Category Archives: আইন

আইন

জেল কোড অনুযায়ী কয়েদী কর্মচারী

আজকের আলোচনার বিষয়ঃ কয়েদী কর্মচারী

 

কয়েদী কর্মচারী

 

কয়েদী কর্মচারী । জেল কোড

বিধি-৩৮৩। কয়েদী কর্মচারী তিন প্রকারের হবে- কয়েদী ওয়াচম্যান, কয়েদী ওভারশিয়ার এবং কয়েদী রক্ষী। দণ্ড বিধির সংজ্ঞানুসারে তারা গণ কর্মচারী বলে গণ্য হবে।

বিধি-৩৮৪। (১) নিম্নোক্ত সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদেরকে কয়েদীকে কর্মচারী রূপে নিয়োগ করা যাবে না-

(ক) ঠগ, মাদকদ্রব্য বা অপ্রাকৃতিক অপরাধের জন্যে সাজাপ্রাপ্ত;

(খ) দপ্তরের দায়িত্ব পালনের জন্যে শারীরিক ভাবে অযোগ্য হলে;

(গ) সম্ভাব্য রেয়াতের তিন-চতুর্থাংশ অর্জিত না হলে

(২) বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের ব্যারাক এবং আঙিনার জন্যে সম্ভব হলে বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত বন্দী হতে কর্মচারী নিয়োগ করতে হবে। সম্ভব না হলে ‘এ’ ক্যাটাগরির (অনভ্যাসগত) সাজাপ্রাপ্ত সম্ভ্রম বন্দী হতে নিয়োগ করতে হবে।

(৩) অনভ্যাসগত প্রথম অপরাধী এবং সমাজের মর্যাদা সম্পন্ন সাজাপ্রাপ্ত বন্দীকে অভ্যাসগত সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের দায়িত্বে নিয়োগ করতে হবে।

(৪) অভ্যাসগত শ্রেণী হতে নিয়োজিত সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদেরকে বেতনভুক্ত কারারক্ষীদের সাথে কাজে দিতে হবে।

নোট- অভ্যাসগত সাজাপ্রাপ্ত বন্দীকে অনভ্যাসগতদের ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ করা নিষেধ।

 

কয়েদী কর্মচারী

 

বিধি- ৩৮৫। কোন সাজাপ্রাপ্ত বন্দীকে ওভারশিয়ার হিসেবে নিযুক্ত করা হলে জেল সুপার ঐ সাজাপ্রাপ্ত বন্দীর হিস্ট্রি টিকেটে তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং জেলা কারাগারের ক্ষেত্রে জেল সুপারের মিনিট বইতে লিপিবদ্ধ করবেন।

বিধি-৩৮৬। আত্মরক্ষার প্রয়োজন ব্যতীত কিংবা কোন কারা কর্মকর্তা- কর্মচারীকে রক্ষা করার প্রয়োজন ব্যতীত বা উপদ্রব দমনের ন্যূনতম প্রয়োজন ব্যতীত কোন কয়েদী কর্ম-চারী কোন অবস্থাতেই কোন বন্দীকে আঘাত করবে না। কোন কয়েদী কর্ম-চারী এই বিধি লংঘন করলে তাকে সাধারণ বন্দীতে স্থায়ীভাবে পদাবনতি করা হবে।

বিধি-৩৮৭। কোন কয়েদী কর্মচারী কারাগারে কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য লেনদেনে জড়িত হবার প্রমাণ পাওয়া গেলে কারা আইনের ৪২ ধারা মোতাবেক ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডনীয় হবে। এবং কোন ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার মাধ্যমে কোন বন্দীকে পলায়নে সাহায্য করলে দণ্ড বিধির ২২২ এবং ২২৩ ধারা মোতাবেক দণ্ডনীয় হবে। কয়েদী কর্মচারীরা বন্দী পলায়ন রোধে তাদের সর্ব শক্তি নিয়োগে বাধ্য থাকবে ।

বিধি-৩৮৮ । যদি কোন কয়েদী কর্মচারী তার উপর অর্পিত সকল বা কোন দায়িত্ব পালনে স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে যায়, তা হলে জেল সুপার কোন কয়েনী ওভারশিয়ার বা ওয়াচম্যানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি বা অপসারণ করতে পারবেন, তবে কয়েনী রক্ষীর ক্ষেত্রে কারা মহাপরিদর্শকের অনুমতি প্রয়োজন হবে।

বিধি-৩৮৯। কোন কয়েদী ওভারশিয়ার বা ওয়াচম্যানকে অন্য কোন কারাগার হতে এনে নিয়োগ করার পর যদি মারাত্মক কোন অপরাধের জন্যে সাধারণ বন্দীতে পদাবনতি করা হয়, তাকে যে কারাগার হতে প্রেরণ করা হয়েছিল সে কারাগারে ফেরত প্রদান করা হবে।

জেল কোড অনুযায়ী রিজার্ভ গার্ড । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

আজকে আমরা রিজার্ভ গার্ড সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা জেল কোডের  কারা কর্মকর্তা কর্মচারীর অন্তর্গত।

 

রিজার্ভ গার্ড । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

রিজার্ভ গার্ড । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী । জেল কোড

বিধি-৩৪৮ ৷ প্রত্যেক কারাগারে নিম্নোক্ত ভাবে রিজার্ভ গার্ড থাকবে-

  • প্রধান কারারক্ষী
  • কারারক্ষী
  • কেন্দ্রীয় কারাগার
  • জেলা কারাগার

ড্রিল ও আগ্নেয়াস্ত্র চালনার দক্ষতা বিবেচনা করে রিজার্ভ গার্ড বাছাই করতে হবে।

বিধি-৩৪৯। রিজার্ভ গার্ড সব সময় প্রস্তুত থাকবে যাতে তাৎক্ষণিক অস্ত্র এবং সরঞ্জাম নিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্যে নিয়োজিত হতে পারে। যে কোন গোলযোগ বা বিদ্রোহ এবং যৌথ পলায়ন চেষ্টা দমন করার জন্যে যে কোন সময় রিজার্ভ গার্ডকে কাজে লাগানো প্রয়োজন হতে পারে।

বিধি-৩৫০। জেলার এবং রিজার্ভ গার্ডের প্রধান কারারক্ষী লক্ষ্য রাখবেন যেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে রিজার্ভ গার্ডের রক্ষীর সংখ্যা ৩৪৮ বিধিতে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে কম না হয়। কোন রক্ষীকে দায়িত্ব থেকে অনুপস্থিত থাকার অনুমতি দেয়া হলে জেলার তার স্থান অন্য কোন সাধারণ রক্ষী দ্বারা পূরণ করার ব্যবস্থা করবেন। যখন কোন রক্ষীকে অনুরূপ দায়িত্বে ন্যস্ত করা হবে, তাকে রিজার্ভ গার্ডের জন্যে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে হবে।

বিধি-৩৫১। রিজার্ভ গার্ড বিশেষভাবে দক্ষ একজন প্রধান কারারক্ষীর অধীনে থাকবে, যিনি তাদেরকে সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদানে সক্ষম হবেন।

 

রিজার্ভ গার্ড । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি-৩৫২। এ কোডের অন্যত্র দায়িত্ব সম্পর্কে যা বলা আছে, তা ছাড়াও রিজার্ভ গার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান কারারক্ষীর দায়িত্ব হবে-

(ক) জেল সুপার এবং জেলারের অনুমোদন সাপেক্ষে কারাগারের এবং বন্দীদের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা;

(খ) বিভিন্ন ওয়াচ, চৌকি, সেন্ট্রি, এবং কয়েদী নাইট গার্ডদের দায়িত্ব তদারকী করা;

(গ) অস্ত্রগারের দায়িত্ব পালন এবং সকল অস্ত্র সদা ব্যবহারের উপযুক্ত করে রাখা;

(ঘ) মজুত গোলাবারুদের হিসাব রাখা

(ঙ) গার্ডদের সামরিক দক্ষতা বজায় রাখা;

(চ) সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত অন্যান্য দিন গার্ডদেরকে কমপক্ষে আধঘন্টা করে ড্রিল করানো;

(ছ) অনুপস্থিত গার্ড সম্পর্কে রিপোর্ট করা;

(জ) জেল সুপার প্রদত্ত ড্রিলের শাস্তি কার্যকর করা;

(ঝ) অনুমতি ব্যতীত কোন রক্ষী যাতে কারাগারের সীমানা ত্যাগ না করে নিশ্চিত করা,

(ঞ) কর্তব্যকালে সকল গার্ড সঠিক ভাবে ইউনিফর্ম পরিধান করেছে কিনা নিশ্চিত করা;

(ট) রাত্রে এক চক্কর ওয়াচ করা;

(ঠ) গার্ড রুম পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কিনা তা দেখা;

(ড) প্রত্যেক সেন্ট্রি তার পোস্টের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন কিনা তা নিশ্চিত করা;

 

রিজার্ভ গার্ড । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি-৩৫৩। জেল সুপার দৈনিক রিজার্ভ গার্ড পরিদর্শন করবেন এবং তার কারাগারে আগমনের সময় গার্ড পূর্ণ সংখ্যায় সকল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দন্ডায়মান থাকবে এবং অস্ত্র প্রদর্শন করবে, কোন সরকারী বা বেসরকারী ভিজিটর সকাল ৯ টার মধ্যে এলে তার ক্ষেত্রেও তা করা হবে। এ সময়ের পর অর্ধেক গার্ড চলে। যাবে।

বিধি-৩৫৪। জেল সুপার সকালে কারাগারে আসার পর রিজার্ভ গার্ডের প্রধান কারারক্ষী তার সামনে নিম্নোক্ত রিপোর্ট সমূহ পেশ করবেন-

প্রথমত :গত ২৪ ঘন্টায় রিজার্ভ গার্ড পূর্ণ সংখ্যায় হাজির ছিল কিনা, না থাকলে তার কারণ;

দ্বিতীয়ত: কোন পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা রাতে কারাগার ভিজিট করেছিলেন কিনা এবং রাতের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

তৃতীয়ত: অস্ত্র এবং গোলাবারুদ তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্যে প্রস্তুত রয়েছে কিনা;

চতুর্থত: রক্ষীদের কোন অসদাচরণ বা বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতি।

বিধি-৩৫৫। রিজার্ভ গার্ড ৬৭ বিধি মোতাবেক ভিজিটরদের স্কট করবে। রিজার্ভ গার্ড হতে বিধি ৩৪০ মোতাবেক গেইট সেন্ট্রির দায়িত্ব দিতে হবে এবং কেন্দ্রীয় কারাগারে আরো কতিপয় পোস্টে রিজার্ভ গার্ড হতে সেন্ট্রির দায়িত্ব প্রদান করতে হবে, যেখান হতে কারাগারের ভিতর সম্পূর্ণ ভাবে দেখা যায় এবং এলার্মের মাধ্যমে প্রয়োজনে অন্যান্য রিজার্ভ গার্ড ডাকা যায় ।

 

বিধি-৩৫৬ ৷ সেন্ট্রির সাধারণ দায়িত্ব হবেঃ-

(ক) বেয়নেট স্থাপন পূর্বক গার্ড দিবেন, রাইফেলের বাট নিচের দিকে এবং নল নিজের কাঁধে রেখে পোস্টের মধ্যেদ্রুত চলাচল করবেন, প্রতি দুই ঘন্টায় পনর মিনিটের বেশী ‘আরামে’ দাঁড়াবেন না: (ক)

(খ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রশ্নের জবার প্রদান করা ব্যতীত অন্য কারো সাথে কোন কথা বলবেন না;

(গ) কোন বন্দী বা কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করবেন না;

(ঘ) কোন অবস্থাতেই নিয়ম মোতাবেক অন্য আরেক জন দায়িত্ব গ্রহণ না

(ঙ) করলে পোস্ট ত্যাগ করবেন না; যদি কোন ব্যক্তি সূর্যাস্ত হতে সূর্যোদয়ের মাঝের সময়ে সেন্ট্রি পোস্ট দিয়ে অতিক্রম করার চেষ্টা করে তাকে অবশ্যই চ্যালেঞ্জ করতে হবে এবং থামার জন্যে আদেশ প্রদান করবেন। যদি ঐ ব্যক্তি থেকে কোন জবাব না পাওয়া যায়, সেন্ট্রি রাইফেল ‘প্রস্তুত’ করবেন এবং একই সময়ে প্রধান কারারক্ষী এবং অন্যান্য গার্ডকে ডাকবেন।

যদি অনধিকার প্রবেশকারী না পাড়ায় এবং পোস্ট অতিক্রম করার চেষ্টা করে, সেন্ট্রি তাকে বেয়নেট দেখিয়ে ভয় দেখাবেন। যদি অনধিকার প্রবেশকারী বল প্রয়োগের চেষ্টা করে বা কোন অস্ত্র দেখায়, সেন্ট্রি গুলি করার পূর্বে শেষ অবলম্বন হিসাবে বেয়নেট ব্যবহার করবেন। যদি সেখানে একাধিক অনুপ্রবেশকারী থাকে এবং তারা সেন্ট্রির আদেশ অমান্য করে এবং কারাগারের কোন অংশের দিকে ধাবিত হতে চায়, তিনি কোন প্রকার দ্বিধা না করে গুলি করবেন।

(চ) তার চারপাশে লোকজনকে ভিড় করতে দিবেন না,

(ছ) যদি তিনি দেখেন যে কোন বন্দী পলায়ন করছে, তিনি তাকে দাঁড়াতে বলবেন এবং যদি সে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানায় এবং সেখানে কোন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকে এবং লোকটিকে অন্য কোন ভাবে ঠেকানোর উপায় না থাকে, তিনি তাকে গুলি করবেন।

(জ) যদি লোকটি তার ডাকার সীমানার দূরে হয় এবং গার্ডদেরকে সংকেত দেয়ার প্রয়োজন হয়, তবে তিনি সংকেত হিসাবে ফাঁকা গুলি করবেন: সে সঙ্গে ৪৬৫ বিধি মোতাবেক তার হুইসেল বাজাবেন।

(ঝ) যদি তিনি কারাগারের ভিতরে বা কাছাকাছি পলায়নের সহায়তা হতে পারে এমন কোন দ্রব্য দেখেন সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান কারারক্ষীকে জানাবেন।

(ঞ) সেন্ট্রি তার দায়িত্ব কঠোরভাবে প্রয়োগ করবেন এবং কোন ব্যক্তি বিশেষের জন্যে ব্যতিক্রম করবেন না।

 

রিজার্ভ গার্ড । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি-৩৫৭। সপ্তম অধ্যায়ের বর্ণনা মোতাবেক রিজার্ভ গার্ড রাত্রে প্রহরায় সহায়তা করবে। যখন কোন রিজার্ভ গার্ড স্কট বা অন্য কোন কাজে কারাগারের ভিতরে নিয়োজিত থাকে সমান সংখ্যক সাধারণ রক্ষী দিয়ে তার স্থান পূরণ করতে হবে। যারা পরবর্তী প্রহরায় যাবে বা পূর্ববর্তী প্রহরা থেকে এসেছে, তাদের থেকে রক্ষী নির্বাচন করতে হবে।

যদি রিজার্ভ গার্ডের প্রধান কারারক্ষী রাতের প্রহরায় থাকেন, তবে অন্য একজন প্রধান কারারক্ষী বা জ্যেষ্ঠ রক্ষী তার স্থলাভিষিক্ত হবেন।

জেল কোড অনুযায়ী কারারক্ষীর দায়িত্ব । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

আজকে আমরা কারারক্ষীর দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা জেল কোডের  কারা কর্মকর্তা কর্মচারীর অন্তর্গত।

 

কারারক্ষীর দায়িত্ব । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী
কারারক্ষীর দায়িত্ব । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

কারারক্ষীর দায়িত্ব । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী । জেল কোড

বিধি-৩৪৫। প্রত্যেক কারারক্ষীর জন্যে জেল সুপার কিংবা জেলার কর্তৃক নির্ধারিত একটি নিজস্ব কাজের দায়িত্ব থাকবে; যেমন নির্দিষ্ট ওয়ার্ডের দায়িত্ব কিংবা একাধিক ওয়ার্ডের দায়িত্ব, একটি নির্দিষ্ট কারখানার দায়িত্ব কিংবা একাধিক কারখানার দায়িত্ব, কিংবা কারাগারের ভিতরে কিংবা বাহিরে বন্দীদের একটি নির্দিষ্ট গ্যাংয়ের দায়িত্ব। কারারক্ষীদের প্রহরা পোষ্ট এবং দায়িত্ব ঘন ঘন রদবদল করতে হবে যাতে করারাক্ষীরা কোন নির্দিষ্ট বন্দীর সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়তে না পারে। যে সব কারারক্ষী ওয়ার্ক শেডে কাজ করবেন তারা সকল যন্ত্রপাতি এবং তাদের জিম্মায় রাখা জিনিস হেফাজতের জন্যে দায়ী থাকবেন ।

বিধি-৩৪৬। এ কোডের অন্যত্র কারারক্ষীদের দায়িত্ব সম্পর্কে যা বলা আছে, তা ছাড়াও সকল কারারক্ষীর দায়িত্ব হবে-

(১) তাদের দায়িত্বে ন্যস্ত বন্দীদের গণনা করা এবং প্রধান কারারক্ষীকে সংখ্যা জানানো

(২) ডিউটি কালে দাঁড়িয়ে থাকা বা টহলরত থাকা। কর্তব্যরত অবস্থায় কোন অবস্থাতেই একজন রক্ষী বেল্ট খুলবেন না এবং হেলানোরত থাকবেন না বা বসবেন না:

(৩) তাদের দায়িত্বে থাকা বন্দীদের সংখ্যা জানা; ডিউটির প্রতি দফায় তাদের দায়িত্বে থাকা বন্দীদের ঘন ঘন গণনা করা এবং নিশ্চিত হওয়া যে তাদের দায়িত্বে বন্দী সংখ্যা সঠিক রয়েছে;

(8) তাদের নিকট ন্যস্ত করার পর গ্যাংয়ের সকল বন্দীকে তল্লাশী করা এবং অনুরূপ ভাবে অন্য কারো নিকট দায়িত্ব হস্তাস্তরের পূর্বে গণনা করা এবং কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য থাকলে তা খুঁজে বের করা;

(৫) কোন প্রকার {} মাদকদ্রব্য,) টাকা বা অনুমোদন বহির্ভূত খাদ্য দ্রব্য বন্দীদের দ্বারা ব্যবহার বা তাদের কাছে রাখা প্রতিরোধ করা। বন্দীদেরকে যতটুকু সরবরাহ করা হয় যেন তার বেশী খাদ্যশস্য, শাক- সব্জি, ফলমূল খেতে বা চুরি করতে না পারে তা দেখবেন;

 

কারারক্ষীর দায়িত্ব । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী
কারারক্ষীর দায়িত্ব । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

(৬) সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত বন্দী কাজে আলস্য দেখালে বা কাজ কম করলে রিপোর্ট করা;

(৭) জোরে কথা বলা, হাসাহাসি করা, গান গাওয়া, খেলা বা ঝগড়া করা এবং অন্যান্য অশোভন আচরণ প্রতিহত করা;

(৮) বন্দীরা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাবার সময় ডাবল লাইনে চলাচল নিশ্চিত করা এবং নিজেদের স্থান ত্যাগ এবং কারাগারের ভিতরে বিক্ষিপ্ত ঘুরাফিরা না করা নিশ্চিত করা। কোন বন্দীকে গ্যাং বহির্ভূত পাওয়া গেলে দায়িত্ব প্রাপ্ত রক্ষীকে শাস্তি প্রদান করা হবে।

(৯) কোন বন্দীর বিনা অনুমতিতে নিজের সীমানা বেষ্টনী পরিত্যাগ বা অন্য গ্যাংয়ের বন্দীর সাথে যোগাযোগ প্রতিহত করা;

(১০) কোন ময়লা আবর্জনা কারাগারে পড়ে আছে কিনা দেখা এবং ড্রেন পরিষ্কার আছে কিনা দেখা, মেথর বা সুইপারকে এ ব্যাপারে জানানো।

 

কারারক্ষীর দায়িত্ব । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী
কারারক্ষীর দায়িত্ব । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

(১১) বন্দী কর্তৃক ড্রেনে প্রস্রাব করা বা অন্য কোন স্থানের সৌন্দর্য্য হানি করা সম্পর্কে রিপোর্ট করা;

(১২) অনুমোদিত সময় ব্যতীত বন্দী কর্তৃক টয়লেট ব্যবহার না করা;

(১৩) বিধি ১৯১, ১৯২, এবং ৪৬৩ প্রতিপালন করানো;

(১৪) বিছানা পত্র, পোশাক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আছে কিনা দেখা;

(১৫) কোন বন্দীর অসুস্থতা সম্পর্কে জেলারকে জানানো

(১৬) পলায়ন, বিদ্রোহ, আক্রমণের কোন ষড়যন্ত্র সম্পর্কে রিপোর্ট করা;

(১৭) পোশাক বা জেল সম্পত্তির ইচ্ছাকৃত ক্ষতি সম্পর্কে রিপোর্ট করা:

(১৮) কোন বন্দী নিখোজ হলে সঙ্গে সঙ্গে জেলার বা কর্তৃপক্ষকে জানানো;

(১৯) কোন বন্দী কোন খাবার যাতে না লুকাতে পারে।

(২০) নিজ হাতিয়ার এবং অন্যান্য জিনিসপত্র পরিষ্কার করা এবং তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্যে উপযুক্ত করে রাখা।

 

টীকা-নং ১৯৭৫ এইচ, জে তারিখ ২৭-৭-১৯৩৭ এবং নং ৫০ এইচ জে তারিখ ১৩-১-১৯৫৪ ভুলে সংশোধিত।

বিধি-৩৪৭। প্রত্যেক কারারক্ষী ডিউটি অবস্থায় সকল সময় যথাযথ নিয়েমে পরিচ্ছন্ন ইউনিফর্ম ও বেল্ট পরিধান অবস্থায় থাকবেন এবং জেল সুপার প্রয়োজন মনে করলে হাতে ব্যাটন বা লাঠি থাকবে। ব্যাটন বেল্টের সাথে লুফ বা স্প্রিং দিয়ে ঝুলানো থাকবে যাতে সহজে খোলা যায়।

জেল কোড অনুযায়ী কারাগারের গেইট সেন্ট্রি । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

আজকে আমরা কারাগারের গেইট সেন্ট্রি সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা জেল কোডের  কারা কর্মকর্তা কর্মচারীর অন্তর্গত।

 

কারাগারের গেইট সেন্ট্রি । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

কারাগারের গেইট সেন্ট্রি । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী । জেল কোড

বিধি-৩৪০। রিজার্ভ গার্ড থেকে কারাগারের মূল ফটকে দিনে এবং রাত্রে একজন করে সেন্ট্রি দায়িত্ব পালন করবেন। লোকের প্রাপ্যতা অনুসারে তারা ২-৩ ঘন্টা করে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন। দিনে সেন্ট্রি বেয়নেট যুক্ত রাইফেল সঙ্গে নিয়ে মূল লৌহ ফটকের সন্নিহিত বাহিরে দায়িত্ব পালন করবেন।

বিধি-৩৪১। নাইট সেন্ট্রি দুই গেইটের মাঝখানে অবস্থান করবেন যাতে ভিতর বা বাহিরের আকস্মিক কোন ঘটনা মোকাবেলা করতে পারেন এবং তিনি ভিতরের গেইটের উইকেটের এবং বাহির গেইটের চাবি তার কাছে রাখবেন।

 

কারাগারের গেইট সেন্ট্রি । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

রাতের বেলায় কারাগার ভিজিটের প্রাধিকার প্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ হলেন- জেল সুপার, ম্যাজিষ্ট্রেট সরকারী এবং বেসরকারী পরিদর্শকগণ, ডেপুটি সুপার, জেলার, ডেপুটি জেলার, কর্তব্যরত প্রধান কারারক্ষী, প্রধান কারারক্ষীর দায়িত্ব প্রাপ্ত টহল কর্মচারী, মেডিকেল অফিসার এবং মেডিকেল সাব অর্ডিনেট।

বিধি-৩৪২। রাতে কোন কর্মকর্তা ভিজিট করলে নাইট সেন্ট্রি কর্তব্যরত প্রধান কারারক্ষীকে তা জানাবেন। তার দায়িত্বের সময়ে কোন গুরুত্বপূর্ণ অস্বাভাবিক কিছু ঘটে থাকলে তা রিজার্ভ গার্ডের কর্তব্যরত প্রধান কারারক্ষীকে জানাবেন, যাতে তিনি পরদিন সকালে জেল সুপারের ভিজিটের সময় তাকে অবহিত করতে পারেন।

 

বিধি-৩৪৩। রাতের বেলা গেইটের ভিতরে সার্বক্ষণিক একটি বাতি জ্বলবে।

বিধি-৩৪৪। নাইট সেন্ট্রি একটি রাইফেল এবং ২০ রাউন্ড গুলিসহ ডিউটি করবেন। কোন বিদ্রোহ বা গোলযোগ দেখা দিলে তিনি এলার্ম বাজাবেন এবং ৪৬৬ বিধি মোতাবেক গেইট রক্ষা করবেন। তার কাছে অস্ত্রাগারের একটি ডুপ্লিকেট চাবি থাকবে।

জেল কোড অনুযায়ী কারাগারের গেইট কিপার । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে কারাগারের গেইট কিপার । যা জেল কোডের  কারা কর্মকর্তা কর্মচারীর অন্তর্গত।

 

কারাগারের গেইট কিপার । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

কারাগারের গেইট কিপার । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

বিধি-৩২৬। গেইট কিপার হিসেবে দু’জন জ্যেষ্ঠ কারারক্ষী দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপারগণ উত্তম লোককে গেইট কিপার হিসেবে দায়িত্ব প্রদানের ব্যাপারে সর্বোচ্চ যত্নবান হবেন।

বিধি-৩২৭। গেইট কিপার কারাগার খোলার সময়ে ডিউটিতে আসবেন এবং দায়িত্ব হতে অব্যহতি না পাওয়া পর্যন্ত গেইটে থাকবেন। গেইট কিপারের দায়িত্ব পালনের জন্যে একটি দিনকে সুবিধামত দুই বা চার অংশে বিভক্ত করা যেতে পারে। প্রত্যেক গেইট কি-পার তার আগমন এবং প্রস্থান রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করবেন।

বিধি-৩২৮। গেইট কি-পার দুটি গেইট রেজিষ্টার রাখবেন (রেজিষ্টার-২৪ এবং ২৫)। একটিতে কারাগারের ভিতরে আসা যাওয়া করেছে এমন সকল কারা কর্মকর্তা-কর্মচারী, বন্দী এবং অন্যান্যদের নাম লিখবেন। অন্যটিতে কারাগারে মালামাল প্রবেশ ও বাহির হবার তালিকা রাখবেন। তিনি লোকজন এবং মালামাল যাতায়াতের সময় রেকর্ড করবেন। তিনি নিষিদ্ধ বস্তু প্রবেশ রোধের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।

বিধি-৩২৯। তিনি নুতন বন্দীদেরকে ভর্তির জন্য জেলার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সাহায্য করবেন। তিনি গেইটের ভিতরের পরিষ্কার পচ্ছিন্নতা বজায় রাখবেন।

বিধি-৩৩০। প্রত্যেক কেন্দ্রীয় এবং জেলা কারাগারে প্রধান প্রবেশ পথে দুটি গেইট থাকবে, দুটি গেইটের মাঝে পর্যাপ্ত দূরত্ব থাকবে। প্রত্যেক গেইটের মধ্যে একটি উইকেট (ক্ষুদ্র দরজা) থাকবে।

 

কারাগারের গেইট কিপার । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি-৩৩১। গেইট কি-পার একই সময়ে মাত্র একটি গেইট খুলবেন এবং কোন অবস্থাতেই দুটি গেইট একই সময়ে খোলা যাবে না। কোন লোক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিংবা বন্দী যেই হোক, প্রথম গেইট অতিক্রম করার পর গেইটটি সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করে তালাবদ্ধ করতে হবে এবং তার পর দ্বিতীয় গেইট খুলতে হবে। এ কাজে অবহেলার জন্যে দায়ী গেইট কি-পারকে শাস্তি স্বরূপ প্রথমবার মাসিক বেতনের অর্ধেক কাটা হবে এবং দ্বিতীয়বার চাকরি হতে বরখাস্ত করা হবে।

বিধি-৩৩২ । প্রধান গেইটের চাবি অনুরূপ ৮ টি নকল চাবিসহ একটি তোড়ার মধ্যে রাখতে হবে এবং চেইন দিয়ে গেইট কি-পারের কোমরের মধ্যে আটকিয়ে রাখতে হবে।

বিধি-৩৩৩। গেইট কিপার চাবি ডিউটি শেষে তার নিজের কাছে রাখবেন না। জেলারের উপস্থিতিতে তিনি প্রধান কারারক্ষীর নিকট অর্পন করবেন।

বিধি-৩৩৪। কারাগারের প্রধান গেইটের ভিতরের বারান্দায় নিম্নোক্ত জিনিসপত্র থাকবে-

  1. একটি দেয়াল ঘড়ি
  2. চাবি রাখার বক্স
  3. ব্যবহারের জন্যে প্রস্তুত রাখার উদ্দেশ্যে বেড়ী এবং হ্যান্ডকাপ
  4. গেইট রেজিষ্টারের জন্যে একটি উঁচু পাটাতন এবং লেখার দ্রব্য
  5. পরিদর্শকদের ব্যবহারের জন্যে জেল কোডের চতুর্থ অধ্যায়ের পুনঃমুদ্রিত কপি ।

 

বিধি-৩৩৫। কোন বন্দী কারাগারের গেইট দিয়ে বাহির হবার সময় গেইট কিপার তাকে প্রথমে ভিতরের গেইটে নিয়ে যাবেন এবং তা লক করবেন। তারপর বন্দীর নাম, যে গ্যাং ভুক্ত সে গ্যাংয়ের নাম, যে কয়েদী রক্ষী এবং ওভারশিয়ারের অধীনে ছিল তার নাম লিখতে হবে।

বিধি-৩৩৬। যে সব বন্দী কারাগারের বাহিরে যাবে জেল সুপারের অনুমোদন ক্রমে তারা জেলার কর্তৃক বিশেষভাবে নির্বাচিত হবে। যদি গেইট কিপারের গোচরে আসে যে কোন বন্দীকে নিয়মের পরিপন্থীভাবে কারাগারের বাহিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা হলে তিনি বিষয়টি বইতে নোট করবেন এবং সঙ্গে সঙ্গে জেলারকে জানাবেন, পাশাপাশিভাবে সুযোগ পাওয়া মাত্র জেল সুপারকেও জানাবেন।

বিধি-৩৩৭। কারাগারে প্রবেশের প্রাধিকারপ্রাপ্ত সকল সরকারী এবং বেসরকারী পরিদর্শকের একটি তালিকা গেইট কিপারের কাছে রাখতে হবে। তারা কারাগারের গেইটে নিজেদের পরিচয় দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে গেইট কিপার তাদেরকে প্রবেশ করতে দিবেন।

 

কারাগারের গেইট কিপার । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি-৩৩৮। যাদের নাম সরকারী এবং নিয়োগকৃত পরিদর্শকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে এবং জেল সুপারের বিশেষ আদেশে যাদেরকে তল্লাশী হতে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে তাদেরকে ছাড়া অন্য সকল ব্যক্তিকে কারাগারে প্রবেশ করার সময় ও কারাগার হতে বাহির হবার সময় দেহ তল্লাশী করার জন্য গেইট কিপার ক্ষমতা প্রাপ্ত।

সকল সরকারী এবং বেসরকারী পরিদর্শক এবং প্রধান কারারক্ষীসহ কারাগারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সাধারণত তল্লাশী হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত বলে গণ্য হবেন। যদি গেইট কিপারের কাছে সন্দেহ হয় যে, তল্লাশী হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত কোন ব্যক্তি আপত্তিকর কিছু বহন করছেন, তবে তিনি তাকে উভয় গেইটের মধ্যবর্তী স্থানে আটকাবেন এবং তাৎক্ষণিক ভাবে জেলারকে সংবাদ জানাবেন। জেলার উক্ত ব্যক্তিকে তল্লাশী করবেন।

এরূপ তল্লাশী কোন বন্দী বা অন্য পরিদর্শকের সামনে করা যাবে না। তল্লাশী সংক্রান্ত এ সব বিধান মূল গেইটের সামনে সাধারণের অবগতির জন্যে টাঙিয়ে রাখতে হবে। গেইট কিপার গেইট দিয়ে যাতায়াতকারী সকল বন্দীকে তল্লাশী করবেন।

যদি গেইট দিয়ে যাতায়াতকারী বন্দীর সংখ্যা বা বাহির কাজে যাবার এবং ফিরে আসার সময় বন্দী সংখ্যা বেশী হয় তবে জেলার গেইট কিপারকে তল্লাশী কাজে সাহায্য করার জন্যে সে সময় অতিরিক্ত কারারক্ষী নিয়োগ করতে পারবেন। তল্লাশী কালে আপত্তিকর কিছু পাওয়া গেলে তা জেলারকে জানাতে হবে।

বিধি-৩৩৯। কারাগারের গেইটের অভ্যন্তরে কোন কুকুর প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। এই বিধি বাধ্যতামূলক, সরকারী বা বেসরকারী পরিদর্শকদের কিংবা কারাগারের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে কোন কুকুর থাকলে সে ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

জেল কোড অনুযায়ী প্রধান কারারক্ষী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

আজকে আমরা প্রধান কারারক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা জেল কোডের  কারা কর্মকর্তা কর্মচারীর অন্তর্গত।

 

প্রধান কারারক্ষী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

প্রধান কারারক্ষী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

বিধি-৩১৭। জেলারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে জ্যেষ্ঠ প্রধান কারারক্ষীর উপর কারাগারের প্রশাসনের তদারকির দায়িত্ব ন্যস্ত হবে। তিনি তার অধস্তন এবং বন্দীদের এই কোড প্রতিপালন বিষয়ে তদারকী করবেন এবং তা কোন ভাবে লংঘিত হলে জেলার বা জেল সুপারকে জানাবেন।

বিধি-৩১৮। প্রত্যেক প্রধান কারারক্ষীর দায়িত্ব হবে-

(১) তার অধীনস্থ রক্ষীদের দায়িত্ব দেখাশুনা করা;

(২) তার অধীনস্থ রক্ষীদের উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা সম্পর্কে তিনি দায়ী থাকবেন:

(৩)কোন কারারক্ষী যথাযথ ভাবে ইউনিফর্ম পরিধান না করলে প্রধান কারারক্ষী সে ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

(8) রক্ষী ও বন্দী উভয় তরফ থেকে বিধি পালন কঠোর ভাবে কার্যকর করবেন এবং এর কোন প্রকার ব্যতিক্রম হলে তত্ত্বাবধায়ক ও জেলারকে অবহিত করবেন।

(৫)বিধি ১৯১ ১৯২ ও ৪৬৩ প্রতিপালন;

(৬) জেলারকে দৈনন্দিন কাজে সাহায্য করবেন;

(৭) জেলারের উপস্থিতিতে প্রত্যেকদিন সকালে ওয়ার্ড, সেল খুলবেন এবং বন্দী গণনা করবেন।

(৮) সম্ভ্রম বন্দীদের প্রত্যহ কাজ বন্টন

(৯) শ্রম বহিতে বন্দীর কাজ বন্টনের কারণ উল্লেখ করবেন

(১০) কাজের প্রয়োজনীয় মালামাল সরবরাহ করবেন

(১১) সে সব মালামাল সংগ্রহ করণ

(১২) বন্দীকে প্রদত্ত কাজ ঠিক ভাবে করেছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবেন

(১৩) ড্রেন, টয়লেট বাথরুম ওয়ার্ড ও খাবার ঘরের পরিচ্ছন্নতা তদারকী করন

(১৪) গার্ড পরিবর্তন কালে বন্দী পরীক্ষা করে দেখা

(১৫) দরজা, ফ্রেম প্রভৃতি নিরাপদ কিনা পরীক্ষা করা

(১৬) পলায়নে সহায়ক দ্রব্যাদি বন্দীর নাগালের বাহিরে নিশ্চিত করা

(১৭) জেলারের উপস্থিতিতে বন্দী গণনা করে লক করা।

 

প্রধান কারারক্ষী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি-৩১৯। (১) প্রহরা বদলের সময় দায়িত্ব গ্রহণকারী প্রধান কারারক্ষী তার রক্ষীদেরকে ডিউটি শুরু হবার কমপক্ষে ১০ মিনিট পূর্বে একত্রিত করবেন এবং ডিউটি পোষ্টে প্রেরণ করবেন; অতঃপর দায়িত্ব সমাপ্তকারী প্রহরী তার স্থান ত্যাগ করবেন।

(২) কারাগারের বাহিরে বন্দীদের গ্যাংয়ের দায়িত্ব পালনকালে প্রহরা বদলের সময় প্রধান কারারক্ষী বন্দীদেরকে সমবেত করবেন এবং গুণে দেখবেন তারা সকলে উপস্থিত রয়েছে কিনা এবং তা গ্যাং বইতে লিপিবদ্ধ করবেন।

বিধি-৩২০ । রক্ষীরা দুই সারিতে মার্চ করে দায়িত্বে যাবে বা দায়িত্ব শেষে ফিরে আসবে।

বিধি-৩২১ ৷ সেন্ট্রি এবং গেইট কিপার নির্দেশ মোতাবেক পরিবর্তন হয়েছে কিনা প্রধান কারা-রক্ষী তা দেখবেন। কেন্দ্রীয় কারাগারে কর্তব্যরত প্রধান কারা-রক্ষী গেইট সেন্ট্রি পরিবর্তন করবেন ।

বিধি-৩২২ । (১) প্রত্যেক প্রধান কারা-রক্ষী সাধারণত দিনের অর্ধেক এবং এক রাতের ওয়াচের দায়িত্ব পালন করবেন; এবং ওয়ার্ড, সেল এবং অন্যান্য কম্পার্টমেন্ট খোলা বা বন্ধের সময় উপস্থিত থাকবেন।

(২) দায়িত্ব এমন ভাবে বন্টন করতে হবে যাতে প্রধান কারা-রক্ষী রক্ষীদের দায়িত্ব বদলের সময় উপস্থিত থাকতে পারেন।

বিধি-৩২৩ ৷ প্রত্যেক দায়িত্ব বদলের সময় প্রধান কারারক্ষী বা গেইটম্যান মহিলা ওয়ার্ডে প্রবেশ না করে বাহির থেকে কয়েদী ওয়াচম্যানকে জিজ্ঞাসা করে নিশ্চিত হবেন যে সকল মহিলা বন্দী উপস্থিত রয়েছে কিনা ।

বিধি-৩২৪ ৷ (১) কোন চাবি অব্যবহৃত অবস্থায় কারো নিকট অর্পিত না থাকলে চাবি রাখার স্থানে থাকবে। উক্ত স্থান বা আলমারী দিনের বেলায় কর্তব্যরত জ্যেষ্ঠ প্রধান কারারক্ষীর দায়িত্বে থাকবে এবং রাতের বেলায় কর্তব্যরত টহল অফিসারের দায়িত্বে থাকবে।

(২) যখন কোন ব্যক্তির নিকট দায়িত্ব পালনের সময় কোন চাবি থাকবে, তখন তা একটি শক্ত চেইন দিয়ে তার শরীরের সঙ্গে আটকিয়ে রাখতে হবে।

(৩) ডুপ্লিকেট চাবি সঠিক লেবেল লাগিয়ে পৃথক আলমারীতে জেলারের দায়িত্বে থাকবে।

 

 

প্রধান কারারক্ষী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি-৩২৫। কোন পলায়ন ঘটনার জন্যে প্রধান কারারক্ষীগণ প্রাথমিকভাবে নারী থাকবেন, যতক্ষণ না তারা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেন।

জেল কোড অনুযায়ী কারারক্ষীর সার্কেল ব্যবস্থা । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

আজকে আমরা কারারক্ষীর সার্কেল ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা জেল কোডের  কারা কর্মকর্তা কর্মচারী অংশে অন্তর্গত।

 

কারারক্ষীর সার্কেল ব্যবস্থা । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

কারারক্ষীর সার্কেল ব্যবস্থা । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

বিধি ২৯৪- ২৯৮। প্রয়োগ নেই ।

বিধি ২৯৯-৩০৭। কারারক্ষী ও প্রধান কারারক্ষী নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত – বর্তমানে কর্মকর্তা ও কর্মচারী (কারা অধিদপ্তর) নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮৪ প্রযোজ্য।

বিধি-৩০৮ । কোন প্রধান কারারক্ষী বা কারারক্ষীকে তিন বছরের বেশী একই কারাগারে কর্মরত রাখা যাবে না।

 

কারারক্ষীর সার্কেল ব্যবস্থা । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি ৩০৯-৩১৩। কারারক্ষী ও প্রধান কারারক্ষী বদলি সংক্রান্ত ।

বিধি-৩১৪। কারাগার এলাকার মধ্যে প্রত্যেক প্রধান কারারক্ষীকে নিজের ও পরিবারের জন্যে স্বতন্ত্র বাসা প্রদান করতে হবে এবং সকল কারারক্ষীর জন্যে রাত্রিবাস এবং রান্না করার জায়গার সংস্থান করতে হবে। সম্ভব হলে কিছু সংখ্যক কারারক্ষীর পারিবারিক স্বতন্ত্র বাসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে, তবে তা গার্ড রুম থেকে বেশ দূরে হতে হবে।

বিধি-৩১৫ ৷ প্রয়োগ নেই।

বিধি-৩১৬। পৃথক কোন হাসপাতাল না থাকলে অসুস্থ কারারক্ষীগণ কারা হাসপাতালে রোগী হিসেবে ভর্তি পূর্বক চিকিৎসা পাবে এবং সরকারী খরচে ডায়েট পাবেন।

জেল কোড অনুযায়ী মেট্রন এবং মহিলা কারারক্ষী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

আজকে আমরা মেট্রন এবং মহিলা কারারক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা জেল কোডের  কারা কর্মকর্তা কর্মচারী অংশে অন্তর্গত।

 

মেট্রন এবং মহিলা কারারক্ষী

 

মেট্রন এবং মহিলা কারারক্ষী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি-২৮২। প্রত্যেক কেন্দ্রীয় এবং জেলা কারাগারে, একজন মেট্রন বা মহিলা কারারক্ষী থাকবে। কেন্দ্রীয় কারাগারে অতিরিক্ত এক বা দুইজন মহিলা কারারক্ষী থাকতে পারে।

বিধি-২৮৩ । যদি কোন মহিলাকে এ কাজে না পাওয়া যায়, তবে অর্ধেক সাজা ভোগ হয়েছে এমন ভাল চরিত্রের একজন সাজাপ্রাপ্ত মহিলা বন্দীকে দায়িত্ব দেয়া যতে পারে। তবে মহিলা বন্দীকে নিয়োগের বিষয়টি কারা মহাপরিদর্শককে জানাতে হবে।

 

বিধি-২৮৪। জেল সুপার এবং জেলারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে মেট্রন মহিলা বন্দীদের যাবতীয় দেখাশুনা এবং তত্ত্বাবধান করবেন। 

বিধি-২৮৫। মহিলা কারারক্ষী একজন হলে তিনি মেট্রনের সহকারী হিসেবে কাজ করবেন এবং মেট্রনের অনুপস্থিতিতে মেট্রন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মহিলা কারারক্ষীগণ মহিলা বন্দীদের প্রহরার কাজ করবেন।

 

মেট্রন এবং মহিলা কারারক্ষী

 

বিধি-২৮৬। মহিলা বন্দী কারাগারে ভর্তির সময় মেট্রন তাদেরকে তল্লাশী করবেন এবং কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য পেলে অপসারণ করবেন। তিনি মেডিকেল অফিসারের নির্দেশে মহিলা বন্দীদের শরীরে কোন জখম বা চিহ্ন রেকর্ড করার জন্যে পরীক্ষা করবেন। তাদের কাছে কোন টাকা পাওয়া গেলে তা জেলারের কাছে জমা দিবেন। তিনি কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে বা উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে মহিলা বন্দীদের তল্লাশী করবেন। মহিলাদের তল্লাশী কেবল মাত্র মহিলাদের উপস্থিতিতে করতে হবে ।

বিধি-২৮৭। মহিলা বন্দীদের ওয়ার্ড লক-ইন এবং লক-আপের সময় মেট্রন উপস্থিত থাকবেন। দিনের বেলায় চাবি তার দায়িত্বে থাকবে এবং রাতের বেলায় তা জেলারের নিকট হস্তান্তর করবেন ।

বিধি-২৮৮ । মেট্রন ওয়ার্ডের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রতি লক্ষ্য রাখবেন।

বিধি-২৮৯। জেল সুপার এবং জেলারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে মেট্রন সশ্রম সাজা প্রাপ্ত মহিলা বন্দীদের কাজ পরিচালনা করবেন।

বিধি-২৯০ । মহিলা বন্দীদের পোশাক-পরিচ্ছদ, বেডিং প্রভৃতি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে কিনা মেট্রন তা নিশ্চিত করবেন। । এই উদ্দেশ্যে মেট্রন মহিলা বন্দীদের পোশাক-পরিচ্ছদ, বেডিং প্রভৃতি নিয়মিত তল্লাশী করবেন} ।

নং- ৬৪৭৪ এইচ জে তারিখ ২৬-১০-১৯৪২ মূলে সংযোজিত। বিধি-২৯১ । মেট্রন মহিলা বন্দীদের খাদ্য বিতরণ তত্ত্বাবধান করবেন। নিম্নমানের খাদ্যের ব্যপারে তিনি জেল সুপারের নিকট রিপোর্ট করবেন।

বিধি-২৯২। কোন পুরুষ বন্দী মহিলা বন্দীদের এলাকায় অনুমোদিত কর্মকর্তা- কর্মচারী ছাড়া যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে দিকে মেট্রন লক্ষ্য রাখবেন। কোন কারা কর্মকর্তা বা কর্মচারী বিনা অনুমতিতে ও বিনা প্রয়োজনে মহিলা বন্দীদের এলাকায় প্রবেশ করলে বা প্রবেশের চেষ্টা করলে মেট্রন তা জেল সুপারকে জানাবেন।

বিধি-২৯৩। যদি কোন মহিলা বন্দী সেলে আটক তাকে তখন মেট্রন বা মহিলা রক্ষী সেলের চাবি নিজের সঙ্গে রাখবেন এবং বন্দীর কাছাকাছি অবস্থান করবেন, যাতে তার প্রয়োজনে সাড়া দিতে পারেন এবং আত্মহত্যা প্রতিহত করতে পারেন।

জেল কোড অনুযায়ী করণিক কর্মচারী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

আজকে আমরা করণিক কর্মচারী সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা জেল কোডের  কারা কর্মকর্তা কর্মচারী অংশে অন্তর্গত।

 

করণিক কর্মচারী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

করণিক কর্মচারী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

(সহকারী জেলার, প্রধান করণিক, সহকারী করণিক)

বিধি-২৭৭। করণিক কর্মচারী নিয়োগ বর্তমানে কর্মকর্তা ও কর্মচারী (কারা অধিদপ্তর) নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮৪ প্রযোজ্য।

বিধি-২৭৮। প্রত্যেক কারাগারে প্রয়োজনীয় সংখ্যক করণিক নিয়োগ করা হবে। কেবলমাত্র বিশেষ পরিস্থিতিতে সরকারের অনুমোদনক্রমে কারাগারের করণিকদেরকে নির্বাহী দায়িত্বে বদলি করতে হবে ।

বিধি-২৭৯। জেল সুপার কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদনক্রমে উৎপাদন বিভাগ সহ কেন্দ্রীয় কারাগারে করণিকদেরকে দায়িত্ব বন্টন করবেন। সাধারণত জ্যেষ্ঠ করণিক উৎপাদন বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত হবেন এবং ষ্টোর কিপার হিসাবে পরিচিত হবেন। প্রধান করণিক হিসাব, রিটার্ণ এবং সাধারণ পত্র যোগাযোগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যান্য করণিকগণ ডেপুটি জেলার, ষ্টোর কিপার এবং প্রধান করণিকের সহকারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং ভর্তি করণিক, রিলিজ করণিক, সহকারী ষ্টোর কিপার প্রভৃতি নামে অভিহিত হবেন ।

বিধি-২৮০। জেলা কারাগারে যদি একাধিক করণিক থাকে জেল সুপার কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদনক্রমে তাদেরকে ষ্টোর কিপার এবং প্রধান করণিকের দায়িত্ব প্রদান করবেন ।

 

করণিক কর্মচারী । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

 

বিধি-২৮১। কারাগারের কর-ণিকগণ জেলার এবং ডেপুটি জেলারের অধস্তন হবেন এবং তাদের আদেশ প্রতিপালন করবেন। তারা কারাগারের সকল বই কাগজপত্র, রেকর্ড ঠিকভাবে সঠিক জায়গায় এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে রাখার প্রতি লক্ষ্য রাখবেন।

জেল কোড অনুযায়ী ডেপুটি জেলার । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

আজকে আমরা ডেপুটি জেলার সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা জেল কোডের  কারা কর্মকর্তা কর্মচারী অংশে অন্তর্গত।

 

ডেপুটি জেলার
ডেপুটি জেলার

 

ডেপুটি জেলার । কারা কর্মকর্তা কর্মচারী

বিধি-২৭২ । প্রত্যেক কেন্দ্রীয় কারাগারে কমপক্ষে দুইজন এবং জেলা কারাগারে একজন করে ডেপুটি জেলার থাকবেন। এ সব পদে সাধারণত সরাসরি নিয়োগ করা হবে।

[বিধি-২৭২এ ৷} অকার্যকর।

নং ৭১ এইচ জে (১) ৬ পি-৮/৫৮ তারিখ-১৮-৪-১৯৬০ । মূলে সংযোজিত ।

 

ডেপুটি জেলার

 

বিধি-২৭৩। ডেপুটি জে-লার কারাগারে জেলারের পরবর্তী অধস্তন ও জেলারের সহকারী হিসেবে কাজ করবেন। তিনি জেলারের অনুপস্থিতিতে জেলারের দায়িত্ব পালন করবেন এবং উপস্থিতিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত জেলারের দায়িত্বের অংশ বিশেষ পালন করবেন।

বিধি-২৭৪। ডেপুটি জে-লারকে জেলারের দায়িত্ব এমনভাবে ভাগ করে দিতে হবে যা তিনি জেলারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রতিপালন করতে পারেন। ডেপুটি জে-লারকে যে দায়িত্ব প্রদান করা হবে তা জেল সুপার মিনিট বইতে লিপিবন্ধ করবেন। 

বিধি-২৭৫। জেলারের অনুপস্থিতিতে যখন ডেপুটি জে-লার অস্থায়ী ভাবে জেলারের দায়িত্বে থাকবেন, তখন তিনি জেলারের সকল ক্ষমতা ও দায়িত্বের অধিকারী হবেন।

বিধি-২৭৬। জেল সুপার ২৭৪ বিধিতে বর্ণিত মিনিট বইতে রেকর্ডকৃত দায়িত্বের অতিরিক্ত ২৪২,247,288,2৫১ এবং ২৬২ বিধি ব্যতীত জেলারের অন্যান্য কাজের অংশ বিশেষ ডেপুটি জে-লারকে প্রদান করতে পারবেন। ডেপুটি জে-লার শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলারের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি জেলারের অনুমতি ব্যতীত রাতে বাসা হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না ।