উকিল নোটিশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

উকিল নোটিশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

উকিল নোটিশ (Legal Notice) এক ধরনের সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি। কোনো ব্যক্তি দ্বারা মৌখিক, লেখালেখি বা আর্থিক অথবা অন্য যেযকোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সংক্ষুব্ধ ব্যাক্তি উকিল নোটিশ (Legal Notice) দিতে পারেন। কারো বিরুদ্ধে মামলা করার আগে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে এ নোটিশ দিতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নোটিশের জবাব না এলে, বা জবাব সন্তুষ্টিজনক না হলে মামলা দায়ের করতে হয়।

 

উকিল নোটিশ

উকিল নোটিশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

 

Notice শব্দের অর্থ সতর্কীকরণ এবং সংবাদজ্ঞাপন। তাহলে, সাধারণত উকিল নোটিশ (Legal Notice) বলতে বোঝায়, যখন নোটিশ-দাতা একজন বিজ্ঞ উকিল বা আইনজীবীর মাধ্যমে কোন নোটিশ গ্রহীতাকে অর্থাৎ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কোন অভিযোগ জানায়, বা, দায়িত্ব পালনের জন্য আহবান জানায়, বা, কোন অধিকার খর্ব হয়েছে কিংবা হবার উপক্রম হয়েছে সেটা জানায়, এবং সেটা করতে ব্যর্থ হলে তর্কিত বিষয় নিয়ে মোকদ্দমা দাখিল করার আগাম বার্তাও জানায়। উকিল নোটিশকে Legal Notice, এডভোকেট নোটিশ, আইনী নোটিশ ও আইনী বিজ্ঞপ্তি-ও বলা হয়।

মনে রাখবেন উকিল নোটিশ বা Legal Notice কোন মামলা নয়। উকিল নোটিশ (Legal Notice)-কে মামলা বা কোন আইনী প্রক্রিয়ার পূর্ব পদক্ষেপ বলা যেতে পারে।

উকিল নোটিশ কি ?

কতিপয় মামলার কার্যক্রম শুরুর আগে প্রতিপক্ষকে উকিল নোটিশ দিতে হয়। সাধারণত মামলার বাদীপক্ষ নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে এই নোটিশ প্রেরণ করে। আপনি যার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেছেন সে ব্যক্তি যদি লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখিত বিষয়বস্তুর সমাধান উল্লেখিত নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে না করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোন আইনে এবং কোন ধারায় মামলা করা হবে, সবকিছু সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকে৷

লিগ্যাল নোটিশ বা উকিল নোটিশ হলো কোন সংস্থা বা ব্যাক্তিকে এমন কোন বিষয়ে আইনগত ভাবে আইনজীবীর মাধ্যমে অবহিত করা যা পালন না করলে নোটিশদাতা নোটিশ গ্রহিতার বিরূদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন মর্মে ঘোষনা দেন। এই রূপ লিগ্যাল নোটিশ মূলত কারো বিরূদ্ধে কোন আইনী পদক্ষেপ গ্রহনের চুড়ান্ত সংকেত। এবং এর উদ্দেশ্য হলো নোটিশ গ্রহিতাকে নোটিশে উল্লিখিত বিষয় সর্ম্পকে অবহিত করা। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে উৎসাহিত করা

উকিল নোটিশের সময়:

উকিল নোটিশে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে বলা হয়, নির্দিষ্ট এই সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নোটিশে কত দিন সময় দিতে হবে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে সরকার প্রতিপক্ষ হলে এক মাস সময় দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অন্যদের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা থেকে এক মাস পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এর পর সরকারি ডাকযোগে প্রতিপক্ষকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা বরাবর পাঠাতে হয়।

সবসময় মনে রাখবেন আপনি যে বিষয়ে বিরোধ উত্থাপন করছেন এবং ওই বিরোধের প্রতিকার যে আইনের অধীনে দাবি করছেন বা যে আইনে মামলা করবেন বলে ভাবছেন, সে আইনে যদি নির্দিষ্টভাবে বলা থাকে লিগ্যাল নোটিশে কতদিন সময়সীমা প্রদান করতে হবে? তাহলে আইনে উল্লেখিত ওই নির্দিষ্ট সময় অবশ্যই দিতে হবে প্রতিপক্ষকে৷

ধরুন – আপনি যদি চেক ডিজঅনারের মামলা করতে চান, তাহলে নেগোসিয়েটেবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট অনুযায়ী আপনাকে অবশ্যই মামলা করার আগে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাতে হবে এবং লিগ্যাল নোটিশে প্রতিপক্ষকে বা যার বিরুদ্ধে মামলা করতে চান তাকে ৩০ দিন সময় প্রদান করতে হবে৷ লিগ্যাল নোটিশে এই সময় প্রদানের মাধ্যমে যার বিরুদ্ধে মামলা করতে চান তাকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে, যাতে সে লিগ্যাল নোটিশের উল্লেখিত বিরোধের নিষ্পত্তি করতে পারে৷ আর যদি সে এই ৩০ দিনের মধ্যে টাকা প্রদান না করে বা বিরোধটি নিষ্পত্তি না করে, তাহলে এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আপনি মামলা করতে পারবেন৷

 

 

উকিল নোটিশ (Legal Notice) কাকে দেওয়া যায়:

Legal Notice যে কোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া যায়। এখানে কোন সীমাবদ্ধতা রাখা হয় নি। এর একটি উদাহরণ দিচ্ছি। বিগত ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে গ্রামীণফোনের অধিকাংশ শেয়ারের মালিক টেলিনর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বরাবর লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করে।

 

উকিল নোটিশ (Legal Notice) দিতে কত টাকা লাগে:

Legal Notice লিখতে কত লাগবে সেটা নির্ভর করবে বিজ্ঞ আইনজীবীর ওপর। সাধারণত ঘটনার জটিলতা, গুরুত্ব ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে একজন বিজ্ঞ আইনজীবী তার ফি নির্ধারণ করেন।

 

উকিল নোটিশ (Legal Notice) দেবার জন্য কি লাগে:

উকিল নোটিশ দিতে হলে নিম্নোক্ত তথ্য সংগ্রহ করুন –

  • আপনার পূর্ণ নাম, বাবার নাম ও ঠিকানা
  • যার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাবেন তার পূর্ণ নাম, বাবার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর
  • ঘটনার পূর্ণ বিবরণ
  • ঘটনার সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

এই তথ্যগুলো নিয়ে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন। তার সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

উকিল নোটিশ পেলে করণীয়:

আপনার নামে কেউ উকিল নোটিশ পাঠালে আপনার তাৎক্ষণাত করণীয় হচ্ছে সে নোটিশের জবাব দেয়া। কেননা, নোটিশের জবাব না দিলে পরবর্তীতে মামলার বিচারকালে অনুমান সৃষ্টি হয় যে আপনি নোটিশের বিষয় স্বীকার করে নিয়েছে। আমাদের কাছে ওয়েব সাইট এবং ফেইসবুকে মাধ্যমে আসা বিভিন্ন কাজের মধ্যে উকিল নোটিশ এর কাজ সবচেয়ে বেশী পরিমানে আসে।

 

উকিল নোটিশের পরে মামলা দায়ের:

উকিল নোটিশ পাঠানোর পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উকিল নোটিশের সঠিক জবাব বা প্রতিকার না পেলে নোটিশ প্রেরণকারী আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে মামলা করতে পারবেন। নোটিশে উল্লেখ করা সুনির্দিষ্ট মেয়াদের আগে মামলা করা যায় না।

উকিল নোটিশ ও মামলার জন্য আইনজীবী:

দক্ষ আইনজীবীকে দিয়ে উকিল নোটিশ দেয়া উচিৎ। উকিল নোটিশ প্রেরণের ক্ষেত্রে আইনজীবীকে ফি দিতে হয়। অধিকাংশ আইনজীবী দায়মুক্তির জন্য উকিল নোটিশ দেওয়ার আগে ওকালতনামায় স্বাক্ষর নেন। তবে উকিল নোটিশের সঙ্গে আদালতের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মামলা পরিচালনার জন্য যেকোনো আইনজীবীর কাছেই যাওয়া যেতে পারে।আইনজীবীরা বিভিন্ন ধরনের মামলা পরিচালনায় দক্ষতা অর্জন করেন। কাজেই কোন আইনজীবী কোন বিষয়ে দক্ষ, সেটি জেনে আইনজীবী বাছাই করা ভালো।

মামলার খরচ

মামলায় খরচ হয় সাধারণত দুই ভাবে। একটি আইনজীবীর ফি বাবদ, অন্যটি দাপ্তরিক খরচ বাবদ। আইনজীবীর ফির অঙ্ক নির্দিষ্ট নয়। বিভিন্ন আইনজীবী নানা ধরনের মামলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন অঙ্কের ফি নেন। স্বাভাবিকভাবেই জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের ফির অঙ্কটা বেশি হয়। মামলার ধরণ বুঝে দাপ্তরিক খরচ নির্ধারিত হয়।

মামলা শুরু করা

এ কাজটি আইনজীবী বা তার সহকারী করে থাকেন। কোর্ট অফিসে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করলে সেখানে একটি নম্বর দেওয়া হয়। এর পর কোর্টের একটি বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করাতে হয়। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর কার্যতালিকা অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে শুনানি সম্পন্ন করা হয়। মামলার একাধিক দিন শুনানি হতে পারে। প্রতিপক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য সময় দেওয়া হতে পারে। তবে এর মাঝে বেঞ্চ ভেঙে দেওয়া হলে পুনরায় অন্য একটি বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। এ কার্যতালিকাকে কজলিস্ট বলা হয়।

 

উকিল নোটিশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

 

উকিল নেটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ লেখার নমুনা ১-

“আইনগত বিজ্ঞপ্তি”
প্রাপকঃ মোঃ নুরুল আলম
পিতা-মোঃ মাহফুজ আলম
গ্রামঃ দরবারপুর, দিনাজপুর

প্রেরকঃ মোঃ মোখলেসুর রহমান
পিতাঃ সামসুর রহমান
গ্রামঃ মিঠাপুকুর, দিনাজপুর

এর পক্ষেঃ
মোঃ গোলাম মোস্তফা ফারুকী
এডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, দিনাজপুর

জনাব,
আমার মক্কেল যিনি নোটিশ দিচ্ছেন তার অনুরোধে আমি দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে আপনার অবগতির জন্যে জানাচ্ছি যে,আপনি আমার মক্কেলের নিকট দিনাজপুরের বাড়ববাজার সংলগ্ন এলাকায় ৫০,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে ৩০ শতক জমি বিক্রয় করিতে ইচ্ছা প্রকাশ করিয়াছেন। এরই ধারাবাহিকতায়, আপনি চুক্তিবদ্ধ টাকার ২০% অগ্রীম হিসেবে দাবী করেছিলেন এবং আমার মক্কেল জমির রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনাকে সেই টাকা দিয়ে দেয় এবং বাকি টাকা দেয়ার জন্য কয়েকসপ্তাহ সময় চেয়ে নেয়। কিন্তু এর তিনদিন পরেই কাগজপত্রের জালিয়াতিসহ জমির বিষয়ে নানান ধরনের জটিলতা শুরু হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় আপনার আত্মসাৎকৃত টাকা উদ্ধার করার নিমিত্তে আমি আমার মক্কেলের তরফ হইতে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করছি। উক্ত বিষয়ে আপনি যদি ১০ কর্মদিবসের মধ্যে টাকা ফেরত দেয়া সংক্রান্ত কোন পদক্ষেপ এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন, তবে আপনার বিরুদ্ধে এন. আই এক্টের ১৩৮ ধারা মোতাবেগ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে আমার মক্কেল বাধ্য হবেন।

বিঃদ্রঃ ভবিষ্যৎ কার্যার্থে লিগ্যাল নোটিশটির এক কপি আমার নিকট সংরক্ষিত থাকবে।

ধন্যবাদান্তে-
মোঃ…………
এডভোকেট
মোঃ গোলাম মোস্তফা ফারুকী
জেলা ও দায়রা জজ,দিনাজপুর

 

উকিল নেটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ লেখার নমুনা ২-

হইতে,
মোঃ ক
এডভোকেট
গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন
হল রুম নং -৬
জর্জ কোট,গাজীপুর।

প্রেরক
মোঃ আতর আলী , পিতা- রুস্তম আলী, মাতা মোসাঃ হোসনা আক্তার,স্থায়ী ঠিকানা-গ্রাম- রহমতগঞ্জ, ডাকঘর-উস্থি, থানা-গফরগাঁও,জেলা- গাজীপুর, বর্তমান ঠিাকানা-উত্তর ছায়াবিথী, জয়দেবপুর, গাজীপুর। ———— লিগ্যাল নোটিশ দাতা।

প্রাপক,
মোসাঃ কল্পনা বেগম, পিতা- হোসেন, মাতা- নূরআক্তার, সাং- লাখোঘাট, ডাকঘর- ভাঙ্গাটিয়া, থানা- হোসেনপুর, জেলা- কিশোরগঞ্জ। ———— লিগ্যাল নোটিশ গ্রহিত্রী।

বিষয়ঃ স্ত্রীকে স্বামী গৃহে ফিরে আশার জন্য লিগ্যাল নোটিশ্।

জনাব,
আমি আমার উপরোক্ত মোয়াক্কেল মোঃ মোশারফ হোসেন কর্তৃক আদৃষ্ট ও ক্ষমতা প্রাপ্ত হইয়া মোসাঃ কল্পনা বেগম আপনাকে এই মর্মে অভিহিত করিতেছি যে,
১। যেহেতু আমার মোয়াক্কেলের সাথে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আপনার সহিত বিবাহ হয় বটে। বিবাহের পর হইতে আপনি নোটিশ গ্রহিত্রী নোটিশ দাতার সংসারে সুখে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করিয়া আসিতেছেন এবং আমার মোয়াক্কেল ও আপনার সংসারে দুইজন পুত্র সন্তান রয়েছে। বিগত ১৫/০২/২০১৫ তারিখে আমার মোয়াক্কেল কাজের প্রয়োজনে ঘরের বাহিরে গেলে এবং তার পুত্র স্কুলে চলিয়া গেলে আপনার বাপের বাড়ীর লোকজনের কু পরামর্শ মতে আপনি এই সুযোগে আমার মোয়াক্কেলের ঘরে রাখা নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা এক ভরি ওজনের একটি স্বর্ণে চেইন,একটি আঙটি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সহ মোয়াক্কেলের কোলের সন্তানকে রাখিয়া আপনার বাপের বাড়ী আসিয়া পড়েন।

আপনার সহিত আমার মোয়াক্কেলের কোন ঝগড়া বিবাদ, মারা মারি ও কথা কাটা কাটি পর্যন্ত হয় নাই। পরবর্তীতে আমার মোয়াক্কেল আপনার পরিবারের লোকজনকে ও আপনি নোটিশ গ্রহীতাকে আমার মোয়াক্কেলের সাথে জঘন্য খারাপ ব্যহার করেন এবং উপরোল্লেখিত টাকা ও সোনা গহনা দাবী করলে আমার ও আমার সন্তানের জানের ক্ষতি করবেন বলে হুমকি দেন।

২। যেহেত আপনি আমার মোয়াক্কেলেল বিবাহিতা স্ত্রী বটে। মুসলিম শরিয়াতের বিধান মোতাবেক প্রত্যেক স্ত্রী তাহার স্বামীর নির্দেশে পরিচালিত হইবেন এবং তাহার আদেশ নির্দেশ পরিচালিত হইবেন এবং তাহার আদেশ নির্দেশ মানিয়া মুসলিম শরিয়াতের বিধান মোতাবেক জীবন যাপন করিবেন ইহাই কাম্য। কিন্তÍ আপনি আমার মোয়াক্কেলের কোন কথারই কর্ণপাত করিতেছেনা। তাহার কথাকে অমান্য করিয়া তাহাকে স্বামীর অধিকার হইতে বঞ্চিত করিয়া নিজের ইচ্ছায় চলাফেরা করিতেছেন।

৩। অত্র নোটিশ প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে স্বামী গৃহে ফিরিয়া আসিবেন অন্যথায় নোটিশ দাতা আপনার বিরদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হইবেন। এরূপ ক্ষেত্রে সকল পরিনতি জন্য আপনি নিজেই দায়ী থাকিবেন।

(বিঃদ্রঃ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহনের জন্য অত্র নোটিশের ১ কপি আমার সেরেস্তায় জমা রহিল)।

ধন্যবাদান্তে

মোঃ ক
এডভোকেট
গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন
হল রোম নং -১২,জর্জ কোট,গাজীপুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *