Category Archives: আপডেট

আপডেট

জামিন পেলেন ইমরান খান | সারা সপ্তাহের খবর 

জামিন পেলেন ইমরান খান -খবর দিয়ে শুরু করছি আইন গুরুকুল এর নিউজ আপডেট । আমরা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো  সংকলন করে আপনাদের সামনে নিয়ে আসছি। যারা নিয়মিত সংবাদপত্র বা অন্য মাধ্যমের খবরগুলোতে চোখ রাখার সময় পান না। তাদেরকে এই আয়োজনটি হালনাগাদ থাকতে সাহায্য করবে।

সারা সপ্তাহের খবর

জামিন পেলেন ইমরান খান

 

জামিন পেলেন ইমরান খান | সারা সপ্তাহের খবর 

 

আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় জামিন পেয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দুই সদস্যের ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বেঞ্চ ২১ মে শুক্রবার পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রধান ইমরান খানের দুই সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেছেন। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ইমরানের গ্রেপ্তারকে ‘অবৈধ ও বেআইনি’ ঘোষণার পরদিন হাইকোর্টের এই আদেশ এল।

এবার ইমরানের দলের ভাইস চেয়ারম্যান কুরেশি গ্রেপ্তার

এবার পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কুরেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে কুরেশিকে গ্রেপ্তার করে ইসলামাবাদ পুলিশ। পুলিশ সূত্র জানায়, তাঁকে জনশৃঙ্খলা রক্ষা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলেই কুরেশিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করেছিল পুলিশ। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়। তবে ভোরে তাঁকে তাঁর ইসলামাবাদের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় তারা।

বাঘারপাড়ার ৪ আসামির রায় যে কোনো দিন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যশোরের বাঘারপাড়ার মো. আমজাদ হোসেন মোল্লাসহ চার আসামির রায় যে কোনো দিন ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার (১১ মে) এ মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

 

মাকে কুপিয়ে-পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মা আমেনা বেগম ওরফে ভেলবা আক্তারকে (৬০) কুপিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার দায়ে রেদওয়ান হোসেন মিলন (২৩) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।  

শেখ হাসিনার বহরে হামলা: ৬ আসামির হাইকোর্টে জামিন 

২০০২ সালে সাতক্ষীরায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার মামলায় চার বছরের দণ্ডিত ছয় আসামিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১০ মে) বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের এক বছরের জামিন দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী গাজী মহসীন ও শাহানারা পারভীন বকুল।

সাংবাদিকের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ১২ বছর পর কনস্টেবলের সাজা

নড়াইলের এক সাংবাদিকের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করায় দায়ে পুলিশ কনস্টেবল মো. রবিউল ইসলাম ও নিপা খানম দম্পতিকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১১ মে) বিকেলে নড়াইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিন এ রায় দেন। পুলিশ কনস্টেবল রবিউল ইসলাম বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় কর্মরত। তার বাড়ি লোহাগড়া উপজেলার সারুলিয়া গ্রামে।

গ্রেপ্তারের সময় আমার মাথায় আঘাত করা হয়েছিল: ইমরান খান

 

জামিন পেলেন ইমরান খান | সারা সপ্তাহের খবর 

 

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, গ্রেপ্তার করার পর তাঁর সঙ্গে ভালো আচরণ করেছেন তদন্তকারী সংস্থা পাকিস্তানের জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরো—ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরোর (এনএবি) সদস্যরা। তবে গ্রেপ্তার করার সময় তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়েছিল। শুক্রবার ইসলামাবাদ হাইকোর্টের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের চেয়ারম্যান ইমরান খান। আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় তাঁর দুই সপ্তাহের জামিন দিয়েছেন ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। ওই জামিন শুনানির জন্য এই আদালতে হাজির ছিলেন ইমরান খান।

ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের বিচারে আইন সংশোধন প্রক্রিয়া চলছে: আইনমন্ত্রী | সারা সপ্তাহের খবর 

ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের বিচারে আইন সংশোধন প্রক্রিয়া চলছে: আইনমন্ত্রী -খবর দিয়ে শুরু করছি আইন গুরুকুল এর নিউজ আপডেট । আমরা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো  সংকলন করে আপনাদের সামনে নিয়ে আসছি। যারা নিয়মিত সংবাদপত্র বা অন্য মাধ্যমের খবরগুলোতে চোখ রাখার সময় পান না। তাদেরকে এই আয়োজনটি হালনাগাদ থাকতে সাহায্য করবে।

সারা সপ্তাহের খবর

ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের বিচারে আইন সংশোধন প্রক্রিয়া চলছে: আইনমন্ত্রী

 

ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের বিচারে আইন সংশোধন প্রক্রিয়া চলছে: আইনমন্ত্রী | সারা সপ্তাহের খবর 

 

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দল হিসেবে মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগে জামায়াত ইসলামীর বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধেনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার (৬ মে) রাজধানীর বিচার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সিনিয়র সহকারী জজদের ১৪৮তম রিফ্রেশার কোর্সের উদ্ধোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিচারপতি জয়নুলের জামিন, ছেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীন। বুধবার (৩ মে)  ঢাকার মহানগর বিশেষ জজ আাদালতের বিচারক মো. বদরুল আলম ভূঞার আদালত এ আদেশ দেন। তবে তার ছেলে মো. ফয়সাল আবেদীন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

৫ মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি নীরবের জামিন

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবকে নাশকতার পাঁচ মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (৩ মে) বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের হাইকোর্ট তাকে পৃথক আবেদনে জামিন দেন। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

বিএনপি নেতা দুলুর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দই থাকবে

 বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস দুলুর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের জব্দ করা ব্যাংক হিসাব খুলে দেওয়া প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (০৩ মে) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

 

বিএনপির হামলায় আওয়ামীপন্থী আইনজীবী আহত

ভোট নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভের সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে বিএনপিন্থী আইনজীবীদের হামলায় আহত হয়েছেন আওয়ামীপন্থী এক আইনজীবী। বুধবার (৩ মে) দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সম্পাদকের কক্ষের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত আইনজীবী আতাউর রহমান আওয়ামী লীগের পল্লবী থানার আইন বিষয়ক সম্পাদক বলে জানা গেছে।

টিপু-প্রীতি হত্যায় জামিন বাতিল

রাজধানীর শাহজাহানপুরে মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরিন প্রীতি হত্যা মামলার তিন আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (০৩ মে) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালত এ আদেশ দেন। তিন আসামি হলেন—মারুফ খান, মাহাবুব রহমান টিটু ও মারুফ রেজা সাগর।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হবে না

 

ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের বিচারে আইন সংশোধন প্রক্রিয়া চলছে: আইনমন্ত্রী | সারা সপ্তাহের খবর 

 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। একইসঙ্গে আইনটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের জন্য নয়, বরং সাইবার অপরাধ দমনের জন্য করা হয়েছে বলে জানান তিনি। বুধবার (৩ মে) দুপুরে রাজধারীর ধানমন্ডি মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) হলরুমে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  

৫ মামলায় হাইকোর্টে মামুনুল হকের জামিন

২০১৩ ও ২০২১ সালে ঢাকার পল্টন ও চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় দায়ের করা পাঁচটি মামলায় হেফাজতে ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল মঞ্জুর করে বুধবার (৩ মে) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এক নজরে বিঘা, কাঠা, একর, শতক ও মেট্রিক একক রূপান্তর সূত্র

ভূমি বা জমাজমির পরিমাপ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জমি কেনা-বেচা, নামজারি, দলিল, খতিয়ান, কিংবা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত যেকোনো কাজে জমির পরিমাপের সঠিক হিসাব জানা না থাকলে প্রতারণার শিকার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই আপনি পেশাদার সার্ভেয়ার না হলেও বিঘা, কাঠা, শতক, একর, বর্গফুট ও বর্গমিটার—এই এককগুলোর মৌলিক সূত্র জানা অত্যন্ত জরুরি।

নিচে বাংলাদেশে প্রচলিত ভূমি পরিমাপের প্রয়োজনীয় সূত্রগুলো এক নজরে দেওয়া হলো।

এক নজরে বিঘা কাঠা, একর, শতক সূত্র

 

এক নজরে বিঘা কাঠা, একর, শতক সূত্র

 

একর ও শতক (Square Meter ভিত্তিক)

  • ১ চেইন = ২০.১২ মিটার
  • ১০ বর্গচেইন = ১ একর
  • ১ একর = ৪০৪৭ বর্গমিটার
  • ১ একর = ১০০ শতক
  • ১ শতক = ৪০.৪৭ বর্গমিটার

বিঘা ও কাঠার মৌলিক সূত্র

  • ১ বিঘা = ২০ কাঠা
  • ১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
  • ১ বিঘা = ৩৩ শতক (প্রায়)
  • ১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট
  • ১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
  • ১ বিঘা = ১৩৩৮ বর্গমিটার
  • ১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিংক

বর্গহাত হিসাবে

  • ১ বিঘা (২০ কাঠা) = ৬৪০০ বর্গহাত
  • ১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
  • ১ ছটাক = ২০ বর্গহাত

প্রচলিত ভাঙন একক

  • ৪ কাক = ১ কড়া
  • ৪ কড়া = ১ গণ্ডা
  • ২০ গণ্ডা = ১ ছটাক
  • ১৬ ছটাক = ১ কাঠা
  • ২০ কাঠা = ১ বিঘা
  • ১ বিঘা = ১০২,৪০০ কাক

রৈখিক পরিমাপ (হাত ভিত্তিক)

  • ১ কাঠা = ৪ হাত
  • ১ ছটাক = ০.২৫ হাত
  • ১ গণ্ডা = ০.০১২৫ হাত
  • ১ কড়া = ০.০০৩১ হাত
  • ১ কাক = ০.০০০৭ হাত

বর্গফুট হিসাবে

  • ১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট
  • ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট
  • ১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট

বর্গগজ হিসাবে

  • ১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
  • ১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ
  • ১ ছটাক = ৫ বর্গগজ

বর্গমিটার হিসাবে

  • ১ বিঘা = ১৩৩৮ বর্গমিটার
  • ১ কাঠা = ৬৬.৯ বর্গমিটার
  • ১ ছটাক = ৪.১৮ বর্গমিটার

হেক্টর ও এয়ার রূপান্তর

  • ১ হেক্টর = ১০,০০০ বর্গমিটার
  • ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
  • ১ হেক্টর = ৭.৪৭ বিঘা
  • ১ হেক্টর = ১০০ এয়ার
  • ১ এয়ার ≈ ২৪.৯ বিঘা

দৈর্ঘ্য রূপান্তর

  • ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
  • ১ মিটার = ৩.২৮ ফুট
  • ১ মিটার = ১.০৯ গজ

 

এক নজরে বিঘা কাঠার সূত্র

 

এই রূপান্তর সূত্রগুলো জানা থাকলে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সময়, দলিল লেখার সময় কিংবা নামজারি ও জরিপ সংক্রান্ত কাজে আপনি সহজেই সঠিক হিসাব করতে পারবেন এবং প্রতারণা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। ভূমি বিষয়ে সচেতন থাকাই আপনার সম্পদের নিরাপত্তার প্রথম ধাপ।

ভূমির পরিমাণ পদ্ধতি

ভূমির পরিমাণ পদ্ধতি নিয়ে আজকের আলোচনা। ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিলাদি লিখন, সরকারি হিসাব ও অফিসের কাজ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে ভূমির পরিমাপ হলো:

ভূমির পরিমাণ পদ্ধতি

ভূমির পরিমাণ পদ্ধতি

ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিলাদি লিখন, সরকারি হিসাব ও অফিসের কাজ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে ভূমির পরিমাপ হলো:
(১) ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক
(২) কাঠা,
(৩) বিঘা এবং
(৪) একর
এই পরিমাপ সর্ব এলাকায় সর্বজন গৃহীত। এটা “সরকারি মান”( Standerd Measurement) বলে পরিচিত।

উক্ত পরিমাপের কতিপয় নিম্নে প্রদান করা হলোঃ
ইঞ্চি, ফুট ও গজঃ
১২” ইঞ্চি = ১ ফুট
৩ ফুট= ১ গজ
(৩) ভূমি যে কোন সাইজের কেন ভূমির দের্ঘ্য ও প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা ১.০০ একর (এক একর) হবে।
যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০ গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ।

 

ভূমির পরিমাণ পদ্ধতি

 

গান্টার শিকল জরীপঃ

ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসী বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্যে ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল। আমাদের দেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। একর, শতক এবং মাইলষ্টোন বসানোর জন্য গান্টার শিকল অত্যন্ত উপযোগী। এই শিকলের দৈর্ঘ্য ২০.৩১ মিটার (প্রায়) বা ৬৬ ফুট।

গান্টার শিকল ভূমি পরিমাপের সুবিধার্থে একে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয় থাকে। এর প্রতিটি ভাগকে লিঙ্ক বা জরীপ বা কড়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

প্রতি এক লিঙ্ক = ৭.৯২ ইঞ্চি
দৈর্ঘ্য ১০ চেইন ×প্রস্থে ১ চেইন = ১০ বর্গ চেইন = ১ একর
গান্টার শিকলে ১০ লিঙ্ক বা ৭৯.২ ইঞ্চি পর পর নস বা ফুলি স্থাপন করা হয় (নস ফুলি)
২০ লিঙ্ক বা ১৫৮.৪ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-
৩০ লিঙ্ক বা ২৩৭.৩ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-

আমাদের দেশে জমি-জমা মাপ ঝোকের সময় চেইনের সাথে ফিতাও ব্যবহার করা হয় সরকারি ভাবে ভূমি মাপার সময় চেইন ব্যবহার করা হয় এবং আমিন সার্ভেয়ার ইত্যাদি ব্যাক্তিগণ ভূমি মাপার সময় ফিতা ব্যবহার করেন ভূমির পরিমান বেশি হলে চেইন এবং কম হলে ফিতা ব্যবহার করাই বেশি সুবিধাজনকবিভিন্ন প্রকারের আঞ্চলিক পরিমাপ।

 

কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি অঞ্চলে ভেদে পরিমাপ:

আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রকারের মাপ ঝোক প্রচলিত রয়েছে এগুলো হলো কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি অঞ্চলে ভেদে এই পরিমাপগুলো আয়তন বিভিন্ন রকমের হয়ে তাকে বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমির পরিমাপ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হলেও সরকারি ভাবে ভূমির পরিমাপ একর, শতক পদ্ধতিতে করা হয় সারাদেশে একর শতকের হিসাব সমান

কানিঃ

কানি দুই প্রকার যথা-

(ক) কাচ্চা কানি
(খ) সাই কানি

 

মৌজা:

ভূমি জরিপের ভৌগলিক ইউনিটকে মৌজা রাজস্ব নির্ধারণ এবং রাজস্ব আদায়ের জন্য এক ইউনিট জমির ভৌগোলিক আভিব্যক্তি হলো মৌজা একটি মৌজা আনুমানিক ভাবে একটি গ্রামের সমান বা এর চেয়ে কিছুটা ছোট-বড় হয় ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভের(CS) সময়ে এক একটি মৌজা এলাকাকে পৃথকভাবে পরিচিতি নম্বর নম্বর দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। বাংলাদেশে মোট মৌজার সংখ্যা হচ্ছে ৬৯,৯৯০ টিদাগ নম্বর।

একটি মৌজার বিভিন্ন মালিকের বা একই মালিকের বিভিন্ন শ্রেণিভূক্ত জমিকে নকশায় যে পৃথক পরিচিতি নম্বর দ্বারা চিহ্নিত করা হয় তাকে দাগ বলে মৌজা মাপের উত্তর-পশ্চিম কোন থেকে দাগ নম্বর প্রদান শুরু হয় এব দক্ষিন-পূর্ব কোনে এসে শেষ হয়।

 

দাখিলা:

ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের পর তহসিল অফিস হতে ভূমি মালিককে যে রশিদ দেয়া হয় তাকে দাখিলা বলে।

 

পর্চা:

জরিপের খানাপুরি স্তর পযন্ত কাজ শেষ করে খসড়া খতিয়ান প্রস্তুত করে এর অনুলিপি মালিকের নিকট বিলি করা হয় খতিয়ানের এই অনুরিপি ‘পর্চা’ নামে পরিচিত।

 

খতিয়ান:

একটি মৌজায় এক বা একাধিক ভূমি মালিকানার বিবরণ তথা ভূমির পরিমান, শ্রেণি,হিস্যা ইত্যাদি যে পৃথক পরিচিতি নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

হাল খতিয়ান:

কোন এলাকার সর্বশেষ জরিপে খতিয়ানের রেকর্ড প্রস্তুত হওয়ার পর সরকার দ্বারা বিঙ্গপ্তির মাধ্যমে ঘোষিত হয়ে বর্তমানে চালু আছে এমন খতিয়ানকে হাল খতিয়ান বলে

সাবেক খতিয়ান:

হাল খতিয়ানের পূর্ব পযন্ত চালু খতিয়ানকে সাবেক খতিয়ান বলে,যা বর্তমানে চালু নেই তবে এর গুরুত্ব অনেক বিধায় এর সংরক্ষন দরকার
সিএস খতিয়ান: সিএস খতিয়ানের পূর্ণরুপ Cadastral Survey (দেশব্যাপি জরিপ) খতিয়ান ১৯১০-১৯২০ সালে জরিপ করে এই খতিয়ান তৈরী করা হয়েছিল।

এস এ খতিয়ান:

এসএ খতিয়ান এর পূর্নরুপ State Acquisition (রাষ্ট্রকতৃক অর্জন) খতিয়ান টেস্ট একুইজিশন এন্ড টেনেন্সি আইন প্রণয়ন করে ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত করা হয় জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের পর যে খতিয়ান তৈরী করা হয় তাকে বলে এসএ খতিয়ান ১৯৫৬ সালের জরিপে এ খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।

আরএস খতিয়ান:

আরএস-এর অর্থ হলো Revisional Settlement বা সংশোধণী জরিপ এসএ খতিয়ানের পর ঐ আইনের ১৪৪ ধারা অনুসারে যে খতিয়ান প্রকাশিত হয় (বা হবে) তাকে আর এস খাতয়য়ান বলে।

হোল্ডিং নম্বার:

খতিয়ান শব্দের অর্থ যা হোল্ডিং শব্দের অর্থ তাই ১৯৫০ সালে State Acquisition(SA) আইন অনুসারে ‘হোল্ডিং’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

ভূমি অধিগ্রহন:

কোন স্থবর সম্পত্তি সরকারী প্রয়োজনে বা জনস্বার্থে আবশ্যক হলে উক্ত সম্পত্তি জেলা প্রসাসক কতৃক বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহনের বিধান ভূমি অধিগ্রহন নামে পরিচিত।

 

অর্পিত সম্পত্তি:

১৯৫৬ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় যেসব পাকিস্থনি নাগরিক দেশ ছেড়ে ভারকে গমন করে পাকিস্থান প্রতিরক্ষা সার্ভিস কতৃক বিধি মোতাবেক তাদের শত্রু বলে ঘোসণা করা হয় এবং তাদের এদেশে রেখে যাওযা সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি বলে ১৯৭৪ সালে উক্ত সম্পুত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি নামকরণ করা হয়
জমির পরিমাপ:-কোন অজানা কারনে বাংলাদেশে ভূমি সংক্রান্ত যে কোন কাজই কঠিন ও পেঁচানো এক্ষেত্রে আরেকটি সমস্যা হল দেশের একেক জাইগায় একেক পরিমানগত ভিত্তির উপর নির্ভর করে ভূমি পরিমাপ করা হয় তবে সর্বজজৱনগ্রাহ এ সরকার ঘোষিত পরিমান পদ্ধাতি নিচে উটস্থাপন করা হয়।

 

ভূমি পরিমপ করা হয়:

ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিলাদি লিখন, সরকারি হিসাব ও অফিসের কাজ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে ভূমির পরিমাপ হলো:

ক. ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক,
খ. কাঠা,
গ. বিঘা ও
ঘ. এককের ভিত্তিতেভূমি যদি দৈর্ঘ্য-প্রস্থে ৪৮৪০ বর্গগজ হয়, তাহলে ১ একর হবে যেমন: দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০*২২ গজ=৪৮৪০ বর্গগজ বা এক একর। একরএই পরিমাপ সর্ব এলাকায় সর্বজন গৃহীত। এটা “সরকারি মান” ( Standard Measurement) বলে পরিচিত।

 

একর শতকে ভূমির পরিমাপ:

(১) ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক

(২) কাঠা,

(৩) বিঘা এবং

(৪)  ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক।

 

ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক:

১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতাংশ =১০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা = ২১৭৮ বর্গফুট
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা = ৪৩৫৬ বর্গফুট
১০০ শতাংশ = ১ একর =৪৩৫৬০ বর্গফুট

 

কাঠা পরিমাপঃ

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট/৭২১.৪৬ বর্গফুট
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ/৮০.১৬ বর্গগজ
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০.৫ কাঠা =১ একর।

 

একরের পরিমাপঃ

১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

 

বিঘা পরিমাপঃ

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট /১৪৫২০বর্গফুট
১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ/১৬১৩ বর্গগজ
১ বিঘা = ২০ কাঠা
৩ বিঘা ৮ ছটাক = ১.০০ একর।

 

লিঙ্ক পরিমাপঃ

১লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি /৭.৯২ ইঞ্চি
১লিঙ্ক =০.৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল
১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক
১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর

 

কানি একর শতকে ভূমির পরিমাপ:

১ কানি = ২০ গন্ডা
১ গন্ডা = ২ শতক
১ শতক =২ কড়া
১ কড়া = ৩ কন্ট
১ কন্ট = ২০ তিল

 

ফুট এর হিসাব:

১ কানি = ১৭২৮০ বগফুট
১ গন্ডা = ৮৬৪ বফু
১ শতক= ৪৩২ বফু
১ কড়া = ২১৬ বফু
১ কন্ট = ৭২ বফু
১ তিল= ৩.৬ বফুবর্গগজ

 

বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ

৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর
১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা
১৪৫২০বর্গফুট = ১ বিঘা
৪৮.৪০ বর্গগজ = ০১ শতাংশ
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ
৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা
৭২১.৪৬ বর্গফুট = ১ কাঠা
৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক
৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা
২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা
১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই)

এবার আপনি নিজেই হিসাব করে দেখুন আপনার ক্রয়কৃত বা পৈত্রিক জায়গা-জমি বা ফ্ল্যাটের আয়তন কত?

নিন্মে কিছু সব সময় আলোচনা হয় এমন জমি বা ফ্ল্যাটের আয়তন বা পরিমাপ সর্ম্পকে ধারনা দেওয়া হলোঃ-

১. একটি ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ স্কয়ার বর্গফুট
২. একটি ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ স্কয়ার বর্গফুট
৩. একটি ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ স্কয়ার বর্গফুটএখন আপনি ভেবে দেখুন আপনি কত স্কয়ার বর্গফুটের বাসা তৈরী করবেন বর্তমানে রাজউক ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরের ইমারত নিমার্ণ আইনে প্রায় এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় তাহলে এই এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রেখে আপনি যে প্লট কিনেছেন তাতে কত স্কয়ার বর্গফুটের একটি বাড়ী তৈরী করা যাবে তা ভেবে দেখুন অর্থাৎ আপনি ৩ কাঠার প্লটে ১৪৪০ স্কয়ার বর্গফুটের বাড়ী করে বাকী ৭২০ স্কয়ার বর্গফুট জায়গা খালি রাখতে হবে বাড়ীর চারপাশে ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্যধরুন বর্তমানে যারা ফ্ল্যাট কেনেন তাদের ক্ষেত্রে-

যেমন:-
১. ৯০০ স্কয়ার বর্গফুটের ফ্ল্যাটে সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামানে, সাইডে, পিছনের জায়গা বাদ দিয়ে টিকবে ৬০০ থেকে ৬৫০ স্কয়ার বর্গফুট
২. ১২০০ স্কয়ার বর্গফুটের ফ্ল্যাটে সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামানে, সাইডে, পিছনের জায়গা বাদ দিয়ে টিকবে ৭৮০ থেকে ৮৫০ স্কয়ার বর্গফুট৩. ১৬০০ স্কয়ার বর্গফুটের ফ্ল্যাটে সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামানে, সাইডে, পিছনের জায়গা বাদ দিয়ে টিকবে ১২০০ থেকে ১২৫০ স্কয়ার বর্গফুট।

 

সরকারি ভূমি সেবা বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান:

– রেকর্ডরুম হতে কি কি সেবা প্রদান করা হয় ?

উত্তরঃ রেকর্ডরুম হতে সি.এস, পেটি, এস.এ , আর.এস পর্চার সত্যায়িত অনুলিপি, নক্শার মুদ্রিত কপি এবং নির্বাহী কোর্টের অবিকল সত্যায়িত অনুলিপি প্রদান করা হয়

– সাধারণ ও জরুরী পর্চা/নক্শা কত দিনে সরবরাহ করা হয় ?

উত্তরঃ সাধারণ ও জরুরী পর্চা/নক্শা ৭ কার্য দিবস এবং জরুরী নক্শা/পর্চা ৩ কার্য দিবসে সরবরাহ করা হয়।

– প্রশ্নঃ জরুরী পর্চা/নক্শা ও সাধারণ পর্চা/নক্শায় কত টাকার কোর্ট ফি জমা দিতে হয় ?

উত্তরঃ জরুরী পর্চার ক্ষেত্রে খতিয়ান প্রতি (১৬+২)= ১৮/- টাকার কোর্ট ফি এবং সাধারণ পর্চার ক্ষেত্রে খতিয়ান প্রতি (৮+১)= ৯/- টাকার কোর্ট ফি জমা দিতে হয়। মুদ্রিত নক্শা জরুরী ১০/- টাকার কোর্ট ফি এবং সাধারণ ৫/- টাকার কোর্ট ফি আবেদনের সাথে জমাসহ চালানের মাধ্যমে নক্শা প্রতি ৩৫০/- টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হয়কালেক্টরেট রেকর্ডরুম থেকে পর্চার (খতিয়ান) জাবেদা নকল/অন্যান্য সার্টিফাইড কপি ও মৌজা ম্যাপ সরবরাহের নিয়মাবলীঃ

০১. প্রতিদিন (বৃহস্পতিবার বাদে) সকাল ১১.০০ টা থেকে দুপুর ১২.০০ টা পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, রেকর্ডরুম এর কক্ষের সামনে আবেদন গ্রহণ করা হয়। সাথে সাথে পর্চা (খতিয়ান)/অন্যান্য সার্টিফাইড কপি/মৌজা নকশা (ম্যাপ) সরবরাহের তারিখ আবেদনকারীকে সীল মোহরকৃত রশিদে জানিয়ে দেয়া হয়।

০২. প্রস্ত্তুতকৃত পর্চা (খতিয়ান) অন্যান্য সার্টিফাইড কপি/মৌজা নকশা (ম্যাপ) নির্ধারিত তারিখে সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত একই স্থানে আবেদনকারীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। কোন কারণে আবেদন বাতিল হলে বা বিবেচনা করা না গেলে তা বিতরণের সময় আবেদনকারীকে জানিয়ে দেয়া হয়:

ক)সাধারণ সময়ে অর্থা আবেদন প্রাপ্তির পরদিন থেকে ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে পেতে চাইলেঃ
# আবেদনে কোর্ট ফি লাগবে ৮ (আট) টাকা
# প্রতি খতিয়ানের জন্য কোর্ট ফি লাগবে ১ (এক) টাকা

খ)জরুরী ভিত্তিতে অর্থাৎ আবেদন প্রাপ্তির পরদিন থেকে ০৩ (তিন) দিনের মধ্যে পেতে চাইলেঃ
# আবেদনে কোর্ট ফি লাগবে ১৬ (ষোল) টাকা
# প্রতি খতিয়ানের জন্য কোর্ট ফি লাগবে ২ (দুই) টাকা

গ)হাল (মুদ্রিত) পর্চা পেতে যা লাগবে
আবেদনে কোর্ট ফি লাগবে, জরুরী ১৬/- টাকার কোর্ট ফি, প্রতিটি পর্চার জন্য ৬০/- টাকার কোর্ট ফি।

০৩ মৌজা নকশার (ম্যাপ) জন্য সাধারণ আবেদনের ক্ষেত্রে ০৫(পাঁচ) টাকা, জরুরী আবেদনের ক্ষেত্রে ১০/-(দশ) টাকার কোর্ট ফি দিয়ে আবেদন করতে হয়। আবেদন বিবেচনা করা গেলে ম্যাপের জন্য যা খরচ লাগবেঃ-

মৌজা নক্সা প্রতিটি ৩৫০/- টাকা, জেলা ম্যাপ প্রতিটি (সাদা) ৫০০-টাকা, (রঙ্গিন) ৭৫০/- টাকা, বাংলাদেশ ম্যাপ প্রতিটি ১২৫০/- টাকা চালান জমা দিতে হয়। সরবরাহের নির্দিষ্ট তারিখে নকশা সরবরাহ করা হয় বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

# রেকর্ড রুমে কোন নগদ টাকা পয়সার বিনিময়ে পর্চা/সার্টিফাইড কপি দেয়া হয় না। শুধু কোর্ট ফি দিয়ে নকল নিতে হয়
# কেউ টাকা পয়সা চাইলে বা দালাল চক্র উৎপাত করলে নিম্ন বর্ণিত কর্মকর্তাগণকে সরাসরি অবহিত করুনস ং ক্ষি প্ত ত থ্য

খতিয়ান হলো জরিপ শেষে প্রস্তুতকৃত জমির লিখিত হিসাবের দলিল এখানে জমির পরিমাণ, মালিক ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষিত থাকে

– সিএস (CS)-এর পূর্ণরূপ- Cadastral Survey.

– CS জরিপ সম্পন্ন হয়- ১৯১০-১৯২০.

– SA খতিয়ান-এর পূর্ণরূপ- State Acquisition খতিয়ান

– SA খতিয়ান প্রস্তুত হয় ১৯৫৬ সালে

– ২০ বছর পর পর ভূমি জরিপ (ভূমিশুমারি) করা হয়

– বাংলাদেশে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন পাস হয় ১৯৫০ সালে

– আরএস খতিয়ান মানে হলো Revisional Survey.

– RS খতিয়ান তৈরি হয় এসএ খতিয়ানের অধীনে

– নামজারি অর্থ হলো জমির সর্বশেষ মালিকের নামে দলিলপত্র হালনাগাদ করা

– কোনো পরিবার বা সংস্থা ১০০ বিঘার বেশি জমি দখলে রাখতে পারবে না

– ১০০ বিঘা সমান ৩৩.৩৩ একর

– ভূমির পরিমাপ হলো ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক, কাঠা, বিঘা ও একর

– ভূমির যদি দৈর্ঘ্য প্রস্থে ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে ১ একর হবে

– ৪৮৪০ বর্গগজে ১০০ শতাংশ বা ১ একর

 

সার্টিফিকেট কেস:

ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়ার দায়ে আপনার বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট কেস হতে পারে। এতে আপনার বাপ দাদার ভোগ দখলকৃত জমি নিলাম হয়ে যেতে পারে। সুতরাং এ দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করুন। প্রয়োজনে সার্টিফিকেট অফিসার/সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সাথে যোগাযোগ করুন।
২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির খাজনা মওকুফ
হাল নাগাদ জমির বিবরণী দাখিল করেছেন, শুধুমাত্র কৃষিজমি যদি ২৫ বিঘা বা তার নিচে হয় তাহলে খাজনা মওকুফের সুযোগ নিন। আর এ কাজে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর ৫ (পাঁচ) টাকার কোর্ট ফি দিয়ে আবেদন করুন।

খতিয়ানে (Record of Rights) খতিয়ান নম্বর, জেলা ও মৌজার নাম লিপিবদ্ধ থাকে। এছাড়া একাধিক কলামে জমির মালিকের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, দাগ নং (Plot Number), জমির শ্রেণী, পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে। খতিয়ানে কোন এক মৌজায় কোন একজন মালিকের জমির বিবরণ থাকে। আবার একটি খতিয়ানে একাধিক মালিকের জমির বিবরণও থাকতে পারে। এ খতিয়ানগুলো সাধারণত মৌজা ওয়ারী তৈরী করা হয়। অর্থাৎ কোন একটি মৌজার সকল খতিয়ান একসাথে বাধাই করা হয়। এজন্য রেকর্ড বইকে অনেকে সাধারণ বা প্রচলিতভাবে Volume- ও বলে থাকেন।

পরচাযখন পৃথক একটি কাগজে খতিয়ানের অনুলিপি তৈরী করা হয় তখন তাকে পরচা বলা হয়। এই অনুলিপি সাধারণত হাতে লিখে বা কম্পোজ করে তৈরী হয়ে থাকে। অনুলিপি যখন রেকর্ড রুমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় তখন তাকে নকল বা Certified Copy বলে। সহজ কথায় পরচা হল হাতে লিখিত বা Compose কৃত খতিয়ানের কপি বা খসড়ার রূপ।আমরা সিএস, এসএ এবং আরএস পরচা’র নাম শুনে থাকি। এগুলো কী?

পরচা কী, সে সম্বন্ধে আমরা একটি ধারণা ইতোমধ্যেই পেয়েছি। সিএস, এসএ এবং আরএস পরচা হল আসলে বিভিন্ন রেকর্ডের খসড়া বা অনুলিপি বা কপি। কাজেই পরচা সিএস, এসএ, আরএস বা মহানগরে জরিপ এই ৪ প্রকার হতে পারে। এছাড়া জরিপ চলা কালে প্রাথমিকভাবে হাতে লেখা একটি খসড়া বিবরণ যাচাইয়ের জন্য জমির মালিককে দেওয়া হয়। একে মাঠ পরচা বা হাত পরচা বলে।

পরচা কোথায় পাওয়া যায়?

পরচা বা রেকর্ডের সহি মুহুরী নকল (Certified Copy) পাওয়া যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় (DC office)- এর রেকর্ডরুমে। নির্ধারিত ফী সহ আবেদন করলে রেকর্ড রুম থেকে পরচা সরবরাহ করা হয়। পরচা কখনো কোন দালালের কাছ থেকে নেওয়া যৌক্তিক নয়। এতে ভুল থাকতে পারে। কেবলমাত্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরসহ পরচা-ই আসল বা Authentic.পরচা কেন প্রয়োজন?

জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিবরণ, জমির খতিয়ান-দাগ, অংশ, হিসসা, শ্রেণী ইত্যাদি জানার জন্য পরচা প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে জমি কেনাবেচার সময় পরচা যাচাইয়ের প্রয়োজন হয়। পরচা যাচাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিস, এসি (ল্যান্ড) অফিস বা রের্কডরুমে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

ওয়ারিশ সনদ

উত্তরাধিকার মুসলিম আইনের গুরুত্বপূর্ণ এক বিষয়। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পরেই তার সম্পদের উপর উত্তরাধিকার প্রাপ্তি/ অপ্রাপ্তির প্রশ্ন আসে। তখন ওয়ারিশ সনদের গুরুত্বও মুখ্য হয়ে ওঠে।ওয়ারিশ সনদ সাধারণত দেওয়ানী আদালত প্রেরিত যা একজন মৃত ব্যক্তির আইনী উত্তরাধিকারগণ পেয়ে থাকে। যদি উইল না করেই কোন ব্যক্তি মারা যান, কোর্ট ওয়ারিশ সনদ প্রদান পূর্বক মৃত ব্যক্তির ঋণ/কর্জ নির্ধারণ করতে পারে।কেন দরকার?

সনদটি উত্তরাধিকারগণকে তাদের নামে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরিত আছে কিনা, বা উত্তরাধিকার যোগ্য কতটুকু সম্পদ আছে তা সত্যায়ন করে থাকে। উত্তরাধিকারী/সুবিধাভোগীর আবেদনের প্রেক্ষিতে উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী সনদটি ইস্যু করা হয়। ওয়ারিশ সনদ কার্যকরী, কিন্তু সব সময় এর বলে মৃতের সম্পদে উত্তরাধিকার নাও পাওয়া যেতে পারে। সাথে প্রয়োজন, একটি মৃত্যু সনদ এবং অনাপত্তি সনদ। যে আদালতের এখতিয়ারে সম্পত্তি রয়েছে, সেখানে আবেদন জারি করতে হয়। ওয়ারিশ সনদের নিয়ম-কানুন উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫ (The Succession Act, 1925) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

পাওয়ার অব এটর্নি কী?

হাবিব সাহেব চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাবেন। কিন্তু দেশে কিছু জরুরী কাজ রয়েছে যেখানে তাকে প্রয়োজন হতে পারে। কী করবেন কী করবেন ভাবতে ভাবতে মাথায় এলো পাওয়ার অব এটর্নির চিন্তা। এর মাধ্যমে হতে পারে তার সমস্যার সমাধান। পাওয়ার অব এটর্নি এমন এক ধরণের দলিল যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে কোন কাজ করার ক্ষমতা দিতে পারে তার পক্ষ থেকে।

সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ, ভাড়া আদায় করা, আইনগত কাজ পরিচালনা করা সহ আরো নানা ক্ষমতা এর মাধ্যমে দেয়া যায়। পাওয়ার অব এটর্নিতে মূল মালিকের মতো প্রায় একই ক্ষমতা পাওয়ার গ্রহীতার থাকতে পারে।সবাই এই ক্ষমতা নিতে পারেনা। চুক্তি করার যোগ্যতা ( নির্দিষ্ট বয়স, সুস্থতা ) থাকলেই শুধুমাত্র এই ক্ষমতা নেয়া সম্ভব।

মৃত্যু, উদ্দেশ্য সাধন, মেয়াদের অবসান প্রভৃতি কারণে পাওয়ার অব এটর্নির অবসান হতে পারে।তফসিল (Schedule)।

 

তফসিল (Schedule):

জমিজমার ক্ষেত্রে তফসিল বলতে আসলে ভূমির পরিচয়কে বুঝায়। অর্থাৎ জমিটি কোথায়, এর মালিক কে ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। তফসিলে জেলার নাম, উপজেলা বা থানার নাম, মৌজার নাম, জমির দাগ-খতিয়ান নম্বর উল্লেখ করা হয়।এতে অনেক সময় জমির পরিমাণ, শ্রেণী এবং মালিকানার বর্ণনাও থাকে।

দাগনম্বর :

এটি আসলে কোন সরলরেখা বা বক্ররেখা নয়। দাগ হচ্ছে আসলে জমির Plot Number। আমরা জানি সাধারণত মাপজোকের মাধ্যমে জমিকে একাধিক অংশে বিভক্ত করা হয়। এর প্রতিটি খন্ডকে দাগ বা Plot বলে। জরিপের সময় এরকম প্রত্যেক খন্ড জমিকে একটি নম্বর দ্বারা সূচিত করা হয়। এই নম্বরকেই দাগ নম্বর বলে।

জাপানি পর্যটকের মালামাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজন রিমান্ডে | সারা সপ্তাহের খবর 

জাপানি পর্যটকের মালামাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজন রিমান্ডে -খবর দিয়ে শুরু করছি আইন গুরুকুল এর নিউজ আপডেট । আমরা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো  সংকলন করে আপনাদের সামনে নিয়ে আসছি। যারা নিয়মিত সংবাদপত্র বা অন্য মাধ্যমের খবরগুলোতে চোখ রাখার সময় পান না। তাদেরকে এই আয়োজনটি হালনাগাদ থাকতে সাহায্য করবে।

সারা সপ্তাহের খবর

জাপানি পর্যটকের মালামাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজন রিমান্ডে

 

জাপানি পর্যটকের মালামাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজন রিমান্ডে | সারা সপ্তাহের খবর 

 

 রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে দুই জাপানি পর্যটকের মালামাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় স্বপন নামে এক আসামির একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ এ রিমান্ড আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক শামছুল আলম আসামিকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার একদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

নুরের নামে মামলা খারিজ

ফেসবুক লাইভে আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের অভিযোগে পল্টন থানায় হওয়া এক মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নামে করা মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াৎ এ আদেশ দেন। এদিন নুরের নামে দেওয়া চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার দিন ধার্য ছিল। আদালত প্রতিবেদন আমলে নেওয়ার মতো কোনো উপাদান না থাকায় মামলা খারিজ করে আদেশ দেন।

ফেনীতে মাদক মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

ফেনীতে মাদক মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে ২ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একই মামলায় আরেকটি ধারায় ওই দুই আসামিকে এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং তিন হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

শাকিব খানের মামলায় প্রযোজক রহমত উল্লাহর জামিন

চিত্রনায়ক শাকিব খানের করা চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকির মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন প্রযোজক রহমত উল্লাহ।  বুধবার (২৬ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিব তার জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। এদিন আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন রহমত উল্লাহ। শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।  একইসঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় তা বদলির আদেশ দেন আদালত।

লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন সাজা

লালমনিরহাট জেলায় সামছুল হক নামে এক গরু ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে হবিবুর আলী মণ্ডল (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে লালমনিরহাট আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মিজানুর রহমান এ রায় দেন।

রানা প্লাজা ধসের ১০ বছরেও শেষ হয়নি বিচার 

 

জাপানি পর্যটকের মালামাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজন রিমান্ডে | সারা সপ্তাহের খবর 

 

সাভারের রানা প্লাজা ধস ছিল দেশের ইতিহাসে ভয়াবহ এক ট্রাজেডি, যে ঘটনা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে নাড়া দিয়েছিল বিশ্ব মানবতাকেও। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকের নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হয়েছিল বিদেশিরাও। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল ঘটে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা। এতে প্রাণ হারান ১ হাজার ১৩৬ জন। এরপর পেরিয়ে গেছে এক দশক। এই সময়েও শেষ হয়নি বিচার।

ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে সোনা আনায় বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে চার্জশিট

ভিজিট ভিসায় দুবাই ভ্রমণে ট্যাক্স ফাঁকি দিতে গিয়ে নিজের পায়ুপথে সোনাসহ গ্রেফতার প্রবাসী মোয়াজ্জেম হোসাইন ও তার ছেলে মো. রাজিব খালাশী বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। এদের মধ্যে মোয়াজ্জেম জামিনে এবং মামলার শুরু থেকে আসামি রাজিব পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

সারাদেশে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পালিত হলো ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৩’। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ, বিনামূল্যে আইনি সেবার দ্বার উন্মোচন’। দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১০টায় আইন ও বিচার বিভাগের উদ্যোগে রাজধানীর নিবন্ধন অধিদপ্তর প্রাঙ্গণ থেকে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পর্যন্ত একটি র্যালি হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এর নামে নাজেহাল করা হচ্ছে | সারা সপ্তাহের খবর 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এর নামে নাজেহাল করা হচ্ছে: জেড আই খান খবর দিয়ে শুরু করছি আইন গুরুকুল এর নিউজ আপডেট । আমরা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো  সংকলন করে আপনাদের সামনে নিয়ে আসছি। যারা নিয়মিত সংবাদপত্র বা অন্য মাধ্যমের খবরগুলোতে চোখ রাখার সময় পান না। তাদেরকে এই আয়োজনটি হালনাগাদ থাকতে সাহায্য করবে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এর নামে নাজেহাল করা হচ্ছে | সারা সপ্তাহের খবর

সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীরের করা রিটের ওপর রায় আবার পিছিয়েছে

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে মো. জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে করা রিটের ওপর রায় ঘোষণা আবারও পিছিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের হলফনামা দাখিলের পর মঙ্গলবার বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ২ মে পরবর্তী তারিখ রেখেছেন।

সৌদিতে রমজান মাসে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে নাজেহাল করা হচ্ছে | সারা সপ্তাহের খবর 

 

পবিত্র রমজান মাসে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি আরব। একটি মানবাধিকার গোষ্ঠী গতকাল সোমবার বলেছে, গত ১৪ বছরের মধ্যে এই প্রথম রমজানে কারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল সৌদি। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, রমজানের পঞ্চম দিন গত ২৮ মার্চ সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

২১ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২১ বছর আগের একটি ধর্ষণ মামলায় রাজা হোসেন (৩৮) নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত। সোমবার দুপুরে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (দায়রা জজ) মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় দেন।

নর্থ সাউথের শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানের চালক রিমান্ডে

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানজিদা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার কাভার্ড ভ্যানের চালক শামীমকে এক দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট জসিম উদ্দিন রোববার এই আদেশ দেন। প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপপরিদর্শক শওকত আকবর।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে নাজেহাল করা হচ্ছে: জেড আই খান

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেড আই খান পান্না। তিনি বলেছেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো কালাকানুনের বিরুদ্ধে বিরোধিতা আগেও করেছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল ও তাতে হয়রানি করা বন্ধ করতে হবে।’

 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে নাজেহাল করা হচ্ছে | সারা সপ্তাহের খবর 

 

মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে আসামির যাবজ্জীবন 

বরগুনায় এক মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের পৃথক অপরাধে মো. কামাল খান নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন এবং ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। উভয় দণ্ড একই সঙ্গে চলবে।

রানা প্লাজার রানার হাইকোর্টে জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে নাজেহাল করা হচ্ছে | সারা সপ্তাহের খবর 

 

 ২০১৩ সালে সাভার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রানা প্লাজা ধসে হতাহতের ঘটনায় ভবন মালিক ও কারখানা মালিকদের নামে করা মামলায় সোহেল রানাকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে জারি করা রুল মঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

শিশুপুত্রকে হত্যার দায়ের মায়ের যাবজ্জীবন 

লক্ষ্মীপুরে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে নিজের তিন বছর তিন মাস বয়সী আয়ানুর রহমান আয়ানকে গলাকেটে হত্যার দায়ে মা সাবিনা ইয়াছমিন শিল্পীকে (২৮) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হাইকোর্টে ১৬ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি | সারা সপ্তাহের খবর 

হাইকোর্টে ১৬ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি খবর দিয়ে শুরু করছি আইন গুরুকুল এর নিউজ আপডেট । আমরা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো  সংকলন করে আপনাদের সামনে নিয়ে আসছি। যারা নিয়মিত সংবাদপত্র বা অন্য মাধ্যমের খবরগুলোতে চোখ রাখার সময় পান না। তাদেরকে এই আয়োজনটি হালনাগাদ থাকতে সাহায্য করবে।

হাইকোর্টে ১৬ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি | সারা সপ্তাহের খবর 

হাইকোর্টে ১৬ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি | সারা সপ্তাহের খবর

 

হাইকোর্টে ১৬ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি 

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচার কাজ পরিচালনার জন্য ১৬টি বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী । আগামীকাল ২ এপ্রিল রোববার থেকে এসব বেঞ্চ বিচারকাজ পরিচালনা করবেন। এ বিষয়ে ৩০ মার্চ প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা দেওয়ার নোটিস সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।  

দিনাজপুরে পুড়িয়ে হত্যার ২৮ বছর পর ৩ আসামির যাবজ্জীবন

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে আব্দুল হক নামে এক ব্যক্তিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ২৮ বছর পর তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নয়, মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাভারে কর্মরত দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে বা হচ্ছে সেটা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে।  বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান দেখা করতে আসেন।

 

বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলা, অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন ৭ মে

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সা বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রশিদুল আলমের আদালত এ দিন ধার্য করেন।

ভিকারুননিসার দুই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা নাজনীন ফেরদৌস ও জিন্নাত আরার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গত মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-১২ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন তাদের বিরুদ্ধে এ পরোয়ানা জারি করেন।

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন অসাংবিধানিক: পাকিস্তানের আদালত

পাকিস্তানে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছেন লাহোরের হাইকোর্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতের একটি একক বেঞ্চ এ ঘোষণা দেন। আদালতের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পাকিস্তানে বাক্‌স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন ব্যক্তি, সংগঠন ও সাংবাদিকেরা। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনে পাকিস্তান সরকার রাষ্ট্রদ্রোহ আইন ব্যবহার করছে—এমন অভিযোগ তুলে আইনটির বিরুদ্ধে লাহোরের হাইকোর্টে বেশ কয়েকটি আবেদন করা হয়েছিল।

আইসিসির বিরুদ্ধে রাশিয়ায় মামলা

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিচারক ও প্রসিকিউটরদের নামে ফৌজদারি মামলা করেছে রাশিয়ার তদন্ত কমিটি। সোমবার রাশিয়ার শীর্ষ তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়। মস্কো যে আইসিসির পরোয়ানাকে তোয়াক্কা করে না, তার একটি প্রতীকী পদক্ষেপ রাশিয়ার তদন্ত কমিটির এই মামলা।

 

হাইকোর্টে ১৬ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি | সারা সপ্তাহের খবর 

 

সুপ্রিম কোর্ট বারের নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ১নং হল রুমে এক তলবী সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তলবি সভায় সংবিধান প্রণেতা ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন।

বাণিজ্য ও আইনি প্রক্রিয়া | চুক্তি আইন

বাণিজ্য ও আইনি প্রক্রিয়া আজকের ভিডিও এর আলোচনার বিষয়। চুক্তি আইন – বাণিজ্য ও আইনি প্রক্রিয়ার [Law of Contracts on Restraint of Trade & Legal Proceeding]” ক্লাসটিতে “চুক্তি আইন” সম্পর্কিত সকল তথ্য তুলে ধরা হবে। চুক্তি আইন নিয়ে সকল তথ্য তুলে ধরার জন্য “আইন শিক্ষা গুরুকুল” নিয়ে এসেছে “চুক্তি আইন [ Contract Law ]” সিরিজ। “চুক্তি আইন [ Contract Law ]” সিরিজটির মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই “চুক্তি আইন” সংক্রান্ত সকল বিষয়বস্তু খুব সহজেই বুঝতে পারবেন।

 

বাণিজ্য ও আইনি প্রক্রিয়া

বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

(১) ‘কোম্পানি আইন’ অর্থ কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন);

(২) ‘নিবন্ধন’ অর্থ লাইসেন্স প্রাপ্তির পর কোনো বাণিজ্য সংগঠনের কোম্পানি আইনের অধীন নিবন্ধন;

(৩) ‘নির্বাহী কমিটি’ বা ‘পরিচালনা পর্ষদ’ অর্থ কোনো বাণিজ্য সংগঠনের সংঘস্মারক ও সংঘবিধি অনুসারে নির্বাচনের মাধ্যমে উহার ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদ;

 

চুক্তিতে প্রতারণা

 

(৪) ‘নির্বাহী কমিটির সদস্য’ বা ‘পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক’ অর্থ কোনো বাণিজ্য সংগঠনের সংঘবিধি অনুসারে উহার ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী কমিটির সদস্য বা পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকসহ উহার সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি;

(৫) ‘প্রশাসক’ অর্থ ধারা ১৭ এর অধীন নিযুক্ত কোনো প্রশাসক;

(৬) ‘ফেডারেশন’ অর্থ বাণিজ্য সংগঠনসমূহের প্রতিনিধিত্ব করিবার জন্য ব্যবসা, শিল্প, বাণিজ্য ও সেবাখাতের চেম্বারসমূহ ও সমিতিসমূহের সমন্বয়ে গঠিত ফেডারেশন;

(৭) ‘বাণিজ্য সংগঠন’ অর্থ এইরূপ কোনো সংগঠন-

(ক) যাহা কোম্পানি আইন অনুসারে সীমিতদায় কোম্পানি হিসাবে গঠিত হইবার যোগ্য;

(খ) যাহা অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন হিসাবে পরিচালিত এবং যাহা ধারা ৩ এর অধীনে সংশ্লিষ্ট এলাকার বা বিভিন্ন ব্যবসা, শিল্প, বাণিজ্য ও সেবাখাতের বা উহাদের কোনো গোষ্ঠী বা শ্রেণির প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হিসাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং কোম্পানি আইনের অধীনে নিবন্ধিত; এবং

(গ) যাহার তহবিল বা আয় বা মুনাফা বা উদ্বৃত্ত অর্থ বা অন্যবিধ আয় উক্ত সংগঠনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় করা হয়, তবে উহার কোনো অংশই উহার কোনো সদস্য বা নির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য বা পরিচালনা পর্ষদের কোনো পরিচালকের মধ্যে লভ্যাংশ বা মুনাফা বা বোনাস কিংবা অন্য কোনো আকারে বণ্টন করা হয় না;

(৮) ‘বিধি’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

(৯) ‘মহাপরিচালক’ অর্থ ধারা ১৫ এর অধীন নিযুক্ত মহাপরিচালক;

(১০) ‘রেজিস্ট্রার’ অর্থ কোম্পানি আইনে সংজ্ঞায়িত রেজিস্ট্রার;

(১১) ‘লাইসেন্স’ অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রদত্ত কোনো লাইসেন্স;

(১২) ‘সহায়ক কমিটি’ অর্থ প্রশাসকের কর্মসমূহ সম্পাদনে সহায়তা বা পরামর্শ প্রদান করিবার নিমিত্ত মহাপরিচালকের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রশাসক কর্তৃক ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) এর অধীন গঠিত কোনো কমিটি;

(১৩) ‘সংঘবিধি’ অর্থ কোনো বাণিজ্য সংগঠনের সংঘবিধি;

(১৪) ‘সংঘস্মারক’ অর্থ কোনো বাণিজ্য সংগঠনের সংঘস্মারক।

 

আইনি প্রক্রিয়া

 

বাণিজ্য ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ঃ

মানুষ বিচার চায় না কেন? – জায়েদুল আহসান পিন্টু

মানুষ বিচার চায় না কেন? শিরনামে বিশিষ্ট সাংবাদিক জায়েদুল আহসান পিন্টু তার ফেসবুক স্টাটাসে লিখেছেন:

মানুষ বিচার চায় না কেন? - জায়েদুল আহসান পিন্টু
জায়েদুল আহসান পিন্টু

১. বেশ ক’বছর ধরে শুনছি বিচারহীনতার সংস্কৃতির কথা। শুনতে শুনতে ক্লিশে হয়ে গেছে শব্দটা। সুশীল সমাজ আর বিরোধী পক্ষ অনেকদিন ধরেই একথা বলছে। আর আজকাল সাধারণ নাগরিকদের কেউ কেউ বিচারই চাইছেন না। তারা বলছেন বিচার চেয়ে কী হবে। সাধারণ নাগরকিদের মনের এই ভাবনা উদ্বেগেরই না। রীতিমত ভয়ানক ভবিষ্যতের ঈঙ্গিত দেয়।

২. তার মানে কি দেশে বিচার হচ্ছে না? বিচার চেয়ে পাওয়া যাচ্ছে না? বিষয়টা কি সত্যি তাই? আমরাতো দেখছি গড়ে প্র্রতিদিন একজন করে মানুষের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ হচ্ছে। এখনো কারাগারের কনডেমড সেলে দুই হাজারেরও বেশি আসামী মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে বন্দি আছে। প্রতিদিন সারাদেশে বিচারকরা শত শত রায় দিচ্ছেন। তাহলে বিচারটা হচ্ছে না বা পাচ্ছি না বলছি কেন? উত্তরটা খোঁজার চেষ্টা করা যাক।

[ মানুষ বিচার চায় না কেন? – জায়েদুল আহসান পিন্টু ]

৩. বিচার বিভাগ যে বছর নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা হয় সেবছর অর্থাৎ ২০০৭ সালে দেশে বিচারাধীন মামলা ছিল ১৫ লাখের একটু বেশি। আর বর্তমানে দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪০ লাখের কাছাকাছি। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ২ লাখ অনিষ্পন্ন মামলা যুক্ত হচ্ছে। বিষয়টা অনেকটা বানরের পিচ্ছিল বাশ বেয়ে ওপরে উঠার মতো। ১০টা নতুন মামলা হলে ৮টার নিষ্পত্তি হয়। ২টা জমে যায়। পরের বার ১১টা মামলা হলে ৮ নিস্পত্তি হয় জমে যায় আরো ৩টা। সাথে পুরানো ২টাতো আছেই। এভাবে জমতে জমতে ১৫ বছরে ২৫ লাখ মামলা যুক্ত হয়ে এখন ৪০ লাখ হয়েছে।

৪. দেশে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য বিচারক একজন। তার মাথায় ২০০০ মামলা। এসব তথ্য আমরা সবাই জানি। সংসদে প্রায় প্রতি অধিবেশনেই কোন না সাংসদ এই প্রশ্নটি করেন। আর আইনমন্ত্রী মামলা জটের হিসাব দেন। পাশাপাশি এটাও বলেন, বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকার নানামুখী কার্যক্রম নিয়েছে। বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি, নতুন আদালত গঠন, আদালতের অবকাঠামো উন্নয়ন, বিচারকদের প্রশিক্ষণসহ মামলা নিষ্পত্তিতে তদারকি বাড়াতে সরকারের নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। আইনমন্ত্রীদেরও এসব প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ হয়ে গেছে।

৫. সরকারগুলো কী যে পদক্ষেপ নিয়েছে/নিচ্ছে তাতো দেশবাসী দেখতেই পাচ্ছে। আমারতো মনে হয় স্বাধীনতার ৫০ বছরে এই একটি মন্ত্রণালয় তেমন কোন কাজই করেনি। দেশের ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমে যে আমূল পরিবর্তন আনা দরকার সেটা কেউই করেননি। সবাই শুধু বক্তৃতা দিয়ে যাচ্ছেন। আর এ কারণেই দেশের নাগরিকদের বিশাল একটা অংশ ক্রসফায়ারের পক্ষে কথা বলেন। কিছুদিন আগ পর্যন্ত সরকারগুলোও ক্রসফায়ারের পক্ষে ছিল। যার অর্থ হলো বিচারে আস্থা নেই। এই আস্থাহীনতা একটা সময় অরাজকর পরিস্থিতির জন্ম দিবে কোন সন্দেহ নেই।

৬. গত বছর এক ভার্চুয়াল শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে বলতে হয়েছিল, ‘বিচার বিভাগ পৃথককরণ হয়েছে ২০০৭ সালে, আজ ২০২১ সালেও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ভবনের জন্য সব জায়গা অধিগ্রহণ হয়নি, তারপর বিল্ডিং করতে হবে। আমি আর কত বলবো?’ তাইতো প্রধান বিচারপতি আর কত বলবেন?

৭. তবে আমি বলি ভিন্ন কথা। শুধু অবকাঠামোগত সুবিধা বাড়ালেই বিচারের জট কমবে না। পাশাপাশি কমাতে হবে মামলার উৎপত্তিস্থল। মামলা সৃষ্টির কারণ বন্ধ করতে হবে। আর সেজন্য দরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশাসন।

৮. হ্যা, এটা ঠিক বিচারকের সঙ্কট তাৎক্ষণিকভাবে মিটানো সম্ভব না। তাই বলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা থাকবে না? কিছুই যদি না পারেন অবসরপ্রাপ্ত জজদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগতো দিতে পারতেন। আমলাদেরতো চুক্তিতে নিয়োগ দিতে কার্পণ্য করতে দেখি না।

৯. শুরুতে বলেছিলাম, বিচারের রায় হতে দেখি প্রতিদিন। কিন্তু যেটা দেখি না সেটা হলো রায় কার্যকর হওয়া। আবার যেটা ভাইরাল হয় না সেটার খবর রাখি না। আর বলছিলাম ফাঁসির আদেশ নিয়ে বন্দি আছে দুই হাজারেরও বেশি। হিসেব করে দেখা গেছে ২০-২৫ বছর লাগে একটি খুনের মামলার চুড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে। রায় পেতে যদি দুই যুগ লেগে যায় বিচারের কী দরকার। বিচার হয় কেন? সমাজে যেন অপরাধ না বাড়ে। কিন্তু বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় বিচারের রায়ের কোন প্রভাবই নেই সমাজে। যে কারণে আজ দেশের মানুষ মূখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। নীতি নির্ধারকরা এ বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারছেন না তাতো নয়। কিন্তু কার্যকর কোন উদ্যোগ নেই কেন?

১০. এবার একটি পুরানো গল্প নতুন করে বলি। বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড়ানো এক বৃদ্ধ আসামীকে তিরস্কার করে বলছেন, আপনার মতো সিনিয়র সিটিজেন এক তরুনীর দিকে কুদৃষ্টি দিলেন কী করে? সমাজ আপনাদের কাছ থেকে কী শিখবে? তরুণ বয়স হলেও বুঝতাম বয়সের দোষ! জবাবে ওই বৃদ্ধ বলছেন, মাই লর্ড, ঘটনাটা তিন যুগ আগের, তখন আমার কাঁচা বয়সই ছিল, ওই যে দেখছেন না মামলার বাদিনী তার নাতি নাতনি নিয়ে শুনানিতে অংশ নিতে আসছেন।

১১. উপরের গল্পটা রুপক হলেও এবার একটা আসল খবর দেই। একটা সংবাদ দেখেছিলাম মাস দুয়েক আগে। চ্যানেল ২৪ এ। খবরটা এরকম: ২০১০ সালে বগুড়ায় আড়াই হাজার টাকা ঘুষসহ হাতেনাতে ধরা পড়েন সরকারি এক প্রকৌশলী। দুদক মামলা করলো তার নামে। ২০১৩ সালে আদালত তাকে দুই বছরের সাজা দেয়। তিন বছর পর তাকে খালাস দেয় হাইকোর্ট। মামলা যায় আপিল বিভাগে। সেই আপিল নিষ্পত্তি হয় চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে। দণ্ডাদেশ বহাল থাকে। ২৫০০ টাকার এই দুর্নীতি মামলা নিষ্পত্তিতে দুদকের খরচ হয়েছে ৬ লাখ টাকা। সময় লেগেছে এক যুগ। আসামি কিন্তু লাপাত্তা।

উকিল নোটিশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

উকিল নোটিশ (Legal Notice) এক ধরনের সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি। কোনো ব্যক্তি দ্বারা মৌখিক, লেখালেখি বা আর্থিক অথবা অন্য যেযকোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সংক্ষুব্ধ ব্যাক্তি উকিল নোটিশ (Legal Notice) দিতে পারেন। কারো বিরুদ্ধে মামলা করার আগে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে এ নোটিশ দিতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নোটিশের জবাব না এলে, বা জবাব সন্তুষ্টিজনক না হলে মামলা দায়ের করতে হয়।

 

উকিল নোটিশ

উকিল নোটিশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

 

Notice শব্দের অর্থ সতর্কীকরণ এবং সংবাদজ্ঞাপন। তাহলে, সাধারণত উকিল নোটিশ (Legal Notice) বলতে বোঝায়, যখন নোটিশ-দাতা একজন বিজ্ঞ উকিল বা আইনজীবীর মাধ্যমে কোন নোটিশ গ্রহীতাকে অর্থাৎ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কোন অভিযোগ জানায়, বা, দায়িত্ব পালনের জন্য আহবান জানায়, বা, কোন অধিকার খর্ব হয়েছে কিংবা হবার উপক্রম হয়েছে সেটা জানায়, এবং সেটা করতে ব্যর্থ হলে তর্কিত বিষয় নিয়ে মোকদ্দমা দাখিল করার আগাম বার্তাও জানায়। উকিল নোটিশকে Legal Notice, এডভোকেট নোটিশ, আইনী নোটিশ ও আইনী বিজ্ঞপ্তি-ও বলা হয়।

মনে রাখবেন উকিল নোটিশ বা Legal Notice কোন মামলা নয়। উকিল নোটিশ (Legal Notice)-কে মামলা বা কোন আইনী প্রক্রিয়ার পূর্ব পদক্ষেপ বলা যেতে পারে।

উকিল নোটিশ কি ?

কতিপয় মামলার কার্যক্রম শুরুর আগে প্রতিপক্ষকে উকিল নোটিশ দিতে হয়। সাধারণত মামলার বাদীপক্ষ নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে এই নোটিশ প্রেরণ করে। আপনি যার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেছেন সে ব্যক্তি যদি লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখিত বিষয়বস্তুর সমাধান উল্লেখিত নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে না করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোন আইনে এবং কোন ধারায় মামলা করা হবে, সবকিছু সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকে৷

লিগ্যাল নোটিশ বা উকিল নোটিশ হলো কোন সংস্থা বা ব্যাক্তিকে এমন কোন বিষয়ে আইনগত ভাবে আইনজীবীর মাধ্যমে অবহিত করা যা পালন না করলে নোটিশদাতা নোটিশ গ্রহিতার বিরূদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন মর্মে ঘোষনা দেন। এই রূপ লিগ্যাল নোটিশ মূলত কারো বিরূদ্ধে কোন আইনী পদক্ষেপ গ্রহনের চুড়ান্ত সংকেত। এবং এর উদ্দেশ্য হলো নোটিশ গ্রহিতাকে নোটিশে উল্লিখিত বিষয় সর্ম্পকে অবহিত করা। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে উৎসাহিত করা

উকিল নোটিশের সময়:

উকিল নোটিশে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে বলা হয়, নির্দিষ্ট এই সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নোটিশে কত দিন সময় দিতে হবে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে সরকার প্রতিপক্ষ হলে এক মাস সময় দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অন্যদের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা থেকে এক মাস পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এর পর সরকারি ডাকযোগে প্রতিপক্ষকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা বরাবর পাঠাতে হয়।

সবসময় মনে রাখবেন আপনি যে বিষয়ে বিরোধ উত্থাপন করছেন এবং ওই বিরোধের প্রতিকার যে আইনের অধীনে দাবি করছেন বা যে আইনে মামলা করবেন বলে ভাবছেন, সে আইনে যদি নির্দিষ্টভাবে বলা থাকে লিগ্যাল নোটিশে কতদিন সময়সীমা প্রদান করতে হবে? তাহলে আইনে উল্লেখিত ওই নির্দিষ্ট সময় অবশ্যই দিতে হবে প্রতিপক্ষকে৷

ধরুন – আপনি যদি চেক ডিজঅনারের মামলা করতে চান, তাহলে নেগোসিয়েটেবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট অনুযায়ী আপনাকে অবশ্যই মামলা করার আগে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাতে হবে এবং লিগ্যাল নোটিশে প্রতিপক্ষকে বা যার বিরুদ্ধে মামলা করতে চান তাকে ৩০ দিন সময় প্রদান করতে হবে৷ লিগ্যাল নোটিশে এই সময় প্রদানের মাধ্যমে যার বিরুদ্ধে মামলা করতে চান তাকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে, যাতে সে লিগ্যাল নোটিশের উল্লেখিত বিরোধের নিষ্পত্তি করতে পারে৷ আর যদি সে এই ৩০ দিনের মধ্যে টাকা প্রদান না করে বা বিরোধটি নিষ্পত্তি না করে, তাহলে এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আপনি মামলা করতে পারবেন৷

 

 

উকিল নোটিশ (Legal Notice) কাকে দেওয়া যায়:

Legal Notice যে কোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া যায়। এখানে কোন সীমাবদ্ধতা রাখা হয় নি। এর একটি উদাহরণ দিচ্ছি। বিগত ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে গ্রামীণফোনের অধিকাংশ শেয়ারের মালিক টেলিনর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বরাবর লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করে।

 

উকিল নোটিশ (Legal Notice) দিতে কত টাকা লাগে:

Legal Notice লিখতে কত লাগবে সেটা নির্ভর করবে বিজ্ঞ আইনজীবীর ওপর। সাধারণত ঘটনার জটিলতা, গুরুত্ব ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে একজন বিজ্ঞ আইনজীবী তার ফি নির্ধারণ করেন।

 

উকিল নোটিশ (Legal Notice) দেবার জন্য কি লাগে:

উকিল নোটিশ দিতে হলে নিম্নোক্ত তথ্য সংগ্রহ করুন –

  • আপনার পূর্ণ নাম, বাবার নাম ও ঠিকানা
  • যার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাবেন তার পূর্ণ নাম, বাবার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর
  • ঘটনার পূর্ণ বিবরণ
  • ঘটনার সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

এই তথ্যগুলো নিয়ে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন। তার সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

উকিল নোটিশ পেলে করণীয়:

আপনার নামে কেউ উকিল নোটিশ পাঠালে আপনার তাৎক্ষণাত করণীয় হচ্ছে সে নোটিশের জবাব দেয়া। কেননা, নোটিশের জবাব না দিলে পরবর্তীতে মামলার বিচারকালে অনুমান সৃষ্টি হয় যে আপনি নোটিশের বিষয় স্বীকার করে নিয়েছে। আমাদের কাছে ওয়েব সাইট এবং ফেইসবুকে মাধ্যমে আসা বিভিন্ন কাজের মধ্যে উকিল নোটিশ এর কাজ সবচেয়ে বেশী পরিমানে আসে।

 

উকিল নোটিশের পরে মামলা দায়ের:

উকিল নোটিশ পাঠানোর পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উকিল নোটিশের সঠিক জবাব বা প্রতিকার না পেলে নোটিশ প্রেরণকারী আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে মামলা করতে পারবেন। নোটিশে উল্লেখ করা সুনির্দিষ্ট মেয়াদের আগে মামলা করা যায় না।

উকিল নোটিশ ও মামলার জন্য আইনজীবী:

দক্ষ আইনজীবীকে দিয়ে উকিল নোটিশ দেয়া উচিৎ। উকিল নোটিশ প্রেরণের ক্ষেত্রে আইনজীবীকে ফি দিতে হয়। অধিকাংশ আইনজীবী দায়মুক্তির জন্য উকিল নোটিশ দেওয়ার আগে ওকালতনামায় স্বাক্ষর নেন। তবে উকিল নোটিশের সঙ্গে আদালতের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মামলা পরিচালনার জন্য যেকোনো আইনজীবীর কাছেই যাওয়া যেতে পারে।আইনজীবীরা বিভিন্ন ধরনের মামলা পরিচালনায় দক্ষতা অর্জন করেন। কাজেই কোন আইনজীবী কোন বিষয়ে দক্ষ, সেটি জেনে আইনজীবী বাছাই করা ভালো।

মামলার খরচ

মামলায় খরচ হয় সাধারণত দুই ভাবে। একটি আইনজীবীর ফি বাবদ, অন্যটি দাপ্তরিক খরচ বাবদ। আইনজীবীর ফির অঙ্ক নির্দিষ্ট নয়। বিভিন্ন আইনজীবী নানা ধরনের মামলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন অঙ্কের ফি নেন। স্বাভাবিকভাবেই জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের ফির অঙ্কটা বেশি হয়। মামলার ধরণ বুঝে দাপ্তরিক খরচ নির্ধারিত হয়।

মামলা শুরু করা

এ কাজটি আইনজীবী বা তার সহকারী করে থাকেন। কোর্ট অফিসে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করলে সেখানে একটি নম্বর দেওয়া হয়। এর পর কোর্টের একটি বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করাতে হয়। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর কার্যতালিকা অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে শুনানি সম্পন্ন করা হয়। মামলার একাধিক দিন শুনানি হতে পারে। প্রতিপক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য সময় দেওয়া হতে পারে। তবে এর মাঝে বেঞ্চ ভেঙে দেওয়া হলে পুনরায় অন্য একটি বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। এ কার্যতালিকাকে কজলিস্ট বলা হয়।

 

উকিল নোটিশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

 

উকিল নেটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ লেখার নমুনা ১-

“আইনগত বিজ্ঞপ্তি”
প্রাপকঃ মোঃ নুরুল আলম
পিতা-মোঃ মাহফুজ আলম
গ্রামঃ দরবারপুর, দিনাজপুর

প্রেরকঃ মোঃ মোখলেসুর রহমান
পিতাঃ সামসুর রহমান
গ্রামঃ মিঠাপুকুর, দিনাজপুর

এর পক্ষেঃ
মোঃ গোলাম মোস্তফা ফারুকী
এডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, দিনাজপুর

জনাব,
আমার মক্কেল যিনি নোটিশ দিচ্ছেন তার অনুরোধে আমি দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে আপনার অবগতির জন্যে জানাচ্ছি যে,আপনি আমার মক্কেলের নিকট দিনাজপুরের বাড়ববাজার সংলগ্ন এলাকায় ৫০,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে ৩০ শতক জমি বিক্রয় করিতে ইচ্ছা প্রকাশ করিয়াছেন। এরই ধারাবাহিকতায়, আপনি চুক্তিবদ্ধ টাকার ২০% অগ্রীম হিসেবে দাবী করেছিলেন এবং আমার মক্কেল জমির রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনাকে সেই টাকা দিয়ে দেয় এবং বাকি টাকা দেয়ার জন্য কয়েকসপ্তাহ সময় চেয়ে নেয়। কিন্তু এর তিনদিন পরেই কাগজপত্রের জালিয়াতিসহ জমির বিষয়ে নানান ধরনের জটিলতা শুরু হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় আপনার আত্মসাৎকৃত টাকা উদ্ধার করার নিমিত্তে আমি আমার মক্কেলের তরফ হইতে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করছি। উক্ত বিষয়ে আপনি যদি ১০ কর্মদিবসের মধ্যে টাকা ফেরত দেয়া সংক্রান্ত কোন পদক্ষেপ এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন, তবে আপনার বিরুদ্ধে এন. আই এক্টের ১৩৮ ধারা মোতাবেগ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে আমার মক্কেল বাধ্য হবেন।

বিঃদ্রঃ ভবিষ্যৎ কার্যার্থে লিগ্যাল নোটিশটির এক কপি আমার নিকট সংরক্ষিত থাকবে।

ধন্যবাদান্তে-
মোঃ…………
এডভোকেট
মোঃ গোলাম মোস্তফা ফারুকী
জেলা ও দায়রা জজ,দিনাজপুর

 

উকিল নেটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ লেখার নমুনা ২-

হইতে,
মোঃ ক
এডভোকেট
গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন
হল রুম নং -৬
জর্জ কোট,গাজীপুর।

প্রেরক
মোঃ আতর আলী , পিতা- রুস্তম আলী, মাতা মোসাঃ হোসনা আক্তার,স্থায়ী ঠিকানা-গ্রাম- রহমতগঞ্জ, ডাকঘর-উস্থি, থানা-গফরগাঁও,জেলা- গাজীপুর, বর্তমান ঠিাকানা-উত্তর ছায়াবিথী, জয়দেবপুর, গাজীপুর। ———— লিগ্যাল নোটিশ দাতা।

প্রাপক,
মোসাঃ কল্পনা বেগম, পিতা- হোসেন, মাতা- নূরআক্তার, সাং- লাখোঘাট, ডাকঘর- ভাঙ্গাটিয়া, থানা- হোসেনপুর, জেলা- কিশোরগঞ্জ। ———— লিগ্যাল নোটিশ গ্রহিত্রী।

বিষয়ঃ স্ত্রীকে স্বামী গৃহে ফিরে আশার জন্য লিগ্যাল নোটিশ্।

জনাব,
আমি আমার উপরোক্ত মোয়াক্কেল মোঃ মোশারফ হোসেন কর্তৃক আদৃষ্ট ও ক্ষমতা প্রাপ্ত হইয়া মোসাঃ কল্পনা বেগম আপনাকে এই মর্মে অভিহিত করিতেছি যে,
১। যেহেতু আমার মোয়াক্কেলের সাথে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আপনার সহিত বিবাহ হয় বটে। বিবাহের পর হইতে আপনি নোটিশ গ্রহিত্রী নোটিশ দাতার সংসারে সুখে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করিয়া আসিতেছেন এবং আমার মোয়াক্কেল ও আপনার সংসারে দুইজন পুত্র সন্তান রয়েছে। বিগত ১৫/০২/২০১৫ তারিখে আমার মোয়াক্কেল কাজের প্রয়োজনে ঘরের বাহিরে গেলে এবং তার পুত্র স্কুলে চলিয়া গেলে আপনার বাপের বাড়ীর লোকজনের কু পরামর্শ মতে আপনি এই সুযোগে আমার মোয়াক্কেলের ঘরে রাখা নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা এক ভরি ওজনের একটি স্বর্ণে চেইন,একটি আঙটি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সহ মোয়াক্কেলের কোলের সন্তানকে রাখিয়া আপনার বাপের বাড়ী আসিয়া পড়েন।

আপনার সহিত আমার মোয়াক্কেলের কোন ঝগড়া বিবাদ, মারা মারি ও কথা কাটা কাটি পর্যন্ত হয় নাই। পরবর্তীতে আমার মোয়াক্কেল আপনার পরিবারের লোকজনকে ও আপনি নোটিশ গ্রহীতাকে আমার মোয়াক্কেলের সাথে জঘন্য খারাপ ব্যহার করেন এবং উপরোল্লেখিত টাকা ও সোনা গহনা দাবী করলে আমার ও আমার সন্তানের জানের ক্ষতি করবেন বলে হুমকি দেন।

২। যেহেত আপনি আমার মোয়াক্কেলেল বিবাহিতা স্ত্রী বটে। মুসলিম শরিয়াতের বিধান মোতাবেক প্রত্যেক স্ত্রী তাহার স্বামীর নির্দেশে পরিচালিত হইবেন এবং তাহার আদেশ নির্দেশ পরিচালিত হইবেন এবং তাহার আদেশ নির্দেশ মানিয়া মুসলিম শরিয়াতের বিধান মোতাবেক জীবন যাপন করিবেন ইহাই কাম্য। কিন্তÍ আপনি আমার মোয়াক্কেলের কোন কথারই কর্ণপাত করিতেছেনা। তাহার কথাকে অমান্য করিয়া তাহাকে স্বামীর অধিকার হইতে বঞ্চিত করিয়া নিজের ইচ্ছায় চলাফেরা করিতেছেন।

৩। অত্র নোটিশ প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে স্বামী গৃহে ফিরিয়া আসিবেন অন্যথায় নোটিশ দাতা আপনার বিরদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হইবেন। এরূপ ক্ষেত্রে সকল পরিনতি জন্য আপনি নিজেই দায়ী থাকিবেন।

(বিঃদ্রঃ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহনের জন্য অত্র নোটিশের ১ কপি আমার সেরেস্তায় জমা রহিল)।

ধন্যবাদান্তে

মোঃ ক
এডভোকেট
গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন
হল রোম নং -১২,জর্জ কোট,গাজীপুর।