আজকে আমরা রেয়াত ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করবো।

রেয়াত ব্যবস্থা । জেল কোড
কারা আইন, ১৮৯৪ এর ৫৯ ধারার উপ-ধারা (৫) মোতাবেক রেয়াত মঞ্জুরীর মাধ্যমে দণ্ডের মেয়াদ হ্রাসের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত বিধি প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিধি-৭৫০। এই বিধিসমূহ সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে।
বিধি-৭৫১। (ক) ‘ বন্দী ‘ বলতে শান্তিরক্ষা বা সদাচারের মুচলেকা খেলাপের জন্যে কারাগারে সোপর্দ ব্যক্তিকেও বুঝাবে ।
(খ) ‘শ্রেণী- ১ বন্দী: অর্থ বিষাক্ত ড্রাগ ব্যবসায়ী বা পেশাগত, বংশগত বা বিশেষ দুর্ধর্ষ অপরাধী, বা ডাকাতির মতো জঘন্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত বন্দী।
(গ) ‘শ্রেণী- ২ বন্দী ‘ অর্থ ডাকাতি বা অন্যান্য জঘন্য অপরাধে দণ্ডিত বন্দী, কিন্তু পেশাগত, বংশগত বা বিশেষ দুর্ধর্ষ অপরাধী নয় ।
(ঘ) ‘শ্রেণী- ৩ বন্দী ‘ অর্থ শ্ৰেণী-১ বা শ্রেণী -২ বহির্ভূত বন্দী ।
(ঙ) ‘দণ্ড ‘ বলতে আপীল, রিভিশন বা অন্যভাবে চূড়ান্তকৃত দণ্ড, এবং একাধিক দণ্ডের সমষ্টি এবং শান্তিরক্ষা বা সদাচারের মুচলেকা খেলাপের জন্যে কারাগারে সোপর্দ করার আদেশকেও বুঝাবে ।
(চ) ‘যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী অর্থ (৩০ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত বন্দী)।
টীকা- ধারা ৫৭, দণ্ড বিধি মোতাবেক।
বিধি-৭৫২। অকার্যকর।
বিধি-৭৫৩। নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে সাধারণ রেয়াত পাওয়া যাবে না –
(১) জরিমানা অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড বাদে ৬ মাসের কম মেয়াদের যে কোন প্রকারের কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
(২) বিনাশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে, অবিরাম এক মাসের কম মেয়াদে স্বেচ্ছায় শ্রমে নিয়োজিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতীত ।
নোট- এ বিধির উদ্দেশ্য এই যে, কোন বন্দীর দণ্ডের পরিমাণ ৬ মাসের কম হয় কিংবা আপীলের মাধ্যমে মোট দণ্ডের পরিমাণ ৬ মাসের কম নির্ধারণ করা হয়, সে সাধারণ রেয়াতের যোগ্যতা থেকে বাদ পড়বে এবং আপীলের রায় ঘোষিত হবার পূর্বে কোন রেয়াত অর্জন করে। থাকলে তা বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে।
বিধি-৭৫৪। কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় দণ্ড বিধির ১৪৭ ১৪৮, ১৫২, ২২৪, ৩০২, ৩০৪, ৩০৪এ, ৩০৬, ৩০৭, ৩০৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩৩২, ৩৩৩, ৩৫২, ৩৫৩ বা ৩৭৭ ধারায় অপরাধ করার কারণে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে বা কোন কারারক্ষী বা কারা কর্মচারী কর্মকর্তাকে আক্রমণ করার কারণে কার মহাপরিদর্শকের অনুমোদনক্রমে দত্ত প্রদানের তারিখ পর্যন্ত অর্জিত রেখা। বাতিল হয়ে যেতে পারে।

বিধি-৭৫৫ । কারা আইনের ৫৯(৩) ধারার অধীনে কোন বন্দীর রেয়াত সুবিধা বাতিল হয়ে গেলে জেল সুপার কারা মহাপরিদর্শকের অনুমতিক্রমে উক্ত বন্দীতে রেয়াত ব্যবস্থায় পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। এ বিধিতে বর্ণিত বন্দীর রেয়াত ব্যবস্থায় পুনরায় অন্তর্ভুক্ত হবার পরবর্তী মাস হতে রেয়াত গণনা শুরু হবে।
বিধি-৭৫৬। সাধারণ রেয়াত নিম্নোক্ত হারে অর্জিত হবে।
(ক) অবিরামভাবে সদাচার এবং কারাগারের বিধি বিধান যথাযথভাবে মেনে চলার জন্যে প্রতিমাসে ২ দিন;
(খ) শিল্প ও অন্যান্য দৈনিক কাজ সঠিকভাবে পালন করার জন্যে প্রতিমাসে ২ দিন ।
ব্যাখ্যা- কোন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী তার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণে কাজ করতে না পারলে,যেমন – আদালতে হাজিরা প্রদান, কারাগার বদলির ট্রানজিটে থাকলে, হাসপাতালে বা কর্মহীন গ্যাংয়ে থাকলে এবং তার আচরণ পূর্ব মাসের ন্যায় চলতি মাসেও রেয়াত প্রাপ্তির যোগ্য হলে পূর্ববর্তী মাসের হারে তাকেও (ব) উপ-বিধি অনুসারে রেয়াত দেয়া হবে।
সে পূর্ব মাসের হারে উপ-বিধি (খ) অনুসারে রেয়াত পাবে যদি সে সময় কারাগারে থাকে; যদি মাসে দুই দিন হারে না হয়। শর্ত থাকে যে, কর্মে অনুপস্থিতি বন্দীর অসদাচরণের জন্যে হলে (খ) উপ-বিধির অধীনে কর্মে অনুপস্থিত সময়ের জন্যে কোন রেয়াত পাবে না। আরে শর্ত থাকে যে, সে যদি হাসপাতালে থাকে বা কর্মহীন গ্যাংয়ে থাকে (খ) উপ- বিধি মোতাবেক রেয়াত পাবে না, যদি মেডিকেল অফিসার এ মর্মে প্রত্যায়ন না। করেন যে, কাজ হতে বন্দীর অনুপস্থিতির কারণ তার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত ছিল এবং কাজ হতে বিরত থাকার বা হাসপাতলে ভর্তি হবার ব্যাপারে সে কোন চেষ্টা করেনি।
নোট-“হাসপাতাল” বলতে মানসিক হাসপাতালকেও বুঝাবে ।
বিধি- ৭৫৭। বিধি ৭৫৬ মোতাবেক রেয়াত অনুমোদন সত্ত্বেও, কয়েদী কারারক্ষী ৮ দিন, কয়েদী নৈশ প্রহরী ৭ দিন, কয়েদী ওভারশিয়ার ৬ দিন এবং কয়েদী নৈশ-ওয়াচম্যান ৫ দিন হারে প্রতি মাসে সাধারণ রেয়াত পাবে।
বিধি-৭৫৮ । বন্দীকে দণ্ড প্রদানের পরবর্তী পঞ্জিকা মাসের ১ম দিন থেকে বিধি ৭৫৫ এর শর্তে, বিধি ৭৫৬ এর আওতায় রেয়াত গণনা করা হবে। কোন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী জামিনে মুক্ত হবার বা সাময়িকভাবে তার সাজা স্থগিত থাকার পর পুনরায় কারাগারে (অবশিষ্ট সাজা ভোগের জন্যে) অন্তরীণ হলে রেয়াত সুবিধা পুন:অন্তরীণের পরবর্তী মাসের ১ম দিন হতে গণনা শুরু হবে।
জামিনে মুক্ত হবার পূর্বে অর্জিত রেয়াতও যোগ হবে। বিধি ৭৫৭ অনুসারে কোন বন্দীকে কয়েদী রক্ষী, কয়েদী ওভারশিয়ার বা কয়েদী নৈশ-ওয়াচম্যান নিয়োগ করার পরবর্তী পঞ্জিকা মাসের প্রথম তারিখ হতে রেয়াত গণনা শুরু হবে।
বিধি-৭৫৯। যে সব সাজাপ্রাপ্ত বন্দী কারাগারে বাবুর্চী, সুইপার প্রভৃতি কাজে সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটির দিনেও কাজ করে, এ. বিধিসমূহ মোতাবেক অন্যান্য রেয়াত পাওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে প্রতি কোয়ার্টারে তিন দিন অতিরিক্ত সাধারণ রেয়াত দেয়া যেতে পারে।
ব্যাখ্যা- কারাগারের কাজে নিয়োজিত থাকা কালে প্রতি মাসের শেষে একদিন রেয়াত যোগ হবে।
বিধি-৭৬০। এই বিধিসমূহ মোতাবেক রেয়াতের যোগ্য কোন বন্দী দণ্ডাদেশ প্রাপ্তির পরবর্তী মাসের এক তারিখ হতে এক বছর সময়কাল অতিক্রম করলে এবং কোন কারা অপরাধের জন্যে শাস্তি ভোগের সর্বশেষ তারিখ হতে এক বছর সময়কাল অতিক্রম করলে বা ঐ সময়ে কোন অপরাধ না করলে অন্যান্য অর্জিত রেয়াতের অতিরিক্ত আরও ১৫ দিন সাধারণ রেয়াত পাবে । ব্যাখ্যা- এ বিধির উদ্দেশ্যে শুধুমাত্র সতর্ক করাকে কারা অপরাধের শাস্তি হিসেবে ধরা হবে না।

বিধি-৭৬১। সাধারণ রেয়াত জেল সুপার কর্তৃক প্রদত্ত হবে কিংবা তার নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে বিধি ৭৬২ অনুসারে ডেপুটি সুপার, জেলার কিংবা ডেপুটি জেলার কিংবা বিশেষ ভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা তার পক্ষে প্রদান করতে পারবেন।
বিধি-৭৬২ । কোন কর্মকর্তা সাধারণ রেয়াত প্রদানের পূর্বে বন্দীর হিস্ট্রি টিকেট পর্যালোচনা করবেন, যার মধ্যে বন্দীর প্রত্যেক প্রমাণিত অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। যদি বন্দী ঐ কোয়ার্টারে সতর্ক করণ ব্যতীত অন্য কোন শাস্তি প্রাপ্ত না হয়, তাকে পূর্ণ রেয়াত মঞ্জুর করা হবে।
যদি বন্দী ঐ কোয়ার্টারে সতর্ক করণ ব্যতীত অন্য কোন শাস্তি প্রাপ্ত হয়, তার রেয়াতের বিষয়টি জেল সুপারের নিকট পেশ করতে হবে। জেল সুপার বন্দীর শাস্তি বিবেচেনা করে রেয়াত নির্ধারণ করবেন। বন্দীর হিস্ট্রি টিকেটে রেকর্ডকৃত সকল ত্রৈমাসিক রেয়াতের বিবরণ রেয়াত কার্ডে ( রেজিষ্টার নম্বর ১৮) রেকর্ড করতে হবে।
বিধি-৭৬৩। সাধারণ রেয়াত জানুয়ারী, এপ্রিল, জুলাই এবং অক্টোবর মাসের ১২ তারিখের যথাসম্ভব কাছাকাছি সময়ে গণনা করতে হবে এবং তার পরিমাণ সাজাপ্রাপ্ত বন্দীকে জানাতে হবে এবং বন্দীর হিস্ট্রি টিকেটে রেকর্ড করতে হবে। বিধি ৭৬০ এর অধীনে প্রদত্ত রেয়াত যথাসম্ভব অবিলম্বে হিস্ট্রি টিকেটে রেকর্ড করতে হবে।
বিধি-৭৬৪। যে পঞ্জিকা মাসে সাজাপ্রাপ্ত বন্দী মুক্তি পাবে, সে মাসের জন্যে কোন সাধারণ রেয়াত প্রদান করা হবে না ।
বিধি-৭৬৫ । সাধারণ রেয়াতের যোগ্য হোক বা না হোক, যে কোন সাজাপ্রাপ্ত বন্দীকে বিশেষ কাজের জন্যে বিশেষ রেয়াত দেয়া যেতে পারে । যেমন-
(১) কারাগারের শৃঙ্খলা বা নিয়ম ভঙ্গের কাজ খুঁজে বের করা বা প্রতিরোধে সহায়তা করা;
(২) হস্তশিল্প শিক্ষা প্রদানে কৃতিত্বের জন্যে;
(৩) বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ, বা বিরাট আয় সম্পন্ন ভাল মানের কাজের জন্যে .
(৪) কোন কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যে;
(৫) কোন কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিদ্রোহ, অগ্নিকান্ড বা অনুরূপ জরুরী কাজে সহায়তা করার জন্যে;
(৬) পোশাক ব্যবহারে মিতব্যয়িতার জন্যে;
(৭) { কারাগারের বিধি বিধানের প্রতি মনোযোগ প্রদান এবং পূর্ববর্তী তিন বছরে সতর্ক করণ ব্যতীত অন্য কোন সাজা হিস্ট্রি টিকেটে লিপিবদ্ধ না থাকা । }
নং- ১৬৩৯ এইচ জে তারিখ- ২৯৬-১৯৩৯ মূলে সংযোজিত।
বিধি-৭৬৬। বিশেষ রেয়াত প্রদান করা যেতে পারে-
(১) জেল সুপার কর্তৃক এক বছরে অনধিক ৩০ দিন;
(২) কারা মহাপরিদর্শক বা সরকার কর্তৃক এক বছরে অনধিক ৬০ দিন।
ব্যাখ্যা- এ বিধির উদ্দেশ্যে দত্ত প্রদানের তারিখ হতে বছর গণনা করা হবে এবং বছরের কোন অংশকে পূর্ণ বছর গণ্য করা হবে।
বিধি-৭৬৭। বিশেষ রেয়াত প্রদান করার পর যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি তা বন্দীর হিস্ট্রি টিকেটে লিপিবদ্ধ করতে হবে, এবং জেল সুপার কর্তৃক বিশেষ রেয়াত প্রদানের কারণ সংক্ষেপে হিস্ট্রি টিকেটে লিখতে হবে।
বিধি-৭৬৮। এই বিধিসমূহে কোন বন্দীকে প্রদত্ত মোট রেয়াতের পরিমাণ সরকারের বিশেষ অনুমোদন ব্যতীত দণ্ডের মেয়াদের এক চতুর্থাংশের বেশী হবে না।
বিধি-৭৬৯। সাজাপ্রাপ্ত বন্দীর মুক্তির জন্যে তারিখ গণনার ক্ষেত্রে অর্জিত রেয়াতের দিবস সংখ্যাকে ত্রিশ দিনে একমাস হারে মাস এবং দিনে রূপান্তর করতে হবে।
বিধি-৭৭০। যখন কোন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী-
(ক) একজন শ্রেণী- বন্দী, বা
(খ) একজন একাধিক সাজাপ্রাপ্ত শ্ৰেণী || বা শ্ৰেণী III বন্দী, বা
(গ) একজন এমন বন্দী যাকে সরকারের অনুমতি ব্যতীত মুক্তি দেয়া যাবে না মর্মে নির্দেশ থাকে,
এমন রেয়াত অর্জন করেছে যে, সে মুক্তি লাভের যোগ্য হয়েছে, তখন এ বিধির নিয়মের কারণে জেল সুপার সরকারের নিকট প্রতিবেদন প্রদান করবেন যে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার আলোকে তার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
বিধি-৭৭১। যখন কোন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী রেয়াত অর্জনের ফলে মুক্তি লাভের যোগ্য হয়, তখন ৭৭০ বিধি ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে জেল সুপার তাকে মুক্তি প্রদান করবেন।
বিধি-৭৭২ । যখন বিধি ৭৭১ মোতাবেক কোন বন্দী মুক্তি লাভ করে, তখন তার ওয়ারেন্টে অর্জিত রেয়াতের মোট পরিমাণ উল্লেখ করে জেল সুপার তাতে স্বাক্ষর করবেন।
বিধি-৭৭৩। কোন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী অন্য কারাগারে বদলি হলে পূর্ব মাসের শেষ পর্যন্ত তার অর্জিত রেয়াতের বিবরণী তার ওয়ারেন্টে এবং হিস্ট্রি টিকেটে উল্লেখ করতে হবে এবং জেল সুপার কর্তৃক স্বাক্ষর করতে হবে।
যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কিনা সে ব্যপারে গ্রহণকারী কারাগার দায়ী থাকবেন। যে সকল কারাগারে বন্দী তার দণ্ডের অংশ ভোগ করেছে সে সব কারাগার তার অর্জিত রেয়াত সঠিক ভাবে গণনার জন্যে দায়ী থাকবে।
বিধি-৭৭৪। যে সব সাজাপ্রাপ্ত বন্দী মুক্তি পেয়ে যাবে তাদের রেয়াত কার্ড (জেল ফরম-১৮) এক বছর কারাগারে সংরক্ষণ করতে হবে। কোন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী অন্য কারাগারে বদলি হলে বদলির তারিখ পর্যন্ত তার অর্জিত রেয়াতের বিবরণ সহ রেয়াত কার্ড সঙ্গে প্রেরণ করতে হবে।
বিধি-৭৭৫। পূর্বে বর্ণিত রেয়াত ব্যবস্থার একটি সংক্ষিপ্ত সার ৩৬ নম্বর জেল ফরমে প্রত্যেক ব্যারাকে লাগিয়ে দিতে হবে।
বিধি-৭৭৬। সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদেরকে কয়েদী ওয়াচম্যান, কয়েদী ওভারশিয়ার এবং কয়েদী কারারক্ষী পদে নিয়োগের উপর তাদের অর্জিত রেয়াতের পরিমাণ নির্ভর করে। এসব পদ এবং সুযোগ কারা আইনের ৪৬(৪) ধারায় বর্ণিত “রেয়াত ব্যবস্থার অধীনে সুযোগ” এর আওতায় পাওয়া যায়।
বিধি ৭৭৭-৭৭৮। অকার্যকর
বিধি ৭৭৯-৭৮১। রেয়াত কার্ড লিখার পদ্ধতি।