অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ

অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ

 

অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ

 

২১। গেইট কিপারের কর্তব্য ।-

গেইট কিপার হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী কর্মচারী, বা অন্য কোন কারা কর্মচারী, কারাগারের ভিতরে বা কারাগার হইতে বাহিরে বহনকৃত যে কোন জিনিস পরীক্ষা করিতে পারিবেন, এবং কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য কারাগারের ভিতরে বা কারাগার হইতে বাহিরে বহনের কিংবা কারাগারের কোন সম্পত্তি বাহিরে বহনের সন্দিগ্ধ ব্যক্তিকে থামাইতে ও তল্লাশী করিতে বা করাইতে পারিবেন, এবং, যদি এ ধরনের কোন দ্রব্য বা সম্পত্তি পাওয়া যায়, তাহা হইলে সঙ্গে সঙ্গে উহার সম্পর্কে জেলারকে জানাইতে হইবে।

 

২২। ছুটি ব্যতীত অধস্তন কর্মচারীগণ অনুপস্থিত থাকিবেন না।-

জেলারের অধস্তন কোন কর্মচারী সুপারিনটেন্ডেন্ট কিংবা জেলার হইতে ছুটি গ্রহণ না করিয়া কারাগারে অনুপস্থিত থাকিতে পারিবেন না ।

২৩। কয়েদী কর্মচারী ।-

 

অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ

 

যে সব বন্দীকে কারাগারের কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে দণ্ড বিধিতে উল্লেখিত অর্থ মোতাবেক তাদেরকে গণ কর্মচারী বলিয়া গণ্য করিতে হইবে।

জেলার কারাগার | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় জেলার জেলার কারাগার

জেলার

 

জেলার কারাগার

 

১৬। জেলার।-

          (১) জেলার কারাগারের ভিতরে বসবাস করিবেন, যদি না সুপারিনটেন্ডেন্ট তাহাকে অন্যত্র বসবাস করিবার লিখিত অনুমতি প্রদান করেন।

          (২) মহাপরিদর্শকের লিখিত অনুমতি ব্যতীত, জেলার অন্য কোন চাকরির সাথে যুক্ত হইতে পারিবেন না ।

১৭। জেলার বন্দীর মৃত্যুর নোটীশ প্রদান করিবেন।-

কোন বন্দীর মৃত্যু হইলে জেলার সঙ্গে সঙ্গে ইহার নোটীশ সুপারিনটেন্ডেন্ট এবং মেডিকেল সাব- অর্ডিনেটকে প্রদান করিবেন

 

১৮। জেলারের দায়িত্ব।-

জেলার ১২ ধারার অধীন রেকর্ডসমূহ,সোপর্দকরণের ওয়ারেন্টসমূহ এবং তাহার দায়িত্বে রাখা অন্যান্য দলিল, এবং বন্দীদের নিকট হইতে গৃহীত টাকা ও অন্যান্য দ্রব্যাদি নিরাপদ হেফাজতে রাখিবার জন্য দায়ী থাকিবেন।

১৯। জেলারকে রাত্রে উপস্থিত থাকিতে হইবে।-

জেলার সুপারিনটেন্ডেন্টের লিখিত অনুমতি ব্যতীত রাতের জন্য কারাগারে অনুপস্থিত থাকিতে পারিবেন না, কিন্তু, যদি অনিবার্য প্রয়োজনে তিনি ছুটি ব্যতীত কোন রাতের জন্য অনুপস্থিত থাকেন, বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে সুপারিনটেন্ডেন্টকে জানাইবেন এবং কারণ ব্যাখ্যা করিবেন।

২০। ডেপুটি এবং সহকারী জেলারের ক্ষমতা।

 

জেলার কারাগার

 

যখন কোন কারাগারে ডেপুটি জেলার বা সহকারী জেলার নিয়োগ করা হয়, তিনি সুপারিনটেন্ডেন্টের আদেশ সাপেক্ষে এই আইন বা তাহার অধীনে কোন বিধি মোতাবেক জেলারের যে কোন কাজ করিতে পারিবেন এবং জেলারের সকল দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।

মেডিকেল অফিসার | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় মেডিকেল অফিসার

মেডিকেল অফিসার

 

মেডিকেল অফিসার

১৩। মেডিকেল অফিসারের দায়িত্ব।-

সুপারিনটেন্ডেন্টের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, মেডিকেল-অফিসার কারাগারের সেনিটরী প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করিবেন এবং ৫৯ ধারার অধীনে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধান মোতাবেক অন্যান্য দায়িত্ব পালন করিবেন

১৪। কিছু বিশেষ বিষয়ে মেডিকেল অফিসার প্রতিবেদন প্রদান করিবেন। –

যখন মেডিকেল-অফিসারের বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে কারাগারের আরোপিত শৃঙ্খলা বা পরিচালনার কারণে কোন বন্দী মানসিক বা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে পারে, মেডিকেল-অফিসার কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত হইবে বলিয়া তিনি মনে করেন তাহার উল্লেখ পূর্বক বিষয়টি লিখিত ভাবে সুপারিনটেন্ডেন্টের নিকট জানাইবেন। এই রিপোর্ট, সুপারিনটেন্ডেন্টের এতদসংক্রান্ত আদেশসহ অবিলম্বে কারা মহাপরিদর্শকের নিকট অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে। 

 

 

১৫। বন্দীর মৃত্যু সংক্রান্ত রিপোর্ট।-

কোন বন্দীর মৃত্যু হইলে, সেই সম্পর্কে মেডিকেল-অফিসার অবিলম্বে একটি রেজিষ্টারে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ যতদূর সম্ভব পাওয়া যায়, রেকর্ড করিবেন :-

     (১) প্রথম কোন দিন ঐ বন্দী অসুস্থতার কথা উল্লেখ করিয়াছিল বা তাহাকে অসুস্থ হইতে দেখা গিয়াছিল,          

     (২) যে দিন মারা গিয়াছিল, সেইদিন তাহাকে যে কাজে নিয়োজিত করা হইয়াছিল, যদি দেওয়া হইয়া থাকে

     (৩) সেই দিন তাহার ডায়েট স্কেল;

     (৪) হাসপাতালে ভর্তি হইবার তারিখ;

     (৫) কোন দিন মেডিকেল-অফিসারকে বন্দীর অসুস্থতা সম্পর্কে প্রথম জানানো হইয়াছিল; 

     (৬) রোগের ধরন,

     (৭) মৃত্যুর পূর্বে মেডিকেল-অফিসার বা মেডিকেল সাব-অর্ডিনেট সর্বশেষ কখন তাহাকে দেখিয়াছিলেন,

 

মেডিকেল অফিসার

 

     (৮) বন্দী কখন মারা গিয়াছিল, এবং

     (৯) (যে ক্ষেত্রে পোস্ট মর্টেম করা হইয়াছে) মৃত্যুর পর চেহারার একটি বর্ণনা, সেই সঙ্গে, মেডিকেল-অফিসার প্রয়োজন মনে করিলে যে কোন বিশেষ মন্তব্য ।

সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দী | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দী

সুপারিনটেন্ডেন্ট

 

সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দী

 

১১। সুপারিনটেন্ডেন্ট।-

(১) মহাপরিদর্শকের আদেশ সাপেক্ষে সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দীদের শৃঙ্খলা, শ্রম, ব্যয়, শাস্তি এবং নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা করিবেন।

      (২) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুরূপ সাধারণ বা বিশেষ আদেশ সাপেক্ষে, কেন্দ্রীয় কারাগার ব্যতীত কোন কারাগারের সুপারিনটেন্ডেন্ট এই আইন বা তাহার অধীনে প্রণীত কোন বিধির সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ নয়, কারাগার বিষয়ে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের এমন সকল নির্দেশ মান্য করিবেন, এবং এই ধরনের সকল আদেশ এবং তাহার পরিপ্রেক্ষিতে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে কারা মহাপরিদর্শকের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ করিবেন।

 

১২। সুপারিনটেন্ডেন্ট যে সকল রেকর্ড রাখিবেন। –

সুপারিনটেন্ডেন্ট নিম্নোক্ত রেকর্ডসমূহ রাখিবেন বা  রাখিবার ব্যবস্থা করিবেন:-

             (১) বন্দীদের ভর্তির একটি রেজিষ্টার;

             (২) প্রত্যেক বন্দীর মুক্তির সময়ের বর্ণনা সম্বলিত একটি বই;

             (৩) কারা অপরাধের দায়ে বন্দীদেরকে আরোপিত শাস্তি অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি শাস্তি বই;

             (৪) ভিজিট কালে কারাগারের প্রশাসন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভিজিটরের কোন মতামত অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি ভিজিটর বই;

 

সুপারিনটেন্ডেন্ট বন্দী

 

             (৫) বন্দীদের নিকট হইতে গৃহীত টাকা এবং দ্রব্যাদির একটি রেকর্ড; এবং ৫৯ ধারার অধীনে প্রণীত বিধান মোতাবেক অনুরূপ অন্যান্য রেকর্ড।

কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য।

কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য।

 

কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য।

 

৮। কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের নিয়ন্ত্রণ এবং কর্তব্য।-

কোন কারাগারের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সুপারিনটেন্ডেন্টের আদেশ সমূহ মান্য করিবেন; জেলারের অধস্তন সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সুপারিনটেন্ডেন্টের অনুমোদনক্রমে জেলার যেইরূপ দায়িত্ব প্রদান করিবেন বা ৫৯ ধারার অধীনে প্রণীত বিধান মোতাবেক তাহারা দায়িত্ব পালন করিবেন।

৯। কর্মকর্তা-কর্মচারী গণের বন্দীদের সঙ্গে ব্যবসা থাকিবে না।-

কারাগারের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা তাহার বিশ্বস্ত বা নিযুক্তিয় কোন ব্যক্তি, কোন বন্দীর নিকট কোন দ্রব্য বিক্রয় বা ভাড়া প্রদান করিবেন না, বা কোন বন্দীর কোন দ্রব্য বিক্রয় বা ভাড়া প্রদান হইতে অর্জিত সুবিধা বা কোন টাকা গ্রহণ করিবেন না বা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন বন্দীর সহিত অন্যান্য ব্যবসায়িক কারবার করিবেন না ।

 

 

১০। কর্মকর্তা-কর্মচারী গণ কারাগারের ঠিকাদারীতে আগ্রহী হইবেন না।-

কারাগারের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা তাহার বিশ্বস্ত বা নিযুক্তিয় কোন ব্যক্তি, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারাগারের সরবরাহ কাজের ঠিকাদারীতে আগ্রহ প্রকাশ করিবেন না, কিংবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারাগারের বা কোন বন্দীর কোন দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হইতে কোন সুবিধা গ্রহণ করিবেন না।

 

কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কর্তব্য।

 

ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ।

ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ।

 

ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ।

 

৪। বন্দীদের আবাসন।-

সরকার বন্দীদের আবাসনের জন্য, বন্দীদের পৃথকী করণসহ এই আইনের চাহিদা অনুযায়ী কারাগার নির্মাণ এবং পরিচালনা করিবেন

৫। মহা পরিদর্শক।

বাংলাদেশের জন্যে একজন মহাপরিদর্শক নিয়োগ করিতে হইবে যিনি, সরকারের অধীনস্থ সকল কারাগারের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ এবং তত্ত্বাবধান করিবেন ।

 

৬। কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।-

প্রত্যেক কারাগারের জন্য ন্য একজন সুপারিন- টেন্ডেন্ট,একজন মেডিক্যাল অফিসার (যিনি সুপারিনটেন্ডেন্টও হইতে পারিবেন), একজন মেডিকেল সাব-অর্ডিনেট, একজন জেলার এবং সরকার যেইরূপ প্রয়োজন মনে করিবেন সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকিবে।

৭। বন্দীদের অস্থায়ী আবাসন।-

যদি মহাপরিদর্শকের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারাগারে বন্দীর সংখ্যা উহাতে সুবিধাজনক বা নিরাপদে আটক রাখার ক্ষমতা অপেক্ষা বেশী হইয়া গিয়াছে, এবং এই অতিরিক্ত বন্দীদেরকে অন্য কোন কারাগারে স্থানান্তর করা সুবিধাজনক হইবে না, অথবা যখন কোন কারাগারে মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটিয়া থাকে, বা অন্য কোন কারণে, কোন বন্দীর জন্য অস্থায়ী আশ্রয় এবং নিরাপদ হেফাজতের প্রয়োজন,

 

ব্যবস্থাপনা এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ।

 

সরকার যেইরূপ নির্দেশ প্রদান করিবেন, সেইরূপ উপায়ে অনুরূপ কর্মকর্তা কর্তৃক বন্দীদের আশ্রয় এবং নিরাপদ হেফাজতের জন্য অস্থায়ী কারাগারের ব্যবস্থা করা যাইবে, যদি বহু সংখ্যক বন্দীকে কারাগারে সুবিধাজনক ভাবে বা নিরাপদে রাখা না যায় ।

পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব |পদ্ধতি এবং হিসাব, রেজিষ্টার, ফরম প্রভৃতি

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব

পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব

 

পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব

 

বিধি-১৩২৮।

কারাগারের হিসাব সম্পূর্ণ দুটি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত হবে- উৎপাদন বিভাগ এবং সাধারণ বিভাগ। কতিপয় ফরম এবং রেকর্ড ব্যবহারের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও উভয় প্রকারের হিসাব পদ্ধতি একই প্রকারের হবে। উৎপাদন বিভাগে কাঁচামাল, উৎপাদিত দ্রব্য, উৎপাদনে ব্যবহৃত ষ্টক প্রভৃতির হিসাব রাখা হবে। অবশিষ্ট সকল হিসাব সাধারণ বিভাগ কর্তৃক সম্পাদিত হবে।

বিধি-১৩২৯।

দৈনিক বই এবং লেজার প্রত্যহ সকালে পরীক্ষা করতে হবে এবং কোন কারণেই পরে করার জন্যে ফেলে রাখা যাবে না। 

বিধি-১৩৩০।

কোন দলিল,রেজিষ্টার বা হিসাবে কাটা ছেঁড়া বা ঘষা মাজা করা যাবে না। কোন ভুল হয়ে থাকলে তা লাল কালিতে একটানে কেটে এর উপরে সঠিক লেখা লিখতে হবে এবং দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে।

বিধি-১৩৩১।

প্রত্যেক মাস শেষ হবার পরবর্তী ১৫ তারিখের মধ্যে কারা মহাপরিদর্শকের নিকট মাসিক হিসাব সমাপ্তির একটি সার্টিফিকেট ৪ নম্বর রিটার্নে প্রেরণ করতে হবে। প্রেরণের পূর্বে জেল সুপার প্রত্যেক হিসাবে স্বাক্ষর প্রদান করবেন।

বিধি-১৩৩২।

জেল সুপার প্রত্যেক বৎসরের ৩১ শে জুলাইয়ের মধ্যে বার্ষিক বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব কারা মহাপরিদর্শকের নিকট ১৮ নম্বর রিটার্নে প্রেরণ করবেন এবং কারা মহাপরিদর্শক বাজেটে কারাগারের সকল প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের সংস্থান রাখার ব্যবস্থা করবেন।

বিধি ১৩৩৩-১৩৩৪ ।

অকার্যকর।

বিধি-১৩৩৫ ।

বিক্রয় বাবত বা পাওনা আদায় বাবত মোট টাকার অংক জেলা কারাগারে পঞ্চাশ টাকা এবং কেন্দ্রীয় কারাগারে একশত টাকা হলে ট্রেজারীতে জমা রাখতে হবে। 

বিধি-১৩৩৬।

ঠিকাদারদের আর্নেস্ট মানি ট্রেজারীতে ‘রেভিনিউ জমা’ খাতে রাখতে হবে। সিকিউরিটি মানি প্রমিজারী নোট বা পোস্ট্যাল ক্যাশ সার্টিফিকেট হিসাবে রাখতে হবে।{তবে তিন মাসের মধ্যে ঠিকাদারকে টাকা ফেরত না দিতে হলে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নিরাপদে রাখতে হবে । }

নং- ২৮৫৭ এইচ জে তারিখ ২৮-৮-১৯৪১ মূলে সংযোজিত ।

বিধি-১৩৩৭।

সকল প্রকার জরুরী পেটি ব্যয় মিটানোর প্রয়োজনে সাধারণ এবং উৎপাদন বিভাগে ১০০ টাকা করে পৃথক স্থায়ী অগ্রিমের ব্যবস্থা থাকবে। এ সকল টাকা মাসের যে কোন সময় বিলের মাধ্যমে সমন্বয় করা যাবে। প্রত্যেক বছর ১৫ এপ্রিল মহা-হিসাব রক্ষকের নিকট প্রতিবেদন প্রদান করতে হবে যে জেল সুপারদের হাতে স্থায়ী অগ্রিম হিসাবে বরাদ্দকৃত টাকা মজুত আছে ।

বিধি-১৩৩৮।

কারাগারের নগদ তহবিলের নিরাপত্তার জন্যে জেলার দায়ী থাকবেন। কেন্দ্রীয় কারাগারে ডেপুটি জেল সুপার উৎপাদন বিভাগের টাকার হিসাব ও নিরাপত্তার জন্যে দায়ী থাকবেন।

বিধি-১৩৩৯ ।

খরচের খাত- বর্তমানে বাজেটের কোড ভিন্নরূপ।

বিধি-১৩৪০।

নিম্নোক্ত ব্যয়ের জন্যে কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে-অতিরিক্ত সংস্থাপন, নির্মাণ, মেরামত, নুতন অফিস আসবাবপত্র, কনজারভেন্সী বা পানি সরবরাহের প্রয়োজনে ৫০ টাকার বেশী মূল্যের লোহার পাত্র ক্রয়, জমির খাজনা, হাসপাতালের বেড, হ্যান্ডকাপ, তালা, উৎপাদন কাজের প্ল্যান্ট, বড় ধরনের যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং অন্য যে কোন ক্ষেত্রে যেখানে বাজেট বরাদ্দ ব্যয় মিটানোর জন্যে পর্যাপ্ত নয় ।

বিধি-১৩৪১।

(১) কোন ব্যয়ের অনুমোদনের জন্যে প্রস্তাবে খাত উল্লেখ করতে হবে, যদি খাতের বরাদ্দ পর্যাপ্ত না হয়, অন্য খাত থেকে উপযোজন সম্ভব কিনা তাও উল্লেখ করতে হবে।

 (২) কোন আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা অতিরিক্ত মঞ্জুরী পাবার পূর্বে কোন খাত হতে প্রাপ্ত বরাদ্দের অতিরিক্ত ব্যয় করবেন না ।

(৩) সকল সম্পাদিত ব্যয় পরিশোধ করতে হবে, পরবর্তী বৎসরের খাত হতে পরিশোধ করার উদ্দেশ্যে রেখে দেয়া যাবে না ।

বিধি-১৩৪২।

সাধারণ এবং উৎপাদন উভয় বিভাগে আনুষঙ্গিক ব্যয়ের পৃথক রেজিষ্টার রাখতে হবে ।

 

বিধি-১৩৪৩।

(১) সেবা এবং সরবরাহ গ্রহণ এবং নিষ্পত্তি হবে-

                                 (ক) নগদ লেনদেনের মাধ্যমে,

                                 (খ) আন্ত এবং অন্ত: বিভাগীয় সরবরাহ ।

 (২) হিসাব নিষ্পন্ন হবে-

                                 (ক) ট্রেজারী বিলের মাধ্যমে,

                                 (খ) আন্ত এবং অন্ত : বিভাগীয় ট্রান্সফার( বুক ট্রান্সফার)।

 বিধি-১৩৪৪।

(১) সকল প্রকার সরবরাহ ষ্টোর অর্ডার আকারে কিংবা চুক্তির ফরমে হবে।

(২) আন্ত বিভাগীয় সরবরাহ ষ্টোর অর্ডার আকারে হবে ।

(৩) নগদে বা বাকীতে সরবরাহ কারাগারের গুদামের বাহিরে ‘ষ্টোর ডেলিভারী অর্ডার’ আকারে হবে ।

(৪) আন্ত বা অন্ত: বিভাগীয় সরবরাহ ১৩৬২ (২) বিধি মোতাবেক হবে।

বিধি-১৩৪৫।

কারাগারে উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয় মূল্য বাজারে অনুরূপ দ্রব্যের বিক্রয় মূল্য অনুসারে যথা সম্ভব নির্ধারণ করতে হবে। যদি অনুরূপ বাজার মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব না হয়, তখন নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে তা নির্ধারণ করতে হবে-

(ক) কাঁচা মালের মূল্য;

(খ) আশে পাশে প্রচলিত দর অনুসারে কারাগারে যে শ্রম নিয়োজিত হয়েছে, তার মুল্য; (1) (3)

(গ) কাঁচামালের মূল্যের উপর ৫%, প্ল্যান্টের ব্যবহার মূল্য বাবদ;

(ঘ) কাঁচামাল এবং শ্রমের মূল্যের উপর ১০% লাভ- সরকারী বা পাইকারী বিক্রয়ের ক্ষেত্রে, ১৫% লাভ-খুচরা ডিলারের ক্ষেত্রে এবং ২৫% লাভ- সাধারণ ক্রেতাদের ক্ষেত্রে

(ঙ) প্যাকিং এবং অন্যান্য ব্যয় ।

কারা অধিদপ্তর এবং তার অধীনস্থ অফিসের ক্ষেত্রে কেবল মাত্র কাঁচা মালের মূল্য আদায় যোগ্য হবে।

নং- ১১০৯ এইচ জে তারিখ ১৫-৭-১৯৪৭ মূলেসংশোধিত ।

বিধি-১৩৪৬।

কোন কারা কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজের পকেট হতে কোন অগ্রিম পরিশোধ করবেন না। পেটি ব্যয় জেল সুপার স্থায়ী অগ্রিম হতে পরিশোধ করবেন । বড় অংকের পরিশোধের ক্ষেত্রে জেল সুপার নিয়ম মাফিক ট্রেজারী হতে বিলের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করবেন। ট্রেজারী হতে যে কাজের উদ্দেশ্যে টাকা উত্তোলন করা হবে, সঙ্গে সঙ্গে সে কাজে টাকা পরিশোধ করে দিতে হবে, উত্তোলিত টাকা ৪৮ ঘন্টার বেশী হাতে জমা রাখা যাবে না। আসন্ন খরচের প্রয়োজন না হলে ট্রেজারী হতে কোন টাকা উত্তোলন করা যাবে না ।

স্থায়ী অগ্রিম, বন্দীদের সম্পত্তি, উৎপাদিত দ্রব্য বিক্রয়ের টাকা এবং সম্ভাব্য পেটি ব্যয় ব্যয় ছাড়া কোন টাকা হাতে রাখা যাবে না ।

বিধি-১৩৪৭।

যদি কোন দ্রব্য ঠিকাদারের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়, তাকে কোন অগ্রিম প্রদান ব্যতীতই তা করতে হবে, তবে মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে হবে। ২৫ তারিখের পরের কোন ব্যয় পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

বিধি-১৩৪৮ ।

প্রয়োগ নেই ।

বিধি-১৩৪৯।

(১) প্রত্যেক পরিশোধের প্রাপ্তি রাখতে হবে। প্রাপ্তি সমূহ “নগদ পরিশোধের ভাউচার”-এ রাখতে হবে।

(২) প্রত্যেক খাতের খরচের জন্যে পৃথক প্রাপ্তি রাখতে হবে। বিশ টাকার অধিক পরিশোধের জন্যে রাজস্ব টিকেট প্রয়োজন হবে। (৩) প্রত্যেক নগদ পরিশোধের একটি বার্ষিক ক্রমিক নম্বর দিতে হবে।

বিধি-১৩৫০।

দুটি ক্যাশ বহি (রেজিষ্টার ৩১) সংরক্ষণ করতে হবে- একটি সাধারণ বিভাগ এবং অন্যটি উৎপাদন বিভাগের জন্যে ।

(i) { উভয় বিভাগের ক্যাশ বহি জেলার নিজে পরীক্ষা করবেন, তবে কেন্দ্রীয় কারাগারে সার্বক্ষণিক ডেপুটি সুপার থাকলে উৎপাদন বিভাগের ক্যাশ বহি তিনি পরীক্ষা করবেন। জেল সুপার দিন শেষে ক্যাশ বহির ব্যালান্স পরীক্ষা করে দেখবেন এবং বিধি ৮৫ মোতাবেক মাসের শেষে প্রত্যেক কলামের ব্যালান্স পরীক্ষা করবেন}। ক্যাশ বহি দুটি সম্পূর্ণ আলাদা হবে, এবং {কারাগারে} আগত বা কারাগার হতে ব্যয়কৃত সকল টাকা যে কোন একটি ক্যাশ বহিতে অন্ত র্ভুক্ত হবে।

সংস্থাপন এবং ব্যবস্থাপনা, বন্দীদের নগদ টাকা, সিভিল বন্দীদের ডায়েট মানি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জামানত সাধারণ ক্যাশ বহিতে এবং উৎপাদন বিভাগ সম্পর্কিত আয়-ব্যয় উৎপাদন ক্যাশ বহিতে রক্ষিত হবে।

(ii) {ক্যাশ বহিতে লিপিবদ্ধ যাবতীয় আর্থিক লেনদেন জেল সুপার কর্তৃক সত্যায়িত হবে। তবে কেন্দ্রীয় কারাগারে সার্বক্ষণিক ডেপুটি সুপার থাকলে উৎপাদন বিভাগের ক্যাশ বহি তিনি সত্যায়িত করবেন।}

নং- ১৯৪ এইচ জে তারিখ ২৬-৬-১৯৩৭, নং- ৮৫৩ এইচ জে তারিখ ১৪-৩-১৯৪১ এবং নং-

৩৪৫ এইচ জে তারিখ ২৬-২-১৯৫৮ মোতাবেক সংশোধিত ।

 

পরিচ্ছেদ ৩- হিসাব

 

বিধি১৩৫১-১৩৮৮।

ক্যাশ বই লিখন, হিসাব ও আন্ত: বিভাগীয় লেন দেন, সরবরাহ, রেলওয়ে ক্রেডিট, রেজিষ্টার, রিটার্ন এবং ফরমের তালিকা।

প্রথম খন্ড (পার্ট-II)- সাবসিডিয়ারি জেল কোড।- বর্তমানে দেশে কোন সাবসিডিয়ারি কারাগার নেই বিধায় প্রয়োগ নেই ।

পরিচ্ছেদ ২- পত্র যোগাযোগঅফিস |পদ্ধতি এবং হিসাব, রেজিষ্টার, ফরম প্রভৃতি

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় পরিচ্ছেদ – পত্র যোগাযোগ

পরিচ্ছেদ – পত্র যোগাযোগ

 

পরিচ্ছেদ ২- পত্র যোগাযোগ

 

বিধি-১৩১৬।

যোগাযোগ অনিষ্পন্ন রাখা যাবে না। কোন সরকারী পত্রের জবাব প্রদানে অহেতুক বিলম্ব গ্রহণ যোগ্য হবে না। যুক্তি সঙ্গত সময়ের মধ্যে কোন পত্রের জবাব না পাওয়া গেলে তাগিদ প্রদান করতে হবে। জরুরী ক্ষেত্রে প্রয়োজন ও অবস্থা বিবেচনা অনুযায়ী এবং সাধারণ ক্ষেত্রে পত্র প্রেরণের পর নিম্নোক্ত ভাবে তাগিদ দেয়া যেতে পারে-

                     হাই কোর্ট বিভাগ                             এক মাস পর

                     কারা মহাপরিদর্শক                         দশ দিন পর

                    অন্যান্য কারাগার প্রভৃতি                সাত দিন পর

বিধি-১৩১৭।

পত্র প্রেরণকালে প্রেরকের ঠিকানার স্থানে ব্যক্তি বা স্থানের সঠিক নাম লিখতে হবে। পত্রে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার পরিহার করতে হবে। একই পত্রে একাধিক পৃথক বিষয়ের অবতারণা করা যাবে না ।

বিধি-১৩১৮ ।

প্রয়োজনের চেয়ে বড় খাম ব্যবহার করা যাবে না। খামের উপর পত্র প্রেরণকারী দপ্তরের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদবী উল্লেখসহ অনুস্বাক্ষর করতে হবে।

 

বিধি-১৩১৯।

সকল পত্র, রিটার্নের অফিস কপি রাখতে হবে। যখন অধস্তন কোন কর্মচারী কোন আবেদন করে তা যথাযথভাবে অগ্রগামী করতে হবে এবং সে সঙ্গে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি প্রেরণ করতে হবে, যা কারা মহাপরিদর্শককে বিষয়টি নিষ্পত্তিতে সাহায্য করতে পারে ।

বিধি-১৩২০।

যখন ছাপানো ফরম ব্যবহার করা হবে, তখন যত্নের সাথে তা পূরণ করতে হবে। কোন অনুমোদন হীন শিরোনাম সংযোজন করা যাবে না এবং বিদ্যমান কোন শিরোনাম মুছে ফেলা যাবে না 

বিধি-১৩২১।

অসতর্কতা জনিত কারণে ধার্য অতিরিক্ত রেলওয়ে চার্জ দায়ী কর্মচারী থেকে আদায় করা হবে।

বিধি-১৩২২।

(১) প্রাপক কর্মকর্তার নিকট প্রেরতি পত্র গোপনীয় ধরনের না হলে খামের উপর তার পদবী উল্লেখ করতে হবে, নাম উল্লেখ করা যাবে না।

(২) গোপনীয় ধরনের পত্র দুইটি খামের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে। ভিতরের জেল কোড খামের উপর ‘গোপনীয়’ শব্দটি লেখা থাকবে এবং উপরে কেবল মাত্র প্রাপক কর্মকর্তার নাম উল্লেখ থাকবে। উপরের খামটি (১) উপ-বিধি অনুসারে লিখতে হবে।

বিধি-১৩২৩।

জেল সুপার স্থায়ী হিসাবে সংরক্ষণ যোগ্য ব্যতীত অন্যান্য পত্রের  শ্রেণী বিভাগ করবেন ।

বিধি-১৩২৪।

পত্র যোগাযোগের রেকর্ড রাখার জন্য নিম্নোক্ত বিধি অনুসরন করতে হবে-

(ক) নিম্নোক্ত রেজিষ্টার সংরক্ষণ করতে হবে:- পত্র প্রাপ্তি রেজিষ্টার (ফরম নম্বর ১৬) এবং পত্র জারী রেজিষ্টার(ফরম নম্বর ১৯)। 

(খ) গৃহীত পত্রের একটি ধারাবাহিক প্রাপ্তি নম্বর দিতে হবে। তেমনি ভাবে প্রেরিত পত্রের জন্যে ধারাবাহিক জারী নম্বর দিতে হবে।

(গ) ডাক যোগে প্রেরিত পত্রে ব্যবহৃত ডাক মাশুলের পরিমান রেজিষ্টারের মন্তব্য কলামে উল্লেখ করতে হবে। নুতন ডাক টিকেট কেনার আদেশ দেয়ার আগে জেল সুপার রেজিষ্টারের রেকর্ড অনুযায়ী ব্যবহৃত ডাক টিকেটের পরিমাণ এবং মজুত ডাক টিকেটের পরিমাণ মিলিয়ে দেখবেন।

বিধি-১৩২৫।

(ক) সকল পত্র যোগাযোগ বৎসর ভিত্তিক আলমারীতে সংরক্ষণ করতে হবে।

 

পরিচ্ছেদ ২- পত্র যোগাযোগ

বিধি ১৩২৬-১৩২৭।

প্রয়োগ নেই ।

অফিস পদ্ধতি এবং হিসাব, রেজিষ্টার, ফরম প্রভৃতি | পরিচ্ছেদ ১- সাধারণ নিয়ন্ত্রণ

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় পরিচ্ছেদ – সাধারণ নিয়ন্ত্রণ

পরিচ্ছেদ ১- সাধারণ নিয়ন্ত্রণ

 

পরিচ্ছেদ ১- সাধারণ নিয়ন্ত্রণ

 

বিধি-১৩১২।

জেল সুপারের নির্দেশ মোতাবেক সাধারণের জন্যে প্রকাশিত পত্র ব্যতীত যথাযথ কর্তৃত্বহীন কোন ব্যক্তিকে কারাগারের রেকর্ড এবং অন্যান্য চিঠিপত্র দেখতে দেয়া হবে না, সেগুলোকে গোপনীয় গণ্য করতে হবে। অনুমতি ব্যতীত অধস্তন কর্মচারী কর্তৃক কারাগারের বিষয়ে বাহিরে প্রকাশ করা বা কারাগারে অভ্যন্তরীণ বিষয় বা তার বাসিন্দাদের সম্পর্কে গাল-গল্প করা নিষেধ।

বিধি-১৩১৩।

দলিলপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ, নির্ভুলভাবে এবং সময়মত রিটার্ন দাখিল এবং কারাগারের সাধারণ তত্ত্বাবধান বিষয়ে জেলারের দায়িত্ব ২৬২ বিধিতে বর্ণিত হয়েছে।

বিধি-১৩১৪।

প্রত্যেক রেজিষ্টারের (রেজিষ্টার ১০ এবং ২ ছাড়া) ভেতরের কভারে ‘দায়িত্বের তালিকা’ নামক একটি কাগজ লাগাতে হবে যাতে রেজিষ্টারটি পরিচালনাকারীর নাম, দায়িত্ব পালন শুরু ও শেষ করার সময় উল্লেখ থাকবে। রেজিষ্টার সংরক্ষণে ত্রুটি, বিরত থাকা বা অযত্ন করার জন্যে ঐ কর্মকর্তাকে দায়ী করা হবে। রেজিষ্টার সংরক্ষণের দায়িত্ব কোন কয়েদী কর্মচারীর উপর ন্যস্ত করা যাবে না ।

 

বিধি-১৩১৫।

প্রত্যেক কারা রেজিষ্টার, রিটার্ন, চিঠিপত্র এবং রেকর্ড নিম্নোক্ত ভাবে শ্রেণী বিভাগ এবং সংরক্ষণ করতে হবে-

শ্ৰেণী                                                                    বিবরণ

(ক) যে সকল রেকর্ড স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে; {বয়সের কারণে বা পোকায় খাওয়া বা অন্য কোন কারণে সম্পূর্ণ ভাবে পাঠের বা ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে গেলে কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদনক্রমে রেকর্ড ম্যানুয়েল অনুসারে জেল সুপারের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা যাবে} ।

(খ) যে সকল রেকর্ড ১২ বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে।

(গ) যে সকল রেকর্ড ৫ বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে।

(ঘ) যে সকল রেকর্ড ২ বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে।

 

পরিচ্ছেদ ১- সাধারণ নিয়ন্ত্রণ

 

হিসাব সংক্রান্ত রেকর্ড ধ্বংস করার ক্ষেত্রে ফিন্যান্সিয়াল রুলসের পরিশিষ্ট ১৫ অনুসরণ করতে হবে । প্রত্যেক শ্রেণীর রেকর্ড আলাদা ভাবে রাখতে হবে।(ক শ্রেণীর বিনষ্টকৃত রেকর্ডের তালিকা রাখার জন্যে একটি রেজিষ্টার সংরক্ষণ করতে হবে। }

নং-২৮১৮ এইচ জে তারিখ ৫-১২-১৯৪০ মূলে সংযোজিত ।

কারাগারের পূর্ত কাজ

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কারাগারের পূর্ত কাজ

কারাগারের পূর্ত কাজ

 

কারাগারের পূর্ত কাজ

 

বিধি-১২৯৭।

(ক) কারাগারের পূর্ত কাজ নিম্নোক্ত খাতে বিভক্ত হবে-

কারাগারের পূর্ত কাজ

(খ) ‘এ’ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত হবে সকল ধরনের নুতন নির্মাণ কাজ, তা সম্পূর্ণ নুতন বা বিদ্যমান কাজের অতিরিক্ত এবং পরিবর্তিত যাই হোক। নুতন ক্রয়কৃত ভবনের মেরামত কাজ এবং পূর্বে পরিত্যক্ত ঘোষিত ভবন পুনরায় ব্যবহারের উপযুক্ত করার উদ্দেশ্যে মেরামত কাজও এই শ্রেণী ভুক্ত হবে। ভাঙ্গা হোক বা না হোক, বিদ্যমান কোন স্ট্রাকচার বা অন্য কোন কাজ প্রতিস্থাপন বা ডিজাইন পরিবর্তনের কাজও মূল কাজ হিসাবে গণ্য হবে।

অন্য সকল ক্ষেত্রে নুতন কোন কাজ “মেরামত” হিসাবে গণ্য হবে। মেরামতের মধ্যে সে সকল সাময়িক বা পেটি ধরনের কাজও অন্তর্ভুক্ত হবে, যা গণপূর্ত বিভাগের হস্তক্ষেপ ছাড়াই কারা মহাপরিদর্শক করতে পারেন।

(গ) ‘বি’ শ্রেণীর কাজ- স্পেশাল মেরামত কাজ হচ্ছে ব্যাপক ধরনের কাজ যা ত্রৈমাসিক কাজের মধ্যে পড়ে না, যেমন পুরাতন ছাদ বা মেঝে পুনরায় নুতন ভাবে করা। স্পেশাল মেরামত কাজের প্রাক্কলন অর্থ বৎসর শেষ হলেও তামাদি হয়ে যায় না, এটা নুতন কাজের মতই শেষ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। ত্রৈমাসিক মেরামত কেবল রঙ বা চুনকাম করার মত কাজই নয়, বরং বার্ষিক এবং ত্রৈমাসিক প্রাক্কলনের মাধ্যমে ঐ সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়,

এমন ধরনের কাজও এর অর্ন্তভূক্ত হবে। আকস্মিক বা পেটি মেরামত হচ্ছে সে ধরনের কাজ যা সময়ে সময়ে প্রয়োজন অনুসারে ত্রৈমাসিক মেরামতের ফাঁকে সম্পাদন করা হয়।

বিধি-১২৯৮।

সরকারের অনুমোদনক্রমে কর্মচারীদের বাসভবন নির্মাণ ব্যতীত কারা মহাপরিদর্শকের অন্যান্য পূর্ত কাজের প্রাক্কলন অনুমোদন প্রদানের ক্ষমতা ১৩০০ থেকে ১৩০২ এবং ১৩০৯ বিধিতে বর্ণিত হয়েছে। 

বিধি-১২৯৯।

ব্যয়ের প্রাক্কলন নির্বিশেষে, কর্মচারীদের আবাসিক ভবন নির্মাণ বা মেরামতের কাজের জন্যে সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন হবে । 

বিধি-১৩০০।

কারা মহাপরিদর্শক আবাসিক ভবন ব্যতীত অন্যান্য মূল কাজের ব্যয় বাবদ প্রতি ক্ষেত্রে {১,০০,০০০} টাকা পর্যন্ত প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করতে পারবেন ।

টীকা-

আর্থিক ক্ষমতা পূন:অর্পণ সংক্রান্ত অর্থ বিভাগের স্মারক নং অম/অবি/ব্য:নি:-১/ডিপি- ১/২০০০/৬৩ তারিখ ৭-৩-২০০০ এবং তদানুযায়ী জারীকৃত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্মারক নম্বর স্ম:ম:(প্র:১) বিধি-১৬/৯৮-৭০ তারিখ ২৫-১-২০০০ মোতাবেক ।

বিধি-১৩০১

{এক লক্ষ} টাকা অতিক্রম করবে না, এমন নুতন বা অতিরিক্ত কাজের জন্যে নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে-

কারা মহাপরিদর্শক বা জেল সুপারের রিকুইজিশন পাবার পর, জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী প্ল্যান এবং প্রাক্কলন প্রনয়ন করবেন। যদি রিকুইজশন কারা মহাপরিদর্শক কর্তৃক দেয়া হয়, তা হলে নির্বাহী প্রকৌশলী উক্ত প্ল্যান এবং প্রাক্কলন সরাসরি কারা মহাপরিদর্শকের নিকট প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্যে প্রেরণ করবেন। যদি রিকুইজশন জেল সুপার কর্তৃক দেয়া হয়, তা হলে কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদনের জন্যে প্রেরণের উদ্দেশ্যে নির্বাহী প্রকৌশলী উক্ত প্ল্যান এবং প্রাক্কলন জেল সুপারের নিকট পেশ করবেন।

কারা মহাপরিদর্শকের পূর্ব আদেশ ব্যতীত জেল সুপার নির্বাহী প্রকৌশলীকে কোন কাজের প্রাক্কলন তৈরীর জন্য কোন অনুরোধ জানাবেন না ।আবাসিক ভবনের প্রাক্কলন অনুমোদনের জন্যে প্রস্তাব কারা মহাপরিদর্শক তার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করবেন। তবে বাস ভবনের পরিবর্তন বা পরিবর্ধনের প্রকল্পের অনুমোদন গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

বিধি-১৩০২।

যদি কাজের ব্যয় {এক লক্ষ} টাকার বেশী হবে মর্মে প্রতীয়মান হয়, তবে প্ল্যান এবং প্রাক্কলন বিস্তারিতভাবে দাখিলের পূর্বে সরকারের প্রশাসনিক অনুমোদন প্রয়োজন হবে। নিম্নোক্ত পদ্ধতি সমূহ অনুসরণ করতে হবে-

(১) কারা মহাপরিদর্শক ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্যে এবং তাতে কি কি আবাসন ব্যবস্থার প্রয়োজন তা উল্লেখ পূর্বক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে জানাবেন ।

(২) নির্বাহী প্রকৌশলী একটি খসড়া প্লান এবং ব্যয় প্রাক্কলন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর নিকট পেশ করবেন। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী যদি পেশকৃত প্রস্তাব সঠিক মনে করেন তবে তা কারা মহাপরিদর্শকের নিকট পেশ করবেন। খসড়া প্রাক্কলন প্রাপ্তির পর কারা মহাপরিদর্শক তার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের নিকট প্রেরণ করবেন। মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করার পর কারা মহাপরিদর্শক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে বিস্তারিত প্লান এবং প্রাক্কলন প্রস্ততের জন্যে অনুরোধ জানাবেন ।

বিধি-১৩০৩।

জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী ১৩০৪ বিধিতে বর্ণিতগুলো ব্যতীত সকল মেরামত কাজ জেল সুপারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সম্পাদন করবেন। যখন প্রয়োজন হবে তখন জেল সুপার যে কোন মেরামতে কাজ সম্পাদনের জন্যে নির্বাহী প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন।

বিধি-১৩০৪।

জেল সুপার দরজা, জানালা মেরামতসহ সকল পেটি মেরামত কাজের জন্যে দায়ী থাকবেন। তিনি প্রত্যেক কক্ষে কাঁচ, অন্যান্য ফিটিংস এবং উই পোকার আক্রমন প্রভৃতি বিষয়ে ভবনের সাধারণ দেখাশুনার জন্যে জেলার বা অন্য কাউকে দায়িত্ব প্রদান করবেন। ঐ কর্মকর্তা ভবনের ভিতরে বাহিরের পরিচ্ছন্নতা, বৃষ্টির পানি নামার পাইপ এবং ভূ -উপরিস্থ ড্রেন প্রভৃতি জঞ্জাল মুক্ত রাখার ব্যাপারে লক্ষ্য রাখবেন।

জেল সুপার আনুষঙ্গিক খাত হতে এ সব কাজের জন্য ব্যয় সংস্থান করবেন। তবে গণপূর্ত বিভাগের তালিকাভুক্ত সরকারী বাস ভবনের মেরামত কাজ গণপূর্ত বিভাগ দ্বারা সম্পাদন করতে হবে।

 

বিধি-১৩০৫ ।

(ক)কোন একটি কাজ কোন কর্মকর্তা দ্বারা খণ্ড খণ্ড ভাবে সম্পাদন করা যাবে না, যে কাজের মোট ব্যয় অনুমোদন তার আর্থিক ক্ষমতার বহির্ভূত হয়।

(খ) গণপূর্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত ঐ বিভাগের তালিকাভুক্ত কোন ভবন পরিবর্ধন, পরিবর্তন, বা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না বা অনুরূপ ভবনের পাশে কোন নুতন ভবন উত্তোলন করা যাবে না।

(গ) সরকারী জমিতে কোন মাজার, তীর্থস্থান বা অনুরূপ কোন স্মৃতি চিহ্ন স্থাপন করা নিষিদ্ধ; কারাগারের সীমানার মধ্যে কোন অবৈধ স্থাপনা বা দখলের ঘটনা সম্পর্কে জেলার সঙ্গে সঙ্গে জেল সুপারকে জানাবেন ।

(ঘ) স্থায়ী কোন ভবনের কমপক্ষে ৫০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে ছন বা গোলপাতা প্রভৃতি দাহ্য উপাদানের ছানি দেয়া নুতন ভবন বানানো যাবে না । 

(ঙ) কোন কাজ আরম্ভ করা যাবে না, যে পর্যন্ত তার অনুমোদন না পাওয়া যায়, তহবিল বরাদ্দ না হয় এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কার্যাদেশ জারী না হয়। জরুরী বা অপরিহার্য কোন প্রয়োজন সম্পর্কে নির্বাহী প্রকৌশলীকে লিখিত  অনুরোধ জানানো যেতে পারে, সে ক্ষেত্রে নির্বাহী প্রকৌশলী তার নিজের দায়িত্বে কাজ করবেন ।

(চ) প্রকৃত প্রয়োজনে কাজ শুরু বা শেষের সাত দিনের বেশী ঠিকাদারকে কারাগারে মালামাল মজুদ রাখার অনুমতি দেয়া যাবে না ।

(ছ) নির্বাহী প্রকৌশলী দৃষ্টি রাখবেন যেন কোন কাজে অহেতুক বিলম্ব না হয়। 

(জ) নির্বাহী প্রকৌশলী তার বিভাগের ভবন সংরক্ষণে এবং অবৈধ দখল রোধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দায়ী থাকবেন ।

বিধি-১৩০৬।

প্রয়োগ নেই ।

বিধি-১৩০৭।

যদি কাজের তহবিল গণপূর্ত বিভাগের বাজেটে বরাদ্দ করা হয়,তা হলে বিধি মোতাবেক গণপূর্ত বিভাগ কর্তৃক কাজ করা হবে। কাজ নিম্নোক্ত বিধান অনুসারে করা হবে-

(ক)-(ছ) । প্রয়োগ নেই ।

(জ) ভবন নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ ভাবে নির্বাহী প্রকৌশলী বা তার অধস্তন কর্মকর্তার একক কর্তৃত্বাধীন থাকবে, কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কোন হস্ত ক্ষেপ থাকবে না। কাজ কম হওয়া, কাজ খারাপ হওয়া, জিনিসপত্র ও সরঞ্জাম নষ্ট করা, মালামালের অপচয় প্রভৃতি বিষয়ে প্রকৌশলীর প্রতিবেদন জেল সুপার কর্তৃক চূড়ান্ত বলে বিবেচিত এবং গৃহীত হবে ।

(ঝ)-(ট)। প্রয়োগ নেই ।

বিধি-১৩০৮ ।

প্রয়োগ নেই ।

বিধি-১৩০৯।

বিধি ১৩০১ অনুসারে কারা মহাপরিদর্শক অনুমোদিত অনধিক {৫০০০} টাকার মাইনর কাজ বা পরিবর্তন বা সংযোজন কাজের আদেশ পাওয়া গেলে কারা সংস্থাপন তা বাস্তবায়ন করবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিধিসমূহ অনুসরণ করতে হবে-

(ক) প্রাক্কলন কারা মহাপরিদর্শক কর্তৃক পূর্ব অনুমোদিত না হলে এবং স্থানীয় গণপূর্ত বিভাগ কর্তৃক ১৩০১ মোতাবেক কাজটি অনুমোদিত না হলে এই বিধি সমূহের অধীনে কোন কাজ বাস্তবায়ন করা যাবে না ।

(খ) যদি কাজটি সহজ এবং সাধারণ মানের না হয়,তবে স্থানীয় গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তার পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। 

(গ) প্রাক্কলনে কাজের উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য ব্যয় সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। 

(ঘ) পূর্ত কাজের নিয়মতান্ত্রিক প্রাক্কলন প্রয়োজন নেই, তবে ব্যয় ২০০ টাকার বেশী হলে কাজের পূর্ণ বর্ণনা দিতে হবে।

(ঙ) প্রাক্কলন তৈরী করার জন্য জেল ফরম ৫৯ ব্যবহার করতে হবে। সশ্রম বন্দীদেরকে কাজে লাগানো হলে তার বিবরণ এবং কাঁচামাল প্রভৃতির ব্যয় সহ কাজের পূর্ণ ব্যয়ের বর্ণনা থাকতে হবে এবং তা {৫০০০} টাকার বেশী হবে না ।

(চ) কাজের প্রাক্কলন মঞ্জুরীর জন্যে গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর নিকট প্রেরণ করতে হবে ।

(ছ) গণপূর্ত বিভাগের তালিকাভুক্ত কোন ভবন উক্ত বিভাগের অনুমতি গ্রহণ না করে ভাঙা যাবে না ।

জ) কোন মৌলিক বা ব্যাপক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে ।

(ঝ) যদি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজ সম্পর্কে কোন মন্তব্য বা তথ্য প্রদান করা প্রয়োজন মনে করেন,তবে তিনি জেল সুপারকে তা প্রদান করতে পারবেন।

(ঞ) কারাগারের কোন কাজে গণপূর্ত বিভাগের প্রয়োজন না হলে পুরাতন ভাঙ্গা মালামাল ব্যবহার করা যাবে। 

(ট) জেল সুপার ফিন্যান্সিয়াল রুল-১৫৬ মোতাবেক হিসাব রক্ষণ অফিসে বিল দাখিল করবেন এবং তহবিল উত্তোলন করবেন।

নং- ৪৪৩৬ (৫৫) এফ বি, তারিখ ৫-৫-১৯৪১ মোতাবেক সংশোধিত ।

বিধি-১৩১০।

গণপূর্ত বিভাগের তালিকাভুক্ত নয়,কারা সংস্থাপন কর্তৃক নির্মিত এমন কোন ভবন ধ্বংসপ্রাপ্ত বা খসিয়া পড়ার উপক্রম হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা পূর্বক ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রদান করার জন্যে গণপূর্ত বিভাগকে দায়িত্ব প্রদান করতে হবে। নির্বাহী প্রকৌশলীর অধীনে অনুরূপ উদ্দেশ্যে ন্যস্ত ভবন সমূহের একটি তালিকা প্রেরণ করতে হবে।

 

কারাগারের পূর্ত কাজ

 

বিধি-১৩১১।

কোন নির্দিষ্ট কারাগারের নামে ‘পেটি নির্মাণ’ এবং ‘মেরামত’ খাতে কোন বরাদ্দ দেয়া যাবে না; কোন কাজ করতে হলে কারা মহাপরিদর্শক তার অধীনস্থ বরাদ্দ থেকে অনুমোদন প্রদান করবেন।

Law Class Online, Free Online Law Courses, Law Classes in High School, Law Classes in College, International Law Class