কারা অপরাধসমূহ

কারা অপরাধসমূহ | কারা আইন

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কারা অপরাধসমূহ ।

কারা অপরাধসমূহ

 

কারা - অপরাধসমূহ ।

 

৪৫। কারা-অপরাধসমূহ।-

নিম্নোক্ত কার্যাবলী কারা অপরাধ হিসাবে ঘোষণা করা হইল, যখন সে গুলি কোন বন্দী করিবে-

          (১) ,, ৫৯ ধারা অধীনে প্রণীত বিধানে কারা অপরাধ হিসাবে ঘোষণা করা হইয়াছে কারাগারের এমন বিধানের ইচ্ছাকৃত অবজ্ঞা করা;

          (2) কোন আক্রমণ বা অপরাধ মূলক বল প্রয়োগ করা; 

          (৩) অপমানজনক বা ভয় দেখানোর ভাষা ব্যবহার করা;

          (8) অনৈতিক বা অশোভন বা বিশৃঙ্খল আচরণ করা;

          (৫)ইচ্ছাকৃত ভাবে নিজেকে কাজের অযোগ্য করা;

          (৬)কাজ করিতে অবজ্ঞা সহকারে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করা;

          (৭) অনুমতি ব্যতীত হ্যান্ডকাপ, বেড়ী বা ডান্ডা ঘষা, কাটা, পরিবর্তন বা অপসারণ করা;

          (৮) কোন সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত বন্দীর কাজের প্রতি ইচ্ছাকৃত অলসতা বা অবহেলা;

          (৯)কোন সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত বন্দী কর্তৃক কাজের ইচ্ছাকৃত অব্যবস্থাপনা করা;

          (10) কারাগারের সম্পত্তির ইচ্ছাকৃত ক্ষতি করা;

          (১১) হিস্ট্রি টিকেট, রেকর্ড, দলিলপত্র বিনষ্ট করা বা পরিবর্তন করা;

          (১২) কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য গ্রহণ, দখলে রাখা বা হস্তান্তর করা; 

          (১৩) অসুস্থতার ভান করা;

          (১৪) কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী বা বন্দীর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা অভিযোগ আনা; 

          (১৫) অগ্নিকান্ড, কোন গোপন চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র, কোন পলায়ন বা পলায়নের প্রস্তুতি,এবং কোন বন্দী বা কোন কারা কর্মকর্তা- কর্মচারীর উপর কোন আক্রমণ বা আক্রমণের প্রস্তুতির সংবাদ জ্ঞাত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে না জানানো বা জানাইতে অসম্মতি জ্ঞাপন;

          (১৬) পলায়নের ষড়যন্ত্র করা, কিংবা পলায়ন বা পূর্ব বর্ণিত অন্য কোন অপরাধ করিতে সাহায্য করা।

৪৬। অনুরূপ অপরাধের শাস্তি।-কোন ব্যক্তি অনুরূপ কোন অপরাধ করিলে সুপারিনটেন্ডেন্ট পরীক্ষা করিয়া দেখিবেন, এবং অনুরূপ অপরাধের জন্য, নিম্নোক্ত শাস্তি নির্ধারণ করিতে পারিবেন-

         (১) আনুষ্ঠানিক সতর্ক করা;

ব্যাখ্যা।- আনুষ্ঠানিক সতর্ক বলিতে বুঝাইবে সুপারিনটেন্ডেন্ট কর্তৃক বন্দীকে ব্যক্তিগত ভাবে সতর্ক করিয়া দেওয়া এবং শাস্তি বইতে এবং বন্দীর হিস্ট্রি টিকেটে তাহা রেকর্ড করা।

         (2) শ্রম পরিবর্তন করিয়া সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধিতে নির্ধারিত সময়ের জন্য আরও গুরু বা কষ্টদায়ক শ্রম প্রদান করা ;

         (৩) সাজাপ্রাপ্ত বিনাশ্রম ফৌজদারি বন্দীকে অনধিক ৭ দিনের জন্য কঠোর শ্রম প্রদান করা;

         (8) সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধানের অধীনে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রেয়াত সুবিধা বাতিল করণ;

         (৫) অনধিক তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের জন্য সাধারণ পোশাকের পরিবর্তে চট বা উলেন নয় এমন অন্যান্য উপাদানের মোটা কাপড়ের পোশাক পরানো ;

         (৬) সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধানে নির্ধারিত সময়ের জন্য অনুরূপ উপায়ে এবং অনুরূপ ধরন ও ওজনের হ্যান্ড কাপ আরোপ করা;

         (৭) সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধানে নির্ধারিত সময়ের জন্য অনুরূপ উপায়ে এবং অনুরূপ ধরন ও ওজনের বেড়ী আরোপ করা; 

         (৮) অনধিক তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের পৃথক কারাবাস;

ব্যাখ্যা- পৃথক কারাবাস অর্থ এমন সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাবাস,যেখানে কোন বন্দীকে অন্যান্য বন্দীদের সহিত যোগাযোগ বিচ্ছিন্নভাবে রাখা হইবে,কিন্তু তাহাদের দৃষ্টির অগোচরে রাখা হইবে না এবং বন্দীকে দৈনিক কমপক্ষে এক ঘন্টা ব্যায়াম করিতে দেওয়া হইবে এবং এক বা একাধিক বন্দীর সহিত খাবার গ্রহণের সুযোগ পাইবে;

         (৯) শাস্তিমূলক খাবার- অর্থাৎ, পরিশ্রমের বিবেচনা সাপেক্ষে সরকার যেইরূপ নির্ধারন করিবেন সেই রকম উপায়ে খাবার গ্রহণে বাধা-নিষেধ আরোপ;

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ খাবার গ্রহণের বাধা-নিষেধ কোন ভাবেই কোন বন্দীর উপর ধারাবাহিকভাবে ৯৬ ঘন্টার বেশী প্রয়োগ করা যাইবে না, এবং নুতন অপরাধের জন্য এক সপ্তাহের বিরতি অতিবাহিত না হইলে পুনরায় প্রয়োগ করা যাইবে না ।

         (১০) অনধিক ১৪ দিন পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের জন্য একক সেলে আটক রাখা; তবে শর্ত থাকে যে, যে মেয়াদের জন্য একজন বন্দীকে একক সেলে আটক রাখা হইবে, সেই মেয়াদের কম নয়, এমন বিরতি অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত নুতন অপরাধের জন্য তাহাকে পুনরায় একক সেলে বা নির্জন কারাবাসে আটক রাখা যাইবে না ।

ব্যাখ্যা।- সেলে আটক বলিতে এমন সশ্রম বা বিনাশ্রম আটককে বুঝাইবে, যেখানে কোন বন্দীকে অন্যান্য বন্দীদের সহিত সম্পূর্ণ ভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হইবে, কিন্তু তাহাদের দৃষ্টির অগোচরে রাখা হইবে না।

             (১১) ৯ উপ-ধারায় সংজ্ঞায়িত শাস্তি মূলক খাবার এবং সেই সঙ্গে সেলে আটক; 

(১২)বেত্রাঘাত, শর্ত থাকে যে, আঘাতের সংখ্যা ত্রিশের বেশী হইবে না; তবে তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারায় কোন মহিলা বা সিভিল বন্দীর ক্ষেত্রে হ্যান্ডকাপ বা বেড়ী এবং বেত্রাঘাত আরোপ করা হইবে না ।

৪৭। ৪৬ ধারার অধীনে একাধিক শাস্তি।-

(১) নিম্নোক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া, পূর্ববর্তী ধারায় বিবৃত যে কোন দুইটি শাস্তি অনুরূপ অপরাধের জন্য এক সাথে আরোপ করা যাইতে পারে-

(ক) আনুষ্ঠানিক সতর্ক উক্ত ধারার (৪) উপ-ধারায় বর্ণিত রেয়াত সুবিধা বাতিল করণ ব্যতীত অন্য কোন শাস্তির সাথে একত্রে দেয়া যাইবে না ; 

(খ) শাস্তিমূলক খাবার উক্ত ধারার (২) উপ-ধারায় বর্ণিত শ্রম পরিবর্তনের সাথে একত্রে দেয়া যাইবে না, কিংবা এককভাবে আরোপিত অতিরিক্ত সময়ের জন্য শাস্তিমূলক খাবার এবং সেলে আটকের সঙ্গে কোন শাস্তি মূলক খাবার একত্রিত করা যাইবে না ।

(গ) অন্যান্য বন্দীদের হইতে বন্দীর নি:সঙ্গতার মোট মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য সেলে আটকের সঙ্গে পৃথক কারাবাস একত্রিত করা যাইবে না; 

(ঘ) একক কারাবাস এবং পৃথক কারাবাস এবং রেয়াত সুবিধা বাতিল করণ ব্যতীত অন্যান্য শাস্তির সহিত বেত্রাঘাত একত্রে দেওয়া যাইবে না;

(ঙ) সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিধি লংঘন করিয়া কোন শাস্তি অন্য শাস্তির সহিত এক সাথে দেওয়া যাইবে না। 

(২) দুইটি শাস্তির কোনটি একত্রে অন্য শাস্তির সহিত আরোপ করা যাইবে না,যার একটি অনরূপ কোন অপরাধের জন্য আরোপ করা হইয়াছে।

৪৮। ৪৬ এবং ৪৭ ধারার অধীনে শাস্তি আরোপ।-

(১) পূর্ববর্তী দুইটি ধারায় বর্ণিত শাস্তি আরোপের জন্য সুপারিনটেন্ডেন্টের ক্ষমতা থাকিবে, শর্ত থাকে যে, একমাসের অতিরিক্ত পৃথক কারাবাস প্রদানের ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শকের পূর্ব অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে। 

(২) সুপারিনটেন্ডেন্টের অধস্তন কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীর কোন প্রকারের শাস্তি আরোপের ক্ষমতা থাকিবে না।

৪৯। পূর্ববর্তী ধারা সমূহ অনুসারে শাস্তি হইতে হইবে।

বিচার আদালতের আদেশের ব্যতিক্রম ছাড়া, পূর্ববর্তী ধারা সমূহে বর্ণিত শাস্তি ব্যতীত অন্য কোন শাস্তি কোন বন্দীর উপর প্রয়োগ করা যাইবে না, এবং কোন শাস্তি কোন বন্দীর উপর পূর্ববর্তী ধারা সমূহে বর্ণিত উপায় ব্যতীত অন্য কোন ভাবে প্রয়োগ করা যাইবে না । 

 

৫০। বন্দী শাস্তির জন্য সক্ষম মর্মে মেডিকেল অফিসারের সার্টিফিকেট প্রদান।-

(১) শাস্তি মূলক খাবার একক, বা যৌথভাবে, কিংবা বেত্রাঘাত, কিংবা ৪৬ ধারার (২) উপ-ধারার অধীন শ্রমের পরিবর্তনের কোন শাস্তি সেই পর্যন্ত আরোপ করা যাইবে না, যেই পর্যন্ত মেডিকেল অফিসার যে বন্দীকে শাস্তি দেওয়া হইবে তাহাকে পরীক্ষা না করেন, যিনি, যদি মনে করেন যে বন্দী উক্ত শাস্তি গ্রহণের জন্য উপযুক্ত, তাহা হইলে ১২ ধারায় বর্ণিত শাস্তি বইয়ের যথোপযুক্ত কলামে সেই অনুযায়ী সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন ।

        (২) যদি তিনি মনে করেন যে, বন্দী শাস্তি গ্রহণের জন্য অনুপযুক্ত, তাহা হইলে তিনি যথোপযুক্ত রেকর্ডে তাহার মতামত লিপিবদ্ধ করিবেন এবং বর্ণনা করিবেন                   যে, বন্দীকে যে ধরনের শাস্তি প্রদান করা হইয়াছে তাহার জন্য সে একেবারেই অনুপযুক্ত, বা তিনি কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন মনে করেন কিনা ।

        (৩) শেষের ক্ষেত্রে তিনি বর্ণনা করিবেন যে, কি ধরণের শাস্তি বন্দী কোন প্রকার শারীরিক ক্ষতি ছাড়া গ্রহণ করিতে পারিবে।

৫১। শাস্তি বইতে অন্তর্ভুক্তকরণ।-

(১) ১২ ধারায় বর্ণিত শাস্তি বইয়ে রেকর্ড করিতে হইবে, যে সকল শাস্তি প্রয়োগ করা হইয়াছে, বন্দীর নাম, রেজিষ্টার নম্বর এবং তাহার শ্রেণী (অভ্যাসগত না অনভ্যাসগত), যে কারা অপরাধে তাহার শাস্তি হইয়াছে, উক্ত কারা অপরাধ সংঘটনের তারিখ, বন্দীর বিরুদ্ধে পূর্বে রেকর্ডকৃত শাস্তির সংখ্যা, এবং তাহার সর্বশেষ কারা অপরাধের তারিখ, এবং শাস্তি প্রয়োগের তারিখ।

(২) প্রত্যেক মারাত্মক কারা অপরাধের ক্ষেত্রে,যে সকল সাক্ষী অপরাধ প্রমাণ করিতেছে তাহাদের নাম রেকর্ড করিতে হইবে,এবং, যে অপরাধের ক্ষেত্রে বেত্রাঘাত প্রদান করা হইয়াছিল, সুপারিনটেন্ডেন্ট সাক্ষীদের সাক্ষ্যের সারবস্তু, বন্দীর জবাব এবং কারণ সম্বলিত প্রাপ্ত তথ্যাদি রেকর্ড করিবেন ।

(৩) শাস্তি সংক্রান্ত প্রত্যেক অন্তর্ভূক্তির বিপরীতে অন্তর্ভূক্তির সঠিকতা সম্পর্কে জেলার এবং সুপারিনটেন্ডেন্ট তাহাদের স্বাক্ষর সংযোজন করিবেন।

৫২। জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে পদ্ধতি।-

যদি কোন বন্দী কারা-শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য শাস্তি প্রাপ্ত হয়, তাহার এই উপর্যুপরি অপরাধসমূহের জন্য বা অন্য কারণে, সুপারিনটেন্ডেন্টের মতে, এই আইনে শাস্তি প্রদানের যে ক্ষমতা তাহার আছে তাহা যথেষ্ট নয় বলিয়া প্রতীয়মান হইলে, সুপারিনটেন্ডেন্ট পরিস্থিতির একটি বর্ণনাসহ এই ধরনের বন্দীকে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে বা এখতিয়ার সম্পন্ন অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে প্রেরণ করিতে পারেন,

এবং ম্যাজিষ্ট্রেট বিষয়টি তদন্ত করিবেন এবং বন্দীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হইয়াছে, তাহার বিচার করিবেন, এবং, তাহাকে এক বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদান করিতে পারিবেন, এই কারাদণ্ডের মেয়াদ বন্দীর ভোগরত কারাদণ্ডের মেয়াদের অতিরিক্ত হইবে,কিংবা তাহাকে ৪৬ ধারায় বর্ণিত যে কোন শাস্তি প্রদান করিতে পারিবেন। :

শর্ত থাকে যে, এই ধরনের যে কোন মামলা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট তদন্ত এবং বিচারের জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন,এবং

আরও শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি প্রদান করা যাইবে না ।

৫৩। বেত্রাঘাত।-

(১) কোন বেত্রাঘাতের শাস্তি কিস্তিতে বা সুপারিনটেন্ডেন্ট এবং মেডিকেল অফিসার বা মেডিকেল সাব-অর্ডিনেটের উপস্থিতিতে ছাড়া প্রয়োগ করা যাইবে না ।

(২) আধা ইঞ্চির বেশী পরিধি হইবে না, এমন একটি হাল্কা বেত দ্বারা বেত্রাঘাত প্রয়োগ করিতে হইবে, এবং ১৬ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে আরও হাল্কা বেত দ্বারা স্কুলে বেত্র দেয়ার মতো প্রয়োগ করিতে হইবে ।

৫৪ । কারা অধস্তনদের কর্তৃক অপরাধ।-

(১) প্রত্যেক জেলার বা তাহার অধস্তন কারা কর্মকর্তা-কর্মচারী কোন দায়িত্ব বরখেলাপ বা ইচ্ছাকৃতভাবে কোন নিয়ম বা বিধি বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের আইন সম্মত আদেশ ভঙ্গ বা অবহেলার জন্য, বা অনুমতি ছাড়া বা দুই মাস পূর্বে তাহার অভিপ্রায় সম্পর্কে লিখিত নোটিশ প্রদান না করিয়া দপ্তরের কাজ ছাড়িয়া চলিয়া যাইবার জন্য, বা অনুমোদিত ছুটির অতিরিক্ত অবস্থান করিবার জন্য,

বা অনুমতি ছাড়া কারাগারের কাজ ছাড়া অন্য কাজে নিয়োজিত হইবার জন্য,বা কাপুরুষতার জন্য দোষী হইবে তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা, বা অনধিক তিন মাসের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে। 

 

কারা - অপরাধসমূহ ।

 

(২) এই ধারার অধীনে কোন ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি পাইবে না ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *