.২ গ্রাম নমুনা ঢালিবার পর অ্যালুমিনিয়াম ফানেলের সাহায্যে তাপ পরীক্ষা নলের তলদেশে সমতল মাথাযুক্ত কাঁচদণ্ডের সাহায্যে মৃদুভাবে আঙ্গুলের টোকা দিয়া ৩ সে.মি. উচ্চতা পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এই অবস্থায় নমুনা, তাপ পরীক্ষার উপযুক্ত হয়।
(২) ব্ল্যাসটিং জিলাটিন, জিলাটিন এবং সমগোত্রীয় যৌগ প্রস্তুতি:
(ক) কার্তুজের মোড়ক খুলিবার পর স্পাচুলার সাহায্যে ১২.৭ মি.মি. নমুনা বাহির করিয়া বাদ দেওয়া হয়। আনুমানিক ৩.২ গ্রামের কাছাকাছি ওজনের একটি টুকরা পরীক্ষার জন্য কাটিয়া নেওয়া হয়। এই কাজের সময় নমুনাকে ইহার মোড়কের উপর শোয়ানো অবস্থায় রাখা হয় এবং এই ক্ষেত্রে নমুনায় সরাসরি হাত লাগানো হইতে বিরত থাকিতে হইবে।
(খ) হাতলযুক্ত পাত্রে নমুনার অংশ নেওয়ার পর উহাকে ওজন করা হয় এবং নমুনার ওজন ৩.২ গ্রাম না পাওয়া পর্যন্ত নমুনার টুকরা যোগ বা অপসারণ করা হয়। এই পরিমাণ নমুনা অত:পর মর্টারে স্থানান্তর করা হয়। স্পাচুলা ও হাতলযুক্ত পাত্র ব্যবহার করিয়া ৬.৫ গ্রাম ফ্রেঞ্চচক ওজন করিয়া মর্টারে স্থানান্তর করা হয়।
(গ) নমুনা মিহি গুড়া না হওয়া পর্যন্ত হামান দিস্তার ডাটির শেষ প্রান্তের সাহায্যে বার বার পিষিয়া ফ্রেঞ্চ চকের সহিত নমুনা মিশাইতে হইবে। সাধারণ নমুনার জন্য সাধারণত নিম্নবর্ণিত সময় প্রয়োজন হইবে:
ব্ল্যাসটিং জিলেটিন ১.৫ মিনিট
জিলেটিন ডিনামাইট ১ মিনিট
জিলেটিন এবং ৬৩% এর কম
নাইট্রো-গ্লিসারিন সমন্বিত অনুরূপ বিস্ফোরক ০.৫ মিনিট
পরবর্তী ০.৫ মিনিট সময়ে হামান দিস্তার সাহায্যে চক্রাকারে সঞ্চালনের মাধ্যমে মিশ্রণ গুঁড়া করা হয় এবং ইহা সমস্বত্ব মিশ্রণ হইতে হইবে।
(ঘ) হর্ণ স্পাচুলা ও অ্যালুমিনিয়াম ফানেলের সাহায্যে এই মিশ্রণ পরীক্ষা নলে স্থানান্তরিত করা হয় এবং একটি কাঁচদণ্ডের সাহায্যে মৃদুভাবে চাপিয়া নমুনার উচ্চতা ৫ সে.মি. করা হয়। এইভাবে নমুনা তাপ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতকৃত হয়।
(ঙ) নমুনা চূর্ণ করিবার পর হামান দিস্তার ডাটি ও পেয়ারা (মর্টার) ট্যাপের পানি দিয়া ভালভাবে ধৌত করা হয়। বিশুদ্ধ পানি দিয়া আবারও ধৌত করা হয়। পরিষ্কার তোয়ালে দিয়া মুছিয়া শুকানো হয়। অবশেষে ১০০° সে. তাপমাত্রায় একটি বাথে শুকানো হয় এবং পুনরায় ব্যবহারের আগ পর্যন্ত ইহা সাধারণ তাপমাত্রায় শীতল করা হয়।
(৩) শ্রেণী ৩, বিভাগ ১ এর অন্তর্ভুক্ত কর্ডাইট, ব্লাসটাইট এবং অন্যান্য প্রোপেল্যান্টসমূহ:
(ক) দণ্ড বা নলাকৃতির বিস্ফোরক:
(অ) অপারেটরের হাত সতর্কতার সহিত সাধারণ পানিতে ধৌত করিয়া পুনরায় ভালভাবে বিশুদ্ধ পানি দিয়া ধৌত করা হয় এবং পরিষ্কার তোয়ালে দিয়া মুছে শুকানো হয়:
(আ) এরপর পরীক্ষণীয় দণ্ড বা টিউবকে পরিষ্কার ফিল্টার পেপার দিয়া মোছা হয়;
(ই) নমুনা, কর্ডাইট মিলে বিচূর্ণ করিবার উপযুক্ত অবস্থায় আনয়নের লক্ষ্যে কর্ডাইট ছুরি দ্বারা এক ইঞ্চির আটভাগের একভাগ পরিমাণ টুকরা করিতে হইবে এবং পরীক্ষার জন্য নলাকৃতি বা দণ্ডাকৃতি নমুনার দুই প্রান্ত হইতে আধা ইঞ্চি পরিমাণ বাদ দিতে হইবে;
(ঈ) ঢাকনাযুক্ত চালুনি সেটের ঢাকনা অপসারণ করিয়া মিলের নিচে স্থাপন করা হয় যাহাতে চূর্ণকৃত দ্রব্য সরাসরি চালুনির উপর পড়ে;
(উ) কর্ডাইট ট্রে হইতে কাটা নমুনা মিলে স্থানান্তর করা হয় এবং গুড়া করা হয়। মিলের মধ্য দিয়া আসা নমুনার প্রথমাংশ বাদ দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ নমুনা লইতে হয় যাহাতে মিলে স্থানান্তরিত নমুনা, গুঁড়া করা ব্যতিরেকে দ্বিতীয় চালুনীতে যথেষ্ট পরিমাণ নমুনা গুড়া পাওয়া যায়;
(ঈ) চালুনী সেটের ঢাকনা পুন:স্থাপন করা হয় এবং এক মিনিট ধরিয়া নমুনা চালুনী দিয়া ঝাড়া হয়। দন্ডাকৃতি এবং নলাকৃতি নমুনা গুড়া যাহাদের ব্যাস প্রায় ০.৭৬২ মি.মি. এর কম সেইগুলি ব্যতীত দ্বিতীয় চালুনীর উপরে থেকে যাওয়া নমুনা তাপ পরীক্ষার জন্য লওয়া হয়;
(ঝ) চূর্ণকৃত ও চালুনীর সাহায্যে ঝাড়া ১.৬ গ্রাম নমুনা হাতলযুক্ত পাত্রে ওজন করিয়া অ্যালুমিনিয়াম ফানেলের মাধ্যমে তাপ পরীক্ষণ নলে স্থানান্তর করা হয় এবং আঙ্গুলের সাহায্যে মৃদুভাবে নলের পার্শ্বে আঙ্গুলের টোকা দিয়া নমুনা নলের তলদেশে সংগ্রহ করা হয়। একইভাবে তিনটি পরীক্ষার জন্য নমুনা ওজন করা হয়। এইভাবে নমুনা তাপ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হয়;
(এ) নমুনা প্রস্তুতির পূর্বে ও পরে চালুনী সেট এবং কর্ডাইট মিল ব্রাশের সাহায্যে পরিষ্কার করা হয়।
(খ) ক্ষুদ্র অস্ত্রের জন্য দানাদার বিস্ফোরক:
হাতলযুক্ত পাত্রে ১.৬ গ্রাম নমুনা ওজন করিয়া অ্যালুমিনিয়াম ফ্যানেলের মাধ্যমে তাপ পরীক্ষা নলে স্থানান্তর করা হয় এবং আঙ্গুলের সাহায্যে নলের পার্শ্বে মৃদুভাবে আঙ্গুলের টোকা দিয়া নমুনা নলের তলদেশে সংগ্রহ করা হয়। একইভাবে তিনটি পরীক্ষার জন্য নমুনা ওজন করা হয়। এইভাবে নমুনা তাপ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-১.jpeg)
তৃতীয় শ্রেণীর ২য় বিভাগের বিস্ফোরক
(১) নাইট্রো-সেলুলোজ পাম্প:
(ক) পরীক্ষক তাহার হাত সতর্কতার সহিত সাধারণ পানি দিয়া ধৌত করিবেন এবং পুনরায় বিশুদ্ধ পানি দিয়া ধৌত করিয়া পরিষ্কার তোয়ালে দিয়া মুছিয়া শুকাইবেন।
(খ) ছয়খানা পুরু ছাঁকন কাগজ একের উপর আরেকখানা স্থাপন করা হয়। যথেষ্ট পরিমাণ পরীক্ষণীয় নমুনা, চূড়ান্ত পেষণের পর প্রাপ্ত নমুনার প্রায় ৫.৬ গ্রাম, উপরের ছাঁকন কাগজের উপর ছাড়াইয়া দেওয়া হয়। এইভাবে নমুনার উপর আরও ছয়খানা ছাঁকন কাগজ স্থাপন করা হয়। এইগুলি একত্রে একটি হস্তচালিত স্কু প্রেস এর নিচে স্থাপন করা হয় এবং একটানা তিন মিনিট ধরিয়া চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রেস হইতে সরানোর পর ছাঁকন কাগজ হইতে নমুনা হাত দিয়া ঘষিয়া ঘষিয়া সংগ্রহ করা হয়। নমুনাকে একটি আয়তাকার চালুনীতে স্থানান্তর করা হয় এবং হাত দিয়া ঘষিয়া ঘষিয়া চালুনীর মধ্য দিয়া ছাঁকা হয়।
(গ) হাতলযুক্ত পাত্রে চালুনীর মাধ্যমে প্রাপ্ত ৫ গ্রাম নমুনা ওজন করা হয় এবং সমভাবে অ্যালুমিনিয়াম ট্রে’র উপর ছড়াইয়া দেওয়া হয়।
(ঘ) ৪৮.৯° সে. তাপমাত্রায় নিয়ন্ত্রিত একটি ওভেনের মধ্যে ট্রে স্থাপন করা হয় এবং দরজা বন্ধ করিয়া সেইখানে ১৫ মিনিটের জন্য রাখা হয়।
(ঙ) ওভেন থেকে ট্রেটিকে বাহির করিয়া আনা হয় এবং চালুনী সেটের উপরের চালুনীর উপর নমুনা স্থানান্তর করা হয়। চালুনীর ঢাকনা পুন:স্থাপন করা হয় এবং নমুনা দুই মিনিট ধরিয়া চালুনী দ্বারা ছাঁকা হয়। এ কাজের জন্য দ্বিতীয় চালুনী ব্যবহার করা হয় না।
(চ) উপরের চালুনীর মধ্য দিয়া প্রবাহিত নমুনার অংশ পুনরায় অ্যালুমিনিয়াম ট্রে’র উপর সমভাবে ছড়াইয়া দেওয়া হয় এবং ঘরের খোলা বাতাসে চার ঘণ্টার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
(ছ) হাতলযুক্ত পাত্রে উন্মুক্তভাবে রাখা নমুনার ১.৩ গ্রাম ওজন করা হয় এবং অ্যালুমিনিয়াম ফানেলের সাহায্যে একটি তাপ পরীক্ষা নলে স্থানান্তর করা হয়। এইভাবে ওজন করিয়া আরও দুইটি পরীক্ষার উপকরণ প্রস্তুত করা হয়। প্রতিক্ষেত্রে সমতল মাথাযুক্ত একটি কাঁচদণ্ডের সাহায্যে হালকাভাবে চাপিয়া নমুনা ৩ সেন্টিমিটার উঁচু করা হয়। এইভাবে নমুনা তাপ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
(জ) চালুনী দিয়া নমুনা ছাঁকার পূর্বে ও পরে তারের চালুনী ও চালুনী সেট ব্রাশ ( দিয়া ভালভাবে পরিষ্কার করা হয়।
(২) সংকুচিত গানকটন:
(ক) হর্ণ স্পাচুলার সাহায্যে ঘষিয়া ঘষিয়া প্রাইমারের বা গানকটন পাতের কেন্দ্র হইতে প্রায় ১০ গ্রাম গানকটন অপসারণ করা হয়।
(খ) দুই-তৃতীয়াংশ ঠান্ডা বিশুদ্ধ পানিপূর্ণ একটি কাঁচের বীকারে ঘর্ষণে প্রাপ্ত গানকটন যোগ করা হয়। সমতল মাথাযুক্ত একটি কাঁচদণ্ডের সাহায্যে পানির মধ্যে প্রায় ১৫ মিনিট ধরিয়া বারবার নাড়া হয় এবং ইহা থিতানোর জন্য রাখা হয়। উপর থেকে পানি ঢালিয়া ফেলা হয় এবং একই পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি যোগ করিয়া পূর্বের ন্যায় ১৫ মিনিট সময় ধরিয়া বারবার নাড়া হয়। থিতানোর পর দ্বিতীয় ধৌত পানি ঢালিয়া ফেলা হয়।
(গ) পরীক্ষক সতর্কভাবে তাহার হাত প্রথমে ট্যাপের পানি দিয়া ধৌত করিয়া পরে পাতিত পানি দিয়া ভালভাবে ধৌত করিবেন এবং হাত দিয়া নিংড়াইয়া অতিরিক্ত পানি অপসারণের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করিবেন।
(ঘ) ছয়খানা পুরু ছাঁকন কাগজ একের উপর আরেকখানা স্থাপন করা হয়। ধৌত গানকটন উপরের ছাঁকন কাগজের উপর ছড়াইয়া দেওয়া হয়। অন্য ছয়টি পুরু ছাঁকন কাগজ একইভাবে নমুনার উপর স্থাপন করা হয়। এইগুলি একসঙ্গে একটি হস্তচালিত স্ক্রু প্রেসের নিচে স্থাপন করিয়া একটানা তিন মিনিট চাপ প্রয়োগ করিতে হইবে। প্রেস হইতে সরানোর পর ছাঁকন কাগজ হইতে হাত দিয়া ঘষিয়া ঘষিয়া নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং এইগুলি নতুন পরিষ্কার ছাঁকন কাগজের উপর লইয়া পুনরায় একইভাবে ৩ মিনিট ধরিয়া চাপ প্রয়োগ করা হয়। এরপর নমুনাকে একটি আয়তকার চালুনীতে স্থানান্তর করা হয় এবং হাত দিয়া ঘষিয়া ঘষিয়া চালুনীর মধ্য দিয়া ছাঁকা হয়।
(ঙ) হাতলযুক্ত পাত্রে চালুনীর মাধ্যমে প্রাপ্ত নমুনা ৫ গ্রাম ওজন করা হয় এবং অ্যালুমিনিয়াম ট্রে’র উপর সমভাবে ছড়াইয়া দেওয়া হয়।
(চ) ৪১.৯° সে. তাপমাত্রায় নিয়ন্ত্রিত একটি ওভেনের মধ্যে ট্রে স্থাপন করা হয় এবং দরজা বন্ধ করিয়া সেইখানে ১৫ মিনিটের জন্য রাখা হয়।
(ছ) ট্রে ওভেন থেকে সরাইয়া আনা হয় এবং চালুনী সেটের উপরের চালুনীতে এই নমুনা স্থানান্তর করা হয়। চালুনীর ঢাকনা পুন:স্থাপন করা হয় এবং দুই মিনিট ধরিয়া চালুনীর সাহায্যে নমুনা ছাঁকা হয়। এই কাজে দ্বিতীয় চালুনী ব্যবহার করা হয় না।
(জ) উপরের চালুনীর মাধ্যমে প্রাপ্ত নমুনার অংশ অ্যালুমিনিয়াম ট্রে’র উপর সমভাবে ছড়াইয়া দেওয়া হয় এবং ঘরের বায়ুতে চার ঘণ্টার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
(ঝ) হাতলযুক্ত পাত্রে উন্মুক্ত নমুনার ১.৩ গ্রাম ওজন করা হয় এবং অ্যালুমিনিয়াম ফানেলের মাধ্যমে তাপ পরীক্ষণ নলে স্থানান্তর করা হয়। এইভাবে ওজন করিয়া আরও দুইটি পরীক্ষার উপকরণ প্রস্তুত করা হয়। প্রতিক্ষেত্রে সমতল মাথাযুক্ত একটি কাঁচদন্ডের সাহায্যে হালকাভাবে চাপিয়া নমুনা ৩ সে.মি. উঁচু করা হয়। এইভাবে নমুনা তাপ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
(ঞ) চালুনী দিয়া নমুনা ছাঁকার পূর্বে ও পরে তারের চালুনী ও চালুনীসেট পরিষ্কার করিবার ব্রাশ দিয়া ভালভাবে পরিষ্কার করা হয়।
(৩) নাইট্রো সেলুলোজ প্রোপাল্যান্ট :
(ক) দন্ডাকৃতি বা নলাকৃতির বিস্ফোরক:
(অ) পরীক্ষক তাহার হাত সতর্কভাবে ধৌত করিবেন এবং বিশুদ্ধ পানি দিয়া পুন:ধৌত করিবার পর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়া মুছিয়া শুকাইবেন।
(আ) পরীক্ষণীয় দণ্ডাকৃতি বা নলাকৃতি বিস্ফোরক পরিষ্কার ছাঁকন কাগজ দিয়া মুছিতে হইবে।
(ই) নমুনা কর্ডাইট মিলে বিচূর্ণ করিবার উপযুক্ত অবস্থায় আনয়নের লক্ষ্যে কর্ডাইট ছুরি দ্বারা প্রায় ৩.১৭৫ মি.মি. টুকরা করিতে হইবে এবং পরীক্ষার জন্য নলাকৃতি বা দণ্ডাকৃতি নমুনার দুই প্রান্ত হইতে ১.২৭ মি.মি. পরিমাণ বাদ দিতে হইবে।
(ঈ) ঢাকনাযুক্ত চালুনী সেটের ঢাকনা অপসারণ করিয়া মিলের নিচে স্থাপন করা হয় যাহাতে চূর্ণকৃত দ্রব্য সরাসরি চালুনীর উপর পড়ে।
(উ) কর্ডাইট ট্রে হইতে কাটা নমুনা মিলে স্থানান্তর করা হয় এবং গুড়া করা হয়। মিলের মধ্য দিয়া আসা নমুনার প্রথমাংশ বাদ দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ নমুনা লইতে হয় যাহাতে মিলে সরবরাহকৃত নমুনা গুঁড়া করা ব্যতিরেকে দ্বিতীয় চালুনীতে যথেষ্ট পরিমাণ নমুনা গুড়া পাওয়া যায়।
(উ) চালুনী সেট পুন:স্থাপন করা হয় এবং ১ মিনিট ধরিয়া চালুনী দিয়া নমুনা ছাঁকা হয়। দন্ডাকৃতি বা নলাকৃতির নমুনা যাহাদের ব্যাস ০.৭৬২ মি.মি এর চেয়ে কম সেইগুলি ব্যতীত দ্বিতীয় চালুনির উপর থাকিয়া যাওয়া নমুনা তাপ পরীক্ষার জন্য লওয়া হয়।
(ঋ) চূর্ণকৃত ও চালুনীয় সাহায্যে ছাঁকনকৃত ১.৬ গ্রাম নমুনা হাতলযুক্ত পাত্রে ওজন করিয়া অ্যালুমিনিয়াম ফানেলের মাধ্যমে তাপ পরীক্ষণ নলে স্থানান্তর করা হয় এবং আঙ্গুলের সাহায্যে মৃদুভাবে নলের পাশে চাপ দিয়া নমুনা নলের তলদেশে সংগ্রহ করা হয়। একইভাবে ৩টি পরীক্ষার জন্য নমুনা ওজন করা হয়। এইভাবে নমুনা তাপ পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত হয়।
(এ) প্রতি নমুনা প্রস্তুতির পূর্বে ও পরে চালুনী সেট এবং কর্ডাইট মিল পরিষ্কার করা ব্রাশ দিয়া ভালভাবে পরিষ্কার করা হয়।
(খ) ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্রের জন্য দানাদার আকৃতির বিস্ফোরক:
(অ) পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ নমুনা একটি অ্যালুমিনিয়াম ট্রে’র উপর সমভাবে ছড়াইয়া দেওয়া হয়।
(আ) ৪৮.৯° সে. (১২০° ফাঃ) তাপমাত্রায় নিয়ন্ত্রিত একটি ওভেনের মধ্যে ট্রে স্থাপন করা হয় এবং দরজা বন্ধ করিয়া সেইখানে ১৫ মিনিটের জন্য রাখা হয়।
(ই) ওভেন থেকে ট্রে বাহির করিয়া আনা হয় এবং ঘরের বায়ুতে চার ঘণ্টার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
(ঈ) হাতলযুক্ত পাত্রে উন্মুক্ত নমুনার ১.৩ গ্রাম ওজন করা হয় এবং অ্যালুমিনিয়াম ফানেলের মাধ্যমে তাপ পরীক্ষা নলে স্থানান্তর করা হয়। এইভাবে আরও এইরূপ ৩টি পরীক্ষার জন্য নমুনা ওজন করা হয়। এইভাবে নমুনা তাপ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
৩। পরীক্ষার প্রয়োগ:
(ক) ওয়াটার বাথটি আনুভূমিকভাবে এবং যাহাতে সম্পূর্ণরূপে পানিপূর্ণ হয় এমনভাবে স্থাপন করিতে হইবে। উহা টেবিলের উপর এমন উচ্চতায় স্থাপন করিতে হইবে যাহাতে আলোর প্রতিফলন দ্বারা তাপ পরীক্ষায় উৎপন্ন রঙের আভা সহজে পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরীক্ষণীয় যন্ত্রপাতির কোন অংশই সরাসরি সূর্যালোকে উন্মুক্ত রাখা যাইবে না।
(খ) ওয়াটার বাথের ঢাকনার নিচে ৭.৬ সে.মি. গভীরতায় তারের খাঁচায় তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য রাবার স্টপারের মধ্যে স্থিরকৃত থার্মোমিটার অন্তঃপ্রবিষ্ট করা হয়। প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় পানি উত্তপ্ত করা হয় এবং নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ও গভীরতায় উহা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। টেবিল: ১ এ বিভিন্ন বিস্ফোরকের তাপমাত্রা দেওয়া আছে।
(গ) প্লাটিনাম তারের হুকযুক্ত কাঁচদণ্ড রাবার স্টপারের মধ্যে আন্ত:প্রবিষ্ট করা হয়। কাঁচের পিছনে রাখা একটি চিমটার সাহায্যে বাদামী কাঁচের বোতল হইতে পরীক্ষণীয় কাগজ অপসারণ করা হয় যাহাতে ইহার প্রান্তভাগ প্লেটের লাইনের সহিত মিলিত হয় এবং সূচের সাহায্যে কাগজ ছিদ্র করা হয়। চিমটার সাহায্যে পরীক্ষণীয় কাগজ ধরা হয় এবং সমআয়তনের গ্লিসারিন ও বিশুদ্ধ পানির মিশ্রণ ড্রপিং বোতলের কাঁচের দণ্ডের সাহায্যে পরীক্ষণীয় কাগজের উপরের প্রান্তে প্রয়োগ করা হয় যাহাতে পরীক্ষার শেষ সময়ের মধ্যে পরীক্ষণীয় কাগজের উপরের অর্ধাংশে প্রচুর পরিমাণে আর্দ্রতা থাকে। এরপর পরীক্ষণীয় কাগজের ছিদ্রের মধ্যে কাঁচদণ্ডের প্লাটিনাম তারের হুক প্রবেশ করানো হয়। এই কাজের সময় কোনোক্রমেই অপারেটর কাগজ স্পর্শ করিতে পারিবেন না।
(ঘ) কাঁচদও ধারণকারী রাবার স্টপার এবং পরীক্ষা কাগজ পরীক্ষণীয় বিস্ফোরক ( ধারণকারী পরীক্ষা নলের মধ্যে দৃঢ়ভাবে চাপ প্রয়োগ করা যতক্ষণ পর্যন্ত স্টপারের তলদেশ, পরীক্ষা নলের উপর দাগাঙ্কিত উপরের দাগের সহিত মিলিত হয় এবং কাঁচদণ্ডের অবস্থান ঠিক করা হয় যাহাতে পরীক্ষা কাগজের নীচের ভিজা আনুভূমিক পরীক্ষা নলের মধ্যভাগে দাগাঙ্কিত রেখার সহিত মিলিত হয়।
অত:পর পরীক্ষা নলটি ওয়াটার বাথের ঢাকনার তারের খাঁচার যে কোন একটির মধ্যে প্রবিষ্ট করানো হয় যাহাতে পরীক্ষা নলের তলদেশে দাগাঙ্কিত রেখা ঢাকনার উপরের পৃষ্ঠের সহিত মিলিত হয়। ওয়াটার বাথের উপর রাবারের রিংটি নিচের দিকে চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং নলের উপরে একটি ক্যাপ স্থাপন করা হয়। পরীক্ষা নলে রাখিতে হইবে এমন বিভিন্ন বিস্ফোরকের পরিমাণ সারণী-১ এ দেওয়া হইয়াছে। সারণী-১ এ উল্লিখিত বিস্ফোরক পরীক্ষার সময়ের সামান্য সময় পূর্বেও ঢাকনা তুলিয়া টেস্ট পেপার পর্যবেক্ষণ করা যাইবে না।
(ঙ) পরীক্ষা সম্পন্ন হইলে একটি নির্দিষ্ট সময় পরে পরীক্ষা কাগজের ভিজা ও শুষ্ক অংশের সীমানা অংশে হালকা বাদামী রেখা দেখা যায় যাহা আদর্শ রঙিন কাগজের সহিত একই গভীরতায় থাকে। পরীক্ষায় প্রদত্ত বিস্ফোরকের জন্য বাথের মধ্যে পরীক্ষা নল প্রবিষ্ট করানো ও আদর্শ ঈষৎ রং উৎপন্ন হওয়ার মধ্যবর্তী সময় টেবিল-১ প্রদত্ত সময়ের চেয়ে অবশ্যই কম হইবে না। পরীক্ষা শেষে পরীক্ষানল হইতে সতর্কভাবে বিস্ফোরক অপসারণ করা হয় এবং পরীক্ষানল ব্রাশের সাহায্যে ট্যাপের পানি দিয়া উত্তমরূপে ধৌত করা হয়।
এইগুলি তখন পানি দিয়া ঝাঁকানো হয় এবং কয়েক মিনিটের জন্য শুকানো হয়। নলগুলি বিশুদ্ধ পানি দিয়া পুনরায় ধৌত করা হয়। পানিপূর্ণ করিয়া ঝাঁকানো হয়। শুকানো হয় এবং সর্বশেষ একটি বাথে ১০০° সে. তাপমাত্রায় শুকানো হয়। পুনরায় ব্যবহারের পূর্বে এই পরীক্ষা নলগুলি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় শীতল করা হয়।
টেবিল ১
| শ্রেনী |
বিভাগ |
বিস্ফোরক প্রকৃতি |
তাপ পরীক্ষা বাথের তাপমাত্রা ডিগ্রি সে. |
তাপ পরীক্ষার বিস্ফোরকের পরিমাণ |
|
| ১ |
২ |
৩ |
8 |
৫ |
৬ |
| ৩ |
১ |
ভঙ্গুর নাইট্রোগ্লিসারিন প্রস্তুতি যাহা হইতে পানির সাহায্যে সহজভাবে নাইট্রোগ্লিসারিন নিষ্কাশন করা যায় না। |
৭১.১° সে. (১৬০° ফা.) |
৩.২ গ্রাম |
৭ মিনিট |
|
|
ব্ল্যাসটিং জিলেটিন এবং ইহার সমগোত্রক প্রস্তুতি। |
৭১.১° সে. (১৬০০ ফা.) |
৩.২ গ্রাম +৬.৫ গ্রাম ফ্রেঞ্চ চক |
১০ মিনিট |
|
|
কর্ডাইট, ব্যালিসটাইট এবং শ্রেণী ৩, বিভাগ ১ এর অন্যান্য প্রোপালেন্ট। |
৭১.১° সে. (১৬০০ ফা.) |
১.৬ গ্রাম |
১০ মিনিট |
|
২ |
নাইট্রো-সেলুলোজ পাল্প, সংকোচিত গানকটন। |
৭৬.৭° সে. (১৭০০ ফা.) |
১.৩ গ্রাম |
১০ মিনিট |
|
|
নাইট্রো-সেলুলোজ প্রোপালেন্ট |
৭৬.৭° সে. |
১.৩ গ্রাম |
১০০ মিনিট |
৪। ব্ল্যাসটিং জিলেটিন এবং ইহার সমগোত্রক প্রস্তুতির জন্য নিঃসরণ ও গলন পরীক্ষা।
গলনাঙ্ক পরীক্ষা
পরীক্ষণীয় কার্টিজ হইতে ব্ল্যাসটিং জিলেটিনের একটি সিলিন্ডার কাটা হয় যাহাতে সিলিন্ডারের দৈর্ঘ্য ইহার ব্যাসের সমান হয় এবং ইহার শেষ প্রান্ত সমতল হয়। কোন মোড়ক ছাড়াই সিলিন্ডারটির শেষ প্রান্ত একটি সমতল পৃষ্ঠের উপর রাখা হয় এবং ইহার কেন্দ্রের মধ্য দিয়া একটি পিন লম্বভাবে অতিক্রম করানো হয়।
এইরূপে সিলিন্ডারটি ২৯.৪° সে. তাপমাত্রার মধ্যে ধারাবাহিকভাবে ১৪৪ ঘণ্টার (ছয় দিন এবং রাত) জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় এবং এইরূপে উন্মুক্ত রাখিবার সময়ে সিলিন্ডারের উচ্চতা ইহার মূল উচ্চতার এক-চতুর্থাংশের চাইতে কম হইবে না এবং ইহার উপরের কাটা পৃষ্ঠতল পূর্বের ন্যায় সমতল হইবে এবং প্রান্তের তীক্ষ্ণতা বজায় থাকিবে।
বি:দ্র: যদি পরীক্ষণীয় ব্ল্যাসটিং জিলেটিন ও জিলেটিন ডিনামাইট সিলিন্ডারাকৃতির তৈরি না করা যায়, সেইক্ষেত্রে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হয়।
নি:সরণ পরীক্ষণের দায়িত্ব
ব্ল্যাস্টিং জিলেটিন অথবা যে কোন নাইট্রো গ্লিসারিনের জিলেটিন ডিনামাইট অথবা তরল নাইট্রো-যৌগ যে কোন শর্তাধীনে মজুদ, পরিবহণ অথবা ব্যবহার অথবা উক্ত দ্রব্যকে তিনটি ধারাবাহিক সময়ে পর পর শীতলীকরণ করা অথবা পূর্বে উল্লিখিত গলন প্রক্রিয়ার জন্য পৃথকভাবে ব্যবহার করা হইবে না।
৫। পিকরিক এসিড:
(১) পদার্থটিতে খনিজের ০.৩ অংশের অধিক খনিজ পদার্থ অথবা ৭১.১০° সে. (১৬০° ফা.) তাপমাত্রায় শুষ্ক অদাহ্য পদার্থের ওজনের বেশি হইবে না।
(২) ইহা যৎসামান্য পরিমাণের বেশি লেড ধারণ করিবে না।
(৩) এক শতাংশ শুষ্ক পদার্থে থাকিবে মোট ৩.৩ অংশ সালফিউরিক এসিড (মুক্ত এবং সংযুক্ত), যাহার মধ্যে মুক্ত সালফিউরিক এসিড ০.১ অংশের বেশি হইবে না।
(৪) ইহার গলনাঙ্ক ১২০° সে. হইতে ১২২.৮° সে. এর মধ্যে হওয়া উচিত।
৬। ক্লোশেট মিশ্রণের পরীক্ষণ:
পদার্থ বেশি সংবেদনশীল হইবে না এবং রাখিয়া দিলে সংবেদনশীলতা বৃদ্ধির প্রবণতা প্রদর্শন করিবে না। পদার্থটি ক্লোরেটের পরিমাণ হ্রাস করে এমন কোন পদার্থ অবশ্যই ধারণ করিবে না। পটাশিয়াম ক্লোরেট হিসাবে হিসাবকৃত ক্লোরেটের পরিমাণ ০.২৫% এর অধিক হইবে না। পদার্থটি মুক্ত এসিড অথবা মুক্ত এসিড উৎপন্নের জন্য উপযোগী এমন পদার্থ অবশ্যই ধারণ করিবে না।
নাইট্রো-যৌগ সমন্বিত ঐ ধরনের বিস্ফোরক, শ্রেণী ৩ এ অন্তর্ভুক্ত বিস্ফোরকের ন্যায় তাপ পরীক্ষা ব্যবহার করা যাইবে। নরম কাঠের তক্তার উপর একটি শলাকার সাহায্যে তির্যকভাবে আঘাত করা হইলে যদি এইগুলি আংশিকভাবে বিস্ফোরিত করা যায় তবে বিস্ফোরকগুলি খুবই সংবেদনশীল
হিসাবে বিবেচিত হইবে।
৭। PETN পেন্টা ইরাইথ্রিটল টেট্রানাইট্রেট:
(ক) তাপ পরীক্ষা:
যদি নমুনা শুকনো হয় তবে ইহা একটি পরিষ্কার কাগজের উপর স্থানান্তর করা হয় এবং ধূলাবালিমুক্ত স্থানে ভালভাবে মিশ্রিত করা হয়। তাপ পরীক্ষায় ব্যবহারের পূর্বে আর্দ্র পিইটিএন এর নমুনা সমতল তলাবিশিষ্ট পাত্রে নিয়া উন্মুক্ত রাখা হয় এবং ওজন স্থির না হওয়া পর্যন্ত পাত্রসহ নমুনাকে অনধিক ৬০° সে. তাপমাত্রায় একটি ওভেনে নিয়া শুষ্ক করা হয়।
অ্যালুমিনিয়াম ফানেলের সাহায্যে ১.৩ গ্রাম শুষ্ক নমুনা সতর্কভাবে একটি পরীক্ষানলে স্থানান্তর করা হয়। ফানেল হইতে অপসারণের পর আঙ্গুলের সাহায্যে চাপিয়া চাপিয়া নমুনাকে তাপ পরীক্ষা নলের তলদেশে সংগ্রহ করা হয়। এরপর ৭৬.৬° সে. তাপমাত্রায় ইহার তাপ পরীক্ষা করা হয় এবং পরীক্ষার সময় ১০ মিনিটের কম হইবে না।
(খ) অন্যান্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র:
(১) পিইটিএন সাদা স্ফটিকাকৃতির হইতে হইবে।
(২) ইহা কাঁকরকণা, দৃশ্যমান ভেজাল দ্রব্য এবং অপদ্রব্য মুক্ত হইতে হইবে।
(৩) গলনাঙ্ক-পিইটিএন এর গলনাঙ্ক ১৩৯° সে. হইতে ১৪২° সে. তাপমাত্রার মধ্যে হইবে।
(৪) অদ্রবণীয় পদার্থ: অ্যাসিটোনে অদ্রবণীয় পদার্থের মোট পরিমাণ ০.০৫% এর অধিক হইবে না।
(৫) উদ্বায়ী দ্রব্য: উদ্বায়ী পদার্থের পরিমাণ ০.১৫% এর অধিক হইবে না।
(৬) অম্লতা: নাইট্রিক এসিডের হিসাবে অম্লতা ০.০১% এর অধিক হইবে না।
(৭) ক্ষারকত্ব: সোডিয়াম কার্বনেটের হিসাবে ক্ষারকত্ব ০.০১% এর অধিক হইবে না।
(৮) নাইট্রোজেনের পরিমাণ: নাইট্রোজেনের পরিমাণ ১৭.৪০% এর কম এবং ২৭.৪০% এর অধিক হইবে না।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
পরিশিষ্ট-১ তফসিল-৩
আদর্শ ঈষৎ রঙিন কাগজ প্রস্তুতি:
০.৪৮ গ্রাম সবচেয়ে ভাল হলুদ গিরিমাটি (ওকাব), ০.২ গ্রাম আম্বার (বাদামী রং বিশেষ), ৫ গ্রাম ভাল সাদা গাম অ্যারাবিক আলাদাভাবে মর্টারে খুব ভালভাবে গুড়া করিয়া ১৫০ সি.সি. আয়তন বিশিষ্ট স্টপারযুক্ত বোতলে ওজন করা হয় এবং ১০০ সি.সি. পানি যোগ করা হয়। গাম দ্রবীভূত না হওয়া পর্যন্ত ঠান্ডায় সকল অংশ ঝাঁকানো হয়। সাসপেনসন আরও ভালভাবে ঝাঁকাইয়া এক ঘণ্টার জন্য স্থির রাখা হয়।
সাসপেনসনের কেন্দ্রস্থল হইতে একটি স্টাইলোগ্রাফিক কলাম পূর্ণ করা হয় এবং স্কেলের সহায়তায় স্পেসিফিকেশন ঘ ফিল্টার কাগজের একটি শীটের এক পৃষ্ঠে আড়াআড়িভাবে কতকগুলো রেখা টানা হয়। এরপর ২ সে.মি. দীর্ঘ ও ১ সে.মি. প্রস্থ বিশিষ্ট আয়তাকার দাগের মধ্যে কাগজের শীটটি কাটা হয়। প্রত্যেক লাইনের প্রস্থ ০.৫ মি.মি. এর কম এবং ১ মি.মি. এর অধিক হইবে না।
ঈষৎ রঙের দাগের গভীরতায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখিবার জন্য যে সকল ঈষৎ রঙ সমর্থনযোগ্য নহে, সেইগুলি বাতিলযোগ্য।
পরিশিষ্ট-২ তফসিল-৩
তাপ কাগজের প্রস্তুতি এবং পরীক্ষা:
পটাশিয়াম আয়োডাইড:
বাণিজ্যিকভাবে প্রাপ্ত বিশুদ্ধতম পটাশিয়াম আয়োডাইড ইথানল হইতে তিনবার পুন:স্ফটিকীকরণের মাধ্যমে পরিশোধন করা হয়, ইহার আয়তনের বিশ ভাগের এক ভাগ আয়তন বিশুদ্ধ পানি দিয়া লঘু করা হয়। ইহার স্কটিকগুলি যথাসম্ভব ছোট রাখা হয় এবং কাঁচের পিছনে রাখা একটি পরিষ্কার ফিল্টার কাগজের উপর ছড়াইয়া দেওয়া হয় এবং অন্ধকারে শুকানো হয়। শুকানোর পর এইগুলি একটি প্লাটিনাম ক্রসিবলের তলদেশে পাতলা স্তর করিয়া এবং বিশুদ্ধ অ্যালকোহল দ্বারা প্রজ্বলিত স্পিরিট ল্যাম্পের অনুজ্জল লাল শিখায় এক মিনিটের জন্য উত্তপ্ত করা হয়। ঠাণ্ডা করিবার পর স্টপারযুক্ত একটি বাদামী কাঁচের বোতলে স্কটিকগুলি স্থানান্তর করা হয় এবং ইহা হইতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ওজন করিয়া লওয়া হয়।
প্রতিবার ব্যবহারের পূর্বে উপরে বর্ণিত উপায়ে প্রতি ব্যাচ ফিল্টার কাগজের ব্যবহারের জন্য পটাশিয়াম আয়োডাইড প্রস্তুত করা হয়।
স্টার্চ:
ব্যবহৃত স্টার্চ হইবে সবচেয়ে ভাল ভূট্টা হইতে ময়দারূপে প্রাপ্ত স্টার্চ। ইহা ব্যবহারের পূর্বে ছয়বার বিশুদ্ধ পানি দিয়া ধৌত করিয়া আস্রাবন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশুদ্ধ করা হয়। এরপর ইহা একটি ছিদ্রযুক্ত পোরসেলিনের উপর রাখা হয়। অন্ধকারে উষ্ণ পরিবেশে শুষ্ক করা হয়। একটি বাদামী বোতলে মজুদ করা হয়, যাহা হইতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ওজন করিয়া লওয়া যায়।
ভিজানো দ্রবণ প্রস্তুতি:
জেনা গ্লাস ফ্লাক্সে ২২০ সি.সি. বিশুদ্ধ পানি নিয়া বিশুদ্ধ স্পিরিট দিয়া প্রজ্বলিত স্পিরিট ল্যাম্পের সাহায্যে ইহার স্ফুটনাংকে ফুটানো হয়। উপরে বর্ণিত উপায়ে প্রাপ্ত ৩ গ্রাম স্টার্চ ৩০ সি.সি. বিশুদ্ধ পানির সহিত মিশাইয়া সাসপেনশন প্রস্তুত করা হয় এবং এই মিশ্রণ ২২০ সি.সি. ফুটন্ত পানিতে ঢালিয়া বারবার ঝাঁকানো হয়। সমস্ত মিশ্রণ মৃদুভাবে ফুটানো হয় এবং ৫ মিনিট সময়ব্যাপী মাঝে মাঝে ঝাঁকানো হয়।
এইভাবে প্রাপ্ত স্টার্চ দ্রবণ ২৫০ সি.সি. বিশুদ্ধ পানিতে ১ গ্রাম বিশোধিত পটাশিয়াম আয়োডাইডের দ্রবণের মধ্যে যোগ করা হয় এবং দ্রবণ ভালভাবে মিশ্রিত করা হয়। এই মিশ্রণ সারারাত একটি অন্ধকার কক্ষে রাখা হয়। পরের দিন সতর্কভাবে বন্ধ নলের সাহায্যে পরিষ্কার তরল সংগ্রহ হয় এবং কাগজ ভেজানোর জন্য তৎক্ষণাৎ ব্যবহার করা হয়।
কাগজ ভিজাইতে বড় বাথের প্রয়োজন বলিয়া পর্যাপ্ত দ্রবণ প্রাপ্তির জন্য উপরে বর্ণিত উপাদানসমূহের আনুপাতিক হারে বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা হয়।
কাগজ ভিজানো:
একমাত্র এই কাজে ব্যবহারের জন্য রক্ষিত একটি পোরসেলিন ট্রে-র মধ্যে পরিষ্কার পটাশিয়াম আয়োডাইড ও স্টার্চ দ্রবণ ঢালা হয়। স্পেসিফিকেশন ঘ ফিল্টার কাগজের শীটগুলো একে একে এই দ্রবণের মধ্য দিয়া প্রবাহিত করা হয় যাহাতে ফিল্টার পেপারের ডোরা দাগের শেষ প্রান্তে ৩ সে.মি. বাদে সমস্ত অংশ দ্রবণের মধ্য দিয়া অতিক্রম করে।
ফিল্টার কাগজের শুষ্ক অংশের সাহায্য কাগজের ডোরাদাগ ট্রে-র উপরে রাখা হয় এবং অতিরিক্ত দ্রবণ অপসারণের জন্য কাগজের প্রতি পাশ দিয়া একটি কাঁচদণ্ড সঞ্চালন করা হয়। ফিল্টার কাগজের অডুবানো অংশের সাহায্যে অত:পর ইহাকে একটি উষ্ণ অন্ধকার কক্ষে কাপ বোর্ড অথবা ওভেনে না শুকানো পর্যন্ত ঝুলাইয়া রাখা হয়। একটি ছোট টুকরার জন্য প্রতি শীটের কিনারার বাইরে ভিজা ও শুষ্ক অংশের মধ্যবর্তী সীমানা
হইতে কাটিয়া নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
পরীক্ষা কাগজ কাটা ও সজ্জিতকরণ:
তাপ পরীক্ষা কাগজ কাটা ও সজ্জিতকরণের জন্য অপারেটরকে পরিষ্কার সুতির হাতমোজা পরিতে হইবে। শীট শুকানোর পর প্রান্তে প্রায় ০.৫ সে.মি. বাদ দিয়া কাটিয়া সজ্জিত করা হয়। অডুবানো অংশের নিচের প্রান্তে ০.৫ সে.মি. ডোরাদাগ ও অন্যান্য তিন প্রাপ্ত হইতে কাটা হয়। অত:পর এই শীটগুলো হালকা বাদামী রঙের কাঁচের জারের মধ্যে অন্ধকারে রাখা হয়।
যখন একপ্রস্থ কাগজ ব্যবহারের জন্য অনুমোদন করা হয় তখন ইহাকে ২ সে.মি. দীর্ঘ ও ১ সে.মি. প্রন্থ বিশিষ্ট আয়তাকার আকৃতিতে কাটা হয় এবং এই আকারেই ব্যবহার করা হয়। এই কাজের জন্য স্বতন্ত্রভাবে বরাদ্দকৃত বিল্ডিং এ উপরে বর্ণিত ধাপসমূহ সম্পন্ন করা হয়। সূর্যরশ্মির আলো হইতে এই বিল্ডিং সুরক্ষিত করিতে হয় এবং ইহা যথাসম্ভব অন্ধকার রাখা হয়।
তাপ পরীক্ষা কাগজের ব্যাপন (Diffusion) পরীক্ষণ:
প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপাদানসমূহ:
| নং |
|
|
| ১। |
একেসন গ্রাফাইট |
১ |
| ২। |
সালফিউরিক এসিড, সাধারণ দ্রবণ |
পর্যাপ্ত পরিমাণ |
| ৩। |
অ্যানুলাস অ্যালুমিনিয়াম |
২ |
| ৪। |
ক্যাপ, লাইট-টাইটপেস্ট বোর্ড |
১ |
| ৫। |
সিলিন্ডার, কাঁচ, রাবার স্টপার |
১ |
| ৬। |
সিলিন্ডার, ১০০ সি.সি. পরিমাপের |
১ |
| ৭। |
ফেরাস অ্যামোনিয়াম সালফেট |
পর্যাপ্ত পরিমাণ |
| ৮। |
সিলিন্ডারাকৃতির বাদামী কাঁচের জার |
১ |
| ৯। |
পিপেট, ১০ সি.সি. |
১ |
| ১০। |
কাঁচের তৈরী নাড়নকাঠি |
১ |
| ১১। |
প্রতি লিটারে ১.৭ গ্রাম ওজনের সোডিয়াম নাইট্রেট দ্রবণ |
পর্যাপ্ত পরিমাণ |
| ১২। |
৪টি প্লাটিনাম হুকসহ রাবার স্টপার |
১ |
পরীক্ষার প্রয়োগ :
দ্রবণ ব্যবহারের পূর্বে ইহার তাপমাত্রা ১০° সে. এ উন্নীত করা হয়। ২ গ্রাম ফেরাস অ্যামোনিয়াম সালফেট ওজন করিয়া কাঁচজারে রাখা হয়। ৯০ সি.সি. সাধারণ সালফিউরিক এসিড যোগ করা হয় এবং কাঁচদন্ডের সাহায্যে নাড়াইয়া দ্রবণ উপযুক্ত করা হয়। অত:পর কাঁচজারটি ১৫° সে. তাপমাত্রার একটি ওয়াটার বাথে স্থাপন করা হয় এবং বায়ুর তাপমাত্রা ১৫° সে. হইতে ১৭° সে. এর মধ্যে রাখা হয়।
পিপেটের সাহায্যে ১০ সি.সি. সোডিয়াম নাইট্রাইট দ্রবণ যোগ করা হয় এবং ভালভাবে নাড়ানো হয়। একটি অ্যালুমিনিয়াম অ্যানুলাস জারের মুখের কেন্দ্র বরাবর স্থাপন করা হয় এবং গ্রাফাইটের চ্যাপ্টা পাতের সাহায্যে মুখ বন্ধ করিয়া দেওয়া হয় এবং দ্বিতীয় আরেকটি অ্যানুলাস-এর উপর রাখা হয়। সামান্য চাপ প্রয়োগ করিয়া ও ঘুরাইয়া প্রান্তদ্বয় ভালভাবে আটকানো হয়।
দ্বিতীয় অ্যানুলাসের উপর রাবার স্টপারযুক্ত সিলিন্ডার ও লাইট-টাইট ক্যাপ স্থাপন করা হয় এবং সকল যন্ত্রপাতি ২০ মিনিটের জন্য স্থির রাখা হয়। ২০ মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পর লাইট-টাইট ক্যাপ ও কাঁচের সিলিন্ডার অপসারণ করা হয়। কয়েকবার বায়ুর চাপের সাহায্যে সিলিন্ডারের রাবার স্টপার সরানো হয়। পরীক্ষণীয় চারটি তাপ পরীক্ষা কাগজ যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি গ্লিসারিন দ্রবণের সাহায্যে আর্দ্র করা হয়।
সিলিন্ডারে সন্নিহিত স্টপারের প্লাটিনাম হকে স্থাপন হয় এবং সিলিন্ডার ও লাইট-টাইট ক্যাপ দ্বিতীয় অ্যানুলাসের উপর পুনরায় স্থাপন করা হয় এবং সময় লিপিবদ্ধ করা হয়। প্রতিফলিত আলো পড়ায় যখন কাগজে আদর্শ ঈষৎ রঙ দেখা যায় সেই সময় পুনরায় লিপিবদ্ধ করা হয়। এ দুই সময়ের পার্থক্যই পরীক্ষার সময়। প্রতিফলিত আলোর সাহায্যে পঠিত আদর্শ ঈষৎ রঙিন কাগজসমূহ পার্থক্য নিরূপণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
অত:পর সিলিন্ডার অপসারণ করিয়া ইহার ছিপি খোলা হয়। কয়েকবার বায়ুর সাহায্যে ঢেউ দেওয়া হয় এবং তৎক্ষণাৎ এক সেট পরিষ্কার কাগজ পরীক্ষণের জন্য রাখা হয়। এরপর গ্রাফাইটের চ্যাপ্টা পাতের চার বার পরীক্ষার পর ২০০° সে. তাপমাত্রায় ১ ঘণ্টা উত্তপ্ত করিয়া পুনরায় ব্যবহারের পূর্বে একটি খালি ডেসিকেটরে পটাশের উপর ১৬ ঘণ্টার জন্য ঠাণ্ডা করিতে রাখা হয়।
প্রতি দুই দিনে চারটি কাগজের জন্য চারটি ধারাবাহিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত এক সেট কাগজ পরীক্ষা করা হয়।
বিবিধ তফসিলগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- বিবিধ তফসিল ১। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ২। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৪ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৫ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৬ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৭ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৮ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৪
অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
এই সংস্করণে আরো সুন্দর ভাবে রূপ দেওয়া হইয়াছে। আইনটি সর্বশেষ সংশোধনসহ প্রকাশ করা হইয়াছে। পূর্বে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহের শেষে বাংলাদেশের উচ্চতর আদালতের উভয় বিভাগের সিদ্ধান্ত গুলি আইনের ধারা ওয়ারী ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ১৯২৪ সনের অস্ত্র বিধি মালার শেষেও নূতন করে বিধিওয়ারী সর্বশেষ সিদ্ধান্তগুলি ইংরেজী ভাষায় সংযোজন করা হয়েছে। ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনটিকে সংশোধন করিয়া উহার শেষে ধারাওয়ারী উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তগুলি সুন্দর ভাবে ইংরেজীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

বিধি ১৫৯ দ্রষ্টব্য]
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তপক্ষ
| অনুচ্ছেদ নং |
লাইসেন্স ফরম |
লাইসেন্সের উদ্দেশ্য |
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ
|
| ১ |
২ |
৩ |
8 |
| ১ |
১৭ |
বিস্ফোরক আমদানি |
প্রধান পরিদর্শক। |
| ২ |
১৮ |
বিস্ফোরক পরিবহণ |
প্রধান পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক।
|
| ৩ |
১৯ |
স্থল যান |
প্রধান পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক।
|
| ৪(ক) |
২০ |
আতশবাজি, গানপাউডার এবং অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফুয়েল অয়েল (ANFO) বিস্ফোরক ব্যতীত কোন বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণ। |
প্রধান পরিদর্শক। |
| ৪(খ) |
২০ |
এক সময়ে অনধিক ২০০ কেজি আতশবাজি এবং গানপাউডার প্রস্তুত করা। |
প্রধান পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক।
|
| ৪(গ) |
২০ |
২০০ কেজির বেশী আতশবাজি এবং গানপাউডার প্রস্তুতকরণ। |
প্রধান পরিদর্শক। |
| ৪(ঘ) |
২১ |
স্থানিকভাবে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফুয়েল অয়েল (ANFO) প্রস্তুতকরণ। |
প্রধান পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক।
|
| ৫(ক) |
২২ |
৬ষ্ঠ শ্রেণীর বিস্ফোরকের সহিত একত্রে ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ এবং ৭ম শ্রেণীর অনধিক ২০০০ কেজি বিস্ফোরক ব্যবহারের উদ্দেশ্যে অধিকারে রাখা।

|
প্রধান পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক।
|
| ৫(খ) |
২২ |
২০০০ কেজির অধিক ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৭ম এবং যে কোন পরিমাণ ৫ম, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর বিস্ফোরক ব্যবহারের উদ্দেশ্যে অধিকারে রাখা। |
প্রধান পরিদর্শক। |
| ৬(ক) |
২৩ |
৬ষ্ঠ শ্রেণীর বিস্ফোরকের সহিত একত্রে ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ এবং ৭ম শ্রেণীর অনধিক ২০০০ কেজি বিস্ফোরক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অধিকারে রাখা। |
প্রধান পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক।
|
| ৬(খ) |
২৩ |
২০০০ কেজির অধিক ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৭ম এবং যে কোন পরিমাণ ৫ম, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর বিস্ফোরক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অধিকারে রাখা। |
প্রধান পরিদর্শক। |
| ৭ |
২৪ |
অনধিক ২৫ কেজি গানপাউডার এবং/বা ক্ষুদ্র ব্যবহারযোগ্য অস্ত্রে নাইট্রোযৌগ অথবা ৭ম শ্রেণীর ২য় বিভাগের ২য় উপ-বিভাগের অন্তর্ভুক্ত অনধিক ১০০ কেজি, ৭ম শ্রেণীর ২য় বিভাগের ১ম উপ- বিভাগের অন্তর্গত ১০০০ কেজি আতশবাজি অথবা অনধিক ১০,০০০ মিটার সেফটি ফিউজ কোন দোকানে বিক্রয় এবং অধিকারে রাখা। |
প্রধান পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক।
|
| ৮ |
২৫ |
জনসাধারণের জন্য আতশবাজি প্রদর্শনী |
ঐ |
| ৯ |
স্পেশাল |
অনুচ্ছেদ ৪ এ বর্ণিত উদ্দেশ্য ব্যতীত বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণ। |
প্রধান পরিদর্শক। |

বিবিধ তফসিলগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- বিবিধ তফসিল ১। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ২। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৩ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৫ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৬ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৭ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৮ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৫
অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
(বিধি-২৯ ও ৩৬ দ্রষ্টব্য)
ফরমসমূহ
ফরম-১
বিস্ফোরকের পরীক্ষণ সনদপত্র
প্রত্যয়ন করা যাইতেছে যে, নিম্নবর্ণিত বিস্ফোরক নমুনাসমূহ পরীক্ষা করা হইয়াছে এবং উক্তরূপ বিস্ফোরকের জন্য প্রযোজ্য তফসিল-৩ এ পূর্ব নির্ধারিত পরীক্ষাসমূহে উত্তীর্ণ হইয়াছে এবং ৩য় (নাইট্রোযৌগ) বা ৪র্থ (ক্লোরেট মিশ্রণ) শ্রেণীর ১ম বিভাগের বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে গলিত অবস্থা বা নিঃসৃত নাইট্রোজেন গ্লিসারিন বা তরল নাইট্রোযৌগের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয় নাই:
| আমদানীকারকের প্রেরকের নাম ও ঠিকানা |
বিস্ফোরকের বর্ণনা |
প্যাকেটে র সংখ্যা |
উৎপাদনের তারিখ ও বিধি ৯(২) অনুসারে ব্যাচ নম্বর |
তাপ পরীক্ষায় রঞ্জিত হওয়ার জন্য প্রকৃত সময়
|
|
|
|
|
|
এই সনদ মাত্র ১২ মাস বলবৎ থাকিবে অর্থাৎ ….. সালের …..ইহার মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবে:
মাসের তারিখে তবে শর্ত থাকে যে, প্রপেল্যান্ট হিসেবে ব্যবহৃত হইবে না এমন নাইট্রোগ্লিসারিন যৌগের ক্ষেত্রে ইহার মেয়াদ পরবর্তী জুলাই মাসের ৩১ তারিখে উত্তীর্ণ হইবে।
তারিখ :………… পরীক্ষণ কর্মকর্তার স্বাক্ষর………………
স্থান:…………… পদবী……………………….
* আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারকের নাম এবং পরিবহণের ক্ষেত্রে প্রেরকের নাম উল্লেখ করিতে হইবে।

ফরম-২
[বিধি ২৬(২) দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরক বহনকারী জাহাজ বন্দরে প্রবেশের পূর্বে উহার মাস্টার বা শিপিং এজেন্ট কর্তৃক প্রদেয় ঘোষণা
১। জাহাজের নাম…………..
২। আগমনের তারিখ………….
৩। যে বন্দরে আগমন করিয়াছে উহার নাম………………
বিস্ফোরকের উৎপাদনের তারিখ, ব্যাচ বহনকৃত মোট বন্দরে যে মন্তব্য বর্ণনা নম্বর এবং বাক্সের গায়ে অন্য পরিমাণ খালাস করা হইবে
| কোন সনাক্তকরণ চিহ্ন |
(কেজি), বাক্স |
(কেজি), বাক্স |
তারিখ :
জাহাজের মাস্টার বা এজেন্টেব স্বাক্ষর
ফরম-৩
[বিধি ১৫৯ (৩) দ্রষ্টব্য)
বিস্ফোরক উৎপাদনের লাইসেন্স মঞ্জুর অথবা সংশোধনের জন্য দরখাস্ত।
আমি……………..এর পক্ষে বিস্ফোরক উৎপাদনের লাইসেন্স মঞ্জুর/লাইসেন্স নম্বর ………………..সংশোধনের জন্য আবেদন করিতেছি। এতদুদ্দেশ্যে আমি নিম্নে বিস্তারিত বিবরণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এতদসঙ্গে সংযুক্ত করিলাম।
১। যাহার নামে লাইসেন্স পাইতে ইচ্ছুক তাহার
২। মর্যাদা-
৩। বয়স-
৪। ডাক যোগাযোগের ঠিকানা-
নাম………..
ব্যক্তি…………
সংস্থা………….
সমিতি………….
টেলিফোন নম্বর…………….
ফ্যাক্স নম্বর……………ই-মেইল নম্বর………..
৫। আবেদনকারী এবং তাহার নিযুক্ত কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন লোকসমূহের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা (প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে বিবরণ দিতে হইবে এবং প্রয়োজনে ভিন্ন ভিন্ন শীট সংযুক্ত করিতে হইবে)
৬। প্রাঙ্গণের অবস্থান:
জেলা…………
শহর/গ্রাম…………..
থানা/উপজেলা…………..
রেল স্টেশন/স্টীমার ঘাট…………
৭। উৎপাদিতব্য বিস্ফোরক:
শ্রেণী:………………
বিভাগ (যদি থাকে)………………..
নাম ও বর্ণনা:……………..
প্ল্যান্টের বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা………………
প্ল্যান্টে কোন এক সময়ে বিস্ফোরক মজুদের সর্বোচ্চ পরিমাণ…………….
এক দিনে প্ল্যান্টে উৎপাদিত বিস্ফোরকের পরিমাণ:……………
৮। প্রস্তুত প্রণালী প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত কি না? অনুমোদিত হইয়া থাকিলে অনুমোদন নম্বর ও তারিখ:…………
৯। বিগত ১০ বৎসরে আবেদনকারী কোন অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন কি না অথবা ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে মুচলেকা প্রদান করা হইয়া থাকিলে উহার বিশদ বিবরণ:
১০। (ক) আবেদনকারীর নামে বিগত ১০ বৎসরে Explosives Ac., 1884 (IV of 1884)-এর অধীনে অন্য কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইয়া থাকিলে তাহার বিবরণ:
(খ) কোন লাইসেন্স বাতিল বা উহার নবায়ন প্রত্যাখ্যাত হইয়া থাকিলে উহার
বিশদ বিবরণ:
১১। সংশোধনী প্রস্তাবের বিশদ বিবরণ:
অতিরিক্ত তথ্যাদি (যদি থাকে)………………………………
আমি এই মর্মে প্রত্যয়ন করিতেছি যে, প্রদত্ত উপরোক্ত বিবরণ সঠিক।
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার ক্ষেত্রে প্রাধিকৃত ব্যক্তির পূর্ণ নাম)
নাম:……………….
ঠিকানা:……………………..
নোট
১। কোন সংস্থার নামে আবেদন করা হইলে উক্ত সংস্থার পরিচালকবৃন্দের/ অংশীদারবৃন্দের নাম ও ঠিকানা এবং আবেদনকৃত লাইসেন্সের ব্যাপারে পত্র যোগাযোগের প্রাধিকৃত ব্যক্তি/ ব্যক্তিবর্গের নাম, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর একটি পৃথক শীটে প্রদান করিতে হইবে এবং এই দরখাস্ত ফরমের সাথে সংযুক্ত করিতে হইবে। উপরে বর্ণিত তথ্যাদির কোন পরিবর্তন হইলে তাহা অনতিবিলম্বে লাইসেন্স প্রদানকারী/ লাইসেন্স নবায়নকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
২। আবেদনকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাহার বয়স উল্লেখ করিতে হইবে।
৩। নিম্নোক্ত কাগজপত্রাদি আবেদনপত্রের সহিত যুক্ত করিতে হইবে:
(ক) কোন স্কেল অনুযায়ী অঙ্কিত প্রস্তাবিত ইমারত ও উহার পারিপার্শ্বিক অবস্থানের নকশা (নকশায় কারখানায় যাতায়াতের রাস্তার পূর্ণ চিত্র প্রদর্শিত থাকিবে);
(খ) সকল ইমারত ও পরিবেষ্টনী ঢিপির অবস্থান, ধরন ও নির্মাণ কৌশল এবং নিরাপদ দূরত্ব ইত্যাদি সংক্রান্ত বর্ণনা;
(গ) প্রত্যেক ইমারত বা ইহার অংশবিশেষে স্থাপিত প্লান্ট এবং যন্ত্রপাতির বিবরণ ও অবস্থান;
(ঘ) প্রত্যেক ইমারত বা ইহার অংশবিশেষে সম্পাদিতব্য কার্যপদ্ধতির বর্ণনা;
(ঙ) পূর্ণ বা আংশিকভাবে মিশ্রিত বিস্ফোরক যাহা যে কোন সময়ে কোন ইমারতে বা মেশিনে রাখা হইবে উহার উপাদানসমূহের বিবরণ;
(চ) প্রত্যেক ইমারতে সর্বাধিক নিয়োগকৃত কর্মচারী সংখ্যা;
(ছ) কোন ইমারত বা পূর্তকর্ম বা কার্যপদ্ধতির ধরনের কারণে উদ্ভূত কোন বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আবেদনকারী কর্তৃক কোন বিশেষ নির্মাণ কার্য বা পদ্ধতির প্রস্তাব করা হইলে উহার বিবরণ।
৪। প্রযোজ্য না হইলে বাদ দিতে হইবে।
৫। সংশোধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দাখিল করিতে হইবে।
ফরম-৪
[বিধি ১৫৯(৪) দ্রষ্টব্য)
বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার অথবা বিক্রয় করিবার জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর অথবা লাইসেন্স সংশোধনের জন্য আবেদনপত্র
আমি ……………….এর পক্ষে বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার অথবা বিক্রয় করিবার জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর/ লাইসেন্স নং…….. এর সংশোধনীর জন্য আবেদন করিতেছি। এ মর্মে আমি নিম্নে বিস্তারিত বিবরণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করিলাম।
১। যাহার নামে লাইসেন্স পাইতে ইচ্ছুক তাহার নাম…………………..
২। মর্যাদা-
ব্যক্তি………….
সংস্থা……………
সমিতি…………..
৩। বয়স…………….
৪। ডাক যোগাযোগের ঠিকানা………..
টেলিফোন নম্বর………..
ফ্যাক্স………….
ই-মেইল…………..
৫। আবেদনকারী এবং তাহার নিযুক্ত কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মচারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা (প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে বিবরণ দিতে হইবে এবং প্রয়োজনে ভিন্ন ভিন্ন শীট সংযুক্ত করিতে হইবে):
৬। প্রাঙ্গণের অবস্থান:……………………
জেলা…………….
থানা/উপজেলা…………….
শহর/গ্রাম…………….
রেল স্টেশন/স্টীমার ঘাট…………..
৭। অধিকারে রাখিবার অথবা বিক্রয় করিবার জন্য প্রস্তাবিত বিস্ফোরকের বিবরণ নাম ও বিবরণ (শ্রেণী, বিভাগ, যদি থাকে)
পরিমাণ
[১ মাসের মধ্যে যে কোন এক সময়]
(ক)
(খ)
(গ)
(ঘ)
(ঙ)
৮। প্রাঙ্গণের সঙ্গে সংযুক্ত কারখানা বিস্ফোরক তৈরির জন্য লাইসেন্সকৃত কি না?
লাইসেন্সকৃত হইলে লাইসেন্স নম্বর:……তারিখ…………
৯। প্রাঙ্গণটি ইতোপূর্বে লাইসেন্সকৃত ছিল কি না; থাকিলে নিম্নোক্ত তথ্য উল্লেখ করিতে হইবে:
ক) পূর্বের লাইসেন্স নম্বর…………….. তারিখ…………….
(খ) পূর্বের লাইসেন্সের নাম ও ঠিকানা……………..
(গ) পূর্বের লাইসেন্স বাতিল হওয়া বা নবায়ন না হওয়ার কারণ………………….
১০। বিগত ১০ বৎসরে আবেদনকারী কোন অপরাধে দন্ডিত হইয়াছিলেন কি না অথবা ফৌজদারী কার্যবিধির অধীনে মুচলেকা প্রদান করিতে আদিষ্ট হইলে তাহার বিস্তারিত বিবরণ:
১১। (ক) বিগত ১০ বৎসরে Explosives Act, 1884 (IV of 1884)-এর অধীনে অন্য কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইয়া থাকিলে তাহার বিবরণ:
(খ) কোন লাইসেন্স বাতিল বা উহার নবায়ন প্রত্যাখ্যাত হইয়াছিল কিনা, হইয়া থাকিলে উহার বিবরণ দিন:
১২। সংশোধনী প্রস্তাবের বিশদ বিবরণ:
অতিরিক্ত তথ্যাদি, যদি থাকে………………………..
আমি এই মর্মে প্রত্যয়ন করিতেছি যে, উপরোল্লিখিত তথ্যাদি সঠিক।
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
নোট
১। কোন সংস্থার নামে আবেদন করা হইলে উক্ত সংস্থার পরিচালকবৃন্দ/অংশীদারবৃন্দের নাম ও ঠিকানা এবং আবেদনকৃত লাইসেন্সের ব্যাপারে পত্র যোগাযোগের প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের নাম, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর একটি পৃথক শীটে প্রদান করিতে হইবে।
উপরে বর্ণিত তথ্যাদির কোন পরিবর্তন হইলে তাহা সঙ্গে সঙ্গে লাইসেন্স প্রদানকারী/ লাইসেন্স নবায়নকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
২। আবেদনকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে বয়স উল্লেখ করিতে হইবে।
৩। নিম্নোক্ত কাগজপত্রাদি আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে:
(ক) কোন স্কেলে অঙ্কিত প্রস্তাবিত ইমারত ও উহার পারিপার্শ্বিক অবস্থানের নকশা (পারিপার্শ্বিক অবস্থান নকশায় কারখানায় যাতায়াতের রাস্তার পূর্ণ চিত্র প্রদর্শিত থাকিবে);
(খ) ইমারত, বেষ্টনী বাঁধ, বজ্রবহ ইত্যাদির নির্মাণ কৌশল প্রদর্শিত নকশাসমূহ।
৪। যাহা প্রযোজ্য নহে, তাহা মুছিয়া ফেলিতে হইবে।

ফরম-৫
[বিধি ১৫৯(৪) দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরক ব্যবহারের নিমিত্তে অধিকার রাখিবার লাইসেন্স মঞ্জুর অথবা সংশোধনের জন্য আবেদনপত্র
আমি …………….এর পক্ষে বিস্ফোরক ব্যবহারের নিমিত্তে অধিকারে রাখিবার লাইসেন্স মঞ্জুর/লাইসেন্স নং…………… সংশোধনীর জন্য আবেদন করিতেছি। এ মর্মে আমি নিম্নে বিস্তারিত বিবরণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করিলাম।
জবাব এই কলামে লিখিতে হইবে
১। যাহার নামে লাইসেন্স পাইতে ইচ্ছুক তাহার নাম:
২। মর্যাদা:
৩। বয়স (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে):
৪। ডাক যোগাযোগের ঠিকানা:
৫। আবেদনকারী এবং তাহার কর্তৃক নিয়োগকৃত কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মচারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা (প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে বিবরণ দিতে হইবে এবং প্রয়োজনে ভিন্ন ভিন্ন শীট সংযুক্ত করিতে হইবে)
৬। মজুদ প্রাঙ্গণের অবস্থান:
জেলা:
থানা/উপজেলা:
শহর/গ্রাম:
রেল স্টেশন/স্টীমার ঘাট:
৭। ব্যবহারের জন্য মজুতব্য প্রস্তাবিত বিস্ফোরক:
নাম ও বিবরণ শ্রেণী বিভাগ যে কোন এক সময়ে উহার পরিমাণ
(ক)
(খ)
(গ)
(ঘ)
(ঙ)
৮। প্রাঙ্গণটি ইতোপূর্বে লাইসেন্সকৃত ছিল কি না? থাকিলে-
(ক) পূর্বের লাইসেন্স নম্বর:
তারিখ:
(খ) পূর্বের লাইসেন্সের নাম ও ঠিকানা:
(গ) পূর্বের লাইসেন্স বাতিল হওয়া/নবায়ন না হওয়ার কারণ:
৯। প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য প্রস্তাবিত বিস্ফোরক:
| নাম ও বিবরণ |
শ্রেণী |
বিভাগ |
পরিমাণ |
| ১ |
|
|
|
| ২ |
|
|
|
১০। যে স্থানে বিস্ফোরক ব্যবহার করা হইবে উহার বিস্তারিত বিবরণ:
১১। ছক-৬ এ উল্লিখিত বিস্ফোরক মজুদ প্রাঙ্গণ হইতে বিস্ফোরক ব্যবহারের স্থানের দূরত্ব:
১২। বিস্ফোরক পরিবহণের ধরন:
১৩। সড়ক ভ্যানের লাইসেন্স নম্বর (যদি ব্যবহৃত হইয়া থাকে):
১৪। বিগত ১০ বৎসরে আবেদনকারী কোন অপরাধে দন্ডিত হইয়াছিলেন কি না অথবা ফৌজদারী কার্যবিধির অধীনে মুচলেকা প্রদান করিতে আদিষ্ট হইয়া থাকিলে তাহার বিবরণ:
১৫। (ক) বিগত ১০ বৎসরে আবেদনকারীর নামে Explosives Act, 1884 (IV of 1884)-এর অধীনে মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন লাইসেন্স (যদি থাকে) উহার বিবরণ:
(খ) কোন লাইসেন্স বাতিল/উহার নবায়ন প্রত্যাখ্যাত হইয়াছিল কি না, হইয়া থাকিলে উহার বিস্তারিত বিবরণ:
১৬। সংশোধনী প্রস্তাব/অতিরিক্ত তথ্যাদি, যদি থাকে, উহার বিস্তারিত বিবরণ: আমি এতদদ্বারা প্রত্যয়ন করিতেছি যে, উপরের বর্ণিত তথ্যাদি সঠিক।
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
১। কোন সংস্থার নামে আবেদন করা হইলে উক্ত সংস্থার পরিচালকবৃন্দ/ অংশীদারবৃন্দের নাম ও ঠিকানা এবং আবেদনকৃত লাইসেন্সের ব্যাপারে পত্র যোগাযোগের প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের নাম, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর একটি পৃথক শীটে প্রদান করিতে হইবে এবং আবেদনপত্রের সহিত উহা সংযুক্ত করিতে হইবে।
উপরে বর্ণিত তথ্যাদির কোন পরিবর্তন হইলে তাহা সঙ্গে সঙ্গে লাইসেন্স প্রদানকারী/ লাইসেন্স নবায়নকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
২। আবেদনকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাহার বয়স উল্লেখ করিতে হইবে।
৩। নিম্নোক্ত কাগজপত্রাদি আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে:
(ক) কোন স্কেলে অঙ্কিত প্রস্তাবিত ইমারত ও উহার পারিপার্শ্বিক অবস্থানের নকশা (পারিপার্শ্বিক অবস্থানাদি সংক্রান্ত নকশায় কারখানায় যাতায়াতের রাস্তার পূর্ণ চিত্র প্রদর্শিত থাকিবে);
(খ) যে এলাকায় বিস্ফোরক মজুদ এবং নাড়াচাড়া করা হইবে সেই এলাকার নকশা (উক্তরূপ নকশায় পারিপার্শ্বিক সড়ক, ভূমি, পূর্তকর্মের অবস্থানের দূরত্ব প্রদর্শিত থাকিবে)।
৪। যাহা প্রযোজ্য নহে, তাহা মুছিয়া ফেলিতে হইবে।
ফরম-৬
[বিধি ১৫৯(৫) দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরক আমদানির লাইসেন্সের জন্য আবেদনপত্র
আমি…………………এর পক্ষে বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর অধীনে আমি বিস্ফোরক আমদানির লাইসেন্সের জন্য আবেদন করিতেছি এবং এতদুদ্দেশ্যে আমি নিম্নে বিস্তারিত বিবরণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এতদসঙ্গে সংযুক্ত করিলাম:
১। যাহার নামে লাইসেন্স পাইতে ইচ্ছুক তাহার নাম:
২। মর্যাদা:
ব্যক্তি
সংস্থা:
সমিতি :
৩। ডাক যোগাযোগের ঠিকানা:
৪। একসঙ্গে আমদানির জন্য প্রস্তাবিত বিস্ফোরক :
| নাম ও বিবরণ |
শ্রেণী |
বিভাগ (যদি থাকে) |
পরিমাণ |
|
|
|
|
৫। আমদানিতব্য বিস্ফোরক প্রাধিকৃত কি না:
৬। আমদানিতব্য বিস্ফোরকের উৎপাদনকারীর নাম ও ঠিকানা:
৭। যে প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক মজুদ করা হইবে উহার বিস্তারিত বিবরণ:
| লাইসেন্সধারী |
লাইসেন্স নম্বর ও ফরম |
লাইসেন্সের মেয়াদ |
প্রাঙ্গণের ঠিকানা |
মজুদের পরিমাণ |
|
|
|
|
|
৮। যে বন্দরে আমদানি করা হইবে উহার নাম:
৯। বিগত ১০ (দশ) বৎসরে আবেদনকারী কোন অপরাধে দন্ডিত হইয়াছিলেন কি না অথবা ফৌজদারী কার্যবিধির অধীনে মুচলেকা প্রদান করিতে আদিষ্ট হইয়া থাকিলে তাহার বিবরণ:
১০। বিগত ১০ (দশ) বৎসরে Explosives Act, 1884 (IV of 1884)-এর অধীনে আবেদনকারী কর্তৃক গৃহীত কোন লাইসেন্স বাতিল অথবা উহার নবায়ন প্রত্যাখ্যাত হইয়া থাকিলে উহার বিবরণ:
১১। অন্য কোন তথ্য (যদি থাকে):
আমি প্রত্যয়ন করিতেছি যে, উপরে প্রদত্ত তথ্যাদি সত্য ও সঠিক।
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
নোট
কোন সংস্থার নামে আবেদন করা হইলে উক্ত সংস্থার পরিচালকবৃন্দ/ অংশীদারবৃন্দের নাম ও ঠিকানা এবং আবেদনকৃত লাইসেন্সের পত্র যোগাযোগের ব্যাপারে প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের নাম, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর পৃথক শীটে দিতে হইবে এবং আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।

ফরম-৭
[বিধি-১৫৯(৬) দ্রষ্টব্য)
বিস্ফোরক পরিবহণের লাইসেন্স মঞ্জুর/সংশোধনের জন্য আবেদনপত্র
আমি…………….. এর পক্ষে বিস্ফোরক পরিবহণের লাইসেন্স মঞ্জুর/লাইসেন্স নং সংশোধনের জন্য আবেদন করিতেছি। এতদুদ্দেশ্যে আমি নিম্নে বিস্তারিত বিবরণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এতসঙ্গে সংযুক্ত করিলাম:
১। আবেদনকারীর নাম:
২। আবেদনকারীর ডাক যোগাযোগের ঠিকানা:
৩। আবেদনকারী কর্তৃক বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর অধীনে যে স্থান হইতে বিস্ফোরক পরিবহণ করা হইবে উক্ত স্থানের গৃহীত লাইসেন্সের বিবরণ:
বিস্ফোরক অধিকারে রাখিবার এবং বিক্রয় অথবা ব্যবহারের জন্য মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্সের নং:
প্রাঙ্গণের অবস্থান………….
লাইসেন্সকৃত ধারণক্ষমতা…………..
বিস্ফোরকের নাম………….
শ্রেণী………….
বিভাগ (যদি থাকে)……………
পরিমাণ……………
কত তারিখ পর্যন্ত লাইসেন্স বলবৎ আছে……………..
৪। পরিবহণকৃত বিস্ফোরক যে স্থানে রাখা হইবে তাহার বিবরণ………………
৫। ভ্যানের জন্য বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর অধীনে আবেদনকারীর অন্য কোন লাইসেন্স আছে কি না, যদি থাকে তাহার বিবরণ:
৬। বিগত ১০ (দশ) বৎসরে আবেদনকারী কোন অপরাধে দন্ডিত হইয়াছিলেন কি না অথবা ফৌজদারী কার্যবিধির অধীনে মুচলেকা প্রদান করিতে আদিষ্ট হইয়া থাকিলে তাহার বিবরণ:
৭। বিগত ১০ (দশ) বৎসরে Explosives Act, 1884 (IV of 1884)-এর অধীনে আবেদনকারী কর্তৃক গৃহীত কোন লাইসেন্স বাতিল অথবা নবায়ন প্রত্যাখ্যাত হইয়া থাকিলে উহার বিবরণ:
৮। প্রস্তাবিত সংশোধনীর বিবরণ:
৯। অন্য কোন তথ্য (যদি থাকে):
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
নোট
১। কোন সংস্থার নামে আবেদন করা হইলে উক্ত সংস্থার পরিচালকবৃন্দ/অংশীদারবৃন্দের নাম ও ঠিকানা এবং আবেদনকৃত লাইসেন্সের পত্র যোগাযোগের ব্যাপারে প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের নাম, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর পৃথক শীটে দিতে হইবে এবং আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।
উপরে বর্ণিত তথ্যাদির কোন পরিবর্তন হইলে উহা অনতিবিলম্বে লাইসেন্স মঞ্জুরকারী/নবায়নকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
২। আবেদনকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে বয়স উল্লেখ করিতে হইবে।
ফরম-৮
[বিধি-১৫৯(৭) দ্রষ্টব্য]
রোড ভ্যানের মাধ্যমে বিস্ফোরক পরিবহণের নিমিত্তে লাইসেন্সের জন্য
আবেদনপত্র
আমি………………. এর পক্ষে রোড ভ্যানের মাধ্যমে বিস্ফোরক পরিবহণের নিমিত্তে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করিতেছি। এতদুদ্দেশ্যে আমি নিম্নে বিস্তারিত বিবরণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এতসঙ্গে সংযুক্ত করিলাম:
১। যাহার নামে লাইসেন্স পাইতে ইচ্ছুক তাহার নাম:
২। মর্যাদা:
ব্যক্তি………..
সংস্থা………….
সমিতি………….
৩। বয়স (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে):
৪। ডাক যোগাযোগের ঠিকানা: টেলিফোন নম্বর…………
ফ্যাক্স নম্বর……………….ই-মেইল……………..
৫। যান সাধারণত যেখানে রাখা হইবে সেই স্থানের ঠিকানা:
৬। যে বিস্ফোরক বহন করা হইবে:
৭। যে স্থানসমূহের মধ্যে যানটি যাতায়াত করিবে:
৮। একমাত্র ব্লাস্টিং সাইটে বিস্ফোরক পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত হইবে কি না? হইলে উক্ত কার্যক্রমের সহিত সংশ্লিষ্ট এলাকার বিবরণ:
৯। (ক) যানের বিবরণ:
নির্মাণকারীর নাম:……….
নিবন্ধন নম্বর:……………
ইঞ্জিন নম্বর:………
চেসিস নম্বর:………
(খ) যানের গ্রস ওজনের রেটিং……….. কেজি
(গ) অবোঝাইকৃত যানের ওজন………… কেজি
ঘ) টায়ারের বিবরণ:
সাইজ ঘূর্ণন হার শীতল স্ফীতি চাপে প্রতিটি টায়ারে সর্বোচ্চ বোঝা সংখ্যা সম্মুখ
কেজি
কেজি
মোট সর্বোচ্চ বোঝা =
প্রতিটি পৃথক টায়ারে মোট বোঝা × সংখ্যা =
১০। যানের অন্যান্য ফিটিংস এর বর্ণনা:
১১। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ। । কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বহন ক্ষমতা……
১২। বিগত ১০ (দশ) বৎসরে আবেদনকারী কোন অপরাধে দন্ডিত হইয়াছিলেন কি না অথবা ফৌজদারী কার্যবিধির অধীনে মুচলেকা প্রদান করিতে আদিষ্ট হইয়া থাকিলে তাহার বিবরণ:
১৩। বিগত ১০ বৎসরে Explosives Act, 1884 (IV of 1884)-এর অধীনে আবেদনকারী কর্তৃক কোন লাইসেন্স বাতিল অথবা নবায়ন প্রত্যাখ্যাত হইয়া থাকিলে উহার বিবরণ:
১৪। অতিরিক্ত তথ্যাদি, যদি থাকে:
আমি এই মর্মে প্রত্যয়ন করিতেছি যে, উপরোল্লিখিত তথ্যাদি সঠিক এবং এই যানের প্রত্যেক চালককে সংশ্লিষ্ট আইন এবং ইহার অধীনে প্রণীত বিধিমালার বিধান সম্পর্কে নির্দেশনা প্রদান করা হইবে।
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
নোট
১। কোন সংস্থার নামে আবেদন করা হইলে উক্ত সংস্থার পরিচালকবৃন্দ ও অংশীদারবৃন্দের নাম ও ঠিকানা এবং আবেদনকৃত লাইসেন্সের পত্র যোগাযোগের ব্যাপারে প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/ ব্যক্তিবর্গের নাম, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর পৃথক শীটে দিতে হইবে এবং আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।
উপরে বর্ণিত তথ্যাদির কোন পরিবর্তন হইলে তাহা সঙ্গে সঙ্গে লাইসেন্স মঞ্জুরকারী/নবায়নকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
২। আবেদনকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে বয়স উল্লেখ করিতে হইবে।
৩। আবেদনকারীকে সড়ক ভ্যান যানটির সম্পূর্ণ নির্মাণ কৌশল, ফিটিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদর্শিত নকশা দাখিল করিতে হইবে। যানটির অতিরিক্ত যন্ত্রপাতি/ফিটিংস এর বিবরণী ও পরিষ্কারভাবে নকশায় প্রদর্শিত থাকিতে হইবে।
৪। মোট সর্বোচ্চ বোঝা অবশ্যই যানের গ্রস ওজন রেটিং এর সমান বা অধিক হইবে।
৫। যাহা প্রযোজ্য নহে, তাহা মুছিয়া ফেলিতে হইবে।

ফরম-৯
[বিধি-১৫৯ (৮) দ্রষ্টব্য]
সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য আতশবাজীর লাইসেন্স মঞ্জুরের আবেদনপত্র
আমি …………এর পক্ষে বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর অধীনে আতশবাজী অধিকারে রাখিবার ও ব্যবহার করিবার নিমিত্তে লাইসেন্স মঞ্জুরের জন্য আবেদন করিতেছি। এতদুদ্দেশ্যে আমি নিম্নে বিস্তারিত বিবরণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এতসঙ্গে সংযুক্ত করিলাম:
১। যাহার নামে লাইসেন্স পাইতে ইচ্ছুক তাহার নাম:……..
২। বয়স:……….
৩। ডাক যোগাযোগের ঠিকানা:……….
৪। আবেদনকারী এবং তাহার কর্তৃক নিয়োগকৃত উপযুক্ত ব্যক্তিবর্গের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা:
৫। প্রদর্শনী তদারককারী ব্যক্তিবর্গের নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা.
৬। ব্যবহৃতব্য আতশবাজীর বিবরণ ও পরিমাণ:
৭। যাহার নিকট হইতে আতশবাজী সংগ্রহ করা হইবে তাহার-
নাম…………
ঠিকানা…………
(ক) তাহার অনুকূলে জারীকৃত লাইসেন্সের নম্বর ও লাইসেন্সের মেয়াদ:
(খ) যেখানে আতশবাজী মজুদ করা হইবে সে স্থানের ঠিকানা ও লাইসেন্স নম্বর
৮। যে আতশবাজী প্রদর্শন করা হইবে উহার বিবরণ ও পরিমাণ:
৯। প্রদর্শনীয় সময় ও প্রদর্শনী স্থানের ঠিকানা:
১০। বিগত ১০ (দশ) বৎসরে আবেদনকারী কোন অপরাধে দন্ডিত হইয়াছিলেন কি না অথবা ফৌজদারী কার্যবিধির অধীনে মুচলেকা প্রদান করিতে আদিষ্ট হইয়া থাকিলে তাহার বিবরণ:
১১। বিগত ১০ বৎসরে Explosives Act, 1884 (IV of 1884)-এর অধীনে আবেদনকারী কর্তৃক গৃহীত কোন লাইসেন্স বাতিল অথবা নবায়ন প্রত্যাখ্যাত হইয়া থাকিলে উহার বিবরণ:
১২। প্রস্তাবিত সংশোধনীর বিবরণ:
১৩। অন্য কোন তথ্য (যদি থাকে):
আমি প্রত্যয়ন করিতেছি যে, উপরোক্ত তথ্যাদি সত্য ও সঠিক।
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
নোট
১। কোন সংস্থার নামে আবেদন করা হইলে উক্ত সংস্থার পরিচালকবৃন্দ ও অংশীদারবৃন্দের নাম ও ঠিকানা এবং আবেদনকৃত লাইসেন্সের পত্র যোগাযোগের ব্যাপারে প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের নাম, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর পৃথক শীটে দিতে হইবে এবং এই আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।
উপরে বর্ণিত তথ্যাদির কোন পরিবর্তন হইলে তাহা সঙ্গে সঙ্গে লাইসেন্স মঞ্জুরকারী/নবায়নকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
২। আবেদনকারী কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বয়স উল্লেখ করিতে হইবে।
৩। ফরমের গায়ে যদি জায়গার সংকুলান না হয় তবে আলাদা শীট সংযুক্ত করা যাইবে।
ফরম-১০
[বিধি ১৫৯(৯) দ্রষ্টব্য]
শট ফায়ারার এর পারমিটের জন্য আবেদনপত্র
আমি এতদ্দ্বারা বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর অধীনে শট ফায়ারার এর পারমিটের জন্য আবেদন করিতেছি।
১। আবেদনকারীর নাম:
২। আবেদনকারীর বয়স:
৩। ডাক যোগাযোগের ঠিকানা:
৪। আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা:
আমি প্রত্যয়ন করিতেছি যে, উপরোল্লিখিত বিবরণ সত্য ও সঠিক।
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
আবেদনের তারিখ :
নোট: জন্ম তারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদপত্রের সত্যায়িত কপি সংযুক্ত করিতে হইবে।
ফরম-১১
[বিধি-১৬৮(৪) দ্রষ্টব্য]
লাইসেন্স নবায়নের দরখাস্ত
প্রেরক:
প্রাপক:
প্রিয় মহোদয়
আমি/আমরা…………..ফরম লাইসেন্স নং…………হইতে………..পর্যন্ত মেয়াদের জন্য নবায়নের আবেদন করিতেছি এবং নিম্নোক্ত তথ্যাদি প্রদান করিতেছি:
বিগত ২ বৎসরে –
(১) আমি/আমরা
(ক) কোন অপরাধে দন্ডিত হই নাই/নিম্নোক্ত অপরাধে…………..মেয়াদের জন্য দন্ডিত হইয়াছি; মেয়াদের জন্য
(খ) ফৌজদারী কার্যবিধির অধীনে শৃঙ্খলা রক্ষা বা ভাল আচরণের জন্য মুচলেকা প্রদান করিতে আদিষ্ট হই নাই/ হইয়াছি।
(২) বিস্ফোরক আইনের অধীনে আমার/ আমাদের নামে মঞ্জুরকৃত …. ফরম লাইসেন্স নং…… বাতিল করা হইয়াছিল/নবায়ন করা হয় নাই।
আমি/আমরা নিম্নে আরও কাগজপত্র সংযুক্ত করিতেছি-
(১) অনুমোদিত নকশা ও তফসিলসহ….. ফরম লাইসেন্স নং…… তারিখ…..।
(২) নবায়ন ফি…………..
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
নোট: বিলম্ব ফি প্রদান এড়ানোর স্বার্থে সম্পূর্ণ নবায়নের দরখাস্ত লাইসেন্সের মেয়াদ অতিক্রম হওয়ার অন্যূন ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট পৌছাইতে হইবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন বা তৎপূর্বে নবায়নের দরখাস্ত না পাওয়া গেলে লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ বলিয়া গণ্য হইবে।
ফরম-১২
[বিধি ২৫ (ক) দ্রষ্টব্য]
আমদানি স্থল বা বন্দর হইতে বিস্ফোরক বোঝাই/ প্রেরণ করা মাত্র আমদানীকারক কর্তৃক প্রধান পরিদর্শককে প্রদেয় বিবরণী:
| আমদানিকারকে র নাম ও ঠিকানা |
আমদানি লাইসেন্স, আমদানির জন্য অনুমোদিত বিস্ফোরকের ধরন ও পরিমাণ এবং লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ। |
বিস্ফোরক বিধিমালার অধীনে প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত আমদানি লাইসেন্সের নম্বর ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ। |
বিস্ফোরক প্রস্তুতকারকের নাম ও ঠিকানা। |
|
|
|
|
|
|
| প্রেরণের স্থান বা বন্দর |
জাহাজ বা এয়ার লাইনের নাম ও যাত্রার তারিখ |
আমদানি স্থল বা বন্দর |
|
|
|
|
|
জাহাজ বা বিমানে পরিবহণকৃত বিস্ফোরকের ধরন ও পরিমাণ
| নাম ও বিবরণ |
শ্রেণী ও বিভাগ |
তৈরির তারিখ |
ব্যাচ নম্বর |
পরিমাণ |
|
|
|
|
|
|
|
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
ফরম-১৩
আমদানিকারকের প্রেরণ তফসিল
[বিধি ২৫ (খ) দ্রষ্টব্য]
আমদানি স্থল বা বন্দর হইতে বিস্ফোরকের চালান মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ফরমটি পূর্ণ করিয়া তিন কপি প্রধান পরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
| আমদানি কারকের নাম ও ঠিকানা |
প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত আমদানি লাইসেন্স নম্বর ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ |
বিস্ফোরকের বিবরণ |
বিস্ফোরক প্রস্তুতকারকের নাম ও ঠিকানা |
প্রেরকের নাম ও ঠিকানা |
আমদানিকৃত বিস্ফোরকের পরিমাণ
|
|
|
|
|
|
|
| যে স্থান বা বন্দর হইতে বিস্ফোরক প্রেরণ করা হইয়াছে তাহার নাম |
জাহাজ বা এয়ার লাইনের নাম |
পৌছার তারিখ এবং স্থান। বা বন্দরের নাম
|
|
|
|
আমদানি স্থল বা বন্দর হইতে প্রেরণের বিবরণ:
| যে লাইসেন্স- ধারীর নামে বিস্ফোরক প্রেরণ করা হইয়াছে তাহার নাম ও ঠিকানা |
লাইসেন্স নম্বর ও ফরম |
প্রেরিত বিস্ফোরকের পরিমাণ |
প্রেরিত বিস্ফোরকের পরিমাণ |
প্রেরিত বিস্ফোরকের পরিমাণ |
প্রেরিত বিস্ফোরকের পরিমাণ |
প্রেরিত বিস্ফোরকের পরিমাণ
|
|
|
নাম ও বিবরণ |
শ্রেণী ও বিভাগ |
পরিমাণ |
প্যাকেজের সংখ্যা |
ব্যাচ নং ও তারিখ |
| প্রেরণের তারিখ |
প্রেরণের ধরন |
স্থলপথে প্রেরিত হইলে ভ্যানের লাইসেন্স নম্বর
|
|
|
|
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৪.jpeg)
ফরম-১৪
[বিধি ৩৪ (২) দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরক পরিবহণ লাইসেন্সধারী কর্তৃক প্রদেয় বিস্ফোরকের চালান এর জন্য মঞ্জুরীকৃত পাস
১।…………….
| ক্রমিক নং |
নাম ও বিবরণ |
শ্রেণী |
বিভাগ, যদি থাকে |
পরিমাণ |
প্যাকেট সংখ্যা |
ব্যাচ নং ও তারিখ |
| ১ |
|
|
|
|
|
|
| ২ |
|
|
|
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
|
|
|
| 8 |
|
|
|
|
|
|
| ৫ |
|
|
|
|
|
|
২। নিম্নলিখিত বিস্ফোরক সম্বলিত………….টি প্যাকেট এই পাসের অন্তর্ভুক্ত:……….হইতে…………. পর্যন্ত স্থানান্তরের জন্য।
৩। রেল/স্থল ভ্যান নং ……..লাইসেন্স নং………যাহার মেয়াদ তারিখ পর্যন্ত বলবৎ লরি নং………../ বা অন্য কোন যন্ত্রচালিত নয় এমন যানের সাহায্যে এই বিস্ফোরক পরিবহণ করা হইতেছে।
৪। প্রাপকের নাম ও ঠিকানা
৫। প্রাপকের লাইসেন্স নম্বর ও ফরম
৬। প্রাপকের আদেশ নম্বর ও তারিখ এবং চাহিদাকৃত প্রত্যেক বিস্ফোরকের পরিমাণ………..
৭। বিস্ফোরক গ্রহণ করিবার প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রাপকের চিঠি নং ও তারিখ……….
৮। চালান প্রেরণের তারিখ……..
৯। চালান গন্তব্যস্থলে পৌঁছার সম্ভাব্য তারিখ………
স্বাক্ষর
পরিবহণ লাইসেন্সধারীর লাইসেন্সের নম্বর………
ফরম-১৫
[বিধি ১৬১(১) দ্রষ্টব্য]
ম্যাগাজিন/মজুদাগার/কারখানার চতুর্পার্শ্বে প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখিতে হইবে। নিম্নলিখিত ইমারত ও পূর্তকর্ম হইতে বিস্ফোরক মজুদ/উৎপাদনের লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিন/মজুদাগার/কারখানার চতুর্পার্শ্বে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখিতে হইবে:
| ইমারত ও পূর্তকর্ম |
অন্যূন নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখিতে হইবে |
|
প্রকৃত বজায়কৃত দূরত্ব (আবেদনকারী কর্তৃক পূরণ করিতে হইবে) |
মন্তব্য |
|
ঢিপি বেষ্টিত ২(ক) |
টিপি বেষ্টিত নয় ২(খ) |
|
|
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
১। ম্যাগাজিনের সহিত সংশ্লিষ্ট কক্ষ বা ওয়ার্কশপ।
২। আবেদনকারীর অন্যান্য ম্যাগাজিন বা মজুদাগার বা কারখানা।
৩। ম্যাগাজিন অফিস।
৪। ম্যাগাজিনের প্রহরী বা চৌকিদারের বসবাসের ঘর।
৫। খনিজ বহনকারী বা ব্যক্তি মালিকানাধীনসহ রেল লাইন।
৬। খাল (ব্যবহারযোগ্য) বা অন্য নাব্য জলরাশি।
৭। ডক, উত্তরণ মঞ্চ বা জেটি।
৮। জনপথ বা সড়ক।
৯। মসজিদ বা অন্য কোন উপাসনালয়, হাসপাতাল, কলেজ, স্কুল বা কারখানায় গমনাগমনের মুখ্যপথ হিসেবে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত সড়ক।
১০। নদীর বাঁধ বা সাগরের বাঁধ বা জনসাধারণের কূপ।
১১। জলাশয়, বাঁধ পরিবেষ্টিত পুকুর বা রজ্জুপথ।
১২। বতসবাড়ী।
১৩। সরকারি বা বেসরকারি ইমারত।
১৪। মসজিদ বা অন্য উপাসনালয়।
১৫। দোকান, বাজারস্থল, জনসাধারণের বিনোদন বা খেলার মাঠ, কলেজ, স্কুল, হাসপাতাল, থিয়েটার, সিনেমা বা অন্য ইমারত যেখানে জনসাধারণ একত্রিত হয়।
১৬। কারখানা।
১৭। পেট্রোলিয়াম, স্পিরিট, গ্যাস বা অন্য দাহ্য পদার্থ বা বিপজ্জনক পদার্থ বাল্কে মজুদের জন্য ব্যবহৃত হয় এমন ইমারত বা পূর্তকর্ম।
১৮। বিস্ফোরক বা বিস্ফোরক সম্বলিত কোন জিনিস মজুদ বা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয় এমন ইমারত বা পূর্তকর্ম।
১৯। বিমানবন্দর।
২০। চুল্লি, ভাটি বা চিমনি।
২১। পাথরখাদ বা খনিমুখ।
২২। বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা সাব-স্টেশন।
২৩। বেতার স্টেশন।
২৪। ওয়ারহাউজ বা অন্য মজুদাগার।
২৫। ৪৪০ ভোল্টের অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন ওভারহেড বিদ্যুৎ পরিচালন লাইন।
২৬। ৪৪০ ভোল্টের নিম্নে ক্ষমতাসম্পন্ন ওভারহেড বিদ্যুৎ পরিচালন লাইন।
প্রত্যয়ন করিতেছি যে, উপরে প্রদত্ত জবাবগুলি ব্যক্তিগতভাবে পরীক্ষা করিয়াছি এবং প্রাঙ্গণের চতুর্পার্শ্বের বর্ণনাদি সত্য ও সঠিক।
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
(কোন সংস্থার প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে)
তারিখ :
পূর্ণ নাম :
স্থান:
ঠিকানা:
* প্রথমে প্রাঙ্গণ স্থাপনকালেই শুধু এই দূরত্ব বজায় রাখিতে হইবে না বরং লাইসেন্স বলবৎকাল পর্যন্ত বজায় রাখিতে হইবে।
ফরম-১৬
[বিধি ১৬১(৩) দ্রষ্টব্য]
………..নামে মঞ্জুরকৃত ……………ফরম লাইসেন্স নং ……………বলবৎকালীন সময়ে ম্যাগাজিন/ কারখানা/ মজুদাগারের চতুর্পার্শ্বে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখিতে হইবে।
| প্রত্যেকটি হইতে |
অন্যূন দূরত্ব (মিটারে) |
ম্যাগাজিন/ কারখানা/ মজুদাগার/ এর চতুর্দিকে যে দূরত্ব বজায় রাখিতে হইবে:
১। ম্যাগাজিনের সহিত সংশ্লিষ্ট কক্ষ বা ওয়ার্কশপ।
২। আবেদনকারীর অন্যান্য ম্যাগাজিন বা মজুদাগার বা কারখানা।
৩। ম্যাগাজিন অফিস।
৪। ম্যাগাজিনের প্রহরী বা চৌকিদারের বসবাসের ঘর।
৫। খনিজ বহনকারী এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন রেল লাইন।
৬। খাল (ব্যবহারযোগ্য) বা অন্য নাব্য জলরাশি।
৭। ডক বা উত্তরণ মঞ্চ বা জেটি।
৮। জনপথ বা সড়ক।
৯। মসজিদ বা অন্য কোন উপাসনালয়, হাসপাতাল, কলেজ, স্কুল বা কারখানায় গমনাগমনের মুখ্য পথ হিসেবে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত সড়ক।
১০। নদীর বাঁধ বা সাগরের বাঁধ বা জনসাধারণের কূপ।
১১। জলাশয়, বাঁধ পরিবেষ্টিত পুকুর বা রজ্জুপথ।
১২। বসতবাড়ী।
১৩। সরকারি বা বেসরকারি ইমারত।
১৪। মসজিদ বা অন্য উপাসনালয়।
১৫। দোকান, বাজারস্থল, জনসাধারণের বিনোদন বা খেলার মাঠ, কলেজ, স্কুল, হাসপাতাল, থিয়েটার, সিনেমা বা অন্য ইমারত যেখানে জনসাধারণ একত্রিত হয়।
১৬। কারখানা।
১৭। পেট্রোলিয়াম, স্পিরিট, গ্যাস বা অন্য দাহ্য পদার্থ বা বিপজ্জনক পদার্থ বাল্কে মজুদের জন্য ব্যবহৃত হয় এমন ইমারত বা পূর্তকর্ম।
১৮। বিস্ফোরক বা বিস্ফোরকসম্বলিত কোন জিনিস মজুদ বা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয় এমন ইমারত বা পূর্তকর্ম।
১৯। বিমানবন্দর।
২০। চুল্লি, ভাটি বা চিমনি।
২১। পাথরখাদ বা খনিমুখ।
২২। বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা সাব-স্টেশন।
২৩। বেতার স্টেশন।
২৪। ওয়ারহাউজ বা অন্য মজুদাগার।
২৫। ৪৪০ ভোল্টের অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন ওভারহেড বিদ্যুৎ পরিচালন লাইন।
২৬। ৪৪০ ভোল্টের নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন ওভারহেড বিদ্যুৎ পরিচালন লাইন।
তারিখ……….
প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক, বাংলাদেশ।
ফরম-১৭
[বিধি ১৬০ দ্রষ্টব্য]
স্থলযান ব্যতীত অন্য পথে বিস্ফোরক আমদানির লাইসেন্স
নং………….
ফি………..টাকা
এতদ্দ্বারা…………..কে Explosives Act, 1884 (IV of 1884) এবং তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধান এবং অধিকন্তু এই লাইসেন্সের শর্তাবলী সাপেক্ষে নিম্নে উল্লিখিত ব্যক্তির নামে প্রেরিত নিম্নবর্ণিত প্রকারের বিস্ফোরক………..বন্দরে সমুদ্রপথে বা বিমানযোগে আমদানির জন্য লাইসেন্স প্রদান করা হইল।
এই লাইসেন্স…………তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে। বিস্ফোরক আইন (সংশোধিত) বা তদধীন প্রণীত বিধিমালা বা এই লাইসেন্সের শর্তাবলী ভঙ্গ করিলে এই লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিলযোগ্য।
ডাক যোগাযোগের ঠিকানা………….
তারিখ :…………….
প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক, বাংলাদেশ।
বিস্ফোরক ও প্রশাসকের বিবরণ
| বিস্ফোরকের নাম, শ্রেণী ও বিভাগ |
ওজন |
প্যাকেটের সংখ্যা |
যে স্থানে বিস্ফোরক আমদানি করা হইয়াছে সেই স্থান হইতে যাহার নিকট প্রেরণ করা হইবে তাহার নাম ও ঠিকানা |
প্রাপকের ম্যাগাজিন/ মজুদাগারের লাইসেন্স নং |
|
|
|
|
|
শর্তাবলী
১। আমদানির জন্য অনুমতিপ্রাপ্ত বিস্ফোরক ছাড়া অন্য বিস্ফোরক আমদানি করা যাইবে না।
২। এই লাইসেন্সের অনুমোদিত পরিমাণের অধিক বিস্ফোরক আমদানি করা যাইবে না।
৩। এই লাইসেন্সের বলে আমদানিকৃত সকল বিস্ফোরক, বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধি ৮ ও ৯ অনুসারে প্যাকেটকৃত ও চিহ্নিত হইতে হইবে।
৪। এই লাইসেন্সের বলে আমদানিকৃত বিস্ফোরক, কোন জাহাজ, নৌকা বা বিমান দুই বা ততোধিক মাধ্যমে বহন করা যাইবে না এবং আমদানিকৃত বিস্ফোরক এই লাইসেন্সের দ্বারা অনুমতিপ্রাপ্ত বন্দর ছাড়া অন্য বন্দরে জাহাজ, নৌকা বা বিমান হইতে খালাস বা স্থানান্তর করা যাইবে না।
৫। লাইসেন্সধারী লাইসেন্সের গায়ে উল্লিখিত বন্দরের যাবতীয় আইন-কানুন প্রতিপালন করিবেন।
৬। এই লাইসেন্সের বলে যে জাহাজ, নৌকা বা বিমানে বিস্ফোরক আমদানি করা হইয়াছে উহার মালিক এবং মাস্টার, আমদানিস্থলের আওতায় কোন পরিদর্শনকারী কর্তৃপক্ষ বা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের পরিদর্শক বা কর্মকর্তা আমদানিকৃত বিস্ফোরক পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করিতে চাহিলে, তাহাদের অনুমতি প্রদান করিতে হইবে।
৭। যেইমাত্র বিস্ফোরক আমদানিস্থল বা বন্দর হইতে ছাড় করা এবং ম্যাগাজিন/ মজুদাগারে মজুদের জন্য প্রেরিত হইবে, সঙ্গে সঙ্গে উহা আমদানিকারকের প্রেরণ তফসিল ফরম ১৩ পূরণ করিয়া প্রধান পরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিবেন।
৮। আমদানিকৃত বন্দর হইতে লাইসেন্সের গায়ে উল্লিখিত বিভিন্ন প্রাপকের নামে সরাসরি বিস্ফোরক প্রেরণ করা যাইবে এবং বিস্ফোরক পরিবহণ যাহাতে কোথাও বাধাগ্রস্ত না হয়, লাইসেন্সধারী পূর্বেই তাহার সকল যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
৯। আমদানিকৃত বিস্ফোরক যদি ৩য় শ্রেণী বা ৪র্থ শ্রেণীভুক্ত হয় তবে উহা পরীক্ষণ এবং এই ব্যাপারে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক মাল খালাস করিবার অনুমতি প্রদান ব্যতীত জাহাজ বা নৌকা হইতে বিস্ফোরক খালাস করা যাইবে না।
অতিরিক্ত শর্তাবলী
ফরম-১৮
[বিধি ১৫৯(৬) দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরক পরিবহণের লাইসেন্স
নং…………
ফি …………টাকা
এতদ্দ্বারা…………. কে Explosives Act, 1884 (IV of 1884) এর তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধান এবং অধিকন্তু এই লাইসেন্সের শর্তসাপেক্ষে লাইসেন্স নং……..ফরম নং……..অবস্থিত প্রাঙ্গণ হইতে নিম্নলিখিত বিস্ফোরক:
| ক্রমিক নং |
নাম |
শ্রেণী |
বিভাগ |
নিম্নের গন্তব্যস্থলে
পরিবহণের লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল।
এই লাইসেন্স ৩১ শে ডিসেম্বর………..তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
Explosives Act, 1884 বা তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা ২০০৪ বা এই লাইসেন্সের কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে এই লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিলযোগ্য।
লাইসেন্সধারীর ডাক যোগাযোগের ঠিকানা……………
তারিখ………
লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ।
নবায়ন স্বাক্ষরের স্থান
| নবায়নের তারিখ |
মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ |
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর
|
|
|
|
শর্তাবলী
১। লাইসেন্সের গায়ে বর্ণিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইলে বা যদি গন্তব্যস্থলে পৌছার পূর্বেই চালান খুলিয়া ফেলা হয় বা যদি লাইসেন্সে উল্লিখিত স্থান ছাড়া অন্য জায়গা হইতে বা অন্য কোন জায়গায় বিস্ফোরক লওয়া হইলে লাইসেন্স বাতিল হইয়া যাইবে।
২। লাইসেন্সধারী শুধু ঐ সমস্ত বিস্ফোরক পরিবহণ করিবেন, যে সমস্ত বিস্ফোরক এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধিমালার অধীনে অধিকারে রাখিবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
৩। প্রেরকের নামে প্রেরিত বিস্ফোরকের পরিমাণ এই বিধিমালার অধীনে তাহার নামে মঞ্জুরকৃত লাইসেন্সের মজুদ ক্ষমতার অতিরিক্ত হইবে না।
৪। প্রত্যেক বিস্ফোরক চালান ফরম ১৫ এ প্রদত্ত পাসের হইবে এবং উহা (যেমন-ট্রেনযোগে বিস্ফোরক পরিবহণ করা হয়)-বিল বা ইনভয়েসের (যাহা প্রযোজ্য হয়) সহিত যুক্ত করিতে হইবে।
৫। প্রত্যেক চালানের জন্য জারীকৃত পাস নিম্নলিখিত স্থানে প্রেরণ করিতে হইবে;
যথা:
(ক) লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে;
(খ) বিস্ফোরক পরিদর্শককে যাহার অধীন স্থান ও স্থানের প্রাঙ্গণ হইতে চালান প্রেরণ করা হইয়াছে।
(গ) পরিবহণকালে বিস্ফোরক হারানো, ঘাটতি বা চুরি গেলে উহা অনতিবিলম্বে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে এবং থানাকে এবং যে বিস্ফোরক পরিদর্শকের আওতার মধ্যে বিস্ফোরক হারানো, ঘাটতি বা চুরি হইয়া যাওয়ার বিষয়টি উৎঘাটিত হইয়াছে তাহাকে জানাইতে হইবে।
৭। বিস্ফোরকসমূহ বিস্ফোরক বিধিমালার বিধি ৮ ও ৯ অনুসারেও প্যাকেটও চিহ্নিত করিতে হইবে।
অতিরিক্ত শর্তাবলী
ফরম-১৯
[বিধি ১৫৯(৭) দ্রষ্টব্য)
স্থলভ্যানের লাইসেন্স
নং………..
ফি…………টাকা
এতদ্দ্বারা………….কে Explosives Act, 1884 (IV of 1884) এবং তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধান এবং অধিকন্তু এই লাইসেন্সের শর্তাবলী পালন সাপেক্ষে নিম্নে স্থলভ্যানের বিস্ফোরক পরিবহণ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল।
এই লাইসেন্স……..পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধিমালা বা লাইসেন্সের শর্তাবলী ভঙ্গ করিলে বা নিম্নবর্ণিত বর্ণনার সহিত ভ্যানের গড়মিল পরিলক্ষিত হইলে লাইসেন্স বাতিলযোগ্য।
স্থল ভ্যানের বর্ণনা:
তৈরি………….
নিবন্ধন নং……………..
ইঞ্জিন নং…………….
চেসিস নং……………
অন্যান্য সরঞ্জামাদির বর্ণনা……………….
অনুমোদিত নকশা নং……………….তারিখ
অনুমতিপ্রাপ্ত বিস্ফোরক পরিবহণের পরিমাণ……………
ডাক যোগাযোগের ঠিকানা………………..
তারিখ :……………..
লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ।
নবায়নের স্বাক্ষর
| নবায়নের তারিখ |
মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ |
কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর |
| ……..ইং |
………ইং |
|
শর্তাবলী
১। এই লাইসেন্স অন্য কোন স্থলভ্যানে হস্তান্তরযোগ্য নহে।
২। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত গাড়ী এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদিতে কোন পরিবর্তন করা যাইবে না।
৩। এই লাইসেন্স বা ইহার প্রামাণিক অনুলিপি সকল সময়ে ভ্যানে রাখিতে হইবে এবং পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা তলব করিলে তাহার নিকট উপস্থাপন করিতে হইবে।
৪। স্থল ভ্যানটি দ্বারা কোন বিস্ফোরক পরিবহণ করা যাইবে না যদি না উহা সম্পূর্ণ উপযুক্ত অবস্থায় থাকে এবং বিস্ফোরক বিধিমালার বিধান প্রতিপালিত হয়।
৫। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমোদন ব্যতীত স্থলভ্যানটি যে মালামাল পরিবহণের জন্য অনুমোদিত উহা ছাড়া অন্য কোন মালামাল পরিবহণ করা যাইবে না।
৬। ধূমপান করা এবং কোন আগুন বা কৃত্রিম বাতি বা অগ্নি উৎপাদনের সহায়ক কোন বস্তু স্থলযানে রাখিবার অনুমতি প্রদান করা যাইবে না।
৭। যাত্রী পরিবহণের জন্য এই যান ব্যবহার করা যাইবে না।
৮। সকল সময়ে স্থলভ্যানে বিস্ফোরক ভর্তি বা খালাস বা পরিবহণের এমন একজন ব্যক্তির দায়িত্বে হইতে হইবে যিনি বিস্ফোরক নাড়াচাড়া করিবার ব্যাপারে অভিজ্ঞ এবং সম্পূর্ণ ওয়াকেবহাল। যদি লাইসেন্সধারী কর্তৃক গাড়ী চালনা না করা হয়, তবে সেইক্ষেত্রে তাহার কর্তৃক স্বাক্ষরে একটি পত্র কর্তৃত্বপ্রাপ্ত গাড়ী চালক ও গাড়ীর সহযোগী ব্যক্তিদ্বয়ের নামে প্রদান করিবেন যাহা সকল সময়ে গাড়ীতে রাখিতে হইবে এবং পরিদর্শনকারী কর্মকর্তার তলবকালে প্রদর্শন করিতে হইবে।
৯। বিস্ফোরক বিধি বা প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের নির্দেশনা অনুসারে যে বিস্ফোরক প্যাক করা হয় নাই উহা বহন করা যাইবে না।
১০। অন্য কোন বিস্ফোরকের সহিত ডেটোনেটর বহন করা যাইবে না।
১১। স্থলভ্যানে বা উহার সহিত সংশ্লিষ্ট কোন ধ্বংস, দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের খবর; উক্ত ধ্বংস, দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের বিস্তারিত বিবরণসহ লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট অনতিবিলম্বে প্রদান করিতে হইবে। যদি উক্ত দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণে কোন লোক মারা যায় বা মারাত্মকভাবে জান ও মালের ক্ষতি সাধিত হয় তবে উক্ত সংবাদ নিকটস্থ থানায় অনতিবিলম্বে প্রদান করিতে হইবে।
১২। প্রেরকের লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক স্থলযানে ভর্তি এবং প্রাপকের লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে উহা হইতে খালাস করিতে হইবে।
১৩। লাইসেন্সধারী পরিবহণকৃত বিস্ফোরকের হিসাব ফরম নং ৩১ এর মাধ্যমে রক্ষণাবেক্ষণ করিবেন এবং পরিদর্শনকারী কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী উহা উপস্থাপন করিতে হইবে।
অতিরিক্ত শর্তাবলী
ফরম-২০
বিধি ১৬১ দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরক প্রস্তুতের লাইসেন্স
নং………….
ফি …………..টাকা
এতদ্দ্বারা…………….কে Explosives Act, 1884 (IV of 1884) এবং তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধানাবলী এবং অধিকন্ত এই লাইসেন্সের শর্তাবলী সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত প্রাঙ্গণে প্রতি বৎসরের যে কোন এক সময়ে……….বিস্ফোরক তৈরি করিবার জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল।
এই লাইসেন্স ৩১ ডিসেম্বর…..পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধিমালা বা এই লাইসেন্সের শর্তাবলী ভঙ্গ করিলে বা সংযুক্ত নকশায় উল্লিখিত বিবরণের সহিত গড়মিল পরিলক্ষিত হইলে এই লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিলযোগ্য।
লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের বর্ণনা:
ইহার সহিত সংযুক্ত নকশা নম্বর…………..এ লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের চিত্র প্রদর্শিত আছে যাহার অবস্থান…………জেলা……….এবং উহাতে………..আছে।
তারিখ :
প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক, বাংলাদেশ।
লাইসেন্সের নবায়ন স্বাক্ষর
| নবায়নের তারিখ |
মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ |
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর
|
|
|
|
শর্তাবলী
১। (ক) কারখানার সহিত সম্পর্কযুক্ত বেস্টনী বাঁধ, ইমারত এবং পূর্তকর্মের নির্মাণ বিবরণ বিশদভাবে লাইসেন্সের সহিত সংযুক্ত অনুমোদিত নকশা ও পরিশিষ্ট ১ এ প্রদান করা হইয়াছে;
(খ) প্রত্যেক ইমারত/কারখানার অংশবিশেষে যে প্রস্তুত প্রক্রিয়া চালানো হইবে উহাতে বিস্ফোরকের প্রকার, পরিমাণ, উহার উপাদান এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রজ্বলনীয় বা দাহ্য বা অন্য কোনোভাবে বিপজ্জনক পদার্থ একটি ইমারতে কতটুকু গ্রহণীয় হইবে এবং একটি ইমারতের সর্বোচ্চ কতজন লোক নিয়োজিত থাকিবে তাহা লাইসেন্সের সহিত সংযুক্ত পরিশিষ্ট ২ এ প্রদত্ত হইয়াছে।
২। উৎপাদন প্রক্রিয়া বা কার্যক্রমের পর্যায় বা ইমারত বা প্লান্টের অভ্যন্তরের কার্যাবলী এবং ব্যবহৃত সরঞ্জামাদির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজকর্ম লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে সম্পাদন করা যাইবে।
৩। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন ব্যতীত উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বা কার্যাবলীর কোন ধাপে বা প্রত্যেক ইমারত বা প্লান্টের কার্যাবলীতে এবং প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির পরিবর্তন করা যাইবে না।
৪। বিস্ফোরক উৎপাদন প্রক্রিয়ায় উল্লেখ আছে এইরূপ কাজের সহিত সরাসরি জড়িত নহে এমন কোন কাজ কারখানার কোন অংশে করা যাইবে না।
৫। ইমারতের কামরায় অভ্যন্তরস্থ সরঞ্জামাদি (কলকজা ব্যতীত) এমনভাবে নির্মাণ বা আস্তরকৃত এবং আবৃত রাখিতে হইবে যাহাতে কোন লোহা বা ইস্পাত উন্মুক্ত না থাকে বা প্রস্তুর কণা বা লোহা, ইস্পাত বা এইরূপ কোন বস্তু এমনভাবে বিচ্ছিন্ন রাখিতে হইবে যাহাতে কোন বিস্ফোরকের সংস্পর্শে আসিতে না পারে। অতএব, এইরূপ কামরার অভ্যন্তরভাগ পরিষ্কার রাখিতে হইবে এবং কঙ্কর হইতে মুক্ত রাখিতে হইবে।
৬। কারখানা প্রাঙ্গণে সমস্ত যন্ত্রপাতি যথাযথ ও কার্যকরভাবে আর্থিং করিয়া রাখিতে হইবে।
৭। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন ব্যতীত লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে কোন সংযোজন বা পরিবর্তন করা যাইবে না।
৮। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক যদি মনে করেন যে, প্রাঙ্গণের বা কারখানায় কর্মরত লোকজনের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের যন্ত্রপাতি, কলকজা বা সরঞ্জামাদি মেরামত/ সংযোজন বা পরিবর্তন করা প্রয়োজন এবং এই মর্মে কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে নোটিশ প্রদান করেন তাহা হইলে লাইসেন্সধারী উক্ত কর্তৃপক্ষের উল্লিখিত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উক্ত মেরামত, সংযোজন বা পরিবর্তন কার্য সম্পাদন করিবেন।
৯। কোন ইমারত বা কারখানার কোন অংশ মেরামতের পূর্বে উক্ত ইমারতের বা কারখানার অংশটি যতদূর সম্ভব বিস্ফোরক বা উহার উপকরণের মিশ্রণ অপসারণ ও ধৌতকরণের মাধ্যমে পরিষ্কার করিতে হইবে এবং এইরূপ পরিষ্কার করিবার পর এই লাইসেন্সের শর্তাবলীর প্রয়োগ স্থগিত থাকিবে যতক্ষণ না উক্ত ইমারত বা উহার অংশবিশেষে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়।
১০। কর্মকালীন সময়ে উপযুক্ত পকেটবিহীন পোশাক, উপযুক্ত জুতা পরিধান এবং তল্লাশী বা অন্য কোন উপায় বা ব্যবস্থাসম্বলিত বিধান চালু করিতে হইবে যাহাতে কারখানার বিপজ্জনক এলাকায় ম্যাচ, শলাকা, অগ্নি উৎস যাহা কোন বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটাইতে পারে উহাদের প্রবেশ রোধ করা যায়। তবে এইরূপ শর্ত কোন বিশেষভাবে নির্মিত ও বিশেষ ধরণের কৃত্রিম আলোর প্রবেশ রোধ করিবে না, যাহা অগ্নি বা বিস্ফোরণের সহায়ক নহে।
১১। লাইসেন্সধারী ২৭ ও ২৮ নম্বর ফরমে প্রস্তুতকৃত ও মজুদকৃত সকল বিস্ফোরকের রেকর্ড ও হিসাব রাখিবেন এবং বিস্ফোরক বিধিমালার বিধি ১৮৩ এর অধীনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ যখন উহা দেখিতে চান তখন উক্ত স্টক রেজিস্টার রেকর্ডপত্র প্রদর্শন করিবেন।
১২। অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণজনিত দুর্ঘটনা এবং হারানো, কমতি বা চুরি যাওয়া বিস্ফোরকের খবর অনতিবিলম্বে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে এবং সংশ্লিষ্ট থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাইতে হইবে।
১৩। প্রত্যেক ইমারতের কর্মকাণ্ড কড়াকড়িভাবে বিধৃত কার্যনির্দেশ ও নিয়মাবলী অনুসারে সম্পাদিত হইবে।
১৪। লাইসেন্সধারী এবং কারখানার মধ্যে বা আশেপাশে নিযুক্ত লোকজন কারখানায় অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণজনিত কোন দুর্ঘটনা যাহাতে না ঘটিতে পারে এবং কোন অননুমোদিত ব্যক্তি কারখানায় বা উহার মধ্যে যেখানে বিস্ফোরক মজুদ করা হয় সেইখানে প্রবেশ করিতে না পারে এমন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন এবং এমন কাজ যাহাতে অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণ ঘটিতে পারে এবং যাহা সঙ্গতভাবে কারখানার কাজের সহিত সঙ্গতিপূর্ণ নহে, এমন কার্য হইতে বিরত থাকিবেন।
১৫। ইমারতের অভ্যন্তরস্থ কামরা যেখানে বিস্ফোরক প্রস্তুত বা নাড়াচাড়া করা হয় এবং তথায় অবস্থিত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি প্রত্যেকদিন কাজের শেষে পরিষ্কার করিতে হইবে। ইমারতের কামরার মধ্যে উৎপাদন বা নাড়াচাড়াকালীন সময়ে পতিত বিস্ফোরক ঝাড়ু দিয়া সতর্কতার সহিত সংগ্রহ করিতে হইবে এবং বিধৃত নিয়ম অনুযায়ী বিনষ্ট করিতে হইবে। বর্জ্যসমূহ বিধৃত নিয়ম অনুযায়ী যথাযথ ট্রিটমেন্টের পর নিষ্কাশন করিতে হইবে।
১৬। লাইসেন্সধারী বিস্ফোরক উৎপাদন এবং অন্যান্য প্রক্রিয়া বিধি অনুসারে এবং কার্য পরিচালনা তদারকির জন্য যোগ্য এবং উপযুক্ত ব্যক্তি নিয়োগ করিবেন।
১৭। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমোদন ব্যতিরেকে কোন লোহা বা ইস্পাতের সরঞ্জামাদি ব্যবহার করা যাইবে না।
১৮। যে কোন পরিদর্শনকারী বা নমুনা সংগ্রহকারী কর্মকর্তাকে সকল সময়ে লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করিতে দিতে হইবে এবং উক্ত কর্মকর্তাকে সকল সুযোগ- সুবিধা প্রদান করিতে হইবে যাহাতে আইন ও বিধিমালার সকল বিধান এবং লাইসেন্সের সকল শর্তাদি যথাযথ প্রতিপালন করা হইতেছে মর্মে নিশ্চিত হওয়া যায়।
১৯। কোন উদ্দেশ্যে ব্যতিরেকে কর্মরত ব্যক্তিগণ প্রধান ফটক ব্যতীত অন্য কোন পথে কারখানায় প্রবেশ বা কারখানা ত্যাগ করিবেন না এবং কর্মকালীন সময় উত্তীর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত কারখানা ত্যাগ করিবেন।
২০। লাইসেন্সধারী বা ইনচার্জের অনুমতি ব্যতীত কোন কর্মরত ব্যক্তি তাহার কর্মস্থল ছাড়া অন্য কোন বিপজ্জনক ইমারত বা কারখানার অংশে প্রবেশ করিবেন না।
২১। কোন ব্যক্তি ম্যাগাজিনে সরবরাহকৃত বুট বা জুতা পরিধান ছাড়া বিপজ্জনক ইমারত বা পরিষ্কার এলাকায় প্রবেশ করিতে পারিবেন না এবং ইমারতের বিপজ্জনক স্থানে বা পরিষ্কার প্লাটফরম এর উপর ছাড়া যেখানে উহারা কোন ধূলাবালির সংস্পর্শে আসিতে পারে কোনোক্রমেই উক্ত স্থানে এই বুটজুতা পরিধান করিতে পারিবেন না।
২২। বিপজ্জনক ইমারতে কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি কর্ম শুরু প্রাক্কালে তাহাকে প্রদত্ত বিপজ্জনক ইমারত পরিচ্ছদ পরিধান করিবেন। বহির্বাস বা অন্তর্বাস কোন পরিচ্ছদেরই পকেট থাকিতে পারিবে না।
২৩। সকল অগ্নি-নির্বাপক বালতি পরিষ্কার পানি দ্বারা পূর্ণ এবং ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখিতে হইবে।
২৪। বিপজ্জনক ইমারতের সকল যন্ত্রপাতি প্রত্যেক দিন পরীক্ষা করিতে হইবে এবং বিপজ্জনক ইমারতের কোন প্লান্ট বা যন্ত্রপাতি বিকল বা ত্রুটি পরিলক্ষিত হইলে মেশিনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করিয়া দিতে হইবে।
২৫। কোন বিপজ্জনক ইমারতে কার্য শুরুর পূর্বে সকল নির্গমন দরজার তালা খুলিয়া দিতে হইবে এবং এমন ব্যবস্থা রাখিতে হইবে যাহাতে ঠেলা দিলে সহজেই খুলিয়া যায়। কোন নির্গমন দরজা কোন টেবিল, বাক্স বা অন্য কোন জিনিস দ্বারা বন্ধ করিয়া রাখা যাইবে না।
২৬। সকল বাক্স এবং প্যাকেট উত্তোলিত অবস্থায় বহন করিতে হইবে এবং কখনও মেঝের উপর দিয়া টানিয়া লওয়া যাইবে না। কোন ভাঙ্গা বা ত্রুটিযুক্ত বিস্ফোরকের প্যাকেট কারখানার বাহিরে প্রেরণ করা যাইবে না।
অতিরিক্ত শর্তাবলী
ফরম-২১
[বিধি ১৬১ দ্রষ্টব্য]
কার্যস্থলে এএনএফও প্রস্তুত করিবার লাইসেন্স
নং…………..
ফি ………….টাকা
এতদ্দ্বারা……………..কে Explosives Act, 1884 (IV of 1884) এবং তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধান এবং অধিকন্তু এই লাইসেন্সের শর্তাবলী সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত প্রাঙ্গণে………..কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটসমৃদ্ধ বা খনিজ তৈল প্রবিষ্ট ননক্যাপ সেনসিটিভ বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল।
এই লাইসেন্স ৩১ ডিসেম্বর …………..পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
বিস্ফোরক আইন বা তদধীন প্রণীত বিধিমালা বা এই লাইসেন্সের শর্তাবলী ভঙ্গ করিলে বা সংযুক্ত নক্সায় উল্লিখিত বর্ণনা অনুসারে প্রাঙ্গণটির গড়মিল পরিলক্ষিত হইলে লাইসেন্সটি বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিলযোগ্য।
লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের বর্ণনা
ইহার সহিত সংযুক্ত নকশা নম্বর………….তারিখ এ প্রাঙ্গণের চিত্র প্রদর্শিত আছে এবং উহার অবস্থান………জেলা………..এবং উহাতে……..আছে।
লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ।
লাইসেন্সের নবায়ন স্বাক্ষর
| নবায়নের তারিখ |
মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ |
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর
|
|
|
|
শর্তাবলী
১। বিস্ফোরকগুলি হালকাভাবে নির্মিত শেডে প্রস্তুত করিতে হইবে, যাহার চারিদিকে সকল সময়ে এতদসঙ্গে সংযুক্ত নক্সায় উল্লিখিত নিরাপত্তা দূরত্ব বজায় রাখিয়া প্রস্তুত করিতে হইবে।
২। এই শেডের চারিদিকের ভূমি হইতে অন্যূন ৩০ সে.মি. উচ্চ একটি কংক্রীট প্লাটফরম থাকিতে হইবে। ইহার মেঝে চারিদিকে অন্যূন ১ মি. উচ্চ ইটের দেয়াল দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকিবে যাহাতে একটি প্রবেশ দ্বার এবং উহার বিপরীত দিকে একটি বাহির হওয়ার দরজা থাকিবে।
৩। প্রস্তুতকরণ শেড এবং উহার চারিপার্শ্বে ৯ মি. জায়গা অন্যূন ২ মি. উচ্চ বেড়া দ্বারা পরিবেষ্টিত রাখিতে হইবে। এইরূপ পরিবেষ্টিত স্থানটি আবর্জনা, শুকনা ঘাস, খালি থলে বা অন্য কোন দাহ্য পদার্থমুক্ত রাখিতে হইবে।
৪। প্রস্তুতকরণ প্রক্রিয়ায় খনিজ তেলের সহিত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মিশ্রণ বা প্রবিষ্টকরণ অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। এতদুদ্দেশ্যে খনিজ তেলের জন্য পেট্রোলিয়াম, কয়লার এমন ডেরিভেটিভকে বিবেচনা করিতে হইবে যাহার ফ্লাশ পয়েন্ট ৩৮° সে. এর নিচে নহে।
৫। প্রস্তুতকরণ শেডের ৪নং শর্তে উল্লিখিত মিশ্রণ বা প্রবিষ্টকরণ কার্যটি, হাত দ্বারা করা হইলে অ্যালুমিনিয়াম নির্মিত পাত্রে বা অ্যালুমিনিয়ামের আস্তর বিশিষ্ট কাঠের পাত্রে বা মেশিনের সাহায্যে করিতে হইবে যাহা প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক লিখিতভাবে অনুমোদিত হইতে হইবে।
৬। বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণ কার্যটি লাইসেন্সধারী কর্তৃক নিয়োজিত একজন যোগ্যতাসম্পন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তির নিবিড় তত্ত্বাবধানে করিতে হইবে।
৭। লাইসেন্সধারী এমন কার্যকলাপ হইতে বিরত থাকিবেন যাহা অগ্নি বা বিস্ফোরণ সৃষ্টি করিতে পারে এবং নিম্নলিখিত বিষয় যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করিবেন:
(ক) বিস্ফোরক বা উহার উপাদানের সহিত কোন দানাদার বা বাহিরের বস্তুর (সংস্পর্শ যাহার ফলে বিস্ফোরকের স্পর্শকাতরতা বৃদ্ধি বা উহার বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন না ঘটে;
(খ) বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণ, চার্জিং বা হ্যান্ডলিং স্থল বা স্থলসমূহে বা উহার ৯ মি. দূরত্বের মধ্যে কোন অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ না করে।
৮। বিস্ফোরক প্রস্তুতের জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত উপাদান উৎপাদন স্থল বা উহার ৯ মি. এর মধ্যে রাখা যাইবে না।
৯। বিস্ফোরক উৎপাদন, হ্যান্ডলিং বা ব্যবহার স্থলে বা উহার ৯ মি. দূরত্বের মধ্যে ধূমপান, খোলা বাতি, দিয়াশলাই বা স্ফুলিঙ্গ বা অগ্নি উৎপাদনকারী কোন বস্তুর অনুমতি প্রদান করা যাইবে না।
১০। তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিস্ফোরক উৎপাদন করিতে হইবে।
১১। প্রাঙ্গণে মজুদকৃত উপাদানসহ মোট বিস্ফোরকের পরিমাণ কোন সময়ে লাইসেন্সকৃত পরিমাণের অধিক হইবে না।
১২। এই লাইসেন্স বলে উৎপাদিত বিস্ফোরক উহার ক্যাপ সেনসিটিভিটি নির্ণয়ের জন্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করিতে হইবে। কোন বিস্ফোরকের ক্যাপ সেনসিটিভিটি পরিলক্ষিত হইলে উহা তাৎক্ষণিকভাবে এমন অভ্যন্তরীণ শক্ত প্যাকেটে আবদ্ধ করিতে হইবে যাহা বিস্ফোরক বা তেল বহির্গমন রোধ করিতে সক্ষম হয় এবং যাহা পলিথিনের প্যাকেটেও হইতে পারে।
বহি:প্যাকেট কাঠ, শক্ত ফাইবার বোর্ড বা অ্যালুমিনিয়ামের হইতে হইবে। এইরূপ বিস্ফোরক লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিন হইতে অপসারণ করিতে হইবে এবং সেইগুলি বিনষ্ট করিবার বিষয়ে নির্দেশনার জন্য লিখিতভাবে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে। এতদুদ্দেশ্যে বিস্ফোরক কার্তুজ বা ব্যাগে দূরবর্তী কোন স্থানে স্থাপন করিয়া উহাতে একটি বৈদ্যুতিক ডেটোনেটর প্রবেশ করাইতে হইবে এবং একজন যোগ্য শট ফায়ারার দ্বারা সতর্কতার সহিত বিস্ফোরণ ঘটাইতে হইবে। বিস্ফোরণের ফলে কার্তুজ বা ব্যাগের নিচের মাটিতে গর্ত হইলে সেই বিস্ফোরকটি ক্যাপ সেনসিটিভ ছিল বলিয়া প্রমাণিত হইবে।
১৩। বিস্ফোরিত বিস্ফোরকের সকল অবশিষ্টাংশ সংগ্রহ করিয়া লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণ হইতে দূরে নিরাপদ স্থানে একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে ধ্বংস করিতে হইবে।
১৪। বিস্ফোরক প্রস্তুত করিবার জন্য ব্যবহৃত সকল ধারণপাত্র এবং মিশ্রণ ব্যবহারের পর কোন উপযুক্ত ডিটারজেন্ট দ্রবণ দ্বারা ভালভাবে পরিষ্কার করিতে হইবে এবং পানি দ্বারা ধৌত করিতে হইবে।
১৫। সকল ডেটোনেটর, প্রাইমিং কার্তুজ, ডেটোনেটিং ফিউজ এবং অন্যান্য সূচনাকারী বিস্ফোরক এতদুদ্দেশ্যে লাইসেন্সকৃত ম্যাগাজিনে মজুদ করিতে হইবে।
১৬। লাইসেন্সধারী এই লাইসেন্সে অনুমতিপ্রাপ্ত বিস্ফোরক কার্তুজে ভর্তি করিতে পারিবেন, যদি-
(ক) এইরূপ কার্তুজ লাইসেন্সের সহিত সংযুক্ত অনুমোদিত নক্সায় চিহ্নিত স্থানে ভর্তি করা হয়;
(খ) বিস্ফোরক ধ্বংস বা উহার উপাদানে বিভক্ত করা না হয়;
(গ) যেখানে কার্তুজ ভর্তি করা হয় সেইখানে বা উহার ৯ মি. দূরত্বের মধ্যে কোন ধূমপান, খোলাবাতি, দিয়াশলাই বা এমন কোন বস্তু যাহা অগ্নি/স্ফুলিঙ্গ তৈরি করিতে সক্ষম, উহার প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা না হয়।
১৭। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের লিখিত পূর্বানুমতি ব্যতীত লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে কোন পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যাইবে না। এইরূপ অনুমোদিত পরিবর্তন বা পরিবর্ধন লাইসেন্সের সহিত সংযুক্ত নক্সায় প্রদর্শন করিতে হইবে।
১৮। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধি ১৮৩-তে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে সকল সময়ে লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করিতে হইবে এবং এইরূপ কর্মকর্তাকে সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করিতে হইবে যাহাতে তিনি নিশ্চিত হইতে পারেন যে প্রাঙ্গণে আইন, বিধিমালার বিধান এবং লাইসেন্সের শর্তাবলী সম্পূর্ণ প্রতিপালন হইতেছে।
১৯। কোন অগ্নি বা বিস্ফোরণজনিত দুর্ঘটনার সংবাদ অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানায়, খনি নিরাপত্তা বিভাগ, মহাপরিচালক এবং লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
২০। এই লাইসেন্সের বলে উৎপাদিত এবং ব্যবহৃত বিস্ফোরকের হিসাব সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং উক্ত রেকর্ডসমূহ বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধি ১৮৩-তে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তলব করা হইলে তাহা প্রদর্শন করিতে হইবে।
২১। লাইসেন্সধারী প্রত্যেক মাসের শেষে লাইসেন্স প্রদানকারী ও নবায়নকারী কর্তৃপক্ষের নিকট সেই মাসে কতটুকু এএনএফও উৎপাদিত ব্যবহৃত হইয়াছে তাহার একটি প্রতিবেদন এমনভাবে দাখিল করিবেন যাহাতে উহা পরবর্তী মাসের ১০ (দশ) তারিখের মধ্যে উক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট পৌছে।
অতিরিক্ত শর্তাবলী
ফরম-২২
[বিধি ১৬১ দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরক ব্যবহারের জন্য অধিকারে রাখিবার লাইসেন্স
নং……….
ফি……….টাকা
এতদ্দ্বারা………..কে Explosives Act, 1884 (IV of 1884) এবং তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধানাবলী এবং অধিকন্তু এই লাইসেন্সের শর্তাবলী সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত শর্ত নং……….এ বর্ণিত পরিমাণ বিস্ফোরক অধিকারে রাখা এবং ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল। এই লাইসেন্স ৩১ ডিসেম্বর…………পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের বর্ণনা
অনুমোদিত নক্সা নং………..তারিখ………..
এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধিমালার কোন বিধান বা এই লাইসেন্সের কোন শর্ত লঙ্ঘন করিলে বা সংযুক্ত নক্সায় উল্লিখিত বিবরণের সহিত গড়মিল পরিলক্ষিত হইলে এই লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিলযোগ্য।
তারিখ :
লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ
লাইসেন্স নবায়নের স্বাক্ষর
| নবায়নের তারিখ |
মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ |
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর
|
|
|
|
শর্তাবলী
১। প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক মজুদের পরিমাণ যে কোন সময়ে লাইসেন্সে উল্লিখিত পরিমাণের বেশি হইবে না।
২। ম্যাগাজিনটি শুধুমাত্র এই লাইসেন্সের অতিরিক্ত শর্ত সং…………..এ উল্লিখিত সকল বিস্ফোরক এবং উহাদের ধারণপাত্র, বিস্ফোরক মজুদ ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের সহিত সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জামাদি মজুদের জন্য ব্যবহৃত হইবে।
৩। ম্যাগাজিন বা মজুদাগারের অভ্যন্তরে বিস্ফোরকের প্যাকেট খোলা এবং ওজন লওয়া ও প্যাকেটজাত করা যাইবে না।
৪। (১) দুই বা ততোধিক প্রকৃতির বিস্ফোরক অতিরিক্ত শর্ত নং……………..
অনুযায়ী ম্যাগাজিন/মজুদাগারে রাখা যাইবে যদি তাহারা এমন বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পদার্থের তৈরি কোন পৃথকীকরণ দেওয়াল দ্বারা পৃথকীকৃত বা দূরত্ব বজায় রাখে যাহা কার্যকরভাবে বিস্ফোরণ বা আগুন ব্যাপৃত হইতে বাধাদানে সক্ষম হয়:
তবে শর্ত থাকে যে-
(ক) ১ম শ্রেণী (গান পাউডার), ২য় শ্রেণী (নাইট্রেট মিশ্রণ), ৩য় শ্রেণী (নাইট্রো যৌগ) এবং ৪র্থ শ্রেণী (ক্লোরেট মিশ্রণ), ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগভুক্ত সেফটি ফিউজ (অ্যাডিনিশন) ধরনের বিস্ফোরক এবং এইরূপ ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ২য় বিভাগের (এমুনিশন) বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক, যাহা কোন উন্মুক্ত লোহা বা ইস্পাতমুক্ত হইলে, উহাদের কোন পৃথকীকরণ দেওয়াল বা দূরত্ব বজায় রাখা ছাড়াই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(খ) ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগের (অ্যাডিনিশন) এর বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক কোন পৃথকীকরণ, দেওয়াল/দূরত্ব বজায় রাখা ছাড়াই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(গ) এইরূপ ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ২য় বিভাগের (অ্যাডিনিশন) বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক যাহাতে উন্মুক্ত লোহা বা ইস্পাত আছে উহাদের মধ্যে কোন পৃথিকীকরণ দেওয়াল/দূরত্ব বজায় রাখা ব্যতিরেকেই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(ঘ) ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ৩য় বিভাগের (অ্যাডিনিশন) বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক কোন পৃথকীকরণ দেওয়াল/ দূরত্ব বজায় রাখা ব্যতিরেকেই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(ঙ) ক্লোরেট সমৃদ্ধ বিস্ফোরক ছাড়া ৭ম শ্রেণীর (আতশবাজী) বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক পৃথকীকরণ দেওয়াল/দূরত্ব বজায় রাখা ব্যতিরেকেই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(২) উপরে যাহাই বলা হউক না কেন, অতিরিক্ত শর্ত নং………..এর বিধান পরিপালন সত্ত্বেও দুই বা ততোধিক প্রকারের বিস্ফোরক একই ম্যাগাজিন বা মজুদাগারে রাখা যাইবে না।
(৩) (ক) প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের বিশেষ অনুমোদন ব্যতীত ৩য় শ্রেণীর (নাইট্রো-যৌগ) বিস্ফোরক উহাদের প্রস্তুতকালীন তারিখ হইতে ১ বৎসর কাল অতিক্রান্ত হওয়ার পর ম্যাগাজিনে মজুদ করা যাইবে না।
(খ) এইরূপ অনুমোদন প্রদান ফরা হইলে প্রত্যেক পরিদর্শনের পর প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শনের নিকট হইতে অনুমোদনের মেয়াদ উল্লেখপূর্বক একটি সনদ গ্রহণ করিতে হইবে এবং উহা অবশ্যই লাইসেন্সধারী কর্তৃক রক্ষিত থাকিবে এবং চাহিদা মোতাবেক উপস্থাপন করিতে হইবে।
৫। যখন কোন বিস্ফোরকে গলিত অবস্থা বা নিঃসৃত নাইট্রোগ্লিসারিন বা তরল নাইট্রো-যৌগের চিহ্ন পরিলক্ষিত হওয়ার কারণে মান অনুযায়ী বিশুদ্ধতা আর বজায় থাকে না এবং সেই হিসেবে ম্যাগাজিনে বা মজুদাগারে রাখিবার অনুপযুক্ত হইয়া পড়ে, লাইসেন্সধারী তখন উক্ত বিস্ফোরকগুলি বিনষ্ট করিবার জন্য প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক যে নির্দেশাবলী প্রদান করিবেন উহা নিজ খরচে প্রতিপালন করিবেন।
৬। ম্যাগাজিন/মজুদাগারের অভ্যন্তরভাগ এবং বেঞ্চ, তাক এবং উহার মধ্যস্থ সরঞ্জামাদি এমনভাবে নির্মাণ বা আস্তরকৃত বা আবৃত করিতে হইবে যাহাতে লোহা বা ইস্পাত উন্মুক্ত না থাকে এবং কঙ্কর, লোহা, ইস্পাত বা এ জাতীয় বস্তুকে বিস্ফোরকের সংস্পর্শ হইতে বিছিন্ন রাখে। এইরূপ অভ্যন্তরভাগ, বেঞ্চ, তাক এবং সরঞ্জামাদি যতদূর সম্ভব কঙ্করমুক্ত এবং অন্যভাবে পরিষ্কার রাখিতে হইবে এবং কোন বিস্ফোরক পানির সংস্পর্শে থাকিলে উহা হইতে পানি অপসারণের জন্য যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করিতে হইবে। তবে শর্ত থাকে যে, কোন দালানে রক্ষিত ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগের (অ্যাডিনিশন) ব্যতীত অন্য বিস্ফোরকের জন্য উন্মুক্ত লোহা বা ইস্পাত হইতে সতর্কতা অবলম্বনের বিষয়টি বাধ্যতামূলক হইবে না।
৭। বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক যদি বজ্রবহ পরীক্ষা করা হয় তবে লাইসেন্সধারী পরীক্ষণের জন্য নির্ধারিত ফি প্রদান করিবেন। যদি পরীক্ষার ফল অসন্তোষজনক পরিলক্ষিত হয় তবে পরীক্ষণ কর্মকর্তা কর্তৃক উহা সন্তোষজনক প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী প্রত্যেক পরীক্ষণের জন্য সমান ফি প্রদান করিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, যে কোন একদিনে একটি বজ্রবহে যতগুলি পরীক্ষা করা হউক একটি পরীক্ষার ফি-ই প্রদেয় হইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, যেখানে দুই বা ততোধিক বজ্রবহ পরস্পরের সহিত এবং একই ম্যাগাজিনে সংযুক্ত থাকে তবে এইরূপ বজ্রবহগুলিতে যতগুলি পরীক্ষা করা হইবে তাহার জন্য প্রদেয় পরীক্ষণ ফি অত্র শর্তে নির্ধারিত একটি বজ্রবহ পরীক্ষা ফি এর বেশি হইবে না। কর্মকালীন সময়ে যথোপযুক্ত পোশাক উপযুক্ত জুতা পরিধান এবং তল্লাশী বা অন্য কোন উপায়ে বা অনুরূপ ব্যবস্থার মাধ্যমে ম্যাগাজিন বা মজুদাগারে অগ্নি শলাকা, ম্যাচ বা এইরূপ বস্তু বা বিশেষ দ্রব্য যাহা বিস্ফোরক বা অগ্নিকাণ্ডে সহায়ক বা কোন কঙ্কর, লোহা বা ইস্পাত ইত্যাদি প্রবেশ রোধ করিবার বিধান করিতে হইবে, কিন্তু এই শর্ত বিশেষভাবে তৈরি ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কৃত্রিম বাতি, যাহা প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত এবং অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের সহায়ক নহে, উহার প্রবেশের জন্য বাধা সৃষ্টি করিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ভবনে রক্ষিত ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগের (এমুনিশন) বিস্ফোরক ব্যতীত অন্য বিস্ফোরকের জন্য লোহা বা ইস্পাতবিহীন হওয়ার শর্ত পরিপালন বাধ্যতামূলক হইবে না।
৯। লাইসেন্সধারী মজুদকৃত সকল বিস্ফোরকের রেকর্ড ও হিসাব এবং ২৮ ও ৩০ নম্বর ফরমে মজুদ ও ব্যবহারের হিসাব তাহার অফিসে সংরক্ষণ করিবেন এবং এই সকল স্টক বহি এবং রেকর্ডপত্র বিধি ১৮৩ এর অধীনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে চাহিবামাত্র উপস্থাপন করিবেন।
১০। কোন দুর্ঘটনা এবং হারানো, মজুদ ঘাটতি এবং চুরি হওয়া বিস্ফোরকের রিপোর্ট অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানায় এবং লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।
১১। লাইসেন্স প্রাঙ্গণে সম্ভাব্য সকল সময়ে পরিদর্শনকারী বা নমুনা সংগ্রহকারী কর্মকর্তাকে প্রবেশ করিতে দিতে হইবে এবং উক্ত কর্মকর্তা যাহাতে বিধির বিধানাবলী এবং লাইসেন্সের শর্তাবলী যথাযথ প্রতিপালন হইতেছে কিনা তাহা নিশ্চিত হইতে পারেন সেইজন্য তাহাকে সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করিতে হইবে।
১২। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে প্রাঙ্গণের কোন পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যাইবে না এবং এই ব্যাপারে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কোন শর্তের উল্লেখ করিলে লাইসেন্সধারীকে উহা প্রতিপালন করিতে হইবে।
১৩। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে যে, প্রাঙ্গণের বা জননিরাপত্তার স্বার্থে কোন কার্যব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন, তবে লাইসেন্সধারীকে লিখিতভাবে এই মর্মে নোটিশ প্রদান করিবেন এবং লাইসেন্সধারী নোটিশে উল্লিখিত সময়সীমা, যাহা নোটিশ প্রাপ্তির পর হইতে এক মাসের কম হইবে না, এর মধ্যে কার্য সম্পাদন করিবেন।
১৪। ম্যাগাজিন বা মজুদাগার সবসময় উত্তর মেরামতকৃত (ভাল অবস্থায় রক্ষণাবেক্ষণ) অবস্থায় রাখিতে হইবে। ম্যাগাজিন বা মজুদাগার যে কোন কারণে বিস্ফোরক মজুদের অনুপযোগী পরিলক্ষিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইসেন্সধারী বিষয়টি লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।
১৫। লাইসেন্সধারী প্রত্যেক মাসের শেষে সময়ে সময়ে ফরম নং ৩২ এর নির্ধারিত ছকের মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এবং নবায়নকারী কর্তৃপক্ষের নিকট মাসিক প্রতিবেদন এমনভাবে প্রেরণ করিবেন যাহাতে উহা পরবর্তী মাসের ১০ (দশ) তারিখের মধ্যে উক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট পৌঁছে।
১৬। নিরাপত্তা দূরত্বের মধ্যবর্তী স্থান জবরদখল হইলে বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে লাইসেন্সপ্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উপদেশ বা কার্যব্যবস্থার জন্য অবহিত করিতে হইবে।
১৭। কোন বিস্ফোরক নষ্ট বা ব্যবহারের অযোগ্য পরিলক্ষিত হইলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের মতামতের জন্য সঙ্গে সঙ্গে অবহিত করিতে হইবে।
১৮। বিস্ফোরক প্যাকেটগুলি এমনভাবে সারিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে যাহাতে উহাদের মাঝে কমপক্ষে একজন লোক চলাচলের মাধ্যমে প্যাকেটগুলির অবস্থা এবং প্যাকেটের সহিত প্রস্তুতকারীর নির্দেশনা পাঠ করিতে পারে।
১৯। মাটিতে বজ্রবহরে রেসিস্ট্যান্স ক্ষমতা যথাসম্ভব খুব কম রাখিতে হইবে এবং উহা কোনোক্রমেই ৫ ওহমের বেশি হইবে না।
২০। ম্যাগাজিন বা মজুদাগারের চারিপার্শ্বে ১৫ মি. দূরত্বের মধ্যে শুকনা ঘাস, ঝোপ-জঙ্গল বা দাহ্য বস্তু হইতে মুক্ত রাখিতে হইবে।
২১। বিস্ফোরকের প্রত্যেকটি প্যাকেট ম্যাগাজিনে প্রবেশ করানোর সময় উহার যথার্থ অবস্থা যাচাই করিতে হইবে।
২২। যে কোন এক সময়ে ম্যাগাজিন/ মজুদাগারের অভ্যন্তরে একসঙ্গে ৪ জনের বেশি লোক প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা যাইবে না।
২৩। বিস্ফোরকের খালি প্যাকেট যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি সরাইয়া ফেলিতে হইবে এবং ধ্বংস করিয়া ফেলিতে হইবে।
২৪। খনি ও খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ এর আওতাভুক্ত নহে এমন এলাকায় বিস্ফোরক ব্যালাস্টিং এর উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাইবে না যদি না লাইসেন্সধারী বিস্ফোরক বিধির অধীনে মঞ্জুরকৃত পারমিটধারী শর্ট ফায়ার বা প্রধান পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক স্বীকৃত সমান যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তিকে নিয়োজিত না করেন।
২৫। লাইসেন্সধারী ও শর্ট ফায়ারার, চার্জ প্রস্তুত, চার্জকরণ এবং শর্ট-ফায়ারিং এর জন্য দায়ী হইবেন এবং বিস্ফোরক হইতে সৃষ্ট সকল অগ্নি ও বিস্ফোরণের বিরুদ্ধে সকল সতর্কতা অবলম্বন করিবেন।
২৬। যেখানে বিস্ফোরক চার্জ তৈরি করা বা রাখা হয় এমন স্থানে বা উহার ধারে কাছে ধূমপান বা আলো বা অগ্নি উৎসের প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা যাইবে না।
২৭। শর্টহোল চার্জিং বা স্টোমিং করিবার জন্য কোন ব্যক্তি লোহা বা ইস্পাতের যন্ত্র, ঘর্ষণের বস্তু বা টাম্পিং শলাকা ব্যবহার করিবে না বা অপর্যাপ্ত সাইজের গর্তে প্রবল চাপে বিস্ফোরক প্রবেশ করাইবে না।
২৮। ব্লাসটিং চার্জ বিস্ফোরিত হওয়ার পূর্বে যতদূর সম্ভব ব্লাসটিং চার্জ, বিস্ফোরণ হইতে নিক্ষিপ্ত হওয়া পাথরের টুকরা হইতে আত্মরক্ষার যথোপযুক্ত ব্যবস্থাদি গ্রহণ করিতে হইবে।
২৯। কোন ব্যক্তি একবার চার্জকৃত গর্তকে পুন: ছিদ্র বা হস্তক্ষেপ করিবেন না অথবা ফায়ারিং এর আগে বা মিসফায়ারিং এর পরে চার্জকে উঠানোর বা ব্লাসটিং এর পরে খালি গর্ত গভীর করিবার বা পরিত্যক্ত সকটে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করিবেন না।
৩০। শর্ট ফায়ারিং শুরু পূর্বে লাইসেন্সধারী কার্যকরী সংকেত প্রদানের ব্যবস্থা এবং বিপজ্জনক জায়গায় লাল পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে জনগণকে পর্যাপ্তভাবে সতর্ক করিবেন।
৩১। লাইসেন্সধারী ব্লাসটিং কার্য পরিচালনার স্থানে বিস্ফোরণের কমপক্ষে ১ ঘণ্টার মধ্যে বা খোলা প্রস্তর খনির ক্ষেত্রে আধা ঘণ্টার মধ্যে জনগণকে না আসিবার জন্য সতর্ক করিবেন।
৩২। বিস্ফোরিত শর্টের সংখ্যা গুণিতে হইবে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত উহা নিশ্চিত হওয়া না যাইবে যে সকল শর্টগুলি বিস্ফোরিত হইয়াছে, কোন ব্যক্তি শর্ট ফায়ারিং এর আধা ঘন্টার মধ্যে উক্ত স্থানে আসিবেন না বা আসিবার অনুমতি প্রদান করিবেন না।
৩৩। ফাঁকা ফায়ার হওয়ার ক্ষেত্রে, যদি পুনরায় গর্তের জন্য ছিদ্র করিতে হয় তবে উহা মিসফায়ার হওয়া গর্তের ৩০ সে.মি. এর মধ্যে হইবে না। উক্ত গর্ত মিসফায়ার গর্তের সমান্তরালভাবে খুড়িতে হইবে।
অতিরিক্ত শর্তাবলী
ফরম-২৩
[বিধি ১৬১ দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরক অধিকারে রাখা ও বিক্রয়ের লাইসেন্স
নং…………..
ফি………টাকা
এতদ্দ্বারা………..কে Explosives Act, 1884 (IV of 1884) এবং তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধানাবলী এবং অধিকন্তু এই লাইসেন্সের শর্তাবলী সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত শর্ত……. নম্বরে উল্লিখিত পরিমাণ বিস্ফোরক অধিকারে রাখা এবং বিক্রয় করিবার লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল।
এই লাইসেন্স ৩১ ডিসেম্বর………পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধিমালা বা এই লাইসেন্সের শর্তাবলী ভঙ্গ করিলে বা সংযুক্ত নক্সায় উল্লিখিত বিবরণের সহিত গড়মিল পরিলক্ষিত হইলে এই লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিলযোগ্য।
লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের বর্ণনা
ইহার সহিত সংযুক্ত নক্সা নম্বর……….তারিখ……এ লাইসেন্সকৃত………..প্রাঙ্গণের চিত্র প্রদর্শিত আছে এবং প্রাঙ্গণের অবস্থান………..এবং ইহাতে……আছে।
লাইসেন্সধারীর ডাক যোগাযোগের ঠিকানা…………
তারিখ :…………….
লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ।
| নবায়নের তারিখ |
মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ |
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর
|
|
|
|
শর্তাবলী
১। প্রাঙ্গণে বিস্ফোরকের মজুদের পরিমাণ যে কোন সময়ে লাইসেন্সকৃত পরিমাণের বেশী হইবে না।
২। ম্যাগাজিনটি শুধুমাত্র লাইসেন্সের অতিরিক্ত শর্ত নম্বর এ উল্লিখিত সকল বিস্ফোরক এবং উহাদের ধারণপাত্র, বিস্ফোরক মজুদের সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি মজুদের জন্য ব্যবহৃত হইবে।
৩। ম্যাগাজিন বা মজুদাগারের অভ্যন্তরে বিস্ফোরকের প্যাকেট খোলা এবং ওজন লওয়া ও প্যাকেট করা যাইবে না।
৪। (১) অতিরিক্ত শর্তের মাধ্যমে দুই বা ততোধিক ধরনের বিস্ফোরক একই ম্যাগাজিন বা মজুদাগারে রাখিবার অনুমতি প্রদান করা যাইতে পারে যদি উহাদের মধ্যবর্তী স্থান এইরূপ নিচ্ছিদ্র দেওয়াল বা দূরত্ব দ্বারা এমনভাবে পৃথকীকরণ করা হয় যাহাতে কোন অগ্নি বা বিস্ফোরণ ব্যাপৃত হইতে সক্ষম না হয়।
(ক) ১ম শ্রেণী (গান পাউডার), ২য় শ্রেণী (নাইট্রেট মিশ্রণ), ৩য় শ্রেণী (নাইট্রো-যৌগ) এবং ৪র্থ শ্রেণী (ক্লোরেট মিশ্রণ), ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগভুক্ত সেফটি ফিউজ (অ্যাডিনিশন) শ্রেণীর বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক এবং এইরূপ ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগের (অ্যাডিনিশন) বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরকে, কোন উন্মুক্ত লোহা বা ইস্পাত না থাকিলে কোন পৃথকীকরণ দেওয়াল বা দূরত্ব বজায় রাখা ছাড়াই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(খ) ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগের (অ্যাডিনিশন) এর বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক কোন পৃথকীকরণ দেওয়াল/দূরত্ব বজায় রাখা ছাড়াই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(গ) এরূেপ ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ২য় বিভাগের (অ্যাডিনিশন) বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরকে উন্মুক্ত লোহা বা ইস্পাত থাকিলে কোন পৃথকীকরণ দেওয়াল/ দূরত্ব বজায় রাখা ব্যতিরেকেই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(ঘ) ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ৩য় বিভাগের (অ্যাডিনিশন) বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক কোন পৃথকীকরণ দেওয়াল/ দূরত্ব বজায় রাখা ব্যতিরেকেই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(ঙ) ক্লোরেট সমৃদ্ধ বিস্ফোরক ছাড়া ৭ম শ্রেণীর (আতশবাজী) বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক পৃথকীকরণ দেওয়াল/ দূরত্ব বজায় রাখা ব্যতিরেকেই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(২) উপরে যাহাই বলা হউক না কেন, অতিরিক্ত শর্ত নং এর বিধান সত্ত্বেও দুই বা ততোধিক প্রকারের বিস্ফোরক একই ম্যাগাজিন বা মজুদাগারে রাখা যাইবে না।
৫। (১) প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের বিশেষ অনুমোদন ব্যতিরেকে, ৩য় শ্রেণীর (নাইট্রো-যৌগ) বিস্ফোরক উহাদের প্রস্তুতের তারিখ হইতে ১ বৎসরকাল অতিক্রান্ত হওয়ার পর ম্যাগাজিনে রাখা যাইবে না।
(২) এইরূপ অনুমোদন প্রদান করা হইলে প্রত্যেক পরিদর্শনের পর প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের নিকট হইতে অনুমোদনের মেয়াদ উল্লেখপূর্বক একটি সনদ গ্রহণ করিতে হইবে এবং উহা অবশ্যই লাইসেন্সধারী কর্তৃক রক্ষিত থাকিবে এবং চাহিদা মোতাবেক উপস্থাপন করিতে হইবে।
(৩) যখন কোন বিস্ফোরকে গলিত অবস্থা বা নিঃসৃত নাইট্রোগ্লিসারিন বা তরল নাইট্রো-যৌগের চিহ্ন পরিলক্ষিত হওয়ার কারণে মান অনুযায়ী বিশুদ্ধতা আর বজায় থাকে না এবং সেই হিসেবে ম্যাগাজিনে বা মজুদাগারে রাখিবার অনুপযুক্ত হইয়া পড়ে, লাইসেন্সধারী তখন উক্ত বিস্ফোরকগুলি বিনষ্ট করিবার জন্য প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক যে নির্দেশাবলী প্রদান করিবেন উহা নিজ খরচে প্রতিপালন করিবেন।
৬। ম্যাগাজিন/মজুদাগারের অভ্যন্তরভাগ এবং বেঞ্চ, তাক এবং উহার মধ্যস্থ সরঞ্জামাদি এমনভাবে নির্মাণ বা আস্তরকৃত বা আবৃত করিতে হইবে যাহাতে লোহা বা ইস্পাত উন্মুক্ত না থাকে এবং কঙ্কর, লোহা, ইস্পাত বা এ জাতীয় বস্তুকে বিস্ফোরকের সংস্পর্শ আসা হইতে বিছিন্ন রাখে। এইরূপ অভ্যন্তরভাগ, বেঞ্চ, তাক এবং সরঞ্জামাদি যতদূর সম্ভব কঙ্করমুক্ত এবং অন্যভাবে পরিষ্কার রাখিতে হইবে এবং যদি কোন বিস্ফোরক পানি দ্বারা বিপজ্জনকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে উহা হইতে পানি নিষ্কাশনের জন্য যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, কোন লোহা বা ইস্পাত উন্মুক্ত থাকিলে সতর্কতা অবলম্বনের বিষয়টি পরিপালন ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগের বিস্ফোরক (অ্যাডিনিশন) ব্যতীত অন্য বিস্ফোরকের ইমারতের জন্য বাধ্যতামূলক হইবে না।
৭। বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক যদি বজ্রবহ পরীক্ষা করা হয় তবে লাইসেন্সধারী পরীক্ষণের জন্য নির্ধারিত ফি প্রদান করিবেন। পরীক্ষার ফল অসন্তোষজনক পরিলক্ষিত হইলে তবে পরীক্ষণ কর্মকর্তা কর্তৃক উহা সন্তোষজনক প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী প্রত্যেক পরীক্ষণের জন্য সমান ফি প্রদান করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে দুই বা ততোধিক বজ্রবহ পরস্পরের সহিত এবং একই ম্যাগাজিনে সংযুক্ত থাকে তবে এইরূপ বজ্রবহগুলিতে যতগুলি পরীক্ষা করা হইবে তাহার জন্য প্রদেয় পরীক্ষণ ফি অত্র শর্তে নির্ধারিত একটি বজ্রবহ পরীক্ষা ফি এর বেশি হইবে না।
৮। কর্মকালীন সময়ে যথোপযুক্ত পোশাক, উপযুক্ত জুতা পরিধান এবং তল্লাশী বা অন্য কোন উপায়ে বা অনুরূপ ব্যবস্থার মাধ্যমে ম্যাগাজিন বা মজুদাগারে অগ্নি, শলাকা, ম্যাচ বা এইরূপ বস্তু বা বিশেষ দ্রব্য যাহা বিস্ফোরক বা অগ্নিকাণ্ডে সহায়ক বা কোন কঙ্কর, লোহা বা ইস্পাত প্রবেশ নিরোধের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে, কিন্তু এই শর্ত বিশেষভাবে তৈরি ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কৃত্রিম বাতি, যাহা প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত এবং অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের সহায়ক নহে, উহা প্রবেশের জন্য বাধা সৃষ্টি করিবে না:তবে শর্ত থাকে যে, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগের বিস্ফোরক (অ্যাডিনিশন) ব্যতীত অন্য বিস্ফোরক ইমারতের জন্য লৌহ বা ইস্পাতমুক্ত না রাখিবার শর্ত প্রয়োগ বাধ্যতামূলক হইবে না।
৯। লাইসেন্সধারী মজুদকৃত সকল বিস্ফোরকের রেকর্ড ও হিসাব এবং ২৮ ও ২৯ নম্বর ফরমে বিক্রি ও বহির্গমনের হিসাব তাহার অফিসে সংরক্ষণ করিবেন এবং এই সকল স্টক বহি এবং রেকর্ডপত্র বিধি ১৮৩ এর অধীনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে চাহিবামাত্র পেশ করিবেন।
১০। কোন দুর্ঘটনা এবং সকল হারানো, স্টক ঘাটতি এবং চুরি হওয়া বিস্ফোরকের রিপোর্ট অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানায় এবং লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।
১১। লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে সম্ভাব্য সকল সময়ে পরিদর্শনকারী বা নমুনা সংগ্রহকারী কর্মকর্তাকে প্রবেশ করিতে দিতে হইবে এবং উক্ত কর্মকর্তা যাহাতে বিধির বিধানাবলী এবং লাইসেন্সের শর্তাবলী যথাযথ প্রতিপালন হইতেছে কি না তাহা নিশ্চিত হইতে পারেন সেইজন্য তাহাকে সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করিতে হইবে।
১২। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে প্রাঙ্গণের কোন পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যাইবে না এবং এই ব্যাপারে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কোন শর্তের উল্লেখ করিলে লাইসেন্সধারীকে উহা প্রতিপালন করিতে হইবে।
১৩। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে যে, প্রাঙ্গণের বা জননিরাপত্তার স্বার্থে কোন কার্যব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন তবে লাইসেন্সধারীকে লিখিতভাবে এই মর্মে নোটিশ প্রদান করিবে এবং লাইসেন্সধারী নোটিশে উল্লিখিত সময়-সীমা, যাহা নোটিশ প্রাপ্তির পর হইতে ১ (এক) মাসের কম হইবে না, উক্ত সময়ের মধ্যে নির্দেশিত কার্য সম্পাদন করিবেন।
১৪। ম্যাগাজিন বা মজুদাগার সবসময় উত্তর মেরামতকৃত (ভাল অবস্থায় রক্ষণাবেক্ষণ) অবস্থায় রাখিতে হইবে। ম্যাগাজিন বা মজুদাগার যে কোন কারণে বিস্ফোরক মজুদের অনুপযোগী পরিলক্ষিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইসেন্সধারী বিষয়টি লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।
১৫। লাইসেন্সধারী প্রত্যেক মাসের শেষে সময়ে সময়ে নির্ধারিত ছক ফরম নং ৩২ এর মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এবং নবায়নকারী কর্তৃপক্ষের নিকট মাসিক প্রতিবেদন এমনভাবে প্রেরণ করিবেন যাহাতে উহা পরবর্তী মাসের ১০ (দশ) তারিখের মধ্যে উক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট পৌছে।
১৬। নিরাপত্তা দূরত্বের মধ্যবর্তী স্থান জবরদখল হইলে বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উপদেশ বা কার্যব্যবস্থার জন্য অবহিত করিতে হইবে।
১৭। কোন বিস্ফোরক নষ্ট বা ব্যবহারের অযোগ্য পরিলক্ষিত হইলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে নির্দেশনা গ্রহণের জন্য সঙ্গে সঙ্গে অবহিত করিতে হইবে।
১৮। বিস্ফোরক প্যাকেটগুলি এমনভাবে সারিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে যাহাতে উহাদের মাঝে কমপক্ষে একজন লোক চলাচলের মাধ্যমে প্যাকেটগুলির অবস্থা এবং প্যাকেটের গায়ে লিপিবদ্ধ প্রস্তুতকারীর বিবরণ পাঠ করিতে পারে।
১৯। মাটিতে বজ্রবহের রেসিস্ট্যান্স ক্ষমতা যথাসম্ভব খুব কম রাখিতে হইবে এবং উহা কোনোক্রমেই ৫ ওহমের বেশি হইবে না।
২০। ম্যাগাজিন বা মজুদাগারের চারিপার্শ্বে ১৫ মি. দূরত্বের মধ্যে শুকনা ঘাস, ঝোপ-জঙ্গল বা দাহ্য বন্ধু রাখা যাইবে না।
২১। বিস্ফোরকের প্রত্যেকটি প্যাকেট ম্যাগাজিন বা মজুদাগারে প্রবেশ করানোর সময় উহার যথার্থ অবস্থা যাচাই করতে হইবে।
২২। একই সময়ে ম্যাগাজিন বা মজুদাগারের অভ্যন্তরে একসঙ্গে ৪ জনের বেশি লোক প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা যাইবে না।
২৩। বিস্ফোরকের খালি প্যাকেট যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি সরাইয়া ফেলিতে হইবে। এবং ধ্বংস করিয়া ফেলিতে হইবে।
অতিরিক্ত শর্তাবলী
ফরম-২৪
[বিধি ১৬০ দ্রষ্টব্য]
অনূর্ধ্ব ২৫ কেজি ক্ষুদ্র অস্ত্রে ব্যবহারযোগ্য নাইট্রো-যৌগ বা ৭ম শ্রেণীর বিভাগ ২ এর উপ-বিভাগ ২ এর অন্তর্ভুক্ত অনূর্ধ্ব ১০০ কেজি, ৭ম শ্রেণীর বিভাগ ২ উপ-বিভাগ ১ এর অন্তর্ভুক্ত ১০০০ কেজি আতশবাজি প্রস্তুতকরণ বা সেফটি ফিউজ অনূর্ধ্ব ১০০০০ মি. অধিকারে রাখা এবং বিক্রয়ের লাইসেন্স।
নং………..
ফি………. টাকা
এতদ্দ্বারা……. কে Explosives Act, 1884 (IV of 1884) এবং তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধানাবলী এবং অধিকন্তু এই লাইসেন্সের শর্তাবলী সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত শর্ত নং………… এ বর্ণিত পরিমাণ বিস্ফোরক অধিকারে রাখা এবং ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল।
এই লাইসেন্স ৩১ ডিসেম্বর,………… পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের বর্ণনা
অনুমোদিত নকশা নং………….. তারিখ ………….এ লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের চিত্র প্রদর্শিত আছে এবং প্রাঙ্গণের অবস্থান……….. এবং ইহাতে…………. আছে।
এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালার কোন বিধান বা এই লাইসেন্সের কোন শর্ত লঙ্ঘন করিলে বা সংযুক্ত নকশায় উল্লিখিত বিবরণের সহিত গড়মিল পরিলক্ষিত হইলে এই লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিলযোগ্য হইবে।
তারিখ:
লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ।
শর্তাবলী
১। প্রাঙ্গণে রক্ষিত সকল বিস্ফোরক স্থায়ী ইট-পাথরের বা কংক্রিট দ্বারা নির্মিত ইমারতে এমনভাবে বন্ধ ও নিরাপদ রাখিতে হইবে যাহাতে কোন অননুমোদিত ব্যক্তির উহাতে প্রবেশ প্রতিরোধ করা যায়।
২। বিস্ফোরক রাখিবার জন্য ব্যবহৃত প্রত্যেক ইমারত বা ধারণপাত্রের অভ্যন্তরভাগ এবং উহার মধ্যস্থিত তাক, সরঞ্জামাদি এমনভাবে নির্মাণ, আস্তর বা আবৃত করিতে হইবে যাহাতে কোন লোহা বা ইস্পাত খোলা অবস্থায় না থাকে বা কঙ্কর, লোহা বা ইস্পাত বা অনুরূপ বস্তু এমনভাবে বিচ্ছিন্ন রাখিতে হইবে যাহাতে বিস্ফোরকের সংস্পর্শে আসিতে না পারে। এইরূপ অভ্যন্তরস্থ তাক এবং সরঞ্জামাদি যতদূর সম্ভব কঙ্করমুক্ত এবং ভালোভাবে রাখিতে হইবে।
৩। বিস্ফোরক রক্ষিত ইমারত বা ধারণপাত্র শুধুমাত্র বিস্ফোরক রাখিবার জন্য ব্যবহার করিতে হইবে এবং অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাইবে না।
৪। এই লাইসেন্সের অধীনে বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক এমন পদার্থের নির্মিত দেওয়াল দ্বারা বা দূরত্বের দ্বারা পৃথক রাখিতে হইবে যাহাতে কোন বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ড অন্য কক্ষে বিস্তৃত হইতে না পারে:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) ক্ষুদ্র অস্ত্রে ব্যবহারযোগ্য নাইট্রো-যৌগ এবং ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগ (অ্যাডিনিশন) ভুক্ত সেফটি ফিউজ কোন মধ্যবর্তী দেওয়াল বা দূরত্ব ব্যতিরেকেই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(খ) ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগভুক্ত (অ্যাডিনিশন) বিভিন্ন বিস্ফোরক মধ্যবর্তী দেওয়াল বা দূরত্ব ব্যতিরেকেই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
(গ) ক্লোরেট ব্যতীত ৭ম শ্রেণীভুক্ত (আতশবাজি) বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক মধ্যবর্তী দেওয়াল বা দূরত্ব ছাড়াই পাশাপাশি রাখা যাইবে।
৫। ২.৫ কেজির ঊর্ধ্বে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম বিভাগের (অ্যাডিনিশন) বা ৭ম শ্রেণীর ২য় বিভাগভুক্ত বিস্ফোরক (আতশবাজি) এবং ৫ কেজির ঊর্ধ্বে অন্যান্য বিস্ফোরক শক্ত ব্যাগ, ক্যানিস্টার বা বাক্সে বন্ধ করিয়া রাখিতে হইবে যাহাতে ইহার মধ্য হইতে। বিস্ফোরক বাহির হইতে না পারে এবং বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধি ৮ ও ৯ এর বিধান মোতাবেক প্যাক ও চিহ্নিত করিতে হইবে।
৬। কোন তেল, রং, দিয়াশলাই, বাতি, অধিক প্রজ্বলনীয় বা বিস্ফোরক প্রকৃতির কোন বস্তু, যাহা অগ্নি বা বিস্ফোরণের সূত্রপাত করিতে পারে বা কোন এসিড বা এমন কোন পদার্থ লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণের কাছে বা ভিতরে রাখা যাইবে না।
৭। লাইসেন্সধারী বিস্ফোরকের মজুদের রেকর্ড ও হিসাব এবং বিক্রয়ের হিসাব ফরম ২৮ ও ২৯ এর মাধ্যমে সংরক্ষণ করিবে এবং মজুদ ও হিসাব বহি এবং রেকর্ড বিস্ফোরক বিধি ১৮৩ এর অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক উহা তলব করা হইলে তাহা প্রদর্শন করিবেন।
৮। লাইসেন্সের অধীনে উল্লিখিত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরক বিক্রয় করিতে হইবে।
৯। কোন লোহার বা ইস্পাতের তৈরি যন্ত্রপাতি, সরঞ্জামাদি, নিক্তি, বাটখারা ইত্যাদি প্রাঙ্গণে রাখা যাইবে না এবং প্রাঙ্গণের ভিতরে কোন ব্যক্তি লোহা বা ইস্পাত তাহার বুট বা জুতার সহিত সংযুক্ত রাখিতে পারিবেন না।
১০। বিস্ফোরক হারানো, মজুদ ঘাটতি বা চুরি সংক্রান্ত বিষয় অনতিবিলম্বে লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণ যে থানার আওতাভুক্ত উক্ত থানায় এবং লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে জানাইতে হইবে।
১১। সকল যুক্তিসঙ্গত সময়ে পরিদর্শনকারী বা নমুনা সংগ্রহকারী কর্মকর্তাকে প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি প্রদান এবং প্রাঙ্গণের এই আইন বা বিধিমালার বিধান বা লাইসেন্সের শর্তাবলী সঠিকভাবে প্রতিপালন করা হইতেছে কি না তাহা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করিবেন।
অতিরিক্ত শর্তাবলী
ফরম-২৫
[বিধি ১৬০ দ্রষ্টব্য]
আতশবাজি অধিকারে রাখা এবং জনসাধারণের নিকট প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে ব্যবহারের লাইসেন্স
নং……….
ফি……..টাকা
এতদ্দ্বারা………..কে Explosives Act, 1884 (IV of 1884) এর তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর বিধানাবলী এবং অধিকন্তু এই লাইসেন্সের শর্তাবলী সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত প্রাঙ্গণে……..কেজি আতশবাজি অধিকারে রাখা এবং জনগণের সামনে প্রদর্শনের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল। এই লাইসেন্স……..পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
Explosives Act, 1884 বা তদধীন প্রণীত বিস্ফোরক বিধিমালা বা লাইসেন্সের শর্তাবলী ভঙ্গ করিলে বা সংযুক্ত নকশার সহিত প্রাঙ্গণের গড়মিল পরিলক্ষিত হইলে লাইসেন্স বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিলযোগ্য হইবে।
প্রাঙ্গণের বর্ণনা
এতদসংযুক্ত নকশা নং………তারিখ…..এ প্রদর্শিত এবং……অবস্থিত প্রাঙ্গণটি জনগণের সামনে আতশবাজি প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হইবে।
এতদসংযুক্ত নকশা নং……..তারিখ…..এবং……….অবস্থিত প্রাঙ্গণটি আতশবাজি মজুদের জন্য ব্যবহৃত হইবে।
তারিখ………..
লাইসেন্স মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
শর্তাবলী
১। লাইসেন্সধারী কর্তৃক বা তাহার কর্তৃত্বে বা তাহার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কোন আতশবাজির প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের কমপক্ষে ৭ পূর্ণ দিন পূর্বে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন:
(ক) যেখানে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হইবে তাহার সময় ও স্থান;
(খ) প্রদর্শনীতে যে ধরনের আতশবাজী প্রদর্শিত হইবে;
(গ) যাহাদের নিকট হইতে আতশবাজী সংগ্রহ করা হইয়াছে বা হইবে তাহাদের নাম, ঠিকানা ও লাইসেন্স নম্বর;
(ঘ) প্রদর্শনী যিনি তত্ত্বাবধান করিবেন বা লাইসেন্সধারীকে প্রদর্শনীতে সাহায্য করিবেন তাহাদের প্রত্যেকের নাম ও ঠিকানা; এবং
(ঙ) লাইসেন্সধারী ব্যতীত উপানুচ্ছেদ (খ) এ উল্লিখিত প্রত্যেক ব্যক্তির আতশবাজী প্রদর্শনী পরিচালনা বা তত্ত্বাবধান এবং আতশবাজীর ব্যবহারে অভিজ্ঞতার পূর্ণ বিবরণ।
২। লাইসেন্সের সহিত সংযুক্ত নকশায় উল্লিখিত স্থানে কেবল আতশবাজী মজুদ এবং প্রদর্শন করা যাইবে।
৩। অতিরিক্ত শর্ত………..এ উল্লিখিত ন্যূনতম নিরাপত্তা দূরত্ব দর্শকমণ্ডলী এবং প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের এলাকার মধ্যে বজায় রাখিতে হইবে।
৪। শুধুমাত্র প্রাধিকারপ্রাপ্ত আতশবাজী ব্যবহার করা যাইবে। এই সমস্ত আতশবাজী উক্তরূপ আতশবাজী প্রস্তুতের জন্য যথাযথ লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট হইতে সরাসরি ক্রয় করিতে হইবে।
৫। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অতিক্রম করিলে বা দর্শক নিয়ন্ত্রণে রাখিতে ব্যর্থ হইলে কোন প্রদর্শনী চালানো যাইবে না।
৬। আতশবাজী প্রস্তুত ও প্রদর্শনীতে ন্যূনতম সংখ্যক লোক নিয়োজিত করিতে হইবে। জায়গাটি নিরবিচ্ছিন্নভাবে তত্ত্বাবধান করিতে হইবে এবং নিয়োজিত ব্যক্তিগণকে সুরক্ষিত পরিচ্ছেদ, শব্দরোধী আচ্ছাদন, নিরাপত্তা চশমা এবং অন্যান্য সুরক্ষিত জিনিস পরিধান করিতে হইবে।
৭। যে মুহূর্তে আতশবাজী প্রদর্শনীস্থানে আনা হইবে সেই মুহূর্ত হইতে উহা অরক্ষিত বা নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রাখা যাইবে না।
৮। কোন তাবু, গাড়ীর ট্রেইলার, আশ্রয়ের জন্য নির্মিত ক্যানভাসের ১৫ মি. এ মধ্যে কোন আতশবাজীতে অগ্নিসংযোগ করা যাইবে না।
৯। বিস্ফোরক, প্রজ্বলনীয় বন্ধু বা অন্য কোন বিপজ্জনক পদার্থের মজুদস্থল হইতে ২০০ মি. এর মধ্যে কোন আতশবাজীতে অগ্নিসংযোগ করা যাইবে না।
১০। কোন হাসপাতাল, নার্সিং হোম, স্কুল বা উপাসনালয়ের ২০০ মি. এর মধ্যে কোন আতশবাজী প্রদর্শনী করা যাইবে না যতক্ষণ না স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং উহাদের মালিক বা প্রতিনিধির নিকট হইতে সম্মতি গ্রহণ করা না হয়।
১১। প্রত্যাশিত অগ্নি দুর্ঘটনার মোকাবেলার জন্য পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে। প্রাথমিক চিকিৎসা এবং অন্যান্য অগ্নি নির্বাপক ব্যবহারের ধরন ও পরিমাণ ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের সহিত আলোচনা করিয়া নির্ধারণ করিতে হইবে।
১২। প্রদর্শনীর পর, ধ্বংসাবশেষ এবং অবশিষ্টাংশ উক্ত স্থান হইতে সাবধানে সংগ্রহ ও অপসারণ করিতে হইবে এবং যথাযথ ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে পোড়াইয়া বিনষ্ট করিতে হইবে।
১৩। লাইসেন্সধারী আইন ও তদধীন প্রণীত বিধিমালার বিধান, যাহা প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবেন।
১৪। যেখানে আতশবাজী রাখা হইয়াছে উহার ১০ মি. এর মধ্যে কোন বৈদ্যুতিক তারের উপস্থিতির অনুমতি প্রদান করা যাইবে না।
১৫। মর্টারের দৈর্ঘ্যের অর্ধেক মাটির নিচে ১০০-১৫° কোণে কাত করিয়া এবং দর্শকমণ্ডলীর বিপরীত দিকে স্থাপন করিতে হইবে। একই পরিমাপের মর্টার একই দলভুক্ত করিয়া এবং অন্যূন ৫০ সে.মি. দূরত্বে রাখিতে হইবে। বিভিন্ন পরিমাপের বিভিন্ন দলের মর্টার অন্যূন ১০ মি. দূরত্বে রাখিতে হইবে। মর্টার বা উহাদের কাঠামো শক্তভাবে মাটিতে গাঁথিয়া রাখিতে হইবে।
১৬। প্রদর্শনী শুরু হওয়ার পূর্বে তত্ত্বাবধানকারী এই মর্মে নিশ্চিত হইবেন যে, আতশবাজী জনমানবহীন এলাকায় বিস্ফোরিত হইবে এবং উহাদের ধ্বংসাবশেষ উক্ত এলাকায়ই পতিত হইবে।
১৭। কোন দিয়াশলাই, বাতি বা দাহ্য বা বিপজ্জনক ধরনের এমন কোন বন্ধু, যাহা অগ্নি বা বিস্ফোরণে সহায়ক লাইসেন্সকৃত মজুদাগারে রাখা বা বহন করা যাইবে না।
১৮। লোহা বা ইস্পাতের তৈরি কোন যন্ত্রপাতি, সরঞ্জামাদি, ইত্যাদি প্রাঙ্গণে রাখা যাইবে না এবং লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে লোহা বা ইস্পাতের নির্মিত জিনিস কোন ব্যক্তির নিকট বা তাহার জুতার সহিত সংযুক্ত থাকিতে পারিবে না।
১৯। লাইসেন্সধারী প্রাপ্ত, ব্যবহৃত ও বর্তমান মজুদ আতশবাজীর রেকর্ড ও হিসাব সংরক্ষণ করিবেন।
২০। লাইসেন্সধারী মজুদ ও প্রদর্শন স্থলের স্থানীয় উপ-বিধিসমূহ অনুসরণ করিবেন এবং প্রয়োজন হইলে উহার প্রয়োজনীয় অনুমোদন গ্রহণ করিবেন।
২১। লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর অবশিষ্ট বিস্ফোরণের ধরন ও পরিমাণ লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন এবং বিস্ফোরকগুলি ধ্বংস করিবার ব্যাপারে প্রদত্ত লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নির্দেশাবলী লাইসেন্সধারী মানিয়া চলিবেন।
২২। যদি লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ মনে করে যে, প্রাঙ্গণ বা উহাতে কর্মরত ব্যক্তি বা দর্শকমন্ডলীর নিরাপত্তার স্বার্থে কোন পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা প্রয়োজন এবং উক্ত কর্তৃপক্ষ যদি লিখিতভাবে লাইসেন্সধারীকে নির্দেশ প্রদান করে, তবে লাইসেন্সধারী উক্ত আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পরিবর্তন বা পরিবর্ধন সাধন করিবেন।
২৩। অগ্নি বা বিস্ফোরণজনিত দুর্ঘটনা এবং বিস্ফোরক হারানো, ঘাটতি বা চুরি যাওয়ার বিষয়টি অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানা এবং লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।
২৪। যুক্তিসঙ্গত সকল সময়ে লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে পরিদর্শনকারী বা নমুনা সংগ্রহকারী কর্মকর্তাকে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করিতে হইবে এবং আইন ও তদধীন প্রণীত বিধিমালার বিধান এবং লাইসেন্সের শর্তাবলী যথাযথ প্রতিপালন করা হইতেছে কি না তাহা যাহাতে নিশ্চিত হইতে পারেন সেই ব্যাপারে সকল সুবিধাদি প্রদান করিতে হইবে।
অতিরিক্ত শর্তাবলী
ফরম-২৬
[বিধি ১৪৯ দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরক অধিদপ্তর যাহার জন্য প্রযোজ্য
নং…………
প্রত্যয়ন করা যাইতেছে যে, জনাব……………তারিখে জন্মগ্রহণ করেন এবং………তারিখে অনুষ্ঠিত শট ফায়ারার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন (মাস ও বছর)…..তারিখে……….(পরীক্ষা পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ) কর্তৃক পরিচালিত ও………(পরীক্ষার নাম)……….পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং বিস্ফোরক আইন এবং তদধীন প্রণীত বিধিমালার বিধান সাপেক্ষে Th Mines Act, 1923 এর আওতাভুক্ত এলাকা বাদে অন্য এলাকায় বিস্ফোরক দ্বারা ব্লাস্টিং কার্য পরিচালনার প্রাধিকার প্রদান করা হইল।
স্থান:…..
তারিখ :……….
প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক, বাংলাদেশ।
ফরম-২৭
[বিধি ১১৭ দ্রষ্টব্য]
প্রস্তুতকৃত বিস্ফোরকের হিসাব
নোট: এই রেকর্ড হালনাগাদ রাখিতে হইবে।
হিসাবের ফরম লাইসেন্সধারী কর্তৃক সংরক্ষণ করিতে হইবে।
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
৭ |
৮ |
৯ |
১০ |
১১ |
| তারিখ ও শিফট নম্বর |
বিস্ফোর ও কর ব্রান্ড নাম |
শ্রেণী বিভাগ |
প্রস্তুতকৃত বিস্কোরঃ কর আকুতি |
ব্যাচ নম্বর |
প্রস্তুতকৃত বিস্ফোরা কর পরিমাণ |
পরীক্ষণ ও তারিখ |
প্যাকেে টর সংখ্যা |
যে ম্যাগাজিন/মজুদাগ রে বিস্ফোরক প্রেরিত হইয়াছে তাহার লাইসেন্স নম্বর |
মন্তব্য |
ইনচার্জল লাইসেন্স সেবাকারীর স্বাক্ষর
|
বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর লাইসেন্স নং………..ফরম নং………
ফরম-২৮
[বিধি ১২৪ দ্রষ্টব্য]
লাইসেন্সধারী কর্তৃক সংরক্ষণীয় বিস্ফোরক প্রাপ্তির হিসাবের ফরম
নোট: এই রেকর্ড হালনাগাদ রাখিতে হইবে। প্রত্যেকদিন এবং যখন ও যেভাবে বিস্ফোরক প্রাপ্ত হয়, এন্ট্রিসমূহ পূরণ করিতে হইবে।
লাইসেন্স নং…….বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর ফরম নং………..
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
৭ |
৮ |
৯ |
১০ |
১১ |
১২ |
১৩ |
১৪ |
| তারিখ |
বিস্ফোরকের
বিবরণ |
বিস্ফোরকের
বিবরণ |
বিস্ফোরকের
বিবরণ |
|
|
|
|
|
|
|
|
মন্তব্য |
|
|
নাম |
শ্রেণী |
বিভাগ |
প্রারম্ভিক স্থিতি |
|
|
|
|
|
|
|
|
লাইসেন্সধারী/ই নচার্জের স্বাক্ষর
|
ফরম-২৯
[বিধি ১২৪ দ্রষ্টব্য]
লাইসেন্সধারী কর্তৃক সংরক্ষণীয় বিস্ফোরক বিক্রয়ের হিসাব ফরম
নোট: এই রেকর্ড হালনাগাদ রাখিতে হইবে। এন্ট্রিসমূহ প্রতিদিন এবং যখন যেইভাবে বিস্ফোরক বিক্রয় করা হয়, পূরণ করিতে হইবে।
লাইসেন্স নম্বর …. বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর ফরম নং তারিখ বিস্ফোরকের বিবরণ লাইসেন্সধারী কর্তৃক বিক্রিত বিস্ফোরক
|
নাম |
শ্রেণী |
বিভাগ |
প্রারম্ভিক জের |
নাম |
শ্রেণী |
বিভাগ |
পরিমাণ |
ব্যাচ নং ও তারিখ |
যাহার নিকট বিস্ফোরক বিক্রয় করা হইয়াছে তাহার নাম, ঠিকানা ও তারিখসহ লাইসেন্স নম্বর |
পরিবহণের ধরন এবং স্থলপথে পরিবহণ করা হইলে ভ্যানের লাইসেন্স নং ও তারিখ |
পাস নং |
সমাপ্তি জের |
মন্তব্য |
লাইসেন্সধারী/ ইনচার্জের স্বাক্ষর
|
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
৭ |
৮ |
৯ |
১০ |
১১ |
১২ |
১৩ |
১৪ |
১৫ |
১৬ |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
ফরম-৩০
[বিধি ১২৪ দ্রষ্টব্য]
লাইসেন্সধারী কর্তৃক সংরক্ষণীয় তৎকর্তৃক ব্যবহৃত বিস্ফোরকের হিসাব ফরম
নোট: এই রেকর্ড হালনাগাদ রাখিতে হইবে। যে সময়ে ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক ইস্যু করা হয় তৎক্ষণাৎ বা অব্যবহৃত বিস্ফোরক ফেরত প্রদানের সময় প্রতিদিন এন্ট্রি করিতে হইবে।
লাইসেন্স নম্বর ……….বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর ফরম নং…………..
|
|
|
|
|
|
|
|
ফেরতকৃত বিস্ফোরকের বর্ণনা |
ফেরতকৃত বিস্ফোরকের বর্ণনা |
ফেরতকৃত বিস্ফোরকের বর্ণনা
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
পরিমাণ ব্যবহৃত |
নাম |
শ্রেণী |
বিভাগ |
ফেরতকৃত পরিমাণ |
মন্তব্য |
শর্ট ফায়ারার/ম্যাগাজিন ইনচার্জের স্বাক্ষর
|
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
৭ |
৮ |
৯ |
১০ |
১১ |
১২ |
১৩ |
১৪ |
| তারিখ |
শর্ট ফায়ারের নাম ও পারমিট নম্বর |
নাম |
শ্রেণী |
বিভাগ |
ইস্যুকৃত বিস্ফোরকের পরিমাণ |
যতগুলি গর্ত করা হইয়াছে তাহার নম্বর
|
|
|
|
|
|
|
|
ফরম-৩১
[ফরম ১৯ এর ১৩ নং শর্ত দ্রষ্টব্য]
লাইসেন্সধারী কর্তৃক সংরক্ষণীয় স্থলভ্যানের পরিবহণকৃত বিস্ফোরকের হিসাব ফরম
নোট: এই হিসাব হালনাগাদ রাখিতে হইবে।
লাইসেন্স নম্বর………..বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর ফরম নং ১৯
|
|
|
বিস্ফোরকের বর্ণনা |
বিস্ফোরকের বর্ণনা |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| তারিখ |
প্রেরকের নাম, ঠিকানা ও লাইসেন্স নম্বর |
ভর্তি স্থল |
নাম |
শ্রেণী |
বিভাগ |
ব্যাচ নম্বর ও প্রস্তুতের তারিখ |
পরিবহণকৃত বিস্ফোরকের পরিমাণ |
পাস নম্বর |
প্রেরকের স্বাক্ষর |
প্রাপকের নাম, ঠিকানা ও লাইসেন্স নম্বর |
খালাস স্থল |
বিস্ফোরক খালাসের তারিখ |
মন্তব্য |
প্রাপকের স্বাক্ষর |
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
৭ |
৮ |
৯ |
১০ |
১১ |
১২ |
১৩ |
১৪ |
১৫ |
ফরম-৩২
[লাইসেন্স ফরম ২২ ও ২৩ এর শর্ত ১৫ দ্রষ্টব্য]
বিস্ফোরকের হিসাবের প্রতিবেদন
…………জেলা………এর অবস্থিত বিস্ফোরক ম্যাগাজিন/ মজুদাগার হইতে………..মাসে প্রাপ্ত, ব্যবহৃত, বিক্রিত, বিনষ্টকৃত। এবং চুরি যাওয়া
বিস্ফোরকের নাম শ্রেণী ও বিভাগ পরিমাণ
১। লাইসেন্স নম্বর………..বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর ফরম নং………….
২। মাসের প্রথম তারিখে প্রারম্ভিক জের…………..
৩। বিস্ফোরকের হিসাব
|
|
|
প্রাপ্ত বিস্ফোরকের বর্ণনা
|
|
|
|
|
|
| তারিখ |
বিস্ফোরকের নাম |
শ্রেণী ও পরিমাণ |
বিন্ধোরকের নাম |
শ্রেণী ও বিভাগ |
পরিমাণ |
যাহার নিকট হইতে বিস্ফোরক প্রাপ্ত হইয়াছে সেই সরবরাহকারীর নাম, ঠিকানা ও লাইসেন্স নম্বর |
পাস নম্বর |
স্থলভ্যানের লাইসেন্স নম্বর
|
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
৭ |
৮ |
৯ |
ব্যবহৃত বা বিক্রিত বিস্ফোরকের বিবরণ
| তারিখ |
ব্যবহৃত |
ব্যবহৃত |
ব্যবহৃত |
বিক্রি |
বিক্রি |
বিক্রি |
যাহার নিকট বিস্ফোরক বিক্রয় করা হইয়াছে তাহার নাম, ঠিকানা ও লাইসেন্স নম্বর |
পাস নম্বর |
স্থলভ্যানের লাইসেন্স নম্বর
|
|
বিস্ফোরকের নাম |
শ্রেণী ও বিভাগ |
পরিমাণ |
বিস্ফোরকের নাম |
শ্রেণী ও বিভাগ |
পরিমাণ |
|
|
|
| ১০ |
১১ |
১২ |
১৩ |
১৪ |
১৫ |
১৬ |
১৭ |
১৮ |
১৯ |
৪। এই মাসে প্রত্যেক ধরনের বিস্ফোরকের ব্যবহার/বিক্রির মোট পরিমাণ:
| ব্যবহৃত |
ব্যবহৃত |
ব্যবহৃত |
বিক্রি |
বিক্রি |
বিক্রি |
| বিস্ফোরকের নাম |
শ্রেণী ও বিভাগ |
পরিমাণ |
বিস্ফোরকের নাম |
শ্রেণী ও বিভাগ |
পরিমাণ |
|
|
|
|
|
|
৫। এই মাসে বিনষ্টকৃত বিস্ফোরকের পরিমাণ:
| তারিখ |
বিস্ফোরকের নাম |
শ্রেণী ও বিভাগ |
পরিমাণ |
বিনষ্টকরণের কারণ |
যে কর্তৃপক্ষের অধীনে বিনষ্টকরণ কার্য সম্পন্ন করা হইয়াছে
|
| ১ |
২ |
৩ |
৪ |
৫ |
৬ |
৬। পরিবহণকালে চুরি যাওয়া/ঘাটতি যাওয়া বিস্ফোরকের বিবরণ:
| তারিখ |
বিস্ফোরকের নাম |
শ্রেণী ও বিভাগ |
পরিমাণ |
চুরি/হারানো বিস্ফোরকের বিষয়টি পুলিশ ও বিস্ফোরক অধিদপ্তরকে জানানো হইয়াছিল কি না, হইয়া থাকিলে উহার সূত্র |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
ফরম-৩৩
বিস্ফোরকের চাহিদা ফরম
প্রতি………………….
স্থান…………
তারিখ:……….
প্রিয় মহোদয়,
দয়া করিয়া নিম্নলিখিত পরিমাণ বিস্ফোরক আমাকে/আমাদিগকে সরবরাহ করিবেন:
| ক্রমিক নং |
নাম |
শ্রেণীর ও বিভাগ |
পরিমাণ |
|
|
|
|
|
|
|
|
আমার / আমাদের নামে নিম্নলিখিত পরিমাণ বিস্ফোরক অধিকারে রাখা/বিক্রি/ ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর ফরম….. এ লাইসেন্স নং আছে।
| ক্রমিক নং |
নাম |
শ্রেণীর ও বিভাগ |
পরিমাণ |
|
|
|
|
|
|
|
|
উপরোল্লিখিত লাইসেন্স………….পর্যন্ত বলবৎ আছে।
* বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ এর ১৪৬(৩) এর চাহিদা অনুসারে এতদসঙ্গে লাইসেন্স প্রয়োজনীয় স্বাক্ষরের জন্য প্রেরিত হইবে। স্বাক্ষরের পর দয়া করিয়া লাইসেন্সটি ফেরত পাঠাইবেন। বিস্ফোরকগুলি আমার/ আমাদের প্রাধিকৃত ব্যক্তি যাহার সহি নিম্নে সত্যায়িত আছে, তাহার নিকট হস্তান্তর করিতে অনুরোধ করা হইল।
প্রাধিকৃত এজেন্টের স্বাক্ষর…………..
সত্যায়িত
আপনার বিশ্বস্ত
লাইসেন্সধারীর স্বাক্ষর
পদবী
অনুলিপি প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের নিকট প্রেরিত হইল।
বিবিধ তফসিলগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- বিবিধ তফসিল ১। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ২। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৩ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৪ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৬ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৭ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৮ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৬
অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।
[বিধি ১৩৪(১)]
বিনির্দেশাবলী
এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত বিনির্দেশসমূহ সাধারণ ধারণা অর্জনের বিনির্দেশিকা মাত্র। প্রতি ক্ষেত্রে স্বতন্ত্রভাবে প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের নিকট হইতে অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।

বিনির্দেশ-১
শুধুমাত্র সড়কপথে বিস্ফোরক পরিবাহী ভ্যানের জন্য বিনির্দেশ
অংশ-১
(১) চালক বসিবার কক্ষ (ক্যাব) ও গাড়ীর বডির মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান-গাড়ীর বডি ও চালক বসিবার ক্যাব এর মধ্যে কমপক্ষে ১৫ সে.মি. ফাঁকা রাখিতে হইবে।
(২) চালকের ক্যাব-চালকের কক্ষটি বাইরের দিকে ০.৯১৪ মি.মি. (20 S. W. অ্যালুমিনিয়ামের শিট দ্বারা নির্মিত ও আবৃত থাকিবে। কক্ষ নির্মাণে কাঠ ব্যবহার G) করা হইলে উক্ত কাঠকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে অদাহ্য প্রকৃতির করিতে হইবে।
৩) চালক ক্যাবের দরজা-চালক ক্যাবের দরজার সংযুক্ত জানালার কাঁচ স্প্রিন্টার উৎপাদিত হইবে না।
(৪) উইন্ড স্ক্রীন-টেকসই কাঠামোসম্পন্ন উইন্ড স্ক্রীন চালকের আসনের সামনে শক্ত ব্রাশের পাত দ্বারা এমনভাবে আটকানো থাকিবে যাহাতে খোলা-বাঁধা করা যায়।
(৫) জ্বালানী ট্যাংক-নিম্নের (১১) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অগ্নি-নিরোধী ঢালের সামনে পেট্রোল বা গ্যাসের জ্বালানী ট্যাংক স্থাপন করিতে হইবে। উহাকে এমনভাবে স্থাপন করিতে হইবে যাহাতে দুর্ঘটনায় পতিত হইলে সহজে জ্বালানী ট্যাংকটি/ আধারটি ভাঙ্গিয়া না যায়। যদি অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করেন তাহা হইলে জ্বালানী ট্যাংক/ আধারকে সুরক্ষার জন্য মজবুত গার্ড লাগাইতে হইবে।
(৬) জ্বালানী বিচ্ছিন্নকরণ ব্যবস্থা-জ্বালানী প্রবাহ পাইপে সহজগম্য এমন স্থানে একটি দ্রুত বিচ্ছিন্নকরণ ভাল্ভ লাগাইতে হইবে যাহাতে বনেট উঠানো ছাড়াই উহাকে পরিচালনা করা যায় এবং ইঞ্জিনে অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হইলে তাহাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
(৭) ধূয়া নির্গমন নল এবং স্ফুলিঙ্গ প্রতিরোধক-ফুলিঙ্গ প্রতিরোধক ও ধূয়া নির্গমন নল (১১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত অগ্নি প্রতিরোধক ঢালের সামনে স্থাপন করিতে হইবে।
(৮) অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র-কমপক্ষে ২ কেজি পরিমাণের ২টি রাসায়নিক ধরনের অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার রাখিতে হইবে। উক্ত সিলিন্ডারগুলি পেট্রোলিয়াম ও গ্যাসের আগুন নিভাইতে সক্ষম হইতে হইবে।
(৯) সেল্ফ স্টার্টার-গাড়ীতে সেল্ফ স্টার্টার থাকিবে।
(১০) আলোক ব্যবস্থা-ড্যাসবোর্ড হইতে নিয়ন্ত্রণযোগ্য হেডলাইট, পার্শ্বলাইট এবং পিছনের লাইট লাগাইতে হইবে। সকল বৈদ্যুতিক তার এবং ব্যাটারীর তার সম্পূর্ণ আবৃত এবং ব্যবহার উপযোগী রাখিতে হইবে।
(১১) অগ্নি-নিরোধী ঢাল-১৮ গেজি স্টীলের পাত ও পাতলা এ্যাসবেসটসের তৈরি একটি পর্দা বিশেষ যাহা চালকের সম্পূর্ণ ক্যাবব্যাপী বিস্তৃত এবং মাটি হইতে ৩০০ মি. মি. উপরে পর্যন্ত প্রলম্বিত থাকিবে। ঢালটি চালকের ক্যাবের তলা হইতে মাটির ৩৯০ মি.মি. উপর পর্যন্ত হালকা লোহার কাঠামোতে আটকানো নির্মিত।
(১২) বডি-এই বিনির্দেশের অংশ-২ এর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ বডি সংযোজিত হইবে।
(১৩) অতিরিক্ত চাকা-ভিতরের টিউবসহ প্রত্যেক আকারের একটি করিয়া ঢাকা চেসিসের সহিত বহন করিতে হইবে।
(১৪) রঙ ও চিহ্ন-লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত রঙ ও চিহ্ন। দ্বারা গাড়ীর বডি ও চালক ক্যাব রঞ্জিত ও চিহ্নিত করিতে হইবে। গাড়ী অ্যালুমিনিয়াম বা সাদা রঙ দ্বারা রঞ্জিত করিতে হইবে। এই বিনির্দেশনার সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ না হইলে গাড়ীর পার্শ্বে ও পিছনে “বিস্ফোরক” কথাটি এবং জাতিসংঘ অনুমোদিত বিস্ফোরকের চিহ্নটি সুস্পষ্টভাবে লিখিতে ও অঙ্কন করিতে হইবে। লাইসেন্সধারীর নাম-ঠিকানা ও লাইসেন্স নম্বর গাড়ীর একপার্শ্বে ছোট অক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকিতে হইবে। ভ্যানের পিছনের দরজায় ৬০ সে.মি. ব্যাসের একটি লাল বৃত্তের মধ্যে “E” অক্ষরটি মুদ্রিত থাকিবে।
(১৫) সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা-গাড়ীর সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা উহার জন্য নির্ধারিত গ্রস ওজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকিবে।
(১৬) পরিদর্শন-গাড়ী নির্মাণের সকল কার্যক্রম লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনক হইতে হইবে। গাড়ীর বডি প্রস্তুতকারী কারখানা যে কোন সময় অবাধে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করিতে পারিবেন এবং এই বিনির্দেশনার সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ না হইলে তিনি প্রস্তুতপ্রণালীর সহিত যুক্ত যে কোন উপকরণ বা কার্যপদ্ধতি বাতিল করিতে পারিবেন।
অংশ-২
(১) ভ্যানের বডির কাঠামো ভালভাবে প্রক্রিয়াজাতকৃত সেগুন, মেহগণী, চাপালিস ইত্যাদি শক্ত কাঠ দ্বারা তৈরি করিতে হইবে। কাঠামোর অবস্থান ভেদে সকল জোড়া খাঁজকাটা ধরনের হইবে এবং স্কু দ্বারা শক্তভাবে আটকাইতে হইবে। জোড়া দেওয়ার পূর্বে সকল সংযোগের উপরে সাদা সীসার প্রলেপ দিতে হইবে। কাঠামোর যে অংশ বাহিরের ধাতব অংশের সংস্পর্শে আসিবে, প্যানেল দেওয়ার পূর্বে উহাকেও ভালভাবে সাদা সীসা দ্বারা আবৃত করিতে হইবে। কাঠামোর দৃঢ়তার জন্য প্রয়োজনে লোহার পাত, কোণা ইত্যাদি ব্যবহার করা যাইতে পারে। কিন্তু গাড়ির সম্পূর্ণ কাঠামো তৈরির এর এইরূপ কোন লোহার অংশবিশেষ ভিতরের দিকে উন্মুক্ত থাকিতে পারিবে না।
(২) মেঝে-মেঝে ২২.২ মি.মি. পুরু ও প্রায় ১৫২.৪ মি.মি. প্রন্থের সেগুন কাঠের তক্তা দ্বারা নির্মিত হইবে যাহা বকলস আংটা ধরনের খাঁজযুক্ত হইবে। ইহা গাড়ীর বডির তলার পাতের কোটরে বসানো থাকিবে এবং নিচে ০.৯১৪ মি.মি. (20 S.W.G) অ্যালুমিনিয়ামের পাত আটকানো থাকিবে। মেঝে ২৮.৬ মি.মি পুরু এবং ৫০.৮ মি.মি চওড়া বাহক বাতা দ্বারা ঠেস দেওয়া থাকিবে এবং উহারা চেসিস কাঠামোয় আড়াআড়ি বাতাসমূহের (Crossmembers) উপর স্ক্রু দ্বারা আটকানো থাকিবে। দরজার প্রবেশ পথের কাঠামো বাহিরের দিকে ৬.৪ মি.মি. ঢালু থাকিবে এবং উহা দরজার প্রবেশ পথব্যাপী পিতলের পাত দ্বারা আবৃত থাকিবে, উহার অভ্যন্তরীণ প্রশস্ততা ৬৩.৫ মি.মি. হইবে এবং উহার বহি: কিনারা নিম্নমুখী হইবে ও পিতলের স্তু দ্বারা যথাস্থানে শক্তভাবে আটকানো থাকিবে।
(৩) বডির খোপ এবং আবরণ-ভ্যানের ছাদ, মেঝে পার্শ্ব ও প্রান্তভাগ এবং দরজাসমূহ বাহিরের দিকে ০.০১৪ মি. মি. (20 S. W. G) অ্যালুমিনিয়ামের পাত দ্বারা আবৃত থাকিবে এবং অভ্যন্তরীণ আস্তর এ্যাসবেসটস বা প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে প্রায় অদাহ্য করা হইয়াছে এমন কাঠ অথবা লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের লিখিতভাবে নির্দেশিত/অনুমোদিত অন্য কোন বস্তু দ্বারা নির্মিত হইবে। উহার উপরিভাগ দুমড়ানো বা টোলমুক্ত থাকিবে এবং উহা কাঠামোর সহিত আটানো থাকিবে যাহা বিভিন্ন সুবিধাজনক সাইজের হইবে।
(৪) দরজা-বডির পিছনে দুই পাল্লাবিশিষ্ট দরজা লাগানো থাকিবে। উহার গঠন হইবে মূল বডির ন্যায় এবং উহা বডির কাঠামো, প্যানেল, আবরণের সহিত নিবিড়ভাবে সংযুক্ত থাকিবে।
(৫) বডির আয়তন-বডির অভ্যন্তরীণ পরিমাপ এমন হইতে হইবে যাহাতে প্রস্তাবিত পরিমাণের বিস্ফোরক পরিবহণের জন্য উহা পর্যাপ্ত হয়। গাড়ীর বডির পরিমাপ এমন হইতে হইবে এবং বডিকে এমন পদ্ধতিতে চেসিসের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে যাহাতে বিস্ফোরক পরিবহণের সময় গাড়ী সুস্থিত থাকে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-২.jpeg)
বিনির্দেশ-২
কম্প্রেসর সংযুক্ত বিস্ফোরক পরিবহণের মোটর ট্রাকের বিনির্দেশ
(১) চালক বসিবার ক্যাব ও গাড়ীর বডির মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান-গাড়ীর বডি ও চালক ক্যাব এর মধ্যে কমপক্ষে ১৫ সে.মি. ফাঁকা রাখিতে হইবে।
(২) চালকের ক্যাব-চালকের ক্যাবটি বাইরের দিকে ০.৯১৪ মি.মি. (20 S. W. G) অ্যালুমিনিয়ামের শিট দ্বারা আটকানো ও আবৃত থাকিবে। ক্যাব নির্মাণে কাঠ ব্যবহার করা হইলে উক্ত কাঠকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে অদাহ্য প্রকৃতির করিতে
হইবে।
(৩) চালক ক্যাবের দরজা-চালক ক্যাবের দরজার সংযুক্ত জানালার কাঁচ স্পিন্টার উৎপাদিত হইবে না।
(৪) উইন্ড স্ক্রীন-মজবুত কাঠামোয় আবদ্ধ একটি উইন্ড স্ক্রীন চালকের আসনের সামনে শক্ত ব্রাশের পিডটের উপর এমনভাবে আটকানো থাকিবে যাহাতে উহা বৃত্তের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত খোলা যায়।
(৫) জ্বালানী ট্যাংক/ আধার-জ্বালানী ট্যাংক/ আধার ট্রাকের পাটাতনের নিচে এবং বিস্ফোরক বহনকারী বাক্স হইতে কমপক্ষে ০.৫ মিটার দূরে স্থাপন করিতে হইবে। ইহাকে এমনভাবে স্থাপন করিতে হইবে যাহাতে গাড়ী দুর্ঘটনায় পতিত হইলে সহজে জ্বালানী ট্যাংক/আধারটি ভাঙ্গিয়া না যায়।
(৬) জ্বালানী বিচ্ছিন্নকরণ ব্যবস্থা-জ্বালানী প্রবাহ পাইপে সহজলভ্য স্থানে দ্রুত বিচ্ছিন্নকরণ ব্যবস্থা লাগাইতে হইবে এবং এমন স্থানে স্থাপিত হইবে যাহাতে বনেট উঠানো ছাড়াই উহাকে চালনা করা যায় এবং ইঞ্জিনে অগ্নিকাণ্ড না ঘটায়।
(৭) স্কুলিংগ প্রতিরোধক ও ধূয়া নির্গমন নল-স্কুলিংগ প্রতিরোধক ও দূয়া নির্গমন নল চালক বসিবার ক্যাবের নিচে স্থাপিত হইবে, গাড়ীর বডির নিচে নহে।
(৮) অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র-কমপক্ষে ২ কেজি পরিমাণের ২টি রাসায়নিক ধরণের অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার রাখিতে হইবে। উক্ত সিলিন্ডারগুলি পেট্রোলিয়াম ও গ্যাসের আগুন নিভাইতে সক্ষম হইতে হইবে।
(৯) সেল্ফ স্টার্টার-গাড়ীতে সেল্ফ স্টার্টার থাকিবে।
(১০) আলোর ব্যবস্থা-ড্যাসবোর্ড হইতে নিয়ন্ত্রণযোগ্য হেডলাইট, পার্শ্বলাইট এবং পিছনের লাইট লাগাইতে হইবে। জরুরী অবস্থায় আলোর প্রয়োজনে বৈদ্যুতিক টর্চ (ড্রাইসেল টাইপ) ব্যবহার করা যাইবে।
(১১) অগ্নি নিরোধী ঢাল-১৮ গেজি স্টলের পাত ও পাতলা এ্যাসবেসটসের তৈরি এবং চালকের সম্পূর্ণ ক্যাবব্যাপী একটি পর্দাবিশেষ যাহা মাটি হইতে ৩০০ মি.মি. উপরে পর্যন্ত প্রলম্বিত থাকিবে। ঢালটি চালকের ক্যাবের তলা হইতে মাটির ৩৯০ মি.মি. উপর পর্যন্ত হালকা লোহার কাঠামোতে আটকানো নির্মিত।
(১২) বডি-গাড়ীর বডির নিরাপত্তার প্রয়োজনে প্রস্তুতকারীর অনুমতি ব্যতীত গাড়ীর বডিতে কোন ছিদ্র বা গর্ত করা যাইবে না।
(১৩) অতিরিক্ত চাকা-ভিতরের টিউবসহ প্রত্যেক আকারের একটি করিয়া চাকা চেসিসের সহিত বহন করিতে হইবে।
(১৪) কম্প্রেসরের ভিত্তিমূল বডির মেঝে হইতে বা ট্রাকের বডি হইতে কমপক্ষে ১৫০ মি.মি. উঁচুতে থাকিবে।
(১৫) কম্প্রেসরের ঠিক নিচে একটি এমন আকৃতির কোমল স্টীলের চ্যাপ্টা ট্রে এমন স্থানে এবং এমনভাবে স্থাপন করিতে হইবে যাহাতে কম্প্রেসর হইতে চুয়াইয়া পড়া সকল তৈল উক্ত ট্রেতে পড়ে।
(১৬) কম্প্রেসরের ধূয়া নির্গমন নল বিস্ফোরক বহনকারী বাক্স হইতে পর্যাপ্ত দূরত্বে স্থাপন করিতে হইবে এবং উপযুক্ত স্ফুলিঙ্গ প্রতিবন্ধক লাগাইতে হইবে।
(১৭) শুধুমাত্র অনুমোদিত ধরনের বাক্সেই বিস্ফোরক পরিবহণ করিতে হইবে এবং বাক্সটি গাড়ীর বডির সহিত এমন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকিবে যাহাতে গাড়ী চলাচল করিবার সময় বাক্স নড়াচড়া করিতে না পারে। পরিবহণ করিবার সময় ডেটোনেটরের মোড়কের নড়াচড়া ঠেকানোর লক্ষ্যে ডেটোনেটর পরিবাহী বাক্সের ডেটোনেটরের মোড়ক ভর্তি করিবার পর অবশিষ্ট খালি জায়গায় ফোম প্যাড বা অনুরূপ অন্য কোন বন্ধু দ্বারা অনুরূপভাবে ভর্তি করিতে হইবে।
(১৮) বিস্ফোরক পরিবহণের জন্য প্রতি ট্রাকে দুইটির বেশি বাক্স সংযোজন করা যাইবে না। একটি বাক্স ডেটোনেটরের জন্য ও অপর বাক্সটি উচ্চক্ষমতার বিস্ফোরকের জন্য ব্যবহৃত হইবে। দুইটি বাক্স এমনভাবে সংযুক্ত থাকিবে যাহাতে উহাদের দরজা মুখোমুখি খুলিবার সুযোগ না থাকে।
(১৯) বিস্ফোরকের বাক্সগুলির আন্তঃদূরত্ব কমপক্ষে ১০০০ মি.মি. হইবে। কম্প্রেসর এবং বিস্ফোরকবাহী বাক্সগুলির আন্ত: দূরত্ব কমপক্ষে ১৫০০ মি.মি. হইবে।
(২০) বিস্ফোরকবাহী বাক্স ও চালক বসিবার কক্ষের মধ্যে একটি অগ্নিনিরোধী ঢাল লাগাইতে হইবে।
(২১) বিস্ফোরক খালাস করিবার জন্য অপারেটরের চলাচলের পর্যাপ্ত জায়গার ব্যবস্থা রাখিয়া বিস্ফোরকবাহী বাক্স এবং কম্প্রেসর এর মাঝখানে এসবেসটসের বা সাধারণ লোহার (G.I.) তৈরি উপযুক্ত পাত দ্বারা পর্দা লাগাইতে হইবে।
(২২) অনুচ্ছেদ (২০) এ উল্লিখিত অগ্নিনিরোধী ঢালের মাঝের জায়গায় এবং অনুচ্ছেদ (২১) এ উল্লিখিত এসবেসটস পর্দাকে আবহাওয়াজনিত ক্ষতির হাত হইতে রক্ষা করিবার উদ্দেশ্যে সুবিধাজনকভাবে ঢাকিয়া দিতে হইবে।
(২৩) ২৫ কেজি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক, ২০০টি ডেটোনেটর এবং ২০০ মিটার সেফটি ফিউজ এর বেশী একটি ট্রাকে পরিবহণ করা যাইবে না।
(২৪) ডেটোনেটরের বাক্স গাড়ীর ব্যাটারীর দিক হইতে বেশ দূরে স্থাপন করিতে হইবে এবং ব্যাটারী চালক ক্যাবে তাহার সিটের নিচে স্থাপন করিতে হইবে।
বিনির্দেশ-৩
বিস্ফোরক বহনের ধাতব বাক্স বা পাত্রের বিনির্দেশ সাধারণ বর্ণনা-
ধাতব বাক্স/পাত্রের বডি পেঠানো লোহা, নমনীয় ইস্পাত, শক্ত পিতলের পাত, মাঞ্জ (Muntz) ধাতু বা দস্তা দ্বারা নির্মিত হইবে যাহার উপর ও নিচে উভয় প্রান্তে একই ধাতুর বা পিতলের তৈরি কিলক (Flange) ঝালাই বা রিভেট করা থাকিবে যাহাতে উহার ঢাকনা বা তলা সংযুক্ত করা যায়। লোহা বা স্টীল দ্বারা তৈরি করা হইলে উহা তৈরির পর উহাকে সম্পূর্ণভাবে গ্যালভ্যানাইজ বা ভালভাবে রঙ করিতে হইবে। পাতের গুরুত্ব ১.২৫৭ মি.মি. (18 B.G = 0.0495 ইঞ্চি) বা দস্তার হইলে ৯.৫ মি.মি. এর কম হইবে না।
পাত্রের তলা উহার বডি যে ধাতুতে তৈরি সেই ধাতুর হইতে হইবে বা পিতলের ধাতু দ্বারা তৈরি হইতে হইবে। যদি লোহা বা স্টীলের তৈরি হয় তাহা হইলে উক্ত ধাতুর পাতকে ভালভাবে গ্যালভ্যানাইজ করিতে হইবে এবং বাক্সের গায়ের কাণায় কিলক দ্বারা নিরাপদ ও দৃঢ়ভাবে রিভেটিং করিয়া আটকাইতে হইবে বা উহা কিলকের অংশ হিসেবে সংযুক্ত থাকিবে। পাতের পুরুত্ব ৩.২ মি.মি. বা দস্তার হইলে ৯.৫ মি.মি. এর কম হইবে না।
বিকল্প হিসাবে সম্পূর্ণ গ্যালভ্যানাইজ করা ৪.৮ মি.মি. পুরত্বের নমনীয় স্টিলের তৈরি পাত দ্বারা তলা তৈরি করা যাইতে পারে এবং তলাকে এমনভাবে থালার ন্যায় তৈরি করিয়া পূর্বের ন্যায় নমনীয় স্টীলের তৈরি পাতের কিলক দ্বারা বডির উপর শক্তভাবে আটকাইতে হইবে। উক্ত পাত্রের বডি থালাকৃতির তলার মধ্যে ২৫.৪ মি.মি. পরিমাণ বাহিরের বিস্তৃত থাকিবে এবং থালাকৃতির তলার প্রান্তের গায়ের সহিত এবং পাত্রের দেয়ালের শেষ প্রান্ত তলার ভিতরের গায়ে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ঝালাইকৃত থাকিবে। পাত্রের ঢাকনা একই ধাতু বা পিতলের তৈরি হইতে হইবে। যদি লোহা বা ইস্পাতের তৈরি হয় তাহা হইতে উহা সম্পূর্ণরূপে গ্যালভ্যানাইজ করিতে হইবে।
ঢাকনার কেন্দ্রের পুরুত্ব ১.৬ মি.মি. এর কম হইবে না এবং কিনারায় ৩.২ কি.মি. এর কম হইবে না বা যদি দস্তার নির্মিত হয় তাহা হইলে সম্পূর্ণটাই ৯.৫ মি.মি. পুরুত্বের কম হইবে না। ঢাকনাকে কজাসহ বা কব্জা ছাড়া কমপক্ষে চারটি ভাল স্কু, বল্টুর বা সুইং বল্টুর সাহায্যে ভালভাবে আটকাইতে হইবে। ঢাকনার ফ্লাঞ্জের গর্তের ভিতর প্রজেক্টটিং রিং না থাকিলে ঢাকনা ও ফ্লাঞ্জের মধ্যে চামড়ার বা অন্য কোন সুবিধাজনক বন্ধু দ্বারা নির্মিত ওয়াসার লাগাইতে হইবে। রিভেটের মাথাগুলি ভালভাবে মসৃণ করিতে হইবে এবং বাক্সের ভিতরের দিক অমসৃণ অংশ বা ঝালাই এর চিহ্ন থাকিবে না।
সবকিছু ভাল বন্ধু এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনায় হইবে এবং খুব ভাল ও কার্যকর অবস্থা বজায় রাখিতে হইবে।
বিনির্দেশ-৪
বিস্ফোরক পরিবহণের ধাতব পাত্রের বিনির্দেশ
ডিউরেলুমিন (Duralumin) পাত্র:
পাত্রের ভিতরের পরিমাপ হইবে ৯০২ মি.মি. গভীর, ৩০৮ মি.মি. দৈর্ঘ্য ও ২৬৭ মি.মি. প্রস্থ। পাত্রটি ১.৬২৬ মি. মি. (১৬ S. W. G) মাপের একখণ্ড পাত দ্বারা নির্মিত হইবে যাহার জোড়া ২৫.৪ মি. মি. পর পর ৪.০০ মি.মি. (৫/৬ ইঞ্চি) ব্যাসের পেরেক (রিপিট) মারা থাকিবে অন্য তিন কোণায় ৫০.৮ মি.মি. পর পর রিপিট মারা থাকিবে। ৩১.৮ মি.মি × ৩১.৮ মি. মি. × ৪.৮ মি. মি সহিত এঙ্গেল পাত্রের তলার চারদিকে ও উপর পর্যন্ত ২৫.৪ মি.মি. পর পর ৮.০০ মি.মি. ব্যাসের পেরেক (রিপিট) দ্বারা আটকানো থাকিবে।
পাত্রের তলা চতুর্দিকে ৩১.৮ × ৩১.৮ × ৪.৮ মি.মি. মাপের এঙ্গেলের সহিত ৩.২৫ মি.মি. (১০ S. W. G) পাত বসানো থাকিবে এবং ৮.০০ মি. মি. ব্যাসের কিলক (রিপিট) দ্বারা আটকানো থাকিবে। পাত্রের কোণার অংশ ২.০৪২ (১২ S.W.G) মাপের পাত দ্বারা ও ৮.০০ ব্যাসের কিলক দ্বারা এঙ্গেল ও তলার সহিত আটকানো থাকিবে।
পাত্রের ঢাকনা ২.০৩২ মি.মি (১৪ S.W.G) পুরু পাত ও চতুর্দিকে ৩৭.৬ মি. মি. × ২৫.৪ মি. মি. × ৪.৮ মি. মি মাপের এঙ্গেল-এর মধ্যে বসানো এবং ৮.০০ মি. মি. ব্যাসের কিলক (রিপিট) দ্বারা আটকানো থাকিবে। ঢাকনার কোণায় অংশ ২.০৩২ মি. মি. (১৪ S. W. G) পুরু পাতের টুকরা যাহা ৮.০০ ব্যাসের কিলক দ্বারা ঢাকনার পাত ও এঙ্গেলের সহিত যুক্ত থাকিবে। ঢাকনা ৪টি ১২.৭ মি. মি. ওয়াসারসহ উইথ ওয়ার্থ (with worth) সেট পিন দ্বারা আটকানো থাকিবে।
বিনির্দেশ-৫
বিস্ফোরক পরিবহণের ধাতব পাত্রের বিনির্দেশ
পাত্রের বডি হইবে পেটানো লোহা বা নমনীয় ইস্পাতের তৈরি যাহা সম্পূর্ণ গ্যালভানাইজকৃত ১৮ বি. জি. (০.০৪৯৫) কম পুরু নহে এবং যাহা ১২.৭ মি. মি. পুরুত্বের অ্যালুমিনিয়াম সংকরের তৈরি (১২.৫% হইতে ১৪.৫% দস্তা, ২.৫% হইতে ৩% ব্রাশ বাকিটুকু এলুমিনিয়াম) ফ্রাঞ্জ দ্বারা উপরের দিকে আটকানো থাকিবে।
পাত্রের তলা এলুমিনিয়াম সংকর এর হইবে যাহার কিনারা ১২.৭ মি. মি ও ৪.৮ মি. মি পুরুত্বের কম হইবে না এবং ২৫.৪ মি. মি উঁচু ও কমপক্ষে ৬.৩ মি. মি পুরুত্বসম্পন্ন রক্ষাকারী বস্তু এমনভাবে লাগাইতে হইবে যাহাতে উহা পাত্রের ভিতর ভালভাবে ঢুকিয়া যায় এবং যাহা ৬.৩ মি. মি. ব্যাসের কীলক (রিপিট) দ্বারা আটকানো থাকিবে। পাত্রের ঢাকনা এলুমিনিয়ামের ধাতুর হইবে এবং যাহার কিনারায় সর্বনিম্ন ১২.৭ মি. মি. পুরুত্বসম্পন্ন এবং কেন্দ্র সর্বনিম্ন ৬.৩ মি. মি পুরুত্বসম্পন্ন হইবে এবং আটটি গুন্তু ফ্লাঞ্জের সহিত বসানো থাকিবে।
পাত্রের ঢাকনা ও ফ্লাঞ্জের মাঝখানে উন্নতমানের চামড়ার/বরাবরে ওয়াসার বা অন্য কোন সুবিধাজনক বন্ধু লাগাইতে হইবে যদি না ঢাকনাটি ফ্লাঞ্জের নিম্নাংশের সহিত প্রজেক্টটিং রিং দ্বারা সংযুক্ত থাকে। সকল কিলকের ভিতরের দিকে মাথাকে ভালভাবে মৃসণ করিতে হইবে এবং মোড়কের ভিতর অংশকে অমসৃণ ও পোড়া চিহ্নমুক্ত রাখিতে হইবে।
বিনির্দেশ-৬
ম্যাগাজিনের বিনির্দেশ
১। সূচনা: ম্যাগাজিন নির্মাণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টিকে মূল বিবেচনায় লইতে হইবে যাহাতে অভ্যন্তরস্থ বস্তু লোকজনের নাগালের বাহিরে রাখা, উক্ত বস্তুসমূহকে ভাল অবস্থায় রাখা এবং দুর্ঘটনাবশত: বিস্ফোরণের ঝুঁকি হ্রাস নিশ্চিত করে। সেইজন্য ম্যাগাজিনটি এমনভাবে নির্মাণ করিতে হইবে যাহাতে যথাসম্ভব অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা যায় এবং পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকে।
ম্যাগাজিনের স্থান নির্বাচনে বিস্ফোরণ এবং/ বা অগ্নি দুর্ঘটনার সময় ম্যাগাজিনের চতুর্দিকের জান-মাল ধ্বংসের হাত হইতে রক্ষার ক্ষেত্রে উক্ত এলাকার ভূমির প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের বিষয়টি বিবেচনায় আনিতে হইবে। এলাকার যথার্থতা এবং মজুতব্য বিস্ফোরকের পরিমাণ নির্ধারণ নির্ভর করে তফসিল ৭ এর অন্তর্গত নিরাপত্তা দূরত্ব ছকে উল্লিখিত জন চলাচলের পথ, রেললাইন, শিল্প এলাকা, আবাসিক এলাকা ইত্যাদি হইতে ম্যাগাজিনের দূরত্বের উপর। এই বিষয়ে প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে লোকচক্ষুর অন্তরালে অবস্থিত এলাকাকে অগ্রাধিকার দিতে হইবে।
বিস্ফোরক মজুদ সংক্রান্ত বিধি-বিধান ছাড়াও উক্ত বস্তুসমূহের যত্নের দৃষ্টিকোণ হইতে কিছু শর্তাবলী প্রতিপালন করিতে হইবে, যেমন: অনুচিতভাবে মজুদের ফলশ্রুতিতে পরবর্তীতে বিস্ফোরকের মিসফায়ার ঘটাইতে পারে। সকল ক্ষেত্রেই বিস্ফোরক মজুদের স্থান পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল উপযোগী এবং যতদূর সম্ভব চরম তাপমাত্রা হইতে নিরাপদ হইতে হইবে। বিস্ফোরক মজুদের হিসাব কড়াকড়িভাবে সংরক্ষণ করিতে হইবে। দিনের কাজের শেষে অবশিষ্ট বিস্ফোরক ম্যাগাজিনে ফিরিয়া আনিতে হইবে এবং অব্যবহৃত বিস্ফোরক পরের কার্যদিবসে ব্যবহারের জন্য পৃথক করিয়া রাখিতে হইবে।
সেটি ফিউজ ও ডেটোনেটরকে উপযুক্তভাবে মজুদ করিতে হইবে যাহাতে উহারা যথাযথভাবে কাজ করে। সেইজন্য সবসময় উহাদের পরিবহণ, আনা-নেওয়া এবং মজুদের সময় আর্দ্রতা হইতে রক্ষা করা এবং তৈল, গ্রীজ, কেরোসিন বা অন্য কোন তরলের সংস্পর্শে না আসে সেই ব্যবস্থা করিতে হইবে। ডেটোনেটরকে অন্য বিস্ফোরকের সহিত মজুদ করা যাইবে না।
২। ম্যাগাজিনের ধরন: ম্যাগাজিন মজবুতভাবে নির্মিত হইবে অর্থাৎ ইস্পাত, শক্ত কংক্রিট, ইট, পাথর বা কংক্রিট বক জোড়া প্রদানপূর্বক নির্মিত হইবে। ভিতরের আয়তন এমন হইতে হইবে যাহাতে ভিতরে রক্ষিত সকল বিস্ফোরকের নিকট সহজে যাওয়া যায়।
৩। ম্যাগাজিনের গঠন: ম্যাগাজিনের গঠন উত্তম ও মজবুত হইতে হইবে এবং দরজা এমনভাবে তৈরি ও বন্ধ রাখিতে হইবে যাহাতে অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশ প্রতিরোধ করে এবং বাহিরের বিপদ হইতে উহা নিরাপদ থাকে।
ম্যাগাজিন: ধরন ক
ধরন ‘ক’ ম্যাগাজিন প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত ধরনের হইতে হইবে এবং প্রাথমিকভাবে নিম্নরূপ গঠনের হইতে হইবে।
(১) কমপক্ষে ২২৫ মি. মি. পুরুত্বের কংক্রীট ঢালাই বা ৪৫০ মি. মি. পুরুত্বের সিমেন্ট বালির গারা দ্বারা আবৃত ইটের/পাথরের দেয়াল। ২৮ দিন জমাট বাঁধার পরে কংক্রিটের শক্তি কমপক্ষে ২৫০০ পাউন্ড/ বর্গ ইঞ্চি হইতে হইবে। (প্রয়োজনীয় কংক্রিটের শক্তি পাইতে হইলে আয়তিমাত্রিকভাবে মিশ্রণটির ১ ভাগ সিমেন্ট, ১২ ভাগ বালি, মোট ৩ ভাগ কংকর হইবে) আরসিসি হইবে চৌকোণা ছিদ্র বিশিষ্ট শক্ত ইস্পাতের কাঠামো যাহাতে দেয়ালের উভয়দিকে আড়াআড়ি ব্যবচ্ছেদ প্রতি ২ ফুটের মধ্যে ০.২১ ইঞ্চির কম হইবে না।
আরসিসি উভয় দিকে কমপক্ষে উভয় দিকে ৫০ মি.মি. পুরুত্বের কংক্রিট দ্বারা আবৃত করিতে হইবে। ইট ও কংক্রিট ব্লক বিল্ডিং কোড এর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হইতে হইবে। নির্মাণ কাজের জন্য বাণিজ্যিক মানের লোহার রড ব্যবহার করাই যথেষ্ট হইবে। সিমেন্টের কাই (মসলা) কমপক্ষে এক ভাগ সিমেন্ট এবং তিন ভাগ বালি দ্বারা তৈরি হইবে। ২
(২) গুদামের ভিতর এবং বেঞ্চ, তাক এবং গুদাম সংলগ্ন অন্যান্য ফিটিংস এমনভাবে নির্মাণ করিতে হইবে বা এমনভাবে আস্তর বা ঢাকিবার ব্যবস্থা করিতে হইবে যাহাতে ব্যবহৃত লোহা, ইস্পাত উন্মুক্ত থাকা নিবারণ করে এবং কংকর, লোহা, ইস্পাত বা এইরূপ বস্তুকে এমনভাবে বিচ্ছিন্ন করে যাহাতে বিস্ফোরকের সংস্পর্শে না আসে। এই ধরনের অভ্যন্তরীণ বেঞ্চ, তাক এবং ফিটিংস এবং কাকরমুক্ত বা মসৃণ বা অন্য কোনোভাবে পরিষ্কার রাখিতে হইবে এবং কোন বিস্ফোরক যাহা পানির সংস্পর্শে আসিলে বিপজ্জনক হইতে পারে। উক্ত স্থান হইতে পানি অপসারণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।
(৩) ছাদ কমপক্ষে ১৫০ মি. মি. পুরু আরসিসি ঢালাই হইবে।
(৪) ৫০০ কেজি পর্যন্ত মজুদ উপযোগী ম্যাগাজিনের প্রত্যেক পরস্পর বিপরীত দিকের দেয়ালের উপরে ও নিচে একটি করিয়া বায়ু চলাচল পথ থাকিবে এবং ৫০০ কেজির বেশী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিনের ক্ষেত্রে পরস্পর বিপরীত দিকের দেয়ালের উপরে ও নিচে কমপক্ষে দুইটি করিয়া বায়ু চলাচল পথ থাকিবে। বায়ু চলাচল পথের সংখ্যা লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
ইংরেজি ‘Z’ অক্ষর আকৃতির ২২.৫ সে.মি. × ১১.২৫ সে. মি. বায়ু চলাচল পথ ম্যাগাজিনের দেয়ালের বহির অংশে লোহার বারের কাঠামো মধ্যে সুন্দর/শক্তভাবে সংযুক্ত থাকিবে। ২.৩৫ বর্গ সে.মি. (৩/৮”) মাপের লোহার বারগুলি ফ্রেমের মধ্যে কোণাকোণিভাবে স্থাপন করিতে হইবে। বায়ু চলাচল পথের অভ্যন্তরভাগের পথ প্রতি সে.মি. ৩টি ফাসযুক্ত ব্রাশের তারজালি দ্বারা সুরক্ষিত থাকিবে।
(৫) বাহিরের দরজা-
(১) উক্ত দরজা বাহিরের দিকে খুলিবে এবং যখন বন্ধ করা হইবে তখন দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকিবে,
(২) দরজা কাঠের আন্তরসহ বা আস্তর ছাড়া যে কোনোভাবে কমপক্ষে ৫ সে.মি. ইস্পাতের পাত দ্বারা নির্মিত হইবে।
(৬) ভিতরের দরজা হইবে-
(১) কাঠের তৈরি,
(২) তালা ও অন্যান্য সংযুক্তির যন্ত্রাংশ লোহা ব্যতীত অন্য মজবুত ধাতুর।
(৭) বহি: দরজায় তালা “ডেডলক” ধরনের হইবে।
(৮) একই ম্যাগাজিনে শ্রেণী ৬ বিভাগ ৩ এর বিস্ফোরক ও ডেটোনেটর মজুদ করা হইলে ভিন্ন ভিন্ন কক্ষে মজুদ করিতে হইবে। এই ধরনের কক্ষের স্বতন্ত্র প্রবেশ পথ থাকিবে এবং ম্যাগাজিনের অন্যান্য কক্ষ হইতে কমপক্ষে ১ মিটার ফাঁকা থাকিবে এবং ম্যাগাজিনের অন্যান্য কক্ষের সহিত ডেটোনেটর কক্ষের পৃথকীকরণ দেয়ালের পুরুত্ব কমপক্ষে ৬০ সে. মি. হইতে হইবে।
(৯) ম্যাগাজিনের ভিতরে বিস্ফোরকের মোড়ক রাখিবার জন্য কাঠের বা সিমেন্টের উঁচু পাঠাতন থাকিবে।
(১০) যদি প্রয়োজন থাকে তাহা হইলে বারান্দা রাখা যাইবে এবং সেইরূপ বারান্দা হইবে-
(১) ম্যাগাজিনের গঠনের অনুরূপ; এবং
(২) ম্যাগাজিনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি রাখিয়া কাজে বা ম্যাগাজিনের সহিত সম্পর্কিত কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বা কাপড়-চোপড় ও জুতা বদলাইবার কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে।
(১১) ২৫ × ২৫ মি. মি. পরিমাপের কতকগুলি কাঠের ফালি দেওয়ালে আটকানো থাকিতে হইবে যাহা মেঝের ১৫০ মি. মি. উপর হইতে শুরু হইবে এবং উলম্বভাবে উহার কেন্দ্রস্থলে উহার দূরত্ব হইবে ৩০০ মি. এবং নিরবিচ্ছিন্নভাবে উহা স্তূপ-লাইন বরাবর চতুর্পার্শ্বেও ব্যবহৃতব্য দেওয়ালব্যাপী হইবে যাহাতে বায়ু চলাচল করিতে পারে এবং বিস্ফোরক মজুদের বাক্সের স্তূপ সরাসরি দেওয়াল স্পর্শ না করে।
(১২) মেঝে হইতে ২.৫ মিটার উচ্চতায় গুদামের ভিতরের দেয়ালে কমপক্ষে ১২ মি. মি. চওড়া লাল রঙ দ্বারা রেখা আঁকিয়া দিতে হইবে। এই রেখা বিস্ফোরক সর্বোচ্চ কত উচ্চতা পর্যন্ত স্তূপ করিয়া রাখা যাইবে তাহা নির্দেশ করিবে। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করিলে সর্বনিম্ন উচ্চতা নির্ধারণ করিয়া দিতে পারে।
(১৩) গুদামের অভ্যন্তরে প্রতি ১০০ কেজি বিস্ফোরকের জন্য নির্ধারিত জায়গার পরিমাণ ০.৪ কিউবিক মিটারের কম হইবে না। অধিকন্তু, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুসারে স্তূপ করিয়া রাখা বিস্ফোরক মোড়কের মাঝখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাঁকা জায়গা রাখিতে হইবে।
(১৪) ম্যাগাজিনের ভিতরে পর্যাপ্ত আলো প্রবেশের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক জানালা রাখিতে হইবে। জানালা বাহিরের দিকে খুলিবার ব্যবস্থা থাকিবে এবং কাঠের আস্তরযুক্ত বা কাঠের আস্তর ছাড়াই কমপক্ষে ৫ মি. মি. পুরু স্টীল পাত দ্বারা নির্মিত হইবে।
ম্যাগাজিন: ধরন ‘খ’
ম্যাগাজিন ধরন ‘খ’ প্রদান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইবে এবং প্রধানত নিম্নরূপ হইবে-
(১) ৫ মি. মি. পুরু স্টীল পাত দ্বারা দেয়াল নির্মিত হইবে।
(২) কমপক্ষে ৫ মি. মি. পুরুত্বের ছাদ থাকিবে।
(৩) দেয়াল, দরজা ও ছাদের ভিতরের আস্তর কমপক্ষে ১০ মি. মি. পুরু থাকিবে এবং মেঝে ২৫ মি. মি. আস্তর দ্বারা আবৃত থাকিবে এবং দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত খাঁজ কাটিয়া জোড়া দেয়া বোর্ড বা কাঠ দ্বারা এমনভাবে আবৃত হইতে হইবে যাহাতে গুদামের ভিতরের পার্শ্ব, ছাদ, মেঝে বা দরজার লোহা বা স্টীল এর অংশ উন্মুক্ত না থাকে।
(৪) গুদামের অভ্যন্তরে প্রতি ১০০ কেজি বিস্ফোরকের জন্য নির্ধারিত জায়গার আয়তন ০.৪ ঘন মিটারের কম হইবে না। সর্বোচ্চ অভ্যন্তরীণ আয়তন ২ ঘনমিটারের বেশি হইবে না।
(৫) উপযুক্তভাবে সুরক্ষিত ভেন্ট দ্বারা বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করিতে হইবে।
(৬) ম্যাগাজিনের কাঠামো ও দরজার সহিত বাহিরের দিকে ইস্পাতের কব্জা ওয়েল্ডিংকৃত হইবে।
(৭) বহি: দরজায় তালা ‘ডেডলক’ ধরনের হইবে।

বিনির্দেশ-৭
মজুদাগারের বিনির্দেশ
মজুদাগার নির্মাণের ক্ষেত্রে মূল বিবেচনার বিষয় হইবে মজুদাগারের ভিতরে রাখা বস্তুসমূহকে অননুমোদিত ব্যক্তিবর্গের নাগালের বাহিরে রাখা, বস্তুসমূহকে ভাল অবস্থায় রাখা এবং অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকির হ্রাস নিশ্চিত করা। সেইজন্য নির্মাণ কার্য এমন হইতে হইবে যাহাতে যতদূর সম্ভব অবৈধ প্রবেশ প্রতিরোধ করা যায় এবং পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকে। মজুদ স্থান শুকনা হইতে হইবে এবং যাহাতে মজুদাগারে মজুদকৃত বিস্ফোরক মজুদ কাল অনুসারে পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করা সম্ভব হয়।
মজুদাগারের দেয়াল ইট, পাথর বা কংক্রিট দ্বারা নির্মিত হইবে। ইট ও কংক্রিট প্রচলিত স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণে তৈরি হইতে হইবে। ঢালাই এর সিমেন্ট মসল্লা একভাগ সিমেন্ট এবং তিন ভাগ পরিষ্কার বালির কম হইবে না। গুদামের ভিতর পরিষ্কার রাখিতে হইবে এবং সকল বেঞ্চ, তাক এবং ফিটিংস এমনভাবে নির্মাণ বা আস্তর বা আচ্ছাদিত করিতে হইবে যাহাতে ব্যবহৃত লোহা, ইস্পাত উন্মুক্ত অবস্থায় না থাকে এবং কংকর, লোহা, ইস্পাত বা এইরূপ বস্তুকে এমনভাবে বিচ্ছিন্ন করিয়া রাখে যাহাতে মজুদকৃত বস্তুর সংস্পর্শে না আসে। এই ধরনের অভ্যন্তরীণ বেঞ্চ, তাক এবং ফিটিংস যথাসম্ভব কার্যকরভাবে কাকরমুক্ত ও পরিষ্কার রাখিতে হইবে। মজুদাগারের দরজা কাঠের তৈরি হইবে যাহা বাহিরের দিকে খুলিবার ব্যবস্থা থাকিবে এবং যখন বন্ধ রাখা হইবে দৃঢ়ভাবে বন্ধ থাকিবে।
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী মজুদাগারে পর্যাপ্ত সংখ্যক ভেন্টিলেটর থাকিবে। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নির্দশনা অনুযায়ী দেয়ালের উপরে ও নিচের দিকে ভেন্টিলেটর অবস্থিত থাকিবে। ২২.৫ সে. মি. × ১১.৫ সে. মি. মাপের ভেন্টিলেটর দেয়ালের বাহিরের দিকে সুবিধাজনক কাঠামোতে দৃঢ়ভাবে আটকানো থাকিবে। কমপক্ষে ২.৩৫ বর্গ সেন্টিমিটারের বারগুলো কৌণিকভাবে কাঠামোতে যুক্ত থাকিবে। ভেন্টিলেটরের ভিতরের মুখ প্রতি সেন্টিমিটারে কমপক্ষে ৩ টি ফাঁসযুক্ত তারজালি দ্বারা আবৃত থাকিবে। মজুদাগারের মেঝের ক্ষেত্রফল প্রতি টন বিস্ফোরকের জন্য ২ বর্গমিটার হইবে এবং মজুদাগারের ভিতরের দেয়ালে মেঝে হইতে ৩ মিটার উপরে কমপক্ষে ১২ মি. মি. চ্যাপ্টা একটি লাল রেখা রঙ দ্বারা অঙ্কিত থাকিবে।
এই রেখা বিস্ফোরক মজুদের ক্ষেত্রে তাকের সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করিবে। বায়ু চলাচলের জন্য ব্যবহৃত দেয়ালের সর্বদিকে ৩০ সে.মি. প্রশস্ত চলাচলের পথ থাকিবে। অধিকন্তু, লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুসারে মোড়কের স্তূপগুলির মাঝে পর্যাপ্ত পরিমাণ যাতায়াতের জন্য ফাঁকা রাখিতে হইবে। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করিলে মোড়ক স্তূপের নিম্নতম উচ্চতাও নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবেন।
মজুদাগারের অভ্যন্তরে আলোকিত করিবার লক্ষ্যে মজুদাগারে পর্যাপ্ত সংখ্যক কাঠের জানালা থাকিবে, জানালাগুলি বাহিরের দিকে খুলিবে, মজুদাগারের মেঝে মসৃণ, পাথর বা সিমেন্টের নির্মিত হইবে।
বিবিধ তফসিলগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- বিবিধ তফসিল ১। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ২। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৩ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৪ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৫ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৭ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৮ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৭
অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন, এই আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন বা দখলে রাখার বিধি বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৮৭৮ সনে প্রণীত এ আইনটি তদানীন্তন পাকিস্তানে চালু ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এ দেশে প্রচলন আছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ আইনটির বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন হয়েছে।

[বিধি-৪]
বিস্ফোরক মজুদের ক্ষেত্রে নিরাপদ দূরত্বের সারণী
| বিস্ফোরকের পরিমাণ, অনূর্ধ্ব কিলোগ্রাম |
দূরত্ব (মিটারে) |
|
বসবাসের উপযোগী ভবন |
জনপথ |
রেলপথ |
আন্ত:ম্যাগাজিন |
| ১ |
২ |
৩ |
8 |
৫ |
| ৫ |
১৪০ |
৬০ |
১০২ |
১২ |
| ১০ |
১৮০ |
१० |
১২৮ |
১৬ |
| ২০ |
২২০ |
৯০ |
১৬২ |
২০ |
| ৩০ |
২৫০ |
১০০ |
১৮৬ |
২২ |
| ৪০ |
২৮০ |
১১০ |
২০৬ |
২৪ |
| ৫০ |
৩০০ |
১২০ |
২২০ |
২৮ |
| ৭৫ |
৩৪০ |
১৪০ |
২৫৪ |
৩০ |
| ১০০ |
৩৮০ |
১৫০ |
২৭৮ |
৩২ |
| ১২৫ |
800 |
১৬০ |
৩০০ |
৩৬ |
| ১৫০ |
৪৩০ |
১৭০ |
৩১৮ |
৩৮ |
| ২০০ |
৮৯০ |
১৯০ |
৩৫০ |
৪২ |
| ২৫০ |
৫১০ |
২১০ |
৩৭৮ |
৪৬ |
| ৩০০ |
৫৪০ |
২২০ |
৪০২ |
৪৮ |
| 800 |
৫৯০ |
২৪০ |
৪৪২ |
৫৪ |
| ৫০০ |
৬৪০ |
২৬০ |
৪৭৬ |
৫৮ |
| ৬০০ |
৬৮০ |
২৭০ |
৫০৬ |
৬২ |
| ৭०० |
৭১০ |
২৯০ |
৫৩২ |
৬৪ |
| ৮০০ |
৭৫০ |
৩০০ |
৫৫৬ |
৬৬ |
| ৯০০ |
৭৮০ |
৩১০ |
৫৭৮ |
१० |
| ১০০০ |
৮০০ |
৩২০ |
৬০০ |
৭২ |
| ১২০০ |
৮৫০ |
৩৩০ |
৬৩৬ |
৭৮ |
| ১৪০০ |
৯০০ |
৩৪০ |
৬৭২ |
৮২ |
| ১৬০০ |
৯৪০ |
৩৫০ |
৭০২ |
৮৬ |
| ১৮০০ |
৯৮০ |
৩৬০ |
৭৩২ |
৮৮ |
| ২০০০ |
১০১০ |
৩৭০ |
৭৫৬ |
৯০ |
| ২৫০০ |
১০৯০ |
৩৮০ |
95-9 |
৯৮ |
| ৩০০০ |
১১৬০ |
৩৯০ |
৮৬৪ |
১০৪ |
| ৪০০০ |
১২৭০ |
৪২০ |
৯৪৮ |
১১৬ |
| ৫০০০ |
১৩৭০ |
৪৫০ |
১০২৬ |
১২২ |
| ৬০০০ |
১৪৬০ |
৪৭০ |
১০৯২ |
১৩০ |
| ৭০০০ |
১৫৪০ |
৪৯০ |
১১৪৬ |
১৩৬ |
| ৮০০০ |
১৬০০ |
৫০০ |
১২০০ |
১৪৪ |
| ৯০০০ |
১৬৭০ |
৫১০ |
১২৪৮ |
১৫০ |
| ১০,০০০ |
১৭৩০ |
৫২০ |
১২৯০ |
১৫৬ |
| ১২,০০০ |
১৭৫০ |
৫৪০ |
১৩৭৪ |
১৬৪ |
| ১৪০০০ |
১৭৭০ |
৫৫০ |
১৪৪৬ |
১৭৪ |
| ১৬০০০ |
১৮০০ |
৫৬০ |
১৫১২ |
১৮০ |
| ১৮০০০ |
১৮৮০ |
৫৭০ |
১৫৭২ |
১৮৮ |
| ২০০০ |
১৯৫০ |
৫৮০ |
১৬২৬ |
১৯৬ |
| ২৫০০০ |
২০০০ |
৬৩০ |
১৭৫২ |
২১০ |
| ৩০০০০ |
২০০০ |
৬৮০ |
১৮৬৬ |
২২৪ |
| ৩৫০০০ |
২০০০ |
৭২০ |
১৯৬২ |
২৩৮ |
| ৪০০০০ |
২০০০ |
৭৬০ |
২০০০ |
২৪৮ |
| ৪৫০০০ |
২০০০ |
৮০০ |
২০০০ |
২৫৮ |
| ৫০০০০ |
২০০০ |
৮৪০ |
২০০০ |
২৭০ |
| ৫৫০০০ |
২০০০ |
৮৮০ |
২০০০ |
২৮০ |
| ৬০০০০ |
২০০০ |
৯১০ |
২০০০ |
২৯০ |
| ৬৫০০০ |
২০০০ |
৯৪০ |
২০০০ |
৩০০ |
| ৭০০০০ |
২০০০ |
৯৭০ |
২০০০ |
৩১০ |
| ৭৫০০০ |
২০০০ |
১০০০ |
২০০০ |
৩২০ |
| ৮০০০০ |
২০০০ |
১০২০ |
২০০০ |
৩৩০ |
| ৮৫০০০ |
২০০০ |
১০৪০ |
২০০০ |
৩৪০ |
| ৯০০০০ |
২০০০ |
১০৬০ |
২০০০ |
৩৫০ |
| ৯৫০০০ |
২০০০ |
১০৮০ |
২০০০ |
৩৬০ |
| ১০০০০০ |
২০০০ |
১০৯০ |
২০০০ |
৩৭০ |
| ১১০০০০ |
২০০০ |
১১০০ |
২০০০ |
৩৯০ |
| ১২০০০০ |
২০০০ |
১১০০ |
২০০০ |
৪১০ |
| ১৩০০০০ |
২০০০ |
১১২০ |
২০০০ |
৪৩০ |
| ১৪০০০০ |
২০০০ |
১১৩০ |
২০০০ |
৪৫০ |
| ১৫০০০০ |
২০০০ |
১১৪০ |
২০০০ |
৪৭০ |
| ১৬০০০০ |
২০০০ |
১১৬০ |
২০০০ |
৪৯০ |
| ১৭০০০০ |
২০০০ |
১১৮০ |
২০০০ |
৫১০ |
| ১৮০০০০ |
২০০০ |
১২০০ |
২০০০ |
৫৩০ |
| ১৯০০০০ |
২০১০ |
১২১০ |
২০০০ |
৫৫০ |
| ২০০০০০ |
২০৩০ |
১২২০ |
২০০০ |
৫৭০ |
| ২১০০০০ |
২০৫৫ |
১২৪০ |
২০০০ |
৫৯০ |
| ২৩০০০০ |
২১০০ |
১২৭০ |
২০০০ |
৬৩০ |
| ২,৫০০০০ |
২১১৫ |
১৩০০ |
২০০০ |
৬৭০ |
| ২৭৫০০০ |
২২১৫ |
১৩৪০ |
২০০০ |
৭২০ |
| ৩০০০০০ |
২২৭৫ |
১৩৮০ |
২০০০ |
৭৭০ |
নোট:
(১) ঢিপি বেষ্টিত ম্যাগাজিনের ক্ষেত্রে, বিস্ফোরকের পরিমাণ ১০০০ কেজি বা তদূর্ধ্ব হইলে, উপরের সারণীতে উল্লিখিত দূরত্ব ৪০% হ্রাস করা যাইতে পারে।
(২) বিধি ৪ এ উল্লিখিত ১.৩, ১.৪ ও ১.৫ শ্রেণীর বিস্ফোরকের ক্ষেত্রে উপরের সারণীতে উল্লিখিত দূরত্ব ৫০% হ্রাস করা যাইতে পারে।

(৩) সাইসমিক জরিপ বা অনুরূপ স্বল্পকালীন ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক মজুদের ‘খ’ ধরনের ম্যাগাজিন বা পিট (Pit) ম্যাগাজিনের ক্ষেত্রে উপযুক্ত শর্তাধীনে উপরের সারণীতে উল্লিখিত দূরত্ব ৪০% হ্রাস করা যাইতে পারে।

বিবিধ তফসিলগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- বিবিধ তফসিল ১। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ২। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৩ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৪ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৫ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৬ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৮ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
বিবিধ তফসিল ৮
অস্ত্র আইনটি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার সম্পর্কিত একটি আইন। ১৮৭৮ সালের ১৫ মার্চ হতে সর্বপ্রথম এ আইনটি চালু হয়। ১৯৪৯ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সকল প্রদেশে এ আইনটি প্রবর্তিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৮ নম্বর আইন হিসেবে ২৬-৩-১৯৭১ সাল হতে সমগ্র বাংলাদেশে এ অস্ত্র আইন প্রযোজ্য হয়।
বহু রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য এ দেশের প্রত্যেক শ্রেণীর লোকের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে হয়েছিল এবং কেড়ে আনতে হয়েছিল সেই মহা মূল্যবান স্বাধীনতার সূর্য। দেশ স্বাধীনের পর হতে এদেশে অস্ত্রের প্রচলন বৃদ্ধি পায়। তাই স্বাধীনতার পর হতে এ আইনের গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়।
এ আইনে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সম্ভার প্রস্তুত, পরিবর্তন, বিক্রি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন, বহন বা দখলে রাখার বিধিবিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ আইনের সঠিক প্রয়োগের উপর নির্ভর করে দেশে আইন-শৃঙ্খলা এবং সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে উন্নতি, অগ্রগতি ও দেশের ভবিষ্যৎ। তাই এ আইন সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সকল নাগরিকের সচেতন থাকা উচিত।

১৮৭৮ সালে এ অস্ত্র ‘আইনটি প্রবর্তন হয়ে যুগের চাহিদা অনুসারে বহু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা হয়েছে। এ পুস্তকখানিতে অস্ত্র ‘আইনের সর্বশেষ সংশোধনীসহ লেখা হয়েছে। এ পুস্তকখানির একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এই যে, এতে ধারাগুলোর সংশোধিত আকারে লিপিবদ্ধ করে তার নিচে ধারার বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে ধারাওয়ারী বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
![অস্ত্র আইন শাস্তিসমূহ প্রস্তাবনা । অস্ত্র আইন, ১৮৭৮। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন [ ধারা ১৯ (ক) ]](https://bn.lawgoln.com/wp-content/uploads/2010/01/অস্ত্র-আইন-৩.jpeg)
বিধি ১৩৪ (২)]
নির্দেশাবলী
ব্লাস্টিং বিস্ফোরকের ম্যাগাজিন
লাইসেন্স নং
ম্যাগাজিন নং………
মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ…….
অনুমোদিত সর্বোচ্চ পরিমাণ……..

(১) এই ম্যাগাজিনে কেবলমাত্র ব্লাষ্টিং বিস্ফোরক, যাহার মধ্যে ডেটোনেটিং কর্ড, বুস্টার এবং সেফটি ফিউজ অন্তর্ভুক্ত, মজুদ করুন। কোন অবস্থাতেই এই ম্যাগাজিনে ডেটোনেটর আনয়ন বা মজুদ করিবেন না।
(২) ম্যাগাজিনের অভ্যন্তরভাগ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং কাকর বা বালুকণামুক্ত রাখুন।
বিবিধ তফসিলগুলো জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ
- বিবিধ তফসিল ১। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ২। বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৩ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৪ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৫ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৬ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন
- বিবিধ তফসিল ৭ । বিস্ফোরক বিধিমালা, ২০০৪ । অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইন