আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় বন্দীদের ভর্তি, অপসারণ এবং খালাস।
Table of Contents
বন্দীদের ভর্তি, অপসারণ এবং খালাস।

২৪। ভর্তিকালে বন্দীদেরকে পরীক্ষা করিতে হইবে।-
(১) যখনই একজন বন্দীকে কারাগরে ভর্তি করা হইতেছে, তাহাকে তল্লাশী করিতে হইবে, এবং সকল অস্ত্র এবং নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি তাহার নিকট হইতে রাখিয়া দিতে হইবে।
(২) প্রত্যেক ফৌজদারি বন্দীকে, ভর্তির যথা শীঘ্র পরে, মেডিকেল অফিসারের সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশেও পরীক্ষা করা হইবে। মেডিকেল অফিসার জেলারের নিকট রক্ষিত একটি বইতে বন্দীর শারীরিক অবস্থার একটি বর্ণনা এবং কোন জখম বা চিহ্ন, সে যদি সশ্রম কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় কোন শ্রেণীর কাজের জন্যে উপযুক্ত প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত করিবেন বা করাইবেন এবং উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করিলে অন্য যে কোন বিষয় উল্লেখ করিবেন।
(৩) মহিলা বন্দীদের ক্ষেত্রে তল্লাশী এবং পরীক্ষা মেডিকেল অফিসার এর সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশে মেট্রন দ্বারা করিতে হইবে।
২৫। বন্দীদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি।
সকল টাকা এবং অন্যান্য দ্রব্যাদি সম্পর্কে উপযুক্ত আদালত কর্তৃক কোন আদেশ প্রদান না করা হইলে, এবং যে সকল জিনিস যথাযথ কতৃত্ব বলে ফৌজদারি বন্দী কর্তৃক কারাগারে নিয়ে আসে বা তাহার ব্যবহারের জন্য তাহার নিকট প্রেরিত হয়, তাহা জেলারের হেফাজতে রাখিতে হইবে ।

২৬। বন্দী স্থানান্তর এবং খালাস।-
(১) সকল বন্দীকে, অন্য কারাগারে স্থানান্তরের পূর্বে, মেডিকেল অফিসার কর্তৃক পরীক্ষা করিতে হইবে।
(২) কোন বন্দীকে এক কারাগার হইতে অন্য কারাগারে সরানো যাইবে না, যদি না মেডিকেল অফিসার সার্টিফিকেট প্রদান করেন যে বন্দী সরানোর অযোগ্য করিতে পারে এমন ভীষণ অসুস্থতা হইতে মুক্ত।

(৩) কোন মারাত্মক বা বিপদজনক রোগ ভোগ করিতেছে এমন কোন বন্দীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কারাগার হইতে অবমুক্তি প্রদান করা যাইবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়ে মেডিকেল অফিসার মতামত প্রদান না করেন ।