বন্দীদের স্থানান্তর করণ

বন্দীদের স্থানান্তর করণ | বন্দী আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের স্থানান্তর করণ

বন্দীদের স্থানান্তর করণ

 

বন্দীদের স্থানান্তর করণ

 

২৮। এই ভাগে কারাগার, প্রভৃতির উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুলকেও বুঝাইবে।-

এই ভাগে কারাগার বা কারাবাস বা অন্তরীণ প্রভৃতির সকল উল্লেখে রিফরমেটরী স্কুল বা সেখানে আটক রাখাকেও বুঝাইবে।

২৯। বন্দীদের স্থানান্তর।-

(১) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে কোন কারাগারে,

            (ক) মৃত্যুদণ্ডাদেশ অধীন বন্দী, বা

            (খ) তদধীনে, বা তদস্থলে, কারাদণ্ড বা দ্বীপান্তর, বা

            (গ) জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য, বা

            (ঘ) শান্তিরক্ষার জন্য বা সদাচরণের জন্য মুচলেকা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য, আটক যে কোন বন্দীকে বাংলাদেশের অন্য যে কোন কারাগারে স্থানান্তরের জন্য ব্যবস্থা করিতে পারেন।

(২) সরকারের আদেশ এবং নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, কারা মহা পরিদর্শক, অনুরূপ উপায়ে, বাংলাদেশের কোন কারাগারে পূর্ব বর্ণিত আটক কোন বন্দীকে বাংলাদেশের অপর কোন কারাগারে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন।

 

 

৩০। উম্মাদ বন্দীদেরকে কিভাবে পরিচালনা করিতে হইবে।-

(১) যখন সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন আদালতের আদেশ বা দণ্ডাদেশে আটক বা অন্তরীণ কোন ব্যক্তি মানসিক বিকারগ্রস্ত, সরকার ঐ ব্যক্তির মানসিক বিকারগ্রস্ততার কারণে তাহাকে উম্মাদ আশ্রয় কেন্দ্র বা বাংলাদেশের অন্য কোথাও নিরাপদ হেফাজতে স্থানান্তরের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন; সেখানে তাহাকে আটক রাখা হইবে এবং দণ্ডাদেশ মোতাবেক অবশিষ্ট সাজার মেয়াদ পর্যন্ত সরকারের নির্দেশ মোতাবেক পরিচালনা করা হইবে,

কিংবা, সাজার মেয়াদ শেষ হইয়া গেলেও, মেডিকেল অফিসার যদি সার্টিফিকেট প্রদান করেন যে, বন্দীর বা অন্যদের নিরাপত্তার জন্য তাহাকে চিকিৎসা সেবার জন্য পুনরায় আটক রাখা প্রয়োজন, অত:পর আইন মোতাবেক খালাস প্রদান না করা পর্যন্ত তাহাকে সেখানে রাখা হইবে ।

(২) যখন সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বন্দী মানসিক সুস্থতা অর্জন করিয়াছে, যদি বন্দী হিসাবে এখনও তাহাকে আটক রাখিবার দায় থাকে, তাহা হইলে যেই কারাগার হইতে তাহাকে স্থানান্তর করা হইয়াছিল সেই কারাগারে, বা বাংলাদেশের অন্য কোন কারাগারে পুনরায় তাহাকে আটক রাখিবার জন্য, বা যদি আটক রাখিবার কোন দায় না থাকে তবে, তাহাকে খালাসের জন্য, সরকার ওয়ারেন্ট মূলে আদেশ প্রদান করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) মোতাবেক উম্মাদ আশ্রয় কেন্দ্রে আটক সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে, আটকের বা কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হইয়া যাওয়ার পর, ১৯১২ সালের উম্মাদ আইনের বিধান সমূহ প্রযোজ্য হইবে; এবং, যে সময় বন্দী উম্মাদ আশ্রয় কেন্দ্রে আটক ছিল ঐ সময়কে তাহার কারাভোগ বলিয়া গণনা করা হইবে, যাহা ভোগ করিবার জন্য আদালত তাহাকে দণ্ড প্রদান করিয়াছে । 

 

বন্দীদের স্থানান্তর করণ

 

৩১ । বাতিল ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *