আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের শৃঙ্খলা ।
Table of Contents
বন্দীদের শৃঙ্খলা ।

২৭। বন্দীদের পৃথকীকরণ।-
এই আইনের চাহিদা মতে বন্দীদের নিম্নোক্ত ভাবে পৃথক করিতে হইবে ঃ-
(১) যে কারাগারে মহিলা এবং পুরুষ উভয় প্রকার বন্দী আছে, সেখানে মহিলাদেরকে পৃথক ভবনে অথবা একই ভবনের পৃথক অংশে এমনভাবে অন্তরীণ রাখিতে হইবে যে, পুরুষ বন্দীদের সঙ্গে তাদের দেখা, কথা বলা বা কোন যৌন সহবাস করা না যায়;
(২) যে কারাগারে একুশ বৎসরের কম বয়সের পুরুষ বন্দী আটক রহিয়াছে, তাহাদেরকে অন্যান্য বন্দীদের হইতে আলাদা রাখিবার ব্যবস্থা করিতেহইবে এবং তাদের মধ্যে যাহারা বয়:সন্ধিতে উপনীত হইয়াছে তাহাদেরকে যাহারা উপনীত হয় নাই তাহাদের হইতে আলাদা রাখিতে হইবে;
(৩) অসাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদেরকে সাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদের হইতে আলাদা রাখিতে হইবে; এবং
(৪) সিভিল বন্দীদেরকে ফৌজদারি বন্দীদের হইতে আলাদা রাখিতে হইবে।

২৮। বন্দীদের একত্রীকরণ এবং পৃথক রাখা।-
পূর্ববর্তী ধারার চাহিদা সাপেক্ষে,সাজাপ্রাপ্ত ফৌজদারি বন্দীদেরকে একত্রে কিংবা পৃথকভাবে সেলে কিংবা একটির আংশিক উপায়ে এবং অপরটির আংশিক উপায়ে আটক রাখা যাইতে পারে ।
২৯। নির্জন কারাবাস।-
নির্জন কারাবাসের জন্য কোন সেল ব্যবহার হইবে না, যদি তাহা এমনভাবে তৈরী করা না হয় যে, বন্দী সেখান হইতে যে কোন সময় কারাগারের একজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহিত যোগাযোগ করিতে সক্ষম হয়, এবং সাজার অংশ হিসাবে বা অন্য যে কারণেই হউক, ২৪ ঘন্টার বেশী সময় এইরূপ সেলে আটক প্রত্যেক বন্দীকে মেডিকেল অফিসার বা মেডিকেল সাব- অর্ডিনেট দৈনিক কমপক্ষে একবার ভিজিট করিবেন।
৩০। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত বন্দী।-
(১) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন বন্দীকে, দণ্ড প্রদানের পর কারাগারে আগমনের সঙ্গে সঙ্গে, জেলার কর্তৃক, বা জেলারের নির্দেশে, তল্লাশী করিতে হইবে, এবং তাহার নিকট হইতে সে সকল জিনিস সরাইয়া লইতে হইবে জেলারের বিবেচনায় যে সকল জিনিস মারাত্মক বা তাহার দখলে রাখা সমীচীন হইবে না ।

(২) অনুরূপ প্রত্যেক বন্দীকে অন্য বন্দীদের হইতে আলাদা একটি সেলে আটক রাখিতে হইবে, এবং দিবারাত্র একজন প্রহরীর দায়িত্বে ন্যস্ত রাখিতে হইবে।